Tag: bangla news

bangla news

  • PM Modi: ব্রিগেডে লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠের অনুষ্ঠানে আসতে পারছেন না প্রধানমন্ত্রী!

    PM Modi: ব্রিগেডে লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠের অনুষ্ঠানে আসতে পারছেন না প্রধানমন্ত্রী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ব্রিগেডে হবে ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠে’র অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণই ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেই তিনিই থাকছেন না অনুষ্ঠানে। উদ্যোক্তারা প্রধানমন্ত্রীর ছবি দিয়ে প্রচার করছিলেন। তবে বিশেষ কারণবশত: তিনি আসছেন না বলেই খবর প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রে। ব্রিগেডের এই অনুষ্ঠানের আয়োজক অখিল ভারতীয় সংস্কৃত পরিষদ। পরিষদের কর্তারা জানাচ্ছেন, এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানেন না তাঁরা। তবে বাকি কর্মসূচি হবে, পূর্বনির্ধারিত সূচি মেনেই।

    কী বললেন সুকান্ত?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর সফর বাতিল হতে পারে বলে আমিও শুনেছি।” আয়োজক সংগঠনের সহ সভাপতি নির্গুণানন্দ ব্রহ্মচারী বলেন, “আমাদের কাছে এখনও এ রকম কোনও খবর নেই। প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) দফতর থেকে কোনও কিছু জানানো হয়নি। তবে আমাদের যেমন কর্মসূচি রয়েছে, তেমনই হবে। লক্ষ মানুষের সমাগমেই হবে গীতাপাঠ। নজরুলগীতি থেকে শঙ্খবাদন কোনও কিছুই বাদ যাবে না।”

    কী বললেন শুভেন্দু? 

    লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর। রাজ্য সরকারের তরফে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার করা যাবে না জানার পরে বাতিল হয়েছে রাষ্ট্রপতির সফর। এবার বাতিল হয়ে গেল অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ প্রধানমন্ত্রীর সফরও। গীতাপাঠের অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “গীতাপাঠের অনুষ্ঠান হবে। গত বছর মায়াপুরে পাঁচ হাজার সনাতনী গীতা পাঠ করে ঘোষণা করেছিলেন, তাঁরা আগামী ২৩ ডিসেম্বর গীতা জয়ন্তী পালন করবেন। ২৩ তারিখ শনিবার হওয়ার কারণে ওই কর্মসূচি পালন করা হবে ২৪ ডিসেম্বর।”

    আরও পড়ুন: সাত সকালে বিধায়ক বাইরনের বাড়িতে আয়কর হানা, কেন জানেন?

    তিনি বলেন, “এই কর্মসূচি সাধু-সন্তদের। আমরা দলের লোকেরা শুধু স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করব। মঞ্চে সাধু-সন্ত ছাড়া আর কাউকে দেখা যাবে না। পশ্চিমবঙ্গের প্রথম সারির প্রায় সাড়ে তিন হাজার মঠ ও আশ্রমের সাধু-সন্ন্যাসী ওই দিন উপস্থিত থাকবেন।” প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতির প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি অনেককেই এই কর্মসূচিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তাঁরা আসার ইচ্ছেও প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর অত্যন্ত জরুরি একটি কাজ রয়েছে বলে তিনি আসতে পারবেন না। তাঁর দফতর থেকে সাধু সমাজকে তিনি যে আসতে পারবেন না, তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা তাঁদের কাছ থেকেই জানতে পেরেছি।” প্রসঙ্গত, ব্রিগেডে ঘণ্টা তিনেকের ওই অনুষ্ঠানে গীতার বাছাই করা পাঁচটি অধ্যায় পাঠ করবেন লক্ষ মানুষ। এই অনুষ্ঠানেই যোগ দেওয়ার কথা ছিল রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Bayron Biswas: সাত সকালে বিধায়ক বাইরনের বাড়িতে আয়কর হানা, কেন জানেন?

    Bayron Biswas: সাত সকালে বিধায়ক বাইরনের বাড়িতে আয়কর হানা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়কের বাড়িতে আয়কর দফতর হানা দিয়েছিল। পাশাপাশি রাজ্যের একাধিক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও অভিযান চালানোর খবর পাওয়া গিয়েছিল। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতে এবার মুর্শিদাবাদের সাঘরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাসের (Bayron Biswas) বাড়িতে হানা দিলেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা। বুধবার সকালে বিধায়কের শামসেরগঞ্জের বাড়িতে তল্লাশি শুরু করেছেন আয়কর দফতরের আধিকারিকেরা। আয়কর ফাঁকির অভিযোগে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে বাইরনের বাড়িতে হানা দিয়েছে আয়কর বিভাগ। মুর্শিদাবাদ এবং বীরভূমের একাধিক এলাকাতেও আয়কর হানা চলছে। বিধায়কের বিরুদ্ধে অভিযোগ, দীর্ঘ দিন ধরে তিনি কর ফাঁকি দিয়েছেন। সেই কারণেই বাইরনের বাড়িতে হানা দিয়েছেন আয়কর বিভাগের আধিকারিকেরা।

    বিধায়কের বাড়ি ছাড়াও আর কোথায় কোথায় তল্লাশি চালানো হয়? (Bayron Biswas)

    সাত সকালে মুর্শিদাবাদের শামসেরগঞ্জের ধূলিয়ানের বাড়িতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল হানা দেয়। যে বাড়িতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল হানা দিয়েছে সেটি অবশ্য বাইরন বিশ্বাসের (Bayron Biswas) বাবা বাবর আলির নামে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই বাড়িতে বিধায়ক আছে কিনা তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। বাবর আলির এই বাড়িতে বিড়ির কারখানা রয়েছে। শুধু এক জায়গায় নয় শামসেরগঞ্জের পাশাপাশি সাগরদিঘির বাড়িতেও বিধায়কের বিড়ির কারখানা, হাসপাতাল, চা কোম্পানি এবং ডাকবাংলার বাড়িতেও আয়কর দফতরের আধিকারিকরা হানা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বিশেষ সূত্রে জানা যায়, বাইরন বিশ্বাস উপনির্বাচনে দাঁড়াবার আগে নির্বাচন কমিশনে তাঁর আয়ের যে তথ্য দিয়েছিলেন তাতে দেখা যাচ্ছে যে তিনি বিড়ির ব্যবসা শুরু করেই অন্যান্য ব্যবসা শুরু করেন। তাঁর নামে একাধিক নার্সিংহোম, রাসায়নিক ফ্যাক্টরি রয়েছে।

    অভিষেকের হাত ধরে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন বাইরন

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছর ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে মারা যান সাগরদিঘির বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত সাহা। চলতি বছর ২৮ ফেব্রুয়ারি সাগরদিঘির উপনির্বাচন হয়। ২ মার্চ উপনির্বাচনের ফল প্রকাশ হলে দেখা যায় তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে ২২ হাজার ৯৮০ ভোটে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন বাম সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থী বাইরন (Bayron Biswas)। কিন্তু, জুন মাসে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসংযোগ যাত্রা ঘাটালে পৌঁছলে সেখানে গিয়ে তৃণমূলে যোগদান করেন তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fraud: স্বামী-সন্তানকে নিয়ে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছিলেন মহিলা! লক্ষ লক্ষ টাকা খুইয়ে সর্বস্বান্ত অনেকেই

    Fraud: স্বামী-সন্তানকে নিয়ে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছিলেন মহিলা! লক্ষ লক্ষ টাকা খুইয়ে সর্বস্বান্ত অনেকেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনলাইনে প্রতারিত হওয়ার ঘটনা প্রায় ঘটছে। এবার সহানুভূতি কিংবা ঋণ পাইয়ে দেওয়ার টোপ দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণার (Fraud) অভিযোগ উঠল এক দম্পতির বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির কোন্নগর এলাকায়। প্রতারিতরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, নির্দিষ্ট ধারায় অভিযোগ পেয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    কীভাবে প্রতারণা করতেন দম্পতি? (Fraud)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতারকদের নাম সোমা কর, তাঁর স্বামী গৌতম কর ও তাঁর ছেলে কৌশিক কর। তাঁদের বাড়ি কোন্নগর পঞ্চাননতলা এলাকায়। মোটা টাকা ঋণ করিয়ে দেওয়ার নাম করে এক ব্যক্তির কাছে থেকে কয়েক ধাপে প্রায় আট লক্ষ টাকা নিয়েছেন তাঁরা। ঋণ না পেয়ে প্রতারিত ব্যক্তি টাকা ফেরত চাইলে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। যে টাকা নেওয়া হয়েছে তার সমস্ত কাগজপত্র আছে। কিন্তু, টাকা কিছুতেই ফেরত দিতে চায়নি বলে শেষে প্রতারিত ব্যক্তি উত্তরপাড়া থানার দ্বারস্থ হন। আরেক প্রতারিত লিলি বোস বলেন, ওই কর দম্পতি আমার বাড়িতে এসে আর্থিক সমস্যার কথা বলে পাঁচ লক্ষ টাকা নিয়ে যায়। কিন্তু অনেকদিন হয়ে যাওয়ায় টাকা ফেরত চাইতে গেলে আমাকে হুমকি দেওয়া হয়। বাধ্য হয়ে পুলিশে অভিযোগ জানাই। প্রতারণার খবর জানাজানি হওয়ার পরেই পলাতক তিন অভিযুক্ত। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তবে, তাঁদের বাড়িতে ঝুলছে তালা। অভিযুক্তকে ফোন করা হলেও সঠিক উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না। কখনও বলছেন তাঁরা বাড়িতে নেই, আবার কখনও বলছেন, এটা ভুল নম্বর। জানা গিয়েছে, এক বা দুজন নয়, এই এলাকায় বহু মানুষের থেকে নানা কৌশল করে তাঁরা প্রতারণা (Fraud) করে টাকা নিয়েছেন। এদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। না হলে তাঁরা এই ধরনের কারবার আরও চালাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: মানিকচকে পুকুরপাড় থেকে শতাধিক রেশন কার্ড উদ্ধার! দুর্নীতির আরও এক চক্র?

    Malda: মানিকচকে পুকুরপাড় থেকে শতাধিক রেশন কার্ড উদ্ধার! দুর্নীতির আরও এক চক্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার (Malda) মানিকচকে পুকুরপাড় থেকে উদ্ধার শতাধিক রেশন কার্ড! ঘটনাটি ঘটেছে মানিকচক গ্রাম পঞ্চায়েত ভবনের সংলগ্ন পুকুরে। মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাটি সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গেছে এলাকায়। উদ্ধার হয়েছে ১০৫টি রেশন কার্ড। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান বিডিও। কীভাবে এই কার্ড এলো, তারই তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    উল্লেখ্য রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে তৃণমূলের বর্তমান বনমন্ত্রী তথা প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এবং মন্ত্রীঘনিষ্ঠ বাকিবুর রহমানকে গ্রেফতার করেছে ইডি। ফের রেশন কার্ড উদ্ধার হওয়া প্রশাসন প্রশ্নের মুখে। অনেকেরই মনে প্রশ্ন জেগেছে, এটা রেশন দুর্নীতির আরও এক চক্র নয়তো? 

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Malda)?

    মঙ্গলবার সকালেই হঠাৎ মানিকচকের (Malda) পঞ্চায়েত দফতরের পাশে পুকুরের পাড়ে প্রচুর রেশন কার্ড উদ্ধারে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা শুরু হয়। পাশপাশি খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন বিডিও। এরপর এলাকার মানুষ একত্রিত হয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে।

    এলাকার মানুষের বক্তব্য

    মানিকচকের (Malda) স্থানীয় মানুষ অভিযোগ জানিয়ে বলেন, “এই রেশন কার্ড উদ্ধার ব্যাপক চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রশাসনের গাফিলতির কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেফতার হয়েছেন। আবার অপর দিকে এই ভাবে রেশন কার্ডও উদ্ধার হয়েছে। পুরোটাই দুর্নীতির অংশ।”

    বিডিওর বক্তব্য

    মানিকচকের (Malda) বিডিও কারমবীর কেশব বলেন, “এই বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য একটি কমিটি তৈরি করা হয়েছে। কমিটি খতিয়ে দেখবে কার্ডগুলির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে কি না। যতদূর মনে হচ্ছে এই কার্ডগুলি ২০১৩ এবং ২০১৫ সালের। হয়তো নতুন কার্ড ইস্যু হয়েছে, তাই পুরাতন কার্ড বাতিল করা হয়েছে। কোনও বড় পরিকল্পনা রয়েছে কিনা সেই বিষয়ে সন্ধান করে দেখা হচ্ছে। এক্সেল শিট তৈরি করে সব কার্ডের নাম মিলিয়ে দেখা হবে। ব্লকের তরফ থেকে একটি বিশেষ কমিটিও গঠন করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: চিকিৎসা তো নেই-ই, কনকনে শীতে মেডিক্যাল কলেজে জুটছে না কম্বলও

    Cooch Behar: চিকিৎসা তো নেই-ই, কনকনে শীতে মেডিক্যাল কলেজে জুটছে না কম্বলও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিষেবার হাল কেমন তা জানতে রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান পার্থপ্রতিম রায় হাসপাতালে হাজির হয়েছিলেন। কিন্তু, রোগীদের সঙ্গে কথা বলে তিনি যা শুনলেন তা হতবাক হওয়ার মতো। ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহার (Cooch Behar) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কনকনে শীতেও হাসপাতালে মিলছে না কম্বল! (Cooch Behar)

    কোচবিহার (Cooch Behar) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের উপরে জেলার কয়েক লক্ষ মানুষ নির্ভরশীল। প্রতিদিন কয়েক হাজার রোগী ওই হাসপাতালের চিকিৎসা নিতে হাজির হন। তাঁদের মধ্যে অনেককেই ভর্তি করে নেওয়া হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সব সময় প্রায় পাঁচশো জনের উপরে রোগী হাসপাতালে ভর্তি থাকেন। তার মধ্যে যেমন সদ্যোজাত শিশু রয়েছে, তেমনই রয়েছে প্রবীণ মানুষেরাও। মেডিক্যাল কলেজ হওয়ার পর থেকেই ওই হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতার উপরে জোর দেওয়া হয়। কিন্তু, শীতের মধ্যে রোগীদের কম্বল দেওয়া হচ্ছে না। প্রবীণ এক রোগী বলেন, ঠান্ডায় আমার খুব অসুবিধা হচ্ছিল। সে জন্য আমি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে কম্বল চেয়েছিলাম। কিন্তু, আমাকে কম্বল দেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়ে বাড়ির লোককে বলে কম্বল নিয়ে এসেছি। রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান জানতে আসায় হাসপাতালের কী হাল তা সব জানিয়েছি।

     মুখ খুললেন রোগী কল্যাণের চেয়ারম্যান

    রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান পার্থপ্রতিম রায় বলেন, রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত কম্বল রয়েছে মেডিক্যাল কলেজে। তার পরেও তা কেন দেওয়া হচ্ছে না, তা নিয়ে আলোচনা করব। শীঘ্রই বৈঠক ডাকা হবে।  দ্রুত রোগীদের যাতে কম্বল দেওয়া হয়, সে বিষয়ে বলা হয়েছে। কারও গাফিলতি থাকলে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    হাসপাতালের সুপার কী সাফাই দিলেন?

    কোচবিহার (Cooch Behar) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের এমএসভিপি রাজীব প্রসাদ বলেন, এমন হওয়ার কথা নয়। প্রত্যেক রোগীর জন্য কম্বল রয়েছে। নির্দিষ্ট এক-দুটি ওয়ার্ড থেকে অভিযোগ এসেছে। বিষয়টি দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IPL Auction 2024: রেকর্ড মূল্যে কলকাতায় স্টার্ক! আইপিএল নিলামে আর কোন দলে কে?

    IPL Auction 2024: রেকর্ড মূল্যে কলকাতায় স্টার্ক! আইপিএল নিলামে আর কোন দলে কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএলে ইতিহাস গড়ল কলকাতা। প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সব থেকে দামি ক্রিকেটারকে কিনল কেকেআর। মঙ্গলবার আইপিএল নিলামে (IPL Auction 2024) অস্ট্রেলিয়ার মিচেল স্টার্ককে ২৪ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকায় কিনল কলকাতা নাইট রাইডার্স। এদিন প্রথমে বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক অস্ট্রেলিয়ার প্যাট কামিন্সকে নিয়ে লড়াই শুরু হয়। শেষেমেশ, রেকর্ড ২০ কোটি ৫০ লাখে সানরাইজার্স হায়দারবাদ কিনে নেয় কামিন্সকে। কিন্তু এক ঘণ্টার মধ্যেই কামিন্সের সেই রেকর্ড ভেঙে দেন স্বদেশীয় স্টার্ক।

    স্টার্ক-কে নিয়ে লড়াই

    স্টার্কের ন্যূনতম দাম ছিল ২ কোটি টাকা। তাঁকে নিয়ে লড়াই শুরু হয় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও দিল্লি ক্যাপিটালসের মধ্যে। সেই লড়াই স্টার্কের দাম ১০ কোটি টাকায় নিয়ে চলে যায়। তার পরে সেই লড়াইয়ে আসে কলকাতা নাইট রাইডার্স ও গুজরাট টাইটান্স। দু’দলই টাকা বাড়াতে থাকে। কেউ লড়াই ছাড়ছিল না। একটা সময় পরে স্টার্কের দাম ওঠে ২৪ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা। তার পরে রণে ভঙ্গ দেয় গুজরাট। শেষ পর্যন্ত স্টার্ককে কেনে কেকেআর। নিলাম শুরুর সময় কেকেআর-এর হাতে ছিল ৩২.৭০ কোটি টাকা। একজনের জন্যই পৌনে ২৫ কোটি খরচ করলেন গম্ভীররা। এর আগে ৩ বছর আগে কলকাতা সব থেকে বেশি ১৫ কোটি ৫০ লক্ষ টাকায় কিনেছিল প্যাট কামিন্সকে। তিনিই এখনও পর্যন্ত এই ফ্র্যাঞ্চাইজির ইতিহাসে সব থেকে বেশি দামি ক্রিকেটার ছিলেন। তাকে ছাপিয়ে গেলেন স্টার্ক। এদিন স্টার্ক ছাড়া শ্রীকর ভরত ও চেতন সাকারিয়াকে ৫০ লক্ষ করে টাকা দিয়ে কেনে নাইট শিবির। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ খেলা অঙ্গকৃশ রঘুবংশী ও অনামী রমনদীপ সিংহকে ২০ লক্ষ করে টাকা দিয়ে কিনল কলকাতা।

    আরও পড়ুন: সামনে লোকসভা ভোট, কবে থেকে শুরু আইপিএল? সম্ভাব্য দিন জানাল বোর্ড

    কোন দলে কে

    বিশ্বকাপ মাতানো কিউই ক্রিকেটার রাচিন রবীন্দ্রকে নিয়ে প্রথমে লড়াই হয় দিল্লি এবং চেন্নাইয়ের। এর পরে লড়াইয়ে আসে পাঞ্জাব। শেষ হাসি হাসে ধোনির দল। ১ কোটি ৮০ লক্ষে রাচিনকে কিনে নেয় তারা। নিউজিল্যান্ডের ড্যারিল মিচেলকেও ১৪ কোটি টাকায় কিনে নেয় চেন্নাই। কলকাতা থেকে পুরনো দল চেন্নাইয়ে ফিরলেন শার্দূল ঠাকুরও। ৪ কোটিতে চেন্নাইয়ে গেলেন তিনি। ৪ কোটি টাকায় ইংরেজ ব্যাটার হ্যারি ব্রুককে কিনল সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের দল লখনউ সুপার জায়ান্টস। ৬ কোটি ৮০ লাখে হায়দরাবাদে ট্রাভিস হেড। চেন্নাইয়ের সঙ্গে লড়াই করে বিশ্বকাপ ফাইনালের নায়ককে ছিনিয়ে নেয় নবাবের শহর। বেঙ্গালুরু থেকে পাঞ্জাবে গেলেন হর্ষল প্যাটেল। ১১ কোটি ৭৫ লাখে প্রীতি জিন্টার দল তাঁকে কিনল। দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটার কোয়েৎজিকে ৫ কোটিতে কেনে মুম্বই। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার আলজারি জোসেফকে ১১ কোটি ৫০ লাখে কিনল আরসিবি। কলকাতার প্রাক্তন ক্রিকেটার উমেশ যাদবকে ৫ কোটি ৮০ লাখে কিনল গুজরাট। আফগানিস্তানের ক্রিকেটার আজমাতুল্লা ওমরজাইকে ৫০ লাখে কিনল গুজরাট। ৫ কোটি ৮০ লাখে শুভম দুবেকে কিনল রাজস্থান। অনামী ভারতীয় ক্রিকেটার সমীর রিজভি ৮ কোটি ৪০ লাখ টাকায় কিনল চেন্নাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: সরকারি ধান বিক্রয় কেন্দ্রেই ওজনে কারচুপি, ১৫ কুইন্টাল ধানে ৬০ কেজি হাপিশ!

    Jalpaiguri: সরকারি ধান বিক্রয় কেন্দ্রেই ওজনে কারচুপি, ১৫ কুইন্টাল ধানে ৬০ কেজি হাপিশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাষিরা ধান বিক্রি করতে গিয়ে ফের বিপাকে! তাঁদের অভিযোগ, কুইন্টাল প্রতি চার-পাঁচ শতাংশ ধান ওজন থেকে বাদ দিয়ে কেনা হচ্ছে। একে বর্ষার সময় অতিবৃষ্টি, তারপর ফসল তোলার আগে শীতের বৃষ্টি, চাষিদের বিরাট বিপর্যয়ের মধ্যে পড়তে হয়েছে। কিন্তু সারা বছরের পরিশ্রমের ফসল বিক্রি করে যখন সামান্য লাভের আশা দেখবেন, ঠিক সেই সময় সরকারি ধান বিক্রয় কেন্দ্রে ধান বিক্রি করতে কেউ যাচ্ছেন না বললেই চলে। এমন ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) সন্ন্যাসীহাটে। কৃষকদের অভিযোগ, সরকারি বিক্রয় কেন্দ্রে চলছে ধান কেনায় ওজনে কারচুপি। তাই কেউ ওই মুখো হতে চাইছেন না।

    চাষিদের অভিযোগ (Jalpaiguri)

    সন্ন্যাসীহাটের (Jalpaiguri) এক কৃষক দুলালচন্দ্র রায় বলেন, “বিক্রয় কেন্দ্রে ১৫ কুইন্টাল ধান নিয়ে এসেছিলাম। চার শতাংশ ধান বাদ দেওয়া হয়েছে। আমি মোট ৬০ কেজি ধানের দাম পেলাম না। খোলা বাজারে বিক্রি করলে অন্তত আটশো টাকা বেশি পেতাম। সরকারি কেন্দ্রে গিয়ে আমার সবটাই ক্ষতি হয়েছে।” আবার আর এক চাষি করেন্দ্রনাথ রায় বলেন, “সরকারি কেন্দ্রে গেলে সারা দিন চলে যায়। প্রচুর সময় নষ্ট হয়। ওজনে ধানের পরিমাণ বাদ দিয়ে মূল্য কম দেওয়া হয়। তাই খোলা বাজারে বিক্রি করলেই আমাদের ভালো।”

    কেন ঘটছে ঘটনা?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল সোমাবার সন্ন্যাসীহাটের (Jalpaiguri) সরকারি ধান বিক্রয় কেন্দ্রে ধান বিক্রি করতে এসেছিলেন মাত্র ৬ জন। উল্লেখ্য এই কেন্দ্রে গত দুই মাসে মোট ২৮ টন ধান কেনা হয়েছে । অথচ গোটা জেলায় ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ লক্ষ ২১ হাজার টন। নভেম্বর পেরিয়ে গিয়ে এখন ডিসেম্বর। কিন্তু মাত্র কেনা হয়েছে ১০ হাজার টন। লক্ষ্যমাত্রার চার ভাগের এক ভাগও কিনতে পারেনি সরকারি ধান বিক্রয় কেন্দ্রগুলি। গত বছর ৭০ হাজার কৃষক ধান বিক্রি করেছিল জেলার কেন্দ্রগুলিতে। এই বছর মাত্র ২১ হাজার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই সব কিছুর কারণ হল চাষিদের বিক্রয় করা ধানের ওজন এবং মূল্যে চুরি করা হচ্ছে। সবটাই সরকারের প্রত্যক্ষ মদতে হচ্ছে বলে চাষিদের অভিযোগ।

    প্রশাসনের বক্তব্য

    জেলার (Jalpaiguri) প্রশাসন থেকে জেলা খাদ্য নিয়ামক বলেন, “ওজন থেকে বাদ দেওয়ার তেমন নিয়ম নেই। এই বছর ধান বিক্রির প্রবণতা অনেক কম। সবে ডিসেম্বর, আরও সময় রয়েছে। ঝাড়াই, মাড়াই করার পর হয়তো আরও ধান বিক্রয় কেন্দ্র আসবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: বিজেপির রাস্তা হাইজ্যাক করল তৃণমূল! তারপর কী হল জানেন?

    Balurghat: বিজেপির রাস্তা হাইজ্যাক করল তৃণমূল! তারপর কী হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় প্রকল্প হাইজ্যাক করার নজির তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক রয়েছে। এবার পুরসভা এলাকার সামান্য রাস্তাও হাইজ্যাক করার চেষ্টা করল তৃণমূল। যদিও বিরোধীদের বাধায় সেই পরিকল্পনা মাঝ পথেই ভেস্তে যায়। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভা এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Balurghat)

    বিজেপির বিধায়ক অশোক লাহিড়ীর বিধায়ক তহবিলের টাকায় রাস্তা তৈরি করছে বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভা। সেই রাস্তার কাজের সূচনাও করেছেন চেয়ারম্যান। কিন্তু, সেই রাস্তার কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিধায়ককেই আমন্ত্রণ করা হয়নি বলে অভিযোগ বিজেপির। এনিয়ে বালুরঘাট শহরে তৈরি হয়েছে জোর বিতর্ক। পুরসভার সূচনার পরে সেই একই রাস্তার উদ্বোধন করল বালুরঘাট টাউন বিজেপি নেতৃত্ব। আমন্ত্রণ না পেয়ে বিধায়কের নির্দেশে ফের মঙ্গলবার ওই রাস্তার কাজের সূচনা হয়। বিধায়কের নির্দেশে মঙ্গলবার ওই একই রাস্তার কাজের সূচনা করলেন বালুরঘাট টাউন বিজেপি সভাপতি সমীর প্রসাদ দত্ত। এদিন ফিতে কেটে ও নারকেল ফাটিয়ে কাজের সূচনা করেন বিজেপি নেতা। বালুরঘাট শহরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের খাদিমপুর স্কুলপাড়া এলাকার রাস্তার ঘটনা।

    ফের বিজেপির উদ্যোগে রাস্তার শিলান্যাস করা হল

    বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের খাদিমপুর স্কুলপাড়া এলাকায় প্রায় ১০০ মিটার এই ঢালাই রাস্তাটির জন্য বিধায়ক তহবিল থেকে প্রায় সাড়ে চার লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়। দিন পনেরো আগে এই রাস্তার সূচনা করে পুরসভা। ইট পাতা থেকে পাশের নর্দমার কাজ শুরু হয়েছে। এদিকে বিধায়ক তহবিলে এই কাজ হলেও বিধায়ককে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি শিলান্যাসের সময়। এই বিষয়ে বিজেপির টাউন সভাপতি সমীর দত্ত বলেন, বিধায়ক তহবিল থেকে এই রাস্তার কাজ করা হচ্ছে। কাজের অনুষ্ঠানের সূচনা পর্বে বিধায়ককে ডাকা হয়নি। তাই আমরা এদিন ফের রাস্তাটির শিলান্যাস করে ফের নতুন করে কাজ শুরু করি।

    তৃণমূলের বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান কী বললেন?

    এই বিষয়ে বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র বলেন, পুরসভার পক্ষ থেকে বিধায়ককে আমন্ত্রণ করা হয়েছিল। তিনি আসেননি কেন তা জানি না। এখন ওরা আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

    বিজেপি বিধায়কের কী বক্তব্য?

    এবিষয়ে বালুরঘাট (Balurghat) বিধানসভার বিধায়ক অশোক কুমার লাহিড়ী বলেন, এই রাস্তার উদ্বোধনে আমাকে আমন্ত্রণ করা হয়নি, তার জন্য আমি খুব খুশি। তবে, রাস্তাটা যাতে ভালোভাবে হয় সেটা পুরসভা দেখলেই হল। পুরসভার চেয়ারম্যান আবার এই রাস্তাটির ব্যান্ড বাজিয়ে ধূমধাম করে উদ্বোধন করলে আমি আরও খুশি হব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nitin Gadkari: “ভারতে স্বয়ংক্রিয় গাড়ির অনুমতি দেব না”, ফের জানালেন গড়করি

    Nitin Gadkari: “ভারতে স্বয়ংক্রিয় গাড়ির অনুমতি দেব না”, ফের জানালেন গড়করি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতে স্বয়ংক্রিয় গাড়ির অনুমতি দেব না।” ফের একবার জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় সড়ক ও হাইওয়ে বিষয়ক মন্ত্রী নিতিন গড়করি (Nitin Gadkari)। ‘দ্য আইআইএম’ নাগপুরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন নিতিন। সেখানে তিনি বলেন, “দেশে যদি স্বয়ংক্রিয় গাড়ি আসে তাহলে কাজ হারাবেন ৮০ লাখ চালক। সেই কারণেই এই জাতীয় গাড়িকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।”

    কী বললেন মন্ত্রী?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “আমি নিজেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বলেছিলাম, আমি কোনও মূল্যেই ভারতে চালকবিহীন গাড়ির অনুমতি দেব না। এর কারণ হল, আমাদের দেশে বিপুল সংখ্যক লোক চালক হিসেবে কাজ করেন…তাই চালকবিহীন গাড়ি তাঁদের চাকরি কেড়ে নেবে।” তিনি বলেন, “এই ধরনের যানবাহন কেবল ছোট জনসংখ্যার দেশগুলির জন্য উপযুক্ত। যাইহোক, যদি এগুলো এখানে আসে, তাহলে কাজ হারাবেন ৭০-৮০ লক্ষ মানুষ। এবং এতে অন্য ধরনের সমস্যা হবে।”

    প্রসঙ্গ টেসলা

    প্রসঙ্গত, এই প্রথম নয়, এর আগেও গড়করি (Nitin Gadkari) স্বয়ংক্রিয় গাড়ি নিয়ে এই মনোভাবই ব্যক্ত করেছিলেন। একবার ২০১৭ সালের জুলাই মাসে। আর দ্বিতীয়বার ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে। এদিনের অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী বলেন, “আমরা টেসলাকে স্বাগত জানাই। কিন্তু টেসলা চিনে গাড়ি উৎপাদন করবে, আর ভারতে বিক্রি করবে, তা হবে না। আমরা তাদের বলেইছিলাম উৎপাদন এখানেই করতে হবে।”

    আরও পড়ুুন: জ্ঞানবাপী মসজিদ মামলায় ধাক্কা খেল মসজিদ কমিটি, কী বলল হাইকোর্ট?

    প্রসঙ্গত, ব্লুমবার্গের একটি রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, মার্কিন গাড়ি তৈরির কোম্পানি টেসলা ২০২৪ সালে ভারতে গাড়ি তৈরির কারখানা তৈরি করতে পারে। মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু ও গুজরাটকে ওই কোম্পানি বেছে নিচ্ছে বলেও জানিয়েছে ওই রিপোর্ট। সূত্রের খবর, প্রাথমিকভাবে ভারতে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করতে পারে টেসলা। প্রথমে এখানে তারা শোরুম তৈরি করবে। সেখানেই বিনিয়োগ করা হবে। ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দিয়ে ভারত থেকে গাড়ির যন্ত্রাংশও কিনতে পারে টেলসা কোম্পানি। এই কোম্পানিই তৈরি করেছে চালকবিহীন গাড়ি। যেহেতু প্রায় ৮০ লাখ গাড়িচালক কর্মচ্যুত হতে পারেন, তাই চালকবিহনী গাড়িকে ভারতে প্রবেশের ছাত্রপত্র দেবেন না বলে এদিন আরও একবার স্পষ্ট করে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Nitin Gadkari)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gujarat High Court: স্বামী করলেও ধর্ষণ, ধর্ষণই! স্পষ্ট জানিয়ে দিল গুজরাট হাইকোর্ট

    Gujarat High Court: স্বামী করলেও ধর্ষণ, ধর্ষণই! স্পষ্ট জানিয়ে দিল গুজরাট হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের আইন এখনও পর্যন্ত বৈবাহিক ধর্ষণকে (Marital Rape) ধর্ষণ হিসেবে মান্যতা দেয়নি। এ সংক্রান্ত বহু মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। তারই মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ এল গুজরাট হাইকোর্ট (Gujarat High Court) থেকে। হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, স্বামী যদি তাঁর স্ত্রী’কে ধর্ষণ করেন, তাহলে সেটা ধর্ষণ বলেই বিবেচিত হবে। গুজরাট হাইকোর্ট ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারার অধীনে বৈবাহিক ধর্ষণের ব্যতিক্রমের সঙ্গে সহমত পোষণ করেনি। 

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    গুজরাট হাইকোর্টের (Gujarat High Court) বিচারপতি দিব্যেশ যোশীর পর্যবেক্ষণ, সারা দেশে নারী নির্যাতনের যত অভিযোগ নথিভুক্ত হয়, তার থেকে আসল সংখ্যাটা অনেক বেশি। মহিলাদের হিংসা সয়ে যেতে হয়, এমনকী অত্যাচারের পরিবেশে থেকেও যেতে হয়। হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, মহিলাদের  প্রতি কুদৃষ্টি দেওয়া, নানারকম মৌখিক ও শারীরিক হেনস্থাকে ছোটখাটো অপরাধ হিসেবে দেখে সমাজ। এমনকী সিনেমার মতো জনপ্রিয় গণমাধ্যমে এই বিষয়গুলিকে তুচ্ছ করে বা স্বাভাবিক হিসেবেই দেখানো হয়ে থাকে, সেগুলিকে রোম্যান্টিক বিষয় হিসেবেও দেখানো হয় । এটা সত্যিই অনুশোচনা করার মতো বিষয়।  

    মূল মামলার প্রসঙ্গ

    যে মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এই পর্যবেক্ষণ তা হল,  পূত্রবধূকে ক্রমাগত নির্যাতন করা ও ভয় দেখানোর অভিযোগে এক মহিলাকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযোগ, তার ছেলে ও স্বামী মিলে পুত্রবধূকে ধর্ষণ করত ও সেই ভিডিও তুলে পর্ণোগ্রাফির সাইটে পোস্ট করে টাকাও রোজগার করত তারা। আর পুরো ঘটনায় সামিল ছিল ওই মহিলাও। নির্যাতিতাকে ভয় দেখানো, অত্যাচার করা, কিছুই করতে বাদ রাখেনি সে। এই মামলায় জামিনের আবেদন করে অভিযুক্ত শাশুড়ি। তার জামিনের আর্জি নাকচ করে দেয় আদালত ও এই পর্যবেক্ষণ সামনে রাখেন বিচারপতি। 

    আরও পড়ুন: সংসদের কাজ মঙ্গলবারও ভেস্তে দিল বিরোধীরা, সাসপেন্ড ৪৯ সাংসদ, কড়া প্রতিক্রিয়া প্রধানমন্ত্রীর

    একজন পুরুষ পুরুষই, ধর্ষণও ধর্ষণই

    শুনানিতে গুজরাট হাইকোর্টের (Gujarat High Court) বিচারপতি দিব্যেশ এ জোশী বৈবাহিক ধর্ষণের (Marital Rape) যুক্তি দিতে গিয়ে আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া এবং ব্রিটেনের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। তিনি বলেন, আমেরিকার ৫০টি রাজ্য, অস্ট্রেলিয়ার ৩টি রাজ্য এবং অন্যান্য অনেক দেশে বৈবাহিক ধর্ষণ বেআইনি। অর্থাৎ এটি হল অপরাধ। আদালত বলেছে, সংবিধান একজন নারীকে একজন পুরুষের সমান বলেই বিবেচনা করে এবং বিবাহকে সমতুল্যতার একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করে। যৌন হিংসার ঘটনার ক্ষেত্রে নীরবতা ভাঙা প্রয়োজন, এবং সেক্ষেত্রে মহিলাদের থেকেও পুরুষদের বেশি এগিয়ে আসা প্রয়োজন বলে মনে করে আদালত। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, “ধর্ষণের মতো ঘটনায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্বাভাবিক হল যে পুরুষটি যদি স্বামী হয়, তাহলে সে অন্য পুরুষের মতো একই কাজ করলেও তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। কিন্তু আমার মনে হয় সেটা ভুল। একজন পুরুষ পুরুষই, ধর্ষণও ধর্ষণই, সেটা যদি স্বামী স্ত্রীর উপর করে থাকে তাহলেও তা বদলাবে না,” জানিয়েছেন বিচারপতি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share