Tag: bangla news

bangla news

  • Garulia: গারুলিয়ায় বিজেপি নেতার বাড়িতে ভাঙচুর, প্রাণনাশের হুমকি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Garulia: গারুলিয়ায় বিজেপি নেতার বাড়িতে ভাঙচুর, প্রাণনাশের হুমকি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি নেতার বাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে গারুলিয়া (Garulia) পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডের দেশবন্ধু নগরে। আক্রান্ত বিজেপি নেতার নাম ধনঞ্জয় মালো। ইতিমধ্যেই তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Garulia)

    দলীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ধনঞ্জয় মালো বিজেপির নোয়াপাড়া (Garulia) মণ্ডলের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, “আমার ছেলে অসুস্থ। ফলে, সোমবার সকাল সকাল শুয়ে পড়়েছিলাম। রাতে আচমকা তৃণমূলের লোকজন আমার বাড়িতে চড়াও হয়। বাড়ির মেন গেট ভাঙচুর করতে থাকে। আওয়াজ শুনে আমি বা়ড়ির বাইরে বেরিয়ে আসি। সেই সময় বাইরের আলো জ্বালতেই দেখি, তৃণমূলের লোকজন বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে। আমি ঘর থেকে বের হতেই, ওরা চলে যায়। মঙ্গলবার সকালে দেখি, আমার বাড়ির গেট ভাঙচুর করে একটি গেট নিয়ে চলে গিয়েছে। এদিন সকালে দলের এক কর্মী আমাদের বাড়িতে আসেন। এরপরই ওই কর্মীর দোকানে এদিন সকালে ভাঙচুর করা হয়। ফলে, তৃণমূল এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে। পুলিশে অভিযোগ জানালে একজনকে গ্রেফতার করা হয়। এদিন সকালে কয়েকজন ফের আমার কাছে এসে থানা থেকে কেস তুলে নেওয়ার জন্য বলে। নাহলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পরিবারের লোকজন।”

    আরও পড়ুন: মন্ত্রক বদলাল না শান্তনুর, মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েই জোড়া দায়িত্ব সুকান্তর

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা

    বিজেপির বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি মনোজ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এটা তৃণমূলের কালচার। দলীয় নেতার বাড়িতে হামলা চালানোর পাশাপাশি খুনের হুমকি দিচ্ছে তৃণমূলের লোকজন। আমরা আক্রান্ত নেতার পরিবারের পাশে রয়েছি। গারুলিয়া (Garulia) পুরসভার চেয়ারম্যান রমেন দাস বলেন, আমি বিষয়টা শুনেছি, যারা তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ভাঙিয়ে এই ধরনের ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করছে দল তাদের পাশে থাকবে না। দল এই ধরনের কাজ বরদাস্ত করে না। তবে, যতদূর জানি, এটা একটা পারিবারিক ঘটনা। তৃণমূল এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। দলের নামে মিথ্যা অভিযোগ এনে বদনাম করার চেষ্টা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Reasi Terror Attack: জড়িত স্থানীয় এক গাইডও! রিয়াসিতে হামলার দায় স্বীকার পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি-গোষ্ঠীর

    Reasi Terror Attack: জড়িত স্থানীয় এক গাইডও! রিয়াসিতে হামলার দায় স্বীকার পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি-গোষ্ঠীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু কাশ্মীরের রিয়াসিতে (Reasi Terror Attack) পুণ্য়ার্থী বোঝাই বাসে হামলার ঘটনায় জড়িত ৪ বিদেশি জঙ্গি। জঙ্গিদের সঙ্গে জড়িত ছিল স্থানীয় এক গাইডও, অনুমান তদন্তকারীদের। কাশ্মীরে (Jammu and Kashmir) পুণ্যার্থীদের বাসে হামলার ঘটনায় জড়িত জঙ্গিদের ধরতে জোরালো তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে ভারতীয় সেনা। রিয়াসি জেলার বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এই হামলার তদন্তভার ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র হাতে তুলে দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

    ঘটনায় জড়িত ৪ বিদেশি জঙ্গি

    জম্মু কাশ্মীরের রিয়াসিতে পুণ্য়ার্থী (Reasi Terror Attack) বোঝাই বাসে হামলার ঘটনায় জড়িত ৪ বিদেশি জঙ্গি। ওই জঙ্গিরা সীমান্ত পেরিয়েই এদিকে এসেছে বলে খবর। তদন্তকারীরা স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে দজানতে পেরেছে ওই জঙ্গিদের সঙ্গে জড়িত ছিল স্থানীয় এক গাইডও। বাসে হামলার সময় ওই ৪ জঙ্গি ছাড়াও আরও ২ জন জঙ্গি তাদের সঙ্গে ছিল। এক স্থানীয় গাইড তাদের জঙ্গলে লুকিয়ে থাকতে সাহায্য করেছিল। তদন্তে জানা গেছে, বাসটি খাদে পরে যাওয়ার পরও এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়েছিল জঙ্গিরা। এলাকায় এখনও নিরাপত্তা বাহিনীর যৌথ তল্লাশি অভিযান চলছে। 

    ঘটনার দায় স্বীকার

    সূত্রের দাবি, এই ঘটনায় মনে করা হচ্ছে পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার যোগ রয়েছে। রিয়াসিতে (Reasi Terror Attack) হামলার দায় স্বীকার করেছে, পাকিস্তানি মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট  বা টিআরএফ। এটি পাক জঙ্গি গোষ্ঠী লস্কর তৈবারই শাখা, ভারতে একটি নিষিদ্ধ সংগঠন। ওই জঙ্গি সংগঠন ভবিষ্যতেও এমন ঘটনা ঘটিয়ে যাবে বলে হুমকি দিয়েছে। তাদের তরফে এক বার্তায় বলা হয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu and Kashmir) পর্যটকদের উপর এমন হামলা চলতেই থাকবে।  রিয়াসি হামলা দিয়ে তা শুরু। এই বার্তা পেয়ে ভূস্বর্গে অত্যন্ত সক্রিয় হয়েছে এনআইএ। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা জঙ্গিদের খোঁজে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে। 

    আরও পড়ুন: ‘‘যুদ্ধ করতে বাধ্য করছে পাকিস্তান’’! কাশ্মীরে জঙ্গি হামলার তদন্তে এনআইএ

    চলছে তল্লাশি অভিযান

    রবিবার সন্ধ্যায় রিয়াসি (Reasi Terror Attack) জেলায় একটি মন্দির থেকে ফেরা পুণ্যার্থীদের বাসে হামলা চালায় জঙ্গিরা। বাসটি যখন শিব খোরি মন্দির থেকে বৈষ্ণোদেবী মন্দিরের বেস ক্যাম্পের দিকে ফিরছিল, তখন ঘটনাটি ঘটে। জঙ্গলে লুকিয়ে থাকা জঙ্গিরা পুণ্যার্থীদের বাস লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে। বাসচালক গুলিবিদ্ধ হওয়ায় ভারসাম্য হারিয়ে বাসটি খাদে পড়ে যায়। পুলিশ সূত্রে খবর, সেই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছেন ৩৩ জন। ওই হামলায় জড়িত জঙ্গিদের খুঁজে বার করতে ঘটনাস্থলের আশপাশের এলাকা তন্ন তন্ন করে খুঁজে দেখা হচ্ছে। কাছের জঙ্গলে জঙ্গি ডেরা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে। ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি (এফএসএল)-র একটি দলও এই অভিযানে যোগ দিয়েছে। এলাকায় এলাকায় চলছে নাকা চেকিং। মনে করা হচ্ছে, গত মাসে রাজৌরি এবং পুঞ্চ (Jammu and Kashmir) এলাকায় হামলার ঘটনাতেও যুক্ত ছিল এই জঙ্গিরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Crisis of Hilsa: জামাই ষষ্ঠীতে মন্দার বাজার তাজা ইলিশের!

    Crisis of Hilsa: জামাই ষষ্ঠীতে মন্দার বাজার তাজা ইলিশের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জামাই ষষ্ঠীতে এবছর টাটকা ইলিশের আকাল (Crisis of Hilsa)। মৎস্যজীবী ও ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এই সময় সাময়িক ভাবে সমুদ্রে মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাই জামাইয়ের পাতে ইলিশ হয়তো এক বছরের পুরনো থাকবে। উল্লেখ্য বাঙালির জামাই ষষ্ঠীতে ইলিশ না থাকলে যেন পার্বণের আমেজ থাকে না। ষষ্ঠীর প্রধান অলঙ্করণ হল, জামাইয়ের এক হাতে আস্ত ইলিশ এবং অপর হাতে দই-মিষ্টির হাঁড়ি। এই বছরে তাই ভোজন রসিক বাঙালির পাতে তাজা ইলিশের জোগান তেমন মিলবে না।

    গভীর সমুদ্রে গিয়ে মাছ ধরা নিষিদ্ধ (Crisis of Hilsa)

    গত ১৪ এপ্রিল থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলের সমুদ্রে মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর কারণ হল-এই সময় মাছের প্রজনন হয়। তাই, সরকারের তরফে প্রতি বছর এই ৬০-৬১ দিন বন্ধ থাকে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে পাড়ি দেওয়া। ফলে এই সময়সীমা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও ভাবেই মৎস্যজীবীরা গভীর সমুদ্রে গিয়ে মাছ ধরতে পারবেন না। দিঘা, শঙ্করপুর, পেটুয়া, নন্দীগ্রাম, কোলাঘাটে রূপনারায়ণের পাড়ে হাজার হাজার ট্রলার দাঁড়িয়ে রয়েছে। যদিও বর্ষা এখনও ভালো করে অনুকূল হয়নি, তাই ইলিশের মরসুম তেমন ভাবে শুরু হয়নি। ১২ জুন জামাই ষষ্ঠী, তাই কোনও ভাবেই মৎস্যজীবীরা তাজা ইলিশের (Crisis of Hilsa) সন্ধান দিতে পারছেন না। মৎস্য ব্যবসায়ীরাও মাছ বিক্রির আশা থেকে বঞ্চিত।

    মৎস্যজীবীদের বক্তব্য

    দিঘা মোহনা ফিশারম্যান অ্য়ান্ড ফিশ ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রণবকুমার কর বলেছেন, “মাছ ধরা শুরু হয়নি। তাই জামাই ষষ্ঠীতে তাজা ইলিশের (Crisis of Hilsa) আমদানি হচ্ছে না।” কাঁথির সুপার মার্কেটের মাছের আড়তদার প্রদীপ বর্মন বলেছেন, “এখনও এই বছরের ইলিশ মাছ ধরা শুরু হয়নি। মৎস্যজীবীরা কেবল প্রস্তুতি শুরু করেছেন।” আবার ফিশ ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অতুলচন্দ্র দাস বলেন, “কলকাতা এবং আশেপাশের ৫টি হিমঘরে নামখানা, ডায়মন্ড হারবার, দিঘার ইলিশ রয়েছে। তবে সেগুলি সবই একবছর আগেকার।”

    আরও পড়ুন: রানিগঞ্জের পর এবার ডোমজুড়ে বন্দুক দেখিয়ে সোনার দোকানে ডাকাতি!

    বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য

    ইলিশ (Crisis of Hilsa) গবেষকরা জানিয়েছেন, “পুবালি বাতাস আর ঝিরিঝিরি বৃষ্টি হালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ে সমুদ্রে। বর্ষায় নিম্নচাপ তৈরি হলে এই ধরণের পরিবেশ তৈরি হয়। আবহাওয়া সেই রকম তৈরি না হওয়ায়, অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amrit Bharat Express: ৭০০টি অমৃত ভারত রেল ইঞ্জিনের মধ্যে ১০০টি তৈরি হবে চিত্তরঞ্জনে

    Amrit Bharat Express: ৭০০টি অমৃত ভারত রেল ইঞ্জিনের মধ্যে ১০০টি তৈরি হবে চিত্তরঞ্জনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে ভারতের অগ্রগতির সঙ্গে ভারতীয় রেলেরও নবজাগরণ হয়েছে। রেল ব্যবস্থায় অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের থেকে পিছিয়ে নেই ভারত। ইতিমধ্যে বন্দে ভারত, অমৃত ভারত-এর মতো বহু ট্রেন পেয়েছে দেশ। এর সঙ্গেই চলছে আগামী দিনের প্রস্তুতি, কীভাবে এই রেল ব্যবস্থাকে আরও বিশ্বমানের করা যায়, তারই চিন্তাভাবনা এবং পরিকল্পনা। তার জন্য বর্তমানে আমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের অধীনে নাম নথিভুক্ত করেছে ভারতের বহু রেল স্টেশন। তাছাড়াও জোর দেওয়া হয়েছে ভারতে ভবিষ্যতে কীভাবে আরও হাই স্পিড ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো যেতে পারে, তার ওপর। আর এই উদ্দেশ্যেই এবার বেছে নেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের চিত্তরঞ্জন রেল ইঞ্জিন কারখানাক। এবার এখান থেকেই তৈরি হবে অমৃত ভারত ট্রেনের হাই স্পিড ইঞ্জিন (Amrit Bharat Express)। আর তারই বরাত দেওয়া হয়ে গিয়েছে এই রেল ইঞ্জিন কারখানাকে। জানানো হয়েছে, চলতি অর্থবর্ষেই বরাত পাওয়া ইঞ্জিনগুলি তৈরি করে রেল মন্ত্রকের হাতে তুলে দেওয়া হবে। কারখানা কর্তৃপক্ষ থেকে শুরু করে শ্রমিক সংগঠনগুলি এই বরাত পাওয়াতে খুবই গর্ববোধ করেছেন। আর এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য নতুন শ্রমিক নিয়োগের আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা।

    কতগুলি অমৃত ভারত ইঞ্জিন তৈরি হবে? (Amrit Bharat Express)

    অনেকদিন ধরেই মানুষের দাবি ছিল, বন্দে ভারতের মতো আরও এক ট্রেনের, যাতে সমস্ত শ্রেণির মানুষ উঠতে পারবে, আবার বন্দে ভারতের মতো উচ্চ গতিও উপভোগ করবে। সেই লক্ষ্যেই রেল মন্ত্রকের সহায়তায় অমৃত ভারত ট্রেন চালু করা হয়, যা বন্দে ভারতের থেকে কম স্বাচ্ছন্দ্যযুক্ত, কিন্তু বন্দে ভারতের মতোই উচ্চগতি সম্পন্ন। বর্তমানে এই অমৃত ভারতের মতো ইঞ্জিনের সংখ্যা আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে এই ইঞ্জিন তৈরির বরাত (Amrit Bharat Express) ভারতের অন্যতম বৃহত্তম রেল ইঞ্জিন কারখানা চিত্তরঞ্জনকে দেওয়া হয়েছে। এই কারখানার সিনিয়র ডেপুটি ম্যানেজার প্রমোদ ক্ষেত্রী বলেন, “আমরা এই ধরনের ইঞ্জিন মোট ১০০টির বরাত পেয়েছি। ইতিমধ্যেই এই ইঞ্জিন তৈরি করার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। এই ইঞ্জিন তৈরিতে যে ধরনের কারিগরি কৌশল ব্যবহার করা হয়, ঠিক সেই অনুযায়ী তৈরি হবে।

    অন্যান্য ইঞ্জিনের থেকে অনেকাংশেই আলাদা (Amrit Bharat Express) 

    অন্যান্য সাধারণ ইঞ্জিনের থেকে অনেকাংশেই আলাদা এই অমৃত ভারত ইঞ্জিন। রেল ইঞ্জিন কারখানার ইঞ্জিনিয়ারদের কাছ থেকে জানা গিয়েছে এই ইঞ্জিন প্রায় দশ হাজার অশ্বশক্তি ক্ষমতা সম্পন্ন। ট্রেনের সামনে এবং পিছনে দুই দিকেই এই ইঞ্জিন থাকবে। এই দুটি ইঞ্জিনকে (Amrit Bharat Express) একজন চালকই এক সঙ্গে একই সময়ে পরিচালনা করতে পারবেন। এই ইঞ্জিনগুলি যেমন দ্রুতগতিতে ছুটতে পারে, ঠিক তেমনভাবে দ্রুত থামতেও সক্ষম। রেল মন্ত্রকের তরফ থেকে জানা গিয়েছে, চলতি অর্থবর্ষে প্রায় ৭০০টি অমৃত ভারত রেল ইঞ্জিন তৈরি করা হবে। তার মধ্যে ১০০ টি তৈরি করবে চিত্তরঞ্জন রেল কারখানা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Awas Yojana: পিএম আবাস যোজনায় আরও ৩ কোটি বাড়ি, সিদ্ধান্ত মোদি মন্ত্রিসভার

    PM Awas Yojana: পিএম আবাস যোজনায় আরও ৩ কোটি বাড়ি, সিদ্ধান্ত মোদি মন্ত্রিসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার সন্ধেয় নিয়েছিলেন শপথ। তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী পদে বসেই সোমবার প্রথম সাউথ ব্লকে অফিসে যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে তিনি প্রথম পিএম কিষান যোজনার ফাইলে সই করেন। এদিনই অনুমোদন করেন পিএম আবাস যোজনার (PM Awas Yojana)। এদিনই বসেছিল নয়া মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক। সেখানেই তিন কোটি গ্রামীণ ও শহুরে বাড়ি নির্মাণের জন্য সরকারি সহায়তা অনুমোদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। 

    কী বলছেন সরকারি আধিকারিক? (PM Awas Yojana)

    এই তিন কোটি বাড়ির মধ্যে দু’কোটি তৈরি করা হবে গ্রামে, আর বাকি এক কোটি বাড়ি নির্মাণ করা হবে শহরে। বৈঠক শেষে এক সরকারি আধিকারিক বলেন, “আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে তিন কোটি অতিরিক্ত গ্রামীণ ও শহুরে পরিবারকে বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়া হবে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে উদ্ভূত আবাসনের প্রয়োজনীয়তার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত।” এদিন ৭ নম্বর লোক কল্যাণ মার্গে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে বৈঠকে বসেছিলেন মন্ত্রীরা। সেখানেই আরও অনেক কিছুর সঙ্গে সিদ্ধান্ত হয় পিএম আবাস যোজনা (PM Awas Yojana) নিয়ে। প্রসঙ্গত, রবিবারই রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে শপথ নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শপথ নেন আরও ৭২ জন মন্ত্রীও। মন্ত্রিসভায় ঠাঁই হয়েছে বিজেপির পাশাপাশি এনডিএর ১১টি শরিক দলের।

    প্রতিশ্রুতি পূরণের পথে বিজেপি

    সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে বিজেপির তরফে দাবি করা হয়েছিল, পিএম আবাস যোজনায় দেশে ৩০ মিলিয়ন নতুন বাড়ি তৈরি করা হবে। এদিন শুরু হল সেই প্রতিশ্রুতি পূরণই। কেবল নির্বাচনী প্রচারই নয়, চলতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে যে ভোট অন অ্যাকাউন্ট পেশ করেছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ, সেখানেও তিনি ঘোষণা করেছিলেন পিএম আবাস যোজনার ক্ষেত্র প্রসারিত করা হবে।

    আর পড়ুন: “রটনায় নাম জড়ানো হচ্ছে আরএসএসের, এটা ঠিক নয়”, বললেন মোহন ভাগবত

    বাজেট বক্তৃতায় সীতারামণ বলেছিলেন, “এই প্রকল্পে (পিএম আবাস যোজনা গ্রামীণ) আরও দু’কোটি বাড়ি তৈরি করা হবে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই। পরিবারের সংখ্যা বেড়ে যাওয়াতেই বাড়ির প্রয়োজন বাড়ছে। তাই এই সিদ্ধান্ত।” তিনি এ-ও জানিয়েছিলেন, করোনা অতিমারি পরিস্থিতিতেও পিএম আবাস যোজনা-জি-তে চলছে গৃহ নির্মাণের কাজ। এবং সরকার তিন কোটি বাড়ি তৈরির লক্ষ্যের কাছে পৌঁচ্ছছে (PM Awas Yojana)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Jamai Sasthi: জামাইষষ্ঠীর আগে আগুন দাম ফল-মিষ্টি থেকে শুরু করে মাছ-মাংসের! নাভিশ্বাস মধ্যবিত্তের

    Jamai Sasthi: জামাইষষ্ঠীর আগে আগুন দাম ফল-মিষ্টি থেকে শুরু করে মাছ-মাংসের! নাভিশ্বাস মধ্যবিত্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঙালির ১৩ পার্বনের মধ্যে অন্যতম পার্বন হল জামাইষষ্ঠী (Jamai Sasthi)। এদিন শাশুড়িরা জামাইয়ের কল্যাণার্থে পুজো দেন এবং সারাদিন উপোস করে জামাইকে পাঁচ রকম ফল, মিষ্টি, দই এবং মাছ-মাংস ইত্যাদি হরেক পদের মাধ্যমে আপ্যায়ণ করেন। তাই জামাইষষ্ঠীর মরশুমে ধীরে ধীরে শহরের বিভিন্ন বাজার জমতে শুরু করেছে ভিড়। জামাইষষ্ঠীর (Jamai Sasthi) আগে রেকর্ড দাম রয়েছে বাজারে। আম থেকে শুরু করে কাঁঠাল, লিচু, জাম এমনকি মাছের দামও রয়েছে আকাশছোঁয়া। সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে চিকেন, মটনের রেটও। তবে এর মধ্যেই কোথাও আগাম পছন্দসই মাছের জন্য অর্ডার চলছে, তো কোথাও দাম বাড়তে পারে, এই আশঙ্কায় সবজি কিনে নেওয়ার জন্য বেরিয়ে পড়ছেন শ্বশুর-শাশুড়িরা।

    অগ্নিমূল্য ফল-সবজির বাজার 

    এবছর আমের ফলন কম। তাই স্বাভাবিকভাবেই রেকর্ড দামে বিক্রি হচ্ছে আম। হিমসাগরের প্রতি কেজির দাম রয়েছে ১০০- ১২০ টাকা। তবে হিমসাগরের তুলনায় আরও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ল্যাংরা আম। ১৪০ টাকা কেজি দরে বাজারে বিকোচ্ছে এই আম। অন্যদিকে কাঁঠালের প্রতি কেজির দাম রয়েছে প্রায় ১০০- ১৫০ টাকা কেজি। বাজারে লিচু ১৫০ টাকা কেজি। জামের দামও রয়েছে আকাশছোঁয়া । প্রতি কেজি জাম বিকোচ্ছে ৩০০ টাকা কেজি দরে। (Jamai Sasthi)

    অন্যদিকে, বাজারে পটল, বেগুন, করলা, মিষ্টি আলুর দাম রয়েছে কেজি প্রতি ৫০ টাকা। বাঁধাকপি, ঢ্যাঁরশ, কুমড়োর দাম ছিল কেজি প্রতি ৩০ টাকা। যার জেরে ফল থেকে শুরু করে সবজি— সব কিছুর বাজারেই রীতিমতো পকেটে টান ধরছে আমজনতার।

    আরও পড়ুন: মোদির নতুন মন্ত্রিসভায় সর্বকনিষ্ঠ ও বয়োজ্যেষ্ঠ মন্ত্রী কারা? জানুন

    মাছ মাংসের বাজারদরও আকাশছোঁয়া (Chicken Mutton Rate)

    এবছর মটনকে টেক্কা দিচ্ছে ইলিশ। বাজারে এক কেজি ওজনের ইলিশের দাম রয়েছে প্রায় ১৫০০ টাকা। বুধবার অর্থাৎ জামাইষষ্ঠীর (Jamai Sasthi) দিন এই দাম ২০০০ টাকা ছুঁতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। চিতলের পেটি ১০০০ টাকা কেজি। কাতলা মাছের প্রতি কেজিতে দাম রয়েছে ৪০০-৫০০ টাকা। পাবদা মাছের কেজি প্রতি দাম রয়েছে ৫০০ টাকা। ট্যাংরা মাছের কেজি প্রতি দাম ৫০০ টাকা। আর ভেটকির কেজি শুরুই হচ্ছে ৬০০ টাকা থেকে। অন্যদিকে, গলদা চিংড়ির প্রতি কেজিতে দাম রয়েছে ৭০০ টাকা। 

    এতো গেল মাছ বাজার। তবে মাছের মতোই চড়া দাম মাংসের বাজারেও। বাজারে চিকেনের প্রতি কেজি দাম রয়েছে ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা। অন্যদিকে, মটনের কেজি প্রতি রেট রয়েছে ৮৫০ টাকা। অর্থাৎ জামাইয়ের ভূরিভোজে (Jamai Sasthi) শ্বশুরদের সঞ্চয়ে বুধবার যে টান পড়তে চলেছে তা বলাই বাহুল্য।   

    একদিকে তাপপ্রবাহে পুড়ছে দক্ষিণবঙ্গ। অন্যদিকে, বাজারের এই চড়া দামে হিমশিম খাচ্ছে আজজনতা। যদিও এ প্রসঙ্গে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, দাম যতই থাকুক না কেন জামাই আদরে (Jamai Sasthi) কোনও খামতি রাখছেন না শ্বশুরমশাইরা। মন খুলে চলছে দেদার বাজারহাট। 
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • FIFA World Cup Qualifier: সুনীল পরবর্তী যুগে প্রথম ম্যাচ! বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে কাতারের সামনে ভারত

    FIFA World Cup Qualifier: সুনীল পরবর্তী যুগে প্রথম ম্যাচ! বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে কাতারের সামনে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ফুটবলে সুনীল-পরবর্তী যুগের সূচনা। আজ, মঙ্গলবার দোহায় কাতারের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বের (FIFA World Cup Qualifier) দ্বিতীয় রাউন্ডের শেষ ম্যাচ খেলতে নামছে ভারত। কিংবদন্তী সুনীল ছেত্রীর অবসরের পর এটাই ভারতের প্রথম ম্যাচ। এই ম্যাচে সুনীল (Sunil Chhetri) থাকবেন গ্যালারিতে প্রাক্তন প্লেয়ার হিসেবে আর অধিনায়কের ব্যান্ড থাকবে গুরপ্রীত সিং সাঁধুর হাতে। এই ম্যাচের ফলের উপর নির্ভর করছে ভারতের বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনের ভবিষ্যৎ।

    ভারতের সমীকরণ

    এখনও ভারতের সামনে সুযোগ রয়েছে বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বের (FIFA World Cup Qualifier) তৃতীয় রাউন্ডে যাওয়ার। বর্তমানে পয়েন্ট টেবিল দেখলে কাতার রয়েছে শীর্ষে। তাদের পয়েন্ট ১৩। চারটে জয় ও একটা ড্র করেছে তারা। এরপর রয়েছে যথাক্রমে ভারত, আফগানিস্তান ও কুয়েত। ভারত ও আফগানিস্তানের পয়েন্ট ৫ করে। আর কুয়েতের পয়েন্ট ৪। গ্রুপ থেকে শীর্ষ স্থানে শেষ করা দুটো দল যাবে পরের রাউন্ডে। কাতার তাদের জায়গা পাকা করে ফেলেছে। আর দ্বিতীয় স্থানের জন্য ভারত ও আফগানিস্তান লড়াইয়ে রয়েছে। এই ম্যাচে যদি ভারত জেতে তাহলে কোনও চিন্তা ছাড়াই তারা পরের রাউন্ডে চলে যাবে। আর যদি ড্র করে তাহলে ভরসা করতে হবে আফগানিস্তান ও কুয়েত ম্যাচের।

    আশাবাদী কোচ স্টিমাচ

    ধারে ও ভারে কাতার অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে। তারা প্রথম ম্যাচে ভারতকে ৩ গোলে হারিয়েছিল। তবে কাজটা কঠিন হলেও ভারতীয় দলের কোচ স্টিমাচ আশাবাদী। সোমবার দোহায় তিনি সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, “গত পাঁচ বছরে দলের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছি আমরা। যা আগে কখনও ছিল না। দলের ছেলেদের নিয়ে আমি গর্বিত। আমার বিশ্বাস, ওরা আত্মবিশ্বাসী হয়েই মাঠে নামবে”। বাছাই পর্বে দ্বিতীয় রাউন্ডে (FIFA World Cup Qualifier) মোট ৩৬টি দলকে ৯টি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। প্রতি গ্রুপে রয়েছে চারটি দল। তৃতীয় রাউন্ডে ১৮টি দলকে তিনটি গ্রুপে ভাগ করা হবে, যেখানে প্রতি গ্রুপে হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে পদ্ধতিতে খেলা হবে। ভারত এখন সেই দিকে তাকিয়ে। তবে সুনীলকে (Sunil Chhetri) ছাড়া এই ম্যাচ ভারতীয় ফুটবলে একটা অন্য দিনের সূচনা করবে।

    কখন কোথায় দেখবেন ম্যাচ

    বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনকারী পর্বের (FIFA World Cup Qualifier) গ্রুপস্তরে কাতার বনাম ভারতের ম্যাচ শুরু হবে ভারতীয় সময় রাত ৯টা ১৫ মিনিটে। ম্যাচটা কোনও চ্যানেলে দেখা যাবে না। পুরোটাই অনলাইনে স্ট্রিম করা হবে। ফ্যানকোড অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে ম্যাচটা দেখানো হবে। বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জনকারী ম্যাচ ভারতে আয়োজিত হলে সেটা দেখানো হয় স্পোর্টস ১৮ চ্যানেলে, তবে বিদেশে হলে সেটা দেখানো হচ্ছে ফ্যানকোড অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: সালারে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর লড়াই, মুড়ি মুড়কির মতো বোমাবাজি, শোরগোল

    Murshidabad: সালারে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর লড়াই, মুড়ি মুড়কির মতো বোমাবাজি, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর লড়াইয়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠল মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সালার থানার উজুনিয়া গ্রাম। গ্রামের মধ্যে মুড়ি মুড়কির মতো বোমাবাজির ঘটনা ঘটে। আর সেই বোমার আঘাতে এক সাধারণ মহিলা জখম হন। তাঁকে গুরুতর জখম অবস্থায় কান্দি মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি তথা  তৃণমূলের জেলার সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ আজহারউদ্দিন সিজার এবং বর্তমান ব্লক তৃণমূল সভাপতি তথা মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের মৎস্য কর্মাধ্যক্ষ মোস্তফিজুর রহমানের গোষ্ঠীর অশান্তি লেগেই রয়েছে। কিছুদিন আগেও দুই গাষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক ঝামেলা হয়ছিল। সেই সময় তৃণমূলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি মহম্মদ আজহারউদ্দিনের বাড়িতেও বোমাবাজি ও ভাঙচুর করা হয়েছিল। এদিনের বোমাবাজির সঙ্গে ওই ঘটনার যোগ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যায় সালার (Murshidabad) থানার উজুনিয়া গ্রামে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর লড়াইয়ে এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এলাকায় বোমাবাজি করতে থাকে দুই গোষ্ঠী। সেই সময়ে একটি বোমা এসে পড়ে এক গ্রামবাসীর বাড়ির উঠানে। বোমার আঘাতে গুরুতর জখম হন মহিমা বিবি নামে এক মহিলা এবং ১২ বছরের এক কিশোর। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে, আক্রান্ত মহিলার পরিবার কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নয়।

    আরও পড়ুন: মন্ত্রক বদলাল না শান্তনুর, মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েই জোড়া দায়িত্ব সুকান্তর

    বোমাবাজির ঘটনায় আতঙ্কিত বাসিন্দারা

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, এলাকার দখল কার হাতে থাকবে, তার জন্যই এই বোমাবাজি। কয়েকদিন আগেও এই ঘটনা ঘটেছিল। ভোট মিটে যাওয়ার পর ভেবেছিলাম এলাকা শান্ত হয়ে যাবে। কিন্তু, ফের সেই ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আমরা এলাকায় চরম আতঙ্কে রয়েছি। অবিলম্বে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maldives: মোদির শপথ অনুষ্ঠানে মুইজ্জু, ভারতের সঙ্গে হওয়া চুক্তির তদন্ত শুরু মলদ্বীপের!

    Maldives: মোদির শপথ অনুষ্ঠানে মুইজ্জু, ভারতের সঙ্গে হওয়া চুক্তির তদন্ত শুরু মলদ্বীপের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন পিঠে ছোরা মারার সামিল! একদিকে, যেখানে নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে দিল্লিতে উপস্থিত রয়েছেন স্বয়ং মুইজ্জু, ঠিক সেই সময় ভারতের সঙ্গে অতীতে হওয়া একাধিক চুক্তি খতিয়ে দেখতে তদন্তের নির্দেশ দিচ্ছে তাঁরই প্রশাসন!

    মহম্মদ মুইজ্জু চিনপন্থী। এটা সকলের জানা। যে কারণে, মলদ্বীপের ক্ষমতায় বসেই তিনি দূরত্ব সৃষ্টি করতে শুরু করেছিলেন ভারতের সঙ্গে। কুর্সিতে বসেই তাঁর প্রথম নির্দেশ ছিল, মলদ্বীপে স্থিত ভারতীয় আধিকারিক ও কর্মীদের সেদেশ ছাড়তে বলা। তার পরেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জুকে। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিতও ছিলেন মলদ্বীপের (Maldives) রাষ্ট্রপ্রধান। এর পরেও যে, মলদ্বীপ ভারত-বিরোধী তদন্ত শুরু করতে চলেছে, তা বিস্ময়কর বটে! মঙ্গলবার মলদ্বীপের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম সোলির আমলে ভারতের সঙ্গে হওয়া তিনটি চুক্তি নিয়ে তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করেছে মুইজ্জু-প্রশাসন। এর মধ্যে অন্যতম উথুরু থিলা ফালহু নৌঘাঁটি চুক্তি। ২০২১ সালে হওয়া এই নৌঘাঁটির বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি হয়েছিল ভারত-মলদ্বীপের।

    ভারত-মলদ্বীপ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি (Maldives)

    এই চুক্তিতে ভারতকে বিকাশ, সমর্থন এবং রক্ষণাবেক্ষণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। ভারতের সঙ্গে যখন মলদ্বীপের (Maldives) এই চুক্তি হয়েছিল, তখন দ্বীপরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন মুইজ্জুর পূর্বসূরি ইব্রাহিম মহম্মদ সোলি। তিনি ভারতপন্থী হিসেবেই পরিচিত। মলদ্বীপে নৌঘাঁটি তৈরির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে মলদ্বীপের যে সংসদীয় প্যানেল, তারা আরও কয়েকটি বিষয় খতিয়ে দেখবে বলে জানা গিয়েছে। এই বিষয়গুলি মোদি-ইব্রাহিমের দ্বিপাক্ষিক চুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত। যার মধ্যে অন্যতম —মলদ্বীপ সংলগ্ন ভারত মহাসাগরের নাব্যতা ও সামুদ্রিক মানচিত্র তৈরির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তৃতীয় চুক্তিতে মলদ্বীপকে ভারত একটি সামরিক বিমান উপহার হিসেবে দিয়েছিল। নৌ-ঘাঁটির পাশাপাশি, এই দুই বিষয় নিয়েও তদন্ত শুরু করছে মুইজ্জু প্রশাসন।

    চুক্তি খতিয়ে দেখছেন মুইজ্জুর দলের নেতা

    মুইজ্জুর দল পিপলস ন্যাশনাল কংগ্রেসের টিকিটে লড়ে নির্বাচনে জিতেছিলেন আহমেদ আজান। ভারত-মলদ্বীপ সরকারের স্বাক্ষরিত এই দ্বিপাক্ষিক চুক্তি খতিয়ে দেখছেন মুইজ্জুর দলের ওই সংসদ সদস্য। প্রসঙ্গত, আজান যখন মালেতে (মলদ্বীপের রাজধানী) চুক্তি খতিয়ে দেখতে ব্যস্ত, তখন নয়াদিল্লিতে তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত রয়েছেন মুইজ্জু স্বয়ং। রাজনৈতিক বিশ্লষকদের মতে, মুইজ্জু এখন চিনা রোদচশমা চোখে চড়িয়ে রেখেছেন। যে কারণে তিনি এখন ভারতের বাড়িয়ে দেওয়া বন্ধুত্বের হাত দেখতে পাচ্ছেন না। তবে, যেদিন তিনি চিনা ঋণের ফাঁদে পড়বেন, সেদিন তাঁর চোখ থেকে এই রঙিন চশমা সরবে। সেদিন তিনি বুঝতে পারবেন, কোথায় তাঁর বড় ভুল হয়েছিল।

    আর পড়ুন: সুকান্ত জোড়া মন্ত্রক পেতেই মিষ্টি বিলিয়ে বাজি ফাটিয়ে খুশিতে মাতলেন বালুরঘাটবাসী

    গত পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রসারিত হয়েছিল ভারত-মলদ্বীপের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা। সেই সূত্রেই ভারত কোস্টাল রেডার সিস্টেম ইনস্টল করেছিল। এই সিস্টেমে ১০টি রেডার স্টেশন রয়েছে মলদ্বীপে। এর সাহায্যে ভারত মহাসাগরে নজরদারি চালানো হয় অনায়াসে। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মলদ্বীপের সোলি সরকার ভারত সরকারের সঙ্গে উথুরু থিলা ফালহু নৌঘাঁটি নিয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তি মোতাবেক এই নৌঘাঁটিই দেখভাল ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব বর্তেছিল ভারতের ওপর (Maldives)। মুইজ্জুর আমলে এখন তা সঙ্কটে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Howrah: রানিগঞ্জের পর এবার ডোমজুড়ে বন্দুক দেখিয়ে সোনার দোকানে ডাকাতি!

    Howrah: রানিগঞ্জের পর এবার ডোমজুড়ে বন্দুক দেখিয়ে সোনার দোকানে ডাকাতি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রানিগঞ্জের পর এবার হাওড়ার ডোমজুড়ে (Howrah) সোনার দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটল। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ চার দুষ্কৃতী প্রথমে সোনার দোকানে ঢোকে। এরপর বন্দুকের কুঁদো দিয়ে মারধর করে দোকানের কর্মচারীদের। ঠিক তার পরে পরেই সকলকে বেঁধে দোকানে চলে দেদার লুটপাট। ইতিমধ্যেই পুলিশ এই ডাকাতির ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।

    দোকানের কর্মচারীর বক্তব্য (Howrah)

    হাওড়ার (Howrah) ডোমজুড়ের এই সোনার দোকানের কর্মী শ্রেয়া সামন্ত বলেন, “প্রথমে ওরা দুজন দোকানের ভিতরে ঢুকেছিল। তখন আমি গয়না দেখাচ্ছিলাম। এরপর আরও দুজন দোকানে ঢোকে। ঠিক তারপরেই আচমকা হামলা শুরু হয়ে যায়। চারজনের হাতেই ছিল পিস্তল। ক্রেতা হিসাবে ঢুকে দুষ্কৃতীরা তাণ্ডব চালায়। মুখে বলছিল, চুপ করে থাক, নইলে মেরে দেবো। যা যা প্রদর্শনীর জন্য গয়না রাখা হয়েছিল সব তুলে নিয়ে গিয়েছে। দাদা প্রতিবাদ করতে গেলে ব্যাপক মারধর করে। এমনকী মারে তাঁর রক্ত ঝরতে শুরু করে। সেই মুহূর্তে আমরা সকলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম।”

    পুলিশের ভূমিকা

    খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে (Howrah) পুলিশ এসে পৌঁছায়। তবে ঠিক কত টাকার সোনা ছিল দোকানে, তা এখনও হিসাব করা যায়নি। ইতিমধ্যে এই ডাকাতদের ধরতে বিভিন্ন এলাকায় নাকা চেকিং করা হয়েছে। গ্রেফতার করতে সবরকম চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু এই ঘটনায় আশেপাশের মানুষ এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এমনকী অনেকেই বলছেন, আইনের শাসন এবং সামজিক নিরপাত্তা-সুরক্ষা বলে কিছুই নেই রাজ্যে।

    আরও পড়ুন: বাগদায় উপনির্বাচন ঘোষণা হতেই দেওয়াল লিখন শুরু বিজেপির, জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী

    আগেও হয়েছে ডাকাতি

    গত রবিবার রানিগঞ্জের একটি সোনার দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। সাতজন ডাকাত মিলে অস্ত্র দেখিয়ে দোকানের মালপত্র লুট করেছিল। কিন্তু লুট করে ফেরার পথে এক পুলিশের আধিকারিকের সামনে পড়ে যায় ডাকাতেরা। পুলিশের ছোড়া গুলিতে আহত হয় এক ডাকাত। বাকিরা দ্রুত পালাতে সক্ষম হয়। ইতিমধ্যে ২ জন ধরা পড়েছে। বাকীদের তল্লাশি চলছে। উল্লেখ্য এই ভাবেই মালদা, রানাঘাট এবং পুরুলিয়াতে আগেও সোনার দোকানে ডাকাতি হয়েছিল। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছিল রাজ্যজুড়ে। আজ হাওড়ায় (Howrah) ফের হয় ডাকাতি।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share