Tag: bangla news

bangla news

  • Belgian Court: বেলজিয়ামের আইন মোতাবেকও শাস্তি হবে চোকসির, জানিয়ে দিল আদালত

    Belgian Court: বেলজিয়ামের আইন মোতাবেকও শাস্তি হবে চোকসির, জানিয়ে দিল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘোর বিপাকে পিএনবির ঋণখেলাপি, পলাতক গুজরাটি হিরে ব্যবসায়ী মেহুল চোকসি (Mehul Choksi)। বর্তমানে বেলজিয়ামের আদালতে (Belgian Court) বিচারাধীন তিনি। আদালত জানিয়ে দিয়েছে, যে অপরাধের অভিযোগ চোকসির বিরুদ্ধে রয়েছে, সেগুলি প্রমাণিত হলে বেলজিয়ামের আইন মোতাবেকও শাস্তি হবে তাঁর। কয়েকদিন আগেই সে দেশের আদালত জানিয়ে দিয়েছিল চোকসিকে ভারতের হাতে প্রত্যর্পণে কোনও বাধা নেই। আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, ২০১৬ সালের শেষ থেকে ২০১৯ সালের শুরুর দিকে ভারতে এই অভিযোগগুলি সংঘটিত হয়েছে। বেলজিয়ামে এই অপরাধগুলির জন্য এক বছরের বেশি কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে, যেমনটি বেলজিয়ামের ফৌজদারি আইনের বেশ কয়েকটি ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। তবে, সমস্ত অভিযোগ স্বীকৃত নয় বলেই জানিয়েছে আদালত।

    প্রত্যর্পণে পদক্ষেপ নয়াদিল্লির (Belgian Court)

    ২০১৮ সালে দেশ ছেড়ে পালান চোকসি। সেই সময় দেশ ছাড়েন আর এক ঋণখেলাপি তাঁরই ভাইপো নীরব মোদিও। পরে জানা যায়, চোকসি ডেরা বেঁধেছেন দক্ষিণ আমেরিকার দ্বীপপুঞ্জে। রয়েছেন অ্যান্টিগা ও বারমুডায়। অ্যান্টিগার নাগরিকত্ব নিয়ে সেই দেশেই বসবাস করছেন তিনি। যদিও ভারত সরকারের দাবি, চোকসি ভারতীয় নাগরিকত্ব ছাড়েননি। ফলে নিয়ম মেনেই বিদেশ থেকে তাঁকে ভারতে প্রত্যর্পণে পদক্ষেপ করে নয়াদিল্লি। ২০২৪ সালে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই জানতে পারে, বেলজিয়ামে গা-ঢাকা দিয়ে রয়েছেন চোকসি। এর পরেই বেলজিয়াম সরকারের কাছে চোকসিকে প্রত্যর্পণের আর্জি জানানো হয়। সে দেশের আদালতের নির্দেশে এপ্রিল মাসে হাসপাতাল থেকে গ্রেফতার করা হয় প্রতারক এই হিরে ব্যবসায়ীকে। সেই থেকে বেলজিয়ামেরই (Belgian Court) জেলে বন্দি রয়েছেন তিনি।

    বেলজিয়ামের আইন মোতাবেকও অপরাধী চোকসি

    বেলজিয়ামের আদালতের দেওয়া নির্দেশে বলা হয়েছে, চোকসি বেলজিয়ামের নাগরিক নন। তবে তিনি বিদেশি। তাঁকে ভারতে প্রত্যর্পণে কোনও আইনি বাধা নেই। যে অপরাধগুলি তিনি ভারতে করেছেন, যেমন, প্রতারণা, জালিয়াতি, ভুয়ো তথ্য এবং নথি তৈরি, দুর্নীতি, এই সবকটির ক্ষেত্রে বেলজিয়ামের আইন মোতাবেকও তিনি অপরাধী। এই অপরাধগুলি করতে গিয়ে চোকসি কোনও দুষ্কৃতী দলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন। দুর্নীতি করতে জাল নথিও তৈরি করেছিলেন তিনি (Mehul Choksi)। তাই ভারত কিংবা বেলজিয়াম-দুই দেশেই তদন্ত চলতে পারে চোকসির অপরাধগুলি নিয়ে (Belgian Court)।

  • Turkey-Azerbaijan: মুখ ফিরিয়েছেন ভারতীয় পর্যটকরা! ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর বিরোধিতা করে বিরাট আর্থিক ক্ষতি তুরস্ক-আজারবাইজানের

    Turkey-Azerbaijan: মুখ ফিরিয়েছেন ভারতীয় পর্যটকরা! ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর বিরোধিতা করে বিরাট আর্থিক ক্ষতি তুরস্ক-আজারবাইজানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor) নিয়ে ভারতের বিরোধিতা করে সরাসরি পাকিস্তানের পক্ষে দাঁড়িয়েছিল তুরস্ক এবং আজারবাইজান (Turkey-Azerbaijan)। গত এপ্রিল-মে মাসে কাশ্মীরের পেহেলগাঁও জঙ্গি হামলা এবং পাল্টা প্রত্যাঘাত ইস্যুতে শত্রু রাষ্ট্র পাকিস্তান এবং তাদের মদতপুষ্ট জঙ্গিদের প্রকাশ্যে সমর্থন করেছিল এই দুই দেশ। প্রতিবাদ হিসেবে ভারতীয়রা সবরকম ভাবে বয়কট করেছে এই দুই দেশকে। যার ফলে পর্যটন ক্ষেত্রে ভারতীয় পর্যটকরা ভ্রমণক্ষেত্র হিসেবে বিরাট ধাক্কা দিয়েছে তুরস্ক এবং আজারবাইজানকে। আর্থিক ভাবে বিরাট ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে এই দুই মুসলিম রাষ্ট্র। একটি প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালের জুন থেকে অগাস্ট মাস পর্যন্ত ৭০ শতাংশ ভারতীয় পর্যটকের সংখ্যা কমেছে পাকিস্তানের পরমমিত্র দুই দেশের।

    জঙ্গিদের পরোক্ষ মদত করেছিল (Turkey-Azerbaijan)!

    সম্প্রতি একটি সমীক্ষা করে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। তাতে জানা গিয়েছে, আজারবাইজানে (Turkey-Azerbaijan) ৭০ শতাংশ এবং তুর্কিতে ৩৮ শতাংশ ভারতীয়রা ভ্রমণ কমিয়ে দিয়েছেন। পেহেলগাঁও হামলার পর ভারতের সঙ্গে এই দুইদেশের কূটনৈতিক লড়াইতে ভারতীয়রা বিরাট ধাক্কা দিয়েছে। পাকিস্তানের ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের শাখা সংগঠন টিআরএফ-এর জঙ্গিরা অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে পেহেলগাঁওতে ২৬ জন ভারতীয়কে ধর্ম জিজ্ঞেস করে হত্যা করেছে। কলমা পড়ার ফতোয়া দিয়ে নবদম্পতিদের চিরতরে সিঁদুর মুছে দিয়েছিল পাক জঙ্গিরা। পাল্টা প্রত্যাঘাত হিসেবে ভারতীয় সেনা অপারেশন সিঁদুর করে পাকিস্তানের ভিতরে ঢুকে ৯টি বড় বড় জঙ্গিশিবির ধ্বংস করেছিল। পাকসেনা ছাউনি এবং জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবিরগুলিকে ধূলিসাৎ করে দেয়। পাকিস্তানের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমকে চুরমার করে দেওয়ায় বাধ্য হয়ে ভারতের ডিজিএমওকে যুদ্ধবিরতির জন্য আবেদন করে পাক সেনা। উল্লেখ্য যুদ্ধকালীন (Operation Sindoor) সময়ে তুরস্ক পাকিস্তানকে ড্রোন সরবরাহ করেছিল। একই ভাবে পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়ে আজারবাইজান প্রকাশ্যে ‘অপারেশন সিঁদুর’-কে নিন্দা করেছিল। কূটনৈতিক ভাবে ইসলামাবাদকে সমর্থন করেছিল এই দুই দেশ।

    পাকিস্তান কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেছিল

    ভারতের ক্ষতি চায় এমন জঙ্গি উৎপাদনকারী দেশকে সমর্থন করায় তুরস্ক আর আজারবাইজানের (Turkey-Azerbaijan) বিরুদ্ধে সামরিক এবং কূটনৈতিকভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য প্রত্যেক ভারতীয়দের মনে ক্ষোভের জন্ম দেয়। এখানেই শেষ ছিল না, পরবর্তী সময়ে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সেনা প্রধান আসিম মুনির আঙ্কারা এবং বাকুতে গিয়ে তুরস্ক-আজারবাইজানের ব্যাপক প্রশংসা করেন। এরপর ভারতীয়দের আর কিছু বুঝতে বাকি ছিল না ভারতের জন্য এই দুই রাষ্ট্রের মনোভাব কী। ভারতের রাজপথে এবং সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক ভাবে বয়কটের ডাক ওঠে দুই দেশের বিরুদ্ধে। সন্ত্রাসবাদকে (Operation Sindoor) যারা পূর্ণ সমর্থন করে তাদের দেশে যাওয়াকে নিষিদ্ধ করার অভিযান শুরু হয়। দেশবাসীরা তাই অভিযানে সামিল হন।

    পর্যটক সংখ্যার অনুপাতে কত কম?

    ভারতের নীতিকে বিরোধিতা করে পাকিস্তানকে সমর্থন করার পর কীভাবে পর্যটকদের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে আসুন এক নজরে দেখে নিই। আজারবাইজানে (Turkey-Azerbaijan) মোট ৭০ শতাংশ কমেছে ভারতীয় পর্যটক। ২০২৪ সালের জুন মাসে ভারতীয় পর্যটক ছিল ২৮ হাজার ৩১৫, জুলাই মাসে ছিল ২০ হাজার ১২৪, অগাস্ট মাসে ছিল ২১ হাজার ৩১৭। অপরদিকে ২০২৫ সালে এই পর্যটকদের সংখ্যা নেমে দাঁড়িয়েছে জুন মাসে ৯ হাজার ৯৩৪, জুলাই মাসে ৪ হাজার ৬৬৫ এবং অগাস্ট মাসে ৬ হাজার ০৩২। ২০২৪ সালে ছিল ৬৯ হাজার ৫৭৬ পর্যটক আর এবার হয়েছে ২০ হাজার ৬৩১ পর্যটক। মোট ক্ষতি ৪৯০০ পর্যটক।

    তুরস্কের ক্ষেত্রে ঘটেছে ২০২৪ সালের জুন মাসে পর্যটক ছিল ৩৮ হাজার ৩০৭, জুলাই মাসে ছিল ২৮ হাজার ৮৭৫, অগাস্ট মাসে ছিল ২৬ হাজার ৭৮১। এইবার ২০২৫ সালের জুন মাসে পর্যটক নেমে দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজার ২৫০, জুলাই মাসে ১৬ হাজার ৮২৫ এবং অগাস্ট মাসে ১৭ হাজার ৬৪৯। ২০২৪ সালে মোট সংখ্যা ছিল ৯৩ হাজার ৯৬৩ জন আর এবারে ২০২৫ সালে দাঁড়িয়েছে ৫৮ হাজার ৫৪৪ জন।

    প্যাকেজ বাতিল করেছে একাধিক সংস্থা 

    তবে ভারত সরকার আনুষ্ঠানিক ভাবে কোনও বয়কটের ডাক না দিলেও ভ্রমের জন্য প্রথম সারির অ্যাপ যেমন মেক মাই ট্রিপ, ইজি মাই ট্রিপ-এর তরফে ভ্রমণের জন্য জনসাধারণকে উক্ত দুই দেশের সমস্ত প্যাকেজ বাতিল করেছিল। তবে ওয়াকিবহাল মহলের মতে দেশের স্বার্থে ভারতীয়রা যে সব সময়ে এগিয়ে তা আরও একবার প্রমাণিত হয়েছে।

  • Diwali Phone Call: “দুই দেশ যেন সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ায়”, ট্রাম্পকে বললেন মোদি

    Diwali Phone Call: “দুই দেশ যেন সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ায়”, ট্রাম্পকে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) দীপাবলির শুভেচ্ছা (Diwali Phone Call) জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেজন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটনের যৌথ প্রচেষ্টার আশাও প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, দুই রাষ্ট্রপ্রধানের এই কথোপকথন হয়েছে এমন একটা সময়ে যখন আমেরিকা ক্রমশ পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়াচ্ছে। জঙ্গিদের নিরাপদ আশ্রয় দেওয়ার জন্য কুখ্যাত এই পাকিস্তান।

    মোদির বার্তা (Diwali Phone Call)

    বুধবার এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “ধন্যবাদ, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, আপনার ফোন কল এবং উষ্ণ দীপাবলি শুভেচ্ছার জন্য।” তিনি বলেন, “এই আলোর উৎসবে আমাদের দুই মহান গণতন্ত্র যেন আশার আলোয় বিশ্বকে আলোকিত করে এবং সকল প্রকার সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ায়।” দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে এই ফোনালাপ এমন একটা সময়ে হয়েছে, যখন বাণিজ্য শুল্ক নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের সম্পর্ক একপ্রকার তলানিতে ঠেকেছে। এদিন ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করতে এবং দীপাবলির শুভেচ্ছা জানাতে তিনি ফোনে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে।

    ‘একজন মহান ব্যক্তি ও খুব ভালো বন্ধু’

    প্রসঙ্গত, ওভাল অফিসে (Diwali Phone Call) সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প মোদিকে ‘একজন মহান ব্যক্তি’ এবং ‘খুব ভালো বন্ধু’ বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি ভারতের জনগণকে দীপাবলির শুভেচ্ছাও জানান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমি ভারতের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। আজই আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। খুব ভালো আলোচনা হয়েছে। আমরা বাণিজ্য নিয়ে কথা বলেছি। তিনি এ বিষয়ে খুব আগ্রহী।”  তিনি বলেন, “আমরা কিছুক্ষণ আগে কথা বলেছিলাম। আমি বলেছিলাম, চলুন পাকিস্তানের সঙ্গে যেন কোনও যুদ্ধ না করি। সেখানে বাণিজ্য বিষয়টিও আলোচনায় এসেছিল। আমি এ বিষয়ে কথা বলতে পেরেছিলাম। আর এখন ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কোনও যুদ্ধ নেই। এটা খুবই ভালো একটা বিষয় (PM Modi)। তিনি একজন মহান মানুষ এবং বছরের পর বছর ধরে তিনি আমার খুব ভালো বন্ধু হয়ে উঠেছেন (Diwali Phone Call)।”

  • Bhai Phonta 2025: ‘যমের দুয়ারে পড়ল কাঁটা…’, জেনে নিন ভাইয়ের কপালে ফোঁটা দেওয়ার শুভ সময়

    Bhai Phonta 2025: ‘যমের দুয়ারে পড়ল কাঁটা…’, জেনে নিন ভাইয়ের কপালে ফোঁটা দেওয়ার শুভ সময়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কার্তিকের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে পালিত হয় ভাইফোঁটা (Bhai Phonta 2025) উৎসব। ‘ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা/ যমের দুয়ারে পড়ল কাঁটা/ যমুনা দেয় যমকে ফোঁটা/ আমি দিই আমার ভাইকে ফোঁটা।’-এই মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে ভাই-এর দীর্ঘাষু কামনা করে বোন। আর ভাই বোনকে রক্ষা করার অঙ্গীকার করে বছর বছর। এর পর ভাইকে মিষ্টিমুখ করানো এবং প্রীতি উপহার বিনিময়, হাসি-ঠাট্টা, মজা করে কাটানোর উৎসব হল ভাইফোঁটা।

    ভাতৃদ্বিতীয়ার (Bhatri Dwitiya) গল্প

    ভাইবোনের ভালবাসার সম্পর্ক দৃঢ় করার উৎসব হল ভাইফোঁটা বা ভ্রাতৃদ্বিতীয়া । কথিত রয়েছে, এই বিশেষ তিথিতে যমরাজ তাঁর বোন যমুনার থেকে ফোঁটা নিয়েছিলেন। এই উৎসব তাই যমন দ্বিতীয়া নামে পরিচিত। হিন্দুশাস্ত্রের আরেকটি মতে নরকাসুরকে বধ করে ফেরার পর শ্রীকৃষ্ণ তাঁর বোন সুভদ্রার কাছে ফোঁটা নেন এই দ্বিতীয়া তিথিতে। শ্রীকৃষ্ণের কপালে জয়টিকা পরিয়ে মিষ্টি খেতে দিয়েছিলেন সুভদ্রা। সেই থেকেই সম্ভবত ভাইফোঁটার (Bhai Phonta 2025) প্রচলন। ভারতের উত্তর ও পশ্চিমে একই উৎসবকে, ‘ভাই দুজ’ (Bhai Dooj) নামে চেনে। মহারাষ্ট্র, গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি—সব জায়গায় এই দিনটি ভাই-বোনের স্নেহবন্ধনের উৎসব হিসেবে পালিত হয়। বাংলায় ‘ভাইফোঁটা’, ওড়িশায় ‘ভাইজুন্তিয়া’, দক্ষিণ ভারতে ‘যম দ্বিতীয়া’—নামে ভিন্ন হলেও উদ্দেশ্য একই—ভাই-বোনের স্নেহের বন্ধন।

    দ্বিতীয়া শুরু কখন? থাকবে ক’টা পর্যন্ত? শুভ তিলক মুহূর্ত থাকবে কতক্ষণ?

    বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুযায়ী:

    দ্বিতীয়া (Bhai Phonta 2025)  তিথি শুরু: ২২ অক্টোবর (বাংলা ৫ কার্তিক, বুধবার) রাত ৮টা ১৮ মিনিটে।

    দ্বিতীয়া তিথি শেষ: ২৩ অক্টোবর (বাংলা ৬ কার্তিক, বৃহস্পতিবার) রাত ১০টা ৪৭ মিনিটে।

    অর্থাৎ, বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে ভাইফোঁটার মূল পালন ২৩ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার।

    গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা অনুযায়ী:

    দ্বিতীয়া (Bhai Phonta 2025) তিথি শুরু: ২২ অক্টোবর (বাংলা ৫ কার্তিক, বুধবার) সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিট ৩ সেকেন্ডে।

    দ্বিতীয়া তিথি শেষ: ২৩ অক্টোবর (বাংলা ৬ কার্তিক, বৃহস্পতিবার) রাত ৮টা ১৯ মিনিট ৪ সেকেন্ডে।

    অর্থাৎ, ভাইফোঁটা পালন করা হবে ২২ অক্টোবর, বুধবার সন্ধ্যার পর বা ২৩ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার সকালে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ২৩ অক্টোবরকেই শুভ দিন হিসেবে ধরা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সারাদিনই দ্বিতীয়া (Bhatri Dwitiya)। সুর্যোদয় হিসেবে তিথি ধরলেও অসুবিধা নেই, কেন না, সে ক্ষেত্রেও সকাল থেকেই চলবে ফোঁটা।

    ভাইফোঁটার তিলক মুহূর্ত

    সাধারণ ভাইফোঁটার (Bhai Phonta 2025) একটি তিলক মুহূর্ত থাকে। আর সেটা সচরাচর পড়ে অপরাহ্নে। ভাইফোঁটার অপরাহ্ন মুহূর্ত এবার পড়ছে– ২৩ অক্টোবর বেলা ১২টা ৪০ থেকে দুপুর ২টো ৫৯ মিনিট। আর তিলক মুহূর্ত– বেলা ১টা ১৩ মিনিট থেকে ৩টে ২৮ মিনিট।

  • S-400 Missiles: হতে পারে ১০০০০ কোটির চুক্তি! রাশিয়া থেকে বড় সংখ্যায় এস-৪০০ মিসাইল কেনার পথে ভারত?

    S-400 Missiles: হতে পারে ১০০০০ কোটির চুক্তি! রাশিয়া থেকে বড় সংখ্যায় এস-৪০০ মিসাইল কেনার পথে ভারত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের আকাশসীমাকে আরও দুর্ভেদ্য করতে বড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে মোদি সরকার। খবরে প্রকাশ, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও নিশ্ছিদ্র করতে রাশিয়া থেকে বিপুল সংখ্যায় এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের মিসাইল (S-400 Missiles) কিনতে উদ্যোগী ভারত। প্রায় ১০০০০ কোটি টাকার মূল্যের বিপুল ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তি করতে মস্কোর সঙ্গে কথাবার্তা (India Russia Talk) ইতিমধ্যেই শুরু করেছে নয়াদিল্লি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দাবি, দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রকে আরও শক্তিশালী করতেই এই পদক্ষেপ।

    ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ শক্তি-প্রদর্শন

    ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর (Operation Sindoor) সময়ই এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের কার্যকারিতা ও শক্তি প্রত্যক্ষ করেছিল গোটা বিশ্ব। ‘সুদর্শন চক্র’-র (ভারতে এই নামেই পরিচিত এস-৪০০) সামনে ফালাফালা হয়েছিল পাক ক্ষেপণাস্ত্র থেকে যুদ্ধবিমান। ৩০০ কিলোমিটারেরও বেশি রেঞ্জে ৫ থেকে ৬টি পাক যুদ্ধবিমান এবং একটি গোয়েন্দা বিমান ধ্বংস করে এই মিসাইল। এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র (S-400 Missiles) ব্যবস্থাকে ভারতের বিমান প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ‘গেম চেঞ্জার’ হিসাবে বর্ণনা করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা। যে কারণে, এয়ারফোর্স তার আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বড় সংখ্যায় এস-৪০০ কিনতে চাইছে।

    ২টি স্কোয়াড্রন আসছে ২০২৬-এ

    প্রসঙ্গত, ভারত ২০১৮ সালে রাশিয়ার সঙ্গে পাঁচটি এস-৪০০ (S-400 Missiles) স্কোয়াড্রন কেনার চুক্তি সাক্ষর করেছিল। এর মধ্যে তিনটি যথাসময়ে সরবরাহ করা হয়েছে, তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে চতুর্থ ইউনিটের সরবরাহ বিলম্বিত হয়েছে। বাকি ২ স্কোয়াড্রনের জন্য ভারত জোর তদ্বির শুরু করে এবং সেই সময় মস্কোকে জানানো হয় যে, ভবিষ্যতে অতিরিক্ত স্কোয়াড্রনও কেনার সম্ভাবনা রয়েছে। রাশিয়া জানায়, প্রথম বরাতের বাকি দুটি ইউনিট ২০২৬ সালেই ভারতে পৌঁছে যাবে।

    পুতিনের সফরে চুক্তি সই?

    জানা গিয়েছে, আগামী ২৩ অক্টোবর প্রতিরক্ষা রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল (Defence Acquisition Council) বা প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ পরিষদের বৈঠক বসতে চলেছে। সেখানেই, বায়ুসেনার এই প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য পেশ করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। হতে পারে, সেই সময় এই অতিরিক্ত স্কোয়াড্রন এবং বেশি করে ক্ষেপণাস্ত্র (S-400 Missiles) কেনার বিষয়ে সবুজ সঙ্কেত দেওয়া হতে পারে। ক্ষেপণাস্ত্র কেনার পাশাপাশি, ভারত ও রাশিয়া নতুন এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল কেনার বিষয়েও আলোচনা করছে, যা ভারতের ‘বিয়ন্ড-ভিজ্যুয়াল-রেঞ্জ’ সক্ষমতা বাড়াবে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ডিসেম্বরে ভারত সফরের সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সময় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে।

  • PM Modi: দীপাবলি উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশে খোলা চিঠি প্রধানমন্ত্রীর, কী লিখলেন তিনি?

    PM Modi: দীপাবলি উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশে খোলা চিঠি প্রধানমন্ত্রীর, কী লিখলেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলি উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশে খোলা চিঠি (Deepawali Letter) লিখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এই চিঠিতে আধ্যাত্মিক ভাবনা ও দেশপ্রেমের অঙ্গীকার গাঁথা রয়েছে এক সূত্রে। প্রধানমন্ত্রীর লেখা চিঠিতে যেমন তুলে ধরা হয়েছে ‘অপারেশন সিঁদুরে’র প্রসঙ্গ, তেমনি উঠে এসেছে মাওবাদী দমনের প্রসঙ্গ এবং দেশিয় জিনিসপত্রের চাহিদার কথাও।

    শ্রীরামের শিক্ষা (PM Modi)

    শ্রীরামের ধর্ম (ন্যায়) ও বীরত্বের আদর্শ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে কীভাবে জাতীয় প্রতিরক্ষা ও সমষ্টিগত উন্নয়নের মাধ্যমে আধুনিক ভারত আজ সেই একই গুণাবলি ধারণ করছে, চিঠিতে তা-ও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণের পর এটাই দ্বিতীয় দীপাবলি। শ্রীরাম আমাদের শিখিয়েছেন ন্যায়কে রক্ষা করতে এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করার সাহস জোগাতে।” তিনি বলেন, “কয়েক মাস আগে পরিচালিত সামরিক অভিযান ‘সিঁদুর’-এর মধ্যেও শ্রীরামের শিক্ষার এক জীবন্ত উদাহরণ আমরা দেখেছি। “অপারেশন সিঁদুরের সময় আমরা এর বাস্তব রূপ প্রত্যক্ষ করেছি।” চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী প্রশংসা করেছেন সশস্ত্র বাহিনীর সাহস ও নিখুঁত পরিকল্পনারও।

    অপারেশন সিঁদুর

    দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে বেছে বেছে ২৬ জন হিন্দু পর্যটককে নৃশংসভাবে হত্যা করে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। তারই প্রতিক্রিয়ায় পক্ষকাল পরে পাকিস্তানের জঙ্গিঘাঁটিতে অপারেশন সিঁদুর চালায় ভারত। ওই সামরিক অভিযানে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৯টি জঙ্গিঘাঁটি। ভারতীয় সেনা ও বায়ুসেনার যৌথ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ওই অভিযানে সীমান্তের ওপারে থাকা জঙ্গিঘাঁটিগুলি ধ্বংস করা হয়। খোলা চিঠিতে সেই অভিযানেরই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী একযোগে নৈতিক স্বচ্ছতা এবং জাতীয় শক্তির জোরালো বার্তাই দিলেন বলে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা।

    প্রসঙ্গ: মাওবাদ

    দীপাবলি বার্তায় অভিযানটির উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) একে ভারতের অন্যায় ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করেন। এটি উৎসবের আধ্যাত্মিক ভাবনা, অর্থাৎ অসৎ-এর ওপর সৎ-এর জয়” ধারণার সঙ্গে গভীরভাবে সঙ্গতিপূর্ণ। তিনি বলেন, “এ বছরের দীপাবলি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এই প্রথমবার এমন জেলাগুলিতে প্রদীপ জ্বালানো হবে, যেগুলো একসময় নকশালবাদ ও মাওবাদী সন্ত্রাসের জেরে ক্ষতিগ্রল্ত হয়েছিল।” তিনি বলেন, “এগুলো সেই জেলা যেখানে নকশালবাদ ও মাওবাদী সন্ত্রাসকে মূল থেকে সমূলে উপড়ে ফেলা হয়েছে।” হিংসা ছেড়ে সমাজের মূলধারার উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত হওয়া প্রাক্তন উগ্রপন্থীদের সংখ্যা বৃদ্ধিকে একটি বড় জাতীয় সাফল্য হিসেবে বর্ণনা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে (Deepawali Letter) আমরা দেখেছি বহু ব্যক্তি হিংসার পথ ছেড়ে উন্নয়নের মূলধারায় যুক্ত হচ্ছেন। তাঁরা আমাদের সংবিধানের প্রতি আস্থাও প্রকাশ করছেন।”

    অর্থনৈতিক অগ্রগতি

    ভারতের দ্রুত অর্থনৈতিক অগ্রগতির দিকটিও তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “দেশটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হওয়ার পথে এগোচ্ছে।” এই সাফল্যকে শুধু অর্থনৈতিক মাইলফলক হিসেবে নয়, বরং দেশ-গঠনের প্রতি আমাদের সম্মিলিত দায়িত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখার জন্য দেশবাসীকে আহ্বান জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “একটি বিকশিত এবং আত্মনির্ভর ভারত (Aatmanirbhar Bharat) গঠনের এই যাত্রায় নাগরিক হিসেবে আমাদের প্রধান দায়িত্ব হল, জাতির প্রতি আমাদের কর্তব্য সম্পূর্ণভাবে পালন করা।” তিনি সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সংস্কারেরও প্রশংসা করেন এবং উল্লেখ করেন কীভাবে নাগরিকরা কম করের সুবিধা পাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নবরাত্রির প্রথম দিনেই কম জিএসটি হার কার্যকর হয়েছে। এই জিএসটি বচত উৎসব (সঞ্চয় উৎসব)-এর সময় দেশের নাগরিকরা হাজার হাজার কোটি টাকা সঞ্চয় করছেন।”

    এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত

    প্রধানমন্ত্রীর এই চিঠিতে (PM Modi) সামাজিক শৃঙ্খলা ও জাতীয় ঐক্যের বার্তাও স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। দেশবাসীকে তিনি আহ্বান জানিয়েছেন এমন এক মূল্যবোধ বজায় রাখতে, যা ভারতের ঐক্য ও স্বাস্থ্যকে দৃঢ় করে। তিনি লিখেছেন, “আসুন, এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত-এর চেতনা জাগ্রত করি আমরা। সব ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখি। নিজেদের স্বাস্থ্যের প্রতি অগ্রাধিকার দিই।” স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য একটি ব্যক্তিগত আহ্বানও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি লিখেছেন, “চলুন আমরা আমাদের খাবারে তেলের ব্যবহার ১০ শতাংশ কমাই এবং যোগকে জীবনের অংশ করি (Deepawali Letter)।” চিঠির শেষে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “দীপাবলি আমাদের শেখায় যে, যখন একটি প্রদীপ আর একটি প্রদীপ জ্বালায় তখন তার আলো কমে না, বরং আরও বেড়ে যায়। ঠিক সেই মনোভাবেই আসুন আমরা এই দীপাবলিতে আমাদের সমাজ ও পরিবেশে সম্প্রীতি, সহযোগিতা এবং ইতিবাচকতার প্রদীপ প্রজ্বলন করি (PM Modi)।”

  • Sanae Takachi: জাপানের নয়া প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি, রচিত হল ইতিহাস

    Sanae Takachi: জাপানের নয়া প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি, রচিত হল ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাপানের (Japan) নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন সানায়ে তাকাইচি (Sanae Takachi)। মঙ্গলবার পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে ভোটাভুটিতে জিতে গিয়েছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-র এই নেত্রী। জাপানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার স্থলাভিষিক্ত হতে চলেছেন বছর চৌষট্টির সানায়ে। তিনিই হতে চলেছেন দেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী।

    ‘পুরুষতান্ত্রিক’ প্রধানমন্ত্রী সানায়ে (Sanae Takachi)

    সানায়ে অতি কট্টরপন্থী হিসেবেই পরিচিত সে দেশে। তিনি ‘পুরুষতান্ত্রিক’ বলেও পরিচিত। সাম্প্রতিক ইতিহাসে জাপানে মহিলাদের উন্নয়নের জন্য যে সব পদক্ষেপ করা হয়েছে বা বিল আনা হয়েছে, তার বিরোধিতা করেছেন সানায়ে। তাঁকে নানা সময় বলতে শোনা গিয়েছে, মেয়েদের সকলের আগে উচিত ভালো স্ত্রী এবং মা হওয়া। সমকামী সম্পর্ক এবং বিয়ের বিরোধিতাও করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। এ ক্ষেত্রে তাঁর দলও রয়েছে তাঁর পাশে। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার জাপানি পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে শুরু হয় ভোটাভুটি। জাপানের বৃহত্তম বিরোধী দল কনস্টিটিউশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রধান ইয়োশিকোকো নোদা পান ১৪৯টি ভোট। আর ২৩৭টি ভোট পেয়ে জয়ী হন সানায়ে। নিম্নকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ভোটের চেয়ে চারটি ভোট বেশি পান তিনি। উচ্চকক্ষে তিনি পান ১২৫টি ভোট। এর পরেই সানায়েকে জয়ী ঘোষণা করা হয়। জয় পেয়েই উঠে দাঁড়িয়ে সকলকে অভিবাদন জানান এলডিপির এই নেত্রী (Sanae Takachi)।

    অভিনন্দন জানালেন মোদি

    জাপানের নয়া প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক্স হ্যান্ডেলে মোদি লিখেছেন, “সানায়ে তাকাইচি, জাপানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার এই জয়ের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। ভারত-জাপানের কূটনৈতিক সম্পর্ক ও বন্ধুত্বকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে আমি খুবই আগ্রহী। দুই দেশের এই গভীর বন্ধুত্ব ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নের জন্যও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।” জানা গিয়েছে, জাপানের নয়া প্রধানমন্ত্রী এমন একটি মন্ত্রিসভা গঠনের পরিকল্পনা করছেন, যেখানে নর্ডিক দেশগুলির মতো সংখ্যায় নারী সদস্যরা থাকবে। বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার মন্ত্রিসভায় দু’জন মহিলা সদস্য ছিলেন।

    প্রসঙ্গত, গত মাসেই জাপানের প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন শিগেরু ইশিবা। গত দু’টি নির্বাচনে হারের মুখ দেখায় ইশিবাকে নিয়ে এলডিপির মধ্যেই জন্মাচ্ছিল অসন্তোষ। জুলাই মাসে জাপানি পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারান ইশিবা। এর পরেই তাঁকে নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে ঘরে-বাইরে। তাই (Sanae Takachi), একপ্রকার বাধ্য হয়েই পদত্যাগ করেন ইশিবা (Japan)।

  • SIR: দিল্লিতে সিইওদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন জ্ঞানেশ কুমার, আলোচ্য বিষয় কি এসআইআর?

    SIR: দিল্লিতে সিইওদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন জ্ঞানেশ কুমার, আলোচ্য বিষয় কি এসআইআর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর (বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা)-এর (SIR) পরেই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়েছিল বিহারে। বাংলায়ও কি তা-ই হতে চলেছে? এমন প্রশ্নই পাক খাচ্ছে তৃণমূল শাসিত পশ্চিমবঙ্গে। কারণ সব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের সঙ্গে দু’দিনের বৈঠকে বসতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI)। বুধ ও বৃহস্পতিবার ওই বৈঠকে বসতে চলেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।

    এসআইআর (SIR)

    মাস সাতেক পরেই এ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে যে এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনও তৎপর, তা স্পষ্ট কমিশনেরই একাধিক পদক্ষেপে। গত সপ্তাহেই ম্যাপিং অ্যান্ড ম্যাচিংয়ের কাজ শেষ করতে জেলাগুলির আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। এ রাজ্যে এসআইআর শুরুর আগে এই ম্যাপিং অ্যান্ড ম্যাচিংকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে কমিশন। কারণ জেলায় জেলায় ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে ২০২৫ সালের ভোটার তালিকার পার্থক্য কতটা, তা জানা যাবে ম্যাপিং অ্যান্ড ম্যাচিংয়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে সুবিধা হবে এসআইআরের ক্ষেত্রে। জানা গিয়েছে, যে সব রাজ্যের দুয়ারে নির্বাচন, সেগুলিতে আগেই এসআইআরের কাজ সেরে নিতে চাইছে কমিশন। সেই কারণেই এই বৈঠক বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। দু’দিনের বৈঠকের পর বাংলায় এসআইআর শুরুর ঘোষণা হবে কিনা, তা নিয়েও বাড়ছে জল্পনা।

    বাংলার পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা

    হঠাৎ করেই সমস্ত রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে দু’দিনের জন্য নয়াদিল্লিতে আয়োজিত বৈঠকে ডেকে পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার চিঠি পাঠিয়ে কমিশন জানিয়েছে, দিল্লিতে ওই বৈঠক হবে বুধ ও বৃহস্পতিবার। সিইওদের সঙ্গে এই বৈঠকে থাকবেন রাজ্যের তাঁর দফতরের অন্য প্রবীণ আধিকারিকরাও। জানা গিয়েছে, এই বৈঠকে বাংলার পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হবে। কারণ বিহারে এসআইআর (SIR) নিয়ে সৃষ্টি হয়েছিল রাজনৈতিক অস্থিরতা। বিরোধীরা নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে সরব হয়েছিল। যদিও কমিশনের সাফ কথা, “ভোটার তালিকা স্বচ্ছ করতেই এসআইআর প্রয়োজন।” তার পরেই প্রশ্ন ওঠে, তাহলে কি বিহারের মতো এ রাজ্যেও হবে এসআইআর? এ প্রশ্নের উত্তরে কমিশন (ECI) জানিয়ে দিয়েছে, দেশজুড়েই হবে এসআইআর। তবে যেসব রাজ্যে ভোট আসন্ন, সেগুলিতে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে শুরু হবে সমীক্ষার কাজ (SIR)।

  • Daily Horoscope 22 October 2025: ব্যবসায় কিছু পাওনা আদায় হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 22 October 2025: ব্যবসায় কিছু পাওনা আদায় হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) যানবাহন খুব সাবধানে চালাতে হবে, বিপদের আশঙ্কা রয়েছে।

    ২) প্রেমের ক্ষেত্রে দিনটি শুভ।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    বৃষ

    ১) আগুপিছু না ভেবে উপার্জনের রাস্তায় পা দেবেন না।

    ২) অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতার যোগ।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    মিথুন

    ১) কর্মচারীদের জন্য ব্যবসায় বিবাদ হতে পারে।

    ২) ভ্রমণের পক্ষে দিনটি শুভ নয়।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কর্কট

    ১) প্রেমের ক্ষেত্রে সাফল্য লাভ।

    ২) কুটিরশিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অগ্রগতি হতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    সিংহ

    ১) ভালো কথার দ্বারা অন্যকে প্রভাবিত করতে পারবেন।

    ২) দুপুর নাগাদ ব্যবসা ভাল হবে।

    ৩) ধৈর্য্য ধরুন।

    কন্যা

    ১) প্রিয়জনের কুকর্মের জন্য বাড়িতে বিবাদ।

    ২) ব্যবসায় ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) সমাজের কাজে সাফল্য।

    তুলা

    ১) চাকরিতে সুখবর আসতে পারে।

    ২) রক্তচাপ নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ৩) প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পাবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় কর্মে ক্ষতির আশঙ্কা।

    ২) আপনার সহিষ্ণু স্বভাবের জন্য সংসারে শান্তি রক্ষা পাবে।

    ৩) চোখ কান খোলা রেখে বিশ্বাস করুন।

    ধনু

    ১) কাজের চাপে সংসারে সময় না দেওয়ায় বিবাদ হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় কিছু পাওনা আদায় হতে পারে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    মকর

    ১) সন্তান-স্থান শুভ।

    ২) আজ কোনও সুসংবাদ পাওয়ার জন্য মন চঞ্চল থাকবে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    কুম্ভ

    ১) সন্তানদের নিয়ে সংসারে কলহ সৃষ্টি হতে পারে।

    ২) আইনি সমস্যা থেকে মুক্তিলাভ।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    মীন

    ১) ধর্মালোচনায় আপনার সুনাম বৃদ্ধি পাবে।

    ২) প্রেমে মাত্রাছাড়া আবেগ ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 486: “জয় শচীনন্দন, গৌর গুণাকার, প্রেম-পরশমণি, ভাব-রস-সাগর”

    Ramakrishna 486: “জয় শচীনন্দন, গৌর গুণাকার, প্রেম-পরশমণি, ভাব-রস-সাগর”

    ৪৪ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলরাম-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১২ই এপ্রিল
    সংকীর্তনানন্দে ভক্তসঙ্গে

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তুই বাপ-মাকে খুব ভক্তি করবি।—কিন্তু ঈশ্বরের পথে বাধা দিলে মানবিনি। খুব রোখ আনবি—শালার বাপ!

    ছোট নরেন—কে জানে, আমার কিছু ভয় হয় না।

    গিরিশ বাড়ি হইতে আবার আসিয়া উপস্থিত। ঠাকুর ত্রৈলোক্যের সহিত আলাপ করিয়া দিতেছেন; আর বলিতেছেন, ‘একটু আলাপ তোমরা কর।’ একটু আলাপের পর ত্রৈলোক্যকে বলিতেছেন, ‘সেই গানটি আর একবার,’—ত্রৈলোক্য গাইতেছেন (Kathamrita):

    ঝিঁঝিট খাম্বাজ—ঠুংরী

    জয় শচীনন্দন, গৌর গুণাকার, প্রেম-পরশমণি, ভাব-রস-সাগর।
    কিবা সুন্দর মুরতিমোহন আঁখিরঞ্জন কনকবরণ

    ঝিঁঝিট খাম্বাজ—ঠুংরী 

    জয় শচীনন্দন, গৌর গুণাকার, প্রেম-পরশমণি, ভাব-রস-সাগর।
    কিবা সুন্দর মুরতিমোহন আঁখিরঞ্জন কনকবরণ,
    কিবা মৃণালনিন্দিত, আজানুলম্বিত, প্রেম প্রসারিত, কোমল যুগল কর
    কিবা রুচির বদন-কমল, প্রেমরসে ঢল ঢল,
    চিকুর কুন্তল, চারু গণ্ডস্থল, হরিপ্রেমে বিহ্বল, অপরূপ মনোহর।
    মহাভাবে মণ্ডিত হরি রসে রঞ্জিত, আনন্দে পুলকিত অঙ্গ,
    প্রমত্ত মাতঙ্গ, সোনার গৌরাঙ্গ,
    আবেশে বিভোর অঙ্গ, অনুরাগে গরগর।
    হরিগুণগায়ক, প্রেমরস নায়ক,
    সাধু-হৃদিরঞ্জক, আলোকসামান্য, ভক্তিসিন্ধু শ্রীচৈতন্য,
    আহা! ‘ভাই’ বলি চণ্ডালে, প্রেমভরে লন কোলে,
    নাচেন দুবাহু তুলে, হরি বোল হরি বলে,
    অবিরল ঝরে জলে নয়নে নিরন্তর!
    ‘কোথা হরি প্রাণধন’ — বলে করে রোদন,
    মহাস্বেদ কম্পন, হুঙ্কার গর্জন,
    পুলকে রোমাঞ্চিত, শরীর কদম্বিত,
    ধুলায় বিলুণ্ঠিত সুন্দর কলেবর।
    হরি-লীলা-রস-নিকেতন, ভক্তিরস-প্রস্রবণ;
    দীনজনবান্ধব, বঙ্গের গৌরব, ধন্য ধন্য শ্রীচৈতন্য প্রেম শশধর।

    ‘গৌর হাসে কাঁদে নাচে গায়’—এই কথা শুনিয়া ঠাকুর ভাবাবিষ্ট হইয়া দাঁড়াইয়া পড়িলেন,-একেবারে বাহ্যশূন্য!

    কিঞ্চিৎ প্রকৃতিস্থ হইয়া—ত্রৈলোক্যকে অনুনয় বিনয় করিয়া বলিতেছেন, “একবার সেই গানটি!—কি দেখিলাম রে।”

    ত্রৈলোক্য গাইতেছেন:

    কি দেখিলাম রে, কেশব ভারতীর কুটিরে,
    অপরূপ জ্যোতি; গৌরাঙ্গ মূরতি, দুনয়নে প্রেম বহে শত ধারে।

    গান সমাপ্ত হইল। সন্ধ্যা হয়। ঠাকুর এখনও ভক্তসঙ্গে বসিয়া আছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (রামের প্রতি)—বাজনা নাই! ভাল বাজনা থাকলে গান খুব জমে। (সহাস্যে) বলরামের আয়োজন কি জান,—বামুনের গোড্ডি (গরুটি) খাবে কম, দুধ দেবে হুড়হুড় করে! (সকলের হাস্য) বলরামের ভাব,—আপনারা গাও আপনারা বাজাও! (সকলের হাস্য)

LinkedIn
Share