Tag: bangla news

bangla news

  • South 24 Parganas: ‘সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র’ সরকারি অবহেলায় আজ ভুতুড়ে বাড়ি! কোয়ার্টার তৃণমূলের দখলে

    South 24 Parganas: ‘সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র’ সরকারি অবহেলায় আজ ভুতুড়ে বাড়ি! কোয়ার্টার তৃণমূলের দখলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) মগরাহাট প্রকল্পের আর্থিক সহায়তায় ১০ শয্যার প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উদ্বোধনী ফলক পড়ে রয়েছে মাঠে। ভাঙা জানালা, ভেতরে নেই কোনও সরঞ্জাম, দেওয়াল জুড়ে আগাছা, স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিণত হয়েছে ভুতুড়ে বাড়িতে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সরকারি কোয়ার্টারগুলি পরিণত হয়েছে গোয়ালঘর ও মুরগির খামারে। এমনই বেহাল অবস্থা দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পূর্ব বিধানসভার মোহনপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের। চিকিৎসা পরিষেবা না পেয়ে দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন এলাকার বাসিন্দারা।

    দীর্ঘদিন বেহাল স্বাস্থ্য কেন্দ্র (South 24 Parganas)

    জানা যায়, প্রায় পাঁচ বিঘা জমির উপর অবস্থিত মোহনপুর (South 24 Parganas) প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র। এলাকার মানুষকে প্রাথমিক চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার জন্য ২০১১ সালে ১০ শয্যাবিশিষ্ট প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি তৈরি হয়। এলাকার বাসিন্দা ভীম হালদার বলেন, “নামেই উদ্বোধন হয়েছিল স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির। কিন্তু কখনও পরিষেবা চালু হয়নি। মোহনপুর এলাকাসহ আশেপাশের বেশ কয়েকটি অঞ্চলের বাসিন্দাদের প্রাথমিক চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার জন্য কোনও হাসপাতাল নেই। ইমারজেন্সি রোগীদের নিয়ে যেতে হয় ২০ কিলোমিটার দূরের হাসপাতালে। এনিয়ে এলাকার বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে বেশি শয্যাবিশিষ্ট প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র চালু করার জন্য প্রশাসনের কাছে একাধিকবার দরবার করা হলেও দীর্ঘদিন বেহাল অবস্থায় রয়েছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি।

    ফার্মাসিস্ট দিয়ে চলে চিকিৎসা

    বর্তমানে শুধুমাত্র আউটডোর পরিষেবা পাওয়া যায় মোহনপুর (South 24 Parganas) সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে। তাও সপ্তাহে মাত্র দুদিন চিকিৎসক আসেন, আর বাকি দিনগুলো ফার্মাসিস্ট দিয়ে চলে চিকিৎসা পরিষেবা। তাতেও অনিয়মিত পরিষেবা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন এলাকার বাসিন্দারা। এবিষয়ে মোহনপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ফার্মাসিস্ট দেবাশীষ রাউত বলেন, “মগরাহাট দু নম্বর ব্লকে চিকিৎসকের অভাব রয়েছে, তাই সপ্তাহে দুদিন চিকিৎসক আসেন। এমনকী প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বেহাল অবস্থার কথাও উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কিন্তু আজও একই অবস্থাতে রয়েছে।”

    বিজেপির বক্তব্য

    স্বাস্থ্যকেন্দ্রের (South 24 Parganas) বেহাল অবস্থা নিয়ে বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়, তৃণমূলের পক্ষ থেকে প্রচ্ছন্ন ভাবে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিকে শেষ করে দেওয়া হচ্ছে। অবিলম্বে সাধারণ মানুষের জন্য চিকিৎসা পরিষেবা চালু করতে হবে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কোয়ার্টারগুলি তৃণমূলের লোকজন দখল করে রয়েছে।

    জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের বক্তব্য

    ডায়মন্ড হারবার স্বাস্থ্য জেলার (South 24 Parganas) মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাক্তার জয়ন্ত সুকুল বলেন, “মোহনপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রতে খুব শীঘ্রই পরিষেবা চালু করা হবে। তবে মগরাহাট দু’নম্বর ব্লকে চিকিৎসকের ঘাটতি থাকায় সপ্তাহে দুদিন আউটডোর পরিষেবাতে চিকিৎসক যান।” অবশ্য স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত উপপ্রধান জুলফিকার আলি মণ্ডল জানান, “এলাকার বেশ কিছু মানুষ সরকারি কোয়ার্টার দখল করে রয়েছে, আমরা চেষ্টা করছি সবকিছু ঠিক করার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kamarhati: তৃণমূলের দাদাগিরি! সেমেস্টারের পরীক্ষা দিতে পারলেন না মেডিক্যাল পড়ুয়ারা

    Kamarhati: তৃণমূলের দাদাগিরি! সেমেস্টারের পরীক্ষা দিতে পারলেন না মেডিক্যাল পড়ুয়ারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কামারহাটির (Kamarhati) সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দাদাগিরি। তৃণমূলের ছাত্র নেতাদের হুমকির জেরে প্রথম বর্ষের পরীক্ষার্থীরা সেমেস্টার পরীক্ষায় বসতে পারলেন না। বলা ভালো, তৃণমূলের বাধায় সেমেস্টারের পরীক্ষা দিতে পারলেন না পড়ুয়ারা। যা নিয়ে জোর আলোড়ন তৈরি হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kamarhati)

    গত ৫ই জানুয়ারি কামারহাটির (Kamarhati) সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের প্রথম বর্ষের ছাত্রদের সেমেস্টার পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আগাম তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেই মতো পড়ুয়ারা প্রস্তুতি শুরু করেন। কিন্তু, ৩ জানুয়ারি থেকে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে ছাত্রদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পরীক্ষা দিতে না যাওয়ার জন্য ক্রমাগত হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। তাতে পরীক্ষার দিন সকালে প্রথম বর্ষের ছাত্রদের হস্টেলের ডর্মেটরিতে এসে উপস্থিত হওয়ার জন্য বলা হয়। আর এটা বাধ্যতামূলক বলে জানানো হয়। ফলে, ১২৫ জন মেডিক্যাল পড়ুয়া কেউ সেমেস্টারের পরীক্ষা দেননি।

    প্রতিবাদে বাম ছাত্র সংগঠন

    তৃণমূল ছাত্র নেতাদের এই দাদাগিরির বিরোধিতা করেছে সর্বভারতীয় গণতান্ত্রিক ছাত্র সংগঠনের (এআইডিএসও) সদস্যরা। এদিন সর্বভারতীয় গণতান্ত্রিক ছাত্র সংগঠনের সদস্য বিক্রম মণ্ডল, সায়ন দাসেরা এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে লিফলেট বিলি করেন। তাঁদের বক্তব্য, মেডিক্যাল কলেজে এই ধরনের দাদাগিরি মেনে নেওয়া যায় না।

    তৃণমূল ছাত্র নেতা কী সাফাই দিলেন?

    কামারহাটি (Kamarhati) সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সৌমিত্র প্রামাণিক বলেন, এই অভিযোগ একেবারে মিথ্যে। ছাত্ররা যদি পরীক্ষা দিতে না চান তার দায় আমাদের নয়। শুধু একটা মেসেজ এসেছিল সেটা ফরওয়ার্ড করেছি। তার মানে তো এটা নয় যে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ ওই মেসেজ করেছে। আসলে বাংলার শাসক দলের নাম বদনাম করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: গৌড়বঙ্গে নেট পরীক্ষার সেন্টারের দাবিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দ্বারস্থ হচ্ছেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: গৌড়বঙ্গে নেট পরীক্ষার সেন্টারের দাবিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দ্বারস্থ হচ্ছেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি টেস্ট বা নেট পরীক্ষার সেন্টার মালদায় করার দাবিতে সরব হয়েছেন গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও (Sukanta Majumdar) উদ্যোগ নিয়েছেন। এনিয়ে তিনি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে লিখিতভাবে জানাতে চলেছেন।

    দুবছর আগেও মালদার সেন্টারে হত নেট পরীক্ষা

    কলেজে অধ্যাপনা ও উচ্চশিক্ষার জন্য নেট পরীক্ষা আবশ্যক। বছরে দু’বার করে এই পরীক্ষা হয়। দু’বছর আগেও পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা, মুর্শিদাবাদ, মালদা ও শিলিগুড়িতে নেট পরীক্ষা নেওয়া হত। গৌড়বঙ্গের পরীক্ষার্থীদের জন্য মালদার একটি পরীক্ষার কেন্দ্রে এই পরীক্ষা নেওয়া হত। তবে, ২০২২ সালের পর থেকে গৌড়বঙ্গে আর কোনওরকম পরীক্ষা কেন্দ্র রাখা হয়নি। শুধুমাত্র গৌড়বঙ্গ নয়, মুর্শিদাবাদেও কোনওরকম পরীক্ষা কেন্দ্র নেই। বর্তমানে কলকাতা ও শিলিগুড়িতে নেট পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। গৌড়বঙ্গে তিন জেলা মিলিয়ে প্রায় ১৫-২০ হাজার পরীক্ষার্থী নেট পরীক্ষায় বসেন। মালদায় পরীক্ষা কেন্দ্র হলে দুই দিনাজপুর ও মালদার পরীক্ষার্থীদের সুবিধা হত। গত দুবছর ধরে তা বন্ধ রয়েছে। ফলে, গৌড়বঙ্গের পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা দিতে হয় কলকাতা অথবা শিলিগুড়িতে যেতে হচ্ছে। পরীক্ষার দু-তিন দিন আগে পরীক্ষা কেন্দ্র জানানো হয়। যার ফলে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে যেতে সমস্যায় পড়তে হয়। পরীক্ষা দিতে গিয়ে থাকা খাওয়া ও যাওয়াটা ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে। তাই, পড়ুয়ারা সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) দ্বারস্থ হয়েছেন।

    পরীক্ষার্থীদের কী বক্তব্য?

    এবিষয়ে বালুরঘাটের নেট পরীক্ষার্থী প্রদ্যুৎ মণ্ডল বলেন, বালুরঘাট থেকে কলকাতা বা শিলিগুড়িতে গিয়ে পরীক্ষা দেওয়াটা অনেকটাই ব্যয়বহুল। আগের মতো মালদাতে যদি একটি পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়, তাহলে পরে আমাদের জেলার পরীক্ষার্থীদের সুবিধা হবে। এবিষয়ে নেট পরীক্ষার্থী অসীম বর্মন বলেন, বছরে দুবার করে নেট পরীক্ষা হয়। একটা সময় মালদায় পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল। এখন আর মালদায় পরীক্ষা হয় না। গৌড়বঙ্গে যদি পরীক্ষার কেন্দ্র হয়, তাহলে আমাদের মতো সকলের সুবিধা হবে।

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি কী বললেন? (Sukanta Majumdar)

    এবিষয়ে বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। গৌড়বঙ্গের পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে গৌড়বঙ্গের তিন জেলার যে কোনও একটিতে যাতে পরীক্ষা কেন্দ্র করা হয়, তার জন্য কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে চিঠি দেব। প্রয়োজনে এনিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cancer: মুক্তি পেয়ে সমাজের মূল স্রোতে, ক্যান্সারজয়ীদের গান-আবৃত্তিতে মুখর প্রেক্ষাগৃহ

    Cancer: মুক্তি পেয়ে সমাজের মূল স্রোতে, ক্যান্সারজয়ীদের গান-আবৃত্তিতে মুখর প্রেক্ষাগৃহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাপে কামড়ালে বিষে যতজনের না মৃত্যু হয়, তার চেয়ে বেশি মৃত্যু হয় আতঙ্কে। ক্যান্সার (Cancer) নামটা শুনলেও আতঙ্কে অর্ধমৃত হয়ে যান আক্রান্তরা, এমনকী তাঁদের বাড়ির লোকজনও। কিন্তু ক্যান্সারের আরোগ্য শুধু যে সম্ভব তা নয়, এই রোগ থেকে সেরে ওঠার পরে একেবারে স্বাভাবিক জীবনে ফেরাও সম্ভব। সেটা দেখাতেই অনুষ্ঠান হয়ে গেল কলকাতার মহাজাতি সদনে। নতুন বছরের প্রথম রবিবার, ৭ জানুয়ারির অনুষ্ঠান মনে করিয়ে দিল রবীন্দ্রনাথের সেই অবিস্মরণীয় পংক্তি-“যত বড়ো হও, তুমি তো মৃত্যুর চেয়ে বড়ো নও। আমি মৃত্যু-চেয়ে বড়ো”।

    গান গাইলেন হৃদয় দিয়ে (Cancer)

    ক্যান্সার (Cancer) জটিল রোগ হলেও এখন যে আর মারণ রোগ নয়, সেকথা শোনালেন এই রোগ থেকে যাঁরা মুক্তি পেয়েছেন, তাঁরা, নিজের মুখে। দুবেলা মরার আগে না মরে তাঁরা যে শুধু মৃত্যুকে জয় করেছেন তা নয়, সযত্নে লালন করেছেন মননকেও। তাই গান-আবৃত্তিতে মুখর প্রেক্ষাগৃহ শুনল তাঁদের হৃদয়ের গান, হৃদয়ের ছন্দ। মনে করিয়ে দিল মান্না দে’র কণ্ঠে গাওয়া সেই অমর গান-“হদয়ের গান শিখে তো গায় তো সবাই/ ক’জনা হৃদয় দিয়ে গাইতে পারে?” অনুষ্ঠানে হৃদয় দিয়ে গান গাইলেন ক্যান্সার থেকে মুক্তি পাওয়া মানুষজন।

    স্বাভাবিক জীবনেও ফেরা যায় (Cancer)

    রক্তের বিবিধ রোগ, বিশেষ করে ব্লাড ক্যান্সারের (Cancer) মতো মারণ রোগও রুখে দেওয়া যায় প্রকৃত চিকিৎসার মাধ্যমে। জটিল ক্যান্সার রোগ থেকে মুক্তি পেয়ে সমাজের মূল স্রোতে ফিরে আসা ক্যান্সারজয়ীরা শোনালেন তাঁদের ক্যান্সার জয়ের কাহিনি। রবিবার কলকাতার মহাজাতি সদনে ‘উজ্জীবন’ নামে এক অনুষ্ঠানে তাঁরা জানান, ক্যান্সারের আরোগ্য শুধু যে সম্ভব তাই নয়, এই রোগ থেকে সেরে ওঠার পরে একেবারে স্বাভাবিক জীবনেও ফেরা যায়।

    বার্ষিক মিলন উৎসব

    বিগত কয়েক বছর ধরে উপযুক্ত চিকিৎসায় ক্যান্সার রোগীদের সারিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে এনেছেন যিনি, সেই বিশিষ্ট রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সৌম্য ভট্টাচার্য-র ডাকে কয়েকশো ক্যান্সার সারভাইভার রবিবার এসেছিলেন এই বার্ষিক মিলন উৎসবে। এখানে তাঁরা নিজেদের ক্যান্সার জয়ের কথা তুলে ধরার পাশাপাশি নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেও অংশ নেন। অনেকেই জানান, দেশ-বিদেশে চিকিৎসা করিয়েও যখন তাঁদের ক্যান্সার রোগ সারছিল না, তখন সৌমবাবুর সান্নিধ্যে এসে চিকিৎসার মাধ্যমে তাঁরা ধীরে ধীরে ক্যান্সারকে জয় করেছেন। সৌম্য ভট্টাচার্য বলেন, সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার মাধ্যমে যে জটিল থেকে শুরু করে জটিলতর ক্যান্সার (Cancer) রোগকেও সারিয়ে তোলা যায়, এই ক্যান্সারজয়ীরাই তার উদাহরণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: সুন্দরবনে ঘন ঘন বদলাচ্ছে শাহজাহানের লোকেশন, বাংলাদেশ পালানোর ছক?

    Sheikh Shahjahan: সুন্দরবনে ঘন ঘন বদলাচ্ছে শাহজাহানের লোকেশন, বাংলাদেশ পালানোর ছক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) ঠিক কোথায় রয়েছেন? বিগত কয়েকদিন ধরে এই প্রশ্নটাই ঘুরপাক খাচ্ছে রাজ্যবাসীর মনে। ইতিমধ্যে এই ইস্যুতে পুলিশের বিরুদ্ধে কড়া বিবৃতি দিয়েছেন রাজ্যপাল। রাজ্য পুলিশকে তাঁর প্রশ্ন, কেন এখনও শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) গ্রেফতার হল না? অন্যদিকে, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ তুলেছেন যে, তৃণমূলের স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়িতেই নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছেন শাহজাহান। তবে তাঁর খোঁজে নেমে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে গোয়েন্দাদের হাতে। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ অথবা মায়ানমারে পালিয়ে যাওয়ার ছক কষছেন সন্দেশখালির এই নেতা।

    নজরদারি রাখছে বাংলাদেশের প্রশাসনও

    ইতিমধ্যে আগেই তাঁর বিরুদ্ধে লুক-আউট নোটিশ জারি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। জানা গিয়েছে, ওই লুক আউট সার্কুলার জারি হওয়ার পরেই শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) পক্ষে সীমান্ত পার করা কঠিন হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে, শাহজাহানের উপরে নজরদারি রাখছে বাংলাদেশের প্রশাসনও, কারণ সন্দেশখালির এই তৃণমূল নেতা আওয়ামী লিগের বিরুদ্ধে বলেই জানা গিয়েছে। সন্দেশখালিতে কান পাতলে এখনও শোনা যায় যে শেখ শাহজাহান বাংলাদেশ থেকে উঠে এসেছেন।

    সুন্দরবনেই ঘুরপাক খাচ্ছেন শাহজাহান

    তবে গোয়েন্দাদের হাতে যে নতুন তথ্য এসেছে তাতে তাঁরা জানতে পেরেছেন যে, সুন্দরবনেই ঘুরপাক খাচ্ছেন শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) এবং একের পর এক তাঁর অবস্থান বদল করছেন। অন্তত মোবাইল লোকেশন ট্র্যাক করে তেমনটাই জানা যাচ্ছে। জানা গিয়েছে, এখন নাকি একটি মাত্র মোবাইল ব্যবহার করছেন শাহজাহান। সেই সিমের লোকেশন অনুযায়ী তদন্তকারীদের কাছে এই তথ্য মিলছে। তবে তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করতে শাহজাহানের ফোন অন্য জনের কাছে রয়েছে কিনা, সেটাও খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। বাংলাদেশ পালানোটা কঠিন হলেও অন্ততপক্ষে গোপনে নদী পেরিয়ে সেখানে যাওয়ারই পরিকল্পনা করছেন শাহজাহান।

    শাহজাহানের লোকেশন

    ইডি সূত্রে খবর মিলেছে, শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) প্রথম লোকেশন সরবেড়িয়া গ্রামে পাওয়া গিয়েছিল। ঘটনার দিন তিনি বাড়িতে ছিলেন বলেই অনুমান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। দ্বিতীয় লোকেশন পাওয়া যায় সন্দেশখালিতে। এরপরে হিঙ্গলগঞ্জে কয়েক ঘণ্টা ছিলেন শাহজাহান। তারপরে আবার বেপাত্তা হয়ে যান তিনি। রবিবার তাঁর লোকেশন পাওয়া যায় দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বাসন্তীর কুমড়োখালি এলাকায়। ইতিমধ্যে ভোটের ফলাফল বেরিয়েছে বাংলাদেশের। সে দেশে আবার তৈরি হচ্ছে আওয়ামী লিগের সরকার। গোয়েন্দাদের অনুমান, এবার জলপথে বাংলাদেশ পালিয়ে যেতে চান শাহজাহান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: কালী মন্দিরের মূল মন্ত্র ‘বন্দে মাতরম’, দেবী পূজিত হন ভারতমাতা রূপে

    Durgapur: কালী মন্দিরের মূল মন্ত্র ‘বন্দে মাতরম’, দেবী পূজিত হন ভারতমাতা রূপে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু শাস্ত্রে দেবদেবীর সংখ্যা অসংখ্য। তার মধ্যে প্রায় গোটা ভারতবর্ষে দেবী কালী পূজিত হয়ে আসছেন অনেক রাজ্যেই। আর এই দেবী কালী যে এক রূপেই বিরাজ করেন, তা কিন্তু নয়। কালীর আছে অসংখ্য রূপ। হিন্দু পুরাণ মতে, দেবী কালীর বিভিন্ন রূপ যেমন: দক্ষিণাকালী, সিদ্ধকালী, গুহ্যকালী, মহাকালী ইত্যাদি। কিন্তু পুরান শাস্ত্র থেকে বেরিয়ে এসে এই মা কালীর আরও একটি রূপ আছে, যা গোটা ভারতবর্ষের মধ্যে শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের শিল্পনগরী দুর্গাপুরেই (Durgapur) দেখা যায়। এখানে ভবনী পাঠকের আরাধ্য দেবী কালী পূজিত হন ভারতমাতা রূপে। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। আর এমনটাই হয়ে আসছে দীর্ঘ কয়েকশো বছর আগে থেকে। যা অনেক ইতিহাস বহন করে নিয়ে আসছে।

    কোথায় অবস্থিত এই মন্দির? কী এর ইতিহাস? (Durgapur)

    পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরের অম্বুজা কলোনিতে অবস্থিত এই মন্দির ভবানী মাতার মন্দির নামেই পরিচিত। এই মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত দেবী কালি ভারতমাতা রূপে পূজিত হয়ে আসছেন দীর্ঘ সময় থেকে। পুজোর সময় মূল মন্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় ‘বন্দে মাতরম, জয় জয় ভারতবর্ষম। ঐক্যং শরণম গচ্ছামি। সত্যম শরণম গচ্ছামি। স্বরাজম শরণম গচ্ছামি’। এই মন্ত্র একদম ব্যতিক্রমী। এমনকী মন্দির খোলা এবং বন্ধের সময় ঠিক এই মন্ত্রই জপ করা হয়। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, আগে এই মন্দির ছিল স্বাধীনতা সংগ্রামীদের একটি বড় আখড়া। মন্দিরের পুরোহিতদের কাছ থেকে জানা যায়, বিভিন্ন স্বাধীনতা সংগ্রামীদের এখানে নিয়মিত যাতায়াত ছিল। মন্দিরের পরিবেশ নির্জন হওয়ায় অনেক সময় অনেক স্বাধীনতা সংগ্রামী এই মন্দিরে এসে আশ্রয় নিতেন। এমনকী ব্রিটিশ সৈন্যদের পরাস্ত করার জন্য বিভিন্ন প্ল্যানের নকশা (ব্লু প্রিন্ট) এখানে বসেই তৈরি করা হত। এই সময় ভারতমাতা রূপে কালীকে প্রণাম করেই স্বাধীনতা সংগ্রামীরা তাঁদের উদ্দেশ্যের পথে রওনা দিতেন। এমনকী কথিত আছেে, দেশ ছাড়ার আগে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এই মন্দিরে (Durgapur) এসে রাত্রিযাপন করেছিলেন।

    ইতিহাস বিশেষজ্ঞরা কী জানাচ্ছেন?

    বিভিন্ন ইতিহাস বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় বিভিন্ন বিপ্লবীরা এই কালীকে ভারতমাতা রূপে পুজো করার সিদ্ধান্ত প্রথম নিয়েছিলেন। সংগ্রামীরা মনে করতেন দেবী কালী যা ভারতমাতা রূপে পূজিত হন, সেই দেবী সব সময় সংগ্রামীদের রক্ষা করবেন, সঙ্গে দেশবাসীকেও মাতৃরূপে রক্ষা করবেন। ঠিক আবার তেমনি মহাকালী রূপে শত্রুদের দমনও করবেন তিনিই। সেই সময় থেকেই স্বাধীনতা সংগ্রামীরা দেবী কালীর (Durgapur) আরাধনা করতেন। 
    ইতিহাসবিদদের মতে, এই মন্দিরের দেবী মূর্তির পিছনে একটি অখণ্ড ভারতবর্ষের মানচিত্র ছিল। যে মানচিত্র বর্তমানে আর নেই। কিন্তু বিপ্লবীরা যেভাবে দেবীকে পুজো করে এসেছেন, এখনও সেই রীতি মেনেই পুজো করা হয় এই কালীকে। এমনকী দেবীর বেদীতে এখনও পর্যন্ত বন্দে মাতরম লেখা আছে (Durgapur)। মন্দিরে প্রবেশ করলেই দেখা যায় ভারতমাতার জপমন্ত্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: ‘হিন্দুদের ১৩৯ একর জমি কেড়ে রোহিঙ্গা কলোনি’! বিস্ফোরক অর্চনা মজুমদার

    Sheikh Shahjahan: ‘হিন্দুদের ১৩৯ একর জমি কেড়ে রোহিঙ্গা কলোনি’! বিস্ফোরক অর্চনা মজুমদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) কোথায় রয়েছেন, তা নিয়ে রাজ্যজুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই তাঁর নামে লুকআউট নোটিশ জারি করা হয়েছে। এই আবহের মধ্যেই তৃণমূলের দাপুটে এই নেতার বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছেন রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র অর্চনা মজুমদার। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    হিন্দুদের ১৩৯ একর জমি কেড়ে রোহিঙ্গা কলোনি! (Sheikh Shahjahan) 

    বিজেপির মুখপাত্র অর্চনা মজুমদার বাংলা সংবাদ মাধ্যমের একটি বিতর্কসভায় যোগ দিয়ে বলেন, আমি বসিরহাটের বিজেপির দায়িত্বে আছি। সন্দেশখালিতে কাজ করি। আমি যেটা দেখেছি, শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) ২০২১ সালের পরে অবিচারে হিন্দুদের সম্পত্তি ১ টাকা দরে জোর করে গান পয়েন্টে পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি করে নিয়েছেন। তিনটি ট্রাস্ট-সুমাইয়া আবেদা ট্রাস্ট, হাবু আবু সিদ্দিকি ট্রাস্ট এবং বাসন্তী এডুকেশন্যাল ট্রাস্ট তৈরি করে রোহিঙ্গা কলোনি গড়েছেন। হিন্দু ধর্মীয় মানুষদের কাছ থেকে প্রায় ১৩৯ একর জমি কেড়ে নিয়ে রোহিঙ্গা কলোনি ও তিনটি ট্রাস্ট গড়েছেন। যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকার উপরে। তিনি আরও বলেন, ওই জমিগুলি কোনও মুল্য না দিয়েই গায়ের জোরে তিনি দখল করেছেন।

    বাম আমল থেকে শাহজাহানের বাহিনীর দাপট (Sheikh Shahjahan)  

    বাম আমলে মূলত সন্দেশখালি এলাকায় তোলাবাজির মুখ্য ভূমিকা ছিল শাহজাহান শেখের (Sheikh Shahjahan)। তৃণমূলে আসার পর জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ঘনিষ্ঠ হতেই তাঁর বাড়বাড়ন্ত শুরু হয়। মেছোভেড়ি থেকে ইটভাটা, এমনকী মাটি বেচাকেনাতেও তোলা দিতে হত এই শাজাহানকে। এলাকায় কোনও ভেড়ি থেকে বিঘা প্রতি তোলা আদায়ের রেট চার্ট তৈরি হত তাঁরই তত্ত্বাবধানে। সন্দেশখালির পঞ্চায়েত প্রধান থাকার সময় একসঙ্গে তিনজন বিজেপি কর্মীকে খুন। ২০১৯ সালে বিজেপির ঝড়ের মধ্যে বসিরহাটে তৃণমূল প্রার্থী নুসরত জাহানকে সন্দেশখালি থেকে প্রচুর ভোটে লিড দিয়েছিলেন এই শাহজাহান। ইনাম পেয়েছিলেন দলের থেকে। মাথায় হাত ছিল জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের। জুটেছিল জেলা পরিষদের টিকিট। ভোটে জিতে হয়েছিলেন উত্তর ২৪ পরগনার জেলা পরিষদের মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ কর্মাধ্যক্ষ। একইসঙ্গে তিনি আবার সন্দেশখালির ব্লক ১ এর সভাপতিও। ক্ষমতার দাপট বাড়তেই বাহিনীর দাপটও বাড়তে শুরু করে। পুলিশও তার বাহিনীকে স্পর্শ করার সাহস দেখায় না। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। আর রেশন দুর্নীতির অভিযোগে ইডি হানা দিতে শাহজাহানের বাহিনীর দাপট দেখলেন রাজ্যবাসী। ইডি অফিসারদের রক্তাক্ত করতে পিছপা হল না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: শীতের রাত ১০টা, অযোধ্যার হনুমানগড়ি মন্দির প্রাঙ্গণে তিল ধারণের জায়গা নেই!

    Ram Mandir: শীতের রাত ১০টা, অযোধ্যার হনুমানগড়ি মন্দির প্রাঙ্গণে তিল ধারণের জায়গা নেই!

    রামনগরী অযোধ্যা-ছয়

    শুভ্র চট্টোপাধ্যায়, অযোধ্যা থেকে ফিরে: প্রভু রামের মন্দিরে ফেরা ২২ জানুয়ারি। তার আগেই অযোধ্যার উৎসবের ঢেউ গিয়ে পড়ছে আসমুদ্র হিমাচলে। কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী হোক, অথবা গুজরাট থেকে গুয়াহাটি। সর্বত্রই রামভক্তরা এখন থেকেই আনন্দে মেতেছেন। কেউ হায়দরাবাদ থেকে সোনার জুতো নিয়ে রামনগরীতে (Ram Mandir) পৌঁছাচ্ছেন, তো কোথা থেকে আসছে রামের রথ। তবে ভগবান রামের সব থেকে বড় শিষ্য রাম জন্মভূমির অদূরে তাঁর নিজের মন্দিরেই দীর্ঘকাল বিরাজমান রয়েছেন। অযোধ্যার হনুমানগড়ি মন্দিরও ভক্তদের অন্যতম তীর্থস্থল হিসেবে পরিচিত। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে যখন মন্দির চত্বরে পৌঁছালাম, ঘড়ির কাঁটা তখন রাত ১০টা ছুঁয়েছে। শীতের রাতেও মন্দির প্রাঙ্গণে তিল ধারণের জায়গা নেই। ভক্তদের বিশ্বাস, প্রভু রামচন্দ্রের জন্মস্থানেই থাকেন বজরঙ্গবলী। হনুমানগড়ি মন্দির যেতে রামপথের ওপর দিয়ে সোজা হাঁটতে হবে ঠিক রাম মন্দিরের দিকে। তারপরেই ডানদিকে ভেঙে যাচ্ছে রামপথ। সেখানেই রয়েছে হনুমানগড়ি মন্দির। রাম মন্দিরের মতোই এখানেও ২৪ ঘণ্টাই পুলিশি ব্যারিকেড রয়েছে।

    টিলার ওপর বিরাজ করছেন বালক বজরঙ্গবলী (Ram Mandir)

    টিলার ওপর বিরাজ করছেন বালক বজরঙ্গবলী। হনুমানের দর্শন পেতে তাই ভাঙতে হবে ৭৬টি সিঁড়ি। হলুদ ধুতি পরা তরুণ পুরোহিতরা ভক্তদের পুজো পৌঁছে দিচ্ছেন হনুমানের চরণতলে। কপালে তিলকও এঁকে দিচ্ছেন তাঁরা। হনুমানের দর্শন পেতে সে কী হুড়োহুড়ি! বোঝাই গেল রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে হনুমানগড়িতে যদি এত ভিড় হয়, তাহলে ২২ জানুয়ারির পর ঠিক কী হতে চলেছে। ভগবান রামের পাশাপাশি অযোধ্য়ার উদ্দেশে যাওয়া তীর্থযাত্রীদের গন্তব্য যে হনুমানগড়ি হবে, একথা বলাই যায়। বিরাট মন্দিরকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে চারপাশে অনেক ছোট-বড় ব্যবসায়ী দোকান তৈরি করেছেন, বেশ কিছু নতুন দোকানও তৈরি হচ্ছে দেখা গেল। বোঝাই যাচ্ছে, ব্যবসায়ীরাও আশায় বুক বাঁধছেন রাম মন্দির উদ্বোধনের। মন্দিরের ডানদিক বরাবর সোজা গেলে পড়বে দশরথ ভবন। এই রাস্তাতেই পসরা সাজিয়ে বসেছেন অনেকে। গোটা রামায়ণ যেন মূর্ত হয়ে উঠেছে অযোধ্যার (Ram Mandir) কোনায় কোনায়, পথে পথে, সরযূর জলে।

    হনুমানগড়ির পৌরাণিক কথা (Ram Mandir)

    প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, অযোধ্যায় রামের দর্শনের (Ram Mandir) আগে তাঁর প্রিয় ভক্ত বজরঙ্গবলীর দর্শন ও আজ্ঞা নেওয়া জরুরি। হনুমানগড়ি মন্দির অযোধ্যার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মন্দির। এই মন্দিরে ৬ ইঞ্চির বালক বজরঙ্গবলীর প্রতিমা রয়েছে। হনুমানের সঙ্গে তাঁর মা অঞ্জনীও আছেন এই মন্দিরে। মন্দির পরিসরে অঞ্জনীর কোলে দেখা যায় হনুমানকে। মন্দিরের চারপাশের দেওয়ালে হনুমান চালিশার পংক্তি লেখা রয়েছে। প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, হনুমানগড়িতে রাজা হিসেবে বজরঙ্গবলীর রাজতিলক করেন রাম। একটি গুহায় বসবাস করে বজরংবলী রামজন্মভূমি ও অযোধ্যাকে রক্ষা করেন। বজরঙ্গবলীর সেবা ও ভক্তিতে প্রসন্ন হয়ে রাম বলেন, যাঁরা অযোধ্যায় আমার দর্শনের জন্য আসবেন, তাঁদের সবার আগে হনুমানের দর্শন, পুজো ও অনুমতি নিতে হবে। হনুমানের অনুমতি না-নিয়ে ও পুজো না-করে রামের দর্শন ও পুজোর ফল পাওয়া যায় না। রামচরিত মানসের সুন্দরকাণ্ডে বলা হয়েছে, বজরংবলী রামের সবচেয়ে প্রিয় ভক্ত। তাই রামের দর্শন ও আশীর্বাদ লাভের জন্য বজরংবলীর দর্শন ও আশীর্বাদ নিতে হয়। এ কারণে হনুমানগড়িতে বজরঙ্গবলীর পুজোর পর রামের দর্শনের পরম্পরা প্রচলিত। রাম মন্দিরের ভূমি পূজনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সর্বপ্রথম হনুমানগড়িতেই পুজো দেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: সজলধারা প্রকল্পের নামে সরকারি জায়গা নিয়ে হচ্ছে ব্যক্তিগত বাড়ি! কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা

    Arambagh: সজলধারা প্রকল্পের নামে সরকারি জায়গা নিয়ে হচ্ছে ব্যক্তিগত বাড়ি! কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতার মদতে সরকারি জায়গা দখল করার অভিযোগ। আর সেই জায়গা দখল করেই চলেছে পাকা বাড়ি তৈরির কাজ। আর কেউ প্রতিবাদ করলেই জুটছে হুমকি। আরামবাগের (Arambagh) কাষ্টদহী এলাকায় এমন ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Arambagh)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আরামবাগ (Arambagh) মহকুমার মায়াপুর ২ নং পঞ্চায়েতের কাষ্টদহী এলাকা। সেখানেই গ্রামের পাকা রাস্তার মোড়ে হঠাৎ করেই দেখা যায়, রাস্তার ধারে রাতের অন্ধকারে সরকারি জায়গা দখল করে শুরু হয় পাকা বাড়ি তৈরির কাজ। অভিযোগ, স্থানীয় এক তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য শান্তিরাম মালিক রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিজেই অন্যের নামে এই বাড়ি তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এমনকী কেউ প্রতিবাদ করতে গেলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। যদিও ঘটনার খোঁজ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন আরামবাগের মহকুমা শাসক সুভাষিনী ই।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, ওই সরকারি জায়গা দেখিয়ে সজলধারা প্রকল্পের জন্য আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু, গ্রামের উন্নয়নমূলক কাজের পরিবর্তে রাজনৈতিক ক্ষমতা বলে সেখানেই তৈরি হচ্ছে নেতার দোকান ঘর। যা কেউ মেনে নিতে পারছেন না। তাই আমরা একজোট হয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছি।

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    অন্যদিকে, সরকারি সম্পত্তি দখল প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য শান্তিরাম মালিক বলেন, আমি পেশায় রাজমিস্ত্রী। ওই এলাকার এক ব্যক্তি আমার থেকে জমি বিক্রির টাকা পেত। সেই টাকার পরিবর্তে আমি তাঁকে বাড়ি করে দিচ্ছি। সরকারি জমি দখল করে কেন বাড়ি তৈরি করা হচ্ছে? এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নিজের নামে আমি কোনও জায়গা দখল করিনি।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    এই প্রসঙ্গে আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে একটা জায়গাকে তিনবার বিক্রি করা, সরকারি সম্পত্তি দখল করা এটা তৃণমূল নেতাদের বৈশিষ্ট্য। আগামী আর কয়েক মাসের মধ্যে তৃণমূল দলটা আর থাকবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: ৮ হাজার কিমি হেঁটে রামের জন্য সোনার পাদুকা আনছেন হায়দরাবাদের চার্লা শ্রীনিবাস

    Ram Mandir: ৮ হাজার কিমি হেঁটে রামের জন্য সোনার পাদুকা আনছেন হায়দরাবাদের চার্লা শ্রীনিবাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হায়দরাবাদ থেকে চার্লা শ্রীনিবাস শাস্ত্রী (৬৪) আট হাজার কিলোমিটার তীর্থযাত্রা করে অযোধ্যা পৌঁছাতে চলেছেন দিন কয়েকের মধ্যেই। ১ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত রামের পাদুকা নিয়ে তিনি পৌঁছাবেন রামনগরীতে (Ram Mandir)। ওই পাদুকা দুটি রুপোর তৈরি এবং সোনা দিয়ে মোড়া বলে জানা গিয়েছে। এক একটির ওজন ১২ কেজি। এর আগে, রাম জন্মভূমিতে (Ram Mandir) আড়াই কোজি ওজনের পাঁচটি রুপোর ইট প্রদান করেছিলেন শাস্ত্রী। প্রসঙ্গত, ২২ জানুয়ারি রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার আগেই অবশ্য অযোধ্যা পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর (শাস্ত্রী)।

    রামের বনবাসে যাওয়ার পথেই হাঁটছেন শাস্ত্রী

    জানা গিয়েছে, অযোধ্যা-রামেশ্বরমের পথেই হাঁটছেন শ্রীনিবাস শাস্ত্রী। প্রসঙ্গত এটাই হল রামচন্দ্রের বনবাসের পথ। তবে তিনি (শাস্ত্রী) দক্ষিণ থেকে উত্তরে আসছেন, এটাই পার্থক্য। গত বছরের ২০ জুলাই এই তীর্থযাত্রা শুরু করেন শাস্ত্রী। তীর্থপথের মাঝখানে প্রসিদ্ধ স্থান, যেখানে রামচন্দ্র শিবলিঙ্গ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বলে বিশ্বাস রয়েছে ভক্তদের, সেখানেও গিয়েছেন তিনি। ওড়িশা রাজ্যের পুরী, মহারাষ্ট্রের ত্রিম্বক, গুজরাটের দ্বারকা এই সমস্ত তীর্থভূমি ঘুরে তিনি অযোধ্যার খুব কাছেই চলে এসেছেন। প্রতিদিন ৩৮ কিলোমিটার করে পথ হাঁটছেন।

    কী বলছেন চার্লা শ্রীনিবাস শাস্ত্রী?

    শাস্ত্রীর সঙ্গে রয়েছে রামের পাদুকা (Ram Mandir) ছাড়াও পঞ্চধাতুর রামের মূর্তি। নিজের মাথায় তিনি তা বয়ে চলেছেন। পঞ্চধাতুর মূর্তি তিনি প্রদান করতে চান উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে। প্রসঙ্গত, তাঁর এই যাত্রার বিষয়ে শাস্ত্রী বলেন, ‘‘আমার বাবাও অযোধ্যাতে করসেবায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিনি ভগবান হনুমানের ভক্ত ছিলেন। তাঁরও স্বপ্ন ছিল অযোধ্যার ভূমিতে রাম মন্দির দেখে যাওয়া। কিন্তু তিনি বর্তমানে বেঁচে নেই। তাই আমি স্থির করলাম তাঁর স্বপ্নকে পূরণ করার।’’ বর্তমানে তিনি চিত্রকোটে রয়েছেন, যেখান থেকে অযোধ্যা দূরত্ব ২৭২ কিলোমিটার। শাস্ত্রীর সঙ্গে আরও পাঁচজন রয়েছেন, যাঁরা তাঁর সঙ্গে তীর্থযাত্রা করছেন। তবে প্রথমে তাঁর সঙ্গে যাত্রায় সামিল হয়েছিলেন ২০ জন। তাঁরা ফিরে গিয়েছেন। জানা গিয়েছে অযোধ্যাতে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে চান শাস্ত্রী এবং সেখানে একটি বাড়িও নির্মাণ করতে চাইছেন তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share