Tag: bangla news

bangla news

  • IPL 2024: ইতিহাস কলকাতার, আইপিএল টেবিলের শীর্ষে থেকেই প্লে-অফে যাবে শ্রেয়সের কেকেআর

    IPL 2024: ইতিহাস কলকাতার, আইপিএল টেবিলের শীর্ষে থেকেই প্লে-অফে যাবে শ্রেয়সের কেকেআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি আইপিএলে (IPL 2024) ইতিহাস তৈরি করল কলকাতা নাইট রাইডার্স। প্রথমবার শীর্ষস্থান ধরে রেখে আইপিএলের গ্রুপ-পর্ব শেষ করতে চলেছে শ্রেয়সা আইয়ারের নেতৃত্বাধীন কেকেআর। বুধবার গুয়াহাটিতে পঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে রাজস্থান রয়্যালস পাঁচ উইকেটে হারার পরই পাঁচটি ম্যাচ বাকি থাকতে নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে যে এক নম্বর দল হিসেবে ২০২৪ সালের আইপিএলের গ্রুপ পর্যায় শেষ করবে কেকেআর।

    অধরা মাধুরী এল

    অতীতে কেকেআর ২০১২ সাল এবং ২০১৪ সালে আইপিএল জিতলেও ওই দু’বছর গ্রুপ পর্যায়ের শেষে লিগ তালিকায় দু’নম্বরে ছিলেন গম্ভীররা। ২০১২ সালে এক নম্বরে ছিল তৎকালীন দিল্লি ডেয়ারডেভিস (অধুনা দিল্লি ক্যাপিটালস)। আর দু’বছর পরে গ্রুপ লিগের শীর্ষে ছিল তৎকালীন কিংস ইলেভন পঞ্জাব (বর্তমানের পঞ্জাব কিংস)। গ্রুপ লিগে দুইয়ে শেষ করে শেষপর্যন্ত আইপিএল (IPL 2024) খেতাব জিতেছিল কেকেআর। এবার এক নম্বরে শেষ করে সেই ট্রফি আসে কিনা, তা সময়ই বলবে। বুধবার রাজস্থান হেরে যাওয়ার পরে আইপিএলের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে আছে কেকেআর। ১৩টি ম্যাচের শেষে ঝুলিতে আছে ১৯ পয়েন্ট। সেখানে ১৩টি ম্যাচের শেষে ১৬ পয়েন্ট আছে রাজস্থানের। আপাতত যা পরিস্থিতি, তাতে কোনও দলই ১৯ পয়েন্টে পৌঁছাতে পারবে না। অর্থাৎ ছুঁতে পারবে না কেকেআরকে। 

    মেন্টর হয়ে সাফল্য

    অধিনায়ক হিসেবে যা করতে পারেনি মেন্টর হয়ে সেই স্বাদ পেলেন গৌতম গম্ভীর। তিনি কলকাতার লাকি চ্যাম্প। কেকেআর যে এবারের আইপিএলের প্রথম কোয়ালিফায়ারে খেলবে, তা আগেই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। কারণ আগেই প্রথম দুইয়ে থাকার ‘কনফার্ম’ টিকিট পেয়ে গিয়েছে কেকেআর।

    সার্বিকভাবে এই নিয়ে তৃতীয়বার প্রথম কোয়ালিফায়ারে খেলবে নাইট ব্রিগেড। আগের দু’বার কেকেআর যখন আইপিএলের (IPL 2024) প্রথম কোয়ালিফায়ারে খেলেছে, তখনই জিতেছে। এবারও কোয়ালিফায়ারের প্রথম ম্যাচ জিতেই ফাইনালে ট্রফির জন্য লড়াই করতে চায় নাইটরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “দু’-তিন বছরের মধ্যেই দেশ নকশাল মুক্ত হবে”, বললেন শাহ

    Amit Shah: “দু’-তিন বছরের মধ্যেই দেশ নকশাল মুক্ত হবে”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নকশাল দমনে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে মোদি সরকার। আগামী দু’-তিন বছরের মধ্যেই দেশ নকশাল-মুক্ত হবে।” কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার দরিদ্র এবং উপজাতি অধ্যুষিত এলাকায় কল্যাণমূলক কাজের সুফল পৌঁছে দিয়েছে। সেই কারণেই নকশালরা জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে।”

    নকশাল-মুক্ত ৭ রাজ্য (Amit Shah)

    তিনি জানান, ঝাড়খণ্ড, বিহার, তেলঙ্গনা, ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ এবং মহারাষ্ট্র পুরোপুরি নকশাল-মুক্ত। ছত্তিশগড়ের তিন-চারটি জেলায় অবশ্য সমস্যটা রয়ে গিয়েছে। এর পরেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “আমার মনে হয় আগামী দু’তিন বছরের মধ্যেই দেশ পুরোপুরি নকশাল-মুক্ত হয়ে যাবে। ছত্তিশগড়ে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর চার-পাঁচ মাসে ১১২ জন মাওবাদী নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে, ৩৭৫ জনের মতো আত্মসমর্পণ করেছে এবং গ্রেফতার করা হয়েছে ১৫৩জনকে। এদিকে কংগ্রেস বলছে ভুয়ো এনকাউন্টার হচ্ছে।” এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, চতুর্থ দফার নির্বাচনের মধ্যে যতগুলি আসনে ভোট হয়েছে, তাতে ২৭০টি আসন পাবে বিজেপি।

    ‘এই নির্বাচন ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ’

    তিনি বলেন, “এই নির্বাচন এবং তার ফলের বিরাট গুরুত্ব রয়েছে।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক না কেন, তার উচিত দেশের প্রতিটি অংশ থেকে সমর্থন পাওয়া। সরকারকে স্থায়ী হতে হবে। তাকে সংখ্যাগরিষ্ঠ হতে হবে।” তিনি বলেন, “বিরোধীরা ‘৪০০ পার’ স্লোগানের অপব্যাখ্যা করছে। দূরদৃষ্টির অভাবের জন্যই তারা এটা করছে। একটা স্থায়ী সরকার দেশকে শক্তি দিতে পারে, কঠোর পদক্ষেপ করতে সাহায্য করতে পারে, জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দিতে পারে গরিবের দুয়ারে, সন্ত্রাসবাদ, নকশালের উপদ্রবের মতো সমস্যার সমাধানও করতে পারে। এই সরকারই পারে দেশের পক্ষে কল্যাণকর সিদ্ধান্ত নিতে, দেশকে জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠ আসনে বসাতে।”

    আর পড়ুন: প্রবাসেও বিপন্ন ভারতীয়দের পাশে সরকার, আক্ষরিক অর্থেই সঙ্কটমোচক মোদি

    বিজেপির ‘৪০০ পার’ স্লোগানের অপব্যাখ্য করায় এদিন শাহ নিশানা করেন বিরোধী নেতাদেরও। তিনি বলেন, “সংরক্ষণ তুলে দেওয়াই যদি আমাদের লক্ষ্য হত, তাহলে ১০ বছরের মধ্যেই তা করতে পারতাম। কারণ আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। আমরা তো তা করিনি। আমি আপনাদের স্পষ্ট করে দিতে চাই এই বলে যে, ধর্মের ভিত্তিতে কোনও সংরক্ষণ এদেশে হবে না। কারণ এটা সংবিধান বিরোধী (Amit Shah)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে রাতের অন্ধকারে আন্দোলনকারী মহিলাকে বাড়ি থেকে অপহরণের চেষ্টা!

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে রাতের অন্ধকারে আন্দোলনকারী মহিলাকে বাড়ি থেকে অপহরণের চেষ্টা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) এক সময় পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে মহিলাদের ওপর নির্যাতন চালানোর অভিযোগ ছিল শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে। শাহজাহান বাহিনীর অত্যাচারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে সরব হয়েছেন সন্দেশখালির মহিলারা। এরপর একের পর এক ভিডিও নিয়ে তোলপাড় চলছে রাজ্যজুড়ে। এই আবহের মধ্যে সন্দেশখালির প্রতিবাদী মহিলাকে রাতের অন্ধকারে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানাজানি হতেই মহিলারা সরব হয়েছেন। অবিলম্বে দুষ্কৃতীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Sandeshkhali)

    বুধবার দুপুরেই সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) গিয়েছিলেন বিজেপি নেত্রী তথা আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল। সন্দেশখালির মহিলারা গিয়ে দেখা করেছিলেন তাঁর সঙ্গে। সেই তালিকায় ছিলেন এই প্রতিবাদী মহিলাও। এরপর রাত হতে না হতেই, তাঁকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টার অভিযোগ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার রাতে নতুন করে শোরগোল পড়ে গিয়েছে সন্দেশখালিতে। ওই মহিলা বলেন, “রাতে আমার বাড়ির বাইরে কিছু কুকুর ডাকছিল। সেই শব্দ শুনেই আমি বাড়ির বাইরে বের হই। সঙ্গে সঙ্গে কেউ এসে আমার মুখ চেপে ধরে। সঙ্গে আরও কয়েকজন ছিল। যদিও রাতের অন্ধকারে আমি কাউকেই চিনতে পারিনি। আমাকে ওরা টানতে টানতে নিয়ে যাচ্ছিল। আমি পুকুর পাড়ে পড়ে গিয়েছিলাম। ওখান থেকে আবার টানতে টানতে মাঠের উল্টোদিকে নিয়ে গিয়েছিল। আমার মুখ বেঁধে দিয়েছিল। আমার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজনও চলে আসে। আর ওখানে কুকুর ডাকাডাকি করছিল, তখন আমাকে ওখানেই ফেলে দিয়ে চলে গিয়েছে।”

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    ঘটনার পরই নির্যাতিতার পাশে এসে দাঁড়ান বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র। তিনি বলেন, শাহজাহান এই সব কাণ্ড করত। ও গ্রেফতার হওয়ার পর তাঁর নির্দেশে এখন এই সব অত্যাচার চলছে। তৃণমূলের মদতেই এসব হচ্ছে। আমরা এর শেষ দেখে ছাড়ব। অন্যদিকে, তৃণমূলের বসিরহাট শহরের সভাপতি অভিজিৎ ঘোষ বলেন, সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) যে নাটক চলছে তা সবাই জানে। এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। ওরা ভোটের আগে মিথ্যা অভিযোগ করছে। আমরা চাই, পুলিশ ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC Recruitment Scam: সিবিআইয়ের হাতে এসএসসি-র ইমেল! অযোগ্যদের হবে পর্দাফাঁস?

    SSC Recruitment Scam: সিবিআইয়ের হাতে এসএসসি-র ইমেল! অযোগ্যদের হবে পর্দাফাঁস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি-র (SSC) সার্ভার থেকে অযোগ্যদের তালিকা পেল সিবিআই। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত নেমে সিবিআই (CBI) এবার পেল চাকরি জালিয়াতির ইমেল। কাদের নম্বর বাড়ানো হবে সেই তালিকায় নাইসাকে ইমেল করেছিল এসএসসি। এসএসসির তরফে তিনজনকে ইমেল করা হয়েছিল। ইমেল করা হয় নাইসা কর্তা নীলাদ্রি দাস, পংকজ বনসল ও মোজাম্মেল হোসেনকে। এই ইমেলের সাহায্যেই নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Recruitment Scam) পর্দা ফাঁস করতে চায় সিবিআই।

    অযোগ্যদের তালিকা নাইসাকে ইমেল করেছিল এসএসসি

    সূত্রের খবর অযোগ্যদের তালিকা নাইসাকে ইমেল করেছিল এসএসসি। সেই ইমেলের কপি পেয়েছে সিবিআই। জানা যাচ্ছে ওই মেলে একাধিক নামের উল্লেখ ছিল। অযোগ্যদের তালিকা সম্পূর্ণ নাকি অসম্পূর্ণ, তা এখনো সিবিআইয়ের তরফে খোলসা করে জানানো হয়নি। জানা গিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই এসএসসি-র সার্ভার থেকে সেই ইমেইল খুঁজে পেয়েছে। এসএসসি তরফে তিনজনকে ইমেল করা হয়েছিল। অযোগ্যদের তালিকা দিয়ে তাঁদের নম্বর বাড়ানর জন্য এসএসসি-র তরফে একাধিক ইমেল করা হয়েছিল। এই ইমেল কাণ্ডের তদন্তে সিবিআইয়ের নজরে এবার মোজাম্মেল হোসেন। তদন্তকারীদের অনুমান এসএসসির সার্ভারে এমন আরও ইমেল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২০১৬ প্যানেলের শিক্ষক ও স্কুল কর্মীদের নিজাম প্যালেসে তলব সিবিআইয়ের 

    ইতিমধ্যেই ২০১৬ প্যানেলের বহু শিক্ষক ও স্কুল কর্মীদের নথি সহ সিবিআই নিজাম প্যালেসে (Nijam Palace) তলব করেছে। জেলা স্কুল পরিদর্শকের দফতরের মাধ্যমে শিক্ষকদের তলব করার নোটিশ পাঠানো হয়েছে। যাদের তলব করা হয়েছে তাঁদের জিজ্ঞসাবাদ করলে বেরিয়ে আসবে অনেক রহস্য। যোগ্য অযোগ্য বাছাই এবং ইমেলের বিষয়বস্তু খতিয়ে দেখে তদন্ত আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চায় তদন্তকারীরা। অযোগ্যদের তালিকার উপর ভিত্তি করে সিবিআই যদি প্রমাণ করতে পারে টাকার বিনিময়ে এই ব্যক্তিরা চাকরি পেয়েছেন, তাহলে বেঁচে যেতে পারেন যোগ্য প্রার্থীরা। ফলে তদন্ত যে পর্যায়ে পৌঁছেছে তাতে অযোগ্যদের তালিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    সুপ্রিম কোর্টে চাকরিহারাদের সাময়িক স্বস্তি

    হাইকোর্টের রায়ে চাকরি গিয়েছিল প্রায় ২৬ হাজারের। সেই জল গড়ায় দেশের সর্বোচ্চ আদালতে। সুপ্রিম কোর্ট চাকরিহারাদের দিয়েছে সাময়িক স্বস্তি। তবে যোগ্য অযোগ্য বাছাই এখনও সম্পূর্ণ করা যায়নি সুপ্রিম কোর্টে।

    আরও পড়ুন: বসিরহাট এবং দক্ষিণ কলকাতায় তৃণমূল প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিলের দাবি বিজেপির

    অভিযোগ লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে চাকরি পেয়েছে অযোগ্য প্রার্থীরা। যার জেরে উত্তপ্ত হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। বিরোধীদের প্রধান ইস্যু সন্দেশখালির পাশাপাশি নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Recruitment Scam)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: মমতার সফরের আগে দলে বিরাট ভাঙন! খেজুরিতে ৪০০ জন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে

    Purba Medinipur: মমতার সফরের আগে দলে বিরাট ভাঙন! খেজুরিতে ৪০০ জন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মধ্যেই বাংলায় ফের রাজনৈতিক শোরগোল। শুভেন্দুর গড়ে তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বসালো বিজেপি। রাজ্যে ইতিমধ্যে চারদফা নির্বাচন হয়ে গিয়েছে। পঞ্চম দফার নির্বাচনের প্রচার জমে উঠেছে রাজ্যে। আগামী ষষ্ঠ দফা নির্বাচন হল ২৫ মে। এই পর্বে মেদিনীপুর (Purba Medinipur), কাঁথি, তমলুকে ভোট গ্রহণ। আজ বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোট প্রচারে কাঁথি যাবেন। কিন্তু এর মধ্যেই খেজুরিতে তৃণমূলের বিরাট ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রায় ৪০০ জন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছেন। পাল্টা তৃণমূল, বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দলের কথাকেই তুলে ধরেছে। ভোটের মুখে তৃণমূল আরও চাপের মধ্যে পড়েছে।

    পায়ের তলার মাটি সরে গিয়েছে (Purba Medinipur)

    জানা গিয়েছে গতকাল সন্ধ্যায় খেজুরিতে (Purba Medinipur) উদয় শঙ্কর মাইতি এবং দেব কুমার মাইতির হাত ধরে প্রায় ৪০০ জন তৃণমূল কর্মী বিজেপিতে যোগদান করেছেন। অবশ্য এই দাবি বিজেপি করলেও তৃণমূলের পক্ষ থেকে তা অস্বীকার করা হয়েছে। বিজেপি নেতা উদয় শঙ্কর মাইতি বলেছেন, “আমার হাত ধরে ৪১৭ জন বিজেপিতে যোগদান করেছেন। অবশ্য আগে ওঁরা সকলেই বিজেপি করতেন। আমি বিজপি ছেড়ে তৃণমূলে গিয়েছিলাম। তখন আমার সঙ্গে ওঁরাও তৃণমূলে গিয়েছিলেন। আমি আবার বিজেপিতে যোগদান করায় সকলে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগদান করেছেন। তবে তৃণমূলের পায়ের তলার মাটি সরে গিয়েছে তাই ওঁরা এখন পাগল হয়ে গিয়েছে। তৃণমূল ভুল কথা বলেছে। ওঁদের মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে, রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে। কিন্তু বিজেপির মধ্যে কোনও রকম দ্বন্দ্ব নেই।”

    আরও পড়ুনঃ হাওড়া স্টেশনে ব্যস্ত সময়ে মহিলার পেটে ছুরি মেরে খুন! ত্রিকোণ প্রেম? চাঞ্চল্য

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এই পরিপ্রেক্ষিতে জেলা (Purba Medinipur) তৃণমূলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “বিজেপি মিথ্যাচার করছে। ৪০ জনকে চারশ জন বলে চালানো হচ্ছে। ওখানে ৪০ জন ছিল কিনা সন্দেহ রেয়েছে। নাটক করে মিথ্যাচার করা হয়েছে। সকলকে উত্তরীয় পরিয়ে যোগদানের নাটক করা হয়েছে। কিন্তু এই সব চলবে না। খেজুরিতে তৃণমূল আছে থাকবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand minister arrested: আর্থিক তছরুপ মামলায় ইডির জালে আলমগির আলম

    Jharkhand minister arrested: আর্থিক তছরুপ মামলায় ইডির জালে আলমগির আলম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের মধ্যেই এবার ইডির জালে ঝাড়খণ্ডের গ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রী (Jharkhand minister arrested) তথা কংগ্রেস নেতা আলমগির আলম (Alamgir Alam)৷ ইডি সূত্রে খবর, গ্রামোন্নয়ন দফতরে কিছু অনিয়মের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছিল। সেই তদন্তের ভিত্তিতেই আর্থিক কেলেঙ্কারির বিষয়টি স্পষ্ট হয়। সোমবার সকাল থেকে ইডির তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছিল। এরপর মঙ্গলবার, ইডি তাঁকে প্রায় নয় ঘণ্টা জেরা করে ৷ বুধবারও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। আর জিজ্ঞাসাবাদে অসঙ্গতি মিলতেই গ্রেফতার করা হয় ঝাড়খণ্ডের এই মন্ত্রীকে৷ 

    আগে কী ঘটেছিল? (Jharkhand minister arrested)

    সোমবার ইডির তল্লাশি অভিযান শুরু হতেই তদন্তকারী সংস্থার সাতটি দল বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায়। এর মধ্যে রয়েছে আলমগিরের আপ্তসহায়ক সঞ্জীব লাল ও তাঁর পরিচারক জাহাঙ্গির আলমের ঠিকানা। এদিন ইডির তল্লাশিতে জাহাঙ্গিরের রাঁচীর বাড়ি থেকেই সব মিলিয়ে ৩৫.২৩ কোটি টাকা উদ্ধার হয়। ঘটনায় গ্রেফতার হয় মন্ত্রীর আপ্তসহায়ক ও তাঁর পরিচারক। ফলে আর্থিক তছরূপের তদন্তে নেমে রাজ্য গ্রামীণ উন্নয়ন দফতরে অনিয়ম এবং ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ উঠে আসে৷ এর পরেই বুধবার রাঁচির আঞ্চলিক অফিসে তলব করা হয় আলমগিরকে (Alamgir Alam)। তাঁর বয়ান সংগ্রহ করার জন্যই তাঁকে ডেকেছিল ইডি। কিন্তু তাঁর বয়ানে বেশ কিছু অসঙ্গতি ধরা পড়ায় তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, ইডির বক্তব্য, এই মামলায় আরও কয়েক জন আমলা ও রাজনীতিকের নামও উঠে এসেছে। বর্তমানে সেই সব কিছুর তদন্ত হচ্ছে। 

    আরও পড়ুন: মোদি জমানায় দেশে বিপুল কর্মসংস্থান, সংখ্যা শুনলে চোখ কপালে উঠবে

    ইডি হেফাজতে আলমগির 

    বুধবার আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ (PMLA) আইনের অধীনে ৭০ বছর বয়সি এই মন্ত্রীকে নিজেদের হেফাজতে নেয় ইডি৷ গ্রেফতার হওয়ার পর আলমগির (Jharkhand minister arrested) বলেন, ‘‘ভোট চলছে। ইডি তদন্ত করছে। গ্রামোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী বলে তারা আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই পারে। আমি এখনই এই বিষয়টি নিয়ে কিছু বলতে চাইছি না। মানুষ সব বুঝছেন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sunil Chhetri: যুবভারতীতে শেষ ম্যাচ, আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর ঘোষণা অধিনায়ক সুনীল ছেত্রীর

    Sunil Chhetri: যুবভারতীতে শেষ ম্যাচ, আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর ঘোষণা অধিনায়ক সুনীল ছেত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ফুটবলে শেষ হতে চলেছে একটি যুগ। কলকাতাতেই খেলবেন শেষ ম্যাচ, জানিয়ে দিলেন ভারতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক সুনীল ছেত্রী (Sunil Chhetri)। আগামী ৬ জুন যুবভারতী স্টেডিয়ামে কুয়েতের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বের ম্যাচ রয়েছে ভারতের। সেই ম্যাচই দেশের জার্সি গায়ে সুনীলের শেষ ম্যাচ। 

    কী বললেন সুনীল

    বৃহস্পতিবার সকালে সোশ্যাল সাইটে ১০ মিনিটের একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন সুনীল (Sunil Chhetri)। সেখানে তিনি বলেন, “একটা দিন জীবনে কোনও দিন ভুলতে পারব। যে দিন দেশের জার্সি গায়ে প্রথম বার ভারতের হয়ে খেলতে নেমেছিলাম। অবিশ্বাস্য অনুভূতি। তবে তার আগের দিন সকালে জাতীয় দলে আমার প্রথম কোচ সুখী স্যার (সুখবিন্দর সিং) এসে আমাকে জানিয়েছিলেন, প্রথম একাদশে আমি রয়েছি। বলে বোঝাতে পারব না সেই অনুভূতি কেমন ছিল।”

    সুনীলের (Sunil Chhetri) সংযোজন, “জার্সি প্রথম হাতে পাওয়ার পর তাতে কিছুটা সুগন্ধি ছড়িয়ে দিয়েছিলাম। জানি না কেন। সেই দিন যা যা হয়েছিল, প্রাতরাশ থেকে মধ্যাহ্নভোজের টেবিলের কথাবার্তা, ম্যাচে আমার মাঠে নামা এবং অভিষেক ম্যাচেই গোল, তার পরে ৮০ মিনিটে গোল হজম করা, জাতীয় দলে আমার যাত্রা শুরুর প্রথম দিনের এই ঘটনাগুলোর কথা কোনও দিন ভুলতে পারব না।” কুয়েতের বিরুদ্ধে জাতীয় ফুটবল কেরিয়ারের শেষ ম্যাচ খেলতে নামছেন। তবে এই ম্যাচের আগে সুনীল স্পষ্ট করে দিলেন যে অবসরের আগে কোনও চাপ অনুভব করছেন না তিনি। জাতীয় ফুটবল দলের জার্সিতে এই ম্যাচের প্রতিটা মুহূর্ত তিনি উপভোগ করতে চান।

    আরও পড়ুন: স্বাদে-গন্ধে লা জবাব! হিন্দু তরুণীর হাতের জাদুতে মজেছে করাচি

    ভারতীয় ফুটবলে এক অধ্যায়

    আগামী ৬ জুন বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডের যোগ্যতা অর্জনকারী পর্বে কুয়েতের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে ভারতীয় ফুটবল দল। ভারতীয় ফুটবল দলের হয়ে সুনীল ছেত্রী এখনও পর্যন্ত ১৫০ ম্যাচে মোট ৯৪ গোল করেছেন। আর ফুটবল বিশ্বের সর্বাধিক গোলদাতাদের তালিকায় তিনি আপাতত চতু্র্থ স্থানে দাঁড়িয়ে রয়েছেন।  ভারতীয় ফুটবল ইতিহাসে সর্বাধিক গোলদাতা হিসেবেই সুনীল অবসর গ্রহণ করতে চলেছেন। সুনীলের অভাব যে ভারতীয় ফুটবলে প্রতি মুহূর্তে অনুভূত হবে, তা বলা যেতেই পারে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • 10 years of Modi: মোদি জমানায় দেশে বিপুল কর্মসংস্থান, সংখ্যা শুনলে চোখ কপালে উঠবে

    10 years of Modi: মোদি জমানায় দেশে বিপুল কর্মসংস্থান, সংখ্যা শুনলে চোখ কপালে উঠবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্বতন কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের চেয়ে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার যে নানা দিক থেকে এগিয়ে, তা স্পষ্ট হয়েছে বিভিন্ন সমীক্ষার রিপোর্টে। এবার জানা গেল, কর্মসংস্থানেও আগের সরকারের চেয়ে কয়েক যোজন এগিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার (10 years of Modi)।

    কী বলছে ‘স্কচগ্রুপের রিপোর্ট?

    স্কচ (SKOCH) নামের এক সংস্থার করা রিপোর্টে জানা গিয়েছে, ২০১৪ থেকে ২০২৪ সালের (নরেন্দ্র মোদির প্রধানমন্ত্রিত্বের ১০ বছর (10 years of Modi)) মধ্যে কংর্মসংস্থান হয়েছে ৫১.৪ কোটি। এর মধ্যে ১৯.৭৯ কোটি কর্মসংস্থান হয়েছে গভর্নেন্স লেড ইন্টারভেনশনের মাধ্যমে। বাকি ৩১.৬১ কোটি কর্মসংস্থান হয়েছে ক্রেডিট-লেড ইন্টারভেনশনের মাধ্যমে। সোমবারই স্কচের তরফে প্রকাশ করা হয়েছে রিপোর্টটি। তাতেই উঠে এসেছে মোদি (10 years of Modi) জমানায় ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির কথা।

    পার্সন-ইয়ার কী?

    একজন ব্যক্তি এক বছরে যত সময় ধরে কাজ করেন, তাকে যদি ঘণ্টায় প্রকাশ করা হয়, এই সময় পরিমাপের একক হল ওয়ান পার্সন-ইয়ার, অর্থাৎ এক ব্যক্তি-বর্ষ। স্কচ গ্রুপ তাদের সমীক্ষায় ২৬০ ব্যক্তি-দিবসকে এক ব্যক্তি-বর্ষ হিসেবে ধরেছে। অর্থাৎ, একজন ব্যক্তি এক বছরে ২৬০ দিন কাজ করলে, তা এক ব্যক্তি-বর্ষ হিসেবে গণ্য হবে। মোদি (10 years of Modi) জমানার দশ বছরে এমন ৫১.৪ কোটি পার্সন-ইয়ার তৈরি হয়েছে। রিপোর্টটি তৈরি করা হয়েছে ৮০টি কেস স্টাডির ভিত্তিতে। এঁরা প্রত্যেকেই ঋণ গ্রহীতা। বিভিন্ন সময় ঋণ নিয়েছিলেন। সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের খতিয়ান থেকেও উঠে এসেছে এই তথ্য। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “২০১৪-২৪ সালের মধ্যে মোট ৫১.৪ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে ১৯.৭০ কোটি কর্মসংস্থান হয়েছে গভর্ন্যান্স-লেড ইন্টারভেনশনের মাধ্যমে আর বাকি ৩১.৬১ কোটি কর্মসংস্থান হয়েছে ক্রেডিট-লেড ইন্টারভেনশনের মাধ্যমে।” উল্লেখ্য যে, স্কচ গ্রুপ হল ভারতের থিঙ্কট্যাঙ্ক। ১৯৯৭ সাল থেকে এই সংস্থা আর্থ-সমাজিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে কাজ করছে। দেশের উন্নতির ওপরও আলোকপাত করছে।

    আর পড়ুন: প্রবাসেও বিপন্ন ভারতীয়দের পাশে সরকার, আক্ষরিক অর্থেই সঙ্কটমোচক মোদি

    এই সংস্থা কেন্দ্রীয় সরকারের (10 years of Modi) ১২টি প্রকল্পের ওপর স্টাডি করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি স্কিম’, ‘আত্মনির্ভর ভারত রোজগার যোজনা’, ‘প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনা’ এবং ‘প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনা’ও। এখান থেকেই দেখা গিয়েছে গত ৯ বছরে ক্রেডিট গ্যাপ কমে হয়েছে ১২.১ শতাংশ। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে ক্রেডিট গ্যাপ হ্রাস, মাল্টিমেন্সনাল পভার্টি হ্রাসের সঙ্গে ইতিবাচক সমন্বয় রয়েছে। রাষ্ট্রের নেট ডোমেস্টিক প্রোডাক্টও (NDP) বৃদ্ধি পেয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • CAA: ভোটের মধ্যেই সিএএ-র অধীনে প্রথমবার নাগরিকত্ব পেলেন ১৪ আবেদনকারী

    CAA: ভোটের মধ্যেই সিএএ-র অধীনে প্রথমবার নাগরিকত্ব পেলেন ১৪ আবেদনকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনেরের অধীনে আবেদনকারীদের হাতে প্রথমবার সিএএ শংসাপত্র তুলে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। লোকসভা ভোট চলাকালীনই বুধবার, ১৫ মে ১৪ জনের হাতে নাগরিকত্বের শংসাপত্র তুলে দেওয়া হল। এদিন, নয়াদিল্লিতে এই ১৪ জন আবেদনকারীর হাতে নাগরিকত্বের শংসাপত্র তুলে দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব, অজয় কুমার ভাল্লা। উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার জেনারেল অব ইন্ডিয়া, ডাক বিভাগের সচিব, ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর ডিরেক্টর-সহ পদস্থ কর্তারা।

    কারা আবেদন করতে পারবেন

    নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইনের বিধি জারি করার প্রায় দুই মাস পর, এদিন এই আইনের অধীনে প্রথমবারের জন্য ভারতীয় নাগরিকত্বের শংসা পেলেন ১৪ জন। নয়া আইনে, নাগরিকত্বের আবেদনের যোগ্যতার জন্য ভারতে থাকার সময়কাল ১১ বছর থেকে কমিয়ে ৫ বছর করা হয়েছে। ২০১৪-র ৩১ ডিসেম্বরের আগে, পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়ে যে সকল অমুসলিম উদ্বাস্তু ভারতে এসেছিলেন, তাঁরাই এই আইনের অধীনে নাগরিকত্বের আবেদন করতে পারেন। এই সকল শর্ত মেনেই এই ১৪ জন ভারতীয় নাগরিকত্বের আবেদন করেছিলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বারবার স্পষ্ট করেছেন,  সিএএ-র ফলে কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হবে না। বরং, প্রতিবেশী দেশগুলিতে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হওয়া অমুসলিম সংখ্যালঘু ব্যক্তিরা ভারতের নাগরিকত্ব পাবেন। এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    আরও পড়ুন: আইএমএফ-এর কাছে ঋণ চায় পাকিস্তান, দুবাইয়ে বিপুল সম্পত্তি দেশের মন্ত্রী-আমলাদের

    তৈরি হল ইতিহাস

    ২০২৪-এর ক্যালেন্ডারে এই দিনটি ইতিহাস তৈরি করল। বহু লড়াই ও আবেদনের পর ভারতীয় নাগরিকত্ব লাভ করলেন এই ১৪ জন। সরকারি মুখপাত্রের কথায়, “এই নিয়মগুলি অনুসরণ করে, পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান থেকে হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সি এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ব্যক্তিদের কাছ থেকে আবেদন গৃহীত হয়েছে, যারা ধর্ম বা এই ধরনের নিপীড়নের কারণে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারতে প্রবেশ করেছেন৷” ওই মুথপাত্র জানান, যাচাই-বাছাইয়ের পর, সেন্সাস অপারেশনের ডিরেক্টরের নেতৃত্বাধীন কমিটি, এই ১৪ জন আবেদনকারীকে সিএএ-র অধীনে নাগরিকত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Rescue Operations: প্রবাসেও বিপন্ন ভারতীয়দের পাশে সরকার, আক্ষরিক অর্থেই সঙ্কটমোচক মোদি

    India Rescue Operations: প্রবাসেও বিপন্ন ভারতীয়দের পাশে সরকার, আক্ষরিক অর্থেই সঙ্কটমোচক মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী। নানা সময় তিনি জানিয়েছেন, দেশই তাঁর ঘরবাড়ি, দেশবাসীই তাঁর আত্মীয়-স্বজন। তাই কেবল স্বদেশের নাগরিকরা নন, কর্মসূত্রে বিদেশে থাকা প্রবাসী ভারতীয়রাও তাঁর ‘আত্মার আত্মীয়’। সেই কারণেই যখনই প্রবাসে বিপদে পড়েছেন কোনও ভারতীয়, তখনই ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    ত্রাতা মোদি (India Rescue Operations)

    কেবল ভারত (India Rescue Operations) কেন, প্রতিবেশী দেশের লোকজনও যখন বিভুঁইয়ে বিপদে পড়েছেন, তখনই সঙ্কটমোচনের ভূমিকায় দেখা গিয়েছে মোদিকে। প্রত্যাশিতভাবই যুদ্ধদীর্ণ ইউক্রেন থেকে স্বদেশে ফিরে মোদির জয়গান গেয়েছেন পাকিস্তানের কোনও অখ্যাত অঞ্চলের পড়ুয়াও। হয়ত তাঁর পরিবারও দুহাত তুলে আশীর্বাদ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। কারণ ইউক্রেন যুদ্ধের সময় কেবল ভারতীয় ছাত্রছাত্রীই নন, পড়শি কয়েকটি দেশের পড়ুয়াদেরও উদ্ধার করেছিল মোদি সরকার।

    অপারেশন ‘গঙ্গা’

    স্মৃতির সরণি বেয়ে ফেরা যাক বছর দুয়েক আগে। হঠাৎই যুদ্ধ বাঁধল রাশিয়া-ইউক্রেনের। বিপাকে পড়লেন (India Rescue Operations) ইউক্রেনে থাকা কয়েক হাজার ভারতীয় পড়ুয়া। প্রমাদ গুণলেন তাঁদের পরিবারের লোকজন। শরণাপন্ন হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। যদিও তার ঢের আগেই ইউক্রেনে থাকা বিপদে পড়া ভারতীয় পড়ুয়াদের কীভাবে উদ্ধার করা যায়, তা ছকে ফেলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অপারেশনের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘গঙ্গা’। ইদানিং কালে এ পর্যন্ত ভারত সরকার যতগুলি উদ্ধার অভিযান চালিয়েছে, তার মধ্যে সব চেয়ে বড় অপারেশান এটি। সেই সময়ই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মীনাক্ষী লেখি বলেছিলেন, “আমাদের ২০ হাজারেরও বেশি ভারতীয় নাগরিক ইউক্রেনে আটকে রয়েছে। এর মধ্যে ১০ হাজারেরও বেশি জনকে উদ্ধার করে দিল্লি কিংবা মুম্বইতে নিয়ে আসা হয়েছে। অনেককে সরানো হয়েছে ইউক্রেনের পশ্চিমের চারটি প্রতিবেশী দেশে।” সেই সময় মোদি সরকারের মন্ত্রিসভার এই সদস্য বলেছিলেন, “আমরা মনে করি যে আমাদের মানুষ যাঁরা ইউক্রেনে আটকে পড়েছেন, তাঁদের কাছে পৌঁছানো আমাদের দায়িত্ব। আমাদের সমস্ত বন্ধুরা আমাদের লোকজনকে সরিয়ে নিতে সাহায্য করছে।”

    পড়শি দেশের বিপন্নদের পাশেও মোদি সরকার

    অপারেশন ‘গঙ্গা’য় কেবল ইউক্রেনে আটকে পড়া ভারতীয়দেরই উদ্ধার করা হয়নি, নিরাপদ আশ্রয়ে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে পড়শি দেশের বিপন্ন মানুষদেরও। এই যেমন আসমা শাফিকি। শত্রু দেশ পাকিস্তানের এই পড়ুয়াকেও উদ্ধার করেছে ভারত। ভারতকে ধন্যবাদও জানিয়েছিলেন পাকিস্তানের এই ছাত্রী। ভিডিও-বার্তায় তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছিল, “এই কঠিন পরিস্থিতিতে আমরা যখন সকলে আটকে পড়েছিলাম, সেই সময় আমাদের সাহায্যের জন্য আমি কিয়েভে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আশা করছি, ভারতীয় দূতাবাসের সাহায্যে আমরা নিরাপদে দেশে ফিরতে পারব।”

    ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন নেপালি যুবক রোশন ঝা-ও। তিনিও আটকে পড়েছিলেন ইউক্রেনে। ভারতের এই অপারেশন ‘গঙ্গা’ই সে যাত্রায় বাঁচিয়েছিল বেশ কয়েকজন পাকিস্তানি, নেপালি, বাংলাদেশি এবং তিউনিশিয়ার পড়ুয়াকে। যে কারণে মোদি সরকারকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও। যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনের আকাশপথ বন্ধ থাকায় রোমানিয়া, পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়া দিয়ে উদ্ধার করা হয়েছিল ইউক্রেনে আটকে পড়া বিপন্নদের। অপারেশন ‘গঙ্গা’র আগে ২০১৪ সালের জুন মাসে যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইরাকে আইএস-এর খপ্পর থেকে মোদি সরকার উদ্ধার করেছিল ৪৬ জন ভারতীয় নার্সকে।

    অপারেশন ‘মৈত্রী’

    তার পরের বছরই ভয়াল ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত হয়েছিল নেপাল (India Rescue Operations)। ২০১৫ সালের সেই বিপর্যয়ের পর সে দেশে আটকে পড়া ৪৩ হাজার জনেরও বেশি ভারতীয়কে উদ্ধার করেছিল ভারত সরকার। অপারেশনের নাম ছিল ‘মৈত্রী’। ওই বছরই হয়েছিল অপারেশন ‘রাহাত’। সেবার ৪ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি ভারতীয় ও ৯৬০ জন বিদেশিকে ভারত সরকার উদ্ধার করেছিল যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইয়েমেন থেকে।

    অপারেশন ‘সঙ্কটমোচন’

    ২০১৬ সালে হয় অপারেশন ‘সঙ্কটমোচন’। এই অপারেশনে হিংসাদীর্ণ দক্ষিণ সুদান থেকে ৩০০ ভারতীয়কে উদ্ধার করেছিল নরেন্দ্র মোদির সরকার। কোভিড-পর্বে চালানো হয় অপারেশন ‘সমুদ্র সেতু’ এবং অপারেশন ‘বন্দে ভারত’। সেই সময় কেবল নৌবাহিনীই উদ্ধার করেছিল ৩ হাজার ৯৯২ জনকে। ২০২১ সালে হয় অপারেশন ‘দেবী শক্তি’। এই অপারেশনে উদ্ধার করা হয়েছিল ৫০০-রও বেশি ভারতীয় নাগরিককে। এই সময় আফগানিস্তান থেকে ভারতে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল ১১০ জন আফগান শিখকে। ২০২২ সালে অপারেশন ‘গঙ্গা’র পরে ২০২৩ সালে মোদি সরকার হাতে নেয় অপারেশন ‘কাবেরি’। এই অপারেশনে যুদ্ধবিধ্বস্ত সুদান থেকে ৩ হাজার ৯৬১ জন ভারতীয় ও ১৩৬ জন বিদেশিকে উদ্ধার করেছিল মোদি সরকার।

    অপারেশন ‘অজয়’

    ২০২৩ সালেই মোদি জমানায় হয়েছে আরও একটি অপারেশন। ২০২৩ সালের এই অপারেশনের নাম ছিল ‘অজয়’। ইসলামি জঙ্গি সংগঠন হামাস নৃশংসভাবে হত্যা করে ১২০০-রও বেশি ইজরায়েলি শিশু-নারী-পুরুষ এবং সৈন্যকে। এই সময় ইজরায়েলে আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধার করতে ভারত সরকার চালায় অপারেশন ‘অজয়’। উদ্ধার করা হয় ১৩০০-রও বেশি ভারতীয়কে। এই অপারেশনেও মোদি সরকার উদ্ধার করেছিল বেশ কিছু বিদেশি নাগরিককে। ২০১৪ সালে কেন্দ্রের কুর্সিতে বসে মোদি সরকার। তার পর থেকেই দেশের পাশাপাশি প্রবাসে থাকা ভারতীয়দের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে সরকার। বিপন্ন ভারতীয়দের সম্ভাব্য সব রকমের সাহায্য দিচ্ছে, পাশে দাঁড়াচ্ছে।

    আর পড়ুন: আইএমএফ-এর কাছে ঋণ চায় পাকিস্তান, দুবাইয়ে বিপুল সম্পত্তি দেশের মন্ত্রী-আমলাদের

    ভারত ক্রমেই একটি বিশ্ব শক্তি হয়ে উঠছে। গত দশ বছরে মোদির আমলে হাল ফিরেছে দেশের অর্থনীতির। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় এক সময় যে দেশের জায়গা ছিল ১০ নম্বরে, সেই দেশই এখন ব্রিটেনকে সরিয়ে জায়গা করে নিয়েছে পাঁচে। অর্থনীতিবিদদের একটা বড় অংশের মতে, ২০২৫ সালের মধ্যেই জাপানকে সরিয়ে ভারত জায়গা করে নেবে চার নম্বরে। এহেন উদীয়মান শক্তি ভারত তাঁর প্রতিটি নাগরিকের প্রতিই দায়বদ্ধ – সে তিনি স্বদেশেই থাকুন কিংবা বিদেশে (India Rescue Operations)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share