Tag: bangla news

bangla news

  • Nitin Gadkari: ভারতে চলবে না পেট্রল-ডিজেল গাড়ি! কী বললেন নিতিন গড়করি?

    Nitin Gadkari: ভারতে চলবে না পেট্রল-ডিজেল গাড়ি! কী বললেন নিতিন গড়করি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী দিনে ভারতে পেট্রোল ও ডিজেল গাড়ির সংখ্যা ব্যাপক হারে কমে যাবে বলে বিশ্বাস করেন কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়করি (Nitin Gadkari)। ভারতকে সবুজ অর্থনীতিতে পরিণত করাটা শক্ত হলেও অসম্ভব নয় বলে মনে করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। হাইব্রিড গাড়িতে জিএসটি কমানোর কথাও জানিয়েছেন তিনি। বর্তমানে ৩৬ কোটির বেশি পেট্রল-ডিজেল গাড়ি রয়েছে ভারতে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবি, জৈব জ্বালানির উপর জোর দিয়ে জ্বালানি আমদানি কমাতে পারে সরকার। কেন্দ্রের এই ভাবনাকে স্বাগত জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা।

    কী বললেন গডকরি

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়করি (Nitin Gadkari) জানিয়েছেন, জ্বালানি আমদানির জন্য ১৬ লাখ কোটি টাকা খরচ করে ভারত। এই টাকা কৃষকদের জীবনযাত্রার উন্নয়নে, গ্রামগুলোকে সমৃদ্ধ করা এবং যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানে ব্যবহার করা যেতে পারে। যদিও এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য এখনও কোনও দিন নির্দিষ্ট করেনি কেন্দ্র। হাইব্রিড গাড়ির উপর জিএসটি কমিয়ে ৫ শতাংশ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। হাইব্রিড গাড়ির পাশাপাশি ফ্লেক্স-ফুয়েল ইঞ্জিন চালিত গাড়িতে জিএসটি কমিয়ে ১২ শতাংশ করতে পারে কেন্দ্র সরকার। এই প্রস্তাব ইতিমধ্যে অর্থমন্ত্রকের কাছে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে বিবেচনাধীন রয়েছে এই সিদ্ধান্ত। 

    আরও পড়ুন: জ্ঞানবাপী চত্বরে পুজো-আরতি চলবে, মসজিদ কমিটির আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    জৈব জ্বালানিকে স্বাগত

    পরিবেশ দূষণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে সামনে রেখে দেশের গাড়ি বাজারে আমূল পরিবর্তন করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে সরকার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়করি (Nitin Gadkari) জানান, “এই পরিবর্তনের জন্য আমি আপনাদের কোনও তারিখ দিতে পারব না। এটা করা শক্ত তবে অসম্ভব নয়।” তিনি আশাবাদী যে হারে বর্তমানে ইলেকট্রিক গাড়ি বাজারে আসতে শুরু করেছে তাতে আগামীদিনে বিকল্প জ্বালানি এবং জৈব জ্বালানির স্বপ্ন পূরণ হবে। তিনি আরও জানান, বাজাজ, টিভিএস, হিরো মটোকর্পের মতো সংস্থার ইতিমধ্যে ফ্লেক্স-ফুয়েল ইঞ্জিন চালিত মোটরসাইকেল এবং রিকশা বানানো শুরু করে দিয়েছে। ফলে আগামী ৫-৭ বছরের মধ্যে পেট্রল-ডিজেল চালিত গাড়িকে ছাপিয়ে শীঘ্রই যে ইলেকট্রিক গাড়ির দাপট শুরু হবে তা বলাই যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: ক্ষতিপূরণের আর্জি, রাজ্যপালের পা জড়িয়ে ধরলেন ঝড়ে সর্বহারা এক মহিলা

    CV Ananda Bose: ক্ষতিপূরণের আর্জি, রাজ্যপালের পা জড়িয়ে ধরলেন ঝড়ে সর্বহারা এক মহিলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝড়ে বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শন করলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। তিনি কোলকাতা থেকে বিমানে বাগডোগরায় আসেন। সেখান থেকে সড়কপথে সোজা জলপাইগুড়ির সেন পাড়ায় মৃত অনিমা বর্মনের বাড়িতে যান। সেখানে তাদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। তারপর তিনি চলে আসেন ময়নাগুড়ির ঝড় বিধ্বস্ত এলাকা বার্ণিশে। সেখানে প্রশাসনের তরফে  করা ত্রাণ শিবিরে যান। সেখানে ত্রাণ শিবিরে থাকা ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের কি প্রয়োজন, কী কী সমস্যা রয়েছে সেই কথা জিজ্ঞাসা করেন তিনি।

    ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বললেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)

    ক্ষতিগ্রস্তদের কথা মন দিয়ে শোনেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। তাদের সমস্ত রকম সাহায্যের আশ্বাস দেন। প্রশাসনের তরফে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। ত্রাণ শিবির থেকে বেড়িয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়িতে যান। বেশ কয়েকটি বাড়িতে যান তাদের সঙ্গে কথা বলেন। প্রশাসনের তরফে কেউ এসেছিল কিনা জিজ্ঞাসা করতে রাজ্যপালের কাছে তাঁরা অভিযোগ করেন। তখনও পর্যন্ত প্রশাসনের তরফে কেউ আসেনি। ঝড়ে মৃত এক ব্যক্তির আত্মীয়ের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁকে কাছে পেয়ে তার পা জড়িয়ে ধরেন দীপিকা রায় নামে এক মহিলা। তাঁর কাছে আর্তি জানান, তাঁরা যাতে তাদের ক্ষতিপূরণ পান। ঝড়ে তাদের ঘরের টিনের চাল উড়িয়ে গেছে। ঘড়ের আসবাবপত্র সব কিছু ভেঙ্গে নষ্ট হয়ে গেছে। রাজ্যপাল তাদের কথা শুনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। এরপরেই তিনি চলে যান রাজারহাট এলাকায় মৃত এক ব্যক্তির বাড়িতে। সেখানে বেশ কিছুক্ষণ সময় তাদের সঙ্গে কথা বলেন। গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন।

    কী বললেন রাজ্যপাল?

    এরপর তিনি জলপাইগুড়ি হাসপাতালে চলে যান আহতদের দেখতে। সেখানে আহতদের দেখে তাদের সঙ্গে কথা বলেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা আহতদের কী অবস্থা রয়েছে সেই কথা জানতে চান। তাদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। পরিদর্শন সেরে রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বলেন, দূর্গতদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যার কথা শুনেছি। পরিস্থিতি আপাতত কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। প্রশাসনের তরফ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM On Ram Temple: “মনে হল রামলালা আমায় বলছেন, দেশের স্বর্ণযুগ শুরু হয়েছে”, বললেন মোদি

    PM On Ram Temple: “মনে হল রামলালা আমায় বলছেন, দেশের স্বর্ণযুগ শুরু হয়েছে”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রাণপ্রতিষ্ঠার সময় রামলালা আমায় বললেন দেশের স্বর্ণযুগ শুরু হয়েছে। ভারতের সেই সুদিন এসেছে। দেশ এগোচ্ছে।” একটি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM On Ram Temple)। চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয় অযোধ্যার রাম মন্দিরের। এদিনই মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয় বিগ্রহের। প্রাণপ্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানে আগাগোড়া উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই মন্দিরের বিগ্রহ রামলালা তাঁকে ওই কথাগুলি বলেন বলে দাবি প্রধানমন্ত্রীর।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM On Ram Temple)

    তিনি বলেন, “গত দশ বছরের প্রধানমন্ত্রিত্বকালে অনেক জায়গা থেকে আমন্ত্রণ পেয়েছি। কিন্তু শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের তরফে যখন আমায় প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানানো হল, তখন অন্তরের অন্তঃস্থলে থেকে বিচলিত হয়েছিলাম।” প্রধানমন্ত্রী (PM On Ram Temple) বলেন, “ওঁদের (শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষের) আমন্ত্রণ পাওয়ার পরে আমি যেন কোনও এক আধ্যাত্মিক জগতের বাসিন্দা হয়ে গেলাম। আমি যেন কোনও কিছুর অস্তিত্ব অনুভব করতে শুরু করলাম। আমার কাছে সেই আধ্যাত্মিক সত্তা যেন জীবন্ত হয়ে উঠল।” তিনি বলেন, “তখনই আমি ঠিক করলাম যে আমি প্রাণপ্রতিষ্ঠার আগে ১১ দিনের যে সংযমী জীবন যাপন করতে হয়, তা করব। এই সময় আমি এও স্থির করলাম, ভগবান রামের সঙ্গে যুক্ত দেশের যেসব জায়গা, সেগুলোতে গিয়ে কিছুটা করে সময় কাটাব, বিশেষত দক্ষিণ ভারতে।”

    সংযমী জীবন যাপন প্রধানমন্ত্রীর

    জানা গিয়েছে, ১১ দিনের যে সংযমী জীবন প্রধানমন্ত্রী কাটিয়েছেন, সেই সময় তিনি ঘুমিয়েছেন মেঝেয়। কঠোর উপোস করেছেন। এই পুরো পর্বটায় তিনি খেয়েছেন কেবল ডাবের জল। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই ক’দিন আমি কেবল আমার অন্তরেই ডুবেছিলাম। শেষমেশ যখন অযোধ্যায় পৌঁছলাম এবং মন্দিরের সিঁড়ির প্রথম ধাপে পা রাখলাম, মনে হল আমি কি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এখানে এসেছি, নাকি একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে দেবদর্শনে এসেছি? আমার মন বলছিল, আমি একজন সাধারণ ভক্ত হিসেবে অযোধ্যায় এসেছি। এ দেশের ১৪০ কোটি মানুষের মতো।”

    ‘বিগ্রহের দু’চোখে ভারতবাসীকে দেখেছি’

    তিনি (PM On Ram Temple) বলেন, “রামলালার মূর্তির দিকে চোখ পড়তেই আমি কেমন ঘোরের মধ্যে চলে গেলাম। পুরোহিতরা আমায় কী করতে বলছেন, সে ব্যাপারে আমার খেয়াল ছিল না। সেই ঘোরের মধ্যেই আমার মনে হল, রামলালা আমায় বলছেন, ভারতের সুবর্ণ যুগ শুরু হয়েছে। সেদিন বিগ্রহের দুচোখে আমি কেবল আমার দেশের ১৪০ কোটি বাসিন্দাকেই দেখেছি।”

    আরও পড়ুুন: জ্ঞানবাপী চত্বরে পুজো-আরতি চলবে, মসজিদ কমিটির আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Alipurduar Storm: ঝড়ে তছনছ এলাকা, উড়ে গেল গোটা বাড়ি, ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

    Alipurduar Storm: ঝড়ে তছনছ এলাকা, উড়ে গেল গোটা বাড়ি, ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলিপুরদুয়ারে (Alipurduar Storm) ঝড়ে তছনছ হয়ে উড়ে গেল গোটা বাড়ি। একই ভাবে ঝড়ে দাপটে কোচবিহারে বিঘার পর বিঘা ফসলের জমি নষ্ট হয়ে গেল। গতকাল রবিবার দুপরের পরে ঝড়ে টিনের তৈরী বাড়িকে লন্ডভন্ড করে দিয়েছে। দিনমজুর-কৃষকেরা মাথায় ছাদ হারালেন। এই ঝড়ে জলপাইগুড়িতেও সাধারণ মানুষের জনজীবন ব্যাপক ভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে। খোলা হয়েছে ত্রাণ শিবির।

    মাত্র ৪ মিনিটের ঝড়ে তছনছ (Alipurduar Storm)!

    রবিবার বিকেলে ঝড়ের (Alipurduar Storm) তাণ্ডবে আলিপুরদুয়ারের বিস্তীর্ণ এলাকা। এই জেলার আলিপুরদুয়ার ১ নম্বর ব্লকের তপসিখাতা গ্রাম। ঝড়ে উড়িয়ে নিয়ে গিয়েছে টিনের তৈরি বাড়ি। মাথার উপর টিনের ছাদ না থাকায় দিন মজুরের পরিবার ভীষণ চিন্তিত। বাড়িতে রয়েছে তিনজন পড়ুয়া। তাদের বেশীর ভাগ বই পত্র ঝড়ে উড়ে গিয়েছে। একই ভাবে ঝড়ের সঙ্গে হওয়া বৃষ্টির জলে জামা কাপড়, খাতা-বই সব ভিজে গিয়েছে। রান্নাঘর যেন ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

    মাথাভাঙায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

    আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar Storm) মতো একই ভাবে ঝড়ের প্রভাব পড়েছে কোচবিহারের মাথাভাঙা এলাকায়। এলাকায় বেশ কিছু মানষ আহত হয়েছেন। রবিবার বিকেল ৫ টার সময় মাথাভাঙা ১ নম্বর ব্লকের শিকারপুর, কুরশামারি, এলঙমারি-সহ একাধিক জায়গায়র উপর দিয়ে ঝড় বয়ে যায়। জানা গিয়েছে মোট ২০০ বাড়ি ভেঙে পড়েছে। প্রচুর গাছপালা ভেঙে পড়েছে। এলাকার বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়েছে। এলাকায় কোনও বিদ্যুৎ নেই। ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে নষ্ট হয়েছে বিঘার পর বিঘা জমি। রাতেই এলাকা পরিদর্শনে যান স্থানীয় প্রশাসনের আধিকারিক।

    খোলা হয়েছে ত্রাণ শিবির

    ঘূর্ণিঝড়ের (Alipurduar Storm) ক্ষতি গ্রস্থ হয়েছে কুমারগ্রামের উত্তর হলদিবাড়ি, ফালাকাটার জটেশ্বর এলাকায়। প্রচুর ফসল নষ্ট হয়েছে। অনেক টাকার সম্পদ ধ্বংস হয়েছে। ভুট্টার ফসলের জমি নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এমন কী কুমার গ্রামে রীতিমতো ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। আশ্রয় নিয়েছেন সাধারণ মানুষ। এদিকে জলপাইগুড়ির পরিস্থিতি ব্যাপক খারাপ। মৃত্যু হয়েছে প্রচুর গবাদি পশু। এলাকার গাছ ভেঙে পড়েছে। উল্টে পড়ে রয়েছে গাছ। কয়েক মিনিট ঝড়ে প্রাণ কেড়েছে মানুষের। বার্নিশ গ্রামে ২ জন, জলপাইগুড়ি পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের সেন পাড়ায় ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। অপর দিকে গুয়াহাটি বিমান বন্দরের ছাদের একটা অংশ ভেঙে পড়েছে। ৬ টি বিমান অন্য পথে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Whatsapp, Telegram, Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: তৃণমূলের হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত কর্মীর বা়ড়িতে বিজেপি প্রতিনিধি দল, পাশে থাকার বার্তা

    South 24 Parganas: তৃণমূলের হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত কর্মীর বা়ড়িতে বিজেপি প্রতিনিধি দল, পাশে থাকার বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে রাজনৈতিক হিংসায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) মন্দিরবাজার কৃষ্ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের খেলারামপুর। চলেছিল গুলি, আর সেই গুলিতেই গুরুতর আহত হয়েছিলেন বিজেপির অন্ধ ভক্ত সমর্থক সাইরাজ মোল্লা (২৫)। অভিযোগের তির ছিল শাসকদলের দিকে। এই ঘটনার পর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার হয় বেশ কয়েকজন। বাড়িতে রয়েছে বিজেপি কর্মীর  স্ত্রী এবং একমাত্র সন্তান। তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন বিজেপির বর্তমান লোকসভার প্রার্থী অশোক পুরকাইত,অগ্নিমিত্রা পল সহ কৃষ্ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপির প্রধান এবং বহু এলাকার মানুষ।

    হাসপাতালে একমাস লড়াই করার পর মৃত্যু (South 24 Parganas)

    ঘটনার পর পরই বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল আহতের বাড়িতে আসেন। জখম বিজেপি কর্মীকে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় (South 24 Parganas) ডায়মন্ড হারবার হাসপাতাল থেকে কলকাতা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করতে থাকেন সাইরাজ। প্রায় এক মাস ধরে লড়াই করা পর সোমবারই সবই শেষ। হাসপাতালেই মৃত্যু হয় তাঁর। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তে এলাকায় প্রচুর মানুষ ভিড় করতে থাকেন। বিজেপি কর্মীর দেহ খেলারামপুরে বাড়িতে আনার আগেই মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপির প্রার্থী অশোক কুমার পুরকাইত  সহ বিজেপি নেতৃত্বরা সেখানে হাজির হন। তবে, মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর প্রশাসনিক ব্যবস্থা জোরদার করা হয় এলাকায়। মৃতের পরিবার সহ এলাকার মানুষ একত্রিত হয়ে সাংবাদিকদের এলাকায় ছবি করা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে দেয়। সাইরাজের অকাল মৃত্যুতে শোকোস্তব্ধ এলাকা। বিজেপি লোকসভার প্রার্থী অশোক কুমার পুরকাইত পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    এই বিষয় নিয়ে তৃণমূলের সুন্দরবন জেলার (South 24 Parganas) সভাপতি তথা মন্দির বাজারের বিধায়ক জয়দেব হালদার বলেন, এই মৃত্যুর ঘটনা অবশ্যই বেদনাদায়ক। আমরা সমবেদনা জানাই ওর পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে। তবে বিজেপি অহেতুক এই মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি করছে। এই জিনিসটি কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তবে ইতিমধ্যেই পুলিশ প্রশাসন এই ঘটনায় দোষীদের গ্রেফতার করেছে এবং কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gyanvapi Case: জ্ঞানবাপী চত্বরে পুজো-আরতি চলবে, মসজিদ কমিটির আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    Gyanvapi Case: জ্ঞানবাপী চত্বরে পুজো-আরতি চলবে, মসজিদ কমিটির আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী ইস্যুতে মুসলিম পক্ষ ফের বড় ধাক্কা খেল সুপ্রিম কোর্টে। বারাণসীর জ্ঞানবাপী (Gyanvapi Case) ‘ব্যাসজি কা তহখানা’য় পুজো এবং আরতি চালিয়ে যেতে পারবে হিন্দু সমাজ, সোমবার এমনই নির্দেশ দিল দেশের শীর্ষ আদালত। প্রসঙ্গত, বারাণসী জেলা আদালতের ৩১ জানুয়ারির নির্দেশ এবং এলাহাবাদ হাইকোর্টের ২৬ ফেব্রুয়ারি যে রায় দিয়েছিল তাতেই সিলমোহর দিল সুপ্রিম কোর্ট। একইসঙ্গে সোমবারের নির্দেশের বিষয়ে কাশী বিশ্বনাথ মন্দির কর্তৃপক্ষের মত জানতে চেয়েছে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। পাঠানো হয়েছে নোটিশও।

    মুসলিম পক্ষের আর্জি খারিজ

    ‘অঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া (জ্ঞানবাপী) মসজিদ কমিটি’-র তরফে প্রথমে বারাণসী জেলা আদালত ও পরে এলাহাবাদ হাইকোর্টে পূজা-আরতির অনুমতি সংক্রান্ত নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ (Gyanvapi Case) করে যে আবেদন জানানো হয়েছিল, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ তা খারিজ করে দেয় এদিন। পুজো-আরতিতে কোনও রকম স্থগিতাদেশ দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। সেই সঙ্গে শীর্ষ আদালত এও জানিয়েছে, আপাতত ‘স্থিতাবস্থা’ বজায় থাকবে ওই চত্বরে। অর্থাৎ, হিন্দুপক্ষের পুজোর পাশাপাশি, মুসলিমরাও জ্ঞানবাপীতে নমাজের অনুষ্ঠান করবেন।

    ১৮ ডিসেম্বর বারাণসী জেলা আদালতে রিপোর্ট পেশ করে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ

    প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর বারাণসী জেলা আদালতে রিপোর্ট পেশ করে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ (আর্কিয়োলজিকাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া বা এএসআই)। ওই রিপোর্টে বলা হয়, জ্ঞানবাপীর (Gyanvapi Case) কাঠামোর নীচে ‘বড় হিন্দু মন্দিরের অস্তিত্ব’ ছিল। তার পরেই সেখানে পুজোর নির্দেশ দিয়েছিলেন বারাণসী জেলা আদালতের বিচারক বিশ্বেস। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানায় মসজিদ কমিটি। তারা যুক্তি দেয়, ১৯৩৭ সালে জ্ঞানবাপী সংক্রান্ত বিবাদের রায় মুসলিমদের পক্ষেই গিয়েছিল, তাই এএসআই-কে দিয়ে নতুন করে সমীক্ষা করানো যায় না। কিন্তু জ্ঞানবাপী কমিটির যুক্তি খারিজ করে এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি রোহিতরঞ্জন আগরওয়ালের একক বেঞ্চ জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরের দক্ষিণ দিকে ‘ব্যাসজি কা তহখানা’য় হিন্দুদের পুজো, আরতি চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছিল।

    মূল মামলা দায়ের হয় ২০২১ সালে

    প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের অগাস্ট মাস নাগাদ পাঁচ হিন্দু মহিলা জ্ঞানবাপীর ‘মা শৃঙ্গার গৌরী’ (ওজুখানা ও তহখানা) এবং মসজিদের ভিতরের পশ্চিমের দেওয়ালে দেবদেবীর মূর্তির অস্তিত্বের দাবি করেন। তাঁরা পূজার্চনার অনুমতিও চান। মামলার জল গড়ায় কোর্টে (Gyanvapi Case)। সেটিই মূল মামলা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Whatsapp, Telegram, FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IPL 2024: আইপিএল-এর দ্রুততম বোলার! গতিই তাঁর সবচেয়ে প্রিয়, জানেন কে এই মায়াঙ্ক যাদব?

    IPL 2024: আইপিএল-এর দ্রুততম বোলার! গতিই তাঁর সবচেয়ে প্রিয়, জানেন কে এই মায়াঙ্ক যাদব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুভমন গিল থেকে রিঙ্কু সিং, যশপ্রীত বুমরা বা উমরান মালিক গত কয়েক বছরে আইপিএল (IPL 2024) থেকে উঠে এসেছে ভারতের একাধিক তারকা ক্রিকেটার। চলতি আইপিএলের আবিষ্কার হতে পারেন মায়াঙ্ক যাদব (Mayank Yadav)। লখনউয়ের হয়ে খেলা দিল্লির এই তরুণ পেসারের গতিতে নাজেহাল প্রতিপক্ষের ব্যাটাররা। এবারের আইপিএলে দ্রুততম বল করার কৃতিত্ব এখন মায়াঙ্কের দখলে। শনিবারের ম্যাচে পঞ্জাবের ব্যাটারদের গতিতে বিব্রত করেছেন তিনি। তাঁর একটি বলের গতি ছিল ঘণ্টায় ১৫৫.৮ কিলোমিটার। যা ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের নজর কেড়ে নিয়েছে। মায়াঙ্কের সব থেকে মন্থর বলটির গতি ছিল ১৩৯ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা।

    কে এই মায়াঙ্ক

    ২০২২ সালের নিলামে ২০ লাখ টাকায় মায়াঙ্ককে (Mayank Yadav) দলে নিয়েছিল লখনউ। সে বার ম্যাচ খেলার সুযোগ হয়নি তাঁর। ২০২৩ সালে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের জন্য খেলতে পারেননি। শনিবার ক্রিকেটজীবনের প্রথম আইপিএল (IPL 2024) ম্যাচ খেললেন তিনি। অর্থাৎ অভিষেক ম্যাচেই নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন দিল্লির তরুণ। এখনও পর্যন্ত একটি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছেন মায়াঙ্ক। দিল্লির হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে তাঁর মোট উইকেটের সংখ্যা ৫১। লখনউয়ের হয়ে আইপিএল অভিষেকে পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ২১ বছরের মায়াঙ্ক ২৭ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন। ম্যাচের সেরাও তিনি। গতির সঙ্গে ব্যালান্সও দারুণ। ওই ম্যাচে মায়াঙ্কের ২৪টি ডেলিভারি (৪ ওভার) ছিল— ১৪৭, ১৪৬, ১৫০, ১৪১, ১৪৭, ১৪৯, ১৫৬, ১৫০, ১৪২, ১৪৪, ১৫৩, ১৪৯, ১৫২, ১৪৯, ১৪৭, ১৪৫, ১৪০, ১৪২, ১৫৩, ১৫৪, ১৩৯, ১৪২, ১৫২, ১৪৮ কিমি প্রতি ঘণ্টা। নিজের সাফল্য নিয়ে ম্যাচের শেষে মায়াঙ্কের বক্তব্য, ‘নিজের ফোকাস ঠিক রাখাটাই ছিল লক্ষ্য। আলাদা করে কিছু ভাবিনি। যা এতদিন করে এসেছি, সেটাই করতে চেয়েছিলাম। পেরেছি বলে ভালো লাগছে। আগামী দিনেও এটাই করে যেতে চাই।’

    মায়াঙ্কের পেসে মুগ্ধ লি-স্টেইন

    লখনউয়ের বোলিং কোচ মর্নি মর্কেলও উচ্ছ্বাস গোপন করেননি। তিনি বলেছেন, ‘‘মায়াঙ্ক শুধু ভাল বলই করেনি। গুরুত্বপূর্ণ উইকেটগুলোও তুলে নিয়েছে। গত মরসুমটা ওর ভাল যায়নি। প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচেই চোট পেয়েছিল। আমি ওকে একটা কথাই বলেছি, ভাল ক্রিকেট খেলার জন্য প্রয়োজন প্রাথমিক বিষয়গুলো ঠিক ভাবে করা। বলের লাইন এবং লেংথের ব্যাপারে সতর্ক থাকার কথা বলেছি। মায়াঙ্ক সেটাই করার চেষ্টা করে। ম্যাচেও বাড়তি কিছু করার চেষ্টা করেনি। ওর বলের গতি বাড়তি পাওনা।’’ লখনউয়ের তরুণ বোলারের পারফরম্যান্সে বিস্মিত ইংল্যান্ডের প্রাক্তন জোরে বোলার স্টুয়ার্ট ব্রডও। আইপিএলের (IPL 2024) অন্যতম ধারাভাষ্যকার বলেছেন, ‘‘মায়াঙ্কের বলের গতি সহজাত। বাড়তি কিছু চেষ্টা করে না। কিন্তু সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে বলের লাইন এবং লেংথ। এত কম বয়সে এটা সাধারণত দেখা যায় না।’’ মায়াঙ্ক যাঁর ভক্ত, সেই ডেল স্টেইন বলছেন, ‘এতদিন কোথায় লুকিয়েছিলে?’ ব্রেট লির কথায়, ‘সবচেয়ে দ্রুতগতির পেসার পেয়ে গেল ভারত। দারুণ পেস, মুগ্ধ হলাম।’ কমেন্ট্রি বক্সে বসে শনিবারই সহ-ধারাভাষ্যকার স্টিভ স্মিথকে সতর্ক করে দিয়েছেন ব্রড। তাঁর মতে, ভারতীয় দলের সুযোগ পেলে বছরের শেষে ভারত-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট সিরিজেও স্মিথদের সমস্যা ফেলবেন মায়াঙ্ক (Mayank Yadav)।

    মাথা লক্ষ্য করে বল

    আইপিএলে (IPL 2024) চমক হলেও মায়াঙ্ক যাদবের (Mayank Yadav) গতি দিল্লি ক্রিকেট মহলে ইতিমধ্যেই সাড়া ফেলেছে। ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি মুস্তাক আলি ট্রফিতেও ১৫০ কিলোমিটার প্লাস প্রতি ঘণ্টায় তাঁর ডেলিভারি শোরগোল ফেলেছিল। দিল্লির ক্রিকেট মহল তাঁকে ডাকে ‘শর পে মারনেওয়ালা বোলার’ বলে। মাথায় মারার বুদ্ধিটা অবশ্য মায়াঙ্ককে দিয়েছিলেন তাঁরা বাবা প্রভু যাদব। তিনি আবার ছিলেন কার্টলে অ্যামব্রোজ, কোর্টনি ওয়ালশের ভক্ত। তাঁর স্মৃতিচারণা, ‘আমি ছেলেবেলায় মায়াঙ্ককে বলেছিলাম, অ্যামব্রোজকে কেন ব্যাটসম্যানরা ভয় করে জানিস? কারণ ও মাথায় মারতে পারে।’ গতির কথা উঠতেই মায়াঙ্কের বক্তব্য, ‘ব্যক্তিগত জীবনেও আমি স্পিড পছন্দ করি। রকেট, জেট, সুপার বাইকের স্পিড আমার দারুণ ভালো লাগে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: কচ্ছতিভু ইস্যুতে কংগ্রেসের পর ডিএমকে-কে নিশানা মোদির, সরব জয়শঙ্করও

    PM Modi: কচ্ছতিভু ইস্যুতে কংগ্রেসের পর ডিএমকে-কে নিশানা মোদির, সরব জয়শঙ্করও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কংগ্রেস এবং ডিএমকে একজোট হয়ে এই কাজ (কচ্ছতিভু দ্বীপ হস্তান্তর) করেছিল।” রবিবার কংগ্রেসকে নিশানার পর সোমবার ডিএমকে-কে আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ইন্দিরা জমানায় কচ্ছতিভু দ্বীপ তুলে দেওয়া হয়েছিল শ্রীলঙ্কার হাতে। তার পর থেকে ওই অঞ্চলে মাছ ধরতে গিয়ে হেনস্থার শিকার হন তামিল মৎস্যজীবীরা। সম্প্রতি ওই দ্বীপটি শ্রীলঙ্কার হাতে তুলে দেওয়ার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। তার পরেই কংগ্রেসকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী।

    মোদির নিশানায় ডিএমকে (PM Modi)

    এদিন আক্রমণ শানালেন ডিএমকে-কে। এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “সব কিছু এক দিকে সরিয়ে রাখলাম। কিন্তু তামিলনাড়ুর স্বার্থেও ডিএমকে কোনও পদক্ষেপ করেনি। কচ্ছতিভু নিয়ে যে নয়া তথ্যগুলি উঠে আসছে, তাতে ডিএমকের দ্বিচারিতার মুখোশ খুলে পড়ছে। কংগ্রেস এবং ডিএমকে একজোট হয়ে এই কাজ করেছিল। তারা কেবলমাত্র নিজের পরিবারের কথা চিন্তা করে। আর কারও জন্য ওদের কোনও চিন্তা নেই। কচ্ছতিভু নিয়ে তাদের নির্মম সিদ্ধান্ত আমাদের গরিব মৎস্যজীবীদের ওপর প্রভাব ফেলেছে।”

    আক্রমণ শানালেন জয়শঙ্করও

    কচ্ছতিভু দ্বীপ হস্তান্তর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) মতো কংগ্রেস এবং ডিএমকে-কে তাক করেছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও। তিনি বলেন, “১৯৭৪ সালে ভারত ও শ্রীলঙ্কা একটি সমঝোতা করেছিল। একটি সামুদ্রিক সীমানা তৈরি করা হয়েছিল সেই সময়। আর ভারতের অংশ কচ্ছতিভু দ্বীপকে সীমানার ওপ্রান্তে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।” তিনি বলেন, “কংগ্রেস এবং ডিএমকে এই কচ্ছতিভু মামলা নিয়ে কোনও দায়িত্বই নিতে চায়নি। আমরা জানি এই কাণ্ড কে ঘটিয়েছিলেন। কেইবা বিষয়টি চেপে দিয়েছিলেন।”

    তিনি বলেন, “গত ২০ বছরে ৬ হাজার ১৮৪ জন ভারতীয় মৎস্যজীবী শ্রীলঙ্কায় আটক হয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে ১ হাজার ১৭৫ জন ভারতীয় মৎস্যজীবীর নৌকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার উদ্যোগী হয়ে ভারতীয় মৎস্যজীবীদের ছাড়িয়ে নিয়ে এসেছে। গত পাঁচ বছর ধরে কচ্ছতিভু দ্বীপের বিষয়টি একাধিকবার আলোচনা হয়েছে সংসদে।” বিদেশমন্ত্রী বলেন, “কচ্ছতিভু কংগ্রেসের কাছে নিছকই একটা ছোট্ট দ্বীপ। তারা এর গুরুত্বই বুঝতে পারেনি (PM Modi)।”

    আরও পড়ুুন: “যাঁরা এটা নিয়ে নাচানাচি করছেন, তাঁদের পস্তাতে হবে”, কাকে খোঁচা মোদির?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • South 24 Parganas: শওকত মোল্লার ডাকা দলীয় কর্মসূচিতে অনুপস্থিত খোদ বিধায়ক! তৃণমূলে কোন্দল প্রকাশ্যে

    South 24 Parganas: শওকত মোল্লার ডাকা দলীয় কর্মসূচিতে অনুপস্থিত খোদ বিধায়ক! তৃণমূলে কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) গোসাবায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে চরম অস্বস্তিতে শাসক দল। রবিবার কাছারি মাঠে জয়নগর লোকসভায় কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী প্রতিমা মণ্ডলের সমর্থনে কর্মী সভায় দেখা গেলনা গোসাবার বিধায়ক সুব্রত মণ্ডলকে। একই ভাবে তাঁর অনুগামীদের এদিন সভায় দেখা যায়নি। যদিও তৃণমূল বিধায়ক জানিয়েছেন নিজের অসুস্থতার জন্য উপস্থিত থাকতে পারেননি। কিন্তু দলেরই একাংশের মতামত দলীয় কোন্দল হল এখানে প্রধান সমস্যা। ঘটনায় বিজেপি তীব্র সমালোচনা করেছে।

    শওকত মোল্লার নেতৃতে সভায় কোন্দল (South 24 Parganas)!

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব ক্যানিং-এর বিধায়ক শওকত মোল্লার নেতৃত্বে এদিন দলীয় কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় তৃণমূল প্রার্থী নিজে ছিলেন। এই সভায় বক্ল তৃণমূলের অন্যতম নেতা তথা জেলা পরিষদের সদস্য অনিমেষ মণ্ডলের আহ্বানে ৮-৯টি পঞ্চায়েতের তৃণমূল কর্মী এবং অঞ্চল সভাপতিরা উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু গোসাবা (South 24 Parganas) বিধায়কের অনুগামী বলে পরিচিত বালি ১, বালি ২, গোসাবা, বিপ্রদাসপুরের পঞ্চায়েতের অঞ্চল সভাপতিরা উপস্থিত ছিলেন না। ফলে দলের মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব অত্যন্ত স্পষ্ট হয়েছে একথা তৃণমূলের একাংশের মানুষ মনে করছেন। অবশ্য গোসাবা অঞ্চল সভাপতি কৈলাশ বিশ্বাস বলেন, “আমাদের এই কর্মী সম্মেলনে ডাকা হয়নি তাই আসিনি। বাকিদের কথা বাকিরাই বলতে পারবেন।” যদিও শওকত মোল্লা এই বিষয়ে মন্তব্য করতে নারাজ ছিলেন। তবে অনিমেষ বলেছেন, “সকলকে আসতে বলা হয়েছে। কেউ না আসলে আমার কিছু বলার নেই।”

    তৃণমূল প্রার্থীর বক্তব্য

    অপর দিকে জয়নগর কেন্দ্রের (South 24 Parganas) তৃণমূল প্রার্থী প্রতিমা মণ্ডল বলেন, “দলের মধ্যে কোনও কোন্দল নেই। আমার সঙ্গে সকলে প্রচারে অংশ গ্রহণ করছেন। কোথাও কোনও রকম সমস্যা নেই। সকলের একটাই লক্ষ্য কত বেশি মার্জিনে প্রার্থীদের জয় করা যায়।” কিন্তু প্রার্থীর এই মন্তব্যের সঙ্গে বাস্তব চিত্র আলাদা, ঠিক এমনটাই মনে করছে বিজেপি। 

    আরও পড়ুনঃসন্দেশখালিকাণ্ডে গ্রেফতার সইফুদ্দিনের গোপন জবানবন্দি নিতে কোর্টে আবেদন সিবিআই-এর

    বিজেপির বক্তব্য

    এই বিষয় নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। জয়নগর (South 24 Parganas) জেলার বিজেপির মুখপাত্র সঞ্জয় নায়েক বলেন, “গোসবায় তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর বিবাদ সকলেই অবগত। ভাগ নিয়ে ওদের গোলমাল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: খালিস্তানি বিতর্ক! শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি সেনগুপ্ত

    Suvendu Adhikari: খালিস্তানি বিতর্ক! শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি সেনগুপ্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) বিরুদ্ধে এফআইআর সংক্রান্ত একটি মামলা সরে দাঁড়ালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। হাইকোর্টের বিচারপতি জানিয়েছেন, রাজ্যের ওই আবেদন তিনি শুনবেন না। এর পাশাপাশি প্রধান বিচারপতির এজলাসে ওই মামলাটি পাঠিয়েছেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। প্রসঙ্গত, খালিস্তানি বিতর্কের জেরে শুভেন্দু অধিকারী বিরুদ্ধে এফআইআর করতে চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য। আবেদনটি যায় বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের কাছে। তবে এফআইআর সংক্রান্ত অন্য মামলাগুলির শুনানি বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর এজলাসে হবে বলেই জানা গিয়েছে। আগামী ১০ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।

    শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মামলা করতে হাইকোর্টের অনুমতি লাগবে

    গত ২০ ফেব্রুয়ারি সন্দেশখালিতে পুলিশের সঙ্গে বচসার মাঝে খালিস্তানি মন্তব্য করেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এই অভিযোগ তুলেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল। প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসেই কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থারের বেঞ্চ শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে রাজ্য পুলিশের দায়ের করা ২৬টি এফআইআর-এ স্থগিতাদেশ দিয়েছিল। সে সময় বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার জানিয়েছিলেন, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে নতুন করে মামলা করতে গেলে আগে হাইকোর্টের অনুমতি নিতে হবে। শুভেন্দুর বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলায় এফআইআর করছে রাজ্য, এমনটাই অভিযোগ ছিল বিজেপি শিবিরের। সেই মর্মে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শুভেন্দু।

    খালিস্তানি বিতর্কের এফআইআর দায়ের হয় ভবানীপুর থানায়

    আদালতের কাছে বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) আবেদন জানান, তাঁর নামে দায়ের হয় এফআইআর গুলি খারিজ করা হোক অথবা মামলার তদন্ত সিবিআই করুক। তখন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থারের পর্যবেক্ষণ ছিল, শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি মানুষের ভোটে নির্বাচিত। পুলিশ নিজে অথবা অন্য কারও নির্দেশে অভিযোগ এনে জনগণের প্রতি বিরোধী দলনেতার কর্তব্য স্তব্ধ করার চেষ্টা করছে। প্রসঙ্গত, খলিস্তানি বিতর্কে জেরে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে ভবানীপুর থানায় একটি এফআইআর দায়ের হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Whatsapp, Telegram, FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share