Tag: bangla news

bangla news

  • Remal Cyclone: রেমাল বিপর্যয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু! কলাগাছ কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত বাবা-ছেলে!

    Remal Cyclone: রেমাল বিপর্যয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু! কলাগাছ কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত বাবা-ছেলে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল রবিবার রাত থেকেই রেমাল (Remal Cyclone) ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডব শুরু হয়েছে উপকূলবর্তী এলাকায়। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে বড় প্রভাব ফেলেছে সুন্দরবন নদীবাঁধ সংলগ্ন এলাকায়। একই ভাবে জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণে জনজীবন বিপন্ন। বর্ধমানে এই ঝড়ে ভেঙে পড়েছিল কলাগাছ, আর তা কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান বাবা-ছেলে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া। অপর দিকে দক্ষিণ কলকাতার মহেশতলার জমা জলে ছিঁড়ে পড়েছিল বিদ্যুতের তার। তাতেই স্পর্শে মৃত্য হল এক মহিলার। আবার পানিহাটিতে বিদ্যুৎ হুকিং করা তারে স্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় আরও এক ব্যক্তির। নামখানা এবং এন্টালিতে আরও ২ জনের মৃত্যু হয়েছিল। রাজ্যে ঘূর্ণিঝড়ের বলি এখনও পর্যন্ত ৬।

    কলাগাছ কাটতে গিয়ে মৃত বাবা-ছেলে (Remal Cyclone)

    রেমালের (Remal Cyclone) প্রকোপে বাড়ির কলাগাছ ভেঙে পড়েছিল। এরপর সেই গাছ কাটতে গিয়ে লাইনের তারের সংস্পর্শে আসতেই মৃত্যু হয় বাবা ও ছেলের। বাবার নাম ফড়ে সিং এবং ছেলে তরুণ সিং। প্রথমে বাবা গাছ কাটতে গিয়ে তারের সংস্পর্শে আসেন। এরপর বাবাকে, ছেলে বাঁচাতে গেলে বিদ্যুৎপৃষ্ট হন। দ্রুত হাসপাতলে নিয়ে গেলে বাবা-ছেলেকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। কিন্তু এলাকার মানুষের অভিযোগ, ঝড় প্রাকৃতিক কারণে হলেও ইলেকট্রিকের লাইনের তারের বিষয়ে প্রশাসনের বড় গাফিলতি রয়েছে। এই মৃত্যুর দায় প্রশাসন উপেক্ষা করতে পারে না।

    বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বলি আরও ২

    মহেশতলায় ঝড়ে (Remal Cyclone) জমা জলে ইলেকট্রিক তারে স্পৃষ্ট হয়ে আজ মৃত্যু হয়েছে তাপসী দাস নামক এক মহিলার। রাস্তার জমা জলে পা দিতেই আহত হন তিনি। এরপর স্থানীয়রা দ্রুত বেহালার বিদ্যাসাগর হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে জানা যায়। অপর দিকে উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটিতে হুকিং করা তারের স্পর্শে আহত হয়ে মৃত্যু হয় গোপাল বর্মণের। তবে এই হুকিং করা তার ঝড়ের ফলে মাটিতে পড়ে ছিল। এরপর স্পর্শ হতেই মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। রাজা রোড এলাকায় এই নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছে।

    আরও পড়ুন: রেমালে বিপর্যস্ত হাওড়া, জলমগ্ন নিচু এলাকা, বেহাল জনজীবন! নামখানায় মৃত ১

    দিঘার জলে নামেতে নিষেধাজ্ঞা

    রেমাল (Remal Cyclone) ঘূর্ণি ঝড়ের তাণ্ডবে অস্থির সুন্দরবন। গোসাবার রাঙাবেলিয়ায় বেশ কিছু জায়গায় ধসের সৃষ্টি হয়েছে। দুর্যোগের মধ্যে প্রশাসন প্লাস্টিক, ত্রিপল নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। তবে দক্ষিণ ২৪ পরগনার থেকে পূর্ব মেদিনীপুরে তুলনায় কম ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের ফলে সমুদ্রের জলোচ্ছ্বাস অনেক বেড়ে গিয়েছে। ওল্ড দিঘা এবং নিউ দিঘায় আজও সমুদ্র সৈকতে কাউকে নামতে নিষেধ করা হয়েছে। তবে এই সৈকত শহরের আশেপাশে এলাকায় খুব একটা ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। অপর দিকে বকখালির পাশেই লক্ষ্মীপুর গ্রাম। সমুদ্রের ধারে হওয়ায় গ্রামের বাড়ি ঘর ভেঙে পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। এমন কী চাষের জমিতে সমুদ্রের নোনা জল ঢুকে গিয়েছে। অনেকে ঘর ছেড়ে নিরপাদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Google: অ্যাপলের পথে হাঁটছে গুগল, বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল সংস্থা

    Google: অ্যাপলের পথে হাঁটছে গুগল, বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল সংস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে অ্যাপলের iphone এর চাহিদা তৈরি হলেও Google কিছুতেই দাঁত ফোটাতে পারছে না। ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠতে অ্যাপল-এরই ব্যবসায়িক মডেল অনুসরণ করতে চলেছে গুগল। জানা গিয়েছে গুগল এবার ডিকশন টেকনোলজি এবং ভারত এফআইএইচ সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়ে ভারতে তাদের মোবাইল ফোনের প্রোডাকশন বাড়াতে চলেছে। এই একই পথ অনুসরণ করেছিল মার্কিন মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থা অ্যাপল। মোদি সরকারের প্রোডাকশন লিংক্ড ইন্সেন্টিভ প্রকল্পের সুবিধা নিয়ে অ্যাপেল ভারতে ব্যবসা কয়েক বছরের মধ্যেই বাড়িয়ে ফেলতে সক্ষম হয়েছে।

    অ্যাপলের পথে হাঁটবে গুগল

    জানা গিয়েছে, অ্যাপল মোবাইলের তৈরি করার খরচ কমানোর জন্য এবং লাভ বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে বেশ কয়েকটি দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে টাটা গ্রুপ। ভারতে অ্যাপেলের সবথেকে বড় ভেন্ডার তাইওয়ানের সংস্থা ফক্স স্ক্যানের সঙ্গে হাত মেলাতে চলেছে। গুগল জানিয়েছে, তারা মোবাইল নির্মাণের তৃতীয় ফ্যাক্টরি ভারতে বসাতে চলেছে। ২০১৬ সালে চিনে তাদের মোবাইল ফোন তৈরি করা শুরু করে গুগল। কিন্তু পরবর্তীকালে আমেরিকার চিনের সঙ্গে ব্যবসায়িক টানাপোড়নের জেরে ফ্যাক্টরি ভিয়েতনামে ২০১৯ সালে সরিয়ে নিয়ে যায়। কিন্তু ভারত তাদের কাছে সবচেয়ে বড় বাজার। স্বাভাবিকভাবেই, ভারতে ব্যবসা করতে গেলে ব্যবসায়িক সুবিধের জন্য দেশেই প্রোডাকশন ইউনিট চালু করতে চায় তারা। অর্থাৎ ঘরেই তৈরি হবে মোবাইল, ঘরেই হবে বিক্রি। ভারতে বর্তমানে ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মোবাইলের বাজার রয়েছে। যা ভিয়েতনামের ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ১২ গুণ বেশি।

    ভারতে শুরু হবে গুগলের মোবাইল ফোনের কারখানা

    আরও জানা গিয়েছে, কেন্দ্র সরকারের পিএলআই স্কিমের পর ভিয়েতনামের তুলনায় ভারতে মোবাইল প্রস্তুত করার খরচ ৭ থেকে ৮ শতাংশ কম হবে। বর্তমানে সমস্ত অ্যান্ড্রয়েড ফোন Google-এর অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করলেও নিজস্ব মোবাইলের ক্ষেত্রে কিছুতেই কব্জা জমাতে পারছে না তারা। ভারতে গুগলের ফোনের মার্কেট শেয়ার ০.২৫ শতাংশ।

    আরও পড়ুন: : ক্রোম আপডেট না করলে ভয়ংকর বিপদ! সতর্ক করল তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের সংস্থা

    বর্তমানে দুটি সেগমেন্টে মোবাইল বিক্রি করে থাকে গুগল।  একটি হল pixel8 যার দাম ১ লাখের উপরে। অর্থাৎ এটি সুপার প্রিমিয়াম ক্যাটেগরির মোবাইল ফোন। অন্যদিকে গুগলের বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন ৩০ হাজার টাকার কাছাকাছি অর্থাৎ এটিকে আপার সেগমেন্ট ধরা হয়। তবে বাজেট ফোন অর্থাৎ ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজারের মধ্যে গুগলের কোন ফোন নেই। এর জেরে গুগল ব্যবসায় অনেকটাই পিছিয়ে পড়ছে। ভারতের তাদের প্রোডাকশন ইউনিট চালু করলে এই রেঞ্জেও নিজের মোবাইল লঞ্চ করতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Remal: দিনভর রেমালের দাপাদাপি! হাওড়ায় জলমগ্ন রেললাইন, ব্যাহত পরিষেবা, দুর্ভোগ

    Cyclone Remal: দিনভর রেমালের দাপাদাপি! হাওড়ায় জলমগ্ন রেললাইন, ব্যাহত পরিষেবা, দুর্ভোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনভর দাপট দেখাল ঘূর্ণিঝড় রেমাল (Cyclone Remal) । সোমবার  সকাল থেকে অঝোরে বৃষ্টি আর ঝোড়ো হাওয়ার কারণে ব্যাহত হয়েছে রেল পরিষেবাও। সকাল থেকে হাওড়া-শিয়ালদা শাখায় ট্রেন দেরিতে চলছে। আর এবার নাগাড়ে বর্ষণে ব্যাহত হাওড়া স্টেশনের দক্ষিণ পূর্ব রেলের ট্রেন চলাচলাও।

    পাম্প চালিয়ে রেল লাইনের জল নামানোর চেষ্টা, বহু ট্রেন বাতিল (Cyclone Remal)

    রেমালের দাপটে (Cyclone Remal) টিকিয়াপাড়া রেল ওয়ার্ডে রেল লাইনের ওপর জল উঠে গিয়েছে। সেই কারণে বেশ কিছু ট্রেন বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মোট ছয়টি লোকাল ট্রেন এখনও পর্যন্ত বাতিল করা হয়েছে টিকিয়াপাড়া রেল ইয়ার্ড জলমগ্ন হয়ে পড়ার কারণে। ৩৮৪৩৩ হাওড়া-পাঁশকুড়া লোকাল, ৩৮৪৪৮ পাঁশকুড়া-হাওড়া লোকাল, ৩৮৩১৭ হাওড়া-মেচেদা লোকাল, ৩৮৩০৪ মেচেদা- হাওড়া লোকাল, ৩৮৪২৫ হাওড়া-পাঁশকুড়া লোকাল এবং ৩৮৪৪০ পাঁশকুড়া-হাওড়া লোকাল এদিনের জন্য বাতিল রাখার সিদ্ধান্ত মেওয়া হয়েছে দক্ষিণ পূর্ব রেলের তরফে। বাতিল রয়েছে আপ দিঘা ও ডাউন তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেসও। যদিও এছাড়া আর কোনও দূরপাল্লার ট্রেন এখনও পর্যন্ত বাতিল করা হয়নি। দক্ষিণ পূর্ব রেল সূত্রে জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই পাম্প চালিয়ে রেল লাইনের ওপর থেকে জল নামানোর চেষ্টা শুরু করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় রেমালের দাপটে সোমবার বিকেলেও বৃষ্টি শহরে, কবে কাটবে দুর্যোগ?

    শেওড়াফুলি-তারকেশ্বর লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ

    সোমবার দুপুরে বন্ধ হয়ে গেল শেওড়াফুলি-তারকেশ্বর লাইনের ট্রেন চলাচল। এই লাইনে ট্রেন বন্ধ হয়ে যাওয়ায়, স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে জি টি রোডও। জানা গিয়েছে, রেমালের (Cyclone Remal) জেরে ঝড় হওয়ায় নসিবপুর স্টেশনের কাছে একটি বাঁশগাছ হেলে পড়েছে। ট্রেনের রোডও। জানা গিয়েছে, রেমালের জেরে ঝড় হওয়ায় নসিবপুর স্টেশনের কাছে একটি বাঁশগাছ হেলে পড়েছে। ট্রেনের ওভারহেড তারে ঠেকে রয়েছে সেটি। সেই কারণে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দিতে হয়েছে। দুপুরের পর থেকে আপ লাইনে কোনও ট্রেন এগোতে পারছে না।শেওড়াফুলি চার নম্বর রেল গেটে দাঁড়িয়ে আছে একটি আপ লাইনের ট্রেন। ফলে গেট খোলা যাচ্ছে না। গেট বন্ধ থাকায় শেওড়াফুলিতে জিটি রোড স্তব্ধ গিয়েছে। কতক্ষণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে, তা বুঝতে পারছেন না রেল যাত্রী থেকে পথচলতি মানুষ। ডাউন লাইনে ট্রেন চলছে স্বাভাবিক গতিত খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন ট্রেনের কর্মীরা।

     ট্রেন বাতিলের জেরে দুর্ভোগে নিত্যযাত্রীরা

    রেলের তরফে আগেই বেশ কিছু ট্রেন বাতিল করা হয়েছিল। পরে ঝড়ের প্রভাবে আরও বেশি কিছু লাইনে পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। ফলে, রীতিমতো দুর্ভোগে পড়েছেন নিত্যযাত্রীরা। পরে, রেমাল-এর ধাক্কা সামলে শিয়ালদা দক্ষিণ শাখায় ট্রেন চলাচল শুর হয় সোমবার সকালে। শিয়ালদা ও হাওড়া থেকে একে একে সব লোকার ট্রেন এবার ছাড়তে শুরু করে। তবে, শিয়ালদা দক্ষিণ শাখায় বাতিল করা হল একাধিক ট্রেন। ডায়মন্ড হারবার, নামখানা, ক্যানিং, বজবজ, হাসনাবাদ, মাঝেরহাট- হাসনাবাদ, বনগাঁ সহ একাধিক লাইনে ৪৬টি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IPL 2024: অরেঞ্জ ক্যাপ বিরাট, পার্পল ক্যাপ হর্ষল, জানেন কত টাকা পেল চ্যাম্পিয়ন কেকেআর?

    IPL 2024: অরেঞ্জ ক্যাপ বিরাট, পার্পল ক্যাপ হর্ষল, জানেন কত টাকা পেল চ্যাম্পিয়ন কেকেআর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয়বার আইপিএল (IPL 2024) খেতাব জিতল কলকাতা নাইট রাইডার্স। চলতি মরশুমে শেষ হল ক্রীড়া বিনোদনের মহাযজ্ঞ। মরশুমের শেষে একগুচ্ছ পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করল বিসিসিআই। আইপিএলের বিজয়ী দল কেকেআর পেল ২০ কোটি টাকা। রানার্স হওয়ার জন্য সানরাইজার্স পেল ১২.৫ কোটি টাকা। পুরস্কৃত করা হল গ্রাউন্ড স্টাফদেরও। যাঁদের জন্য এই মহাযজ্ঞ সুসম্পন্ন হয়েছে তাঁদেরকে কুর্নিশ জানালেন বিসিসিআই (BCCI) সচিব জয় শাহও।

    সর্বাধিক রানের জন্য অরেঞ্জ ক্যাপ জয়ী হলেন বিরাট কোহলি। এবারের আইপিএলে (IPL 2024) শুরু থেকেই ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছিলেন কোহলি। এবার আইপিএলে ৭৪১ রান করেছেন কোহলি। যার মধ্যে একটি সেঞ্চুরি এবং পাঁচটি অর্ধশতরান রয়েছে। ট্রফি ও ১০ লক্ষ টাকা পেলেন। তাঁর হয়ে পুরস্কার নিলেন শ্রেয়স আইয়ার। ২০২৩ সালের অরেঞ্জ ক্যাপের মালিক হয়েছিলেন শুভমান গিল। ১৬ ম্যাচে তাঁর ব্যাট থেকে এসেছি‌ল ৮৯০ রান। হর্ষল প্যাটেল টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেট(২৪) শিকারী। তিনি পেলেন বেগুনি টুপি ও ১০ লক্ষ টাকা।

    আইপিএল ২০২৪-এর সেরা পুরস্কার

    ১. চ্যাম্পিয়ন- কলকাতা নাইট রাইডার্স (ট্রফি ও ২০ কোটি টাকা)।

    ২. রানার্স- সানরাইজার্স হায়দরাবাদ (শিল্ড ও ১২.৫ কোটি টাকা)।

    ৩. অরেঞ্জ ক্যাপ (সব থেকে বেশি রান)- বিরাট কোহলি (৭৪১ রান) (স্মারক ও ১০ লক্ষ টাকা)।

    ৪. পার্পল ক্যাপ (সব থেকে বেশি উইকেট)- হার্ষাল প্যাটেল (২৪টি উইকেট) (স্মারক ও ১০ লক্ষ টাকা)।

    ৫. ইলেক্টিক স্ট্রাইকার্স অফ দ্য ম্যাচ- বেঙ্কটেশ আইয়ার (ট্রফি ও ১ লক্ষ টাকা)।

    ৬. ফ্যান্টাসি প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ- মিচেল স্টার্ক (ট্রফি ও ১ লক্ষ টাকা)।

    ৭. ফাইনালে সব থেকে বেশি ছক্কা- বেঙ্কটেশ আইয়ার (ট্রফি ও ১ লক্ষ টাকা)।

    ৮. ফাইনালে সব থেকে বেশি চার- রহমানউল্লাহ গুরবাজ (ট্রফি ও ১ লক্ষ টাকা)।

    ৯. ফাইনালে সব থেকে বেশি ডট বল- হর্ষিত রানা (স্মারক ও ১ লক্ষ টাকা)।

    ১০. প্লেয়ার অফ দ্য ফাইনাল ম্যাচ- মিচেল স্টার্ক (ট্রফি ও ৫ লক্ষ টাকা)।

    ১১. টুর্নামেন্টের উঠতি ক্রিকেটার- নীতীশ রেড্ডি (ট্রফি ও ১০ লক্ষ টাকা)।

    ১২. ইলেক্টিক স্ট্রাইকার্স অফ দ্য টুর্নামেন্ট- জ্যাক ফ্রেজার ম্যাকগার্ক (ট্রফি ও ১০ লক্ষ টাকা)।

    ১৩. ফ্যান্টাসি প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্ট- সুনীল নারিন (ট্রফি ও ১০ লক্ষ টাকা)।

    ১৪. টুর্নামেন্টের সব থেকে বেশি ছক্কা- অভিষেক শর্মা (ট্রফি ও ১০ লক্ষ টাকা)।

    ১৫. টুর্নামেন্টের সব থেকে বেশি চার- ট্র্যাভিস হেড (ট্রফি ও ১০ লক্ষ টাকা)।

    ১৬. টুর্নামেন্টের সেরা ক্যাচ- রমনদীপ সিং (ট্রফি ও ১০ লক্ষ টাকা)।

    ১৭. ফেয়ার প্লে অ্যাওয়ার্ড- সানরাইজার্স হায়দরাবাদ (ট্রফি ও ১০ লক্ষ টাকা)।

    ১৮. মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার (টুর্নামেন্টের সেরা ক্রিকেটার)- সুনীল নারিন (ট্রফি ও ১০ লক্ষ টাকা)।

    ১৯. সেরা মাঠ ও পিচ- হায়দরাবাদ (ট্রফি ও ৫০ লক্ষ টাকা)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • JP Nadda: “যতদিন বিজেপি ক্ষমতায় থাকবে, ততদিন…”, সংরক্ষণ নিয়ে কী বললেন নাড্ডা?

    JP Nadda: “যতদিন বিজেপি ক্ষমতায় থাকবে, ততদিন…”, সংরক্ষণ নিয়ে কী বললেন নাড্ডা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যত দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিজেপি ক্ষমতায় থাকবে, ততদিন ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ হবে না।” বারাণসীতে সাংবাদিক সম্মেলনে সাফ জানিয়ে দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। বিজেপি বিরোধীরা ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের পরিকল্পনা করছে বলেও অভিযোগ করেন নাড্ডা। বলেন, “সংবিধানে স্পষ্ট লেখা রয়েছে ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ চলবে না।” তার পরেই তিনি জানিয়ে দেন, বিজেপি যতদিন ক্ষমতায় থাকবে, ততদিন ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ হবে না।

    কী বললেন নাড্ডা? (JP Nadda)

    বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি (JP Nadda) বলেন, “আমাদের দলিত, উপজাতি, পিছড়েবর্গ এবং একেবারে পিছিয়ে পড়া শ্রেণির সংরক্ষণে কাউকেই আমরা অনধিকার প্রবেশ করতে দেব না। আপনারা দেখবেন, ৪ জুন কী হয় (এদিনই ফল প্রকাশ হবে অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের)।” নাড্ডা বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি মানে ছিল ডিভাইড অ্যান্ড রুল। কিন্তু এখন দেশে চলছে উন্নয়নের রাজনীতি।” দশ বছর আগে দেশের রাজনৈতিক অবস্থান কি ছিল, সে প্রশ্নও তোলেন নাড্ডা।

    গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক!

    তিনি বলেন, “ওই সময় ভারতকে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে গণ্য করা হত। কিন্তু বড় সমস্যা ছিল রাজনীতি সম্পর্কে সাধারণ মানুষ উদাসীন থাকতেন। রাজনীতির প্রতি তাঁদের বিশ্বাস ভেঙে গিয়েছিল। এটা গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক। কিন্তু গত দশ বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাধারণ মানুষের আস্থা ফেরাতে পেরেছেন। দেশে উন্নয়নের জোয়ার বইয়ে দিয়েছেন।” বিরোধীরা যে বর্ণ বিভাজনের রাজনীতি করতেন, তা-ও মনে করিয়ে দেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। বলেন, “বিরোধীরা ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন করত, কাস্টইজমে ইন্ধন জোগাত। এই সংস্কৃতির বিলোপ ঘটিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ দেশে চলছে উন্নয়নের রাজনীতি। এর ভিত্তিই হল, সবকা সাথ, সবকা প্রয়াস আউর সবকা বিশ্বাস।”

    আর পড়ুন: ইউপিএ জমানায় ৩৫ মুসলিম শ্রেণি ওবিসি তালিকাভুক্ত হয়েছিল মমতার সুপারিশে!

    এদিন কালভৈরব মন্দিরে পুজোও দেন না্ড্ডা। বলেন, “যখনই আমি বারণসীতে আসি, কালভৈরব মন্দিরে পুজো দিই। পুজো দিই সঙ্কটমোচন এবং কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরেও।” তিনি বলেন, “কাশীকে আমরা ধর্মীয় নগরী বলেই জানি। এই শহরই সনাতন ধর্মকে এগিয়ে নিয়ে যায়। এখানে এলে আমি নতুন করে শক্তি নিয়ে ফিরি (JP Nadda)।” প্রসঙ্গত, এই বারাণসী লোকসভা কেন্দ্রেই বিজেপির বাজি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি এই কেন্দ্রের দু’বারের সাংসদ। পয়লা জুন সপ্তম তথা শেষ দফায় নির্বাচন হবে এখানে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Ramakrishna 29: “বিদ্যাসাগরের অনেক গুণ…দয়া সর্বজীবে, বিদ্যাসাগর দয়ার সাগর”

    Ramakrishna 29: “বিদ্যাসাগরের অনেক গুণ…দয়া সর্বজীবে, বিদ্যাসাগর দয়ার সাগর”

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    বিদ্যাসাগর

    সিঁড়ি দিয়া উঠিয়া একেবারে প্রথম কামারাটিতে (উঠিবার পর ঠিক উত্তরের কামরাটিতে) ঠাকুর ভক্তগণসঙ্গে প্রবেশ করিতেছেন। বিদ্যাসাগর কামরার উত্তরপার্শ্বে দক্ষিণাস্য হইয়া বসিয়া আছেন; সম্মুখে একটি চারকোণা লম্বা পালিশ করা টেবিল। টেবিলের পূর্বধারে একখানি পেছন দিকে হেলান-দেওয়া বেঞ্চ। টেবিলের দক্ষিণপার্শ্বে ও পশ্চিমপার্শ্বে কয়েকখানি চেয়ার। বিদ্যাসাগর দু-একটি বন্ধুর সহিত কথা কহিতেছিলেন।

    ঠাকুর (Ramakrishna) প্রবেশ করিলেন পর বিদ্যাসাগর দণ্ডায়মান হইয়া অভ্যর্থনা করিলেন। ঠাকুর পশ্চিমাস্য, টেবিলের পূর্বপার্শ্বে দাঁড়াইয়া আছেন। বামহস্ত টেবিলের উপর। পশ্চাতে বেঞ্চখানি। বিদ্যাসাগরকে পূর্বপরিচিতের ন্যায় একদৃষ্টে দেখিতেছেন ও ভাবে হাসিতেছেন।

    বিদ্যাসাগরের বয়স আন্দাজ ৬২/৬৩, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) অপেক্ষা ১৬/১৭ বৎসর বড় হইবেন। পরনে থান কাপড়, পায়ে চটি জুতা, গায়ে একটি হাত-কাটা ফ্লানেলের জামা। মাথার চতুপার্শ্বে উড়িষ্যাবাসীদের মতো কামানো। কথা কহিবার সময় দাঁতগুলি উজ্জ্বল দেখিতে পাওয়া যায়,–দাঁতগুলি সমস্ত বাঁধানো। মাথাটি খুব বড়। উন্নত ললাট ও একটু খর্বাকৃতি। ব্রাহ্মণ—তাই গলায় উপবীত।

    বিদ্যাসাগরের অনেক গুণ। প্রথম—বিদ্যানুরাগ। একদিন মাস্টার কাছে এই বলতে বলতে সত্য সত্য কেঁদেছিলেন, আমার তো খুব ইচ্ছা ছিল যে, পড়াশুনা করি, কিন্তু কই তা হল! সংসারে পড়ে কিছুই পেলাম না। দ্বিতীয়—দয়া সর্বজীবে, বিদ্যাসাগর দয়ার সাগর। বাছুরেরা মায়ের দুধ পায় না দেখিয়া নিজেকে কয়েক বৎসরের ধরিয়া দুধ খাওয়া বন্ধ করিয়াছিলেন, শেষে শরীর অতিশয় অসুস্থ হওয়াতে অনেকদিন পর আবার ধরিয়াছিলেন। গাড়িতে চড়িতেন না– ঘোড়া নিজের কষ্ট বলিতে পারে না। একদিন দেখলেন, একটি মুটে কলেরা রোগে আক্রান্ত হইয়া রাস্তায় পড়িয়া আছে। দেখিয়া নিজের কোলে করিয়া তাহাকে বাড়িতে আনিলেন ও সেবা করিতে লাগিলেন। তৃতীয়–স্বাধীনতাপ্রিয়তা। কর্তৃপক্ষদের সঙ্গে একমত না হওয়াতে, সংস্কৃত কলেজের প্রধান অধ্যক্ষের (প্রিন্সিপ্যাল) কাজ ছাড়িয়া দিলেন। চতুর্থ—লোকাপেক্ষা করিতেন না। একটি শিক্ষককে ভালবাসিতেন; তাঁহার কন্যার বিবাহের সময়ে নিজে আইবুড়ো ভাতের কাপড় বগলে করে এসে উপস্থিত। পঞ্চম—মাতৃভক্তি ও মনের বল। মা বলিয়াছেন, ঈশ্বর তুমি যদি এই বিবাহে (ভ্রাতার বিবাহে) না আস তাহলে আমরা ভারী মন খারাপ হবে, তাই কলিকাতা হইতে হাঁটিয়া গেলেন। পথে দামোদর নদী, নৌকা নাই, সাঁতার দিয়া পার হইয়া গেলেন। সেই ভিজা কাপড়ে বিবাহ রাত্রেই বীরসিংহায় মার কাছে গিয়া উপস্থিত! বলিলেন মা এসেছি!

    আরও পড়ুন: “আমাকে বিদ্যাসাগরের কাছে কি লইয়া যাইবে? আমার দেখিবার বড় সাধ হয়”

    আরও পড়ুনঃ “সব ত্যাগ করে ভগবানকে ডাক–তিনিই সত্য আর সব অনিত্য”

    আরও পড়ুনঃ“এই স্থানে নরেন্দ্রের গান ঠাকুর প্রথমে শুনেন ও তাঁহাকে দক্ষিণেশ্বরে যাইতে বলেন”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Remal: ঘূর্ণিঝড় রেমালের দাপটে সোমবার বিকেলেও বৃষ্টি শহরে, কবে কাটবে দুর্যোগ?

    Cyclone Remal: ঘূর্ণিঝড় রেমালের দাপটে সোমবার বিকেলেও বৃষ্টি শহরে, কবে কাটবে দুর্যোগ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অঝোরে বৃষ্টি (Rain in Kolkata) হচ্ছে শহর কলকাতায়। রবিবার দুপুর থেকে শুরু হয়ে সোমবার বিকেল এখনও থামার নাম নেই। ঘূর্ণিঝড় রেমালের (Cyclone Remal) প্রভাবে সপ্তাহের প্রথম দিনে কার্যত অবরুদ্ধ শহর। ঘর বন্দি সাধারণ মানুষ। যাঁরা বেরিয়েছেন, তাঁরা দুর্ভোগের শিকার। উত্তর কলকাতার বেশিরভাগ এলাকাই কার্যত জলে ভাসছে। ক্যামাকস্ট্রিট, বালিগঞ্জ, পার্ক সার্কাস সহ জলমগ্ন শহরের একাধিক এলাকা।  

    কী বলছে হাওয়া অফিস

    আলিপুরের তরফে জানানো হয়েছে, শক্তি খুইয়ে ক্রমশ উত্তর এবং উত্তর-পূর্ব দিকে এগিয়ে যাচ্ছে রেমাল (Cyclone Remal)। প্রতি ঘণ্টায় ঝড়টির গতিবেগ মাত্র ১৫ কিলোমিটার। সোমবার বিকেলের দিকে ঝড়টি আরও খানিকটা শক্তি কমিয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে বলে মনে করছেন আবহবিদেরা। রাতের দিকে গভীর নিম্নচাপটি আরও উত্তর-পূর্বে অগ্রসর হয়ে সাধারণ নিম্নচাপে পরিণত হবে। তবে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজ্যের মধ্যবর্তী জেলাগুলির উপর দিয়ে যাওয়ার সময় দুর্যোগ ঘটাবে রেমাল।

    কবে কমবে বৃষ্টি

    আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদের বিস্তীর্ণ অংশে ভারী থেকে অতিভারী (৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার) বৃষ্টি হবে। বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বইতে পারে। ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির (Rain in Kolkata) কারণে সোমবার সারা দিন গেরুয়া সতর্কতা জারি করা হয়েছে হাওড়া, হুগলি, কলকাতা, দুই ২৪ পরগনায়। ভারী বৃষ্টির কারণে হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান এবং দুই মেদিনীপুরে। তবে উপকূলবর্তী জেলাগুলির তুলনায় এবার দক্ষিণবঙ্গের উপর দিকের জেলাগুলিতে ঝড়বৃষ্টির (Cyclone Remal) প্রাবল্য বাড়বে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। মঙ্গলবার থেকে আকাশ পরিষ্কার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    পুনরায় চালু মেট্রো পরিষেবা

    ট্রেন ও বিমান পরিষেবার মতোই রেমালের জেরে আংশিক ব্যাহত হয় মেট্রো পরিষেবা। সপ্তাহের প্রথম কর্মব্যস্ত দিনে মেট্রো চলাচল বিঘ্নিত হওয়ায় বিপাকে পড়তে হয় বহু যাত্রীদের। এদিন সকালে প্রায় ৪ ঘণ্টা ১৫ মিনিট বন্ধ ছিল পরিষেবা। এদিন পার্ক স্ট্রিট এবং এসপ্ল্যানেড স্টেশনের মধ্যবর্তী ট্র্যাকগুলিতে জল জমার খবর সামনে আসে। এরফলে আংশিকভাবে বিঘ্নিত হয় পরিষেবা। সকাল ৭টা ৫১ মিনিট নাগাদ দক্ষিণেশ্বর থেকে গিরিশ পার্ক এবং কবি সুভাষ থেকে মহানায়ক উত্তম কুমার পর্যন্ত মেট্রো চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মধ্যবর্তী স্টেশনগুলিতে মেট্রো চলাচল বন্ধ থাকার ফলে বিপাকে পড়েন বহু যাত্রী। এরপর ১২টা ৫ মিনিট নাগাদ পরিষেবা স্বাভাবিক হয় এবং কবি সুভাষ থেকে দক্ষিণেশ্বর মেট্রো চলাচল শুরু হয়। 

    আরও পড়ুন:রেমালের প্রকোপে প্রায় দশ ঘণ্টা পর শিয়ালদা দক্ষিণ শাখায় চলল ট্রেন

    রাস্তায় যানবাহন কম

    এদিন ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হয় নিত্যযাত্রীদের। একাধিক রাস্তায় গাছ পড়ে থাকার কারণে গাড়ির গতি স্লথ ছিল। তার উপর বৃষ্টি (Rain in Kolkata)। সুযোগ বুঝে অ্যাপ ক্যাবগুলিও ভাড়া বাড়িয়েছিল কয়েকগুণ। রাস্তাঘাটে এদিন বাস এবং ট্যাক্সির সংখ্যাও ছিল হাতে গোনা। শেয়ার ক্যাবগুলিও এদিন চড়া দাম হাঁকিয় পরিস্থিতির সুযোগ নেয়, অভিযোগ যাত্রীদের।

    বেশি বৃষ্টি বেহালা-বালিগঞ্জে

    ঘূর্ণিঝড় রেমালের (Cyclone Remal) দাপটে রবিবার রাতে শহরে নানা জায়গায় রাস্তায় ছিঁড়ে পড়ে রয়েছে বিদ্যুতের তার। শহরের একাধিক জায়গায় গাছ ভেঙে পড়ায় অবরুদ্ধ বিভিন্ন রাস্তা। কলকাতা পুরসভার  হিসেব অনুযায়ী সব থেকে বেশি বৃষ্টি হয়েছে বেহালা ও বালিগঞ্জে। কলকাতা পুলিশ ও কলকাতা পুরসভা গাছ সরানোর কাজ চালাচ্ছে। তবে বৃষ্টির কারণে ভেঙে পড়া গাছ সরাতে বেগ পেতে হচ্ছে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ghar Wapsi: বাংলা ও অসমে ‘ঘর ওয়াপসি’, হিন্দু ধর্মে ফিরে এলেন তিন কন্যা

    Ghar Wapsi: বাংলা ও অসমে ‘ঘর ওয়াপসি’, হিন্দু ধর্মে ফিরে এলেন তিন কন্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় মুসলিমরা ধর্মান্তকরণের মাধ্যমেই হিন্দু থেকে ইসলামকে গ্রহণ করেছেন – এ তত্ত্ব আজ প্রতিষ্ঠিত। হিন্দু সংস্কৃতিকে ভালোবেসে তাই অনেকেই ফিরে আসছেন সনাতন ধর্মে। সাম্প্রতিক সময়ে এমনই ঘটনা দেখা দেল পূর্ব ভারতের অসম ও পশ্চিমবঙ্গে। ‘ঘর ওয়াপসি’-র পরে মুসলিম মেয়েদের নামকরণও বদলে গেল (Ghar Wapsi)। বিবাহ বন্ধনে প্রত্যেকেই আবদ্ধ হলেন হিন্দু ছেলের সঙ্গে। পশ্চিমবঙ্গের বানু খাতুন হলেন অনু এবং অনীশা খাতুন হলেন অন্বেষা। অন্যদিকে অসম রাজ্যের আমিনা হলেন রাধা রবিদাস।

    পশ্চিমবঙ্গের ‘ঘর ওয়াপসি’ (Ghar Wapsi)

    তবে ‘ঘর ওয়াপসি’-র এই কাজ যে খুব সহজে হয়েছে এমনটা নয়। তাঁদেরকে প্রবল বাধার মুখে পড়তে হয়। কোনও ভাবেই দুই কন্যার বাড়ির লোকজন চায়নি এমন সম্পর্ক মেনে নিতে। এই সময়ে পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুত্ববাদী সংগঠন হিন্দু সংহতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। রীতিমতো জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মাধ্যমে তাঁদেরকে হিন্দু সমাজে স্বাগত জানানো হয়। ‘ঘর ওয়াপসি’-র মাধ্যমে হিন্দু ধর্মে ফিরে আসা প্রত্যেকেই মনে করছেন, এই ধর্মে মেয়েদের জন্য রয়েছে ব্যাপক স্বাধীনতা ও সম্মান। ‘ঘর ওয়াপসি’-র পরপরই প্রত্যেকে নিজেদের পরিচয়কে গোপন রেখেছিলেন তাঁদের নিজস্ব নিরাপত্তার কারণেই। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে আরও একটি ‘ঘর ওয়াপসি’র ঘটনা সামনে এসেছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার মহকুমার লুৎফন্নেসা খাতুন হিন্দু ধর্মকে গ্রহণ করেছেন।

    অসমের ‘ঘর ওয়াপসি’ (Ghar Wapsi)

    অন্যদিকে অসমের ‘ঘর ওয়াপসি’-র (Ghar Wapsi) ঘটনাটি ঘটেছে সেখানকার করিমগঞ্জ জেলাতে। সেখানে নতুনভাবে ঘর বেঁধেছেন ইসলাম ত্যাগ করে আসা আমিনা। তাঁকেও স্বাগত জানাতে রীতিমতো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গত ২৬ মে আমিনাকে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্বাগত জানায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। জানা যায়, ২০২০ সালেই প্রেমিক শ্যাম রবিদাসকে বিয়ে করেন আমিনা। জানা গিয়েছে, শ্যামের পরিবার আমিনার পরিবারের সঙ্গে বিবাদে যেতে চায়নি। তাই তারা মানেনি এই বিয়ে। কিন্তু দম্পতি বিশেষ বিবাহ আইনে স্বামী-স্ত্রী হয়ে যায়, তাই তাদের পরিবার তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতেও পারেনি। চার বছর ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরতে থাকে তারা। এই সময়ের মধ্যে আমিনা একটি সন্তানের মা হয়। সন্তানের জন্ম দেওয়ার পরে শ্যাম এবং আমিনা ফিরে আসার কথা চিন্তা করে। এরপরেই বিশ্ব হিন্দু পরিষদে এগিয়ে আসে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: পঞ্চায়েতের পাঠানো ট্যাঙ্কের জল খেয়ে ২০ জন অসুস্থ, সরব বিজেপি

    Bankura: পঞ্চায়েতের পাঠানো ট্যাঙ্কের জল খেয়ে ২০ জন অসুস্থ, সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সরকারের উদ্যোগে এলাকায় পাইপ লাইন বসানো হয়েছে। তবে, এখনও পানীয় জল পরিষেবা শুরু হয়নি। এমনিতেই টিউবওয়েল থেকে জল ঠিক মতো বের না হওয়ায় জল সঙ্কট দেখা দিয়েছে বাঁকুড়ার (Bankura) সিমলাপাল ব্লকের লক্ষ্মীসাগর এলাকায়। আর জলের পরিষেবা দিতে গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে পাঠানো পানীয় জলের ট্যাঙ্ক পাঠানো। সেই জল খেয়ে বিপত্তি।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Bankura)

    বাঁকুড়ার (Bankura) সিমলাপাল ব্লকের লক্ষ্মীসাগর দাসপাড়া পানীয় জলের সমস্যার কারণে স্থানীয় গ্রামপঞ্চায়েত থেকে ট্যাঙ্কারে পানীয় জল পাঠিয়েছিল। সেই জল খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লেন প্রায় ২০ জন। এরইমধ্যে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তিনজন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ভোটের দিন স্থানীয় গ্রামপঞ্চায়েতের তরফে ট্যাঙ্কার পাঠানো হয়। সেখান থেকেই জলপান করেন গ্রামের লোকেরা। অভিযোগ, সেই জল খেয়েই অসুস্থ হতে শুরু করেন লোকজন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পেটে ব্যথা, পাতলা পায়খানা, বমির উপসর্গ দেখা হয়। একজন বা দুজন নয়। এলাকায় ওই জল যাঁরা খেয়েছেন, তাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। ফলে, পঞ্চায়েতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: রেমালে বিপর্যস্ত হাওড়া, জলমগ্ন নিচু এলাকা, বেহাল জনজীবন! নামখানায় মৃত ১

    পঞ্চায়েতের পাঠানো ট্যাঙ্কের জল খেয়ে ২০ জন অসুস্থ

    হাসপাতালে ভর্তি থাকা এক গ্রামবাসী বলেন, “পঞ্চায়েতের পাঠানো ট্যাঙ্কের জল খেয়ে এরকম হয়েছে। ট্যাঙ্কের জল আসে এখানে। ওই জল খেয়ে ২০ জন হাসপাতালে ভর্তি। বমি, পায়খানা, পেটে ব্যথা। বাচ্চাদেরও হয়েছে।” জানা গিয়েছে, একের পর এক ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁদের সিমলাপাল ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনজনের অবস্থার অবনতি হলে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয়। এই ঘটনা ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    এলাকার বিজেপি কর্মীদের বক্তব্য, পাইপ লাইন থাকলেও জলের বালাই নেই। ভোটের আগে জলের ট্যাঙ্কার এনে পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। তাতেই এমন কাণ্ড! আমরা এই ঘটনার তদন্ত দাবি করছি। যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কেউ কোনও কথা বলতে চাননি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NCBC: ইউপিএ জমানায় ৩৫ মুসলিম শ্রেণি ওবিসি তালিকাভুক্ত হয়েছিল মমতার সুপারিশে!

    NCBC: ইউপিএ জমানায় ৩৫ মুসলিম শ্রেণি ওবিসি তালিকাভুক্ত হয়েছিল মমতার সুপারিশে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে বাতিল হয়েছে ৭৭ শ্রেণির ওবিসি শংসাপত্র। এর মধ্যে রয়েছে ৭৫টি মুসলমান শ্রেণি। কলকাতা হাইকোর্টের এই রায়ের পরে গা ঝাড়া দিয়ে উঠল ন্যাশনাল কমিশন ফর ব্যাকওয়ার্ড ক্লাসেস বা এনসিবিসি (NCBC)। তালিকা থেকে আরও কিছু শ্রেণিকে বাদ দেওয়া যায় কিনা, তা খতিয়ে দেখার পরিকল্পনা করছে তারা।

    কী বললেন এনসিবিসির চেয়ারম্যান? (NCBC)

    এনসিবিসির চেয়ারম্যান হংসরাজ গঙ্গারাম আহির বলেন, “২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে ইউপিএ সরকার ওবিসি তালিকায় এমন কোনও শ্রেণিকে অন্তর্ভুক্ত করেছিল কিনা, যারা ওই শ্রেণিগুলোর (কলকাতা হাইকোর্ট যাদের বাতিল করেছে) মতো, তা খতিয়ে দেখা হবে।” তিনি জানান, ২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার সেন্ট্রাল ওবিসি তালিকায় ৪৬টি শ্রেণিকে অন্তর্ভুক্ত করতে সুপারিশ করেছিল তৎকালীন কংগ্রেস পরিচালিত ইউপিএ সরকারকে। এদের মধ্যে ৯টি বাতিল করা হয়েছিল। ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল ৩৭টি শ্রেণি।

    ৩৭ এর মধ্যে ৩৫টিই মুসলমান শ্রেণি

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “৩৭টি শ্রেণিকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য নোটিশ জারি করেছিল সরকার। এর মধ্যে ৩৫টি শ্রেণিই মুসলমান সম্প্রদায়ের। কেবল বাংলা থেকেই অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল ৩৭টি শ্রেণি। সেই তালিকাই এখন পরীক্ষা করব আমরা।” তিনি বলেন (NCBC), “যদি দেখা যায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে যেসব শংসাপত্র বাতিল হয়েছে, তাদের কোনও শ্রেণি ওই তালিকায় রয়ে গিয়েছে, তাহলে ওই শ্রেণিকে বাদ দেওয়ার জন্য এনসিবিসি সোশ্যাল জাস্টিস মিনিস্ট্রিকে রেকমেন্ড করবে।”

    আর পড়ুন: ২৮ তারিখ কলকাতায় রোড-শো মোদির, আগে যাবেন বাগবাজারে সারদা মায়ের বাড়ি

    প্রসঙ্গত, এর আগে এনসিবিসি রোহিঙ্গা এবং বাংলাদেশিদের ওই তালিকা থেকে বাদ দিয়েছিল। অভিযোগ, এদের ওবিসি সার্টিফিকেট পাইয়ে দিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকারই এদের এই শংসাপত্র দিয়েছিল। এনসিবিসি কর্তা বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ সরকার যেসব মুসলমান শ্রেণিকে ওবিসি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট তাদের বাদ দিয়েছে, এটা দুঃখজনক। শুনানির সময়ই আমার খারাপ লেগেছিল – হোন না তাঁরা বাঙালি কিংবা বাংলাদেশি। এভাবে চলতে থাকলে যাঁরা প্রকৃতই ওবিসি, তালিকায় ঠাঁই হবে না তাঁদের। উল্লেখ্য, গোটা মুসলমান সমাজকে ওবিসি তালিকার অন্তর্ভুক্ত করায় কর্নাটকের মুখ্যসচিবকে গত মাসে তলব করেছিল এনসিবিসি (NCBC)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share