Tag: bangla news

bangla news

  • Indian Standard Time: ভারতের বুকে এমনও গ্রাম আছে, যেখানে ঘড়িতে ১২ টার পর বাজে ১১ টা!

    Indian Standard Time: ভারতের বুকে এমনও গ্রাম আছে, যেখানে ঘড়িতে ১২ টার পর বাজে ১১ টা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিনিয়ত সময় (Indian Standard Time) এগিয়ে চলেছে তার নিজের গতিতে। সবকিছু প্রতি মিনিটে, ঘণ্টায় বদলে যাচ্ছে। জীবনের নির্ধারিত সময় কমে আসছে প্রত্যেক মুহূর্তে। অথচ সময়কে আটকানোর কোনও উপায় নেই। বাড়িতে থাকা ঘড়ি আমাদের সব সময় জানান দেয়, সময় কতটা এগিয়ে গেল। ঘরের দেওয়াল থেকে শুরু করে হাতে ও মোবাইলে সব জায়গায় ঘড়ি তার সময়ের হিসাব দিয়ে চলেছে সব সময়। ঘড়ির কাঁটা ঘুরে চলেছে সময়ের স্রোতে। কিন্তু কখনও কি মাথায় এসেছে, ঘড়ির কাঁটা যদি উল্টো দিকে ঘোরে? যদি দুপুর ১২ টার পর ১১ টা বাজে? কি, শুনলে হাসিঠাট্টা লাগছে তো? কিন্তু বাস্তবে এমনটাই হয় ভারতের বুকে এক গ্রামে, যেখানে ঘড়ির কাঁটা ঘোরে সময়ের উল্টো দিকে।

    কোথায় এই ধরনের উল্টো ঘড়ি দেখা যায়?

    ভারতের বুকেই আছে এমন এক গ্রাম, যেখানে সময় (Indian Standard Time) চলে তার বিপরীত দিকে। ঘড়ির কাঁটা ঘোরে তার নির্ধারিত সময়ের উল্টোদিকে। যেখানে দুপুর ১ টার পর ২ টো নয়, বাজে ১২ টা, অর্থাৎ একদম উল্টো সময় বলে সেখানকার ঘড়ি। এমনটা হয় ছত্তিসগড়ের কোরবা নামক জেলায়, সেখানে গেলেই এই অদ্ভুত দৃশ্য চোখে পড়ে। শোনা যায়, ছত্তিসগড়ের আরও অনেক জায়গায় এই ঘড়ি প্রচলিত আছে। মধ্য ভারতের এই ছত্তিসগড় রাজ্যের বিচ্ছিন্ন অঞ্চল জুড়ে ছড়িয়ে থাকা একটি উপজাতি হল গোন্ড। এই উপজাতিই সাধারণত ব্যবহার করে এই উল্টো ঘড়ি। এমনকী ভারতের ফৌজদারি আইন ছাড়া আইনকানুন, সমাজব্যবস্থা, অর্থনীতি সব কিছুই আলাদা, সব হয় তাদের নিয়ম অনুযায়ী। যেন ভারতের বুকে এক অন্য পৃথিবী। গ্রামের যে কোনও সমস্যা ও বিষয় পরিচালিত হয় তাদের নিজস্ব গ্রামসভার মাধ্যমে। প্রচলিত নিয়মের বাইরে তাদের নিজস্ব তাত্ত্বিক জীবনদর্শনকেই প্রাধান্য দেয় তারা। আর বহু বছর আগে থেকেই চলে আসছে তাদের এই সময়ের উল্টো স্রোতে ভেসে চলা।

    কেন এমন নিয়ম মানেন তাঁরা?

    গোন্ড উপজাতিদের বিশ্বাস, আমাদের জীবনের সময় (Indian Standard Time) বাড়ে না, বরং ক্রমশ কমে আসছে প্রতিনিয়ত। তাই দুপুর ১ টার পর তাদের সময় কমে ১২ টা হয়। এমনকী চাঁদ পৃথিবীকে এবং পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে ঘড়ির কাঁটার উল্টোদিকেই। এই সব কারণকে সামনে রেখেই তাদের মতানুযায়ী নিজেদের ঘড়ি নির্মাণ করেন, যে ঘড়ি সময়ের উল্টোদিকে চলে। তাদের এই ঘড়িকে অনেকে গণ্ডোয়ানা ঘড়ি বলে নামাঙ্কিত করেছেন।  তাদের মতে, প্রকৃতির নিয়ম মেনে এটিই একমাত্র আদর্শ ঘড়ি যা সঠিক সময় বলে।

    বিয়ের সাতপাকও ঘড়ির কাঁটার উল্টো দিকে

    শুধু যে ঘড়ির ক্ষেত্রে কাঁটা উল্টো দিকে ঘোরে তা নয়, এই উপজাতি বস্তির যখন কোনও বিবাহ অনুষ্ঠান থাকে, সেই বিবাহে স্বামী-স্ত্রীর অগ্নিসাক্ষী রেখে সাতপাক ঘোরার সময়ও (Indian Standard Time) তারা সাধারণ নিয়মের উল্টো দিকেই ঘোরে। সব মিলিয়ে জানা গেছে, সেখানে প্রায় দশ হাজারের বেশি পরিবারে ব্যবহৃত হয় এই একই নিয়ম ও এই উল্টো ঘড়ি। গোন্ড উপজাতি ছাড়াও সেখানে আরও প্রায় ২৯ টি সম্প্রদায় আছে যারা এই অদ্ভুত রীতি মেনে চলে।  আর এই অদ্ভুত রীতিনীতির জন্যই এদেরকে সাধারণের থেকে আলাদা হিসাবে গণ্য করা হয়, যা ভারতের বুকে সত্যিই বিচিত্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: পুরসভার ঝিল দখল করে বিল্ডিং নির্মাণ, দলের কাউন্সিলারের বিরুদ্ধেই অভিযোগ তুলছে তৃণমূল

    TMC: পুরসভার ঝিল দখল করে বিল্ডিং নির্মাণ, দলের কাউন্সিলারের বিরুদ্ধেই অভিযোগ তুলছে তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলিপুরদুয়ার শহরে ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলারের বিরুদ্ধেই ঝিল দখল করে বিল্ডিং তৈরির অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এনিয়ে শাসকদলের অন্দরেও শোরগোল পড়ে গেছে।  

    কি অভিযোগ?

    আলিপুরদুয়ার শহরে জলাশয় ও ঝিল দখলের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। শহরের বহু পুরনো ঝিল এলাকার নেতাদের মাধ্যমে বেদখল হয়ে গিয়েছে, এমনটাই এলাকাবাসীর প্রধান অভিযোগ। তবে ঝিল দখলে এবার নাম জড়িয়েছে খোদ পুরসভার এক কাউন্সিলারের। বিরোধীদের অভিযোগ নয়, খোদ তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) প্রাক্তন জেলা সভাপতি প্রশান্তনারায়ণ মজুমদার (জহর) জেলা প্রশাসনের কাছে লিখিতভাবে এমনই অভি্যোগ জানিয়েছেন বলে জানা গেছে। তিনি আরও একধাপ এগিয়ে বলেন, আলিপুরদুয়ার টাউন ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসটি তৈরি করা হয়েছে ঝিলের উপরেই। শাসকদলের কাউন্সিলার থেকে নেতারাই যদি এ ধরনের কাজে যুক্ত থাকেন, সাধারণ মানুষ কী করবেন? এমনটাই অভিযোগ স্থানীয় মানুষের।

    শাসক দলের মন্তব্য

    তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) টাউন ব্লক সভাপতি দীপ্ত চট্টোপাধ্যায় বলেন, আলিপুরদুয়ার শহরের টাউন ব্লক পার্টি অফিসটি আমরা নতুন করে তৈরি করিনি। অনেক আগে সেখানে দোকান ছিল। সেই দোকান কিনে নিয়ে পার্টি অফিস চালু করা হয়েছে। শহরের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার অরূপা রায় বলেন, যে জমিতে তাঁর বাড়িটি রয়েছে, সেই জমির বৈধ কাগজপত্র রয়েছে। ঝিল দখলের অভিযোগ তিনি উড়িয়ে দিয়েছেন। প্রশান্ত নারায়ণ মজুমদার (জহর) বলেন, ওনার পুরনো বাড়ি নিয়ে আমার বক্তব্য নেই। তবে ইদানীং ঝিল দখল করে যে অংশ জুড়ে নির্মাণ করা হয়েছে, সেই জলাজমি নিয়েই আমি অভিযোগ প্রশাসনের কাছে জানিয়েছি।

    প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জমা

    এ নিয়ে আলিপুরদুয়ার শহরের প্রবীণ আইনজীবী নারায়ণ মজুমদার (জহর) জেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। সেই অভিযোগের প্রতিলিপি পুরসভার চেয়ারম্যানের কাছেও জমা দিয়েছেন জহরবাবু। ঝিল দখলের অভিযোগ ওঠায় আলিপুরদুয়ার পুরসভার চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ কর জানিয়েছেন, কাউন্সিলার বা চেয়ারম্যান যদি কেউ বেআইনিভাবে ঝিল দখল করে থাকেন, তবে তা হলে কেউই আইনের ঊর্ধ্বে যেতে পারবেন না। আইন আইনের পথেই চলবে। এইভাবে জলাজমির উপর অবৈধ নির্মাণ বন্ধে প্রশাসন কবে কার্যকার ভূমিকা পালন করবে, তাই এখন দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Salman Khan: ইস্টবেঙ্গলের অনুষ্ঠানে মঞ্চ মাতালেন সলমন, বললেন, “আই লভ কলকাতা”

    Salman Khan: ইস্টবেঙ্গলের অনুষ্ঠানে মঞ্চ মাতালেন সলমন, বললেন, “আই লভ কলকাতা”

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি এলেন। গাইলেন। জয় করলেন। ১৩ বছর বাদে শনিবার ফের কলকাতায় এলেন সলমন খান (Salman Khan)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন পূজা হেগড়ে, জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ, সোনাক্ষি সিনহার মতো নায়িকারা। মাস কয়েক ধরে ক্রমাগত প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছেন সাল্লু মিঞা। শনিবাসরীয় সন্ধ্যায় সেসব উপেক্ষা করেই মঞ্চ মাতালেন তিনি। নিজের হিট গান ‘ও ও জানে জানা’, ‘জিনে কে হ্যায় চার দিন’, ‘মুন্নি বদনাম হুয়ি’ গানের সঙ্গে নাচলেনও।

    সলমন খান (Salman Khan)…

    এদিন দুপুরে কলকাতায় পা রেখেই কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যান সলমন। তাঁকে উত্তরীয় পরিয়ে স্বাগত জানান মুখ্যমন্ত্রী। নিরাপত্তার কারণে সলমনের থেকে অনেক দূরেই আটকে দেওয়া হয় সলমন ভক্তদের। তবে তাতে কী? কেউ মোবাইল ক্যামেরায় ধরে রাখলেন প্রিয় নায়কের ছবি। কেউ আবার প্রমাণ সাইজের কাটআউটে মালা পরিয়ে স্বাগত জানলেন ভাইজানকে।

    এদিন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বলিউড থেকে উড়ে এসেছিলেন সলমন (Salman Khan)। সেখানেই কখনও নাচে, কখনও গানে মন জয় করলেন ফ্যানদের। অত্যুৎসাহী এক মহিলা ভক্ত মঞ্চ উঠে আচমকাই জড়িয়ে ধরেন প্রিয় নায়ককে। দৃশ্যতই অপ্রস্তুতে পড়ে যান ভাইজান। এদিন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের তরফে আজীবন সদস্যপদ দিয়ে সম্মানিত করা হয় সলমনকে। অনুষ্ঠান শেষে ক্লাবের তরফে তাঁকে দেওয়া হয় সম্মাননাও। রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী তাঁকে লাল-হলুদ উত্তরীয় পরিয়ে সম্মানিত করেন।

    আরও পড়ুুন: ‘‘ইমরান খান সন্ত্রাসবাদীদের চেয়ে কম কিছু নয়’’, তোপ পাক প্রধানমন্ত্রীর

    পরে মঞ্চে ওঠেন ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকার। ছিলেন ইস্টবেঙ্গলের বাকি কর্মকর্তারাও। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের শতবর্ষ উপলক্ষে তৈরি বিশেষ মুদ্রাও দেওয়া হয় স্মারক হিসেবে। সলমনের (Salman Khan) প্রিয় ২৭ নম্বর লাল-হলুদ জার্সিও তুলে দেওয়া হয় সল্লু মিঞার হাতে। প্রতীকী হিসেবে তুলে দেওয়া হয় মাঠের ঘাস এবং মাটি। এদিন মঞ্চে ‘চান্দ ছুপা বাদল’ ও তাঁর ছবি ‘বডিগার্ডে’র বিখ্যাত গান ‘আই লাভ ইউ’তে গলাও মেলালেন সলমন। জ্যাকেট খুলে কাছে টেনে নিলেন জ্যাকলিনকে। নাচলেন। শেষে কলকাতার উদ্দেশে বললেন, “কলকাতা ইজ টু হট…, আই লভ ইট।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: তৃণমূলের মিটিংয়ে হামলা চালালো দলেরই কর্মীরা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    TMC: তৃণমূলের মিটিংয়ে হামলা চালালো দলেরই কর্মীরা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল (TMC) কংগ্রেসের মিটিংয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল দলেরই অপর গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। হামলায় এক তৃণমূল কর্মী গুরুতর জখম হন। তাঁকে ভগবানপুর হাসপাতালে নিয়ে এসে চিকিত্সা করা হয়। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুর-১ ব্লকের শিমুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। এই ঘটনায় তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে আসে।

    ঠিক কী ঘটেছে ?

    ভগবানপুর-১ ব্লকের শিমুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ভীমেশ্বরী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃণমূলের (TMC) কর্মী-সমর্থকরা মিটিং করছিলেন। সেই সময় তৃণমূলের (TMC) অন্য গোষ্ঠীর লোকজন এই হামলা চালায় বলে অভিযোগ। হামলার জেরে এক তৃণমূল কর্মীর মাথা ফেটে যায়। জখম হন সেখ মুত্তালিব নামে এক তৃণমূল কর্মী। তাঁর বাড়ি কিশোরপুর গ্রামে। অভিযোগ, শিমুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান দীপ্তেন্দু   মাইতির নির্দেশে এই হামলা হয়েছে। মিটিংয়ে ডাক না পাওয়ার কারণে দলের বিরুদ্ধ গোষ্ঠী এই হামলা চালিয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের প্রাক্তন সদস্য তৃণমূল (TMC) নেত্রী সবিতা প্রধানও আক্রান্ত হয়েছেন।

    হামলা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    আক্রান্ত তৃণমূল (TMC) কর্মী সেখ মুত্তালিব বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী হয়েও দলের ছেলেদের হাতে আক্রান্ত হলাম। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে দোষীদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। হামলার ঘটনার নিন্দা করেছেন ভগবানপুর-১ পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি শেখর পন্ডিত। তিনি বলেন, এই হামলা অন্য কোনও রাজনৈতিক দলের কর্মীরা করেনি। করেছে, আমাদের দলের কর্মীরা। দুর্নীতি মুক্ত পঞ্চায়েত গড়তে আমরা উদ্যোগী হয়েছিলাম। তাই এই হামলা হয়েছে। ইনডোর মিটিং চলাকালীন হামলা হয়েছে। হামলা করেছে এলাকারই কয়েকজন তৃণমূল কর্মী। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ভগবানপুরের প্রাক্তন বিধায়ক অর্ধেন্দু মাইতির ভাই দীপ্তেন্দু মাইতি। শিমুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বর্তমান উপপ্রধান দীপ্তেন্দু মাইতি বলেন, তৃণমূলের কোনও মিটিং ছিল বলে আমার জানা নেই। আমি তো ডাক পাইনি। হামলার কোনও ঘটনা আমার জানা নেই।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি স্বপন রায় বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাজ্যে তৃণমূলের (TMC)  নবজোয়ার শুরু হয়েছে। সেখানে তৃণমূল কর্মীরা গোপন ব্যালট নিয়ে প্রকাশ্যে মারামারি করছেন, কোথাও পঞ্চায়েতে চুরির  লাইসেন্স কার হাতে থাকবে তা নিয়ে নিজেদের মধ্যে মারামারি হচ্ছে। তৃণমূলের (TMC) মারে তৃণমূল কর্মীদেরই মাথা ফাটছে। আদালতের একের পর এক রায়ে তৃণমূল নেতা কর্মীদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। এদের বিদায় আসন্ন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hypertension: চাপ ও অস্থিরতায় বাড়ছে হাইপারটেনশন! কেমন জীবনযাপন কমাতে পারে এই রোগ? 

    Hypertension: চাপ ও অস্থিরতায় বাড়ছে হাইপারটেনশন! কেমন জীবনযাপন কমাতে পারে এই রোগ? 

     তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আধুনিক ব্যস্ত জীবনে উদ্বেগ, মানসিক চাপ আর ব্যস্ততা নিত্যসঙ্গী। আর এসবের সঙ্গে শরীরে নানা রোগের প্রকোপ বাড়ছে। হাইপারটেনশন (Hypertension) তার মধ্যে অন্যতম! ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর মেডিক্যাল রিসার্চ-এর তথ্য অনুযায়ী, প্রতি দশজন ভারতীয়র মধ্যে চারজন হাইপারটেনশনে ভোগেন। এরাজ্যেও বাড়ছে হাইপারটেনশনের সমস্যা। বয়স্কদের পাশাপাশি কমবয়সীদের মধ্যেও হাইপারটেনশনের সমস্যা বাড়ছে। তাই দীর্ঘমেয়াদী সুস্থ জীবন কাটাতে জরুরি সচেতনতা। আগামী ১৭ মে ওয়ার্ল্ড হাইপারটেনশন ডে! তাই চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, বছরভর সতর্ক থাকলে কমতে পারে বিপদ!

    হাইপারটেনশন থাকলে কোন ঝুঁকি বাড়ে? 

    হাইপারটেনশনে (Hypertension) সবচেয়ে ঝুঁকি বাড়ে হার্টের! উচ্চ রক্তচাপ হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিও কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়া, মানসিক অস্থিরতা, মানসিক চাপের মতো সমস্যাও তৈরি হয়।

    কীভাবে বুঝবেন আপনার হাইপারটেনশন আছে? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, হাইপারটেনশনের (Hypertension) কিছু উপসর্গ আছে। যা থেকে বোঝা যায়, কেউ এই সমস্যায় আক্রান্ত কিনা! চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, হাইপারটেনশনের প্রধান উপসর্গ হল মাথার পিছনে যন্ত্রণা। মাঝেমধ্যেই, কয়েকদিনের ব্যবধানে মাথার পিছনের অংশে অসম্ভব যন্ত্রণা হাইপারটেনশনের অন্যতম উপসর্গ! উচ্চ রক্তচাপ হাইপারটেনশনের উপসর্গ। শরীরে ক্লান্তি, কোনও কাজেই এনার্জি না পাওয়া হাইপারটেনশনের উপসর্গ।হাইপারটেনশন থাকলে বমি হয়। মানসিক অস্থিরতা হাইপারটেনশনের উপসর্গ। যদি মাঝেমধ্যেই অকারণ দুশ্চিন্তা গ্রাস করে, তবে সেটাও হাইপারটেনশনের অন্যতম উপসর্গ।

    কোন কোন খাবার মেনুতে রাখলে হাইপারটেনশনের ঝুঁকি কমবে? 

    সময়মতো চিকিৎসা যত জরুরি, তেমনি জরুরি জীবনযাপনের ধরন। বিশেষত খাবারের দিকে নজর দেওয়া খুব জরুরি। কারণ, সঠিক খাবারের মেনু কমিয়ে দিতে পারে সমস্যা। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, যাদের হাইপারটেনশন রয়েছে, তাদের খাদ্য তালিকায় বাড়তি নজর থাকুক। বিশেষত নিয়মিত পেস্তা খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, পেস্তা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। নিয়মিত এই ড্রাই ফ্রুটস কমায় হৃদরোগের ঝুঁকি। তাই হাইপারটেনশনে খুব উপকারী পেস্তা। যে কোনও ভাবে পেস্তা খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। 
    উচ্চ রক্তচাপ কমানোর হাইপারটেনশনের (Hypertension) রোগীর খুব জরুরি। তাই নিয়মিত বিনস ও ডাল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, বিনস ও ডাল রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তাই হাইপারটেনশন রুখতে নিয়মিত খাবারের তালিকায় বিনস ও ডাল রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। টমেটো হাইপারটেনশন রুখতে খুব উপকারী। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, টমেটোতে থাকে পটাশিয়াম ও ক্যারোটিনালাইট। আর এই দুই উপাদান হাইপারটেনশন মোকাবিলায় সাহায্য করে। বিশেষত ক্যারোটিনালাইট হার্টের জন্য খুব উপকারী। খাবারের মেনুতে ব্রকোলি ও গাজর রাখলে হাইপারটেনশন কমাতে সাহায্য হবে। বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, ব্রকোলিতে আছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, যা রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করে। তাই এই সবজি খুব উপকারী। তাছাড়া গাজরে আছে ক্লোরোজোনিক ও ক্যাফেইক। এই উপাদানগুলো রক্তনালিকে ঠিকমতো কার্যকর রাখতে সাহায্য করে। তাই গাজর অত্যন্ত উপকারী। 
    কমলালেবু আর কলার মতো ফলও অত্যন্ত উপকারী। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, কমলালেবুতে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি থাকে। এই দুই উপদান উচ্চ রক্তচাপ কমাতে এবং হার্ট সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। আবার কলায় থাকে সোডিয়াম। সোডিয়াম হাইপারটেনশন (Hypertension) রুখতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত কলা খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suicide: মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের কেবিনে বিচারাধীন বন্দির ঝুলন্ত দেহ! রহস্য ঘনীভূত

    Suicide: মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের কেবিনে বিচারাধীন বন্দির ঝুলন্ত দেহ! রহস্য ঘনীভূত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নকশাল কেবিন থেকে বিচারাধীন বন্দির ঝুলন্ত দেহ (Suicide) উদ্ধার করল কোতোয়ালি থানার পুলিশ। মৃতের নাম দুলাল ভক্তা (৪৯)। বাড়ি ঝাড়গ্রাম জেলার বিরিহান্ডির বাগছাপা গ্রামে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, ৫ মে অর্থোপেডিক সমস্যা নিয়ে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়েছিলেন দুলাল। কেবিনের বাইরে নিরাপত্তারক্ষীরা থাকলেও কী করে এমন ঘটনা ঘটল, তার তদন্ত শুরু করেছে জেল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ। খবর পেয়ে হাসপাতালে যান ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট। শুক্রবার দুপুরে বাথরুমে গিয়ে গলায় গামছা দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর। বাথরুম থেকে না বের হওয়ায় ভিতরে ঢুকে নিরাপত্তারক্ষীরা দেখতে পান, ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছেন দুলাল। তাকে উদ্ধার করলেও বাঁচানো সম্ভব হয়নি। এই ঘটনায় হাসপাতালে শোরগোল পড়ে যায়।

    কী মামলা ছিল তাঁর বিরুদ্ধে?

    জানা গিয়েছে, ঝাড়গ্রাম থানার ২০২২ সালের একটি মামলায় গ্রেফতার হয়ে ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ঝাড়গ্রাম জেলে বিচারাধীন বন্দি ছিলেন দুলাল। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩২৬, ৩০৭ ধারায় মামলা ছিল। চিকিৎসার জন্য চলতি বছরের ১ এপ্রিল মেদিনীপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছিল। সেখান থেকে গত ৫ মে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয় মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২ টা নাগাদ ঘটনা (Suicide) ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে।

    কী জানালেন হাসপাতাল সুপার?

    মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সুপার জয়ন্ত রাউত বলেন, হাসপাতালের নকশাল কেবিনে এক বিচারাধীন বন্দির ঝুলন্ত দেহ (Suicide) উদ্ধার হয়েছে। জেল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকে সেখানে। তবে এই বিষয়ে জেল কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে একদিকে যেমন রহস্য ঘনীভূত হয়েছে, তেমনি নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে নিরাপত্তারক্ষীদের নজর এড়িয়ে তিনি ওইরকম কাণ্ড ঘটালেন, সেটাই ভাবাচ্ছে সবাইকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ABVP: বন্‌ধ ব্যর্থ করতে এবিভিপি-র ওপর হামলার অভিযোগ, কাঠগড়ায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদ

    ABVP: বন্‌ধ ব্যর্থ করতে এবিভিপি-র ওপর হামলার অভিযোগ, কাঠগড়ায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার শিলিগুড়ি পলিটেকনিক কলেজে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (এবিভিপি) ডাকা ১২ ঘণ্টার বন্‌ধ ব্যর্থ করতে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ উঠল। এদিন সকাল থেকেই বন্‌ধকে সফল করতে শিলিগুড়ি পলিটেকনিক কলেজের সামনে এবিভিপি’র সদস্যরা পিকেটিং করে। মূল অভিযোগ, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের একদল কর্মী বন্‌ধ ব্যর্থ করতে এসে আচমকা এবিভিপির সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। এবিভিপি সদস্যদের বাঁশ, রড দিয়ে পেটানো হয়। তাতে এবিভিপি-র কয়েকজন ছাত্র জখম হয়েছে। শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হলে একজন বাদে সকলকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়।

    কেন এই বন্‌ধ? 

    এবিভিপির তরফে জানানো হয়েছে, কলেজের ছাত্রছাত্রীদের একাধিক অসুবিধার কথা জানিয়ে বৃহস্পতিবার পলিটেকনিক কলেজে স্মারকলিপি জমা দিতে গেলে বাধা দেয় তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। অন্যদিকে পাল্টা অভিযোগ করে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। তাদের অভিযোগ, তৃণমূল ছাত্র পরিষদ স্মারকলিপি দিতে গেলে এবিভিপি-ই বাধা দেয়। এই অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে শিলিগুড়ির পলিটেকনিক কলেজ চত্বর। বাদানুবাদ থেকে দু-পক্ষ হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। ঘটনায় সংগঠনের দুই কর্মী জখম হওয়ার অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাতেই শিলিগুড়ি থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় এবিভিপি। সেই সঙ্গে শুক্রবার ১২ ঘন্টা শিলিগুড়ি পলিটেকনিক কলেজ ধর্মঘটের ডাক দেয় তারা।

    কেন তৃণমূলের হামলা?

    এই বন্‌ধকে ঘিরে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তার জন্য সকাল থেকেই কলেজের সামনে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন ছিল। উপস্থিত ছিলেন শিলিগুড়ি থানার আইসি অনুপম মজুমদার। শান্তিপূর্ণভাবে এবিভিপি পিকেটিং করছিল। সিংহভাগ ছাত্রছাত্রী বন্‌ধকে সমর্থন করায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। তারা এবিভিপির ছেলেদের কলেজ ছেড়ে যাওয়ার জন্য হুমকি দিতে থাকে। শুরু হয় দু-দলের মধ্যে বচসা, তারপর এবিভিপির সদস্যদের মারধর শুরু করে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। পুলিশের সামনেই দুষ্কৃতীদের দল এবিভিপি সদস্যদের মাটিতে ফেলে পেটায়। এবিষয়ে এবিভিপির রাজ্য কমিটির সদস্য অনিকেত দে সরকার বলেন, আমরা সকাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবে পিকেটিং করছিলাম। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের লোকজন আমাদের বাঁশ, লাঠি দিয়ে বেধড়ক মেরেছে৷ অনেকেই জখম হয়েছে।পুলিশের সামনে গোটা ঘটনা ঘটেছে।

    কী বলছে তৃণমূল ও পুলিশ?

    দার্জিলিং জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (সমতল) সভাপতি তনয় তালুকদার বলেন, মারধরের কোনও ঘটনাই ঘটেনি৷ রড, লাঠি নিয়ে এবিভিপির কিছু গেরুয়া গুন্ডা এখানে এসে দাঁড়িয়েছিল। আমরা স্লোগান দিলে তারা ভয়ে এখান থেকে পালিয়ে যায়। পুলিশ জানিয়েছে, এদিন এবিভিপির ডাকা বন্‌ধকে কেন্দ্র করে কলেজ চত্বরে উত্তেজনা দেখা দেয়। তৃণমূল ছাত্র পরিষদ ও এবিভিপির সদস্যরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। সময়মতো পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

    বিধায়কের নিন্দা

    খবর পেয়ে শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে এবিভিপির জখম কর্মী-সমর্থকদের দেখতে যান শিলিগুড়ির বিধায়ক বিজেপির শঙ্কর ঘোষ। তিনি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের গুন্ডাবাহিনী পুলিশের সামনে এবিভিপির শান্তিপূর্ণ পিকেটিংয়ে হামলা চালিয়েছে। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Education: বন্ধের মুখে দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়, সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকেই দায়ী করলেন সুকান্ত

    Education: বন্ধের মুখে দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়, সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকেই দায়ী করলেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্রুত উপাচার্য নিয়োগের দাবিতে রাজ্যপালের দ্বারস্থ হবে বিজেপি। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার পুরো পরিস্থিতির জন্য রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি দায়ী করেছেন। তাঁর কটাক্ষ, ‘বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রীর কোনও ধারণা আছে বলে মনে হচ্ছে না। তিনি আদৌ কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছেন কি না, তা অবশ্য আমার জানা নেই। কিন্তু তাঁর যে কোনও ধারণা নেই, রাজ্যে একের পর এক ভোট বিশ্ববিদ্যালয় (Education) গড়ে তিনি তা বুঝিয়ে দিয়েছেন। দক্ষিণ দিনাজপুরেরটাও একটা ভোট বিশ্ববিদ্যালয়। হয়তো পরের ভোটে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বালি, সিমেন্ট বরাদ্দ হবে।’ সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘গত বিধানসভা ভোটের আগে তড়িঘড়ি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তার কোনও নিজস্ব ভবন নেই, কর্মী নেই, অধ্যাপক নেই। অস্থায়ী কর্মীরা বেতন পাচ্ছেন না। সীমানা প্রাচীরও নেই। ভাড়া বাড়িতে ক্লাস চলে। এ কেমন বিশ্ববিদ্যালয়! আমরা প্রশাসনে নেই। তাই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বঞ্চিত পড়ুয়াদের পাশে সরাসরি দাঁড়ানোর মতো অবস্থা আমাদের নেই। কিন্তু এই বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্রুত উপাচার্য নিয়োগের জন্য আমরা রাজ্যপালের দ্বারস্থ হব।

    ক্ষোভে ফুঁসছেন জেলাবাসী

    রাজ্যের একমাত্র উপাচার্যহীন বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে এবার ক্ষোভে ফুঁসতে শুরু করেছে দক্ষিণ দিনাজপুর। এই জেলার বঞ্চনার ফিরিস্তিতে এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম জুড়ে যাওয়াকে ভালোভাবে নিচ্ছে না জেলাবাসী। রাজ্যপাল তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য এখনও এখানে কেন উপাচার্য নিয়োগ করছেন না, রাজ্য উচ্চশিক্ষা (Education) দফতরই বা কেন এই বিশ্ববিদ্যালয় সচল রাখার চেষ্টা চালাচ্ছে না, এসব নিয়েই বাড়ছে ক্ষোভ। এনিয়ে এদিন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব থেকে শুরু করে শিক্ষাবিদ সহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের তরফে ধারাবাহিক আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

    কী বললেন ছাত্র, শিক্ষক, গবেষকরা?

    বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র বলেন, উপাচার্য না থাকায় নানা ধরনের সমস্যা হচ্ছে। এখনও স্থায়ী বিল্ডিং নেই। আমাদের নতুন কোনও অধ্যাপকও দেওয়া হচ্ছে না। এনিয়ে আমরা খুব সমস্যায় পড়েছি। আমরা চাই, দ্রুত এই সমস্যাগুলি থেকে আমাদের রেহাই দেওয়া হোক।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের (Education) দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসা বিশিষ্ট শিক্ষক কৃষ্ণপদ মণ্ডল বলেন, দীর্ঘ আন্দোলনের পর আমরা জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় পেয়েছি। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের পথ চলা দু’বছর পেরিয়ে গেলেও কোনও উন্নতি হল না। এখনও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবনের কাজ হল না। এখন আবার উপাচার্যও নেই। আমরা ফের এনিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবো। ইতিহাস গবেষক সমিত ঘোষ বলছেন, ‘প্রান্তিক অঞ্চলের ছেলেমেয়েদের শিক্ষার অধিকারের জন্যই এই বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে উঠেছিল। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকাঠামোর উন্নতি না করে উল্টে দুর্বল করা হচ্ছে। এটা যথেষ্ট চিন্তার। দ্রুত উপাচার্য নিয়োগ করা ছাড়াও নিজস্ব ভবন নির্মাণের কাজে হাত দেওয়া আশু প্রয়োজন।’

    শিক্ষামন্ত্রীকে অভিযোগ ছাত্র পরিষদের

    এনিয়ে ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি সৌরভ প্রসাদের বক্তব্য, ‘রাজ্য সরকারের উদাসীন মনোভাবে দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Education) আজ বন্ধের মুখে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫০ জন ছাত্রছাত্রীর ভবিষ্যৎ কী? এই উদাসীন মনোভাবের জন্য জেলার শিক্ষাব্যবস্থা বিশ বাঁও জলে। বিভেদকামী শক্তিগুলি যখন উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে বিভাজন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তখন উত্তরবঙ্গের এক প্রান্তিক জেলার সঙ্গে এমন বঞ্চনা তাদেরই প্রশ্রয় দেওয়ার শামিল। এই সমস্ত বিষয় নিয়েই শিক্ষামন্ত্রীকে মেল করেছি। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ সহ অন্যান্য সমস্যাগুলি মেটানোর আর্জি জানিয়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tmc Extortion: তোলাবাজির অভিযোগ! শিলিগুড়িতে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের কোন্দল গড়ালো আদালতে

    Tmc Extortion: তোলাবাজির অভিযোগ! শিলিগুড়িতে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের কোন্দল গড়ালো আদালতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়ি রেগুলেটেড মার্কেটে আইএনটিটিইউসি-র দুই গোষ্ঠীর লড়াই দীর্ঘদিন ধরে চলছে। সংগঠনের বাজার কমিটির প্রাক্তন সভাপতি উমাশঙ্কর যাদবের সঙ্গে বর্তমান সভাপতি শ্যাম যাদবের গদি দখলের লড়াইকে (Tmc Extortion) কেন্দ্র করে অনেকদিন ধরেই শিলিগুড়ি নিয়ন্ত্রিত বাজার উত্তপ্ত। মাঝেমধ্যে ছোটখাট গোষ্ঠী সংঘর্ষও লেগেই আছে।

    তোলা আদায়ের অভিযোগ করায় মামলা

    এই লড়াইয়ে শ্যাম যাদবকে অনৈতিক সমর্থন দেওয়ার অভিযোগে আইএনটিটিইউসির দার্জিলিং জেলা (সমতল) সভাপতি নির্জল দে-র বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন উমাশঙ্কর যাদব। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় উমাশঙ্কর যাদব বিবৃতি দিয়ে নির্জল দে-র বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, মোটা টাকা নিয়ে নির্জল দে শ্যাম যাদবকে অন্যায় কাজে মদত দিয়ে যাচ্ছেন। তার জন্যই শিলিগুড়ি রেগুলেটেড মার্কেট গত আটমাস ধরে উত্তপ্ত (Tmc Extortion)। সোশ্যাল মিডিয়ায় এধরনের তোলাবাজির অভিযোগ করায় উমাশঙ্কর যাদবের বিরুদ্ধ ১৫ লক্ষ টাকার মানহানির মামলা দায়ের করেছেন আইএনটিটিইউসির দার্জিলিং জেলা (সমতল) সভাপতি নির্জল দে। তিনি বলেন, উমাশঙ্কর যাদব আমার বিরুদ্ধে তোলাবাজি সহ নানা ধরনের অনৈতিক কাজের মিথ্যা অভিযোগ করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। সে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এই মিথ্যা অভিযোগ করার জন্য আমি গত বুধবার শিলিগুড়ি আদালতে উমাশঙ্কর যাদবের বিরুদ্ধে ১৫ লক্ষ টাকার মানহানির মামলা করেছি।

    পাল্টা মামলার হুমকি উমাশঙ্করের

    উমাশঙ্কর যাদব বলেন, আমি এখনও কোনও মামলার চিঠি পাইনি। তাই মামলা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। তবে আমার বিরুদ্ধে নির্জল দে মামলা করলে আমিও তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করবো। আমার কাছে মামলা করার মতো পর্যাপ্ত নথি ও প্রমাণ রয়েছে। শ্যাম যাদবকে অনৈতিকভাবে এখানকার কমিটিতে সভাপতি বানিয়ে তাকে সামনে রেখেই তোলাবাজি (Tmc Extortion) করে চলেছেন নির্জল দে। মর্জিমতো শ্রমিক ছাঁটাই করছেন। এফসিআই’তে কাজের নাম করে বিহার থেকে শ্রমিক এনে রেগুলেটেড মার্কেটে কাজ করাচ্ছেন। এজন্য মোটা টাকা তাঁরা তুলছেন। স্থানীয় শ্রমিক কাজের সুযোগ হারাচ্ছে। এনিয়ে দোলা সেন সহ তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্ব ও মন্ত্রীদেরও চিঠি দিয়েছি। তারপরেও কিছুদিন আগে ছজন শ্রমিককে ছাঁটাই করা হয়েছে।  এর প্রতিবাদে গত ন’দিন ধরে আমরা বাজারে ধর্নায় বসেছি।

    কেন এই গোষ্ঠী-বিবাদ?

    শিলিগুড়ি নিয়ন্ত্রিত বাজারে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের দুই গোষ্ঠীর লড়াই দীর্ঘদিনের। একসময় উমাশঙ্কর যাদব আইএনটিটিইউসির এই বাজার কমিটির সভাপতি ছিলেন। নির্জল দে আইএনটিটিইউসির দার্জিলিং (সমতল) জেলা সভাপতি হয়ে আসার পরপরই উমাশঙ্কর যাদবকে সরিয়ে শ্যাম যাদবকে সভাপতি করা হয়। উমাশঙ্কর যাদবের অভিযোগ, অনৈতিকভাবে মুখের কথায় শ্যাম যাদবকে নির্জল দে সভাপতির চেয়ারে বসিয়েছেন নিজের স্বার্থসিদ্ধি (Tmc Extortion) করার জন্য। কিন্তু এখানকার শ্রমিকরা তার পাশে নেই। শ্যাম যাদব  দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই এখানে পুরনো শ্রমিক ছাঁটাই করে বিহার থেকে শ্রমিক এনে কাজ করাচ্ছেন। পুরনো শ্রমিকরা তা মেনে নিতে পারছেন না। কেননা তাঁরা জানেন, বিহার থেকে কেন শ্রমিক আনা হচ্ছে।

    কী বলছেন আইএনটিটিইউসির জেলা সভাপতি

    নির্জল দে বলেন, এধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগের জন্য আমি উমাশঙ্কর যাদবের বিরুদ্ধে মামলা করেছি। তিনি যদি আমার বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন, তাতে আমার বলার কিছু নেই। শ্যাম যাদবকে  সভাপতি করা হয়েছে সংগঠনের নিয়ম মেনে। এখানে কোনও অনৈতিক কাজ (Tmc Extortion) হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: হারিয়ে গিয়েছিল কানা দ্বারকেশ্বর নদী, খুঁজে পাওয়া গেল তাকে চাঁদুর ফরেস্টে!

    Arambagh: হারিয়ে গিয়েছিল কানা দ্বারকেশ্বর নদী, খুঁজে পাওয়া গেল তাকে চাঁদুর ফরেস্টে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে আরামবাগে (Arambagh) খোঁজ মিলল কানা দ্বারকেশর নদীর। সার্ভে করে নদীর চূড়ান্ত পর্যায়ের মাপজোকের পর আরামবাগের চাঁদুর ফরেস্টে মিলল এর অস্তিত্ব। হারিয়ে যাওয়া নদীর অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়ায় এলাকার মানুষ বিষয়টি নিয়ে প্রবল উৎসাহিত।

    নদীর প্রবাহ কেমন ছিল?

    আরামবাগ (Arambagh) শহরের বাইশ মাইল এলাকায় দ্বারকেশ্বর নদী থেকে শাখা নদীটি বেরিয়েছে, এলাকায় যা কানা দ্বারকেশ্বর নামে পরিচিত। কানা দ্বারকেশ্বরের বুক দিয়ে একসময় বইতো বিপুল জলরাশি। যার স্মৃতিচিহ্ন রয়ে গিয়েছে নদীর চরা পড়া জমিতে। বর্তমানে শহরের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার মধ্যে দিয়ে এই খাল আঁকাবাঁকা পথে বইছে। শহরের ভিতর খালটি নর্দমায় পরিণত হয়েছে। খালটির উৎসমুখ পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের ভাঁটার মোড়ে। শহরের ভিতর একাধিক জায়গায় খালের প্রবাহপথ কিন্তু বর্তমানে হারিয়ে গিয়েছে। যার সন্ধানেই শুরু হয় সার্ভের কাজ। শহর থেকে বেরিয়ে খালটি মিলেছে মলয়পুর খালে। সেই খাল খানাকুলের অরোরা খালে এবং তারপরে রূপনারায়ণ নদে মিশেছে। প্রসঙ্গত, কানা দ্বারকেশ্বর এখন মৃতপ্রায়। এলাকায় জবরদখলের সঙ্গে নোংরা ও কচুরিপানা জমে নদীর প্রবাহ এখন বর্তমানে অবরুদ্ধ। গতিপথের সন্ধানে সার্ভের কাজে নামে মহকুমা সেচ দফতর ও পুরপ্রশাসন।

    উদ্ধারে প্রশাসনের ভূমিকা

    কয়েকমাস আগে থেকে আরামবাগে (Arambagh) সার্ভের কাজ শুরু করে মহকুমা প্রশাসন। বুধবার আরামবাগ পুর প্রশাসন, আরামবাগ মহকুমার ভুমি ও ভুমি সংস্কার দফতরের আধিকারিক, আরামবাগ চাঁদুর ফরেস্টের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে কানা দ্বারকেশ্বর নদীর অস্তিত্ব পাওয়া যায় চাঁদুর ফরেস্ট সংলগ্ন এলাকা ও ফরেস্টের ভিতরের কিছু অংশে। চুড়ান্ত পর্যায়ে নদীর মাপ হয় চাঁদুর ফরেস্ট অঞ্চল এবং তেলিপাড়া মৌজায়। ১৯৩৩ সালে এই দুটি মৌজা থেকে দ্বারকেশ্বর নদীর অস্তিত্ব হারিয়ে যায়। মৃতপ্রায় হয়ে পড়ে দ্বারকেশ্বর নদী। আরামবাগ পুর প্রশাসনের ইঞ্জিনিয়ার পরীক্ষিত হালদার, আরামবাগ ভুমি ও ভুমি সংস্কার দফতরের আধিকারিক ইন্দ্রজিৎ বিশ্বাস ও ফরেস্টের একজন আধিকারিক উপস্থিত থেকে চূড়ান্তভাবে কানা দ্বারকেশ্বর নদীর অস্তিত্বকে চিহ্নিতকরণ করেন।

    বিশেষজ্ঞদের মতামত

    এই বিষয়ে আরামবাগ পুরসভার ইঞ্জিনিয়ার পরীক্ষিত হালদার বলেন, ফরেস্টের পাশে দ্বারকেশ্বর নদীর যে কানা খালটি আছে, তা কেউ জানতো না। এই খালটি আমাদের পুরসভার যে হেলথ সেকশন আছে, তারপর থেকে হারিয়ে গিয়েছিল। খালটি ১৯৩৩ সালের ম্যাপ অনুযায়ী কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত কেউ জানতো না। আমাদের কাজ কানানদীর অস্তিত্ব চিহ্নিত করা। সেই অনুযায়ী এদিন চূড়ান্তভাবে কানানদীর গতিপথ চিহ্নিত করা হল। বিষয়টা সম্পূর্ণ রাজ্য সরকার ও সেচ দফতরের। অপরদিকে আরামবাগ (Arambagh) মহকুমা সেচ দফতরের আধিকারিক দীনবন্ধু ঘোষ বলেন, মহকুমা প্রশাসনের নির্দেশে আমরা কাজটি শুরু করেছিলাম। একেবারে শেষ পর্যায়ের কাজ চলছে। আরামবাগ পুর প্রশাসন রিপোর্ট দিলে সংস্কারের বিষয়ে আলোচনা হবে এবং পূর্ণাঙ্গ সংস্কার করা হবে। আরামবাগ (Arambagh) মাস্টার প্লানের অন্তর্ভুক্ত এই শাখা নদীর পূর্ণাঙ্গ সংস্কার হলে উপকৃত হবেন আরামবাগ শহর এবং গোটা মহকুমার লক্ষাধিক মানুষ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share