Tag: bangla news

bangla news

  • International Family Day: আজ আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস, জানেন এর ইতিহাস ও গুরুত্ব 

    International Family Day: আজ আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস, জানেন এর ইতিহাস ও গুরুত্ব 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাফল্য হোক বা ব্য়র্থতা, সুখ বা দুঃখ, যাঁদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হয় তাঁরাই পরিবার। সমাজ তৈরির সবচেয়ে ক্ষুদ্র ইউনিট বা এককও বলা যায় পরিবারকে। এই পরিবারের গুরুত্বের কথা মাথায় রেখেই বিশ্বজুড়ে প্রতিবছর ১৫ মে তারিখে আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস (International Family Day 2024) পালন করা হয়। ১৯৯৩ সালে প্রথম জাতিসংঘ এই দিবস ঘোষণা করে। মূলত প্রতিবছর জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক শান্তি সংঘ বিশ্ব পরিবার দিবসের সমস্ত আয়োজন করে আসছে। 

    এই দিনের ইতিহাস

    ১৯৮০-দশক থেকে পরিবারের উপর নজর দিতে শুরু করে ইউনাইটেড নেশনস (United Nations)। পরিবারের ভাল-মন্দ, পরিবারের বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যার দিকে নজর দিতে শুরু করে ইউনাইটেড নেশনস। ১৯৯৩ সালে দুনিয়াজুড়ে পরিবারের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে ও পরিবারের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে ১৫ মে আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস পালনের ঘোষণা করে জাতিসংঘ। এই বিশেষ দিন পালনের পিছনে রয়েছে একটি মূল কারণ। তা হল, সমাজের উন্নয়নের জন্য প্রথমে দরকার একটি সুষ্ঠু পরিবার। ছোট-বড় সকল সদস্যের নিরাপদ ও নিশ্চিত জায়গা হল পরিবার। পরিবারের পারস্পরিক সম্পর্কগুলি ও ঐতিহ্য যাতে অটুট থাকে, আর্থ-সামাজিক সমস্যাগুলি যাতে পরিবারগুলি কাটিয়ে উঠতে পারে, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, দারিদ্র্য, পরিবারের কাজের সামঞ্জস্য বজায় রাখার লক্ষ্যেই এই আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস।

    আরও পড়ুন: ফের চন্দ্রাভিযান ভারতের! এবার কোথায় অবতরণ করবে মহাকাশযান?

    এই বছরের থিম

    বিশ্বের সব পরিবারই নানান সমস্যার সম্মুখীন হয়। আর সেই সমস্যাগুলির সমাধান করা, সব বিপদের মোকাবিলা করার জন্যই এই বিশেষ দিনটি পালন করা হয়। ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক পরিবার দিবসের (International Family Day 2024) থিম হল পরিবার এবং জলবায়ু পরিবতর্ন (Families and Climate Change)। পরিবারের উপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং জলবায়ুর স্বাভাবিকতা ধরে রাখতে পরিবারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরতেই এমন ভাবনা। এই দিনটিতে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ইভেন্ট, সেমিনার, প্রদর্শনী, জনসভা, ওয়ার্কশপের আয়োজন করা হয়ে থাকে। তবে করোনাকালে এইসব ইভেন্ট করা সম্ভব নয়। তাই ভার্চুয়ালি ইভেন্ট করার আয়োজন করা হয়েছে। এদিন বিশ্বের সব পরিবারের সুরক্ষা ও সহায়তা সম্পর্কে জোর দেওয়া।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 17: “খ্রিষ্টান, ব্রহ্মজ্ঞানী, হিন্দু, মুসলমান—সকলেই বলে, আমার ধর্ম ঠিক, কিন্তু মা, কারুর ঘড়ি তো ঠিক চলছে না”

    Ramakrishna 17: “খ্রিষ্টান, ব্রহ্মজ্ঞানী, হিন্দু, মুসলমান—সকলেই বলে, আমার ধর্ম ঠিক, কিন্তু মা, কারুর ঘড়ি তো ঠিক চলছে না”

    শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে

    প্রথম পরিচ্ছেদ

    শ্রীরামকৃষ্ণের (Ramakrishna) বলরাম-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে প্রেমানন্দে নৃত্য

    রাত্রি ৮টা-৯টা হইবে। দোলযাত্রা। রাম, মনোমোহন রাখল, নিত্যগোপাল প্রভৃতি ভক্তগণ তাঁহাকে ঘেরিয়া রহিয়াছেন। সকলেই হরিনাম সংকীর্তন করিতে করিতে মত্ত হইয়াছেন। কয়েকটি ভক্তের ভাবাবস্থা হইয়াছে। নিত্যগোপালের ভাবাবস্থায় বক্ষঃস্থল রক্তিমবর্ণ হইয়াছে। সকলে উপবেশন করিলে মাস্টার ঠাকুরকে প্রণাম করিলেন। দেখিলেন রাখাল, শুইয়া আছেন, ভাববিষ্ট ও বাহ্যজ্ঞানশূন্য। ঠাকুর তাঁহার বুকে হাত দিয়া শান্ত হও শান্ত হও বলিতেছেন। রাখালের এই প্রথম ভাবাবস্থা। তিনি কলিকাতার বাসাতে পিত্রালয়ে থাকেন, মাঝে মাঝে ঠাকুরকে দর্শন করিতে যান। এই সময়ে শ্যামপুকুর বিদ্যাসাগর মহাশয়ের স্কুলে কয়েকদিন পড়িয়াছিলেন।

    ঠাকুর মাস্টারকে দক্ষিণেশ্বরে বলিয়াছিলেন, “আমি কলিকাতায় বলরামের বাড়িতে যাব, তুমি আসিও। তাই তিনি তাঁহাকে দর্শন করিতে আসিয়াছেন। (২৮ শে ফাল্গুন, ১২৮৮, কৃষ্ণা ষষ্ঠী), ১১ই মার্চ, শনিবার ১৮৮২ খ্রিষ্টাব্দ, শ্রীযুক্ত বলরাম ঠাকুরকে নিমন্ত্রণ করিয়া আনিয়াছেন।

    এইবার ভক্তেরা বারান্দায় বসিয়া প্রসাদ পাইতেছেন। দাসের ন্যায় বলরাম দাঁড়াইয়া আছেন, দেখিলে বোধ হয় না, তিনি এই বাড়ির কর্তা।

    মাস্টার এই নূতন আসিতেছেন। এখনও ভক্তদের সঙ্গে আলাপ হয় নাই। কেবল দক্ষিণেশ্বরে নরেন্দ্রের সঙ্গে আলাপ হইয়াছে।

    সর্বধর্ম-সমন্বয়

    কয়েকদিন পরে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) দক্ষিণেশ্বরে শিবমন্দিরে সিঁড়ির উপর ভাবাবিষ্ট হইয়া বসিয়া আছেন।

    কিয়ৎক্ষণ পূর্বে নিজের ঘরে মেঝের উপর বিছানা পাতা—তাহাতে বিশ্রাম করিতেছিলেন। এখনও ঠাকুরের সেবার জন্য কাছে কেহ থাকেন না। হৃদয় যাওয়ার পর ঠাকুরের কষ্ট হইতেছে। কলিকাতা হইতে মাস্টার আসিলে তিনি তাঁহার সঙ্গে কথা কহিতে, শ্রীশ্রীরাধাকান্তের মন্দিরের সম্মুখস্থ শিবমন্দিরের সিঁড়িতে আসিয়া বসিয়াছিলেন। কিন্তু মন্দির দৃষ্টে হঠাৎ ভাবাবিষ্ট হইয়াছেন।

    ঠাকুর (Ramakrishna) জগ্নাতার সঙ্গে কথা কহিতেছেন। বলিতেছেন, মা সব্বাই বলছে, আমার ঘড়ি ঠিক চলছে। খ্রিষ্টান, ব্রহ্মজ্ঞানী, হিন্দু, মুসলমান—সকলেই বলে, আমার ধর্ম ঠিক, কিন্তু মা, কারুর ঘড়ি তো ঠিক চলছে না। তোমাকে ঠিক কে বুঝতে পারবে। তবে ব্যাকুল হয়ে ডাকলে তোমার কৃপা হলে সব পথ দিয়ে তোমার কাছে পৌঁছানো যায়। মা খ্রিষ্টানরা গির্জাতে তোমাকে কি করে ডাকে, একবার দেখিও! কিন্তু মা ভিতরে গেলে লোকে কি বলবে? যদি কিছু হাঙ্গামা হয়? আবার কালীঘরে যদি ঢুকতে না দেয়? তবে গির্জার দোরগোড়া থেকে দেখিও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Agnimitra Paul: মেদিনীপুরে অগ্নিমিত্রা পলের নির্বাচনী প্রচারে হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    Agnimitra Paul: মেদিনীপুরে অগ্নিমিত্রা পলের নির্বাচনী প্রচারে হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পলের (Agnimitra Paul) প্রচার সভায় হামলা করল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তায় বসে পথ অবরোধে সামিল হয় বিজেপি। পাল্টা তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করে বিজেপির বিরুদ্ধের হিংসার অভিযোগ তোলা হয়েছে।

    রাজ্যের বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উপর আক্রমণের ঘটনা নতুন নয়। আগেও বিধানসভা নির্বাচন, পঞ্চায়েত নির্বাচন এবং এখন লোকসভা নির্বাচনে শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিকবার বিজেপির উপর হামলার অভিযোগ উঠেছিল। অগ্নিমিত্রা পল এই রাজ্যের তৃণমূল শাসনের একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। রাজ্যে যে আইনের শাসন নেই তা নিয়ে বিধানসভায় সোচ্চার হয়েছিলেন তিনি।

    ঘটনা কোথায় ঘটেছে (Agnimitra Paul)?

    গত মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা-১ ব্লকের জেড়থান বাজার এলাকায়। এরপরই পথ অবরোধ শুরু করেছিলেন বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পল (Agnimitra Paul)। এই কারণে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এলাকায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

    কী বললেন অগ্নিমিত্রা?

    বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা (Agnimitra Paul) জানিয়েছেন, “এদিন আমি এগরায় নির্বাচনী প্রচার সভায় গিয়েছিলাম। প্রচার সভায় যেতে আমাকে বাধা দেওয়া হয় এবং আমাদের কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলা করা হয়। আমি এই বিষয়ে কমিশনকে জানাব। এখানকার পুলিশ-প্রশাসন তৃণমূলের দলদাস হয়ে কাজ করছে।”

    আরও পড়ুনঃ “এই তো শুরু…সবাইকে জেলে যাওয়ার জন্য তৈরি হতে হবে’’, মমতাকে আক্রমণ শাহের

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ঘটনায় তৃণমূলের পক্ষ থেকে অগ্নিমিত্রার (Agnimitra Paul) দাবিকে অস্বীকার করে বলা হয়েছে, খুব পরিকল্পিত ভাবে আমাদের উপর আক্রমণ করেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা শান্তশীল বেরা এদিন তৃণমূল নেতা বিশ্বজিৎকে গালিগালাজ করেছে। প্রতিবাদ জানালে এরপর বিজেপি ঝামেলা শুরু করে। আবার পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে ইতিমধ্যে অভিযোগ জমা পড়েছে। তদন্ত শুরু করেছি আমরা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: মোদির বিরুদ্ধে আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে, নির্বাচন কমিশনে অভিযোগের পরামর্শ

    Supreme Court: মোদির বিরুদ্ধে আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে, নির্বাচন কমিশনে অভিযোগের পরামর্শ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘৃণাভাষণের অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে পদক্ষেপের আর্জি খারিজ করে দিল শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। চলতি লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে মোদি- সহ বিজেপি নেতারা বিদ্বেষমূলক ভাষণ দিচ্ছে, এই অভিযোগ তুলে মামলা দায়ের হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে ৷ মঙ্গলবার বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং সতীশ চন্দ্র শর্মার বেঞ্চ এই মামলা খারিজ করে  আবেদনকারীকে ‘উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের’ অর্থাৎ প্রথমে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

    কী বলল শীর্ষ আদালত

    এদিন আবেদনকারীদের আইনজীবী আনন্দ এস জোন্ধালে শীর্ষ আদালতে (Supreme Court) অভিযোগ করেন, ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন লঙ্ঘন করে লোকসভা ভোটের প্রচারে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের কথা বলছেন মোদী। যা আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধির পরিপন্থী। শাস্তি হিসাবে ছ’বছরের জন্য মোদীর ভোটে লড়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করারও আবেদন জানান আইনজীবী জোন্ধালে। জবাবে দুই বিচারপতির বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, ‘‘আপনি কি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন? এই আবেদন জানানোর আগে আপনাকে প্রথমে কর্তৃপক্ষের কাছে যেতে হবে। এর পরেই আবেদন প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেয় বিচারপতি নাথ এবং বিচারপতি শর্মার বেঞ্চ।

    আরও পড়ুুন: “চাবাহার বন্দর চুক্তিতে খুলে গেল বিনিয়োগের বৃহত্তর দ্বার”, বললেন জয়শঙ্কর

    ড. ইমানি অনন্ত সত্যনারায়ণ শর্মা ও অন্যদের দায়ের করা আর একটি মামলারও এদিন শুনানি হয়। সেখানেও সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দুই বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং সতীশ চন্দ্র শর্মার বেঞ্চ জানিয়ে দেয় যে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত কোনও বিষয়ে তারা নির্দেশিকা জারি করবে না ৷ আবেদনকারীদের আইনজীবী সঞ্জয় হেগড়ে বারবার বোঝানোর চেষ্টা করেন যে নির্বাচন কমিশন নিজেদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছে না ৷ তার পরও সুপ্রিম কোর্ট কোনও নির্দেশিকা এই নিয়ে জারি করতে রাজি হয়নি ৷ বিজেপির সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে পোস্ট করা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরের দুটি পোস্টকে উল্লেখ করেই এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল ৷

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IPL 2024: তিক্ততার অবসান! কে এল রাহুলকে নৈশভোজের আমন্ত্রণ সঞ্জীব গোয়েঙ্কার

    IPL 2024: তিক্ততার অবসান! কে এল রাহুলকে নৈশভোজের আমন্ত্রণ সঞ্জীব গোয়েঙ্কার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরাজয় মানতে পারেনি, দলনায়ককে ধমকানোর পর ফের কাছে টানলেন মালিক। পাঁচ দিনের মধ্যে বদলে গেল চিত্র। মাঠে লখনউ সুপার জায়ান্টসের (IPL 2024) অধিনায়ক লোকেশ রাহুলকে ধমকেছিলেন মালিক সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। এবার সেই রাহুলকেই নিজের বাড়িতে নৈশভোজ খাওয়ালেন সঞ্জীব গোয়েঙ্কা।

    পট পরিবর্তন

    গত বুধবারের ছবি পাল্টে গেল সোমবার রাতে। লখনউ সুপার জায়ান্টসের অধিনায়ক রাহুলকে বাড়িতে নৈশভোজে ডেকেছিলেন দলের মালিক সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। বাড়িতে ডেকে অধিনায়ককে বুকে টেনে নেন মালিক। গোয়েঙ্কার বাড়িতে গিয়েছিলেন রাহুল। তাঁরা একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন। সেই ছবি মঙ্গলবার প্রকাশ্যে আসে। সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ছবিটি। ক্রীড়া মহলের ধারণা, মাঠে রাগের যে বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল তা ঠিক নয় বুঝতে পেরেছেন গোয়েঙ্কা। রাহুল জাতীয় দলের ক্রিকেটার। তাঁর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে দেশের সম্মান। আর হার-জিত খেলার অঙ্গ। তাই ভুল বুঝতে পেরেই রাহুলকে নিজের বাড়িতে ডেকেছিলেন এবং অধিনায়কের সঙ্গে সব সম্পর্ক ঠিক করে নিয়েছেন গোয়েঙ্কা।

    কী ঘটেছিল

    গত বুধবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদ বনাম লখনউ সুপার জায়ান্টসের ম্যাচ শেষ হতেই রাগে ফেটে পড়েছিলেন গোয়েঙ্কা। সেই ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে লখনউ ১৬৫ রান করে। ১৬৬ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে লখনউকে ধ্বংস করে দেন ট্রেভিস হেড এবং অভিষেক শর্মা। ১০ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় হায়দরাবাদ। তারপরেই গোয়েঙ্কাকে দেখা যায় রাহুলের সঙ্গে উঁচু স্বরে কথা বলতে। গোয়েঙ্কার দাপটের সামনে সে দিন রাহুল কিছু বলতেই পারেননি। তিনি চুপচাপ মাথা নীচু করে দাঁড়িয়েছিলেন। পরে কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গারকেও বেশ কিছু কথা বলেন গোয়েঙ্কা। ভারতীয় দলের এক জন ক্রিকেটারের প্রতি দলমালিকের এমন আচরণে খুশি হতে পারেননি সমর্থকেরা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: সন্দেশখালির বিজেপি নেতা গঙ্গাধরের বিরুদ্ধে এখনই ব্যবস্থা নয়, নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: সন্দেশখালির বিজেপি নেতা গঙ্গাধরের বিরুদ্ধে এখনই ব্যবস্থা নয়, নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়ালের বিরুদ্ধে এখনই এগোবে না কোনও তদন্ত। তাঁর বিরুদ্ধে করা এফআইআরের ওপরও কোনও কড়া পদক্ষেপও করা যাবে না বলে মৌখিকভাবে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। আজ, মঙ্গলবার এই মামলার শুনানি হয় বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের এজলাসে। মামলার পরবর্তী শুনানি শুক্রবার।

    গঙ্গাধরের বিরুদ্ধে এফআইআর (Calcutta High Court)

    সন্দেশখালিকাণ্ড নিয়ে একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে গঙ্গাধরের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন জনৈক শক্তিপদ রাউত। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক জামিন অযোগ্য মামলায় দায়ের করা হয় এফআইআর। এই এফআইআরের ওপর রক্ষাকবচ চেয়ে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হন গঙ্গাধর। বিচারপতি সেনগুপ্তর মন্তব্য, “মিথ্যা মামলায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আর তাতে থানায় এফআইআর রুজু করা হল কীসের ভিত্তিতে? ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি সাপেক্ষে এই এফআইআর করার সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত ছিল।” তিনি জানান, সন্দেশখালি মামলার তদন্ত চলছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের নজরদারিতে। সিবিআই তদন্ত করছে। এই আবেদনেরও শুনানি হওয়া উচিত প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে।

    আরও পড়ুুন: “চাবাহার বন্দর চুক্তিতে খুলে গেল বিনিয়োগের বৃহত্তর দ্বার”, বললেন জয়শঙ্কর

    আদালতে গঙ্গাধর

    বিজেপি নেতা গঙ্গাধর খবরে চলে আসেন সন্দেশখালিকাণ্ড নিয়ে দু’টি স্টিং অপারেশন পর্ব-১ ও পর্ব-২ প্রকাশ্যে আসার পর। প্রথম পর্বে গঙ্গাধরকে বলতে শোনা যায়, সন্দেশখালির ঘটনা সাজানো। ধর্ষণের অভিযোগ মিথ্যা। দ্বিতীয় পর্বের ভিডিওয় তাঁকে বলতে শোনা যায়, ৭২ জন মহিলাকে দু’হাজার করে টাকা দিয়ে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করানো হয়েছে। ভিডিও দু’টির সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। ভিডিও দু’টি ভাইরাল হতেই চাপে পড়ে যান গঙ্গাধর। কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা চেয়ে দ্বারস্থ হন কলকাতা হাইকোর্টের। তাঁর আরও অভিযোগ, তাঁর ছবি ব্যবহার করে ভুয়ো ভিডিও তৈরি করা হয়েছে। পরে তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে সমাজমাধ্যমে। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলার অনুমতি চান গঙ্গাধর। সেই অনুমতি দিয়েছে বিচারপতি সেনগুপ্তের সিঙ্গল বেঞ্চ (Calcutta High Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sikkim Railway Project: বছর পেরোলেই ট্রেনে চেপে সোজা সিকিম! রেলপথ শেষের পথে

    Sikkim Railway Project: বছর পেরোলেই ট্রেনে চেপে সোজা সিকিম! রেলপথ শেষের পথে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিউ জলপাইগুড়ি কিংবা শিলিগুড়ি নেমে গাড়ি করে সিকিম (Sikkim) যাওয়ার দিন শেষ হতে চলেছে। বছর পার হলেই সরাসরি ট্রেনে পৌঁছে যেতে পারবেন সিকিম। রেলপথ নির্মাণের প্রায় ৯৩ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেবক রংপো রেল (Sikkim Railway Project) প্রজেক্ট শেষ হয়ে গেলে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সেনাও পাবে বাড়তি কৌশলগত সুবিধা।  

    চারটি টানেল নির্মাণের কাজ শেষ

    নর্থ ইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক সব্যসাচী দে জানিয়েছেন, “টানেল, ব্রিজ ও স্টেশন তৈরির কাজ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় এগোচ্ছে। শেষ সপ্তাহেই একটি টানেল নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। চার নম্বর টানেল নির্মাণ করতে গিয়ে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। এই সুড়ঙ্গ পথ ৩৯৮৪ মিটার লম্বা। দার্জিলিংয়ের হনুমান ঝোরা দিয়ে যাবে এই সুরঙ্গ রেলপথ (Sikkim Railway Project)। প্রত্যেকটি টানেল নয়া অস্ট্রেলিয়ান মেথড ব্যবহার করে তৈরি করা হচ্ছে। হিমালয়ের কঠিন ভূতাত্বিক এবং কম্পনযুক্ত এলাকার মধ্যে দিয়ে নির্মিত হয়েছে এই চতুর্থ টানেল।

    পূর্বের রাজ্যগুলিও যুক্ত হবে ট্রেনলাইনে

    সিকিমকে রেলপথের সঙ্গে যুক্ত করতে পারলে চিনের সঙ্গে সামরিক দিক থেকে বাড়তি কৌশলগত সুবিধা পাবে ভারত। পূর্বের সেভেন সিস্টার্স (Seven Sisters State) রাজ্যগুলিকেও রেলপথের সঙ্গে জুড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে মোদি সরকার। তারই অঙ্গ হিসেবে প্রথমে সিকিম রংপো রেল প্রজেক্ট চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেবক থেকে রংপো পর্যন্ত ৩৮ কিলোমিটার লম্বা রেলপথে ৫ কিলোমিটার ৩০০ মিটার টানেলটি সবচেয়ে লম্বা। পর্যটকদের পাশাপাশি পর্যটন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীরাও এই রেলপথের অপেক্ষায় রয়েছেন।

    সিকিমে পৌঁছবে বন্দে ভারত

    রেল সূত্রে খবর এই পথে সাধারণ এক্সপ্রেস ট্রেনের পাশাপাশি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন চালানোর পরিকল্পনাও রয়েছে রেল দফতরের। চিন সীমান্তের (Indo-China Border) খুব কাছাকাছি ট্রেন লাইন তৈরি হয়ে গেলে সেনাবাহিনীও পাবে বাড়তি সুবিধা। কারণ নাথুলা পাস পর্যন্ত ভারতীয় রেলপথ সম্প্রসারিত হয়ে গেলে সীমান্তে চিনের (LAC) সঙ্গে যুদ্ধের পরিস্থিতিতে বিমানের উপর নির্ভরশীল থাকবে না ভারতীয় সেনা।

    আরও পড়ুন: “চাবাহার বন্দর চুক্তিতে খুলে গেল বিনিয়োগের বৃহত্তর দ্বার”, বললেন জয়শঙ্কর

    সিকিম-রংপো রেলপথ চালু হয়ে গেলে ভারতের চিকেন নেক হয়ে উঠবে আরও শক্তিশালী। ২০২৫ সালের আগস্ট মাসের মধ্যেই এই রেলপথে (Sikkim Railway Project) ট্রেন চলবে এমনটাই আশা করা হচ্ছে রেল দফতরের তরফে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Khardah: সন্দেশখালির পর এবার খড়দা! ভোটের মুখে ফের উদ্ধার হল অস্ত্র

    Khardah: সন্দেশখালির পর এবার খড়দা! ভোটের মুখে ফের উদ্ধার হল অস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগে উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালিতে শাহজাহান ঘনিষ্ঠের বাড়ি থেকে বিপুল পরমাণ অস্ত্র উদ্ধার হয়েছিল। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার খড়দা (Khardah) থানা এলাকা থেকে উদ্ধার হল অস্ত্র। ভোটের আগে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কীভাবে উদ্ধার হল অস্ত্র? (Khardah)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খড়দার (Khardah) এক চাল ব্যবসায়ীর মোটা টাকা চেয়ে হুমকি দিচ্ছিল এলাকারই এক যুবক। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমেছিল পুলিশ। তদন্তের নেমে পুলিশের হাতে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। উদ্ধার হল প্রচুর অস্ত্র। লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রচুর অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করল খরদা থানার পুলিশ। আইপিএল খেলায় বেটিং লাগিয়ে হেরে যাওয়ায় খড়দা থানার বিবেকনগরে এক ব্যবসায়ীর কাছে মোটা টাকা তোলা চেয়ে হুমকি ফোন করেছিল কিছু দুষ্কৃতী। অভিযোগ, তোলার টাকা না দেওয়ায় গত ৭ তারিখ বিবেকনগরে ওই ব্যবসায়ীর দোকানের সামনে চার রাউন্ড গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনার তদন্ত শুরু করে খড়দা থানার পুলিশ। টিটাগর এলাকা থেকে মূল দুষ্কৃতী ওয়াসিমকে গ্রেফতার করে পুলিশ। দুষ্কৃতী ওয়াসিমকে জেরা করে তার কাছ থেকে প্রচুর অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: “এই তো শুরু…সবাইকে জেলে যাওয়ার জন্য তৈরি হতে হবে’’, মমতাকে আক্রমণ অমিত শাহের

    কী কী অস্ত্র উদ্ধার হল?

    এমনিতেই ভোটের আগে পুলিশের অভিযান চলতে থাকে। মাঝে মধ্যে অস্ত্র উদ্ধার হয়। কিন্তু, এক দুষ্কৃতীকে ধরতে গিয়ে তার ডেরা থেকে একাধিক অস্ত্র উদ্ধার হওয়ায় পুলিশ আধিকারিকরা হতবাক হয়ে গিয়েছে। দুষ্কৃতীর ডেরায় তল্লাশি চালিয়ে তিনটি সেভেন এম এম পিস্তল, একটি রিভলভার ও ১৮ টি গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ। মূল অভিযুক্ত ওয়াসিমের সঙ্গে বিহারের দুই দুষ্কৃতীর যোগ রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ওই দুই দুষ্কৃতীর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে খড়দা থানার পুলিশ। লোকসভা নির্বাচনের আগে বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে এত অস্ত্র উদ্ধার হওয়ায় চিন্তিত পুলিশ প্রশাসনও। ফের অভিযান শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় মোদির প্রস্তাবক কারা ছিলেন, জানেন?

    PM Modi: মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় মোদির প্রস্তাবক কারা ছিলেন, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বিজেপির প্রার্থী তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বারাণসী লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী তিনি। প্রস্তাবক হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন ওবিসি সম্প্রদায়ের দু’জন, একজন দলিত এবং একজন ব্রাহ্মণ। জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় প্রস্তাবক হিসেবে কারা থাকবেন, তা ঠিক হয়েছিল ১৫ দিন আগেই। ৫০ জনের মধ্যে থেকে বেছে নেওয়া হয় ওই চারজনকে।

    মোদির চার প্রস্তাবক (PM Modi)

    তবে সেটাও সহজে হয়নি। প্রথমে ৫০ জনের মধ্যে থেকে ১৮ জনকে বেছে নেন প্রধানমন্ত্রীর সেনাপতি তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনশাল। সেখান থেকে বেছে নেওয়া হয় চারজনকে। এঁরা হলেন গণেশ্বর শাস্ত্রী (ব্রাহ্মণ), বৈজনাথ প্যাটেল (জনসংঘের সময় থেকে দলের বিশ্বস্ত কর্মী) ও লালচাঁদ কুশওহা (দুজনেই ওবিসি সম্প্রদায়ের) এবং সঞ্জয় সোনকর (দলিত)। অযোধ্যার রাম মন্দিরে কোন শুভ মুহূর্তে বিগ্রহের প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে, তা ঠিক করেছিলেন এই গণেশ্বরই।

    মোদির পুজো-প্রার্থনা

    জানা গিয়েছে, ১৮ জনের মধ্যে থেকে এই চারজনকে বেছে নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) স্বয়ং। এদিন তিনি যখন মনোনয়নপত্র জমা দিতে যান, এই চারজন ছাড়াও তাঁর সঙ্গে ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং বিজেপির কয়েকজন শীর্ষ নেতৃত্ব। মনোনয়নপত্র পেশের আগে প্রধানমন্ত্রী ঘুরে দেখেন দশাশ্বমেধ ঘাট। সেখানে মা গঙ্গার কাছে প্রার্থনা করেন তিনি। পরে দর্শন করে কালভৈবর মন্দিরও। সেখানে পুজোও দেন।

    দেশে চলছে অষ্টাদশতম লোকসভা নির্বাচন। ভোটগ্রহণ হবে সাত দফায়। ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে চতুর্থ দফার নির্বাচন। বাকি এখনও তিন দফার ভোট। বারাণসীতে নির্বাচন হবে ১ জুন, শেষ দফায়। এই বারাণসী কেন্দ্রেই আগের দু’বার বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এবারও তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেসের অজয় রাই।

    আরও পড়ুুন: “চাবাহার বন্দর চুক্তিতে খুলে গেল বিনিয়োগের বৃহত্তর দ্বার”, বললেন জয়শঙ্কর

    প্রধানমন্ত্রীর মনোনয়ন উপলক্ষে সারা শহর জুড়ে ছিল সাজ সাজ রব। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, মা গঙ্গা তাঁকে শহরে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। বারাণসীর বাসিন্দারা তাঁকে বানারসিয়া (বারাণসীর বাসিন্দা) বানিয়ে নিয়েছেন। এদিন মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগে রোড-শো-ও করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: ভোটের আগে হালিশহরের প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যানসহ বহু কর্মী যোগ দিলেন বিজেপিতে

    BJP: ভোটের আগে হালিশহরের প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যানসহ বহু কর্মী যোগ দিলেন বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে বারাকপুর লোকসভায় ফের তৃণমূলে ধস নামল। হালিশহর পুরসভার তৃণমূলের প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান রাজা দত্ত বহু কর্মী-সমর্থক নিয়ে বিজেপিতে (BJP) যোগ দিলেন। কয়েকদিন আগেই তৃণমূল প্রার্থী পার্থ ভৌমিকের খাসতালুক নৈহাটিতে ধস নামিয়েছিল বিজেপি। অর্জুনের হাত ধরে তৃণমূলের যুব নেতা স্বপন ইন্দু সহ বহু কর্মী যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। সেই জের কাটতে না কাটতে নির্বাচনের আগে হালিশহরে এই যোগদানে বিজেপি কর্মীরা চাঙ্গা হয়ে উঠেছেন।

    তৃণমূল দলটা দুর্নীতিগ্রস্ত (BJP)

    বিজেপি (BJP) সূত্রে জানা গিয়েছে, হালিশহরের দাপুটে তৃণমূল নেতা ছিলেন রাজা দত্ত। তিনি দীর্ঘদিন পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। তাঁর মতো দাপুটে তৃণমূল নেতা বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় হালিশহরে গেরুয়া শিবিরের অনেকটাই শক্তিবৃদ্ধি হল বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। অর্জুনের হাত ধরে তিনি বিজেপি যোগদান করেন। বিজেপিতে যোগ দিয়ে রাজা দত্ত বলেন, তৃণমূল দলটা দুর্নীতিগ্রস্ত। দলের জন্য অনেক লড়াই করেছি। আমাকে দলে কোনও গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এখন দলে দুর্নীতিগ্রস্তরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। আমরা এসবের বিরুদ্ধে সরব হয়েছি। আমি কোনওভাবেই এই দল করতে পারব না। তাই অর্জুনদার হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিলাম। আমার এলাকায় বিজেপি লিড পাবে। হালিশহর, কাঁচরাপড়া জুড়ে তৃণমূল যা করে বেড়াচ্ছে তাতে ওদের পক্ষে আর ভোট নেই।

    আরও পড়ুন: “এই তো শুরু…সবাইকে জেলে যাওয়ার জন্য তৈরি হতে হবে’’, মমতাকে আক্রমণ অমিত শাহের

    অর্জুন সিংয়ের কী বক্তব্য?

    যোগদান নিয়ে বিজেপি (BJP) প্রার্থী অর্জুন সিং বলেন, প্রার্থী হওয়ার পর থেকেই দলে যোগদান লেগেই রয়েছে। বীজপুর এলাকায় তৃণমূল নেতারা যা করে রেখেছে, তাতে মানুষ ওদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান সহ বহু কর্মী যোগ দিলেন। আগামীদিনে আরও অনেকে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করবে। আগেও বলেছি, নৈহাটিতে আমি লিড নেব। এবার বলছি, বীজপুরেও বিজেপি লিড পাবে। তৃণমূলের সঙ্গে মানুষ নেই তা ভোটের ফলে প্রমাণ হয়ে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share