Tag: bangla news

bangla news

  • India Pakistan: ‘‘প্রতিবেশীদের দোষারোপ পাকিস্তানের পুরনো অভ্যাস’’, পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    India Pakistan: ‘‘প্রতিবেশীদের দোষারোপ পাকিস্তানের পুরনো অভ্যাস’’, পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসবাদকে আশ্রয় ও মদত দিয়ে আসছে। নিজেদের ব্যর্থতার দায় প্রতিবেশী দেশের উপর চাপিয়ে দেওয়া তাদের পুরনো অভ্যাস। আফগানিস্তানের (Pakistan Afghanistan) সঙ্গে সীমান্ত সংঘাতের মধ্যেই সন্ত্রাস ইস্যুতে পাকিস্তানকে সরাসরি আক্রমণ শানাল ভারত। বৃহস্পতিবার বিদেশ মন্ত্রকের (India Pakistan) মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এমনই দাবি করেন। পাক-আফগান যুদ্ধে কার্যত আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়িয়ে জয়সওয়াল বলেন, ‘‘আফগানিস্তান নিজেদের মাটিতে সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে। তাতে পাকিস্তান ক্ষুব্ধ। আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা এবং স্বাধীনতার প্রতি ভারত শ্রদ্ধাশীল।’’

    পাকিস্তান-আফগানিস্তান সংঘর্ষ

    আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের বাহিনীর সঙ্গে সীমান্তে সংঘর্ষ বেঁধেছে পাকিস্তানের। এই পরিস্থিতিতে গা বাঁচাতে ফের ভারতকেই ঢাল করতে চাইলেন পাক মন্ত্রী। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খওজা আসিফ। আফগানিস্তানের সঙ্গে বর্তমান সম্পর্কের সমীকরণের প্রেক্ষাপটে কি ভারতের সঙ্গে সীমান্তে উত্তেজনার কোনও সম্ভাবনা রয়েছে? এই প্রশ্নের জবাবে খওজা আসিফ বলেন, ‘পাকিস্তান দুই তরফের সঙ্গেই যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত।’ এখানেই শেষ নয়, তিনি আরও দাবি করেছেন, ‘সীমান্তে ভারতের নোংরা নীতি নেওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে’। তাঁর দাবি, তাঁরা যে কোনও পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত।

    দিল্লির হয়ে ‘প্রক্সি যুদ্ধ’

    পাকিস্তানের (India Pakistan) প্রতিরক্ষামন্ত্রীর আরও অভিযোগ ছিল, দিল্লির হয়ে ‘প্রক্সি যুদ্ধ’ করছে তালিবান। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে নয়াদিল্লি। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা ঢাকতে প্রতিবেশীদের উপর দোষ চাপানো পাকিস্তানের পুরোনো স্বভাব।’ পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলিকে আশ্রয় দেয় এবং সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের পৃষ্ঠপোষকতা করে। আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং স্বাধীনতার প্রতি ভারত সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, এই বার্তা ছিল বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্রের। উল্লেখ্য, পাকিস্তান আফগানিস্তানের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে সেই দেশে হামলা চালিয়েছিল বলে দাবি করেছিল তালিবান সরকার। তালিবানের দাবি ছিল, পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদীদের আশ্রয় দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, গত বুধবার দুপুরে কাবুলে পাকিস্তানের এয়ারস্ট্রাইকের পরে আফগান-পাকিস্তান সংঘর্ষে বিরতি ঘোষণা করা হয়েছে।

    চিন্তিত পাকিস্তান

    দুই সীমান্তে দুই পড়শি দেশকে নিয়ে চিন্তিত পাকিস্তান (India Pakistan)। আফগানিস্তান সীমান্তে তালিবানের সঙ্গে সংঘাতের পর আপাতত সংঘর্ষবিরতির পথে হেঁটেছে পাকিস্তান। কিন্তু আর এক পড়শি ভারতকে নিয়ে চিন্তিত ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের একটি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেই আশঙ্কার কথাই জানিয়েছেন সে দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। তাঁর দাবি, তালিবানের মতো পাকিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত সংঘাতে জড়াতে পারে নয়াদিল্লি। সে কথা মাথায় রেখেই দ্বিমুখী যুদ্ধের জন্য পাকিস্তান প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে বলে দাবি করেছেন তিনি। এমনকি বৃহস্পতিবার পাক মন্ত্রী আসিফ দাবি করেন, ভারতের মদতে যুদ্ধ চালাচ্ছে কাবুল। সংঘর্ষবিরতি ৪৮ ঘণ্টাও স্থায়ী হবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহপ্রকাশ করেন তিনি। বলেন, ‘‘সংঘর্ষবিরতি আদৌ বজায় থাকবে কি না সন্দেহ আছে। এই সিদ্ধান্ত তো দিল্লি থেকে নেওয়া হচ্ছে।’’ তিনি আরও দাবি করেন, আফগান বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকির সাম্প্রতিক দিল্লি সফরের পিছনে “গোপন পরিকল্পনা” ছিল। উল্লেখ্য, ডুরান্ড লাইন বরাবর পাকিস্তানি ও আফগান সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের কেন্দ্রে রয়েছে ‘তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান’ (টিটিপি)। এদিকে তালিবানের অভিযোগ, পাকিস্তান সরকার এবং সেনা ইসলামিক স্টেটের মতো জঙ্গি সংগঠনকে সাহায্য করছে। এদিকে পাকিস্তানের অভিযোগ, আফগানের তালিবান সরকার টিটিপি সদস্যদের আশ্রয় দিচ্ছে, যারা পাকিস্তানে হামলা করছে।

    ভারতের পাল্টা

    বৃহস্পতিবার বিদেশ মন্ত্রকের (India Pakistan) সাপ্তাহিক সাংবাদিক বৈঠকে পাক মন্ত্রীর এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হয়েছিল বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালের কাছে। তিনি বলেন, ‘‘আমরা পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছি। পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলিকে আশ্রয় দেয়, সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে মদত দেয়। প্রতিবেশীদের দোষারোপ করা ওদের পুরনো স্বভাব।’’ তিনি আরও জানান, “আমরা পরিস্থিতির উপর ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখছি। তিনটি বিষয় একেবারে পরিষ্কার — প্রথমত, পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলিকে আশ্রয় দেয় ও তাদের কার্যকলাপকে সমর্থন করে। দ্বিতীয়ত, নিজেদের অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতার দায় প্রতিবেশীদের ঘাড়ে চাপানো পাকিস্তানের অভ্যাস। তৃতীয়ত, আফগানিস্তান যখন নিজস্ব সার্বভৌমত্বের প্রয়োগ করছে, তখন তাতে পাকিস্তান ক্ষিপ্ত হয়েছে।” রণধীর জয়সওয়াল আরও বলেন,“ভারত আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং স্বাধীনতার প্রতি সম্পূর্ণভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ।”  ভারত বলছে, তালিবান বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকির দিল্লি সফর ছিল সম্পূর্ণরূপে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও সম্পর্ক উন্নয়ন বিষয়ক। প্রসঙ্গত, এটি প্রথম নয়, খাজা আসিফ প্রায়ই এ ধরনের ভিত্তিহীন এবং অযৌক্তিক অভিযোগ করে থাকেন, যা কোনও প্রমাণে টিকে না। সংবাদ সম্মেলনে রণধীর জানান, কাবুলে ভারতের একটি টেকনিক্যাল মিশন চালু রয়েছে। তিনি জানান, “এই মুহূর্তে কাবুলে আমাদের একটি টেকনিক্যাল মিশন কাজ করছে। খুব শিগগিরই এটি পূর্ণাঙ্গ দূতাবাসে রূপান্তরিত হবে।”

  • Suvendu Adhikari: এসএইআর করতে না দিলে বাংলায় হবে রাষ্ট্রপতি শাসন”, মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: এসএইআর করতে না দিলে বাংলায় হবে রাষ্ট্রপতি শাসন”, মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এসএইআর করতে না দিলে বাংলায় হবে রাষ্ট্রপতি শাসন”, মমতা সরকারের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে ঠিক এইভাবেই আক্রমণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নাগরাকাটায় বন্যাবিধস্থ এলাকায় ত্রাণ পরিষেবা দিতে গিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আবারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য নাগরাকাটায় বন্যাকবলিত মানুষকে ত্রাণ দিতে গিয়ে মালদা উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু এবং শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ তৃণমূল দুষ্কৃতীদের দ্বারা মারত্মাক ভাবে আক্রান্ত হয়েছিলেন। এরপর থেকেই বিরোধী জনপ্রতিনিধিদের ওপর আক্রমণের ঘটনায় রাজ্য রাজনীতি উত্তাল হয়ে ওঠে।

    বাংলাদেশি-রোহিঙ্গা এবং ভূতুড়ে ভোটার বাদ (Suvendu Adhikari)

    নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী নাগরাকাটায় গিয়ে বলেন, “বাংলায় এসএইআর করতে না দিলে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হবে। নিবিড় সংশোধন হলে তালিকা থেকে বাংলাদেশি-রোহিঙ্গা এবং ভূতুড়ে ভোটারদের নাম বাদ যাবে। তবে এক্ষেত্রে ভারতীয় মুসলমানদের নাম বাদ যাবে না। ছাব্বিশে বিজেপি ক্ষামতায় এসে সরকার গড়বে, তারপর বদলাও হবে এবং বদলও হবে।” এদিন এলাকায় ধিক্কার মিছিল করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) হুঁশিয়ারি দিয়ে শুভেন্দু আরও বলেন, “২৬ সালে হলেই সুদে আসলে বদলা হবে। কালী পুজোর পরই বামনডাঙায় অভিযান হবে। সবে তো ট্রেলার দেখিয়েছি, এরপর সিনেমা দেখাব।”

    সময় শেষ হওয়ার আগেই মমতা সরকারের পতন?

    ভোটার তালিকায় সংশোধন নিয়ে নির্বাচন কমিশন এবং মমতা সরকারের নানা স্তরের সংঘাত নজরে এসেছে। এসআইআর নিয়ে খোদ মমতা (Mamata Banerjee) একাধিকবার সোচ্চার হয়েছেন। গত সপ্তাহে পশ্চিমবঙ্গে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের একাধিক আধিকারিকরা বৈঠক করে সবরকম প্রস্তুতি করে গিয়েছেন। কালীপুজোর পর থেকেই রাজ্যে এসআইআর কাজ শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু যদি রাজ্য সরকার নির্বাচন কমিশনের কাজে বাঁধা প্রধান করে তাহলে সেই ক্ষেত্রে রাজ্যে সাংবিধানিক সঙ্কট তৈরি হতে পারে। আর তা যদি আরও প্রকটরূপ ধারণ করে তাহলে সে ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি শাসন জারিও হয়ে যেতে পারে। ফলে নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই মমতা সরকারের পতন হয় কিনা তাই এখন দেখার।

  • Bangladesh Cricket: আফগানদের কাছে চুনকাম, দেশে ফিরে বিক্ষোভের মুখে বাংলাদেশি ক্রিকেটারেরা

    Bangladesh Cricket: আফগানদের কাছে চুনকাম, দেশে ফিরে বিক্ষোভের মুখে বাংলাদেশি ক্রিকেটারেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের অভ্যন্তরে অরাজক পরিস্থিতির ছায়া বাইশ গজেও। বাংলাদেশ ক্রিকেটেও (Bangladesh Cricket) কালো দিন। আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজের প্রতিটি ম্যাচেই পরাজিত হয়ে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে বাংলাদেশ দল। তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে পরাজয়ের ব্যবধান ছিল ২০০ রানের। লজ্জার সিরিজ শেষে দেশে ফিরে বিক্ষোভের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। বিমানবন্দরে নামার পর থেকেই শুরু হয় বিক্ষোভ। ক্রিকেটারেরা বিমানবন্দর থেকে বার হওয়ার সময় বেশ কিছু সমর্থক তাঁদের বিদ্রুপ করেন। সরাসরি ক্রিকেটারদের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তাঁরা। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম থেকে জানা গিয়েছে, ক্রিকেটারদের গাড়িও ভাঙচুর হয়েছে।

    কেন এমন হাল বাংলাদেশের

    সময়টা ভাল যাচ্ছে না বাংলাদেশের (Bangladesh Cricket)। এশিয়া কাপে ব্যর্থতার পর এক দিনের সিরিজেও শোচনীয় অবস্থা। আফগানিস্তানের কাছে এক দিনের সিরিজে চুনকাম হয়েছে বাংলাদেশ। তিনটি ম্যাচই হারতে হয়েছে। এই সিরিজে ব্যাটিং, বোলিং এবং ফিল্ডিং- তিন বিভাগেই বাংলাদেশ ছিল ছন্নছাড়া। আফগানিস্তানের বোলাররা নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপকে গুঁড়িয়ে দেয়। শেষ ১২টি ওয়ানডে ম্যাচে বাংলাদেশ মাত্র একটি জিততে পেরেছে, যা দলের পারফরম্যান্স গ্রাফের নিন্মমুখী অবস্থানকে তুলে ধরে। এই ১১ হারের মধ্যে আফগানিস্তানের বিপক্ষেই চারটি ম্যাচে হেরেছে বাংলাদেশ। ধারাবাহিক ব্যর্থতায় ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়েও বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়েছে, বর্তমানে তারা দশম স্থানে অবস্থান করছে। বাংলাদেশ এমনিতে খুব ভালো জায়গায় ছিল না কখনওই কিন্তু ২০১৫ ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর থেকে ৭-৮ নম্বর জায়গাতেই ঘুরে ফিরে ছিল ওয়ানডে ক্রিকেটে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পতন শুধু খেলোয়াড়দের ফর্মের কারণে নয়, বরং টিম ম্যানেজমেন্টের পরিকল্পনার অভাবও বড় কারণ। নিয়মিত দল পরিবর্তন, স্থায়ী অধিনায়কত্বের অভাব, এবং ব্যাটিং অর্ডারে বিভ্রান্তি দলের স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে।

    সমর্থকদের সংযত থাকার অনুরোধ

    এই পরিস্থিতিতে সমর্থকদের সংযত থাকার অনুরোধ করেছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটার নইম শেখ। তিনি সমাজমাধ্যমে লিখেছেন যে, মাঠে নেমে জেতার চেষ্টাই করেন তাঁরা। কিন্তু সব সময় জেতা সম্ভব নয়। খেলায় জয়-পরাজয় থাকে। তাঁরাও মানুষ। তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন যে, হেরে যাওয়ায় দেশের সমর্থকদের কষ্ট হয়েছে। সেই কষ্ট থেকেই এই বিক্ষোভ। কিন্তু তাঁদের যে ভাবে ঘৃণা করা হচ্ছে বা গাড়িতে আক্রমণ হয়েছে, তা তাঁদেরও খুব কষ্ট দিয়েছে বলে জানিয়েছেন নইম। বাংলাদেশের এক দিনের অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ চাপে রয়েছেন। অধিনায়ক হিসাবে ১০টি ম্যাচের মধ্যে ন’টিতেই হেরেছেন তিনি।

  • India-US Relations: মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি অসত্য! ‘ফোনে কথাই হয়নি’ ট্রাম্প-মোদির, জানাল ভারত

    India-US Relations: মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি অসত্য! ‘ফোনে কথাই হয়নি’ ট্রাম্প-মোদির, জানাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কোনও কথাই হয়নি ভারতের (India-US Relations) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। বৃহস্পতিবার তা স্পষ্ট করে দিল নয়াদিল্লি। বৃহস্পতিবার সকালে ট্রাম্প দাবি করেন, রাশিয়ার থেকে তেল কেনা বন্ধ করার বিষয়ে বুধবার তাঁর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদির (Donald Trump-Narendra Modi) কথা হয়েছে। তবে এদিন সাংবাদিক বৈঠকে ট্রাম্পের সেই দাবি খারিজ করে দিল ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই দাবিকে নাম না করে মিথ্যাচার বলে অভিহিত করল ভারত। উল্লেখ্য, ভারত-পাক সংঘর্ষবিরতির সময়েও কৃতিত্ব দাবি করে ‘মিথ্যাচার’ করেছিলেন ট্রাম্প। এবার রুশ তেল কেনা নিয়েও তাঁর একই আচরণ।

    বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতি

    বাণিজ্যশুল্ক নিয়ে আলাপ-আলোচনার মধ্যেই বড় দাবি করেছেন ট্রাম্প (Trump-Modi Meeting)। তাঁর দাবি, ফোনে ভারতের (India-US Relations) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে তাঁর। বুধবার হোয়াইট হাউসে দাঁড়িয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, রাশিয়া থেকে আর তেল কিনবে না ভারত। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নাকি এই আশ্বাস দিয়েছেন। ট্রাম্পের সেই দাবি এবার উড়িয়ে দিল বিদেশমন্ত্রক। বৃহস্পতিবার বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতিতে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়,অতি সম্প্রতি দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে ফোনে কথাই হয়নি। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমেরিকা জ্বালানি নিয়ে যে মন্তব্য করেছে, আমরা ইতিমধ্যেই বিবৃতি দিয়েছি, যা তুলে ধরা যেতে পারে। আর ফোনে হোক বা সামনাসামনি আলোচনা, গতকাল কোনওটাই হয়নি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে। প্রধানমন্ত্রী এবং প্রেসিডেন্টের মধ্যে কোনও আলোচনা হয়নি।”

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের অদ্ভুত দাবি

    রাশিয়ার থেকে তেল কেনা নিয়ে গত কয়েক মাস ধরেই টানাপোড়েন চলছে ভারত ও আমেরিকার মধ্যে। নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে রাশিয়ার থেকে তেল কেনার দরুণ ভারতের উপর দুই দফায় ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছেন ট্রাম্প। সেই নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনার মধ্যেই বুধবার বড় দাবি করেন ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসে দাঁড়িয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব ও ভারত-আমেরিকার সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী মোদীকে অসাধারণ মানুষ বলে অ্যাখ্য়া দেন তিনি। দীর্ঘ সময় ধরে মোদী যে প্রধানমন্ত্রী পদে রয়েছেন, সে কথাও উল্লেখ করেন। এরপরই ট্রাম্প দাবি করেন, রাশিয়ার থেকে তেল কেনা বন্ধ হবে বলে তাঁকে আশ্বস্ত করেছেন মোদি। ট্রাম্পকে বলতে শোনা যায়, “আজই আমাকে আশ্বস্ত করেছেন উনি (মোদি) যে, আর রাশিয়ার থেকে তেল কিনবেন না ওঁরা। এটা ব্রেকিং স্টোরি। তবে সঙ্গে সঙ্গে তো হয় না। এটা একটা প্রক্রিয়া। তবে শীঘ্রই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। আমরা শুধু চাই প্রেসিডেন্ট পুতিন এসব বন্ধ করুন।” ভারত রাশিয়ার থেকে তেল কেনা বন্ধ করলেই যুদ্ধ থামানোর কাজ সহজ হবে বলে দাবি করেন ট্রাম্প। যুদ্ধ শেষ হলে ভারত আবারও রাশিয়ার কাছে ফিরে যেতে পারে বলেও দাবি করেন।

    ট্রাম্পের দাবি খারিজ করে ভারত

    ট্রাম্পের এই দাবি গোড়াতেই খারিজ করে দেয় ভারত (India-US Relations) । বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, “ভারত তেল ও গ্যাস আমদানিকারী গুরুত্বপূর্ণ দেশ। জ্বালানি ক্ষেত্রে যে ওঠাপড়া দেখা যায়, তার মধ্যে ভারতীয় গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষা করাই আমাদের লক্ষ্য। আমাদের আমদানি নীতিও এর উপর নির্ভরশীল। জ্বালানির দাম স্থিতিশীল রাখা ও ডোগান অব্যাহত রাখাই লক্ষ্য় থেকেছে বরাবর।” তবে ৯ অক্টোবর দু’দেশের রাষ্ট্রনেতার মধ্যে ফোনে কথা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন রণধীর। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র জানান, গত ৯ অক্টোবরের ফোনালাপের সময়ে গাজা শান্তিচুক্তির সাফল্যের জন্য ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন মোদি। বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা কী অবস্থায় রয়েছে, তা-ও পর্যালোচনা করেন তাঁরা। উভয়েই এ বিষয়ে পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার বিষয়ে সম্মত হন।

    ভারতীয় গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষাই লক্ষ্য

    ভারতে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ডেনিস আলিপভও এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, “ভারত এবং আমেরিকা, স্বাধীন ভাবে সিদ্ধান্তগ্রহণের অধিকার আছে দুই দেশেরই। আমরা তাতে হস্তক্ষেপ করি না। আমাদের তেল আমদানি করে ভারতের অর্থনীতির লাভ হয়েছে, ভারতীয় নাগরিকরা উপকৃত হয়েছেন। আমেরিকা এবং ভারতের যেমন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক (India-US Relations) রয়েছে, রাশিয়া এবং ভারতের মধ্যেও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক রয়েছে।” সোভিয়েত আমল থেকেই মস্কোর সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্ক যথেষ্ট মজবুত। ঠান্ডা যুদ্ধের আমলেও দ্বিমেরুকৃত বিশ্বে বহু ঘটনায় ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে তারা। সোভিয়েত ইউনিয়ান ভেঙে যাওয়ার পরেও, এমনকি পুতিনের আমলেও রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক অটুটই থেকেছে। তেল আমদানি নিয়ে মার্কিন চাপের মুখে এর আগে ভারত বহু বার জানিয়েছে, জাতীয় স্বার্থের কথা মাথায় রেখেই সিদ্ধান্ত নেবে তারা। তবে একই সঙ্গে সাউথ ব্লক জানিয়েছে, ভারত তেল কেনার বাজারকে আরও বিস্তৃত এবং‌ বৈচিত্রময় করতে চায়। এই সূত্রেই ভারত জানিয়েছে, জ্বালানি নিয়ে দ্বিপাক্ষিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি করতে আমেরিকার সঙ্গে তাদের আলোচনা চলছে।

  • Sugar Intake: চিনি বাড়াচ্ছে বিপদ! কোন বিকল্প খাবারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    Sugar Intake: চিনি বাড়াচ্ছে বিপদ! কোন বিকল্প খাবারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    স্থূলতা থেকে হৃদরোগ— শরীরের একাধিক রোগের কারণ খাবারের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে যে স্বাস্থ্য সমস্যাগুলো বেশি দেখা যাচ্ছে, সেগুলো বেশিরভাগ জীবনযাপন আর খাদ্যাভাসের কারণেই জটিল আকার নিচ্ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশ প্রয়োজনের অতিরিক্ত চিনি নিয়মিত খাচ্ছেন। আর তার জেরেই বিপদ বাড়ছে। মাত্র কয়েক দিন পরেই দেশজুড়ে দীপাবলির উৎসবে মাতবেন আট থেকে আশি, সব বয়সের মানুষ! উৎসবের উদযাপনে চলবে মিষ্টি মুখ। কিন্তু সতকর্তা না থাকলে বড় সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাই উৎসবের আমেজ ও যাতে সচেতনতা থাকে, মিষ্টিমুখে চিনির পরিবর্তে অন্য বিকল্প মিষ্টি খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কেন বিপদ বাড়াচ্ছে চিনি?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, চিনিতে থাকে প্রচুর পরিমাণে শর্করা। তাই অতিরিক্ত চিনি খেলে শরীরে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়। তাই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে। কারণ এই অতিরিক্ত শর্করা ইনসুলিন হরমোনের ভারসাম্যে তারতম্য ঘটায়। তাই ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে‌। সারা বিশ্বের ডায়াবেটিস আক্রান্তের সবচেয়ে বেশি বোঝা ভারতে। কম বয়সিদের মধ্যে প্রবলভাবে এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। তাই অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার অভ্যাস বিপজ্জনক। কম বয়স থেকেই ডায়াবেটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হলে কিডনি সহ একাধিক কার্যকারিতা কমে।

    কী কী বিপদ ডেকে আনছে চিনি?

    স্থূলতার সমস্যা বৃদ্ধি

    চিনিতে থাকে অতিরিক্ত ক্যালোরি। তাই চিনি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে স্থূলতার সমস্যা দেখা দেয়। ওবেসিটি বা বাড়তি ওজনের মতো রোগ শরীরের একাধিক স্বাস্থ্য সঙ্কট তৈরি করে। হৃদরোগ, বন্ধ্যাত্বের মতো একাধিক রোগের কারণ ওবেসিটি। আর এই বাড়তি ওজনের সমস্যার পিছনে অনেক সময়েই অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার অভ্যাস দেখা যায়।

    হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে

    চিনি রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়ে। তাছাড়া এই উপাদান রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। তাই অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার অভ্যাস স্ট্রোকের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয়।

    লিভারের জন্যও ক্ষতিকারক

    চিনি লিভারের জন্যও ক্ষতিকারক। চিনি খেলে ফ্যাটি লিভারের মতো রোগের ঝুঁকিও বাড়ে। শরীরের পাশপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ও চিনি ক্ষতিকারক। চিনি খেলে শরীরের নানান হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। অতিরিক্ত চিনি খেলে মানসিক উদ্বেগ বাড়ে। অনিদ্রার মতো সমস্যা দেখা যায়।

    চিনির বিকল্প কোন খাবারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    উৎসবের মরসুম হাজির। দীপাবলি হোক কিংবা ভাইফোঁটা, উৎসবের উদযাপনে মিষ্টিমুখের রেওয়াজ রয়েছে। রসগোল্লা থেকে পায়েস, বাঙালির নানান ধরনের মিষ্টিতেই চিনি থাকে।‌ আর এই সময়ে অতিরিক্ত চিনি খাওয়া হয়। যা শরীরের ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলে।

    গুড় প্রাকৃতিক উপাদান

    তাই পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, চিনি খাওয়ার পরিবর্তে গুড় খাওয়া যেতে পারে। নাড়ু, পায়েসের মতো নানান মিষ্টি তৈরির সময় উপকরণ হিসাবে চিনির পরিবর্তে গুড়ের ব্যবহার করা যেতে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, গুড় প্রাকৃতিক উপাদান। এতে রয়েছে আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়ামের মতো নানান খনিজ পদার্থ। যা শরীরের জন্য উপকারি। তাই গুড় উপকারি।

    মিষ্টি ফলও উপকারী

    তাছাড়া, তরমুজ, পাকা পেঁপে, আমের মতো ফলের তৈরি মিষ্টি খাওয়া যেতে পারে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ফলের তৈরি খাবারে শরীরে মারাত্মক ক্ষতি করে না। চিনির মতো অপকারিতা নেই। তাই ফলের তৈরি মিষ্টি বাড়তি ঝুঁকি কমাবে।

    চিনির বদলে মধু

    মিষ্টির উপকরণ হিসাবে চিনির পরিবর্তে মধু ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, গুড়ের মতো মধু হলো প্রাকৃতিক উপাদান। তাই মধুতেও রয়েছে নানান খনিজ পদার্থ। তাছাড়া মধুতে প্রোটিন, ভিটামিন রয়েছে। এই আবহাওয়ায় অনেকেই সর্দিকাশিতে ভোগেন। মধু নানান ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস ঘটিত রোগের মোকাবিলায় সাহায্য করে। তবে গুড় হোক কিংবা মধু পরিমাণের দিকে নজর জরুরি। অতিরিক্ত কোনও কিছুই শরীরের জন্য উপকারি হয় না। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Andaman: আন্দামান হবে পরবর্তী গ্লোবাল ইন্টারনেট হাব! গুগলের ‘ভারত এআই শক্তি’ ইভেন্টে কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    Andaman: আন্দামান হবে পরবর্তী গ্লোবাল ইন্টারনেট হাব! গুগলের ‘ভারত এআই শক্তি’ ইভেন্টে কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জকে একটি গ্লোবাল ইন্টারনেট ডেটা হাবে রূপান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রের। ১৪ই অক্টোবর, গুগলের ‘ভারত এআই শক্তি’ ইভেন্টে কেন্দ্রীয় রেল, টেলিকম ও আইটি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানান , সিঙ্গাপুর ইতিমধ্যেই ওভারলোডেড, তাই আন্দামান তার পরিবর্ত হিসেবে গ্লোবাল ডেটা ট্রান্সফারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হতে পারে। তাঁর কথায় , “আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ একটি কৌশলগত অবস্থানে অবস্থিত। সিঙ্গাপুর এখন অতিরিক্ত চাপে রয়েছে। তাহলে কেন আমরা আন্দামানকে পরবর্তী গ্লোবাল ইন্টারনেট হাব হিসেবে তৈরি করতে পারব না?” সরকার এই প্রকল্পে সম্পূর্ণ সহায়তা দেবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

    গ্লোবাল ডেটা ফ্লো উন্নত করতে সহায়ক

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের দাবি, আন্দামান হতে পারে সাউথইস্ট এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া সহ অন্যান্য অঞ্চলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কেবল নোড। যা গ্লোবাল ডেটা ফ্লো উন্নত করতে সহায়ক হবে। তিনি বিশাখাপত্তনম (ভাইজাগ) থেকে সিত্তওয়ে (মায়ানমার) পর্যন্ত ডিজিটাল কানেক্টিভিটি স্থাপনের প্রস্তাবও দেন। এই কানেকশনে মিজোরাম পর্যন্ত সমুদ্রের পাশ দিয়ে কেবল সম্প্রসারিত হলে উত্তর-পূর্ব ভারতের কানেক্টিভিটি অনেকটাই বাড়বে, বলে মনে করেন তিনি। তাঁর কথায়, যা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পরিকল্পনা মতো সাইরাং পর্যন্ত রেললাইন ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়েছে, এখন তা মায়ানমার সীমান্ত পর্যন্ত বাড়ানোর কাজ চলছে।

    ভারতের ডিজিটাল ভবিষ্যতের মেরুদণ্ড

    বৈষ্ণব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) কে ভারতের ডিজিটাল ভবিষ্যতের মেরুদণ্ড হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, গুগল তাদের টেনসর প্রসেসিং ইউনিট (TPU) ভারতে আনার পরিকল্পনা করছে। এটি ‘ইন্ডিয়া এআই মিশন’-এর আওতায় কমন কম্পিউট ইনফ্রাস্ট্রাকচার গঠনে সহায়ক হবে। মন্ত্রী আইটি পেশাদারদের রি-স্কিল ও আপ-স্কিলের জন্য গুগলকে আহ্বান জানান। এর ফলে আইটি কর্মীরা এআই প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তিত ধারার সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারবেন। তিনি বলেন, এআই একটি গুরুত্বপূর্ণ বৃদ্ধিশীল খাত এবং এ ক্ষেত্রেই ভারতকে বিশ্ব নেতৃত্বে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। গুগল সম্প্রতি ঘোষণা করেছে, তারা বিশাখাপত্তনমে একটি এ আই হাব স্থাপন করবে, যেখানে গুগলের সম্পূর্ণ এ আই স্ট্যাক ব্যবহার করা হবে। এটি ভারতের এ আই রূপান্তরকে গতি দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। গুগল জানিয়েছে, তারা ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতে প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে, যা গুগলের ভারতের জন্য এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ। এই উদ্যোগ ‘বিকশিত ভারত ভিশন’-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যার লক্ষ্য দেশব্যাপী ডিজিটাল ও এ আই পরিকাঠামোকে শক্তিশালী করা।

    ভারতে ৯০০ মিলিয়নেরও বেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন গুগলের এআই হাব উদ্বোধন ভারতের ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’ ভিশনের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই বহুমুখী বিনিয়োগ প্রযুক্তিকে সবার জন্য সহজলভ্য করবে, ‘এআই ফর অল’-এর লক্ষ্য পূরণে সহায়ক হবে এবং ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। প্রসঙ্গত, ভারতে ৯০০ মিলিয়নেরও বেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী থাকায়, এটি বর্তমানে সারা বিশ্বের মধ্যে একটি অন্যতম বড় বাজারে পরিণত হয়েছে। এই দৌড়ে গুগল-এর আগে থেকেই রয়েছে আরও নানা কোম্পানি। মাইক্রোসফট ও অ্যামাজন পূর্বেই ভারতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। এছাড়াও, চ্যাট জিপিটি ( ChatGPT) প্রস্তুতকারক ওপেন এআই (OpenAI) চলতি বছরের শেষের দিকে ভারতে একটি অফিস খোলার কথা জানিয়েছে। ওপেনএআই-এর প্রধান স্যাম অ্যাল্টম্যান উল্লেখ করেছেন যে, গত এক বছরে ভারতে চ্যাট জিপিটি ( ChatGPT) -র ব্যবহার চার গুণ বেড়েছে, যা এই অঞ্চলে এ আই-এর প্রতি ক্রমবর্ধমান আগ্রহের স্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করে।

    ভারতে এ আই ভবিষ্যত

    ভারতে এ আই-এর দ্রুত প্রসার এবং প্রযুক্তিতে তরুণদের অংশগ্রহণ নিয়েও প্রধানমন্ত্রী মোদি উচ্ছ্বসিত। তিনি আশাবাদী, ভারতের প্রাণবন্ত প্রযুক্তি ক্ষেত্র এবং দক্ষ যুবকরা এমন উদ্ভাবন করছে যা মানুষের কল্যাণে ব্যবহৃত হবে। বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতে এ আই কীভাবে মানুষের জীবনকে সহজ ও উন্নত করতে পারে, সেই বিষয়ে সবসময়ই ভাবছে কেন্দ্র সরকার। সম্প্রতি অ্যানথ্রোপিকের সিইও ডারিও অ্যামোডেইয়ের সঙ্গেও দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এই সংস্থা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এ আই সিস্টেম তৈরি করে। আগামী বছর বেঙ্গালুরুতে অফিস খোলার পরিকল্পনা করছে অ্যানথ্রোপিক, যেটি হবে ভারতে এই সংস্থার প্রথম কার্যালয়। সম্প্রতি মোদি ও ডারিওর বেশ কিছু সময়ের বৈঠক হয়। সেখানে ভারতে এআই-এর সম্প্রসারণ (AI expansion India) এবং ব্যবহার নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে খবর।

  • AI Curriculum: ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই তৃতীয় শ্রেণির স্কুল পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    AI Curriculum: ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই তৃতীয় শ্রেণির স্কুল পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-২৭ সালের শিক্ষাবর্ষে তৃতীয় শ্রেণির স্কুল পাঠ্যক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI Curriculum) বা এআই চালু করবে কেন্দ্রীয় সরকার। তবে ২০২০ সালের জাতীয় শিক্ষা নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এই পাঠ্যক্রম চালু করা হবে। ইতিমধ্যে সিবিএসই এক কোটির বেশি শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দিয়ে স্কুলের কাঠামো নির্মাণের ভাবনাচিন্তাকে সম্প্রসারিত করার লক্ষ্য মাত্রা স্থির করেছে। পরিচালনা ব্যবস্থা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় সাক্ষরতা প্রদান বিষয় বর্তমান প্রজন্মের কাছে কতটা প্রয়োজনীয় সেই দিকগুলিকেই সামনে রেখে বিস্তৃত ভাবে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক (School Education)।

    ১ কোটি শিক্ষককে বিশেষ প্রশিক্ষণ (AI Curriculum)

    ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে বিকশত ভারত হতে গেলে সমস্ত প্রযুক্তি এবং টেকনোলজিকে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI Curriculum) একটি উল্লেখযোগ্য প্রযুক্তি। এআই ছাড়া কোনও ভাবেই নতুন প্রজন্মকে প্রযুক্তির শিক্ষা দেওয়া সম্ভব নয়। তাই ভবিষ্যতের কথা ভেবে ভারতকে বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার শিক্ষা দিতেই হবে। কেন্দ্রীয় স্কুল সচিব সঞ্জয় কুমার বলেন, “কেন্দ্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে এআই সম্পর্কে পড়াশুনার একটি পরিমণ্ডল তৈরি করতে চলেছে। দেশের মোট ১ কোটি শিক্ষককে এই সম্পর্কে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং তাকে কীভাবে জানা যাবে, শিক্ষার জন্য কোন কোন দক্ষতা থাকবে ইত্যাদি, সমস্ত বিষয়ের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা করা হয়েছে। দেশের বেশিরভাগ শিক্ষক এবং ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে এই প্রযুক্তির শিক্ষাকে দ্রুত ছড়িয়ে দিতে এই পরিকল্পনা করা হয়েছে। আমাদের পদক্ষেপ এমন থাকবে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা (School Education) যেন আগামী ২-৩ বছরের মধ্যেই এই প্রযুক্তির সঙ্গে নিজেরা সামাঞ্জ্যপূর্ণ জ্ঞান অর্জন করতে পারেন।”

    ১৮০০০০- এর বেশি সিবিএসই স্কুলে পাঠ

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI Curriculum) জন্য আগে প্রয়োজন উপযুক্ত শিক্ষকের। শিক্ষকদের সঠিক পাঠ দিতে ইতিমধ্যেই ‘পাইলট প্রোজেক্ট’-এর কথা ভাবা হয়েছে। এই পর্যায় সম্পর্কে বলা হয়েছে, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল অর্থনীতির জন্য প্রস্তুত করতে হবে। ১.৮ লক্ষের বেশি সিবিএসই স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ১৫ ঘণ্টার বিশেষ মডিউল ঠিক করা হয়েছে। একই ভাবে আবার নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত এআইকে ঐচ্ছিক বিষয় করে রাখা হয়েছে। ২০১৯ সাল থেকে ইন্টেল, আইবিএম এবং ন্যাশনাল ইনস্টিউট অফ ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি এর সহায়তায় ১০ হাজারের বেশি শিক্ষককে প্রশিক্ষণের কাজ ইতিমধ্যে শেষ করেছেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডিউলে শিক্ষার্থী ভর্তির হার তীব্রভাবে বৃদ্ধি পেয়ছে। নবম-দশম শ্রেণিতে ৭.৯ লক্ষ এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির ৫০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীরা এআইকে বেছে নিয়েছে। তবে শিক্ষাবিদদের মতে ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষায় মৌলিক সাক্ষরতা (School Education) বিষয়েও এআই দারুণ ভাবে কার্যকর হবে।

    ৮ মিলিয়ন কর্মসংস্থান বৃদ্ধি

    এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI Curriculum) নীতিটি জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০২০-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সকল স্কুল পাঠ্যক্রমের মধ্যে এআই এবং ইন্টারনেট অফ থিংস (আইওটি) এর মতো উদীয়মান প্রযুক্তিগুলিকে একীভূত করার ভাবনাকে একই সংযোজন করে রাখা হয়েছে। শুধু পড়াশুনাই নয় এআই অপর দিকে চাকরি বা ব্যবহারিক প্রয়োগের উপর নির্ভর করে পাঠ্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কেন্দ্রের নীতি আয়োগের একটি প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জরুরি প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরে এআইকে তুলে ধরা হয়েছে। নীতি আয়োগের সিইও বিভিআর সুব্রহ্মণ্যম সতর্ক করে বলেছেন, “কৌশলগত ভাবে প্রযুক্তির সম্প্রসারণকে অগ্রাধিকার না দেওয়া হলে ভারতের ৭.৫ মিলিয়ন আইটি কর্মী ২০৩০ সালের মধ্যে ৬ মিলিয়নে নেমে আসবে। এআই কাজ, কর্মী এবং কর্মক্ষেত্রে বিরাট পরিবর্তন করে দিয়েছে। প্রায় দুই মিলিয়ন প্রথাগত বা ঐতিহ্যবাহী কাজের পরি সমাপ্তি ঘটতে পারে। সেই সঙ্গে হতে পারে কর্মেরচ্যুতিও। তবে আমরা যদি সঠিক ভাবে পরিকাঠামো গড়তে পারি তাহলে ৮ মিলিয়ন নতুন কর্ম ক্ষমতাকে বৃদ্ধি ঘটাতে পারি।

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কেবল ঐচ্ছিক বিষয় হিসেবেই থাকবে না। মৌলিক পাঠেও এই এআইকে রাখা হবে। আজকের সময়ে দাঁড়িয়ে এখনই যদি শিক্ষা বা জ্ঞান অর্জন না করা যায় তাহলে ২০৩৫ সালের মধ্যে যে সব পড়ুয়ারা স্নাতক হবেন তাঁদের জন্য সবথেকে বেশি অসুবিধা হবে। তাই সময় এবং যুগের চাহিদাকে মাথায় রেখে প্রযুক্তি এবং কৌশলকে বিশেষ ভাবে গুরুত্ব দেওয়া একান্ত আবশ্যক বলে মনে করে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক (School Education)।

  • Daily Horoscope 17 October 2025: ব্যবসায় বাড়তি লাভ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 17 October 2025: ব্যবসায় বাড়তি লাভ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মতান্তর সৃষ্টি হতে পারে।

    ২) কাজের জায়গায় কথার উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পারলে ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) একাধিক পথে আয় বাড়তে পারে।

    ২) দূরে ভ্রমণের জন্য বাড়িতে আলোচনা হতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মিথুন

    ১) আগুন থেকে বিপদের আশঙ্কা।

    ২) সংসারের জন্য অনেক করেও বদনাম হবে।

    ৩) সাবধানতা অবলম্বন করুন।

    কর্কট

    ১) ব্যবসায় বাড়তি লাভ হতে পারে।

    ২) প্রিয়জনের কাছ থেকে আঘাত পেতে পারেন।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    সিংহ

    ১) ব্যবসায় দায়িত্ব বাড়তে পারে।

    ২) নেশার প্রতি আসক্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ৩) সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) বন্ধুদের দিক থেকে খারাপ কিছু ঘটতে পারে।

    ২) প্রেমে বিবাদ বাধতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    তুলা

    ১) ব্যবসায় চাপ থাকলেও আয় বৃদ্ধি পাবে।

    ২) বুদ্ধির দোষে কোনও কাজ পণ্ড হতে পারে।

    ৩) পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

    বৃশ্চিক

    ১) কর্মক্ষেত্রে সুনাম বাড়তে পারে।

    ২) ব্যবসায় নিজের বুদ্ধিতেই আয় বাড়বে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    ধনু

    ১) চাকরির স্থানে উন্নতির সুযোগ পেতে পারেন।

    ২) ব্যবসায় মহাজনের সঙ্গে তর্ক বাধতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    মকর

    ১) দাম্পত্য সম্পর্কে উন্নতির সময়।

    ২) ব্যবসায় বিবাদ থেকে সাবধান থাকা দরকার।

    ৩) দিনটি কম বেশি ভালোই কাটবে।

    কুম্ভ

    ১) বন্ধুদের সঙ্গে বিবাদের যোগ রয়েছে।

    ২) কর্মস্থানে সম্মানহানির সম্ভাবনা।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মীন

    ১) খেলাধুলায় নাম করার ভাল সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে।

    ২) পেটের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 481: “মহেন্দ্র গৌরবর্ণ ও সদা হাস্যমুখ, শরীর দোহারা, মহেন্দ্র ভূমিষ্ঠ হইয়া ঠাকুরকে প্রণাম করিলেন”

    Ramakrishna 481: “মহেন্দ্র গৌরবর্ণ ও সদা হাস্যমুখ, শরীর দোহারা, মহেন্দ্র ভূমিষ্ঠ হইয়া ঠাকুরকে প্রণাম করিলেন”

    ৪৪ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলরাম-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১২ই এপ্রিল

    কামিনী-কাঞ্চন ও তীব্র বৈরাগ্য

    এই কথা বলিতে বলিতে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের আবার ভাবাবেশের উপক্রম হইতেছে। হঠাৎ আপনা-আপনি বলিতেছেন, “সংহারমূর্তি কালী!—না নিত্যকালী!”

    ঠাকুর অতি কষ্টে ভাব সম্বরণ করিলেন। এইবার একটু জলপান করিলেন। যশোদার কথা আবার বলিতে যাইতেছেন, শ্রীযুক্ত মহেন্দ্র মুখুজ্জে আসিয়া উপস্থিত। ইনি ও ইঁহার কনিষ্ঠ শ্রীযুক্ত প্রিয় মুখুজ্জে ঠাকুরের কাছে নূতন যাওয়া-আসা করিতেছেন। মহেন্দ্রের ময়দার কল ও অন্যান্য ব্যবসা আছে। তাঁহার ভ্রাতা ইঞ্জিনিয়ারের কাজ করিতেন। ইঁহাদের কাজকর্ম লোকজনে দেখে, নিজেদের খুব অবসর আছে। মহেন্দ্রের বয়স ৩৬। ৩৭ হইবে, ভ্রাতার বয়স আন্দাজ ৩৪।৩৫। ইঁহাদের বাটী কেদেটি গ্রামে। কলিকাতা বাগবাজারেও একটি বসতবাটী আছে। তাঁহাদের সঙ্গে একটি ছোকরা ভক্ত আসা-যাওয়া করেন, তাঁহার নাম হরি। তাঁহার বিবাহ হইয়াছে; কিন্তু ঠাকুরের উপর বড় ভক্তি। মহেন্দ্র অনেকদিন দক্ষিণেশ্বরে যান নাই। হরিও যান নাই, আজ আসিয়াছেন। মহেন্দ্র গৌরবর্ণ ও সদা হাস্যমুখ, শরীর দোহারা। মহেন্দ্র ভূমিষ্ঠ হইয়া ঠাকুরকে প্রণাম করিলেন। হরিও প্রণাম করিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—কেন এতদিন দক্ষিণেশ্বরে যাওনি গো?

    মহেন্দ্র—আজ্ঞা, কেদেটিতে গিছলাম, কলকাতায় ছিলাম না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—কিগো ছেলেপুলে নাই,—কারু চাকরি করতে হয় না,—তবুও অবসর নাই! ভাল জ্বালা!

    ভক্তেরা সকলে চুপ করিয়া আছেন। মহেন্দ্র একটু অপ্রস্তুত।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মহেন্দ্রের প্রতি)—তোমায় বলি কেন,—তুমি সরল, উদার—তোমার ঈশ্বরে ভক্তি আছে।

    মহেন্দ্র—আজ্ঞে, আপনি আমার ভালোর জন্যই বলেছেন।

    বিষয়ী ও টাকাওয়ালা সাধু—সন্তানের মায়া 

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)—আর এখানকার যাত্রায় প্যালা দিতে হয় না। যদুর মা তাই বলে, ‘অন্য সাধু কেবল দাও দাও করে; বাবা, তোমার উটি নাই’। বিষয়ী লোকের টাকা খরচ হলে বিরক্ত হয়।

    “এক জায়গায় যাত্রা হচ্ছিল। একজন লোকের বসে শোনবার ভারী ইচ্ছা। কিন্তু সে উঁকি মেরে দেখলে যে আসরে প্যালা পড়ছে, তখন সেখান থেকে আস্তে আস্তে পালিয়ে গেল। আর-এক জায়গায় যাত্রা হচ্ছিল, সেই জায়গায় গেল। সন্ধান করে জানতে পারলে যে এখানে কেউ প্যালা দেবে না। ভারী ভিড় হয়েছে। সে দুই হাতে কুনুই দিয়ে ভিড় ঠেলে ঠেলে আসরে গিয়ে উপস্থিত। আসরে ভাল করে বসে গোঁপে চাড়া দিয়ে শুনতে লাগল। (হাস্য)

  • Bihar Assembly Polls: বিহারে ১০১ আসনেই প্রার্থী ঘোষণা করে ময়দানে বিজেপি, এখনও তল খুঁজছে কংগ্রেস?

    Bihar Assembly Polls: বিহারে ১০১ আসনেই প্রার্থী ঘোষণা করে ময়দানে বিজেপি, এখনও তল খুঁজছে কংগ্রেস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয় দফায় ১৮ জন প্রার্থীর নামের তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি (Bihar Assembly Polls)। বিহার বিধানসভা নির্বাচনের জন্য এই তালিকা প্রকাশ করেছে পদ্মশিবির (BJP)। এনডিএ জোটের শরিক হিসেবে বিজেপির প্রার্থী দেওয়ার কথা ১০১টি আসনে। বিহার বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৪২টি। তার মধ্যে ১০১টিতে প্রার্থী দেওয়ার কথা পদ্ম শিবিবের। প্রথম দফায় যে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছিল বিজেপি, সেখানে নাম ছিল ৭১ জনের। পরের দফায় ঘোষণা করা হয় ১২ প্রার্থীর নাম। তৃতীয় দফায় প্রকাশ করা হল ১৮ জনের নাম।

    বিজেপির প্রার্থী তালিকা (Bihar Assembly Polls)

    জানা গিয়েছে, বিজেপি নরকাটিয়াগঞ্জ আসনে প্রার্থী করেছে সঞ্জয় পাণ্ডেকে। চনপাতিয়ায় লড়বেন উমাকান্ত সিং। আর চিরাইয়া কেন্দ্রে লড়বেন লালবাবু প্রসাদ গুপ্তা। কোচাধামান আসনে প্রার্থী করা হয়েছে বীণা দেবীকে।  রাঘোপুরে লড়বেন সতীশ কুমার যাদব। আর মুরারি পাশোয়ান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন পিরপিয়ান্তি কেন্দ্র থেকে। বিজেপির প্রবীণ নেতা তথা পাঁচবারের বিধায়ক ভাগীরথী দেবীকে এবার আর পশ্চিম চম্পারণ জেলার রামনগর আসনে প্রার্থী করা হচ্ছে না। আখ শিল্পমন্ত্রী কৃষ্ণনন্দন পাশোয়ানকে আবারও হরসিদ্ধি কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে। লোকগায়ক বিনয় বিহারীও ফের লৌরিয়া থেকে প্রার্থী হচ্ছেন। মোহানিয়ার বিধায়ক সঙ্গীতা কুমারী এবং ভভুয়ার বিধায়ক ভারত বিন্দ, যিনি রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি) ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন, তাঁদেরও ফের নিজদের আসনেই প্রার্থী করা হয়েছে। এদিকে, উপেন্দ্র কুশওয়াহার নেতৃত্বাধীন রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চাও তাদের বরাদ্দ আসনগুলির প্রার্থীদের নামের তালিকা ঘোষণা করেছে। দলীয় সভাপতি উপেন্দ্র কুশওয়াহার স্ত্রী স্নেহলতা রোহতাস বিধানসভা আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন (BJP)।

    বেহাল দশা ইন্ডি জোটের

    বিহার বিধানসভা নির্বাচন হবে দু’দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন (Bihar Assembly Polls) হবে ৬ নভেম্বর, দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ওই মাসেরই ১১ তারিখে। এনডিএ যখন ঘর গুছিয়ে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে লড়াইয়ের ময়দানে, তখন ইন্ডি জোটের অন্যতম শরিক কংগ্রেসের ছন্নছাড়া দশা। ইন্ডি জোটে এখনও আসন বণ্টনই হয়নি, অথচ প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ করতে শুরু করেছে সোনিয়া গান্ধীর দল। জানা গিয়েছে, কংগ্রেস এ পর্যন্ত মাত্র ১৭ জন প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেছে। সেটি আবার দলের সরকারি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছে, যদিও ইন্ডিয়া ব্লকের ভেতরে আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা এখনও অমীমাংসিত।

    তল খুঁজছে কংগ্রেস

    জানা গিয়েছে, কংগ্রেস ঔরঙ্গাবাদ থেকে আনন্দ শঙ্কর সিং, রাজাপাকার থেকে প্রতিমা দাস, বচ্ছাওয়াড়া থেকে শিব প্রকাশ গরিব দাস এবং নালন্দা থেকে কৌশলেন্দ্র কুমার (ছোটে মুখিয়া)-কে প্রার্থী করেছে। গোপালগঞ্জ থেকে হাত চিহ্নে লড়বেন ওম প্রকাশ গর্গ, অমরপুর থেকে জিতেন্দ্র সিং, বেগুসরাই থেকে অমিতা ভূষণ, সুলতানগঞ্জ থেকে লালন কুমার, কুটুম্বা থেকে রাজেশ কুমার, বরসালীগঞ্জ থেকে শশী শেখর, বারবিঘা থেকে ত্রিশূলধারী সিং এবং মুজাফফরপুর থেকে বিজেন্দ্র চৌধুরী (Bihar Assembly Polls)। গোবিন্দগঞ্জ থেকে লড়ছেন শশী ভূষণ রাই, বিক্রম থেকে অনিল কুমার এবং রোসেরা আসন থেকে বিকে রবি। সূত্রের খবর, ইন্ডিয়া ব্লকের অন্য নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পর আরও কয়েকটি নাম ঘোষণা করা হবে (BJP)। প্রসঙ্গত, কংগ্রেস সেন্ট্রাল ইলেকশন কমিটি মোট ৪৩টি আসনের জন্য প্রার্থীর অনুমোদন দিয়েছে। আজয় মাকেনের নেতৃত্বাধীন উপ-কমিটি বুধবার আরও আটজন প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করেছে বলে খবর।

    ফিল্ডে এনডিএ

    ইন্ডি জোটের যখন বেহাল দশা, তখন বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ যথারীতি ফিল্ডে নেমে পড়েছে। সব মিলিয়ে ১০১টি আসনে লড়বে বিজেপি। বাকি আসনে লড়বে এনডিএর বিভিন্ন শরিক দল। বুধবার রাতেই পদ্ম শিবির তৃতীয় তালিকা প্রকাশ করে। এর আগে প্রকাশ করা হয়েছিল দ্বিতীয় দফার তালিকা। সেই তালিকায় ছিল ১২ জন প্রার্থীর নাম। এর মধ্যে রয়েছেন আলিনগর আসনে পদ্ম-প্রার্থী সঙ্গীত শিল্পী মৈথিলী ঠাকুর এবং বক্সার থেকে প্রাক্তন আইপিএস আনন্দ মিশ্র। তিন দফায় তালিকা প্রকাশ করে বিজেপি তার ভাগের ১০১টি আসনের সব কেন্দ্রেই প্রার্থীর নাম প্রকাশ করে ফেলল (Bihar Assembly Polls)।

    তালিকা প্রকাশ করল জেডিইউ

    এনডিএ-র শরিক জনতা দল (ইউনাইটেড) প্রথম দফার তালিকায় ৫৭ জন প্রার্থীর নাম প্রকাশ করেছে। উমেশ কুশওহা ও বিজেন্দ্র প্রসাদ যাদবের মতো প্রবীণ নেতারা ইতিমধ্যেই মহনার ও সুপৌল আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সরাইরঞ্জন আসনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার কথা বিজয় কুমার চৌধুরীর (BJP)। প্রসঙ্গত, এনডিএর আসন রফার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিজেপি এবং জেডিইউ প্রত্যেকে ১০১টি করে আসনে, এলজেপি (আরভি) ২৯টি আসনে এবং এইচএএম এবং আরএলএম ৬টি করে আসনে লড়বে (Bihar Assembly Polls)।

LinkedIn
Share