Tag: bangla news

bangla news

  • Fitch Ratings: চলতি অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে দিল ‘ফিচ’, কত হল?

    Fitch Ratings: চলতি অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে দিল ‘ফিচ’, কত হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাম্প্রতিক গ্লোবাল ইকনমিক আউটলুক রিপোর্টে ফিচ রেটিংস (Fitch Ratings) ভারতের অর্থনীতি নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিল। তারা বলেছিল, চলতি বছর ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি হবে ৭.২ শতাংশ। এই ভবিষ্যদ্বাণীর দোরগোড়ায় পৌঁছালেও, মাত্র ০.২ শতাংশ কম হয়েছে। উল্লেখ্য, এই ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছিল মার্চ মাসে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, “আমরা এখনও আশা করি, চলতি বছর আরবিআইয়ের পলিসি রেট কমাবে। সেটা শীর্ষ ব্যাঙ্ক একবারই করবে। এই হার হতে পারে ৬.২৫ শতাংশ। মার্চে জিইওতে আমরা আশা করেছিলাম চলতি বছর বেসিস পয়েন্ট কমানো হবে ৫০। আমরা এও আশা করেছিলাম ২০২৫ এবং ২০২৬ অর্থবর্ষে বেসিস পয়েন্ট কমানো হবে ২৫।”

    ফিচ রেটিং সংস্থার আশা

    ফিচ রেটিং সংস্থার আশা, এদেশে ক্রমেই বাড়তে থাকবে লগ্নির পরিমাণ, সাম্প্রতিক ত্রৈমাসিকগুলির চেয়ে ধীর পদক্ষেপে হলেও। তবে কনজিউমার ব্যয় রিকভার করবে। একে সহযোগিতা করবে হাই কনজিউমার কনফিডেন্স। যাইহোক, এজেন্সির আশা, পরবর্তী বছরগুলিতে ভারতের বৃদ্ধি হবে মিডিয়াম টার্ম ট্রেন্ড। ফিচের রিপোর্টে বলা হয়েছে, আমরা রিয়েল জিডিপি গ্রোথ ফোরকাস্ট করেছিলাম ৬.২৫ শতাংশ ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে (মার্চ থেকে এই হার অপরিবর্তিত রয়েছে)। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে এই হার গিয়ে দাঁড়াবে ৬.২-তে গিয়ে। কমজিউমার ব্যয় এবং লগ্নির দ্বারা চালিত হয়েই বৃদ্ধির হার হবে উল্লিখিত শতাংশ (Fitch Ratings)।

    গ্লোবাল বৃদ্ধির বিষয়েও ইঙ্গিত

    ফিচ গ্লোবাল বৃদ্ধির বিষয়েও ইঙ্গিত দিয়েছিল। চলতি বছরে এই হার পূর্বের ২.৪ থেকে বেড়ে হবে ২.৬ শতাংশ। ইউরোপ রিকভারি প্রসপেক্টসে কনফিডেন্স বৃদ্ধি পাওয়াই এর প্রাথমিক কারণ। রফতানি ক্ষেত্রে চিনের পুনরুত্থান এবং বাজারে ডোমেস্টিক ডিমান্ড বৃদ্ধি পাওয়ায় বেড়েছে গ্লোবাল গ্রোথ। ফিচ আরও জানিয়েছে, ভারতের মুদ্রাস্ফীতি ক্রমেই নিম্নগামী হতে থাকবে। চলতি বছরের শেষে এটা পৌঁছবে ৪.৫ শতাংশে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে এই হার দাঁড়াবে গড়ে ৪.৩ শতাংশ। এই বিক্ষিপ্ত মুদ্রাস্ফীতি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার টার্গেট রেঞ্জ ২ শতাংশ থেকে বেড়ে হবে ৬ শতাংশ (Fitch Ratings)।

    আর পড়ুন: স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার পদে কারা, বৈঠকে বসছেন বিজেপি নেতৃত্ব

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RBI: বিশ্বমঞ্চে বন্দিত! লন্ডনে ‘রিস্ক ম্যানেজার অফ দ্য ইয়ার ২০২৪’ পুরস্কারে ভূষিত আরবিআই

    RBI: বিশ্বমঞ্চে বন্দিত! লন্ডনে ‘রিস্ক ম্যানেজার অফ দ্য ইয়ার ২০২৪’ পুরস্কারে ভূষিত আরবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত হল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI)। চলতি বছর ভারতের শীর্ষ ব্যাঙ্ককে ‘রিস্ক ম্যানেজার অফ দ্য ইয়ার ২০২৪’ পুরস্কারে ভূষিত করেছে লন্ডনের সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কিং। সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে এই তথ্য প্রকাশ করেছে আরবিআই। পোস্টে বলা হয়েছে, রিস্ক  ম্যানেজমেন্টের জন্য এই পুরস্কার পেয়েছে আরবিআই। শীর্ষ ব্যাঙ্কের তরফে পুরস্কার গ্রহণ করেন আরবিআইয়ের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মনোরঞ্জন মিশ্র।

    কী বলছে আরবিআই? (RBI)

    সুদের হার অপরিবর্তিত রাখায় বেশ কিছু ক্ষেত্রে অসাধারণ বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। ব্যাঙ্কিং, ফিনান্স, অটো এবং রিয়েল এস্টেটের ক্ষেত্রে শেয়ারে (RBI) ৯.৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি হয়েছে। শীর্ষ ব্যাঙ্ক রেপো রেট বজায় রেখেছে ৬.৫ শতাংশ। পুরস্কার প্রাপ্তির পর এক্স হ্যান্ডেলে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক লিখেছে, ‘ব্রিটেনের লন্ডনের সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কিং ২০২৪ সালের রিস্ক  ম্যানেজার অফ দ্য ইয়ার পুরস্কারে সম্মানিত করেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে। রিস্ক কালচার ও সচেতনতা ইমপ্রুভ করতে বেস্ট রিস্ক ম্যানেজার পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার তরফে শ্রী মনোরঞ্জন মিশ্র এই পুরস্কার গ্রহণ করেছেন।’

    উন্নত প্রযুক্তির সুফল 

    জানা গিয়েছে, সুপারভিশন এবং রিস্ক ম্যানেজমেন্টের ক্ষেত্রে ভারতের শীর্ষ ব্যাঙ্ক উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার করছে। এজন্য তারা এআই এবং মেশিন লার্নিং পদ্ধতি গ্রহণ করেছে। আরবিআই ঘোষণা করেছে, গ্রিনফিল্ড ডেটা সেন্টার চলতি বছরের শেষের মধ্যেই সম্পূর্ণ হওয়ার অ্যাডভান্স স্টেজে পৌঁছে যাবে। এই ডেটা সেন্টার রিসার্চের প্রাইমারি সোর্স। ডিজিটাল মিশনের অংশ হিসেবে শীর্ষ ব্যাঙ্ক পরিকাঠামো, পেমেন্ট, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট, অডিট এবং অ্যানালিটিক্সের মতো প্রধান ক্ষেত্র গুলিতে এআই এবং মেশিন লার্নিংয়ে উৎসাহ জোগানো হচ্ছে। আরবিআইয়ের বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিস্ক ম্যানেজমেন্টের লাইফ সাইকেলের ওপর এআইয়ের সম্পূর্ণ আবেদন রয়েছে।

    আর পড়ুন: স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার পদে কারা, বৈঠকে বসছেন বিজেপি নেতৃত্ব

    প্রসঙ্গত, আরবিআইয়ের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস জানিয়েছেন, ডিজিটাল পেমেন্টের ক্ষেত্রে জালিয়াতি ক্রমশ বাড়ছে। এসব বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। দাস জানান, আরবিআই একটি ডিজিটাল পেমেন্ট ইন্টেলিজেন্স প্লাটফর্ম তৈরি করার প্রস্তাব করছে। এর মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে (RBI)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Study Abroad: বিদেশে উচ্চশিক্ষা কে না চায়! বিশ্বের নানা প্রান্তে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাড়ছে পড়ার সুযোগ

    Study Abroad: বিদেশে উচ্চশিক্ষা কে না চায়! বিশ্বের নানা প্রান্তে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাড়ছে পড়ার সুযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয়দের মধ্যে বিদেশে পড়াশোনা (Study Abroad) করার ধারণা নতুন নয়। প্রতি বছর বিদেশে পড়তে যাওয়ার জন্য নাম নথিভুক্ত করায় বহু ছাত্রছাত্রী। এই তালিকা দ্রুত বাড়ছে। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, ২০২২ সালে ১৩,২৪,৯৫৪ জন ভারতীয় তাঁদের উচ্চ শিক্ষার জন্য সারা বিশ্বে ৭৯টি দেশে গিয়েছিলেন। অন্যান্য দেশের সঙ্গে ভারতের (Indian Students) কূটনৈতিক সম্পর্ক মোটের ওপর ভালো হওয়ায় ভারতীয় ছাত্রদের বিদেশে পড়াশোনা করতে অসুবিধা হয় না।

    অভিবাসন নীতি

    বিদেশী শিক্ষার প্রবণতা প্রতিবছর পরিবর্তিত হচ্ছে। বিভিন্ন দেশের অভিবাসন নীতিও ভারতীয় শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বে ভারতের সুনাম থাকায় এখান থেকে যাওয়া ছাত্রদের (Indian Students) খুব একটা সমস্যায় পড়তে হয় না। ভারতীয় দূতাবাসগুলিও এক্ষেত্রে ছাত্রছাত্রীদের পাশে দাঁড়ায়।

    প্রযুক্তির ব্যবহার

    কোভিড পরবর্তী সময়ে প্রতিটি বিষয়ের সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মিশ্রণ বিদেশী (Study Abroad) বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সংখ্যাকে ক্রমাগত প্রভাবিত করছে। সবাই এজ-কাটিং প্রযুক্তির সাথে পারদর্শী হতে চায়। তাছাড়া, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) এবং অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR) বিদেশে লোভনীয় শিক্ষা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সহজ কথায়, শিক্ষার্থীরা এই প্রযুক্তিগুলির সাথে পরিচিত হতে চাইছে।

    কলেজের সংখ্যা বৃদ্ধি

    বিগত ৪ বছরে শিক্ষার্থীদের জন্য নানা দেশে কলেজের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিটি দেশ কোভিড-১৯ এর কারণে হওয়া ক্ষতির ভারসাম্য বজায় রাখতে বিদেশী ছাত্রদের ভর্তিকে উৎসাহিত করছে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট দেশের জিডিপি বাড়ছে। বিদেশী ভূখন্ডের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি এখন বিশ্বব্যাপী প্রতিভা এবং সম্ভাবনাকে স্বীকৃতি দিচ্ছে। সুতরাং, এই ছাত্রদের উত্সাহিত করার জন্য, সরকার এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলি বিভিন্ন স্কলারশিপ দিচ্ছে। অনেক দেশ ভারতীয় শিক্ষার্থীদের তাদের দেশে ভর্তির জন্য অনুপ্রাণিত করছে। এ প্রসঙ্গে অনেকে ভারত সরকারের সহযোগিতাও চাইছে।

    আরও পড়ুন: তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম মন কি বাত, কী বার্তা থাকবে প্রধানমন্ত্রীর?

    বিদেশী ছাত্রদের জন্য ব্রিজ প্রোগ্রাম

    ছাত্ররা (Indian Students) আয়োজক দেশে অবতরণের সঙ্গে সঙ্গে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়। এই সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ব্রিজ কর্মসূচি নিয়ে আসছে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট দেশের ভাষা-সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হতে পারবে। এখন শুধু উচ্চবিত্ত নয়, মধ্যবিত্ত তো বটেই, সাধারণ গরিব ঘরের, এমনকি কৃষক পরিবারের সন্তানেরাও উচ্চশিক্ষার জন্য আমেরিকা, জার্মানি, সুইডেন, নরওয়ে, ডেনমার্ক, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড যাচ্ছেন। ওয়েবসাইটে ঢুকে আবেদন করে, স্কলারশিপ নিয়ে, ব্যাগপত্র গুছিয়ে বিমানে উঠে বসছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের (Study Abroad) ডরমিটরিতে থাকছেন, ক্লাস করছেন, লেখাপড়ার ফাঁকে যতটুকু কাজের সুযোগ আছে, তা গ্রহণ করছেন। কেউ টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট বা টিএ হিসেবে আগেই মনোনীত হচ্ছেন। সবকিছুই একটা শৃঙ্খলার মধ্যে  চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: বুথে হেরেছে শাসকদল! আরামবাগে বিজেপি কর্মীকে বাঁশপেটা, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Arambagh: বুথে হেরেছে শাসকদল! আরামবাগে বিজেপি কর্মীকে বাঁশপেটা, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরামবাগ (Arambagh) লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছে তৃণমূল। আর তারপর থেকেই বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেই চলেছে। বহু কর্মী ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ করেছেন। কিন্তু, পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এমনই অভিযোগে সরব বিজেপি নেতৃত্ব। ফলে, হামলার ঘটনা ঘটেই চলেছে। আরামবাগের সালোপুর-২ পঞ্চায়েতের ডোঙ্গল এলাকায় ফের এক বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মেরেছে তৃণমূল।

     ঠিক কী  ঘটনা ঘটেছে? (Arambagh)

    আরামবাগের ডোঙ্গলে মাঠে কাজ করার সময় একা পেয়ে এক বিজেপি কর্মীকে লাঠি ও বাঁশপেটার অভিযোগ উঠল স্থানীয় পঞ্চায়েতের তৃণমূলের উপপ্রধান এবং তাঁর এক সঙ্গীর বিরুদ্ধে। প্রহৃত শঙ্কর রায় নামে বিজেপি কর্মীকে গুরুতর জখম অবস্থায় আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর ছেলে লক্ষ্মীকান্ত রায় আরামবাগ থানায় উপপ্রধান উত্তম বেরা এবং তাঁর সঙ্গী প্রসেনজিৎ আদকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ জানায়, অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ির পাশে খেতে বাদাম তোলার কাজ করছিলেন শঙ্কর। সেই সময়েই তাঁর ওপরে হামলা হয়। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর ছেলে লক্ষ্মীকান্ত রায় বলেন, “লোকসভায় এই পঞ্চায়েতে প্রায় ১ হাজার ভোটে বিজেপি এগিয়ে ছিল। এটাই আমাদের অপরাধ। ফল প্রকাশের পর থেকেই উপপ্রধান হুমকি দিচ্ছিলেন। বাবাকে একা পেয়ে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে।” উপপ্রধানের দাবি, “গ্রামে ওদের পরিবারগুলি নিজেদের মধ্যে মারপিট করেছে। মিথ্যা আমাদের জড়ানো হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: “সুরক্ষা কবচ কোনও মাদুলি নয়”, রেল দুর্ঘটনায় মন্তব্য নিয়ে মমতাকে তুলোধনা সুকান্তর

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    হাসাপাতালে আহতকে দেখতে যান বিজেপির আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিমান ঘোষ এবং আরামবাগের বিধায়ক মধুসূদন বাগ। বিমান বলেন, “ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে হাইকোর্টের কড়া অবস্থানের পরেও তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা এলাকায় সন্ত্রাস চালাচ্ছে। দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে।” তৃণমূলের আরামবাগ ব্লক সভাপতি শম্ভুনাথ বেরা বলেন, “ঘটনার সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই। শুনেছি পাড়াগত ঝগড়া থেকে এই ঘটনা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sikkim: উত্তর সিকিমের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যেই চলছে উদ্ধার কাজ

    Sikkim: উত্তর সিকিমের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যেই চলছে উদ্ধার কাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টির জেরে বেহাল সিকিম (Sikkim)। আবহাওয়ার উন্নতি হওয়ার কোনও লক্ষণই নেই। উত্তরবঙ্গ সহ সিকিমে আরও বেশ কয়েকদিন যে দুর্যোগ চলবে সেই পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। এই পরিস্থিতিতে সিকিমে আটকে থাকা পর্যটকদের উদ্ধার কাজ শুরু করেছে প্রশাসন।

    চলছে উদ্ধার কাজ

    বিগত কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টি হয়েছে সিকিমে। একাধিক রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ধসের কারণে। তাই সিকিমে আটকে থাকা অন্তত ১২০০ পর্যটককে উদ্ধার করতে কিছুটা বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে উদ্ধারকারী দলকে। তবে শেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২ দিনে ৬০ জনের বেশি পর্যটককে উদ্ধার করা গিয়েছে। মঙ্গলবার সিকিমের লাচুং এবং মঙ্গন  (North Sikkim) জেলা থেকে ১৫ জন পর্যটককে উদ্ধার করে গ্যাংটক নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার ৫০ জনকে গ্যাংটক নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

    উত্তর সিকিমের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন

    প্রতিকূল আবহাওয়া পরিস্থিতির মধ্যেই বিআরও-র অক্লান্ত প্রচেষ্টায় ফের একবার ধসে বিধ্বস্ত উত্তর সিকিমের (North Sikkim) সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব হয়েছে। মংগন জেলার গুয়াহাটি বেসের ডিফেন্স পাবলিক রিলেশন অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহেন্দ্র রাওয়াত বলেন, ‘রাস্তা থেকে বড় বড় পাথরের টুকরো সরাতে একাধিক মেশিন এবং শ্রমিক নিয়োগ করা হয়েছিল। অধিকাংশ রাস্তায় বর্তমানে সাফ করা গিয়েছে।’ বিআরও প্রায় দু’দিনের মধ্যে ভেঙে যাওয়া সেতু পুনর্নির্মাণ করে ফেলেছে ৷ ফলে আবার উত্তর সিকিমের সঙ্গে সড়কপথে যোগাযোগ স্থাপনও সম্ভব হয়েছে ৷ তবে এখনও গাড়ি চলাচল স্থগিত রয়েছে। উত্তর সিকিমের বিপদসংকুল পাহাড়ি পথ টুং থেকে মঙ্গন পর্যন্ত পায়ে হেঁটেই আসতে হচ্ছে পর্যটকদের। 

    প্রাকৃতিক দুর্যোগ চলছেই

    মঙ্গলবারও নতুন করে সিকিমের (Sikkim) বহু এলাকায় ধস নামার কারণে পরিবহণ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়েছে। অন্যদিকে আবহাওয়া অনুকূল না থাকায় আটকে পড়া অনেক পর্যটককে এয়ারলিফ্ট করে উদ্ধার করাও সম্ভব হচ্ছে না।সিকিমে গত বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে দুর্যোগ। এতদিনেও পরিস্থিতির সেরকম উন্নতি হয়নি। প্রশাসন সূত্রের খবর,  গ্যাংটকে রাখা হয়েছে দুটি হেলিকপ্টার। প্রয়োজনে বাগডোগরা থেকেও সেনাবাহিনীর কপ্টার আনার পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু লাগাতার বৃষ্টি এবং মেঘ থাকার কারণে হেলিকপ্টার চালানো যাচ্ছে না। তাই উদ্ধারকাজে যথেষ্ট ব্যাঘাত ঘটছে। এই প্রেক্ষিতে সড়কপথই পর্যটকদের উদ্ধারের জন্য একমাত্র ভরসা হয়ে উঠেছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Post Poll Violence: কোচবিহারে মহিলা বিজেপি কর্মীকে ২০ জন তৃণমূল দুষ্কৃতীর ধর্ষণ! বিস্ফোরক বিপ্লব দেব

    Post Poll Violence: কোচবিহারে মহিলা বিজেপি কর্মীকে ২০ জন তৃণমূল দুষ্কৃতীর ধর্ষণ! বিস্ফোরক বিপ্লব দেব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভোট-পরবর্তী (Post Poll Violence) হিংসার চিত্র খতিয়ে দেখতে এসেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় টিম। বিজেপির দাবি, ভোটের ফল ঘোষণার পর উত্তর থেকে দক্ষিণ সর্বত্র তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছেন বিজেপির কর্মীরা। এই টিমের সদস্য ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ বিপ্লব দেব বিস্ফোরক দাবি করেন। তিনি বলেছেন “কোচবিহারে এক বিজেপি মহিলাকে ২০ জন তৃণমূল দুষ্কৃতী ধর্ষণ করেছে।” তাঁর মন্তব্যে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

    ঠিক কী বলেন বিপ্লব দেব (Post Poll Violence)?

    সোমবার কোচবিহারে তৃণমূলের হিংসা (Post Poll Violence) কবলিত এলাকায় মানুষের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিল বিজেপির কেন্দ্রীয় টিম। সেখানে গিয়ে শোনা যায়, বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট এবং ঘরছাড়া করেছে কীভাবে? ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর তৃণমূলের অত্যাচারের কথা বলতে গিয়ে বিপ্লব দেব বলেন, “বিজেপির এক মহিলা কর্মীকে ২০ জন তৃণমূলের দুষ্কৃতী মিলে ধর্ষণ করেছে। নির্যাতিতা মহিলা, পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে গেলে অভিযোগ নিচ্ছে না। নির্যাতিতাকে সুবিচার না দেওয়ায় ঈশ্বর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পতন ঘটাবেন। গোপন জবানবন্দি নেওয়ার ব্যবস্থা করেনি প্রশাসন। পুলিশের উচিত ছিল স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করা। একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর রাজ্যে প্রতিবাদ করার কি লোক নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লজ্জা করা উচিত। বাংলার মাটিকে এই ভাবেই তিনি কলঙ্কিত করেছেন।”

    আরও পড়ুনঃতৃণমূল দুষ্কৃতীদের অত্যাচারে ডায়মন্ড হারবারে জনশূন্য গ্রাম! তোপ রবিশঙ্করের

    আর কী বলেন?

    হিংসা (Post Poll Violence) কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বিপ্লব দেব আরও বলেন, “রাজ্যের নির্লজ্জতার একটা সীমা থাকা উচিত। মমতা সবকিছুকে অতিক্রম করে গিয়েছেন। ক্ষমতায় অন্ধ হয়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি ক্রমস পতনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। যখন পতন হবে, তখন মনে হবে সময় থাকতে কেন ব্যবস্থা নিলাম না। সিপিএমের যে ভাবে পতন ঘটেছে, তাঁরও ঠিক একইভাবে পতন হবে। তৃণমূলের হাল সিপিএমের থাকে খারাপ হবে। আমরা দিল্লিতে সব জানাবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার পদে কারা, বৈঠকে বসছেন বিজেপি নেতৃত্ব

    BJP: স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার পদে কারা, বৈঠকে বসছেন বিজেপি নেতৃত্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গল-সন্ধ্যায় বৈঠকে বসতে চলেছেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। বৈঠক হবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের বাসভবনে। লোকসভায় স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকার কারা হবেন, তা ঠিক করতেই বৈঠকে বসছেন পদ্ম নেতৃত্ব। সূত্রের খবর, বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেন এনডিএর কয়েকটি শরিক দলের নেতারা। সংসদের বিশেষ অধিবেশন শুরু হবে ২৩ জুন। তার দুদিন পরে ২৬ তারিখে হবে স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন।

    স্পিকার নির্বাচন (BJP)

    লোকসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের কোনও সাংসদকেই স্পিকার পদে মনোনীত করা হয় (BJP)। প্রথা মেনে ডেপুটি স্পিকারের পদটি দেওয়া হয় বিরোধীদের। গত লোকসভার অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকার পদে কাউকে বসানো হয়নি। যা নিয়ে সমালোচনার ঝড় বয়ে গিয়েছিল দেশজুড়ে। কংগ্রেসের এক প্রবীণ নেতা বলেন, “সরকার যদি ডেপুটি স্পিকারের পদটি বিরোধীদের না দেয়, তাহলে আমরা লোকসভার স্পিকার পদে প্রার্থী দেব।” প্রসঙ্গত, আগামী সপ্তাহে স্পিকার নির্বাচনে বিরোধীরা যদি সরকার পক্ষকে বাধ্য করেন, তাহলে স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে এমন ঘটনা এই প্রথম হবে। কারণ এতদিন পর্যন্ত স্পিকার বেছে নেওয়া হত সর্বসম্মতিক্রমে। এই দায়িত্ব সচরাচর বর্তায় কোনও অভিজ্ঞ সাংসদের ওপর।

    প্রথম স্পিকার

    সেন্ট্রাল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলিতে প্রথম স্পিকার নির্বাচন হয়েছিল পরাধীন ভারতে, ১৯২৫ সালের ২৪ অগাস্ট। এই নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন স্বরাজি পার্টির মনোনীত প্রার্থী ভিত্তালভাই জে প্যাটেল। তিনি পরাজিত করেছিলেন টি রঙ্গচারিয়ারকে। মাত্র দুটি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন প্যাটেল। তিনি পেয়েছিলেন ৫৮টি ভোট। আর তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বীর ঝুলিতে গিয়েছিল ৫৬টি ভোট। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে স্পিকার নির্বাচিত হন সর্বসম্মতিক্রমে। তবে এমএ আয়েঙ্গার, জিএস ধিলোঁ, বলরাম জাখর এবং জিএমসি বালাযোগী পরবর্তী লোকসভাগুলিতেও স্পিকার মনোনীত হয়েছিলেন।

    আর পড়ুন: পাকিস্তানের চেয়ে বেশি পরমাণু অস্ত্র রয়েছে ভারতের হাতে, বলছে রিপোর্ট

    অষ্টাদশ লোকসভার প্রথম অধিবেশন শুরু হবে ২৪ জুন। এই অধিবেশনে প্রথমে শপথ নেবেন সাংসদরা। পরে হবে স্পিকার নির্বাচন। প্রথা মেনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্পিকার নির্বাচনে মোশন আনবেন ২৬ তারিখে।প্রসঙ্গত, বর্ষীয়ান সাংসদ কংগ্রেসের কে সুরেশকে লোকসভায় প্রোটেম স্পিকার করা হতে পারে। তাঁর কাছেই (BJP) শপথ নেবেন সাংসদরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Ramakrishna 50: “পাখি ডিমে তা দিচ্ছে—সব মনটা সেই ডিমের দিকে, উপরে নামমাত্র চেয়ে রয়েছে!”

    Ramakrishna 50: “পাখি ডিমে তা দিচ্ছে—সব মনটা সেই ডিমের দিকে, উপরে নামমাত্র চেয়ে রয়েছে!”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরে নরেন্দ্রাদি অন্তরঙ্গ ও অন্যান্য ভক্তসঙ্গে

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    কামিনী-কাঞ্চনই যোগের ব্যাঘাত-সাধনা ও যোগতত্ত্ব

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) ও যোগতত্ত্ব—যোগভ্রষ্ট-যোগাবস্থা-নিবতনিস্কম্পমিব প্রদীপম্‌—যোগের ব্যাঘাত

    কারু কারু যোগীর লক্ষণ দেখা যায়। কিন্তু তাদের সাবধান হওয়া উচিত। কামিনী-কাঞ্চনই যোগের ব্যাঘাত। যোগভ্রষ্ট হয়ে সংসারে এসে পড়ে,–হয়তো ভোগের বাসনা কিছু ছিল। সেইগুলো হয়ে গেলে আবার ঈশ্বরের দিকে যাবে,–আবার সেই যোগের অবস্থা। সটকা কল জানো?

    মাস্টার—আজ্ঞে না—দেখি নাই।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)-ও-দেশে আছে। বাঁশ নইয়ে রাখে, তাতে বঁড়শি লাগানো দড়ি বাঁধা থাকে। বঁড়শিতে টোপ দেওয়া হয়। মাছ যেই টোপ খায় অমনি সড়াৎ করে বাঁশটা উঠে পড়ে। যেমন উপরে উঁচুদিকে বাঁশের মুখ ছিল সেইরূপই হয়ে যায়।

    নিক্তি, একদিকে ভার পড়লে নিচের কাঁটা উপরের কাঁটার সঙ্গে এক হয় না। নিচের কাঁটাটি মন—উপরের কাঁটাাটি ঈশ্বর। নিচের কাঁটার সহিত এক হওয়ার নাম যোগ।

    মন স্থির না হলে যোগ হয় না। সংসার-হওয়া মানরূপ দীপকে সর্বদা চঞ্চল করছে। ওই দীপটা যদি আদপে না নড়ে তাহলে ঠিক যোগের অবস্থা হয়ে যায়।

    কামিনী-কাঞ্চনই যোগের ব্যাঘাত। বস্তুত বিচার করবে। মেয়েমানুষের শরীরে কি আছে—রক্ত, মাংস, চর্বি, নারীভুঁড়ি, কৃমি, মুত, বিষ্ঠা এই সব। সেই শরীরের উপর ভালবাসা কেন?

    আমি রাজসিক ভাবের আরোপ করতাম—ত্যাগ করবার জন্য। সাধ হয়েছিল সচ্চা জরির পোশাক পরব, আংটি আঙুল দেব, নল দিয়ে গুড়গুড়িতে তামাক খাব। সাচ্চা জরির পোশাক পরলাম—এরা (মথুরবাবু) আনিয়ে দিলে। খানিকক্ষণ পরে মনকে বললাম, মন এর নাম সাচ্চা জরির পোশাক! তখন সেগুলোকে খুলে ফেলে দিলাম। আর ভাল লাগল না। বললাম, মন, এরই নাম শাল—এরই নাম আঙটি! এরই নাম নল দিয়ে গুড়গুড়িতে তামাক খাওয়া! সেই যে সব ফেলে দিলাম আর মনে উঠে নাই।

    সন্ধ্যা আগত প্রায়। ঘরের দক্ষিণ-পূর্বের বারান্দায়, ঘরের দ্বারের কাছে ঠাকুর মণির সহিত নিভৃতে কথা কহিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) (মণির প্রতি)—যোগীর মন সর্বদাই ঈশ্বরেতে থাকে, সর্বদাই আত্মস্থ। চক্ষু ফ্যালফ্যালে, দেখলেই বুঝা যায়। যেমন পাখি ডিমে তা দিচ্ছে—সব মনটা সেই ডিমের দিকে, উপরে নামমাত্র চেয়ে রয়েছে! আচ্ছা আমায় সেই ছবি দেখাতে পার?

    মণি—যে আজ্ঞা। মাই চেষ্টা করব যদি কোথাও পাই।

    আরও পড়ুনঃ “কামিনী-কাঞ্চনের ঝড় তুফানগুলো কাটিয়ে গেলে তখন শান্তি”

    আরও পড়ুনঃ “হিন্দুরা জল খাচ্ছে একঘাটে বলছে জল; মুসলমানরা আর-এক ঘাটে খাচ্ছে বলছে পানি”

    আরও পড়ুনঃ “সচ্চিদানন্দলাভ হলে সমাধি হয়, তখন কর্মত্যাগ হয়ে যায়”

    আরও পড়ুনঃ “তিনি দাঁড়াইলে ঠাকুর বলিলেন, বলরাম! তুমি? এত রাত্রে?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: রেখা পাত্র ‘সন্দেশখালির বাঘিনী’, বিরাট ইঙ্গিত বিজেপির কেন্দ্রীয় টিমের

    Sandeshkhali: রেখা পাত্র ‘সন্দেশখালির বাঘিনী’, বিরাট ইঙ্গিত বিজেপির কেন্দ্রীয় টিমের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট-পরবর্তী হিংসা পরিদর্শন করতে সন্দেশখালিতে আসলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় টিম। মঙ্গলবার বিকেলে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) সড়বেড়িয়া এলাকায় আসেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার তৈরি করা ৪ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। এই দলের মধ্যে রয়েছেন ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব, কেন্দ্রীয় প্রাক্তন আইন মন্ত্রী রবি শংকর প্রসাদ, বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল সহ আরও চারজন। এদিন সন্দেশখালির প্রতিবাদী মুখ রেখা পাত্রের কাছ থেকে অত্যাচারের বিবরণ শোনেন প্রতিনিধি দল।

    এদিন তাঁরা সড়বেড়িয়ার আগারহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ছোট বিট পোলের ৪২, ৪৫ নম্বর বুথের বামন ঘেরি এলাকায় গিয়ে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলেন টিম। তাঁদের বর্তমান অবস্থার কথা জানার চেষ্টা করেন। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলে বেশ কিছু তথ্য সংগ্রহ করেন তাঁরা। তথ্য সংগ্রহ করার পাশাপাশি বিজেপি কর্মীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

    প্রতিনিধি দলের বক্তব্য (Sandeshkhali)

    প্রতিনিধি দলের সদস্য তথা উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন ডিজিপি ব্রিজপাল সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) গিয়ে রেখা পাত্রকে বলেন, “রেখা পাত্র সন্দেশখালির বাঘিনী। রেখা যেভাবে লড়াই করেছে, তা বলার মতো। আমি বলে রাখলাম এই মেয়ে অনেক দূর যাবে। আমি এই নিয়ে বাংলায় মোট পাঁচবার এসেছি। এই সন্দেশখালিতে কেবল অত্যাচারই হয়েছে। আমি উর্দি পরেছি। কিন্তু এখানে পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা দেখে দুঃখ পাই।” একই সঙ্গে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদও রেখার সাহসিকতার জন্য বাহবা দেন।

    আরও পড়ুনঃ তৃণমূল দুষ্কৃতীদের অত্যাচারে ডায়মন্ড হারবারে জনশূন্য গ্রাম! তোপ রবিশঙ্করের

    রেখা পাত্রের বক্তব্য

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) গদখালিতে তৃণমূল দুষ্কৃতীরা বিজেপি কর্মীদের উপর ব্যাপক অত্যাচার করেছে। আর সেই আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের পাশে থেকে রেখা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন শক্তিস্বরূপা। আজ প্রাক্তন পুলিশকর্তা বাঘিনী বললেন আমাকে, তবে আমার মনে হয়, এটা শুধু আমাকে বলা নয়, সন্দেশখালির প্রত্যেক মহিলাকে বলা হয়েছে। মানুষে তো বাড়িতেই ফিরতে পারেননি। কাউন্টিং এজেন্টরা এখনও ঘরছাড়া। গ্রামে ঢুকতে পারেননি। তাহলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হল কীভাবে?”

    তৃণমূলের অত্যাচারে দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক গ্রাম জনশূন্যে পরিণত হয়েছে। এই টিম কলকাতা, কোচবিহার এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক জায়গায় নিপীড়িত বিজেপির কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেছে। বিজেপির টিম রাজ্যে ভোট-পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে এবং এলাকা পরিদর্শন করে রিপোর্ট দেবেন সর্বভারতীয় সভাপতি জগত প্রকাশ নাড্ডার কাছে। আজই তাঁদের রাতে দিল্লি ফিরে যাওয়ার কথা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ভোট-পরবর্তী ‘হিংসা’ নিয়ে হাইকোর্টে রিপোর্ট জমা রাজ্যের, কী রয়েছে তাতে?

    Calcutta High Court: ভোট-পরবর্তী ‘হিংসা’ নিয়ে হাইকোর্টে রিপোর্ট জমা রাজ্যের, কী রয়েছে তাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি শেষ হয়েছে এবছরের লোকসভা নির্বাচন। তবে ভোট শেষ হলেও শেষ হচ্ছে না ভোট পরবর্তী হিংসার (Bengal Post-Poll violence) ছবি। এবার ভোট পরবর্তী ‘হিংসা’ মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) রিপোর্ট জমা দিল রাজ্য। এখনও পর্যন্ত কতকগুলি এফআইআর দায়ের হয়েছে এবং কী কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা নিয়ে রিপোর্ট জমা দিয়েছেন রাজ্য পুলিশের ডিজি সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়। একটি সংগঠন এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ভোট পরবর্তী ‘হিংসা’ নিয়ে মামলা করেছিলেন হাইকোর্টে। সেই মামলা দুটি নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য পুলিশের ডিজির তরফে ১৪ জুন এই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার এই মামলা আদালতে শুনানির জন্য উঠেছিল। কিন্তু সব পক্ষের কাছে রিপোর্ট না থাকায় শুনানি হয়নি। জানা গিয়েছে, আগামী বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি হবে।

    ভোট পরবর্তী হিংসার কথা মেনে নিচ্ছে রাজ্য (Bengal Post-Poll violence) 

    রাজ্য সরকারের পেশ করা ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ৬ থেকে ১২ জুন পর্যন্ত ৫৬০টি অভিযোগ জমা পড়েছে। এর মধ্যে ১০৭টি এফআইআর দায়ের হয়েছে। এই রিপোর্টের প্রেক্ষিতে মামলাকারীর আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্য বলেন, রাজ্য যে রিপোর্ট দিয়েছে তাতে যা উল্লেখ করা হয়েছে তাতে বোঝা যায়, ভোট পরবর্তী হিংসার কথা রাজ্য মেনে নিচ্ছে। এদিকে, অপর এক মামলাকারীর আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা তীব্রেওয়াল দাবি করেন, রাজ্যজুড়ে এখনও আড়াইশো জনের বেশি মানুষ ঘর ছাড়া রয়েছেন নির্বাচন পরবর্তী অশান্তির কারণে।  

    বাহিনী মোতায়েনের মেয়াদ বাড়লে আপত্তি নেই, জানাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

    অন্যদিকে, বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসার একাধিক অভিযোগে হাইকোর্ট (Calcutta High Court) আগেই জানিয়েছে যে, ২১ জুন পর্যন্ত রাজ্যে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। তবে এখন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে হাইকোর্টে জানানো হল, রাজ্যে বাহিনী মোতায়েনের মেয়াদ বাড়ানো হলে তাঁদের কোনও আপত্তি নেই। মঙ্গলবার বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের ডিভিশন বেঞ্চে এমনটাই জানিয়েছেন এএসজি অশোক চক্রবর্তী। 

    আরও পড়ুন: তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম মন কি বাত, কী বার্তা থাকবে প্রধানমন্ত্রীর?

    বিরোধী দলনেতার দাবি 

    এ প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, ভোটের পরে ‘হিংসা’ (Bengal Post-Poll violence) ছড়িয়েছে রাজ্যে। ‘আক্রান্ত’ হচ্ছেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা। আরও বেশি দিন রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখার আবেদন জানিয়ে এবং ‘আক্রান্ত’-দের নিরাপত্তা চেয়ে ১০ জুন হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হন শুভেন্দু। আর শুভেন্দুর দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে রাজ্যে বাহিনী থাকার সেই সময়সীমা আরও দুদিন বৃদ্ধি করেছে হাইকোর্ট।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share