Tag: bangla news

bangla news

  • PM Modi in North Bengal: ‘বামেদের ৩৫ বছর দিয়েছেন, তৃণমূল ১৫ বছর, পাঁচ বছর মোদিকে দিন’! বঙ্গবাসীর কাছে আর্জি প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi in North Bengal: ‘বামেদের ৩৫ বছর দিয়েছেন, তৃণমূল ১৫ বছর, পাঁচ বছর মোদিকে দিন’! বঙ্গবাসীর কাছে আর্জি প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় বামেরা ৩৫ বছর শাসন করেছে। তৃণমূলও ১৫ বছর রাজ্যা চালাল। আগামী পাঁচ বছর বঙ্গবাসীকে মোদির উপর ভরসা রাখার আর্জি জানালেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in North Bengal)। কুশমন্ডির সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘অনুপ্রবেশকারীকে খুঁজে বার করা হবে। বিজেপি পশ্চিমবঙ্গকে আবার বৈভবশালী রাজ্য করবে। তাই আমাদের প্রার্থীদের এখানে হাজির করেছি। বামেদের ৩৫ বছর দিয়েছেন, তৃণমূলকে ১৫, ৫ বছর মোদিকে দিয়ে দেখুন। ডবল ইঞ্জিন সরকার যেখানে, সেখানেই উন্নয়ন। বাড়ি পর্যন্ত পানীয় জল যায়, সে জন্য দিল্লি থেকে টাকা এসেছে। কিন্তু তার মাঝেও টিএমসি ঢুকে পড়েছে। আপনারা বিজেপিকে আনুন। মোদী কি গ্যারান্টি। বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছোবে।’’

    আদিবাসী সমাজের দ্রুত উন্নয়ন

    প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ‘‘বাংলার রাজবংশী সমাজ, সাঁওতাল সমাজের ভূমিকা রয়েছে ভারতের উন্নতিতে। অনেক নায়ক রয়েছেন। তাঁদের জন্য আমরা গর্বিত। আমাদের নিরন্তর প্রয়াস আদিবাসী সমাজের দ্রুত উন্নয়ন হোক। আগে মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায় ছিলেন আদিবাসীরা। আমাদের সরকার মাওবাদী-মুক্ত সমাজ দিয়েছে। বন্দুক নামিয়ে ছেলে মায়ের কাছে ফিরেছেন। আমাদের মন্ত্রিসভায় আদিবাসী রয়েছেন। ওড়িশায় আমাদের মুখ্যমন্ত্রী আদিবাসী মুখ, ঝাড়খণ্ডেও তা-ই। এটাই আমাদের ট্র্যাক রেকর্ড। কিন্তু তৃণমূল সাঁওতাল সমাজকে অপমান করে। রাষ্ট্রপতি মুর্মু এসেছিলেন কিছু দিন আগে। তৃণমূল সংবিধানের মর্যাদা দেয়নি। আদিবাসী সমাজকে অপমান করেছে। তৃণমূলকে সবক শেখানো দরকার। তৃণমূল কখনও আদিবাসী উন্নয়নের শরিক হয়নি।’’

    ‘সমস্ত ধর্ষণের মামলার ফাইল খুলব’

    খাগড়াকুড়ির ময়দানের মঞ্চে প্রার্থীদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করে এদিন মোদি ‘জয় মা কালী’, ‘জয় বাবা ভোলানাথ’ বলে ভাষণ শুরু করেন। তিনি বলেন, ‘‘দক্ষিণ দিনাজপুরের পুণ্যভূমিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে প্রণাম জানাচ্ছি। সবার আগে সকলের কাছে ক্ষমা চাইছি। কারণ, সভার যে প্ল্যানিং করেছেন, যে প্যান্ডেল করেছেন, খুব ছোট হয়ে গিয়েছে। যত জন ভিতরে আছেন, তার তিন গুণ বাইরে আছেন। তাঁদের কাছে ক্ষমা চাইছি। তবে সকলকে আশ্বস্ত করছি, এই পরিশ্রমকে বেকার হতে দেব না। এই ভালবাসা ১০০ গুণ করে ফেরত দেব। উন্নয়নের মাধ্যমে ফেরত দেব। মেয়েদের জন্য মোদির গ্যারান্টি— সমস্ত ধর্ষণের মামলার ফাইল খুলব। খুঁজে খুঁজে হিসেব নেব। কী ভাবে হবে, সেটা ঘোষণাপত্রে বলে দিয়েছে বিজেপি।’’

    বামেদের সব দুর্নীতি তৃণমূলে

    এদিন কুশমুন্ডির সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বরণ করে নেন বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তিনি জানান, সংকল্পপত্রে যা বলা হয়েছে, সেখান থেকে পরিষ্কার এর আগে কোনও প্রধানমন্ত্রী উত্তরবঙ্গের জন্য এত কিছু ভাবেননি। শনিবার বাংলায় একই দিনে তিনটি সভা করেন প্রধানমন্ত্রী। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ায়, মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে। তৃতীয় সভাটি কুশমন্ডিতে। তিনটি সভাতেই তাঁর দাবি, ‘‘বাংলার মানুষ বামেদের সরিয়েছিল। অনেক আশা নিয়ে মা-মাটি-মানুষের কথা শুনে তৃণমূলকে সুযোগ দিয়েছিল। কিন্তু তৃণমূল তো বামেদের কার্বন কপি হয়ে গিয়েছে। সব গুন্ডা তৃণমূলে চলে এসেছে। বামেদের সব দুর্নীতি তৃণমূল নিয়ে নিয়েছে। এখন তারা আবার জয়ের স্বপ্ন দেখছে। কিন্তু ওরা ভুলে যাচ্ছে, এটা নেতাজির মতো বীরের ভূমি। তৃণমূলের ভয়ের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গ পেয়েছে বিজেপির ভরসা। তাই এ বার তৃণমূলকে বার বার বাংলা বলছে, এই সব চলবে না।’’

  • Amit Sha in Bengal: ‘‘ভোটের দিন তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনীকে ঘর থেকে বেরোতে দেব না’’ বাঁকুড়ার সভা থেকে হুঁশিয়ারি শাহের

    Amit Sha in Bengal: ‘‘ভোটের দিন তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনীকে ঘর থেকে বেরোতে দেব না’’ বাঁকুড়ার সভা থেকে হুঁশিয়ারি শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল বাংলায় ভোট। ওই দু’দিন তৃণমূলের ‘গুন্ডাবাহিনী’ যেন ঘরের বাইরে পা না রাখে। শনিবার বাঁকুড়ার ওন্দার নির্বাচনী জনসভা থেকে তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Sha in Bengal)। এদিনের সভায় রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি থেকে শুরু করে আরজি কর কান্ড নিয়ে মমতা সরকারকে নিশানা করেন আমিত শাহ। এসএসসি, পুরনিয়োগ, গরু, ১০০ দিনের কাজ, পিএম আবাস দুর্নীতি কারা করেছে? এদিনের সভা থেকে মমতাকে খোলা প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন শাহ। বিজেপি বাংলায় সরকার গঠন করলে কমিটি করে সব টাকা গরিবদের ফেরানো হবে বলে আশ্বাস দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    সোনার বাংলা গড়ার ডাক

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘হীরক রানী’ বলেও কটাক্ষ করেন মোদির ‘ডেপুটি’। বলেন, ‘‘এই হীরক রানীকে টাটা বাই-বাই করার সময় চলে এসেছে। মোদি সরকার পাঁচ কেজি চাল দিলে তার থেকে ১ কেজি চুরি করে নেয় তৃণমূল সরকার। ওরা ভাবে যা দুর্নীতি করেছে, তার পরে আর কিছু হবে না ওদের। আজ বলছি, সিন্ডিকেটের লোকজন শুনুন, বিজেপির সরকার হলেই গরিবদের সব টাকা ফেরাতে হবে। বাংলার গরিবদের ভোট নিয়ে অনুদান যায় তৃণমূলের গুন্ডাদের ঘরে। মোদিজি লক্ষ কোটি টাকা পাঠিয়েছেন। আপনাদের ঘরে কি গেছে? মোদিজি যে বিকাশের অর্থ পাঠিয়েছিলেন, তা মমতাদিদির সিন্ডিকেট খেয়েছে। ৭০০০ সংস্থা বাংলা ছেড়ে চলে গিয়েছে। মোদিজি ফিরিয়ে আনবেন। রবীন্দ্রনাথের সোনার বাংলা গড়ব আমরা।’’

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি!

    রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনার কথাও বলেন শাহ। তাঁর কথায়, ‘‘কারও চার স্ত্রী রয়েছেন। তা কি থাকা উচিত? দিদিরা বলুন। বিজেপির সরকার করুন, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনব। সকলের জন্য সমান বিধি হবে। লভ জিহাদ বন্ধ হবে। গর্ভবতী মায়েরা ২১ হাজার টাকা পাবেন। ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসার খরচ দিতে হবে না। বিধবা, প্রবীণ দিব্যাঙ্গজনেরা ২০০০ টাকা করে মাসে পাবেন। উত্তরবঙ্গে এমস হবে। চা শ্রমিকদের ভূমির মালিক করা হবে।’’ রাজ্যে মহিলা মুখ্যমন্ত্রী থাকলেও কেন বাংলায় সুরক্ষিত নয় মেয়েরা? প্রশ্ন করেন শাহ। তিনি বলেন, ‘‘মমতাদিদি, আপনি মহিলা মুখ্যমন্ত্রী, তাও আরজি কর, সন্দেশখালির মতো ঘটনা হয়। মমতাদিদি বলেন, সন্ধ্যা ৭টার পরে কারও বাইরে যাওয়া উচিত না। বিজেপির সরকার গড়ুন, রাত ১টায় মহিলারা বাইরে নিরাপদে ঘুরতে পারবেন।’’

    জনজাতিদের উন্নয়ন

    এদিন শাহ বলেন, ‘‘মমতা, কংগ্রেস— এরা কেউ জনজাতির কাউকে রাষ্ট্রপতি করেনি। স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরে নরেন্দ্র মোদীজি সাঁওতাল জনজাতি বোন দ্রৌপদী মুর্মুকে রাষ্ট্রপতি করে জনজাতিদের সম্মান করেছেন। দ্রৌপদীজি এখানে জনজাতিদের সঙ্গে দেখা করার জন্য এসেছিলেন। মমতাজি তাঁর অপমান করেছেন। জনজাতি ভাই-বোনদের বলছি, এই ভোটে জনজাতির মেয়ে দ্রৌপদীর অপমানের বদলা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে নিতে হবে। ওঁরা সহ্য করতে পারেন না, যে জনজাতি গরিবের মেয়ে রাষ্ট্রপতি হয়েছেন। আপনি যা করুন মমতাদিদি, আমরা জনজাতিদের উন্নয়ন করব।’’

    পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে?

    এদিন বাঙালি অস্মিতায় শান দিয়ে শাহ বলেন,‘‘ওরা বলে বেড়াচ্ছে, মোদীজি দিল্লি থেকে শাসন করবে। আমার কথা শুনে রাখুন, বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী যিনি হবেন, তিনি এখানে জন্মগ্রহণ করা, বাংলায় কথা বলা এক জন বিজেপি নেতাই হবেন। সব কৃষকদের এখন ৬০০০ টাকা দেন মোদিজি। বিজেপি এখানে সরকার গড়লে কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৯০০০ টাকা হবে। ধানের এমএসপি ৩১০০ টাকা করা হবে। ৩০০ জনের বেশি বিজেপি কার্যকর্তার হত্যা হয়েছে। তৃণমূলের গুন্ডারা ভাবে, ওদের কিছু হবে না। ৫ মে বিজেপি সরকার গড়ার পরে হত্যাকারীদের জেলে পাঠানো হবে।’’

    আলুর ফলন নিয়ে তোপ

    এদিন মুখ্যমন্ত্রীর জেদের বশে আলু চাষীদের ক্ষতির কথাও বলেন শাহ। তাঁর দাবি, ‘‘বাঁকুড়ায় আলুর ফলন খুব। মমতাদিদির অহঙ্কার দেখুন! নিষিদ্ধ করে দিয়েছে, বলেছেন, বাংলার আলু ওড়িশা, ঝাড়খণ্ডে যাবে না। সেখানকার মানুষ এখানকার মিঠা আলু খেতে চান। পাঠান না। কৃষকদের ২ টাকায় আলু বেচতে বাধ্য করে। বিজেপির সরকার আনুন। ওই দিনই এখানকার আলু পাশের রাজ্যে চলে যাবে। পাঞ্জাব থেকে যাতে আর আলুর বীজ আনতে না হয়, তা দেখব।’’ অনুপ্রবেশকারীরাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রধান ভোটব্যাঙ্ক, অভিযোগ শাহের। তাঁর দাবি, রোহিঙ্গা ও অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচাতে চাইছে রাজ্য সরকার। তাই শাহের আহ্বান,‘‘২৩ এপ্রিল পদ্ম চিহ্নে ভোট দিন। জোরে বোতাম চাপুন, যাতে দিল্লিতে শব্দ যায়। যাতে অনুপ্রবেশকারীদের কারেন্ট লাগে।’’

  • Indian Vessels: ভারতীয় জাহাজের কোনওরকম দুর্ঘটনার খবর মেলেনি, জানালেন মুকেশ মঙ্গল

    Indian Vessels: ভারতীয় জাহাজের কোনওরকম দুর্ঘটনার খবর মেলেনি, জানালেন মুকেশ মঙ্গল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ২৪ ঘণ্টায় কোনও ভারতীয় জাহাজের (Indian Vessels) কোনওরকম দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। শুক্রবার গালফ অঞ্চলে জাহাজ ও নাবিকদের অবস্থা প্রসঙ্গে কথাগুলি বললেন বন্দর, নৌ-পরিবহণ ও জলপথ মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব মুকেশ মঙ্গল। সাংবাদিক বৈঠকে (Seafarers) মঙ্গল জানান, এখনও পর্যন্ত ১,৯২৭ জনেরও বেশি ভারতীয় নাবিককে দেশে ফিরিয়ে আনতে মন্ত্রক সাহায্য করেছে।  এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায়ই দেশে ফেরানো হয়েছে ১২৪ জনকে। তিনি পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কটের সময় বিপন্নদের দেশে ফিরিয়ে প্রত্যাবর্তন প্রচেষ্টার কথাও জানান।

    ভারতীয় নাবিকরা নিরাপদে রয়েছেন (Indian Vessels)

    তিনি বলেন, “এই অঞ্চলে থাকা সমস্ত ভারতীয় নাবিক নিরাপদে রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় কোনও ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজের সঙ্গে কোনও দুর্ঘটনাও ঘটেনি। এখন পর্যন্ত ১,৯২৭ জনেরও বেশি ভারতীয় নাবিককে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ১২৪ জনও রয়েছেন।” মন্ত্রক জানিয়েছে, নাবিকদের কল্যাণ ও নিরবচ্ছিন্ন সামুদ্রিক কার্যকলাপ নিশ্চিত করতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ জন্য বিদেশমন্ত্রক, বিদেশে ভারতীয় মিশন এবং অন্যান্য সামুদ্রিক অংশীদারদের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে (Indian Vessels)। মঙ্গল জানান, বাণিজ্যিক মহলের উদ্বেগ দূর করতে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে, যাতে লজিস্টিক জটিলতা এড়ানো যায়। তিনি বলেন, “আজ বন্দর, নৌ-পরিবহণ ও জলপথ মন্ত্রী বর্তমান পরিস্থিতি, সমস্ত বন্দর এবং আমাদের মন্ত্রকের অধীনস্থ সংস্থাগুলির সঙ্গে পর্যালোচনা করেছেন এবং বন্দর-সহ ডিজি শিপিংকে নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে রপ্তানিকারী বা অন্য কারও কাছ থেকে আসা সমস্যাগুলির দ্রুত সমাধান করা হয়।”

    ভারতীয় জাহাজ-নাবিকদের ওপর নিবিড় নজর

    গত ৮ এপ্রিল মঙ্গল জানিয়েছিলেন, পশ্চিম এশিয়ায় সমস্ত ভারতীয় নাবিক নিরাপদে রয়েছেন এবং সমুদ্রে তাঁদের কার্যকলাপ নির্বিঘ্নে চলছে। তিনি বলেন, “পারস্য উপসাগরে থাকা সমস্ত নাবিক নিরাপদে রয়েছেন।” মঙ্গল আরও জানান, ওই অঞ্চলে ভারতীয় জাহাজ ও নাবিকদের ওপর নিবিড় নজর রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি, বন্দর-নির্ভর উন্নয়ন এবং ভারতের নৌ-পরিবহণ খাতের সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর লক্ষ্যে নেওয়া নীতিগত পদক্ষেপ সম্পর্কেও তিনি আপডেট দেন। বর্তমানে ওই অঞ্চলে একাধিক ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ রয়েছে এবং তাদের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সরকার (Seafarers) সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক, বিদেশে ভারতীয় মিশন এবং সামুদ্রিক (Indian Vessels) অংশীদারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখছে।

     

  • PM Modi in Bengal: ‘‘বিজেপি জিতবেই, গুজরাটেও সকাল ১১টায় এমন সভা হয় না’’ কাটোয়ায় জনসমাগমে আপ্লুত মোদি

    PM Modi in Bengal: ‘‘বিজেপি জিতবেই, গুজরাটেও সকাল ১১টায় এমন সভা হয় না’’ কাটোয়ায় জনসমাগমে আপ্লুত মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চৈতন্য মহাপ্রভুর পবিত্র ভূমিতে তৃণমূল পাপের রাজত্ব চালাচ্ছে। কিন্তু এটা আর চলবে না। ১৫ বছরের দুর্নীতির হিসেব হবে। ওরা মানুষকে ভয় দেখাচ্ছে। কিন্তু আর পারবে না। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর জনসভা থেকে হুঙ্কার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। সেই সভায় জনসমুদ্র দেখে আপ্লুত প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Bengal)। মোদি বলেন, জনপ্লাবন বলে দিচ্ছে, বাংলার মানুষ পরিবর্তনের (Assembly Election in Bengal) জন্য তৈরি। আরও একবার আমজনতার সামনে তুলে ধরলেন ৬ গ্যারান্টি। আশ্বাস দিলেন বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে মাসে ঢুকবে ৩০০০ টাকা। চাকরি পাবেন বেকাররা। মোদির আশ্বাস, “বিজেপি ক্ষমতায় এলে সরকারি সমস্ত শূন্যপদ পূরণ হবে। শিল্প আসবে বাংলায়।” সভা মঞ্চ থেকেই মোদির মুখে শোনা গেল নতুন স্লোগান, “ভয় আউট, ভরসা ইন, বিজেপিকে ভোট দিন।”

    গুজরাটেও হয় না, জনসমুদ্র দেখে আপ্লুত

    এদিন পূর্ব বর্ধমানের জেলা নেতৃত্ব কাটোয়ার মঞ্চে স্বাগত জানিয়েছেন মোদিকে। উত্তরীয় পরিয়ে তাঁকে বরণ করে নেন দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। মোদির সামনে তৃণমূলকে কটাক্ষ করেন শমীক। জানান, বর্ধমানকে ধান উৎপাদনে এক থেকে তিনে নামিয়ে এনেছে শাসকদল। কাটোয়ার সভায় প্রধানমন্ত্রীর জন্য কয়েক জন শিশু ছবি নিয়ে এসেছিল। তাদের ছবি জমা দিয়ে দিতে বলেন মোদি। জানান, পিছনে নাম ও ঠিকানা লেখা থাকলে তিনি ধন্যবাদবার্তা পাঠাবেন। একই সঙ্গে বলেন, ‘‘গুজরাটেও সকাল ১১-১২টায় এমন সভা আমি করতে পারি না। চাইলেও করা যায় না। আপনারা এখানে আশ্চর্য জমায়েত করেন প্রতি বার। আমি অভিভূত। এ রাজ্যে যে ৪ মে-র পর পরিবর্তন আসছে, তা এই সভা থেকেই নিশ্চিত।’’

    সব দুর্নীতির হিসেব হবে

    এদিন মোদি বলেন, ‘‘আপনাদের ছ’টি গ্যারান্টি দিয়েছিলাম। সেগুলি পূরণের সময় এসেছে। তৃণমূলের নির্মম সরকারের ভয়ের রাজকে সরিয়ে ভরসায় বদলে দেবে আমার গ্যারান্টি। দুর্নীতি নিয়ে বিজেপি শ্বেতপত্র জারি করবে। যাতে তৃণমূলের সব সিন্ডিকেট, সব দুর্নীতিগ্রস্তদের হিসেব করা যায়। ১৫ বছরের হিসেব হবে। সব কাজের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। তৃণমূল ভয় পেয়ে গিয়েছে। একের পর এক মিথ্যা বলছে। বলছে আমরা ক্ষমতায় এলে নাকি সব প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাবে। আসলে তা নয়। আসলে বিজেপি ওদের দুর্নীতির দোকান বন্ধ করবে। লুট বন্ধ করবে।’’

    সপ্তম বেতন কমিশনের সুবিধা

    বর্ধমান থেকে মোদি বলেন, ‘‘এখানকার সীতাভোগ আর মিহিদানার সুগন্ধ সারা দুনিয়ায় জনপ্রিয়। তৃণমূলের সরকার আলু চাষিদের বরবাদ করে দিয়েছে। আলু পচছে। এটা চলবে না। বাংলা চুপ থাকবে না।’’ বিজেপি কৃষকদের জন্য ইস্তাহারে অনেক ঘোষণা করেছে বলে জানান মোদি। ‘ডবল ইঞ্জিন’-এর সুবিধা পাবেন কৃষকেরা। বিজেপি এলে যুবসমাজ লক্ষ লক্ষ চাকরি পাবে। বেকারদের ভাতাও দেওয়া হবে। দুর্নীতির জন্য যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত, তাঁদের বয়সে ছাড় দেওয়া হবে। রোজগার মেলার আয়োজন করা হবে এখানেও। সপ্তম বেতন কমিশনের সুবিধা পাবেন কর্মচারীরা। রাজ্যের সব শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে।’’

    মহিলাদের মাসে তিন হাজার টাকা

    বিজেপির সংকল্প পত্রে মহিলাদের জন্য মাসে তিন হাজার টাকা, বিনামূল্যে সরকারি বাসে যাতায়াতের ঘোষণা করেছে বিজেপি। সেগুলি উল্লেখ করেন মোদিও। জানান, বিজেপির আমলে এ রাজ্যের মহিলারা নিরাপদে, নির্ভয়ে যাতায়াত করতে পারবেন। মতুয়াদের উদ্দেশে মোদি বলেন, ‘‘মতুয়া, নমঃশূদ্র, সব শরণার্থী পরিবার তৃণমূলের দয়ায় নেই। দেশের সংবিধান আপনাদের সুরক্ষিত করেছে। সিএএ করেছি, যাতে মতুয়া-সহ শরণার্থীরা সুরক্ষা পান। সিএএ-র মাধ্যমে তাঁদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজ আরও দ্রুত করা হবে।’’

    কেন্দ্রীয় প্রকল্পে বাধার অভিযোগ

    এদিন ফের মোদির মুখে শোনা যায় আয়ুষ্মান ভারত-এর কথা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘তৃণমূল রাজ্যে কেন্দ্রীয় প্রকল্পে বাধা দেয়। আয়ুষ্মান ভারত যোজনাতেও বাধা দিয়েছে তৃণমূল। ৪ মে-র পর বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী শপথ নিলে প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকেই এই প্রকল্প চালু করা হবে, আমার গ্যারান্টি রইল। পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্পের অধীনে শিল্পীদের কেন্দ্রীয় সরকার প্রশিক্ষণ দেয়। অসমে এক লক্ষ মানুষ এই প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। বিহারেও পেয়েছেন। প্রত্যেকে ১৫ হাজার টাকার আর্থিক সাহায্যও পেয়েছেন। তৃণমূল এই প্রকল্প এখানে আনতে দেয়নি। অনেক বড় ক্ষতি করে দিয়েছে আপনাদের।’’

  • ED Raid: ফের পার্থের নাকতলার বাড়িতে ইডি! ‘মিডলম্যান’ প্রসন্নের দফতরেও চলছে তল্লাশি

    ED Raid: ফের পার্থের নাকতলার বাড়িতে ইডি! ‘মিডলম্যান’ প্রসন্নের দফতরেও চলছে তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে রাজ্যে ফের তৎপর ইডি (ED Raid)। শনিবার সকালে প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) নাকতলার বাড়িতে ফের পৌঁছে গেল ইডি। শিক্ষক নিয়োগের মামলাতেই ফের পার্থকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে অনুমান। জামিন পাওয়ার পর একাধিক বার তাঁকে ইডি ডেকে পাঠিয়েছিল। কিন্তু পার্থ হাজিরা দেননি বলে অভিযোগ। প্রতি বারই তিনি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন। মনে করা হচ্ছে, সেই কারণেই এবার পার্থকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে তাঁর বাড়িতে যায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। একই সঙ্গে ইডির একটি দল পৌঁছে গিয়েছে নিউ টাউনে প্রসন্ন রায়ের দফতরেও। নিয়োগ মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত ‘মিডলম্যান’ এই প্রসন্ন। তাঁর বাড়িতেও ইডি গিয়েছে বলে খবর।

    কেন পার্থর বাড়িতে ইডি

    শনিবার বেলা পৌনে ১১টা নাগাদ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলার বাড়িতে যান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকেরা৷ সঙ্গে ছিল বিরাট কেন্দ্রীয় বাহিনী৷ তারা পার্থর বাড়ি দ্রুত ঘিরে ফেলে বলে খবর৷ ভোটের আগে এসএসসি নিয়োগ মামলা সূত্রেই তাঁকে ইডি জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় বলে সূত্রের খবর৷ জামিন পাওয়ার পরে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দু’বার সমনও পাঠিয়েছে ইডি৷ কিন্তু, কোনওবারই তিনি হাজিরা দেননি বলে অভিযোগ৷ প্রতিবারই দিয়েছেন অসুস্থতার ‘অজুহাত’৷ চিঠিতে জানানো হয়েছিল, প্রয়োজনে ইডি যদি মনে করে ভিডিও কল বা তাঁর বাড়িতে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে৷ মনে করা হচ্ছে, সেই কারণেই এবার পার্থকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে গেল কেন্দ্রীয় সংস্থা। উল্লেখ্য, নাকতলার বাড়ি থেকেই ২০২২ সালে নিয়োগ মামলায় পার্থকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। নিয়োগ মামলায় তিন বছরেরও বেশি সময় জেল খেটেছেন পার্থ।

    বেআইনি আর্থিক লেনদেন ঠেকানোই লক্ষ্য

    ইডির একটি দল পৌঁছে গিয়েছে নিউ টাউনে প্রসন্ন রায়ের দফতরেও। নিয়োগ মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত ‘মিডলম্যান’ এই প্রসন্ন, পার্থের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তাঁকেও গ্রেফতার করা হয়েছিল। ইডির একাধিক চার্জশিটে পার্থ, প্রসন্নের নাম রয়েছে। গত কয়েক দিন ধরেই কলকাতায় ইডি সক্রিয়। পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইতিমধ্যে একাধিক বার রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু এবং রথীন ঘোষকে তলব করা হয়েছে। সুজিত বসু হাসপাতালে ভর্তি থাকায় নথিপত্র নিয়ে সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছেন তাঁর ছেলে সমুদ্র। জমি সংক্রান্ত মামলায় শহরের কিছু ব্যবসায়ীর বাড়িতেও ইডি হানা দিয়েছে। সূত্রের খবর, ভোটের আগে বেআইনি আর্থিক লেনদেন ঠেকাতে চায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। তার জন্যই বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চলছে।

  • Artemis-2: সফল আর্টেমিস-২ মিশন, মানবজাতির জন্য ‘ওয়াটারশেড মোমেন্ট’, বলছেন ভারতীয় মহাকাশচারীরা

    Artemis-2: সফল আর্টেমিস-২ মিশন, মানবজাতির জন্য ‘ওয়াটারশেড মোমেন্ট’, বলছেন ভারতীয় মহাকাশচারীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ পাঁচ দশকের প্রতীক্ষার অবসান। চাঁদের চারপাশ ঘুরে আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার চার নভশ্চর পৃথিবীতে ফিরে এলেন। ১০ দিন মহাকাশে কাটানোর পর শনিবার সকালে (ভারতীয় সময় ভোর ৫টা ৩৭ মিনিটে) তাঁরা পৃথিবীতে অবতরণ করেছেন। দক্ষিণ ক্যালিফর্নিয়ার উপকূলে প্রশান্ত মহাসাগরে নির্বিঘ্নেই নেমেছে নাসার ক্যাপসুল ‘ওরিয়ন’ (Orion)। তার ভিতর থেকে ধীরে ধীরে চার জনকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসা হয়েছে। এই সাফল্যকে মানবজাতির জন্য এক “ওয়াটারশেড মোমেন্ট” হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন ভারতীয় মহাকাশচারীরা।

    এবার লক্ষ্য মঙ্গল

    নাসা এই চন্দ্রাভিযানের নাম দিয়েছিল ‘আর্টেমিস’ (Artemis-2)। এটি তার দ্বিতীয় ধাপ। ২০২৮ সালে এই অভিযানের তৃতীয় ধাপেই চাঁদে ফের মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে মার্কিন সংস্থার। নাসার মহাকাশচারীরা পৃথিবীতে অবতরণ করতেই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁদের শুভেচ্ছা জানিয়ে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন। সেই সঙ্গে বেঁধে দিয়েছেন নতুন লক্ষ্যও। ট্রাম্প লিখেছেন, ‘‘আর্টেমিস ২-এর এই অসাধারণ এবং অত্যন্ত মেধাবী সদস্যদের অভিনন্দন। সমগ্র সফরটি দুর্দান্ত ছিল। অবতরণও হয়েছে নিখুঁত। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসাবে এটা আমার কাছে খুব গর্বের একটা দিন। হোয়াইট হাউসে আপনাদের সকলের সঙ্গে শীঘ্রই দেখা হবে। আমরা এই কাজটা আবার করব এবং তার পর আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য মঙ্গলগ্রহ!’’ চাঁদে মানুষ পাঠানোর অভিযান শেষ করার পর মঙ্গলে আমেরিকা যে মনোনিবেশ করবে, স্পষ্ট করে দিয়েছেন ট্রাম্প।

    সুস্থ রয়েছেন চার মহাকাশচারী

    নাসা (NASA) তাদের ব্লগে জানিয়েছে, এ ওরিয়ন স্পেসক্রাফ্ট পৃথিবীতে ফিরে এল ৷ মহাকাশযানটি সফলভাবে স্যান দিয়েগোর একটি এলাকায় প্যারাসুটে নির্ভর করে স্প্ল্যাসডাউন করেছে ৷ তারপর ইঞ্জিনিয়ররা একাধিক পরীক্ষা করেন এবং সম্পূর্ণভাবে মহাকাশযানটির পাওয়ার-ডাউন করা হয় ৷ নাসার রিকভারি ডায়েক্টরের নির্দেশে মার্কিন সেনাবাহিনীর ছোটো নৌকা স্পেসক্রাফ্টের কাছে পৌঁছয় ৷ সঙ্গে ছিলেন ইঞ্জিনিয়রদের একটি দল ৷ তাঁরা স্পেসক্রাফ্টটি পরীক্ষা করার পর সম্পূর্ণভাবে পাওয়ার ডাউন করেন ৷ প্রায় এক ঘণ্টা পর চার মহাকাশচারীকে ওরিঅন থেকে বের করা হয় ৷ তারপর বায়ুসেনার হেলিকপ্টারে করে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁদের জন্য রাখা নির্দিষ্ট জাহাজে ৷ এবং সেই জাহাজে করে তাঁরা ফিরে আসেন ৷ সর্বপ্রথম চার মহাকাশচারীকে নিয়ে যাওয়া হয় নির্দিষ্ট হাসপাতালে ৷ সেখানে তাঁদের শারীরিক বিষয় পরীক্ষা করা হয় ৷ সেখান থেকে নাসা-র হউসটন সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয় ৷

    উচ্ছ্বসিত ভারতীয় মহাকাশচারীরা

    ভারতীয় বায়ুসেনার গ্রুপ ক্যাপ্টেন অঙ্গদ সিং বলেন, “৫০ বছরেরও বেশি সময় পর মানুষ আবার চাঁদের পথে গিয়েছে—এটি সমগ্র মানবজাতির জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত।” তিনি আরও জানান, এই মিশন প্রমাণ করেছে সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি, দৃঢ়তা ও আধুনিক প্রযুক্তি থাকলে অসম্ভব বলে কিছু নেই। মিশনের সময় আর্টেমিস-২-এর ক্রুরা পৃথিবী থেকে সর্বাধিক দূরত্বে যাওয়ার মতো একাধিক রেকর্ডও গড়েছে। মহাকাশ অভিযানের পেছনে বিপুল পরিশ্রম, সাহস ও অর্থের প্রয়োজন হয় বলেও উল্লেখ করেন অঙ্গদ সিং। একই সুরে কথা বলেন এয়ার কমোডর পি বালাকৃষ্ণন নায়ার। তিনি এই মিশনকে এক নতুন যুগের সূচনা হিসেবে দেখছেন। তাঁর কথায়, “এই সাফল্য মানবজাতির সামনে অসীম সম্ভাবনার দরজা খুলে দিল।”

    গগনযান-এর জন্য অনুপ্রেরণা

    গত ২ এপ্রিল ভোরে (ভারতীয় সময়) চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছিল নাসার মহাকাশযান। তাতে ছিলেন কমান্ডার রিড ওয়াইসম্যান (প্রাক্তন নৌসেনা পাইলট, ১৬৫ দিন মহাকাশে কাটানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে), পাইলট ভিক্টর গ্লোভার (নাসার ক্রু-১ অভিযানে শামিল হয়েছিলেন), অভিযান বিশেষজ্ঞ ক্রিস্টিনা কচ (মহিলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি সময় স্পেসফ্লাইট চালিয়েছেন) এবং জেরেমি হানসেন (কানাডার মহাকাশচারী, প্রথম বার মহাকাশে)। প্রায় ১০ দিন পৃথিবীর বাইরে কাটিয়ে চাঁদের কাছ থেকে ঘুরে আবার তাঁরা ফিরে এলেন। ‘আর্টেমিস ২’-এর লক্ষ্য চাঁদের মাটিতে পা রাখা নয়। বরং চাঁদের সামনে থেকে ঘুরে আসা। উল্লেখ্য, অ্যাপোলো প্রোগ্রামের (Apollo program) পর এই প্রথম মানুষ আবার চাঁদের নিকটবর্তী অঞ্চলে পৌঁছাল। বিশেষজ্ঞদের মতে, আর্টেমিস-২-এর এই সাফল্য ভবিষ্যতে চাঁদের মাটিতে মানুষ নামানোর পথ প্রশস্ত করবে। ভারতের ক্ষেত্রেও এই মিশন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, দেশ ইতিমধ্যেই নিজস্ব মানব মহাকাশযাত্রা প্রকল্প গগনযান (Gaganyaan)-এর প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আর্টেমিস-২ ভারতের জন্য একদিকে অনুপ্রেরণা, অন্যদিকে একটি মানদণ্ড হিসেবেও কাজ করবে।

    নাসার বিজ্ঞানীরা বিস্মিত

    গভীর মহাকাশে ভ্রমণের সময় এবং চাঁদকে প্রদক্ষিণ করার সময়, মহাকাশচারীরা হাজার হাজার ছবি তুলেছেন। তাঁরা একটি সূর্যগ্রহণও দেখেছন, সেই সঙ্গে চন্দ্রপৃষ্ঠে অস্বাভাবিক উল্কাপিণ্ডের আঘাতও পর্যবেক্ষণ করেছেন। যা নাসার বিজ্ঞানীদের বিস্মিত করেছে। এই অভিযানে বেশ কিছু মাইলফলক স্থাপিত হয়েছে। গ্লোভার প্রথম অশ্বেতাঙ্গ ব্যক্তি হিসেবে চাঁদ প্রদক্ষিণ করেন, কচ প্রথম মহিলা অভিযাত্রী এবং কানাডিয় নভোচারী হ্যানসেন প্রথম অ-আমেরিকান হিসেবে এই কৃতিত্ব অর্জন করেন।

    ২০২৮-এ চাঁদে মানুষ!

    সব কিছু ঠিক থাকলে ২০২৮ সালে অভিযানের তৃতীয় ধাপে চাঁদে নামবে মানুষ। দীর্ঘ পাঁচ দশক পরে চাঁদে মানুষ পাঠাচ্ছে নাসা। ১৯৬৯ সালে আমেরিকার এই সংস্থার অ্যাপোলো অভিযানেই চাঁদে প্রথম নেমেছিল মানুষ। ১৯৭২ সালে সেই অভিযান শেষ হয়। ৫৩ বছর পর ফের ‘আর্টেমিস’ অভিযানের হাত ধরে চাঁদ ছুঁতে চাইছে আমেরিকা। চার মহাকাশচারীকে নিয়ে নাসার মহাকাশযান ১১ লক্ষ ১৭ হাজার ৫১৫ কিলোমিটার পাড়ি দিয়েছে। পৃথিবীর দু’টি কক্ষপথ পেরিয়ে চাঁদের সামনে থেকে ঘুরে এসেছেন মহাকাশচারীরা। ক্যালিফর্নিয়ার উপকূলে সূর্যাস্তের ঘণ্টা দুয়েক আগে তাঁদের অবতরণের সরাসরি সম্প্রচার করেছে নাসা। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জানিয়েছে, এটি ছিল আগামী দিনে চাঁদে মানুষের স্থায়ী বসতি গড়ার একটি ‘ড্রেস রিহার্সাল’।

  • Amit Shah: “পশ্চিমবঙ্গে যারা বাবরি মসজিদ করতে চাইছে, তাদের সঙ্গে জোট করে না বিজেপি”, সাফ জানালেন শাহ

    Amit Shah: “পশ্চিমবঙ্গে যারা বাবরি মসজিদ করতে চাইছে, তাদের সঙ্গে জোট করে না বিজেপি”, সাফ জানালেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পশ্চিমবঙ্গে বাবরি মসজিদের (Babri Masjid) ধাঁচে কোনও কাঠামো নির্মাণে যুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে জোট করার চেয়ে বিজেপি আগামী ২০ বছর বিরোধী আসনে বসতেই বেশি পছন্দ করবে।” শুক্রবার সাফ জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে একটি স্টিং অপারেশন সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে কথাগুলি বলেন তিনি।

    স্টিং ভিডিও (Amit Shah)

    গত বছর অযোধ্যার বাবরি মসজিদের আদলে পশ্চিমবঙ্গে একটি মসজিদ নির্মাণের চেষ্টা করতে গিয়ে চর্চায় চলে আসেন হুমায়ুন। চলতি মাসেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন। তার কয়েক সপ্তাহ আগে, একটি স্টিং ভিডিও অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে হুমায়ুনকে বলতে শোনা যায়, বিজেপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে তাঁর। তৃণমূলকে হারানোর জন্য ১,০০০ কোটি টাকার একটি চুক্তির কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। হুমায়ুনের এহেন দাবিকে প্রচারের হাতিয়ার করে ইতিমধ্যেই মাঠে নেমে পড়েছে তৃণমূল এবং কংগ্রেস। যদিও হুমায়ুন এবং বিজেপি সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি ভুয়ো, এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি করা হয়েছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে (Amit Shah)।

    কী বললেন শাহ?

    এই বিতর্কের জবাবে শাহ বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন হাজার হাজার ভিডিও তৈরি করতে পারেন।”  তিনি জোর দিয়ে বলেন, “বিজেপি ও কবীরের লক্ষ্য সম্পূর্ণ আলাদা।” তিনি তাঁদের পার্থক্যকে উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর সঙ্গে তুলনা করে বলেন, “বিজেপি কখনওই তাঁকে (হুমায়ুন) সহযোগিতা করবে না (Babri Masjid)।” উল্লেখ্য, এর আগে, বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ হুমায়ুনকে কটাক্ষ করে বলেছিলেন, “তিনি ১০০ কোটি টাকারও যোগ্য নন, ১,০০০ কোটি তো দূরের কথা (Amit Shah)!”

    অভিযোগ অস্বীকার হুমায়ুনের

    হুমায়ুনও এই অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, ভিডিওটি তাঁর বদনাম করতে এআই ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে মুসলিম ভোট হারানোর ভয়ে তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করার অভিযোগও আনেন। স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, প্রমাণ না দিলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে (Babri Masjid)। তাঁর ব্যাখ্যা সত্ত্বেও অব্যাহত রয়েছে বিতর্ক। অল ইন্ডিয়া মজলিশ-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (AIMIM), যারা হুমায়ুনের দলকে সমর্থন করেছিল, তারাও জানিয়ে দিয়েছে ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’র সঙ্গে তাদের জোট ভেঙে দেওয়া হয়েছে (Amit Shah)।

  • Vikram Misri: হোয়াইট হাউসে বৈঠক মিশ্রি-রুবিওর, আগামী মাসে ভারত সফরে মার্কিন বিদেশ সচিব

    Vikram Misri: হোয়াইট হাউসে বৈঠক মিশ্রি-রুবিওর, আগামী মাসে ভারত সফরে মার্কিন বিদেশ সচিব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও মজবুত করতে জোরদার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ভারত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (Vikram Misri)। এরই প্রেক্ষিতে বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি হোয়াইট হাউসে মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিওর (Marco Rubio) সঙ্গে বৈঠকে বসেন। দুই দেশের ওই বৈঠক ‘ফলপ্রসূ’ হয়েছে বলেই খবর। এই বৈঠক অর্থনৈতিক, প্রযুক্তিগত এবং ভূরাজনৈতিক ক্ষেত্রগুলিতে আরও ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের ইঙ্গিত দেয়। বৈশ্বিক পরিস্থিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই আলোচনা হয়েছে, যখন সংঘাতপ্রবণ অঞ্চলে সাময়িক যুদ্ধবিরতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে উভয় দেশই তাদের কৌশলগত অগ্রাধিকার পুনর্বিন্যাস করতে চাইছে।

    আলোচনার বিষয় (Vikram Misri)

    আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার করার নয়া উদ্যোগ, বিশেষ করে সাম্প্রতিক শুল্ক-সংক্রান্ত উত্তেজনার প্রেক্ষিতে। উভয় পক্ষ এখন ২০২৬ সালের একটি বাণিজ্য সমঝোতা এগিয়ে নেওয়া, বাজারে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি এবং উন্নত উৎপাদন ও ডিজিটাল প্রযুক্তির মতো উদীয়মান খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার হওয়ায়, একটি স্থিতিশীল ও ভবিষ্যতমুখী অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ওপর জোর দিচ্ছে। এই বৈঠকের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল গুরুত্বপূর্ণ খনিজ (critical minerals) নিয়ে সহযোগিতা, যা এখন বৈশ্বিক কৌশলগত প্রতিযোগিতায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Vikram Misri)। এই সম্পদগুলি জ্বালানি, সেমিকন্ডাক্টর এবং পরবর্তী প্রজন্মের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির জন্য অপরিহার্য। ভারত ও আমেরিকা একটি স্থিতিশীল ও বৈচিত্র্যময় সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে তুলতে কাজ করছে, যাতে নির্দিষ্ট কয়েকটি দেশের ওপর নির্ভরশীলতা কমানো যায় এবং দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

    প্রতিরক্ষা সহযোগিতা

    প্রতিরক্ষা সহযোগিতাও আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল, যা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান সমন্বয়কে প্রতিফলিত করে। উভয় দেশ যৌথ সামরিক মহড়া বাড়াচ্ছে, পারস্পরিক সামঞ্জস্য উন্নত করছে এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদন ও প্রযুক্তি ভাগাভাগির সম্ভাবনা অনুসন্ধান করছে (Vikram Misri)। এই আলোচনা ফের একবার কোয়াড্রিল্যাটারাল সিকিউরিটি ডায়লগের গুরুত্ব তুলে ধরে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে সমর্থন করে (Marco Rubio)। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বৈঠকের সময়ও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে পশ্চিম এশিয়ায় বৃহত্তর যুদ্ধবিরতির প্রেক্ষাপটে, উভয় দেশ উদীয়মান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেদের অবস্থান সমন্বয় করার সুযোগ পেয়েছে। জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল করা, সরবরাহ শৃঙ্খল সুরক্ষিত করা এবং সম্ভাব্য বৈশ্বিক উত্তেজনার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া—এই বিষয়গুলি আলোচনার কেন্দ্রে ছিল, যা সক্রিয়ভাবে পদক্ষেপ নেওয়ার অভিন্ন ইচ্ছাকে নির্দেশ করে (Vikram Misri)।

    সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদি কাঠামো

    মিশ্রির আলিশন হুকারের সঙ্গে সমান্তরাল বৈঠকে ডিসেম্বরের ফরেন অফিস কনসালটেশনসের পরবর্তী অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। সেখানে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং নিরাপত্তা ক্ষেত্রগুলিতে ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়। ভারত-আমেরিকা সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদি কাঠামো গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে এই ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক আলাপ-আলোচনায় (Marco Rubio)। এদিকে, রুবিও আগামী মাসে ভারত সফরে আসবেন বলে খবর। একে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে নয়াদিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক সংকেত হিসেবেই দেখা হচ্ছে। এই সফর বৃহত্তর কৌশলগত আলোচনার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে, যার মধ্যে সম্ভাব্য কোয়াড পর্যায়ের বৈঠকও অন্তর্ভুক্ত থাকবে, এবং এটি প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা ও আঞ্চলিক সহযোগিতায় নতুন উদ্যোগের পথ খুলে দিতে পারে।

    সব মিলিয়ে, এই আলোচনা একটি পরিণত অংশীদারিত্বের ইঙ্গিত দেয়, যা ভূ-রাজনীতি, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে অভিন্ন স্বার্থ দ্বারা পরিচালিত। বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্য বদলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে, ভারত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি (Marco Rubio) স্থিতিশীল ও বহু- মেরু আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গঠনে ক্রমশ আরও বেশি কাছাকাছি আসছে (Vikram Misri)।

     

  • NEP 2020: সিবিএসই-র বড় সিদ্ধান্ত; ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলক, ৭ দিনের মধ্যে কার্যকরের নির্দেশ

    NEP 2020: সিবিএসই-র বড় সিদ্ধান্ত; ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলক, ৭ দিনের মধ্যে কার্যকরের নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের স্কুল শিক্ষা ব্যবস্থায় বড়সড় পরিবর্তনের পথে কেন্দ্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড (CBSE)। জাতীয় শিক্ষানীতি (NEP 2020)-এর সুপারিশ মেনে এখন থেকে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ‘তৃতীয় ভাষা’ (Third Language) শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ দিয়েছে। বোর্ড স্পষ্ট জানিয়েছে, আগামী ৭ দিনের মধ্যেই সমস্ত অনুমোদিত স্কুলকে এই নিয়ম কার্যকর করতে হবে।

    ভাষা শিক্ষার বিস্তার (NEP 2020)

    এতদিন অনেক স্কুলে তৃতীয় ভাষা ঐচ্ছিক হিসেবে থাকলেও, নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী ষষ্ঠ শ্রেণি (NEP 2020) থেকে এটি আবশ্যিক বিষয় হিসেবে গণ্য হবে। এর উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে বহুভাষিক দক্ষতা বৃদ্ধি করা।

    ৭ দিনের সময়সীমা

    সিবিএসই-র (NEP 2020) পক্ষ থেকে স্কুলগুলোকে অত্যন্ত অল্প সময় দেওয়া হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এই শিক্ষাক্রম চালুর পরিকাঠামো তৈরি এবং শিক্ষার্থীদের (CBSE) ভাষা নির্বাচনের সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষক নিয়োগ ও পরিকাঠামোর উপরেও বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এই স্বল্প সময়ের মধ্যে যোগ্য ভাষা শিক্ষক নিশ্চিত করা এবং ক্লাসের সময়সূচী বা রুটিন পরিবর্তন করা স্কুলগুলোর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    জাতীয় শিক্ষানীতির প্রতিফলন

    কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন শিক্ষানীতিতে (NEP 2020) ভারতীয় ভাষাগুলোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সিবিএসই-র এই পদক্ষেপ সেই লক্ষ্য পূরণেরই একটি অংশ। বোর্ডের (CBSE) মতে, স্কুল স্তরে একাধিক ভাষা শিখলে শিক্ষার্থীদের বৌদ্ধিক বিকাশ ঘটে এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সংস্কৃতি ও সাহিত্যের সঙ্গে তাদের মেলবন্ধন তৈরি হয়। বিশেষ করে ভারতীয় ধ্রুপদী ভাষা বা আধুনিক কোনো ভারতীয় ভাষাকে এই তালিকায় অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

    স্কুল ও অভিভাবকদের প্রতিক্রিয়া

    হঠাৎ করে আসা এই নির্দেশে স্কুল কর্তৃপক্ষগুলোর (CBSE) মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অনেক স্কুলই মনে করছে, মাত্র ৭ দিনের মধ্যে নতুন ভাষা শিক্ষক নিয়োগ বা পাঠ্যক্রম গুছিয়ে নেওয়া কঠিন হবে। অন্যদিকে, শিক্ষাবিদদের একাংশ মনে করছেন, দীর্ঘমেয়াদী ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের (NEP 2020) ভাষাগত জ্ঞান বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। সিবিএসই-র এই কড়া নির্দেশের পর দেশের হাজার হাজার স্কুল এখন দ্রুততার সঙ্গে তাদের শিক্ষানীতি পরিবর্তনের প্রস্তুতি শুরু করেছে।

  • Amarnath Yatra 2026 Registration: অমরনাথ যাত্রার রেজিস্ট্রেশন শুরু এপ্রিলেই, এর ভিত্তিতেই মিলবে ভ্রমণ পারমিট

    Amarnath Yatra 2026 Registration: অমরনাথ যাত্রার রেজিস্ট্রেশন শুরু এপ্রিলেই, এর ভিত্তিতেই মিলবে ভ্রমণ পারমিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের অমরনাথ যাত্রার রেজিস্ট্রেশনের (Amarnath Yatra 2026 Registration) তারিখ ঘোষণা করা হল। পুণ্যার্থীরা ১৫ এপ্রিল থেকে অমরনাথ যাত্রার জন্য রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। শ্রী অমরনাথ শ্রাইন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, তীর্থযাত্রীরা দেশজুড়ে ৫৫৪টি নির্ধারিত ব্যাঙ্ক শাখার মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। এর ভিত্তিতেই ভ্রমণ পারমিট জারি করা হবে। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ ভক্ত অমরনাথ যাত্রা করেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ পবিত্র অমরনাথ গুহা দর্শন করতে আসেন। পহেলগাঁও থেকে ২৯ কিলোমিটার দূরত্বে অমরনাথের গুহা অবস্থিত। হিমবাহ ও বরফের পাহাড়ে ঘেরা এই গুহা বছরের বেশিরভাগ বরফে আচ্ছাদ্দিত থাকে। এই তীর্থক্ষেত্রে ভক্তদের হেঁটে কিংবা হেলিকপ্টারের করে পৌঁছতে হয়। তাই এক্ষেত্রে লাগবে হেল্থ সার্টিফিকেটও।

    সফরের আনুষ্ঠানিক তারিখ

    মোদি সরকার অমরনাথ যাত্রার প্রতিটি পথে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করছে। কোনও তীর্থযাত্রী কোনও সমস্যা বা দুর্ঘটনার সম্মুখীন হলে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নিতে হবে। ভক্তদেরও সমস্ত সুরক্ষা বিধি মেনে চলার জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। এই তীর্থযাত্রার আনুষ্ঠানিক তারিখ শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে। ভক্তদের সময়মতো রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ২০২৬ সালের অমরনাথ যাত্রায় অংশগ্রহণের জন্য পূর্ব-রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক। এই বছর আনুষ্ঠানিকভাবে রেজিস্ট্রেশন শুরু হচ্ছে এবং অনুমোদিত ব্যাঙ্ক ও শ্রী অমরনাথজি শ্রাইন বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইন ও অফলাইন উভয়ভাবেই তা করা যাচ্ছে। তবে, এবারও সীমিত সংখ্যক তীর্থযাত্রীকে—প্রতিদিন প্রায় ১৫,০০০ জনকে—অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হবে।

    কবে হবে রেজিস্ট্রেশন

    রেজিস্ট্রেশন ‘আগে এলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে করা হবে। নির্ধারিত ব্যাঙ্ক শাখাগুলির মাধ্যমে ১৫ এপ্রিল থেকে অমরনাথ যাত্রা ২০২৬-এর রেজিস্ট্রেশন শুরু হবে। পহেলগাঁও এবং বালতাল উভয় পথের জন্যই রেজিস্ট্রেশন খোলা থাকবে। ১৩ বছরের কম এবং ৭০ বছরের বেশি বয়সীদের এই তীর্থযাত্রায় অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হবে না। বোর্ড কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই বছর আধার-ভিত্তিক বায়োমেট্রিক ই-কেওয়াইসি যাচাইকরণের পর এনআইসি পোর্টাল-ভিত্তিক একটি সিস্টেমের মাধ্যমে ভ্রমণ অনুমতিপত্র ইস্যু করা হবে। যাচাইকরণে কোনও প্রযুক্তিগত ত্রুটি দেখা দিলে, ব্যাঙ্ক শাখা ম্যানুয়ালি ছবি ও তথ্য এন্ট্রির মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগ্রহী ব্যক্তিরা দেশজুড়ে ৫৫৪টি ব্যাঙ্ক শাখায় রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। এর জন্য আধার কার্ড ও স্বাস্থ্য শংসাপত্র প্রয়োজন হবে। এবার সরকার যাত্রীদের আরামদায়ক যাত্রা নিশ্চিত করতে আরও উন্নত সুবিধা প্রদান করবে। নিরাপত্তার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হবে।

LinkedIn
Share