Tag: bangla news

bangla news

  • South 24 Parganas: সরকারি লঞ্চে চড়ে দলীয় মিটিংয়ে গেলেন তৃণমূলের দুই বিধায়ক, কমিশনে নালিশ বিজেপির

    South 24 Parganas: সরকারি লঞ্চে চড়ে দলীয় মিটিংয়ে গেলেন তৃণমূলের দুই বিধায়ক, কমিশনে নালিশ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে ফের বিতর্কে জড়ালেন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা সহ তৃণমূল নেতৃত্ব। জানা গিয়েছে, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা (South 24 Parganas) জেলার গোসাবা বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের ডাকে সাংগঠনিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়। গোসাবা ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় সেই বৈঠক। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা মন্দিরবাজারের বিধায়ক জয়দেব হালদার এবং গোসাবা ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যান্য নেতৃত্বরা।

    সরকারি লঞ্চে তৃণমূলের মিটিংয়ে যোগ দিতে আসেন দুই বিধায়ক (South 24 Parganas)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গোসাবা (South 24 Parganas) বিডিও-র লঞ্চে করে দলীয় মিটিংয়ে যোগ দিতে আসেন ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা এবং মন্দির বাজারের বিধায়ক জয়দেব হালদার। আর এই ঘটনার সামনে আসতে সুর চরিয়েছে বিরোধীরা। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ , নির্বাচন বিধি লাগু হওয়ার পর কিভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় মিটিংয়ে বিডিও লঞ্চ ব্যবহার করে দুই বিধায়ক তাদের দলীয় মিটিংয়ে আসে। নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে তারা সরকারি লঞ্চ ব্যবহার করছে এমনটাই অভিযোগ করছে বিজেপি। তবে, এই ঘটনায় গোসাবা বিডিও বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না।

    আরও পড়ুন: “লোহার রড, শাবল দিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালালো তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    তবে,এ বিষয়ে নির্বাচন বিধি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে নির্বাচন আধিকারিকের কাছে অভিযোগ দায়ের করতে চলেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা বিকাশ সর্দার বলেন, এখন বিভিন্ন বিডিও অফিস, ডিএম অফিস, থানা থেকে ওপরে সমস্ত সরকারি দফতরগুলি শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সম্পত্তিতে পরিণত হয়েছে। তারা ভুলেই গেছে এখন নির্বাচন আচরণবিধি কার্যকরী হয়ে গিয়েছে। তারপরেও কীভাবে বিডিও অফিসের লঞ্চ নিয়ে নির্বাচনী প্রচারে যেতে পারে?এই বিষয় নিয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ দায়ের করব। পাশাপাশি এই বিষয় নিয়ে মন্দির বাজারের বিধায়ক তথা সুন্দরবন সংগঠনিক জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি জয়দেব হালদার বলেন, এমন কোনও ঘটনায় ঘটেনি। আমরা ব্যক্তিগতভাবে লঞ্চ ভাড়া করে নিয়ে প্রচার কর্মসূচিতে যাই। বিরোধী শিবির ও বিজেপির কোনও ইস্যু নেই, তাই এই ধরনের মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তারা সংবাদমাধ্যমে প্রচারে আসতে চাইছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura Weather: বাঁকুড়ায় তাপমাত্রা হাফসেঞ্চুরির পথে, আবহাওয়া দফতর জারি করল হাই-অ্যালার্ট

    Bankura Weather: বাঁকুড়ায় তাপমাত্রা হাফসেঞ্চুরির পথে, আবহাওয়া দফতর জারি করল হাই-অ্যালার্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরমের ঝোড়ো ব্যাটিং অব্যাহত। কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে লাল মাটির দেশের অবস্থা আরও বেহাল। বাঁকুড়ার (Bankura Weather) তাপমাত্রা ৪৪ ডিগ্রি পার করেছে ইতিমধ্যেই। সকাল থেকেই হুহু করে বেড়েছে পারদ। বর্ষার কোনও খবর নেই আগামী সাতদিনে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির এই হাল থাকলে আগামী দিনে ঘরেও টেকা দায় হয়ে উঠবে। এমতাবস্থায় বাঁকুড়ার বিভিন্ন জায়গায় মাইক প্রচার চালাচ্ছে পুলিশ। তাঁদের তরফ থেকে রাস্তার বিভিন্ন মোড়ে খোলা হয়েছে জলছত্র।

    ১০টা থেকে ৪টে পর্যন্ত রাস্তায় না বের হওয়ার পরামর্শ (Bankura Weather)

    বাঁকুড়ায় (Bankura Weather) এমনিতেই গরমে নাজেহাল মানুষ। তার উপর এদিন সকাল থেকেই এতটাই রোদের তেজ যে বাইরে বের হলেই মুখ হাত পুড়ে যাওয়ার মতন অবস্থা। গরম হলকায় চোখ মুখ পুড়ে যাওয়ার মতন অবস্থা। বাইরে বেরোলেই নিঃশ্বাস নিতে অসুবিধা অনুভব করেছেন বহু মানুষ। বাইরে বেরিয়ে অসুস্থ বোধ করেছেন অনেকে। পুলিশের তরফ থেকে জেলা জুড়ে জারি করা হয়েছে হাই এলার্ট। মাইকে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত রাস্তায় মানুষকে না বের হতে অনুরোধ করা হচ্ছে। আরও জানা গেছে গরমে বাঁকুড়ার বিভিন্ন জঙ্গলে আগুন লাগার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বসন্ত থেকে মনসুনের আগে পর্যন্ত বাঁকুড়ার জঙ্গলে গাছের পাতা পড়া অব্যাহত থাকতে। শুকনো পাতায় আগুন লেগেছে দেখলেই দ্রুত প্রশাসনকে জানাতে অনুরোধ করা হচ্ছে পুলিশের তরফ থেকে। জঙ্গলে গিয়ে বিড়ি সিগারেট খেতে নিষেধ করা হচ্ছে স্থানীয় মানুষকে। কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

    প্রশাসনের বক্তব্য

    বিষ্ণুপুরের (Bankura Weather) এসডিও সুপ্রকাশ দাস বলেছেন, “প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে কেউ যেতে না বের হন তাঁর জন্য সকলকে অনুরোধ করা হচ্ছে। বিভিন্ন থানার পক্ষ থেকে জলছত্র খুলতে বলা হয়েছে। যে সকল পুলিশ রাস্তায় ডিউটি করছেন তাঁদের ওআরএস ও জল সঙ্গে রাখতে বলা হয়েছে। ছাতা ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। গরমের সময় জঙ্গলে আগুন লাগার সম্ভাবনা তৈরি হয়। এবারও কয়েকটি জায়গায় আগুন লক্ষ্য করা গেছে। সঙ্গে সঙ্গে নিভিয়ে ফেলা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Thumb Shapes: হাতের আঙুলের গঠন বলে দেবে আপনি কেমন! জানেন কীভাবে?

    Thumb Shapes: হাতের আঙুলের গঠন বলে দেবে আপনি কেমন! জানেন কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক : প্রাচীন ভারতে  সমুদ্রশাস্ত্রের (Thumb Shapes) রচয়িতা ছিলেন সমুদ্র ঋষি। সমুদ্রশাস্ত্র অনেক পুরনো এক শাস্ত্র। এই শাস্ত্র অনুসারে একজন ব্যক্তির শরীরের অঙ্গগুলির গঠন অনেক গুরুত্বপূর্ণ গোপন তথ্য প্রকাশ করে। এই শাস্ত্র অনুসারে আঙুলের গঠন দেখে বলে দেওয়া যায় ব্যক্তিটি কেমন।

    আঙুল বলবে নানা তথ্য

    বুড়ো আঙুল লম্বা : যাদের বুড়ো আঙুল লম্বা হয় তারা বেশি মননশীল এবং আদর্শবাদী হন। এই ধরনের আঙ্গুলের লোকেরা সৃজনশীল এবং কল্পনাপ্রবণ কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকনে। এই ধরনের লোকেরা তাদের সমস্ত কাজ খুব নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করেন। এছাড়া শ্রম দানের চাইতে আরও স্মার্ট উপায়ে কাজ করতে পছন্দ করেন লম্বা আঙুলধারী লোকেরা।

    বুড়ো আঙুল ছোট: যাদের হাতের বুড়ো আঙুল ছোট, তারা খুব অন্যের সেবা প্রিয় হন। ছোট আঙুলের অধিকারীরা কঠোর পরিশ্রমের উপর নির্ভর করেন এবং খুব সাবধানে যে কোনও সিদ্ধান্ত নেন। শুধু তাই নয়, এই লোকেরা খুব ভালো করে জানেন কীভাবে অন্যের কাছ থেকে কাজ আদায় করতে হয়। তবে আচার-ব্যবহারের দিক থেকে এই মানুষগুলো একটু দুর্বল প্রকৃতির হন। এরা একটু বিলাস ব্যসনে থাকতে ভালোবাসেন। নিজের শখ পূরণের জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করতেও এদের বাধে না।

    বুড়ো আঙুল মোটা: যে সকল ব্যক্তির বুড়ো আঙুল মোটা হয় তারা অনেক বেশি কৃপণ হন। এই ধরনের ব্যক্তিরা অর্থ সঞ্চয় করতে পছন্দ করেন। এরা মুখের উপর কথা বলতে ভালোবাসেন। রাজনীতি এদের পছন্দের বিষয়।

    আরও পড়ুন: সোমবার রাজ্যের উষ্ণতম ছিল কলাইকুন্ডা, কলকাতার তাপমাত্রা কত?

     বুড়ো আঙুলের গাঁট লম্বা: যাদের বুড়ো আঙুলের উপরের গাঁটের পরের অংশ লম্বা হয় থাকে তারা খুব বুদ্ধিমান হয়। এই ধরনের মানুষদের পড়া-লেখার প্রতি অনেক আগ্রহ থাকে। এই লোকের যে কোনও সমস্যার একটি ভাল সমাধান খুঁজে বের করার ক্ষমতা থাকে। বিশ্লেষণ করার ক্ষমতাও এদের বেশি থাকে।

    বাঁকা বুড়ো আঙুল: বাঁকা বুড়ো আঙুলযুক্ত ব্যক্তিরা খোলা মনের এবং অপ্রচলিত সমাধানগুলি অন্বেষণ করতে ইচ্ছুক হন। এই আকারটি প্রায়শই সৃজনশীলতা, নমনীয়তা এবং অভিযোজনযোগ্যতার সাথে যুক্ত থাকে। 

    প্রশস্ত বুড়ো আঙুল: একটি প্রশস্ত বুড়ো আঙুল যুক্ত ব্যক্তিদের দৃঢ়চেতা, উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং অবিচল বলে মনে করা হয়। তারা নেতৃত্বের ভূমিকায় আকৃষ্ট হতে পারে এবং তাদের সিদ্ধান্তে আস্থা প্রদর্শন করা যেতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ভোটপ্রচারে চুটিয়ে খেললেন হকি, দিলীপের নিশানায় মমতা

    Dilip Ghosh: ভোটপ্রচারে চুটিয়ে খেললেন হকি, দিলীপের নিশানায় মমতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাঠি, ত্রিশূল, গদা, তলোয়ারের পর এবার দিলীপ ঘোষের হাতে হকি স্টিক। বর্ধমান শহরে একটি ক্লাবের মাঠে চুটিয়ে হকি খেললেন বর্ধমান দুর্গাপুর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) হাতে হকি স্টিক ও বল তুলে দেন বিজেপির বহিষ্কৃত নেতা শ্যামল রায়। দিলীপ বাবুর যুক্তি এটা দলের প্রোগ্রাম নয় এবং উনি এই কেন্দ্রের ভোটার।

    চাকরি বিক্রি হয়েছে (Dilip Ghosh)!

    একাধিক ইস্যুতে এদিন শাসকদলকে নিশানা করেন বিজেপি প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা বর্ধমান দুর্গাপুর কেন্দ্রের প্রার্থী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। নিয়োগ দুর্নীতি প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন একদিকে তিনি চাকরি দিচ্ছেন। অন্যদিকে বিজেপি চাকরি খেয়ে নিচ্ছে। আসলে উনি চাকরি দিচ্ছেন না। উনি টাকা নিচ্ছেন। যেভাবে চাকরি বিক্রি করেছেন তা ইতিহাসে কখনও হয়নি।” এদিন সন্দেশখালি ইস্যুতেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) নিশানা করেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “শাহজাহানকে বাঁচাতে মরিয়া মমতা। আদালত বলছে শাহজাহানকে (Seikh Shahjahan) নিয়ে এত তৎপরতা কেন। এটা আগেও হয়েছে। তাঁর যত প্রাণ ভোমরা শাহজাহানের মত লোকেরা যার উপর টিএমসি (TMC) বেঁচে আছে, সরকার দাঁড়িয়ে আছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মত যারা গুন্ডা পুলিশের রাজনীতি করে তাঁরা ভিখারির জায়গায় চলে যাবে। শাহজাহানের টাকা অনেক মন্ত্রীর কাছে গেছে। অনেক এমএলএ, এমপির কাছে গেছে, সরকারের কাছে গেছে, কালীঘাটে গেছে। টাকার কোন সীমা নেই। কতজনকে পাঠিয়েছে তার কোন তালিকা নেই। তদন্তে সব বের হবে। চিন্তা করবেন না।”

    আরও পড়ুনঃ কোভিড টিকা কোভিশিল্ডে বিপদ! বিরল রোগের সম্ভাবনা রয়েছে কতটা?

    সংখ্যালঘুদের নিয়ে কী বললেন দিলীপ?

    এদিন সংখ্যালঘু ভোটের ইস্যুতে মুখ খোলেন দিলীপ। তিনি বলেন, “ওরা সংখ্যালঘুদের ভোট নিয়ে ভাবে। আমরা সংখ্যালঘুদের নিয়ে ভাবি। তাদের বাড়ি, শৌচালয় করে দিয়েছেন মোদি। জল দিয়েছেন, গ্যাস দিয়েছেন, রাস্তা দিয়েছেন, রেশনের চাল দিয়েছেন। তাঁদের ছেলে মেয়েদের পড়াশোনার জন্য বৃত্তি দিচ্ছেন। কংগ্রেস সিপিএম শুধু ব্যবহার করেছে। ক্রিমিনাল তৈরি করেছে। এবার দিদির সঙ্গে একই ঘটনা ঘটবে। তাঁদের জন্য কেউ কিছু করেনি। শুধু ভোটার বানিয়ে রেখেছে। ওরা সেটা বুঝে গেছে। সেই জন্য ওরা বলছে, মোদি হ্যায় তো মুমকিন হয়। এবার তারা পদ্মফুলের সঙ্গেই আছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sri Lanka: চিনের তৈরি হাম্বানটোটা বিমানবন্দরের রাশ ভারত-রুশ সংস্থার হাতে, বোধোদয় শ্রীলঙ্কার!

    Sri Lanka: চিনের তৈরি হাম্বানটোটা বিমানবন্দরের রাশ ভারত-রুশ সংস্থার হাতে, বোধোদয় শ্রীলঙ্কার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলাচ্ছে সমীকরণ। চিনের ফাঁদ থেকে বেরিয়ে ক্রমেই নয়াদিল্লির কাছাকাছি আসতে চাইছে শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka)। এই শ্রীলঙ্কায়ই দেশের বৃহত্তম হাম্বানটোটা বিমানবন্দর (Hambantota Airport) গড়ে উঠেছিল চিনের সহায়তায়। বেজিংয়ের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ প্রকল্পেই গড়া হয়েছিল দ্বীপরাষ্ট্রের এই দ্বিতীয় বৃহত্তম বিমানবন্দর। এই বিমানবন্দরেরই রাশ এবার যৌথভাবে হাতে নিতে চলেছে ভারত ও রাশিয়ার দুই সংস্থা।

    ড্রাগনের দেশকে বার্তা! (Sri Lanka)

    আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, কলম্বো (শ্রীলঙ্কার রাজধানী) যে ক্রমেই নয়াদিল্লির দিকে ঝুঁকছে, ড্রাগনের দেশকে সেই বার্তা দিতেই বিমানবন্দরটির (Hambantota Airport) পরিচালনার রাশ তুলে দেওয়া হল ভারত ও রাশিয়ার দুই কোম্পানির হাতে। সম্প্রতি এ বিষয়ে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে শ্রীলঙ্কার (Sri Lanka) মন্ত্রিসভা। জানা গিয়েছে, বিমানবন্দরটি যৌথভাবে পরিচালনা করবে শৌর্য অ্যারোনটিক্স প্রাইভেট লিমিটেড (ভারত) এবং এয়ারপোর্টস অফ রিজিয়নস ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি অফ রাশিয়া। এই দুই সংস্থাই বিমানবন্দরটি পরিচালনা করবে আগামী তিরিশ বছর।

    হাম্বানটোটা বিমানবন্দর

    প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে উদ্বোধন হয় হাম্বানটোটা বিমানবন্দরের (Hambantota Airport)। এই বিমানবন্দর নির্মাণের সিংহভাগ খরচ দিয়েছে চিন। বিমানবন্দরটির নামকরণ করা হয়েছে শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপক্ষের নামে। বিমানবন্দরটি তৈরি করতে খরচ হয়েছিল সাড়ে ১৭ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে (Sri Lanka) চড়া সুদে শ্রীলঙ্কাকে ১৬ হাজার কোটি টাকা দিয়েছিল ড্রাগনের দেশের এক ব্যাঙ্ক। সেই ঋণ শোধ করতে গিয়েই বিপাকে পড়ে দ্বীপরাষ্ট্রের প্রশাসন। ২০১৬ সাল থেকেই বিমানবন্দরটি দেখভালের জন্য বাণিজ্যিক সঙ্গী খুঁজছিল শ্রীলঙ্কা। কারণ উদ্বোধনের পর থেকে এ পর্যন্ত একবারও লাভের মুখ দেখেনি বিমানবন্দরটি। বরং যত দিন গিয়েছে, ততই সব চেয়ে ফাঁকা বিমানবন্দরের তকমা পেয়েছে শ্রীলঙ্কার এই বিমানবন্দরটি। শেষমেশ ভারত ও রাশিয়ার দুই সংস্থা যৌথভাবে দায়িত্ব নিল বিমানবন্দরটি পরিচালনার।

    বিমানবন্দরের বেহাল দশা

    জানা গিয়েছে, এখান থেকে প্রাপ্ত অর্থই পরিশোধ করা হবে চিনের ব্যাঙ্ককে। বিমানবন্দরটির পরিচালনার ভার নিতে চেয়ে আবেদন করেছিল পাঁচটি কোম্পানি। তাদের মধ্যে থেকে বেছে নেওয়া হয়েছে দুটিকে। শ্রীলঙ্কার সরকারি মুখপাত্র বন্দুলা গুণবর্ধন বলেন, “ভারতীয় সংস্থাটির নাম শৌর্য অ্যারোনেটিক্স প্রাইভেট লিমিটেড এবং রাশিয়ান সংস্থাটির নাম এয়ারপোর্টস অফ রিজিয়নস ম্যানেজমেন্ট।” উদ্বোধনের প্রায় পর থেকেই ক্ষতির মুখে পড়ে রয়েছে দ্বীপরাষ্ট্রের হাম্বানটোটা বিমানবন্দর (Hambantota Airport)। প্রথম দিকে অবশ্য ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক বিমান ওঠানামা করত। সংখ্যায় কম হলেও, সচল ছিল বিমানবন্দর। পরে ধীরে ধীরে কমতে থাকে বিমান ওঠানামা। এক সময় বন্ধই হয়ে যায়। ধু ধু প্রান্তরে পরিণত হয় সাজানো গোছানো আস্ত বিমানবন্দর।

    আরও পড়ুুন: “উল্টে ঝুলিয়ে এমন শাস্তি দিতাম, দাঙ্গার কথা ভাবতে পারত না”, কড়া বার্তা যোগীর

    চিনা ঋণের ফাঁদ

    জানা গিয়েছে, একের পর এক দেশকে ঋণ দিয়ে ফাঁদে ফেলছে চিন। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২০ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে চিন ঋণ দিয়েছে সব মিলিয়ে ১৬৫টি দেশকে। মার্কিন ডলারের অঙ্কে এর পরিমাণ হল ১.৩৮ ট্রিলিয়ন। চিনের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি ঋণ নিয়েছে রাশিয়া। দেনার পরিমাণ ১৭০ বিলিয়ন ডলার। এর পরেই রয়েছে ভেনেজুয়েলা। তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারতের পড়শি দেশ পাকিস্তান। ঋণের পরিমাণ প্রায় ৭০ বিলিয়ন ডলার। পশ্চিমের দেশগুলির অভিযোগ, চিনা ঋণের ফাঁদ আসলে মৃত্যু ফাঁদ।

    আরও পড়ুুন: “মাতৃশক্তির বিষয়ে বিজেপির অবস্থান স্পষ্ট”, প্রোজ্জ্বলকাণ্ডে বললেন শাহ

    চাইলেই আর্থিকভাবে দুর্বল দেশগুলিকে চড়া সুদে ঋণ দেয় বেজিং। দেনা মেটাতে না পেরে যখন ভেঙে পড়ে ঋণগ্রস্ত দেশগুলির অর্থনীতির কোমর, তখনই হাত গুটিয়ে নেয় চিন। উপায়ান্তর না দেখে ড্রাগনের দেশের কাছে সারেন্ডার করে ঋণগ্রস্ত দেশগুলি। এভাবেই একের পর এক দেশের চালিকা শক্তি হয়ে উঠেছে চিন। দ্বীপরাষ্ট্রের জলবন্দর হাম্বানটোটার পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে চিন (Sri Lanka)। সেখান থেকে এই বিমানবন্দরের (Hambantota Airport) দূরত্ব খুব বেশি নয়। সেদিক থেকে দেখলে, ড্রাগনের দেশের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলতে শুরু করল ভারত ও রাশিয়া।

    বিমানবন্দরটির হাল ফেরে কিনা, এখন তা-ই দেখার (Sri Lanka)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Amit Shah: “বিজেপি কর্মীর খুনিদের পাতাল থেকে বের করে শাস্তি দেব”, বললেন অমিত শাহ

    Amit Shah: “বিজেপি কর্মীর খুনিদের পাতাল থেকে বের করে শাস্তি দেব”, বললেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বাংলায় ভোট প্রচারে এলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের মেমারির রসুলপুরে সভামঞ্চে উপস্থিত হয়েছেন তিনি। বিজেপি প্রার্থী অসীম সরকারের সমর্থনে এই সভার আয়োজন করা হয়েছে। মঞ্চে উঠেই তিনি বলেন, ‘অসীম সরকারকে যত ভোট দেবেন, ততই ভোট যাবে নরেন্দ্র মোদির কাছে।

     বিজেপি কর্মীর খুনিদের পাতাল থেকে বের করে শাস্তি দেব (Amit Shah)

    অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, বহু বিজেপি কর্মীকে বাংলায় খুন করা হয়েছে। আজ বলে যাচ্ছি, যারা এগুলো করেছে, আমাদের সরকার তৈরি হওয়ার পর পাতাল থেকে খুঁজে বের করে জেলে পাঠাবে বিজেপি। আমাদের দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে ভুয়ো মামলা করা হয়, লজ্জা হওয়ার উচিত। আমাদের নেতারা বাংলায় এসে হোটেল পায় না, গাড়ি পায় না, যে হোটেল বুক হয়, সেটা তৃণমূলের গুণ্ডারা খালি করে দেয়।’ আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে ভয় পায় বলে এসব করে।

    আরও পড়ুন: “লোহার রড, শাবল দিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালালো তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    সন্দেশখালি নিয়ে সুর চড়ালেন শাহ

    শাহ (Amit Shah) এদিন বলেন, সন্দেশখালিতে মা-বোনেদের যারা অত্যাচার করেছে, তাদের সকলকে জেলে পাঠানো হবে। তৃণমূল অনুপ্রবেশকারীদের আটকানোর চেষ্টা করছে না, কারণ তাদের ভোট ব্যাঙ্কে প্রভাব পড়বে। তিনি আরও বলেন, মোদি সরকারের সব যোজনা নিজের নাম লাগিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে মমতা দিদি। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন,  ‘পিএম ফসল যোজনা হয়ে গেল বাংলা ফসল যোজনা, পিএম আবাস হয়ে গেল বাংলার আবাস, স্বচ্ছ ভারত বদলে গিয়েছে নির্মল বাংলা নামে, জল জীবন মিশন হয়ে গেল মমতার জলস্বপ্ন।’ মোদি বাংলার জন্য ১০ লক্ষ কোটি টাকা পাঠিয়েছে, সেই টাকা কোথায় গেল, সেই প্রশ্ন তুলেছে তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন, বাংলায় বিনামূল্যে যে চাল আসে, সেটা দেন মোদি। ১২ কোটি মানুষের বাড়িতে শৌচালয় বানিয়ে দিয়েছেন মোদি। ৪ কোটি মানুষকে বাড়ি তৈরি করে দিয়েছেন মোদি। ১০ কোটি মানুষকে সিলিন্ডার দিয়েছেন, ১৪ কোটি মানুষের ঘরে পৌঁছে দিয়েছেন জল।

    ৩০ টি আসনে মোদিকে জেতান, বাংলা হবে দেশের এক নম্বর রাজ্য

    এদিন অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, দেশের মানুষ ও রামভক্তরা চাইতেন রাম মন্দির তৈরি হোক। যখন মন্দির তৈরি হল, তখন মমতা দিদিকে রাম মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠায় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কিন্তু, ওঁরা গেলেন না। কেন গেলেন না জানেন? কারণ ওঁরা অনুপ্রবেশকারীদের ভয় পায়। এরপর সাধার মানুষের উদ্দেশে বলেন, আপনারা ১৮ টি আসন দিয়েছিলেন, তারপরই তৈরি হল রাম মন্দির। ৩০ টি আসনে মোদিকে জেতান, আমরা বাংলাকে দেশের এক নম্বর রাজ্য হিসেবে গড়ে দেব। সোনার বাংলার স্বপ্নও পূরণ করবেন মোদি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মা-মাটি-মানুষের কথা বলেছিলেন। আসল মা-মাটি-মানুষের সরকার ফিরিয়ে আনতে পারেন মোদি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Covishield: কোভিড টিকা কোভিশিল্ডে বিপদ! বিরল রোগের সম্ভাবনা রয়েছে কতটা?

    Covishield: কোভিড টিকা কোভিশিল্ডে বিপদ! বিরল রোগের সম্ভাবনা রয়েছে কতটা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২০-২১ এর মহামারীর সেই দিনগুলোর স্মৃতি এখনও দগদগে। করোনা ভাইরাসের হাত থেকে তখন কোভ্যাকসিন-কোভিশিল্ডের (Covishield) মতো টিকাগুলোই হাজার হাজার মানুষের প্রাণ রক্ষা করেছিল। কিন্তু এবার সেই করোনার টিকা কোভিশিল্ড নিয়ে বড়সড় তথ্য ফাঁস হল। আদালতে পেশ করা নথি বলছে বিরল ঘটনা হলেও কোভিশিল্ড টিকার (covishield vaccine) পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় টিটিএস বা ‘থ্রম্বোসিস উইথ থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া সিনড্রোম’ -এর মতো বিরল রোগ। কোভিশিল্ডের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় (Covishield) কি হতে পারে মৃত্যু? এই নিয়ে প্রশ্নের দানা বেঁধেছে।

    আইনি মামলা দায়ের (Covishield)

    বিরল এই রোগে শারীরিক ক্ষতির পাশাপাশি মৃত্যু হয়েছে বলে সম্প্রতি একটি আইনি মামলা করা হয়েছে কোভিশিল্ড টিকা (Covishield Side Effect) প্রস্তুতকারীদের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে বেশ কয়েকটি পরিবার আদালতে অভিযোগ করেছে যে, কোভিশিল্ড টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (Side Effect) মারাত্মক ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলেছে।

    গত ফেব্রুয়ারি মাসে আদালতে জমা দেওয়া একটি নথিতে অ্যাস্ট্রাজেনেকা সংস্থা জানায়, তাদের তৈরি করা প্রতিষেধকের কারণে বিরল রোগ থ্রম্বোসিস উইথ থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া সিনড্রোমে (TTS)-এ আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এই রোগে আক্রান্ত হলে রক্তে অণুচক্রিকার পরিমাণ কমে যায় এবং রক্ত জমাট বাঁধতে শুরু করে।

    আরও পড়ুনঃ প্রয়াত হলেন সারদা মঠ ও রামকৃষ্ণ-সারদা মিশনের অধ্যক্ষা আনন্দপ্রাণা মাতাজি

    রোগের লক্ষণ

    এই বিরল রোগে শরীরের নানা জায়গায় রক্ত জমাট বেঁধে (Blood Clots) কমে যেতে পারে রক্তে প্লেটলেটসের মাত্রা। রক্তে প্লেটলেটসের মাত্রা কমে এলে তা শরীরের পক্ষে বিপজ্জনক হতে পারে। ফলে  মাথায় অসহ্য যন্ত্রণা, পেটে যন্ত্রণা, পা ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট,  জ্ঞান হারানোর মত সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    মূলত যাঁরা ভ্যাক্সজেভরিয়া বা অ্যাস্ট্রেজেনেকার কোভিশিল্ড টিকা নিয়েছেন বা জনসন অ্যান্ড জনসন/জ্যানসেন-এর কোভিড টিকা নিয়েছেন, তাঁদেরই এই ধরনের রোগের ঝুঁকি আছে। তাই উপরিউক্ত কোনোরকম সমস্যা হলে তৎক্ষণাৎ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

    প্রসঙ্গত, করোনা পর্বের ভারতে কোভিশিল্ড সর্বাধিক জনপ্রিয় হয়েছিল। ঘরে ঘরে মানুষ এই টিকার দুটি আবার কেউ কেউ তো তিনটি অর্থাৎ বুস্টার ডোজও (Booster dose) গ্রহণ করেছেন। সে ক্ষেত্রে এতদিন পর কোভিশিল্ড টিকা (Covishield) সম্পর্কিত এই ভয়ংকর তথ্য প্রকাশ্যে আসতে আতঙ্কিত হচ্ছেন সকলেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • T20 World Cup: জায়গা হল না গিল, রিঙ্কুর! কাম ব্যাক পন্থ-হার্দিকের, টি-২০ বিশ্বকাপের ভারতীয় দল ঘোষিত

    T20 World Cup: জায়গা হল না গিল, রিঙ্কুর! কাম ব্যাক পন্থ-হার্দিকের, টি-২০ বিশ্বকাপের ভারতীয় দল ঘোষিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জল্পনার অবসান। অবশেষে আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপের (T20 World Cup) স্কোয়াড ঘোষণা করে দিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। দলে একঝাঁক চমক রয়েছে। আমেদাবাদে বোর্ডের দল নির্বাচনী বৈঠক হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বোর্ড সচিব জয় শাহ, নির্বাচক প্রধান অজিত আগরকর। বৈঠকে দল বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের পারফরম্যান্সকে যে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তা বোঝা যায়।  ১৫ জনের মূল স্কোয়াডে জায়গা হল না রিঙ্কু সিংয়ের। সুযোগ পেলেন না শুভমন গিলের মতো তারকা ওপেনার। বাদ পড়লেন অভিজ্ঞ লোকেশ রাহুল। দলে ফিরলেন ঋষভ পন্থ, হার্দিক পান্ডিয়া।

    বিরাট ভরসা রোহিতের

    রোহিত শর্মার জন্মদিনের দিনেই ভারতীয় দল ঘোষণা করল বোর্ড। ২ জুন থেকে শুরু এ বারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup)। আমেরিকা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজে হবে সেই প্রতিযোগিতা। রোহিত শর্মার নেতৃত্বে খেলবে ভারত। ১৫ জনের দলে রয়েছেন বিরাট কোহলি, যশপ্রীত বুমরার মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটারেরা। রয়েছেন যশস্বী জয়সওয়ালের মতো তরুণ ক্রিকেটারেরা। ১৬ মাস পর ভারতীয় দলে প্রত্যাবর্তন ঋষভ পন্থের। এ বারের আইপিএলে ফর্মে রয়েছেন বিরাট। সব থেকে বেশি রান তাঁর ব্যাট থেকেই এসেছে। বিরাটকে দলে চেয়েছিলেন রোহিতও। তাই তাঁকে বাদ দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।

    আরও পড়ুন: ইডেনে সৌরভের দিল্লিকে হারিয়ে জয়ী শাহরুখের কেকেআর, প্লে-অফের আরও কাছে নাইটরা

    সহ অধিনায়ক হার্দিক

    ভারতীয় দলে (Team India) রয়েছেন টি-টোয়েন্টি (T20 World Cup) ক্রমতালিকায় এক নম্বরে থাকা ব্যাটার সূর্যকুমার যাদব। উইকেটরক্ষক হিসাবে দলে জায়গা হল পন্থের। সেই সঙ্গে দলে রয়েছেন সঞ্জু স্যামসনও। আইপিএলে ভাল খেলে ভারতীয় দলে জায়গা করে নিলেন তিনি। হার্দিকের ওপর ভরসা রেখেছে বোর্ড। তাঁকে সহ-অধিনায়ক করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ভারত আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপের এ-গ্রুপে রয়েছে। যুগ্ম আয়োজক আমেরিকার সঙ্গে এই গ্রুপে রয়েছে পাকিস্তান, কানাডা ও আয়ারল্যান্ড। ভারত তাদের চারটি গ্রুপ ম্যাচই খেলবে আমেরিকায়।  ভারত পাকিস্তান ম্যাচ রয়েছে ৯ জুন।

    পুরো টিম: রোহিত শর্মা (ক্যাপ্টেন), যশস্বী জয়সওয়াল, বিরাট কোহলি, সূর্যকুমার যাদব, ঋষভ পন্থ (কিপার), সঞ্জু স্যামসন (কিপার), হার্দিক পান্ডিয়া (ভাইস ক্যাপ্টেন), শিবম দুবে, রবীন্দ্র জাডেজা, অক্ষর প্যাটেল, কুলদীপ যাদব, যুজবেন্দ্র চাহাল, অর্শদীপ সিং, জসপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সিরাজ।

    রিজার্ভ: শুভমন গিল, রিঙ্কু সিং, খলিল আহমেদ, আবেশ খান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: ৭০ বছরের রেকর্ড ভাঙল তিলোত্তমা! পারদ পৌঁছল ৪৩ ডিগ্রিতে, মেদিনীপুরে ৪৭

    Weather Update: ৭০ বছরের রেকর্ড ভাঙল তিলোত্তমা! পারদ পৌঁছল ৪৩ ডিগ্রিতে, মেদিনীপুরে ৪৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেকর্ড পারদ চড়ল কলকাতায় (Weather Update)। গরমে ইতিহাস গড়ল তিলোত্তমা। পারদ পৌঁছল ৪৩ ডিগ্রিতে। মঙ্গলবার নথিভুক্ত হল শহরের উষ্ণতম দিন হিসেবে। এর আগে ১৯৫৪ সালের এপ্রিল মাসে সর্বকালীন রেকর্ড ছুঁয়েছিল কলকাতার তাপমাত্রা। সে সময় পারদ ওঠে ৪৩.৩ ডিগ্রিতে। কিন্তু মঙ্গলবার সেই রেকর্ড ভেঙে গেল। কলকাতার পারদ উঠল ৪৩.৪৪ ডিগ্রিতে। অর্থাৎ মঙ্গলবার ৭০ বছরের তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙে দিল কলকাতা। জেলাগুলির (Weather Update) তাপমাত্রাতেও এদিন রেকর্ড দেখা গেল। মেদিনীপুরে মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটা নাগাদ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছায় ৪৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

    রেকর্ড গড়ল মেদিনীপুর

    প্রসঙ্গত, বিগত কয়েক দিন ধরেই জেলার কলাইকুন্ডাতে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রির আশেপাশে ঘোরাফেরা করছিল (Weather Update)। স্বাভাবিকের থেকে ৮ ডিগ্রিরও বেশি উঠছিল তাপমাত্রা। তবে মঙ্গলবার সে সমস্ত কিছু রেকর্ড একেবারেই ভেঙে গেল। বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া দফতরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, মেদিনীপুরের তাপমাত্রা এখনও পর্যন্ত সর্বকালীন রেকর্ড ছুঁয়েছে মঙ্গলবার। প্রসঙ্গত, গতকাল সোমবারে কলকাতা তাপমাত্রা ছিল ৪১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১৯৮০ সালের পর এটি ছিল কলকাতার এপ্রিল মাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। তবে মঙ্গলবার তাও ভেঙে গেল।

    ৩ মে পর্যন্ত তীব্র তাপপ্রবাহ

    অন্যদিকে ইতিমধ্যে আবহাওয়া দফতর ঘোষণা করেছে, রবিবারের আগে বৃষ্টিপাতের কোনও সম্ভাবনা নেই। এর পাশাপাশি আগামী ৩ মে পর্যন্ত অতি তীব্র তাপপ্রবাহ চলার সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া দফতর (Weather Update)। গরমের দাপট থাকবে রাতের বেলাতেও। আগামী তিন চারদিন এমন শুষ্ক আবহাওয়া দেখা যাবে। পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদের কোনও কোনও জায়গায় তীব্র তাপপ্রবাহের আশঙ্কায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে ইতিমধ্যে। অন্য জেলাগুলিতে রয়েছে তাপপ্রবাহের কমলা সতর্কতা।

    কী বলছেন হাওয়া অফিসের অধিকর্তা? 

    আবহাওয়া দফতরের আঞ্চলিক অধিকর্তা সোমনাথ দত্ত বলেন, ‘‘প্রচণ্ড উষ্ণ পশ্চিমি হাওয়া অবাধে দাপট দেখাচ্ছে বাংলায়। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর বঙ্গোপসাগরের জলীয় বাষ্পপূর্ণ হাওয়া ঢুকছে। কিন্তু তা বেশ দুর্বল। তবে এই সপ্তাহে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকবে গাঙ্গেয় দক্ষিণবঙ্গে। উত্তর গোলার্ধে তৈরি হওয়া অক্ষরেখা ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে (Weather Update) দক্ষিণ দিকে আসবে। তার ফলে সপ্তাহান্তে ভিজতে পারে দক্ষিণবঙ্গ।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court Judgement: “নিয়োগ দুর্নীতির প্রথম সুবিধাভোগী মমতা”, তোপ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    Supreme Court Judgement: “নিয়োগ দুর্নীতির প্রথম সুবিধাভোগী মমতা”, তোপ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High court) ডিভিশন বেঞ্চের প্যানেল বাতিলের রায়কে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court Judgement) চ্যালেঞ্জ করে ধাক্কা খেয়েছে রাজ্য সরকার এবং স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)। সুপ্রিম কোর্ট স্থগিতাদেশ দেয়নি বরং শুনানি পিছিয়ে দিয়েছে জুন মাস পর্যন্ত। এরই মাঝে মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি এবং বর্তমানে তমলুক লোকসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    কী বললেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Supreme Court Judgement)?

    রাজ্য সরকারের সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court Judgement) যাওয়া এবং কোর্টের রাজ্য সরকারকে কোনও বাড়তি সুবিধে না দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “কেন অযোগ্যদের চাকরি হল। এর উত্তর আগে দিক ওরা। কেন ওএমআরের তথ্য নষ্ট করে দেওয়া হল এর উত্তর পাওয়া যায়নি। অতিরিক্ত প্যানেল সৃষ্টি করে যাদের বাড়তি নেওয়া হল তাঁরা কেন চাকরি করবেন। নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে কারা সুবিধাভোগী তা পুনরায় খুঁজে দেখার বিষয় উঠছে। এ বিষয়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের জবাব, “প্রথম সুবিধাভোগীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর ভাইপো। তাঁদের এখনই সিবিআইইয়ের জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ দাবি করে তমলুকের বিজেপি প্রার্থী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী থাকার কোন অধিকার নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।”

    আর কী বললেন অভিজিৎ?

    হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে চাকরি বাতিলের নির্দেশের পর ক্রুদ্ধ মুখ্যমন্ত্রী বিরোধী দল থেকে বিচারব্যবস্থা কাউকে রেয়াত করেননি। যারা দুর্নীতি করে চাকরি পেয়েছে তাদেরও আশ্বস্ত করেছিলেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “যারা এত গরীব। যারা যোগ্য। কেউ এমএ পাস করেছে, কেউ বিএড করেছে তাঁদের সিস্টেম অনুযায়ী চাকরি দেওয়া হয়েছে। এক দুটো ভুল হয়ে থাকলে আমরা শুধরে নেব। তাই বলে তুমি চাকরি খেয়ে নেবে। আমরা ২ লক্ষ চাকরির রেডি রাখছি। লজ্জা করে না। তোর ভাই বোনের যদি চাকরি চলে যেত তুই তাহলে কি করতিস। তোর টাকা আছে। নিজের টাকা বাঁচাতে ভাজপা মেশিনে গেছিস।”সেদিন বিচারব্যবস্থা থেকে শুরু করে বিরোধী দলকে আক্রমণ করার সময় শালীনতার মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। পাল্টা অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় আরও বলেন, “ওনারা তো বলেছিলেন হাইকোর্ট নাকি বিজেপির কোর্ট। তাহলে সুপ্রিম কোর্টকে (Supreme Court Judgement) কী বলবেন। সুপ্রিম কোর্ট ও কি বিজেপির কোর্ট। যে প্রশ্নগুলি তুলেছে আদালত তাঁর উত্তর কোথায়।”

    আরও পড়ুনঃ “উল্টে ঝুলিয়ে এমন শাস্তি দিতাম, দাঙ্গার কথা ভাবতে পারত না”, কড়া বার্তা যোগীর

    রাজ্য সরকার মোটেও স্বস্তিতে নেই

    অতিরিক্ত পদ তৈরি সিদ্ধান্ত যারা নিয়েছিলেন তাঁদের উপর সিবিআইয়ের কড়া পদক্ষেপের বিষয়ে আপাতত স্থগিতাদেশ দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত । এ প্রসঙ্গে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের যুক্তি, “সেক্ষেত্রে পুরো মন্ত্রিসভা সিবিআই হেফাজতে চলে যেত। এই ডিভিশন বেঞ্চ পরিষ্কার করে দিয়েছিল যারা অতিরিক্ত পদ সৃষ্টি করেছিল তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court Judgement) যে পর্যবেক্ষণ দিয়েছে তাতে রাজ্য সরকার মোটেও স্বস্তির জায়গাতে নেই। এমনকি প্যানেলে না থাকা চাকরি প্রাপকদের নিয়ে তাঁদের পর্যবক্ষণে প্রশ্ন তুলেছে সুপ্রিম কোর্ট।” নিয়োগ দুর্নীতিকে ভয়ংকর দুর্নীতি আখ্যা দিয়েছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share