Tag: bangla news

bangla news

  • Post Poll Violence: ভোট পরবর্তী হিংসা হাওড়ায়! বিজেপির কর্মীর বাড়িতে পড়ল পর পর বোমা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Post Poll Violence: ভোট পরবর্তী হিংসা হাওড়ায়! বিজেপির কর্মীর বাড়িতে পড়ল পর পর বোমা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসায় (Post Poll Violence) ভাটপাড়ায় তিনজন বিজেপি কর্মী জখম হন। এই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার হাওড়ার উলুবেড়িয়ার হিরাপুর অঞ্চলের ছোট রামচন্দ্রপুর গ্রামে এক বিজেপি কর্মীর বাড়ি লক্ষ্য করে পর পর বোমা ছোড়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Post Poll Violence)

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এমনিতেই সোমবার পঞ্চম দফার ভোটে উলুবেড়িয়া লোকসভা আসনে ভোট গ্রহণ শেষ হয়। নির্বাচনের দিন বিক্ষিপ্ত গন্ডগোল হয়েছে। এরই মধ্যে মঙ্গলবার গভীর রাতে উলুবেড়িয়ার হিরাপুর অঞ্চলের ছোট রামচন্দ্রপুর গ্রামে সক্রিয় বিজেপি কর্মী সত্যবান মণ্ডল যখন বাড়িতে ঘুমোচ্ছিলেন সেই সময় কে বা কারা তাঁর টালি চালের বাড়িতে দুটি বোমা ছোড়ে বলে অভিযোগ। বোমার আঘাতে টালির চালের বেশ কিছুটা অংশ উড়ে যায়। যদিও কেউ আহত হননি। এই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ওই বিজেপি কর্মী। সত্যবান মণ্ডল বলেন, ভোটের আগে থেকেই আমাকে স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা নানাভাবে হুমকি দিচ্ছেন। এমনকী ভোটের দিনেও আমাকে হুমকি দেওয়া হয়। তারপরই গভীর রাতের ঘটনা। ভোট পরবর্তী হিংসার (Post Poll Violence) এই ঘটনার পিছনে তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীরা রয়েছেন।

    আরও পড়ুন: আদালতের দ্বারস্থ শুভেন্দু-হিরণ, কোলাঘাটকাণ্ডের কথা জানানো হল শাহকেও

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিষয়টি জানাজানি হতেই স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব ছুটে আসে। বিজেপি নেতৃত্ব এই হামলার জন্য তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করেছে। যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিজেপির এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের হিরাপুর অঞ্চল সভাপতি শেখ বুরহান আলি বলেন, ওই বিজেপি কর্মী, নিজের লোকেদের দিয়ে বোমা মেরে আমাদের ওপর দোষ চাপাচ্ছেন। তৃণমূল কংগ্রেস এই ধরণের কাজ করে না। নিরপেক্ষ পুলিশি তদন্তের দাবি করছি। প্রসঙ্গত, শুধুই লোকসভা ভোটে নয়, বিগত ভোটগুলিতেও হামলা চলেছে। নেতা-কর্মীদের মধ্যেই থেমে নেই সেই হামলা। হামলা হয় তাঁদের পরিবারেও। আক্রান্ত হয়েছে বিজেপি- শাসকদল দুই তরফেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IST Story: গোটা দেশে সময় একটাই! আইএসটি নির্ধারণে রেল ও সর্দার প্যাটেলের ভূমিকা জানেন?

    IST Story: গোটা দেশে সময় একটাই! আইএসটি নির্ধারণে রেল ও সর্দার প্যাটেলের ভূমিকা জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা ভারতে এখন ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ড টাইম (IST Story) মেনে সময় নির্ধারণ করা হয়। ১ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭ সালে ভারতে আইএসটি চালু করা হয়েছিল। এতে ঠিক হয়েছিল যে ভারত যে আইএসটি (Indian Standard Time) বলে টাইম জোন মেনে চলবে তা গ্রিনিচ মিন টাইম-এর থেকে ৫.৩০ঘণ্টা এগিয়ে থাকবে। মানে গ্রিনিচ মিন টাইম-এ কোথাও সকাল ৬টা বাজলে ভারতে তখন সময় হবে ১১.৩০টা। ভারতের সমস্ত প্রদেশকে এ বিষয়ে এক ছাতার তলায় এনেছিলেন সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল। এক্ষেত্রে ভারতীয় রেলওয়েরও একটা ভূমিকা ছিল।

    প্রাচীন ভারতে সময় নির্ধারণ

    কমন এরার চার শতকে অবশ্য ভারতে সময় গোনার পদ্ধতি একটু অন্যরকম ছিল। সূর্য সিদ্ধান্তে বর্ণিত স্ট্যানডার্ড টাইম (IST Story) মেনে এই সময় গোনা হত। অবন্তি তথা উজ্জয়ন-এর উপর দিয়ে আদ্য দ্রাঘিমা গিয়েছে বলে সূর্য সিদ্ধান্তে বলা হয়েছিল। ২৩ডিগ্রি ১১ ইঞ্চি উত্তর ও ৭৫ডিগ্রি ৪৫ ইঞ্চি পূর্ব দিয়ে উজ্জয়নের উপর দিয়ে এই আদ্য দ্রাঘিমা গিয়েছে বলে বর্ণিত করা হয়েছিল এই গ্রন্থে। আবার রোহিতাকা, যার আধুনা নাম রোহতক-এও ২৮ ডিগ্রি ৫৪ ইঞ্চি উত্তর, ৭৬ডিগ্রি ৩৮ ইঞ্চি পূর্ব দিয়ে আদ্য দ্রাঘিমা যাওয়ার কথা বলা হয়েছিল সূর্য সিদ্ধান্তে। এমনকী এই গ্রন্থে এটাও উল্লেখ করা হয় যে রোহিতাকা ও অবন্তি বিষুবরেখা ও উত্তর মেরুর লাইন বরাবর স্থাপিত।প্রাচীন ভারতে এই সূর্য সিদ্ধান্ত মতে উজ্জয়নের আদ্য দ্রাঘিমা রেখায় সূর্যোদয় দেখে প্রাথমিকভাবে সময় গোনা হত। এরপর এই সময়কে গণিতিক আকারে ভেঙে ছোট ছোট সময়-এ ভাগ করা হত। তবে, সময় গণনাকে তখনকার দিনে শুধুমাত্র জ্যোতিষশাস্ত্রেই ব্যবহার করা হত।  সে সময় বিভিন্ন রাজ্য়গুলি হিন্দু ক্যালেন্ডার মেনে নিজস্ব স্থানীয় সময় নির্ধারণ করত। 

    আধুনিক ভারতে সময় নির্ধারণ

    ১৭৩৩ সালে জয়পুরে যন্তর-মন্তর তৈরি করেছিলেন মহারাজা সোয়াই জয় সিং। যিনি সময় গণনার জন্য যন্তর-মন্তরে বড় ডায়ালের ঘড়িও লাগিয়েছিলেন। ১৭৯২ সালে ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানি চেন্নাই-এ মাদ্রাজ অবজারভেটরি তৈরি করে। এরপর ১৮০২ সালে জ্যোতিষবিদ জন গোল্ডিনংহাম চেন্নাই লংঙ্গিটুড গঠন করেন। যা গ্রিনিচ মিন টাইমের থেকে ৫ ঘণ্টা এগিয়ে ছিল।

    সময় নির্ধারণে ভারতীয় রেলের ভূমিকা

    ১৮৫০ সালে ভারতীয় রেলের জন্মের আগে পর্যন্ত দেশের ভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন টাইম জোন কাজ চালিয়ে দিচ্ছিল। কিন্তু রেলের জন্ম হতেই দেশজুড়ে একই সময় গণনার দাবি উঠল। এক দেশ এক টাইমের দাবিতে সওয়াল হতে শুরু করেছিল। সমস্যা সমাধানে রেল এক অভূতপূর্ব ব্যবস্থার আমদানি করল। ১৯ শতকে রেল টাইম সিগন্যালের মাধ্য়মে বিভিন্ন রেলস্টেশনকে সূচনা দিতে থাকল সেখানকার স্থানীয় সময় অনুসারে কখন ট্রেন পৌঁছবে।

    টাইম জোনের সূচনা

    টাইম-জোন-এর গণনা নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল ১৮৮৪ সালে। এর ফলে ভারতে টাইম জোনের আবির্ভাব ঘটেছিল, একটি কলকাতা ও অন্যটি মুম্বই। কলকাতার টাইমজোন গ্রিনিচ মিন টাইমের থেকে ৫ ঘণ্টা ৩০ মিনিট ও ২১ সেকেন্ড এগিয়ে ছিল। অন্যদিকে মুম্বই টাইম জোন গ্রিনিচ মিন টাইমের থেকে ৪ ঘণ্টা ৫১ মিনিট এগিয়ে ছিল। ১৮৮৪ সালে ওয়াশিংটন ডিসি-তে আন্তর্জাতিক মেরিডিয়ান কনফারেন্সে ইউনিফর্ম টাইম জোনস গঠনের দাবি ওঠে। ১৯০৫ সালে ভারতের ব্রিটিশ সরকার স্ট্যান্ডাডাইজড টাইম জোনের নীতি গ্রহণ করে। এর জেরে এলাহাবাদকে এই নীতির আওতায় আনা হয়। কারণ, দেশের অন্যান্য জায়গার থেকে দ্রাঘিমার রেখার কাছে এর সর্বনিকট অবস্থান। ১৯০৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এলাহাবাদে কাজ শুরু করে।

    ভারতীয় মান সময় নির্ধারণ

    শেষমেশ স্বাধীনতা লাভের পর ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর এলাহাবাদের সময় গণনাকে আইএসটির (Indian Standard Time) মর্যাদা দেওয়া হয়। এবং তখন থেকে ভারত জুড়ে এই আইএসটি (IST Story) প্রয়োগের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। চেন্নাই থেকে সেন্ট্রাল অবজারভেটরি সেন্টারকে এলাহাবাদের মিরজাপুরে সরিয়ে নিয়ে আসা হয়। আইএসটি মূলত নির্ধারণ হয় এলাহাবাদের মীরজাপুরের ক্লক টাওয়ার থেকে ৮২.৫ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশের ভিত্তিতে। এই মীরজাপুর ভারতে দ্রাঘিমা রেখার সবচেয়ে কাছাকাছি এলাকা। সেই কারণে ক্লক টাওয়ারকে এখানেই প্রতিস্থাপন করা হয়। 

    সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ভূমিকা 

    কিন্তু স্বাধীনতার পরও প্রথমে কলকাতা এবং বোম্বে প্রেসিডেন্সিগুলি তাদের নিজস্ব সময় ধরে রেখেছিল। তারা ভারতীয় মান সময় মানতে চায়নি। এর জন্য পশ্চিমবঙ্গ ও বোম্বের মুখ্যমন্ত্রীদের সময়ের সাপেক্ষে জাতীয় মান অনুসরণ করার জন্য বল্লভভাই প্যাটেলের জোরাজুরির প্রয়োজন ছিল। সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলই তখন রাজ্যগুলিকে বোঝায়। তাঁর বুদ্ধি ও যুক্তি গ্রহণ করে কলকাতা ও মুম্বই। তাই শুধু রাজ্যগুলিকে ভারতীয় ইউনিয়নে একীভূত করার জন্য নয়, বাংলা ও বোম্বের রাজনৈতিক নেতৃত্বকে ভারতীয় প্রমাণ সময় মেনে নেওয়ার জন্যও প্যাটেলের কৃতিত্ব রয়েছে।

    আরও পড়ুন: গুজরাটই ছিল তাঁর আদি বাড়ি, জানেন বিশ্বের একমাত্র হিন্দু শেখ কনকসি খিমজির গল্প?

    দেবাশীষ দাস তার প্রবন্ধে উল্লেখ করেছেন , ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ড টাইমের (IST Story) ভূমিকা : একটি ঐতিহাসিক সমীক্ষা , “১৯৪৭ সালের জুলাই মাসে, স্বাধীনতার ঠিক আগে, সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলকে বাংলার সময়কে সরিয়ে দেওয়ার জন্য একটি অনুরোধ করা হয়েছিল: যখন একটি কঠোর পরিবর্তন সারা ভারতে, বিশেষ করে বাংলায় তৈরি করা হচ্ছে, একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রয়োজনীয় বিষয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্বারা উপেক্ষা করা হচ্ছে, অর্থাৎ, বেঙ্গল টাইম যা ভারতীয় মান সময়ের থেকে এক ঘন্টা এগিয়ে এবং শুধুমাত্র বাংলায় অনুসরণ করা হয় যা দেশের স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর। নাগরিকেরা… আমরা বাঙালিরা এক সময় দাঁড়াতে চাই, অর্থাৎ ভারতীয় মান সময় অন্য সব প্রদেশে অনুসরণ করে।” বোম্বে সম্পর্কেও অনুরূপ অনুরোধ করা হয়েছিল। স্বরাষ্ট্র দফতর পরামর্শ দিয়েছিল যে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারগুলি বিবেচনা করতে পারে। এরপরই কলকাতা তথা বাংলায় ৩১ অগাস্ট বা ১ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭ সালের মধ্যরাত থেকে আইএসটি (Indian Standard Time) গ্রহণ করে। এর প্রায় আড়াই বছর পরে বোম্বে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৪ মার্চ ১৯৫০ আইএসটি গ্রহণ করে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pawan Singh Expelled: জনপ্রিয় ভোজপুরি গায়ক পবন সিংকে ছেঁটে ফেলল বিজেপি

    Pawan Singh Expelled: জনপ্রিয় ভোজপুরি গায়ক পবন সিংকে ছেঁটে ফেলল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির একেবারে প্রথম প্রার্থী তালিকায় নাম ছিল তাঁর। বেশ চর্চায় ছিলেন এই ভোজপুরি গায়ক। পশ্চিমবঙ্গের আসানসোল কেন্দ্র থেকে হেভিওয়েট তৃণমূল প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহার বিরুদ্ধে প্রার্থী করা হয়েছিল তাঁকে। প্রার্থী হয়ে আনন্দ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। পরবর্তীকালে সেই পবন সিং আসানসোল থেকে বিজেপির হয়ে প্রার্থী হবেন না বলে জানিয়েছিলেন। পরে দেখা যায় তিনি বিজেপির টিকিট প্রত্যাখ্যান করে নির্দল প্রার্থী হিসেবে বিহারের ৩৫ নম্বর কারাকাট লোকসভা আসন থেকে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। NDA-র শরিক দল রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চার (RLM) প্রধান উপেন্দ্র কুশওয়াহার বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছেন পবন। তাই দল বিরোধী কাজের অভিযোগে জনপ্রিয় ভোজপুরি গায়ককে বহিষ্কার করল বিজেপি।  

    বিজেপি থেকে বহিষ্কৃত পবন সিং (Pawan Singh Expelled)

    বিজেপির বিহার শাখার পক্ষ থেকে পবন সিংকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এই চিঠিতে বলা হয়েছে, “আপনি এনডিএ-র প্রার্থীর বিরুদ্ধে লোকসভা নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আপনার এই কাজ দলীয় শৃঙ্খলার বিরোধী। এতে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে।” এই চিঠিতে সই রয়েছে বিহার বিজেপির সভাপতি সম্রাট চৌধুরীর। আসানসোলে শত্রুঘ্ন সিনহার বিরুদ্ধে তাঁকে প্রার্থী করেছিল বিজেপি। এরপর পবন সিং-এর কয়েকটি গানের পোস্টার দেখিয়ে তাঁকে নারী বিদ্বেষী প্রমাণ করার চেষ্টা করে তৃণমূল কংগ্রেসের আইটি সেল। সমালোচনা শুরু হতেই হঠাৎ করেই নিজের সামাজিক মাধ্যমে একাউন্টে পোস্ট করে পবন সিং আসানসোল থেকে লড়বেন না বলে জানিয়ে দেন।

    আরও পড়ুন: রাজ্যে তৃণমূল জমানায় দেওয়া সব ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল! বড় রায় হাইকোর্টের

    এরপর ১৩ই মার্চ কারাকাট থেকে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা করেন। তার মা প্রতিমা সিংও এই কেন্দ্র থেকে নির্দল প্রার্থী হয়েছেন। সেই সময় সামাজিক মাধ্যমে এই ভোজপুরি গায়ক নায়ক লিখেছিলেন, তিনি তাঁর মা, সমাজ এবং জনগণকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তা পালন করতেই লোকসভা নির্বাচন লড়ছেন। তবে হঠাৎ করেই বিজেপির সঙ্গে তাঁর দূরত্ব হল কী কারণে তা এখনও প্রকাশ পায়নি।

    ‘কাঁচি’ প্রতীক চিহ্নে লড়বেন পবন

    নির্দল প্রার্থী হয়ে পবন সিং ‘কাঁচি’ চিহ্ন প্রতীক হিসেবে পেয়েছেন। তবে এই কাঁচি দিয়ে তিনি এনডিএ প্রার্থীর ভবিষ্যৎ কেটে ফেলতে পারেন কি না তা জানা যাবে ৪ জুন। যদিও বিজেপির থেকে তার ভবিষ্যৎ যে ‘কাঁচি’ (Pawan Singh Expelled) হয়ে গিয়েছে তা এদিনের সম্রাট চৌধুরীর বহিষ্কারের চিঠি থেকেই বোঝা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Viswa Hindu Parishad: মুখ্যমন্ত্রীর ‘সাধু’ মন্তব্যের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের দ্বারস্থ বিশ্ব হিন্দু পরিষদ

    Viswa Hindu Parishad: মুখ্যমন্ত্রীর ‘সাধু’ মন্তব্যের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের দ্বারস্থ বিশ্ব হিন্দু পরিষদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঠ-মিশন-সংঘের সাধু-সন্ন্যাসীদের বিরুদ্ধে বেঁফাস মন্তব্য করে বিপাকে তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! মুখ্যমন্ত্রীর বেলাগাম মন্তব্যে সন্ন্যাসী ও আশ্রমের ওপর হামলার ঘটনা বাড়বে বলেই মনে করেন বিভিন্ন মঠ-মিশন কর্তৃপক্ষ। এই আশঙ্কা প্রকাশ করে বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (Viswa Hindu Parishad)। মামালার শুনানি হবে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের এজলাসে।

    কী বলেছিলেন মমতা? (Viswa Hindu Parishad)

    সন্ন্যাসী বিতর্কের জল এতদূর গড়ানোর কারণ শনিবার আরামবাগের এক জনসভায় করা তৃণমূল নেত্রীর একটি মন্তব্য। ওই সভায় মমতা রামকৃষ্ণ মিশন ও ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের কয়েকজন সন্ন্যাসীর বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক মন্তব্য করেছিলেন। ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের বেলডাঙা শাখার কার্তিক মহারাজের নাম করে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, “সব সাধু সামান হয় না। সব স্বজন সমান হয় না। আমাদের মধ্যেও কি আমরা সবাই সমান? এই যে বহরমপুরের একজন মহারাজ রয়েছেন। আমি শুনেছি অনেক দিন ধরে, কার্তিক মহারাজ। ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘকে আমি খুব শ্রদ্ধা করতাম। আমার শ্রদ্ধার্ঘের তালিকায় তারা দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে। কিন্তু যে লোকটা বলে, তৃণমূলের এজেন্ট বসতে দেব না, সেই লোকটাকে আমি সাধু বলে মনে করি না। তার কারণ, সে ডাইরেক্ট পলিটিক্স করে দেশটার সর্বনাশ করছে।” মুখ্যমন্ত্রীর এই (Viswa Hindu Parishad) মন্তব্যের পরে পরেই শিলিগুড়িতে রামকৃষ্ণ মিশনে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা।

    আর পড়ুন: “ক্ষমতায় ফিরছে বিজেপি, প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনও ক্ষোভ নেই”, বললেন পিকে

    মুখ্যমন্ত্রীকে আইনি চিঠি

    মুখ্যমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যে তোলপাড় হয় রাজ্যও। সোশ্যাল মিডিয়ায় বয়ে যায় নিন্দার ঝড়। বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগে সোমবার মুখ্যমন্ত্রীকে আইনি চিঠি পাঠিয়েছেন ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের কার্তিক মহারাজ। চিঠিতে চার দিনের মধ্যে তাঁর বক্তব্যের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জবাব চাওয়া হয়েছে। চার দিনের মধ্যে জবাব না মিললে মহারাজ আইনি পদক্ষেপ করবেন বলেও জানিয়ে দেওয়া হয় ওই চিঠিতে। মহারাজের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের কোনও সারবত্তা নেই। তাঁর সম্মানহানির চেষ্টায় মুখ্যমন্ত্রী অসত্য ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করেছেন বলেও অভিযোগ ওই সর্বত্যাগী সন্ন্যাসীর। সাধুদের নিশানা করায় মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ শানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। পদযাত্রার ডাক দিয়েছেন বিভিন্ন মঠ-মিশন-আশ্রমের সাধু-সন্তরা। এহেন আবহে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা ঠুকে দিল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (Viswa Hindu Parishad)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Coal Scam: কয়লা পাচারকাণ্ডে তদন্ত শেষ করতে সিবিআইকে সময় বেঁধে দিল আদালত

    Coal Scam: কয়লা পাচারকাণ্ডে তদন্ত শেষ করতে সিবিআইকে সময় বেঁধে দিল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচারকাণ্ডে (Coal Scam) আসানসোল আদালতে প্রশ্নের মুখে সিবিআই। আর কতদিন লাগবে তদন্ত শেষ করতে? নতুন করে কি কোন চার্জশিট জমা দেবেন? জানতে চাইলেন বিচারক। তদন্তে গড়িমশির জেরে আদালতে প্রশ্নের মুখে সিবিআই। মঙ্গলবার আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী জানিয়েছেন ২১ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে হবে। ৩ জুলাই মামলার চার্জ গঠন করতে হবে। বিচারে কোন বিলম্ব চায়না আদালত। সব অভিযুক্তকে হাজির থাকার নির্দেশ দেওয়া হলেও দুজন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আসেননি। পরবর্তী শুনানিতে প্রয়োজনে অ্যাম্বুল্যান্সে তাদের হাজির করানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

    তিন বছর সুপ্রিম কোর্টের রক্ষাকবচে ছিলেন অনুপ মাঝি ওরফে লালা

    তিন বছর সুপ্রিম কোর্টের রক্ষাকবচে ছিলেন কয়লা পাচার (Coal Scam)  কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালা। সম্প্রতি তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নিয়েছেন। এরপরই দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ার শুরুর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে সূত্রের খবর। মঙ্গলবার বিচারক জানতে চেয়েছেন মামলার তদন্ত কত দূর। সিবিআই-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এক সরকারি আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। তা পাওয়া যায়নি। তখনই বিচারক জানান সাড়ে তিন বছর ধরে যে মামলা চলছে তাতে এতদিন দেরিতে কেন জিজ্ঞাসা অনুমতি চাওয়া হয়েছে। সিবিআই কোন চার্জশিট দেবে কি না। এসবও জানতে চায় আদালত।

    দুটি চার্জশিট জমা দিয়েছে সিবিআই

    এখনও পর্যন্ত সিবিআই (Coal Scam) এই মামলায় যে দুটি চার্জশিট জমা দিয়েছে। তাতে ৪৩ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে অন্যতম মূল অভিযুক্ত বিনয় মিশ্র পলাতক। বাকি ৪২ জনের মধ্যে এদিন শুনানিতে লালা সহ ৪০ জন হাজির থাকলেও জয়দেব মন্ডল ও নারায়ন খড়কা আসেননি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে। অভিযুক্তদের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, “সিবিআই-এর রিপোর্টের কপি তাদের দেওয়া হয়নি। তাই তাঁরা মামলার বিষয়ে কিছুই বুঝতে পারছেন না। তাঁদের মক্কেল অসুস্থ। পাল্টা সিবিআইয়ের তরফ থেকে জানানো হয় এত জনকে ২৫ হাজার পাতার হার্ড কপি দেওয়া সম্ভব নয়। প্রত্যেককে সফ্ট কপি দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারক।

    লালাকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চাইল সিবিআই

    লালাকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়ার আর্জি জানান সিবিআই-এর আইনজীবী রাকেশ সিংহ। কখন কীভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে তা আদালতকে জানাতে বলেন বিচারক। লালার আইনজীবী অভিষেক মুখোপাধ্যায় প্রশ্ন তোলেন, তাঁর মক্কেলকে নিতুরিয়ায় নিজের এলাকার বাইরে না বেরোনোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: রাজ্যে তৃণমূল জমানায় দেওয়া সব ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল! বড় রায় হাইকোর্টের

    সে ক্ষেত্রে জিজ্ঞাসাবাদে ডাকা হলে তিনি কীভাবে যাবেন? যেদিন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকবে সিবিআই সেদিন তাকে বেড়ানোর অনুমতি দেওয়া হবে জানান বিচারক।  

    ২১ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ

    একই সঙ্গে বিচারক এদিন সিবিআইকে কয়লাকাণ্ডে (Coal Scam) ২১ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দেন। মামলার পরবর্তী শুনানি ৩ জুলাই। সেদিনই চার্জ গঠন করতে হবে সিবিআইকে। যেহেতু অনেক অভিযুক্ত বয়স্ক, তাই দ্রুত মামলার নিষ্পত্তি করতে হবে বলে জানান বিচারক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: শেষ দফায় শহরে বাড়তি নিরাপত্তা, থাকবে ২৪৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    Lok Sabha Election 2024: শেষ দফায় শহরে বাড়তি নিরাপত্তা, থাকবে ২৪৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম পাঁচ দফার ভোট (Lok Sabha Election 2024) মোটামুটি নির্বিঘ্নে কেটেছে। বিক্ষিপ্ত কিছু হিংসার ঘটনা ছাড়া তেমন উল্লেখযোগ্য বড় কোনও খবর সামনে আসেনি৷ সাত দফার মধ্যে বাকি আর দুই দফা। তবে এর মধ্যে সপ্তম দফায় ভোট রয়েছে শহরে। আর তার জেরেই শেষ দফায় শহরে বাড়ানো হলো কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা। 

    ভোটের নিরাপত্তার দায়িত্ব লালবাজারের কাঁধে 

    আগামী ১ জুন ভোট (Lok Sabha Election 2024) রয়েছে কলকাতায়। মোট পাঁচটি লোকসভা কেন্দ্রে ভোটের নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাতে হবে লালবাজারকে। সেই ভোট-পর্ব শান্তিপূর্ণ ভাবে মেটাতে কলকাতা পুলিশের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ২৪৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। যার মধ্যে ১০ কোম্পানি ইতিমধ্যেই শহরে রয়েছে। বুধবারের মধ্যে শহরে চলে আসার কথা ২১ কোম্পানির। আর বাকি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central forces)  আগামী শনিবার, ষষ্ঠ দফার ভোটের পরে শহরে চলে আসবে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর। জানা গিয়েছে সেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central forces) জাওয়ানদের সঙ্গে থাকছেন কলকাতা পুলিশের কয়েক হাজার পুলিশকর্মী। 
    প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের থেকে এ বার বুথের সংখ্যা কমেলেও ভোট গ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। জানা গিয়েছে, কলকাতা পুলিশ এলাকায় এ বার মোট বুথের সংখ্যা ৫১৫৮টি এবং ভোট গ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা ১৯৪০টি। উত্তর কলকাতা, দক্ষিণ কলকাতার মতো লোকসভা কেন্দ্রের পুরোটাই রয়েছে কলকাতা পুলিশের অধীনে। এ ছাড়া, যাদবপুর, ডায়মন্ড হারবার এবং জয়নগর লোকসভা কেন্দ্রের বেশ কিছুটা অংশও রয়েছে কলকাতা পুলিশের আওতাধীন এলাকায়। তবে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় লালবাজারের অধীনে চলে আসায় এ বার পাঁচটি লোকসভা কেন্দ্রের ভোটের (Lok Sabha Election 2024) নিরাপত্তা সামলাতে হবে লালবাজারকে। 

    আরও পড়ুন: লজ্জা! ফের রাজ্যের দুই শীর্ষ আধিকারিককে সরাল কমিশন

    স্পর্শকাতর বুথ গুলিতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা 

    সূত্রের খবর, এ বার প্রতিটি বুথই স্পর্শকাতর। তাই প্রতিটি বুথেই থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। লালবাজার জানিয়েছে, এ বার ভোটের (Lok Sabha Election 2024) নিরাপত্তায় গোটা শহরে থাকছে ২৩০টি কুইক রেসপন্স টিম বা কিউআরটি। যাতে থাকবে এক সেকশন করে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সঙ্গে থাকবেন এক জন করে কলকাতা পুলিশের অফিসার। এ ছাড়া, থাকছে কলকাতা পুলিশের কর্মী-অফিসারদের নিয়ে গঠিত ৩৪৭টি সেক্টর মোবাইল। প্রতিটি সেক্টরের দায়িত্বে থাকবে ওই সেক্টর মোবাইল। এ ছাড়াও থাকছে এইচআরএফএস এবং আরটি মোবাইল ভ্যান। সেগুলিতে অবশ্য থাকবে কলকাতা পুলিশের বাহিনী।
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 24: “ঈশ্বরলাভ না করলে তাঁর আদেশ পাওয়া যায় না”

    Ramakrishna 24: “ঈশ্বরলাভ না করলে তাঁর আদেশ পাওয়া যায় না”

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    কমলাকুটিরে শ্রীরামকৃষ্ণ শ্রীযুক্ত কেশব সেন

    তোমরা বক্তৃতা দাও সকলের উপকারের জন্য, কিন্তু ঈশ্বরদর্শন করে বক্তৃতা দিলে উপকার হয়। তাঁর আদেশ না পেয়ে লোকশিক্ষা দিলে উপকার হয় না। ঈশ্বরলাভ না করলে তাঁর আদেশ পাওয়া যায় না। ঈশ্বরলাভ যে হয়েছে, তার লক্ষণ আছে। বালকবৎ, জড়বৎ, উন্মাদবৎ, পিশাচবৎ হয়ে যায়; যেমন শুকদেবাদি। চৈতন্যদেব কখন বালকবৎ, কখন উন্মাদের ন্যায় নৃত্য করিতেন। হাসে, কাঁদে, নাচে, গায়। পুরীধামে যখন ছিলেন, তখন অনেক সময় জড় সমাধিতে থাকতেন।  

    শ্রীযুক্ত কেশবের হিন্দুধর্মের উপর উত্তরোত্তর শ্রদ্ধা

    এইরূপ নানাস্থানে শ্রীযুক্ত কেশবচন্দ্র সেনকে শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) কথাচ্ছলে নানা উপদেশ দিয়েছিলেন। বেলঘরের বাগানে প্রথম দর্শনের পর কেশব ২৮শে মার্চ, ১৮৭৫ রবিবার ‘মিরার’ সংবাদপত্রে লিখিয়াছিলেন, আমরা অল্প দিন হইল, দক্ষিণেশ্বরে পরমহংস রামকৃষ্ণকে বেলঘরের বাগানে দর্শন করিয়াছি। তাঁহার গভীরতা, অর্ন্তদৃষ্টি, বালকস্বভাব দেখিয়া আমরা মুগ্ধ হইয়াছি। তিনি শান্তস্বভাব, কোমল প্রকৃতি, আর দেখিলে বোধ হয়, সর্বদা যোগেতে আছেন। এখন আমাদের বোধ হইতেছে যে, হিন্দুধর্মের গভীরতম প্রদেশ অনুসন্ধান করিলে কত সৌন্দর্য, সত্য ও সাধুতা দেখিয়ে পাওয়া যায়। তা না হইলে পরমহংসের ন্যায় ঈশ্বরীয়ভাবে ভাবিত যোগীপুরুষ কিরূপে দেখা যাইতেছে? ১৮৭৬ জানুয়ারি আবার মাঘোৎসব আসিল, তিনি টাউন হলে বক্তৃতা দিলেন; বিষয়—ব্রাহ্মধর্ম ও আমরা কি শিখিয়াছি—(Our Faith and Experiences)—তাহাতেও হিন্দুধর্মের সৌন্দর্যের কথা অনেক বলিয়াছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) তাঁহাকে যেমন ভালবাসিয়াছিলেন, কেশবও তাঁহাকে তদরূপ ভক্তি করিতেন। প্রায় প্রতি বৎসর ব্রাহ্মোৎসবের সময়েও কেশব দক্ষিণেশ্বরে যাইতেন ও তাঁহাকে কমলকুটিরে লইয়া আসিতেন। কখন কখন একাকী কমলকুটিরের দ্বিতলস্থ উপাসনাকক্ষে পরম অন্তরঙ্গজ্ঞানে ভক্তিভরে লইয়া যাইতেন ও একান্তে ঈশ্বরের পূজা ও আনন্দ করিতেন।

    ১৮৭৯ ভাদোৎসবের সময় আবার কেশব শ্রীরামকৃষ্ণকে (Ramakrishna) নিমন্ত্রণ করিয়া বেলঘরের তপোবনে লইয়া যান। ১৫ই সেপ্টেম্বর সোমবার (৩১ শে ভাদ্র, ১২৮৬, কৃষ্ণা চতুর্দর্শী)। আবার ২১ শে সেপ্টেম্বর কমলকুটিরে উৎসবে যোগদান করিতে লইয়া যান। এই সময় শ্রীরামকৃষ্ণ সমাধিস্থ হইলে ব্রাহ্মভক্তসঙ্গে তাঁহার ফটো লওয়া হয়। ঠাকুর দণ্ডায়মান, সমাধিস্থ। হৃদয় ধরিয়া আছেন। ২২শে অক্টোবর (৬ই কার্তিক, ১২৮৬, বুধবার), মহাষ্টমী—নবমীর দিন কেশব দক্ষিণেশ্বরে গিয়ে তাঁহাকে দর্শন করিলেন।

    “বেঙাচির ল্যাজ খসলে জলেও থাকতে পারে, আবার ডাঙাতেও থাকতে পারে”

    আরও পড়ুনঃ “দু-চারটা মাছ এমন সেয়ানা যে, কখনও জালে পড়ে না”

    আরও পড়ুনঃ “ভালো লোকের সঙ্গে মাখামাখি চলে, মন্দ লোকের কাছ থেকে তফাত থাকতে হয়”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: নদিয়ায় হরিনাম বন্ধে ফতোয়া বাংলাদেশের! বিএসএফের উদ্যোগে হচ্ছে নাম সংকীর্তন

    Nadia: নদিয়ায় হরিনাম বন্ধে ফতোয়া বাংলাদেশের! বিএসএফের উদ্যোগে হচ্ছে নাম সংকীর্তন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়ির রামকৃষ্ণ মিশনে হামলার ঘটনা নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় চলছে। কার্তিক মহারাজকে নিয়ে মমতার বক্তব্যের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছেন সাধুসন্তরা। এই আবহের মধ্যে এবার চৈতন্য মহাপ্রভুর জন্মভূমি নদিয়ায় (Nadia) হরিনাম সংকীর্তন বন্ধ করার ফতোয়া দিল বাংলাদেশ। যা সামনে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। গ্রামবাসীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। পরে, বিএসএফের উদ্যোগে হচ্ছে নাম-সংকীর্তন অনুষ্ঠান।

    হরিনাম বন্ধে ফতোয়া দিল বিজিবি! (Nadia)

    নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণগঞ্জের সীমান্তবর্তী একটি গ্রাম বিজয়পুর। এই গ্রাম থেকে বাংলাদেশ অনেকটাই কাছে। গত ৩৫ বছর ধরে সেখান গ্রামবাসীদের উদ্যোগে অষ্টম প্রহর নাম সংকীর্তনের অনুষ্ঠান হয়ে আসছে। বাংলাদেশের নিরাপত্তার রক্ষা বাহিনী (বিজিবি) এই সীমান্ত লাগোয়া বিজয়পুর গ্রামে নাম সংকীর্তন বন্ধ করার  ফতোয়া জারি করে বলে অভিযোগ। যার জেরে অনুষ্ঠান হওয়া একরকম অনিশ্চিত হয়ে প়ড়েছিল। যে নাম সংকীর্তনের অনুষ্ঠান শুধুমাত্র একটা অনুষ্ঠান নয়, স্থানীয় মানুষদের জন্য আবেগ এবং ঐতিহ্যের মেলবন্ধনের আরেক নাম। বিজিবি-র ফতোয়ার কারণে অনুষ্ঠান বন্ধ হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়। স্থানীয় গ্রামবাসীরা বিএসএফের কাছে এই বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। পরে, বিএসএফের হস্তক্ষেপে ফের গ্রামবাসীরা নাম সংকীর্তন অনুষ্ঠান করছেন বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: আদালতের দ্বারস্থ শুভেন্দু-হিরণ, কোলাঘাটকাণ্ডের কথা জানানো হল শাহকেও

    ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা কী বললেন?

    বাংলাদেশের এই ফতোয়া নিয়ে ক্ষুব্ধ গ্রামের (Nadia) বাসিন্দারা। তাঁরা বলেন, আমরা ভারতবর্ষে বসবাস করি। আমাদের নিজের দেশের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের নিরাপত্তা রক্ষীরা কীভাবে ফতোয়া দিতে পারে তা আমরা বুঝতে পারছি না। শেষ পর্যন্ত বিএসএফের হস্তক্ষেপে বাংলাদেশের বিজিবির হুঁশিয়ারিকে উপেক্ষা করে আবারও শুরু হল বিজয়পুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে নাম সংকীর্তনের অনুষ্ঠান। এ বিষয়ে আমরা বিএসএফের কাছে কৃতজ্ঞ। বিএসএফের আধিকারিকরা যদি হস্তক্ষেপ না করত, তাহলে আমরা এই অনুষ্ঠান করতে পারতাম না। গ্রামের এক মহিলা বলেন, আমরা ভারতের নাগরিক, কাঁটাতারের জিরো পয়েন্টে বসবাস করি। বিএসএফদের কারণে আমরা সুষ্ঠুভাবে জীবন যাপন করি। কোনও ভয় ভীতি নেই। আর পাঁচটা গ্রামের মতোই আনন্দ উৎসবের মুখর হয়ে থাকে এই গ্রাম। তবে, এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে শুধু বিজয়পুর গ্রামের মানুষ নয় আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ এই অনুষ্ঠানে সামিল হন। আর সেটাকেই বন্ধ করার লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশিদের। সেটা বিএসএফের কারণে তারা করতে পারেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: হাজি নুরুলের নির্বাচনী প্রচারে তৃণমূলের আদি-নব্যের গোষ্ঠী সংঘর্ষ! উত্তাল হাড়োয়া

    Lok Sabha Election 2024: হাজি নুরুলের নির্বাচনী প্রচারে তৃণমূলের আদি-নব্যের গোষ্ঠী সংঘর্ষ! উত্তাল হাড়োয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) প্রচারে তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে মিছিলকে ঘিরে তৃণমূলের সঙ্গে তৃণমূলেরই সংঘর্ষ বাধে। উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়ায় মিছিল নিয়ে তৃণমূল বনাম তৃণমূলে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। দুই পক্ষের মধ্যে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। জানা গিয়েছে, দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে সকলেই হাজি নুরুল ইসলামের সমর্থক, কিন্তু একপক্ষ আদি তৃণমূল, ওপর পক্ষ নব্য তৃণমূল।

    কীভাবে ঘটল গোষ্ঠী সংঘর্ষ (Lok Sabha Election 2024)?

    বসিরহাট লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী হাজি নুরুলের সমর্থনে আদি-নব্যের জোড়া মিছিলের মুখোমুখি হতেই হামলার ঘটনা ঘটেছে। আদি-নব্যের সংঘাতে লাঠি-বাঁশ-ইট নিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে আক্রমণ করতে দেখা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এদিন আটপুকুর অঞ্চল থেকে আদি তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে একটি মিছিল বের করেন। অন্যদিকে বিহারী এলাকা থেকে নব্য তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা আরও একটি মিছিল নিয়ে বের হয়। দু’টি মিছিল বিহারী অঞ্চলে মুখোমুখি হতেই কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। অভিযোগ, আদি তৃণমূলের লোকজন নব্য তৃণমূলের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। লাঠি-বাঁশ নিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। এমনকি একটি আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া গিয়ে বলে অভিযোগ। দুই শিবিরের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ ধরে বাদানুবাদ হয় বলে খবর। এই ঘটনার জেরে প্রায় ৬ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

    আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীর বক্তব্য

    তৃণমূলের এই গোষ্ঠীকোন্দলের ঘটনায় আক্রান্ত তৃণমূল কর্মী হাফিজুল ইসলাম ঢালি বলেন, “এখানে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল। আমরা হাজি নুরুল সাহেবের সমর্থক। অপর দিকের কর্মীরাও তৃণমূল কর্মী। আমরা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) প্রচারে বেরিয়ে ছিলাম সঙ্গে সাংবাদিকেরাও ছিলেন। আমাদের উপর বন্দুকের বাট দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়। আমাদের লক্ষ্য করে বোমা মারা হয়। ধারালো অস্ত্র, বাঁশ-রড দিয়ে মারা হয়। তৃণমূল দুষ্কৃতী মিজানুর রহমান, আইনুল ইসলাম সহ আরও অনেকে এই হামলার সঙ্গে যুক্ত।”

    আরও পড়ুনঃ “পতন এসে গেছে, পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে”, মমতাকে কটাক্ষ দিলীপের

    ঘটনাস্থানে পৌঁছায় পুলিশ

    এদিকে গোলমালের খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় হাড়োয়া থানার পুলিশ। তখনও পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল। শেষে পুলিশি তৎপরতায় আস্তে আস্তে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে জানা যাচ্ছে, তৃণমূলের দুই শিবিরের মধ্যে এই দ্বন্দ্বের পর থেকে এলাকায় চাপা উত্তেজনা রয়েছে। এদিকে ভোটের (Lok Sabha Election 2024) মুখে দলের গোষ্ঠীকোন্দলের ফলে তৃণমূল শিবির খানিকটা চাপে পড়তে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • OBC Certificate: রাজ্যে তৃণমূল জমানায় দেওয়া সব ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল! বড় রায় হাইকোর্টের

    OBC Certificate: রাজ্যে তৃণমূল জমানায় দেওয়া সব ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল! বড় রায় হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টে ফের বিপাকে রাজ্য। ২০১০ সাল পরবর্তী সময়ে রাজ্যের দেওয়া সব ওবিসি সার্টিফিকেট (OBC Certificate) বাতিল করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। এর ফলে বাতিল হতে চলেছে প্রায় ৫ লক্ষ ওবিসি শংসাপত্র। অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি ভুক্তদের সংরক্ষণের সুবিধা দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকারের তরফে যে শংসাপত্র দেওয়া হয়, তা-ই হল ওবিসি সার্টিফিকেট। বুধবার কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়েছে, এই রায় ঘোষণার পর থেকেই বাতিল হওয়া শংসাপত্র আর কোনও চাকরি প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করা যাবে না।

    কী বলল হাইকোর্ট

    ওবিসি সংরক্ষণ (OBC Certificate) মামলায় ১৪ বছর পর রায় ঘোষণা করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)৷ বুধবার এই রায় ঘোষণা করল বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ৷ বুধবার হাইকোর্টের তরফ থেকে বলা হয়েছে, ২০১০ পরবর্তী সমস্ত ওবিসি সংরক্ষণ তালিকা বাতিল করা হল৷ ২০১০ সালের আগের নথিভুক্ত ওবিসি তালিকা বহাল থাকছে৷ এতদিন যাঁরা ওবিসি সংরক্ষণ তালিকায় চাকরি পেয়েছেন বা নিয়োগ প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন, তাঁরা প্রত্যেকেই পুরনো সংরক্ষণ তালিকায় চাকরি পাবেন৷ এ ছাড়া নতুন করে সংরক্ষণ তালিকা প্রকাশ করতে হবে৷ মোট কথা, আজ থেকে রাজ্যে ওবিসি বলে আর কিছু থাকল না৷  তবে একই সঙ্গে হাইকোর্ট জানিয়েছে, এই সার্টিফিকেট ব্যবহার যাঁরা ইতিমধ্যে সুযোগ পেয়ে গিয়েছেন এই রায়ে তাঁদের উপর প্রভাব পড়বে না। ডিভিশন বেঞ্চ বলে, ‘‘এর পর কারা ওবিসি হবেন তা রাজ্যের আইনসভাকে ঠিক করতে হবে। ওয়েস্ট বেঙ্গল ব্যাকওয়ার্ড ক্লাস ওয়েলফেয়ার কমিশনকে ওবিসিদের তালিকা নির্ধারণ করতে হবে। যাঁদের নাম আইনসভা অনুমোদন দেবে পরবর্তীকালে তাঁরা ওবিসি বলে গণ্য হবেন।’’

    আরও পড়ুন: লাইসেন্সের জন্য আরটিওতে দিতে হবেনা ড্রাইভিং টেস্ট! চালু হচ্ছে নতুন নিয়ম

    এই রায়ের প্রভাব

    হাইকোর্টের এই নির্দেশের ফলে বাতিল হল প্রায় পাঁচ লক্ষ ওবিসি সার্টিফিকেট (OBC Certificate)। এই রায় অনুসারে তৃণমূল জমানায় দেওয়া রাজ্যের সমস্ত ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত জানিয়েছে, ২০১০ সালের পরে জারি হওয়া সমস্ত ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল করা হবে। ঘটনাচক্রে ২০১১ সাল থেকে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে তৃণমূল কংগ্রেস। নতুন ওবিসি সংরক্ষণ তালিকা ১৯৯৩ সালের আইন মেনে তৈরি করার পর রাজ্যে তা কার্যকর করা হবে, বলে ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে জানানো হয়েছে৷ কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) বলছে, ২০১০ সালের পরে যে সমস্ত ওবিসি সার্টিফিকেট তৈরি করা হয়েছে, সেই সমস্ত শংসাপত্র আইনসম্মতভাবে বানানো হয়নি। তাই ওই শংসাপত্র বাতিল করতে হবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share