Tag: bangla news

bangla news

  • West Bengal Elections 2026: প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২ আসনে চলছে ভোটগ্রহণ, কোন জেলায় কোন আসনে আজ ভোট?

    West Bengal Elections 2026: প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২ আসনে চলছে ভোটগ্রহণ, কোন জেলায় কোন আসনে আজ ভোট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রথম পর্বের ভোটগ্রহণ। এই পর্বে ভোট হচ্ছে রাজ্যের ১৬ জেলার ১৫২টি আসনে। প্রথম দফায় ভোটে লড়ছেন মোট ১,৪৭৮ জন প্রার্থী। এদিনের ভোটে তাঁদের ভাগ্য নির্ধারিত হবে (Election Commission India) । এই পর্বে রয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষের মতো প্রার্থীরা। বিজেপি অবশ্য এই পর্বে ব্যাপক আশাবাদী। সরকার গড়া নিয়ে বিজেপি প্রথম থেকেই দৃঢ় প্রত্যয়ী।

    কোন কোন জেলায় ভোট (West Bengal Elections 2026)?

    প্রথম দফায় আজ ভোটগ্রহণ (West Bengal Elections 2026) হচ্ছে ১৫২ আসনে। উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল এবং রাঢ় অঞ্চলের ১৬ জেলার মোট ১৫২ কেন্দ্রে আজ ভোটগ্রহণ। ভোটগ্রহণ হবে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়। প্রথম দফায় গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলির মধ্যে রয়েছে- কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, দার্জিলিং, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা এবং নন্দীগ্রাম। প্রথম দফার মোট প্রার্থী (Election Commission India) ১,৫৮৬ জন।

    কোন জেলায় কোন কোন আসন?

    এই পর্বে কোন কোন জেলার কোন কোন আসনে নির্বাচন হবে আসুন একনজরে দেখে নিই।

    কোচবিহার জেলা

    এই জেলায় মোট বিধানসভায় আসন ৯টি। এখানকার বিধানসভা কেন্দ্রগুলি হল মেখলিগঞ্জ, মাথাভাঙ্গা, কোচবিহার উত্তর, কোচবিহার দক্ষিণ, সিতালকুচি, সিতাই, দিনহাটা, নাটাবাড়ি, তুফানগঞ্জ।

    আলিপুরদুয়ার জেলা

    এই জেলায় মোট বিধান সভার ৫ কেন্দ্র। এই কেন্দ্রগুলি হল কুমারগ্রাম, কালচিনি, আলিপুরদুয়ার্স, ফালাকাটা, মাদারিহাট।

    জলপাইগুড়ি জেলা

    এই জেলায় মোট (West Bengal Elections 2026) আসন ৭ কেন্দ্র। এগুলি হল ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ি, জলপাইগুড়ি, রাজগঞ্জ, দাবগ্রাম-ফুলবাড়ি, মাল, নাগরাকাটা।

    দার্জিলিং জেলা

    এই জেলায় মোট কেন্দ্র ৬ টি। এখানকার কেন্দ্রগুলি হল কালিম্পং, দার্জিলিং, কার্শিয়াং, মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি, শিলিগুড়ি, ফাঁসিদেওয়া।

    উত্তর দিনাজপুর জেলা

    এই জেলায় বিধানসভার কেন্দ্র হল ৯ টি। এগুলি হল চোপড়া, ইসলামপুর, গোলপোখর, চাকুলিয়া, করণদিঘি, হেমতাবাদ, কালিয়াগঞ্জ, রায়গঞ্জ, ইটাহার।

    দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা

    মোট ৬ টি আসন হল এই জেলায়। এগুলি হল কুশমণ্ডি, কুমারগঞ্জ, বালুরঘাট, তপন, গঙ্গারামপুর, হরিরামপুর।

    পূর্ব মেদিনীপুর জেলা

    পূর্ব মেদিনীপুর কেন্দ্রে মোট (West Bengal Elections 2026) আসন ১৬। এগুলি হল নন্দকুমার, মহিষাদল, হলদিয়া, নন্দীগ্রাম, চণ্ডীপুর, পটাশপুর, কাঁথি উত্তর, ভগবানপুর, খেজুরি, কাঁথি দক্ষিণ, রামনগর, এগরা, তমলুক, পাঁশকুড়া পূর্ব, পাঁশকুড়া পশ্চিম, ময়না।

    পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা

    এখানে মোট বিধানসভা ১৯। এখানে ভোট গ্রহণ হবেদাঁতন, নয়াগ্রাম, গোপীবল্লভপুর, ঝাড়গ্রাম, কেশিয়াড়ি, খড়গপুর সদর, নারায়ণগড়, সবং, পিংলা, খড়গপুর, ডেবরা, দাসপুর, ঘাটাল, চন্দ্রকোনা, গড়বেতা, শালবনি, কেশপুর, মেদিনীপুর, বিনপুরে।

    পুরুলিয়া জেলা

    পুরুলিয়াতে মোট আসন ৯। যে যে কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হবে তা হক বান্দোয়ান, বলরামপুর, বাঘমুন্ডি, জয়পুর, পুরুলিয়া, মানবাজার, কাশীপুর, পাড়া, রঘুনাথপুর।

    বাঁকুড়া জেলা

    বাঁকুড়া জেলায় মোট আসন হল ১২। এখানে ভোট গ্রহণ হবে যে কেন্দ্র গুলিতে তা হল-শালতোড়া, ছাতনা, রানিবাঁধ, রাইপুর, তালডাংরা, বাঁকুড়া, বড়জোড়া, ওন্দা, বিষ্ণুপুর, কাটুলপুর, ইন্দাস, সোনামুখী।

    পশ্চিম বর্ধমান জেলা

    এই জেলায় মোট বিধানসভা (West Bengal Elections 2026) কেন্দ্র হল ৯।  পাণ্ডবেশ্বর, দুর্গাপুর পূর্ব, দুর্গাপুর পশ্চিম, রানিগঞ্জ, জামুড়িয়া, আসানসোল দক্ষিণ, আসানসোল উত্তর, কুলটি, বারাবনি।

    বীরভূম জেলা

    বীরভূমে মোট কেন্দ্র ১১ কেন্দ্র। এগুলি হলদুবরাজপুর, সিউড়ি, বোলপুর, নানুর, লাভপুর, সাঁইথিয়া, ময়ূরেশ্বর, রামপুরহাট, হানসান, নলহাটি, মুরারই।

    মালদা জেলা

    মালদা জেলায় মোট ভোট কেন্দ্র হল ১২। যে কেন্দ্রগুলিতে ভোট হবে তা হল- হবিবপুর, গাজোল, চাঁচল, হরিশ্চন্দ্রপুর, মালতীপুর, রতুয়া, মানিকচক, মালদা, ইংলিশ বাজার, মোথাবাড়ি, সুজাপুর, বৈষ্ণবনগর।

    মুর্শিদাবাদ জেলা

    এই জেলায় মোট বিধানসভা হল ২২। এখানে এই দফায় সবথেকে বেশি বাহিনী নিয়োগ করা হয়েছে। কেন্দ্রগুলি হল ফারাক্কা, সামশেরগঞ্জ, সুতি, জঙ্গিপুর, রঘুনাথগঞ্জ, সাগরদিঘি, লালগোলা, ভগবানগোলা, রানিনগর, মুর্শিদাবাদ, নবগ্রাম, খড়গ্রাম, বুরওয়ান, কান্দি, ভরতপুর, রেজিনগর, বেলডাঙা, বহরমপুর, হরিহরপাড়া, নওদা, ডোমকল, জলঙ্গি।

    কোনওরকম হিংসাত্মক কাজে জড়ানো যাবে না

    নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) ঘিরে সকল প্রার্থীদের জন্য কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে কমিশন। কমিশনের নির্দেশ (Election Commission India), সকাল ৬টা থেকে ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিজের বিধানসভা এলাকা থেকে অন্যত্রে যেতে পারবেন না কোনও প্রার্থীই। ভোট চলাকালীন নিজের বিধানসভা এলাকাতেই থাকতে হবে সব প্রার্থীকে। কোনওরকম হিংসাত্মক কাজে জড়ানো যাবে না। নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ হয় এবং গণতান্ত্রিকভাবে নিজেদের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে তাকে নিশ্চিত করতে হবে।

  • Assembly Election 2026: ‘গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হোন, বিপুল সংখ্যায় ভোট দিন’, বাংলার মহিলা ও যুবসমাজকে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    Assembly Election 2026: ‘গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হোন, বিপুল সংখ্যায় ভোট দিন’, বাংলার মহিলা ও যুবসমাজকে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের প্রথম দফার ভোটের (Assembly Election 2026) দিন বাংলার মহিলা ভোটারদের বিপুল সংখ্যায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেটাও আবার বাংলা ভাষায়। একই সঙ্গে ভোট দিতে এগিয়ে আসতে অনুরোধ জানালেন যুবসমাজকেও। আজ, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২ আসনে নির্বাচন। মোদি লিখলেন,‘সমস্ত নাগরিককে পূর্ণ উদ্যমে গণতন্ত্রের এই উৎসবে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানাই। বিশেষ ভাবে তরুণ বন্ধুদের এবং পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের বিপুল সংখ্যায় ভোট দেওয়ার অনুরোধ করছি।’

    ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন

    আজ প্রথম দফার ভোটের (Assembly Election 2026) দিনই রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের প্রচারে কৃষ্ণনগর এবং মথুরাপুরে দু’টি জনসভা করার কথা নরেন্দ্র মোদির। তার পরে হাওড়ায় একটি রোড শো-ও করার কথাও রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। তার আগে ভোর হতেই বাংলার মানুষকে গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হতে আহ্বান জানিয়েছেন। ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী সকলকে উৎসাহিত করেছেন। এ দিন প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে সকাল ৭টায়। অতিরিক্ত গরমে বেলা বাড়ার আগেই ভোটের লাইনে দাঁড়িয়েছেন মানুষ। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট ৪৪ হাজার ৩৭৬টি বুথ খোলা হয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ১,৪৭৮ জন প্রার্থী। এর মধ্যে মহিলা প্রার্থীর সংখ্যা ১৬৭ জন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আয়তনের নিরিখে সবচেয়ে ছোট বিধানসভা কেন্দ্র হলো শিলিগুড়ি (৪১.৯ বর্গ কিলোমিটার)। সবচেয়ে বড় কালিম্পং। ভোটার সংখ্যার নিরিখে সবচেয়ে ছোট কেন্দ্র মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ (১ লক্ষ ৬১ হাজার ভোটার) এবং সবচেয়ে বড় পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর (২ লক্ষ ৯৬ হাজারের বেশি ভোটার)। আজ পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি বিধানসভা ভোট রয়েছে তামিলনাড়ুতেও। দক্ষিণের এই রাজ্যটিতে এক দফাতেই ভোট হচ্ছে। সে রাজ্যের ২৩৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪,০২৩ জন প্রার্থী।

    সুরক্ষিত বাংলা গড়তে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান

    পশ্চিমবঙ্গে ভোট (Assembly Election 2026) শুরু হতেই এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেছেন অমিত শাহও (Amit Shah)। আজ বাংলায় প্রথম দফার ভোটগ্রহণ চলছে। এবারের নির্বাচন রাজ্যের বর্তমানের পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি শক্তিশালী নেতৃত্বের সরকারই বাংলার ডেমোগ্রাফি পরিবর্তনকারী অনুপ্রবেশকারী, সিন্ডিকেট ও কাটমানি রাজ থেকে রাজ্যকে মুক্তি দিতে পারে। বাংলার মা ও বোনেদের জন্য একটি সুরক্ষিত বাংলা গড়তে উৎসাহের সঙ্গে ভোট দিতে আহ্বান অমিত শাহের। সকল ভোটার, বিশেষ করে যুবসমাজ, একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলা গড়ার লক্ষ্যে ভোট দিয়ে, জলপান করতে অনুরোধ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জনসভা থেকে ঘোষণা করেছিলেন আগেই। সত্যি সত্যিই ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গেই থাকছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রথম দফার ভোটে দলের ওয়ার রুমে থাকবেন তিনি। সল্টলেকে বিজেপির দফতরে বসেই নজর রাখবেন ভোটে।

  • West Bengal Elections 2026: ৩.৬ কোটি ভোটারের রায় আজ! শুরু প্রথম দফার ভোটগ্রহণ, ১৫২ আসনে ভাগ্য পরীক্ষা ১,৪৭৮ প্রার্থীর

    West Bengal Elections 2026: ৩.৬ কোটি ভোটারের রায় আজ! শুরু প্রথম দফার ভোটগ্রহণ, ১৫২ আসনে ভাগ্য পরীক্ষা ১,৪৭৮ প্রার্থীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার, পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। সকাল ৭টা থেকে রাজ্যের বিভিন্ন বুথে ভোট নেওয়া হচ্ছে, যা চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। এই দফায় ১৬টি জেলার মোট ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ চলছে। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, দার্জিলিং, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম ও পূর্ব মেদিনীপুর—এই জেলাগুলির ভোটাররা আজ তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করছেন।

    ৩ কোটি ৬০ লক্ষ ৭৭ হাজার ৩১০ ভোটার…

    নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া শেষে এই দফায় মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৬০ লক্ষ ৭৭ হাজার ১৭১। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ কোটি ৮৪ লক্ষের বেশি, মহিলা ভোটার প্রায় ১ কোটি ৭৫ লক্ষ, এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৪৬৫ জন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী ট্রাইবুনালে অনুমোদিত আরও ১৩৯ জন ভোটার যুক্ত হওয়ায় মোট ভোটারের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩ কোটি ৬০ লক্ষ ৭৭ হাজার ৩১০।

    ১,৪৭৮ প্রার্থীর ভাগ্যপরীক্ষা…

    এই দফায় ৫৫টি রাজনৈতিক দলের মোট ১,৪৭৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের মধ্যে ১,৩১১ জন পুরুষ এবং ১৬৭ জন মহিলা। কোচবিহার দক্ষিণ, ইটাহার ও করণদিঘি কেন্দ্রে সর্বাধিক ১৫ জন করে প্রার্থী লড়ছেন, অন্যদিকে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা কেন্দ্রে প্রার্থী সংখ্যা সবচেয়ে কম—মাত্র ৫ জন। সংরক্ষণের দিক থেকে ৩৪টি আসন তফসিলি জাতি এবং ১৫টি আসন তফসিলি উপজাতির জন্য নির্দিষ্ট। আয়তনে সবচেয়ে ছোট কেন্দ্র শিলিগুড়ি এবং সবচেয়ে বড় কালিম্পং। ভোটারের সংখ্যার বিচারে পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরে প্রায় ২.৯৬ লক্ষ ভোটার থাকায় এটি সবচেয়ে বড়, আর মুর্শিদাবাদের শমসেরগঞ্জে প্রায় ১.৬১ লক্ষ ভোটার থাকায় সেটি সবচেয়ে ছোট।

    ৪৪,৩৭৬টি বুথ, ৫ লক্ষাধিক ভোটকর্মী…

    ভোটগ্রহণ পরিচালনার জন্য প্রায় ৫ লক্ষ কর্মী নিয়োজিত রয়েছেন। মোট ৪৪,৩৭৬টি বুথে ভোট হচ্ছে, যার মধ্যে ৪১,৪১৮টি মূল বুথ এবং ২,৯৫৮টি সহায়ক বুথ। মহিলা পরিচালিত বুথের সংখ্যা ৫,৬৪৪টি, পাশাপাশি প্রতিবন্ধীদের দ্বারা পরিচালিত ২টি বুথও রয়েছে। ২০৭টি মডেল পোলিং স্টেশন তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি বুথে ওয়েবকাস্টিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে এবং প্রায় ৬৪ হাজার ভিভিপ্যাট ও ৬০ হাজার ব্যালট ও কন্ট্রোল ইউনিট ব্যবহার করা হচ্ছে। গড়ে প্রতিটি বুথে প্রায় ৮১৩ জন ভোটার রয়েছে। ভোর সাড়ে ৫টা থেকে মক পোল শুরু হয়ে সকাল ৭টা থেকে মূল ভোটগ্রহণ চলছে।

    ২,৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে। মোট ২,৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাহিনী রয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মিলিয়ে প্রায় ৫ লক্ষ কর্মী দায়িত্বে রয়েছেন। প্রায় ৯ থেকে ১০ হাজার বুথকে স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, শান্তিপূর্ণ ও অবাধ ভোট নিশ্চিত করতেই এই কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই ১৫২টি আসনের মধ্যে ৯২টি জিতেছিল তৃণমূল কংগ্রেস এবং ৫৯টি বিজেপি। ফলে এবারের প্রথম দফার ফলাফল রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

  • Daily Horoscope 23 April 2026: আর্থিক স্থিতি ভালো থাকবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 23 April 2026: আর্থিক স্থিতি ভালো থাকবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ (Aries)
    ১. নতুন কাজ শুরু করার ভালো সুযোগ আসতে পারে
    ২. কর্মক্ষেত্রে প্রশংসা পাবেন
    ৩. পরিবারে আনন্দময় পরিবেশ থাকবে

    বৃষ (Taurus)
    ১. অর্থনৈতিক দিক উন্নতির সম্ভাবনা
    ২. পুরনো সমস্যার সমাধান হতে পারে
    ৩. স্বাস্থ্যের দিকে একটু নজর দিন

    মিথুন (Gemini)
    ১. যোগাযোগ বাড়বে, নতুন পরিচয় হবে
    ২. কাজে সাফল্য আসবে ধীরে ধীরে
    ৩. ভ্রমণের যোগ রয়েছে

    কর্কট (Cancer)
    ১. মানসিক চাপ কিছুটা বাড়তে পারে
    ২. পারিবারিক বিষয়ে সতর্ক থাকুন
    ৩. অর্থ ব্যয়ে সংযম প্রয়োজন

    সিংহ (Leo)
    ১. আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে
    ২. নতুন দায়িত্ব পেতে পারেন
    ৩. বন্ধুর সাহায্য লাভ করবেন

    কন্যা (Virgo)
    ১. কাজের চাপ বাড়তে পারে
    ২. পরিকল্পনা করে কাজ করলে লাভ হবে
    ৩. স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখুন

    তুলা (Libra)
    ১. দাম্পত্য জীবনে সুখ বজায় থাকবে
    ২. অর্থ লাভের সম্ভাবনা রয়েছে
    ৩. নতুন সুযোগ আসতে পারে

    বৃশ্চিক (Scorpio)
    ১. গোপন শত্রুর থেকে সাবধান থাকুন
    ২. কর্মক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ আসতে পারে
    ৩. ধৈর্য ধরলে সাফল্য পাবেন

    ধনু (Sagittarius)
    ১. ভ্রমণের সুযোগ পেতে পারেন
    ২. শিক্ষাক্ষেত্রে সাফল্য আসবে
    ৩. নতুন পরিকল্পনা সফল হবে

    মকর (Capricorn)
    ১. আর্থিক স্থিতি ভালো থাকবে
    ২. পরিবারে দায়িত্ব বাড়তে পারে
    ৩. কর্মক্ষেত্রে উন্নতির যোগ

    কুম্ভ (Aquarius)
    ১. নতুন ধারণা কাজে লাগাতে পারবেন
    ২. বন্ধুদের সঙ্গে সময় ভালো কাটবে
    ৩. অর্থনৈতিক দিক স্থিতিশীল থাকবে

    মীন (Pisces)
    ১. সৃজনশীল কাজে সাফল্য পাবেন
    ২. প্রেমের ক্ষেত্রে শুভ সময়
    ৩. মানসিক শান্তি বজায় থাকবে

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 629: “লজ্জা ত্যাগ কর, ঈশ্বরের নাম করবে, তাতে আবার লজ্জা কি? লজ্জা, ঘৃণা, ভয়—তিন থাকতে নয়”

    Ramakrishna 629: “লজ্জা ত্যাগ কর, ঈশ্বরের নাম করবে, তাতে আবার লজ্জা কি? লজ্জা, ঘৃণা, ভয়—তিন থাকতে নয়”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    সপ্তবিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৭শে অক্টোবর

    জ্ঞান ও বিজ্ঞান বিচারে — ব্রহ্মদর্শন

    ইতিমধ্যে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) বাহ্যসংজ্ঞালাভ করিয়াছেন। গান সমাপ্ত হইল। তখন পণ্ডিত ও মূর্খের—বালক ও বৃদ্ধের—পুরুষ ও স্ত্রীর—আপামর সাধারণের — সেই মনোমুগ্ধকরী কথা হইতে লাগিল। সভাসুদ্ধ লোক নিস্তব্ধ। সকলেই সেই মুখপানে চাহিয়া রহিয়াছেন। এখন সেই কঠিন পীড়া কোথায়? মুখ এখনও যেন প্রফুল্ল অরবিন্দ, — যেন ঐশ্বরিক জ্যোতিঃ বহির্গত হইতেছে। তখন তিনি ডাক্তারকে সম্বোধন করিয়া বলিতেছেন, “লজ্জা ত্যাগ কর, ঈশ্বরের নাম করবে, তাতে আবার লজ্জা কি? লজ্জা, ঘৃণা, ভয় — তিন থাকতে নয়। ‘আমি এত বড় লোক, আমি ‘হরি হরি’ বলে নাচব (Kathamrita)? বড় বড় লোক এ-কথা শুনলে আমায় কি বলবে? যদি বলে, ওহে ডাক্তারটা ‘হরি হরি’ বলে নেচেছে। লজ্জার কথা!’ এ-সব ভাব ত্যাগ কর।”

    ডাক্তার — আমার ওদিক দিয়েই যাওয়া নাই; লোকে কি বলবে, আমি তার তোয়াক্কা রাখি না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— তোমার উটি খুব আছে। (সকলের হাস্য)

    “দেখ, জ্ঞান-অজ্ঞানের পার হও, তবে তাঁকে জানতে পারা যায়। নানা জ্ঞানের নাম অজ্ঞান। পাণ্ডিত্যের অহংকারও অজ্ঞান। এক ঈশ্বর সর্বভূতে আছেন, এই নিশ্চয় বুদ্ধির নাম জ্ঞান। তাঁকে বিশেষরূপে জানার নাম বিজ্ঞান। যেমন পায়ে কাঁটা বিঁধেছে, সে কাঁটাটা তোলবার জন্য আর-একটি কাঁটার প্রয়োজন। কাঁটাটা তোলবার পর দুটি কাঁটাই ফেলে দেয়। প্রথমে অজ্ঞান কাঁটা দূর করবার জন্য জ্ঞান কাঁটাটি আনতে হয়। তারপর জ্ঞান-অজ্ঞান দুইটিই ফেলে দিতে হয়। তিনি যে জ্ঞান-অজ্ঞানের পার। লক্ষ্মণ বলেছিলেন, ‘রাম! এ কি আশ্চর্য! এত বড় জ্ঞানী স্বয়ং বশিষ্ঠদেব পুত্রশোকে অধীর হয়ে কেঁদেছিলেন।’ রাম বললেন, ‘ভাই, যার জ্ঞান আছে, তার অজ্ঞানও আছে, যার এক জ্ঞান আছে, তার অনেক জ্ঞানও আছে। যার আলোবোধ আছে, তার অন্ধকারবোধও আছে। ব্রহ্ম—জ্ঞান-অজ্ঞানের পার, পাপ-পুণ্যের পার, ধর্মাধর্মের পার, শুচি-অশুচির পার।”

    এই বলিয়া শ্রীরামকৃষ্ণ রামপ্রসাদের গান আবৃত্তি করিয়া বলিতেছেন —

    আয় মন বেড়াতে যাবি।
    কালীকল্পতরুমূলে রে চারিফল কুড়ায়ে পাবি ॥

    অবাঙ্‌মনসোগোচরম্‌ — ব্রহ্মের স্বরূপ বুঝান যায় না

    শ্যাম বসু — দুই কাঁটা ফেলে দেওয়ার পর কি থাকবে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ — নিত্যশুদ্ধবোধরূপম্‌। তা তোমায় কেমন করে বুঝাব? যদি কেউ জিজ্ঞাসা করে, ‘ঘি কেমন খেলে?’ তাকে এখন কি করে বুঝাবে? হদ্দ বলতে পার, ‘কেমন ঘি না যেমন ঘি।’ একটি মেয়েকে তার সঙ্গী জিজ্ঞাসা করেছিল, ‘তোর স্বামী এসেছে, আচ্ছা ভাই, স্বামী এলে কিরূপ আনন্দ হয়?’ মেয়েটি বললে (Kathamrita), ‘ভাই, তোর স্বামী হলে তুই জানবি; এখন তোরে কেমন করে বুঝাব।’ পুরাণে আছে ভগবতী যখন হিমালয়ের ঘরে জন্মালেন, তখন তাঁকে নানারূপে দর্শন দিলেন। গিরিরাজ সব রূপ দর্শন করে শেষে ভগবতীকে বললেন, মা, বেদে যে ব্রহ্মের কথা আছে, এইবার আমার যেন ব্রহ্মদর্শন হয়। তখন ভগবতী বললেন, বাবা, ব্রহ্মদর্শন যদি করতে চাও, তবে সাধুসঙ্গ কর।

    “ব্রহ্ম কি জিনিস (Ramakrishna)— মুখে বলা যায় না। একজন বলেছিল — সব উচ্ছিষ্ট হয়েছে, কেবল ব্রহ্ম উচ্ছিষ্ট হন নাই। এর মানে এই যে, বেদ, পুরাণ, তন্ত্র, আর সব শাস্ত্র, মুখে উচ্চারণ হওয়াতে উচ্ছিষ্ট হয়েছে বলা যেতে পারে; কিন্তু ব্রহ্ম কি বস্তু, কেউ এ-পর্যন্ত মুখে বলতে পারে নাই। তাই ব্রহ্ম এ পর্যন্ত উচ্ছিষ্ট হন নাই! আর সচ্চিদানন্দের সঙ্গে ক্রীড়া, রমণ — যে কি আনন্দের তা মুখে বলা যায় না। যার হয়েছে সে জানে।”

  • Supreme Courts: সুপ্রিম কোর্টে ভর্ৎসিত পশ্চিমবঙ্গের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কারণ কী জানেন?

    Supreme Courts: সুপ্রিম কোর্টে ভর্ৎসিত পশ্চিমবঙ্গের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কারণ কী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে ভর্ৎসিত হলেন পশ্চিমবঙ্গের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বুধবার, ২২শে এপ্রিল, সুপ্রিম কোর্ট ভর্ৎসনা করে। চলতি বছরের শুরুতে কলকাতার একটি রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থায় ইডি (Supreme Courts) পরিচালিত তল্লাশি অভিযানে হস্তক্ষেপ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তার জেরে ভর্ৎসিত হন তিনি। বিচারপতি পিকে মিশ্র এবং এনভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চ জানায়, একজন মুখ্যমন্ত্রীর এই ধরনের আচরণ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। আদালত স্পষ্ট করে দেয়, এটি কেন্দ্র বনাম রাজ্যের বিরোধ নয়, বরং একজন সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তির কাজ। বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, “এটি রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে কোনও বিরোধ নয়। কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তদন্তের মাঝখানে ঢুকে পড়তে পারেন না। এতে গণতন্ত্র বিপন্ন হয়…।” বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, “এই ধরনের আচরণ গোটা গণতন্ত্রকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে।”

    বিচারপতিদের বক্তব্য (Supreme Courts)

    বিচারপতিরা আরও বলেন, “বিআর আম্বেদকর এবং এইচএম সীরভাইয়ের মতো সাংবিধানিক চিন্তাবিদরাও এমন পরিস্থিতি কল্পনা করতে পারেননি।” শুনানির সময় বেঞ্চের মন্তব্য, “আপনি আমাদের সীরভাই, আম্বেদকর সম্পর্কে বলছেন, কিন্তু তাঁদের কেউই ভাবতে পারেননি যে একদিন কোনও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একটি অফিসে ঢুকে পড়বেন…।” আদালত সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে ইডির দায়ের করা আবেদনে এই হস্তক্ষেপের অভিযোগে সিবিআই তদন্তের দাবি করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের এক পুলিশ কর্তার পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী মেনেকা গুরুস্বামীর যুক্তি, আবেদনটি গ্রহণযোগ্য নয় (Mamata Banerjee)।

    সাধারণ ঘটনা নয়

    তিনি বলেন, “আমি গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বলছি… এখানে কোনও অপরাধমূলক কাজ বা ভয় দেখানো হয়নি। তাই এত গুরুতর হস্তক্ষেপের কোনও প্রয়োজন নেই। যদিও আদালত এই যুক্তির সঙ্গে একমত হয়নি। তাদের বক্তব্য, প্রতিটি আইনি প্রশ্ন বড় বেঞ্চে পাঠানোর প্রয়োজন হয় না। প্রতিটি প্রশ্নেই কিছু আইনি দিক থাকবে। তাই বলে প্রতিটি ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদের আবেদন ৫ বিচারপতির বেঞ্চে যাবে না (Supreme Courts)।” বেঞ্চ পশ্চিমবঙ্গের বাস্তব পরিস্থিতির দিকেও ইঙ্গিত করে এবং বলে এটি কোনও সাধারণ ঘটনা নয়। তারা সাম্প্রতিক ঘটনাগুলির উল্লেখ করে, যেখানে আধিকারিকদের বাধা দেওয়া হয়েছে, এবং জানায় যে, আদালত এসব উপেক্ষা করতে পারে না। আদালত বলে, “আমরা বাস্তবতা থেকে চোখ বন্ধ করতে পারি না… এটি রাম ও শ্যামের মধ্যে মামলা নয়। এটি এক অসাধারণ পরিস্থিতি, যেখানে বিষয়ের পরিধি সম্পূর্ণ আলাদা।”

    তল্লাশিতে বাধা

    এই মন্তব্যগুলি এসেছে প্রবীণ আইনজীবী সিদ্ধার্থ লুথরার যুক্তির প্রতিক্রিয়ায়, যেখানে তিনি বলেন, ইডি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যেতে পারত। এদিকে, ৮ই জানুয়ারি, ২০২৬-এ ইডি আই-প্যাকের অফিস এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা প্রতীক জৈনের বাসভবনে তল্লাশি চালায়। এই অভিযানটি ২০২০ সালের কয়লা পাচার কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত অর্থ পাচারের তদন্তের অংশ ছিল, যেখানে ব্যবসায়ী অনুপ মাজির নাম জড়িত (Mamata Banerjee)। তল্লাশির সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, টিএমসি নেতৃবৃন্দ এবং রাজ্য পুলিশ-সহ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযানে বাধা দেন। তাঁরা আধিকারিকদের সঙ্গে তর্ক করেন এবং নথি ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেমন একটি ল্যাপটপ এবং একটি আইফোন সরিয়ে নেন। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তিনি দলীয় তথ্য বিজেপির হাতে যাওয়া থেকে রক্ষা করার জন্য এই কাজ করেছিলেন (Supreme Courts)।

     

  • ED: বিধানসভা নির্বাচনের মধ্যেই আরও দুই তৃণমূল প্রার্থীকে তলব ইডির, কোন মামলায়?

    ED: বিধানসভা নির্বাচনের মধ্যেই আরও দুই তৃণমূল প্রার্থীকে তলব ইডির, কোন মামলায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের মধ্যেই ফের দুই তৃণমূল প্রার্থীকে তলব করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (ED)। রাজ্যের দুই বিদায়ী মন্ত্রী তথা তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসু (Sujit Bose) এবং রথীন ঘোষকে চলতি সপ্তাহেই হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২৪ এপ্রিল শুক্রবার তাঁদের তলব করা হয়েছে বলে খবর। ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। সেদিনই ভাগ্য নির্ধারণ হবে সুজিত এবং রথীনের।

    নির্বাচনের আবহে দুই তৃণমূল প্রার্থীকে তলব ইডির (ED)

    বিধাননগর কেন্দ্র থেকে লড়ছেন সুজিত, আর মধ্যমগ্রাম কেন্দ্র থেকে লড়ছেন রথীন। এই প্রথম নয়, আগেও একাধিকবার ইডি তলব করেছিল তাঁদের। সেই মতো ইডি দফতরে গিয়ে হাজিরাও দিয়েছিলেন তাঁরা। পরে ইডির তলব পেয়ে যাবতীয় নথিপত্র নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতরে গিয়েছিলেন সুজিতের ছেলে। বৃহস্পতিবার ২৩ তারিখে হবে প্রথম দফার নির্বাচন। এই আবহে তৃণমূলের আরও এক প্রার্থী দেবাশিস কুমারকেও একাধিকবার তলব করেছে ইডি। তাঁর বাড়িতে আয়কর দফতরে হানা দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

    মমতার প্রতিক্রিয়া 

    লাগাতার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তলব পেয়েছেন দলের একের পর এক নেতা। তার প্রেক্ষিতে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, নির্বাচনের সময় ইডি-সহ কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে হাতিয়ার করে বিরোধীদের প্রচারে বাধা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, বারবার তলবের মাধ্যমে প্রার্থীদের ব্যস্ত রাখার কৌশল নেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে ভোটের মুখে ইডির এই পদক্ষেপ নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়ে দিল বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (Sujit Bose)।

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বেআইনি জমি দখলের মামলায় তদন্ত শুরু করেছে ইডি (ED)। শহরের একাধিক ব্যবসায়ীর বাড়ি এবং অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়েছে ইডির তরফে। ইডির দাবি, অমিত গঙ্গোপাধ্যায় নামে এক ব্যবসায়ী শহরের একাধিক জমি অবৈধভাবে দখল করতেন। পরে পুরসভা থেকে নথি তৈরি করে বিক্রি করতেন অন্যদের কাছে। সম্প্রতি রাজারহাটে ফ্ল্যাট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রবীণ নাগরিকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল নেত্রী নুসরত জাহানের বিরুদ্ধে (Sujit Bose)। তার জেরে তলব করা হয়েছিল নুসরতকেও (ED)।

     

  • Amit Shah: ‘‘কলকাতাকে বস্তি বানিয়েছেন মমতা! অনুপ্রবেশকারীদের মুক্তাঞ্চল গড়েছে তৃণমূল’’, তোপ অমিত শাহের

    Amit Shah: ‘‘কলকাতাকে বস্তি বানিয়েছেন মমতা! অনুপ্রবেশকারীদের মুক্তাঞ্চল গড়েছে তৃণমূল’’, তোপ অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রচার চলাকালীন কলকাতার বর্তমান অবস্থা নিয়ে রাজ্য সরকারকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। মহানগররের পরিকাঠামোগত অবনতি এবং বস্তি এলাকার সমস্যা তুলে ধরে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনের কড়া সমালোচনা করেন। সেই সঙ্গে দিলেন বিজেপি সরকার হলেই ১ লক্ষ বেকারের চাকরি নিশ্চিত প্রতিশ্রুতি।

    গত ১৫ বছরে তৃণমূলের মা মাটি সরকার নারী সুরক্ষা থেকে শিক্ষক দুর্নীতির একাধিক ইস্যুতে জনগণের চরম বিক্ষোভের মধ্যে পড়েছে। নির্বাচন আবহে বিজেপির মমতা সরকারের একাধিক অনুন্নয়ন, দুর্নীতি, আর্থিক অনিয়ম, বালি-কয়লা-মাটি-পাথর পাচার, রেশন দুর্নীতি, মিডডে মিল দুর্নীতি, আম্ফানে দুর্নীতি, আবাস-একাশদিনের কাজে দুর্নীতি-সহ একাধিক ঘটনা ব্যাপক ভাবে শাসকদলকে অস্বস্তিতে ফেলেছে। একই ভাবে ২৬ হাজার শিক্ষকদের চাকরি বাতিল, কাটমানি, সিন্ডিকেট, আরজিকর ধর্ষণকাণ্ড, সন্দেশখালিতে শাহজাহানের নারী নির্যাতনের বিষয় জনমানুষের মনে ক্ষোভ চরম সীমায় পৌঁছে গিয়েছে। তাই রাজনৈতিক ভাবে এই সব বিষয়কে হাতিয়ার করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট যুদ্ধে নেমেছে বিজেপি। রাজ্যে একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ করেছেন প্রবীণ বিজেপি নেতা অমিত শাহ।

    পরিকল্পনার অভাবে শহরটি ক্রমশ শ্রীহীন কলকাতা (Amit Shah)

    জনসভায় ভাষণ (West Bengal Elections 2026) দেওয়ার সময় অমিত শাহ (Amit Shah) মন্তব্য করেন যে, এক সময়ের ‘প্রাসাদ নগরী’ বা ‘সিটি অফ প্যালেসেস’ হিসেবে পরিচিত কলকাতা বর্তমান শাসনামলে অবহেলার শিকার। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে তোপ দেগে বলেন, “সঠিক পরিকল্পনার অভাবে শহরটি ক্রমশ শ্রীহীন হয়ে পড়ছে, দীর্ঘ বাম শাসন এবং বর্তমানে তৃণমূলের রাজত্বে কলকাতা ‘বস্তির শহর’-এ পরিণত হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ভোটব্যাঙ্ক সুরক্ষিত রাখতে এই বস্তিগুলিতেই অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দিচ্ছেন।”

    হারানো গৌরবকে পুনরুদ্ধারের লড়াই

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, গত দেড় দশকে কলকাতায় নতুন কোনও উল্লেখযোগ্য পরিকাঠামোগত উন্নয়ন হয়নি। বরং ক্রমবর্ধমান বস্তি এলাকা এবং নাগরিক পরিষেবার অভাব শহরবাসীকে চরম দুর্ভোগে ফেলেছে। নাগরিক জীবন যাপনের বেহাল দশা নিয়ে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “এই ভোট শুধু বিধায়ক বানানোর ভোট নয়, এটি কলকাতার হারানো গৌরবকে পুনরুদ্ধারের লড়াই। বিজেপি প্রার্থীদের জেতাতে বা বিজেপি সরকার গড়তে আপনাদের ভোট দেওয়ার প্রয়োজন নেই। আপনারা ভোট দিন (West Bengal Elections 2026) পশ্চিমবঙ্গকে অনুপ্রবেশকারীদের হাত থেকে মুক্ত করার জন্য। ভোট দিন কলকাতাকে আবার শ্রেষ্ঠ শহর হিসেবে গড়ে তোলার জন্য।”

    তৃণমূল সরকারের ব্যর্থতার স্মারক

    নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) আবহে কলকাতার এই পরিস্থিতিকে তৃণমূল সরকারের ব্যর্থতার স্মারক হিসেবে তুলে ধরেন  কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বস্তিগুলিতে অনুপ্রবেশকারীদের জায়গা দিয়ে নিজের ভোটব্যাঙ্ক তৈরি করতে চান। তিনি চান না সাধারণ মানুষ উন্নত জীবনযাপন করুক। কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলো সঠিক ভাবে রূপায়ণ না হওয়ায় সাধারণ মানুষ প্রাপ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজত্বে আর তাঁর আগে কমিউনিস্টদের আমলে গোটা শহরটা বস্তির শহর হয়ে রয়ে গিয়েছে। দেশের অন্যান্য রাজ্যে এমন অনেক শহর আছে যেগুলি আজ বস্তিমুক্ত হয়ে উঠেছে। কিন্তু দিদি তার প্রয়োজন মনে করেন না।”

    চারটে বড় শিল্পশহর বানাব

    এদিনের সভায় অমিত শাহ (Amit Shah) রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের ডাক দিয়ে একাধিক প্রতিশ্রুতির কথাও বলেছেন। ভোটাররা যাতে সম্পূর্ণ ভাবে নিজেদের ভোট গ্রহণ করতে পারেন তাই মানুষের আত্ম বিশ্বাস অর্জনে জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, “বিজেপির সরকার গঠিত হওয়ার পরে চারটে বড় শিল্পশহর বানাবো। যে সব প্রতিষ্ঠান মমতার সিন্ডিকেটের জন্য বাইরে চলে গিয়েছে, সেই সব প্রতিষ্ঠানকে আবার পশ্চিমবঙ্গে চালু করবে বিজেপি সরকার।”

    ১ লক্ষ চাকরি দেওয়া হবে

    তিনি নির্বাচনী প্রচারে (West Bengal Elections 2026) আরও বলেন, “তরুণদের প্রতি বছর ১ লক্ষ চাকরি দেওয়া হবে। বাড়ি বসে নিয়োগপত্র পাবেন, এমন ভাবে কাজ করবে বিজেপি।বিজেপি যেখানে যেখানে ক্ষমতায় এসেছে মহিলাদের সুরক্ষার কথা ভেবেছে। আপনারা বিজেপির সরকার গড়ে দিন, প্রত্যেক দিদির অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা পাঠাবো আমরা। ৪ মে সকালেই সব স্পষ্ট হয়ে যাবে। ৮টায় ব্যালট বক্স খোলা হবে, ৯টায় প্রথম রাউন্ডের ফল আসবে, ১০টায় দ্বিতীয় রাউন্ড এবং ১টার মধ্যেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। তারপরই হবে-দিদি টাটা, গুড বাই!”

    বিজেপির প্রতিশ্রুতি

    অমিত শাহ (Amit Shah) প্রতিশ্রুতি দেন যে, রাজ্যে ক্ষমতার (West Bengal Elections 2026) পরিবর্তন হলে কলকাতাকে পুনরায় আধুনিক ও বিশ্বমানের মেগাসিটিতে রূপান্তর করা হবে। নির্বাচনের তপ্ত আবহে কলকাতার নগরায়ন এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধাকে হাতিয়ার করে রাজ্য সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন অমিত শাহ। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তবে শহরের মান অবনমন এবং বেকারত্ব প্রসঙ্গে সাধারণ জনতার মন জয় করেছেন বলে মনে করছেন রাজনীতির এক শ্রেণির বিশেষজ্ঞরা। এখন ভোটের বাক্সে কতটা প্রতিফলিত হয় তাই দেখার।

  • WB Assembly Election 2026: আজ রাজ্যে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ, কার কার ভাগ্য পরীক্ষা হচ্ছে এদিন?

    WB Assembly Election 2026: আজ রাজ্যে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ, কার কার ভাগ্য পরীক্ষা হচ্ছে এদিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, বৃহস্পতিবার রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন। দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোট হবে চলতি মাসেরই ২৯ তারিখে (WB Assembly Election 2026)। ২৩ তারিখে প্রথম দফায় ভোট হবে রাজ্যের ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে। এই দফায় ভোট হচ্ছে উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল এবং রাঢ় অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায়। ভোটগ্রহণ হচ্ছে উত্তরবঙ্গের কোচবিহারের ৯টি আসন, আলিপুরদুয়ারের ৫টি, জলপাইগুড়ির ৭টি, কালিম্পঙের ১টি এবং দার্জিলিঙের (Candidate List) ৫টি আসনে। দুই দিনাজপুরের যথাক্রমে ৯টি (উত্তর) ও ৬টি (দক্ষিণ) আসন, মালদার ১২টি আসনেও ভোট হচ্ছে। দক্ষিণবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার সব আসনেও ভোট হচ্ছে।

    কোথায় কোন হেভিওয়েট (WB Assembly Election 2026)

    এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক প্রথম দফার নির্বাচনে কোন কোন হেভিওয়েট প্রার্থীর ভাগ্য পরীক্ষা হচ্ছে। এই তালিকায় রয়েছেন নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী, বহরমপুরে কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী, খড়্গপুর সদরের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ, মাথাভাঙায় বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রমাণিক, রেজিনগর ও সুতিতে (WB Assembly Election 2026) জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী হুমায়ুন কবীর, দিনহাটায় তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহ, শিলিগুড়িতে তৃণমূল প্রার্থী গৌতম দেব এবং বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর ঘোষ। মালতিপুরে কংগ্রেস প্রার্থী মৌসম বেনজির নূর, আসানসোল দক্ষিণে বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পাল, হাসনে তৃণমূল প্রার্থী কাজল শেখ, সবংয়ে তৃণমূল প্রার্থী মানস ভুঁইঞা, এগরায় বিজেপি প্রার্থী দিব্যেন্দু অধিকারী, করণদিঘিতে সিপিএম প্রার্থী মহম্মদ শাহাবউদ্দিন, রায়গঞ্জে তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ কল্যাণী, বালুরঘাটে তৃণমূল প্রার্থী অর্পিতা ঘোষ, রাজগঞ্জে তৃণমূল প্রার্থী স্বপ্ন বর্মণ, রানিবাঁধে সিপিএম প্রার্থী দেবলীনা হেমব্রম, সাগরদিঘিতে তৃণমূল প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস, দার্জিলিংয়ে নির্দল প্রার্থী অজয় এডওয়ার্ডস, ডোমকলে তৃণমূল প্রার্থী হুমায়ুন কবীর, ডেবরায় তৃণমূল প্রার্থী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, কেশপুরে তৃণমূল প্রার্থী শিউলি সাহা, জাঙ্গিপাড়ায় তৃণমূল প্রার্থী স্নেহাশিস চক্রবর্তী এবং বোলপুরে তৃণমূল প্রার্থী চন্দ্রনাথ সিনহা। সিপিএমের তরফে এবার প্রার্থী করা হয়েছে এক ঝাঁক তরুণ-তরুণীকে। এঁদের মধ্যে রয়েছেন (Candidate List) উত্তরপাড়া কেন্দ্রের মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, দমদম উত্তরে দীপ্সিতা ধর এবং মহেশতলায় সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো প্রার্থীরা (WB Assembly Election 2026)।

    সবচেয়ে চর্চিত কেন্দ্র নন্দীগ্রাম

    এদিকে, রাজ্যের সবচেয়ে চর্চিত কেন্দ্র নন্দীগ্রাম। এই কেন্দ্রে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের প্রার্থী পবিত্র কর। রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গড় হিসেবেই পরিচিত এই কেন্দ্র। উল্লেখ্য, নন্দীগ্রামের পাশাপাশি এবার ভবানীপুর কেন্দ্র থেকেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রীকে গোহারা হারাতেই ভবানীপুরে প্রার্থী হয়েছেন শুভেন্দু। এদিকে, উত্তরবঙ্গের একটি কেন্দ্রেও দ্বৈরথ দেখতে মুখিয়ে রয়েছে তামাম বাংলা। একুশের নির্বাচনে শিলিগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে সিপিএমের হেভিওয়েট প্রার্থী অশোক ভট্টাচার্যকে পরাজিত করেছিলেন বিজেপির শঙ্কর ঘোষ। অথচ, একসময় অশোকের সঙ্গেই সিপিএম করতেন শঙ্কর। পরে দল বদলে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। সেবার লড়াইয়ের ময়দানে ছিলেন তৃণমূল প্রার্থী ওমপ্রকাশ মিশ্র। শঙ্কর পেয়েছিলেন ৫০ শতাংশ ভোট। ঘাসফুল প্রার্থীর ঝুলিতে পড়েছিল ৩০.১১ শতাংশ ভোট। গতবারের এই ফারাক মিটিয়ে জয় পাওয়াই এখন প্রধান লক্ষ্য গৌতম দেবের। রাজনৈতিক মহলের মতে, এবার বেশ কঠিন লড়াইয়ের মুখে পড়েছেন শিলিগুড়ির মেয়র (WB Assembly Election 2026)।

    শক্তিশালী বিজেপি

    প্রসঙ্গত, উত্তরবঙ্গে সাংগঠনিকভাবে রাজ্যের অন্য জায়গার থেকে বেশ শক্তিশালী বিজেপি। প্রথম দফার নির্বাচনে যত বেশি সম্ভব আসনে জয় পাওয়াই লক্ষ্য পদ্ম শিবিরের। এদিকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বার বার ছুটে গিয়েছেন উত্তরবঙ্গে। তবে তাতে যে আদতে কিছু লাভ হবে, তা মনেই করছেন না নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, এবারও উত্তরবঙ্গে একচেটিয়া খেলবে বিজেপি। তৃণমূলের অবস্থা হবে মা লক্ষ্মীর পায়ের কাছে থাকা পেঁচার মতো (WB Assembly Election 2026)।

    বাহিনী মোতায়েন কত

    ২০০১ সালে শেষবার রাজ্যে এক দফায় হয়েছিল বিধানসভা নির্বাচন। এত কম দফায় আর কখনও বিধানসভা নির্বাচন হয়নি পশ্চিমবঙ্গে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে ৮ দফায় ভোটগ্রহণ হয়েছিল। সেই তুলনায় এবারের ২ দফার নির্বাচন অনেক বেশি (Candidate List) সংক্ষিপ্ত এবং দ্রুত সম্পন্ন হতে চলেছে। প্রথম দফার ভোটে মোট ২,৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করছে নির্বাচন কমিশন। সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। তবে মুর্শিদাবাদ জেলাকে দুই ভাগে ভাগ করেছে কমিশন। এক, মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলা। দুই, জঙ্গিপুর পুলিশ জেলা। দুই মিলিয়ে মুর্শিদাবাদে মোট কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হচ্ছে ৩১৬ কোম্পানি। তার মধ্যে মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায়ই থাকবে ২৪০ কোম্পানি বাহিনী। বাকি ৭৬ কোম্পানি মোতায়েন করা হবে জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় (WB Assembly Election 2026)।

    তার পরেও বাংলার প্রথম দফার নির্বাচন বিনা রক্তপাতে হয় কিনা, এখন তা-ই দেখার।

     

  • Dantan Violence: প্রচারে বেরিয়ে দাঁতনে আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী, কাঠগড়ায় তৃণমূল, ভোটের আগেই ঝরল রক্ত

    Dantan Violence: প্রচারে বেরিয়ে দাঁতনে আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী, কাঠগড়ায় তৃণমূল, ভোটের আগেই ঝরল রক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটমুখী পশ্চিমবঙ্গে আক্রমণের শিকার বিজেপি প্রার্থী স্বয়ং। প্রচারের শেষ দিনে পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতনে (Dantan Violence) আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী অজিত কুমার জানা। গণতন্ত্রের উৎসবকে আক্ষরিক অর্থেই রক্তাক্ত করে ছাড়ল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল (TMC)! বিজেপি প্রার্থীর হাত ভেঙে দেওয়ার পাশাপাশি তাঁর গাড়ি ও মিছিলে থাকা প্রচুর বাইক ভাঙচুর করা হয়। লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুন। ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী। হামলার প্রতিবাদে রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান গেরুয়া শিবিরের কর্মী-সমর্থকরা।

    বিজেপির মিছিলে হামলা (Dantan Violence)

    মঙ্গলবার সকালে দাঁতনের বিজেপি প্রার্থী অজিত কুমার জানার সমর্থনে হরিপুর থেকে একটি বিশাল বাইক র‍্যালির আয়োজন করা হয়। র‍্যালিটি সাবড়া থেকে মোহনপুর যাওয়ার পথে আঁতলা এলাকায় পৌঁছলে পরিস্থিতি বদলে যায়। অভিযোগ, আগে থেকে ওত পেতে থাকা একদল দুষ্কৃতী লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে বিজেপির মিছিলে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

    রণক্ষেত্রের চেহারা

    প্রার্থীর ওপর হামলার খবর ছড়িয়ে পড়তেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। ক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মীরা মোহনপুর থানার সামনে এগরা-সোলপাট্টা রাজ্য সড়ক অবরোধ করেন। টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়। তার জেরে দীর্ঘক্ষণ ওই রুটে যান চলাচল বন্ধ থাকে। অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবিতে সরব হন বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র‍্যাফ নামানো হয়। পদ্মশিবিরের দাবি, হামলাকারীরা তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী। লাঠির ঘায়ে প্রার্থীর একটি হাত ভেঙে গিয়েছে, গুরুতর চোট লেগেছে মাথায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। জখম হওয়া অন্যান্য বিজেপি কর্মীদের চিকিৎসা চলছে মোহনপুর গ্রামীণ হাসপাতালে। প্রথম দফার নির্বাচনের ঠিক আগে দাঁতনের এই ঘটনার জেরে বাড়ানো হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারি। পুলিশ জানিয়েছে, নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে কড়া পদক্ষেপও করা হচ্ছে (Dantan Violence)।

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া

    ভোটের মুখে প্রার্থীকে জখম করে দেওয়ায় সোচ্চার হয়েছে বিজেপি। দলের জেলা নেতৃত্বের দাবি, “নি আমাদের প্রার্থীর ওপর (TMC) প্রাণঘাতী হামলা চালানো হয়েছে।” প্রার্থী বলেন, ‘মিছিলে রড, বাঁশ, লাঠি দিয়ে আমাদের ৫০-৬০ জন কর্মীকে মারধর করা হয়। কারও কারও হাতে আগ্নেয়াস্ত্রও ছিল। আমি জিপ থেকে নেমে কর্মীদের বাঁচাতে গেলে, আমাকেও বাঁশ দিয়ে মারে।’ তাঁর অভিযোগ, ‘মূল অভিযুক্তদের পুলিশ গ্রেফতার করছে না। ভোটের দিনেও ভোটারদের আটকে রাখার জন্য আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ভয় দেখানোর পরিকল্পনা রয়েছে ওদের। পুলিশ ও নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন, সন্দেহজনক প্রতিটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করুন (Dantan Violence)।’

    পুলিশ সুপারের বক্তব্য

    জেলার পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা বলেন, ‘দুপুর ১২টা নাগাদ বেলদায় একটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচির অনুমতি ছিল। শুধু দু’টি গাড়ির অনুমতি ছিল। সেই র‍্যালি ৬টা গাড়ি ও ৮০-৮৫টি মোটরবাইক নিয়ে বেলদা থানা থেকে মোহনপুর থানা এলাকায় ঢোকে। সেখানে তাদের অনুমতি ছিল না। সে দিক দিয়ে যাওয়ার সময়ে আঁতলা গ্রামে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ২৫-৩০টি গাড়ি ভাঙচুর হয়, দু’টি মোটরবাইক জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। ৫৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হন। পুলিশ দ্রুত পৌঁছে (TMC) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ১৬ জনকে আটক করা হয়েছে। কাউকে রেয়াত করা হবে না। এলাকায় আরও বেশি নজরদারি করা হবে।’ এদিকে, সূত্রের খবর, বুধবার পর্যন্ত সব মিলিয়ে মোট ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের বেশির ভাগই তৃণমূলের কর্মী-সমর্থক (Dantan Violence)।

     

LinkedIn
Share