Tag: bangla news

bangla news

  • SIR: রাজ্যে চলছে এসআইআর, তলব পেয়েও শুনানিতে আসেননি ৫ লাখ ভোটার!

    SIR: রাজ্যে চলছে এসআইআর, তলব পেয়েও শুনানিতে আসেননি ৫ লাখ ভোটার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৫০ দিন ধরে রাজ্যে চলেছে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া। এই সময়সীমার মধ্যে শুনানির জন্য হাজির হননি প্রায় ৫ লাখ ভোটার। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, শনিবার দুপুর ২টো পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য থেকেই এমনটা জানা গিয়েছে (Election Commission)।খসড়া তালিকা প্রকাশের পরে মূলত দু’ধরনের ভোটারের নথিপত্র যাচাইয়ের জন্য শুনানিতে ডেকেছিল কমিশন। ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে যাঁরা নিজেদের কোনও যোগসূত্র দেখাতে পারেননি, তাঁদেরই ডাকা হয়েছিল শুনানিতে। ওই তালিকার সঙ্গে যোগসূত্র রয়েছে, এমন অনেক ভোটারকেও তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে শুনানিতে ডাকা হয়েছিল।

    তলব পেয়েও গরহাজির প্রচুর ভোটার (SIR)

    কমিশন সূত্রে খবর, শুনানিতে হাজির হননি এমন ভোটারের সংখ্যা সব চেয়ে বেশি উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। এদিন দুপুর ২টো পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, ওই জেলায় নোটিশ পেয়েও শুনানি কেন্দ্রে হাজির হননি ১ লাখ ৩৮ হাজার ভোটার। পড়শি জেলা দক্ষিণ ২৪ পরগনায় শুনানিতে হাজির হননি ৪৬ হাজার ভোটার। দক্ষিণ কলকাতায় নোটিশ পেয়েও আসেননি হাজার বাইশেক ভোটার। উত্তর কলকাতায় এই সংখ্যাটি হাজার দুয়েকের কাছাকাছি। কালিম্পঙেও ৪৪০ জন ভোটার হাজিরা দেননি শুনানিতে। শনিবার সন্ধে পর্যন্ত যা খবর, তাতে দেখা যাচ্ছে, এ পর্যন্ত প্রায় ৪ লাখ ৯৮ হাজার ভোটারের নাম বাদ যাচ্ছে। অযোগ্য হিসেবে বাদ যাচ্ছে ১ লাখ ৬৩ হাজারের কিছু বেশি ভোটারের নাম (SIR)। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত বাদ যেতে পারে ৬ লাখ ৬১ হাজার ভোটারের নাম।

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের বক্তব্য

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল বলেন, “কতজন শুনানিতে অংশ নেননি, সেই সঠিক তথ্য আমার কাছে নেই। কিন্তু যাঁর নাম খসড়া তালিকায় ছিল, কিন্তু চূড়ান্ত তালিকায় নেই, তাঁদের আবেদন করার সুযোগ থাকছে। কোথাও কোনও ভুলভ্রান্তি হয়ে থাকলে, তাঁরা ফের আবেদন করতে পারবেন। এটি শেষও নয়, আবার শুরুও নয়। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার পরেও যোগ-বিয়োগ চলতেই থাকবে।” প্রসঙ্গত, এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়ায় এ রাজ্যে প্রায় দেড় কোটি ভোটারকে নোটিশ পাঠায় কমিশন। এর মধ্যে ‘আনম্যাপড’ থাকায় নোটিশ পাঠানো হয় প্রায় ৩২ লাখ (Election Commission) ভোটারকে। তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে শুনানিতে তলব করা হয় ১ কোটি ২০ লাখ ভোটারকে (SIR)।

     

  • Nepal: দেশে ফিরলেন প্রাক্তন রাজা, রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে ফের উদ্বেল নেপাল

    Nepal: দেশে ফিরলেন প্রাক্তন রাজা, রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে ফের উদ্বেল নেপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে ফের সরব নেপাল (Nepal)। শুক্রবার নেপালের প্রাক্তন রাজা জ্ঞানেন্দ্র শাহ কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে রাজধানীর বিমানবন্দরে পৌঁছলে তাঁর সমর্থনে হাজার হাজার মানুষ বিমানবন্দরের বাইরে জড়ো হন (Restoration Of Monarchy)। তাঁরা রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবি জানান। ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়, যদিও কাঠমান্ডু জেলা প্রশাসন কার্যালয় বিমানবন্দর এলাকা ও আশপাশে পাঁচজনের বেশি লোকের সমাবেশ নিষিদ্ধ করে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল।

    নেপালে ফিরলেন জ্ঞানেন্দ্র (Nepal)

    জ্ঞানেন্দ্রকে তাঁর গাড়ির সানরুফ দিয়ে উচ্ছ্বসিত জনতার উদ্দেশে হাত নাড়তে দেখা যায়। এই সময় দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ সরঞ্জাম পরিহিত শত শত পুলিশ সদস্য বিমানবন্দরের প্রধান প্রবেশপথে ভিড় করা সমর্থকদের নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছিলেন। “আমাদের দেশকে রক্ষা করতে রাজা জ্ঞানেন্দ্রকে ফিরিয়ে আনতে হবে।” এমন স্লোগান দেন রাজতন্ত্রপন্থীরা। প্রাক্তন রাজা কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণ করলে তাঁরা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে স্লোগান দেন। প্রবীণ নেতা কমল থাপার নেতৃত্বাধীন রাজতন্ত্রপন্থী রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টির কর্মী-সমর্থকরা এবং নবরাজ সুবেদী ও চিকিৎসক দুর্গা প্রসাইয়ের নেতৃত্বাধীন বিভিন্ন রাজভক্ত সংগঠনের সদস্যরা শুক্রবার সকাল থেকেই বিমানবন্দর এলাকায় জড়ো হন। বৃহস্পতিবার কাঠমান্ডুতে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রসাই জানান, তাঁরা ৫ মার্চের সাধারণ নির্বাচনের আগেই রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চান। তাঁর দাবি, দেশে হিন্দু রাজা পুনর্বহাল করার দাবি নিষ্পত্তি না হলে নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব নয় (Nepal)।

    রাজপ্রাসাদ ছাড়েন জ্ঞানেন্দ্র

    ২০০৬ সালে ব্যাপক গণবিক্ষোভের মুখে জ্ঞানেন্দ্রকে তাঁর কর্তৃত্ববাদী শাসন ছাড়তে বাধ্য করা হয়। দু’বছর পর সংসদ রাজতন্ত্র বিলুপ্তির পক্ষে ভোট দেয় এবং জ্ঞানেন্দ্র রাজপ্রাসাদ ছেড়ে সাধারণ নাগরিকের (Restoration Of Monarchy) জীবনযাপন শুরু করেন। ২০০৮ সালে নেপালে রাজতন্ত্র আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হলেও গত বছর অর্থনৈতিক সঙ্কট ও রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে পুনরায় রাজতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভ দেখা যায়। গত বছর বিমানবন্দরে একই ধরনের এক সমাবেশে আনুমানিক ১০ হাজার সমর্থক অংশ নিয়েছিলেন। আর একটি রাজতন্ত্রপন্থী সমাবেশ সহিংসতার রূপ নিলে দু’জন নিহত এবং অনেকে আহত হন।

    রাজনৈতিক অচলাবস্থা

    জ্ঞানেন্দ্র নিজে রাজতন্ত্র পুনর্বহালের আহ্বানে কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি। তবে আগামী মাসে গুরুত্বপূর্ণ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই সব বিক্ষোভ হচ্ছে। সর্বশেষ নির্বাচনে জ্ঞানেন্দ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলি প্রায় ৫ শতাংশ আসনে জয়ী হয়েছিল। এদিকে, নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি শুক্রবার জনগণকে দেশের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আগামী মাসের নির্বাচন বিশেষ পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং সফলভাবে আয়োজনের জন্য সমাজের সব শ্রেণির সহযোগিতা প্রয়োজন।” টাপলেজুং জেলার সদর দফতর পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, “এই নির্বাচন দেশের নতুন পর্যায়ে উত্তরণের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হবে।” তিনি আরও বলেন, “বর্তমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা (Restoration Of Monarchy) থেকে বেরিয়ে আসার পথ তৈরি করতে শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Nepal)।” প্রসঙ্গত, নেপালে চলতি বছরের ৫ মার্চ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

  • PM Modi: নয়া ঠিকানায় গিয়েই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথিতে স্বাক্ষর প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: নয়া ঠিকানায় গিয়েই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথিতে স্বাক্ষর প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারই প্রধানমন্ত্রীর দফতর (PMO) সাউথ ব্লক ছেড়ে পাকাপাকিভাবে চলে গেল সেবা তীর্থ কমপ্লেক্সের নয়া ঠিকানায়। তার পরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) কৃষক, নারী, যুবসমাজ এবং অসহায় নাগরিকদের কল্যাণকে গুরুত্ব দিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথিতে স্বাক্ষর করেন। সেবা তীর্থ থেকে নেওয়া তাঁর প্রথম সিদ্ধান্তগুলির মধ্যে প্রধানমন্ত্রী পিএম রাহাত প্রকল্প চালুর অনুমোদন দেন, ঘোষণা করেন লাখপতি দিদি উদ্যোগের ব্যাপক সম্প্রসারণের। এর পাশাপাশি তিনি কৃষি পরিকাঠামো তহবিলের বরাদ্দ দ্বিগুণ করেন এবং অনুমোদন করেন স্টার্টআপ ইন্ডিয়া ফান্ড অফ ফান্ডস ২-এর।

    পিএম রাহাত প্রকল্প চালু

    জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী যে পিএম রাহাত প্রকল্প চালুর অনুমোদন দিয়েছেন, তার লক্ষ্য হল দুর্ঘটনাগ্রস্তদের জন্য সর্বোচ্চ ১.৫ লাখ টাকা পর্যন্ত নগদবিহীন চিকিৎসার সুবিধা দেওয়া। আধিকারিকরা জানান, জরুরি পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক ও ক্যাশলেস চিকিৎসা সহায়তা দিয়ে প্রাণহানি রোধ করাই এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য।

    ছ’কোটি  লাখপতি দিদি-র লক্ষ্য (PM Modi)

    সরকারের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, নির্ধারিত মার্চ ২০২৭ সময়সীমার আগেই তিন কোটির ‘লাখপতি দিদি’ লক্ষ্যমাত্রার চৌকাঠ পার করা হয়েছে। এই অগ্রগতির ধারাবাহিকতায় সরকার মার্চ ২০২৯-এর মধ্যে ছ’কোটি ‘লাখপতি দিদি’ তৈরির নয়া লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। লাখপতি দিদি উদ্যোগের লক্ষ্য স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত মহিলাদের টেকসই জীবিকামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বছরে কমপক্ষে ১ লক্ষ টাকা আয় করতে সক্ষম করে তোলা (PM Modi)।

    বাড়ল কৃষি পরিকাঠামো তহবিলের বরাদ্দ

    কৃষিক্ষেত্রকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী কৃষি পরিকাঠামো তহবিলের বরাদ্দ ১ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ কোটি টাকা করেছেন। এই তহবিল ফসল-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা পরিকাঠামো এবং গুদামঘর, কোল্ড স্টোরেজ ইউনিট ও প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রের মতো সামষ্টিক কৃষি সম্পদ উন্নয়নে সহায়তা করে। আধিকারিকরা জানান, এই বর্ধিত বরাদ্দ কৃষি মূল্যশৃঙ্খলকে আরও শক্তিশালী করবে এবং কৃষকদের আয় বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

    স্টার্টআপ ইন্ডিয়া ফান্ড অফ ফান্ডস ২-এর অনুমোদন

    ভারতকে বৈশ্বিক উদ্ভাবন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী ১০,০০০ কোটি টাকার করপাস-সহ স্টার্টআপ ইন্ডিয়া ফান্ড অফ ফান্ডস ২-এর অনুমোদন করেছেন। এই নয়া তহবিল প্রাথমিক পর্যায়ের স্টার্টআপ এবং ডিপ টেক ও অগ্রসর উৎপাদন খাতের মতো উচ্চ-বৃদ্ধির ক্ষেত্রকে সাহায্য করবে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের (PM Modi)।

  • PM Modi in Assam: জাতীয় সড়কে নামল প্রধানমন্ত্রীর বিমান, উড়ল রাফাল, সুখোই! প্রস্তুত উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রথম ইএলএফ

    PM Modi in Assam: জাতীয় সড়কে নামল প্রধানমন্ত্রীর বিমান, উড়ল রাফাল, সুখোই! প্রস্তুত উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রথম ইএলএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঐতিহাসিক এক মুহূর্তের সাক্ষী থাকল অসম। শনিবার সকালে অসমের ডিব্রুগড় জেলার মোরানে উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রথম ইমার্জেন্সি ল্যান্ডিং ফ্যাসিলিটিতে (ELF) অবতরণ করল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিমান।

    জাতীয় সড়কে নামল মোদির বিমান

    দিল্লি থেকে অসমের চাবুয়া বিমানঘাঁটি পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানান অসমের রাজ্যপাল লক্ষ্মণ প্রসাদ আচার্য, মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল সহ রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিকরা। চাবুয়া থেকে বায়ুসেনার সি-১৩০জে বিমানে চেপে প্রধানমন্ত্রী পৌঁছান মোরান মোরান বাইপাস এলাকায়। সেখানে জাতীয় সড়কের একটি অংশে বিশেষভাবে নির্মিত ইএলএফ-এ অবতরণ করে মোদির বিশেষ বিমান। এই উপলক্ষে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এবং বায়ুসনার প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিং। ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই ইএলএফ হল মোরান বাইপাসের ওপর ৪.২ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি শক্তিশালী কংক্রিটের রানওয়ে। এটি ভারতীয় বায়ুসেনার (IAF) যুদ্ধবিমান ও পণ্যবাহী পরিবহণ বিমানের জন্য কৌশলগত ও বহু-উদ্দেশ্যপূর্ণ রানওয়ে হিসেবে কাজ করবে, যা প্রতিরক্ষা, লজিস্টিক্স এবং দুর্যোগ মোকাবিলার ক্ষমতা আরও মজবুত করবে।

    রানওয়ে থেকে উড়ল সুখোই, রাফাল

    এই নতুন ইএলএফ জরুরি পরিস্থিতিতে ডিব্রুগড় বিমানবন্দরের বিকল্প অবতরণস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হবে, ফলে এটি ভারতের বিমান পরিকাঠামোয় একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী প্রায় ৪০ মিনিটের এক বিশাল এয়ার শো প্রত্যক্ষ করেন। প্রদর্শনীতে অংশ নেয় ভারতীয় বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান, পরিবহণ বিমান ও হেলিকপ্টার। এর মাধ্যমে বায়ুসেনার অপারেশনাল প্রস্তুতি ও হাইওয়ের দ্বৈত ব্যবহারযোগ্যতার ক্ষমতা তুলে ধরা হয়। মোরনের ইএলএফ থেকে পরপর উড়ে যায় সুখোই-৩০এমকেআই, রাফালের মতো যুদ্ধবিমান।

    বায়ুসেনার নজিরবিহীন এয়ার শো

    এছাড়া, বায়ুসেনার ‘ওয়ার্কহর্স’ হিসেবে পরিচিত সি-১৩০জে সুপার হারকিউলিস এবং এএন-৩২ পরিবহণ বিমান বিশেষভাবে নির্মিত এই ৪.২ কিলোমিটার দীর্ঘ ইএলএফ-এ অবতরণ ও উড়ানের মহড়া চালায়। এছাড়া, অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টার (ALH) দিয়ে বিশেষ হেলি-বোর্ন অপারেশন এবং মানবিক সহায়তা ও দুর্যোগ ত্রাণ (HADR) মহড়া চালানো হয়। এই হেলিকপ্টারগুলি নজরদারি, অনুসন্ধান ও উদ্ধার, চিকিৎসা সহায়তা এবং দুর্গম এলাকায় খাদ্য পৌঁছে দেওয়ার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পাশাপাশি, ভারতীয় বায়ুসেনার এলিট বাহিনী গরুড় কমান্ডো বাহিনীর সদস্যরাও তাদের নিখুঁত দক্ষতা ও যুদ্ধকৌশল প্রদর্শন করেন।

    কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ

    কৌশলগত দিক থেকে এই ইএলএফ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মোরান থেকে চিন সীমান্ত প্রায় ৩০০ কিলোমিটার এবং মায়ানমার সীমান্ত প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। প্রধানমন্ত্রী আগেই সামাজিক মাধ্যম ‘এক্স’-এ জানিয়েছিলেন, এই ইএলএফ জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধার ও ত্রাণ মোতায়েনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা নেবে। এই পরিকাঠামো বন্যা ও ভূমিকম্পপ্রবণ উত্তর-পূর্বাঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা আরও বাড়াবে এবং দ্রুত উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চালানো সম্ভব হবে। ইএলএফটি সর্বোচ্চ ৪০ টন ওজনের যুদ্ধবিমান এবং ৭৪ টন ওজনের পরিবহণ বিমান ওঠানামায় সক্ষম।

    একাধিক কর্মসূচি ছিল প্রধানমন্ত্রীর

    মোরনের অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী ফের ইএলএফ থেকে বায়ুসেনার সি-১৩০জে বিমানে করে গুয়াহাটির উদ্দেশে রওনা দেন। গুয়াহাটির লাচিত ঘাটে ৫,৪৫০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ব্রহ্মপুত্র নদীর উপর নির্মিত কুমার ভাস্কর বর্মা সেতুর উদ্বোধন করেন, যার নির্মাণ ব্যয় প্রায় ৩,০৩০ কোটি টাকা। এই ছয় লেনের এক্সট্রাডোজড প্রি-স্ট্রেসড্ কংক্রিট (PSC) সেতু গুয়াহাটি ও উত্তর গুয়াহাটিকে সংযুক্ত করেছে এবং এটি উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রথম এক্সট্রাডোজড সেতু। এই সেতু চালু হলে গুয়াহাটি থেকে উত্তর গুয়াহাটি যাতায়াতের সময় কমে মাত্র ৭ মিনিটে দাঁড়াবে। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী আইআইএম গুয়াহাটির উদ্বোধন করেন এবং পিএম ই-বাস সেবা প্রকল্পের আওতায় চারটি শহরে ২২৫টি বৈদ্যুতিক বাসের সূচনা করেন।

  • Assembly Elections 2026: এসআইআর-বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বঙ্গে নিয়োগ বিশেষ পর্যবেক্ষক

    Assembly Elections 2026: এসআইআর-বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বঙ্গে নিয়োগ বিশেষ পর্যবেক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে দুয়ারে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই এ রাজ্যের জন্য এসআইআর এবং বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হল (Assembly Elections 2026)। রাজনৈতিক মহলের সিংহভাগের মতে, এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরেই ঘোষণা করা হবে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। তার আগেই নিয়োগ করে দেওয়া হল পর্যবেক্ষক। কমিশনের তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস অফিসার এনকে মিশ্রকে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষক (Special Observers) নিয়োগ করা হচ্ছে। তাঁকে কী কী দায়িত্ব পালন করতে হবে, তাও জানানো হয়েছে।

    জনপ্রতিনিধি আইনের ১৩ সিসি ধারা (Assembly Elections 2026)

    কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, তিনি মূলত এসআইআর এবং আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং পরিচালনা তদারকি করবেন। ভারতীয় সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদ এবং ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধি আইনের ১৩ সিসি ধারা অনুযায়ী এনকে মিশ্রকে পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন ভোটের বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে তিনি প্রয়োজনে এ রাজ্যে আসবেন। নির্বাচন সংক্রান্ত কমিশনের নির্দেশাবলী সঠিকভাবে পালন করা হচ্ছে কিনা, তা নিশ্চিত করার দায়িত্বও তাঁর। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গে সমন্বয় রেখে ভোটের কাজ দেখাশোনা করবেন ওই বিশেষ পর্যবেক্ষক। বিশেষ পর্যবেক্ষক হলেও, এনকে মিশ্র কোনও নির্বাচনী আধিকারিককে সরাসরি শংসাপত্র দিতে পারবেন না। এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে, বিষয়টি প্রস্তাব আকারে জানাতে কমিশনকে। এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কমিশনই।

    বাংলার নয়া স্পেশাল অবজার্ভার

    প্রসঙ্গত, প্রশাসনিক স্তরে সম্ভবত এই প্রথম দায়িত্ব পালন করতে চলেছেন বাংলার নয়া স্পেশাল অবজার্ভার মিশ্র। নির্বাচনী কাজে তাঁর দক্ষতা রয়েছে। তবে তা নিরাপত্তার দিক থেকে। শেষ লোকসভা নির্বাচনে মহারাষ্ট্রে পুলিশের বিশেষ পর্যবেক্ষকের (Assembly Elections 2026) দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। নিজের কর্মজীবনে দায়িত্ব সামলেছেন সিকিমের ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর স্পেশাল ডিরেক্টর হিসেবে। পরে হয়েছিলেন সেই রাজ্যের ডিজিপিও। গত জানুয়ারি মাসেই এ রাজ্যে এসআইআরের কাজে নতুন করে আরও ১২ জন স্পেশাল অবজার্ভার পাঠানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তবে এখনও পর্যন্ত আসা কমিশনের প্রত্যেক প্রতিনিধি শুধুমাত্র এসআইআরের জন্যই (Special Observers) ছিল। কিন্তু এই প্রথমবার বাংলার ভোট প্রস্তুতি বুঝে নিতে অবজার্ভার পাঠাচ্ছে নয়াদিল্লি (Assembly Elections 2026)।

     

  • SCALP-Meteor Missile: লাগবে নয়া রাফালে, সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার স্ক্যাল্প-মিটিয়র ক্ষেপণাস্ত্র কেনার পথে ভারত

    SCALP-Meteor Missile: লাগবে নয়া রাফালে, সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার স্ক্যাল্প-মিটিয়র ক্ষেপণাস্ত্র কেনার পথে ভারত

    সুশান্ত দাস

    গুলি ছাড়া যেমন বন্দুক মূল্যহীন, ঠিক তেমনই ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়া যুদ্ধবিমানেরও কোনও মূল্য নেই। বৃহস্পতিবারই ভারতীয় বায়ুসেনার (IAF) জন্য ১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার অনুমোদন দিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। তবে, স্রেফ যুদ্ধবিমান কিনলেই তো হবে না, তার অস্ত্রও পেতে হবে। যে কারণে, রাফাল (Rafale) যুদ্ধবিমানে ব্যবহার করার জন্য বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্রের বিপুল বরাতও দেওয়ার তোড়জোড় করছে মোদি সরকার। আর এই তালিকায় রয়েছে একজোড়া ভয়ঙ্কর ও পরীক্ষিত ক্ষেপণাস্ত্র— স্ক্যাল্প (SCALP) বা স্টর্ম শ্যাডো (Storm Shadow) এবং মিটিয়র (Meteor)। বরাতের মূল্য প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা। বলাবাহুল্য, এই দুই ক্ষেপণাস্ত্রও তৈরি করে ফ্রান্স— যে দেশ থেকে আসছে রাফাল জেট।

    ৩০ কোটি ইউরোর চুক্তি

    কেন্দ্রীয় সূত্রে খবর, এই মর্মে ভারত ও ফ্রান্স একটি বড় প্রতিরক্ষা চুক্তি চূড়ান্ত করার দিকে এগোচ্ছে। প্রায় ৩০ কোটি ইউরো (ভারতীয় মুদ্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা) মূল্যের এই চুক্তির আওতায় ভারতীয় বায়ুসেনা বিপুল সংখ্যক স্ক্যাল্প ক্রুজ মিসাইল কিনতে চলেছে। এই স্ক্যাল্প ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে গত বছর ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময় পাকিস্তানের ভিতরে জইশ-ই-মহম্মদ ও লস্কর-ই-তৈবার জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করেছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। প্রতিরক্ষা সূত্রে খবর, ফ্রান্স থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক স্ক্যাল্প ক্রুজ মিসাইল কেনার বিষয়ে আলোচনা চলছে এবং খুব শিগগিরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

    স্ক্যাল্প মিসাইল কী ও কেন তা গুরুত্বপূর্ণ?

    স্ক্যাল্প (SCALP)-এর পূর্ণরূপ <Système de Croisière Autonome à Longue Portée>। ফরাসি এই শব্দগুচ্ছের অর্থ হল— দূরপাল্লার স্বায়ত্তশাসিত ক্রুজ সিস্টেম। আন্তর্জাতিকভাবে এই ক্ষেপণাস্ত্র ‘স্টর্ম শ্যাডো’ নামেও পরিচিত। ইউরোপীয় প্রতিরক্ষা সংস্থা এমবিডিএ নির্মিত যুদ্ধবিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য এই ক্রুজ মিসাইল মূলত বাঙ্কার, কমান্ড সেন্টার, বিমানঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর মতো উচ্চ-মূল্যের লক্ষ্যবস্তু ধ্বংসের জন্য তৈরি। এই মিসাইল অত্যন্ত নিচু উচ্চতায় উড়ে ভূখণ্ড অনুসরণ করে এগোতে পারে, ফলে শত্রুপক্ষের রেডার এড়ানো সম্ভব হয়। এর গাইডেন্স সিস্টেমে রয়েছে জিপিএস, ইনার্শিয়াল ন্যাভিগেশন, টেরেন ম্যাপিং এবং ইনফ্রারেড সিকার। এর পাল্লা ২৫০ কিলোমিটারেরও বেশি, ফলে যুদ্ধবিমান নিরাপদ দূরত্ব থেকেই আঘাত হানতে পারে।

    অপারেশন সিঁদুরে ব্যবহার

    গত বছরের অপারেশন সিন্দুর চলাকালীন রাফাল (Rafale) যুদ্ধবিমান থেকে ব্রহ্মোস (BrahMos) সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইলের সঙ্গে স্ক্যাল্প মিসাইল ব্যবহার করে পাকিস্তানের মুরিদকে ও বাহাওয়ালপুর জেলায় জঙ্গি ঘাঁটিতে নির্ভুল হামলা চালানো হয়। আধিকারিকদের মতে, লক্ষ্যবস্তু সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করা হয়। ৬–৭ মে রাতের অভিযানের পর ভারতীয় বায়ুসেনা পাকিস্তান বিমানবাহিনীর (PAF) একাধিক ঘাঁটিতে ক্রুজ মিসাইল হামলা চালায়। এই অভিযানে ১২টি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করা হয় এবং সেখানে থাকা যুদ্ধবিমান ও নজরদারি বিমানের মতো একাধিক উচ্চ-মূল্যের সম্পদ ধ্বংস করা হয়। স্ক্যাল্প মিসাইল রাফাল যুদ্ধবিমানের অস্ত্রভাণ্ডারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবেই ভবিষ্যতেও ব্যবহৃত হবে।

    মিটিয়র মিসাইল কী ও কেন তা গুরুত্বপূর্ণ?

    স্ক্যাল্প-এর পাশাপাশি, ভারতীয় বায়ুসেনা রাফাল যুদ্ধবিমানের যুদ্ধক্ষমতা আরও বাড়াতে বিপুল সংখ্যক মিটিয়র (Meteor) এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল কেনার প্রক্রিয়াও শুরু করেছে। সূত্রের খবর, এর জন্য প্রায় ১৫০০ কোটি টাকার চুক্তি হতে পারে। বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম সেরা এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল হল মিটিয়র। এটি একটি আধুনিক প্রজন্মের বিয়ন্ড-ভিজুয়াল-রেঞ্জ (BVR) এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল। এটি আকাশযুদ্ধে শত্রু বিমানের বিরুদ্ধে অনেক দূর থেকে অত্যন্ত নির্ভুল ও নির্ভরযোগ্য আঘাত হানার জন্য তৈরি করা হয়েছে। মিটিয়র মিসাইলের কার্যকর পাল্লা প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ কিলোমিটার বা তারও বেশি। এর উন্নত গাইডেন্স সিস্টেমে রয়েছে ইনার্শিয়াল ন্যাভিগেশন, ডেটালিঙ্ক আপডেট এবং শেষ ধাপে অ্যাকটিভ রাডার সিকার, যার ফলে ইলেকট্রনিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতেও লক্ষ্যবস্তু নির্ভুলভাবে শনাক্ত ও ধ্বংস করা সম্ভব হয়। এই মিসাইলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এর র‌্যামজেট প্রোপালশন সিস্টেম। সাধারণ মিসাইল যেখানে শেষ পর্যায়ে গতি ও শক্তি হারায়, সেখানে মিটিয়র পুরো উড়ানজুড়েই উচ্চগতি বজায় রাখতে পারে। ফলে দ্রুতগামী ও কৌশলী শত্রু বিমান, ড্রোন কিংবা ক্রুজ মিসাইল ধ্বংস করার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। এই মিসাইলগুলো ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য কেনা ২৬টি রাফাল-মেরিন Rafale-M) যুদ্ধবিমানের সঙ্গেও যুক্ত করা হবে, যেগুলি আগামী তিন থেকে চার বছরের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কথা।

    ভারতের ভবিষ্যৎ বায়ুশক্তির কেন্দ্রে রাফাল

    প্রস্তাবিত স্ক্যাল্প ও মিটিয়র মিসাইল কেনা ভারতের বিমান শক্তিকে রাফালকে কেন্দ্র করে গড়ে তোলার বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ। কেন্দ্রীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শীঘ্রই ১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হতে পারে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন প্রতিরক্ষা বিষয়ক মস্ত্রিসভার কমিটিতে। এই প্রস্তাব অনুমোদিত হলে আগামী এক দশকের মধ্যে ভারতের রাফাল বহর প্রায় ১৭৫-এ পৌঁছাতে পারে, যা শত্রুদেশের গভীর আঘাত হানার ক্ষমতা ও প্রতিরোধ শক্তিকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে। ভারত ও ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ক্রমশ গভীর হওয়ার প্রেক্ষাপটে, যুদ্ধক্ষেত্রে পরীক্ষিত কর্মক্ষমতার ভিত্তিতেই এই স্ক্যাল্প ও মিটিয়র মিসাইল চুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

  • Enforcement Directorate: কয়লা পাচার মামলায় বড় সাফল্য ইডির, বাজেয়াপ্ত লালা সিন্ডিকেটের ১০০ কোটির বেশি সম্পত্তি

    Enforcement Directorate: কয়লা পাচার মামলায় বড় সাফল্য ইডির, বাজেয়াপ্ত লালা সিন্ডিকেটের ১০০ কোটির বেশি সম্পত্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আবহে আরও সক্রিয় হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। এবার কয়লা পাচার মামলার (Bengal Coal Scam) মূল অভিযুক্ত লালা সিন্ডিকেটের বিপুল সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। শুক্রবার পুরনো কয়লা পাচার মামলাতেই ১০০ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। এর ফলে এই মামলায় এখন পর্যন্ত বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির মোট অঙ্ক দাঁড়াল ৩২২ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা। তদন্তকারীরা জানান, গত ৪ জানুয়ারি দিল্লি ও কলকাতায় একযোগে চালানো তল্লাশি অভিযানের সময়ই লালা সিন্ডিকেটের গড়া এই বিপুল সম্পদের নথি উদ্ধার হয়। সেই সূত্র ধরেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    কীভাবে হত কয়লা পাচার?

    ইডি (Enforcement Directorate) সূত্রে আরও জানা গেছে, কয়লা পাচারের অর্থ দুটি বেনামি সংস্থার নামে জমি কেনা ও মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের মাধ্যমে লুকানো হয়েছিল। ভুয়ো চালানের মাধ্যমে ১০ বা ২০ টাকার নোট আটকে তার ছবি ব্যবহার করে লেনদেন দেখানো হত। এই সামান্য চালানের আড়ালেই গড়ে ওঠে কয়েক’শ কোটির সম্পত্তি। তদন্তে উঠে এসেছে, চালানে পিন আটকানো ১০ বা ২০ টাকার নোট। ওই নোটের নম্বরই আসলে কোড। নাম তার ‘লালা প‌্যাড’। কয়লা মাফিয়া হিসাবে অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালার নামেই নামকরণ হয় এই প‌্যাডের। এই নোট-সহ প‌্যাডের ছবি হোয়াটসঅ‌্যাপে কয়লা পাচারের (Bengal Coal Scam) সঙ্গে যুক্ত পুলিশকর্মী ও আধিকারিকদের পাঠিয়ে দেওয়া হত। এই টাকা আটকানো চালান যে ট্রাক চালকের কাছে থাকত, তাঁকে আটকানো হত না। ভুয়ো চালানের সঙ্গে পাঠানো হত ট্রাকের নম্বর প্লেটও। সেই ছবির সঙ্গে মিলিয়ে ছেড়ে দেওয়া হত বেআইনি কয়লা-সহ ট্রাক। এভাবেই বেআইনি কয়লা খাদান থেকে কয়লা পাচার হত বলে দাবি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (Enforcement Directorate)। ইডির গোয়েন্দারা জানান, ওই কয়লা পাচার চক্র বিপুল টাকা পাচার করত হাওয়ালার মাধ‌্যমেও। সেই ক্ষেত্রেও ১০ টাকার নোটের নম্বর ব‌্যবহার করা হত। ওই নম্বর দেখেই হাওয়ালা চক্র জায়গামতো পাঠিয়ে দিত কোটি কোটি টাকা। তদন্তকারীদের ধারণা, লালা সিন্ডিকেটের মোট দুর্নীতির পরিমাণ ২,৭০০ কোটি টাকারও বেশি।

    জড়িত পুলিশ আধিকারিক?…

    একদিকে পুরনো মামলায় সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হচ্ছে, অন্যদিকে নতুন মামলায় (Bengal Coal Scam) চলছে জোরদার তলব। সম্প্রতি কয়লা পাচার সংক্রান্ত নতুন মামলায় বুদবুদ থানার ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলকে হাজিরার নির্দেশ দেয় ইডি। নির্দিষ্ট দিনে তিনি উপস্থিত না হওয়ায় তাঁর বদলে দুই আইনজীবী—শুভ্রাংশু পাল ও দেবতনু দাস হাজির হন। তাঁদের কাছ থেকেই মনোরঞ্জন মণ্ডল এবং তাঁর বাবা-মায়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করেন তদন্তকারীরা। উল্লেখ্য, ২০২০ সালে কয়লা পাচার মামলার তদন্ত শুরু করে সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই)। রাজ্যের বিভিন্ন রেল সাইডিং এলাকা থেকে কয়লা চুরির ঘটনা সামনে আসতেই প্রথমে আয়কর দফতর এবং পরে সিবিআই তদন্তে নামে। সেই সূত্রেই প্রকাশ্যে আসে অনুপ মাঝি ওরফে লালা এবং তার সিন্ডিকেটের নাম। গত বছর ইডি (Enforcement Directorate) এই ঘটনায় আরও একটি নতুন মামলা দায়ের করে। ভোটমুখী বাংলায় সেই তদন্ত এখন ফের তীব্র গতিতে এগোচ্ছে।

  • Gen Naravane Memoir Row: জেনারেল নারাভানে স্মৃতিকথা বিতর্ক! কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষা কর্মীদের বই প্রকাশে নির্দেশিকা আনছে কেন্দ্র

    Gen Naravane Memoir Row: জেনারেল নারাভানে স্মৃতিকথা বিতর্ক! কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষা কর্মীদের বই প্রকাশে নির্দেশিকা আনছে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল এম এম নারাভানের (Gen Naravane Memoir Row) অপ্রকাশিত বইকে ঘিরে বিতর্কের জেরে কেন্দ্র সরকার কঠোর পদক্ষেপের পথে হাঁটছে। ‘ফোর স্টারস অফ ডেস্টিনি’ (Four Stars of Destiny) শীর্ষক এই অপ্রকাশিত বইটি সম্প্রতি আলোচনায় আসে। লোকসভায় চলতি বাজেট অধিবেশনে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী বইটির কিছু অংশ উদ্ধৃত করার চেষ্টা করেন। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত দেশের সেনাপ্রধান ছিলেন নারাভানে। তাঁর ‘অপ্রকাশিত’ বইয়ের কিছু অংশ সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে একটি ম্যাগাজিনে। যার পর শুরু হয়েছে বিতর্ক।

    সেনা কর্মীদের জন্য কঠোর নির্দেশিকা

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের বই প্রকাশ সংক্রান্ত নতুন নির্দেশিকা তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, এ বিষয়ে সম্প্রতি একটি বৈঠক হয়েছে এবং সেখানে বিস্তারিত উপস্থাপনাও করা হয়েছে। প্রস্তাবিত নির্দেশিকায় সার্ভিস রুলস এবং অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট (ওএসএ)-এর বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হবে। সম্প্রতি জেনারেল নারাভানের অপ্রকাশিত বইকে ঘিরে রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্কের সূত্রপাত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে স্পষ্ট ও কঠোর নিয়ম প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কেন্দ্রের মতে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ হলেও জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্যের সুরক্ষা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখেই নতুন নির্দেশিকা তৈরি করা হচ্ছে।
    বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, কর্তব্যরত অবস্থায় সেনা আধিকারিক বা আমলাদের বই প্রকাশের ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিয়ম রয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত আধিকারিকদের ক্ষেত্রে কী নিয়ম প্রযোজ্য, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। ১৯২৩ সালের অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট অনুযায়ী, গোপন কোনও তথ্য, স্পর্শকাতর কোনও কথোপকথন, যাতে জাতীয় নিরাপত্তা বা বিদেশনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, তা খোলসা করা যায় না। আবার সেন্ট্রাল সিভিল সার্ভিসেস পেনশন রুল ২০২১ সালে সংশোধন করা হয়, যাতে বলা হয়েছে, কাজ সংক্রান্ত কোনও রকম লেখা প্রকাশ করতে গেলে তাঁর আগের সংস্থার বর্তমান প্রধানের ছাড়পত্র প্রয়োজন। নিয়ম না মানলে পেনশন তুলতে সমস্যা হতে পারে। দেশের তিন বাহিনী এর অন্তর্ভুক্ত না হলেও, তাঁরাও বিধিনিয়ম মেনে চলবেন বলে প্রত্যাশা করা হয়।

    কী থাকতে পারে নতুন নিয়মে?

    নতুন নির্দেশিকায় স্পষ্ট করা হবে, কোনো পাণ্ডুলিপি প্রকাশের আগে কী প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। যদি বইয়ে সামরিক অভিযান, কৌশল বা সংবেদনশীল তথ্য সংক্রান্ত বিষয় থাকে, তবে লেখককে তা প্রকাশের আগে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকে জমা দিয়ে অনুমোদন নিতে হবে। যথাযথ যাচাই-বাছাই ও পর্যালোচনার পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক প্রকাশের অনুমতি দেবে। বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের বই লেখার বিষয়ে একক কোনো আইন নেই। কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে আলাদা নিয়ম প্রযোজ্য। তবে উভয় ক্ষেত্রেই জাতীয় নিরাপত্তা ও গোপন তথ্য সুরক্ষা সর্বাধিক গুরুত্ব পায়। অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট অনুযায়ী, গোপন বা সংবেদনশীল সামরিক তথ্য প্রকাশ করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এই আইন অবসর গ্রহণের পরও আজীবন প্রযোজ্য থাকে।

  • India Chile Trade Deal: রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম লিথিয়াম ভান্ডার! সেই লাতিন দেশের সঙ্গে চুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত

    India Chile Trade Deal: রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম লিথিয়াম ভান্ডার! সেই লাতিন দেশের সঙ্গে চুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বড় বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করার পর ভারত (India) এখন আর একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে (India Chile FTA)। এই চুক্তিটি প্রচলিত বাণিজ্যের সীমা ছাড়িয়ে বহুমাত্রিক সুবিধা এনে দিতে পারে। নয়াদিল্লি বর্তমানে লাতিন আমেরিকার দেশ চিলির সঙ্গে চূড়ান্ত পর্যায়ের আলোচনায় রয়েছে। চিলিকে বিশ্বের বৃহত্তম লিথিয়াম ভান্ডার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। চিলির প্রেসিডেন্ট গ্যাব্রিয়েল বোরিচ গত বছর দ্বিপাক্ষিক আলোচনা এগিয়ে নিতে ভারত সফর করেন। চুক্তিটি (India Chile Trade Deal) সম্পন্ন হলে ভারতের উৎপাদন, প্রতিরক্ষা এবং মহাকাশ গবেষণা খাতে কৌশলগত সুবিধা মিলবে বলেই আশা সংশ্লিষ্ট মহলের।

    গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ চিলি (India)

    দক্ষিণ আমেরিকার প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে অবস্থিত চিলি লিথিয়াম, তামা এবং কোবাল্ট-সহ গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ। এসব সম্পদ ইলেকট্রনিক্স, বৈদ্যুতিক যানবাহন এবং সৌরশক্তি শিল্পের জন্য অপরিহার্য। বিশেষ করে চিন একতরফাভাবে রেয়ার আর্থ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর ভারতের শিল্পোন্নয়ন ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এসব কাঁচামালের স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে (India Chile Trade Deal)। এই প্রেক্ষাপটে ভারত একাধিক দেশের সঙ্গে আলোচনা শুরু করলেও চিলির সঙ্গে আলোচনা প্রায় দু’দশক আগে শুরু হয়। ২০০৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারের আলোচনা শুরু হয় এবং ২০০৬ সালে একটি প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড এগ্রিমেন্ট (পিটিএ) স্বাক্ষরিত হয়। ওই চুক্তিতে কিছু নির্দিষ্ট পণ্যে শুল্ক ছাড় দেওয়া হলেও তা পূর্ণাঙ্গ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে পরিণত হয়নি। বর্তমানে যে আলোচনা চলছে, তাতে একাধিক খাতে সহযোগিতার পরিধি বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে এগোনো হচ্ছে। উভয় দেশ ডিজিটাল পরিষেবা, বিনিয়োগ এবং ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ (India) (MSME) খাতে অংশীদারিত্বের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে।

    পীযূষ গোয়েলের ইঙ্গিত

    কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল সম্প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে চিলির সঙ্গে একটি বিস্তৃত বাণিজ্য চুক্তি শিগগিরই স্বাক্ষরিত হতে পারে। ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে ভারত-চিলি বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৩.৭৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে (India Chile FTA)। এর মধ্যে ভারতের রফতানির পরিমাণ ছিল ১.১৫ বিলিয়ন ডলার এবং আমদানি ছিল ২.৬০ বিলিয়ন ডলার। ভারত প্রধানত যানবাহন, ওষুধ, রাসায়নিক পণ্য, ইস্পাতজাত সামগ্রী, বস্ত্র, চামড়াজাত পণ্য, রাবার এবং জুতো রফতানি করে। অন্যদিকে চিলি তামা, আয়োডিন, আখরোট, কিউই এবং আপেলের মতো পণ্য সরবরাহ করে, যা ভারতের শিল্প কাঁচামাল ও কৃষিপণ্যের সরবরাহকে শক্তিশালী করে। ভারতীয় কোম্পানিগুলি ইতিমধ্যেই উদীয়মান এই অংশীদারিত্বের সুফল নিতে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে শুরু করেছে। রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কোল ইন্ডিয়া সম্প্রতি চিলিতে একটি পূর্ণ মালিকানাধীন সহযোগী প্রতিষ্ঠান গঠনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে, যা বিরল মৃত্তিকা ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজের গবেষণা ও অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এই পদক্ষেপ ভারতের বিদেশে সরাসরি  খনিজ সম্পদ সুরক্ষিত করার কৌশলগত অভিপ্রায়কে নির্দেশ করে। বেসরকারি খাতও এ ক্ষেত্রে আগ্রহ দেখাচ্ছে (India Chile Trade Deal)। আদানি গ্রুপ-সহ বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠী বিশেষ করে খনি ও পরিকাঠামো খাতে চিলিতে বিনিয়োগের সুযোগ খতিয়ে দেখছে।

    আলোচনা যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে, তখন প্রস্তাবিত ভারত–চিলি চুক্তিকে (India Chile Trade Deal) একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব হিসেবে দেখা হচ্ছে। এটি সরবরাহ শৃঙ্খলকে শক্তিশালী করতে, সীমিত উৎসের ওপর নির্ভরতা কমাতে এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, উন্নত (India Chile FTA) উৎপাদন ও প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতার ক্ষেত্রে ভারতের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করতে পারে (India)।

  • Epilepsy in West Bengal: রাজ্যে বাড়ছে মৃগী রোগে আক্রান্তের সংখ্যা! কোন বয়সে বাড়তি বিপদ? কী এর সমাধান?

    Epilepsy in West Bengal: রাজ্যে বাড়ছে মৃগী রোগে আক্রান্তের সংখ্যা! কোন বয়সে বাড়তি বিপদ? কী এর সমাধান?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    রাজ্যে বাড়ছে এপিলেপসি (Epilepsy in West Bengal) বা মৃগী রোগে আক্রান্তের সংখ্যা। গোটা দেশের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে এপিলেপসি আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটাই বেশি। বিশেষত গ্রামীণ এলাকায় এপিলেপসি আক্রান্তের সংখ্যা গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। এই সমস্যা দীর্ঘমেয়াদি এবং নানান জটিলতা তৈরি করে। তাই প্রথম থেকেই এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণ জরুরি (Epilepsy Symptoms Prevention) বলেই মত চিকিৎসক মহলের।

    দেশের নিরিখে পশ্চিমবঙ্গে আক্রান্তের সংখ্যা কত?

    সর্বভারতীয় এক সমীক্ষায় সম্প্রতি জানা গিয়েছে, গোটা ভারতেই এপিলেপসি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সঙ্কট। ভারতের গ্রামীণ অঞ্চলে প্রতি ১০০০ জনে মৃগী রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ১১ জন। শহরে পরিস্থিতি অনেকটাই আলাদা। প্রতি ১০০০ জনে এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ৫ জন। পশ্চিমবঙ্গে গ্রামীণ এলাকায় ১০০০ জনে এপিলেপসি আক্রান্তের (Epilepsy in West Bengal) সংখ্যা ১৫ জন। পুরুষদের মধ্যে সেই সংখ্যা অনেকটাই বেশি। ওই সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে গ্রামীণ পুরুষদের ১০০০ জনের মধ্যে ৩৭ জন এপিলেপসিতে আক্রান্ত হন। কলকাতা সহ বড় শহরে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

    কেন রাজ্যে এপিলেপসি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এপিলেপসি আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ স্ট্রোক এবং ডিমেনশিয়ার মতো স্বাস্থ্য সমস্যা। তাঁরা জানাচ্ছেন, এপিলেপসি আক্রান্তের একটি বড় অংশের বয়স ৬০ বছরের বেশি। যারা জীবনের কোনও একটা সময় স্নায়বিক সমস্যায় ভুগেছেন। আবার অনেকের স্ট্রোক হয়েছে কিংবা স্মৃতিশক্তি হ্রাসের মতো জটিল সমস্যা রয়েছে। তাই এপিলেপসির (Epilepsy in West Bengal) মতো সমস্যা তৈরি হয়েছে। গত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গে স্ট্রোকের ঘটনা উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। একই সঙ্গে ডিমেনশিয়ার মতো সমস্যাও বাড়ছে। তাই এপিলেপসির মতো জটিলতায় আরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন।

    কোন বয়সে এপিলেপসি হওয়ার ঝুঁকি থাকে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বয়স এপিলেপসি আক্রান্ত হওয়ার সীমারেখা টানতে পারে না। শিশুর জন্মের পরে প্রথম দুই বছরের মধ্যেই এই রোগ দেখা দিতে পারে। আবার সম্পূর্ণ সুস্থ একজন মানুষ পঞ্চাশ কিংবা পঞ্চান্ন বছর বয়সে নতুন ভাবে এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। তবে শিশুরা এই রোগে আক্রান্ত হলে বছর বারো বয়সের পরে রোগের প্রকোপ অনেকখানি কমে। শিশুদের এই রোগ নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়। তুলনায় বয়স্কদের এই রোগ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ে। ৫০ কিংবা ৬০ বছর বয়সে এই রোগে আক্রান্ত হলে রোগ নিয়ন্ত্রণ তুলনায় জটিল হয়ে ওঠে।

    কেন হয় এপিলেপসি?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মস্তিষ্কের স্নায়ুতে অস্বাভাবিক ক্রিয়ার জন্য একধরনের শক্তি তৈরি হয়। যা শরীরের জন্য অতিরিক্ত। আর তার ফলেই খিঁচুনির মতো রোগ দেখা যায়। যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এপিলেপসি বলা হয়।
    শিশু মাতৃগর্ভে থাকাকালীন মস্তিষ্কে ঠিকমতো অক্সিজেন না পৌঁছলে জন্মের পরেই শিশু এপিলেপসি আক্রান্ত (Epilepsy in West Bengal) হতে পারে। এছাড়াও ১-২ বছর বয়সে কোনও জটিল ভাইরাস ঘটিত অসুখ, মেনিনজাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হলে শিশুর এপিলেপসি আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। বয়স্কদের ক্ষেত্রে এপিলেসসি আক্রান্ত হওয়ার একাধিক কারণ থাকতে পারে। মূলত স্ট্রোকের কারণেই বয়স্কেরা এই রোগে আক্রান্ত হন। এছাড়া, কোনও ধরনের দূর্ঘটনার ফলেও এই রোগ হতে পারে। পথ দূর্ঘটনা কিংবা অত্যন্ত গভীর মানসিক চাপের জেরে মস্তিষ্কের স্নায়ুতে অস্বাভাবিক ক্রিয়া তৈরি হতে পারে। তার ফলে এপিলেপসি হতে পারে। আবার শরীরে সোডিয়ামের মাত্রা অতিরিক্ত কমে গেলে মস্তিষ্কে গভীর প্রভাব পড়ে। তার জেরেও এপিলেপসি হতে পারে।

    ঘুমের মধ্যেই কি রয়েছে সুস্থ থাকার দাওয়াই?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এপিলেপসি পুরোপুরি নির্মূল সম্ভব নয়। তবে এপিলেপসি নিয়ন্ত্রণ (Epilepsy Symptoms Prevention) সম্ভব। ঘন ঘন খিঁচুনি, জ্ঞান হারানো শরীরের জন্য বিপজ্জনক। তাতে স্বাভাবিক জীবন ব্যহত হয়। তাই এপিলেপসি আক্রান্তের সুস্থ থাকা জরুরি। কয়েকটি বিষয়ে নজরদারি প্রয়োজন। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, এপিলেপসি আক্রান্তের স্নায়ুর বিশ্রাম সবচেয়ে জরুরি। তাই পর্যাপ্ত ঘুম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এপিলেপসি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আক্রান্তের নিয়মিত ৮-৯ ঘণ্টা ঘুম জরুরি। তাতে মস্তিষ্ক পর্যাপ্ত বিশ্রাম পাবে। স্নায়ু অস্বাভাবিক অতিরিক্ত সক্রিয় হবে না। মানসিক চাপ তৈরি হয়, এমন কাজ কখনোই করা উচিত নয়। এপিলেপসি আক্রান্তের পাশপাশি তার পরিবারকেও এদিকে নজর দিতে হবে বলে জানাচ্ছেন‌ চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা বলছেন, মানসিক চাপ স্নায়ুর উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয়। তাই এপিলেপসি আক্রান্তের (Epilepsy in West Bengal) আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই তাঁদের মানসিক চাপ দেওয়া চলবে না। এমন পরিস্থিতি এড়িয়ে যেতে হবে। খাবারে যাতে অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট এবং তেল মশলা না থাকে সেদিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন। কারণ এগুলো পর্যাপ্ত ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়। প্রয়োজনে নিয়মিত যোগাভ্যাসের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ এতে মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে। কিন্তু স্নায়ু্র কাজ স্বাভাবিক থাকে। এছাড়া চিকিৎস যদি ওষুধ খাওয়ার পরামর্শ দেন, তাহলে নিয়ম মেনে সেই ওষুধ খেতে হবে বলেও পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞ মহল।

LinkedIn
Share