Tag: bangla news

bangla news

  • Gurugram: গুরুগ্রামে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্নেলের বাড়িতে লুটপাট, মহম্মদ আরমান সহ ৪ বাংলাদেশি নাগরিক গ্রেফতার

    Gurugram: গুরুগ্রামে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্নেলের বাড়িতে লুটপাট, মহম্মদ আরমান সহ ৪ বাংলাদেশি নাগরিক গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুরুগ্রামের (Gurugram) সেক্টর ২৩ এলাকায় এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্নেলের বাড়িতে ঢুকে পরিবারের সদস্যদের বন্দি করে ১৫ লক্ষাধিক টাকার মূল্যবান সামগ্রী লুটের ঘটনায় চার বাংলাদেশি (Bangladeshi) নাগরিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে এই ডাকাত দলের মূল পান্ডা মহম্মদ খাইরুল আরমানও রয়েছে। ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছে।

    দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা (Gurugram)

    পুলিশ জানিয়েছে, গত ৪ জুন সেক্টর ২৩-এর বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্নেল সি.এল. জেইনের বাড়িতে এই দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পালাম বিহার ক্রাইম ব্রাঞ্চের সাব-ইন্সপেক্টর মনোজের নেতৃত্বে একটি দল বাজঘেরা এলাকায় অভিযান চালায়। পুলিশকে দেখে অভিযুক্তরা পালানোর চেষ্টা করে এবং দ্বারকা এক্সপ্রেসওয়ের একটি আন্ডারপাসে লাফ দেয়। এর ফলে চারজনেরই হাত-পায়ে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

    ধৃতদের নাম?

    ধৃতদের শনাক্ত করা হয়েছে। এরা হল—মহম্মদ খাইরুল আরমান (৫২), মহম্মদ মামন (৩৫), মহম্মদ হিলাল (২৫) এবং মামো খান (২৬)। এরা সকলেই বাংলাদেশের (Bangladeshi) নাগরিক। সহকারী পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) নবীন শর্মা জানিয়েছেন, ধৃত চারজনই বর্তমানে সেক্টর ১০এ-র সিভিল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

    ভারতে অবৈধভাবে বসবাস করছিল

    এসিপি নবীন শর্মা আরও বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে যে অভিযুক্তরা অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার বাড়িতে হামলা চালানোর আগে সেক্টর ২৩-এর বেশ কয়েকটি বাড়িতে নজরদারি করেছিল। লুটের জিনিস উদ্ধার করতে তাদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।” পুলিশের দাবি, গ্যাং লিডার আরমান ২০০৪ সাল থেকে ভারতে অবৈধভাবে বসবাস করছে। এই চক্রটি দিল্লির সঙ্গম বিহারের একটি গোপন আস্তানা থেকে তাদের অপরাধমূলক কাজকর্ম পরিচালনা করছিল।

  • Indian Seafarers Dead: হরমুজ প্রণালীর কাছে হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু, শোক প্রকাশ কেন্দ্রের, পাশে থাকার বার্তা সোনোয়ালের

    Indian Seafarers Dead: হরমুজ প্রণালীর কাছে হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু, শোক প্রকাশ কেন্দ্রের, পাশে থাকার বার্তা সোনোয়ালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় বন্দর, জাহাজ চলাচল ও জলপথ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল। তিনি জানান, মৃতদের পরিবারকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার জন্য কেন্দ্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। উদ্ধার হওয়া নাবিকদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি মৃতদেহ ভারতে নিয়ে আসার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালীর কাছে পালাউ-ফ্ল্যাগযুক্ত বাণিজ্যিক জাহাজ এমটি সেট্টেবেলোতে হামলার ঘটনায় (Settebello Tragedy) নিহত হন ওই তিন ভারতীয় নাবিক।

    সর্বানন্দ সোনোয়ালের বক্তব্য (Indian Seafarers Dead)

    বৃহস্পতিবার এক্স হ্যান্ডেলে করা একটি পোস্টে সোনোয়াল জানান, প্রথমে নিখোঁজ হিসেবে চিহ্নিত তিন ভারতীয় নাবিকের মধ্যে দু’জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে এবং তাঁদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এই ঘটনা ভারতের সামুদ্রিক সম্প্রদায়ের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী। সোনোয়াল জানান, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের দ্রুত উদ্ধার হওয়া নাবিকদের ভারতে ফিরিয়ে আনা এবং মৃতদের মরদেহ তাঁদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে যথাযথভাবে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা যায়। জানা গিয়েছে, হামলার সময় এমটি সেট্টেবেলো জাহাজে মোট ২৪ জন ভারতীয় নাবিক কর্মরত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ২১ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে বাকি তিনজনের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে তাঁদের পরিবারে।

    মৃত নাবিকদের পরিবারে কান্নার রোল

    উত্তরপ্রদেশের দেওরিয়া জেলার বাসিন্দা নিহত নাবিক শিবানন্দ চৌরাসিয়ার বাড়িতে কান্নার রোল। মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হতেই পরিবারের সদস্য এবং প্রতিবেশীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। শিবানন্দের ভগ্নিপতি সঞ্জয় চৌরাসিয়া জানান, ঘটনার আগের সন্ধ্যায়ই তাঁর সঙ্গে শেষবার কথা হয়েছিল। তখন তিনি ইরানের একটি জাহাজে থাকার কথা বললেও, কোনও বিপদের কথা জানাননি। শিবানন্দের বাবা রামজি চৌরাসিয়া বলেন, “শেষবার রাত ৯টার দিকে কথা হয়েছিল এবং ছেলে জানিয়েছিল সব কিছু ঠিক আছে। পরে খবর আসে জাহাজে বোমা হামলা হয়েছে।” প্রতিবেশীদের দাবি, শিবানন্দই ছিলেন চৌরাসিয়া পরিবারের একমাত্র রোজগেরে। তাঁর আয়েই ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছিল ওই পরিবারের আর্থিক অবস্থার।

    উদ্বেগ প্রকাশ রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিবের

    এদিকে, ফরওয়ার্ড সিম্যানস ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়ার সাধারণ সম্পাদক মনোজ যাদব জানিয়েছেন, হামলার পর থেকেই জাহাজটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। তখনই ঘটনার বিস্তারিত তথ্যও যাচাই করা হয় (Settebello Tragedy)।অন্যদিকে, রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস হরমুজ প্রণালীতে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতার ওপর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতি বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা সৃষ্টি করবে, ফেলবে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রভাব। এতে সব চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে উন্নয়নশীল দেশগুলিই। তিনি অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ও আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানান।

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য

    এর আগে ভারতের বিদেশমন্ত্রক (MEA) জানিয়েছিল, ওমানের উপকূলের কাছে এমটি সেট্টেবেলো জাহাজে হামলার ঘটনায় তারা নজর রাখছে, এবং ওমান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যৌথভাবে উদ্ধার অভিযানের তদারকি করছে। এই ধরনের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছে ভারত সরকার। শুধু তা-ই নয়, জোর দিয়েছে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানের ওপর (Settebello Tragedy)।

     

  • Manipur: মণিপুরে উত্তেজনা! অপহৃত ৬ নাগা নাগরিকের দেহ উদ্ধার, ২৪ ঘণ্টার বনধের ডাক ইউএনসি-র

    Manipur: মণিপুরে উত্তেজনা! অপহৃত ৬ নাগা নাগরিকের দেহ উদ্ধার, ২৪ ঘণ্টার বনধের ডাক ইউএনসি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতিগত হিংসায় জর্জরিত মণিপুরে (Manipur) পরিস্থিতি আবারও অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে। প্রায় তিন সপ্তাহ আগে অপহৃত হওয়া ৬ জন নাগা নাগরিকের দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কুকি উগ্রপন্থীরা (Nagas-kukis) তাঁদের অপহরণ করে হত্যা করেছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। ১৪ জন কুকি নাগরিককে মুক্ত করার ঠিক একদিন পরেই এই ৬ নাগা নাগরিকের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় নাগা সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

    ২৪ ঘণ্টা ধরে যৌথ চিরুনি তল্লাশি (Manipur)

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ মে ২০২৬ তারিখে লেইলোন ভাইপেই এলাকা থেকে এই ছয়জনকে অপহরণ করা হয়েছিল। তাঁদের খোঁজে মণিপুর (Manipur) পুলিশ, সিআরপিএফ (CRPF) এবং আসাম রাইফেলসের প্রায় ৪৫০ জন জওয়ানের একটি বিশাল দল গত ২৪ ঘণ্টা ধরে যৌথ চিরুনি তল্লাশি চালায়। এই অভিযানে স্নিফার ডগ এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদেরও কাজে লাগানো হয়। বুধবার বিকেলে তল্লাশি দল নিখোঁজ ওই ৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। খবরটি ছড়িয়ে পড়তেই মণিপুরের পার্বত্য অঞ্চলগুলোতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শত শত শোকার্ত ও ক্ষুব্ধ মানুষ ইম্ফল পূর্বের জওহরলাল নেহেরু ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেস (JNIMS) হাসপাতালের মর্গের সামনে ভিড় জমান। পরিস্থিতি যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না চলে যায়, সেজন্য হাসপাতাল চত্বরে বিপুল সংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

    ইউএনসি-র বনধের ডাক ও লাশ গ্রহণে অস্বীকার

    এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে মণিপুরের শীর্ষ নাগা সংগঠন ‘ইউনাইটেড নাগা কাউন্সিল’ (UNC) আজ সকাল ৬টা থেকে মণিপুরের সমস্ত নাগা (Nagas-kukis) অধ্যুষিত এলাকায় ২৪ ঘণ্টার পূর্ণাঙ্গ বনধের ডাক দিয়েছে। এর ফলে পার্বত্য অঞ্চলের বাজারঘাট, দোকানপাট এবং যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ স্তব্ধ হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে ইউএনসি জানিয়েছে, সরকারের কাছে তাঁদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা নিহতদের দেহ গ্রহণ করবে না। ন্যায়বিচারের দাবিতে তাদের এই প্রতিবাদী অবস্থান মণিপুরের প্রশাসনকে চরম অস্বস্তিতে ফেলেছে। উল্লেখ্য, গত ৯ জুন সেনাপতি জেলার নাগরিক সমাজের (CSO) মধ্যস্থতায় আইনি প্রক্রিয়া মেনে ১৪ জন কুকি (Nagas-kukis) নাগরিককে নিরাপদে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল এবং তাঁদের গ্রামপ্রধানের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এই শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়ার পরেই নাগা (Manipur) নাগরিকদের এই মর্মান্তিক পরিণতি রাজ্যকে পুনরায় এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিয়েছে। তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা জাতিগত সংঘাতের ক্ষত কাটিয়ে ওঠার চেষ্টার মাঝেই এই ঘটনা মণিপুরে নতুন করে বড়সড় অশান্তির আশঙ্কা তৈরি করেছে।

  • Modi Govt: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নেহরুকে ছাপিয়ে গেলেন মোদি, জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসন নেওয়ার পথে ভারত

    Modi Govt: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নেহরুকে ছাপিয়ে গেলেন মোদি, জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসন নেওয়ার পথে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা এক যুগ ধরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে জওহরলাল নেহরুর রেকর্ড ভাঙলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi Govt)। এই মাইলফলক শুধু রাজনৈতিক ইতিহাসের অংশ নয়, বরং গত ১২ বছরে ভারতের (India) অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিবর্তনের মূল্যায়নেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ।

    আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের গুরুত্ব (Modi Govt)

    গত এক দশকে ভারতের অর্থনীতি প্রায় ২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে ৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৭.৭ শতাংশ এবং বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার প্রায় ৬৮৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের গুরুত্বও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকৃত পরিবর্তন শুধু অর্থনীতির আকারে নয়, বরং দেশের প্রশাসনিক কাঠামো এবং ডিজিটাল পরিকাঠামোর আমূল পরিবর্তনে।

    মোদি সরকারের অন্যতম বড় সাফল্য

    মোদি সরকারের অন্যতম বড় সাফল্য হল ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার গড়ে তোলা। আধার, জনধন অ্যাকাউন্ট, ইউপিআই, জিএসটি এবং ডিবিটি (সরাসরি ভর্তুকি স্থানান্তর)-কে একত্রিত করে বিশ্বের বৃহত্তম ডিজিটাল প্রশাসনিক ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে জনধন অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ৫৮ কোটিরও বেশি, আয়ুষ্মান ভারত স্বাস্থ্য কার্ড ইস্যু হয়েছে প্রায় ৪৪ কোটি। ডিজিটাল মাধ্যমে সরাসরি ভর্তুকি পৌঁছে যাওয়ায় সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতি ও অপচয় অনেকটাই কমেছে। বিশেষ করে ইউপিআই (UPI) ভারতের অর্থনীতিতে বিরাট পরিবর্তন এনেছে। ২০২৬ সালের মে মাসে ইউপিআইয়ের মাধ্যমে ২৩.২ বিলিয়ন লেনদেন হয়েছে, যার মোট মূল্য প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকা। ছোট দোকান থেকে বড় ব্যবসা—সব ক্ষেত্রেই ডিজিটাল পেমেন্ট এখন দৈনন্দিন বাস্তবতা (India)। বিশ্বের একাধিক দেশও এখন ভারতের এই ডিজিটাল পেমেন্ট পরিকাঠামো গ্রহণ করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ভারতের প্রযুক্তিগত সক্ষমতার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি (Modi Govt)।

    পরিকাঠামো নির্মাণে ব্যাপক সরকারি বিনিয়োগ

    মোদি সরকারের আর একটি বড় নীতি হল পরিকাঠামো নির্মাণে ব্যাপক সরকারি বিনিয়োগ। ২০১৫ সালে যেখানে মূলধনী ব্যয় ছিল প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা, সেখানে ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে তা বেড়ে পৌঁছেছে ১২.২ লাখ কোটি টাকায়। জাতীয় সড়ক, রেলপথ, বন্দর, বিমানবন্দর এবং মালবাহী করিডর নির্মাণে গত এক দশকে নজিরবিহীন বিনিয়োগ হয়েছে। বর্তমানে ব্রডগেজ রেলপথের ৯৯ শতাংশেরও বেশি অংশে বিদ্যুতায়িত হয়েছে। দেশে চালু রয়েছে ১৬৪টি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস পরিষেবা। সরকারের আশা, এই পরিকাঠামো উন্নয়ন ভবিষ্যতে শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির ভিত্তি তৈরি করবে। তবে উৎপাদন খাতে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য এখনও অধরা। ২০১৪ সালে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কর্মসূচির লক্ষ্য ছিল উৎপাদন শিল্পের অংশীদারিত্ব জিডিপির ২৫ শতাংশে উন্নীত করা। কিন্তু ১২ বছর পরেও তা ১৩ থেকে ১৭ শতাংশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে (Modi Govt)।

    ইলেকট্রনিক্স-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য

    চিন, ভিয়েতনাম কিংবা মালয়েশিয়ার তুলনায় ভারতের উৎপাদন খাত এখনও অনেক পিছিয়ে। যদিও প্রোডাকশন লিঙ্কড ইনসেনটিভ (PLI) প্রকল্পের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক্স-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য এসেছে, তবুও সামগ্রিক শিল্পায়নের গতি প্রত্যাশিত নয় (India)। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ২০৩৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় উৎপাদন মিশনের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও কর্মসংস্থানের প্রশ্নে উদ্বেগ রয়ে গিয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ বেকারত্বের হার ৩.১ শতাংশ হলেও, ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সী যুবকদের মধ্যে সাপ্তাহিক ভিত্তিক বেকারত্বের হার প্রায় ১৪.৩ শতাংশ।

    উৎপাদন শিল্পে কর্মসংস্থান

    প্রতি বছর শ্রমবাজারে নতুন কয়েক মিলিয়ন মানুষ যুক্ত হলেও, সেই তুলনায় পর্যাপ্ত মানসম্পন্ন এবং স্থায়ী চাকরি তৈরি হয়নি। উৎপাদন শিল্পে কর্মসংস্থানের ঘাটতি অর্থনীতির অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (Modi Govt)।অর্থনীতিবিদদের মতে, গত ১২ বছরে ভারতের ডিজিটাল পরিকাঠামো, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, ব্যাঙ্কিং সংস্কার এবং পরিকাঠামো উন্নয়নে বড় পরিবর্তন এসেছে। অবশ্য মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, উৎপাদন খাতের সম্প্রসারণ এবং বৃহৎ পরিসরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এখনও দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অসম্পূর্ণ লক্ষ্য (India)। আগামী দশকে যদি উৎপাদন ও কর্মসংস্থানে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সম্ভব হয়, তাহলে মোদি যুগকে ভারতের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক শক্তি হয়ে ওঠার ভিত্তি হিসেবেই দেখা হবে। অন্যথায় সম্ভাবনা ও বাস্তবতার ব্যবধানই ভারতের অর্থনীতির প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে থাকবে (Modi Govt)।

     

  • Jairam Ramesh: “সম্পূর্ণ ভুল ও ভিত্তিহীন”, কংগ্রেস-তৃণমূলের সংযুক্তিকরণের খবর উড়িয়ে দিলেন জয়রাম রমেশ

    Jairam Ramesh: “সম্পূর্ণ ভুল ও ভিত্তিহীন”, কংগ্রেস-তৃণমূলের সংযুক্তিকরণের খবর উড়িয়ে দিলেন জয়রাম রমেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস সংসদীয় দলের (সিপিপি) চেয়ারম্যান সোনিয়া গান্ধী এবং তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক বৈঠক নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র গুঞ্জন শুরু হয়েছিল। কোনও কোনও সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়, দুই দলের (TMC-Congress) সংযুক্তিকরণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে সেই জল্পনা সম্পূর্ণ খারিজ করে দিয়েছেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ (Jairam Ramesh)। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই ধরনের খবর “সম্পূর্ণ ভুল ও অসত্য”।

    সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন সম্পূর্ণ ভুল (Jairam Ramesh)

    জয়রাম রমেশ (Jairam Ramesh) বলেন, সোনিয়া গান্ধী এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যের বৈঠকটি ছিল অত্যন্ত “আন্তরিক ও সৌজন্যমূলক”। দুই নেত্রীর দীর্ঘদিনের সুসম্পর্কের কারণে সেখানে মূলত ব্যক্তিগত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) একটি পোস্টে জয়রাম রমেশ লিখেছেন, “সোনিয়া গান্ধী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (TMC-Congress) বৈঠকে কী ঘটেছে তা নিয়ে কিছু সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন সম্পূর্ণ ভুল। বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিক ছিল এবং তাঁদের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পরিপ্রেক্ষিতে অনেক ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে।” নয়াদিল্লিতে সোনিয়া-মমতার এই বৈঠকের পর সংবাদমাধ্যমের একাংশে কংগ্রেস ও তৃণমূলের রাজনৈতিক সংযুক্তিকরণের সম্ভাবনা নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়। যার পরিপ্রেক্ষিতেই কংগ্রেসের এই বর্ষীয়ান নেতার কাছ থেকে এই স্পষ্টীকরণ এলো।

    অভ্যন্তরীণ কোন্দল তীব্র

    অন্যদিকে, ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ কোন্দল তীব্র রূপ নিয়েছে। দফায় দফায় ইস্তফা এবং বিদ্রোহী নেতাদের মন্তব্যের জেরে দলের অভ্যন্তরীণ সংহতি নিয়ে তৈরি হয়েছে গভীর অনিশ্চয়তা। এরই মধ্যে তৃণমূলের বহিষ্কৃত নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেসের (TMC-Congress) সঙ্গে কোনও ধরনের সংযুক্তিকরণের জল্পনা সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, এই মুহূর্তে যা ঘটছে তা সম্পূর্ণই দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তৃণমূল ব্লকের পক্ষে সংবাদসংস্থা এএনআই-কে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বর্তমানে আমাদের সঙ্গে ৬৪ জন বিধায়ক রয়েছেন। এঁরা সবাই এসে বিধানসভার স্পিকারের কাছে চিঠি জমা দেবেন।” তিনি আরও জানান, তাঁদের পক্ষে বিধায়কদের সমর্থন ৫৮ থেকে বেড়ে ৬৪ হয়েছে এবং তাঁরা শীঘ্রই নিজেদের অবস্থান সুসংহত করতে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকারের দ্বারস্থ হবেন। ফলে এই সময়ে জয়রামের মন্তব্য মমতার জন্য কতটা সুবিধা জনক হবে তা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে চলছে আলোচনা।

    কোনও প্রশ্নই ওঠে না

    শুধু তাই নয়, দলের সংযুক্তিকরণের জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, “কংগ্রেসে (TMC-Congress) যোগ দেওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। আমাদের সংসদীয় দলের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সাংসদও কংগ্রেসে মিশে যাচ্ছেন না।” ঋতব্রত জোর দিয়ে বলেন, দলের কোনও অংশ—তা সে সাংসদ, পুরপ্রতিনিধি, জেলা পরিষদ বা পঞ্চায়েত সদস্য হোক না কেন, কেউই কোনও সংযুক্তিকরণের দিকে হাঁটছেন না। তবে এই ঘটনায় তৃণমূল এবং কংগ্রেস দুই দল চরম অস্বস্তিতে পড়েছে। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার ইন্ডিয়া (INDIA) জোটের বৈঠকের পরদিন সোনিয়া গান্ধীর বাসভবনে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকেও ‘এক্স’-এ পোস্ট করে দুই নেত্রীর মধ্যকার আন্তরিকতার কথা জানানো হয়েছিল। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, যেদিন দুই নেত্রীর এই বৈঠক হয়, সেদিনই জালিয়াতি সই মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে কলকাতার কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে পৌঁছায় সিআইডি (CID)-র একটি দল। রাজ্য রাজনীতির আঙ্গিনায় এখন ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

  • Cash Recovered from School: স্কুলে উদ্ধার ১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা ও কন্ডোমের প্যাকেট! রাতভর তল্লাশি, আটক ২

    Cash Recovered from School: স্কুলে উদ্ধার ১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা ও কন্ডোমের প্যাকেট! রাতভর তল্লাশি, আটক ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার নগদ টাকার সন্ধান (Cash Recovered from School) মিলল স্কুল থেকে। উত্তর ২৪ পরগনার কাঁচরাপাড়ার একটি বেসরকারি স্কুল থেকে উদ্ধার হল ১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা। বুধবার গভীর রাতে ইংরেজি মাধ্যমের ওই বেসরকারি স্কুলে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। বৃহস্পতিবার ভোর ৪টে পর্যন্ত চলে তল্লাশি। কিছু দিন আগে কলকাতায় সুরেন্দ্রনাথ কলেজে ছাত্র সংসদের কার্যালয়ের আলমারি থেকে সুটকেস ভর্তি উই-ধরা টাকা উদ্ধার হয়েছিল। মিলেছিল অস্ত্র এবং গর্ভনিরোধকের প্যাকেটও। এ বার কাঁচরাপাড়ার (Kanchrapara) স্কুলেও মিলল নগদ টাকা এবং কন্ডোমের প্যাকেট।

    টাকা গোনার যন্ত্র এনে তল্লাশি

    বুধবার গভীর রাতে বীজপুর থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কাঁচরাপাড়ার ফোরম্যান কলোনি এলাকার হারনেট বিদ্যালয়ে তল্লাশি অভিযান চালায়। রাতভর খোঁজাখুঁজির পর বিদ্যালয়ের দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা একটি ঘর থেকে উদ্ধার হয় ১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া অর্থের পরিমাণ এত বেশি ছিল যে তা গোনার জন্য তিনটি টাকা গোনার যন্ত্র নিয়ে আসতে হয়। ভোর পর্যন্ত চলে গণনার কাজ। কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তার মধ্যে টাকা গণনা শেষে নগদ অর্থ বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। তল্লাশির সময় বিদ্যালয়ের সিক রুমের একটি আলমারি থেকে গর্ভনিরোধকের প্যাকেটও উদ্ধার হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে।

    কীভাবে মিলল টাকার হদিশ

    রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে বীজপুরের নতুন বিধায়ক সুদীপ্ত দাস তাঁর বিধানসভা এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির ‘ডেটা ব্যাঙ্ক’ তৈরির কাজ শুরু করেছেন। সেই কাজের সূত্র ধরেই এই স্কুলের বিষয়ে খবর পান বিধায়কের প্রতিনিধিরা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাতেই স্কুলে পৌঁছে যান বিধায়ক। খবর দেওয়া হয় থানাতেও। কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং স্থানীয় থানার পুলিশও ঘটনাস্থলে পৌঁছোয়। নগদ উদ্ধারের পর রাতেই টাকা গোনার যন্ত্র নিয়ে যাওয়া হয় স্কুলে। পুলিশ সূত্রে খবর, উদ্ধার হওয়া অর্থের উৎস এবং স্কুলে এত বিপুল পরিমাণ নগদ কী ভাবে এল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশ্যে এলে পুরো বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছে প্রশাসন। সূত্রের খবর, এই টাকা উদ্ধারের পর জিজ্ঞাসাবাদের সময়ে কথাবার্তায় অসঙ্গতি মেলায় স্কুলের ক্যাশিয়ার অভীক নাথ, অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট সায়ন ঘোষকে আটক করেছে বীজপুর থানা পুলিশ।

    কালো টাকা লুকনো হত স্কুলে

    টাকা উদ্ধারের ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপি বিধায়ক বলেন, “পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘর থেকে যেমন টাকা পাওয়া গিয়েছিল, সে রকম টাকা। এমন ক্যাশ টাকা স্কুলের মধ্যে আছে মানে… স্কুলে তো বেনিয়মের পর বেনিয়মের অভিযোগ। তার পরে আজকে এই ঘটনা ধরা পড়েছে।” বিধায়ক আরও বলেন, “এই টাকা স্কুলের টাকাও নয়। এটা কমল অধিকারী, সুবোধ অধিকারী, পার্থ ভৌমিকের ব্ল্যাক মানি। এখন যা বোঝা যাচ্ছে, এত টাকা তারা ইডি-সিবিআইয়ের ভয়ে এই স্কুলে লুকোত। স্কুলে এত টাকা কোথা থেকে থাকবে!” বিধায়কের দাবি, এই স্কুলের পরিচালন সমিতির প্রেসিডেন্ট পদে ছিলেন কাঁচরাপাড়া পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান কমল। অন্যদিকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিকাশচন্দ্র পালের দাবি, উদ্ধার হওয়া অর্থ ছাত্রভর্তির ফি বাবদ জমা পড়া টাকা। তাঁর বক্তব্য, কয়েক মাস ধরে সেই অর্থ জমা ছিল এবং তা ব্যাঙ্কে পাঠানোর কথা ছিল। তবে অসুস্থদের বিশ্রামকক্ষে গর্ভনিরোধকের প্যাকেট কীভাবে এল, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন।

     

     

     

     

     

  • Iran-US Conflicts: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন! ইরানে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, পাল্টা বাহরিন-কুয়েতে তেহরানের ড্রোন হানা

    Iran-US Conflicts: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন! ইরানে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, পাল্টা বাহরিন-কুয়েতে তেহরানের ড্রোন হানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিচুক্তি জলে। ইরান ও আমেরিকার (Iran-US Conflicts) মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া যুদ্ধে উত্তাল মধ্যপ্রাচ্য। ফের অশান্ত হরমুজ প্রণালী (Strait Of Hormuz)। বুধবার রাতভর ইরানে গোলাবর্ষণ করেছে আমেরিকা। পালটা জবাব দিয়েছে তেহরানও। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে তারা। ইরানের একটি সংবাদমাধ্যম সূত্রে বাহরিন, কুয়েত ও জর্ডনে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে। ইরানের এই হামলার নিন্দা করেছে বাহারিন সেনা। কুয়েত ও জর্ডনও এই হামলার বিরোধিতা করেছে। অসামরিক নাগরিকদের উপর এই হামলা চালোনো হয়েছে বলে দাবি করেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলি।

    ইরানের একাধিক শহরে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র

    ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন আগেই। সেই মতো বুধবার ইরানে আক্রমণের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি করে মার্কিন সেনা। বুধবার রাতভার সিরিক, মিনাব-সহ ইরানের একাধিক শহরে আছড়ে পড়ে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র। মুহুর্মুহু বিস্ফোরণে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয়রা। সূত্রের খবর, তড়িঘড়ি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করে ইরানি সেনা। যদিও এই হামলায় হতাহতের খবর এখনও জানা যায়নি। ইরানের সংবাদমাধ্যমগুলির তরফে জানানো হয়েছে, কেবল সিরিক এবং মিনাব শহরেই নয়, বন্দর আব্বাস, কাশেম দ্বীপেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে। ইরানের একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন হামলার পালটা জবাব দেয় তেহরান। মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আমেরিকার একাধিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে তারা। ইরানের ইসলামিক রিভ্যালুশিনারী গার্ডের দাবি, বৃহস্পতিবার সকালে প্রত্যাঘাত করে তেহরান। কুয়েত, বাহরিন-সহ একাধিক মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়। এই হামলায় একটি মার্কিন বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা।

    ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, পাল্টা ইরানের

    বুধবারই ট্রাম্প বলেছিলেন, “আমেরিকা গত কাল জোরালা হামলা চালিয়েছে। আজ আবার ওদের (ইরান) উপর হামলা চালাতে চলেছে। ওরা চুক্তির জন্য সমঝোতা করতে অনেক বেশি সময় নিয়ে ফেলেছে। চুক্তি করলে তা ওদের জন্য খুব ভাল হত। কিন্তু এখন ওদের মূল্য চোকাতে হবে।” ট্রাম্পের কথার সূত্র ধরেই মার্কিন প্রতিরক্ষাসচিব পিট হেগসেথ পরে জানান, ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা করছে আমেরিকা। আমেরিকাকে জবাব দিয়েছে ইরানও। সে দেশের পার্লামেন্টের জাতীয় সুরক্ষা সংক্রান্ত কমিটির প্রধান ইব্রাহিম আজিজির হুঁশিয়ারি, “যুদ্ধ নির্দিষ্ট কোনও অঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকবে না।” মনে করা হচ্ছে, এই মন্তব্য করে ইরান ইঙ্গিত দিতে চেয়েছে যে, পশ্চিম এশিয়ার যে দেশগুলিতে মার্কিন ঘাঁটি আছে, সেই সমস্ত দেশে হামলা চালাবে তারা।

    ফের অশান্ত হরমুজ, তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী

    আমেরিকার পাল্টা কৌশলে হরমুজ প্রণালী ধরে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিষিদ্ধ করেছে ইরান। তেহরানের হুঁশিয়ারি, নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে কোনও জাহাজ প্রণালী অতিক্রম করলে উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। আমেরিকার যদিও দাবি, হরমুজে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। মার্কিন সেনার সেন্ট্রাল কমান্ডের তরফে জানানো হয়, ইরানের ‘ধারাবাহিক আগ্রাসন’ মোকাবিলায় সক্রিয় আমেরিকা। তব, হরমুজ প্রণালীতে দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার কথা জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (IRGC)। আইআরজিসি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী অবৈধভাবে অতিক্রমের চেষ্টা করার সময় দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালীতে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে বলেও ঘোষণা করা হয়েছে। এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করে। উল্লেখ্য, গত সোমবার হরমুজ প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা ঘটে। ইরান সেটি ভূপাতিত করেছে বলে অভিযোগ তুলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযান শুরু করে। এরপর থেকেই দুই দেশের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা চলছে।

    কেন হামলা,জানাল ইরান

    যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের জবাবে বাহরিন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। আল জাজিরা জানিয়েছে, আইআরজিসি এক বিবৃতিতে দাবি করেছে যে বাহরিনের শেখ ইসা বিমানঘাঁটি এবং কুয়েতের আলী আল সালেম ও আহমদ আল-জাবের বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। তবে এসব হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিক কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। ইরান দাবি করেছে, গত এপ্রিলে দুই দেশের মধ্যে যে যুদ্ধবিরতি হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র বারবার তা লঙ্ঘন করেছে। এ প্রেক্ষাপটে নিজেদের প্রতিরক্ষার অংশ হিসেবে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আইআরজিসি।

    রাষ্ট্রপুঞ্জের সভায় ইরানের দাবি

    বাহরিনে অবস্থিত আমেরিকার সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে ইরানি ড্রোন। রাষ্ট্রপুঞ্জের সভায় বিষয়টিকে ‘আত্মরক্ষার অধিকার’ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে ইরান। বুধবার ইরানের বিদেশমন্ত্রকের তরফে রাষ্ট্রপুঞ্জের সভায় বাহরিনে আমেরিকার সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানোটা কতটা জরুরি ছিল, তা বিশদে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে দক্ষিণ ইরানে হামলা চালিয়ে আমেরিকা আন্তর্জাতিক আইন ও রাষ্ট্রপুঞ্জের সনদকে উপেক্ষা করেছে— এমন অভিযোগও এনেছে তেহরান। পাশাপাশি, বিষয়টি আমেরিকার পরিকল্পিত আগ্রাসন ছাড়া কিছু নয়, এমনটাও দাবি করেছে ইরান।

    ইরানি হামলার নিন্দা বাহরিন-কুয়েত-সৌদি-মিশরের 

    বাহরিন, কুয়েত, জর্ডন, আরব-আমিরাত ইরানের হামলার নিন্দা করেছে। জর্ডান, বাহরিন এবং কুয়েতের ওপর ইরানের হামলার ঘটনায় ‘কঠোর ভাষায়’ নিন্দা জানিয়েছে মিশরও। একই সঙ্গে এই তিন দেশের প্রতি ‘পূর্ণ সংহতি’ পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ মধ্যপ্রাচ্যের চলমান এই অস্থিরতায় জর্ডন, বাহরিন এবং কুয়েতের পাশে আছে মিশর। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এসব হামলার ঘটনা ভ্রাতৃপ্রতিম দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতার চরম লঙ্ঘন। এতে বিপজ্জনক ভাবে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাবে যা সমগ্র অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ। বাহরিন দাবি করেছে, অসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে ইরান, যা কখনওই কাম্য নয়। বাহরিন সেনা এর জবাব দিতে প্রস্তুত। সৌদি আরব ইরানের এই হামলাকে আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে উল্লেখ করেছে।

  • Ramakrishna 666: “এ জগতের বন্দোবস্ত দেখে বোধ হয় যে, শয়তানে করেছে, আমি এর চেয়ে ভাল জগৎ সৃষ্টি করতে পারতাম”

    Ramakrishna 666: “এ জগতের বন্দোবস্ত দেখে বোধ হয় যে, শয়তানে করেছে, আমি এর চেয়ে ভাল জগৎ সৃষ্টি করতে পারতাম”

    ৫৩ কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    বুদ্ধদেব কি ঈশ্বরের অস্তিত্ব মানতেন? নরেন্দ্রকে শিক্ষা

    একবিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৬, ২২শে এপ্রিল

    শ্রীরামকৃষ্ণ হীরানন্দ প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে কাশীপুরের বাগানে

    ঠাকুরের উপদেশ—“যো কুছ হ্যায় সো তুঁহি হ্যায়”—নরেন্দ্র ও হীরানন্দের চরিত্র 

    কাশীপুরের বাগান। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) উপরের হলঘরে বসিয়া আছেন। সম্মুখে হীরানন্দ, মাস্টার, আরও দু-একটি ভক্ত, আর হীরানন্দের সঙ্গে দুইজন বন্ধু আসিয়াছেন। হীরানন্দ সিন্ধুদেশনবাসী। কলিকাতার কলেজে পড়াশুনা করিয়া দেশে ফিরিয়া গিয়া সেখানে এতদিন ছিলেন। শ্রীরামকৃষ্ণের অসুখ হইয়াছে শুনিয়া তাঁহাকে দেখিতে আসিয়াছেন। সিন্ধুদেশ কলিকাতা হইতে প্রায় এগার শত ক্রোশ হইবে। হীরানন্দকে দেখিবার জন্য ঠাকুর ব্যস্ত হইয়াছিলেন (Kathamrita)।

    ঠাকুর হীরানন্দের দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করিয়া মাস্টারকে ইঙ্গিত করিলেন, — যেন বলিতেছেন, ছোকরাটি খুব ভাল।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — আলাপ আছে?

    মাস্টার — আজ্ঞে আছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (হীরানন্দ ও মাস্টারের প্রতি) — তোমরা একটু কথা কও, আমি শুনি।

    মাস্টার চুপ করিয়া আছেন দেখিয়া ঠাকুর মাস্টারকে জিজ্ঞাসা করিলেন, “নরেন্দ্র আছে? তাকে ডেকে আন।”

    নরেন্দ্র উপরে আসিলেন ও ঠাকুরের কাছে বসিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—একটু দুজনে কথা কও।

    হীরানন্দ চুপ করিয়া আছেন। অনেক ইতস্তত করিয়া তিনি কথা আরম্ভ করিলেন।

    হীরানন্দ (নরেন্দ্রের প্রতি) — আচ্ছা, ভক্তের দুঃখ কেন?

    হীরানন্দর কথাগুলি যেন মধুর ন্যায় মিষ্ট (Kathamrita)। কথাগুলি যাঁহারা শুনিলেন তাঁহারা বুঝিতে পারিলেন যে, এঁর হৃদয় প্রেমপূর্ণ।

    নরেন্দ্র — The scheme of the universe is devilish! I could have created a beter world! (এ জগতের বন্দোবস্ত দেখে বোধ হয় যে, শয়তানে করেছে, আমি এর চেয়ে ভাল জগৎ সৃষ্টি করতে পারতাম।)

    হীরানন্দ — দুঃখ না থাকলে কি সুখ বোধ হয়?

    নরেন্দ্র — I am giving no scheme of the universe but simply my opinion of the present scheme. (জগৎ কি উপাদানে সৃষ্টি করতে হবে, আমি তা বলছি না। আমি বলছি — যে বন্দোবস্ত সামনে দেখছি, সে বন্দোবস্ত ভাল নয়।)

    “তবে একটা বিশ্বাস করলে সব চুকে যায়। Our only refuge is in pantheism: সবই ঈশ্বর, — এই বিশ্বাস হলেই চুকে যায়! আমিই সব করছি।”

    হীরানন্দ — ও-কথা বলা সোজা।

    নরেন্দ্র (Ramakrishna) নির্বাণষট্‌কম্‌ সুর করিয়া বলিতেছেন:

    ওঁ মনোবুদ্ধ্যহঙ্কারচিত্তানি নাহং ন চ শ্রোত্রজিহ্বে ন চ ঘ্রাণনেত্রে।
    ন চ ব্যোম ভূমির্ন তেজো ন বায়ুশ্চিদানন্দরূপঃ শিবোঽহং শিবোঽহম্‌ ॥ ১
    ন চ প্রাণসংজ্ঞো ন বৈ পঞ্চবায়ুর্ন বা সপ্তধাতুর্ন বা পঞ্চকোষাঃ।
    না বাক্‌পাণিপাদং ন চোপস্থপায়ুশ্চিদানন্দরূপঃ শিবোঽহং শিবোঽহম্ ॥ ২
    ন মে দ্বেষরাগৌ ন মে লাভমোহৌ মদো নৈব মে নৈব মাৎসর্যভাবঃ।
    ন ধর্মো ন চার্থো ন কামো ন মোক্ষশ্চিদানন্দরূপঃ শিবোঽহং শিবোঽহম্‌ ॥ ৩
    ন পুণ্যং ন পাপং ন সৌখ্যং ন দুঃখং ন মন্ত্রো ন তীর্থং ন বেদা ন যজ্ঞাঃ।
    অহং ভোজনং নৈব ভোজ্যং ন ভোক্তা চিদানন্দরূপং শিবোঽহং শিবোঽহম্‌ ॥ ৪
    ন মৃত্যুর্ন শঙ্কা ন মে জাতিভেদঃ পিতা নৈব মে নৈব মাতা ন জন্ম।
    ন বন্ধুর্নমিত্রং গুরুর্নৈব শিষ্যশ্চিদানন্দরূপঃ শিবোঽহং শিবোঽহম্‌ ॥ ৫
    অহং নির্বিকল্পো নিরাকাররূপো বিভুত্বা সর্বত্র সর্বেন্দ্রিয়াণাম্‌।
    ন চাসঙ্গতং নৈব মুক্তির্নমেয়শ্চিদানন্দরূপং শিবোঽহং শিবোঽহম্‌ ॥।।

  • Firhad Hakim: ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের

    Firhad Hakim: ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বিতর্কিত মন্তব্য করার অভিযোগে কলকাতার প্রাক্তন মেয়র তথা রাজ্যের প্রাক্তন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের (Firhad Hakim) বিরুদ্ধে চেতলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ (FIR) দায়ের করা হয়েছে। কলকাতার এক বিজেপি কর্মী এই অভিযোগ দায়ের করে মেয়রের অবিলম্বে গ্রেফতারির দাবি জানিয়েছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলকাতার রাজনৈতিক মহলে নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে।

    ঘটনার বিবরণ ও অভিযোগের ভিত্তি (Firhad Hakim)

    অভিযোগকারী বিজেপি কর্মীর দাবি, একটি ধর্মীয় সমাবেশে বক্তব্য রাখার সময় কলকাতার মেয়র এমন কিছু মন্তব্য করেছিলেন যা কলকাতার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করতে পারত এবং একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ভাবাবেগে আঘাত হেনেছে।

    আইনি পদক্ষেপের দাবি

    অভিযোগকারীর মতে, একজন গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদে আসীন জনপ্রতিনিধির মুখ থেকে এই ধরনের মন্তব্য অত্যন্ত অনভিপ্রেত। তাই ভারতীয় দণ্ডবিধির প্রাসঙ্গিক ধারা অনুযায়ী ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাঁকে অবিলম্বে গ্রেফতার করার দাবি জানানো হয়েছে।

    বিজেপির অবস্থান

    রাজ্য বিজেপির একাংশের পক্ষ থেকে ববির দাওয়াতে ইসলাম মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করা হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, রাজনৈতিক ফায়দা তুলতেই বারংবার এই ধরনের মন্তব্য করা হচ্ছে, যা কলকাতার সামাজিক সম্প্রীতির পরিপন্থী।

    অভিযোগ নেয়নি এই থানা

    যে বিজেপি কর্মী ববির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন তিনি বলেন, “তৎকালীন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর সন্দেশখালিতে তৃণমূলের একটি সভায় মহিলাদের মাল বলে সম্বোধন করেন। এবং প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি করেন ও ব্যঙ্গাত্মক কথা বলেন। সেই ভিডিয়ো আমাদের কাছে রয়েছে। এই থানাতেই ওইদিন অভিযোগ জানাতে এসেছিলাম। কিন্তু, সেইসময় ফিরহাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নেয়নি এই থানাই। আজ তার পরিপ্রেক্ষিতে প্রাক্তন মেয়র ও প্রাক্তন পুরমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলাম। আবার ২০২৪ সালের ৩ জুলাই একটি সরকারি অনুষ্ঠানে ধর্মীয় উস্কানিমূলক কথা বলেছিলেন ফিরহাদ। তখন তিনি পুরমন্ত্রী। সেইসময় এই থানাতে আমরা এসেছিলেন। তখনও অভিযোগ নেয়নি। এদিন অভিযোগ নিয়েছে। ধর্মীয় বিভাজন ও উস্কানিমূলক কথাবার্তার জন্য আমি তাঁর গ্রেফতারির দাবি জানাই।”

    নবান্ন ও তৃণমূল শিবিরের প্রতিক্রিয়া

    এই অভিযোগ এবং চেতলা থানায় এফআইআর (FIR) দায়ের হওয়া প্রসঙ্গে ফিরহাদ হাকিম বা তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে শাসক শিবিরের ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, মেয়রের (Firhad Hakim) বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি বিষয়টিকে রাজনৈতিক মাত্রা দেওয়ার চেষ্টা করছে। পুলিশ সূত্রের খবর, লিখিত অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

  • Weather Update: স্বস্তির বৃষ্টি কলকাতায়, দক্ষিণবঙ্গের ৭ জেলায় কালবৈশাখীর সতর্কতা ও ৫ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস

    Weather Update: স্বস্তির বৃষ্টি কলকাতায়, দক্ষিণবঙ্গের ৭ জেলায় কালবৈশাখীর সতর্কতা ও ৫ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েক দিনের তীব্র ও দমবন্ধ করা গরমের (Weather Update) পর অবশেষে স্বস্তির দেখা মিলল। বুধবার বিকেলে কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোতে আকাশ কালো করে ধেয়ে এল কালবৈশাখী ঝড় ও ঝেঁপে বৃষ্টি। বিকেলেই যেন রাতের অন্ধকার নেমে আসে শহর জুড়ে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গে এই ঝড়-বৃষ্টির (Rain Forecast) দাপট বজায় থাকবে, যার ফলে তাপমাত্রা বেশ কিছুটা কমতে পারে।

    জেলাভিত্তিক ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস (Weather Update)

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের (Weather Update) বুধবারের সতর্কতা অনুসারে ঘণ্টায় ৫০-৬০ কিমি বেগে ঝড় উঠেছে। দক্ষিণবঙ্গের ৭টি জেলায় আজ কালবৈশাখীর তীব্র সতর্কতা রয়েছে। জেলাগুলো হলো – কলকাতা, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদীয়া, উত্তর ২৪ পরগনা এবং হুগলি।

    বৃহস্পতিবারের সতর্কতা

    আগামীকাল বৃহস্পতিবার ঝড়-বৃষ্টির (Weather Update) দাপট বাড়বে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে। বিশেষ করে দুই বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর এবং হুগলিতে ঝোড়ো হাওয়ার সাথে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বাঁকুড়া ও বর্ধমানের কিছু এলাকায় ভারী বৃষ্টিও (Rain Forecast) হতে পারে।

    রবিবার পর্যন্ত পূর্বাভাস

    আগামী রবিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলোতেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি (Rain Forecast)  এবং ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

    আবহাওয়ার মূল বার্তা

    আগামী রবিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে দফায় দফায় ঝড়-বৃষ্টি চলবে। বিশেষ করে বাঁকুড়া ও বর্ধমানে ভারী বৃষ্টির (Rain Forecast) সম্ভাবনা থাকায় সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

    উত্তরবঙ্গে ইতিমধ্যে বর্ষা আনুষ্ঠানিক ভাবেই ঢুকে গিয়েছে। ফলে সেখানে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে। ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে জলপাইগু়ড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে। উত্তরের বাকি জেলাগুলিতে বৃষ্টি হতে পারে ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার। আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত টানা ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে উত্তরবঙ্গে। দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার ছাড়াও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি চলবে মালদহ, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরে। অন্য দিকে, দক্ষিণবঙ্গে সাধারণত ১০ থেকে ১৫ জুনের মধ্যে বর্ষা প্রবেশ করে। এ বার কবে দক্ষিণে আনুষ্ঠানিক ভাবে বর্ষা ঢুকবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর গতিবিধির দিকে আবহাওয়া দফতর নজর রেখেছে।

LinkedIn
Share