Tag: bangla news

bangla news

  • BJP: বিজেপিকে ভোট দেওয়ার অপরাধে মিলছে না পানীয় জল! রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ

    BJP: বিজেপিকে ভোট দেওয়ার অপরাধে মিলছে না পানীয় জল! রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপিকে (BJP) ভোট দেওয়ার অপরাধে মিলছে না পানীয় জল। বিস্ফোরক অভিযোগ এলাকাবাসীর। তীব্র দাবদাহের মধ্যে জলের জন্য হাহাকার। জলের দাবিতে রাস্তায় নেমে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান এলাকাবাসী। বালতি, কলসি নিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন এলাকার মহিলারা। এলাকাবাসীর সঙ্গে বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন স্থানীয় বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লকের  তুলসীহাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের বড়োল বাজারের ঘটনা।

    কেন বিক্ষোভ?

    এই এলাকায় স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যা বিজেপির (BJP) । যদিও গ্রাম পঞ্চায়েতটি শাসকদল তৃণমূলের দখলে রয়েছে। জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দফতরের পক্ষ থেকে এই এলাকায় পানীয় জলের কোনও ব্যবস্থা নেই। এমনকি বসানো হয়নি কোন সাবমার্সিবল পাম্প। ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা গ্রাম। বিজেপি (BJP) নেতা কৌশিকচন্দ্র দাস বলেন, তৃণমূল ইচ্ছাকৃতভাবে এই এলাকায় কোনও উন্নয়নমূলক কাজ করছে না। কিছু দিন আগে একটি সাবমার্সিবল পাম্প বসানো হলেও সেটি বসানো হয়েছে হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা তৃণমূল নেত্রী সুজাতা সাহার বাড়ির সামনে। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় সাবমার্সিবল পাম্প না বসিয়ে তৃণমূলের ওই নেত্রীর বাড়ির সামনে পাম্প বসানো হয়েছে। আমার স্ত্রী বিজেপির (BJP) পঞ্চায়েত সদস্যা। এলাকার মানুষ আমাদের ভোট দিয়েছে বলে তৃণমূল এই শাস্তি দিচ্ছে। এদিন আমরা পানীয় জলের দাবিতে রাস্তা অবরোধ করেছি। দাবিপূরণ না হলে আগামীদিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামব। এলাকাবাসীর বক্তব্য, গরম পড়তেই জলস্তর অনেকটাই নেমে গিয়েছে। ফলে, পানীয় জলের সংকট দেখা দিয়েছে। বিজেপিকে সমর্থন করার জন্যই পরিষেবা থেকে আমরা বঞ্চিত। এই অবস্থায় বিক্ষোভ থেকে এলাকাবাসীর একটাই দাবি দ্রুত পানীয় জলের ব্যবস্থা করতে হবে।

    কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    ওই এলাকায় জল কষ্টের কথা মেনে নিয়েছেন স্থানীয় বিধায়ক নীহার রঞ্জন ঘোষ। কিন্তু বিজেপি (BJP) করার জন্য কাজ হয়নি এ কথা মানতে নারাজ তিনি। তিনি বলেন, এটা বিজেপির মনগড়া অভিযোগ। ওই এলাকার সমস্যা নিয়ে জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দফতর নিয়ে কথা বলেছি। সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Monorail: নিউটাউনে ছুটবে মনোরেল! বেসরকারি সংস্থার প্রস্তাবে কী সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে হিডকো?

    Monorail: নিউটাউনে ছুটবে মনোরেল! বেসরকারি সংস্থার প্রস্তাবে কী সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে হিডকো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজারহাট-নিউটাউনে যানজট কমাতে বিশেষ অত্যাধুনিক পরিবহণ ব্যবস্থা মনোরেল (Monorail) চালু করার প্রস্তাব এসেছে। বিশ্ববাংলা গেট (নারকেল বাগান) থেকে নিউটাউন অ্যাকশন এরিয়া থ্রি পর্যন্ত এই বিশেষ অত্যাধুনিক মনোরেল চলবে, এমনটাই আশা করা হচ্ছে। তবে সবকিছুই নির্ভর করছে রাজ্য সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের উপর।

    LTR বা লাইট ট্রানজিট রেল সিস্টেম কী এবং কেন? 

    স্মার্ট সিটির মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে অত্যাধুনিক করতে এই বিশেষ লাইট ট্রানজিট রেল সিস্টেমে মনোরেল (Monorail) চালানোর প্রস্তাব এসেছে। একটি বেসরকারি সংস্থা হিডকোকে (হাউসিং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেণ্ট কর্পোরেশন) বিশেষ এই যোগাযোগ ব্যবস্থার বিষয়ে প্রস্তাব দিয়েছে। স্মার্ট সিটির অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের জন্য এই মনোরেল সময়ের ব্যবধান কমাবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। নিউটাউন অ্যাকশন এরিয়া ওয়ান এবং টু-এর মধ্যে মেট্রো রেল সংযুক্ত হয়েছে। এবার মনোরেলের সংযুক্তিকরণ হবে। স্মার্ট সিটিতে রোপওয়ের মাধ্যমেও যোগাযোগ ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এর সঙ্গে আধুনিক সংযোজন হল মনোরেল। অনেকটা কলকাতার ট্রামের মতোই দেখতে হবে। কিন্তু অত্যাধুনিক, উচ্চগতি এবং শব্দবিহীন হবে মনোরেল। মূলত তথ্যপ্রযুক্তি সিটি অ্যাকশন এরিয়া থ্রি-র সঙ্গে বিশ্ববাংলা সরণীর সংযুক্তিকরণ ঘটবে, এমনটাই বলা হয়েছে প্রস্তাবে। হিডকো বিষয়টি বিশেষজ্ঞদের দিয়ে সরকারের সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলেই জানা গেছে।

    প্রস্তাবিত রুট 

    হিডকো যে প্রস্তাব পেয়েছে, তাতে বলা হয়, মনোরেল প্রাথমিকভাবে বিশ্ববাংলা গেট থেকে হাতিশালা পর্যন্ত ১০ কিমি পথে চলবে। এটা হবে প্রধান রাস্তা। এর সঙ্গে বিশ্ববাংলা গেট থেকে মহিষবাথান পর্যন্ত তিন কিমি রাস্তাতেও চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়াও বিশ্ববাংলা গেট থেকে ইউনিটেক ১ হয়ে ইকোস্পেসের মধ্যে দিয়ে গীতাঞ্জলি পার্ক পর্যন্ত মনোরেলের (Monorail) বিশেষ করিডোর তৈরি হবে। মনোরেলের সঙ্গে হাতিশালার তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান উইপ্রো এবং ইনফোসিসের সরাসরি সংযুক্তিকরণ করা হবে। মূল মনোরেলের ডিপোটি ইনফোসিস কোম্পানির বিপরীতে প্রায় ১৭.৫৪ একর জমির উপর নির্মিত হবে বলে প্রস্তাবনায় রয়েছে। এই বছরে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা পড়লে হিডকো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sita-Navami: সীতা হলেন মা লক্ষ্মীর অবতার, জানুন সীতা নবমীর মাহাত্ম্যকথা

    Sita-Navami: সীতা হলেন মা লক্ষ্মীর অবতার, জানুন সীতা নবমীর মাহাত্ম্যকথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু পঞ্জিকা মতে সীতা নবমী (Sita-Navami) হল হিন্দু সমাজের সীতা মাতার বিশেষ জন্মতিথি। সীতা নবমী অনুষ্ঠিত হয় রাম নবমীর একমাস পরে বৈশাখের শুক্ল নবমী তিথিতে। সনাতনী হিন্দু সমাজের বাড়ির গৃহবধূরা স্বামীর দীর্ঘায়ু কামনা, পরিবারে কল্যাণ কামনা এবং মনের বিশেষ কামনাপূর্ণ সীতা নবমী পালন করে থাকেন।

    সীতার জন্ম ও নামকরণ 

    ভগবান রামচন্দ্র হলেন ভগবান বিষ্ণুর অবতার, আর মাতা সীতা হলেন মা লক্ষ্মীর অবতার। রামায়ণে সীতা শ্রী রামচন্দ্রের অর্ধাঙ্গিনী। সীতার জন্ম নিয়ে বেশ কিছু কিংবদন্তী কথা রয়েছে। তামিল সংকলনের রামায়ণে বলা হয় সীতা মা ভূগর্ভে গ্রথিত ছিলেন। মূল রামায়ণে সীতা হলেন জনক রাজার ঔরসজাত সন্তান। বিহারের মিথিলার কাছে সীতামারি সীতার জন্মস্থান বলে ধরা হয়।ধরিত্রদেবীর কন্যা হলেন সীতা মা। সীতা মায়ের (Sita-Navami) নানান নাম রয়েছে। যেমন জানকী, যিনি জনককন্যা সীতা। জনকাত্মজা, কারণ জনকরাজার আত্মার স্থল হল সীতা। জনকনন্দিনী, জনক রাজার মনের আনন্দ হলেন সীতা মা। সীতা হলেন ভূগর্ভা। মৈথিলী অর্থাৎ মিথিলার রাজকন্যা সীতা। 

    সীতার চরিত্র গুণ

    একজন রামভক্ত প্রভুর সাধারণ ভক্ত হয়েও আদর্শ পূর্ণস্বরূপা হলেন সীতা মাতা। শ্রী রামের সঙ্গে স্বামীর অর্ধাঙ্গিনী হয়ে ১৪ বছর বনবাসে দিন কাটান সীতা। মিথিলার রাজকন্যা এবং অযোধ্যার রাজরানী হয়েও একমাত্র স্বামীর অনুগত হয়ে জীবনের ঐশ্বর্য, ভোগবিলাস ত্যাগ করে জঙ্গলে মাটির বিছানায় অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপনের দৃষ্টান্ত রাখেন মাতা সীতা (Sita-Navami)। পারিবারিক শৃঙ্খলা, স্বামীর প্রতি মূল্যবোধ ও দায়িত্বের প্রতীক হলেন সীতা মা। সীতা স্বামীর সকল যাত্রার সহচরী হন। এটাই দায়িত্ব এবং মূল্যবোধের পরিচয়। পারিবারিক জীবনের আদর্শ চরিত্র সীতা মা। রাবণের শত প্রলোভনে নিজেকে স্থির, ধীর এবং বিশ্বাস অটল রাখেন যে শ্রীরামচন্দ্র এই রাক্ষসকুল থেকে উদ্ধার করবেনই একদিন। আর ভবিতব্য তাই হয়েছিল। ধর্মের জয় হয়েছে।সীতা ছিলেন রামচন্দ্রের শক্তি আর রামচন্দ্র ছিলেন শক্তির আধার। 

    সীতা নবমীর গুরুত্ব

    বিবাহিত নারীরা পরিবারের মঙ্গল সাধনার জন্য মূলত সীতা নবমী পালন করে থাকেন। বাড়িতে গঙ্গা জলে ফুল, ফল দিয়ে নিবেদন করা হয়। কখনও কখনও হনুমানের পূজাও করা হয়ে থাকে। সীতা ধনলক্ষ্মীর প্রতীকও বটে। তাই অর্থ প্রাপ্তির বিষয় থাকে এই নবমীর পুজোতে। জমিতে ফসলের উর্বরতা, দাম্পত্য জীবনের সুখকামনা এবং আদর্শ সহধর্মিণী হওয়ার বাসনা ভক্তের মনে থাকে এই সীতা নবমীতে (Sita-Navami)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

      

  • West Bengal Health: একাধিক নতুন মেডিক্যাল কলেজের ঘোষণা, নেই প্রজেক্টর, স্মার্ট ক্লাসের সুযোগ

    West Bengal Health: একাধিক নতুন মেডিক্যাল কলেজের ঘোষণা, নেই প্রজেক্টর, স্মার্ট ক্লাসের সুযোগ

     

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ক্লাসে নেই প্রজেক্টর! তাই বিভিন্ন গ্রাফিক চার্ট দেখানো যায় না। সাম্প্রতিক তথ্য বা ছবিও পড়ুয়াদের সামনে তুলে ধরতে অসুবিধা হয়। উপযুক্ত পরিকাঠামোর অভাবে পড়ুয়াদেরও ক্লাসে মনোযোগের অসুবিধা হচ্ছে। শুধু তত্ত্বগত জ্ঞান নয়, হাতে-কলমে কাজ শেখার ক্ষেত্রেও থাকছে ঘাটতি। সব বিভাগ ঠিকমতো চালু না থাকায় অনেক কিছুই শিখতে পারছেন না পড়ুয়ারা। এমনকী কিছু বিভাগে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাবে কার্যত কিছু বিষয় পড়ানো ও শেখানো থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। না, এই ঘটনাগুলি কোনও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নয়। রাজ্যের একাধিক মেডিক্যাল কলেজের পরিস্থিতি এরকমই। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ, মালদা মেডিক্যাল কলেজ কিংবা উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ-সর্বত্র এই ছবি। কোথাও নেই স্মার্ট ক্লাসের সুবিধা, আবার কোথাও স্নায়ু চিকিৎসার প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো নেই। তাই ঠিকমতো শিখতেই পারছেন না চিকিৎসক পড়ুয়ারা। পরিকাঠামোর এই ত্রুটিতে বিরক্ত শিক্ষক-চিকিৎসকরাও। ২০১১ সালে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পরে, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা (West Bengal Health) ঢেলে সাজার কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। গত কয়েক বছরে প্রত্যেক জেলাতেই প্রায় একটি করে মেডিক্যাল কলেজ খোলা হয়েছে। মেদিনীপুর, আরামবাগ, কোচবিহার সর্বত্র রয়েছে মেডিক্যাল কলেজ। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, পরিকাঠামো রয়েছে কী? 

    সমস্যা কোথায়? 

    রাজ্যের মেডিক্যাল এডুকেশন সার্ভিসের সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ন্যূনতম পরিকাঠামো গড়ে তোলার আগেই মেডিক্যাল কলেজ হিসাবে ঘোষণা করা হচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে সেই হাসপাতালগুলি জেলা হাসপাতালের ভূমিকা পালনেও ব্যর্থ। স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য বলছে, রাজ্যে এখন ২৩টি মেডিক্যাল কলেজ রয়েছে। এই ২৩টি-র মধ্যে ১৬টি মেডিক্যাল কলেজ রাজ্য সরকারের অধীনস্থ। যেখান থেকে প্রতি বছর কয়েকশো নতুন চিকিৎসক তৈরি হয়। কিন্তু এমবিবিএস পড়ানোর পরিকাঠামো আদৌ আছে কি? প্রশ্ন তুলছেন চিকিৎসক মহলের একাংশ।শিক্ষক-চিকিৎসকদের একাংশের অভিযোগ, ক্লাসগুলোতে ঠিকমতো প্রজেক্টর নেই। ফলে, ক্লাস নেওয়ার সময়ে বিভিন্ন তথ্য দেখানো ও বোঝানোর ক্ষেত্রে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। তাছাড়া, চিকিৎসা পড়াকালীন হাতে-কলমে শিক্ষা অত্যন্ত জরুরি। নানান বিভাগের রোগী পরিষেবা (West Bengal Health) দেওয়ার পরেই পরবর্তী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হয়ে ওঠার পথ তৈরি করেন নতুন চিকিৎসকেরা। কিন্তু রাজ্যের অধিকাংশ নতুন মেডিক্যাল কলেজে সব বিভাগ ঠিকমতো চালু নেই। তাই অনেক বিষয়েই তাদের শেখা অসম্পূর্ণ হয়ে যাচ্ছে। 

    শিক্ষক-চিকিৎসকদের অভিজ্ঞতা কী? 

    এই প্রসঙ্গে মালদা মেডিক্যাল কলেজের এক শিক্ষক-চিকিৎসক বলেন, এমবিবিএস পাশ করেও আধুনিক চিকিৎসার সব শাখা সম্পর্কে জানতে পারছেন না চিকিৎসক-পড়ুয়ারা। অধিকাংশ মেডিক্যাল কলেজেই পরিকাঠামোর অভাবে সব বিভাগ কাজ করতে পারছে না। এর ফলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চিকিৎসকদের সমস্যা হবে। আর সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়বে রোগী পরিষেবা (West Bengal Health)। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজের এক শিক্ষক-চিকিৎসক বলেন, অধিকাংশ সময়ে পরিকাঠামোর অভাবে অস্ত্রোপচার হয় না। রোগী রেফার করতে বাধ্য হচ্ছি। এই সব অস্ত্রোপচার থেকেই কিন্তু পড়ুয়ারা অভিজ্ঞতা অর্জন করে। অনেকক্ষেত্রেই সেগুলো ফাঁক থেকে যাচ্ছে। 

    চিকিৎসকদের আশঙ্কা কোথায়? 

    চিকিৎসকদের আশঙ্কা, বছরের পর বছর পরিকাঠামোর অভাব রাজ্যের চিকিৎসা (West Bengal Health) শিক্ষাকেই দুর্বল করছে। কোনও রকমে জোড়াতালি দিয়ে মেডিক্যাল কলেজের তকমা ধরে রাখলেও চিকিৎসা পরিষেবার ভিত্তি দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। বছরের পর বছর অসম্পূর্ণ পাঠ কখনোই অভিজ্ঞ চিকিৎসক গড়ে তুলতে পারবে না। তার ফলে সরাসরি রোগী পরিষেবাই ব্যাহত হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Necrophilia cases in Pakistan: মহিলাদের মৃতদেহ তুলে ধর্ষণ! পাকিস্তানে কবরে দেওয়া হচ্ছে তালা

    Necrophilia cases in Pakistan: মহিলাদের মৃতদেহ তুলে ধর্ষণ! পাকিস্তানে কবরে দেওয়া হচ্ছে তালা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহিলাদের মৃতদেহের প্রতিও বিকৃত যৌনাচার বৃদ্ধি পাচ্ছে পাকিস্তানে! শুনতে অবাক এবং ঘৃণা লাগলেও এমন ঘটনাই সেদেশে ঘটছে। সমাজকর্মীদের অভিযোগ, পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, পাকিস্তানে মৃত মেয়েদের কবরে তালা লাগিয়ে তাদের শরীর রক্ষা করছে পরিবার। কবর থেকে মৃত যে কোনও বয়সের মেয়ের দেহ খুঁড়ে বের করে যৌন সঙ্গম, ধর্ষণ, অত্যাচার এবং শারীরিক নিগ্রহের ঘটনা (Necrophilia cases in Pakistan) পাকিস্তানের সামাজিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    ঘটনা ঠিক কী ঘটছে?

    পাকিস্তানের এক সমাজকর্মী সামজিক মাধ্যম ট্যুইটারে মৃত মেয়েদের কবরকে তালাবন্দি করে রাখার ছবি ছড়িয়ে দিয়ে জানান, মৃত মেয়েদের ধর্ষণ Necrophilia cases in Pakisthan আটকাতেই এই তালা। তবে এই ঘটনা আকস্মিক নয়। ২০২২ সালে পাকিস্তানের গুজরাটের চক কমলা গ্রামে এক কিশোরীর মৃতদেহ মাটির নিচ থেকে তুলে ধর্ষণের অভিযোগ উঠে আসে। ২০২১ সালে উপকূলীয় শহর গোলামুল্লাহতে, ২০২০ সালে পাঞ্জাব শহরে, ২০১৯ সালে করাচির ল্যান্ড টাউনে, ২০১৩ সালে গুজরানওয়ালায় একইভাবে মৃত মহিলার দেহ তুলে নিয়ে সঙ্গম করে বিকৃত যৌনাচারের অভিযোগ পাওয়া যায়। ২০১১ সালে উত্তর জানিমাবাদ থেকে মুহামদ রিজওয়ান নামক এক গোরস্থানের রক্ষীকে গ্রেফতার হয়। এই অভিযুক্ত স্বীকার করে যে প্রায় ৪৮ টি মৃত নারীর দেহ মাটি থেকে তুলে যৌন নির্যাতন (Necrophilia cases in Pakistan) করেছে। পাক প্রশাসন বিভিন্ন সময়ে বিশেষ তদন্ত শুরু করেছিল। কিন্তু কোনও সমাধান না হওয়ায় মৃত মেয়েদের অভিভাবকরা কবরে তালা দিয়ে মৃতের শরীরে যৌনাচার বন্ধের পথে হাঁটতে বাধ্য হয়েছেন। 

    সমাজ কর্মীদের প্রতিক্রিয়া

    পাকিস্তানের বিশিষ্ট সমাজকর্মী লেখক হারিস সুলতান ট্যুইটারে মৃত মেয়ের কবরে তালাবন্দি ছবি পোস্ট করে বলেন, পাকিস্তানে মৃত মেয়েদের যাতে ধর্ষণ না করা হয়, সেই জন্যই কবরে তালা। তাঁর লেখা একটি বই ‘দ্যা কারসি অফ গড হোয়াই আই লেফট ইসলাম’ তে তিনি পাকিস্তানের সমাজে বিকৃত যৌন আচরণের (Necrophilia cases in Pakisthan) মধ্যে ধর্মীয় অন্ধত্ব এবং গোঁড়ামি বিশেষ কারণ হিসাবে দেখিয়েছেন। পাকিস্তনের সাজিদ ইউসুফ শাহ নামে আরেক সমাজতাত্ত্বিক গবেষক মনে করেছেন, যৌন ক্ষুধা এবং অবদমিত সমাজ জন্ম নিয়েছে পাকিস্তানে। এই ঘটনাগুলি কোনও বিচ্ছিন্ন নয়, মৃতদেহকে কবর থেকে তুলে এনে যৌন সম্পর্ক, নিগ্রহ ও ধর্ষণের ঘটনা (Necrophilia cases in Pakistan) সামজিক সমস্যা। পাকিস্তানে ন্যাশনাল কমিশন ফর হিউম্যান রাইট বিশেষ রিপোর্টে জানিয়েছে যে, পাকিস্তানে প্রায় ৪০ শতাংশ নারী জীবনে কোনও না কোনও রকম নির্যাতনের শিকার অবশ্যই হয়েছেন। সমাজতাত্ত্বিকরা মনে করছেন, আগামী দিনে পাকিস্তান রাষ্ট্র এই বিকৃত যৌন সমস্যা এবং মৃত শরীরে যৌন নিগ্রহের বিষয়ে কী সদর্থক ভাবনাচিন্তা করে, সেটাই এখন দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: শিল্পাঞ্চলে ফের শুটআউট! গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু বিজেপি নেতার

    BJP: শিল্পাঞ্চলে ফের শুটআউট! গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু বিজেপি নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম বর্ধমান জেলায় ফের শুটআউটের ঘটনা। গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় বিজেপি (BJP) নেতার। শনিবার দুপুরে আসানসোলের জামুড়িয়া থানার বোগড়া কালী মন্দিরের কাছে ২ নং জাতীয় সড়কে একটি স্করপিও গাড়ির ভিতর থেকে ওই বিজেপি (BJP) নেতার গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধার হয়। মৃত বিজেপি নেতার নাম রাজেন্দ্র সাউ (৪০)। তাঁর বাড়ি আসানসোলের রানিগঞ্জ থানার রানিসায়ের এলাকায়। তিনি আসানসোল পুরনিগমের ৩৩ নং ওয়ার্ডের বিজেপির কনভেনার ছিলেন। গাড়ির পাশে রাস্তায় পড়েছিল একটি খালি কার্তুজ।

    কী বললেন মৃতের পরিবারের লোকজন?

    এই ঘটনায় রানিসায়ের অঞ্চলে রাজেন্দ্রর বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মৃত বিজেপি নেতার আত্মীয় জীতেন্দ্র সাউ বলেন, শনিবার দুপুরে রাজেন্দ্রর কাছে একটি ফোন আসে। ফোনে খুব গালিগালাজ হয়। তবে, কে ফোন করেছিল আমরা জানতে পারিনি। ফোন রেখে বেলা দুটো নাগাদ বেশ কিছু টাকা নিয়ে সে বেরিয়ে যায়। তারপরই এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে। মনোজ সাউ নামে এক আত্মীয় বলেন, রাজেন্দ্র আমার ভাইপো ছিল। খুব ভালো ছেলে। সকলের বিপদে সে ঝাঁপিয়ে পড়ত। তাকে এরকম হবে খুন করা হবে তা ভাবতে পারিনি। আমরা দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।

    দলীয় নেতা খুন হওয়ার প্রতিবাদে বিজেপি-র (BJP) রাস্তা অবরোধ

    শনিবার বিজেপি (BJP) নেতা রাজেন্দ্র সাউয়ের খুন হওয়ার পর ২৪ ঘণ্টা কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত কেউ গ্ৰেফতার হয়নি। পাশাপাশি এই খুনের ঘটনায় দুষ্কৃতীদের গ্রেফতারের দাবিতে রবিবার আসানসোলের রানিসায়ের মোড়ে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিজেপির কর্মী সমর্থকরা বিক্ষোভ দেখান। অবরোধকারীদের দাবি, খুনের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। এদিন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ বাহিনী যায়। বেশ কিছুক্ষণ বিক্ষোভ অবরোধ চলার পর অবশেষে অবরোধ ওঠে। অন্যদিকে, এই ঘটনার পিছনে ব্যবসায়িক শত্রুতা আছে বলেই মনে করছে পুলিশ।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক?

    দলের নেতার মৃত্যুর খবর পেয়ে এলাকায় যান বিজেপির (BJP) রাজ্য কমিটির সদস্য কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়। দলের নেতার মৃত্যুতে শাসক দলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিজেপির (BJP) আসানসোল সাংগঠনিক জেলার সভাপতি দিলীপ দে ও বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল। শনিবারও রাস্তা অবরোধ করা হয়। বিজেপি বিধায়ক বলেন, আমাদের কর্মীকে খুন করা হয়েছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

  • Arms Factory: পঞ্চায়েত ভোটের আগে হদিশ মিলল অস্ত্র কারখানার, বাজেয়াপ্ত প্রচুর অস্ত্র, গ্রেফতার ২

    Arms Factory: পঞ্চায়েত ভোটের আগে হদিশ মিলল অস্ত্র কারখানার, বাজেয়াপ্ত প্রচুর অস্ত্র, গ্রেফতার ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের আগে অস্ত্র কারখানার (Arms Factory) হদিশ মিলল দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বাসন্তী থানার রামচন্দ্রখালি পঞ্চায়েতের ছোটকলাহাজরা তেঁতুলতলা এলাকায়। পুরানো অস্ত্র মেরামতি করার পাশাপাশি নতুন অস্ত্র তৈরি করা হত সেখানে। একটি বাড়ির মধ্যেই চলত অস্ত্র কারখানা (Arms Factory)। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই বাড়ি থেকে প্রচুর অস্ত্র উদ্ধার করে। একইসঙ্গে এই অস্ত্র কারবার (Arms Factory) চালানোর অভিযোগে মূল অভিযুক্তসহ দুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। পঞ্চায়েত ভোটের আগে যেভাবে একের পর এক অস্ত্র কারখানা আর অস্ত্র ভাণ্ডার উদ্ধার হচ্ছে, তাতে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন জেলাবাসী।

    জরির কাজের আড়ালেই চলত অস্ত্রের কারখানা (Arms Factory)

    বাসন্তীর রামচন্দ্রখালির তেঁতুলতলা এলাকায়|পুকুরের পাড়ে খড়ের ছাউনির ঘরেই এই অস্ত্র তৈরির কারখানা (Arms Factory) ছিল। মহিলারা বাড়ির মধ্যে জরির কাজ করতেন। আর তার আড়ালেই চলত অস্ত্রের কারবার। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বারুইপুর পুলিশ জেলার স্পেশাল অপারেশন গ্রুপের ওসি লক্ষ্মীকান্ত বিশ্বাস ও বাসন্তী থানার এস আই সোমনাথ দাসের নেতৃত্বে পুলিশ সেখানে হানা দেয়। পুলিশ সূত্রের খবর, বাইকে করে পুলিশের বিশেষ টিম মোতালেবের ডেরায় যায়।  তারপর ক্রেতা সেজে তারা ওই বাড়িতে যায়। অস্ত্র নিয়ে দামদর করতেই একদল পুলিশ তার বাড়িতে ঢুকে পড়ে। ঘটনাস্থল থেকে সাতটি ইম্প্রোভাইজ লং আর্মস, ড্রিল মেশিনসহ অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম পুলিশ বাজেয়াপ্ত করে। আর এই কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে মোতালেব পুরকাইত এবং জয়নাল মোল্লাকে পুলিশ গ্রেফতার করে। বাসন্তী, ক্যানিং, গোসাবায়  মোটা টাকায় অস্ত্র বিক্রি করা হত বলে পুলিশ জানতে পেরেছে। ওয়ান শাটারের দাম ১২ হাজার টাকা এবং  একনলা সিঙ্গেল ব্যারেল পাইপগান ৬৫ হাজার টাকায় বিক্রি হত।

    কী বললেন জেলা পুলিশ সুপার?

    বারুইপুর পুলিশ জেলার সুপার মিস পুষ্পা বলেন, সকলের চোখে ধূলো দিতে ওই বাড়িতে মহিলারা জরির কাজ করত। এই কারবারের সঙ্গে আর কারা জড়িত রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মোতালেব পুরকাইতকে ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ অস্ত্র কারখানা (Arms Factory) চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সেই সময় উদ্ধার হয়েছিল ৬ টি আর্মস। এবারও সেই একই অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda Murder: শ্বশুরবাড়িতে কুড়ুল দিয়ে হত্যালীলা জামাইয়ের, প্রাণ গেল কিশোরীসহ ৩ জনের

    Malda Murder: শ্বশুরবাড়িতে কুড়ুল দিয়ে হত্যালীলা জামাইয়ের, প্রাণ গেল কিশোরীসহ ৩ জনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্ত্রীর সঙ্গে সামান্য বিষয় নিয়ে বচসা। আর তার জেরেই কুড়ুল দিয়ে হত্যালীলা চালাল স্বামী টুবাই মণ্ডল। স্ত্রীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে এলোপাথারি কোপানোর (Malda Murder) অভিযোগ উঠল তার বিরুদ্ধে। আর তার এই নৃশংস এই হামলা জেরে মৃত্যু হল কিশোরী সহ দুজনের। আর ঘটনার পর নিজে পালাতে গিয়ে ছাদ থেকে পড়ে তারও মৃত্যু হয়।  শনিবার সন্ধ্যায় মর্মান্তিক এই ঘটনার সাক্ষী থাকল মালদহের (Malda Murder) ইংরেজবাজারের কমলাবাড়ি বাঁধাপুকুর এলাকা। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম লক্ষ্মী মণ্ডল (১৪), দীপ্তি সিংহ মণ্ডল (২৪) এবং টুবাই মণ্ডল (৩৫)। লক্ষ্মী মণ্ডল হচ্ছে টুবাইয়ের শালীর মেয়ে। দীপ্তি সিংহ মণ্ডল হচ্ছে টুবাইয়ের শ্যালকের স্ত্রী। আর হামলায় গুরুতর জখম হন টুবাইয়ের স্ত্রী নির্মলা মণ্ডল। তাঁকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত টুবাই মণ্ডল ভিন রাজ্যে কাজ করত। গত কয়েক মাস ধরে স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে তার ঝামেলা চলছিল। সম্প্রতি সে ভিন রাজ্য থেকে বাড়িতে ফেরে। তার স্ত্রী নির্মলাদবী বাপের বাড়িতে ছিলেন। শনিবার টুবাই স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে শ্বশুরবাড়িতে যায়। অভিযোগ, স্ত্রী তার সঙ্গে শ্বশুরবাড়ি ফিরতে রাজি হননি। এরপরই দুজনের মধ্যে বচসা হয়। হাতের সামনে কুড়ুল নিয়ে সে তার স্ত্রীকে এলোপাথারি কোপ (Malda Murder) মারে। মাসিকে কোপাতে দেখে চোদ্দ বছরের লক্ষ্মী মেশোমশাইকে বাধা দিতে যায়। তাকেও টুবাই এলাপাথারি কোপায়। পরে, শ্যালকের স্ত্রীও টুবাইকে বাধা দিতে যান। তাঁকেও সে কুড়ুল দিয়ে এলোপাথারি কোপায়। ঘরের ভিতর যখন এরকম নৃশংস তাণ্ডবলীলা চলছে, সেই সময় বাইরে প্রতিবেশীরা ভিড় করতে শুরু করেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে কুড়ুল ফেলে সে ছাদ থেকে লাফ দেয়। সেখান থেকে নীচে পড়ে  ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।  

    কী বললেন মৃতের বাড়ির লোকজন?

    টুবাইয়ের শ্যালক মৃদুল মণ্ডল বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় আমরা কেউ বাড়িতে ছিলাম না। জামাইবাবু সন্ধ্যার সময় আমাদের বাড়িতে আসে।   বাড়ির দরজা লাগিয়ে দিয়ে এই তাণ্ডব চালায় সে। হামলার জেরে আমার স্ত্রী আর বোনঝির মৃত্যু হয়েছে। আর আমার বোন গুরুতর জখম। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগেও আমার বোনকে ও মেরে পা ভেঙে দিয়েছিল। ওর অত্যাচারের জন্যই আমার বোন শ্বশুরবাড়ি যেতে রাজি হয়নি। তারজন্য এভাবে ও হত্যালীলা (Malda Murder) চালাবে তা ভাবতে পারিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Texas Shooting: বন্দুকবাজের গুলিতে ফের রক্তাক্ত আমেরিকা, নিহত শিশু সহ ৫

    Texas Shooting: বন্দুকবাজের গুলিতে ফের রক্তাক্ত আমেরিকা, নিহত শিশু সহ ৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দুকবাজের গুলিতে (Texas Shooting) ফের রক্ত ঝরল আমেরিকায় (America)। এবার অকুস্থল টেক্সাসের ক্লিভল্যান্ড। বছর আটেকের এক শিশু সহ ৫ প্রতিবেশীকে গুলি করে খুন করার অভিযোগ। গুলিবিদ্ধ হয়েছে আরও তিনজন। জানা গিয়েছে, যাঁদের গুলি করে খুন করা হয়েছে, তাঁরা সবাই দক্ষিণ আমেরিকার দেশ হন্ডুরাস থেকে টেক্সাসে এসেছিলেন। ফ্রান্সিসকো ওরোপেজ নামে ওই বন্দুকবাজের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি।

    কী পরিস্থিতিতে বন্দুকবাজ গুলি চালাল (Texas Shooting)?

    শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ বাড়ি লাগোয়া একটি ফাঁকা জায়গায় এআর-১৫ স্টাইলের একটি বন্দুক নিয়ে গুলি ছুড়ছিলেন বন্দুকবাজ। ওই সময় নিহতরা তাঁকে শব্দ করতে বারণ করেন। তাঁরা তাঁকে জানান, বাচ্চাকে ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করছেন তাঁরা। শব্দ করায় বাচ্চা ঘুমোচ্ছে না। সেই সময় বন্দুকবাজ বলেন, আমার বাড়ির সীমানায় আমি যা খুশি করব। অভিযোগ, এর পরেই বন্দুকবাজ তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় শিশু সহ পাঁচজনের।

    সান জাসিন্টো কাউন্টির (Texas Shooting) শেরিফ গ্রেগ ক্যাপারস সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, প্রতিবেশীরা ফান্সিসকোর বাড়ির সীমানার কাছে এসে তাকে বলেছিলেন, কিছু মনে করো না। আমাদের বাচ্চাকে ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করছি। তুমি এখন শব্দ করো না। সেই সময় ফ্রান্সিসকো বলে, আমার বাড়ির সীমানায় আমি যা খুশি করব। সে সময় সিসি টিভি ক্যামেরায় ফ্রান্সিসকোকে বন্দুক নিয়ে তেড়ে আসতে দেখা যায়। তিনি জানান, এর পরেই বছর চল্লিশের ওই বন্দুকবাজ এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। শেরিফ বলেন, গুলিবিদ্ধ হয়েও ওই মহিলারা বাচ্চাদের বাঁচানোর চেষ্টা করছিলেন।

    আরও পড়ুুন: প্রতিবাদ পরিণত হিংসায়, মণিপুরে বন দফতরের অফিসে আগুন, নৈশ কারফিউ

    বন্দুকবাজ যাঁদের খুন করেছে, তাঁদের প্রত্যেকের মাথায় গুলি করেছে। তিনি জানান, গুলি চালানোর সময় বাড়িটিতে ১০জন ছিলেন। মৃতেরা প্রত্যেকেই হন্ডুরাস থেকে টেক্সাসে এসেছিলেন। তিনি জানান, বন্দুকবাজ (Texas Shooting) এই শহরে এসেছিল মেক্সিকো থেকে। ঘটনার পরে পরেই কাউন্টি থেকে চম্পট দিয়েছে ওই দুষ্কৃতী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: প্রতিবাদ পরিণত হিংসায়, মণিপুরে বন দফতরের অফিসে আগুন, নৈশ কারফিউ

    Manipur: প্রতিবাদ পরিণত হিংসায়, মণিপুরে বন দফতরের অফিসে আগুন, নৈশ কারফিউ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারের পর ফের শনিবার। উত্তপ্ত মণিপুর (Manipur)। পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে শনিবার বিকেল ৫টা থেকে ভোর ৫টা অবধি জারি করা হয়েছে নৈশ কারফিউ (Night Curfew)। জারি হয়েছে ১৪৪ ধারাও। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেটও। এদিকে, শুক্রবার গভীর রাতে চূড়াচাঁদপুর জেলায় বন দফতরের অফিসে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। খবর পেয়ে দ্রুত চলে আসে দমকল। আগুনও নেভানো হয়। যদিও তার আগেই পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে অফিসের বহু নথিপত্র। নষ্ট হয়েছে প্রচুর সরকারি সম্পত্তিও। পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষও হয়। প্রসঙ্গত, স্থানীয় আদিবাসী সংগঠন ট্রাইবাল লিডার্স ফোরামের তরফে আন্দোলন চলছে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে।

    উত্তপ্ত মণিপুর (Manipur)…

    মণিপুরের তখতে রয়েছে বিজেপি (BJP) সরকার। সম্প্রতি সংরক্ষিত ও সংরক্ষিত বন ও হ্রদগুলির ওপর সমীক্ষা শুরু করেছে সরকার। মূলত তা নিয়েই আপত্তি আন্দোলনকারীদের। কেবল তাই নয়, বিজেপি সরকার ধর্মস্থলগুলিকে সম্মান দিচ্ছে না বলেও অভিযোগ তাদের। চার্চে ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করছে তারা। যদিও রাজ্য সরকারের দাবি, রাজনৈতিক উসকানির জেরেই অশান্ত হয়ে উঠেছে রাজ্যের পরিস্থিতি।

    আদিবাসী (Manipur) সংগঠন ট্রাইবাল লিডার্স ফোরামের সম্পাদক মন টোমবিং বলেন, সরকারের সঙ্গে অসহযোগিতা জারি থাকবে। এন বীরেন সিংহ সরকারের সঙ্গে আপোসের কোনও প্রশ্নই নেই। তিনি বলেন, যদি সমীক্ষা করতেই হয়, তাহলে তা করতে হবে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলে। জোর করে কিছুই করা যাবে না। ডেপুটি কনজারভেটর অফ ফরেস্ট জৌকুমার লংজাম জানান, সমীক্ষাটি করা হচ্ছে বন দফতর ও রাজস্ব দফতরের মধ্যে তৈরি হওয়া সংশয় দূর করতে।

    আরও পড়ুুন: রেড রোডে দলের সংখ্যালঘু সেলের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধলেন শুভেন্দু! কী বললেন?

    এর সঙ্গে উচ্ছেদের কোনও সম্পর্ক নেই। তবে প্রক্রিয়া প্রয়োগের ক্ষেত্রে কিছু ভুলচুক হয়ে থাকতে পারে। তিনি বলেন, সরকারি দফতরের কাজে কিছু ভুল হচ্ছে বলে মনে করলে আলোচনার রাস্তা সব সময় খোলা। এজন্য যে কেউ আইনের দ্বারস্থ হতে পারেন। কিন্তু হিংসায় কোনও সুফল মিলবে না। প্রসঙ্গত, চলতি মাসের ২৭ তারিখে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল (Manipur) মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহের। তার আগেই অনুষ্ঠানস্থল এলাকায় চালানো হয় ভাঙচুর। লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুন। তার পরেই নৈশ কারফিউ এবং ১৪৪ ধারা জারির সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share