Tag: bangla news

bangla news

  • Russia: যুদ্ধের আবহে পাততাড়ি গুটিয়েছে বহু সংস্থা, ব্যবসা করুক ভারত, চাইছে ‘বন্ধু’ রাশিয়া

    Russia: যুদ্ধের আবহে পাততাড়ি গুটিয়েছে বহু সংস্থা, ব্যবসা করুক ভারত, চাইছে ‘বন্ধু’ রাশিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অব্যাহত রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। দীর্ঘ এই যুদ্ধের জেরে রাশিয়া (Russia) থেকে পাততাড়ি গুটিয়েছে আমেরিকা ও ইউরোপীয়ান বিভিন্ন কোম্পানি। এমতাবস্থায় রাশিয়া চাইছে, ওই জায়গাগুলিতে ব্যবসা করুক ভারত। সেন্ট পিটার্সবার্গ ইন্ডিয়ান ইকনোমিক ফোরামের পূর্ণ সুযোগ নিক নয়াদিল্লি।

    শূন্যস্থানে বসুক মোদির দেশ

    ইউরোপের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করুক মোদির দেশ। সেন্ট পিটার্সবার্গ ইন্ডিয়ান ইকনোমিক ফোরামের কর্তা অ্যালেক্সি ভালকোভ বলেন, “যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার অর্থনীতির কিছু উপযুক্ত জায়গা তৈরি হয়েছে। ইউরোপীয় ও মার্কিন কোম্পানিগুলি ব্যবসা গোটানোয় এই শূন্যস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। ওই দেশগুলির সরকারের চাপেই যুদ্ধের আবহে পাততাড়ি গুটিয়েছে তারা। অনেক রাশিয়ান কোম্পানি এই ব্যবসাগুলির রাশ হাতে নিতে প্রস্তুত। আগ্রহ দেখিয়েছে কমিউনিস্ট শাসিত দেশ চিনও।”

    কোন কোন ক্ষেত্রে সুযোগ

    তিনি জানান, এ দেশে এমন অনেক ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে, যেগুলি ভারতের বিনিয়োগকারী ও কোম্পানিগুলিকে ব্যবসা করতে আগ্রহী করে তুলবে। অটোমেটিভ, ট্রান্সপোর্টেশন, টেক্সটাইল কিংবা লাইট ইন্ডাস্ট্রিজগুলি ওই জায়গাগুলির ভাল ব্যবসা করতে পারবে।  সেন্ট পিটার্সবার্গ ইন্ডিয়ান ইকনোমিক ফোরামের ইভেন্ট হবে আগামী (Russia) বছরের জুনের ৫ থেকে ৮ তারিখের মধ্যে। তিনি বলেন, “বিশেষ কোনও ব্যবসার ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করাটা ঠিক হবে না। কারণ ভারতের সঙ্গে আমাদের যে ব্যবসা চলছে, সেগুলি সহযোগিতার ভিত্তিতে। আমরা ফ্রেশ এবং এক্সাইটিং ডেভেলপমেন্ট দেখতে পাচ্ছি।”

    আরও পড়ুুন: লোকসভাকাণ্ডে গ্রেফতার মহেশ, ললিতকে পালাতে সাহায্য করেছিল সে-ই?

    ভলকোভ বলেন, “এই ফোরামে দু তরফে আলোচনার সুযোগ মিলবে। পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতেই এই সুযোগ মিলবে। এই ফোরামে যে কেবল রাশিয়ায় ব্যবসা করার সুযোগ মিলবে তা-ই নয়, গোটা বিশ্বের দ্বারই উন্মুক্ত হয়ে যাবে। কারণ ভৌগোলিকভাবে সেন্ট পিটার্সবার্গ তিনটি দেশের মাঝখানে অবস্থিত।” মুম্বইয়ে রাশিয়ান ফেডারেশনের কাউন্সেল জেনারেল অ্যালেক্সি সুরোভৎসেব বলেন, “আমরা কেবল লক্ষ্য রাখছি ব্যবসায়িক কাজকর্মের নীতিগুলির ওপর। সেন্ট পিটার্সবার্গ ইন্ডিয়ান ইকনোমিক ফোরাম একটা উন্মুক্ত মঞ্চ। এখানে যারা অংশ নেবে, তাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত থাকবে। প্রয়োজনে এই অংশগ্রহণের খবর গোপনও রাখা হবে (Russia)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Parliament Security Breach: লোকসভাকাণ্ডে গ্রেফতার মহেশ, ললিতকে পালাতে সাহায্য করেছিল সে-ই?

    Parliament Security Breach: লোকসভাকাণ্ডে গ্রেফতার মহেশ, ললিতকে পালাতে সাহায্য করেছিল সে-ই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভাকাণ্ডে (Parliament Security Breach) গ্রেফতার আরও এক। দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেফতার মহেশ কুমাওয়াত। এনিয়ে ওই ঘটনায় মোট ছ’জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। হেফাজতে নিয়ে মহেশকে জেরা করতে চাইছে পুলিশ। এই মহেশই লোকসভাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড ললিত ঝাকে দিল্লি থেকে পালাতে সাহায্য করেছিলেন। বৃহস্পতিবার ভোরেই গ্রেফতার করা হয় ললিতকে। শনিবার গ্রেফতার করা হয়েছে মহেশকে। যদিও আগেই আটক করা হয়েছিল তাকে। এদিন সাত দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    মহেশের ডেরায় ছিল ললিত!

    আদালতে দিল্লি পুলিশের দাবি, দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে চেয়েছিল অভিযুক্তরা। তবে কেন তারা এই ধরনের ঘটনা ঘটাল, ঘটনার নেপথ্যেই বা কারা, এই হামলার পেছনে শত্রু কোনও দেশ বা জঙ্গি সংগঠনের হাত রয়েছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মহেশ রাজস্থানের নাগৌর জেলার বাসিন্দা। ঘটনার পর দিল্লি থেকে পালিয়ে মরুরাজ্যে মহেশের ডেরায়ই গা ঢাকা দিয়েছিল ললিত। ললিতের সঙ্গে মিলে মহেশও ঘটনার দিন ধৃত চারজনের মোবাইল ফোনগুলি নষ্ট করেছিল বলেই দাবি পুলিশের। মহেশের সম্পর্কিত এক ভাইকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে (Parliament Security Breach) পুলিশ। তবে তাকে এখনও গ্রেফতার করা হয়নি।

    দুই প্ল্যান

    পুলিশ জেনেছে, অভিযুক্তরা দু রকমের পরিকল্পনা করেছিল। ম্যারাথন জেরায় ললিত পুলিশকে জানিয়েছে, প্ল্যান-এ ব্যর্থ হলে প্রয়োগ করা হত প্ল্যান-বি। সংসদের ভেতরে দুজন নয়, তিনজনের হানা দেওয়ার কথা ছিল। সাগর শর্মা এবং মনোরঞ্জন ডি ছাড়াও আর যার হানা দেওয়ার কথা ছিল, সে-ই হল মহেশ। পরে অবশ্য বদলানো হয় পরিকল্পনা। কারণ ঘটনার পর দিল্লি থেকে পালিয়ে গিয়ে মহেশের ডেরায় ওঠার কথা ছিল হানাদারদের। তাছাড়া, দর্শক হিসেবে সংসদে ঢোকার পাস ছিল সাগর ও মনোরঞ্জনের কাছে। তাই এই দুজনই লোকসভায় ঢুকবে বলে ঠিক হয়েছিল। রং-বোমা জ্বালিয়ে সংসদের দিকে যাওয়ার দায়িত্ব বর্তেছিল অমল শিন্ডে ও নীলম আজাদের ওপর।

    আরও পড়ুুন: ‘চোরেরা সব ভিতরে ঢুকবে’, তৃণমূলকে তোপ সুকান্তর

    আর প্ল্যান-বি অনুযায়ী, অমল ও নীলম সংসদের কাছে পৌঁছতে না পারলে, অন্য দিক দিয়ে কৈলাস ও মহেশ রং-বোমা জ্বালিয়ে স্লোগান দিতে দিতে যাবে সংসদের দিকে। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে কৈলাস ও মহেশের হরিয়ানার গুরুগ্রামে বিশাল শর্মা ওরফে ভিকির বাড়িতে পৌঁছতে না পারায় এই কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয় অমল ও নীলমকে। বিশালকে আটক করা হলেও গ্রেফতার করা হয়নি (Parliament Security Breach) শনিবার সন্ধে পর্যন্ত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘চা বাগানগুলিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তুলে দিতে চায়’ চালসাতে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘চা বাগানগুলিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তুলে দিতে চায়’ চালসাতে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “উত্তরবঙ্গের বন্ধ চা বাগানে কখনোই অধিগ্রহণ করতে পারবে না তৃণমূল সরকার। চা বাগানগুলিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তুলে দিতে চায়। ওয়েস্ট বেঙ্গল টি কর্পোরেশন ২০১৮ সালেই উঠে গেছে। রাজ্য সরকার লাটাগুড়ির চা বাগান হর্ষ নিয়োগীকে দিয়ে দিয়েছে। রাজ্য সরকারের চা বাগান নিয়ে কোনও সদর্থক ভাবনাই নেই। সিপিএম যেমন চাঁদবণিক নামক চা বাগান করেছিল ঠিক তৃণমূল এই চালসায় চা বাগান  করেছে। সব বাগানগুলি বন্ধ করে দিয়েছে। মমতাও চা বাগানকে পুরোপুরি তুলে দিতে চাইছেন।” চালসা  (Jalpaiguri) সভায় করতে এসে রাজ্যের বিরোধী দলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ঠিক এই ভাবেই তোপ দাগলেন মমতাকে।

    চা বাগানের জমি পাট্টা হয় না(Suvendu Adhikari)

    চালসায় সভায় করতে এসে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “কোনও জায়গা যদি খাস ঘোষণা না হয় তাহলে পাট্টা হয় না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চা বাগানের জমিকে অনৈতিক ভাবে পাট্টা দিয়েছেন। চা সুন্দরীর বাড়িগুলি হয়েছে কেন্দ্রের মোদি সরকারের টাকায়। সেখানে কেউ যাচ্ছে না। সব বাড়ি পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে রয়েছে। আগে মালিকরা এখানে চা শ্রমিকদের বাড়ি সারিয়ে দিত কিন্তু এখন দিচ্ছে না। কারণ তাঁদের কাছ থেকে তৃণমূল নেতারা কোটি কোটি টাকা লুট করেছে। চা বাগানের শ্রমিকদের ভাওতা দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাঁদের ভুল বোঝানো হচ্ছে। চা বাগানের জমিকে কখনোই অধিগ্রহণ করতে পারে না রাজ্য সরকার। চা বাগানের জমি কেন্দ্রের বিষয়। এটা কেন্দ্রীয় সরকারের সম্পত্তি। চা বাগানের জন্য বিজেপি লাগাতার মিটিং-আন্দলন করবে।”

    আর কী বলেন শুভেন্দু?

    জলপাইগুড়ির চালসাতে এই দিন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “সিপিএম নেতা সূর্যকান্ত মিশ্র নিজে সামাজিক মাধ্যমে বলেছেন যারা চাকরি পায়নি তারাই সংসদে প্রতিবাদ করেছে। কিন্তু এটা প্রতিবাদ নয় রীতিমতো আক্রমণ! বিকশিত ভারত যাত্রা হোক বা ফসল বীমা যোজনা, তৃণমূল সরকার এই রাজ্যে ঢুকতে দিচ্ছে না। কারণ ঢুকতে দিলেই কেন্দ্রিয় প্রকল্পের সুবিধার কথা সকলে জেনে যাবেন। আর এটাই মমতার ভয়। এসএসকেএম হল সারকারি খোঁয়াড়। তৃণমূলের চোরদের সেখানে লালন-পালন করা হয়। চালসা-নাগরাকাটা থেকে কোনও মানুষ অসুস্থ হয়ে ভর্তি হতে চাইলে বেড পাবেন না। চোর ডাকাতদের বিরিয়ানি খাইয়ে রাখা হয় সেখানে। হাসপাতাল হল ইডি-সিবিআইয়ের তদন্ত থেকে বাঁচার নিরাপদ আশ্রয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: সংসদে আক্রমণকারী ললিতের সঙ্গে যোগ মিলেছে বাংলার ছাত্রের

    Parliament Security Breach: সংসদে আক্রমণকারী ললিতের সঙ্গে যোগ মিলেছে বাংলার ছাত্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদে আক্রমণের (Parliament Security Breach) মূলচক্রী ললিতের ঝায়ের সঙ্গে যুক্ত বাংলার এক ছাত্রের যোগ পাওয়া গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ললিত ইতিমধ্যে কলকাতায় একটি বেসরকারি স্কুলে কিছুদিন শিক্ষকতার কাজ করেছে। পরিবারের সঙ্গে বাগুইআটির একটি ভাড়া বাড়িতে থাকত লতিত। বড় বাজারে ছিল নিত্য যাতায়েত তার। সূত্রে জানা গিয়েছে, হাওড়ার বালির বাসিন্দা সায়ন পাল নামক এক ছাত্রও ললিতদের সাম্যবাদী সুভাষ সভা নামে সংগঠনের সদস্য ছিল। তবে সায়নের দাবি লিলতকে সে চেনে না ।

    সায়নের বক্তব্য

    ঘটনায় সায়ন পাল সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছে, “আমি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হলেও ললিতের সঙ্গে আমার প্রত্যক্ষ যোগাযোগ নেই। আমি তাকে চিনি না। ৫০০ জনের গ্রুপের মধ্যে আমিও একজন সদস্য। গ্রুপের সম্পূর্ণ কাজ কেবল আমার উপর বর্তায় না। সংসদের (Parliament Security Breach) হামলার ঘটনাকে সমর্থন করি না। এটা সম্পূর্ণ অপরাধ জনিত কাজ। আমরাও ভয়ে রয়েছি। গ্রুপের আরও অনেকেই ভয়ে রয়েছে।”

    কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর(Parliament Security Breach)

    কলকাতা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, “গত জুন মাসে কলকাতায় এক মিছিল করার জন্য পুলিশের কাছে আবেদন করেছিল সাম্যবাদী সুভাষ সভা নামক এক সংগঠন। আবেদন করেছিল ললিত ঝা (Parliament Security Breach) নিজেই। সেই চিঠির মধ্যে স্বাক্ষর ছিল নীলাক্ষ আইচ এবং সায়ন পাল নামক আরও দুই ছাত্রের। এরপর সূত্র ধরে যোগাযোগ করে পুলিশ।” এই বিষয়ে পুলিশ বিস্তৃত ভাবে আরও তদন্ত শুরু করেছে। সায়নকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করবে বলে জানা গিয়েছে। নিলাক্ষী আইচের সঙ্গে ললিতের সম্পর্কের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে আরও জানা গিয়েছে, একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সঙ্গে সায়ন, নীলাক্ষ প্রত্যেকেই যুক্ত ছিল। তবে ললিত গ্রুপের বাইরে সংগঠনের কাজ করত। গ্রুপে খুব একটা সক্রিয় ছিলনা সে। এখন গ্রুপ ধরে তদন্ত চলছে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Covid-19: করোনার নতুন উপরূপ জেএন.১! বিমানবন্দরে বাধ্যতামূলক মাস্ক

    Covid-19: করোনার নতুন উপরূপ জেএন.১! বিমানবন্দরে বাধ্যতামূলক মাস্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবার মাস্কে মুখ ঢাকার আতঙ্ক বিশ্বের নানা প্রান্তে। হঠাতই বাড়ছে করোনা ভাইরাসের দাপট। করোনার নয়া উপরূপ জেএন.১ দাপট দেখাচ্ছে চিনে। ভারতেও এই ভাইরাসে আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়ায় প্রতিদিন কোভিড-রোগীর (Covid-19) সংখ্যা বাড়ছে। উদ্বিগ্ন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। উদ্বেগ ছড়াচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তেও।

    নয়া উপরূপের সন্ধান

    কোভিড-১৯-এর (Covid-19) নতুন একটি উপরূপের খোঁজ মিলেছে চিনে। যার নাম জেএন.১। চিনে ইতিমধ্যে অন্তত সাত জন রোগীর শরীরে ভাইরাসের নতুন এই উপরূপ পাওয়া গিয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশের আশঙ্কা, করোনর নতুন উপরূপ দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। করোনার এই উপরূপটি প্রথম পাওয়া গিয়েছিল আমেরিকায়। গত সেপ্টেম্বরে তার খোঁজ মেলে। ডিসেম্বরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আমেরিকায় যে ক’জন কোভিড রোগী এই মুহূর্তে আছেন, তাঁদের ১৫-২৯ শতাংশের দেহে রয়েছে জেএন.১ উপরূপ। ভারতে এখনও পর্যন্ত একটি এই ধরনের রোগীর সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। গত ১৩ ডিসেম্বর কেরলের এক জনের দেহে মিলেছে নতুন উপরূপটি। 

    মাস্ক বাধ্যতামূলক

    সিঙ্গাপুরের স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে খবর, গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই সিঙ্গাপুরে করোনা (Corona Virus) আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে-লাফিয়ে বাড়ছে। করোনার শেষ ভ্যারিয়ান্ট  বিএ.২.৮৬ এর প্রজাতি জেএন.১ সংক্রমণ ছড়াচ্ছে বলে সিঙ্গাপুর স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহে হাসপাতালগুলিতে এমনকি আইসিইউয়ে করোনা রোগীর ভিড় বেড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মাস্ক পরা-সহ করোনা বিধি মেনে চলার উপর জোর দিচ্ছে প্রশাসন। বিশেষত, বিমানবন্দরে প্রবেশের ক্ষেত্রে সকলের মাস্ক পরা এবং কোভিডের দুটি ডোজ নেওয়া বাধ্যতামূলক বলে জানিয়েছে সিঙ্গাপুরের স্বাস্থ্য মন্ত্রক। আগাম সতর্কতা হিসাবে ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও প্রবেশের ক্ষেত্রে শুক্রবার থেকে সকলের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুুন: ভারত মাতা মন্দিরের পর কানাডার ‘খালিস্তান গড়ে’ বসছে ৫৫ ফুট হনুমানজির মূর্তি

    ভারতে করোনার দাপট

    শীত পড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভারতেও করোনা (Corona Virus) আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে কেরলে করোনা আক্রান্তের হার সবেচেয়ে বেশি। সেখানে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা দুই শতাধিক। একমাস আগেও ভারতে সক্রিয় কোভিড রোগীর সংখ্যা ৫০০-র কম ছিল। কিন্তু, শীত পড়ার সঙ্গে-সঙ্গে এই গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকও। তবে এখনই এ নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। এখনও পর্যন্ত রোগীদের মধ্যে উপসর্গ মৃদু দেখা যাচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Navy: আরব সাগরে জাহাজ ছিনতাই রুখে দিল ভারতীয় নৌসেনা, জানুন কীভাবে

    Indian Navy: আরব সাগরে জাহাজ ছিনতাই রুখে দিল ভারতীয় নৌসেনা, জানুন কীভাবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরব সাগরে জাহাজ ছিনতাই রুখে দিল ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)। ছিনতাই হওয়া সোমালিয়াগামী একটি জাহাজকে উদ্ধার করল ভারতীয় নৌবাহিনী। জানা গিয়েছে, এমভি রুয়েন নামে একটি জাহাজ শনিবার ভোরে যাচ্ছিল সোমালিয়া উপকূলের দিকে। সেই সময় আরব সাগরে টহল দিচ্ছিলেন ভারতীয় নৌবাহিনীর জওয়ানরা।

    ছিনতাইয়ের হাত থেকে কীভাবে রক্ষা?

    সোমালিয়া উপকূলের দিকে যাওয়া জাহাজটি থেকে একটি সংকেত পান ভারতীয় নৌসেনার জওয়ানরা। এর পরেই রুয়েনকে ধাওয়া করে ভারতীয় নৌবাহিনীর টহলদারি জলযানটি। নৌসেনার কাছ থেকে খবর পেয়ে আকাশপথে রুয়েনের ওপর নজরদারি চালাতে শুরু করে ভারতীয় নৌবাহিনীর একটি পেট্রোল বিমান। আর ছিনতাই হওয়া জাহাজটিকে ঘিরে রেখেছেন নৌসেনার (Indian Navy) জওয়ানরা। পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌবাহিনীর এক আধিকারিক। তিনি জানিয়েছেন, রুয়েন নামের ওই জাহাজটিতে রয়েছেন ১৮ জন ক্রু-মেম্বার। এই জাহাজটি থেকেই একটি মে-ডে মেসেজ পাঠানো হয়েছিল। জাহাজটিতে অপরিচিত ৬জন উঠে পড়েছে। তিনি জানান, জওয়ানদের তৎপরতায় ছিনতাইয়ের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে এমভি রুয়েন।

    লোহিত সাগরে ছিনতাই হয়েছিল জাহাজ

    আরব সাগরের এই ঘটনার মাসখানেক আগেও ছিনতাই হয়েছিল আস্ত একটি পণ্যবাহী জাহাজ। তবে সেই ঘটনাটি ঘটেছিল লোহিত সাগরে। ভারতে আসার পথে ছিনতাই করা হয়েছিল জাহাজটিকে। ছিনতাইয়ের ঘটনায় ইয়েমেনের মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন হুজির হাত রয়েছে বলে দাবি করেছিল ইজরায়েল। যেহেতু সেই সময় ইজরায়েল-হামাস সংঘর্ষ হচ্ছিল এবং ইয়েমেন ছিল হামাসের পাশে, তাই তেল আভিভের অভিযোগের আঙুল ছিল ইয়েমেনের দিকে। ছিনতাইয়ের নেপথ্যে ইরানের মদত ছিল বলেও অভিযোগ ইজরায়েলের। ছিনতাই হওয়া জাহাজটিতে ২৫ জন বিদেশি ক্রু-মেম্বার ছিলেন। সেই জাহাজটির হদিশ মেলেনি এখনও। সেই ঘটনার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই ফের জাহাজ ছিনতাই। এবার অবশ্য ভারতীয় নৌবাহনীর জওয়ানদের চেষ্টায় অভিষ্ট পূরণ হয়নি ছিনতাইকারীদের।

    আরও পড়ুুন: ভারত মাতা মন্দিরের পর কানাডার ‘খালিস্তান গড়ে’ বসছে ৫৫ ফুট হনুমানজির মূর্তি

    আরব সাগরের এই ঘটনায় সতর্কতা জারি করেছে ইউকে মেরিন ট্রেড অপারেশসন। তারা জানিয়েছে, আরব সাগর দিয়ে যাওয়ার সময় সোমালিয়ার কাছে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন (Indian Navy) করতে হবে। এই এলাকায় জলদস্যুদের উপদ্রব সম্প্রতি বেড়েছে। তাই সাবধানতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। সন্দেহজনক কোনও ঘটনা ঘটলেই দ্রুত তা রিপোর্ট করতেও বলা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: বীরভূমে ফের উদ্ধার প্রচুর বিস্ফোরক! এর পিছনেও কি তৃণমূল নেতার হাত?

    Birbhum: বীরভূমে ফের উদ্ধার প্রচুর বিস্ফোরক! এর পিছনেও কি তৃণমূল নেতার হাত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক মজুত থাকার হদিশ পেল পুলিশ। মজুত করা বিষ্ফোরকগুলির মধ্যে রয়েছে জিলেটিন স্টিক, ডিটোনেটর ও অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের (Birbhum) নলহাটি থানার বাহাদুরপুর পাথর শিল্পাঞ্চলের চন্দননগর গ্রামে। উল্লেখ্য আগেও এক তৃণমূল নেতাকে বিস্ফোরক উদ্ধারের জন্য কেন্দ্রিয় তদন্তকারী সংস্থা গ্রেফতার করে ছিল। এবারও কী তৃণমূল নেতার হাত রয়েছে? বিজেপির অবশ্য দাবি, বিস্ফোরক সামগ্রীর আসল মালিক তৃণমূলের নেতারাই। তাই রাজ্যের নয় কেন্দ্রিয় তদন্তকারি সংস্থার দ্বারা তদন্তের দাবিতে তুলেছে বিজেপি।

    উল্লেখ্য গত একবছরের বেশি আগে রামপুরহাটের বগটুই হত্যাকাণ্ডের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন অবৈধ বোমা, অস্ত্র, বিস্ফোরক উদ্ধারের জন্য। কিন্তু লাভ হয়নি। আবার এগরায় বাজি বিস্ফোরণের পরেও একই নির্দেশ দিয়েছিলেন কিন্তু তাতেও লাভের লাভ কিছুই হয়নি। উপরন্তু পঞ্চায়েত নির্বাচনে ব্যাপক পরিমাণে বিস্ফোরকের ব্যবহারে ভাঙর থেকে সালার সর্বত্র উত্তপ্ত হয়ে গিয়েছিল। এবারও ফের একবার বীরভূমে বিস্ফোরক উদ্ধারে প্রশাসনের বিরুদ্ধে আঙুল উঠছে বলে মনে করছেন এলাকার মানুষ।

    পুলিশ নিশ্চিত করেছে বিস্ফোরক (Birbhum)

    গতকাল শুক্রবার রাতে সূত্র মারফত খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নলহাটি (Birbhum) থানার বিশাল পুলিশবাহিনী। পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে চন্দননগর গ্রামের একটি বাড়িতে বিপুল পরিমানে বিষ্ফোরক মজুত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করে। বাড়িটির চারিদিকে পুলিশ মোতায়েন করে ঘিরে রাখা হয়েছে। আজ শনিবার পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিক ও বম্বস্কোয়ার্ডের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে মজুত থাকা বিষ্ফোরকগুলি উদ্ধার করে।

    আগেও গ্রেফতার হয়েছনে তৃণমূল নেতা

    উল্লেখ্য রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন চালার সময় গত ১০ জুন এই বীরভূমের (Birbhum) এলাকা থেকে বিষ্ফোরক মজুত রাখার অভিযোগে মনোজ ঘোষ নামে এক তৃণমূল কংগ্রেসের গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যকে গ্রেফতার করে এনআইএ। তার পরেও ওই এলাকায় বিপুল পরিমানে বিষ্ফোরক মজুত থাকার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এরপর তাঁর সূত্র ধরে গ্রেফতার করা হয় ইসলাম চৌধুরী নামক এক ব্যক্তিকে।

    বিজেপির বক্তব্য

    এই ঘটনায় বীরভূমের (Birbhum) জেলা বিজেপির সভাপতি ধ্রুব সাহা বলেন, “পঞ্চায়েত নির্বাচনেও এই বিস্ফোরক ব্যবহার করে মানুষের ভোট লুট করেছে তৃণমূল। পুলিশ সেই সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের আশ্রয় দিয়েছিল। আজকে উদ্ধার হওয়া এই বিস্ফোরকের পিছনে তৃণমূলের বিকি শেখ হল প্রধান অভিযুক্ত। এলাকার তৃণমূল নেতা আসাদ উদ্দিন, বিধায়ক এই বিস্ফোরকের পিছনে জড়িত। রাজ্য প্রশাসনের উপর আমাদের কোনও বিশ্বাস নেই। কেন্দ্রিয় তদন্তকারী সংস্থাকে দিয়ে তদন্তের দাবি জানাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • INDW vs ENGW: ইতিহাস গড়ল মেয়েরা! দীপ্তির দাপটে প্রথমবার ঘরের মাটিতে ইংল্যান্ডকে টেস্টে হারাল ভারত 

    INDW vs ENGW: ইতিহাস গড়ল মেয়েরা! দীপ্তির দাপটে প্রথমবার ঘরের মাটিতে ইংল্যান্ডকে টেস্টে হারাল ভারত 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার দীপ্তিতে উজ্জ্বল হয়ে উঠল ভারতীয় ক্রিকেট। বিশ্বরেকর্ড গড়ে  ইংল্যান্ডকে ৩৪৭ রানে হারাল হরমন প্রীত কৌরের দল। দুই ইনিংস মিলিয়ে দীপ্তি শর্মা নিলেন ৯ উইকেট। প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেটের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও চার উইকেট নেন বাংলার স্পিনার। ভারতীয় মেয়েদের এই সাফল্যে খুশি বিসিসিআই। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব জয় শাহ মেয়েদের কুর্নিশ জানিয়েছেন।

    ব্যাটে-বলে দুরন্ত ছন্দে

    ম্যাচের প্রথম থেকেই ভারতীয় দল একটি কমান্ডিং পজিশনে ছিল। সেই জায়গাটা শেষ পর্যন্ত ধরে রাখল তারা। কারণ হরমনপ্রীত কৌরের নেতৃত্বাধীন দল ইংল্যান্ডকে জিততে দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৭৯ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল। এই রান তাড়া করতে নেমে ২৪.৪ ওভারে ইংল্যান্ড ১০৮ রানের মধ্যেই ৯ উইকেট হারিয়ে ফেলে। শেষ পর্যন্ত ২৭.৩ ওভারে ১৩১ রানেই শেষ হয়ে যায় ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংস। ফলে টেস্ট ম্যাচটি ৩৪৭ রানে জেতে ভারত। টেস্টের প্রথম দিন থেকেই চালকের আসনে ছিল ভারত। চার জন ব্যাটার অর্ধশতরান করেন। অভিষেক ম্যাচে শুভা সতীশ করেন ৬৯ রান। জেমাইমা রদ্রিগেজ (৬৮), যষ্টিকা ভাটিয়া (৬৬) এবং দীপ্তি শর্মা (৬৭) ভারতকে বড় রান তুলতে সাহায্য করেন। ৪৯ রান করেন অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর। ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংস শেষ হয়ে যায় ১৩৬ রানে। সেই ইনিংসে ৫ উইকেট তুলে নেন দীপ্তি। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮৬ রান তুলে ডিক্লেয়ার করে দেয় ভারত। ইংল্যান্ডের সামনে ৪৭৯ রানের লক্ষ্য রাখে ভারত। এরপর জয় ছিল সময়ের অপেক্ষা। ম্যাচের সেরা হন দীপ্তি শর্মা।

    এদিন ভারত ২৫ বছরের পুরনো রেকর্ড ভেঙে দেয়।  ২৫ বছর আগে পাকিস্তানকে হারিয়ে শ্রীলঙ্কা জিতেছিল ৩০৯ রানে। মেয়েদের ক্রিকেটে সেটাই এত দিন ছিল টেস্টে সব থেকে বড় জয়। শনিবার ভারত ইংল্যান্ডকে হারাল ৩৪৭ রানে। সেটাই এখন মেয়েদের ক্রিকেটে রানের ব্যবধানে সব থেকে বড় টেস্ট জয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Canada: ভারত মাতা মন্দিরের পর কানাডার ‘খালিস্তান গড়ে’ বসছে ৫৫ ফুট হনুমানজির মূর্তি

    Canada: ভারত মাতা মন্দিরের পর কানাডার ‘খালিস্তান গড়ে’ বসছে ৫৫ ফুট হনুমানজির মূর্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডায় হরদীপ সিং নিজ্জর খুনের জেরে ঘটেছিল ভারত-কানাডা সম্পর্কের অবনতি। তবে সম্পর্কে সুসময় বোধহয় ফিরছে। খুব শীঘ্রই কানাডায় (Canada) বসতে চলেছে ৫৫ ফুট উঁচু হনুমানজির মূর্তি। আগামী বছরের এপ্রিলে ওই মূর্তি বসবে। রাজস্থানের ভাস্কর নরেশ কুমায়ত তৈরি করছেন মূর্তিটি। খরচ জোগাবে স্থানীয় মন্দির কর্তৃপক্ষ। কানাডার ব্রাম্পটনে রয়েছে হিন্দু সভা মন্দির। ২৩ এপ্রিল হনুমান জয়ন্তী। এদিনই একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদ্বোধন হবে নরেশের হাতে গড়া ওই মূর্তির।

    খালিস্তানপন্থী কার্যকলাপ

    ব্রাম্পটন এলাকাটি গ্রেটার টরন্টো এরিয়ার অন্তর্ভুক্ত। এলাকাটি সম্প্রতি পরিচিতি পেয়েছে খালিস্তানপন্থীদের কার্যকলাপ বেড়ে যাওয়ায়। দীপাবলি পালনকে কেন্দ্র করে দীপান্বিতা অমাবস্যার দিন স্থানীয় হিন্দুদের সঙ্গে খালিস্তানপন্থীদের মধ্যে উত্তেজনাও ছড়িয়েছিল (Canada)। তার আগে ভারত মাতা মন্দির চত্বরে ভারতীয় কূটনীতিক ও গৌরী শঙ্কর মন্দিরের গায়ে ভারত বিরোধী স্লোগান লেখাকে কেন্দ্র করেও উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। কানাডার এই হনুমানজির মূর্তিই শুধু নয়, রাজস্থানের নরেশের রয়েছে আরও একাধিক উল্লেখযোগ্য কীর্তি। বিশ্বের ৮০টি দেশে ২০০-র বেশি স্থাপত্যকীর্তি ছড়িয়ে রয়েছে তাঁর।

    নরেশের কীর্তি 

    কানাডারই ‘ভয়েস অফ বেদাস’ মন্দিরে রয়েছে নরেশেরই গড়া ৫০ ফুটের হনুমানজির একটি স্ট্যাচু। সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রজেক্টে দিল্লিতে ৭৫ ফুট উঁচু সমুদ্র মন্থনের যে ম্যুরাল রয়েছে, সেটিও নরেশেরই তৈরি। স্বামী বিবেকানন্দ, ডঃ সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ইন্দিরা গান্ধী, মহাত্মা গান্ধী, মার্টিন লুথার কিং এবং নেলসন ম্যান্ডেলার মূর্তিও তৈরি করেছেন রাজস্থানের এই শিল্পী। রাজস্থানের নাথওয়াড়ায় শোভা পাচ্ছে তাঁর তৈরি ৩৬৯ ফুটের শিবের স্ট্যাচু। এই মূর্তির নাম লেখা হয়েছে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে। হিমাচল প্রদেশের সোলানের ১৫৬ ফুটের হনমানজির মূর্তিটিও তৈরি নরেশের হাতে।

    আরও পড়ুুন: সংসদের বাইরে গায়ে আগুন লাগানোর ছক কষেছিল লোকসভাকাণ্ডে ধৃত সাগর!

    লিমকা বুক অফ রেকর্ডসে ঠাঁই করে নিয়েছে নরেশের এই কীর্তি। শিমলার জাকু মন্দিরে রয়েছে নরেশেরই হাতে গড়া ১০৮ ফুটের হনুমানজির মূর্তি। কেবল স্বদেশ নয়, রাজস্থানের এই শিল্পীর ভাস্কর্য শোভা পাচ্ছে আমেরিকা, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, পোল্যান্ড, সিসিলিস, মরিশাস, দুবাই, ওমান এবং রাশিয়ায়ও। অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীকুলামে রয়েছে ১৮০ ফুট হনুমানজির মূর্তি। এটিরও (Canada) রূপদান করেছেন নরেশ। প্রসঙ্গত, কানাডায় খুন হন নিজ্জর। অভিযোগের আঙুল ওঠে ভারতের দিকে। তার পরেই অবনতি হয় ভারত-কানাডা সম্পর্কে।

    ভারত-কানাডা তলিয়ে যাওয়া সম্পর্কে সুদিন ফিরছে নরেশের হাত ধরে?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • North 24 Parganas: ডিসেম্বরের শীতেও ডেঙ্গির থাবা! বারাসতে মৃত এক ডাক্তারি পড়ুয়া

    North 24 Parganas: ডিসেম্বরের শীতেও ডেঙ্গির থাবা! বারাসতে মৃত এক ডাক্তারি পড়ুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শীতের ডিসেম্বরেও ডেঙ্গির থাবা! মশা বাহিত রোগে প্রাণ গেল এক ডাক্তারি পড়ুয়ার। ঘটনা ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বারাসতে। এই ঘটনায় এলাকায় ফের একবার ডেঙ্গির প্রকোপে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ইতিমধ্যে পুরসভার বিরুদ্ধে এলাকার মানুষ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে।

    উল্লেখ্য, বর্ষার পর হেমন্ত হয়ে শীত এসে গেলেও রাজ্যে থামছে না ডেঙ্গির আতঙ্ক। পুজোর পরেও নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দমদম, দক্ষিণ কলকাতায় ডেঙ্গির প্রভাব ছিল ব্যাপক। এপর্যন্ত মৃত্যু হিয়েছে অনেকের। রাজ্যের শাসক বনাম বিরোধীদের এই ডেঙ্গির সংক্রমণ নিয়ে তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। তবুও ভাঙছে না প্রশাসনের ঘুম।

    মৃতের পরিচয় (North 24 Parganas)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ডেঙ্গির সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে বারসতের (North 24 Parganas) রথতালার বাসিন্দা পৃথ্বীরাজ দাসের। তিনি ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়া ছিলেন। জানা গিয়েছে এই পড়ুয়া কয়েকদিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন। এরপর তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত বৃহস্পতিবার রাতে ওই হাসপাতালে মৃত্যু হয় ছাত্রের। ওই ছাত্রের মৃত্যুর কারণ হিসাবে ডেঙ্গির শক সিনড্রোমের কথা বলে জানানো হয়েছে। এলাকার প্রতিবেশীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, “এলাকায় প্রচুর মশার উৎপাত। পুরসভা থেকে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। আমরা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি।”

    স্বাস্থ্য ভবনের বক্তব্য

    স্বাস্থ্য ভবনের তরফ থেকে বলা হয়েছে যে কোনও রোগীদের অকারণে অপ্রয়োজনে প্লেটলেট দেওয়ার কারণে অসংখ্য রোগীদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। আর এর ফলে রোগীদের প্রাণ সঙ্কটাপন্ন হচ্ছে। আরও জানা গিয়েছে, এর প্রভাবে রোগীদের মধ্যে অনেকের হার্টে অ্যাটাক হচ্ছে। সেই সঙ্গে ফুসফুসে জল জমে মারাও যাচ্ছে অনেক মানুষ। উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য ভবন আরও জানিয়েছে ঘটনাগুলির বেশির ভাগটাই বেসরকারি হাসপাতালেই ঘটছে।

    বিশেজ্ঞদের বক্তব্য

    চিকিৎসক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ডেঙ্গি রোগীদের ক্ষেত্রে শরীরে জল শূন্যতা একটি প্রধান সমস্যা। ডেঙ্গিতে রক্তের মধ্যে অণুচক্রিকা প্রবল হারে কমে যায়। রক্ত বাহিকা থেকে রক্তরস বা প্লাজমা লিক করে বের হলে রক্ত আরও ঘন হয়ে যায়। আর ফলে রোগীকে স্যালাইন দিতে হয়। তবে রোগীকে কখন প্লেটলেট দিতে হবে এই বিষয়ে বেসরকারি হাসপাতালের পক্ষ থেকে সরকারি নির্দেশিকাকে মান্যতা দেওয়া হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেন জেলার জনস্বাস্থ্য আধিকারিক। বারসতের (North 24 Parganas) রোগীর ক্ষেত্রে তাই ঘটতে পারে বলে জানান তিনি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share