Tag: bangla news

bangla news

  • Lok Sabha Elections 2024: নির্বিঘ্নেই সাঙ্গ তৃতীয় দফার ভোট, তৃণমূলের গা-জোয়ারি দেখল বাংলা

    Lok Sabha Elections 2024: নির্বিঘ্নেই সাঙ্গ তৃতীয় দফার ভোট, তৃণমূলের গা-জোয়ারি দেখল বাংলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোটামুটি নির্বিঘ্নেই শেষ হল তৃতীয় দফার নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024)। আজ, ৭ মে নির্বাচন হয়েছে দেশের ৯৩টি লোকসভা কেন্দ্রে। কমিশন সূত্রে খবর, বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে প্রায় ৬০.১৯ শতাংশ। মতদানের হারের নিরিখে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি-শাসিত অসম। সব চেয়ে বেশি ভোট পড়েছে এই রাজ্যে। এখানে বিকেল ৫টি অবধি ভোট পড়েছে ৭৪.৮৬ শতাংশ।

    বাংলায় ভোটের হার (Lok Sabha Elections 2024)

    এদিন ভোট হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের চারটি আসনেও (Lok Sabha Elections 2024)। কমিশন সূত্রে খবর, বিকেল ৫টা পর্যন্ত মালদহ উত্তরে ভোট পড়েছে ৭৩.৩০ শতাংশ। এই সময়ের মধ্যে মালদহ দক্ষিণে পোলিং হয়েছে ৭৩.৬৮ শতাংশ। জঙ্গিপুরে ভোট দানের হার ৭২.১৩ শতাংশ। মুর্শিদাবাদে ভোট পড়েছে ৭৬.৪৯ শতাংশ। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের চার কেন্দ্রে সামগ্রিক ভোটদানের হার ৭৩.৯৩ শতাংশ। এদিন উপনির্বাচন হয়েছে ভগবানগোলা বিধানসভা কেন্দ্রেও। সেখানে ভোটদানের হার ৭৩.৬৮ শতাংশ।

    অভিযোগের পাহাড়

    এই দফায় বাংলার চার কেন্দ্র মিলিয়ে কমিশনের কাছে সব মিলিয়ে জমা পড়ছে ৪৩৩টি অভিযোগ। এর মধ্যে দলগতভাবে অভিযোগ জমা পড়েছে ২৫৩টি। সব চেয়ে বেশি অভিযোগ করেছে সিপিএম। তারা অভিযোগ করেছে ১৬৩টি। কংগ্রেসের অভিযোগের সংখ্যা ২৯টি, বিজেপির ২৭টি এবং তৃণমূলের ১৮টি। এই দফায়ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোটদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া নাজিরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৫৯ নম্বর বুথে এক ভোটারের ভোট দিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে। ভোটারদের ভোট দিতে বাধা দেওয়া হচ্ছিল বলেও অভিযোগ। বিষয়টি স্বীকারও করে নিয়েছেন ওই বুথের প্রিসাইডিং অফিসার সেলিম রেজা বিশ্বাস।

    আরও পড়ুুন: “গিয়ে দেখি, পুলিশের সামনেই ছাপ্পা মারছে তৃণমূল”, মুর্শিদাবাদে তিক্ত অভিজ্ঞতা ভোটারের!

    মালদহের চাঁচলে আবার বোমা মারার হুমকি দিয়ে তুলে দেওয়া বিজেপির সহায়তা বুথ। কাঠগড়ায় তৃণমূল। চাঁচল বিধানসভার মতিহারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ধুমসাডাঙি ২২১ নম্বর বুথের ঘটনা। বিজেপি কর্মী শঙ্কর দাসের অভিযোগ, স্থানীয় তৃণমূল নেতা বাবু সরকার দলবল নিয়ে এসে বোমা মারার হুমকি দিয়ে তাঁদের ক্যাম্প তুলে দেয়। মালদহ দক্ষিণের শামসেরগঞ্জের জোতশালীর ১২৫ ও ১২৬ নম্বর বুথে অশান্তি বাঁধানোর অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভোট দিতে আসা কংগ্রেসের এক বৃদ্ধ সমর্থককে মেরে পা ভেঙে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। শামসেরগঞ্জেরই ২১৯ নম্বর বুথেও। হামলা হয়েছে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। তিনটি ক্ষেত্রেই অভিযোগের আঙুল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের দিকে। যদিও সব অভিযোগই অস্বীকার করেছে তৃণমূল (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jangipur: “বুথ থেকে বের করে দেদার ছাপ্পা দিল তৃণমূল”, জঙ্গিপুরে বিস্ফোরক অভিযোগ বিরোধী এজেন্টের

    Jangipur: “বুথ থেকে বের করে দেদার ছাপ্পা দিল তৃণমূল”, জঙ্গিপুরে বিস্ফোরক অভিযোগ বিরোধী এজেন্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধী এজেন্টকে মেরে বের করে দিয়ে দেদার ছাপ্পা ভোট করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে জঙ্গিপুর (Jangipur) লোকসভার খড়গ্রাম ব্লকের পারুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর গোপীনাথপুর গ্রামের ৩৯ নম্বর বুথে। বিরোধীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ জানানো হলেও কাজের কাজ কিছু হয়নি বলে অভিযোগ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Jangipur)

    দলীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সকাল থেকে উত্তর গোপীনাথপুরের (Jangipur) ৩৯ নম্বর বুথে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছিল। এদিন দুপুরেব দিকে এই বুথের কংগ্রেসের এজেন্টকে মেরে বের করে দিয়ে ছাপ্পা ভোট করে তৃণমূল কংগ্রেস। ওই বুথের কংগ্রেসের এজেন্ট আবুল বাসারের বলেন, বেলা বারোটা নাগাদ আমাকে তৃণমূলের কর্মীরা ভোট কেন্দ্রে ঢুকে আমাকে মারধর করে বের করে দেয়। পরে, প্রাণনাশের হুমকি দেয়। আমি প্রাণভয়ে ওই বুথ ছেড়ে বেরিয়ে আসি। তারপরই তৃণমূল দেদার ছাপ্পা ভোট দিতে শুরু করে। যদিও তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য আবসার সেখ বলেন, এখানে সকাল থেকেই শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হয়েছে। সমস্ত দলেরই এজেন্ট বুথের মধ্যে আছেন। তিনি মিথ্যা অভিযোগ করছেন। কারণ, এখানে কংগ্রেসের কোনও অস্তিত্ব নেই। মিথ্যা অভিযোগ করে শান্ত এলাকাকে অশান্ত করার চেষ্টা করছেন।

    আরও পড়ুন: ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা! পুলিশ আধিকারিককে ধমক দিলেন মালদা দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী

    হুমকি উপেক্ষা করে ভোট দিতে যাওয়ায় হামলা তৃণমূলের

    সামশেরগঞ্জের (Jangipur) যোতকাশী গ্রামে ১২৫ নম্বর বুথে কংগ্রেস কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, সামশেরগঞ্জের যোতকাশী গ্রামে সোমবার রাতে তৃণমূলের লোকজন বিরোধীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট দিয়ে না যাওয়ার জন্য হুমকি দিয়ে আসে। সেই হুমকি উপেক্ষা করে মইদুল সেখ নামে এক কংগ্রেস কর্মী বুথে ভোট দিতে যাচ্ছিলেন। সেই সময় ইব্রাহিম সেখ ও রেজাউল হক নামে দুই তৃণমূল কর্মী প্রথমে ভোট দিতে বাধা দেয়। কংগ্রেস কর্মী আপত্তি জানালে তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তৃণমূলের হামলার জেরে কংগ্রেস কর্মীর পা ভেঙে যায়। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে জঙ্গিপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জানা গিয়েছে, পুলিশ বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের নিয়ে এসে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছে দেয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।                                                      

  • Kulgam Encounter: এনকাউন্টারে খতম লস্কর-ই-তৈবার কমান্ডার, মাথার দাম কত ছিল জানেন?  

    Kulgam Encounter: এনকাউন্টারে খতম লস্কর-ই-তৈবার কমান্ডার, মাথার দাম কত ছিল জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খতম লস্কর-ই-তৈবার কমান্ডার। নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে এনকাউন্টারে যে দু’জন জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে, তাদেরই একজন ছিল ওই জঙ্গি সংগঠনের সপিলন্টার গ্রুপ, ‘দ্য রেসিট্যান্স ফ্রন্টে’র কমান্ডার (Kulgam Encounter)। একাধিক নিরাপত্তারক্ষী ও নিরীহ নাগরিক খুনে অভিযুক্ত সে। জম্মু-কাশ্মীরের কুলগাম জেলায় নিরাপত্তা রক্ষীরা যে অভিযান চালাচ্ছে, তাতে এটি একটি বড়সড় সাফল্য বলেই দাবি সংশ্লিষ্ট মহলের।

    ‘এ’ ক্যাটেগরির পদে ছিল বসিত (Kulgam Encounter)

    নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে গুলি বিনিময়ের জেরে এদিন যে দুই জঙ্গি খতম হয়েছে, তাদের একজন বসিত দার। জানা গিয়েছে, বসিত ‘দ্য রেসিট্যান্স ফ্রন্টে’র ‘এ’ ক্যাটেগরির পদে ছিল। এদিন তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে কাশ্মীর পুলিশ আইজি ভিকে বিরধির তরফে (Kulgam Encounter)। গোয়েন্দা সূত্রে নিরাপত্তারক্ষীরা জানতে পারেন, রেডওয়ানি গ্রামে গা-ঢাকা দিয়ে রয়েছে কয়েকজন জঙ্গি। দ্রুত এলাকাটি ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী। সোমবার রাতে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান।

    জওয়ানদের লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি

    নিরাপত্তারক্ষীদের উপস্থিতি টের পেয়ে এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করে জঙ্গিরা। প্রতিরোধ গড়ে তোলে নিরাপত্তা বাহিনী। তার আগে অবশ্য লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের আত্মসমর্পণের সুযোগ দেওয়া হয়। তাতে কর্ণপাত না করেই গুলি চালিয়ে যেতে থাকে সন্ত্রাসবাদীরা। বিরধি বলেন, “ওদের আত্মসমর্পণের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। ওরা তা না করে জওয়ানদের লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকে।” তিনি বলেন, “এই অভিযানে দুই জঙ্গি খতম হয়েছে। তাদের দেহ উদ্ধার হয়েছে। ওই এলাকায় আর কোনও জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে কিনা, তা জানতে চলছে তল্লাশি অভিযান।”

    আরও পড়ুুন: “আত্মনির্ভর হোন, সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভাবুন”, মুসলিমদের উদ্দেশে বললেন মোদি

    নিহত দারের বিরুদ্ধে ১৮টি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। বিরধি বলেন, “পুলিশকর্মী খুনেও অভিযুক্ত ছিল সে। সাধারণ মানুষকেও খুন করেছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের ওপর হামলার পরিকল্পনা করত সে। হামলাও চালাত।” সূত্রের খবর, ২০২২ সালেই এনআইএ দারের মাথার দাম ঘোষণা করেছিল ১০ লাখ টাকা (Kulgam Encounter)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • FIFA World Cup Qualifiers 2026: জাতীয় দলে মোহনবাগানের ৮ ফুটবলার! স্টিমাচের শিবিরে ৪১ জন

    FIFA World Cup Qualifiers 2026: জাতীয় দলে মোহনবাগানের ৮ ফুটবলার! স্টিমাচের শিবিরে ৪১ জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে (FIFA World Cup Qualifiers 2026) খেলার জন্য মোট ৪১ জন ফুটবলারের নাম ঘোষণা করেছেন ইগর স্টিমাচ। মঙ্গলবার ফিফা বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বের শিবিরের জন্য দ্বিতীয় দফায় দল বেছে নিয়েছে এআইএফএফ। জাতীয় শিবিরে ডাক পেলেন মোহনবাগানের ৮ জন ফুটবলার। ভুবনেশ্বরে ১০ মে থেকে শুরু হবে প্রস্তুতি শিবির। 

    কবে থেকে শুরু শিবির

    প্রথম পর্যায়ে ২৬ জন ফুটবলার নিয়ে দল ঘোষণা করা হয়েছিল। প্রথম পর্বের দলে মোহনবাগান ও মুম্বই সিটি এফসি-র ফুটবলারদের রাখা হয়নি। দ্বিতীয় পর্বে আইএসএলের ফাইনালে খেলা দু’দলের ১৫ ফুটবলারকে রেখেছেন স্টিমাচ। মোহনবাগানের আট জন ফুটবলারকে রাখা হয়েছে দলে। মুম্বই থেকে সুযোগ পেয়েছেন সাত জন। ৪১ জনের দলে এই দুই ক্লাব থেকেই সব থেকে বেশি ফুটবলার রয়েছেন। চার সপ্তাহের শিবির শুরু হবে চলতি মাসের ১০ তারিখ অর্থাৎ শুক্রবার থেকে। প্রথম পর্বের ২৬ ফুটবলার ১০ তারিখই শিবিরে যোগ দেবেন। দ্বিতীয় পর্বের ১৫ ফুটবলারকে অতিরিক্ত বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। ১৫ মে থেকে শিবিরে যোগ দেবেন তাঁরা। এখান থেকেই চূড়ান্ত দল বেছে নেবেন স্টিমাচ। 

    আরও পড়ুন: কোচ থাকছেন হাবাস! মোহনবাগানে আসছেন অস্ট্রেলিয় বিশ্বকাপার জেমি ম্যাকলারেন

    বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে (FIFA World Cup Qualifiers 2026) এই রাউন্ডে দু’টি ম্যাচ বাকি ভারতের। ৬ জুন কলকাতায় কুয়েত ও ১১ জুন দোহায় কাতারের বিরুদ্ধে খেলবে তারা। এই দুই ম্যাচের উপরে ভারতের পরের রাউন্ডে যাওয়া নির্ভর করছে। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে দেশের মাটিতে হেরে যাওয়ায় এই মুহূর্তে গ্রুপে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। তাদের বাকি দু’টি ম্যাচ জিততেই হবে। 

    ৪১ জনের দলে কারা

    নতুন ১৫ জন ফুটবলার:

    গোলরক্ষক- টেম্পা লাচেম্পা, বিশাল কাইথ।

    ডিফেন্ডার- আকাশ মিশ্র, আনোয়ার আলি, মেহেতাব সিং, রাহুল ভেকে, শুভাশিস বোস।

    মিডফিল্ডার- অনিরুদ্ধ থাপা, দীপক টাংড়ি, রালতে, ছাংতে, লিস্টন কোলাসো, সাহাল আব্দুল সামাদ।

    ফরোয়ার্ড- মনবীর সিং, বিক্রম প্রতাপ সিং

    ভারতের প্রথম পর্বের দল:

    গোলরক্ষক- অমরিন্দর সিং, গুরপ্রীত সিং সান্ধু।

    ডিফেন্ডার- অময় গণেশ রানাওয়াডে, জয় গুপ্ত, লালচুংনুঙ্গা, মুহম্মদ হাম্মাদ, নরেন্দ্র গহলৌত, নিখিল পুজারি, রোশন সিং।

    মিডফিল্ডার- ব্রেন্ডন ফের্নান্দেস, এডমুন্ড লালরিন্ডিকা, ইমরান খান, ইশাক ভানলালরুয়াতফেলা, জিকসন সিং, মহেশ নাওরেম, মহম্মদ ইয়াসির, নন্দকুমার, রাহুল কান্নোলি, সুরেশ সিং, ভিবিন মোহনন।

    ফরোয়ার্ড- ডেভিড, জিতীন মাদাথিল, লালরিনজুয়ালা, পার্থিব গগৈ, রহিম আলি, সুনীল ছেত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ভাটপাড়ায় সভা করতে আসছেন নরেন্দ্র মোদি, মাঠ খুঁড়ে দিল তৃণমূল! নালিশ অর্জুনের

    Narendra Modi: ভাটপাড়ায় সভা করতে আসছেন নরেন্দ্র মোদি, মাঠ খুঁড়ে দিল তৃণমূল! নালিশ অর্জুনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাকপুর লোকসভায় দলীয় প্রার্থী অর্জুন সিংয়ের সমর্থনে প্রচারে ঝড় তুলতে আসছেন নরেন্দ্র মোদি। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ১২ ই মে বারাকপুর লোকসভায় বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং এর সমর্থনে ভাটপাড়া পুরসভার জিলিপি মাঠে জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) আসার প্রস্তাবিত সেই মাঠ খুঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানাজানি হতেই রাজনৈতিক মহলে জোর চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যেই অর্জুন সিং বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। পুলিশ কমিশনার অলোক রাজোরিয়া মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী সভা করার প্রস্তাবিত মাঠ পরিদর্শন করতে যান। তিনি বলেন, পুরসভার পক্ষ থেকে সংস্কারের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। আপাতত তাদের কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ভাটপাড়ার মাঠ খুঁড়ে দেওয়া হয়েছে (Narendra Modi)

    ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় দলীয় প্রার্থী অর্জুন সিংয়ের সমর্থনে ভাটপাড়া জিলিপি মাঠে জনসভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এবারও সেই মাঠকে প্রধানমন্ত্রীর জন্য বিজেপির পক্ষ থেকে বাছাই করা হয়েছে। নিয়ম মেনে দলের পক্ষ থেকে প্রশাসনের কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল। কিন্তু, আচমকাই তৃণমূল পরিচালিত ভাটপাড়া পুরসভার পক্ষ থেকে গোটা মাঠটি খুঁড়ে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি সামনে আসতেই রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার অর্জুন সিং দলীয় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে জিলিপি মাঠ পরিদর্শনে যান। বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং বলেন, প্রধানমন্ত্রী আসবেন সেটা জেনেই পরিকল্পিতভাবে তৃণমূল এই কাজ করেছে। আসলে বিজেপির প্রতি মানুষেরই আস্থা দেখে তৃণমূল ভয় পেয়ে গিয়েছে। কারণ, প্রতিদিনই তৃণমূল ছেড়ে দলে দলে মানুষ বিজেপিতে যোগদান করছে। আর সেই আতঙ্ক থেকেই ওরা এসব করছে। বিনয় মণ্ডল নামে দলীয় কর্মীকে তৃণমূলের লোকজন বেধড়ক মারধর করেছে। আমরা থানায় অভিযোগে জানিয়েছি। তৃণমূলের এই ধরনের নোংরামীকে সমর্থন করা যায় না।

    আরও পড়ুন: বুথে গিয়ে হতবাক! প্রিসাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ মুর্শিদাবাদের বিজেপি প্রার্থীর

    তৃণমূল বিধায়ক কী বললেন?

    জগদ্দল বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম বলেন, ভাটপাড়া জগদ্দল এলাকার হাজার হাজার ছেলেমেয়ে ওই মাঠে খেলা করে। মাঠের সংস্কার করার খুবই প্রয়োজন ছিল। তাই পুরসভার পক্ষ থেকে আমরা মাঠ সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছিলাম। এখন শুনছি ওই মাঠে প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) আসছেন। আমরা আপাতত কাজ বন্ধ রেখেছি। প্রধানমন্ত্রী আসার আগে পর্যন্ত মাঠ আমরা আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার সমস্ত রকম চেষ্টা করব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: “কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে বদলে দেবে রাম মন্দিরের রায়” দাবি আচার্যের

    Rahul Gandhi: “কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে বদলে দেবে রাম মন্দিরের রায়” দাবি আচার্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের (Ram mandir Ayodhya) রায় বদলে ফেলতে চান রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi), বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন আচার্য প্রমোদ কৃষ্ণণ। আচার্য প্রমোদ (Acharya Pramod Krishnam) আগে কংগ্রেসে ছিলেন। তাঁর দাবি তাঁর কাছে রাহুলের হাড়ির খবর আছে। বহিষ্কৃত এই কংগ্রেস (Congress) নেতার দাবি, “রাহুল গান্ধী সুপ্রিম কোর্টের রাম মন্দিরের রায় বাতিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং তিনি একটি সুপার পাওয়ার কমিশন গঠনের মাধ্যমে রাম মন্দিরের রায় বদলে ফেলতে চান। ঠিক যেমন তাঁর পিতা শাহ বানো মামলার রায় বদলে দিয়েছিলেন।”

     রাম মন্দিরের রায়কে উল্টে দিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা

    সংবাদ সংস্থা এনআইয়ের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আচার্য প্রমোদ কৃষ্ণণ বলেন, “কংগ্রেস কেন্দ্রে ক্ষমতায় এলে সুপ্রিম কোর্টের রাম মন্দিরের রায়কে বাতিল করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।” আচার্যের দাবি, “রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) এবং তাঁর আমেরিকায় বসবাসরত ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা একটি বৈঠক করেছেন। সেখানে তারা সুপার পাওয়ার কমিশন গঠন করে অযোধ্যায় রাম মন্দিরের নির্মাণের রায়কে উল্টে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন।  ঠিক যেভাবে তার পিতা প্রয়াত রাজীব গান্ধি শাহবানো মামলার শীর্ষ আদালতের সিদ্ধান্তকে উল্টে দিয়েছিলেন, ঠিক তেমনই পরিকল্পনা করেছেন রাহুল। কংগ্রেস যদি ক্ষমতায় আসে, তাহলে রাম মন্দিরকে সুপার পাওয়ার কমিশন গঠনের মাধ্যমে প্রথমে অবৈধ ঘোষণা ও পরে ধ্বংস করার চিন্তাভাবনা শুরু করে দিয়েছে।”

    “ক্ষমতায় এলেই এক দেশ, এক নির্বাচন চালু করবে এনডিএ”, আশ্বাস রাজনাথের

    শাহ বানো মামলার প্রসঙ্গ 

    প্রসঙ্গত ১৯৮৫ সালে সুপ্রিম কোর্ট ইন্দোরের একজন মুসলিম মহিলা শাহবানোর পক্ষে রায় দিয়েছিল, যিনি বিবাহ বিচ্ছেদের পর তাঁর স্বামীর কাছ থেকে ভরণ-পোষণ চেয়েছিলেন। কিন্তু রাজীব গান্ধীর (Rajiv Gandhi) নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস সরকার মুসলিম ভোট ব্যাংকের কথা মাথায় রেখে একটি আইনের মাধ্যমে সেই রায়কে বাতিল করে দেন। বিজেপি বরাবর কংগ্রেসের বিরুদ্ধে মুসলিম তোষণের অভিযোগ এনেছে। এদিন সাক্ষাৎকার পর্বে চলাকালীন রাধিকা খেড়ার কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে আচার্য প্রমোদ কৃষ্ণণ দাবি করেন, “৪ জুনের মধ্যে অনেক রাম ভক্ত, সনাতনী এবং দেশপ্রেমিক মানুষ কংগ্রেস ত্যাগ করবেন। কারণ তাঁরা ওই দলে থাকতে পারবেন না। এই মুহূর্তে একটি দীর্ঘতালিকা রয়েছে, যারা ৪ জুনের মধ্যে দল ছাড়তে প্রস্তুত। কারণ যারা দেশের কথা বলে তাঁরা কংগ্রেসে থাকতে পারবে না। যারা পাকিস্তানের গান গায়, তাঁরাই কংগ্রেসে থাকবে, এমন বিস্ফোরক মন্তব্য করেন আচার্য প্রমোদ কৃষ্ণণ। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi)  প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছিলেন ইমরান খানের সরকারের ক্যাবিনেটে থাকা পাকিস্তানি মন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • SSC Scam: এসএসসি দুর্নীতিতে সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্নের মুখে রাজ্য, আপাতত চাকরি বাতিল নয়

    SSC Scam: এসএসসি দুর্নীতিতে সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্নের মুখে রাজ্য, আপাতত চাকরি বাতিল নয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিতে (SSC Scam) ২৬ হাজার স্কুল শিক্ষকের চাকরি বাতিলের যে নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্ট গত ২২ এপ্রিল দিয়েছিল, তার উপরে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)৷ সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, পুরো প্যানেল বাতিল করা শেষ পদক্ষেপ হওয়া উচিত। যোগ্য-অযোগ্য পৃথকীকরণ সম্ভব হলে, সেক্ষেত্রে শুধুমাত্র অযোগ্যদেরই চাকরি বাতিল হওয়া উচিত।  তবে এই নির্দেশ চূড়ান্ত নয়। এই স্থগিতাদেশ অন্তর্বর্তীকালীন। ১৬ জুলাই এই মামলার চূড়ান্ত  নির্দেশ ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। এদিন এদিন শুনানি পর্বে বার বারই সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে রাজ্য সরকার এবং এসএসসি-কে৷ প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ ক্ষোভের সঙ্গে মন্তব্য করে, ‘এমনিতেই সরকারি চাকরি খুব কম৷ তার উপরে সরকারি নিয়োগ প্রক্রিয়াতেও দুর্নীতি হলে মানুষের ভরসা উঠে যাবে৷ প্রচুর গরিব মানুষ সরকারি চাকরির দিকে তাকিয়ে থাকেন৷’

    সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ

    এসএসসি মামলায় (SSC Scam) বড় সিদ্ধান্ত নিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ,এসএসসি যদি যোগ্য অযোগ্যদের বিভাজন করতে পারে, তাহলে গোটা প্যানেল বাতিল ন্যায্য নয়৷ পাশাপাশি, প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল হলে তার অভিঘাত অনস্বীকার্য বলেও স্বীকার করেছে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ৷  তাই এখনই চাকরি বাতিল করা হচ্ছে না। আপাতত প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বহাল থাকছে৷ তবে বেশ কয়েকটি শর্ত দিয়েছে শীর্ষ আদালত৷ সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, যাঁদের চাকরি বাতিল হয়েছিল সেই শিক্ষকদের মুচলেকা দিয়ে জানাতে হবে ভবিষ্যতে অযোগ্য বলে প্রমাণিত হলে তাঁদের হাইকোর্টের নির্দেশ মোতাবেক ফেরত দিতে হবে৷ 

    প্রশ্নের মুখে রাজ্য

    মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটা থেকে শুনানি শুরু হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। বিকেল পর্যন্ত দীর্ঘ সময় ধরে চলে এসএসসি মামলার (SSC Scam) শুনানি পর্ব। রাজ্য সরকার, এসএসসি, মধ্য শিক্ষা পর্ষদ, চাকরিহারাদের আইনজীবী, বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের আইনজীবী সকলেই নিজেদের বক্তব্য আদালতে পেশ করেন। এদিন বারবার আদালতে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় এসএসসি ও রাজ্য সরকারকে। পৃথকীকরণ যেখানে সম্ভব সেখানে শুধু যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। রাজ্য ও এসএসসি কেউ সেই পর্যায়ে নেই যে ভবিষ্যতের দুর্নীতি রুলড আউট করা যাবে? প্রশ্ন করে শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট জানায় বহু মানুষ সরকারি চাকরির দিকে তাকিয়ে থাকে, সেখানে এই ধরনের দুর্নীতি কখনওই কাম্য নয়। 

    আরও পড়ুন: এক লহমায় পারদ নামল ৮ ডিগ্রি, আজও বৃষ্টির পূর্বাভাস কলকাতা-সহ জেলায় জেলায়

    পরবর্তী শুনানি

    শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের বেতন ফেরতের নির্দেশের উপরও এদিন অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করে শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। যার অর্থ অযোগ্য বলে চিহ্নিত চাকরি প্রাপকদেরও আপাতত ১২ শতাংশ সুদ সহ বেতনের টাকা ফেরত দিতে হবে না৷ এর পাশাপাশি সুপার নিউমেরারির তদন্তে মন্ত্রিসভার সদস্যদের বিরুদ্ধে এখনই সিবিআই কোনও কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না বলে জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। যদিও সিবিআই তদন্ত চালিয়ে যেতে পারবে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আগামী ১৬ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানি৷ ওই দিনই এই মামলার (SSC Scam) চূড়ান্ত রায়দান করবে শীর্ষ আদালত৷

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal Bail: “জামিন হলেও মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলাতে পারবেন না”, কেজরিওয়ালকে সুপ্রিম নির্দেশ

    Arvind Kejriwal Bail: “জামিন হলেও মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলাতে পারবেন না”, কেজরিওয়ালকে সুপ্রিম নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও শিরোনামে আপ প্রধান। আবগারি মামলায় (Delhi Liquor Policy Case) ধৃত অরবিন্দ কেজরীওয়ালের জামিনের (Arvind Kejriwal Bail) আর্জি মঞ্জুর করল না দেশের শীর্ষ আদালত। নয় নয় করে টানা ৪৭ দিন ধরে আবগারি দুর্নীতি মামলায় জেলবন্দি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। লোকসভা নির্বাচন চলাকালীন কেজরিওয়ালের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নিয়ে শুনানি করলেও, মঙ্গলবার কোনও রায় দিল না শীর্ষ আদালত। বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের বেঞ্চ কেজরিওয়ালের জামিনের আর্জি মঞ্জুর করল না। 

    বিচারপতির মন্তব্য 

    এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের গ্রেফতাররি সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতে আবেদন করেছিলেন কেজরিওয়াল। ধৃত অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সেই আবেদন মামলায় (Arvind Kejriwal Bail) ইডির কাছে এবার গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট। আম আদমি পার্টির প্রধানের দায়ের করা মামলা কোনও সাধারণ মামলা নয়, মঙ্গলবার শুনানিতে এমনই মন্তব্য করল বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের বেঞ্চ। একই সঙ্গে বেঞ্চ ইডিকে বলে, “কারও জীবনের অধিকার থেকে আপনি বঞ্চিত করতে পারেন না।” শীর্ষ আদালত আরও বলে, কেজরিওয়াল এক জন মুখ্যমন্ত্রী। যদি কেজরিওয়ালের অন্তর্বর্তিকালীন জামিন মঞ্জুর করা হয়, তা হলেও তিনি কোনও সরকারি ফাইলে সই করতে পারবেন না।    

    কেজরিওয়ালের জামিনের বিরোধিতা ইডির (Arvind Kejriwal Bail) 

    এর আগে, গত সপ্তাহে কেজরিওয়ালের অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদন মঞ্জুর করার ইঙ্গিত দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। কিন্তু মঙ্গলবার শুাননি শুরু হলে ইডির সঙ্গে দীর্ঘ সওয়াল-জবাব চলে আদালতে। কেজরিওয়ালের জামিনের তীব্র বিরোধিতা করে ইডি। শেষ পর্যন্ত আদালত জানায়, বৃহস্পতিবার অথবা আগামী সপ্তাহে বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হতে পারে, তাতে জামিন পেতেও পারেন কেজরিওয়াল, আবার নাও পেতে পারেন। জামিন পেলে কেজরিওয়ালকে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকতে হবে, তিনি কোনও ফাইলে সই করতে পারবেন না বলেও জানায় শীর্ষ আদালত। 

    আরও পড়ুন: মালদা উত্তরে একী কাণ্ড! ভোট না দিয়ে বুথের বাইরে দিনভর অবস্থানে ভোটাররা

    উল্লেখ্য আগামী ৯ মে এই মামলা (Arvind Kejriwal Bail) নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে বলে জানানো হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে শুনানি চলাকালীনই আবার এদিন ২০ মে পর্যন্ত কেজরিওয়ালের হেফাজতের মেয়াদ বাড়িয়েছে দিল্লির রাউস এভেনিউ কোর্ট।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: “প্রথম ১০০ দিনেই ধামাকা”! তৃতীয় বারের রোড ম্যাপ ঘোষণা মোদির

    Narendra Modi: “প্রথম ১০০ দিনেই ধামাকা”! তৃতীয় বারের রোড ম্যাপ ঘোষণা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৪ জুন জানা যাবে ভারতের মসনদে কে বসবে। যদিও এখন থেকেই আত্মবিশ্বাসী গেরুয়া শিবির। তৃতীয় বার ক্ষমতায় আসার ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi)। তাই আগামী ১০০ দিনের রোড ম্যাপ তৈরি করে ফেলেছেন তিনি। মোদি জানিয়েছেন তার তৃতীয় টার্মে প্রথম ১০০ দিনের রোড ম্যাপে রয়েছে একাধিক বড় ও দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত।

    মোদির সাক্ষাৎকার

    একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) বলেন, “আমি এখনই আগামী টার্মের প্রথম ১০০ দিনের কী কী কাজ করব তা ঠিক করে ফেলেছি। এর মধ্যে রয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এবং বড় সিদ্ধান্ত। আমি চাই না দেশ সিদ্ধান্তহীনতার কাছে কারণে পিছিয়ে পড়ুক। অতীতের সরকারের সিদ্ধান্ত নিতে দোটানার ফলে  দেশের মানুষ অনেক ভুগেছে রাজনীতি। রাজনীতি রাজনীতির জায়গা থাকবে। কিন্তু দেশ যেন সব সময় এগিয়ে যায়।” ৪ জুনের জনের পর সরকার কী করবে তা এখন থেকেই ঠিক করা হয়ে গিয়েছে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    মোদির স্মৃতিচারণ (Narendra Modi)

    “আমি আগে পরিকল্পনা করি। তাঁর পর কাজ করতে পছন্দ করি। কোন কাজ কীভাবে করব তা আগে থেকে ভেবে নেওয়া আমার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে গেছে। কাজ করার সময় ভাবনাচিন্তা আমার অভ্যাসে নেই। এটা ঈশ্বর প্রদত্ত আমার প্রবৃত্তি। যখন গুজরাটে মুখ্যমন্ত্রী ছিলাম তখনও এভাবেই কাজ করেছি। ২০১৪ তেও আমার কাছে পরিকল্পনা ছিল। ২০১৯ এও ছিল। আপনারা যদি আমার অতীতের সিদ্ধান্ত গুলি দেখেন তাহলে বুঝতে পারবেন। তিন তালাক তুলে দেওয়া হোক কিংবা ৩৭০ ধারা মুছে ফেলা। বড় বড় সমস্যা নিয়ে কাজ করা এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া নিয়ে সমস্যার সমাধান করা এটাই আমার কর্মপদ্ধতি।” সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার চলাকালীন বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)।

    “আত্মনির্ভর হোন, সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভাবুন”, মুসলিমদের উদ্দেশে বললেন মোদি

    ১০০ দিনের রোড ম্যাপ

    পর পর দুবারের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) আরও জানান তিনি খুব ভেবে চিন্তে কিন্তু দ্রুত সিদ্ধান্ত নেন। ৪ জুনের পরও ১০০ দিনের পরিকল্পনা নিয়ে ইতিমধ্যেই তিনি তৈরি আছেন। কারণ তিনি চান না ভোটের কারণে সরকারের কাজকর্মে যেটুকু প্রতিবন্ধকতা এসেছে তা ৪ জুনের পর যেন না আসে। অতীতে জোট সরকারের সময় দেখা গেছে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকার ফলে সরকারের কাজ করতে সমস্যা হয়েছে। বহু সিদ্ধান্ত দেশের পক্ষে হলেও আটকেছে জোট রাজনীতির বেড়াজালে। বহু দেশের পক্ষে ভাল এমন সিদ্ধান্ত নিতেও সরকার পিছপা হয়েছে। অটল বিহারি বাজপেয়ীর সময় বিজেপি দেশের ও দশের কথা ভেবে বহু সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু জোট সরকার থাকাকালীন তখনও বহু সিদ্ধান্ত সরকার নিতে পারেনি। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী স্বর্গীয় অটল বিহারী বাজপেয়ী জোট সরকারের প্রতিবন্ধকতার কথা তাঁর প্রধানমন্ত্রিত্ব বহুবার বলেছেন। তিনি সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, একদিন এমন সরকার আসবে যে রামমন্দির করবে। ৩৭০ (Article 370) ধারা তুলে দিতে ভয় পাবে না। সঙ্খ্যাগরিষ্ঠতা বেড়াজালে আটকে থাকার চিন্তা না করে দেশের পক্ষে কাজ করবে ওই সরকার। ঠিক সেই কাজ করে দেখিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)।

    অতীতের সরকার থেকে শিক্ষা

    ২০১৪ এবং ২০১৯ এ বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার তৈরি করেছে। যার ফল পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কোনও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে তাঁর সরকার পিছপা হয়নি। এর মাঝে রাজ্যসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহের জুটি যেভাবে দেশের কথা ভেবে বহু বিল নিজের রাজনৈতিক দক্ষতায় পাস করিয়ে নিয়েছেন। তা যথেষ্ট বাহবা পাওয়ার যোগ্য। বিশেষ করে ৩৭০ ধারা বিলোপ রাজ্য সভায় প্রথমে এনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছাড়াই পাস করিয়ে নিয়ে কামাল করেছিলেন প্রধানমন্ত্রীর দোসর অমিত শাহ (Amit Shah) । যদিও তৃতীয়বার সরকারে এসে সমান নাগরিক সংহিতা লাগু (Uniform Civil Code) করার পরিকল্পনা রয়েছে কি না সেই বিষয়টি সতর্কভাবে এড়িয়ে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন সমান নাগরিক সংহিতা (UCC) বিজেপি কিংবা মোদি (Narendra Modi) কারও এজেন্ডায় নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Maldives Relation: সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুইজ্জুর দল, তবুও ভারত-নির্ভর থাকতে হবে মলদ্বীপকে

    India Maldives Relation: সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুইজ্জুর দল, তবুও ভারত-নির্ভর থাকতে হবে মলদ্বীপকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মলদ্বীপের সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফিরেছে চিনপন্থী মুইজ্জু সরকারের দল পিপলস ন্যাশনাল কংগ্রেস। সম্প্রতি নির্বাচন হয়েছে সে দেশে। ক্ষমতায় আবারও এসেছে প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জুর সরকার। তার পরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে একদা (India Maldives Relation) ‘পরমমিত্র’ ভারতের সঙ্গে মলদ্বীপের নয়া সরকারের সম্পর্ক কী হবে? বিশেষত মুইজ্জুর চিন-প্রেমের পাশাপাশি ভারত-বিরোধিতা যেখানে জলের মতো স্পষ্ট।

    মলদ্বীপে নির্বাচন (India Maldives Relation)

    মুইজ্জুর সঙ্গে পিপলস মজলিশের দ্বন্দ্বের মধ্যেই মলদ্বীপে হয়েছে নির্বাচন। যার জেরে স্থগিত হয়ে গিয়েছে তাঁর মন্ত্রিসভার তিন সদস্যের নিয়োগ। তা সত্ত্বেও বিপুল ভোটে জিতে ফের মলদ্বীপের ক্ষমতায় এসেছে মুইজ্জুর দল। ধরাশায়ী হয়েছে মলদ্বিভিয়ান ডেমক্র্যাটিক পার্টি। উনিশের সাধারণ নির্বাচনে যে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল মলদ্বিভিয়ান ডেমক্র্যাটিক পার্টি, প্রায় সেরকমই জনসমর্থন নিয়েই ক্ষমতায় এসেছে মুইজ্জুর দল। মুইজ্জুর দল যেখানে চিনপন্থী, সেখানে মলদ্বিভিয়ান ডেমক্র্যাটিক পার্টি তাদের ভারত-প্রেমের জন্য জনপ্রিয় সে দেশে। মুইজ্জুর সরকার ক্ষমতায় আসার পরেই ভারতের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াতে শুরু করে মলদ্বীপ প্রশাসন (India Maldives Relation)। ঘনিষ্ঠ হতে থাকে ড্রাগনের দেশের সঙ্গে। ভারতের পরিবর্তে চিনের অর্থনৈতিক সাহায্যের প্রত্যাশী হয় মুইজ্জু সরকার। তবুও মলদ্বীপ সরাসরি ভারতের বিরোধিতা করতে পারেনি। কারণ ভারতের সঙ্গে মলদ্বীপের রয়েছে ভৌগোলিক নৈকট্য।

    ভোট-বৈতরণী পার মুইজ্জুর দলের

    মনোহর পরিক্কর ইনস্টিটিউট অফ ডিফেন্স স্টাডিজ অ্যান্ড অ্যানালিসিসের রিসার্চ ফেলো স্মূর্তি পট্টনায়েক বলেন, “যে নেতাই ক্ষমতায় আসুন না কেন, তাঁকে প্র্যাগমেটিক (বাস্তবপন্থী) হতেই হবে।” দক্ষিণ এশিয় এই বিশেষজ্ঞ সংবাদ মাধ্যমে বলেন, “নির্বাচনী প্রচারের বক্তৃতাগুলি ছিল আলাদা আলাদা।” গত নির্বাচনেই প্রেসিডেন্ট পদে জয়ী হয়েছিলেন মুইজ্জু। ভারত-বিরোধিতাকেই হাতিয়ার করে তার দল পার হয়েছিল ভোট-বৈতরণী। প্রচার করতে গিয়ে তিনি জোর দিয়েছিলেন ‘ইন্ডিয়া আউট’ স্লোগানে। ভারতের যে কয়েকজন সেনা জওয়ান মলদ্বীপে শান্তিরক্ষার কাজে নিয়োজিত ছিলেন, তাঁদেরও দ্বীপরাষ্ট্র ছেড়ে চলে যাওয়ার আওয়াজ তোলেন। ভারতীয় এই সেনার সংখ্যাটা একশোরও কম। ভারত-বিরোধী হাওয়া জোরালো করে প্রেসিডেন্ট পদে বসেন মুইজ্জু। তার পরেই সরিয়ে দেওয়া হয় সে দেশে থাকা ভারতীয় জওয়ানদের।

    ভারত-মলদ্বীপ মন কষাকষি

    গত ডিসেম্বরে ভারতের সঙ্গে জলভাগের মানচিত্র চুক্তি পুনর্নবীকরণ করার সিদ্ধান্ত নেয় মলদ্বীপ প্রশাসন (India Maldives Relation)। জাতীয় সুরক্ষার স্বার্থেই এই চুক্তি পুনর্নবীকরণ করার সিদ্ধান্ত নেয় দ্বীপরাষ্ট্রটি। এই চুক্তি প্রথম স্বাক্ষরিত হয়েছিল ২০১৯ সালের ৮ জুন, মোদির মলদ্বীপ সফরের সময়। দ্বীপরাষ্ট্র থেকে ভারতকে সেনা প্রত্যাহার করে নিতে বলার পর চলতি বছরের জানুয়ারিতে চিনা জলযানকে রিসার্চ ওয়ার্কের জন্য নিজেদের জলসীমায় প্রবেশ করানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় মুইজ্জু সরকার। চিনের এই চর জাহাজ যাতে মলদ্বীপের জলসীমায় না ঢোকে সে জন্য নানাভাবে মুইজ্জু প্রশাসনকে চাপ দিতে থাকে ভারত। দক্ষিণ ভারত মহাসাগরে যাতে চিনের ওই গুপ্তচর জাহাজ (যাকে গবেষণার কাজে ব্যবহৃত জাহাজ বলে দাবি করছে চিন) যাতে না নোঙর করে, সেজন্য নয়াদিল্লির তরফে অব্যাহত হতে থাকে মুইজ্জু প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করা। তা সত্ত্বেও ভারত মহাসাগরে মলদ্বীপের জলসীমানয় নোঙর করেছিল ওই চিনা চর জাহাজ।

    ভারতের নীতির পথে চিন কাঁটা

    ভারত-মলদ্বীপের এসব মন কষাকষির মধ্যেই গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো প্রকাশ্যে চলে আসে মলদ্বীপের তিন জুনিয়র মন্ত্রীর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য। পরে আবার ভারতের জাতীয় পতাকাকে অপমান করেন সে দেশের মুইজ্জু সরকারের বরখাস্ত হওয়া এক মন্ত্রী। এসবের জেরেই ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্কে চিড় ধরে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যা পরিণত হয়েছে গভীর ফাটলে। অথচ নয়াদিল্লির ‘প্রতিবেশী প্রথম নীতি’ অনুযায়ী ভারতের কাছে মলদ্বীপের গুরুত্ব কম নয়। কারণ ভারত মহাসাগরে এই দেশটির অবস্থান। ভারতের (India Maldives Relation) সঙ্গে মলদ্বীপের এথনিক, লিঙ্গুইসটিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় এবং বাণিজ্যিক বিষয়-আশয় আদান-প্রদান হয়। সেই কারণেই ভারত বরাবর মলদ্বীপের সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে। মুইজ্জু প্রশাসনের ভারত-বিরোধিতার মাঝেও কূটনৈতিকস্তরে আলোচনা চালিয়ে মলদ্বীপের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি করতে চাইছে নয়াদিল্লি। তবে ভারতের এই প্রচেষ্টায় পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে দ্বীপরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের অত্যধিক চিন-প্রীতি।

    আরও পড়ুুন: “আত্মনির্ভর হোন, সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভাবুন”, মুসলিমদের উদ্দেশে বললেন মোদি

    ভারত মহাসাগরের একটি দেশ হওয়ায় মলদ্বীপকে যতটা প্রয়োজন ভারতের, দ্বীপরাষ্ট্রেরও তার চেয়ে বেশি প্রয়োজন ভারতকে। সেই কারণেই তীব্র ভারত-বিরোধী অবস্থান নিতে পারছে না মুইজ্জু প্রশাসন। এর একটা কারণ যদি হয়, ভারতের সঙ্গে মলদ্বীপের ভৌগোলিক দূরত্ব, তবে অন্য কারণটি অবশ্যই পর্যটনগত। চিনের সঙ্গে মলদ্বীপের যা দূরত্ব, তার চেয়ে ঢের কম ভারতের সঙ্গে দূরত্ব। তাছাড়া, পর্যটন শিল্প নির্ভর দেশ মলদ্বীপ। প্রতি বছর যত পর্যটক মলদ্বীপে বেড়াতে আসেন, তার সিংহভাগই ভারতীয়। তাই ভারতকে সমঝে চলাই দস্তুর বলে মনে করে মলদ্বীপ প্রশাসন। সর্বোপরি, মলদ্বীপ প্রশাসনের মাথার ওপর রয়েছে বিপুল দেনার বোঝা। ২০২৩ সালের মধ্যেই ভারতকে ৪০০.৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ ফেরানোর কথা ছিল মুইজ্জু সরকারের। বছর পেরিয়ে গিয়ে নতুন বছরের মাঝামাঝি হতে চলল, সে ঋণ শোধ করেনি মালে (মলদ্বীপের রাজধানী)। এসবের জেরেই মলদ্বীপ প্রশাসনের পক্ষে তীব্র ভারত-বিরোধী অবস্থান নেওয়া প্রায় অসম্ভব বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের। তাই ভারতের মুখেপেক্ষী হয়ে থাকা ছাড়া আর কোনও উপায়ই নেই মুইজ্জু সরকারের সামনে (India Maldives Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share