Tag: bangla news

bangla news

  • Kalighater Kaku: কোন অসুখে টানা দু’মাস হাসপাতালে সুজয়কৃষ্ণ? এসএসকেএমে আচমকা হানা ইডির

    Kalighater Kaku: কোন অসুখে টানা দু’মাস হাসপাতালে সুজয়কৃষ্ণ? এসএসকেএমে আচমকা হানা ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগাস্ট মাসে হাসপাতালে অস্ত্রপচার হয়েছে কালীঘাটের কাকুর (Kalighater Kaku)। অক্টোবর মাসের অর্ধেক দিন অতিবাহিত। প্রায় দু মাস হাসপাতালেই রয়েছেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। হৃদরোগের চিকিৎসার জন্য এতদিন কেন তিনি হাসপাতালে? তা খতিয়ে দেখতেই হাসপাতালে হাজির হলেন ইডির কর্তারা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আচমকা হানায় এসএসকেএম হাসপাতালে রীতিমতো আলোড়ন তৈরি হয়। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, দার্ঘদিন হাসপাতালে কালীঘাচের কাকু ভর্তি থাকার ফলে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে পারছে না ইডি। অন্যদিকে আদালতেরও নির্দেশ রয়েছে, শীঘ্রই তদন্ত শেষ করার। তাই ইডির এই আচমকা হানা।

    সুজয়কৃষ্ণের সঙ্গে কথা ইডি অফিসারদের

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের (Kalighater Kaku) সঙ্গে ইডি অফিসাররা এদিন এসএসকেএম হাসপাতালে কথাও বলেন। এর পাশাপাশি মঙ্গলবার চিকিৎসকদের সঙ্গে তদন্তকারী অফিসারদেরও কথা বলতে দেখা যায়। জানা গিয়েছে, সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কী ধরনের সমস্যা রয়েছে! সেই সংক্রান্ত মেডিক্যাল রিপোর্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে চেয়ে পাঠানো হয়েছে। তা হাতে পাওয়ার পরই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ নেবেন ইডি আধিকারিকরা। তারপরে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, এসএসকেএম হাসপাতাল যেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা কাছ থেকে বাঁচার একমাত্র আস্তানা। এর আগেও সমন পেতেই মদন মিত্র বা পার্থ চট্টোপাধ্যায় অথবা অনুব্রত মণ্ডলদের এখানে ভর্তি হতে দেখা গিয়েছে।

    চলতি বছরের ৩০ মে গ্রেফতার হন কালীঘাটের কাকু

    প্রসঙ্গত, প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি গ্রেফতার করে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে (Kalighater Kaku)। চলতি বছরের ৩০ মে গ্রেফতার হন কালীঘাটের কাকু। সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র লিপস অ্যান্ড বাউন্সের অন্যতম কর্তা বলে নিজেকে দাবি করেছিলেন বারবার। পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমের সামনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্যার সম্বোধনও করতে থাকেন তিনি। বহুবার তাঁকে তলব করে ইডি, তাঁর বাড়িতেও হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। টানা কয়েকমাস নজরদারি চালানোর পরে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Israel Hamas war: ইজরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে লেবাননও, চিন্তায় ভারত, কেন জানেন?

    Israel Hamas war: ইজরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে লেবাননও, চিন্তায় ভারত, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দশ দিনেরও বেশি সময় ধরে চলছে ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ (Israel Hamas war)। এই যুদ্ধের সূচনা করেছিল প্যালেস্তাইনের গাজা ভূখণ্ডের হামাসরা। ইহুদিদের দেশ ইজরায়েলকে শিক্ষা দিতেই হামলা চালায় মুসলিম জঙ্গি গোষ্ঠী হামাস। এই যুদ্ধে ইতিমধ্যেই নিহত হয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। হামাসের হাতে পণবন্দি ২০০ জন ইজরায়েলি নাগরিক।

    হামাসকে সঙ্গত লেবাননের হেজবুল্লার

    এমতাবস্থায় হামাসের পাশে দাঁড়িয়েছে মুসলমানের দেশ সিরিয়া ও লেবাননও। হামাসকে সঙ্গত দিচ্ছে লেবাননের হেজবুল্লা নামে এক জঙ্গি সংগঠন। প্রত্যাশিতভাবেই হামাসের পাশাপাশি সিরিয়া ও হেজবুল্লা-বধে নেমেছে ইজরায়েল। এতেই চিন্তা বাড়ছে ভারতের। কারণ এই মুহূর্তে ইজরায়েল-লেবানন সীমান্তে মোতায়েন রয়েছেন ৯০০ ভারতীয় জওয়ান।

    ব্লু লাইনে’ মোতায়েন ভারতীয় সেনা

    এই জওয়ানরা রাষ্ট্রসংঘের অন্তর্বর্তী বাহিনীর সদস্য হিসেবে ইজরায়েল-লেবানন (Israel Hamas war) সীমান্ত এলাকায় ‘ব্লু লাইনে’ মোতায়েন রয়েছেন। ইজরায়েল-সিরিয়া সীমান্ত এলাকায়ও রাষ্ট্রসংঘের অন্তর্বর্তী বাহিনীর সদস্য হিসেবে মোতায়েন রয়েছেন ২০০ ভারতীয় সেনা। ভারতীয় সেনা মোতায়েনের প্রধান উদ্দেশ্যই হল ইজরায়েল ও লেবাননের মধ্যে শান্তি বজায় রাখা। বর্তমানে এই অঞ্চলে বিশ্বের ৪৮টি দেশের ১০ হাজারেরও বেশি শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। এই ৪৮টি দেশের মধ্যে রয়েছে ভারতও।

    আরও পড়ুুন: মিসাইল হামলায় উড়ল গাজার হাসপাতাল, হত অন্তত ৫০০, কাঠগড়ায় প্যালেস্তাইন

    সিরিয়া এবং লেবানন ইজরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ায় চিন্তা বাড়ছে ভারতের। কারণ সীমান্তে টহলদারি চালাতে গিয়ে হামলার মুখোমুখি হতে হতে পারে ভারতীয় সেনাকে। তাই বোমাবর্ষণের ঘটনায় হতাহতের ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রতিরক্ষামন্ত্রকের।

    ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধে (Israel Hamas war) ইজরায়েলের পক্ষ নিয়েছে ভারত। স্বাভাবিকভাবেই ভারতীয় সেনা লক্ষ্য হতে পারে সিরিয়া এবং লেবাননের জঙ্গিদের। বিশেষত সেই কারণেই সিঁদুরে মেঘ দেখছে ওয়াকিবহাল মহল। এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে ইরানও। কারণ ইরান ইতিমধ্যেই হুমকি দিয়েছে, প্যালেস্তাইনে যা হচ্ছে, তার দায় নিতে হবে ইজরায়েলকে। আমেরিকা ইজরায়েলের পাশে থাকলেও, গাজায় স্থলে পথে হামলার চিন্তা ইজরায়েলকে ছাড়তে হবে বলেও সতর্ক করেছে বাইডেন প্রশাসন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Israel Hamas War: মিসাইল হামলায় উড়ল গাজার হাসপাতাল, হত অন্তত ৫০০, কাঠগড়ায় প্যালেস্তাইন

    Israel Hamas War: মিসাইল হামলায় উড়ল গাজার হাসপাতাল, হত অন্তত ৫০০, কাঠগড়ায় প্যালেস্তাইন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিসাইলের হামলায় উড়ে গেল আস্ত একটা হাসপাতাল। চোখের পলকে অকালে প্রয়াত হলেন অন্তত পাঁচশো জন মানুষ। সুস্থ হতে কিংবা রোগীর আত্মীয়-পরিজন হিসেবে যাঁরা এসেছিলেন হাসপাতালে। যুদ্ধের সঙ্গে যাঁদের পরোক্ষভাবেও কোনও সম্পর্কই নেই। গাজার (Israel Hamas War) স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে এ খবর জানানো হয়েছে। হামাসের অভিযোগ, ইজরায়েলের ছোড়া মিসাইলেই ভেঙে পড়েছে আস্ত হাসপাতালটি।

    অভিযোগ অস্বীকার ইজরায়েলের

    যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দেশ। তাদের দাবি, প্যালেস্তাইনের ছোড়া রকেটের আঘাতেই এই বিপর্যয়। এই ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই খুলে গেল অপপ্রচারের মুখোশ। ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করে ইজরায়েল জানায়, গাজার হাসপাতালে যে রকেট আছড়ে পড়ে ৩০০ জনের মৃত্যু হয়েছে, তা হামাসের ছোড়া। মিসফায়ার করে ওই রকেট হাসপাতালে গিয়ে পড়ে। দোষ চাপানোর চেষ্টা হয় ইজরায়েলের ওপর।  

    হামাস-ইজরায়েলের যুদ্ধ

    দিন দশেকেরও বেশি সময় ধরে চলছে হামাস-ইজরায়েলের যুদ্ধ (Israel Hamas War)। ইহুদিদের দেশ ইজরায়েলকে শিক্ষা দিতে হামলা চালায় মুসলমানের দেশ প্যালেস্তাইন। এই প্যালেস্তাইনের গাজা ভূখণ্ডে ঘাঁটি গেড়ে থাকা জঙ্গি হামাসরাই প্রথম হামলা চালায়। প্রতিরোধ গড়ে তোলে তেল আভিভ। তার জেরে ইতিমধ্যেই প্রাণ হারিয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।

    ইজরায়েল-হামাসের এই সংঘর্ষ থেকে গাজার আল আহলি হাসপাতালে আশ্রয় নিয়েছিলেন শতাধিক সাধারণ মানুষ। হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন কিছু রোগীও। তাঁদের দেখতে এসেছিলেন তাঁদের পরিজনেরা। আচমকাই আছড়ে পড়ে একটি মিসাইল। ভেঙে পড়ে হাসপাতালের একটি বড় অংশ। দাউদাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে। গাজা স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দাবি, মিসাইলের ঘায়ে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ৫০০ জনের। এর পরেই শুরু হয়েছে ইজরায়েল-প্যালেস্তাইনের (Israel Hamas War) মধ্যে দোষারোপ-পাল্টা দোষারোপের পালা। ইজরায়েলের দাবি, যে সময় হাসপাতালটি ভেঙে পড়ে, সেই সময় প্যালেস্তাইনের জিহাদি সংগঠন রকেট হামলা চালিয়েছিল। কোনও একটি রকেটের উৎক্ষেপণ ব্যর্থ হয়। সেটিই আছড়ে পড়ে গাজার ওই হাসপাতালের ওপর।

    রয়েল ডিফেন্স ফোর্সের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, “একাধিক গোয়েন্দা সূত্রে খবর, হাসপাতালে রকেট হামলার জন্য ইসলামিক জিহাদ জঙ্গি সংগঠনই দায়ী। আইডিএফের অপারেশনাল সিস্টেমের মাধ্যমে জানা গিয়েছে, একগুচ্ছ রকেট ইজরায়েল লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল। তা ওই হাসপাতালের ওপর দিয়েই গিয়েছিল। কোনও একটি রকেট আছড়ে পড়েই শতাধিক মানুষের প্রাণহানি হয়েছে।” আইডিএফের মুখপাত্র ড্যানিয়েল হাগারি বলেন, “বিভিন্ন সূত্র থেকে আমরা জেনেছি, ইসলামিক জিহাদির এজন্য দায়ি। রকেট হামলা ব্যর্থ হওয়ায়ই ঘটেছে এই বিপর্যয়।”

    আরও পড়ুুন: “গ্রিন প্ল্যানেটের জন্য ব্লু ইকনমিকের দিকে যাচ্ছি”, মেরিটাইম সামিটে বললেন মোদি

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

     

  • Lakshmi Bhandar: লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পেও কাটমানি! টাকা ঢুকত যুবকের অ্যাকাউন্টে, তারপর কী হল?

    Lakshmi Bhandar: লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পেও কাটমানি! টাকা ঢুকত যুবকের অ্যাকাউন্টে, তারপর কী হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লক্ষ্মীর ভান্ডারের (Lakshmi Bhandar) টাকা প্রায় দুবছর ধরে এক যুবকের অ্যাকাউন্টে ঢুকত। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জ-২ ব্লকের হুদরাপুর এলাকায়। ফরিদা খাতুন নামে উপভোক্তার মোবাইলে প্রকল্পের টাকা ঢোকার ম্যাসেজ আসত। আর টাকা ঢুকত অন্যের অ্যাকাউন্টে। প্রশাসনের দরবারে গত দুবছর ধরেই দরবার করেও কোনও কাজ হয়নি। ব্লক প্রশাসনের একাংশকে হাত করে এই সব হয়েছে। এর পিছনে একটি চক্র কাজ করেছে।  

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Lakshmi Bhandar)

    ব্লক অফিস সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীর ভান্ডারে(Lakshmi Bhandar)  মাসে মাসে ৫০০ টাকা করে জমা হওয়ার বিষয়টি মোবাইলে ফরিদা পেয়েছেন, কিন্তু প্রকৃত অর্থে সে টাকা তাঁর ব্যাঙ্কে জমা পড়েনি। বিডিও-র তদন্তে ধরা পড়ে যে অ্যাকাউন্টে ফরিদার টাকা জমা পড়ছে সেটি তাঁর অ্যাকাউন্টই নয়। সেটি সম্মতিনগরের হুদরাপুরের বাসিন্দা সাদের শেখ নামে এক যুবকের অ্যাকাউন্ট। নতুন বিডিও এসেছেন শুনে ফরিদা তাঁর অভিযোগ নিয়ে দু’দিন আগে হাজির হন তাঁর কাছে। দ্রুত দুর্নীতির তদন্ত করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফরিদার হাতে টাকা তুলে দিলেন রঘুনাথগঞ্জ ২-এর বিডিও দেবোত্তম সরকার। বিষয়টি জানার পর সাদেরকে বিডিও ডেকে পাঠান। শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ। তাতেই সব কথা স্বীকার করে ওই যুবক।

    কী বললেন বিডিও?

    বিডিও দেবোত্তম বলেন, মহিলার অভিযোগ পেয়েই তদন্তের ভার দেওয়া হয় এক আধিকারিক চন্দন চৌবেকে। তদন্তে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। হুদরাপুরের যুবক সাদের শেখের অ্যাকাউন্টে ২৬ মাস ধরে লক্ষ্মীর ভান্ডারের (Lakshmi Bhandar) টাকা ঢুকেছে ফরিদা খাতুনের প্রাপ্য টাকা। ওই যুবক স্বীকার করে তার গ্রামেরই বন্ধু রাহুল শেখ তিন হাজার টাকার বিনিময়ে ফরিদা খাতুনের নামে ওই যুবকের অ্যাকাউন্ট তৈরি করে ব্যাঙ্কে। ব্যাঙ্কও তা খতিয়ে দেখেনি। এই ঘটনায় প্রশাসনিক গাফিলতি অবশ্যই ছিল। তা ছাড়া বাইরের দালাল চক্র এই ঘটনায় জড়িত জানিয়ে ওই যুবকের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হচ্ছে। তবে যে যুবকের অ্যাকাউন্টে টাকা জমা পড়েছিল তিনি মুচলেকা দিয়ে ক্ষমা চেয়েছেন। আর মহিলার প্রাপ্য ১৩ হাজার টাকা তাঁকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Weddings: ২৩ দিনে ৩৫ লক্ষ বিয়ে! নয়া নজির ভারতে, ৪ লক্ষ ২৫ হাজার কোটি টাকার লেনদেন

    Indian Weddings: ২৩ দিনে ৩৫ লক্ষ বিয়ে! নয়া নজির ভারতে, ৪ লক্ষ ২৫ হাজার কোটি টাকার লেনদেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয়দের কাছে বিয়ে (Indian Weddings) মানে শুধু সম্পর্কের বন্ধন নয়, সাত পাকে বাঁধার স্মরণীয় উদযাপন। ভারতীয় বিয়ে মানেই যার যতটা সাধ্য সেই অনুযায়ী ততটা জাঁকজমক, পেটভরে খাওয়ানো। তাই বিবাহ যাপনের ক্ষেত্রে ভারত নয়া নজির গড়তে চলেছে। চলতি বছর আগামী ২৩ নভেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে ৩৫লক্ষ বিয়ে হতে চলেছে দেশে। সিএআইটি-র সমীক্ষা বলছে, এই বিয়ের অনুষ্ঠানগুলিতে মোট ৪ লক্ষ ২৫ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হবে। যার সুফল পাবে ভারতীয় অর্থনীতি। 

    বিয়ের মরশুম শুরু ২৩ নভেম্বর থেকে

    দুর্গা পুজো, কালী পুজোর পরই আগামী ২৩ নভেম্বর থেকেই শুরু হয়ে যাচ্ছে বিয়ের (Indian Weddings) পালা। চলবে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এই ২৩ দিন ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রায় ৩৫ লক্ষটি বিবাহ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আর এই এতগুলো বিয়ের অনুষ্ঠানের সঙ্গে মোট ৪.২৫ লক্ষ কোটি টাকার লেনদেন জড়িয়ে রয়েছে। বিয়ের জামা-কাপড়, গয়না, ডেকোরেশন, বাড়ি ভাড়া, ক্যাটারিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন খরচ থেকে থাকে এই সময়। তাই একটি বিয়েকে কেন্দ্র করে টাকার হাতবদল হয় অনেকবার। ফলে অনেকেই বিয়ের মরশুমের অপেক্ষায় থাকেন। আর এই মরশুমই বর্তমানে রোজগারের পথ খুলে দেয় ওয়েডিং ফটোগ্রাফার ও মেকআপ আর্টিস্টদের। 

    কী বলছে নয়া সমীক্ষা

    বিয়ে (Indian Weddings) নিয়ে একটি সমীক্ষা চালিয়েছে সিএআইটি রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেড ডেভেলপমেন্ট সোসাইট (Research and Trade)। সমীক্ষার শেষে জানা গিয়েছে ৫০ হাজারটি বিয়েবাড়ি এরকম হবে যেখানে প্রত্যেকটি বিয়েতে ১ কোটি বা তার বেশি খরচ হতে পারে। আর ৫০ হাজার বিয়েবাড়ি এরকম হতে পারে যেখানে এক একটি বিয়েবাড়িতে খরচ হবে ৫০ লক্ষ টাকা করে। ৬ লক্ষ বিয়েতে খরচ হতে পারে ২৫ লক্ষের কাছাকাছি। দিল্লি, কলকাতা, মুম্বইয়ের মত শহরে দেশের উচ্চবিত্তদের বিয়ের অনুষ্ঠান এখন কর্পোরেট ইভেন্টকে টেক্কা দিচ্ছে। তবে এটাও ঠিক বর্তমান বাজারে সব কিছুর এতই অগ্নিমূল্য যে মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্তদের বিয়ের অনুষ্ঠান করা বেশ চাপের ব্যাপার হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

    আরও পড়ুন: চতুর্থীতে হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস! নবমীতে কি ভাসবে কলকাতা?

     সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, গড়ে বিয়ের (Indian Weddings) মোট খরচের কুড়ি শতাংশ যায় বর-কনের পিছনে। বাকি আশি শতাংশই খরচ হয় অনুষ্ঠান আয়োজনে। সবচেয়ে বেশি খরচ করা হয় বাড়ি সারাই করতে। তার পর আসে গয়না, পোশাক ও খাওয়াদাওয়ার মতো বিষয়গুলি। আগে প্রচলন না থাকলেও ক্রমেই ‘ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট’ বা অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা সামলানোর সংস্থার প্রচলন বাড়ছে বলে জানানো হয়েছে সমীক্ষায়।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: চতুর্থীতে হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস! নবমীতে কি ভাসবে কলকাতা?

    Weather Update: চতুর্থীতে হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস! নবমীতে কি ভাসবে কলকাতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর আমেজে মেতে উঠেছে বাংলা। উত্তর-দক্ষিণ দুই বঙ্গ থেকেই মঙ্গলবার বিদায় নিয়েছে বর্ষা (Weather Update)। গগনে গগনে মেঘেদের ছুটি। তবু যেন যেতে যেতেও ফিরে চাওয়া। পুজোয় দক্ষিণবঙ্গে অষ্টমীর দিন রবিবার পর্যন্ত রোদ ঝলমলে পরিষ্কার আকাশ থাকলেও নবমীর দিন থেকে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের পরোক্ষ প্রভাব পড়বে বাংলায়, জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। সোম ও মঙ্গলবার নবমী ও দশমীর দিন কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা ও দুই মেদিনীপুরে আংশিক মেঘলা আকাশ, কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    তৈরি হচ্ছে ঘূর্ণাবর্ত

    আবহাওয়া দফতর (Weather Update) জানাল, পুজোর মধ্যেই সপ্তমীর দিন বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হবে। মধ্য বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া এই ঘূর্ণাবর্ত ক্রমশ উত্তর বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোবে। শক্তিশালী হয়ে এই ঘূর্নাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এই নিম্নচাপ উত্তর বঙ্গোপসাগরে অন্ধ্র ওড়িশা উপকূলের দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা। এর গতিপথ কোন দিকে হয় সেদিকে নজর রাখবেন আবহবিদদের। এই নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে উপকূলের জেলাগুলিতে।

    বর্ষা বিদায়, তবু বৃষ্টি 

    মঙ্গলবার দুপুরে দক্ষিণ কলকাতার কিছু এলাকার পাশাপাশি নদিয়া এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার কয়েকটি জায়গায় দু’এক পশলা বৃষ্টি হয়েছে। বুধবার হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া অফিস। তবে আপাতত বুধবার সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার রয়েছে। বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে থাকতে পারে।

    আরও পড়ুন: অপহরণ করে কোটি টাকা তোলা দাবি তৃণমূল নেতার, ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ, আতঙ্কে অসহায় ব্যবসায়ী

    উত্তরবঙ্গে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি জেলায়। আগামী ২৪ ঘণ্টা পর থেকে বৃষ্টির পরিমাণ অনেকটাই কমে যাবে উত্তরবঙ্গে। ধীরে ধীরে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কমবে এবং বৃষ্টিও কমে যাবে উত্তরবঙ্গে। বৃহস্পতিবার থেকে উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকা ছাড়া বাকি অংশে শুষ্ক আবহাওয়া।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “গ্রিন প্ল্যানেটের জন্য ব্লু ইকনমিকের দিকে যাচ্ছি”, মেরিটাইম সামিটে বললেন মোদি

    PM Modi: “গ্রিন প্ল্যানেটের জন্য ব্লু ইকনমিকের দিকে যাচ্ছি”, মেরিটাইম সামিটে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করার সুযোগ পেতে চলেছেন বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন মুম্বইয়ে হয়ে গেল গ্লোবাল মেরিটাইম ইন্ডিয়া সামিট ২০২৩। ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানটিতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি জানান, ভারত, মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউরোপের মধ্যে যে অর্থনৈতিক করিডর (IMEEC) গড়ে উঠতে চলেছে, তার মাধ্যমেই বিনিয়োগকারীরা চাইলে দেশের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করতে পারবেন। তিনি জানান, সম্প্রতি ভারতে হয়ে যাওয়া জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে এই করিডর তৈরির সিদ্ধান্ত হয়। এই করিডর তৈরি করতে প্রধান উদ্যোগ নিয়েছিল ভারতই।

    ‘ভারতের অগ্রগতির যাত্রার অংশীদার হোন’

    অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “খুব কম দেশই উন্নয়ন, জনসংখ্যা, গণতন্ত্র ও চাহিদার আশীর্বাদ পেয়েছে। বিশ্বের বিনিয়োগকারীরা ভারতের অগ্রগতির যাত্রার অংশীদার হোন।” তিনি বলেন, “ইতিহাস বলছে, যখনই ভারতের সামুদ্রিক ক্ষমতা শক্তিশালী হয়েছে, তখনই দেশ ও বিশ্ব এর থেকে উপকৃত হয়েছে। তাই আমার সরকার গত ৯-১০ বছরে সামুদ্রিক ক্ষেত্রকে শক্তিশালী করার জন্য কাজ করছে। তার জেরে সামুদ্রিক বাণিজ্যের প্রবল উন্নতি হয়েছে। দেশের একাধিক বন্দরের ধারণ ক্ষমতা এক লপ্তে অনেকখানি বৃদ্ধি করা হয়েছে। বলতে পারেন দ্বিগুণ করা হয়েছে। ২০১৪ সালের তুলনায় বর্তমানে এই বন্দর বাণিজ্যের প্রভূত উন্নতি হয়েছে। বন্দরের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য নয়া রাস্তা তৈরি করা হয়েছে।”

    গ্রিন প্ল্যানেটের জন্য ব্লু ইকনমিকের দিকে যাচ্ছি

    এদিন প্রধানমন্ত্রী ‘সাগরমালা’ প্রকল্পেরও উল্লেখ করেন। উল্লেখ করেন সামুদ্রিক পরিকাঠামো বৃদ্ধির। এর জেরে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ভারত এখন বিশ্বের প্রথম পাঁচটি জাহাজ তৈরির দেশের মধ্যে পড়ছে। আমাদের মন্ত্র হল ভারতে তৈরি করো। গোটা সামুদ্রিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সব অংশীদারিত্বকে এক ছাতার তলায় এনে কাজ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আমরা গ্রিন প্ল্যানেটের জন্য ব্লু ইকনমিকের দিকে যাচ্ছি।”

    আরও পড়ুুন: ইজরায়েলি রকেট হানায় খতম হামাসের শীর্ষ জঙ্গি আয়মান নোফার

    এদিনের অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) ১৮ হাজার ৮০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের বন্দর-সম্পর্কিত একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। গুজরাটের দীনদয়াল বন্দর কর্তৃপক্ষের ৪ হাজার ৫৩৯ কোটি টাকার টুনা টেকরা অল ওয়েদার ডিপ ড্রাফট টার্মিনালের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করেন তিনি। আইএমইইসিকে সহায়তা দিতেই এই প্রকল্প তৈরি হচ্ছে।   

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ICC ODI World Cup 2023: অবাক বিশ্বকাপ! শুধু আফগান বা ডাচ নয়, ২২ গজের বিশ্বযুদ্ধে অঘটন ঘটেছে বারবার

    ICC ODI World Cup 2023: অবাক বিশ্বকাপ! শুধু আফগান বা ডাচ নয়, ২২ গজের বিশ্বযুদ্ধে অঘটন ঘটেছে বারবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেদারল্যান্ডসের কাছে দক্ষিণ আফ্রিকার পরাজয় ভাবা যাচ্ছে না। রশিদ খানদের বিরুদ্ধে হার ভুলে যেতে চাইবেন ইংল্যান্ডের ক্রিকেটারেরা। তবে, বিশ্বকাপের (ICC ODI World Cup 2023) ইতিহাসে একাধিক বার এরকম অঘটন ঘটেছে। ক্রিকেটবিশ্বের তথাকথিত ছোট দলগুলি হারিয়ে দিয়েছে হট-ফেভারিটদের।

    ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ১৯৮৩

    বিশ্বকাপের ইতিহাসে সব থেকে বড় অঘটন ঘটিয়েছিলেন কপিল দেবরা। বিশ্বকাপের ফাইনালে দু’বারের বিশ্বজয়ী ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ভারত। সেই সময়ে ভারত যে ফাইনাল খেলবে তাই ভাবতে পারেননি ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। সেখানে খেতাব জয়। ১৮৩ রান করেছিল ভারত। সেই রান তাড়া করে  ১৪০ রানে শেষ হয়ে গিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কপিলরা হয়ে উঠেছিলেন স্বপ্নের সওদাগর।

    জিম্বাবোয়ে বনাম অস্ট্রেলিয়া, ১৯৮৩

    সেটা ছিল জিম্বাবোয়ের প্রথম বিশ্বকাপ। প্রথম ম্যাচেই সামনে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়া। যে দলে রয়েছেন ডেনিস লিলি এবং জেফ থমসনের মতো ক্রিকেটার। তরুণ অ্যালান বর্ডারও তখন দলে। সেই ম্যাচে ব্যাট করতে নেমে জিম্বাবোয়ে এক সময় ৯৪ রানে ৫ উইকেট হারায়। সেখান থেকে অধিনায়ক ডানকান ফ্লেচারের ব্যাটে ভর করে ২৩৯ রান তোলে জিম্বাবোয়ে। অস্ট্রেলিয়া ২২৬ রান করে আটকে যায়।

    কেনিয়া বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ১৯৯৬

    অসাধারণ বোলিংয়ে সে বার ক্যারিবিয়ানদের হারিয়ে দেয় কেনিয়া। প্রথমে ব্যাট করে কেনিয়া মাত্র ১৬৬ রান করে। মাত্র ৯৩ রানে শেষ হয়ে গিয়েছিল ব্রায়ান লারার দল। 

    জিম্বাবোয়ে বনাম ভারত, ১৯৯৯

    বিশ্বকাপের মঞ্চে জিম্বাবোয়ের কাছে হার মানতে হয়েছিল ভারতকে। গ্রুপ পর্বের ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ২৫২ রান তোলে জিম্বাবোয়ে। ২৪৯ রানে অল আউট হয়ে যায় ভারত। হেনরি ওলঙ্গা ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচের নায়ক হয়ে ওঠেন।

    আরও পড়ুন: বিক্রি হয়েছে ১৫০ কোটি টাকার জার্সি! বিশ্বকাপ লক্ষ্মী আনছে ভারতের ‘কোষাগারে’

    বাংলাদেশ বনাম ভারত, ২০০৭

    বাংলাদেশের কাছে হেরে ২০০৭-এর বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয় ভারত। সে এক অঘটনের বিশ্বকাপ ছিল। শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ এবং বারমুডার সঙ্গে এক গ্রুপে ছিল ভারত। প্রথম ম্যাচেই ভারত হেরে গিয়েছিল বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। ১৯১ রানে শেষ হয়ে গিয়েছিল রাহুল দ্রাবিড়ের ভারত। 

    আয়ারল্যান্ড বনাম পাকিস্তান, ২০০৭

    ক্রিকেট বিশ্বে আয়ারল্যান্ড নিজেদের পরিচয় তৈরি করেছিল ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারিয়ে। পাকিস্তান প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ১৩২ রানে শেষ হয়ে গিয়েছিল। আইরিশ পেসারদের সামলাতে পারেননি পাক ব্যাটারেরা। বৃষ্টির জন্য সেই রানের লক্ষ্য কমে হয় ১২৭ রান। ৩ উইকেট হাতে নিয়ে ম্যাচ জিতে নেয় আয়ারল্যান্ড। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Wholesale Inflation: সুখবর কেন্দ্রের! টানা ছ’মাস শূন্যের নিচে দেশের পাইকারি মুদ্রাস্ফীতির হার

    Wholesale Inflation: সুখবর কেন্দ্রের! টানা ছ’মাস শূন্যের নিচে দেশের পাইকারি মুদ্রাস্ফীতির হার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা ছ’মাস শূন্যের নিচে পাইকারি মুদ্রাস্ফীতির (Wholesale Inflation) হার। গত সপ্তাহেই দেশের খুচরো মুদ্রাস্ফীতি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার সহনশীল মাত্রার নিচে নেমে গিয়েছিল। এবার পাইকারি মুদ্রাস্ফীতির রিপোর্টেও দেখা গেল টানা ছ’মাস শূন্যের নিচে রয়েছে পাইকারি মুদ্রাস্ফীতির হার। সোমবারই প্রকাশিত হয়েছে এ সংক্রান্ত রিপোর্টটি। সেখানে দেখা গিয়েছে, সেপ্টেম্বরে পাইকারি মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল -০.২৬ শতাংশ। 

    পাইকারি মুদ্রাস্ফীতির হার

    টানা ছ’মাস পাইকারি মুদ্রাস্ফীতি (Wholesale Inflation) শূন্যের নিচে থাকলেও, গত কয়েক মাসে অবশ্য এই হার বেড়েছে। যেমন, অগাস্টে যেখানে পাইকারি মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল -০.৫২ শতাংশ। তার আগের মাসে অর্থাৎ, জুলাইতে এই হার ছিল -১.৩৬ শতাংশ। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের মতে, গত বছরের একই মাসের তুলনায় রাসায়নিক ও রাসায়নিক পণ্য, খনিজ তেল, টেক্সটাইল, মৌলিক ধাতু ও খাদ্য পণ্যের দাম কমে যাওয়ার কারণে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে মুদ্রাস্ফীতির পরিমাণও কমেছে। প্রসঙ্গত, গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে দেশে পাইকারি মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ১০.৫৫ শতাংশ।

    রেপো রেট বাড়ায় আরবিআই

    মনে রাখতে হবে, জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি পেলে বাড়ে মুদ্রাস্ফীতির হারও। এমতাবস্থায় পকেটে টান পড়ে আমজনতার। বিপাকে পড়েন ঋণগ্রহীতারা। কারণ মুদ্রাস্ফীতির হার বৃদ্ধি পেলে আরবিআই রেপো রেটও বাড়ায়। তাই ঋণগ্রহীতাকে সুদ গুণতে হয় বেশি। আবার অন্যদিকে, লগ্নি টানতে ব্যাঙ্ক গ্রাহককে বিভিন্ন সঞ্চয়ে বেশি হারে সুদের প্রস্তাব দেয়। তাতে আমজনতার লাভ হয় বৈকি!

    আরও পড়ুুন: মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর করার কথা কেন বললেন শুভেন্দু?

    যেহেতু সেপ্টেম্বরে সবজির দাম কমেছে, তাই এ মাসে খুচরো মুদ্রাস্ফীতিও নেমে এসেছে ৩.৩৯ শতাংশে। অথচ অগাস্ট মাসে সবজির দাম বেশি থাকায় ওই মাসে মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ২৬.১৪ শতাংশ। গত মাসে শস্যের মুদ্রাস্ফীতির হার ১০.৯৫ শতাংশ। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতেও এ মাসে মুদ্রাস্ফীতি -০.১১ শতাংশ কমেছে। কমেছে খাদ্য মুদ্রাস্ফীতিও। ৫.৬২ শতাংশ থেকে এই মুদ্রাস্ফীতির হার কমে হয়েছে ১.৫৪ শতাংশ। জুলাই মাসে খুচরো মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ৭.৪৪ শতাংশ। অগাস্টে তা হয়েছিল ৬.৮৩ শতাংশ। সেপ্টেম্বর মাসে খুচরো মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ৫.২ শতাংশ। এটাই ছিল তিন মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Israel-Hamas War: ইজরায়েলি রকেট হানায় খতম হামাসের শীর্ষ জঙ্গি আয়মান নোফাল

    Israel-Hamas War: ইজরায়েলি রকেট হানায় খতম হামাসের শীর্ষ জঙ্গি আয়মান নোফাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েলের রকেট হানায় খতম হামাসের শীর্ষ জঙ্গি নেতা আয়মান নোফাল (Israel-Hamas War)। ইজরায়েল সেনা সূত্রে খবর যে এয়ার স্ট্রাইকের ফলেই এই জঙ্গি নেতাকে নিকেশ করতে সক্ষম হয়েছে তারা। আয়মান মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি তালিকায় ছিল বলে জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি লেবাননের হেজবুল্লা জঙ্গিগোষ্ঠীর ২ জঙ্গিকেও খতম করতে সক্ষম  হয়েছে ইজারায়েলি সেনা। প্রসঙ্গত, হামাসের পাশে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করার পরে লেবাননের হেজবুল্লা ইজরায়েলে আচমকাই হামলা চালায়, পাল্টা প্রত্যাঘাত করতে শুরু করে নেতানিয়াহু প্রশাসন (Israel-Hamas War)।

    খতম হামাসের শীর্ষ জঙ্গি নেতা

    ইজরায়েল প্রশাসন জানিয়েছে যে বিমান হানায় গাজার একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি তারা ধ্বংস করতে পেরেছে। ঠিক এরকম একটি বিমান হানায় খতম হয়েছেন হামাসের কট্টরপন্থী নেতা আয়মান নোফাল। জানা গিয়েছে, আড়াল থেকেই জঙ্গিগোষ্ঠীকে নিয়ন্ত্রণ করতেন তিনি। প্রসঙ্গত, ১৯৮৭ সালের ১৪ ডিসেম্বর শেখ আহমেদ ইয়াসিনের নেতৃত্বে তৈরি হয়েছিল হামাস। যার পুরো নাম, ‘হারকত আল-মুকাওয়ামা আল-ইসলামিয়া’ (Israel-Hamas War)। ২০০৪ সালে ইজরায়েলের হানায় নিহত হয় ইয়াসিন। জানা গিয়েছে প্রতিষ্ঠাতা তিনজনের মধ্যে দুজনই মারা গিয়েছেন। জীবিত রয়েছেন একমাত্র জঙ্গি নেতা জহর। তাঁর কিছু কমান্ডার এখনও যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন। যাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন আয়মান নোফাল।

    সাধারণ প্যালেস্তাইন নাগরিকদের জন্য ত্রাণ ইজরায়েলের

    ইজরায়েলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে গাজার সাধারণ প্যালেস্তাইন নাগরিক যারা পালিয়ে যাচ্ছেন, তাঁদের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে তাঁদের জন্য সুরক্ষিত রুটও ইজরায়েলের সেনাবাহিনী ঘোষণা করে দিয়েছে। যদিও সেই পথেই বোমাবাজি চালাতে শুরু করে হামাস (Israel-Hamas War)। সাধারণ নাগরিকদের গাড়ির চাবিও কেড়ে নেয় তারা, এমনটাই অভিযোগ হামাসের বিরুদ্ধে। অভিযোগ উঠেছে ইজরায়েলের আক্রমণের বিরুদ্ধে সাধারণ নাগরিকদের ঢাল হিসেবে তারা ব্যবহার করছে। প্যালেস্তাইনে এখনও পর্যন্ত তিন হাজার জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জখম সাড়ে ১২ হাজারেরও বেশি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share