Tag: bangla news

bangla news

  • Lok Sabha Election 2024: ভোট মিটে গেলেও রাজ্যে থাকবে ৩২০ কোম্পানি বাহিনী, জানাল কমিশন

    Lok Sabha Election 2024: ভোট মিটে গেলেও রাজ্যে থাকবে ৩২০ কোম্পানি বাহিনী, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ বছর লোকসভা ভোট (Lok Sabha Election 2024) এখনও পর্যন্ত নির্বিঘ্নেই কাটছে। ছোটখাটো কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া তেমন কোনও গণ্ডগোলের খবর সামনে আসেনি। সাত দফার মধ্যে বাকি রয়েছে আর দু দফা। তারপরেই এবারের মত শেষ হবে লোকসভা নির্বাচন। কিন্তু ভোট মটে গেলেও হিংসার আশঙ্কা রয়েছে। তাই ভোটের পরেও রাজ্যে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force)। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রের খবর আগামী ৪ জুন লোকসভা ভোটের ফল ঘোষণার পরেও রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। 

    কমিশনের সিদ্ধান্ত 

    ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) ফল ঘোষণার পরেও আরও প্রায় ১৫ দিন এ রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। সিআইএসএফ, সিআরপিএফ, বিএসএফ এবং এসএসবি মিলিয়ে ৩২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যের বাছাই করা কিছু এলাকায় মোতায়ন রাখা হবে বলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে সিআইএসএফ-এর কর্তা বলেন, ‘‘পরিস্থিতি অনুযায়ী ১৫ দিনের বেশিও রাখা হতে পারে বাহিনী (Central Force)। তা-ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।’’

    আরও পড়ুন: এ দেশেই রয়েছে ২১০০ বছর পুরনো বিশ্বের চতুর্থ প্রাচীনতম চালু বাঁধ, জানেন কি?

    ভোট পরবর্তী হিংসার আশঙ্কা

    গত বিধানসভা ভোটের পরে রাজ্য জুড়ে ভোট-পরবর্তী হিংসায় বিরোধী দলের দশ জনের বেশি সমর্থক-কর্মীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। আহত হন অনেকে। সে সময় অভিযোগের আঙুল উঠেছিল শাসকদল তৃণমূলের দিকে। মূলত সেই ঘটনাকে সামনে রেখেই তৈরি হয়েছে আশঙ্কা। পাশাপাশি বিভিন্ন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টে এ বার লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) পরে এ রাজ্য সন্ত্রাসের ছবি ফিরে আসার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। আশঙ্কা, কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্য থেকে চলে গেলেই শুরু হতে পারে সংঘর্ষ। তাই সেই আশঙ্কা থেকেই ভোটের ফল ঘোষণার পরেও রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Drinking Water: জলেই মুশকিল আসান! জল খেলে কোন কোন রোগের মোকাবিলা সহজ হবে? 

    Drinking Water: জলেই মুশকিল আসান! জল খেলে কোন কোন রোগের মোকাবিলা সহজ হবে? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ব্যস্ত জীবনে বাড়ছে একাধিক রোগের ঝুঁকি। অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন সেই ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলেছে। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কয়েকটি সহজ বিষয় নজরে রাখলেই এই ব্যস্ত জীবনেও শরীর সুস্থ রাখা সম্ভব। আর তার মধ্যে অন্যতম হল জল খাওয়া। জল (Drinking Water) স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি। এমন একাধিক রোগ রয়েছে, যা পর্যাপ্ত জল খেলে সহজেই এড়ানো সম্ভব। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ছোট থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে সুস্থ জীবনের পথ অনেকটাই সহজ হয়। এখন দেখে নেওয়া যাক, কোন রোগ এড়িয়ে চলা সহজ করে পর্যাপ্ত জল খাওয়ার অভ্যাস?

    হজম ক্ষমতা বাড়ায় জল (Drinking Water)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে পর্যাপ্ত জল থাকলে হজমের ক্ষমতা বাড়ে। হজমের গোলমালের অন্যতম কারণ পাকস্থলী এবং অন্ত্রের কার্যকারিতা ঠিকমতো না থাকা। জল ঠিকমতো খেলে অন্ত্র, পাকস্থলী সুস্থ থাকে। তাদের কার্যকারিতা বাড়ে। ফলে, হজম ক্ষমতাও বাড়ে, শরীর সুস্থ থাকে।

    স্থূলতা কমাতে জল জরুরি

    স্থূলতা এড়াতে এবং মেদ ঝরাতে জল খুবই উপকারী। কারণ, জল শরীরে পর্যাপ্ত থাকলে স্থূলতার ঝুঁকি কমে। তবে এক্ষেত্রে কিছু বিশেষ উপায়ে জল খাওয়া জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, ভারী খাবার খাওয়ার আগে একটু বেশি পরিমাণে জল খেতে হবে। এতে খাওয়ার অতিরিক্ত ইচ্ছে কমবে। ফলে বাড়তি খাওয়া হবে না। এতে শরীরে মেদ কম জমবে। পাশপাশি সকালে খালি পেটে জলে লেবু ও মধু মিশিয়ে খেলে সহজেই মেদ কমে। স্থূলতা কমাতে তাই জল (Drinking Water) অত্যন্ত উপকারী।

    লিভারের রোগের ঝুঁকি কমায় জল (Drinking Water)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, লিভার সুস্থ রাখার চাবিকাঠি জল। পরিশ্রুত জল না খেলে যেমন জন্ডিস, হেপাটাইটিস সহ একাধিক লিভারের রোগের ঝুঁকি বাড়ে। তেমনি পরিশ্রুত পর্যাপ্ত জল লিভারকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। লিভারের কার্যকারিতা বাড়ায়। এতে হজমের অসুবিধা কমে। একাধিক রোগের ঝুঁকিও কমে।

    হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায় জল

    বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, ভারত গ্রীষ্মপ্রধান দেশ। তাই হিট স্ট্রোকের মতো সমস্যায় এই দেশের অধিকাংশ মানুষ কমবেশি চিন্তিত। তবে পর্যাপ্ত জল খেলে এই বিপদ কাটবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডিহাইড্রেশনের কারণে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। তাই জল (Drinking Water) পর্যাপ্ত খেলে এই রোগের ঝুঁকি কমবে।

    ত্বক ভালো রাখে জল

    ত্বকের শুষ্কতা কমাতে, ত্বক উজ্জ্বল এবং মসৃণ রাখতে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার জল। ত্বকরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, অধিকাংশ ত্বকের সমস্যার কারণ জল‌ কম খাওয়ার অভ্যাস। নিয়মিত পর্যাপ্ত জল খেলে ত্বক মসৃণ ও উজ্জ্বল হয়। ত্বকের রোগ কম হয়।

    পর্যাপ্ত জল বলতে কী বলা হয়? 

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশ অনুযায়ী, প্রাপ্ত বয়স্কদের নিয়মিত অন্তত ৪-৫ লিটার পরিশ্রুত জল (Drinking Water) খাওয়া জরুরি। একাধিক রোগ এড়াতে এই জল খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করতেই হবে। শিশুদের দিনে অন্তত ২-৩ লিটার জল খেতে হবে বলেই‌ জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shah Rukh Khan: হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন শাহরুখ, কেমন আছেন কিং খান?

    Shah Rukh Khan: হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন শাহরুখ, কেমন আছেন কিং খান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুস্থ আছেন কিং খান। ২২ মে ডিহাইড্রেশনের কারণে শাহরুখ খানকে (Shah Rukh Khan) আমেদাবাদের কেডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সকালেই হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন অভিনেতা। এদিন সকালেই তাঁকে দেখতে হাসপাতালে যান স্ত্রী গৌরী খান। প্রথমে মনে করা হয়েছিল বাদশাকে মুম্বইয়ের কোনও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হবে। তারপর হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, এখন তিনি ঠিক আছেন, তাই তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, চিকিৎসকরা শাহরুখকে (Juhi meets Shah Rukh) পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে বলেছেন। 

    শাহরুখকে দেখতে হাসপাতালে জুঁহি

    কলকাতা নাইট রাইর্ডাসের খেলা দেখতে মঙ্গলবারই আমেদাবাদে হাজির হন শাহরুখ খান (Shah Rukh Khan)। সারাদিন প্রায় মাঠেই ছিলেন শাহরুখ। নাইট রাইডার্স জেতার পর মাঠে নেমে উদ্‌যাপন করতে দেখা যায় তাঁকে। কিন্তু হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন অভিনেতা। বুধবার দুপুরে আমদাবাদের কেডি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। জানা যাচ্ছে অতিরিক্ত গরমের কারণেই অসুস্থ হয়ে পড়েন অভিনেতা। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে পৌঁছে যান তাঁর স্ত্রী গৌরী খানও। শাহরুখের বন্ধু তথা কেকেআর-এর সহ-মালিক অভিনেত্রী জুহি চাওলাও (Juhi meets Shah Rukh)হাসপাতালে যান। জুহি জানান, শাহরুখ সুস্থ আছে। ভক্তদের চিন্তার কোনও কারণ নেই। সপ্তাহান্তে আইপিএল ফাইনালে চিপকের গ্যালারিতে দাঁড়িয়ে অনুরাগীদের সঙ্গেই নাইটদের চিয়ার করবেন তিনি।

    কেন অসুস্থ কিং খান 

    সূত্রের খবর, আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে প্রচণ্ড গরমে বাদশা অসুস্থবোধ করেন। তাঁর লু লেগে গিয়েছে, শরীরে জলের পরিমাণ কমে আসায় আর দেরি না করে হাসপাতালে ভর্তি করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মঙ্গলবার স্টেডিয়ামে শাহরুখের (Shah Rukh Khan) সঙ্গেই উপস্থিত ছিলেন কন্যা সুহানা ও পুত্র আব্রাম। ছিলেন অনন্যা পাণ্ডে এবং শানায়া কপূরও। উল্লেখ্য, বুধবার সুহানার জন্মদিন। মেয়ের জন্মদিনে শাহরুখের অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়তেই অনুরাগীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ দেখা যায়। অনেকেই সমাজমাধ্যমে অভিনেতার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। অবশেষে ভক্তদের প্রার্থনায় হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়ির পথে বাদশা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 25: “দক্ষিণেশ্বরের পরমহংস সামান্য নহেন, এক্ষণে পৃথিবীর মধ্যে এত বড় লোক কেহ নাই”

    Ramakrishna 25: “দক্ষিণেশ্বরের পরমহংস সামান্য নহেন, এক্ষণে পৃথিবীর মধ্যে এত বড় লোক কেহ নাই”

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    শ্রীযুক্ত কেশবের হিন্দুধর্মের উপর উত্তরোত্তর শ্রদ্ধা

    ১৮৯৭, ২৯ শে অক্টোবর বুধবার (১৩ই কার্তিক, ১২৮৬), কোজাগর পূর্ণিমায় বেলা ১ টার সময় কেশব আবার ভক্তসঙ্গে শ্রীরামকৃষ্ণকে দক্ষিণেশ্বরে দর্শন করতে যান। স্টীমারের সঙ্গে একখানি বজরা, ছয়খানি নৌকা, দুইখানি ডিঙ্গি, প্রায় ৮০ জন ভক্ত। সঙ্গে পতাকা পুষ্পপল্লব খোল করতাল ভেরী। হৃদয় অভ্যর্থনা করিয়া কেশবকে স্টীমার হইতে আনেন—গান গাইতে গাইতে সুরধনীর তীরে হরি বলে কে, বুঝি প্রেমদতা নিতাই এসেছে। ব্রাহ্মভক্তগণও পঞ্চবটী হইতে কীর্তন করিতে করিতে তাঁহার সঙ্গে আসিতে লাগিলেন; সচ্চিদানন্দ বিগ্রহ রূপানন্দ ঘন! তাহাদের মধ্যে ঠাকুর মাঝে মাঝে সমাধিস্থ। এই দিনে সন্ধ্যার পর বাঁধঘাটে পূর্ণচন্দ্রের আলোকে কেশব উপাসনা করিয়াছিলেন।    

    উপাসনার পর ঠাকুর বলিতেছিলেন, তোমরা বল “ব্রহ্ম আত্মা ভগবান” “ব্রহ্ম মায়া জীব জগৎ” “ভগবত ভক্ত ভগবান”। কেশবাদি ব্রাহ্মভক্তগণ সেই চন্দ্রালোকে ভাগীরথীতীরে সমস্বরে শ্রীরামকৃষ্ণের সঙ্গে সঙ্গে ওই সকল মন্ত্র ভক্তিভরে উচ্চারণ করিতে লাগিলেন। শ্রীরামকৃষ্ণ আবার যখন বলিলেন, “বল গুরু কৃষ্ণ বৈষ্ণব”। তখন কেশব আনন্দে হাসিতে হাসিতে বলিতেছেন, মহাশয়, এখন অতদূর নয়; “গুরু কৃষ্ণ বৈষ্ণব” আমরা যদি বলি লোকে বলিবে গোঁড়া! শ্রীরামকৃষ্ণও হাসিতে লাগিলেন ও বলিলেন, বেশ তোমরা (ব্রাহ্মরা) যতদূর পার তাহাই বল।

    কিছু দিন পরে ১৩ই নভেম্বর (২৮ শে কার্তিক), ১৮৭৯ কালীপূজার পরে রাম, মনোমোহন, গোপাল মিত্র দক্ষিণেশ্বরে শ্রীরামকৃষ্ণকে প্রথম দর্শন করেন।

    ১৮৮০ খ্রিষ্টাব্দে একদিন গ্রীষ্মকালে রাম ও মনোমোহন কমলকুটিরে কেশবের সহিত দেখা করিতে আসিয়াছিলেন। তাঁহাদের ভারী জানিতে ইচ্ছা, কেশববাবু ঠাকুরকে কিরূপ মনে করেন। তাঁহারা বলিয়াছেন, কেশববাবুকে জিজ্ঞাসা করাতে বলিলেন, “দক্ষিণেশ্বরের পরমহংস সামান্য নহেন, এক্ষণে পৃথিবীর মধ্যে এত বড় লোক কেহ নাই। ইনি এত সুন্দর, এত সাধারণ ব্যক্তি, ইঁহাকে অতি সাবধানে সন্তর্পণে রাখতে হয়; অযত্ন করলে এঁর দেহ থাকবে না; যেমন সুন্দর মূল্যবান জিনিস গ্লাসকেসে রাখতে হয়।

    আরও পড়ুনঃ “ঈশ্বরলাভ না করলে তাঁর আদেশ পাওয়া যায় না”

    “বেঙাচির ল্যাজ খসলে জলেও থাকতে পারে, আবার ডাঙাতেও থাকতে পারে”

    আরও পড়ুনঃ “দু-চারটা মাছ এমন সেয়ানা যে, কখনও জালে পড়ে না”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Oldest Operational Dam: এ দেশেই রয়েছে ২১০০ বছর পুরনো বিশ্বের চতুর্থ প্রাচীনতম চালু বাঁধ, জানেন কি?

    Oldest Operational Dam: এ দেশেই রয়েছে ২১০০ বছর পুরনো বিশ্বের চতুর্থ প্রাচীনতম চালু বাঁধ, জানেন কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতবর্ষ ইতিহাসের দেশ। এমন কত ঐতিহাসিক স্থাপত্য আজও জমা রয়েছে ভারতবর্ষের (India) বুকেই। তেমনি এক ঐতিহাসিক নিদর্শন হল কাল্লানাই বাঁধ। ভারতের দক্ষিণে অবস্থিত তামিলনাড়ু শুধুমাত্র তার প্রাচীন প্রকৌশল কিংবা প্রাচীন মন্দিরের জন্য বিখ্যাত নয় বরং এইখানে রয়েছে এমন এক স্থাপত্য যার জন্য সারা ভারত তথা বিশ্বের মধ্যে বিখ্যাত এ রাজ্য। তামিলনাড়ুর তাঞ্জাভুর জেলায় ১৫০ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত একটি বাঁধ রয়েছে। যা ভারতের প্রাচীনতম বাঁধ (Oldest Operational Dam) এবং বিশ্বের চতুর্থ প্রাচীনতম জল নিয়ন্ত্রক কাঠামো হিসেবে বিবেচিত হয়।  কাবেরী নদীর উপর নির্মিত এই কাল্লানাই বাঁধ চোল রাজবংশের রাজা কারিকালা চোলের রাজত্বকালে নির্মিত হয়। রাজা কারিকালা প্রাচীন তামিলনাড়ুতে শাসনকারী সর্বশ্রেষ্ঠ সম্রাটদের মধ্যে একজন ছিলেন। 

    কেন তৈরি হয়েছিল এই বাঁধ? (Oldest Operational Dam)

    জানা গিয়েছে, এই বাঁধ নির্মাণের পেছনে প্রধান কারণ ছিল নদীর জলকে  ধরে রেখে তা কৃষি কাজে ব্যবহার করা এবং পরোক্ষ ভাবে বন্যা নিয়ন্ত্রণ করা। কারিকালা চোল বুঝতে পেরেছিলেন যে কাবেরী ঘন ঘন প্লাবিত হয়। ফলে প্রতি বছর ওই এলাকার বাসিন্দাদের বন্যার মুখোমুখি হতে হয়। তাই প্রজাদের রক্ষা করতে তিনি কাবেরীর উপর এই বিশাল বাঁধ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেন।     

    এই বাঁধের বিশেষত্ব 

    প্রতি সেকেন্ডে দুই লক্ষ ঘনফুট জল প্রবাহিত কাবেরীর উপর নির্মিত এই বাঁধটি ২১০০ বছর ধরে একইরকম ভাবে দাঁড়িয়ে থাকার প্রধান কারণ হল প্রাচীন তামিলদের প্রযুক্তিগত জ্ঞান। সে সময় বাঁধ (Oldest Operational Dam) নির্মাণের জন্য প্রথমে নদীতে বড় বড় পাথর বসানো হয়েছিল। কিন্তু জলের স্রোতে ক্ষয়ের কারণে পাথরগুলো ভেঙে মাটিতে মিশে গিয়েছিল। এরপর ওই পাথরের স্তরগুলির উপর স্থাপন করা হয়েছিল এক ধরনের কাদামাটির মিশ্রণ যা জলে দ্রবণীয় ছিল না। বরং সেই মিশ্রণ একটি আঠালো পদার্থে পরিণত হয়েছিল যাতে পাথরগুলি একে অপরের সাথে সংযুক্ত রয়েছে বছরের পর বছর ধরে।   

    আরও পড়ুন: “ইন্ডি জোটকে বড় থাপ্পড় কলকাতা হাইকোর্টের”, ওবিসি রায় প্রসঙ্গে মোদি

    আজও সমান সচল এই বাঁধ

    জানা গিয়েছে, এরপর ১৯ শতকে ব্রিটিশরা এই বাঁধটির সংস্কার করে। ১৮০৪ সালে, ব্রিটিশ ক্যাপ্টেন ক্যাল্ডওয়েল, একজন সামরিক প্রকৌশলীকে কাবেরী নদী এবং ব-দ্বীপ অঞ্চল সংলগ্ন এলাকায় সেচ ব্যবস্থার উন্নতি করার দায়িত্ব দেয়। সেই সময় ক্যাল্ডওয়েল বাঁধটিকে (Oldest Operational Dam) উঁচু করার পরামর্শ দেন এবং তিনি বাঁধের পাথর ৬৯ সেন্টিমিটার বাড়িয়ে দেন, যার ফলে বাঁধের জল ধারণ ক্ষমতা আগের তুলনায় আরও বৃদ্ধি পায়। সবচেয়ে আশ্চর্যজনক বিষয় হল এই ২১০০ বছরের পুরনো বাঁধটি (Oldest Operational Dam) এখনও সফলভাবে কাবেরীর জল ধরে রেখে বন্যা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে চলেছে। তাই সারা বিশ্ব থেকে বহু পর্যটক এই বাঁধ দেখতে হাজির হন তামিলনাড়ুতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh MP Murder: শ্বাসরোধ করেই খুন বাংলাদেশি সাংসদকে, টুকরো করে লোপাট করা হয় দেহাংশ!

    Bangladesh MP Murder: শ্বাসরোধ করেই খুন বাংলাদেশি সাংসদকে, টুকরো করে লোপাট করা হয় দেহাংশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা ন’দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর শেষমেশ জানা যায় কলকাতার নিউটাউনের একটি ফ্ল্যাটে খুন করা হয়েছে বাংলাদেশের সাংসদ আনায়ার-উল-আজিমকে (Bangladesh MP Murder)। বাংলাদেশের শাসক দল আওয়ামি লিগের এই সাংসদ চিকিৎসার জন্য ভারতে এসেছিলেন ১২ মে। দর্শনা সীমান্ত দিয়ে কলকাতায় এসেছিলেন ঝিনাইদহ-৪ এর এই সাংসদ। বুধবার তাঁর খুনের বিষয়ে নিশ্চিত হয় পুলিশ।

    নৃশংসভাবে খুন (Bangladesh MP Murder)

    চিকিৎসা করাতে ভারতে এসে খুন হওয়া বাংলাদেশি সাংসদের মৃত্যু রহস্য উন্মোচন করতে তদন্ত করেছে সিআইডি। তদন্তকারীদের দাবি, প্রথমে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয় ওই সাংসদকে। পরে টুকরো টুকরো করে ফেলা হয় দেহ। পুলিশ সূত্রে খবর, ১২ তারিখে পশ্চিমবঙ্গে আসার পরের দিনই বন্ধুর বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়ে যান আনোয়ার। সেদিনই নিউটাউনের একটি ফ্ল্যাটে খুন করা হয় তাঁকে। শ্বাসরোধ করে খুন করার পর মৃত্যু নিশ্চিত করে মাথায় ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়। এরপর দেহ টুকরো টুকরো করে ১৪, ১৫ ও ১৮ তারিখে দেহাংশগুলি লোপাট করে দেয় খুনিরা (Bangladesh MP Murder)।

    দেহাংশ লোপাট করেছিল যারা…

    দেহাংশ লোপাট করতে যে দু’জনকে কাজে লাগানো হয়েছিল, ঘটনার পর থেকে তারা পলাতক। তাই বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্তও উদ্ধার হয়নি সাংসদের দেহাংশ। তবে প্লাস্টিকের যে ব্যাগে করে দেহাংশগুলি লোপাট করা হয়েছিল, সেই ব্যাগটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। সিআইডির আইজি অখিলেশ চতুর্বেদী বলেন, “বুধবারই জানা গিয়েছে সাংসদকে খুন করা হয়েছে। রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য জোরকদমে চলছে তদন্ত। শীঘ্রই বিষয়টি প্রকাশ করা হবে। নিউ টাউনের ওই ফ্ল্যাটটিতে দু’জন পুরুষ ও এক মহিলাও ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, সাংসদের সঙ্গে ফ্ল্যাটে আসা তিনজনের মধ্যে দু’জন পরে বাংলাদেশে ফিরে গিয়েছেন।

    আর পড়ুন: “অনেক জাতিকেই নিয়ম বিরুদ্ধভাবে ওবিসির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে”, তোপ কমিশনের

    বুধবারই বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সাংবাদিক বৈঠকে বলেছিলেন, “১২ মে চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহের সাংসদ আনোয়ার ভারতে গিয়েছিলেন। তার দু’দিন পর থেকে আর ওঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। ওঁর উদ্বিগ্ন পরিবার আমাদের কাছে সাহায্য চান। তারপর থেকে আমাদের পুলিশ ভারতের পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল। এদিনই আমাদের কাছে খবর এসেছে খুন করা হয়েছে সাংসদকে।”

    বিদেশে এসে কেন খুন (Bangladesh MP Murder) হতে হল আনোয়ারকে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। রহস্যময়ী ওই নারীই বা কে? তাঁর সঙ্গে যে পুরুষটি বাংলাদেশে চলে গিয়েছেন, তিনিই বা কে? সাংসদের দেহাংশগুলিই বা কোথায় গেল? আপাতত এই প্রশ্নগুলিরই উত্তর হাতড়াচ্ছেন তদন্তকারীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: অভিষেকের সভার পরই বিজেপির মহিলা কর্মীকে কুপিয়ে খুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Lok Sabha Election 2024: অভিষেকের সভার পরই বিজেপির মহিলা কর্মীকে কুপিয়ে খুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সভা করে চলে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিজেপি মহিলা কর্মীকে কুপিয়ে খুন করার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাতে মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে নন্দীগ্রামের সোনাচূড়া এলাকায়। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। হামলার জেরে মহিলা কর্মী খুনের পাশাপাশি ৮ জন বিজেপি কর্মী জখম হয়েছেন। ষষ্ঠদফা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) আগে বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Lok Sabha Election 2024)

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোটপ্রচারের (Lok Sabha Election 2024) শেষ লগ্নে সোনাচূড়ার মনসাপুকুর বাজার এলাকায় রাতে পাহারা দিচ্ছিলেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। সেই সময়ই বাইকে করে আসা এক দল দুষ্কৃতী ধারালো অস্ত্র নিয়ে ওই বিজেপি কর্মীদের ওপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। রখিবালা আড়ি নামে ওই বিজেপি কর্মীকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি কোপ চালাতে থাকে দুষ্কৃতীরা। রক্তাক্ত হয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন তিনি। মাকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর জখম হন রাখিবালার ছেলে সঞ্জয় আড়িও। চিৎকার শুনে গ্রামবাসীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছলে দুষ্কৃতীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। গুরুতর জখম অবস্থায় রাখিবালাসহ অন্যদের নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসকেরা রখিবালাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। রাখিবালার ছেলে সঞ্জয়বাবুকে  অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এছাড়াও এই ঘটনায় জখম আরও প্রায় ৭ জন বিজেপি কর্মীর নন্দীগ্রাম হাসপাতালেই চিকিৎসা চলছে বলে খবর। এই ঘটনার পর থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে গোটা এলাকায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে গোটা নন্দীগ্রাম জুড়ে। তৃণমূলে বিরুদ্ধে সরব হয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। যদিও এই হামলার দায় অস্বীকার করেছে তৃণমূল। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি বলেও পুলিশ সূত্রে খবর।

    আরও পড়ুন: আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল! সরাসরি আঘাত কলকাতাতে, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই ঘটনা প্রসঙ্গে নন্দীগ্রামের বিজেপি নেতা মেঘনাদ পাল বলেন, তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) মুখে এলাকায় সন্ত্রাস ছড়াতে এই হামলা চালিয়েছে। অভিষেকের সভার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিজেপি কর্মীদের ওপর যে ভাবে ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়েছে, তা মেনে নেওয়া যায় না। এই হামলা জড়িতদের কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IPL 2024:  অধরা আইপিএল! চোখে জল কোহলি-কার্তিকের, রাজস্থানের কাছে হেরে বিদায় বেঙ্গালুরুর

    IPL 2024: অধরা আইপিএল! চোখে জল কোহলি-কার্তিকের, রাজস্থানের কাছে হেরে বিদায় বেঙ্গালুরুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আশা জাগিয়েও পারলেন না কাপ আর ঠোঁটের দূরত্ব রয়েই গেল কিং কোহলির। বিশ্বকাপে চুম্বন করেছেন। কিন্তু আইপিএল (IPL 2024) এখনও অধরা রইল তাঁর কাছে। এলিমিনেটরে রাজস্থান রয়্যালসের কাছে হার মেনে এ বারের মতো আইপিএল সফর শেষ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর (RR vs RCB)। ধোনির মতোই চোখের জলকে সঙ্গী করেই ক্রিকেট কেরিয়ারে ইতি দীনেশ কার্তিকেরও। বুধবার এলিমিনেটরে আরসিবিকে ৬ বল বাকি থাকতে ৪ উইকেটে হারিয়ে কোয়ালিফায়ার-টু-তে পৌঁছে গিয়েছে রাজস্থান রয়্যালস। একদিকে উৎসবের মেতেছিল আরআর, অন্যদিকে শোকের পরিবেশ বেঙ্গালুরু শিবিরে।

    বাড়ল কোহলির অপেক্ষা

    প্রথম আট ম্যাচে মাত্র একটি জয়। কেউ ভাবেনি আরসিবি প্লে-অফ (IPL 2024) অবধি পৌঁছতে পারে। তবে বিরাটের সেই মন্তব্য, ‘অনেক সময়, ১ শতাংশ সুযোগই যথেষ্ঠ।’ সেই মন্ত্রেই যেন টানা আধডজন ম্যাচ জিতে প্লে-অফ। এর পরের সফরটা আর পেরনো হল না। আইপিএলের জন্মলগ্ন থেকে আরসিবিতেই খেলছেন বিরাট কোহলি। একবারও ট্রফির স্বাদ পাননি। প্লেয়ার, ক্যাপ্টেন দুই ভূমিকাতেই নজর কেড়েছেন। কিন্তু দলকে ট্রফি এনে দিতে পারেননি। তাই কোথাও যেন একটা বিষাদ লুকিয়ে থাকে সাম্প্রতিক ক্রিকেটের রাজার মধ্যে। একটা না পাওয়ার খিদে পরের আইপিএলেও থাকবে কোহলির মধ্যে। 

    কার্তিকের বিদায়

    চলতি আইপিএলে (IPL 2024) দুরন্ত বেশ কয়েকটি ইনিংস খেলিছিলেন দীনেশ কার্তিক। শুরু থেকে এমন কিছু ইনিংস খেলেছিলেন, যার ফলে তাঁকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেওয়ার দাবিও উঠেছিল। কিন্তু বয়স কোথাও দাঁড়ি টানে। তারুণ্যের জোয়ারে হারিয়ে যায় অভিজ্ঞতাও। তাই বিশ্বকাপের দলে জায়গা মেলেনি। আইপিএল থেকেও এবার বিদায়। বিরাটের আলিঙ্গন, টিমের গার্ড অব অনার,চোখের কোনটা চিকচিক করে উঠল কার্তিকের। আর ক্রিকেটার হিসাবে নয়, এবার হয়তো অন্য ভূমিকায় মাঠে আসবেন দীনেশ কার্তিক। 

    ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়ে ক্ষুব্ধ

    বহু লড়াই করে প্লে অফে (IPL 2024) পৌঁছে ছিটকে যাওয়ার পর হতাশা চেপে রাখতে পারলেন না আরসিবি (RR vs RCB) অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি। টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়ার পর ফ্যাফ ডু’প্লেসি বলেন, ‘মাঠে শিশির পড়ছিল। আমাদের মনে হয়েছে, ব্যাট হাতে আমরা কিছুটা কম রান করেছিল। আমি মনে করি, ২০ রান মতো আমরা কম করেছি এই পিচে। ২০ রান আরও করতে পারলে, এখানে ভালো স্কোর হতো। তবে এবার ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়মের জন্য দেখছি কোনও স্কোরই যথেষ্ট নয়। তবে কৃতিত্ব খেলোয়াড়দেরই যায়, তারা ভালো লড়াই করেছে।’ 

    আরও পড়ুন: গোটা দেশে সময় একটাই! আইএসটি নির্ধারণে রেল ও সর্দার প্যাটেলের ভূমিকা জানেন?

    নতুন লড়াই রাজস্থানের

    টানা পরাজয়ের পর রাজস্থান (RR vs RCB) প্লে-অফে (IPL 2024) এসে ফের জয়ে ফেরে। টানা চার ম্যাচ হারের পরে দুর্দান্ত জয়ে আইপিএল খেতাবি দৌড়ে থেকে যেন পায়ের নীচে শক্ত জমি ফিরে পেলেন সঞ্জু স্যামসনরা। বুধবার ম্যাচের পরে রাজস্থান রয়্যালস অধিনায়ক জানিয়ে গেলেন, নতুন ভাবে লড়াই করার আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে দল। সঞ্জু বলেন, ‘‘কিছু ভাল দিন যেমন গিয়েছে, কিছু খারাপ দিনের সাক্ষীও হতে হয়েছে। কিন্তু প্রতিকূলতা অতিক্রম করে ঘুরে দাঁড়ানোটাই গুরুত্বপূর্ণ। অসুস্থতার জন্য আমাদের দলে অনেকেই নিজেদের একশো শতাংশ সেরা ক্রিকেট খেলতে পারেনি, তার পরেও কোচ সঙ্গকারা স্যর ম্যাচের যে নকশা তৈরি করেছিলেন, তা ঠিক ভাবে প্রয়োগ করেছি। তার জন্য সতীর্থদের কাছে কৃতজ্ঞ।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • OBC Reservation Case: “অনেক জাতিকেই নিয়ম বিরুদ্ধভাবে ওবিসির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে”, তোপ কমিশনের

    OBC Reservation Case: “অনেক জাতিকেই নিয়ম বিরুদ্ধভাবে ওবিসির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে”, তোপ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পশ্চিমবঙ্গে এক বছরে অনেক জাতিকে ওবিসির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা নিয়ম বিরুদ্ধ।” বুধবার সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কথাগুলি বললেন জাতীয় ওবিসি কমিশনের চেয়ারম্যান হংসরাজ গঙ্গারাম আহির (OBC Reservation Case)।

    বিস্ফোরক দাবি জাতীয় ওবিসি কমিশনের (OBC Reservation Case)

    তিনি বলেন, “ওবিসি তালিকায় কোনও জাতিকে জুড়তে গেলে যে যে নিয়ম মানতে হয়, যেভাবে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়, তার কোনও কিছুই করা হয়নি। সেটাই এখন সামনে এসেছে। হাইকোর্ট মেনে নিয়েছে। কোনও জাতিকে ওবিসি তালিকায় আনতে গেলে তার একটা সার্ভে করতে হয়, রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।” ওবিসি কমিশনের (OBC Reservation Case) চেয়ারম্যান বলেন, “এই কাজটা করে কালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট। কিন্তু ওরা ঠিকভাবে কাজ করে না। এদিকে, ওদের রিপোর্ট এখানকার ওবিসি কমিশন মানে, সেটাই আবার এখানকার সরকার মানে। এটা ঠিক নয়।” তিনি বলেন, “আমরা ১০ থেকে ১২ বার রিপোর্ট দিতে দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছিলাম। এক বছর হয়ে গেল, রিপোর্ট দেয়নি। কেউ আসেনি দেখা করতে। আমরা দ্রুত অ্যাকশন নেব।”

    নিশানা মুখ্য সচিবকেও

    এদিন রাজ্যের মুখ্য সচিবকেও নিশানা করেছেন হংসরাজ। বলেন, “এখানকার মুখ্যসচিব কোনও সহযোগিতা করেন না। আমরা রাজ্যের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করব। কতবার রিপোর্ট চেয়েছি, পাইনি। এরা অসম্মান করে।” তিনি বলেন, “একশোর বেশি মুসলিম জাতি আর ৬১টি হিন্দু জাতির মানুষ এখানকার ওবিসির তালিকায়। এখানকার কালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট একদম খারাপ সার্ভে করে। কতবার রিপোর্ট চেয়েছি, দেয়নি।”

    আর পড়ুন: “ইন্ডি জোটকে বড় থাপ্পড় কলকাতা হাইকোর্টের”, ওবিসি রায় প্রসঙ্গে মোদি

    প্রসঙ্গত, বুধবার ২০১০ সালের পরে রাজ্যে তৈরি হওয়া ওবিসি তালিকা বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, ওয়েস্ট বেঙ্গল ব্যাকওয়ার্ড ক্লাস কমিশন অ্যাক্ট, ১৯৯৩ অনুযায়ী নতুন করে তালিকা তৈরি করে বিধানসভায় পেশ করে চূড়ান্ত অনুমোদন নিতে হবে।

    এদিকে, আদালতের নির্দেশের জেরে বাতিল হতে চলেছে প্রায় ৫ লাখ ওবিসি সার্টিফিকেট। শুধু ৫ লাখ সার্টিফিকেট নয়, ৩৭টি শ্রেণির ওবিসি সংরক্ষণও বাতিল করেছে আদালত। হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মুসলমানদের ৭৭টি শ্রেণিকে ওবিসি সংরক্ষণ দেওয়া গোটা মুসলিম সমাজ ও গণতন্ত্রের অপমান। তবে হাইকোর্টের রায় মানবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দমদম লোকসভা কেন্দ্রের খড়দহের এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি বলেন, “কাউকে দিয়ে একটা অর্ডার করিয়েছে। তাঁর রায় আমি মানি না। এটা বিজেপির রায়। আমরা মানব না (OBC Reservation Case)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Weather Update: আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল! সরাসরি আঘাত কলকাতাতে, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    Weather Update: আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল! সরাসরি আঘাত কলকাতাতে, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় আমফানের মতো সোজা কলকাতা শহরের ওপর দিয়ে যেতে চলেছে ঘূর্ণিঝড় রেমালও (Cyclone Remal)। বুধবার বিকেলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসের (Weather Update) একাধিক মডেলে তেমনই জানানো হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যার পর ঘণ্টায় ৮০ – ১০০ কিলোমিটার গতিতে কলকাতায় আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড়। তবে, এখনই এ নিয়ে কোনও সতর্কতা দেয়নি আলিপুর হাওয়া অফিস। শুক্রবার বিকেলের পর চিত্রটা পরিষ্কার বোঝা যাবে বলে জানানো হয়েছে।

    কোথায় অবস্থান

    দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হয়েছে নিম্নচাপ অঞ্চল। দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ এবং উত্তর তামিলনাড়ুর উপকূলের কাছে চলছে এই প্রক্রিয়া। ক্রমে এটি উত্তর-পূর্ব দিকে এগোচ্ছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update) জানিয়েছে, সব ঠিকঠাক চললে শুক্রবার সকালে এই নিম্নচাপ অঞ্চল গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। তার পর তা বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব দিকে এগোবে। ২৫ তারিখ, শনিবার সন্ধ্যায় উত্তর-পূর্ব এবং সংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে পৌঁছে যাবে গভীর নিম্নচাপ।

    কলকাতায় প্রভাব

    আবহাওয়ার পূর্বাভাসের (Weather Update) সব থেকে ব্যবহৃত ২টি মডেল বুধবার বিকেলে বলছে, প্রায় ঘূর্ণিঝড় আমফানের পথ ধরেই এগোবে ঘূর্ণিঝড় রেমাল (Cyclone Remal)। শনি বা রবিবার তৃতীয় শ্রেণির ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে সেটি। রবিবার সন্ধ্যার পর সাগরের কাছাকাছি কোনও জায়গা দিয়ে ভূভাগে প্রবেশ করবে ঘূর্ণিঝড় রেমাল। এর পর ক্রমশ উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়ে যাবে ঝড়ের কেন্দ্র। এই গতিপথ অপরিবর্তিত থাকলে কলকাতা শহরে ঝড়ের ব্যাপক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা থাকছে। যাঁরা সমুদ্রে গিয়েছেন, তাঁদের বৃহস্পতিবারের মধ্যে ফিরে আসতে বলা হয়েছে। সুন্দরবন ও পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ভাঙতে পারে সমুদ্র বা নদীবাঁধ। মধ্য এবং দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে বৃহস্পতিবার থেকে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে শুক্রবার থেকে মৎস্যজীবীদের যেতে বারণ করা হয়েছে। ২৬ মে, রবিবার পর্যন্ত জারি থাকবে নিষেধাজ্ঞা।

    আরও পড়ুন: গোটা দেশে সময় একটাই! আইএসটি নির্ধারণে রেল ও সর্দার প্যাটেলের ভূমিকা জানেন?

    কবে থেকে বৃষ্টি

    বঙ্গোপসাগরের উপর যে ঘূর্ণাবর্ত ছিল, তা শক্তি বৃদ্ধি করে পরিণত হয়েছে নিম্নচাপ অঞ্চলে। সাগরের উপর দিয়ে সেই নিম্নচাপ অঞ্চল ক্রমেই এগোচ্ছে উত্তর-পূর্ব দিকে। শুক্রবার তা পরিণত হতে পারে গভীর নিম্নচাপে। তার সঙ্গেই দোসর হিসাবে রয়েছে আর একটি ঘূর্ণাবর্ত (Cyclone Remal)। বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গের উপর বিস্তৃত রয়েছে সেটি। এই জোড়া ফলার প্রভাবেই বুধ থেকে রবিবার পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে। ভিজেছে কলকাতাও। বৃহস্পতিবারও দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুরে ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। শনিবার দক্ষিণের সব জেলায় হতে পারে ঝড়বৃষ্টি। এর মধ্যে দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। রবিবারও এই তিন জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস (Weather Update) রয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share