Tag: bangla news

bangla news

  • Bharat Taxi: বন্ধ হবে ওলা-উবারের স্বেচ্ছাচার! ক্যাব চালকদের আয় বাড়াতে ‘ভারত ট্যাক্সি’ আনছে মোদি সরকার

    Bharat Taxi: বন্ধ হবে ওলা-উবারের স্বেচ্ছাচার! ক্যাব চালকদের আয় বাড়াতে ‘ভারত ট্যাক্সি’ আনছে মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ট্যাক্সি চালকদের রোজগায় বাড়াতে পথে নামল কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদির সরকার। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ই-গভরনেন্স ডিভিশনের উদ্যোগে শুরু হচ্ছে দেশের প্রথম সমবায় ট্যাক্সি পরিষেবা। নয়া এই পরিষেবার নাম ‘ভারত ট্যাক্সি’ (Bharat Taxi)। সরকারের এই পদক্ষেপে উপকৃত হবেন দিন আনি দিন খাই ট্যাক্সি চালকরা (Ola Uber)।

    বন্ধ হবে ওলা-উবারের আধিপত্য (Bharat Taxi)

    নয়া এই পরিষেবার প্রধান বৈশিষ্ট্য হল, এই ট্যাক্সি পরিষেবা থেকে যা আয় হবে, তার পুরোটাই পাবেন চালকরা। আর যাত্রীরাও পাবেন সরকারি নজরদারিতে থাকা ট্যাক্সি পরিষেবার সুযোগ। ওলা এবং উবারের মতো অ্যাপ-নির্ভর ক্যাব পরিষেবাগুলি নিয়ে যাত্রীদের অভিযোগের অন্ত নেই। তা সত্ত্বেও একপ্রকার বাধ্য হয়েই এই সংস্থার নিয়ন্ত্রণে থাকা গাড়ি বুক করতে বাধ্য হন যাত্রীরা। হঠাৎ করে ভাড়া বাড়িয়ে দেওয়া, বুকিং বাতিল করে দেওয়া, চালকদের দুর্ব্যবহারের মতো বিভিন্ন অভিযোগ ওঠে ওলা, উবারের ক্যাব পরিষেবা নিয়ে। ট্যাক্সি চালক এবং ট্যাক্সি মালিকদের অভিযোগ, তাঁদের রোজগারের একটা বড় অংশই কমিশন বাবদ কেটে নিচ্ছে ওলা, উবারের মতো সংস্থা।

    ভারত ট্যাক্সি প্ল্যাটফর্ম

    এই পরিস্থিতিরই বদল ঘটাতে চায় ভারত ট্যাক্সি প্ল্যাটফর্ম (Bharat Taxi)। বেসরকারি অ্যাপ-নির্ভর ট্যাক্সি পরিষেবা দেওয়া সংস্থাগুলির মতো এখানে চালকদের রাইডের ওপর কোনও কমিশন দিতে হবে না। তার পরিবর্তে চালকরাও হবেন আংশিক-মালিক। অর্থাৎ, তাঁরা একটি সদস্যপদ মডেলে কাজ করবেন, যেখানে চালকদের কেবল দৈনিক, সাপ্তাহিক কিংবা মাসিক একটি সামান্য ফি দিতে হবে। সরকারের বিশ্বাস, এতে চালকরা আরও বেশি আয় করতে পারবেন। ভারত ট্যাক্সির পরীক্ষামূলক ধাপটি দিল্লিতে শুরু হবে নভেম্বর মাসে। এখানে ৬৫০টি গাড়ি ও তাদের মালিক-চালকরা অংশ নেবেন। এই পাইলট প্রকল্পটি সফল হলে ডিসেম্বর মাসেই এই পরিষেবাটি চালু করা হবে পুরোদমে। কর্তৃপক্ষের মতে, প্রাথমিক জাতীয় পর্যায়ে মোট ৫ হাজার পুরুষ ও মহিলা চালক অংশগ্রহণ করবেন। পরবর্তী এক বছরের মধ্যে এই পরিষেবা ধীরে ধীরে মুম্বই, পুনে, ভোপাল, লখনউ এবং জয়পুর-সহ ২০টি শহরে সম্প্রসারিত হবে।

    ২০২৬ সালের মার্চ মাসের মধ্যে সরকার বেশ কয়েকটি মহানগরে ভারত ট্যাক্সির যাত্রা সূচনার লক্ষ্য নিয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই প্ল্যাটফর্মে প্রায় ১ লক্ষ চালক যুক্ত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এই পরিষেবার সুযোগ (Ola Uber) মিলবে জেলা সদর ও গ্রামীণ এলাকাগুলিতেও। ভারত ট্যাক্সি একটি সমবায় উদ্যোগ হিসেবে পরিচালিত হবে, কোনও বেসরকারি মালিকানাধীন কোম্পানি হিসেবে নয়। এই প্ল্যাটফর্মটি সহকার ট্যাক্সি কো-অপারেটিভ লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত হবে, যা ২০২৫ সালের জুন মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ৩০০ কোটি টাকার প্রাথমিক মূলধন নিয়ে (Bharat Taxi)।

     

  • Daily Horoscope 27 October 2025: ব্যবসায় তেমন লাভ হবে না এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 27 October 2025: ব্যবসায় তেমন লাভ হবে না এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) সকালের দিকে দাম্পত্য কলহের কারণে মানসিক চাপ বাড়তে পারে।

    ২) কোনও আধ্যাত্মিক কাজে যোগ দিতে হতে পারে।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) বিদেশযাত্রার জন্য আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) অতিরিক্ত ক্রোধের জন্য হাতে আসা কাজ নষ্ট হতে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    মিথুন

    ১) অভিনেতাদের জন্য ভালো সুযোগ আসতে পারে।

    ২) প্রেমের বিষয়ে খুব ভেবেচিন্তে পা বাড়ানো উচিত।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কর্কট

    ১) সারা দিন কোনও ভয় আপনাকে চিন্তায় ফেলতে পারে।

    ২) স্ত্রীর সুবাদে কোনও বিশেষ কাজের সুযোগ পাবেন।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) বেকারদের নতুন কিছু করার চেষ্টা বাড়তে পারে।

    ২) মাতৃস্থানীয়া কারও সঙ্গে মতবিরোধ হতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) মানসিক কষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) কোনও ভালো জিনিস নষ্ট হওয়ার যোগ।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) অপরকে সুখী করতে গেলে স্বার্থত্যাগ করতে হবে।

    ২) অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শে আইনি সুরক্ষা পেতে পারেন।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) কোনও নামী ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয়ে লাভবান হতে পারেন।

    ২) ধর্ম বিষয়ক আলোচনায় সুনাম বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

    ১) সম্মান নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে ঝামেলা বাধতে পারে।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) সঞ্চয়ের ইচ্ছা খুব বাড়তে পারে।

    ২) সকলের সঙ্গে কথা খুব বুঝে বলবেন।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

    ১) ব্যবসায় তেমন লাভ হবে না।

    ২) অর্থক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) চাকরির ক্ষেত্রে দিনটি খুব ভালো।

    ২) সন্তানদের বিষয়ে উদ্বেগ থাকবে।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 491: “কামিনী-কাঞ্চন ছাদ! ছাদ তুলে না ফেললে কি সূর্যকে দেখা যায়! সংসারী লোক  ঘরের ভিতর বন্দী!”

    Ramakrishna 491: “কামিনী-কাঞ্চন ছাদ! ছাদ তুলে না ফেললে কি সূর্যকে দেখা যায়! সংসারী লোক ঘরের ভিতর বন্দী!”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলরাম-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    সপ্তম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১২ই এপ্রিল
    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ও অবতারতত্ত্ব

    “তা হোক। ওদের দোষ নাই। সকলে কি সেই অখণ্ড সচ্চিদানন্দকে ধরতে পারে? রামচন্দ্রকে বারজন ঋষি কেবল জানতে পেরেছিল। সকলে ধরতে পারে না। কেউ সাধারণ মানুষ ভাবে; —কেউ সাধু ভাবে; দু-চারজন অবতার বলে ধরতে পারে।

    “যার যেমন পুঁজি—জিনিসের সেইরকম দর দেয়। একজন বাবু তার চাকরকে বললে, তুই এই হীরেটি বাজারে নিয়ে যা। আমায় বলবি, কে কি-রকম দর দেয়। আগে বেগুনওয়ালার কাছে নিয়ে যা। চাকরটি প্রথমে বেগুনওয়ালার কাছে গেল। সে নেড়ে চেড়ে দেখে বললে — ভাই, নয় সের বেগুন আমি দিতে পারি! চাকরটি বললে, ভাই আর একটু ওঠ, না হয় দশ শের দাও। সে বললে, আমি বাজার দরের চেয়ে বেশি বলে ফেলেছি; এতে তোমায় পোষায় তো দিয়ে যাও। চাকর তখন হাসতে হাসতে হীরেটি ফিরিয়ে নিয়ে বাবুর কাছে বললে, মহাশয়, (Ramakrishna) বেগুনওয়ালা নয় সের বেগুনের বেশি একটিও দেবে না। সে বললে, আমি বাজার দরের চেয়ে বেশি বলে ফেলেছি।

    বাবু হেসে বললে, আচ্ছা এবার কাপড়ওয়ালার কাছে নিয়ে যা। ও বেগুন নিয়ে থাকে, ও আর কতদূর বুঝবে! কাপড়ওয়ালার পুঁজি একটু বেশি, — দেখি ও কি বলে। চাকরটি কাপড়ওয়ালার কাছে বললে, ওহে এটি নেবে? কত দর দিতে পার? কাপড়ওয়ালা বললে, হাঁ জিনিসটা ভাল, এতে বেশ গয়না হতে পারে;—তা ভাই আমি নয়শো টাকা দিতে পারি। চাকরটি বললে, ভাই আর-একটু ওঠ, তাহলে ছেড়ে দিয়ে যাই; না হয় হাজার টাকাই দাও। কাপড়ওয়ালা বললে, ভাই, আর কিছু বলো না; আমি বাজার দরের চেয়ে বেশি বলে ফেলেছি; নয়শো টাকার বেশি একটি টাকাও আমি দিতে পারব না। চাকর ফিরিয়ে নিয়ে মনিবের কাছে হাসতে হাসতে ফিরে গেল আর বললে যে, কাপড়ওয়ালা বলেছে (Kathamrita) যে নশো টাকার বেশি একটি টাকাও সে দিতে পারবে না! আরও সে বলেছে, আমি বাজার দরের চেয়ে বেশি বলে ফেলেছি। তখন তার মনিব হাসতে হাসতে বললে, এইবার জহুরীর কাছে যাও—সে কি বলে দেখা যাক। চাকরটি জহুরীর কাছে এল। জহুরী একটু দেখেই একবারে বললে, একলাখ টাকা দেব।”

    ঈশ্বরকোটি ও জীবকোটি

    “সংসারে ধর্ম ধর্ম এরা করছে। যেমন একজন ঘরে আছে,—সব বন্ধ,—ছাদের ফুটো দিয়ে একটু আলো আসছে। মাতার উপর ছাদ থাকলে কি সূর্যকে দেখা যায়? একটু আলো এলে কি হবে? কামিনী-কাঞ্চন ছাদ! ছাদ তুলে না ফেললে কি সূর্যকে দেখা যায়! সংসারী লোক যেন ঘরের ভিতর বন্দী হয়ে আছে!

    “অবতারাদি ঈশ্বরকোটি। তারা ফাঁকা জায়গায় বেড়াচ্চে। তারা কখনও সংসারে বদ্ধ হয় না,— বন্দী হয় না। তাদের ‘আমি’ মোটা ‘আমি’ নয়—সংসারী লোকদের মতো। সংসারী লোকদের অহংকার, সংসারী লোকদের ‘আমি’—যেন চতুর্দিকে পাঁচিল, মাথার উপর ছাদ; — বাহিরে কোন জিনিস দেখা যায় না। অবতারাদির ‘আমি’ পাতলা ‘আমি’ (Ramakrishna)। এ ‘আমি’র ভিতর দিয়ে ঈশ্বরকে সর্বদা দেখা যায়। যেমন একজন লোক পাঁচিলের একপাশে দাঁড়িয়ে আছে,—পাঁচিলের দুদিকেই অনন্ত মাঠ। সেই পাঁচিলের গায়ে যদি ফোকর থাকে পাঁচিলের ওধারে সব দেখা যায়। বড় ফোকর জলে আনাগোনাও হয়। অবতারাদির ‘আমি’ ওই ফোকরওয়ালা পাঁচিল। পাঁচিলের এধারে থাকলেও অনন্ত মাঠ দেখা যায়;—এর মানে, দেহধারণ করলেও তারা সর্বদা যোগেতেই থাকে! আবার ইচ্ছে হলে বড় ফোকরের ওধারে গিয়ে সমাধিস্থ হয়। আবার বড় ফোকর হলে আনাগোনা করতে পারে; সমাধিস্থ হলেও আবার নেমে আসতে পারে।”

    ভক্তেরা অবাক্‌ হইয়া অবতারতত্ত্ব শুনিতে লাগিলেন।

  • PM Modi: ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে ‘বন্দেমাতরম’ স্মরণ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে ‘বন্দেমাতরম’ স্মরণ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার দেশবাসীকে ছট পুজোর বিশেষ শুভেচ্ছা বার্তা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর মতে, এই পুজো শুধু আধ্যাত্মিক পুজোই নয়, একই সঙ্গে প্রকৃতি, সংস্কৃতি এবং সমাজের ঐক্যকে প্রতিফলিত করে। ১২৭তম ‘মন কি বাত’ (Mann Ki Baat) অনুষ্ঠানে ‘বন্দেমাতরম’ সার্ধশতবর্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় একতা দিবসের উল্লেখ করে দেশবাসীকে আগামী দিনগুলিকে স্মরণ করার কথা মনে করিয়ে দেন। অপারেশন সিঁদুর এবং নকশাল বিরোধী অভিযান বা অপারেশন কাগারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য নিয়েও ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর প্রশংসাও করেন তিনি।

    রান ফর ইউনিটি (PM Modi)

    লৌহমানব শ্রী সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ১৫০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁকেও স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। এ বছর ৩১শে অক্টোবর গুজরাটে নর্মদাতটে সামরিক কুচকাওয়াজ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কথা মনে (Mann Ki Baat) করিয়ে দেন তিনি। বলেন, “আমি আপনাদের সকলকে ৩১ অক্টোবর দেশজুড়ে আয়োজিত “রান ফর ইউনিটি বা একতায় দৌড়”-এ অংশগ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করছি। তবে কেবল একা নয়, অন্যদের সঙ্গে নিয়ে অংশগ্রহণ করুন। দেশের রাষ্ট্রীয় একতার প্রতীক বল্লভভাই প্যাটেল।”

    ১৫০ বছরে বন্দেমাতম

    এদিনের ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে দেশবাসীকে মনের কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) আরও বলেন, “ভারতীয় রাষ্ট্রীয় সঙ্গীত ‘বন্দেমাতরম’ গানটি সার্ধশতবর্ষে পদার্পণ (Mann Ki Baat) করেছে। স্বাধীনতা আন্দোলন এবং তার পরবর্তী সময়ে এই গানের গুরুত্ব অপরিসীম। আজ থেকে ১৫০ বছর আগে ৭ নভেম্বর, ১৮৭৫ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচনা করেছিলেন এই গান। ১৮৮২ সালে আনন্দমঠ উপন্যাসে স্থান পায় এই গানটি। ১৪০ কোটি মানুষকে একত্রিত করে বন্দেমাতরম গান। তাঁর প্রতি আমার শ্রদ্ধা জানাই।” তিনি বলেন, “ভারতীয় সভ্যতার ভিত্তি বেদ। সেখানে পৃথিবী মাতা এবং আমি তাঁর সন্তান এই অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ‘বন্দেমাতরম’ লিখে মাতৃভূমি এবং তাঁর সন্তানদের মধ্যে একই সম্পর্ককে একটি মন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন।”

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) একইভাবে স্বাধীনতা সংগ্রামী বিসরা মুন্ডা এবং ভারতে আদিবাসী সম্প্রদায়ের জন্য তাঁর লড়াইয়ের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, “আগামী ১৫ নভেম্বর ‘জনজাতীয় গৌরব দিবসে’র সময় সকলেই এই ভারতমাতার বীর পুত্রের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করব।”

  • Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে হিন্দু ‘নির্যাতন’ অব্যাহত, কেমন কাটল এই সপ্তাহটা?

    Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে হিন্দু ‘নির্যাতন’ অব্যাহত, কেমন কাটল এই সপ্তাহটা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ তো বটেই, বিদেশেও হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack) অব্যাহত। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে এই নিপীড়ন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্ব এই সব আক্রমণের গভীরতা ও ব্যাপ্তিকে উপেক্ষা করেছে (Roundup Week)। কারণ এর পেছনে রয়েছে ভয়াবহ হিন্দু-বিদ্বেষমূলক মানসিকতা। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবের শোভাযাত্রায় আক্রমণ, মন্দির-মূর্তি ভাঙচুর, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই হিন্দুরা এখন তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও অভূতপূর্ব হিন্দু-বিদ্বেষের মুখোমুখি। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক গত ১৯ অক্টোবর থেকে এই মাসেরই ২৬ তারিখ পর্যন্ত কী কী ঘটনা ঘটেছে ভারত এবং ভারতের বাইরে (Roundup Week)।

    কেরলের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমে দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। কেরলের কমিউনিস্টরা মুসলমান ও খ্রিষ্টানদের মধ্যে ঘটে যাওয়া হিজাব বিতর্কের জন্য হিন্দুত্বকেই দায়ী করেছেন। কোচির সেন্ট রিটা পাবলিক স্কুলের এক মুসলিম ছাত্রী খ্রিষ্টান-পরিচালিত প্রতিষ্ঠানটিতে হিজাব পরার অধিকার দাবি করে। স্কুল কর্তৃপক্ষ হাইকোর্টের অন্তর্বর্তী আদেশ এবং পুলিশি সুরক্ষার সহায়তায় জানায়, স্কুলের ইউনিফর্ম সবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শিক্ষামন্ত্রী তথা সিপিআই(এম)-এর নেতা ভি শিবনকুট্টি স্কুল কর্তৃপক্ষকে হিজাব পরার অনুমতি দেওয়ার নির্দেশ দেন। এই ঘটনায় অকারণে হিন্দুদের টেনে আনা হয়। সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব দীপাবলি উৎসব প্রসঙ্গে বলেন, “দীপাবলিতে প্রদীপ জ্বালানোর জন্য অর্থের অপব্যয় করা উচিত নয়।” কেরলের বিখ্যাত গুরুভায়ুর মন্দিরের অডিটে এর সম্পদ ব্যবস্থাপনায় চরম অনিয়ম ধরা পড়েছে। এটি রাজ্যের কমিউনিস্ট শাসনের অধীনে মন্দির-অব্যবস্থাপনার দীর্ঘ ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যোগ করেছে। অডিটে প্রকাশ, মন্দিরে ভক্তদের দান করা সোনা, হাতির দাঁত, জাফরান ও রান্নার সামগ্রী-সহ বিভিন্ন মূল্যবান দ্রব্যের খোঁজ মিলছে না। ডিউড” চলচ্চিত্রের পরিচালক কীর্তিশ্বরণ প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছেন যে তিনি ইভি রামস্বামী নাইক্কারের আদর্শে প্রাণিত। তিনি এমন এক চলচ্চিত্র বানিয়েছেন যা বিয়ের পবিত্রতাকে উপহাস করে, পরকীয়াকে রোমান্টিকভাবে উপস্থাপন করে, এবং নৈতিক অবক্ষয়কে মূল্যবোধ হিসেবে দেখায় (Roundup Week)।

    জম্মু-কাশ্মীরের চিত্র

    জম্মু-কাশ্মীরের আখনূর এলাকায় জোরিয়ানের ১৬ বছর বয়সী এক হিন্দু কিশোরী পালিয়ে যায় এক ছেলের সঙ্গে। তার পরিবারের দাবি, এটি প্রলোভন ও মগজধোলাইয়ের ফল। ঘটনাটি ভারতজুড়ে তথাকথিত গ্রুমিং ও ধর্মান্তর র‌্যাকেট নিয়ে নতুন করে বিতর্কের সূচনা (Hindus Under Attack) করেছে। বেঙ্গালুরুর হেন্নুরের দোদ্দারামান্না লেআউট এলাকায় দীপাবলির রাতে (Hindus Under Attack) ইসলামি উগ্রবাদীদের ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার কারণে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আতশবাজি পোড়ানো নিয়ে শুরু হওয়া ঝগড়ার পর পাঁচ মুসলিম যুবক দা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে এলাকায় ফিরে এসে স্থানীয়দের হুমকি দেয় এবং আতঙ্ক সৃষ্টি করে। তার পরেই শুরু হয় সংঘাত।

    নমাজ আদায়ে বিতর্ক

    পুনের শনি‌ওয়ার ওয়াদায় একটি বিতর্কের সূত্রপাত হয়, যখন একটি ভিডিওতে দেখা যায় কিছু মুসলিম নারী ঐতিহাসিক ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ কর্তৃক সংরক্ষিত ওই কাঠামোর ভেতরে নমাজ আদায় করছেন। এই ঘটনার জেরে শুরু হয় প্রতিবাদ। পুলিশের কাছে দায়ের করা হয় অভিযোগ। রাজ্যসভার সাংসদ বিজেপির মেধা কুলকার্নি এই প্রতিবাদের নেতৃত্ব দেন। তিনি গোমূত্র ছিটিয়ে শুদ্ধিকরণ অনুষ্ঠান এবং শিব বন্দনা করেন। তাঁর দাবি, এই নমাজ আদায় অপমানজনক। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত (Roundup Week)।

    বিপাকে তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র

    এদিকে, ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন (Hindus Under Attack) সাংসদ তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র। তিনি এক শ্বেতাঙ্গের ভারতীয় এবং তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্যকে সমর্থন করেছেন বলে অভিযোগ। বিতর্কের সূত্রপাত এক্স হ্যান্ডেলে বিশৃঙ্খল একটি রাস্তার ভিডিও পোস্ট করে তিনি যা লিখেছেন, তার নির্যাস হল ভারতীয়রা তাঁদের নির্বোধ দীপাবলির আবর্জনা দিয়ে পশ্চিমী দেশগুলিকে পুরো নোংরা জায়গায় পরিণত করেছে। বেঙ্গালুরুর এক নারী তাঁর সঙ্গী ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁর দাবি, তারা তাঁকে বিয়ের জন্য ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হতে বাধ্য করেছিলেন। মামলাটি এইচএসআর লেআউট থানায় নথিভুক্ত হয়েছে। অভিযুক্তের নাম মহম্মদ ইসহাক।

    আমেরিকার ছবি

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও অপমান করা হয় হিন্দুদের। দীপাবলির উৎসব চলাকালীন কিছু খ্রিস্টান চরমপন্থী এই উৎসবকে অশুভ বলে অপমান করতে থাকে। তারা অংশগ্রহণকারীদের নিন্দাও করে। তাদের অভিযোগ, ভারতীয়রা আমেরিকা ও কানাডায় বন্যপ্রাণ ধ্বংস করছে।

    প্রসঙ্গত, অধিকাংশ হেট ক্রাইম মূলত (Hindus Under Attack) কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত হিন্দু-বিরোধী ঘৃণা দ্বারা পরিচালিত হয়। ইসলামি দেশগুলিতে এই হিন্দু-বিরোধী ঘৃণার প্রকাশ সুস্পষ্ট। কিন্তু ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির সরকারি প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরে আরও সূক্ষ্ম এক রূপের হিন্দু-বিরোধী মনোভাব দেখা যায়। এটি হিন্দুফোবিয়া ও ঘৃণাজনিত অপরাধের জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরি করে (Roundup Week)।

  • Australian Women’s Team: অস্ট্রেলিয়ার দুই মহিলা ক্রিকেটারকে যৌন হেনস্থার অভিযোগে গ্রেফতার ১

    Australian Women’s Team: অস্ট্রেলিয়ার দুই মহিলা ক্রিকেটারকে যৌন হেনস্থার অভিযোগে গ্রেফতার ১

    মাধ্যম ডেস্ক নিউজ: অস্ট্রেলিয়ার দুই মহিলা ক্রিকেটারের (Australian Women’s Team) পিছু ধাওয়া করে যৌন হেনস্থার অভিযোগে গ্রেফতার এক। ঘটনা ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে (Madhya Pradesh)। যদিও ঘটনার একদিন আগে বুধবার ইন্দোরে হলোকার স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার মহিলা দল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ খেলেছিল। ভারত যেখানে মহিলা বিশ্বকাপের আয়োজন করেছে, সেখানে এই রকম অপ্রীতিকর ঘটনা অত্যন্ত সংবেদনশীল। তবে মোহন যাদবের সরকার অত্যন্ত তৎপর হয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

    ক্যাফেতে হেঁটে যাওয়ার সময় ঘটে (Australian women’s team)

    এক বিবৃতিতে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) জানিয়েছেন, “ইন্দোরের (Madhya Pradesh) একটি ক্যাফেতে হেঁটে যাওয়ার সময় অস্ট্রেলিয়ান মহিলা দলের (Australian Women’s Team)  দুই সদস্যকে একজন মোটরসাইকেল আরোহী অশ্লীল ইঙ্গিত করে। তাঁদের সংবেদনশীল জায়গায় স্পর্শ করে অভিযুক্ত। দলের নিরাপত্তারক্ষীরা বিষয়টি স্থানীয় পুলিশকে জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নেমেছেন অফিসাররা।”

    বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সইকিয়া এই ঘটনাকে অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলেছেন। তিনি বলেন, “ভারত তার আতিথেয়তা এবং যত্নের জন্য পরিচিত। এই ধরনের ঘটনার প্রতি আমাদের কোনও রকম সংবেদনশীলতা নেই। অপরাধীকে গ্রেফতারের জন্য রাজ্য পুলিশ তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আমরা তাদের প্রশংসা করি। নিরাপত্তা আরও জোরদার করার জন্য প্রয়োজন হলে আমরা আমাদের সুরক্ষার প্রোটোকলকে আরও সক্রিয় থাকার বার্তা দেব।”

    অভিযুক্তের নাম আকিল খান

    ইন্দোরের (Madhya Pradesh) অতিরিক্ত ডিসিপি ক্রাইম ব্রাঞ্চ রাজেশ দন্ডোটিয়া বলেন, “অস্ট্রেলিয়া মহিলা দলের (Australian Women’s Team) নিরাপত্তারক্ষীদের কাছ থেকে আমরা অভিযোগ পেয়েছি। দুই খেলোয়াড় তাঁদের হোটেলে ফেরার সময় খাজরানা রোড এলাকায় অশালীন আচরণের সম্মুখীন হয়েছেন। এরপর ওইদিন রাতে একটি মামলাও দায়ের করা হয়েছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযুক্তের নাম আকিল খান। সাদা শার্ট, কালোটুপি এবং হেলমেট ছাড়াই কালো মোটর সাইকেলে ঘুরছিল এলাকায়। তার বিরুদ্ধে আগেও একাধিক মামলা রয়েছে। তদন্ত করে আমরা রেকর্ড খতিয়ে দেখছি।”

    তবে সহকারী পুলিশ কমিশনার হিমানী মিশ্র পরে দুই খেলোয়াড়ের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাঁদের বক্তব্য রেকর্ড করেন। এরপর, ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ধারা ৭৪ এবং ৭৮ ধারায় একটি এফআইআর দায়ের করা হয়।

  • John Kiriakou: ‘পাকিস্তানের পারভেজ মোশারফকে কিনে নিয়েছিল আমেরিকা’, ফাঁস করলেন সিআইএর প্রাক্তন কর্তা

    John Kiriakou: ‘পাকিস্তানের পারভেজ মোশারফকে কিনে নিয়েছিল আমেরিকা’, ফাঁস করলেন সিআইএর প্রাক্তন কর্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কীভাবে ওয়াশিংটন কোটি কোটি ডলার সাহায্যের বিনিময়ে পাকিস্তানের (Pakistan) প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশারফকে কিনে নিয়েছিল, তা ফাঁস করে দিলেন জন কিরিয়াকু (John Kiriakou)। তাঁর দাবি, একসময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখত। কিরিয়াকু সিআইএতে ১৫ বছর কাজ করেছেন। এর মধ্যে পাকিস্তানে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক, পারমাণবিক কূটনীতিতে সৌদি প্রভাব এবং দক্ষিণ এশিয়ার পরিবর্তনশীল ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে একাধিক খোলামেলা মন্তব্যও করেছেন।

    মার্কিন বিদেশনীতির সমালোচনা (John Kiriakou)

    কিরিয়াকু আমেরিকার বিদেশনীতিতে বেছে নেওয়া নৈতিকতারও সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, ওয়াশিংটন স্বচ্ছন্দ্যে একনায়কদের সঙ্গে কাজ করে এবং গণতান্ত্রিক আদর্শের চেয়ে নিজেদের স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দেয়। সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কিরিয়াকু বলেন, “পারভেজ মোশারফ পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারের নিয়ন্ত্রণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দিয়েছিলেন।” তাঁর অভিযোগ, ওয়াশিংটন বিশাল পরিমাণ আর্থিক সহায়তা প্যাকেজের মাধ্যমে মূলত তাঁকে কিনেই নিয়েছিল। তিনি বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একনায়কদের সঙ্গে কাজ করতে ভালোবাসে। সেখানে জনমত বা গণমাধ্যম নিয়ে চিন্তা করতে হয় না। আমরা আসলে মোশারফকে একরকম কিনেই নিয়েছিলাম।” কিরিয়াকু বলেন, “আমরা লাখ লাখ ডলার সাহায্য দিয়েছিলাম – সামরিক ও অর্থনৈতিক এবং তার বদলে মোশারফ আমাদের যা খুশি, তা-ই করতে দিয়েছিলেন।”

    মোশারফ দ্বিমুখী খেলা খেলেছিলেন

    প্রাক্তন সিআইএ কর্তা আরও বলেন, “মোশারফ দ্বিমুখী খেলা খেলেছিলেন। তিনি প্রকাশ্যে আমেরিকার পাশে দাঁড়ালেও, গোপনে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও জঙ্গি সংগঠনগুলিকে ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছিলেন।” তিনি বলেন, “পাকিস্তানের সেনাবাহিনী আল-কায়েদাকে নিয়ে মোটেই চিন্তিত ছিল না, তারা চিন্তিত ছিল ভারতের ব্যাপারে। মোশারফ সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আমেরিকার সঙ্গে বন্ধুত্বের ভান করতেন, অথচ ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস চালিয়ে যেতেন (Pakistan)।”

    বড় নীতিগত ভুল

    কিরিয়াকু (John Kiriakou) জানান, সৌদি আরব হস্তক্ষেপ করায় আমেরিকা পাকিস্তানের পারমাণবিক বিজ্ঞানী আবদুল কাদির খানকে নিষ্ক্রিয় করার পরিকল্পনা বাতিল করে দেয়। সৌদিরা পাকিস্তানের পারমাণবিক বোমার জনককে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ থেকে রক্ষা করেছিল। তিনি বলেন, “যদি আমরা ইজরায়েলের মতো পথ অবলম্বান করতাম, তাহলে আমরা তাঁকে হত্যা করতাম। তাঁকে খুঁজে পাওয়া খুব সহজ ছিল। কিন্তু সৌদিরা এসে বলল, ‘দয়া করে তাঁকে ছেড়ে দিন। আমরা একিউ খানকে পছন্দ করি। আমরা তাঁর সঙ্গে কাজ করছি।’” একে তিনি একটি বড় নীতিগত ভুল বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, “হোয়াইট হাউস সিআইএ এবং আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থাকে নির্দেশ দিয়েছিল যেন তারা খানের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ না করে। এটা নিশ্চিতভাবেই সৌদিদের চাপের কারণেই হয়েছিল।”

    বিনিয়োগের প্রতিদান চাইছে!

    কিরিয়াকুর (John Kiriakou) দাবি, সৌদি আরবের পক্ষ থেকে খানকে রক্ষা করার কারণ তাদের নিজস্ব পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। তিনি ইঙ্গিত দেন, রিয়াধ দীর্ঘমেয়াদে একটি সমান্তরাল পারমাণবিক সক্ষমতা গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছিল। তিনি বলেন, “আমরা প্রায়ই ভাবতাম, সৌদিরাও কি নিজেদের পারমাণবিক সক্ষমতা তৈরি করছে না?” তিনি এই পর্যবেক্ষণকে সাম্প্রতিক সৌদি–পাকিস্তান প্রতিরক্ষা চুক্তির সঙ্গে যুক্ত করেন। তাঁর ইঙ্গিত, রিয়াধ হয়তো এখন তাদের বিনিয়োগের প্রতিদান চাইছে (Pakistan)।

    আমেরিকার বিদেশনীতির ভণ্ডামি

    কিরিয়াকু আমেরিকার বিদেশনীতির ভণ্ডামির সমালোচনা করে বলেন, “ওয়াশিংটন বেছে বেছে গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান নেয়, অথচ স্বচ্ছন্দে একনায়কদের সঙ্গে কাজ করে। আসলে আমরা নিজেদের গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের বাতিঘর হিসেবে উপস্থাপন করতে ভালোবাসি। কিন্তু এটি সত্য নয়। আমরা যা করি, তা আমাদের তাৎক্ষণিক স্বার্থেই করি।”

    মার্কিন-সৌদি সম্পর্ক লেনদেনভিত্তিক

    তাঁর মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে (John Kiriakou) সৌদির সম্পর্ক সম্পূর্ণরূপেই লেনদেনভিত্তিক। তিনি বলেন, “সৌদি আরবে আমাদের বিদেশনীতি খুবই সহজ। আমরা তাদের কাছ থেকে তেল কিনি, আর তারা আমাদের কাছ থেকে অস্ত্র কেনে।” কিরিয়াকু মনে করিয়ে দেন, এক সৌদি প্রহরী তাঁকে বলেছিল, “তুমি ভাড়াটে কর্মচারী। আমরা টাকা দিয়ে তোমায় এনেছি, যাতে তুমি এসে আমাদের রক্ষা করো।” কিরিয়াকু বলেন, “বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্য এখন পরিবর্তনের পথে। কারণ সৌদি আরব, চিন ও ভারত নিজেদের কৌশলগত ভূমিকা নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করছে (Pakistan)।” তিনি বলেন,
    “আমরা তেলের সমুদ্রে বসে আছি। আমাদের আর সৌদিদের প্রয়োজন নেই। তারা এখন তাদের সম্ভাবনা বিবেচনা করে চিন ও ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করছে। আমরা আসলে বিশ্ব পরিচালনার এক নয়া রূপান্তর প্রত্যক্ষ করছি (John Kiriakou)।”

  • Chhattisgarh: ভূপতি ও রূপেশের পর মাওবাদী নেতা রামধনও করতে পারেন আত্মসমর্পণ

    Chhattisgarh: ভূপতি ও রূপেশের পর মাওবাদী নেতা রামধনও করতে পারেন আত্মসমর্পণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ে (Chhattisgarh) ভূপতি এবং রূপেশের পর বস্তারে অস্ত্র সমর্পণ করার সম্ভাবনা রয়েছে আরও এক শীর্ষ মাওবাদী নেতার। প্রধান নেতৃত্বদের মধ্যে মাওবাদী (Maoist) কমান্ডার রামধনের নিরাপত্তারক্ষীরা ইতিমধ্যে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করেছেন। ৩০-৪০ জন মাওবাদী অস্ত্র জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করবেন বলে জানা গিয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করেছেন আবুঝামাদ-সহ উত্তরের বস্তার অঞ্চল মাওবাদী প্রভাব মুক্ত হয়েছে।

    ২৫০ জনের বেশি কট্টর মাওবাদীর অস্ত্র সমর্পণ (Chhattisgarh)

    ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বস্তার এবং মহারাষ্ট্রের গড়চিরোলি জেলা প্রশাসনের কাছে ২৫০ জনেরও বেশি কট্টর মাওবাদী অস্ত্র সমর্পণ করার পরই এই খবর আসে। তবে এই জেলা দীর্ঘদিন মাওবাদীদের কুখ্যাত শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। যেসব মাওবাদী (Maoist) নেতা আত্মসমর্পণ করেছেন, তাঁদের মধ্যে ছিলেন মাল্লুজুলা বেণুগোপাল রাও ওরফে ভূপতি। তিনি অবশ্য নিষিদ্ধ সিপিআইএম মাওবাদীর পলিটব্যুরো সদস্য এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। রূপেশ নিজেও উচ্চপদের মাওবাদী নেতা ছিলেন। তবে সেনাবাহিনীর মাওবাদী দমন অভিযান গত কয়েক মাসে বিরাট সাফল্য এসেছে। তবে উল্লেখ্যযোগ্য পদক্ষেপ হল মাওবাদীদের আত্মসমর্পণ করিয়ে তাঁদের সমাজের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনা।

    রামধনের কর্মীদের সঙ্গেও যোগাযোগ হয়েছে

    ভূপতি এবং রূপেশের আত্মসমর্পণের পর মাদ অঞ্চলে আরও এক প্রধান মাওবাদী নেতার অস্ত্র সমর্পণের ইঙ্গিত মিলেছে। সূত্রের খবর, মাওবাদীদের (Maoist) সিসিএম রামধনের কর্মীদের সঙ্গেও যোগাযোগ হয়েছে। খুব দ্রুত যে কোনও সময়ে অস্ত্রসমর্পণ করতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। এই কুখ্যাত নেতা রামধনের উত্তর বস্তার অঞ্চলে সক্রিয় ছিলেন এবং তাঁর মাথার দাম ছিল বিরাট অঙ্কের টাকা। তিনি কাঙ্কের জেলার পানখাঢঞ্জুরের কাছে মাহলা ক্যাম্পের (Chhattisgarh) কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

    উদ্ধার হয়েছিল অস্ত্র

    অক্টোবরেই ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) জগদলপুরে ১১০ জন মহিলা ক্যাডার এবং ৯৮ জন পুরুষ মাওবাদী (Maoist) আত্মসমর্পণ করেছেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য মাওবাদী নেতা ছিলেন ভাস্কর ওরফে রাজমান মান্ডভি, রনিতা, রাজু সালাম, ধন্নু ভেট্টি। তাঁদের মধ্যে অনেকেই আবার দন্ডকারণ্য স্পেশাল জোনাল কমিটি, রতন এলম অঞ্চলিক কমিটির সদস্য। তাঁদের কাছে পাওয়া অস্ত্রগুলির মধ্যে ছিল ১৯টি একে-৪৭, ১৭টি এসএলআর রাইফেল, ২৩টি আইএনএসএ রাইফেল, একটি আইএনএসএএস এলএমজি, ৩৬টি ৩০৩ রাইফেল, চারটি কার্বাইন, ১১টি বিজিইএল লঞ্চার, ৪১টি বারো-বোর বা সিঙ্গেল শট বন্দুক এবং একটি পিস্তল।

  • Amit shah: “একশো বখতিয়ার খিলজিও নালন্দাকে স্পর্শ করতে পারবে না”, তোপ অমিত শাহের

    Amit shah: “একশো বখতিয়ার খিলজিও নালন্দাকে স্পর্শ করতে পারবে না”, তোপ অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিহার নির্বাচনে নির্বাচনী প্রচার ব্যাপক জমে উঠেছে। শনিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit shah) এক জনসভায় ভাষণ দেন। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়কে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য এনডিএ সরকারের ব্যাপক প্রশংসাও করেছেন। তিনি বলেন, “বিকাশ ভি বিরাতস ভি অর্থাৎ উন্নয়ন এবং ঐতিহ্য একান্ত প্রয়োজন দেশের জন্য। এনডিএর শাসনে একশো বখতিয়ার খিলজিও নালন্দাকে (Nalanda University) স্পর্শ করতে পারবে না।”

    খিলজির অত্যন্ত জঘন্য কাজ (Amit shah)

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, “এই খানেই কুমারগুপ্ত বিশ্ব বিখ্যাত নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করেছিলেন। আনুমানিক ৮০০ বছরের পুরানো ঐতিহ্য বহন করে চলেছিল এই জায়গা। প্রাচ্য জ্ঞান চর্চা এবং বিদ্যার প্রধান পীঠস্থান ছিল। তাকে আগুন লাগিয়ে ধ্বংস করে বখতিয়ার খিলজি। বিশ্ববিদ্যালয়ের (Nalanda University) গ্রন্থাগারে যে বইপত্র ছিল তা ছ’মাস ধরে জ্বলছিল। জলন্ত আগুনের ধোঁয়া বহুদিন পর্যন্ত ছিল। এই কাজ ছিল খিলজির অত্যন্ত জঘন্য কাজ। বিহারের সংস্কৃতি, জ্ঞান বিজ্ঞান চর্চা এবং আধ্যাত্মিক পরিসরকে মোদিজির নেতৃত্বে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে এই ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের পুনঃজাগরণ ঘটেছে।”

    ১ কোটি ২১ লক্ষ জীবিকা দিদি প্রকল্পের সুবিধা

    বিহারের আর্থিক পরিসরে উন্নয়ন নিয়ে শাহ (Amit shah) বলেন, “এই রাজ্যে আমরা অনেক বড় কারখানা এবং কৃষি প্রক্রিয়াকরণ শিল্প স্থাপন করব। শিল্প উন্নয়নের সঙ্গে কৃষকদের আয়ও অনেক পরিমাণে বৃদ্ধি হবে। বিহারে কেবলমাত্র একটি পরিবারের উন্নয়ন হয়েছে। পরিবারের লোকেদের রাজনীতি করার সুযোগ মিলেছে। অপরদিকে নীতীশ কুমার এবং নরেন্দ্র মোদি বিহারের দরিদ্র মানুষের জন্য কাজ করেছেন। নারীর ক্ষমতায়ন এবং প্রগতিতেও বিরাট অবদান রয়েছে এনডিএ সরকারের। ১ কোটি ২১ লক্ষ জীবিকা দিদি প্রকল্পে ১০,০০০ টাকা করে ব্যাঙ্কের খাতায় দেওয়া হয়েছে।”

    এদিকে, ইতিমধ্যেি আরজেডির পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রাথী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে তেজস্বী যাদবের নাম। উপমুখ্যমন্ত্রী পদে ঘোষণা করা হয়েছে মুকেশ সাহনির নাম। বিহারে ৬ এবং ১১ নভেম্বর নির্বাচন। ফল ঘোষণা হবে ১৪ নভেম্বর। তাই রাজনৈতিক দলগুলির নির্বাচনী প্রচার এখন তুঙ্গে।

  • Tiwari Commission Repot: প্রকাশ্যে আসতে চলেছে নেল্লি গণহত্যাকাণ্ডের রিপোর্ট, ঘোষণা হিমন্ত বিশ্বশর্মার

    Tiwari Commission Repot: প্রকাশ্যে আসতে চলেছে নেল্লি গণহত্যাকাণ্ডের রিপোর্ট, ঘোষণা হিমন্ত বিশ্বশর্মার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৮৩ সালে ঘটেছিল নেল্লি  গণহত্যাকাণ্ড। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করতে গঠিত হয় তিওয়ারি কমিশন। ১৯৮৫ সালে রিপোর্টও (Tiwari Commission Repot) দেয় কমিশন। তার পর থেকে প্রায় চার দশক পার হয়ে গেলেও, প্রকাশ্যে আসেনি ওই রিপোর্ট। বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশনে এই রিপোর্ট পেশ করার কথা ঘোষণা করল অসমের হিমন্ত বিশ্বশর্মার সরকার। অসমবাসী জানতে পারবেন বর্তমান নগাঁও জেলার এই নৃশংস গণহত্যার প্রকৃত সত্য।

    মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা (Tiwari Commission Repot)

    সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “১৯৮৩ সালে নেল্লিতে একটি ভয়াবহ গণহত্যা ঘটেছিল। সেই সময় রাজ্য সরকার একটি কমিশন গঠন করেছিল, নাম ছিল তিওয়ারি কমিশন। কিন্তু আজ পর্যন্ত সেই কমিশনের রিপোর্ট কখনও রাজ্য বিধানসভায় উপস্থাপন করা হয়নি। আসন্ন ২৫ নভেম্বরের বিধানসভার অধিবেশনে আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ১৯৮৩ সালের নেল্লি গণহত্যার প্রেক্ষিতে গঠিত তিওয়ারি কমিশনের রিপোর্ট পেশ করব।” তিনি বলেন, “এটি অসমের ইতিহাসের একটি অংশ, যা পরে বিভিন্নভাবে বিজ্ঞানী, ইতিহাসবিদ এবং সমাজবিজ্ঞানীরা স্টাডি এবং বিশ্লেষণ করেছেন। তাই এই রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে অন্তত মানুষ সেই সময়ে কী ঘটেছিল, তার সঠিক তথ্য জানতে পারবেন।”

    নেল্লি হত্যাকাণ্ড

    ১৯৮৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি অসমের মধ্যাঞ্চলের নেল্লি এলাকায় এবং তার আশপাশে ঘটেছিল নেল্লি হত্যাকাণ্ড। এই সময় অসম আন্দোলন বা বিদেশি বিরোধী আন্দোলন ছিল চূড়ান্ত পর্যায়ে। এই ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন ২ হাজার থেকে ৩ হাজার মানুষ। সেই সময় এলাকার শয়ে শয়ে আদিবাসী বাঙালি মুসলমানদের বসতিতে আক্রমণ চালিয়েছিল। দা, বর্শা ও লাঠি হাতে নিয়ে উন্মত্ত জনতা তাদের ঘরবাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল, অবরোধ করেছিল রাস্তা, যারা প্রাণ বাঁচাতে পালানোর চেষ্টা করেছিল, তাদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। মৃতদের অধিকাংশই ছিলেন নারী ও শিশু। সরকারি হিসেব অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৮১৯ জন। এর মধ্যে ১ হাজার ৩২৭ জন নারী এবং ২৫৩ জন শিশু। যদিও মানবাধিকার সংগঠন এবং গবেষকদের মতে, প্রকৃত মৃতের সংখ্যা এই হিসেবের তুলনায় অনেক বেশি। অভিযোগ, পুলিশ পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে পারেনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে সিআরপিএফ পৌঁছনোর পর (Tiwari Commission Repot)।

    আন্দোলনকারীদের দাবি

    অসমের ১৪টি লোকসভা আসনের মধ্যে ১২টিই শূন্য ছিল ১৯৮০ সাল থেকে। বিদেশি-বিরোধী আন্দোলনের জেরে ১৯৮২ সালে ভেঙে দেওয়া হয় বিধানসভাও। পরের বছর ৬ জানুয়ারি ঘোষণা করা হয় চার দফায় হবে বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচন। এই নির্বাচন বয়কট করেন অসম আন্দোলনের সমর্থকরা। তা সত্ত্বেও হিংসা ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্যেই ভোট হয়। জয়ী হয় কংগ্রেস। হিতেশ্বর সইকিয়ার নেতৃত্বে সরকার গঠন করে সোনিয়া গান্ধীর দল। অসম আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল অল অসম স্টুডেন্টস ইউনিয়ন সংক্ষেপে, আসু। আন্দোলনকারীদের দাবি ছিল, বাংলাদেশ থেকে আসা অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও বহিষ্কার করা হোক। তাদের নাম মুছে ফেলা হোক ভোটার তালিকা থেকে। আন্দোলনকারীদের আশঙ্কা ছিল, বাংলাদেশের মানুষের অবাধ অনুপ্রবেশের জেরে বদলে যাবে অসমের জনসংখ্যাগত কাঠামো (Tiwari Commission Repot)।

    কাঠগড়ায় কংগ্রেস

    নেল্লি হত্যাকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধান করতে হিতেশ্বর সইকিয়ার নেতৃত্বাধীন অসমের কংগ্রেস সরকার তৎকালীন আইএএস কর্তা ত্রিভুবন প্রসাদ তিওয়ারির নেতৃত্বে তিওয়ারি কমিশন গঠন করে। এই কমিশন ১৯৮৪ সালে মুখ্যমন্ত্রী হিতেশ্বর সইকিয়ার কাছে ৬০০ পৃষ্ঠার একটি রিপোর্ট পেশ করে। যদিও কোনও এক অজ্ঞাত কারণে আজও এই রিপোর্ট পেশ করা হয়নি বিধানসভায়। রিপোর্টে বলা হয়, সরকারের নথিপত্রে মাত্র তিনটি শ্রেণিবদ্ধ (classified) কপি সংরক্ষিত রয়েছে (Tiwari Commission Repot)। গত চার দশকে রিপোর্টটি কেন প্রকাশ করা হয়নি, তা অজানাই রয়ে গিয়েছে। অনেকে কংগ্রেসকে কাঠগড়ায় তুলেছেন ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ায়।

    কেন প্রকাশ করা হয়নি রিপোর্ট

    যদিও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানান, রিপোর্টটির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তাই প্রকাশ করা হয়নি। তিনি বলেন, “অসম সরকারের কাছে থাকা ৬০০ পৃষ্ঠার তিওয়ারি কমিশন রিপোর্টের কপিগুলিতে কমিশনের প্রধান অবসরপ্রাপ্ত আইএএস কর্মকর্তা ত্রিভুবন প্রসাদ তিওয়ারির সই ছিল না। তাই প্রতিবেদনটি আসল কি না, এ নিয়ে সংশয় দেখা দেয়।” মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা তখনকার বিভিন্ন কেরানির সাক্ষাৎকার নিয়েছি, ফরেনসিক পরীক্ষাও করেছি এবং রিপোর্টটি সত্য বলে জানতে পেরেছি। আগের বিভিন্ন সরকার রিপোর্ট প্রকাশ করার সাহস দেখায়নি। কিন্তু কোনও না কোনও সরকারকে এটি প্রকাশ করতেই হত। কারণ এটি আমাদের ইতিহাসের একটি অধ্যায় (Tiwari Commission Repot)।”

LinkedIn
Share