Tag: bangla news

bangla news

  • Lok Sabha Election 2024: পুলিশকে একগুচ্ছ নির্দেশ, কলকাতার ভোটে বাড়তি সতর্ক কমিশন

    Lok Sabha Election 2024: পুলিশকে একগুচ্ছ নির্দেশ, কলকাতার ভোটে বাড়তি সতর্ক কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর কয়েক দিনের পরেই কলকাতা শহরে ভোট (Lok Sabha Election 2024)। তার আগে সপ্তম দফার ভোট প্রস্তুতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে বসলেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কর্তারা। কলকাতার নগরপাল বিনীত গোয়েলের প্রতি কমিশনের বার্তা, রাজ্যের মূল শহর কলকাতা। ঐতিহ্যবাহী এই শহরে ভোট শান্তিপূর্ণভাবে করতে হবে। গণমাধ্যম সহ সকলের নজরে থাকবে এই শহরের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি। পাশাপাশি বহু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির বাস এই শহরে। সপ্তম দফতেও কলকাতা এবং সংলগ্ন এলাকায় ভোট সংক্রান্ত নিরাপত্তা যথোপযুক্ত রাখতে হবে। এমনই বার্তা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

    দাগী অপরাধীদের বিষয়ে পুলিশকে সতর্ক করল কমিশন

    জানা গিয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ভোটের (Lok Sabha Election 2024)  দিন গোলমাল পাকাতে পারে এমন দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করে তাঁদের উপর নজরদারি চালাতে হবে। প্রয়োজনে তাঁদের হেফাজতে নিতে হবে। দাগী অপরাধীদের বাইরে রাখা চলবে না। দাগী অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রশ্নে কোন গাফিলতি কমিশন বরদাস্ত করবে না। এই নির্দেশ আগেই দেওয়া হয়েছে। সপ্তম দফায় রাজ্যের যে সমস্ত প্রান্তে ভোট হবে তাঁর একটা বড় এলাকা কলকাতা পুলিশের আওতাধীন। একদম শেষ দফায় ভোট হবে উত্তর কলকাতা, দক্ষিণ কলকাতা, যাদবপুর, ডায়মন্ড হারবার, দমদম, বারাসাত, বসিরহাট, জয়নগর ও মথুরাপুর কেন্দ্র। এরমধ্যে কলকাতা পুলিশকে কলকাতার উত্তর, দক্ষিণ কেন্দ্র ছাড়াও সামলাতে হবে যাদবপুর, ডায়মন্ড হারবারের কিছুটা অংশ এবং জয়নগরের একটি বড় অংশ।

    কোথায় কত বাহিনী

    লালবাজার সূত্রের খবর নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে ইতিমধ্যেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। দাগী অপরাধীদের ক্ষেত্রেও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মোতাবেক কাজ শুরু হয়ে গেছে। দুষ্কৃতীদের তালিকা তৈরি করে তাঁদের মুচলেকা লিখিয়ে নেওয়া হয়েছে, তাঁরা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) দিন গোলমাল পাকাবে না।

    আরও পড়ুন: বুথভিত্তিক ভোটদানের তথ্য প্রকাশের আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে, স্বস্তিতে কমিশন

    এবারের ভোটের কলকাতা পুলিশ ২৪৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করবে। এর আগে এত সংখ্যায় কলকাতায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যবহার হয়নি। এই ছাড়াও কলকাতা পুলিশের ১২,৭০০ পুলিশ কর্মী ভোটের কাজে ব্যস্ত থাকবেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে ২৩০টি কিউআরটি গঠন করা হয়েছে। শহরে টহল দেওয়ার জন্য কলকাতা পুলিশের কর্মী এবং আধিকারিকদের নিয়ে ৩৪৭ টি সেক্টর মোবাইল, ২৪০ কিউআরটি মোবাইল এবং ৮০ হেভি রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড তৈরি করা হয়েছে। যাদের শহরের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ভোটের আগেই মোতায়েন করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: বুথভিত্তিক ভোটদানের তথ্য প্রকাশের আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে, স্বস্তিতে কমিশন

    Supreme Court: বুথভিত্তিক ভোটদানের তথ্য প্রকাশের আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে, স্বস্তিতে কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারাদেশে ৫ দফায় ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এখনও ২ দফায় ভোটগ্রহণ বাকি। নির্বাচন যতই শেষের দিকে যাচ্ছে ততই রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে। আর রাজ্যে ভোটের আবহের মাঝেই এবার সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) রায়ে বড় স্বস্তি মিলল কমিশনের। সম্প্রতি লোকসভা ভোট চলাকালীন কমিশন (Election Commission) যেন তার ওয়েবসাইটে বুথভিত্তিক ভোটদানের হার সম্পর্কিত পরিসংখ্যান প্রকাশ করে এমনই দাবিতে কোর্টে আবেদন জানানো হয় অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্মস-র তরফে। ওই এনজিও-র তরফে দায়ের করা সেই আর্জি এদিন খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এই নির্দেশ দিলে, কমিশনের ঘাড়ে ভোটের মধ্যে অতিরিক্ত বোঝা চাপবে বলে জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। 

    কেন এই সিদ্ধান্ত? (Supreme Court)

    ২৪ মে শুক্রবার বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার অবকাশকালীন বেঞ্চ জানিয়েছে, পাঁচ দফার ভোটগ্রহণ হয়ে গিয়েছে। আর মাত্র দুই দফা বাকি আছে। এই অবস্থায়, প্রতিটি বুথের ভোটদানের তথ্য কমিশনের (Election Commission) ওয়েবসাইটে প্রকাশ করার নির্দেশ দিলে, প্রয়োজনীয় লোকবল সংগ্রহ করা নির্বাচন কমিশনের পক্ষে চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়াবে। এ প্রসঙ্গে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত বলেন, “আমাদের বাস্তব পরিস্থিতিও মাথায় রাখতে হবে। নির্বাচনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের ঘাড়ে অতিরিক্ত বোঝা চাপানো ঠিক হবে না। তাও আবার, মাঝপথে নির্বাচন প্রক্রিয়াকেই চ্যালেঞ্জ করে।”

    আরও পড়ুন: প্রতি বুথে ভোটদানের হার প্রকাশে বিভ্রান্তি বাড়বে, সুপ্রিম কোর্টে কমিশন

    প্রসঙ্গত, ২০২৪ লোকসভা ভোটে প্রথম দুই দফার ভোটগ্রহণ পর্বে ভোটের হার সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশে দেরি হওয়ার পর এক মামলা দায়ের হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। আর্জি ছিল লোকসভা ভোট চলাকালীন কমিশন যেন তার ওয়েবসাইটে প্রতি বুথে ভোটদানের হার সম্পর্কিত পরিসংখ্যান প্রকাশ করে, তার জন্য নির্দেশ যেন সুপ্রিম কোর্ট কমিশনকে দেয়। তবে এ প্রসঙ্গে কমিশন বলেছিল, নির্বাচনী আইনে কোথাও ভোটদানের তথ্য় প্রকাশ করতেই হবে, এমন কথা বলা নেই। তাছাড়া, এই বিপুল সংখ্যক বুথের তথ্য এত দ্রুত প্রকাশ করা সম্ভব নয়। নির্বাচনের পরই এই তথ্য তারা প্রকাশ করতে পারবে। কমিশনের (Election Commission) এই বক্তব্যের পর ওই এনজিও-র তরফে দায়ের করা সেই আর্জি এদিন খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 26: “এই স্থানে নরেন্দ্রের গান ঠাকুর প্রথমে শুনেন ও তাঁহাকে দক্ষিণেশ্বরে যাইতে বলেন”

    Ramakrishna 26: “এই স্থানে নরেন্দ্রের গান ঠাকুর প্রথমে শুনেন ও তাঁহাকে দক্ষিণেশ্বরে যাইতে বলেন”

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    শ্রীযুক্ত কেশবের হিন্দুধর্মের উপর উত্তরোত্তর শ্রদ্ধা

    ইহার কিছুদিন পরে ১৮৮১ মাঘোৎসবের সময় জানুয়ারি মাসে কেশব শ্রীরামকৃষ্ণকে (Ramakrishna) দর্শন করিতে দক্ষিণেশ্বরে যান। তখন রাম, মনোমোহন, জয়গোপাল সেন প্রভৃতি অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

    ১৮০৩ শক, ১লা শ্রাবণ (কৃষ্ণা চতুর্থী, ১২৮৮), শুক্রবার, ১৫ই জুলাই, ১৮৮১, কেশব আবার শ্রীরামকৃষ্ণকে দক্ষিণেশ্বর হইতে স্টিমারে তুলিয়া লন।

    ১৮৮১ নভেম্বর মাসে মনোমোহনের বাটিতে যখন ঠাকুর শুভাগমন করেন ও উৎসব হয়, তখনও কেশব নিমন্ত্রিত হইয়া উৎসবে যোগদান করেন। শ্রীযুক্ত ত্রৈলোক্য প্রভৃতি গান করিয়াছিলেন।

    ১৮৮১ ডিসেম্বর মাসে রাজেন্দ্র মিত্রের বাটিতে শ্রীরামকৃষ্ণ নিমন্ত্রিত হইয়া যান। শ্রীযুক্ত কেশবও গিয়েছিলেন। বাটিটি ঠন্‌ঠনে বেচু চাটুজ্যের স্ট্রীটে। রাজেন্দ্র রাম ও মনোমোহন মেসোমহাশয়। রাম, মনোমোহন, ব্রাহ্মভক্ত রাজমোহন, রাজেন্দ্র, কেশবকেও সংবাদ দেন ও নিমন্ত্রণ করেন।

    কেশবকে যখন সংবাদ দেওয়া হয়, তখন তিনি অঘোরনাথের শোকে অশৌচ গ্রহণ করিয়েছিলেন। প্রচারক ভাই অঘোর ২৪শে অগ্রহায়ণ, ৮ই ডিসেম্বর বৃহস্পতিবারে লক্ষণৌ নগরে দেহত্যাগ করেন। সকলে মনে করিলেন, কেশব বুঝি আসিতে পারিবেন না। কেশব সংবাদ পাইয়া বলিলেন, “সে কি! পরমহংস মহাশয় আসিবেন আর আমি যাইব না। অবশ্য যাইব। অশৌচ তাই আমি আলাদা জায়গায় খাব।

    মনোমোহনের মাতা ঠাকুরানী পরম ভক্তিমতী শ্যামসুন্দরী দেবী ঠাকুরকে পরিবেশন করিয়াছিলেন। রাম খাবার সময় দাঁড়াইয়াছিলেন। যেদিন রাজেন্দ্রের বাটিতে শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) শুভাগমন করেন, সেইদিন অপরাহ্ণে সুরেন্দ্র তাঁহাকে লইয়া চীনাবাজারে তাঁহার ফোটোগ্রাফ লইয়াছিলেন। ঠাকুর দণ্ডায়মান সমাধিস্থ।

    উৎসবের দিবসে মহেন্দ্র গোস্বামী ভগবত পাঠ করিলেন।

    ১৮৮২ জানুয়ারি মাঘোৎসবের সময় সিমুলিয়া ব্রাহ্মসমাজের উৎসব হয়। জ্ঞান চৌধুরির বাটীতে, দালানে ও উঠানে উপাসনা ও কীর্তন হয়। শ্রীরামকৃষ্ণ ও কেশব নিমন্ত্রিত হইয়া উপস্থিত ছিলেন। এই স্থানে নরেন্দ্রের গান ঠাকুর প্রথমে শুনেন ও তাঁহাকে দক্ষিণেশ্বরে যাইতে বলেন।  

    ১৮৮২ খ্রিষ্টাব্দে ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ১২ই ফাল্গুন বৃহস্পতিবার কেশব শ্রীরামকৃষ্ণকে দক্ষিণেশ্বরে ভক্তসঙ্গে আবার দর্শন করিতে আসেন। সঙ্গে জোসেফ কুক্‌ আমেরিকান পাদরী মিস পিগট। ব্রাহ্মভক্তগণসহ কেশব ঠাকুরকে স্টিমারে তুলিয়া লইলেন। কুক্‌ সাহেব শ্রীরামকৃষ্ণের (Ramakrishna) সমাধি অবস্থা দেখিলেন। শ্রীযুক্ত নগেন্দ্র এই জাহাজে উপস্থিত ছিলেন। তাঁহার মুখে সমস্ত শুনিয়া মাস্টার দশ-পনেরো দিনের মধ্যে দক্ষিণেশ্বরে শ্রীরামকৃষ্ণকে প্রথম দর্শন করেন।

    আরও পড়ুনঃ “দক্ষিণেশ্বরের পরমহংস সামান্য নহেন, এক্ষণে পৃথিবীর মধ্যে এত বড় লোক কেহ নাই”

    আরও পড়ুনঃ “দু-চারটা মাছ এমন সেয়ানা যে, কখনও জালে পড়ে না”

    আরও পড়ুনঃ“বেঙাচির ল্যাজ খসলে জলেও থাকতে পারে, আবার ডাঙাতেও থাকতে পারে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Naga Sadhus: তাঁদের বীরত্ব ও দাপটের সামনে হার মানে আফগান বাহিনীও, জানুন নাগা সাধুদের ইতিহাস

    Naga Sadhus: তাঁদের বীরত্ব ও দাপটের সামনে হার মানে আফগান বাহিনীও, জানুন নাগা সাধুদের ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্মে যুদ্ধের ঐতিহ্য বরাবরই রয়েছে। ধর্মের বেশিরভাগ দেবতার হাতেই সে কারণে অস্ত্র আমরা দেখতে পাই। দেবী দুর্গা থেকে শ্রীকৃষ্ণ, ভগবান বিষ্ণু থেকে রামচন্দ্র। প্রত্যেকেই অস্ত্র ধরেছেন, যুদ্ধ করেছেন ও ধর্মরাজ্যের স্থাপন করেছেন। অষ্টম শতাব্দীতে হিন্দু ধর্মের পুনর্জাগরণ করেন আদি শঙ্করাচার্য। মূলত সারা ভারতব্যাপী তীর্থ ভ্রমণ করে হিন্দু জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন তিনি। তখন থেকেই নতুন একটি সামরিক প্রথা চালু হয়। হিন্দু আখড়াগুলির মধ্যে নাগা-রা ছিল সবচেয়ে বেশি সামরিকভাবে সজ্জিত এবং শক্তিশালী। বৈদিক ধর্মের ওপর যেখানেই আঘাত আসত সেখানেই এগিয়ে যেত নাগা সাধুরা (Naga Sadhus) এবং তারা রুখে দিত আক্রমণকারীদের। ঐতিহাসিকদের মতে, নাগাদের হাতে থাকত তলোয়ার, বর্শা, তীরধনুক ইত্য়াদি।

    শঙ্করাচার্যের শাস্ত্র ও শস্ত্র ভাবনা

    আদিগুরু শঙ্করাচার্য (Adi Shankaracharya) কেরলের কালাডি গ্রামের জন্মগ্রহণ করেছিলেন। জানা যায়, মাত্র পাঁচ বছর বয়সেই সন্ন্যাস ধর্মে দীক্ষিত হয়ে তিনি বাড়ি ছেড়েছিলেন। জ্ঞান এবং অস্ত্র অর্থাৎ ভালো বাংলায় বলতে গেলে শাস্ত্র এবং শস্ত্র – এই দুটিরই প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন আদি শঙ্করাচার্য। শাস্ত্রকে তিনি আচার্যদের ওপর ছেড়ে দেন এবং অস্ত্রের দায়িত্ব তিনি নাগাদের (Naga Sadhus) ওপরেই দেন। আদিগুরু শঙ্করাচার্যের এমন ভাবনা সফল হয়। সারা ভারতবর্ষে হিন্দু ধর্মের পুনর্জাগরণ শুরু হয়। শঙ্করাচার্য প্রবর্তিত সম্প্রদায় দশনামী সম্প্রদায় নামে পরিচিত। উল্লেখযোগ্য সম্প্রদায়গুলি হল – গিরি অর্থাৎ পর্বতের সম্প্রদায়, পুরী অর্থাৎ শহরের সন্ন্যাসী, সরস্বতী যার অর্থ পুরোহিত, আরণ্যক অর্থাৎ বনের সম্প্রদায়। সাগর অর্থাৎ সমুদ্র উপকূলীয় সম্প্রদায়।

    বীর নাগা সাধুরা পরাস্ত করে আফগানদের 

    আদিগুরু শঙ্করাচার্যের এই ভাবনা যে বৃথা যায়নি তা প্রমাণ করে দেন নাগা সন্ন্যাসীরা (Naga Sadhus)। একাধিক যুদ্ধভূমিতে। ১৭৫৭ সালে গোকুলের যুদ্ধের নাগা সন্ন্যাসীরা (Naga Sadhu) অসম্ভব বীরত্বের পরিচয় দেন এবং সেখানে আফগান সেনাপতি সর্দার খান যখন গোকুল আক্রমণ করেন সেখানে মাত্র তিন হাজার নাগা সাধু ত্রিশ হাজার আফগান সৈন্যকে পরাজিত করতে সমর্থ হন।

    আহমেদ শাহ আবদালি চারবার ভারত আক্রমণ করেছিলেন

    প্রসঙ্গত, আফগানিস্তানের সম্রাট আহমেদ শাহ আবদালি চারবার ভারত আক্রমণ করেছিলেন বলে জানা যায়। সে সময় মুঘলরা অত্যন্ত দুর্বল ছিল এবং উত্তর ভারতে ইসলামিক আক্রমণকে প্রতিহত করার মতো কোনও হিন্দু শক্তি ছিল না। ১৭৫৭ সালের জানুয়ারি মাসে আফগান বাহিনী লুণ্ঠন করে, প্রচুর মন্দির ধ্বংস করে। এত লুটপাট চালানোর পরেও আফগান সম্রাট তাঁর দুই জন সেনাপতি নাজিব খান এবং জাহান খানকে কুড়ি হাজার সৈন্য সমেত মথুরা,আগ্রা, বল্লভগড় এবং বৃন্দাবনে হামলা চালানোর  নির্দেশ দেন। জানা যায়, সেই সময় তিনি তাঁর সৈন্যদের বলেন যে মথুরা এবং বৃন্দাবন হিন্দুদের একটা পবিত্র স্থান। এটিকে সম্পূর্ণভাবে তলোয়ারের নিশানায় রাখতে হবে। আগ্রা পর্যন্ত কোনও জায়গাকে ছাড়া যাবে না। প্রতিটি দালান বাড়িতে ভেঙে ফেলতে হবে। হিন্দু কাফেরদের শিরোচ্ছেদ করতে হবে। আফগানিস্তানে এসে সেই মাথা আমাকে উপহার দিতে হবে। তার জন্য পুরস্কার হিসেবে তোমরা ৫ টাকা নেবে।

    মথুরায় ধ্বংসলীলা আফগানদের

    আফগান সেনারা এই নির্দেশ মোতাবেক মথুরায় পৌঁছায় এবং তারা একের পর এক মন্দিরকে ধ্বংস করতে থাকে। তার পাশাপাশি হিন্দু মহিলাদের ধর্ষণ করতে থাকে। হিন্দু পুরুষদের শিরোচ্ছেদ করে টুকরো টুকরো করা হয়। শিশুদেরকে দাস বানানো হয়। অনেক নারী তাদের সম্মান রক্ষায় যমুনা নদীতে ঝাঁপ দিতে বাধ্য হন। জানা যায়, সে সময়ে আফগান আক্রমণকারীদের হাত থেকে বাঁচার জন্য প্রচুর সংখ্যক মহিলা এবং শিশু শীতলা মাতা মন্দির এর পিছনে গুহায় আশ্রয় নেন। কিন্তু সেই জায়গাও আফগান সৈন্যরা দেখে ফেলে এবং সেখানে অত্যন্ত নিষ্ঠুরতা সঙ্গে প্রবেশ করে ভিতরে থাকা প্রত্যেকটি হিন্দুকে হত্যা করে। মথুরার পবিত্র ভূমিতে হিন্দুদের ওপর এই আক্রমণ তিনদিন ধরে চলেছিল এবং সেখানে আকাশ বাতাসে কয়েক মাস ধরে দুর্গন্ধ ছিল বলে জানা যায়। আফগানিস্তানের সেনারা ৬,০০০ হিন্দু নারীকে ক্রীতদাস বানায় এবং ১২ কোটি টাকা মথুরা থেকে লুট করে। মথুরা আক্রমণ করার পর আফগানরা বৃন্দাবনের দিকে অগ্রসর হয় এবং সেখানে আক্রমণ চালানো হয়। 

    আফগানরা রণে ভঙ্গ দেয় নাগাদের আক্রমণের মুখে পড়ে

    বৃন্দাবনকে ধ্বংস করার পর আফগান সেনাপতি সর্দার খান, গোকুলকে লুণ্ঠন করে লুটপাট করার কথা ভাবেন। সেই মতো ১০ হাজার আফগান সেনা বাহিনী গোকুলের দিকে অগ্রসর হয়। সেখানে তারা দেখতে পান ৪ হাজার নাগা সাধু (Naga Sadhus) তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য দাঁড়িয়ে রয়েছে। নাগা সাধুরা যখন আফগানিস্তানে হিন্দুদের ওপর দুর্দশার কথা শুনেছিলেন তখন তাঁরা হরিদ্বার এবং উজ্জয়িনী গোকুলে আসতে থাকেন। নাগা সাধুদের সঙ্গে প্রবল যুদ্ধ শুরু হয় আফগানিস্তানে সেনাদের। প্রথমে আফগান সেনারা মনে করেছিল যে নাগা সাধুরা তাদেরকে মোকাবিলা করতে পারবে না কিন্তু শীঘ্রই তারা ভুল প্রমাণ হতে থাকে। নাগাদের (Naga Sadhu) সামরিক দক্ষতার কাছে একদম পরাস্ত হয় তারা। আতঙ্কিত আফগান সেনারা রণে ভঙ্গ দিয়ে পালিয়ে যায় এবং নাগাদের কোনওভাবেই তারা প্রতিরোধ করতে পারে না। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সঙ্গে আফগান সেনারা পরাজয় স্বীকার করে। জানা যায়, গোকুলের প্রবল যুদ্ধে ২০০০ নাগা সৈন্য মারা যান এবং আফগান সৈন্যদের ক্ষেত্রে সংখ্যাটা ছিল ৫০০০। নাগা সন্ন্যাসীরা অসংখ্য হিন্দু মন্দিরে আফগান শাসন থেকে মুক্ত করেছিলেন এবং গোকুলকে সেদিন রক্ষা করেন নাগা সাধুরা (Naga Sadhus)। নাগা সাধুদের সাহসিকতা এবং বীরত্বের ইতিহাস আজও অনুপ্রাণিত করে আমাদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।
     

  • Jai Shah: “কোনও অস্ট্রেলীয়কেই কোচের জন্য বলা হয়নি”, স্পষ্ট ঘোষণা জয় শাহের

    Jai Shah: “কোনও অস্ট্রেলীয়কেই কোচের জন্য বলা হয়নি”, স্পষ্ট ঘোষণা জয় শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাহুল পরবর্তী জমানায় অস্ট্রেলিয়ার কোনও প্রাক্তন ক্রিকেটারকে ভারতীয় ক্রিকেট দলের কোচের প্রস্তাব দেওয়া হয়নি, বলে জানিয়ে দিলেন বিসিসিআই (BCCI) সচিব জয় শাহ (Jai Shah)। রিকি পন্টিং ও জাস্টিন ল্যাঙ্গারের মন্তব্য ঘিরে বিতর্কের সৃষ্টি হওয়ার পর বোর্ড সচিব জানিয়ে দেন, ভারতীয় দলের হেড কোচের পদের জন্য কোনও অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়নি। 

    কী বললেন বিসিসিআই সচিব

    নিউজিল্যান্ডের স্টিফেন ফ্লেমিং, ভারতের ভিভিএস লক্ষ্মণ, বীরেন্দ্র সেওয়াগ, আশিস নেহরা। এমন অনেক নামের মাঝে শোনা গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার জাস্টিন ল্যাঙ্গার এবং রিকি পন্টিংয়ের কথাও। অজি কোচ নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটের অভিজ্ঞতা একেবারেই সুখকর নয়। ফলে দুই অজি ক্রিকেটারের নাম উঠে আসায় কিছুটা যেন অস্বস্তিও তৈরি হয়েছিল। জাস্টিন ল্যাঙ্গার নিজে থেকে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তেমনই রিকি পন্টিং দাবি করেছিলেন, তাঁকে প্রস্তাব দেওয়া হলেও ভারতীয় দলের দায়িত্ব নিতে রাজি হননি। এরপরই জয় শাহ (Jai Shah) বলেন,  “আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে সম্মানের পদ, ভারতীয় দলের কোচ। না তো আমি কিংবা বোর্ডের কেউ, অস্ট্রেলিয়ার কোনও প্রাক্তনকে কোচ হওয়ার প্রস্তাব দিইনি। যে খবর সামনে আসছে, তা পুরোপুরি জল্পনা। একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই যোগ্য ব্যক্তিকে আমরা কোচ হিসেবে বেছে নেব।” 

    ঘরোয়া ক্রিকেটকে বুঝতে হবে

    ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের পক্ষ থেকে সম্প্রতি একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল। সেখানে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, আমেরিকা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজে আয়োজিত আসন্ন টি-২০ ক্রিকেট বিশ্বকাপের পর টিম ইন্ডিয়ার বর্তমান হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। সেকারণে এই পদের জন্য ইচ্ছুক ব্যক্তিরা আগামী ২৭ মে সন্ধ্যা ছ’টা পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। ভারতের কোচ নির্বাচন প্রসঙ্গে জয় শাহ (Jai Shah) জানান, ভারতীয় ক্রিকেট দলের জন্য আগামী ক্রিকেট কোচ সঠিক পদ্ধতি মেনেই নির্বাচন করা হবে। তিনি বলেন, “আমরা এমন একজনকে খুঁজছি, যাঁর ভারতীয় ক্রিকেট পরিকাঠামো সম্পর্কে গভীর জ্ঞান রয়েছে। সেই অনুযায়ী আমরা এগিয়ে চলেছি। এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় যে টিম ইন্ডিয়ার আগামী কোচ যিনিই হোন না কেন, ঘরোয়া ক্রিকেট সম্পর্কে তাঁর গভীর জ্ঞান থাকতে হবে। তাহলেই ভারতীয় ক্রিকেট দলের উন্নতি সম্ভব হবে।

    আরও পড়ুন: গুরু গম্ভীরের বিশেষ বার্তা! “আসল কাজ ২৬ তারিখ”, ট্রফি জয়ই প্রধান লক্ষ্য নাইটদের

    সম্মানের পদ

    ভারতীয় দলের কোচের পদ নিয়ে বিসিসিআই (BCCI) সচিব জয় শাহ (Jai Shah) বলেছেন, ‘‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিয়ে কথা বলার সময় আমরা উপলব্ধি করেছি, এই মুহূর্তে ভারতীয় দলের কোচের থেকে বেশি মর্যাদাপূর্ণ কোনও পদ নেই। বিশ্বে সবচেয়ে বেশি সমর্থক রয়েছে ভারতীয় দলের। বিশ্বের সর্বত্র ভারতীয় দল অতুলনীয় সমর্থন পায়। আমাদের ক্রিকেটের সমৃদ্ধ ইতিহাস, খেলার প্রতি আমাদের অনুরাগ ভারতীয় দলের কোচের পদকে সবচেয়ে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। এই পদে কাজ করার জন্য প্রয়োজন চূড়ান্ত পেশাদারি মানসিকতা। কারণ তাঁকে বিশ্বের সেরা কয়েক জন ক্রিকেটারকে সামলাতে হয়। একই সঙ্গে প্রচুর প্রতিভাবান ক্রিকেটারের দিকও নজর রাখতে হয়। লক্ষ লক্ষ সমর্থকের প্রত্যাশা পূরণ করা অত্যন্ত সম্মানের ব্যাপার। বিসিসিআই সঠিক প্রার্থীকেই বেছে নেবে। যিনি ভারতীয় ক্রিকেটকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • AI Anchors: একসঙ্গে দুজন এআই অ্যাঙ্কর অনবোর্ড! নতুন চমক ডিডি কিষাণের

    AI Anchors: একসঙ্গে দুজন এআই অ্যাঙ্কর অনবোর্ড! নতুন চমক ডিডি কিষাণের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয় বছরের সাফল্যের পর, দূরদর্শন (ডিডি) কিষাণ সকলের সামনে আনতে চলেছে এক নতুন চমক৷ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে এক নতুন পথের সূচনা করছে ডিডি কিষাণ (DD Kisan channel)। এই চ্যানেলই প্রথম সরকারি টিভি চ্যানেল হয়ে উঠবে যেখানে একসঙ্গে দুজন এআই অ্যাঙ্কর (AI Anchors) অনবোর্ড থাকবে। 

    ডিডি কিষাণে এআই অ্যাঙ্কর (AI Anchors) 

    জানা গিয়েছে এই দুই এআই অ্যাঙ্করের মধ্যে একজন এআই কৃষ এবং অপর জন এআই ভূমি। এই দুই এআই অ্যাঙ্কর মানুষের মতো কাজ করতে সক্ষম এবং একটানা ৩৬৫ দিন ২৪ ঘন্টা না থেমে, ক্লান্ত না হয়ে সংবাদ পড়তে পারবে। জানা গিয়েছে, এই এআই অ্যাঙ্কররা দেশ ও বিদেশের পঞ্চাশটি ভাষায় কথা বলতে সক্ষম হবেন এবং দেশে ও বিদেশের সমস্ত কৃষি সংক্রান্ত খবর, আবহাওয়ার পরিবর্তন বা সরকারী প্রকল্পের অন্য যেকোন তথ্য সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করবেন। ২৬ মে ২০১৫-এ প্রতিষ্ঠিত ডিডি কিষাণ (DD Kisan channel) হল দেশের একমাত্র টিভি চ্যানেল যা ভারতের কৃষকদের জন্য নিবেদিত। চ্যানেলটি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বের এবং স্থানীয় এলাকার আবহাওয়ার পরিবর্তন সম্পর্কে কৃষকদের অবহিত করা। এটি কৃষি ও গ্রামীণ সেবার লক্ষ্যে প্রগতিশীল কৃষকদের প্রচেষ্টাকে সকল মানুষের কাছে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যও কাজ করছে। 
    যদিও মিডিয়াতে এআই সঞ্চালিকা (AI Anchors) এটাই প্রথম নয়। এর আগে ওডিশার একটি প্রাইভেট টেলিভিশন চ্যানেল প্রথম এআই সঞ্চালিকা লিসাকে সামনে এনেছিল। এরপর কানাডার ‘পাওয়ার টিভি’ প্রথম এআই সঞ্চালিকা সৌন্দর্যকে এনেছিল। আর এবার দুই এআই অ্যাঙ্কর একসঙ্গে অনবোর্ড থাকবে ডিডি কিষাণে। 

    আরও পড়ুন: চুপিসারে বেড়েছে ইমাম ভাতা! রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ বিজেপির

    অনেকের মতে আশীর্বাদের পরিবর্তে এআই ধীরে ধীরে অভিশাপ হয়ে উঠছে। কারণ এর জন্য বহু মানুষ চাকরি হারাতে চলেছেন। যদিও কিছু অংশ এআই-কে স্বাগত জানিয়েছে। সমালোচনা হলেও কৃত্তিম মেধা যে সংবাদ চ্যানেলগুলিতে ধীরে ধীরে জায়গা করে নিচ্ছে তা এড়িয়ে যাওয়ার কোনও জায়গা নেই। আগামীদিনে এআই সঞ্চালিকাদের (AI Anchors) জায়গা ধীরে ধীরে আরও বাড়বে ভারতের মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিতে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nandigram: নন্দীগ্রাম কাণ্ডে কমিশনের অজুহাতে রাজ্যপালকে রিপোর্ট দিতে নারাজ রাজ্য

    Nandigram: নন্দীগ্রাম কাণ্ডে কমিশনের অজুহাতে রাজ্যপালকে রিপোর্ট দিতে নারাজ রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রামে (Nandigram) বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় রাজ্য পুলিশের অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট চেয়ে পাঠালেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। প্রসঙ্গত বুধবার রাতে নন্দীগ্রামের সোনাচূড়ায় মনসা বাজার এলাকায় দুষ্কৃতীদের হাতে খুন হন স্থানীয় বিজেপি নেতা সঞ্জয় আড়ির মা রথীবালা আড়ি। নন্দীগ্রামে বিজেপির তফসিলি মোর্চার সম্পাদক সঞ্জয় আড়ি বর্তমানে কলকাতার একটি হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।

    রাজ্যপালের বার্তা

    অ্যাকশন রিপোর্ট চাওয়ার পাশাপাশি লোকসভা ভোটে রক্ত স্নান বন্ধ করে আদর্শ আচরণ বিধি মেনে চলার পরামর্শ রাজ্যকে দিয়েছেন রাজ্যপাল। এই ঘটনায় সরাসরি শাসক দলের নেতারা জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। এফআইআরেও তাঁদের নাম রয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরাও সরাসরি স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের নাম করে তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। পরিকল্পনা করে এই খুন করা হয়েছে অভিযোগ তাঁদের।

    রাজ্যপালকে রিপোর্ট দিতে অনীহা

    প্রসঙ্গত নন্দীগ্রামে (Nandigram) খুনের ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত খোঁজখবর শুরু করেছেন রাজ্যপাল। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে রাজ্য প্রশাসন কী পদক্ষেপ করেছে তা জানিয়ে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে রাজভবন। রাজ্য প্রশাসন অবশ্য রাজ্যপালকে রিপোর্ট দেওয়ার মেজাজে নেই।

    আরও পড়ুন: মারে মাথার খুলি ফেটে গিয়েছিল! আশঙ্কাজনক অবস্থায় কেমন আছেন নন্দীগ্রামের বিজেপি নেতা?

    রাজ্য প্রশাসনের যুক্তি লোকসভা নির্বাচন না মেটা পর্যন্ত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। তাই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পুলিশ প্রশাসন এখনও পর্যন্ত কী পদক্ষেপ করেছে তা বলতে পারবে কমিশন। নবান্ন বা রাজ্য প্রশাসন নয়। অর্থাৎ এ বিষয়ে পুলিশ পদক্ষেপ করলেও কী পদক্ষেপ করা হয়েছে তা কমিশনের অজুহাত দেখিয়ে রাজভবনের কাছে পৌঁছে দিতে নারাজ রাজ্য।

    নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপ

    নন্দীগ্রামে (Nandigram) বিজেপির মহিলা কর্মীকে কুপিয়ে খুনের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা জানতে চেয়েছে নির্বাচন কমিশন। কী কারণে মৃত্যু? সে বিষয়েও পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসককে দ্রুত রিপোর্ট পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। একইসঙ্গে অশান্তি প্রবণ অঞ্চলে রুট মার্চ করানোরও নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    ভোটের আবহে (Lok Sabha Election 2024) বুধবার রাতে নন্দীগ্রামের সোনাচূড়া এলাকায় একটি হামলার ঘটনা ঘটে। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা রাতে এলাকায় হামলা চালায়। এক মহিলা কর্মীকে কুপিয়ে খুন করা হয়। রথীবালা আড়ি নামে ওই বিজেপি (BJP) কর্মীকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি কোপ চালাতে থাকে দুষ্কৃতীরা। রক্তাক্ত হয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন তিনি। মাকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর জখম হন রথীবালার পুত্র সঞ্জয় আড়িও। চিৎকার শুনে গ্রামবাসীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছলে দুষ্কৃতীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। জখমদের তৎক্ষণাৎ নিয়ে যাওয়া হয় নন্দীগ্রাম (Nandigram) সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Dooars Jungle Safari: রাজ্যে পর্যটকদের জন্য খারাপ খবর! বন্ধ হল ডুয়ার্সে মহাকাল রুট সাফারি

    Dooars Jungle Safari: রাজ্যে পর্যটকদের জন্য খারাপ খবর! বন্ধ হল ডুয়ার্সে মহাকাল রুট সাফারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পর্যটকদের জন্য খারাপ খবর! উত্তরবঙ্গের ডুয়ার্সে (Dooars Jungle Safari) মহাকাল রুটে সাফারি বন্ধের নির্দেশ বন দফতরের। উত্তরে ঘুরতে যাওয়া পর্যটন কেন্দ্রগুলির মধ্যে একটি আকর্ষণীয় জায়গা হল জয়ন্তী-মহাকালের জঙ্গল সাফারি। সারা বছর পর্যটকদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায় এই এলাকায়। এবার এই বন্ধের নির্দেশকায় স্থানীয় ব্যবস্যায়ীরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন বলে জানা গিয়েছে।

    কেন বন্ধের নির্দেশ (Dooars Jungle Safari)?

    বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, অনির্দিষ্টকালের জন্য জয়ন্তী-মহাকাল রুটে জঙ্গল সাফারি (Dooars Jungle Safari) বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জঙ্গলে রাস্তার পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ। ফলে পর্যটকদের সুরক্ষার কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জঙ্গলে হাতির গতিবিধি অনেক বেড়ে গিয়েছে। পরিস্থিতি অনুকুল না হলে আপাতত এই নির্দেশিকা পালন করতে হবে।

    ব্যবসায়ী মহলের প্রতিক্রিয়া

    বন দফতরের এই সিদ্ধান্তে ব্যাপক ভাবে সমস্যায় পড়বেন এলাকার ব্যবসায়ীরা। ডুয়ার্সে (Dooars Jungle Safari) ঘুরতে যাওয়ার মানেই হল মহাকাল মন্দির দর্শন করা। রাস্তা বন্ধ থাকলে স্বাভাবিক ভাবেই ভক্ত এবং পর্যটকদের সংখ্যা কমে যাবে। জয়ন্তী নদীর ধার ধরেই পর্যটকদের ঘুরতে যেতে হয়। বর্ষায় হরপা বানের সম্ভাবনা রয়েছে। আবার নদীর ধারে পশুরা জলপান করতে আসে। তাই যোগাযোগ মাধ্যমের উপর প্রভাব ফেলছে সাময়িক। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের কাজ করা হবে দ্রুত। 

    আলিপুর ট্যুর অপরেটর অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিপ্লব দে সরকার বলেন, “জয়ন্তীর ধারে আসা পর্যটকরা একবার হেলেও মহাকালে যান। মানুষের আবেগ জড়িয়ে থাকে। সাফারি বন্ধ হয়ে গেলে ব্যবসায় একটা বড় প্রভাব পড়বে। পুরো জিপ সাফারি বন্ধ না করে সপ্তাহে দুদিন যাতে চলে সেই বিষয়ে দফতরকে আমরা আবেদন করব।”

    আরও পড়ুনঃমারে মাথার খুলি ফেটে গিয়েছিল! আশঙ্কাজনক অবস্থায় কেমন আছেন নন্দীগ্রামের বিজেপি নেতা?

    প্রশাসনিক আধিকারিকের বক্তব্য

    বক্সা টাইগার রিজার্ভের ডিএফডি (ইস্ট) দেবাশিস শর্মা সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছে, “মহাকাল যাওয়ার রাস্তা বন্ধ থাকলেও জয়ন্তীর অন্যান্য রুটে সাফারি (Dooars Jungle Safari) আগের মতোই চালু থাকবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nandigram: মারে মাথার খুলি ফেটে গিয়েছিল! আশঙ্কাজনক অবস্থায় কেমন আছেন নন্দীগ্রামের বিজেপি নেতা?

    Nandigram: মারে মাথার খুলি ফেটে গিয়েছিল! আশঙ্কাজনক অবস্থায় কেমন আছেন নন্দীগ্রামের বিজেপি নেতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ষষ্ঠ দফার একদিন আগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে নন্দীগ্রাম (Nandigram)। বিজেপির পতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে মহিলা বিজেপি কর্মী রথিবালা আড়িকে। একই সঙ্গে বেধরক মারে গুরুতর আহত হয়েছেন রথিবালার ছেলে সঞ্জয় আড়ি। শুধু তাই নয় আরও ৭ জন বিজেপি কর্মীকে ব্যাপক মারধর করা হয়। প্রত্যেকের অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কাজনক। এরপরে বিজেপির ক্ষোভের আগুনে আগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে নন্দীগ্রাম। গত বিধানসভা নির্বাচনের পর এই নন্দীগ্রামে তৃণমূলের বিরুদ্ধে খুন-ধর্ষণের ঘটনায় আহতদের দেখতে গিয়েছিলেন তৎকালীন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়।

    মাথার খুলি ফেটে যায় (Nandigram)!

    তৃণমূল দুষ্কৃতীদের মারের আঘাতে ভয়ঙ্কর ভাবে আহত হন সঞ্জয় আড়ি। তিনি অবশ্য সোনাচূড় (Nandigram) এলাকার বিজেপির এসসি মোর্চার অঞ্চল সভাপতি। বুধবার রাতে বাড়ি থেকে বের করে রড দিয়ে মারা হয়। মা, ছেলেকে বাঁচাতে গেলে এরপর মায়ের উপর চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা। রড দিয়ে আঘাত করে মারা হয় মাকে। অপর দিকে আহত সঞ্জয়কে পরের দিন বৃহস্পতিবার কলকাতায় আনা হয় চিকিৎসার জন্য। শারীরিক ভাবে ভীষণ আহত হয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে, মারের আঘাতে তাঁর মাথার খুলি ফেটে যায়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মাথায় একাধিক জায়গায় রক্ত জমাট বেঁধে গিয়েছে। তাঁকে সুনন্দ বসুর অধীনে নিউরো সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে চলে অস্ত্রোপচার। ডাক্তার অবশ্য জানিয়েছেন তাঁর মাথায় জমে থাকা জমাট বাঁধা রক্ত বের করা গিয়েছে। আপাতত তাঁকে ২৪ ঘণ্টার জন্য পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    এই ঘটনায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোধ্যায়কে দায়ী করেন। ঘটনার আগের দিন এই তৃণমূল নেতা এলাকায় (Nandigram) উস্কানি মূলক ভাষণ দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে তৃণমূলকে নিশানা করেন বিজেপির বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “দক্ষিণবঙ্গের যেখানে যেখানে ভোট হচ্ছে সেখানে সেখানে তৃণমূল গোলমাল অশান্তি তৈরি করছে। তৃণমূলের কোনও জেতার সুযোগ নেই। ভোটের আগে খুন করে এলাকায় ভয়ের বাতাবরণ তৈরি করছে। একজন ৫৬ বছরের মহিলাকে খুন করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের কোনও সুরক্ষা নেই।”

    আরও পড়ুনঃনন্দীগ্রামে মহিলা বিজেপি কর্মীকে খুনের মামলায় নাম জড়াল একাধিক তৃণমূল নেতার

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nandigram: নন্দীগ্রামে পুলিশের সামনেই ঘুরে বেড়াচ্ছেন খুনে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা, সরব বিজেপি

    Nandigram: নন্দীগ্রামে পুলিশের সামনেই ঘুরে বেড়াচ্ছেন খুনে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা, সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার ভোট। তার আগে নন্দীগ্রামে (Nadigram) পিটিয়ে ও কুপিয়ে খুন করা হল মহিলা বিজেপি কর্মীকে। তাঁর ছেলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি। আহত ওই যুবক বিজেপির এসসি মোর্চার সম্পাদক। থানায় দেবব্রত রায় সহ একাধিক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী থানায় গিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। তারপরও টনক নড়েনি পুলিশের।

    খুনে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা পুলিশের সামনেই ঘুরে বেড়াচ্ছেন (Nadigram)

    বৃহস্পতিবার বিকালে নন্দীগ্রামে (Nadigram) রাজ্যস্তরের তৃণমূলের প্রতিনিধি দল যান। সন্ধেবেলা তেখালি বাজারে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে দেখা যায় দেবব্রত রায় ওরফে দেবু রায়কে। বিজেপি কর্মী খুনে অভিযোগপত্রে দু’নম্বরেই নাম রয়েছে তাঁর। তাঁকেই কি না দেখা গেল পুলিশ ফাঁড়িতে। পুলিশের সামনে বহাল তবিয়তে তিনি ঘুরে বেরিয়েছেন বলে বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ। অভিযোগ, বিজেপির এসসি মোর্চার অঞ্চল সম্পাদক সঞ্জয় আড়িকে বেধড়ক মারধর করা হয়। ছেলে বাঁচাতে গিয়ে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাতে খুন বিজেপি নেতার মা। কুপিয়ে, মাথায় রড দিয়ে মেরে খুন করা হয় তাঁকে। ঘটনা প্রসঙ্গে নিহতের মেয়ে বলেন, তৃণমূলের লোকেরা আমার মাকে মেরে দিল। আমার দাদাকেও মারল। আমার দাদা বাঁচবে নাকি ঠিক নেই।

    আরও পড়ুন: ভূপতিনগরকাণ্ডে এনআইএ আধিকারিক ধনরামের বদলি চেয়েছিল তৃণমূল! হস্তক্ষেপ করল না হাইকোর্ট

    নিহতের পরিবারের লোকজন কী বললেন?

    তৃণমূল নেতারা নন্দীগ্রাম (Nadigram) এলাকায় গেলে গো ব্যাক স্লোগান দেয় গ্রামবাসীরা। এদিকে এই ঘটনার জন্য সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। নিহতের পরিবারের দেওয়া অভিযোগপত্রে লেখা রয়েছে, ২২ মে তারিখ, নন্দীগ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের সভামঞ্চ থেকে বিজেপি কর্মীদের শায়েস্তা করার বার্তা দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই দেবব্রত রায় সহ বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতার নামে অভিযোগপত্র জমা দেয়। পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, নামের তালিকা দিয়ে অভিযোগ করার পরও পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ফলে, হামলাকারীরা এলাকায় দাপিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশের ভূমিকা মেনে নেওয়া যায় না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share