Tag: bangla news

bangla news

  • Weather Update: রবিতেও নিষ্কৃতি নেই, তাপমাত্রা আরও বাড়ার ইঙ্গিত, তাপপ্রবাহের লাল সতর্কতা

    Weather Update: রবিতেও নিষ্কৃতি নেই, তাপমাত্রা আরও বাড়ার ইঙ্গিত, তাপপ্রবাহের লাল সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার বিকেল পাঁচটা পথে বেরোতেই গরম হলকা বইছে। শহর কলকাতায় অফিস ফেরতা পথচারীরা ঘেমে-নেয়ে একসার। কবে মিলবে মুক্তি? প্রশ্ন একটাই। তবে এখনই নিষ্কৃতি নেই। রবিবারও ঝাঁ-ঝাঁ রোদে পুড়তে চলেছে বাংলা। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার দক্ষিণবঙ্গে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ চলবে। শনিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছুঁয়ে ফেলল ৪১ ডিগ্রি।

    রবিতেও তাপপ্রবাহ

    শনিবার দুপুরে প্রকাশিত আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা বলছে, কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গর সমস্ত জেলাতেই তীব্র তাপপ্রবাহ চলবে রবিবার পর্যন্ত। এ ছাড়া ছ’টি জেলা পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, বীরভূম এবং পশ্চিম বর্ধমানে জারি করা হয়েছে লাল সতর্কতা। এই ছয় জেলায় রবিবার পর্যন্ত অতি তীব্র তাপপ্রবাহ চলবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। 

    সাধারণত কোনও এলাকার তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে সাড়ে ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি হলে অতি তীব্র তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হয়। স্বাভাবিকের থেকে সাড়ে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি তাপমাত্রা থাকলে বলা হয় তীব্র তাপপ্রবাহ। রাজ্যে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি বুধবার পর্যন্ত বদলানোর কোনও লক্ষণ নেই। বুধবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করেছে তারা। দুই ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং নদিয়ায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি থাকলেও বাকি ৯টি জেলায় তীব্র তাপপ্রবাহ চলবে।

    আরও পড়ুন: ভারতে বিক্রিত বেবি ফুডে অতিরিক্ত চিনি! নেসলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের পথে কেন্দ্র

    গরমে সতর্কতা

    এই গরমে দেহে কোনওভাবেই জলের ঘাটতি হতে দেওয়া যাবে না। সাধারণ জলের পাশাপাশি নুন-চিনির জল খান। প্রয়োজনে ওআরএস-এর জলও খাওয়া যেতে পারে। এতে দেহে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের ভারসাম্য বজায় থাকবে। দেহে তরলের ঘাটতি বজায় রাখার জন্য ডায়েটে প্রচুর পরিমাণে মরসুমি ফল রাখুন। যে সব ফলে জলের ভাগ বেশি যেমন তরমুজ, শসা, পাকা পেঁপে ইত্যাদি বেশি করে খান। বেলা ১১টা থেকে বিকাল ৪ টের মধ্যে বাড়ির বাইরে বেরোতে বারণ করা হচ্ছে সকলকেই। গরম থেকে বারবার এসি-তে না ঢোকার পরামর্শ দিচ্চছেন চিকিৎসকরা। প্রচণ্ড গরম থেকে প্রচণ্ড ঠান্ডা—এই ট্রানজিশনের মধ্যে কিছু সময় দিন, যাতে শরীরটা আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে। তবে, এসি ঘরে থাকলেও তাপমাত্রা খুব কম রাখবেন না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার, প্রথমবার বহিরাগত প্রার্থী পেল জম্মু কাশ্মীর

    Lok Sabha Election 2024: ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার, প্রথমবার বহিরাগত প্রার্থী পেল জম্মু কাশ্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা (Lok Sabha Election 2024) বিলোপের পর প্রথম লোকসভা ভোট হতে চলেছে। জম্মু-কাশ্মীরে এবার ন্যাশনাল কনফারেন্স, পিপলস ডেমোক্র্যাটিক পার্টি, কংগ্রেস এবং বিজেপি ভোটের ছবিতে থাকলেও আঞ্চলিক কিছু ছোট দলও রয়েছে। কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের ফলে এবার প্রথম ‘বহিরাগত’ প্রার্থী পেল উপত্যকা। ৩৭০ ধারা বাতিল করার পরে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, জম্মু ও কাশ্মীরে বসবাসকারী ভিন্নরাজ্যের মানুষও বিধানসভা নির্বাচনে এখন থেকে ভোটাধিকার পাবেন। জম্মু-কাশ্মীরের ‘ভূমিপুত্র’ না হলেও ভোট দিতে পারবে এই অঞ্চলের বসবাসকারী ব্যাক্তিরা। এমনকি, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার অধিকারও পাবে তারা। 

    প্রথম ‘বহিরাগত’ প্রার্থী

    কাশ্মীরের (Lok Sabha Election 2024) ইতিহাসে প্রথম ভিন্‌রাজ্যের বাসিন্দা হিসাবে লোকসভা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চলেছেন বলদেব কুমার। অনন্তনাগ-রজৌরি লোকসভা কেন্দ্রের নির্দল প্রার্থী হিসাবে শনিবার মনোনয়ন পেশ করছেন পঞ্জাবের মোহালির বাসিন্দা বলদেব কুমার। তিনি আদতে মোহালির নয়াগাঁও এলাকার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীরে থাকেন। মনোনয়ন পেশের পরে বলদেব বলেন, ‘‘আমি ২০১৪ সালের বন্যার সময় থেকে কাশ্মীরের মানুষের জন্য কাজ করেছি। বছরের অনেকটা সময় এখানেই কাটে। জম্মু ও কাশ্মীরের অনেক শিক্ষার্থীর শিক্ষার পৃষ্ঠপোষকতা করেছি। কাশ্মীর থেকে যে রোগীরা পঞ্জাবে স্বাস্থ্যপরীক্ষা এবং চিকিৎসার জন্য যান, তাদের জন্য একটি ভবন তৈরি করে রেখেছি, যাতে সেখানে তারা থাকতে পারেন।’’ জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষের দাবি মেনেই তিনি ভোটে দাঁড়িয়েছেন বলে দাবি করেছে স্থানীয় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্ণধার বলদেব কুমার।

    আরও পড়ুন: ভারতে বিক্রিত বেবি ফুডে অতিরিক্ত চিনি! নেসলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের পথে কেন্দ্র

    কেন্দ্রীয়  সরকার ২০১৯ সালের ৫ অগস্ট ৩৭০ ধারা বাতিল করার ফলে বিশেষ অধিকার খুইয়েছে জম্মু ও কাশ্মীর (Jammu Kashmir)। আর সেই আইন বদলকে হাতিয়ার করেই এ বার লোকসভা ভোটে প্রথম ‘বহিরাগত’ প্রার্থী দেখলো কাশ্মীর উপত্যকা। ৩৭০ ধারা বাতিলের পরে এই অঞ্চলে নয়া ভোটার তালিকায় আরও কয়েক লক্ষ নাম যুক্ত হয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ অধিকার ‘প্রত্যাহৃত’ না হলে  কয়েক লক্ষ মানুষ কোনও দিনই ভোটাধিকার পেতেন না। ভোটে দাঁড়ানোর সুযোগ পেতেন না বলদেবের মতো ‘বহিরাগত’রাও। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mithun Chakraborty: সুকান্তর সমর্থনে মিঠুনের রোড শোয়ে জনজোয়ার, দুর্নীতি নিয়ে তৃণমূলকে তোপ

    Mithun Chakraborty: সুকান্তর সমর্থনে মিঠুনের রোড শোয়ে জনজোয়ার, দুর্নীতি নিয়ে তৃণমূলকে তোপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারের হয়ে জেলায় এসেছেন বলিউডের সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty) । শুক্রবার তপন বিধানসভা এলাকায় মিঠুন জনসভা করার পর এদিন গঙ্গারামপুরে রোডশো করলেন। বালুরঘাটের বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারের সমর্থনে জনসভা ও রোডশো করলেন মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী। সঙ্গে ছিলেন রুদ্রনীল ঘোষ। সুকান্ত মজুমদার ও গঙ্গারামপুরের বিধায়ক সত্যেন রায়।

    গঙ্গারামপুরে মিঠুনের রোডশো (Mithun Chakraborty)

    এদিন গঙ্গারামপুরের প্রধান সড়ক ধরে রোড শো চলতে থাকে। হাজার হাজার বিজেপি কর্মী-সমর্থক মিছিলে হাঁটেন। দেখা গেল, গঙ্গারামপুরের জনপ্রিয় ক্ষীর দই মিঠুন (Mithun Chakraborty) চক্রবর্তীর হাতে তুলে দেন সুকান্ত মজুমদার। গঙ্গারামপুরে সিপিএমের জেলা পার্টি অফিসের সামনে অনেকক্ষণ মিঠুন চক্রবর্তীর রোডশো দাঁড়িয়ে যায়। পার্টি অফিসে অনেকেই দেখা গেল ব্যালকনিতে। বালুরঘাট লোকসভায় তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছে বিপ্লব মিত্র। আর গঙ্গারামপুরে তাঁর বাড়ি। তৃণমূলের প্রার্থী বিপ্লব মিত্রর বাড়ির এলাকায় রোড শো করেন বিজেপির রাজ্য জেলা সভাপতি তথা বিজেপির প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার ও মিঠুন চক্রবর্তী। জেলার রাজনীতিতে গঙ্গারামপুরকে তৃণমূলের গড় হিসেবে ধরা হয়। সেই এলাকায় মিঠুন চক্রবর্তী ও সুকান্ত মজুমদারের  রোড শোয়ে সাধারণ মানুষের ভিড় ও উৎসাহ দেখে জয় নিশ্চিত বলে  বিজেপি কর্মীরা আশা করছেন।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালি গেল সিবিআই টিম, কথা বললেন গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে

    দুর্নীতিগ্রস্তদের উচিত শিক্ষা দিয়ে দিন

    গঙ্গারামপুরের রোডশোর পাশাপাশি কুশমন্ডিতে এক জনসভা করেন সুকান্ত মজুমদার ও মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। মিঠুন নাম না করে কয়লা চুরি বালি চুরি, গরু চুরি কিছুই বাদ রাখেননি। মহাগুরু বলেন, যে দল কয়লা, বালি, গরু চুরি সঙ্গে যুক্ত সেই দলের প্রার্থীকে ভোট না দিয়ে বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারকে ভোটে জেতানো আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, আমি সাপের ডায়লগটা বলার জন্য আমার ওপর মামলা করেছিল। তাই আমি কিছু ডায়লগ ঘুরিয়ে বলছি। আমি জল ঢোরা নই, বালি বড়াই নই, আমি সেই সাপ যে ছোট ছোট ইঁদুর খুঁজে বেরোচ্ছি। আমরা দুর্নীতিগ্রস্ত নই। রেশন চুরি, কয়লা চুরি ও মানুষের লেখাপড়া বিদ্যা চুরি করি না। আমরা সুন্দর বাংলা প্রদান করব। ওরা দুর্নীতিগ্রস্ত। মেয়েদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে। তাই এবারে সময় বুঝে দুর্নীতিগ্রস্তদের উচিত শিক্ষা দিয়ে দিন। আর সুকান্ত মজুমদারকে দ্বিতীয় বারের জন্য সাংসদ করুন।

    ৫০ হাজার লিড পাব!

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, গঙ্গারামপুরে মিঠুনের রোড শোয়ে যেরকম মানুষের ভিড় ও উৎসাহ দেখলাম তাতে গঙ্গারামপুর থেকে ৫০ হাজার ভোটে লিড পাবো। আমরা মিঠুন চক্রবর্তীকে গঙ্গারামপুরের বিখ্যাত ক্ষীর দই উপহার দিলাম। তিনি দই খেয়ে সুনাম করলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Karnataka: কর্নাটকে লাভ জিহাদ, কলেজেই কংগ্রেস নেতার মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা মুসলিম সহপাঠীর

    Karnataka: কর্নাটকে লাভ জিহাদ, কলেজেই কংগ্রেস নেতার মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা মুসলিম সহপাঠীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্য়েই কর্নাটকে (Karnataka) কংগ্রেস নেতার মেয়েকে কুপিয়ে খুন করা হল। ছুরির কোপ মেরে কংগ্রেস নেতা নীরঞ্জন হিরেমাথের মেয়েকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। অভিযুক্তর প্রস্তাবে রাজি না হওয়ার তাঁকে খুন করা হয়, দাবি নিহত নেহা হীরেমাথের পরিবারের। এই ঘটনাকে লাভ-জিহাদের (Love Jihad) আখ্যা দিয়েছে নিহতের পরিবার। তবে ঘটনাটিকে আড়াল করতে উঠে পড়ে লেগেছে কর্নাটকের কংগ্রেস সরকার। এই নিয়ে সিদ্দারামাইয়া প্রশাসনকে তুলোধনা করেছে কর্নাটক বিজেপি। 

    কী ঘটেছিল

    কর্নাটকের কেএলই টেকনোলজিক্যাল বিশ্ববিদ্য়ালয়ে কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশনের স্নাতকোত্তরের (MCA) প্রথম বর্ষে পড়তেন নেহা। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত ফয়াজ নেহার পরিচিত। বেলাগাভি জেলার সাভাদত্তির বাসিন্দা ফয়াজও ওই একই কলেজে পড়ত। তবে ছয় মাস আগে পরীক্ষায় ফেল করার পর কলেজে আসা বন্ধ করে দিয়েছিল সে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে কলেজে আসে ফয়াজ। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, নেহা পিছনের দিকে হেঁটে যাচ্ছিলেন। সেই সময় ফয়জের সঙ্গে সামান্য কথোপকথনে জড়ান। হঠাৎই ফয়াজ তাঁর উপর আক্রমণ চালায়। পরপর এলোপাথাড়ি ছুরির কোপ মারতে থাকে। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন নেহা। দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি। খুনের পর ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে গিয়েও শেষরক্ষা হয়নি। পুলিশের হাতে ধরা পড়ে অভিযুক্ত। হুব্বালি ধরওয়াদের পুলিশ কমিশনার রেনুকা সুকুমার জানিয়েছেন, অপরাধের পর পালিয়ে গেলেও তাকে ৩০ মিনিটের মধ্য় গ্রেফতার করা হয়েছে। 

    নিজের সরকারের বিরুদ্ধে কংগ্রেস কাউন্সিলর 

    কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার সাম্প্রতিক বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন নিহত নেহার বাবা কংগ্রেস কাউন্সিলর নিরঞ্জন হিরেমাথ। সম্প্রতি সিদ্দারামাইয়া বলেন, ব্যক্তিগত কারণে নেহাকে খুন করা হয়েছে। নিরঞ্জন এই বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, “এই মন্তব্য হতাশাজনক। পরিস্থিতির সম্পূর্ণ না বুঝে এই ধরনের বিবৃতি দেওয়া থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করছি।”  “ব্যক্তিগত কারণ” শব্দটি অন্যায়ভাবে হিরেমাথ পরিবার এবং তার মেয়ের সুনামকে কলঙ্কিত করতে পারে, বলে মনে করেন নিরঞ্জন। তাঁর কথায়, কোনওদিনই নেহা ও অভিযুক্ত ফয়াজের মধ্যে কোনও সম্পর্ক ছিল না।তাঁরা শুধু এক কলেজে পড়তেন। ফয়াজ নেহাকে বিরক্ত করত। নেহা প্রত্যাখ্যান করায় তাঁকে খুন করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ভারতে বিক্রিত বেবি ফুডে অতিরিক্ত চিনি! নেসলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের পথে কেন্দ্র

    ন্যায়বিচারের জন্য প্রতিবাদ

    দলিত সংগঠনের সদস্যরা নেহার ন্যায়বিচারের দাবিতে এবং অভিযুক্তদের কঠোরতম শাস্তির দাবিতে শহরে বিক্ষোভ করেছে। শ্রী রাম সেনার প্রধান প্রমোদ মুতালিকও এই জঘন্য অপরাধের তীব্র নিন্দা জানিয়ে নেহার জন্য শোক প্রকাশ করেছেন।  এবিভিপি সদস্যরা বিভিবি কলেজের কাছে ব্যস্ত হুবলি-ধারওয়াদ রোড অবরোধ করে হুব্বলিতে বিক্ষোভ করেছে। বেলাগাভিতেও বিক্ষোভ দেখিয়েছে এবিভিপি কর্মীরা। বজরং দলের কর্মীরা এবং হিন্দু জন জাগৃতি সমিতির সদস্যরা অভিযুক্তদের দ্রুত শাস্তির দাবি জানিয়েছে। সিদ্দারামাইয়া প্রশাসনের আমলে কর্নাটকের আইশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সরব বিজেপি। দলের মুখপাত্র শেহজাদ পুনেওয়ালা ও গৌরব ভাটিয়া কংগ্রেসের সংবেদনহীনতাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালি গেল সিবিআই টিম, কথা বললেন গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে

    Sandeshkhali: সন্দেশখালি গেল সিবিআই টিম, কথা বললেন গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) ঘটনার তদন্তভার সিবিআই নেওয়ার পর বেশ কয়েক বার থানায় এসেছেন কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তকারী আধিকারিকেরা। শনিবারও তদন্তের সন্দেশখালি যায় সিবিআই টিম। জানা গিয়েছে, সন্দেশখালিতে সিবিআই ইতিমধ্যে নিজস্ব একটি পোর্টাল চালু করেছে। সেখানে সন্দেশখালির মানুষ তাদের অভাব অভিযোগ, নারী নির্যাতন, জমি লুট সহ একাধিক অভিযোগ জানাতে পারবে বলা হয়েছিল। ইতিমধ্যে সিবিআই সূত্রের খবর, সেখানে বেশ কিছু অভিযোগ জমা পড়েছে। একটি দল থানায় যায়। আর অন্য একটি দল যায় গ্রামে।

    কেন সন্দেশখালিতে সিবিআই? (Sandeshkhali)

    সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, পোর্টালে অভিযোগের তদন্ত করতে এদিন ১০ জন সিবিআই আধিকারিক সন্দেশখালি (Sandeshkhali) থানার সুন্দরখালি, কর্ণ খালি, মাঝেরপাড়া, পাত্রপাড়া, নতুন পড়াসহ একাধিক পাড়ায় গিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে সত্যতা জানার চেষ্টা করেন। সন্দেশখালি কান্ড নিয়ে ইতিমধ্যে বসিরহাট পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার হোসেন মেহেদি রহমান ও ন্যাজাট থানার পুলিশ আধিকারিকের কাছ থেকে ১৬ এপ্রিল সিবিআই তথ্য নিতে এসেছিল। তারপর এবার সন্দেশখালিতে সিবিআই টিম হানা দিল। প্রসঙ্গত, বসিরহাট পুলিশ জেলার পক্ষ থেকে ন্যাজাট ও সন্দেশখালি থানার দশটি জায়গায় পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ কেন্দ্র খোলা হয়েছিল। সেখানে প্রচুর অভিযোগ জমা পড়েছিল, সেই অভিযোগগুলো সিবিআই আধিকারিকরা রাজ্য পুলিশের কাছ থেকে হস্তান্তর করে নিজের দায়িত্বে নেন। তারপর এদিন সেই অভিযোগের সত্যতা জানতে সন্দেশখালিতে হাজির হন তাঁরা।

    আরও পড়ুন: দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ! ভোটের মধ্যেই মুর্শিদাবাদের দুই ওসিকে সাসপেন্ড করল কমিশন

    বাড়ি বাড়ি গিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলে সিবিআই টিম

    সিবিআই আধিকারিকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্তে এর আগে ওই এলাকায় সিবিআই গিয়েছে বলে শোনা যায়নি। সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ইডির ওপর হামলার ঘটনায় ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কিছু তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা। সেই সূত্র ধরেই সুন্দরীখালিতে অভিযান বলে মনে করা হচ্ছে। সন্দেশখালি এবং ন্যাজাট থানায় ২০১৮ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মহিলা নির্যাতন, জমির জবরদখল, স্থানীয় বাসিন্দাদের ওপর জুলুমবাজির যে সমস্ত অভিযোগ দায়ের হয়েছে, তার মধ্যে শাহজাহান শেখ ছাড়া নাম ছিল শিবু হাজরা এবং অন্যদের। যাঁদের বেশিরভাগই শাসকদলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন অথবা এখনও রয়েছেন। সেই বিষয়ে জানতে এদিন আধিকারিকরা সন্দেশখালি যান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nestle India: ভারতে বিক্রিত বেবি ফুডে অতিরিক্ত চিনি! নেসলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের পথে কেন্দ্র

    Nestle India: ভারতে বিক্রিত বেবি ফুডে অতিরিক্ত চিনি! নেসলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের পথে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাদ্যসুরক্ষা নিয়ে বিরাট প্রশ্নের মুখে পড়ল নেসলে ইন্ডিয়া (Nestle India)। অভিযোগ, ভারতের বাজারে বিক্রিত শিশুখাদ্যে চিনি মেশাচ্ছে নেসলে সংস্থা। যা শিশুদের পক্ষে একাধিক সমস্যার কারণ হতে পারে। ‘পাবলিক আই’ নামক এক সুইস সংস্থার অনুসন্ধানে এই তথ্য উঠে এসেছে। এর ফলে এবার কড়া শাস্তির মুখে পড়তে পারে নেসলে। কোম্পানির বিরুদ্ধে এবার তদন্তে নামছে কেন্দ্রীয় সংস্থা ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্য়ান্ডার্ড অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (FSSAI)। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ভারত থেকে ব্যবসা গোটানোর নির্দেশ জারির রয়েছে সমূহ সম্ভাবনা। 

    কেন চিনি খারাপ

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে দুই বছরের কম বয়সি শিশুদের চিনি না খাওয়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ২০২২ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে এই নিয়ে কড়া নির্দেশ জারি করে বলা হয়, শিশুরা খেতে পারে এমন কোনও খাবারে চিনি মেশানো যাবে না। অল্প বয়সে চিনি খেলে পরবর্তীকালে চিনিজাতীয় খাবারের দিকেই আসক্তি বাড়ে। যা থেকে ওবেসিটি, ডায়াবেটিস, পেটের সমস্যা, হার্ট ও লিভারের সমস্যা তৈরি হয়।

    নেসলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    অভিযোগ, ভারতের বাজারে বিক্রিত শিশুখাদ্যে চিনি মেশানো হলেও ব্রিটেন ও ইউরোপীয় বাজারে বিক্রিত শিশুখাদ্যে কোনও চিনি মেশানো হয় না। পাবলিক আই ও ইন্টারন্যাশনাল বেবিফুড অ্যাকশন নেটওয়ার্কের যৌথ গবেষণায় এই পার্থক্য ধরা পড়েছে। এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকা থেকে নেসলের শিশুখাদ্যের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। সেই নমুনা বেলজিয়ামের গবেষণাগারে পাঠানো হয়। সেখানেই দেখা যায়, ব্রিটেন ও ইউরোপে বিক্রিত খাবারের মধ্যে চিনি নেই। অথচ এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার দেশগুলিতে বিক্রিত খাবারের মধ্যে চিনি মেশানো হয়। ভারতে প্রতি পরিবেশনে ২.২ গ্রাম চিনি মেশায় নেসলে ইন্ডিয়া।

    আরও পড়ুন: ‘‘সংরক্ষণ থাকবে, মোদির নামেই প্রথম দফায় বাম্পার ভোট’’, বললেন শাহ

    ভারত সরকারের পদক্ষেপ

    এই তদন্ত রিপোর্টে বিষয়টি সামনে আসার পরই নড়েচড়ে বসে ভারত সরকার। এর পরই ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্য়ান্ডার্ড অথরিটি অফ ইন্ডিয়া-কে (FSSAI) পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেয় কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণাধীন সেন্ট্রাল কনজিউমার প্রোটেকশন অথরিটি (CCPA)। বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন কেন্দ্রের ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের সচিব ও সিসিপিএ-র ডিরেক্টর নিধি খারে। তাঁর কথায়, ‘আমরা নেসলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সঠিক তদন্তের জন্য FSSAI-কে চিঠি লিখেছি। সেখানে সেরেল্যাকের উল্লেখ্য রয়েছে।’ তদন্ত রিপোর্ট পেশ হলে সংস্থার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। এর আগে শিশু অধিকার রক্ষার জাতীয় কমিশন এনসিপিসিআর-ও তদন্তের বার্তা দিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল এফএসএসএআইয়ের উদ্দেশে।

    নেসলের সাফাই

    ইতিমধ্যেই এই বিষয় নিয়ে সাফাই দিয়েছে সুইজারল্যান্ডের বহুজাতিক কোম্পানি। নেসলের দাবি, গত পাঁচ বছরে ধীরে ধীরে চিনির পরিমাণ কমানো হয়েছে শিশুদের জন্য উৎপাদিত খাবারে। গত পাঁচ বছরে ধীরে ধীরে চিনির পরিমাণ কমানো হয়েছে শিশুদের জন্য উৎপাদিত খাবারে। আগেও বিতর্কে জড়িয়েছে নেসলে। ২০১৫-য় এই সংস্থার তৈরি জনপ্রিয় খাদ্যপণ্য ম্যাগিতে লেড এবং মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট মেশানোর অভিযোগ ওঠে। ফলে কিছুদিনের জন্য ম্যাগিকে নিষিদ্ধ করে ভারত সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ranaghat: “আমার বাড়ি লক্ষ্য করে পর পর বোমা মারল তৃণমূলের দৃষ্কৃতীরা”, বললেন বিজেপি নেতা

    Ranaghat: “আমার বাড়ি লক্ষ্য করে পর পর বোমা মারল তৃণমূলের দৃষ্কৃতীরা”, বললেন বিজেপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ করল বিজেপি। এমনিতেই রানাঘাটের (Ranaghat) বিজেপির প্রার্থী জগন্নাথ সরকারের গাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার তৃণমূলের বুথ সভাপতির বাড়ির সামনে বোমাবাজি করার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Ranaghat)

    শুক্রবার রাতে রানাঘাট (Ranaghat) শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপির ২৩৮ বুথ সভাপতি কল্যাণ কুমার ঘোষের বাড়ির সামনে বোমাবাজির করা হয় বলে অভিযোগ। নদিয়ার রানাঘাটে বিজেপি নেতার বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজির ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রাতে শহরের ভট্টাচার্য পাড়ায় নিজের বাড়িতেই স্ত্রীকে নিয়ে ছিলেন বিজেপির বুথ সভাপতি কল্যাণ কুমার ঘোষ। অভিযোগ, আচমকাই তিনি পরপর তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান পান। এমনকী বোমাবাজির পর তিনজনকে এলাকা ছেড়ে দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখেন তিনি। এই বিষয়ে বিজেপির বুথ সভাপতি কল্যাণবাবু বলেন,আমি যখন বাড়ি থেকে স্কুটি করে দলের কাজে বের হবো বলে প্রস্তুতি নিচ্ছি। সেই সময়ই বাড়ির সামনে পরপর তিনটি বোমা ছোড়া হয় আমার বাড়ি লক্ষ্য করে। বাড়ি থেকে বেরিয়েই দেখি, তিনজন দুষ্কৃতী ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে পালায়। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনায় আমরা আতঙ্কিত। বিষয়টি নিয়ে রানাঘাট থানায় অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনেও অভিযোগ দায়ের করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। রাতে শহরে প্রতিবাদ মিছিল বের করে বিজেপি পক্ষ থেকে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। যদিও এই বোমাবাজির ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়।

    আরও পড়ুন: দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ! ভোটের মধ্যেই মুর্শিদাবাদের দুই ওসিকে সাসপেন্ড করল কমিশন

    বিজেপি প্রার্থীর গাড়ির ওপর হামলা

    প্রসঙ্গত, রানাঘাট (Ranaghat) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী তথা  প্রাক্তন সংসদ জগন্নাথ সরকারের গাড়িতে দুষ্কৃতীরা হামলার ঘটনা ঘটে। পরে, তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার  বিরুদ্ধে ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক শান্তিপুর ঘোড়ালিয়া বাইপাস মুখে রাস্তা অবরোধ করা হয়। তাদের দাবি, অবিলম্বে মিথ্যে মামলাকারীদের গ্রেফতার করতে হবে। দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে সাজানো সমস্ত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ‘‘সংরক্ষণ থাকবে, মোদির নামেই প্রথম দফায় বাম্পার ভোট’’, বললেন শাহ

    Lok Sabha Election 2024: ‘‘সংরক্ষণ থাকবে, মোদির নামেই প্রথম দফায় বাম্পার ভোট’’, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি ক্ষমতায় এলে সংবিধান পরিবর্তন করে তফশিলি জাতি, জনজাতি ও অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির সংরক্ষণ বাতিল করার কোনও সম্পর্ক নেই বলে জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার গুজরাটের গান্ধীনগর (Lok Sabha Election 2024) থেকে নিজের মনোনয়ন জমা দেন শাহ। শুক্রবার রাজস্থানের যোধপুরের ভোপালগড়ের একটি নির্বাচনী জনসভা থেকে শাহ বলেন, ‘দেশে লোকসভা নির্বাচনের প্রথম পর্যায়ে বাম্পার ভোটিং হয়েছে। মোদি, মোদি জয়ধ্বনি দিয়ে মানুষ ভোট দিয়েছেন।’ 

    সংরক্ষণের সুবিধা প্রসঙ্গে শাহ

    সংবিধান পরিবর্তন প্রসঙ্গে অমিত শাহ বলেন, ‘‘বিরোধীরা বলছেন, সংবিধানে যে সংরক্ষণের সুবিধা রয়েছে তা তুলে দিতেই চারশো আসনের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে বিজেপি। আমি স্পষ্ট বলে দিতে চাই, চারশো আসনের সঙ্গে সংবিধান বা সংবিধানে থাকা সংরক্ষণ নীতির পাল্টানোর সম্ভাবনা নেই। বিজেপি সংরক্ষণের পক্ষে। কোনও ভাবেই সংরক্ষণের সুবিধা প্রত্যাহার করা হবে না এবং কাউকে তা করতেও দেওয়া হবে না। জনতার প্রতি বিজেপির দায়বদ্ধতা রয়েছে। বিরোধীরা ভুলে যাচ্ছেন, ২০১৪ সালে এনডিএ-র যা সদস্য সংখ্যা ছিল, তা সংবিধানে প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের জন্য যথেষ্ট ছিল। আর ২০১৯ সালে বিজেপি একাই নিজের শক্তিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। তার পরেও বিজেপি সংরক্ষণ নীতি পাল্টানোর চেষ্টা করেনি।’’

    আরও পড়ুন: দুঃসহ জ্বালা! আজই কলকাতার তাপমাত্রা ছুঁতে পারে ৪২ ডিগ্রি, চরম সতর্কতা জেলায় জেলায়

    ভোট নিয়ে স্মৃতিচারণায় শাহ

    ২০১৯ সালে গান্ধীনগর থেকে তিনি লোকসভা ভোট (Lok Sabha Election 2024) জিতেছিলেন ৫.৫ লাখ ভোটে। এবার ফের একবার গান্ধীনগরের মাটিতে ভোট-ভাগ্য পরীক্ষা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। আর তার লক্ষ্যে শুক্রবার মেগা রোড শো করে মনোনয়ন জমা দেন অমিত শাহ। শুক্রবার গুজরাটের নরেন্দ্রপুরা থেকে সরখেজ হয়ে গান্ধীনগর পৌঁছায় শাহের রোডশো। এই রোড শো নিয়ে অমিত শাহ বলছেন, ‘আমার জন্য স্পেশ্যাল এটাই যে যে জায়গা দিয়ে রোড শো গিয়েছে, সেখানে এককালে আমি পোস্টার মেরেছি, দেওয়াল লিখন করেছি পার্টির জন্য, আমার সফর এই এলাকায় স্থানীয় পার্টি কর্মী থেকে শুরু হয়েছিল আর সেখান থেকে আজ যেখানে আমি আছি…।’ রাজনৈতিক সফর নিয়ে অকপট অমিত শাহ বলছেন, ‘৩০ বছর ধরে এখানের মানুষ আমায় বিধায়ক, সাংসদ বানিয়েছেন। আর পরে আমি বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হয়েছি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছি। আমি নরেন্দ্র মোদির সঙ্গী হিসাবে গুজরাটে তাঁর মন্ত্রিসভায় ছিলাম, কেন্দ্রেও আছি। আমি এটার জন্য গর্বিত। আমি বিশ্বাস করি গান্ধীনগরের মানুষের ভালোবাসা আর আশীর্বাদ আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: “১ লক্ষ ভোটে সুকান্ত মজুমদারকে আমরা জয়ী করব”, বললেন বিজেপিতে যোগদানকারীরা

    Balurghat: “১ লক্ষ ভোটে সুকান্ত মজুমদারকে আমরা জয়ী করব”, বললেন বিজেপিতে যোগদানকারীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে ফের বালুরঘাটে (Balurghat)  তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বসাল তৃণমূল। সুকান্ত মজুমদারের হাত ধরে তৃণমূলের ওয়ার্ড সভাপতি সহ শতাধিক তৃণমূল কর্মী বিজেপিতে যোগদান করেন। ভোটের মুখে এই যোগদানের ঘটনায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা চাঙা হয়ে উঠেছে।

    কারা যোগদান করলেন? (Balurghat)  

    ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল সভাপতি রঞ্জিত সরকার, ওয়ার্ডের যুব সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস, মহিলা তৃণমূল সভাপতি টুম্পা সান্যাল সরকার, তৃণমূলের বুথ সভাপতি রবীন সূত্রধর-সহ শতাধিক কর্মী, সমর্থক তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের (Balurghat) বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আজ ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের ওয়ার্ড প্রেসিডেন্ট রঞ্জিত সরকারের নেতৃত্বে ওয়ার্ডের মহিলা প্রেসিডেন্ট টুম্পা সরকার, বুথ সভাপতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন বুথের তৃণমূলের মহিলা নেত্রী এসেছেন। আরও অনেকে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বিজেপির পতাকা তুলে নিয়েছেন নরেন্দ্র মোদির কাজ দেখে। এতে ভোটের আগে আমাদের অনেকটাই শক্তিবৃদ্ধি হল।

    আরও পড়ুন: দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ! ভোটের মধ্যেই মুর্শিদাবাদের দুই ওসিকে সাসপেন্ড করল কমিশন

    ১ লক্ষ ভোটে জয়ী করাই লক্ষ্য

    তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করে রঞ্জিত সরকার বলেন, আমি তৃণমূলে  নানা পদে থেকেছি। কিন্তু বিজেপি এখানে যা কাজ করেছে, তা দেখেই আমরা দল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিই। সুকান্ত মজুমদার বিভিন্ন পরিষেবা দিয়েছেন এই বালুরঘাটকে। অমৃত ভারত স্টেশন দিয়েছেন। তাই আমরাও বিজেপিতে এলাম। আর অনেকে আসতে চান, নানা কারণে আসতে পারছেন না। আমাদের টার্গেট সুকান্ত মজুমদারকে ১ লক্ষ ভোটের ব্যবধানে জেতানোর। সেই লক্ষ্যপূরণে আমরা নিজের এলাকায় কাজ করা শুরু করেছি। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বালুরঘাট লোকসভা আসনের বিজেপি প্রার্থী তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নির্বাচনী প্রচারে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় নরেন্দ্র মোদি এসে ঝড় তুলেছিলেন। এবার মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী সুকান্তর সমর্থনে বালুরঘাটে প্রচারে আসেন। শুক্রবার তপনে জনসভা করেছেন। এদিন রোড শো করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Raiganj: যুবতীর সঙ্গে আশীলন আচরণে অভিযুক্ত তৃণমূল, নির্যাতিতার পাশে সন্দেশখালির প্রতিবাদী মহিলারা

    Raiganj: যুবতীর সঙ্গে আশীলন আচরণে অভিযুক্ত তৃণমূল, নির্যাতিতার পাশে সন্দেশখালির প্রতিবাদী মহিলারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটল রায়গঞ্জে (Raiganj)। আর সেই নির্যাতিতার পাশে দাঁড়াতে রায়গঞ্জে এলেন সন্দেশখালির নির্যাতিতারা। শুক্রবার রায়গঞ্জে আসেন সন্দেশখালির ১২জনের একটি দল। রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী কার্তিক চন্দ্র পালের সমর্থনে কালিয়াগঞ্জে অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর জনসভায় যোগ দেন তাঁরা। এমনকী হেমতাবাদে এক নির্যাতিতার পাশে দাঁড়ান তাঁরা।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Raiganj)

    ভোটের স্লিপ বিলি করতে গিয়ে এক মহিলার সঙ্গে অভব্য আচরণ করার অভিযোগ রায়গঞ্জে (Raiganj) হেমতাবাদে। জানা গিয়েছে, ভোটের স্লিপ দিতে এসে জল চেয়েছিলেন অভিযুক্ত। তারপরই বাড়ির এক যুবতীর সঙ্গে অভব্য আচরণ করেন। অভিযুক্তকে গাছে বেধে মারধরের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। বিজেপির জেলা সভাপতিই ভিডিও পোস্ট করেন। অভিযোগ, অভিযুক্ত যুবক তৃণমূলের সমর্থক। এই ঘটনার পর অভিযোগকারী মহিলার সঙ্গে গিয়ে দেখা করেন সন্দেশখালির মহিলাদের ১২ জনের একটি দল। তাঁর পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, বিগত দিনে উত্তর দিনাজপুর জেলাতেও একাধিক নারী নির্যাতনের অভিযোগে সরব হয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। বিশেষ করে কালিয়াগঞ্জের সাহেবঘাটায় এক নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগে তোলপাড় হয়েছিল রাজ্য রাজনীতি। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জোরালো আন্দোলনেও নেমেছিল বিজেপি নেতৃত্ব। এবারে লোকসভা নির্বাচনে সন্দেশখালির মহিলাদের বিজেপির হয়ে প্রচারে আসার ঘটনা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    আরও পড়ুন: দুঃসহ জ্বালা! আজই কলকাতার তাপমাত্রা ছুঁতে পারে ৪২ ডিগ্রি, চরম সতর্কতা জেলায় জেলায়

    সন্দেশখালির মহিলারা কী বললেন?

    এদিন সন্দেশখালির নির্যাতিতারা বলেন, শুধু সন্দেশখালি নয়, গোটা পশ্চিমবঙ্গে নারীদের ওপরে যেভাবে অত্যাচার চালাচ্ছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। তারই বিরুদ্ধে আমরা প্রচারে নেমেছি। এই ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে সে কারণে আমরা এ জেলায় এসে মানুষের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি। তৃণমূল ক্ষমতায় এলে ফের নারী নির্যাতন হবে।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকারের বক্তব্য, নির্বাচনের আগেই যদি এই ধরনের ঘটনা ঘটে তাহলে ভোটে জেতার পর কি অবস্থা হবে তা ভেবেই ভোটারদের ভোট দেওয়া উচিৎ। তৃণমূলের জেলা সহ-সভাপতি অরিন্দম সরকারের বক্তব্য, অভিযুক্ত তৃণমূল করেন কি না তা জানা নেই। আর সব দলেই খারাপ বা ভাল লোক থাকেন। যদি এমন কেউ করেই থাকেন তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া দরকার ছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share