Tag: bangla news

bangla news

  • Jallianwala Bagh: আজ জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকাণ্ডের ১০৫ বছর পূর্তি, জানুন সেই ইতিহাস

    Jallianwala Bagh: আজ জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকাণ্ডের ১০৫ বছর পূর্তি, জানুন সেই ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ অর্থাৎ ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের ১০৫ বছর পূর্তি। ১৯১৯ সালের আজকের দিনেই পা়ঞ্জাবের অমৃতসরের জালিয়ানওয়ালাবাগ প্রাজ্ঞণে বর্বোরিত গণহত্যার সাক্ষী থেকেছিল গোটা বিশ্ব। ঘটনার প্রতিবাদে ‘নাইটহুড’ উপাধি ত্যাগ করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। রাওলাট আইনের প্রতিবাদে আন্দোলনে সামিল হয়েছিল গোটা দেশ। এগিয়ে এসেছিল পাঞ্জাবও। সেখানকার জালিয়ানওয়ালাবাগে (Jallianwala Bagh) জনসমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছিল। সমাবেশ চলাকালীন চারদিক ঘিরে ব্রিটিশ পুলিশের নির্বিচার গুলিবর্ষণে প্রাণ হারিয়েছিলেন হাজারের বেশি মানুষ। জখম হন ১ হাজার ২০০ জন।

    ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগে জড়ো হয়েছিল আবালবৃদ্ধবনিতা 

    ১৯১৯ সালে ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক রাওলাট আইন (Jallianwala Bagh) পাশ করা হয়েছিল। আইনে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে বিনা বিচারে যে কাউকে কারারুদ্ধ করার ক্ষমতা দেওয়া হয়। আইনটি পাশ হতেই, ক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন দেশের হাজার হাজার স্বাধীনতা সংগ্রামী। আইনের প্রতিবাদে ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগে জড়ো হয়েছিল আবালবৃদ্ধবনিতা। বিক্ষোভ সমাবেশ চলাকালীন জেনারেল ডায়ারের নেতৃত্বে ব্রিটিশ পুলিশবাহিনী সমাবেশ স্থলের চারদিক ঘিরে ফেলে। কোনও বিক্ষোভকারী যাতে পালাতে না পারেন, তারজন্য সমস্ত প্রস্থানের পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। চলে নির্বিচারে গুলি। শত শত লোক নিহত হন।

    কুয়ো থেকেই ২ শতাধিকের বেশি লাশ উদ্ধার করা হয় 

    জখম হন আরও বেশি। জানা যায় রাউলাট আইন প্রবর্তনের পরেই সভা-সমাবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ব্রিটিশ সরকার। নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বিক্ষোভকারীরা সচেতন ছিল না। সভাস্থলের মধ্যে একটি কুয়ো ছিল। যখন চারদিক ঘিরে ব্রিটিশ বাহিনী তাণ্ডব চালাচ্ছে, তখন অনেক বিক্ষোভকারীর প্রাণ বাঁচাতে পালানোর সময় কুয়োতে পড়ে মৃত্যু হয়। অনেকে আবার ইনকিলাব জিন্দাবাদ ধ্বনি দিয়ে কুয়োর (Jallianwala Bagh) মধ্যে পড়ে আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছিল। কুয়ো থেকেই ২ শতাধিকের বেশি লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার প্রতিবাদে উত্তাল হয় সারা দেশ।

    মাথায় রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয় ডায়ারের 

    এরপরেই পরিস্থিতি সামাল দিতে তদন্তের জন্য হান্টার কমিশন গঠন করে ব্রিটিশ সরকার। সরিয়ে দেওয়া হয় জেনারেল ডায়ারকে। ১৯২৭ সালে ২৩ জুলাই মাথায় রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয় ডায়ারের। কিন্তু মৃত্যুশয্যায় জালিয়ানওয়ালাবাগের (Jallianwala Bagh) ঘটনা পিছু তাড়া করেছিল তাঁকে।

    বিপ্লবী উধম সিংয়ের গুলিতে প্রাণ হারান ও’ডায়ার 

    ইতিহাসবিদদের একাংশের মতে, জেনারেল ডায়ার ঘটনাস্থলে থাকলেও, তিনি কিন্তু গুলি চালানোর নির্দেশ দেননি। পঞ্জাবের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মাইকেল ফ্রান্সিস ও’ডায়ারই গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। পরে এর ফলই ভুগতে হয়েছিল তাঁকে। ১৯৪০ সালে ১৩ মার্চ লন্ডনের ক্যাক্সটন হলে বিপ্লবী উধম সিংয়ের (Jallianwala Bagh) গুলিতে প্রাণ হারান ও’ডায়ার।

    স্মৃতিসৌধ নির্মাণ

    দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৫১ সালে ভারত সরকার জালিয়ানওয়ালাবাগে মৃতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করে। প্রতি বছর আজকের দিনটিকে নিয়মিতভাবে মৃতদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে আসা হচ্ছে।

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিবাদ

    প্রসঙ্গত, গীতাঞ্জলি কাব্য লেখার জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এরপরেই ১৯১৫ সালে ৩ জুন সাহিত্য প্রতিভার স্বীকৃতি হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ইংরেজরা নাইটহুড উপাধি সম্মানে ভূষিত করেন। কিন্তু ১৯১৯ সালের ৩১ মে তিনি ত্যাগ করেন সেই উপাধি। কারণ জালিওনাবাগের হত্যাকাণ্ড মেনে নিতে পারেননি কবিগুরু। ঘটনার প্রতিবাদ হিসেবে তিনি উপাধি ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেন। হত্যাকাণ্ডের ঘটনা শোনার পরে কবিগুরু মনে করেছিলেন ব্রিটিশদের এই বর্বরোচিত আচরণ বিশ্বের মানুষের কাছে তুলে ধরা উচিত। এরপরই তিনি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। গান্ধীজিকে তাঁর এই প্রস্তাবের কথা তিনি চিঠি লিখে জানান। চিঠিতে লেখেন, ‘‘আই ডু নট ওয়ান্ট টু এম্বারাস দ্য গভর্মেন্ট নাও’’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নাইটহুড’ ত্যাগের চিঠি, ব্রিটিশ সরকারের কাছে পাঠানো আজ এক ঐতিহাসিক দলিল হয়ে রয়েছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Maidaan: অজয়ের চোখের যাদুতে গোলে বল! ফুটবল প্রেমীদের মন ভরাল ‘ময়দান’

    Maidaan: অজয়ের চোখের যাদুতে গোলে বল! ফুটবল প্রেমীদের মন ভরাল ‘ময়দান’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সব খেলার সেরা বাঙালির ফুটবল! ফুটবল মানেই আবেগ, ফুটবল মানেই দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই। ফুটবল মানেই ময়দান (Maidaan) জুড়ে দাপিয়ে বেড়ানো। ফুটবল মানেই মন জয়। ফুটবলকে ভিত্তি করে সদ্য মুক্তি পাওয়া সিনেমা ‘ময়দান’ও তার ব্যাতিক্রম নয়। তবে শুধুই ফুটবল নয়, ‘ময়দান’ জুড়ে দাপট অজয় দেবগণের। ‘ওমকারা’, ‘গঙ্গাজল’, ‘লেজেন্ড অফ ভগত সিং’, ‘সিংহম’ প্রতিটা ছবিতে অজয়কে ক্রমশ পরিণত লেগেছে। ২০-এর যুবক অজয় থেকে মধ্য চল্লিশের অজয় যেন চোখ দিয়ে কথা বলেন। ‘ময়দানেও’ কথা বলেছে সেই চোখের ভাষা।

    কী নিয়ে ছবি

    প্রখ্যাত ফুটবল কোচ সৈয়দ আব্দুল রহিমের জীবনী অবলম্বনে ‘ময়দান’ ছবিটি বানানো হয়েছে। ১৯৫২ থেকে ১৯৬২-এর সময়কালে আব্দুল রহিমের অক্লান্ত প্রচেষ্টা ভারতীয় ফুটবলকে বিশ্বের মানচিত্রে কোথায় নিয়ে গিয়েছিল, সেটা এই ৩ ঘণ্টার সিনেমা দেখলেই বোঝা যাবে। ‘ময়দান’ (Maidaan) ছবিটা পিকে, চুনি, অরুণ ঘোষের উদ্দেশে শ্রেষ্ঠ সম্মান। এই ছবির গল্প, ১৯৫২ থেকে ১৯৬২ সাল সময়কালে ভারতীয় ফুটবল দলের কোচ সৈয়দ আব্দুল রহিমের, যিনি নিজের গোটা জীবনই ফুটবলকে উৎসর্গ করেছিলেন। তাঁর চেষ্টাতেই ভারতীয় ফুটবল টিম ‘ব্রাজিল অফ এশিয়া’ খেতাব পায়, ভারতীয় দল এশিয়াল গেমসে সোনা যেতে। কীভাবে তিনি ক্যান্সার ও ফুটবল ফেডারেশনের রাজনীতির সঙ্গে লড়াই করে ভারতীয় দলের সাফল্যের নয়া কাহিনি লিখলেন, সেই গল্পই বলবে এই ছবি।

    অজয়ের করিশমা

    পুরো সিনেমাজুড়ে অজয় দেবগণ (Ajay Devgn) দাপিয়ে বেরিয়েছেন। এই ছবি তাঁর দুর্দান্ত কাজগুলির অন্যতম। এই চরিত্রের প্রতি সুবিচার করেছেন অজয়। রহিম সাহেবের আবেগকে পর্দায় খুব সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি। ফিল্মে অজয়ের শরীরী ভাষা কখনও কখনও কোচ রহিমকে ছাপিয়ে গিয়েছে, এবং কিছু দৃশ্যে অজয় কেবল তাঁর চোখ দিয়ে অভিনয় করেছেন যা এক কথায় অনবদ্য। টিমের প্রত্যেক অভিনেতার কাজই খুব ভাল। ক্রীড়া সাংবাদিকের চরিত্রে গজরাজ রাও দুর্দান্ত। অজয়ের স্ত্রীর চরিত্রে প্রিয়মণি দারুণ। চরিত্রায়নের সাফল্যের পিছনে একটি বড় কারণ, এই ছবির বেশিরভাগ অভিনেতা, যাঁদের খেলোয়াড় হিসেবে নেওয়া হয়েছে, তাঁদের ছবিতে বা অন্য কোনও মাধ্যমে খুব একটা দেখা যায় না।

    আরও পড়ুন: মহাকাশে প্রথম ভারতীয় ‘পর্যটক’ গোপীচাঁদ, জানেন ইনি কে?

    এ আর রহমানের সুর

    দেশাত্মবোধক ছবিতে এ আর রহমানের কম্পোজিশনের কোনও জুড়ি মেলা ভার। ‘ময়দানেও’ (Maidaan) সেই একই সুর শোনা গিয়েছে। ছবির আবহ এবং গান দর্শককে বেঁধে রাখে। ছবিটির পরিচালনা করেছেন অমিত রবীন্দ্রনাথ শর্মা। গত ১০ এপ্রিল মুক্তি পেয়েছে এই ছবিটি। এই ছবির একটি সমস্যা হল, এর দৈর্ঘ্য। অনায়াসে ছবিটিকে ৪০ মিনিট কম করা যেত। প্রথম ভাগ বড় বেশি মন্থর। তবে যাই হোক ফুটবল অনুরাগীদের কাছে এই ছবি বেঞ্চমার্ক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Russia Ukraine War: ইউক্রেনের বড় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দিল রাশিয়া, ভাইরাল ভিডিও

    Russia Ukraine War: ইউক্রেনের বড় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দিল রাশিয়া, ভাইরাল ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেনের সব থেকে বড় বিদ্যুৎ উৎপাদন (Power Plant) কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দিল রাশিয়া। আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম সিএনএন সূত্রে জানা গিয়েছে, ড্রোন (Drone) ও ৮২টি মিসাইল সহযোগে ধ্বংস করা হয়েছে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এই হামলায় ব্যবহার করা হয়েছে হাইপারসনিক (Hypersonic) মিসাইলও। পাল্টা ইউক্রেনের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই হামলার ফলে রাজধানী কিভে (kyiv) এখনও বিদ্যুৎ ঘাটতি হয়নি।

    তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র ধ্বংস

    সিএনএন সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ইউক্রেনের কিভের খুব কাছে ট্রিপিলস্কায় অবস্থিত এই তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র ধ্বংস হয়ে গিয়েছে সাম্প্রতিক হামলায়। সামাজিক মাধ্যমে এই হামলা সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে সোভিয়েত যুগের ওই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র দাউ দাউ করে জ্বলছে। কালো ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়েছে শহরের আকাশে।

    ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের বক্তব্য

    এই ঘটনার জন্য ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জ়েলেনস্কি প্রতিবেশী রাষ্ট্র ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নকে তাঁদের জরুরি এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম না দেওয়াকে দায়ী করেছেন। তিনি এই হামলাকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বলে আখ্যা দিয়েছেন। প্রসঙ্গত পশ্চিমী দেশগুলোর কাছে ইউক্রেন জরুরি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের আবেদন করেছিল। ইতিমধ্যেই রাশিয়া ইউক্রেনের তাপ ও জল বিদ্যুৎ কেন্দ্র সহ জ্বালানির ঠিকানাগুলিকে নিশানা করা শুরু করেছে। হামলা ব্যাপক তীব্র হয়েছে। ইউক্রেনের শক্তি ব্যবস্থা ধ্বংস দিতে চাইছে রাশিয়া এমনটাই অভিযোগ জানিয়েছেন জ়েলেনস্কি । রাশিয়ার যে হামলা চালিয়েছিল তার মধ্যে ১৮ টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ৩৯ ড্রোনকে আটকানো সম্ভব হয়েছে। কিন্তু বাদ বাকি মিসাইল ও হাইপারসনিক মিসাইল সফলভাবে লক্ষ্যে আঘাত হানে দাবি ইউক্রেনের বিমানবাহিনীর এক আধিকারিকের। তাঁদের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। প্রসঙ্গত কিভ, চেরকাসি ও ঝাইটেমির অঞ্চলের জন্য এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র ছিল খুবই জরুরী।

    সেন্টারেনারগর সংস্থার বক্তব্য

    এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালনা করতো সেন্টারেনারগর নামে একটি সংস্থা। ওই সংস্থার তত্ত্বাবধায়ক বোর্ডের প্রধান এন্দ্রে গোটা বলেন, “সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে আর বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব নয়। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র ধ্বংসের ফলে আশপাশের বেশ কয়েকটি অঞ্চলের সাবস্টেশন ও বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে সমস্যা দেখা দেবে। প্রসঙ্গত ইউক্রেনের বৃহত্তম বেসরকারি বিদ্যুৎ কোম্পানির ডিটেক সাম্প্রতিক হামলায় যথেষ্ট ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। দুটি পাওয়ার স্টেশন রাশিয়ান আক্রমণের জেরে মারাত্মকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ পাক-মাটিতে খতম হয়েছে ২০জনেরও বেশি জঙ্গি নেতা, নেপথ্যে কারা?

    যুদ্ধ এখনও থামার লক্ষণ নেই

    প্রথমদিকে আমেরিকা ইউক্রেনকে যুদ্ধাস্ত্র দিয়ে সাহায্য করলেও পরবর্তীকালে ইউক্রেনের দাবি মতো যুদ্ধাস্ত্র আর দেয়নি আমেরিকা এমনটাই অভিযোগ জ়েলেনস্কি। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ও জার্মানি যে যুদ্ধাস্ত্র দিচ্ছে তাও দীর্ঘদিন যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে যথেষ্ট নয় বলেই দাবি প্রশাসনের। একদিকে যুদ্ধাস্ত্রের অভাব অন্যদিকে রাশিয়ার আক্রমণে ব্যাপক বৃদ্ধি। সবমিলিয়ে বেশ বেকায়দায় পড়েছে ইউক্রেন। আরব দুনিয়ায় হামাসের সঙ্গে ইজরায়েলের যুদ্ধ বিরতির দিকে এগোলেও দুই বছর পার হলেও রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধ এখনও থামার কোনো লক্ষণ নেই। প্রথমদিকে রাশিয়াকে অনেকটা প্রতিহত করতে সক্ষম হলেও এখন দেশের একটা বড় অংশ হাতছাড়া হয়ে গেছে ইউক্রেনের। তাঁরা যুদ্ধ চালিয়ে যেতে অপারগ হলেও রাশিয়া যুদ্ধ থামানোর কোন ইঙ্গিত দিচ্ছে না। প্রথম দিকের বেগতিক অবস্থা কাটিয়ে এখন যুদ্ধের ময়দানে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে পুতিনের বাহিনী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India’s Most Wanted: পাক-মাটিতে খতম হয়েছে ২০জনেরও বেশি জঙ্গি নেতা, নেপথ্যে কারা?

    India’s Most Wanted: পাক-মাটিতে খতম হয়েছে ২০জনেরও বেশি জঙ্গি নেতা, নেপথ্যে কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত দু’বছরে পাকিস্তান এবং কানাডায় অজ্ঞাত পরিচিত বন্দুকবাজদের হামলার কারণে নিহত হয়েছে ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় থাকা ২০ জনেরও বেশি সন্ত্রাসবাদী (India’s Most Wanted)। এরা প্রত্যেকে লস্কর-ই-তৈবা, খালিস্তানপন্থী, হিজবুল মুজাহিদিন, জয়শ-ঈ-মহম্মদ প্রভৃতি জঙ্গি সংগঠনের সদস্য বলে জানা গিয়েছে। পাকিস্তান সরকার যতই দাবি করুক যে তাদের মাটি ব্যবহার করে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ চলে না, কিন্তু পাক ভূখণ্ডে রহস্যজনকভাবে সন্ত্রাসীদের এমন মৃত্যুই সিলমোহর দিচ্ছে পাকিস্তান সরকারের মদতে চলা জঙ্গি কার্যকলাপকে। অন্যদিকে একই কথা কানাডার ক্ষেত্রেও সত্য। খালিস্তানপন্থী জঙ্গিদের মুক্তাঞ্চল হয়ে উঠেছে কানাডা। আন্তর্জাতিকভাবে বিপুল জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকা ‘দ্য গার্ডিয়ান’ দাবি করেছে যে ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড সন্ত্রাসবাদীদের খতম করার জন্য ভারতের গুপ্তচররা নাকি এমন কাজ করছে। যদিও এর স্বপক্ষে প্রমাণ ওই সংবাদমাধ্যম দিতে পারেনি। ভারত সরকার ‘দ্য গার্ডিয়ান’-এর এমন বিবৃতিকে নস্যাৎ করেছে এবং বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে এগুলোর পুরোটাই মিথ্যা এবং ভারত বিরোধী প্রচারের অংশ। প্রসঙ্গত ‘দ্য গার্ডিয়ান’ পত্রিকাতে (India’s Most Wanted) আরও দাবি করা হয়েছে, পাকিস্তানের মাটিতে রহস্যজনকভাবে সন্ত্রাসবাদীরা নিহত হচ্ছে, এই কারণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাবমূর্তি নাকি ভারতের মধ্যে যথেষ্ট শক্তিশালী হচ্ছে।

    মোটর বাইকে চড়ে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিরা গুলি চালায়

    ২০২৩ সালের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহতেই পাকিস্তানের তিনজন জঙ্গিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল (India’s Most Wanted)। প্রতিটি ক্ষেত্রেই মোটরসাইকেলে চড়ে অজ্ঞাত পরিচয় সশস্ত্র ব্যক্তিরা এই হামলা চালায়।

    জঙ্গি মিঞা মুজাহিদ: খাজা শহীদ ওরফে মিয়া মুজাহিদকে অপহরণ করে ২০২৩ সালের ৫ নভেম্বর পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে শিরশ্ছেদ করা হয়। সে ছিল লস্করের সন্ত্রাসী এবং ২০১৮ সালের সুঞ্জুয়ানের একটি ভারতীয় সেনা ক্যাম্পে হামলার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড।

    জঙ্গি আক্রাম খান: অন্যদিকে, ৯ নভেম্বর ২০২৩ সালে লস্কর জঙ্গি আক্রাম খানকে গুলি করে হত্যা করা হয় পাখতুনখোয়াতে।

    জঙ্গি রহিম উল্লাহ তারিক: জয়েশ-ঈ-মহম্মদের জঙ্গি রহিম উল্লাহ তারিক যে ছিল মৌলানা মাসুদ আজহারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী, করাচিতে ১৩ নভেম্বর, ২০২৩ সালে অজ্ঞাত পরিচিত বন্দুকবাজরা তাকে গুলি করে হত্যা করে।

    জঙ্গি জহর মিস্ত্রি: ১৯৯৯ সালে কান্দাহারে ভারতের বিমান অপহরণে জড়িত জহর মিস্ত্রিকে হত্যা করা হয় ২০২২ সালে।

    জঙ্গি শহীদ লতিফ: আবার ২০২৩ সালে অক্টোবর মাসে শিয়ালকোটে হত্যা করা হয় জঙ্গি শহীদ লতিফকে। ২০১৬ সালের পাঠানকোট হামলার মূল ষড়যন্ত্রী ছিল শহীদ লতিফ।

    জঙ্গি মুফতি কাওসার ফারুক: ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসেই হত্যা করা হয় (India’s Most Wanted) মুফতি কাওসার ফারুককে। সে ছিল ২৬/১১-র মাস্টারমাইন্ড হাফিজ সঈদের অন্যতম সহযোগী।

    জঙ্গি জিয়াউর রহমান: ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে হত্যা করা হয় জিয়াউর রহমানকে। জানা যায় সে ছিল লস্কর-ই-তৈবার একজন কমান্ডার। করাচিতে অজ্ঞাত পরিচয় বন্দুকবাজরা এসে তাকে সরাসরি গুলি করে।

    জঙ্গি পরমজিত সিং পাঞ্জুয়ার: অন্যদিকে, ২০২৩ সালের মে মাসে লাহোরে নিজের বাসভবনে এর সামনে গুলি করে হত্যা করা হয় পরমজিত সিং পাঞ্জুয়ারকে। জানা যায় সেও ছিল ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি তালিকায়। সেখানে খালিস্তানি জঙ্গিদের নেতৃত্ব দিত সে।

    জঙ্গি বসির আহমেদ পীর ইমতিয়াজ আলম: ২০২৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি হিজবুল কমান্ডার বসির আহমেদ পীর ইমতিয়াজ আলমকে অজ্ঞাত পরিচয় বন্দুকবাজরা (India’s Most Wanted) হত্যা করে রাওয়ালপিন্ডিতে একটি দোকানের সামনে। ঘটনাক্রমে হিজবুল কমান্ডার বসির আহমেদ পীরের মৃত্যুর পরেই এনআইএ জম্মু কাশ্মীরে তার সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে।

    জঙ্গি সালেম রাহমানি: অন্যদিকে সালেম রাহমানি নামে অন্য আরও একজন সন্ত্রাসবাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয় ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে। একইভাবে অজ্ঞাত পরিচিত বন্দুকবাজরা তাকে হত্যা করে। সেও ছিল ভারতের মোস্ট ওয়ান্টে জঙ্গি তালিকায়। জানা যায়, সে যখন নামাজ পড়তে আসে, তখনই তাকে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিরা গুলি করে।

    জঙ্গি মুল্লা সরদার হোসেন: ২০২৩ সালের অগাস্ট মাসে মুল্লা সরদার হোসেনকে সিন্ধ জেলায় হত্যা করা হয় গুলি করে।

    খালিস্থানপন্থী নেতা হারদীপ সিং নিজ্জর: অন্যদিকে গত বছরে ভারত কানাডা সম্পর্কেও চাপানউতোর শুরু হয় যখন খালিস্থানপন্থী নেতা হারদীপ সিং নিজ্জরকে হত্যা করা হয় কানাডার মাটিতেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gopichand: মহাকাশে প্রথম ভারতীয় ‘পর্যটক’ গোপীচাঁদ, জানেন ইনি কে?

    Gopichand: মহাকাশে প্রথম ভারতীয় ‘পর্যটক’ গোপীচাঁদ, জানেন ইনি কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথমবার  কোনও ভারতীয় পর্যটক হিসাবে মহাশূন্যে (Space) পাড়ি দেবেন গোপীচাঁদ থোটাকুরা। পৃথিবীর সীমানা পেরিয়ে মহাকাশে ঘুরে বেড়াবেন তিনি। আমেরিকার বেসরকারি মহাকাশ সংস্থা ‘ব্লু অরিজিন’-এর ‘নিউ শেফার্ড-২৫ (এনএস-২৫)’ অভিযানে মহাকাশে পর্যটক হিসাবে যাচ্ছেন গোপীচাঁদ। 

    কে এই গোপীচাঁদ

    ‘ব্লু অরিজিন’-এর ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ‘‘গোপীচাঁদ এমন একজন, যিনি গাড়ি চালানোর আগে বিমান কী ভাবে ওড়াতে হয়, তা শিখেছিলেন। গোপীচাঁদ বুশ, অ্যারোবেটিক এবং সিপ্লেন, গ্লাইডার এবং এয়ার বেলুন ওড়াতে পারেন। আন্তর্জাতিক চিকিৎসা বিমানের পাইলট হিসাবেও কাজ করেছেন তিনি। দুঃসাহসিক অভিযানের অংশ হিসাবে সম্প্রতি কিলিমাঞ্জারোর পর্বতের চূড়ায় গিয়েছিলেন গোপী।” নিউ শেফার্ড-২৫ নামে এই মিশনে গোপীচাঁদের সঙ্গে যাবেন আরও পাঁচ জন। ব্লু অরিজিনসের তরফে জানানো হয়েছে, সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব উপায়ে এই মিশনের আয়োজন করা হয়েছে। তরল অক্সিজেন আর হাইড্রোজেনের শক্তিতে এই মহাকাশযানের ইঞ্জিন চলবে। কার্বন নিঃসরণও হবে না এই মহাকাশযান থেকে, কেবল জলের বাষ্প বের হবে।

    ছোট থেকেই টানে আকাশ

    গোপীচাঁদ থোটাকুরা পেশায় একজন উদ্যোগপতি। ৩০ বছর বয়সি গোপীচাঁদের জন্ম অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়ওয়াড়ায়। তবে বরাবরই আকাশে ওড়ার স্বপ্ন দেখেছেন তিনি। ছোটবেলা থেকেই আকাশ নিয়ে প্রবল আগ্রহী গোপী। পড়াশোনা শেষ করেই বিমান কী ভাবে ওড়ে, তা শেখার দিকে ঝুঁকেছিলেন তিনি। বিমান ওড়ানোর প্রাথমিক শিক্ষার পর আরও দক্ষতা অর্জন করতে আমেরিকার ফ্লোরিডার ‘এম্ব্রি-রিডল অ্যারোনটিক্যাল ইউনিভার্সিটি’ থেকে মহাকাশবিদ্যা নিয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন গোপীচাঁদ। 

    আরও পড়ুন: ৭৫ বছর পর! গঙ্গা আরতি কাশ্মীরের কুপওয়াড়ায় কিষাণগঙ্গা নদীতে

    কবে অভিযান

    এই অভিযান কবে বাস্তবায়িত হবে, সেই দিনক্ষণ এখনও ঘোষিত হয়নি। ব্লু অরিজিন একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, এনএস-২৫ অভিযানে যে মহাকাশযান ব্যবহার করা হবে তার বুস্টার, ক্যাপসুল, ইঞ্জিন, ল্যান্ডিং গিয়ার এবং প্যারাসুট-সহ অনেক যন্ত্রই পুনর্ব্যবহারযোগ্য। নিউ শেপার্ডের ইঞ্জিনে জ্বালানি হিসাবে তরল অক্সিজেন এবং হাইড্রোজেন ব্যবহার করা হয়। ফলে কোনও জ্বালানির জন্য যে জলীয়বাষ্পের নির্গমন হয়, তাতে কোনও কার্বন থাকে না। এনএস-২৫ অভিযানে গোপীচাঁদ-সহ ছয় পর্যটক ‘ব্লু অরিজিন’ এর পার্শ্বসংস্থা ‘ক্লাব ফর দ্য ফিউচার’-এর একটি করে পোস্টকার্ড মহাকাশে নিয়ে যাবেন। সেই পোস্টকার্ড তরুণদের স্বপ্ন এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হিসাবে মহাকাশে পাঠানো হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Parkinson’s Disease: গান, কবিতা কিংবা ছবি আঁকা, নিয়মিত চর্চা কমাতে পারে পারকিনসন্সের ঝুঁকি

    Parkinson’s Disease: গান, কবিতা কিংবা ছবি আঁকা, নিয়মিত চর্চা কমাতে পারে পারকিনসন্সের ঝুঁকি

     তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ঘরের ভিতরে হাঁটাচলা করাও বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। নিজের হাতে ভাত মেখে খাওয়ার শক্তিটুকুও থাকে না। প্রয়োজনীয় অনেক কিছুই মনে থাকে না। হাত-পায়ের পেশি একেবারেই কাজ করে না। আত্মবিশ্বাস হারিয়ে যায়। বয়স বাড়লে আরও বাড়ে জটিলতা। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, বিশ্ব জুড়ে বাড়ছে পারকিনসন্স (Parkinson’s Disease) রোগের দাপট। বাদ নেই কলকাতাও। তাই মধ্য পঞ্চাশ থেকেই দরকার সচেতনতার। এই জটিল রোগের দাপট রুখতে নিজের জন্য প্রয়োজন বাড়তি সময়।

    পারকিনসন্স কী? (Parkinson’s Disease)

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, পারকিনসন্স এক ধরনের স্নায়ুর সমস্যা। মস্তিষ্কের ভিতরে এক ধরনের অবক্ষয় হয়। এর জেরে হাত-পা কিংবা শরীরের বিভিন্ন অংশের গতির সমন্বয়ের অভাব দেখা দেয়। মস্তিষ্কের বিশেষ অংশের এই সমস্যার জেরেই হাত-পায়ে এক ধরনের কম্পন দেখা দেয়। ঠিকমতো হাঁটাচলা করাও কঠিন হয়ে পড়ে। তবে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই রোগ বংশানুক্রমিক বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।‌ অর্থাৎ বাবা বা মা, কেউ এতে (Parkinson’s Disease) আক্রান্ত হলে, তাদের সন্তানদেরও বয়স বাড়লে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। স্নায়ুরোগ‌ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায় ৬০ বছরের পরে এই রোগের লক্ষণ দেখা দেয়। তবে অনেকের আবার ৫০-এর মাঝামাঝিও‌ উপসর্গ দেখা দেয়। হাতের আঙুল অতিরিক্ত কাঁপা এই রোগের প্রাথমিক উপসর্গ বলে জানাচ্ছেন স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাই পরিবারের কেউ এই রোগে আক্রান্ত হলে কম বয়স থেকেই এই সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।

    সৃজনশীল কাজ কি এই রোগের দাপট কমাতে পারে? (Parkinson’s Disease)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, পারকিনসন্সের মতো রোগের ঝুঁকি কমাতে প্রয়োজন সুস্থ জীবনযাপন। তাঁরা জানাচ্ছেন, মানসিক চাপ এই ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম কারণ। তাই মধ্য পঞ্চাশের পরেই নিজের বাড়তি খেয়াল রাখা জরুরি। পরিবার ও কর্মজীবনের নানান দায়িত্ব পালনের মাঝেও নিজের জন্য সময় রাখা জরুরি। নিয়মিত ছবি আঁকা, গান শোনা ও গান গাওয়া কিংবা কবিতা লেখার মতো সৃজনশীল কাজের অভ্যাস তৈরি করতে হবে। স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই ধরনের কাজে একদিকে মানসিক চাপ অনেক কমে। আবার হাত, পা এবং শরীরের একাধিক পেশি ও স্নায়ুর সক্রিয়তা বাড়ে‌। মস্তিষ্কের কাজ বাড়ে। ফলে রোগের ঝুঁকি কমে। 
    যোগাভ্যাস পারকিনসন্সের ঝুঁকি কমায়। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন এই রোগ (Parkinson’s Disease) আটকানোর পাশপাশি, যারা আক্রান্ত তাদের জীবনযাপন উন্নত করতেও নিয়মিত যোগাভ্যাস জরুরি। যোগাসন একদিকে শরীরের প্রত্যেক অঙ্গকে সক্রিয় রাখে, আবার মানসিক স্বাস্থ্যও ভালো রাখে। তাই পঞ্চাশ পেরলেই নিয়ম করে হাঁটাহাঁটির পাশপাশি যোগাভ্যাস গড়ে তোলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কোন কোন খাবার এড়িয়ে চলবেন? (Parkinson’s Disease)

    কফি এবং বার্গার, হটডগের মতো খাবার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, কফিতে থাকে ক্যাফেইন। আর বার্গার, হটডগের মতো খাবারে থাকে স্যাচুরেটেড ফ্যাট। এই দুই উপাদান পারকিনসন্সের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাই এর প্রকোপ রুখতে এই ধরনের খাবার এড়িয়ে চলা জরুরি। 
    পাশপাশি নিয়মিত মাছ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। কারণ মাছে রয়েছে ওমেগা থ্রি। এই উপাদান স্নায়ু সুস্থ রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। পাশাপাশি, পালং শাক, সবুজ আপেলের মতো ফল এবং সবজি নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। কারণ এগুলো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার। তাই এগুলো খেলে মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকবে। পারকিনসন্সের (Parkinson’s Disease) ঝুঁকি কমবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ganga Aarti: ৭৫ বছর পর! গঙ্গা আরতি কাশ্মীরের কুপওয়াড়ায় কিষাণগঙ্গা নদীতে

    Ganga Aarti: ৭৫ বছর পর! গঙ্গা আরতি কাশ্মীরের কুপওয়াড়ায় কিষাণগঙ্গা নদীতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সংস্কৃতির পুনরুত্থান। ৭৫ বছর পর গঙ্গা আরতি হল কাশ্মীরের কুপওয়াড়ায় কিষাণগঙ্গা নদীতে। উত্তর কাশ্মীরে সীমান্তের কাছে এই আরতি উপলক্ষে বহু মানুষের সমাগম হয়। দেশভাগের পর এই প্রথম কিষাণগঙ্গায় আরতি হল। নিস্তব্ধ প্রকৃতির কোলে গঙ্গা বন্দনা মনে শান্তি জাগায়।

    উপত্যকায় নতুন ভোর

    এই ঘটনা থেকে বোঝা যায় কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিল করে মোদি সরকার কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসিবে কাশ্মীররকে তার পুরানো ঐতিহ্যে ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। কাশ্মীরে সংস্কৃতির প্রচার হচ্ছে। গঙ্গা আরতি হল উপত্যকায় এক নতুন ভোরের সূচনা এবং কাশ্মীরের সংস্কৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করার অনুসন্ধান। সীমান্তের কাছে  টিটওয়াল অঞ্চলে পবিত্র আচার অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে গঙ্গারতি করা হয়।  উত্তর কাশ্মীরের কুপওয়ারা জেলার নিয়ন্ত্রণ রেখার (এলওসি) কাছে নবনির্মিত এই ঘাট, শারাদেশের ভক্ত এবং তীর্থযাত্রীদের জন্য বিশেষ ঐতিহ্য বহন করে। এর ধারে শারদা মন্দির হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই অনুষ্ঠান আয়োজন করতে পেরে কাশ্মীরী পণ্ডিতরা খুব খুশি। 

    গত বছরই জম্মু ও কাশ্মীরের কুপওয়ারা জেলায় মা শারদা মন্দিরের উদ্বোধন করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কর্তারপুর স্টাইলে করিডোর তৈরি জন্য শারদা মন্দির কমিটির আবেদনও ভেবে দেখছে সরকার। স্বাধীনতার আগে কুপওয়ারার টিটওয়ালে মা শারদার মন্দির ছিল। ওই সময় কিষাণগঙ্গা নদীর তীরে একটি গুরুদ্বারের সংলগ্ন এলাকায় ছিল মন্দিরটি। কিন্তু ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় পাক হানাদারদের হাতে ধ্বংস হয় মন্দিরটি। ঘটনার কয়েক বছর পর থেকেই ওই এলাকায় ফের মা শারাদা মন্দির তৈরির দাবি উঠছিল। প্রায় ৭৬ বছর পর মন্দিরটি ফের তৈরি করে জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়। এবার কিষাণগঙ্গা নদীতে শুরু হল আরতি। ঐতিহাসিকদের দাবি, ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে জম্মু-কাশ্মীরের এই শারদা মন্দিরের গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। ভারতীয় উপমহাদেশ তো বটেই, মধ্য এশিয়া থেকেই পুণ্যার্থীরা এখানে আসতেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • NIA News: কাঁথি থেকে ধৃত বেঙ্গালুরুর বিস্ফোরণে জড়িত দুই সন্দেহভাজন! কীভাবে খোঁজ পেল এনআইএ?

    NIA News: কাঁথি থেকে ধৃত বেঙ্গালুরুর বিস্ফোরণে জড়িত দুই সন্দেহভাজন! কীভাবে খোঁজ পেল এনআইএ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণকাণ্ডে বাংলা থেকে গ্রেফতার দুই সন্দেহভাজন। মুসাভির হুসেন শাহিব ও সহযোগী আবদুল মথিন তাহাকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ (NIA News)। এরা দুজনেই বেঙ্গালুরু ক্যাফেতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের  মাস্টারমাইন্ড বলে দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। কলকাতার উপকণ্ঠেই গা ঢাকা দিয়ে ছিল এই দুই অভিযুক্ত। কাঁথি থেকে এনআইএ-র জালে ধরা পড়ে তারা।

    কীভাবে গ্রেফতার

    গত ১ মার্চ বেঙ্গালুরুর (Bengaluru Blast) রামেশ্বরম ক্যাফেতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। এনআইএ সূত্রের খবর, বিস্ফোরণের পর তারা বাংলায় এসে আত্মগোপন করেছিল। বেশ কয়েক দিন ধরে তাঁরা এই রাজ্যে পরিচয় গোপন করে থাকছিলেন। ২৮ দিন ধরে রাজ্য়ের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেরিয়েছে তারা। তারই মধ্যে ধৃত মুসাভির হুসেন শাহিব মহম্মদ জুনের শাহিব নামে ভুয়ো ড্রাইভিং লাইসেন্স বানিয়েছিল। আবদুল মাথিন আহমেদ তাহা বিগনেস ওরফে সুমিত নামে ভুয়ো আধার কার্ডও বানিয়েছিল।  দু-তিন দিন আগে অন্য় নাম ব্য়বহার করে নিউ দিঘার একটি হোটেলে ওঠে দুই সন্দেহভাজন। সূত্রের খবর, তাদের ধরতে রাজ্য় পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এনআইএ (NIA News)। পরিকল্পনা মতো বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হোটেলে হানা দিয়ে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়। নিখোঁজ দুই সন্দেহভাজন জঙ্গির নামেই ১০ লক্ষ টাকা করে আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা করেছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ (NIA)। তার পরিণাম পাওয়া গেল শুক্রবার। ধৃতের মধ্য়ে একজন রামেশ্বরম ক্যাফেতে বিস্ফোরণকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড বলে কেন্দ্রীয় গোয়ন্দা সংস্থা সূত্রে দাবি। ধৃতদের কাছ থেকে প্রচুর ইলেকট্রনিক গেজেট, ল্য়াপটপ ও মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘মায়ের শেষ যাত্রাতেও থাকতে দেয়নি, মেলেনি জামিন’ জরুরী অবস্থার কথা স্মরণ রাজনাথের

    কীভাবে খোঁজ মেলে

    বিস্ফোরণের (Bengaluru Blast) পরেই ওই ক্যাফের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছিল, এক যুবক ক্যাফের ভেতরে একটি ব্যাগ রেখে আসে, ঘন্টাখানেক পর তা থেকেই ঘটে বিস্ফোরণের ঘটনা। বিস্ফোরণ কাণ্ডে জড়িত মূল অভিযুক্ত মুজাম্মিল শরিফকে আগেই আটক করা হয়েছিল। খোঁজ চলছিল সন্দেহভাজন বাকি দুজনের। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা ওই দুজনকে আটক করে। শুক্রবার এনআইএ, পশ্চিমবঙ্গ, তেলঙ্গানা, কর্ণাটক ও কেরল পুলিশের যৌথ অভিযানে অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। এনআইএর সঙ্গে ছিল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের একটি দলও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sanjeev Sanyal: বিপ্লবী শচীন্দ্রনাথ সান্যালকে স্মরণ করলেন তাঁর নাতি তথা প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা সঞ্জীব সান্যাল

    Sanjeev Sanyal: বিপ্লবী শচীন্দ্রনাথ সান্যালকে স্মরণ করলেন তাঁর নাতি তথা প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা সঞ্জীব সান্যাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৩ এপ্রিল ছিল বিপ্লবী শচীন্দ্রনাথ সান্যালের জন্মদিন। ঠিক এই সময়েই ফের একবার এই অগ্নিযুগের বিপ্লবী আলোচনায় উঠে এলেন তাঁর নাতির কারণে। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা কাউন্সিলের অন্যতম সদস্য তথা ঐতিহাসিক সঞ্জীব সান্যাল (Sanjeev Sanyal) স্মরণ করলেন তাঁর দাদু তথা বাংলার বিপ্লবী শচীন্দ্রনাথ সান্যালকে। প্রসঙ্গত, শচীন্দ্রনাথ সান্যাল ১৯০৭ সালে কলকাতায় অনুশীলন সমিতিতে যোগ দেন। শচীন্দ্রনাথ সান্যাল ১৯০৯ সালে বারাণসীতে ‘ইয়ং ম্যান অ্যাসোসিয়েশন’ নামে এক বিপ্লবী দল গঠন করেন। তিনি ছিলেন রাসবিহারী বসুর অত্য়ন্ত ঘনিষ্ঠ। রাসবিহারী বসু তাঁকে লাট্টু নামে ডাকতেন বলে জানা যায়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় রাসবিহারী বসু সেনাবিদ্রোহের উদ্যোগ নেন। জানা যায় এই প্রচেষ্টার অন্যতম সহযোগী ছিলেন শচীন্দ্রনাথ সান্যাল। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন সঞ্জীব সান্যাল। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্য সম্মেলন-২০২৪ অনুষ্ঠানে সঞ্জীব সান্যাল আলোচনা করেন শচীন্দ্রনাথ সান্যাল এর লেখা বই ‘Bandi Jeevan: A Life in Captivity’ এর ওপর। এ সংক্রান্ত আলোচনাটি চলতি সপ্তাহেই একটি ইউটিউব চ্যানেলে পোস্ট করা হয়। বর্তমানে ওই বইটি ইংরেজিতেও অনুবাদ করা হয়েছে।

    লর্ড হার্ডিঞ্জের ওপর বোমা নিক্ষেপ মামলা 

    সঞ্জীব সান্যালের (Sanjeev Sanyal) বক্তব্যে উঠে আসে ১৯১২ সালের সাড়া জাগানো বৈপ্লবিক ঘটনা লর্ড হার্ডিঞ্জের ওপর বোমা নিক্ষেপ মামলা। প্রসঙ্গত, রাসবিহারী বসুর নেওয়া এই উদ্যোগে নদীয়ার বসন্ত বিশ্বাস বোমা ছুড়ে ছিলেন বড়লাট লর্ড হার্ডিঞ্জ এর ওপরে। রাসবিহারী বসু চাকরি করতেন দেরাদুনের বন বিভাগে, সেখানে বসেই এই পরিকল্পনা রচনা করেন তিনি। বড়লাটের ওপর বোমা নিক্ষেপের ঘটনার পরে অতিসক্রিয় হয়েও ব্রিটিশ পুলিশ টিকি খুঁজে পায়নি রাসবিহারী বসুর। সঞ্জীব সান্যালের মতে, সে সময়ে ব্রিটিশ পুলিশের নজরে আসে অনুশীলন সমিতির কার্যকলাপও। তৎক্ষণাৎ শচীন্দ্রনাথ সান্যাল অনুশীলন সমিতির নাম বদল করেন। এমনটাই বলেছেন সঞ্জীব বাবু।

    হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মি

    দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তব্য রাখার সময় সঞ্জীব সান্যাল (Sanjeev Sanyal) আরও জানিয়েছেন, বড়লাট লর্ড হার্ডিঞ্জের ওপর বোম পড়েছিল চাঁদনি চকে। যা দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের খুবই কাছে। বাংলার বিপ্লবী শচীন্দ্রনাথ সান্যাল হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মিও তৈরি করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে সংঘর্ষ জারি রাখতে। তারও উল্লেখ করেছেন সঞ্জীব সান্যাল। প্রসঙ্গত,  ১৯২৪ সালেই প্রতিষ্ঠা হয় হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মি। এই বাহিনী গঠনের মূলে ছিল ১৯২২ সালের চৌরিচোরার ঘটনা। প্রসঙ্গত, চৌরিচোরার ঘটনায় আন্দোলনকারীদের হাতে পুলিশ কর্মীরা নিহত হলে অসহযোগ আন্দোলনকে তুলে নেন মহাত্মা গান্ধী। এই সময় শচীন্দ্রনাথ সান্যাল অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে ওঠেন বলে জানিয়েছেন সঞ্জীব। ওই সময়ে দেশের যুবসমাজের কংগ্রেস তথা মহাত্মা গান্ধীর প্রতি অনাস্থাও পরিলক্ষিত হতে থাকে। দেশের যুব সমাজের বড় অংশ মনে করতে থাকে অসহযোগ আন্দোলনের প্রত্যাহারের কারণে ব্রিটিশরা শক্তিশালী হয়েছে। এই সময় বিপ্লবী আন্দোলন গড়ে তুলতে শচীন্দ্রনাথ সান্যাল নিয়োগ করতে শুরু করেন রামপ্রসাদ বিসমিল, রাজেন্দ্র লাহিড়ী, আশফাকুল্লাহ খান প্রভৃতি কলেজ ছাত্রদের। বারাণসী সংস্কৃত কলেজে পাঠরত সুখদেব, রাজগুরু, চন্দ্রশেখর আজাদদেরও নিয়োগ করেন শচীন্দ্রনাথ সান্যাল। ৯ অগাস্ট ১৯২৫ সালে কাকোরি ট্রেন অ্যাকশন যা কাকোরি ষড়যন্ত্র মামলাতেও হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল বলে জানা যায়। এই আর্মির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ভগৎ সিংও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Rajnath Singh: ‘মায়ের শেষ যাত্রাতেও থাকতে দেয়নি, মেলেনি জামিন’ জরুরী অবস্থার কথা স্মরণ রাজনাথের

    Rajnath Singh: ‘মায়ের শেষ যাত্রাতেও থাকতে দেয়নি, মেলেনি জামিন’ জরুরী অবস্থার কথা স্মরণ রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জরুরী অবস্থার কথা স্মরণ করে কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তিনি জানিয়েছেন, মা যখন অসুস্থ ছিলেন তখন প্যারোলেও ছাড়া হয়নি তাঁকে। মায়ের শেষ যাত্রাতেও অংশ নিতে দেয়নি তৎকালীন কংগ্রেস সরকার। আর এখন তারাই স্বৈরাচারের কথা বলছে, বলে কটাক্ষ করেন রাজনাথ। 

    কী বললেন রাজনাথ

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন, ১৯৭৫ সালে ইন্দিরা গান্ধীর সরকার তাঁকে জেলে ভরে দিয়েছিলেন। তাঁর কথায়, “যারা জরুরী অবস্থার সময় একনায়কতন্ত্র জারি করেছিলেন, তারাই এখন আমাদের বলছে আমরা নাকি একনায়ক।” রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) বলেন, “জরুরি অবস্থার সময় আমি জেলে ছিলাম। আমরা বিক্ষোভ দেখাতাম, সাধারণ মানু্ষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করার চেষ্টা করতাম যে ইমার্জেন্সি কতটা ভয়ঙ্কর এবং তা স্বৈরাচারী মনোভাবকেই তুলে ধরে।” তিনি আরও বলেন, “আমার সদ্য বিয়ে হয়েছিল। সারা দিন কাজ করার পর আমি বাড়ি ফিরেছিলাম, আমায় তখন বলল, পুলিশ এসেছিল। আমায় ওয়ারেন্ট দেওয়া হল। মাঝরাতে আমায় গ্রেফতার করল, জেলে নিয়ে গেল। আমায় একা একটা কুঠুরিতে রাখা হয়েছিল।”

    মায়ের মৃত্যুর কথা স্মরণ রাজনাথের

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রী (Rajnath Singh) জানান সেই সময় জেলে কোনও বই পড়তে দিত না। একটা পাত্রে ডাল দিত। আর কয়েকটা চাপাটি দেওয়া হতো। কিছু সময়ের জন্য় জেল চত্বরে যেতে দিত। হেসে হেসেই তিনি বলেন, “আমার হয়তো ভাল মেজাজ ছিল, তাই আমায় জেলে দীর্ঘদিন রাখা হয়েছিল। যখন আমায় মির্জাপুর জেল থেকে নৈনি সেন্ট্রাল জেলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন আমার মা বলেছিল, যাই-ই হোক না কেন, ক্ষমা চাইবে না। শুনে উপস্থিত পুলিশকর্মীরাও কেঁদে ফেলেছিলেন।”  রাজনাথ জানান, জরুরী অবস্থা আরও একবছর বৃদ্ধি করা হয়েছে এটা শুনে তাঁর মা আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন। ২৭ দিন মাকে হাসপাতালে রাখতে হয়েছিল। পরে মারা যান তিনি। তাঁর কথায়, “আমি তারপরও জেল থেকে ছাড়া পাইনি, প্যারোল পাইনি। আমি জেলেই মুণ্ডন করেছিলাম। আমি যেতে না পারায়, আমার ভাই শেষকৃত্য করেছিল…ভাবুন এরপরও ওরা (কংগ্রেস) আমাদের বিরুদ্ধে স্বৈরাচার, একনায়কতন্ত্রের অভিযোগ আনে। নিজেদের দিকে দেখে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share