Tag: bangla news

bangla news

  • BJP: প্রকাশ্যে গুলিতে ঝাঁঝরা বিজেপি নেতা, আততায়ীদের খোঁজে জোরদার তল্লাশি উত্তরপ্রদেশে

    BJP: প্রকাশ্যে গুলিতে ঝাঁঝরা বিজেপি নেতা, আততায়ীদের খোঁজে জোরদার তল্লাশি উত্তরপ্রদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশ্যে গুলি করে খুন করা হল এক বিজেপি (BJP) নেতাকে। উত্তরপ্রদেশের সম্বলের ওই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মোরদাবাদে বাড়ির সামনে হাঁটছিলেন অনুজ চৌধুরী নামে বছর চৌত্রিশের ওই যুবক। পিছন থেকে তিন দুষ্কৃতী তাঁকে গুলি করে চম্পট দেয়। বাড়ির বাইরে থাকা সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে শিউরে ওঠা সেই খুনের ছবি। আততায়ীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

    শিউরে ওঠা খুনের দৃশ্য

    পুলিশ জানিয়েছে, এদিন সন্ধ্যায় বাড়ির বাইরে পরিচিত একজনের সঙ্গে গল্প করতে করতে হাঁটছিলেন ওই বিজেপি (BJP) নেতা। আচমকা বাইকে চড়ে আসা তিন দুষ্কৃতী তাঁকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। অনুজ মাটিতে লুটিয়ে পড়লে আততায়ীরা পালায়। ওই বিজেপি নেতাকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় এলাকারই এক বেসরকারি হাসপাতালে। চিকিৎসা চলাকালীন সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর।

    সন্দেহের তালিকায় 

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অনুজ খুনের ঘটনায় সন্দেহের তালিকায় রয়েছে অমিত চৌধুরী ও অনিকেত নামের দুই যুবক। তাদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই পুলিশ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরেই এই খুন বলে অনুমান পুলিশের। পুলিশের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দু পক্ষের মধ্যে ব্যক্তিগত শত্রুতা ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের জন্য পাঁচটি দল গঠন করা হয়েছে। শীঘ্রই তাদের গ্রেফতার করে কঠোর আইনি পদক্ষেপ করা হবে।

    অনুজ খুনের ঘটনাটিকে পুলিশ ব্যক্তিগত শত্রুতা বলে দাবি করলেও, তাঁর পরিবারের দাবি, ঘটনাটি রাজনৈতিক (BJP) প্রতিদ্বন্দ্বিতার জের। তাঁদের দাবি, অনুজ সক্রিয়ভাবে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সম্প্রতি সম্বলের আসমলি ব্লকের প্রধান নির্বাচনে পদ্ম চিহ্নে প্রার্থীও হয়েছিলেন তিনি। যদিও হেরে যান। সেই কারণেই খুন বলে দাবি পরিবারের। বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে অনুজ এলাকায় দলীয় সংগঠন মজবুত করার কাজ করছিলেন বলে দাবি স্থানীয়দের। সেই কারণেও তাঁকে খুন করা হতে পারে বলে অনুমান তাঁদের।

    আরও পড়ুুন: আজ আসছেন মোহন ভাগবত! ‘পঞ্চায়েত রাজ’ সম্মেলন সহ একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়ে রাজ্যে নাড্ডাও

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

     
     

     

      

     

  • Eden Gardens: ড্রেসিংরুমে বসানো হচ্ছে স্প্রিঙ্কলার, ইডেনের অগ্নিকাণ্ড নিয়ে কী বললেন সিএবি সভাপতি?

    Eden Gardens: ড্রেসিংরুমে বসানো হচ্ছে স্প্রিঙ্কলার, ইডেনের অগ্নিকাণ্ড নিয়ে কী বললেন সিএবি সভাপতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডেনের (Eden Gardens) ড্রেসিংরুমে অগ্নিকাণ্ডের পিছনে অন্তর্ঘাতের সম্ভাবনা থাকতে পারে। এমনই মন্তব্য করেছিলেন সিএবি’র এক শীর্ষ কর্তা। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর এই বক্তব্য শোনার পর বঙ্গীয় ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থার বহু সদস্য অসন্তোষ প্রকাশ করেন। প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, অন্তর্ঘাত যদি হয়, তাহলে কে বা কারা সেটা করল? আর কীসের ভিত্তিতে এই অভিযোগ করা হচ্ছে, তা-ও সামনে আনা হোক। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে শেষ পর্যন্ত মাঠে নামতে হয় সিএবি সভাপতি স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়কে। অন্তর্ঘাতের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘অন্তর্ঘাতের কোনও প্রশ্নই নেই। আমরা এই ধরনের কোনও অভিযোগ করিনি। সব রটনা। তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

    ইডেনে আগুন প্রসঙ্গে স্নেহাশিস

    ইডেনে (Eden Gardens) আগুন প্রসঙ্গে সিএবি সভাপতি বলেন, ‘খুব বড় কিছু নয়। অ্যাওয়ে টিমের ড্রেসিংরুমে ক্রিকেটারদের স্টিম বাথের জন্য যে মেশিন রয়েছে, সেখানে শর্ট সার্কিটের ফলে আগুন লাগে। ওই স্টিম বাথের প্লাগের কাছে কিছু মাঠ কর্মী তোয়ালে মিলে রেখেছিল। সেখানেও আগুন ধরে যায়। তবে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে দমকল। চিন্তার কিছু নেই। এই ঘটনা বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজনে কোনও সমস্যা করবে না।’

    আরও পড়ুন: নতুন রূপে আসছে এয়ার ইন্ডিয়া! নতুন লোগো ও রং প্রকাশ সংস্থার

    ঘটনাটি ঘটে বুধবার রাত ১১-৫০ নাগাদ। তা নজরে আসার পরেই খবর দেওয়া হয় দমকলকে। আধ ঘণ্টার মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। তবে সামনে রয়েছে বিশ্বকাপ। ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা রাউন্ড রবিন লিগের ম্যাচ হবে ইডেনে (Eden Gardens)। রয়েছে একটি সেমি-ফাইনাল ম্যাচও। শুধু তাই নয়, পাকিস্তান, ইংল্যান্ড, বাংলাদেশের মতো হাইপ্রোফাইল দল খেলবে ক্রিকেটের নন্দন কাননে। তাই কোনও ঝুঁকি নিতে রাজি নয় সিএবি। স্নেহাশিস আরও বলেছেন, ‘আমরা রাতের ইডেনে নিরাপত্তা আরও জোরদার করছি। ইলেকট্রিক জ্ঞান রয়েছে এমন কর্মীদেরই ইডেনের কাজে ব্যবহার করা হবে বেশি করে। ড্রেসিংরুমে ফায়ার অ্যালার্ম আছে। তাছাড়া বসানো হবে স্প্রিঙ্কলার। আগুন লাগলে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে জল নির্গত হবে।’ এই ঘটনার পর ইডেনের ইলেকট্রিক লাইন পরীক্ষা করে দেখা হয়। দু’জন সিইএসসি আধিকারিক সন্তাষজনক রিপোর্ট দিয়েছেন বলেই সিএবি সূত্রের খবর। তবে বদলে ফেলা হবে স্টিম বাথের কেবল।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • BJP: আজ আসছেন মোহন ভাগবত! ‘পঞ্চায়েত রাজ’ সম্মেলন সহ একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়ে রাজ্যে নাড্ডাও

    BJP: আজ আসছেন মোহন ভাগবত! ‘পঞ্চায়েত রাজ’ সম্মেলন সহ একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়ে রাজ্যে নাড্ডাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ শুক্রবার রাজ্যে আসছেন বিজেপি-র (BJP) সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda in Kolkata)। তাঁর ৩ দিনের রাজ্য সফরে থাকছে একাধিক কর্মসূচি। পঞ্চায়েত ভোট শেষ হতেই শুরু হয়েছে লোকসভা ভোটের প্রস্তুতি। রাজ্যে আঁটঘাট বেঁধে নেমেছে বঙ্গ বিজেপি। সেই সূত্রেই বাংলায় আসছেন নাড্ডা। একই দিনে শহরে আসবেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। শুক্রবার মোহন ভাগবতের সঙ্গেই রাজ্যে আসছেন সংগঠনের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসবোলে। শুক্র ও শনিবার কলকাতায় আরএসএস-এর পূর্বাঞ্চলীয় ক্ষেত্রের কার্যকারিনীর বৈঠকে যোগ দেবেন তাঁরা। 

    জেপি নাড্ডার একাধিক কর্মসূচি

    শুক্রবার (১১ অগাস্ট, ২০২৩) রাজ্যে আসবেন জেপি নাড্ডা। ১৩ অগাস্ট বিকেলে ফিরে যাবেন তিনি। বঙ্গ বিজেপি সূত্রে খবর, আজ রাত ৯টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে নামার পর একটি বেসরকারি হোটেলে রাত্রিবাস করবেন। কাল ১২ অগাস্ট পৌঁছবেন হাওড়ার বাগনানে। সেখানে সোনার বাংলা হোটেলে ‘পঞ্চায়েত রাজ সম্মেলনে’ যোগ দেওয়ার পাশাপাশি বিজেপি-র কোর কমিটির বৈঠকে যোগ দিতে পারেন তিনি। ওই দিনই দুপুর নাগাদ সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি, দেউলটি পৌঁছতে পারেন। এরপর ‘আমার মাটি-আমার দেশ’ ও ‘বীর বন্ধন, বসুধা বন্ধন’ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। এই অনুষ্ঠান শেষের পর পুনরায় ফেরত আসবেন কলকাতায়। পৌঁছতে পারেন সায়েন্স সিটিতে। সেখানে একপ্রস্থ বৈঠক সারার পাশাপাশি জয়ী বিজেপি-র পঞ্চায়েত সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করবেন বিজেপি সভাপতি। এরপরের দিন অর্থাৎ ১৩ অগাস্ট জে পি নাড্ডা যেতে পারেন দক্ষিণশ্বর মন্দিরে। সেখানে পুজো দেওয়ার পর বিজেপি-র সল্টলেকের পার্টি অফিসে যাবেন। 

    আরও পড়ুন: নতুন রূপে আসছে এয়ার ইন্ডিয়া! নতুন লোগো ও রং প্রকাশ সংস্থার

    মোহন ভাগবতের কর্মসূচি

    এদিনই শহরে আসছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। আরএসএস সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্র ও শনিবার কলকাতায় আরএসএস-এর সদর দফতর কেশব ভবনে পূর্বাঞ্চলীয় ক্ষেত্র কার্যকারিনী বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে হাজির থাকবেন পশ্চিমবঙ্গ, অসম ও বিহারের নেতারা। সেই বৈঠকে যোগদান করতেই কলকাতায় আসছেন আরএসএস-এর ২ শীর্ষ নেতা। সূত্রের খবর, পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলিতে আরএসএস-এর কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির পর্যালোচনা ও নতুন প্রকল্প চালুর ব্যাপারে আলোচনা হবে বৈঠকে। তবে, লোকসভা ভোটের আগে মোহন ভাগবত ও জেপি নাড্ডার সফর তাৎপর্যপূণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • Air India: নতুন রূপে আসছে এয়ার ইন্ডিয়া! নতুন লোগো ও রং প্রকাশ সংস্থার

    Air India: নতুন রূপে আসছে এয়ার ইন্ডিয়া! নতুন লোগো ও রং প্রকাশ সংস্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন রূপে আসতে চলেছে এয়ার ইন্ডিয়া! দেশের অন্যতম বিমান সংস্থা, এয়ার ইন্ডিয়া (Air India)-কে ইতিমধ্যে অধিগ্রহণ করেছে টাটা গোষ্ঠী। যার প্রেক্ষিতে বদলে গেল এয়ার ইন্ডিয়ার লোগো ও রং। বৃহস্পতিবার টাটা গ্রুপের (Tata Group) মালিকানাধীন বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া নতুন লোগো এবং লিভারির রঙ প্রকাশ করেছে। এয়ার ইন্ডিয়ার লোগোর অংশ হিসেবে, এয়ার ইন্ডিয়া লাল এবং সাদা রং ধরে রেখেছে, তবে এর সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে বেগুনি রঙ। নতুন লোগোটির নাম হবে ‘দ্য ভিস্তা’। 

    লাল, সাদা রঙের সঙ্গে বেগুনির মিশেল

    নতুল লোগো প্রকাশ করে টাটা গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান এন.চন্দ্রশেখরন বলেন, “এটি ‘সীমাহীন সম্ভাবনা’র ইঙ্গিত দেয়।” এয়ার ইন্ডিয়া মানেই চোখে ভেসে ওঠে আভিজাত্যপূর্ণ লাল-সাদা রঙের বিমান। সেই লাল, সাদা রং ধরে রেখেছে টাটা গোষ্ঠী। লোগোতেও থাকবে এই রং। তবে তার সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছে বেগুনি রং। এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) বিমান আরও স্টাইলিশ করে তোলা হচ্ছে। সেজন্য এয়ার ইন্ডিয়া এয়ারলাইন্সের আইকনিক মহারাজা ম্যাসকটের আধুনিক রূপ লোগোয় তুলে ধরা হয়েছে। লাল, সাদা রঙের সঙ্গে বেগুনি রঙের মিশেলে এই নতুন লোগো করা হয়েছে।

    মিলবে ভিস্তারাও

    আগে এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) লোগো হিসাবে উঠে আসত কোনারক চক্র সম্বলিত একটি লাল রাজহাঁস। এদিন সংস্থার নতুন লোগোর সূচনা করে টাটা গোষ্ঠীর তরফে বিবৃতিতে বলা হয়, এয়ার ইন্ডিয়ার নতুন লোগোর প্রতীক ‘দ্য ভিস্তা’, সীমাহীন সম্ভাবনা, প্রগতিশীলতার দ্বারা অনুপ্রাণিত এবং ভবিষ্যতের জন্য সাহসী, আত্মবিশ্বাসী দৃষ্টিভঙ্গির ইঙ্গিত দেয়। উল্লেখ্য, কয়েক বছর ধরেই লোকসানে চলছিল, ভারত সরকার অধীনস্থ বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া। ২০২২ সালে এটি অধিগ্রহণ করে টাটা সন্স। পরবর্তীতে সংস্থার তরফে ঘোষণা করা হয় যে, টাটা সন্সের আরেকটি এয়ারলাইন্স ভিস্তারাও এয়ার ইন্ডিয়ার সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া হবে। আগামী বছরের মার্চের মধ্যে এই কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদী টাটা গোষ্ঠী।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • PM Modi: “২০২৮ সালে ফের অনাস্থা আনার চেষ্টা করুন”, সংসদে বিরোধীদের বললেন প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “২০২৮ সালে ফের অনাস্থা আনার চেষ্টা করুন”, সংসদে বিরোধীদের বললেন প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে ২০২৪ সালে প্রত্যাবর্তন করবে বিজেপি (BJP)।” বৃহস্পতিবার অনাস্থা-বিতর্কের জবাবি ভাষণে অংশ নিয়ে একথা বলেন প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব বিজেপি এবং এনডিএর জন্য শুভ বলেও মনে করেন তিনি।

    “বিরোধীদের অনাস্থা আমাদের জন্য শুভ”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ঈশ্বরের ইচ্ছা এবং আশীর্বাদে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছেন বিরোধীরা। ২০১৮ সালেও আমি তা-ই বলেছিলাম। আসলে অনাস্থা প্রস্তাব বিরোধীদেরই পরীক্ষা হয়ে দাঁড়ায়। ২০১৮ সালের শেষেও দেখা গেল ভোটাভুটিতে নিজেদের হাতে থাকা সব ভোট বিরোধীরা পাননি। জনতাও ২০১৯-এ বিরোধীদের ওপর অনাস্থা ঘোষণা করে দিয়েছিলেন। বিজেপি, এনডিএ আগের তুলনায় বেশি আসন পেয়েছিল। অর্থাৎ বিরোধীদের অনাস্থা আমাদের জন্য শুভ হয়। আমি (PM Modi) দেখছি এনডিএ এবং বিজেপি পুরনো সব রেকর্ড ভেঙে ২০২৪-এ জনতার আশীর্বাদ নিয়ে ফেরত আসবে।”

    “বিজেপিকে জিতিয়ে আনার সিদ্ধান্ত”

    তিনি বলেন, “আপনারা (বিরোধীরা) সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এনডিএ এবং বিজেপিকে রেকর্ড ভোটে জিতিয়ে আনবেন।” তিনি বলেন, “এর পর ২০২৮ সালে বিরোধীরা যখন অনাস্থা প্রস্তাব আনবেন, তখন বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকার তিন নম্বরে থাকবে ভারত।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আমরা যখন বলি, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ভারত বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকার তিন নম্বরে থাকবে, তখন দায়িত্বশীল বিরোধীদের উচিত ছিল কীভাবে তা সম্ভব, সে প্রশ্ন করা। এটাও কী আমাকে শিখিয়ে দিতে হবে?”

    বিজেপি বিরোধী ২৬টি দলের জোট ‘ইন্ডিয়া’কে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “বিরোধীদের সমস্যা হল তাঁদের বাঁচিয়ে রাখতে এনডিএর সমর্থন প্রয়োজন। কিন্তু ‘আমিত্বে’র ঔদ্ধত্য তাঁদের ছেড়ে যায় না। সেই কারণে ঔদ্ধত্যের প্রতীক হিসেবে তাঁরা এনডিএতে দু’-দুটো ‘আই’ যোগ করেছেন। প্রথম ‘আই’ ২৬ দলের ঔদ্ধত্য, আর দ্বিতীয় ‘আই’ একটি পরিবারের ঔদ্ধত্য। তাঁরা এনডিএকেও চুরি করেছেন। তাঁরা ‘এনডিএ’কে ভেঙে ‘আইএনডিআইএ’ করেছেন।”

    আরও পড়ুুন: “গুড় দিয়ে কীভাবে গোবর বানাতে হয়…”, অনাস্থা বিতর্কে অধীরকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “এই ঔদ্ধত্যের কারণেই তাঁরা বাস্তবটাকে দেখতে পাচ্ছেন না। ১৯৬২ সালে তাঁরা জিতেছিলেন তামিলনাড়ুতে। তারপর থেকে তামিলনাড়ুর বাসিন্দারা বলছেন, ‘নো কংগ্রেস’।” পশ্চিমবঙ্গে তাঁরা জিতেছিলেন ১৯৭২ সালে। তার থেকে পশ্চিমবঙ্গবাসী বলছেন, ‘নো কংগ্রেস’। ১৯৮৫ সালে তাঁরা জিতেছিলেন উত্তরপ্রদেশ, বিহার এবং গুজরাটে। তার পর থেকে এই তিন রাজ্যের বাসিন্দারাও বলছেন, ‘নো কংগ্রেস’।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।    

     

  • PM Modi: “গুড় দিয়ে কীভাবে গোবর বানাতে হয়…”, অনাস্থা বিতর্কে অধীরকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: “গুড় দিয়ে কীভাবে গোবর বানাতে হয়…”, অনাস্থা বিতর্কে অধীরকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গুড় দিয়ে কীভাবে গোবর বানাতে হয়, তাতে ওঁর দাপট রয়েছে।” বৃহস্পতিবার সংসদে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর এই খোঁচার অভিমুখ পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীর দিকে। এদিন ছিল অনাস্থা বিতর্কের শেষ দিন। সংসদে এই বিতর্কে অংশ নেন অধীর। অগ্নিবাণ তাক করেন বিজেপির দিকে। অন্য দু’দিন সংসদে নিজের চেম্বারে বসে অনাস্থা বিতর্ক শুনলেও, এদিন অধীরের ভাষণ শুরু হতেই সংসদে চলে আসেন প্রধানমন্ত্রী। মন দিয়ে শোনেন অধীরের বক্তৃতা।

    ছক্কা হাঁকালেন প্রধানমন্ত্রী

    এদিন যে প্রধানমন্ত্রী জবাবি ভাষণ দেবেন, তা ঠিকই ছিল। সেই মতো বলতে ওঠেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই হাঁকান ছক্কা। শান্ত এবং রসিকতার সুরে অধীরকে লক্ষ্য করে একের পর এক গোলা ছুড়তে শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। বলেন, “২০০৩ সালে অটলবিহারী বাজপেয়ীর সরকারের প্রতি অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিল কংগ্রেস। সেবার বলেছিলেন বিরোধী দলনেত্রী সোনিয়া গান্ধী। আর এবার সব থেকে বড় বিরোধী দলের লোকসভার নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরীর নাম বলার সূচিতেই ছিল না। কেন অধীরবাবুকে কোণঠাসা করা হল? মনে হয় কলকাতা থেকে কোনও ফোন এসেছিল। আমি অধীরবাবুর প্রতি পূর্ণ সমবেদনা জানাচ্ছি। এটা অমিত শাহের উদারতা যে তিনি অধীরবাবুকে সময় দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস ওঁকে বারবার অপমান করে। অধীরবাবুকে কেন ঠিক মতো কথা বলতে দেওয়া হচ্ছে না?”

    ‘ঈশ্বরের আশীর্বাদ’

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “দেশের মানুষ বারবার আমাদের সরকারের প্রতি আস্থা প্রকাশ করছে। এজন্য দেশবাসীকে ধন্যবাদ। ঈশ্বর অত্যন্ত দয়ালু এবং তিনি কোনও না কোনও উপায়ে তাঁর ইচ্ছে পূরণ করেন। আমি এটাকে ঈশ্বরের আশীর্বাদ বলে মনে করি যে ঈশ্বর বিরোধীদের পরামর্শ দিয়েছেন এবং তাঁরা প্রস্তাব নিয়ে এসেছেন। ২০১৮ সালে অনাস্থা প্রস্তাবের সময় আমি বলেছিলাম যে এটি আমাদের জন্য ফ্লোর টেস্ট নয়, এটি তাদের জন্য একটি ফ্লোর টেস্ট এবং ফলস্বরূপ তারা নির্বাচনে হেরেছে। একভাবে বিরোধীদের অবিশ্বাস আমাদের জন্য ভাল। আজ আমি দেখছি যে আপনারা (বিরোধীরা) সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে জনগণের আশীর্বাদে ২০২৪ সালের নির্বাচনে এনডিএ এবং বিজেপি আগের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে একটি দুর্দান্ত জয় নিয়ে ফিরে আসবে।”

    আরও পড়ুুন: বোর্ড হাতছাড়া হচ্ছে দেখে এবার বিজেপির জয়ী প্রার্থীর শংসাপত্র ছিঁড়ে টপাটপ মুখে!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Calcutta High Court: নন্দীগ্রামে জয়ী ৪৭ বিরোধী প্রার্থীকে ১২ অগাস্ট পর্যন্ত রক্ষাকবচ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: নন্দীগ্রামে জয়ী ৪৭ বিরোধী প্রার্থীকে ১২ অগাস্ট পর্যন্ত রক্ষাকবচ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বোর্ড গঠনের আগে নন্দীগ্রামের (Nandigram) ১ নম্বর ও ২ নম্বর ব্লকের ১৭টি পঞ্চায়েতের ৪৭ জন বিরোধী বিজয়ী প্রার্থীর বিরুদ্ধে এখনই কোনও কড়া পদক্ষেপ নিতে পারবে না রাজ্য পুলিশ। বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশে জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। একইসঙ্গে ১১ অগাস্ট বোর্ড গঠনের সময়ে যাতে ওই জয়ী প্রার্থীরা উপস্থিত থাকতে পারেন, তার জন্য তাঁদের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। 

    বিজেপির অভিযোগ

    বিজেপির অভিযোগ, বিরোধীদের বোর্ড গঠন রুখে দিতে নন্দীগ্রামের (Nandigram) দুটি ব্লকের ১৭টি পঞ্চায়েতের বিজেপির বিজয়ী প্রার্থীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে গ্রেফতারের চেষ্টা করছে পুলিশ। এই আশঙ্কায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা। ওই মামলাতেই এদিন আবেদনকারীদের রক্ষাকবচ দিয়েছে আদালত। আগামী শনিবার পর্যন্ত নন্দীগ্রামের (Nandigram) দুটি ব্লকের ১৭টি পঞ্চায়েতের ৪৭ জন বিরোধী সদস্যের বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ করা যাবে না। পঞ্চায়েত ভোটের সময় থেকেই নন্দীগ্রাম-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্ত অশান্তি ও গোলমালের অভিযোগ উঠেছিল। এবার বোর্ড গঠনেও বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না। 

    আরও পড়ুন: “৭ দিন মানে ৭ দিন”! ভুয়ো নথি দিয়ে চাকরি মামলায় সিআইডি-কে ‘ডেডলাইন’ হাইকোর্টের

    বিজেপির স্বস্তি

    উল্লেখ্য, এর আগে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপেই (Central Force) নন্দীগ্রামে (Nandigram) পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। আগামিকাল অর্থাৎ, ১১ অগাস্ট বোর্ড গঠন রয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) মোতায়েনের পরও পুলিশি গ্রেফতারি নিয়ে নতুন করে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল বিজেপি প্রার্থীদের মধ্যে। সেই আশঙ্কা থেকেই হাইকোর্টে মামলা করেন বিজেপির জয়ী প্রার্থীরা। মামলার শুনানি ছিল বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর এজলাসে। শেষ পর্যন্ত আজ আদালত থেকে অন্তর্বর্তী নির্দেশে ওই বিজেপি প্রার্থীদের ১২ তারিখ পর্যন্ত রক্ষাকবচ দেওয়া হল। ফলে এখন কিছুটা স্বস্তির শ্বাস গেরুয়া শিবিরে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: “৭ দিন মানে ৭ দিন”! ভুয়ো নথি দিয়ে চাকরি মামলায় সিআইডি-কে ‘ডেডলাইন’ হাইকোর্টের

    Recruitment Scam: “৭ দিন মানে ৭ দিন”! ভুয়ো নথি দিয়ে চাকরি মামলায় সিআইডি-কে ‘ডেডলাইন’ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের সুতির গোথা এআর হাইস্কুলে ভুয়ো নথি দিয়ে চাকরির মামলায় (Recruitment Scam) রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থা সিআইডির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আশিস তিওয়ারির বিরুদ্ধে ছেলে অনিমেশ তিওয়ারিকে বেআইনিভাবে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত এই মামলায় রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থা সিআইডির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলল কলকাতা হাইকোর্ট। এই মামলায় ৭ দিনের চূড়ান্ত সময়সীমা দেওয়া হয়েছে সিআইডিকে। উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখাক সিআইডি নাহলে তদন্ত স্থানান্তর করা হবে বলে পর্যবেক্ষণ হাইকোর্টের। 

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানিতে সিআইডির উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু বলেন, “কাজ না করলে তার ফল ভুগতে হবে।” তদন্তে রাজ্য কাউকে আড়াল করতে চাইছেন কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। এই প্রসঙ্গে সিআইডির উদ্দেশে বিচারপতির মন্তব্য, “আপনাদের উপর ভরসা রেখে তদন্তের ভার সিবিআইকে না দিয়ে সিআইডিকে দিয়েছিলাম। আপনারা কি আমার সিদ্ধান্তকে ভুল প্রমাণিত করতে চাইছেন?” বুধবারই মামলায় সিআইডির তদন্তের গতি প্রকৃতি নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করে আদালত। হস্পতিবার অবশ্য ডিআইজি হাইকোর্টে আসেননি। এই মামলার জন্য গঠিত সাত সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)-এর চার জন উপস্থিত ছিলেন। বৃহস্পতিবার বিচারপতি বলেন, “আদালত আশা করে এই ধরনের একটা মামলার সময় তদন্তকারী দলের দায়িত্বশীল কোনও আধিকারিক আদালতে উপস্থিত থাকবেন। তদন্তকারী দলে কারা কারা আছেন? ডিআইজি-সিআইডিকে তদন্তকারী দল গঠনের নির্দেশ দিয়েছিলাম। সেই নামগুলো কোথায়?” 

    আরও পড়ুন: খানাকুলে তৃণমূলকে সংখ্যালঘু করে পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করল বিজেপি

    সাত দিন সময়

    বিচারপতি এদিন আরও বলেন, “এখানে শুধুমাত্র অনিমেষ তিওয়ারির ঘটনা উদঘাটনে সিআইডি-কে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। এর নেপথ্যে থাকা বৃহত্তর ষড়যন্ত্র খুঁজতে বলা হয়েছে। সেখানে রাজ্যের যদি কোনও কিছু লুকনোর না থাকে সেক্ষেত্রে তা করা উচিত। আর যদি রাজ্য কিছু চাপা দিতে চায় সেক্ষেত্রে বিষয়টি আলাদা। এসএসসি খোঁজ করার চেষ্টা করছে যে কাদের বেআইনিভাবে নিয়োগ করা হল। এটা তো সিআইডি-র খোঁজার কথা।” বিচারপতি আরও বলেন, “এটা একটা সুপরিকল্পিত চক্র। তা কেবলমাত্র একজনের পক্ষে সম্ভব নয়। এতদিন হয়ে গিয়েছে। যথেষ্ট সময় দেওয়া হয়েছে। আর ধৈর্য্য ধরা সম্ভব হচ্ছে না। কিছু লোক এখনও শিক্ষক হিসেবে কাজ করছে, বেতন পাচ্ছে। অথচ তাদের কোনও রেকর্ড কর্তৃপক্ষের কাছে নেই। ১৫ দিন সময় দেওয়ার কোনও সুযোগ নেই। সাতদিন মানে সাতদিন। ব্যক্তি নয়, একটা দল হিসেবে কাজ করুন।” এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১৭ অগাস্ট।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Gangopadhyay: ‘‘এখন পিএসসির অবস্থা দেখলে খারাপ লাগে’’, আক্ষেপ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    Justice Gangopadhyay: ‘‘এখন পিএসসির অবস্থা দেখলে খারাপ লাগে’’, আক্ষেপ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সার্ভিস কমিশনে নিয়োগে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Gangopadhyay)। এদিন প্রাথমিকের একটি মামলার শুনানি চলছিল। সেই মামলা চলাকালীন বর্তমানে ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কের কথা বলতে গিয়ে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Gangopadhyay) পাবলিক সার্ভিস কমিশন নিয়ে মন্তব্য করেন। তাঁর কথায়, ‘‘এখন পিএসসির অবস্থা দেখলে খারাপ লাগে, চোখের সামনে একটা সিস্টেম খারাপ হয়ে গেল।’’ তিনি এই কথা বলতে গিয়ে নিজের ব্যক্তি জীবনের প্রসঙ্গও টেনে আনেন।

    কী বললেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়?

     বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘‘আমিও একসময় পিএসসির পরীক্ষা দিয়ে সরকারি চাকরি করেছি। আমি দুটো সরকারি চাকরি করেছি। কাউকে এক টাকাও দিতে হয়নি। তখন অত্যন্ত স্বচ্ছ নিয়োগ হত।’’ এদিন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Gangopadhyay) কথায় উঠে আসে পিএসসি নিয়োগের দুর্নীতির প্রসঙ্গও। তাঁর কথায়, ‘‘পিএসসিতে ২৮ নম্বর ৮২ হয়ে গেল, ভাবা যায়! খারাপ লাগে।’’ আবার রাজ্যের নিম্ন আদালতের নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। এ প্রসঙ্গেও অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

    আরও পড়ুন: ডেঙ্গি-মৃত্যু নিয়ে ফের চাপানউতোর, রাজ্যের বিরুদ্ধে তথ্য চেপে যাওয়ার অভিযোগ স্বাস্থ্য মন্ত্রকের!

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে একাধিক নেতা-মন্ত্রী জেলে

    প্রসঙ্গত, শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারির একাধিক মামলা চলছে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Gangopadhyay) এজলাসে। জেলবন্দী রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, প্রাথমিক সংসদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য সহ শিক্ষা দফতরের একাধিক কর্তা। শুধু তাই নয়, নিয়োগ দুর্নীতিতে জড়িয়েছে শাসকদলের আরও অনেক নেতার নাম। বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহাও রয়েছেন প্রেসিডেন্সি জেলে। নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে  শুধু স্কুল সার্ভিস কমিশন বা প্রাথমিক টেট নয় পিএসসিরও দুর্নীতি সামনে এসেছে। এছাড়া রাজ্যের ৮০টি পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতিরও তদন্ত চলছে। দুর্নীতির শিকড়ের সন্ধানে একযোগে তদন্ত চালাচ্ছে ইডি-সিবিআই। কলকাতা হাইকোর্টে বারবার ভর্ৎসিত হতে হয়েছে রাজ্যকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ODI World Cup 2023: ২৫ অগাস্ট থেকে শুরু! সাত দফায় পাওয়া যাবে বিশ্বকাপের টিকিট

    ODI World Cup 2023: ২৫ অগাস্ট থেকে শুরু! সাত দফায় পাওয়া যাবে বিশ্বকাপের টিকিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেজে গিয়েছে বিশ্বকাপের বাদ্যি। আগামী ২৫ অগাস্ট থেকে অনলাইনে টিকিট কাটা যাবে, জানিয়ে দিয়েছে আইসিসি। তবে ভারতীয় বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মাঠে প্রবেশ করা যাবে শুধুমাত্র ছাপা টিকিট নিয়েই। সমর্থকদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে আইসিসি নতুন ব্যবস্থা নিয়ে এসেছে, যেখানে বাড়িতে বসেই সমর্থকেরা বিশ্বকাপের ছাপা টিকিট পেয়ে যেতে পারেন। তার জন্য দিতে হবে অতিরিক্ত ১৪০ টাকা। 

    কী কী সুবিধা

    বিশ্বকাপের সংশোধিত সূচি প্রকাশ হওয়ার পরপরই আইসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ সহ নয়টি ম্যাচের জন্য তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। ওয়ার্ম-আপ ও টুর্নামেন্টের সব ম্যাচের টিকিট বিক্রি শুরু হবে ২৫ অগাস্ট। এরপর বাকী ছয় ধাপে টিকিট বিক্রি হবে। অফলাইনে, অর্থাৎ স্টেডিয়ামে বা অন্য কোথাও ছাপা টিকিট বিক্রি হবে না। টিকিট কাটতে হবে অনলাইনেই। পরে স্টেডিয়ামে বা বোর্ডের নির্দিষ্ট করে দেওয়া জায়গায় গিয়ে অনলাইন টিকিটের প্রতিলিপি দেখিয়ে ছাপা টিকিট নিতে হবে। সে ক্ষেত্রে দীর্ঘ ক্ষণ লাইনে দাঁড়ানোর ঝুঁকি থাকছে। কিন্তু বাড়তি খরচ করলে সেই অসুবিধা পোহাতে হবে না। অতিরিক্ত ১৪০ টাকা দিলেই ক্যুরিয়ারের মাধ্যমে সেই টিকিট বাড়িতে পৌঁছে যাবে। তবে শর্ত রয়েছে একটি। যে ম্যাচ দেখতে চাইছেন, তার অন্তত ৭২ ঘণ্টা আগে টিকিট কাটতে হবে। এই সুবিধা কেবল ভারতে থাকা সমর্থকদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। যাঁরা স্টেডিয়ামে বসে ম্যাচ দেখতে ইচ্ছুক, তাঁদের ১৫ অগস্টের মধ্যে ক্রিকেট বিশ্বকাপের ওয়েবসাইটে গিয়ে নাম ‘রেজিস্টার’ করাতে হবে। টিকিটের চাহিদা কী রকম তার উপর ভিত্তি করে টিকিট বিক্রি শুরু হবে। গ্রুপ পর্বে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিট বিক্রির প্রক্রিয়া শুরু হবে সবার শেষে। সেমিফাইনাল এবং ফাইনালের ঠিক আগে।

    আরও পড়ুন: সামনে বিশ্বকাপ! গভীর রাতে আগুনে পুড়ল ইডেনের ঐতিহ্যবাহী ড্রেসিং রুম

    কবে কবে টিকিট 

    ২৫ অগাস্ট: ওয়ার্ম-আপ এবং বিশ্বকাপের যে সমস্ত ম্যাচ ভারতের নয়।

    ৩০ অগাস্ট: গুয়াহাটি ও তিরুঅনন্তপুরমে ভারতের প্রস্তুতি ম্যাচ।

    ৩১ অগাস্ট: ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়া (চেন্নাই), ৮ অক্টোবর, দিল্লি (আফগানিস্তানের বিপক্ষে), ১১ অক্টোবর এবং পুনে (বাংলাদেশের বিপক্ষে), ১৯ অক্টোবর

    ১ সেপ্টেম্বর: ধর্মশালায় ভারত-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ, ২২ অক্টোবর, লখনউ (ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে), ২৯ অক্টোবর এবং মুম্বই বনাম শ্রীলঙ্কা, ২ নভেম্বর

    ২ সেপ্টেম্বর: কলকাতায় ভারতের ম্যাচ (দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে), ৫ নভেম্বর এবং বেঙ্গালুরুতে (নেদারল্যান্ডের বিপক্ষে), ১২ নভেম্বর

    ৩ সেপ্টেম্বর: আহমেদাবাদে ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচ, (১৪ অক্টোবর)

    ১৫ সেপ্টেম্বর: সেমিফাইনাল ও ফাইনাল

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share