Tag: bangla news

bangla news

  • Daily Horoscope 29 May 2026: বেশিরকাজ কাজেই সাফল্য মিলবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 29 May 2026: বেশিরকাজ কাজেই সাফল্য মিলবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বন্ধুদের সঙ্গে বিবাদ অনেক দূর গড়াতে পারে।

    ২) প্রবাসী কারও আসার খবরে আনন্দ লাভ।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    বৃষ

    ১) মেরুদণ্ডের রোগের জন্য কষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে হঠাৎ করে প্রচুর অতিথির আগমনে আনন্দ লাভ।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মিথুন

    ১) ধর্ম বিষয়ক আলোচনা থেকে মানসিক পরিবর্তন হতে পারে।

    ২) অযথা ব্যয়বৃদ্ধি নিয়ে দুশ্চিন্তা।

    ৩) বেশিরকাজ কাজেই সাফল্য মিলবে।

    কর্কট

    ১) নতুন সম্পর্ক গড়ার আগে ভালো করে চিন্তা করুন।

    ২) সারা দিন বহু দিক থেকে আয়ের সুযোগ আসতে পারে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    সিংহ

    ১) কর্মস্থানে একটু সাবধানে কাজ করুন, আঘাত লাগতে পারে।

    ২) আধ্যাত্মিক কাজে কিছু দান করতে হতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    কন্যা

    ১) অপরের কথায় চললে অশান্তি বাধতে পারে।

    ২) পুরনো কোনও আশা পূরণের চেষ্টা।

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না।

    তুলা

    ১) চিকিৎসার খরচ বাড়তে পারে।

    ২) বন্ধুদের কথায় চললে আপনার খুব ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃশ্চিক

    ১) ব্যবসায় কর্মচারীদের নিয়ে বিবাদ বাধতে পারে।

    ২) কোনও উচ্চপদস্থ ব্যক্তির সঙ্গে দেখা হওয়ায় উপকার পাবেন।

    ৩) ধর্মস্থানে ভ্রমণ।

    ধনু

    ১) চাকরিজীবীদের জন্য খুব খরচের সময়।

    ২) কাউকে বেশি আপন ভাবলে কষ্ট পেতে হবে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মকর

    ১) সকালের দিকে অতিরিক্ত রাগের কারণে কারও সঙ্গে হাতাহাতি ও রক্তপাতের সম্ভাবনা।

    ২) ব্যবসায় সুখবর প্রাপ্তিতে আনন্দ লাভ।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কুম্ভ

    ১) কর্মক্ষেত্রে সুখবর আসার পথে বাধা পড়তে পারে।

    ২) শত্রুর চক্রান্তে একটু বিভ্রান্ত হবেন।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    মীন

    ১) বাড়িতে কোনও দামি জিনিস নষ্ট হওয়ায় মনঃকষ্ট।

    ২) অসৎ সঙ্গ ত্যাগ না করলে সম্মানহানির যোগ।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 658: “পাগল হোক আর ভক্তদের কাছে মারই খাক আপনার তো অষ্টপ্রহর চিন্তা করছে! সে যে ভাবেই করুক, তার কখনও মন্দ হবে না!”

    Ramakrishna 658: “পাগল হোক আর ভক্তদের কাছে মারই খাক আপনার তো অষ্টপ্রহর চিন্তা করছে! সে যে ভাবেই করুক, তার কখনও মন্দ হবে না!”

    ৫৩ কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৬, ১৬ই এপ্রিল

    অবতার বেদবিধির পার — বৈধীভক্তি ও ভক্তি উন্মাদ

    শ্রীরামকৃষ্ণ (গিরিশাদি ভক্তের প্রতি) — পাগলীর মধুরভাব। দক্ষিণেশ্বরে (Ramakrishna) একদিন গিছল। হঠাৎ কান্না। আমি জিজ্ঞাসা করলুম, কেন কাঁদছিস? তা বলে, মাথাব্যথা করছে। (সকলের হাস্য)

    “আর-একদিন গিছল। আমি খেতে বসেছি। হঠাৎ বলছে, ‘দয়া করলেন না?’ আমি উদারবুদ্ধিতে খাচ্চি। তারপর বলছে, ‘মনে ঠেল্লেন কেন?’ জিজ্ঞাসা করলুম, ‘তোর কি ভাব?’ তা বললে, ‘মধুরভাব!’ আমি বললাম, ‘আরে আমার যে মাতৃযোনি! আমার যে সব মেয়েরা মা হয়!’ তখন বলে, ‘তা আমি জানি না।’ তখন রামলালকে ডাকলাম (Kathamrita)। বললাম, ‘ওরে রামলাল, কি মনে ঠ্যালাঠেলি বলছে শোন দেখি।’ ওর এখনও সেই ভাব আছে।”

    গিরিশ — সে পাগলী — ধন্য! পাগল হোক আর ভক্তদের কাছে মারই খাক আপনার তো অষ্টপ্রহর চিন্তা করছে! সে যে ভাবেই করুক, তার কখনও মন্দ হবে না!

    “মহাশয়, কি বলব! আপনাকে চিন্তা করে আমি কি ছিলাম, কি হয়েছি! আগে আলস্য ছিল, এখন সে আলস্য ঈশ্বরে নির্ভর হয়ে দাঁড়িয়েছে! পাপ ছিল, তাই এখন নিরহংকার হয়েছি! আর কি বলব!”

    ভক্তেরা (Ramakrishna) চুপ করিয়া আছেন। রাখাল পাগলীর কথা উল্লেখ করিয়া দুঃখ করিতেছেন। বললেন, দুঃখ হয়, সে উপদ্রব করে আর তার জন্য অনেকে কষ্টও পায়।

    নিরঞ্জন (রাখালের প্রতি) — তোর মাগ আছে তাই তোর মন কেমন করে। আমরা তাকে বলিদান দিতে পারি।

    রাখাল (বিরক্ত হইয়া) — কি বাহাদুরি! ওঁর সামনে ওই সব কথা!

    গিরিশকে উপদেশ—টাকায় আসক্তি—সদ্ব্যবহার—ডাক্তার কবিরাজের দ্রব্য

    শ্রীরামকৃষ্ণ (গিরিশের প্রতি) — কামিনী-কাঞ্চনই সংসার। অনেকে টাকা গায়ের রক্ত মনে করে। কিন্তু টাকাকে বেশি যত্ন করলে একদিন হয়তো সব বেরিয়ে যায়।

    “আমাদের দেশে মাঠা আল বাঁধে। আল জানো? যারা খুব যত্ন করে চারিদিকে আল দেয়, তাদের আল জলের তোড়ে ভেঙে যায়। যরা একদিকে খুলে ঘাসের চাপড়া দিয়ে রাখে, তাদের কেমন পলি পড়ে, কত ধান হয়।

    “যারা টাকার সদ্ব্যবহার করে, ঠাকুরসেবা (Ramakrishna), সাধু ভক্তের সেবা করে, দান করে তাদেরই কাজ হয়। তাদেরই ফসল হয়।

    “আমি ডাক্তার কবিরাজের জিনিস খেতে পারি না। যারা লোকের কষ্ট থেকে টাকা রোজগার করে! ওদের ধন যেন রক্ত-পুঁজ!”

    এই বলিয়া ঠাকুর দুইজন চিকিৎসকের নাম করিলেন (Kathamrita)।

    গিরিশ — রাজেন্দ্র দত্তের খুব দরাজ মন; কারু কাছে একটি পয়সা লয় না। তার দান-ধ্যান আছে।

  • Bhadreswar Municipality: মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি ছাড়েননি মমতা, ইস্তফা দিয়ে নজির গড়লেন তৃণমূলেরই ভদ্রেশ্বর পুরসভার চেয়ারম্যান

    Bhadreswar Municipality: মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি ছাড়েননি মমতা, ইস্তফা দিয়ে নজির গড়লেন তৃণমূলেরই ভদ্রেশ্বর পুরসভার চেয়ারম্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোহারা হেরে গিয়েও, মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার ছাড়তে চাইছিলেন না তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জনাদেশ মেনে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেননি প্রাক্তন মমতা। তবে দলনেত্রীর পদাঙ্ক অনুসরণ করলেন না হুগলির ভদ্রেশ্বর পুরসভার (Bhadreswar Municipality) চেয়ারম্যান-সহ আট কাউন্সিলর। জনতা-জনার্দনের রায় মাথা পেতে নিয়ে পদত্যাগ করেছেন (Political Turmoil) তাঁরা। চেয়ারম্যান প্রলয় চক্রবর্তী জানান, জনগণের মতামতকে মান্যতা দিয়েই তিনি ইস্তফা দিয়েছেন। বিধানসভা ভোটে স্থানীয় তৃণমূল প্রার্থীর হারের দায়ও নিজের ঘাড়েই তুলে নিয়েছেন তিনি। বিজেপির একাংশের কটাক্ষ, নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে নাম জড়াতে পারে আঁচ করেই ইস্তফা দিয়েছেন ওই কাউন্সিলররা। প্রসঙ্গত, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পরে হুগলি জেলার কোনও পুরসভায় এই প্রথম এতজন কাউন্সিলর ইস্তফা দিলেন।

    ইস্তফা চেয়ারম্যানের (Bhadreswar Municipality)

    ২২ ওয়ার্ড বিশিষ্ট ভদ্রেশ্বর পুরসভা চন্দননগর বিধানসভার মধ্যে পড়ে। গত পুরসভা নির্বাচনে ২০টিতে জিতেছিল তৃণমূল। একটিতে ফুটেছিল পদ্ম। আর নির্দল প্রার্থী জিতেছিলেন একটি আসনে। জনাদেশ অগ্রাহ্য করে পরে তাঁরাও ভিড়ে যান তৃণমূলে। বিরোধীশূন্য এই পুরসভার ১২টিরও বেশি ওয়ার্ডেই পদ্ম-প্রার্থীর চেয়ে পিছিয়ে ছিল ঘাসফুলের প্রার্থী। তৃণমূল প্রার্থী গায়ক থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া  ইন্দ্রনীল সেন পরাজিত হয়েছেন ১৩ হাজার ভোটে। দলীয় প্রার্থীর হারের নৈতিক দায় নিজের ঘাড়েই নিয়েছেন প্রলয়। এদিন ভদ্রেশ্বর পুরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসারের কাছে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। তৃণমূলের এই নেতার দাবি, তিনি জানতে পেরেছেন আরও কয়েকজন কাউন্সিলর ইস্তফা দিয়েছেন। ইস্তফাপত্র জমা দিয়ে পদত্যাগী চেয়ারম্যান বলেন, ‘‘ব্যক্তিগত কারণে ইস্তফা দিয়েছি। কয়েক দিন ধরে মনে হচ্ছিল, মানুষ যখন সমর্থন করেছিল, কাজ করেছি। এখন মানুষ যাদের সমর্থন করছে, তাদের কাজ করতে দেওয়া উচিত।’’ তিনি (Bhadreswar Municipality) এও জানান, তৃণমূলের তরফে তাঁকে এ ব্যাপারে কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি।

    কী বলছে বিজেপি

    চন্দননগরের বিধায়ক বিজেপির দীপাঞ্জন গুহ বলেন, ‘‘এখানে কেউ ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করেনি (Political Turmoil)। আগামিদিনেও করবে না।’’ পদ্ম-শিবিরের একাংশের দাবি, নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ানোর আশঙ্কায় ইস্তফা দিয়েছেন প্রলয়। যদিও প্রলয় বলেন, ‘‘আমার পরিবারের কেউ বা দূরসম্পর্কের কোনও আত্মীয়ও পুরসভায় চাকরি করেন না।’’ তিনি বলেন, ‘‘কাগজেকলমে দেখা যাবে, আগের চেয়ারম্যানের সময় নিয়োগ হয়েছিল। আমি চেয়ারম্যান হই ২০১৮ সালে।’’ তাঁর সাফ কথা, ‘‘জনমতকে মান্যতা দিয়ে সরছি।’’ এক সঙ্গে আট কাউন্সিলর পদত্যাগ করায় এই পুরসভায় বোর্ড চালাতে অসুবিধা হবে (Political Turmoil) না তৃণমূলের। ঘাসফুল শিবির সূত্রে খবর, ভাইস চেয়ারম্যান ফিরোজ খানের নেতৃত্বে চলবে বোর্ড (Bhadreswar Municipality)।

     

  • International Yoga Day 2026: পালাবদলের জন্য বাংলাকে বড় ‘উপহার’ কেন্দ্রের! এবছর আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল অনুষ্ঠান কলকাতায়, থাকবেন প্রধানমন্ত্রী

    International Yoga Day 2026: পালাবদলের জন্য বাংলাকে বড় ‘উপহার’ কেন্দ্রের! এবছর আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল অনুষ্ঠান কলকাতায়, থাকবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পালাবদলের পর কেন্দ্রের তরফ থেকে সম্ভবত সবথেকে বড় উপহার পেল পশ্চিমবঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গবাসী। ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস ২০২৬-এর মূল অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে কলকাতায়। এই ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় আয়ুষ প্রতিমন্ত্রী (স্বতন্ত্র দায়িত্বপ্রাপ্ত) প্রতাপরাও যাদব। সম্প্রতি নবান্নে যোগবিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই তিনি কলকাতায় মূল অনুষ্ঠান আয়োজনের ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছিলেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে এক ধরনের ইতিবাচক বার্তা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

    যোগ দিবসের কাউন্টডাউন শুরু

    মধ্যপ্রদেশের খাজুরাহোর পশ্চিম মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত ‘যোগ মহোৎসব ২০২৬’-এ এই ঐতিহাসিক ঘোষণাটি করেন কেন্দ্রীয় আয়ুষ প্রতিমন্ত্রী (Ayush Ministry) প্রতাপরাও যাদব। আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের ২৫ দিনের কাউন্টডাউন কর্মসূচির সূচনা করে তিনি জানান, ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের পীঠস্থান কলকাতাই এবার যোগ দিবসের মূল অনুষ্ঠানের আয়োজক। কেন্দ্রীয় আয়ুষ মন্ত্রকের অধীনস্থ মোরারজি দেশাই ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ যোগ (MDNIY)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে হাজার হাজার যোগপ্রেমী অংশ নেন এবং একযোগে ‘কমন যোগ প্রোটোকল’-এর প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করেন। একইসঙ্গে প্রতাপরাও যাদব এ বছরের আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের থিম হিসেবে ঘোষণা করেন — “Yoga for Healthy Ageing”। বয়স বাড়ার সঙ্গে সুস্থ জীবনযাপন, মানসিক স্থিতি এবং সামগ্রিক সুস্বাস্থ্যে যোগব্যায়ামের গুরুত্বকে সামনে রেখেই এই থিম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের শহর কলকাতায় যোগ দিবসের আসর

    প্রতাপরাও যাদব বলেন, “সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ কলকাতা এবার আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল আয়োজক শহর হতে চলেছে। যোগ শুধুমাত্র শরীরচর্চা নয়, এটি একটি সামগ্রিক জীবনদর্শন, যা বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সুস্থ ও ভারসাম্যপূর্ণ জীবন বজায় রাখতে সাহায্য করে।” তিনি আরও বলেন, যোগ ভারতের প্রাচীন জ্ঞান ও ঐতিহ্যের প্রতীক এবং প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যব্যবস্থার ক্ষেত্রে এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুষম জীবনযাপন, মানসিক শান্তি এবং দৈনন্দিন শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবনধারার মাধ্যমে যোগ মানুষের সামগ্রিক উন্নতিতে সাহায্য করে। খাজুরাহোকে ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সুস্থতা চর্চার এক অনন্য প্রতীক বলে উল্লেখ করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, এই শহরের বিশ্বব্যাপী যোগ ও ওয়েলনেস কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠার বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে আয়ুষ মন্ত্রক দেশের প্রত্যন্ত গ্রাম, স্কুল, অফিস এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে যোগচর্চা পৌঁছে দিতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে বলেও জানান যাদব। তিনি বলেন, “যোগ এবং ‘আয়ুষ আহার’-এর মতো উদ্যোগ মানুষের মধ্যে সুষম খাদ্যাভ্যাস, শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবনযাপন এবং সামগ্রিক সুস্থতার বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে।”

    শহরের যোগপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ

    কলকাতায় আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল অনুষ্ঠান আয়োজন এবং তাতে প্রধানমন্ত্রী মোদির উপস্থিতির ঘোষণা ঘিরে শহরের যোগপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি নবান্নে যোগবিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই আয়োজনের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। সেই বৈঠকের পর থেকেই প্রশাসনিক স্তরে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ক্রীড়াভারতীর প্রদেশ সম্পাদক বিভাস মজুমদার জানান, “অনেকদিন ধরেই আমরা কলকাতায় মূল অনুষ্ঠান আয়োজনের দাবি জানিয়ে আসছিলাম। নানা রাজনৈতিক কারণে তা সম্ভব হয়নি। এবার সেই সুযোগ বাস্তবায়িত হতে চলেছে।” অন্যদিকে, যোগ দিবস উদযাপন কমিটির সম্পাদক ডক্টর অভিজিৎ ঘোষের মতে, আগামী ২১ জুন কলকাতার ইতিহাসে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ দিন হয়ে উঠবে।

    কেন্দ্রীয় স্তরে প্রস্তুতি শুরু

    ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্তরে এই নিয়ে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফর ঘিরে প্রশাসনিক মহলেও তৎপরতা বেড়েছে। এই আবহে খুব শীঘ্রই নিরাপত্তা আধিকারিকদের একটি দল ব্রিগেড পরিদর্শনে যেতে পারে বলেও দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে। প্রতাপরাও যাদব ‘যোগ সঙ্গম পোর্টাল’-এর নতুন সংস্করণ চালু করেন। এই পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে নাম নথিভুক্ত করা আরও সহজ হবে এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি চালু হয়েছে ‘যোগ পার্ক পোর্টাল’, যার উদ্দেশ্য বিভিন্ন রাজ্য ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী যোগচর্চার পরিকাঠামো গড়ে তোলা। অনুষ্ঠানে নতুন ডিজাইনের যোগ টি-শার্টও প্রকাশ করা হয়। এছাড়া ‘যোগ ৩৬৫ অভিযান’-এর আওতায় ১০০ দিনের বিনামূল্যের যোগ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ইতিমধ্যেই দুই লক্ষের বেশি মানুষ অংশ নিয়ে ‘যোগ মিত্র’ শংসাপত্র অর্জন করেছেন।

  • Kolkata Eid Namaz: ৪৮ বছরে প্রথম, ব্রিগেডে পালিত হল ইদের নামাজ, উন্মুক্ত রেড রোড

    Kolkata Eid Namaz: ৪৮ বছরে প্রথম, ব্রিগেডে পালিত হল ইদের নামাজ, উন্মুক্ত রেড রোড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে এক দীর্ঘমেয়াদি ঐতিহ্যের অবসান ঘটিয়ে এবার যানজটমুক্ত এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপিত হল পবিত্র বকরি ইদ (Bakrid)। নবনির্বাচিত বিজেপি সরকারের কড়া নির্দেশিকা এবং আইনশৃঙ্খলার সঠিক বাস্তনায়নের ফলে রাজ্যের পথঘাট অবরুদ্ধ (Kolkata Eid Namaz) করে বা প্রকাশ্যে রাস্তায় বসে নামাজ পড়ার বহু বছরের পুরোনো চেনা ছবি এবার আর দেখা যায়নি। ফলে উৎসবের দিনটিতেও কলকাতার পাশাপাশি জেলাগুলির প্রধান সড়কগুলিতে তীব্র যানজটের ভোগান্তি থেকে রেহাই পেয়েছেন সাধারণ মানুষ। প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে বিভিন্ন নাগরিক সমাজ।

    সড়ক অবরুদ্ধ না করার কড়া প্রশাসনিক বার্তা

    পশ্চিমবঙ্গের স্বরাষ্ট্র দফতর এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ নির্দেশনায় এবারের ইদের আগে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে, ধর্মীয় বা সামাজিক কোনও অনুষ্ঠানের নামেই রাজ্যের জাতীয় সড়ক, রাজ্য সড়ক বা শহরের মূল রাস্তা কোনওভাবেই বন্ধ (Kolkata Eid Namaz) করা যাবে না। ট্রাফিক ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে এবং জরুরি পরিষেবার গাড়ি যাতে কোনও বাধার সম্মুখীন না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছিল।

    প্রশাসনের পক্ষ থেকে মসজিদ কমিটি এবং স্থানীয় মুসলিম জননেতাদের সঙ্গে আগেই বৈঠক করা হয়েছিল। সেখানে আবেদন জানানো হয়, রাস্তায় নামাজ না পড়ে নামাজের আয়োজন যেন স্থানীয় ইদগাহ, মসজিদ প্রাঙ্গণ (Bakrid) বা নির্দিষ্ট ঘেরা মাঠের ভেতরে সীমাবদ্ধ রাখা হয়। সরকারি এই নির্দেশিকা যাতে অক্ষরে অক্ষরে পালিত হয়, তার জন্য আজ সকাল থেকেই কলকাতার পার্ক সার্কাস, রেড রোড সংলগ্ন এলাকা, জাকারিয়া স্ট্রিট এবং হাওড়ার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন ছিল।

    উৎসবের আনন্দ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ

    সরকারি এই কড়াকড়ির মধ্যেও উৎসবের আমেজে কোনও খামতি দেখা যায়নি। রাজ্যের মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষ অত্যন্ত উৎসাহ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়েই বকরি ইদের নামাজ আদায় করেন। তবে সবটাই সম্পন্ন হয় নির্দিষ্ট ধর্মীয় স্থান ও ইদগাহের (Bakrid) ভেতরে। রাস্তাঘাট ফাঁকা (Kolkata Eid Namaz) থাকায় অন্যান্য ধর্ম বা সম্প্রদায়ের মানুষের নিত্যদিনের যাতায়াতে কোনও সমস্যা তৈরি হয়নি।

    কলকাতার এক বাসিন্দা জানান, “বিগত কয়েক দশক ধরে ইদের দিন সকালের দিকে কলকাতার বুক চিরে যাতায়াত করা অসম্ভব হয়ে পড়ত। বাস, ট্যাক্সি বা অ্যাম্বুলেন্সকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হতো। তবে এবার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। সুশৃঙ্খলভাবে নামাজও সম্পন্ন হয়েছে, আবার সাধারণ মানুষের যাতায়াতেও কোনো বিঘ্ন ঘটেনি।”

    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও মুখ্যমন্ত্রীর অবস্থান

    রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের মতে, এই প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলার ইতিহাসে একটি বড় পরিবর্তন। বিগত দেড় দশক ধরে রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনামলে উৎসবের দিনগুলিতে বড় রাস্তা বন্ধ (Kolkata Eid Namaz) করে নামাজ পড়ার দৃশ্য ছিল অত্যন্ত সাধারণ। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং সেই সমস্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকতেন (Bakrid)।

    তবে সাম্প্রতিক ক্ষমতা পরিবর্তনের পর, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার প্রথম থেকেই স্পষ্ট করে দিয়েছিল যে, আইন সবার জন্য সমান এবং ধর্মীয় আচরণের কারণে সাধারণ মানুষের নাগরিক অধিকার বা জনজীবন ব্যাহত হতে দেওয়া যাবে না। আজ ইদের দিনেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মায়াপুরের ইসকন মন্দিরে গিয়ে গো-মাতার পুজো এবং আরতিতে অংশ নেন, যা রাজ্যের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে এক আমূল পরিবর্তনের স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    সর্বস্তরের সহযোগিতা ও শান্তি বজায়

    পুলিশ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্তারা জানিয়েছেন, সরকারি নির্দেশিকা কার্যকরের ক্ষেত্রে স্থানীয় মানুষ এবং ধর্মীয় সংগঠনগুলির কাছ থেকে আশানুরূপ সহযোগিতা মিলেছে। কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা বা উত্তেজনার খবর পাওয়া যায়নি। রাস্তাঘাটে (Kolkata Eid Namaz) সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হয়েছে এবং ড্রোন ব্যবহার করে ডাইভারশন রোডগুলির পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে, কড়া প্রশাসনিক নজরদারি এবং আমজনতার সহযোগিতায় এবারের বকরি ইদ পশ্চিমবঙ্গে এক ভিন্ন দৃষ্টান্ত স্থাপন করল, যেখানে ধর্মীয় ভাবাবেগ বজায় রাখার পাশাপাশি নাগরিক স্বাচ্ছন্দ্যকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

  • Karnataka Politics: মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানালেন সিদ্দারামাইয়া, জানুন আসল কারণ

    Karnataka Politics: মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানালেন সিদ্দারামাইয়া, জানুন আসল কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানালেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী কংগ্রেসের সিদ্দারামাইয়া। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার সহকর্মীদের নিয়ে প্রাতরাশ বৈঠকে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর। সেখানেই পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেন তিনি। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন উপমুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমারও। এই শিবকুমারই সিদ্ধারামাইয়ার সম্ভাব্য উত্তরসূরি বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের। এদিনই বিকেলে সিদ্ধারামাইয়া আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারেন বলেই খবর। সিদ্ধারামাইয়া জানান, যদিও রাজ্যপাল ব্যক্তিগত কাজে রাজ্যের বাইরে রয়েছেন, তবুও তিনি তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দেবেন। কর্নাটক বিধানসভার নেতা নির্বাচনের জন্য শীঘ্রই কংগ্রেস বিধায়ক দলের বৈঠক হবে।

    এবার মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে কে (Karnataka Politics)

    মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে প্রকাশিত ছবিতে দেখা গিয়েছে, সিদ্ধারামাইয়া শিবকুমারকে আলিঙ্গন করছেন। আর একটি ছবিতে দেখা গিয়েছে, শিবকুমার মুখ্যমন্ত্রীর পায়ে হাত দিয়ে আশীর্বাদ নিচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রীর দফতর সূত্রে খবর, কংগ্রেস নেতৃত্বের কাছ থেকে রাজ্যে নেতৃত্ব পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়ার পর সিদ্ধারামাইয়া রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চেয়েছিলেন। তবে লোকভবনের সূত্র জানিয়েছে, রাজ্যপাল থাওয়ারচাঁদ গেহলটের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য এখনও কোনও অনুরোধ করা হয়নি। তিনি ব্যক্তিগত কারণে ইন্দোরে গিয়েছেন। বুধবার কংগ্রেস নেতা তথা কর্নাটকের দায়িত্বপ্রাপ্ত এআইসিসি সাধারণ সম্পাদক রণদীপ সিং সুর্যেওয়ালা (Randeep Singh Surjewala) জানিয়েছিলেন, দল কংগ্রেস বিধায়ক দলের কোনও বৈঠক ডাকেনি। এ বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়নি। সংবাদ মাধ্যমকে জল্পনা এড়ানোর আহ্বানও জানান তিনি।

    সিদ্ধারামাইয়ার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত কেন

    প্রসঙ্গত, বুধবারই বেঙ্গালুরু পৌঁছে সুরজেওয়ালা সিদ্ধারামাইয়া ও দলের অন্য শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। অসমর্থিত সূত্রের খবর, কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব সিদ্ধারামাইয়াকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়তে বলেছেন। তাঁকে জাতীয় স্তরে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ও রাজ্যসভার সদস্য হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। সিদ্ধারামাইয়া এখনও সেই প্রস্তাবে হ্যাঁ বলেননি বলেই খবর। ওই সূত্রেরই খবর, সিদ্ধারামাইয়া পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কারণ এই বার্তাটি সরাসরি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী তাঁকে দিয়েছেন। এর আগে সিদ্ধারামাইয়া বলেছিলেন, “লোকসভায় বিরোধী দলের নেতা যদি তাঁকে পদত্যাগ করতে বলেন, তবে তিনি তা করবেন।” জানা গিয়েছে, চলতি সপ্তাহেই সিদ্ধারামাইয়া এবং শিবকুমারকে দলীয় নেতৃত্ব তলব করেছিল দিল্লিতে। কংগ্রেসের সদর দফতরে আয়োজিত ওই বৈঠকে রাহুল ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, কেসি বেণুগোপাল এবং রণদীপ সিং সুর্যেওয়ালা। সেই বেশ কয়েক দফায় আলোচনা হয়েছে। তার পরেই সতীর্থদের কাছে পদত্যাগের ইচ্ছের কথা জানান সিদ্দারামাইয়া।

     

  • TMC Inner Clash: কল্যাণের মুখে ‘কু-কথা’র ফুলঝুরি! লোকসভার স্পিকারকে চিঠি কাকলির, দুই তৃণমূলী সাংসদের লড়াই প্রকাশ্যে

    TMC Inner Clash: কল্যাণের মুখে ‘কু-কথা’র ফুলঝুরি! লোকসভার স্পিকারকে চিঠি কাকলির, দুই তৃণমূলী সাংসদের লড়াই প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দল এবং দলনেত্রী গোহারা হেরে গিয়ে গর্তে সেঁধিয়েছেন! ভয়াল ঘূর্ণিঝড় যেমন শক্তি খুইয়ে ডাঙায় আছড়ে পড়ে, ঠিক তেমনি মিউ মিউ করতে করতে ঘরে ঢুকে গিয়েছেন ‘ভাতিজা’ও! ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে তাঁর যে ‘বিক্রম’ দেখা গিয়েছিল প্রচার (Kalyan Banerjee) মঞ্চে, নায়কোচিত ভঙ্গিতে হেঁটে হেঁটে তাঁর সেই সব ‘উসকানিমূলক’ (অভিযোগ) ভাষণ এবং প্রতিষ্ঠান-বিরোধী মন্তব্য (যা নিয়ে এফআইআর দায়ের হয়েছে) যা শুনে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের হাততালিতে ফেটে পড়েছিল সভামঞ্চ, যেসব ‘বক্তিমে’ দিয়ে তৃণমূলে তিনি নিজেকে আক্ষরিক অর্থেই ‘লার্জার দ্যান পার্টি’ ইমেজ তুলে (Kakoli Ghosh Dastidar) ধরেছিলেন, নির্বাচনে দলের পাশাপাশি ‘পিসিমণি’ও হেরে যেতে, সেই তিনিই মিইয়ে গিয়েছেন, সস্তা দরে কেনা মুড়ির মতো! ‘বুয়া-ভাতিজা’র প্রবল প্রতাপের জেরে দলের অন্দরে যাঁরা এতদিন ট্যাঁ-ফোঁ করতে পারতেন না, নির্বাচন-উত্তর কালে তাঁরাই ‘খেলছেন’ চালিয়ে।

    স্পিকারকে চিঠি কাকলির (Kakoli Ghosh Dastidar)

    ফেরা যাক খবরে। গত কয়েকদিন ধরে রাজ্যের ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের কাজকর্ম নিয়ে যখন চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ, তখন আরও একটি খবর নজর কেড়েছে রাজ্যবাসীর। সেটি হল তৃণমূলের অন্দরে শুরু হওয়া মুষলপর্ব। দলের বিভিন্নস্তরের নেতা-কর্মীরা যেমন একদিকে তোপ দাগতে শুরু করেছেন নেত্রী এবং তাঁর স্তাবকদের তাক করে, তেমনি কল্যাণ-কাকলির দ্বন্দ্বও (Kalyan vs Kakoli) হেডলাইন হচ্ছে সংবাদ মাধ্যমের। তবে এবার শ্রীরামপুরের সাংসদ তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ তুলে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিলেন দলেরই সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার। কল্যাণের বিরুদ্ধে মৌখিক হেনস্থার অভিযোগ দায়ের করার অনুমতি চেয়ে বুধবার স্পিকারকে চিঠি দিয়েছেন বারাসতের ঘাসফুল প্রতীকে জয়ী সাংসদ কাকলি (Kakoli Ghosh Dastidar)।

    কল্যাণের বিরুদ্ধে নারীবিদ্বেষের অভিযোগ

    বারাসতের সাংসদের অভিযোগ, কল্যাণ লোকসভার ভেতরে তাঁকে বার বার মৌখিকভাবে হেনস্থা করেছেন। কল্যাণের বিরুদ্ধে নারীবিদ্বেষের অভিযোগও তুলেছেন কাকলি। স্পিকারকে লেখা চিঠিতে তাঁর দাবি, লোকসভার মহিলা সদস্যদের প্রতি কল্যাণের নারীবিদ্বেষী মনোভাবও স্পষ্ট। তাই কল্যাণের শাস্তি পাওয়া উচিত বলেই মনে করেন কাকলি। কাকলি লিখেছেন, “আপনার কাছ থেকে লোকসভার সদস্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ফর্ম্যাল অভিযোগ দায়ের করার অনুমতি চাইছি। লোকসভার ভেতরে আমায় বারবার মৌখিকভাবে অপমান করেছেন কল্যাণ। এই ধরনের নারীবিদ্বেষী আচরণ শুধু আমার বিরুদ্ধেই নয়, বহু মহিলা সাংসদের বিরুদ্ধেও হয়েছে। এর (Kalyan Banerjee) উপযুক্ত শাস্তি হওয়া প্রয়োজন।”

    কাকলির চাঁদমারি

    রবিবারই বারাসত সাংগঠনিক জেলার সভানেত্রী পদে ইস্তফা দেন কাকলি। তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের উদ্দেশে পাঠানো ওই চিঠিতে তিনি লিখেছিলেন, ‘‘যে পদে থাকাকালীন মহিলা সাংসদের ওপর অন্য এক অশিক্ষিত, অভদ্র দলীয় সাংসদের অশালীন আচরণ বন্ধ করা যায় না বা ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের সহযোগিতা-সহানুভূতি পাওয়া যায় না, তখন আর সে পদে থাকার মানে হয় না।’’ নাম না-করলেও, তৃণমূলেরই নেতাদের একটা বড় অংশই মনে করেন কাকলির চাঁদমারি কল্যাণই।

    কী বললেন কল্যাণ

    শ্রীরামপুরের সাংসদ বলেন, “আমি কোনও চিঠি পাইনি। স্পিকার যদি এই বিষয়ে কোনও ব্যাখা চান, তাহলে উত্তর দিয়ে দেব। এটা স্রেফ নিজের বাজারদর বাড়ানো ছাড়া আর কিছুই নয়।” তাঁর প্রশ্ন, “চিঠিতে আজকের তারিখ অর্থাৎ ২৮ মে-র উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু, আজ তো ছুটি! তাহলে কীভাবে তিনি (কাকলি) অভিযোগ করলেন?” কল্যাণ বলেন, “অভিযোগ থাকলে আগে কেন জানানো হয়নি। এতদিন পর কেন জানানো হচ্ছে? আসলে এই অভিযোগ মিথ্যে। তাছাড়া, এটা আফটারশক (Kakoli Ghosh Dastidar)।” কাকলির অভিযোগ প্রসঙ্গে বুধবারই কল্যাণ বলেছিলেন, ‘‘২০১১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত আমি সংসদীয় দলের মুখ্যসচেতক পদে ছিলাম। মাঝখানে কয়েক মাস ওই দায়িত্বে ছিলাম না। ওঁর (কাকলির) আবার কীসের এত কথা? নারদকাণ্ডে তো আমি পাঁচ লক্ষ টাকা নিইনি। উনি নিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে ‘সিন্ডিকেট’ শব্দের জন্মদাত্রী কে? সকলেই জানেন। সেই সিন্ডিকেটের জন্মস্থান রাজারহাট।’’ কল্যাণের বিরুদ্ধে গালিগালাজ করারও অভিযোগ তুলেছেন বারাসতের সাংসদ। যদিও কল্যাণের পাল্টা অভিযোগ, কাকলির মুখেই ছোটে কু-কথার ফুলঝুরি। এই একই অভিযোগ তুলে স্পিকারকে চিঠি দিয়েছেন কাকলি (Kakoli Ghosh Dastidar)।

    প্রশ্ন যেখানে

    রাজনৈতিক মহলের মতে, রীতি অনুযায়ী, দলীয় সাংসদের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ থাকলে তা প্রথমে জানাতে হয় দলীয় নেতৃত্বের কাছে। সেই অর্থে, কাকলির উচিত ছিল খাতায়-কলমে সংসদীয় দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানানো। সেটা না করে কেন তিনি সটান স্পিকারকে চিঠি লিখে বসলেন, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন (Kalyan Banerjee)।

    আকচাআকচির ‘কহানি’

    যাঁরা দিল্লির রাজনীতির হাঁড়ির খবরাখবর রাখেন, তাঁদেরই কয়েকজন জানান, দল আলাদা হলেও স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে কল্যাণের সম্পর্ক বরাবরই ভাল। এই পরিস্থিতিতে কাকলির চিঠির প্রেক্ষিতে কল্যাণের বিরুদ্ধে স্পিকার কী স্টেপ নেন, সেটাই দেখার। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কাকলি-কল্যাণের এই দ্বন্দ্ব নতুন কিছু নয়। রাজ্যে যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়র সরকার ক্ষমতায় ছিল, তখনই প্রকাশ্যে চলে এসেছিল তৃণমূল সুপ্রিমোর ঘনিষ্ঠ এই দুই নেতানেত্রীর আকচাআকচির ‘কহানি’। নির্বাচনে তার প্রভাব পড়তে পারে এবং বিরোধীরা এই লড়াইকে হাতিয়ার করতে পারে ভেবে তৃণমূল নেত্রী এতদিন বিষয়টি ধামাচাপা দিয়ে রেখেছিলেন। দল মুখ থুবড়ে পড়তেই, বল্গাহীন ঘাসফুলের সৈনিকরা। এখন দেখার, এমন আগুনে-পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেন তৃণমূল নেত্রী (Kakoli Ghosh Dastidar)।

     

  • Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার মায়াপুরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু, ইদের দিনেই করলেন গো-মাতার পুজো, যজ্ঞ

    Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার মায়াপুরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু, ইদের দিনেই করলেন গো-মাতার পুজো, যজ্ঞ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য প্রশাসনে পালাবদলের পর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এই প্রথম মায়াপুরের ইসকন মন্দিরে (Mayapur Iskcon Temple) এলেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রশাসনিক ও দলীয় সূত্র অনুযায়ী, মূলত গো-সেবা এবং বিশেষ পুজোর উদ্দেশ্যেই বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর এই সফর। ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, ইদের দিনে রেড ময়দানের নামাজে তোষণের রাজনীতি করতে যাননি, ইস্কন মন্দিরে গো-মাতার পুজো করে হিন্দুত্বের বার্তাই আরও একবার দিয়েছেন।

    রাজকীয় অভ্যর্থনা ও গো-সেবা (Suvendu Adhikari)

    বৃহস্পতিবার সকাল ঠিক এগারোটা নাগাদ মায়াপুরের ইসকন মন্দিরে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেখানে মন্দিরের সন্ন্যাসীরা তাঁকে পুষ্পস্তবক ও মাল্যদানে স্বাগত জানান। এরপর তিনি সরাসরি চলে যান মন্দিরের গোশালায় (Mayapur Iskcon Temple)। সেখানে গো-মাতার উদ্দেশে আয়োজিত একটি বিশেষ যজ্ঞ ও পুজোপাঠে অংশ নেন। যজ্ঞের পূর্ণাহুতির পর বিগ্রহকে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম জানান শুভেন্দু অধিকারী। এরপর নিজ হাতে গো-মাতাকে আম ও মিষ্টি খাইয়ে সেবা করেন এবং মাল্যদান করেন।

    মূল মন্দির দর্শন ও সৌজন্য সাক্ষাৎ

    গোশালায় আচার অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ইসকনের মূল মন্দির অর্থাৎ চন্দ্রোদয় মন্দিরে প্রবেশ করেন। সেখানে তিনি পরম শ্রদ্ধায় শ্রীশ্রী রাধামাধব বিগ্রহ দর্শন ও আরতিতে অংশ নেন। মন্দির চত্বরে মহাপ্রসাদ গ্রহণের পর তিনি ইসকনের (Mayapur Iskcon Temple) বরিষ্ঠ সন্ন্যাসীদের সঙ্গে একটি সৌজন্যমূলক সাক্ষাতে মিলিত হন। এই সফর প্রসঙ্গে সাংবাদিকরা রাজনৈতিক বিষয়ে জানতে চাইলে মুখ্যমন্ত্রী অত্যন্ত সংক্ষেপে জানান, “এখানে কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বা কর্মসূচি নিয়ে আমি আসিনি। সম্পূর্ণ ধর্মীয় ভাবাবেগে শুধুমাত্র পুজোদানের উদ্দেশ্যে এই আগমন, তাই আজ কোনও রাজনৈতিক মন্তব্য করব না।”

    প্রশাসনিক তৎপরতা ও ব্যস্ত সূচি

    মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari) এই মায়াপুর সফরকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসনের নিরাপত্তা ও তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী পদে আসীন হওয়ার পর গত মঙ্গলবারই নদিয়ার কল্যাণীতে তিনি প্রথম প্রশাসনিক বৈঠক করেছিলেন। তার ঠিক একদিন পরেই ফের নদিয়া জেলায় এলেন তিনি। মায়াপুরের (Mayapur Iskcon Temple) কর্মসূচি শেষে বিকেলে তাঁর হাওড়ার ডুমুরজলা স্টেডিয়ামের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।

    রাজনৈতিক মহলের বিশ্লেষণ, পরিবর্তনের ধারা

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)  এই সফরের দিনক্ষণ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আজ দেশজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র বকরি ইদ। বিগত দেড় দশক ধরে রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিশেষ দিনে ইদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে শামিল হতেন এবং তাঁকে নামাজেও অংশ নিতে দেখা যেত। তবে এবার ক্ষমতার পরিবর্তনের পর, ইদের দিনটিতেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মায়াপুরে (Mayapur Iskcon Temple) এসে গোমাতার পুজোও সনাতনী আচারকে বেছে নিলেন। মুখে রাজনৈতিক বার্তা না দিলেও, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে তিনি রাজ্যে এক নতুন ধারার সূচনা করলেন বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

  • PM Modi: “তাঁর সাহস ও দেশপ্রেম সর্বদা অনুপ্রেরণা জোগাবে”, বীর সাভারকরের জন্মজয়ন্তীতে গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন প্রধানমন্ত্রী মোদির

    PM Modi: “তাঁর সাহস ও দেশপ্রেম সর্বদা অনুপ্রেরণা জোগাবে”, বীর সাভারকরের জন্মজয়ন্তীতে গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহান স্বাধীনতা সংগ্রামী বিনায়ক দামোদর সাভারকরের জন্মজয়ন্তীতে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বীর সাভারকরের (Veer Savarkar) জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সাভারকরের অদম্য সাহস এবং দেশপ্রেম চিরকাল দেশবাসীকে অনুপ্রাণিত করবে।” একই সঙ্গে তাঁর তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমত্তা এবং সমাজ সংস্কারের ওপর দেওয়া বিশেষ জোরের কথাও অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

    নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বীর সাভারকারের জন্মদিনে অভিনন্দন জানিয়ে বিশেষ মন্তব্য করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’ (X)-এ প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “বীর সাভারকরের জয়ন্তীতে তাঁকে সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করি। তাঁর অসীম সাহস ও গভীর দেশপ্রেম প্রতিটি নাগরিকের হৃদয়ে সর্বদা অনুপ্রেরণা জোগাবে। এর পাশাপাশি তাঁর অসামান্য বুদ্ধিমত্তা এবং সমাজ সংস্কারের ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অত্যন্ত স্মরণীয় ও তাৎপর্যপূর্ণ।”

    ‘অস্ত্র ও শাস্ত্রের উপাসক’, সাভারকরের বহুমুখী ব্যক্তিত্ব (PM Modi)

    শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপনের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) একটি বিশেষ ভিডিও বার্তা শেয়ার করেন। সেখানে তিনি বীর সাভারকরের (Veer Savarkar)  বহুমুখী প্রতিভার কথা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ ২৮ মে, মহান স্বাধীনতা সংগ্রামী বীর সাভারকরের জন্মজয়ন্তী। তাঁর ত্যাগ, বীরত্ব এবং সংকল্প আমাদের অনবরত প্রেরণা দিয়ে চলেছে। সাভারকরজির ব্যক্তিত্ব ছিল অনন্য বৈশিষ্ট্যে ভরপুর। তিনি একাধারে যেমন অস্ত্রের উপাসক ছিলেন, তেমনই ছিলেন শাস্ত্রের একনিষ্ঠ সাধক।” প্রধানমন্ত্রী আরও যোগ করেন, “সাভারকর কেবল একজন নির্ভীক সংগ্রামীই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন শক্তিশালী কবি এবং দূরদর্শী সমাজ সংস্কারক, যিনি সমাজ থেকে অস্পৃশ্যতা ও ভেদাভেদ দূর করে জাতীয় ঐক্য ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার জন্য আজীবন কাজ করে গেছেন।”

    আন্দামানের ‘কালাপানি’ স্মৃতি রোমন্থন

    ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের সেলুলার জেলে তাঁর সফরের আবেগঘন স্মৃতি স্মরণ করেন। যেখানে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসকেরা বীর সাভারকরকে কঠোর ‘কালাপানি’ বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দিয়ে বন্দি করে রেখেছিল, জীবনের ২৫টি বছর জেল খেটেছেন । তাঁর ত্যাগ দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত আবেগপূর্ণ কণ্ঠে বলেন, “আমি সেই দিনটির কথা কখনই ভুলতে পারব না, যখন আমি আন্দামানের সেই ঐতিহাসিক কারাগারে গিয়েছিলাম যেখানে বীর সাভারকরজি কালাপানির নির্মম নির্যাতন সহ্য করেছিলেন। সাভারকরজির ব্যক্তিত্ব ছিল অত্যন্ত বলিষ্ঠ এবং সুবিস্তৃত। তাঁর নির্ভীক ও আত্মমর্যাদাশীল স্বভাব কখনোই দাসত্বের মানসিকতার কাছে মাথা নত করেনি। দেশের স্বাধীনতার জন্য তাঁর সর্বস্ব ত্যাগ ও অবদানকে আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি।”

    চন্দ্রনাথ বসুর হিন্দুত্বে প্রভাবিত

    উল্লেখ্য, ১৮৮৩ সালের ২৮ মে মহারাষ্ট্রের নাসিকে জন্মগ্রহণ করেন বিনায়ক দামোদর সাভারকর, যিনি দেশবাসীর কাছে ‘বীর সাভারকর’ (Veer Savarkar) নামে সমধিক পরিচিত। তিনি ছিলেন একাধারে বিশিষ্ট স্বাধীনতা সংগ্রামী, রাজনীতিবিদ, আইনজীবী এবং লেখক। ভারতীয় জাতীয়তাবাদের ইতিহাসে ‘হিন্দুত্ব’ (Hindutva) শব্দটির প্রবক্তা হিসেবে তিনি ব্যাপকভাবে পরিচিত এবং হিন্দু মহাসভার অন্যতম শীর্ষ নেতা ছিলেন।

    লোকমান্য তিলকের আদর্শ তাঁকে গভীরভাবে করেছিল

    বিদ্যালয়ে পড়ার সময় থেকেই তিনি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন এবং পুনের ফার্গুসন কলেজে অধ্যায়নকালেও এই ধারা বজায় রাখেন। উনিশ শতকের বাঙালি চন্দ্রনাথ বসুর ১৮৯২ সালে লেখা “হিন্দুত্ব” গ্রন্থের দ্বারা ব্যাপক ভাবে অনুপ্রাণিত হয়েছিল বীর সাভারকার। একজন মারাঠার রক্তে গতি স্রোত বইয়ে দিয়েছিলেন চন্দ্রনাথ বসু। সেই সঙ্গে হিন্দুত্বের মধ্যে জাতীয়তাবাদী নেতা লোকমান্য তিলকের আদর্শ তাঁকে গভীরভাবে করেছিল। পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যে আইন পড়ার সময় তিনি ‘ইন্ডিয়া হাউস’ এবং ‘ফ্রি ইন্ডিয়া সোসাইটি’-র মতো বিপ্লবী সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন। ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহকে কেন্দ্র করে তাঁর রচিত ‘দ্য ইন্ডিয়ান ওয়ার অফ ইন্ডিপেন্ডেন্স’ বইটি তৎকালীন ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। ভারতের স্বাধীনতার জন্য তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর ত্যাগের কথা দেশজুরে অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে আপমার দেশবাসী।

    “হিন্দু” শব্দটিকে শুধু ধর্মীয় পরিচয় হিসেবে নয়

    সভারকার স্বয়ং দয়ানন্দ সরস্বতী, স্বামী বিবেকানন্দ ও শ্রী অরবিন্দ সমাজ সংস্কার এবং হিন্দুধর্মকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার কাজ করেছিলেন। কিন্তু সাভারকর হিন্দু জাতীয়তাবাদের আরও কঠোর ও রাজনৈতিক একটি ধারণা তৈরি করেন। কারাগারে থাকার সময় সাভারকরের চিন্তাধারা ধীরে ধীরে হিন্দু সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক জাতীয়তাবাদের দিকে চলে যায়। পরে তিনি পুরো জীবন এই ধারণা প্রচারে ব্যয় করেন। রত্নগিরি জেলে থাকাকালে তিনি “হিন্দুত্বের অপরিহার্যতা” নামে একটি বই লেখেন।

    এই বইয়ে তিনি “হিন্দু” শব্দটিকে শুধু ধর্মীয় পরিচয় হিসেবে নয়, বরং ভারতের প্রতি অনুগত মানুষের পরিচয় হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি মনে করতেন হিন্দু, শিখ, জৈন ও বৌদ্ধ সবাই একই সাংস্কৃতিক পরিবারের অংশ। তাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি “হিন্দু রাষ্ট্র” গঠন করা উচিত, যা পুরো ভারতীয় উপমহাদেশজুড়ে বিস্তৃত হবে।

    সাভারকর হিন্দু সমাজের অনেক পুরোনো রীতি ও কুসংস্কারের সমালোচনা করতেন। তিনি মনে করতেন এসব কারণে হিন্দু সমাজের উন্নতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তবে তিনি এটাও বিশ্বাস করতেন যে ধর্ম হিন্দু পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি বর্ণপ্রথার বিরোধিতা করেছিলেন। ১৯৩১ সালে লেখা এক প্রবন্ধে তিনি বলেন, কঠোর বর্ণব্যবস্থা অতীতের এমন একটি প্রথা যা বাতিল করে দেওয়া উচিত। আজ দেশজুড়ে তাঁর জন্মজয়ন্তীতে হিন্দুত্বের জয় গান ধ্বনিত হচ্ছে সারা দেশব্যাপী।

  • Amit Shah: সীমান্তে কড়া অ্যাকশন অমিত শাহের, ১৫ কিমির মধ্যে সব অবৈধ নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ

    Amit Shah: সীমান্তে কড়া অ্যাকশন অমিত শাহের, ১৫ কিমির মধ্যে সব অবৈধ নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতে এবার আরও কড়া অবস্থান নিল কেন্দ্র। সীমান্তের ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে গড়ে ওঠা সমস্ত অবৈধ নির্মাণ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পাশাপাশি সীমান্ত জেলায় বেআইনি আর্থিক লেনদেন, জাল আধার চক্র, মাদক পাচার, অনুপ্রবেশ এবং ভুয়ো সংস্থার বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারির নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার রাজস্থানের বিকানেরে ভারত-পাকিস্তান সীমান্তবর্তী জেলার নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা বৈঠকে এই নির্দেশ দেন অমিত শাহ। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল শর্মা, রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিক, পাঁচ সীমান্ত জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপাররা। এই পাঁচ জেলা হল বিকানের, জয়সলমের, বারমের, শ্রীগঙ্গানগর এবং ফলোদি।

    ১৫ কিমি সীমান্ত এলাকায় অবৈধ নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ

    বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট নির্দেশ দেন যে, সীমান্ত থেকে ১৫ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে বেআইনিভাবে তৈরি হওয়া সমস্ত নির্মাণের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করতে হবে। বছরের পর বছর ধরে গড়ে ওঠা এই ধরনের সমস্ত অবৈধ কাঠামো চিহ্নিত করে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের মতে, সীমান্তবর্তী এলাকায় অবৈধ নির্মাণ অনেক সময় অনুপ্রবেশ, চোরাচালান, বেআইনি আর্থিক লেনদেন এবং জঙ্গি কার্যকলাপের আড়াল হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। তাই এই ধরনের নির্মাণের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

    ব্যাঙ্ক লেনদেন ও ভুয়ো সংস্থার উপর কড়া নজর

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সীমান্তবর্তী জেলার জেলাশাসকদের আরও বেশি ক্ষমতা ও দায়িত্ব দিয়েছে। নির্দেশ অনুযায়ী, সীমান্ত এলাকায় সমস্ত ব্যাঙ্কের আর্থিক লেনদেনের বৈধতা খতিয়ে দেখতে হবে। বিশেষ করে বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলির অর্থের উৎস যাচাই, ভুয়ো সংস্থা বা শেল কোম্পানি শনাক্ত করা, মিউল অ্যাকাউন্টের সন্ধান এবং জাল আধার কার্ড চক্র ধরতে হবে প্রশাসনকে। আধিকারিকদের মতে, সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অনেক সময় ভুয়ো অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে অর্থ পাচার, জঙ্গি অর্থায়ন এবং আন্তর্জাতিক চোরাচালান চালানো হয়। সেই কারণেই আর্থিক নজরদারিকে এবার নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ করা হচ্ছে।

    মাদক পাচার ও অপরাধ চক্রের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা

    বৈঠকে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিকে মাদক পাচার ও অপরাধ চক্রের উৎস, নেটওয়ার্ক এবং কার্যপদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত সমীক্ষা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু তাৎক্ষণিক অভিযান নয়, যাতে ভবিষ্যতে এই ধরনের অপরাধ ফের মাথাচাড়া না দেয়, সেই লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান তৈরির উপর জোর দিয়েছেন শাহ। তিনি বলেন, ‘‘সীমান্ত সুরক্ষা শুধু নিরাপত্তা বাহিনীর কাজ নয়, এর সঙ্গে সাধারণ মানুষ, প্রশাসন এবং বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থাকেও একযোগে কাজ করতে হবে। সেই কারণে প্রতিটি সীমান্ত জেলার জন্য ‘৩৬০ ডিগ্রি সিকিউরিটি কভার’ তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’’

    বিএসএফ, এনসিবি ও কর দফতরের যৌথ সমন্বয়ের উপর জোর

    অমিত শাহ সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় বিএসএফ, সিবিডিটি, নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি) এবং রাজ্য প্রশাসনের মধ্যে সমন্বিত পদক্ষেপের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। অনুপ্রবেশ, মাদক পাচার, জমি দখল, জঙ্গি অর্থায়ন এবং অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় যৌথ কৌশল গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম-২ দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ

    সীমান্তবর্তী গ্রামের উন্নয়নেও জোর দিয়েছে কেন্দ্র। বৈঠকে ‘ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম-২’ দ্রুত কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের লক্ষ্য সীমান্ত গ্রামের পরিকাঠামো উন্নয়ন, প্রশাসনিক পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া, অর্থনৈতিক অপরাধ রোধ এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা। শাহ নির্দেশ দেন, সীমান্ত গ্রামের প্রতিটি পরিবার যাতে কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে। অর্থাৎ ১০০ শতাংশ ‘স্যাচুরেশন’ নিশ্চিত করতে হবে প্রশাসনকে।

    সাইবার অপরাধ রুখতে ‘১৯৩০’ হেল্পলাইনের ব্যবহার বাড়ানোর নির্দেশ

    সাইবার অপরাধ মোকাবিলাতেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্দেশ দেন, জাতীয় সাইবার প্রতারণা হেল্পলাইন ‘১৯৩০’-এর কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সীমান্তবর্তী এলাকায় অনলাইন প্রতারণা, ডিজিটাল আর্থিক জালিয়াতি এবং সাইবার অপরাধ রুখতে এই ব্যবস্থাকে আরও সক্রিয় করার কথা বলা হয়েছে।

    দু’মাস পর ফের পর্যালোচনা

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, আগামী দু’মাস পর এই সমস্ত নির্দেশের অগ্রগতি নিয়ে ফের পর্যালোচনা বৈঠক করা হবে। তাই প্রতিটি জেলাকে ফলপ্রসূ ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে বলে কড়া বার্তা দিয়েছেন অমিত শাহ। বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তান সীমান্ত ঘেঁষা রাজস্থানের মরু অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে মাদক পাচার, ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্র সরবরাহ এবং বেআইনি আর্থিক লেনদেনের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় কেন্দ্র এবার আরও কড়া নিরাপত্তা নীতি গ্রহণ করছে।

LinkedIn
Share