Tag: bangla news

bangla news

  • Ram Mandir: ঝাড়গ্রামে তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির, উদ্যোগী রাম সেনা

    Ram Mandir: ঝাড়গ্রামে তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির, উদ্যোগী রাম সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধন নিয়ে সোমবার দেশজুড়ে নানা অনুষ্ঠান হয়। এই আবহের মধ্যেই ঝাড়গ্রামে তৈরি করা হবে রাম মন্দির। রাম সেনা সংগঠনের পক্ষ থেকে এই মন্দির তৈরি করা হবে। সংগঠনের জেলা সভাপতি মধূসূদন সিংহ নিজে উদ্যোগী হয়ে রাম মন্দির তৈরির জন্য ৫ কাঠা জমি দিয়েছেন। সেই জমিতে গড়ে তোলা হবে স্বপ্নের রাম মন্দির। সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে আলোচনার ভিত্তিতে রাজস্থান থেকে বিগ্রহ আনা হবে। উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, রামের মন্দির হবে সর্বসাধারণের জন্য।

    রাম সেনার উদ্যোগে তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির (Ram Mandir)

    রামসেনা সংগঠনটি সঙ্ঘ পরিবারের শাখাও নয়। মধুসূদনবাবু এক সময় শিবসেনার জেলা সভাপতি ছিলেন। পরে অবশ্য তিনি শিবসেনার সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করেন। মধুসূদন বলেন, পুরুষোত্তম রামচন্দ্রকে নিয়ে রাজনীতি হচ্ছে। আমরা রামকে নিয়ে বিভাজনের বিপক্ষে। জেলার মধ্যে মানিকপাড়া ও রাধানগরে রামের দু’টি ছোট মন্দির আছে। তাই  জেলা শহরে রামের দৃষ্টিনন্দন মন্দির তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সঙ্ঘের শাখা হিন্দু জাগরণ মঞ্চের জেলা সংযোজক বাপ্পা বসাক বলেন, শহরে রামের মন্দির (Ram Mandir) প্রয়োজন। ওই মন্দির তৈরির জন্য আমরাও সহযোগিতা করব। জানা গিয়েছে, সোমবার জেলায় দিনভর গেরুয়া শিবিরের ঠাসা কর্মসূচি ছিল। সরাসরি অযোধ্যা থেকে জায়ান্ট স্ক্রিনে সম্প্রচার। তার মধ্যে পৃথক ভাবে রামসেনার উদ্যোগে সব ধর্মের যুবকদের নিয়ে বাইক মিছিল করা হয়।

    রাম মন্দির নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    ঝাড়গ্রামে রামমন্দির হওয়া প্রসঙ্গে জেলা তৃণমূলের সভাপতি দুলাল মুর্মু বলেন, ধর্মনিরপেক্ষতার ঐতিহ্যকে নষ্ট করার চেষ্টা হচ্ছে। শ্রীরামচন্দ্রকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে। সিপিএমের জেলা সম্পাদক প্রদীপকুমার সরকার বলছেন, মন্দিরকে কেন্দ্র করে রাজনীতি ও পাল্টা রাজনীতিতে আমরা নেই। জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি দেবাশিস কুণ্ডু বলছেন, রাম মন্দির (Ram Mandir) হওয়ার কথা শুনে যাঁরা ঐতিহ্য নষ্টের কথা বলছেন, তাঁরা প্রকৃতপক্ষে তোষণের রাজনীতি করেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bibhas Adhikari: অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ বিভাস অধিকারীকে ফের তলব করল সিবিআই

    Bibhas Adhikari: অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ বিভাস অধিকারীকে ফের তলব করল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ বিভাস অধিকারীকে (Bibhas Adhikari) ফের তলব করল সিবিআই। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামালায় নতুন তথ্য পেতেই কি এবার ডাক? প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। উল্লেখ্য রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য গ্রেফতারের পর থেকেই বিভাসের নামের গুঞ্জন উঠেছিল। সূত্রে জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারেরা এবার চলতি সপ্তাহেই কলকাতার নিজাম প্যালেসে ডেকেছেন তাঁকে। যদিও অভিযুক্ত এই তৃণমূল নেতা এই নিয়ে এখনও কোনও মন্তব্য করেননি।

    কুন্তলের মুখে নাম উঠেছিল বিভাসের (Bibhas Adhikari)

    তৃণমূলের যুব নেতা কুন্তল ঘোষকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা আগেই গ্রেফতার করেছে। জেরায় প্রথম তাঁর মুখেই প্রকাশ হয় বিভাসের নাম। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী, পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের গ্রেফতারের পরপর বিভাসের নাম নিয়ে ব্যাপক চর্চা চলেছিল। রাজ্যের বেসরকারি বিএড-ডিএড কলেজগুলির সংগঠনের সভাপতি ছিলেন বিভাস (Bibhas Adhikari)। তিনি মানিক ভট্টাচার্যের খুব কাছের বলে পরিচিত। শিক্ষক দুর্নীতি মামলায় তাঁকে আগেও বেশ কয়েকবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে হাজিরা দিতে হয়েছিল। গত ১৫ নভেম্বর তারিখে শেষ বার সিবিআই দফতরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

    কেষ্ট গ্রেফতার হতেই তৃণমূল ছেড়ে দেন

    প্রাথমিক মামলার তদন্তে বিভাসের (Bibhas Adhikari) নলহাটির কৃষ্ণপুরের বাড়ি এবং কলকাতায় শিয়ালদা অফিসের ব্যাপক তল্লাশি চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাঁর ব্যক্তিগত ভাবে নলহাটিতেই নিজস্ব বিএড এবং ডিএড কলেজ রয়েছে। এমনকী কালজেগুলির মালিকানা সত্ত্বা তাঁর নিজের নামেই। এক সময় বীরভূমের তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে খুব সখ্যতা ছিল। কিন্তু গরু পাচার মামলায় অনুব্রত গ্রেফেতার হতেই কেষ্টর সঙ্গ ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। এমনকী তৃণমূল করাও বন্ধ করে দিয়েছেন। এরপর নিজের উদ্যোগে ‘অল ইন্ডিয়া আর্য মহাসভা’ নামে একটি নতুন দল তৈরি করেন। গতকাল আমাদের সংবাদ মাধ্যম বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তিনি কোনও সাড়া দেননি।

      

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Antibiotics: যখন ইচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক! কোন‌ কোন রোগে আর কার্যকর হচ্ছে না ওষুধ? 

    Antibiotics: যখন ইচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক! কোন‌ কোন রোগে আর কার্যকর হচ্ছে না ওষুধ? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সাধারণ সর্দি-কাশি‌ কিংবা হাল্কা কোনও চোট লাগলেও দাওয়াই হয় অ্যান্টিবায়োটিক (Antibiotics)। কখনও ওষুধের দোকান থেকে ইচ্ছেমতো কেনা, আবার কখনও নিজেই ঠিক করে খানকতক অ্যান্টিবায়োটিক ট্যাবলেট মুখে পুড়ে দেওয়া। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরেই এই রেওয়াজ চলছে। আর এর জেরেই বাড়ছে বিপদ। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই নিয়মিত ইচ্ছেমতো অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার জেরে সমস্যা বাড়ছে। বিশেষত বেশ কয়েকটি রোগের চিকিৎসা করাতে গিয়ে নাজেহাল হতে হচ্ছে। এর জেরে ভোগান্তি বাড়ছে রোগীদের। 

    কোন কোন রোগে সমস্যা বাড়ছে? (Antibiotics) 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সংক্রমণ চিকিৎসার ক্ষেত্রে জটিলতা বাড়ছে। বিশেষত ফুসফুসের সংক্রমণের চিকিৎসায় সমস্যা বেশি হচ্ছে। তাই রোগীদের ভোগান্তি বাড়ছে। পালমনোলজিস্টদের একাংশ জানাচ্ছেন, বায়ুদূষণের জেরে ফুসফুসের সংক্রমণে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষত প্রবীণদের মধ্যে এই সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি হচ্ছে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক শরীরে কাজ করছে না। যে কোনও অ্যান্টিবায়োটিক অনিয়মিতভাবে অতিরিক্ত খেলে, শরীরে এক  ধরনের প্রতিষেধক শক্তি গড়ে ওঠে। তখন আর অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকর হয় না। তাই দেখা যাচ্ছে, অনিয়মিতভাবে, অকারণে অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার জেরে সমস্যা বাড়ছে। শরীরে অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করছে না।‌ ফলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে। ভোগান্তি বাড়ছে। 
    এছাড়া, ইউরিনারি ট্র্যাক ইনফেকশনের ক্ষেত্রেও এই ধরনের জটিলতা দেখা দিচ্ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মহিলাদের এই সমস্যা বেশি দেখা দেয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই রোগের মোকাবিলায় অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকর হচ্ছে না।‌ ফলে ভোগান্তি বাড়ছে। 
    এছাড়া যে কোনও দুর্ঘটনার রোগী হাসপাতালে ভর্তি হলে দেখা যাচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক (Antibiotics) ঠিকমতো শরীরে প্রভাব ফেলছে না।‌ এর জেরে অনেক ক্ষেত্রেই পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হয়ে উঠছে। 

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা? (Antibiotics) 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনিয়মিতভাবে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া যাবে না।‌ সাধারণ সর্দি-কাশি কিংবা হাল্কা চোট লাগলে অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন নেই। বরং এই ধরনের সমস্যার অন্য ওষুধ রয়েছে। তাই অকারণে অ্যান্টিবায়োটিক (Antibiotics) খাওয়ার অভ্যাস ছাড়তে হবে। একমাত্র বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে বিশেষ পরিস্থিতিতে অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হবে। 
    তবে ফুসফুসের সংক্রমণ কিংবা ইউরিনারি ট্র্যাক ইনফেকশনের মতো সমস্যা এড়াতে কয়েকটি খাবার নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়া দরকার। ইউরিনারি ট্র্যাক ইনফেকশনের অন্যতম কারণ জল কম খাওয়া। এছাড়া, ক্র্যানবেরি জুসের মতো ফলের রস নিয়মিত খেলে ইউরিনারি ট্র্যাক ইনফেকশনের ঝুঁকি কমে। পাশপাশি এলাচ, রসুন, লেবু, তুলসি পাতা নিয়মিত খেলে ফুসফুসের সংক্রমণে ঝুঁকি কমে। কারণ, এগুলিতে থাকে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। সংক্রমণের ঝুঁকি কমলে ভোগান্তিও কমবে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: এক ছাদের তলায় শিবের মন্দির ও মাজার! পাশেই রাম মন্দির তৈরি করে হল পুজো

    Ram Mandir: এক ছাদের তলায় শিবের মন্দির ও মাজার! পাশেই রাম মন্দির তৈরি করে হল পুজো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য নজির বারাকপুরের গারুলিয়া পুরসভার ওমর আলি রোডের মন্দির মাজার মোড়। এক ছাদের তলায় রয়েছে মহাদেবের মন্দির এবং মানিক পীরের মাজার। সেই মাজারের কাছে অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Mandir) আদলে মন্দির তৈরি করে পুজো করলেন গারুলিয়াবাসী।

    মাজারের কাছে রাম মন্দির তৈরি করে রামের পুজো (Ram Mandir)

    রাম মন্দিরের উদ্বোধনের দিন দেশব্যাপী নানা অনুষ্ঠানে মেতেছিলেন রাজ্যের মানুষ। নদিয়ার শান্তিপুরে গির্জায় এবং মসজিদে প্রদীপ জ্বালিয়ে রামলালার জন্মদিনকে স্মরণে রাখা হয়। হিন্দুদের সঙ্গে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষও সামিল হয়েছিলেন। আর গারুলিয়ার মন্দির মাজার মোড় সম্প্রীতির বার্তা বহন করে চলেছে। জানা গিয়েছে, মহাদেবের মন্দির এবং মানিক পীরের মাজার এক ছাদের তলায় রয়েছে। একটি দরজা দিয়েই হিন্দু এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ সেখানে যান। সেই মাজারের কাছে রাম মন্দির (Ram Mandir) তৈরি করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। রামের ছবি দিয়ে সেখানে জাঁকজমকভাবে পুজো করা হয়। পুরসভা এলাকার কয়েকশো ভক্ত রামের পুজোয় মেতে ওঠেন। স্থানীয় বাসিন্দা তারকেশ্বর রাও, ধর্মেন্দ্র সাউ বলেন, এখানে মাজার আর আমাদের শিব মন্দির একই জায়গায় রয়েছে। আর শিব মন্দিরে প্রত্যেক সোমবার নিত্যপুজো হয়। মাঝখানে রয়েছে একটি বটগাছ। যেখানে মনস্কামনা পূরণের জন্য মানুষ সুতো বাঁধেন। সেখানেই সঙ্গে হল রাম মন্দিরের পুজো। আমরা নিয়মিত এক দরজা দিয়ে সেখানে যাই। শিবের পুজো করি। আর মাজারে গিয়ে প্রার্থনা করেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ।

    শিব মন্দিরে পুজোর সঙ্গে মাজারে প্রার্থনাও চলে

    সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যরা বলেন, আমরা নিয়মিত মাজারে প্রার্থনা করতে যাই। পাশেই শিব মন্দিরে হিন্দু ভাইয়েরা পুজো করেন। আর সোমবার তো অবিকল রাম মন্দির (Ram Mandir) করে সেখানে সাড়ম্বরে পুজো করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক বছর আগে একবার এখান থেকেই শুরু হয়েছিল সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদ। তবে, তা মিটে যায়। নতুন করে অপ্রীতিকর ঘটনা আর ঘটেনি। এই সাম্প্রদায়িক মেলবন্ধন বাংলার ইতিহাস।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Midnapore: প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে নিজের এলাকার মন্দিরেই তালা! পুজো দিতে পারলেন না দিলীপ

    Midnapore: প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে নিজের এলাকার মন্দিরেই তালা! পুজো দিতে পারলেন না দিলীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধনের দিনেই মেদিনীপুরে (Midnapore) পুজো দিতে পারলেন না রাজ্যের বিজেপি সাংসদ তথা বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। একদিকে যেমন অযোধ্যায় রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান চলেছে, ঠিক তেমনি রাজ্যের জেলায় জেলায় প্রভু শ্রীরামের আরধনা, ভজন, কীর্তন, প্রসাদ বিতরণ চলেছে। কিন্তু মেদিনীপুর শহরের গান্ধীঘাটের রাম-সীতা মন্দিরে পুজো দিতে গিয়ে দেখা যায়, মন্দিরের গেটে তালা মারা। বিজেপি’র এই সাংসদের অভিযোগ, “মন্দিরে যাতে পুজো না করতে পারি, সেজন্যই এভাবে তালা দিয়ে রাখা হয়েছে।”

    কী বললেন দিলীপ ঘোষ(Midnapore)?

    এই গান্ধীঘাটের (Midnapore) রাম-সীতা মন্দিরের বাইরে লাগানো ছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। সেই সঙ্গে পোস্টার লাগানো ছিল সংহতি মিছিলের। মন্দির চত্বরে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের ছবি নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করেন দিলীপ। অপর দিকে ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরে রামলালার অভিষেক উপলক্ষে এই রাম-সীতা মন্দিরের বাইরে প্রদীপ প্রজ্বলন, আতশবাজি প্রদর্শনী করা হয়। একই ভাবে বিশেষ রাম কথা এবং ভাষণ পর্ব চলে। দিলীপ তৃণমূল সরকারকে নিশানা করে বলেন, “পুজো যাতে না দিতে পারি, তাই প্রশাসন থেকে এসে তালা মারা হয়েছে।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    পাল্টা জবাব দিয়ে তৃণমূলের মেদিনীপুরের (Midnapore) স্থানীয় বিধায়ক জুন মালিয়া বলেন, “মন্দির সকলের, সকলকে সব সময় মন্দিরে পুজো দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানাই। যেহেতু তিনি বিজেপি সাংসদ, তাই তাঁকেও সব সময় মন্দিরে আসার জন্য আমন্ত্রণ রইল।” উল্লেখ্য গতকাল কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিয়ে হাজরা থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত অযোধ্যায় রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার পাল্টা সংহতি যাত্রা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। একই ভাবে পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথির তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী সকাল সকাল শ্রী রামের মন্দিরের গিয়ে পুজো করেন। আবার উত্তরবঙ্গের প্রাক্তন মন্ত্রী গৌতম দেব নিজের হারমনিয়ামে রামের ভজন সঙ্গীত করেন। মালদায় হরিশচন্দ্রপুরের তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যরা বিজেপির শ্রী রামের শোভাযাত্রায় পায়ে পা মিলিয়ে গৈরিক বসন পরে অংশ গ্রহণ করেন। সবটা মিলিয়ে রাম নামে এখন বঙ্গের হাওয়ায় এখন বেশ উত্তেজনায় পূর্ণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram temple: অযোধ্যায় প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে মুসলিম সদ্যোজাতের নাম রাখা হল ‘রাম রহিম’ 

    Ram temple: অযোধ্যায় প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে মুসলিম সদ্যোজাতের নাম রাখা হল ‘রাম রহিম’ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রাম মন্দির (Ram temple) উদ্বোধনের দিনে জন্ম নেওয়া নিজের সদ্যোজাত সন্তানের নাম ‘রাম রহিম’ রাখলেন উত্তরপ্রদেশের এক মুসলিম মহিলা। ২২ জানুয়রি দিনটি ছিল এক ঐতিহাসিক ‘শুভ মুহূর্ত’। প্রায় ৫০০ বছরের আন্দোলন-সংঘর্ষের পর রাম জন্মভূমিতে পুনর্নির্মিত মন্দিরের গর্ভগৃহে রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হল। এই মাহেন্দ্রক্ষণে উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিজের সন্তানকে ভূমিষ্ঠ করতে এমন এক পবিত্র দিনকেই বেছে নিয়েছিলেন অনেক মা। তাঁদেরই একজন ফিরোজাবাদের ফারজানা।

    ফিরোজাবাদের ডাক্তারের বক্তব্য(Ram temple)

    মন্দিরে (Ram temple) রামলালার অভিষেক অনুষ্ঠানের দিনেই সোমবার ফিরোজাবাদে ফারজানা নামে এক মুসলিম মহিলা হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের বার্তা দিতে তাঁর সন্তানের নামের সঙ্গে প্রভু রামের নাম জুড়ে দিলেন। জেলা মহিলা হাসপাতালের ইনচার্জ ডাঃ নবীন জৈন জানান, “সোমবার ফারজানা একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন। এখন মা এবং সন্তান উভয়েই ভালো রয়েছেন। এই সন্তানের ঠাকুরমা হোসনা বানু জানান, “মায়ের ইচ্ছায় সদ্যোজাতের নাম রাখা হয়েছে রাম রহিম। এই নামের মধ্যে রয়েছে হিন্দু-মুসলমানের ঐক্যের প্রতীক।”

    কানপুরে ২৫ শিশুর জন্ম

    রামলালার (Ram temple) অভিষেকের দিন কানপুরেও জন্ম নেওয়া শিশুদের ঘিরে তীব্র উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে। কানপুরের গণেশ শঙ্কর বিদ্যার্থী মেমোরিয়াল মেডিক্যাল কলেজের প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ সীমা দ্বিবেদী জানিয়েছেন, “গতকাল প্রভু রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার ‘শুভ মুহূর্তে’ এই হাসপাতালে মোট ২৫টি শিশুর জন্ম হয়েছে। তবে ২৫টি শিশুর মধ্যে ১০টি মেয়ে এবং বাকিরা ছেলে। এখন সকলেই সুস্থ এবং স্বাভাবিক রয়েছে।” এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “ভারতী মিশ্র নামে যিনি একটি ছেলের জন্ম দিয়েছেন, তার নাম রাখা হয়েছে রাম। তাঁদের বিশ্বাস এই দিনে জন্মের ফলে নবজাতক শিশুর ব্যক্তিত্বের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।” সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, মায়েরা তাঁদের সদ্যজাত সন্তানদের নাম রেখেছেন প্রভু রামের নামানুসারে। তাদের নামকরণ হয়েছে নাম রাঘব, রাঘবেন্দ্র, রঘু ইত্যাদি। একই ভাবে মেয়ে সদ্যজাতদের নাম রাখা হয়েছে জানকী বা সীতা।

    ভাদোহিতে ৩৩ শিশুর জন্ম

    অনেক মা নিজেদের সন্তান প্রসবের জন্য রামলালার (Ram temple) প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনকেই বেছে নিয়ে ডাক্তারদের অনুরোধ করেছিলেন। ডাঃ বন্দনা সাক্সেনা নামক এক নার্সিংহোমের মালিক বলেছেন, “অযোধ্যায় ভগবান শ্রীরামের অভিষেকের দিনে আমার নার্সিং হোমের ডেলিভারি রুম এবং নবজাতক শিশুর ঘরটিকে গেরুয়া রঙে সাজিয়ে ছিলাম। প্রভু রামের আশীর্বাদ আমাদের কাম্য ছিল।” পাশাপাশি ভাদোহিতে মোট মন্দির উদ্বোধনের দিনে ৩৩টি শিশু জন্মগ্রহণ করেছে হাসপাতালে। ভাদোহির চিফ মেডিক্যাল অফিসার সন্তোষ কুমার চাক বলেছেন, “এই মায়েদের মধ্যে অনেকেই হাসপাতাল প্রশাসনের কাছে ২২ জানুয়ারী অযোধ্যার রাম মন্দির উদ্বোধনের দিনেই তাঁদের সন্তানের জন্ম দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Subhash Chandra Bose: নোয়াপাড়ায় ব্রিটিশদের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন নেতাজি

    Subhash Chandra Bose: নোয়াপাড়ায় ব্রিটিশদের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন নেতাজি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জুটমিলের শ্রমিকদের সম্মেলনে যোগ দিতে বারাকপুরের শ্যামনগরে এসে ব্রিটিশদের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু (Subhash Chandra Bose)। ৯৩ বছর আগের সেই স্মৃতি আজও অমলিন। নেতাজির স্মরণে একটি নেতাজি স্মৃতি গ্রন্থাগার তৈরি করা হয়েছে। যেখানে নেতাজির উপরে নানা বই রয়েছে। বসানো হয়েছে নেতাজির পূর্ণবয়াব মূর্তি। মঙ্গলবার দিনভর নোয়াপাড়া থানায় নেতাজির ১২৮ তম জন্মদিন সাড়ম্বরে পালিত হয়। নেতাজির জন্মের সময় সোয়া ১২ টায় বাজানো হয় সাইরেন।

    ব্রিটিশ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন নেতাজি (Subhash Chandra Bose)

    ১৯৩১ সালের ১১ অক্টোবর ভাটপাড়ার গোলঘরে জুট মিল শ্রমিকদের সম্মেলনে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু (Subhash Chandra Bose)। শ্যামনগরের চৌরঙ্গী কালীবাড়ির সামনে তাঁর পথ আটকে দাঁড়ালেন নোয়াপাড়া থানার তৎকালীন ওসি মিস্টার ম্যাকেনজি। নেতাজিকে আর গোলঘরের ওই সম্মেলনে যেতে দেওয়া হল না। তাঁকে নিয়ে আসা হয় নোয়াপাড়া থানার লক আপে। সেখানেই কয়েক ঘণ্টা কাটাতে হয়েছিল নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে। তিনি পুলিশের দেওয়া এক কাপ চাও খাননি। আশপাশের বাড়ি থেকে চা দিলে, তিনি তা খান। সেই কাপ-প্লেট আজও সংরক্ষিত রয়েছে। সেদিন থানার বাইরে কাতারে কাতারে মানুষ জমায়েত হয়েছিলেন। পরে তাঁর দাদা শরৎচন্দ্র বসু ব্যক্তিগত জামিনে ছাড়িয়ে নিয়ে যান নেতাজিকে। শর্ত ছিল আগামী দুমাস তিনি নোয়াপাড়া, ভাটপাড়া আসতে পারবেন না। আর এই ঐতিহাসিক ঘটনার জন্যই নোয়াপাড়া থানাকে হেরিটেজ ঘোষণা করা হয়েছে। থানার নতুন বিল্ডিং তৈরি হলেও নেতাজির ইতিহাস বিজড়িত ওই লক আপ প্রায় একই রকম রয়ে গিয়েছে। যা নেতাজি স্মৃতি কক্ষ নামে পরিচিত। তবে, গারদের লোহার চাদর সরিয়ে কাঠের দরজা তৈরি করা হয়েছে। ঘরের ভিতরে রয়েছে নেতাজির ছবি। ফুল দিয়ে সাজানো রয়েছে। সেখানেই প্রতিদিন মাল্যদান করা হয়। নোয়াপাড়া থানার পুলিস কর্মীদের উদ্যোগে প্রতিদিন জ্বালানো হয় প্রদীপ।

    বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক কী বললেন?

    বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, ব্রিটিশ পুলিশ ভেবেছিল, নেতাজির কথা শুনলে শ্রমিকরা ব্রিটিশ শাসনের উপরে আরও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠবেন। ফলে, নেতাজির সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আগে থেকেই ব্রিটিশ পুলিশ প্রস্তুত ছিল। শ্যামনগর চৌরঙ্গী কালীবাড়ির সামনে নেতাজির পথ আটকান তৎকালীন নোয়াপাড়া থানার ইনস্পেক্টর ম্যাকেঞ্জি। সুভাষচন্দ্রকে (Subhash Chandra Bose) নিয়ে আসা হয় নোয়াপাড়়া থানায়। আটকে রাখা হয় একটি ঘরে।

    নেতাজির স্মৃতিতে নোয়াপাড়া থানায় দিনভর অনুষ্ঠান

    স্বাধীনতার পর বহু বছর নোয়াপাড়া থানার নেতাজির স্মৃতি বিজড়িত সেই ঘরটি ভগ্নদশায় পড়েছিল। ২০১১ সালে ঘরটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সে দিনের বেহাল ঘর এখন সাদা টাইলস ও রঙে মুড়ে ফেলা হয়েছে। প্রতি বছর ২৩ জানুয়ারি এই ঘরটিতে সুভাষচন্দ্রের (Subhash Chandra Bose) ছবিতে ফুল-মালা দিয়ে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানানো হয়। থানা প্রাঙ্গণে নেতাজির পূর্ণাবয়ব মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানান বারাকপুর পুলিস কমিশনার অলক রাজোরিয়া সহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সদস্য ও স্কুলের কচিকাঁচারা। নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: সন্ধ্যা আরতির পর আত্রেয়ী নদীর ধারে স্বচ্ছতা অভিযানে নামলেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: সন্ধ্যা আরতির পর আত্রেয়ী নদীর ধারে স্বচ্ছতা অভিযানে নামলেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার সাত সকালে আত্রেয়ীর ঘাটে ঝাডু নিয়ে হাজির বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সোমবার রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে বালুরঘাটের আত্রেয়ী নদীর ধারে এক লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে সন্ধ্যা আরতির অনুষ্ঠান করা হয়। বালুরঘাট শহরের বিজেপি কর্মী-সমর্থক সহ সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল চোখ পড়ার মতো। এরকম অনুষ্ঠান কোনওদিন দেখেননি বালুরঘাটবাসী। সোমবার সন্ধ্যায় আত্রেয়ী নদীর পাড় আলোয় ঝলমল করে। হাজার হাজার সাধারণ মানুষ নদীর পাড়ে এসে প্রদীপ জ্বালিয়ে রাম নাম স্লোগান দেন। সোমবার অনুষ্ঠান শেষ হলেও আত্রেয়ী নদীর ধার পরিষ্কার করতে ভোলেননি বালুরঘাটের সাংসদ তথা রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সেই কারণে এদিন সাত সকালে তিনি ঝাড়ু নিয়ে হাজির হন আত্রেয়ী নদীর ধারে। নিজে হাতেই নদীর ঘাট পরিষ্কার করেন।

    আত্রেয়ী নদীর ধারে স্বচ্ছতা অভিযানে নামেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    পাশাপাশি নেতাজির জন্মদিন পালন করেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এদিন দক্ষিণ দিনাজপুর বিজেপির জেলা কার্যালয়ে নেতাজির ছবিতে মাল্যদান করেন তিনি। সুকান্ত মজুমদার বলেন, সোমবার রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে আমরা বালুরঘাট আত্রেয়ীর ঘাটে ১ লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়েছিলাম। সেই জন্য আমি ও আমার দলীয় নেতৃত্বরা নদীর ঘাটে এসে পরিষ্কার করি। প্রধানমন্ত্রী স্বচ্ছ ভারতের কথা বলেন। আমরা আত্রেয়ী নদীর ধারে স্বচ্ছতা অভিযানে নেমেছি। স্বচ্ছ ঘাট করছি আমরা। এছাড়া এদিন বিজেপির জেলা কার্যালয়ে নেতাজির জন্মদিবস পালন করা হয়।

    রাম রাজ্য প্রতিষ্ঠা বিজেপির লক্ষ্য

    রামকে হাতিয়ার করে ভোটে জেতা প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, রাম বিজেপির হাতিয়ার না, রাম হচ্ছে বিজেপির আদর্শ, রাম হচ্ছে বিজেপির চালনা শক্তি। রামকে হাতিয়ার করার কথা তারা ভাবে, যারা রামের বিরোধী। আমরা রামকে হাতিয়ার করতে চাই না। রাম আমাদের ভেতরে আছেন, অন্তরে আছেন। সেই রামকে নিয়ে এগোতে চাই। রাম রাজ্য প্রতিষ্ঠাই হচ্ছে বিজেপির লক্ষ্য। রাম রাজ্যে কেউ বঞ্চিত হবেন না। পাশাপাশি ডিএ নিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ডিএ নিয়ে কর্মচারীরা যারা আন্দোলনে আছে, তাদের পাশে আমরা আছি। আমরা তাদেরকে সবরকমভাবে সাহায্য করব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: বিজেপি নেতাকে ‘রাজনৈতিক সমাধি’ দেওয়ার হুমকি দিলেন তৃণমূল নেতা

    North 24 Parganas: বিজেপি নেতাকে ‘রাজনৈতিক সমাধি’ দেওয়ার হুমকি দিলেন তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সভা থেকে বিজেপি নেতাকে হুঁশিয়ারি দেওয়ার অভিযোগ উঠল। সোমবার উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বনগাঁয় সংহতি মিছিল করে তৃণমূল। পরে সভা হয়। সেই সভা থেকে তৃণমূলের দুই নেতা প্রকাশ্যে বিজেপির বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি দেবদাস মণ্ডলকে হুঁশিয়ারি দেন।

    কী হুমকি দিলেন তৃণমূল নেতারা? (North 24 Parganas)

    উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বনগাঁয় দলীয় সভা থেকে যুব তৃণমূল নেতা পাপাই রাহার বিজেপি নেতাকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এপ্রিল মাসের পর পাপ্পুকে (দেবদাস) রাজনৈতিক সমাধি দিয়ে দেব। পাপ্পুকে আর দেখা যাবে না। পাশাপাশি একটি ফ্ল্যাটের ছবি দেখিয়ে দাবি করেন, সেটি দিল্লিতে দেবদাসের ফ্ল্যাট। দাম পাঁচ কোটি। সেই টাকা দেবদাস কোথায় পেয়েছেন, সেই প্রশ্নও তোলেন। যুব তৃণমূল নেতার অভিযোগ, বাম আমলে মতিগঞ্জে দেবদাসকে কেউ হিসসা না দিয়ে জমি-বাড়ি কিনতে পারতেন না। একই কর্মসূচিতে দলের বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস বিজেপি নেতাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, যত দূর হাত যায়, চুলকান। আগামী দিনে কোনও অঘটন ঘটলে তৃণমূল দায়ী থাকবে না। তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেতা নারায়ণ ঘোষও দেবদাসের বিরুদ্ধে দুর্নীতির একই অভিযোগ তোলেন।

    বিজেপি নেতা কী বললেন?

    বিজেপি নেতা দেবদাস মণ্ডল বলেন, ক্লাবের সদস্যদের সঙ্গে কথা বললেই পরিষ্কার হয়ে যাবে আমি জমি-বাড়ি লুট করেছিলাম কি না! তৃণমূল নেতা শঙ্কর আঢ্যর সঙ্গে আমার যে ছবি দেখানো হয়েছে, সেখানে নারায়ণের ছবিও ছিল। সেটা বাদ দিয়েছে। ২০১৫ সালে আমরা একসঙ্গে অমরনাথ গিয়েছিলাম। এ দিন বনগাঁ শহরে একই জায়গা থেকে আলাদা সময়ে তৃণমূলের দু’টি আলাদা মিছিল বের হয়। একটির নেতৃত্ব দেন জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ। অন্যটির পুরপ্রধান গোপাল শেঠ। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন ছড়িয়েছে। দেবদাসের অভিযোগ, দু’টি মিছিল থেকে পরিষ্কার, এখানে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল কোন পর্যায়ে গিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Subhash Chandra Bose: নেতাজিকে পুজো করেন পূর্বস্থলীর রায় পরিবারের সদস্যরা

    Subhash Chandra Bose: নেতাজিকে পুজো করেন পূর্বস্থলীর রায় পরিবারের সদস্যরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু (Subhash Chandra Bose) পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর রায় পরিবারে ‘কুলদেবতা’। শুধু তাই নয়, জন্মবার্ষিকীতে সেই দেবতাকে ফি বছর পুজো করা হয়। তাঁর উদ্দেশে নিবেদন করা হয় সিঙারা ভোগও।

    পূর্বস্থলীর রায়বাড়িতে এসেছিলেন নেতাজি (Subhash Chandra Bose)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৯৩২ সালে স্বাধীনতা সংগ্রামী রমেশচন্দ্র রায় ও তাঁর ভাই সুরেশচন্দ্র রায়ের কাছে সুভাষচন্দ্র বসু (Subhash Chandra Bose) এসেছিলেন। সেই সময় রমেশবাবুর স্ত্রী শিবভাবিনী দেবী ছিলেন জেলা মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী। কাষ্ঠশালি থেকে মেড়তলায় যাওয়ার আগে নেতাজি পূর্বস্থলীর রায়বাড়িতে এসেছিলেন। ওই বাড়িতে যে চেয়ারে তিনি বসেছিলেন, আজও তা সংরক্ষিত রয়েছে। সেই সময় শিবভাবিনী দেবী নেতাজিকে সিঙারা তৈরি করে খাইয়েছিলেন। আজও সেই সুভাষচন্দ্র বসুকে পুজো করে ভোগ নিবেদন করা হয়। পরিবারের সদস্য গৌতম রায়, তপন রায়রা বলেন, ‘নেতাজি আমাদের বাড়িতে এসে কিছুক্ষণ সময় কাটিয়েছিলেন। এটা আমাদের কাছে অত্যন্ত গর্বের। নেতাজি আমাদের বাড়িতে আসার পরের বছর থেকেই বাড়িতে তাঁর জন্মদিন পালন করার রেওয়াজ চলে আসছে। এবছরও আমরা নিয়ম করে তাঁর ছবিতে মালা দিয়ে পুজো করে সিঙারা ভোগ দিয়েছি।’

    কালনার মঠে এসেছিলেন নেতাজি

    অন্যদিকে, ধর্মচর্চার পাশাপাশি বিপ্লবীদের আখড়া হয়ে উঠেছিল কালনার জ্ঞানানন্দ মঠ। ১৯৩০ সালে কালনা শহর সংলগ্ন নেপপাড়ার এই মঠে এসেছিলেন নেতাজি। এখানে দু’দিন-দু’রাত কাটিয়ে আন্দোলনের রূপরেখাও তৈরি করেছিলেন তিনি। এমনই এক ঐতিহাসিক স্থানে ফি বছর সুভাষচন্দ্র বসুর (Subhash Chandra Bose) জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন মন্ত্রী থেকে প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিরা। জানা গিয়েছে, আগের বছর এই জ্ঞানানন্দ মঠে ‘নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু তোরণ’ উদ্বোধন করেছিলেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। এবারও সারাদিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে এই মঠে। মঠের নিত্যপ্রেমানন্দ অবধূত মহারাজ বলেন, ‘প্রতি বছরের মতো এই বছরও বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতা-সহ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share