Tag: bangla news

bangla news

  • Elon Musk: ব্রিটেনে পাকিস্তানি ‘গ্রুমিং গ্যাং’ ইস্যুতে, ভারতীয় সাংসদের সঙ্গে সহমত পোষণ করলেন ইলন মাস্ক

    Elon Musk: ব্রিটেনে পাকিস্তানি ‘গ্রুমিং গ্যাং’ ইস্যুতে, ভারতীয় সাংসদের সঙ্গে সহমত পোষণ করলেন ইলন মাস্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেশ কয়েকদিন ধরেই এক্স হ্যান্ডেলের মালিক ইলন মাস্ক ব্রিটেনে গ্রুমিং গ্যাং কেলেঙ্কারির জন্য ষ্টারমারের নেতৃত্বাধীন দিন ব্রিটিশ সরকারকে তোপ দেগেছিলেন। সেসময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন, যখন তিনি ক্রাউন প্রসিকিউশন সার্ভিসের প্রধান হিসেবে কাজ করছিলেন, তখনই তিনি এশিয়ান গ্রুমিং গ্যাংয়ের প্রথম মামলা দায়ের করেছিলেন। এখানেই আপত্তি তোলেন ভারতের রাজ্যসভার সাংসদ প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদী এবং তিনি বলেন এশিয়ান গ্রুমিং গ্যাং নয়, বরং বলা উচিত পাকিস্তানি গ্রুমিং গ্যাং (Pakistani Grooming Gang)। প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদীর এই মন্তব্যে সহমত পোষণ করেন ইলন মাস্ক (Elon Musk)। প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদীর এক্স হ্যান্ডলের পোস্টে মন্তব্য করেন ইলন মাস্ক।

    গ্রুমিং গ্যাং আসলে কী 

    দেখা যাচ্ছে প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদির এই পোস্ট এখনও পর্যন্ত ১২ লাখেরও বেশি ইউজার দেখেছেন এবং ৩৭ হাজারেরও বেশি ব্যবহারকারী লাইক করেছেন। ১,৭০০ জন এখানে মন্তব্য করেছেন। যার মধ্যে রয়েছেন খোদ এক্স হ্যান্ডলের মালিকও। ব্রিটেনের বিভিন্ন শহরে মেয়েদের ওপর যৌন নির্যাতন বেড়ে চলার জন্য সম্পূর্ণ এশিয়াকে দায়ী করা যাবে না। এর জন্য দায়ী একটি দেশ এবং সেটি পাকিস্তান। এক্স হ্যান্ডেলে সাংসদের এই মন্তব্যের পরেই সেখানে কমেন্ট করতে দেখা যায় ইলন মাস্ককে (Elon Musk)। সম্প্রতি ব্রিটেনের উত্তরভাগের বিভিন্ন শহরে মহিলাদের ওপরে ব্যাপক পরিমাণে যৌন নির্যাতনের ঘটনা বেড়েছে। এর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে অভিযুক্তরা পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত পুরুষ। ব্রিটিশ মেয়েদের ওপর পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত পুরুষদের এমন অত্যাচার গ্রুমিং গ্যাং নামে পরিচিত।

    সাম্প্রতিক উদাহরণ (Elon Musk)

    ইতিমধ্যে এমন অসংখ্য উদাহরণ সামনে এসেছে। ২০২৩ সালের অগাস্ট মাসে লন্ডনের বাইরে একটি জায়গা থেকে ১০ বছর বয়সি একজন মেয়ের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত মেয়েটির নাম ছিল সারা। যখন তার মৃতদেহ উদ্ধার হয়, দেখা যায় তার হাড় ভাঙ্গা, তাকে পোড়ানো হয়, শরীরে কামড়ের দাগও দেখা যায়।  এই ঘটনার পরেই অভিযোগ দায়ের হয় তার বাবা উরফান শরীফ এবং তার সৎ মা বাইনাস বাতুলের বিরুদ্ধে। গত মাসেই লন্ডনের আদালত উরফান শরীফ এবং বাইনাস বাতুলকে দোষী সাব্যস্ত করে এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে তাদেরকে দণ্ডিত করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Case Verdict: আরজি করকাণ্ডে শেষ হল বিচার প্রক্রিয়া, শিয়ালদা কোর্টে ১৮ জানুয়ারি সাজা ঘোষণা

    RG Kar Case Verdict: আরজি করকাণ্ডে শেষ হল বিচার প্রক্রিয়া, শিয়ালদা কোর্টে ১৮ জানুয়ারি সাজা ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডের (RG Kar Case Verdict) বিচারপর্বের চূড়ান্ত রায়দানের দিনও জানিয়ে দিল আদালত। গত ১১ নভেম্বর আরজি করের ঘটনায় বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। টানা দু’মাস ধরে তা চলল। এই মামলায় আগেই চার্জশিট দিয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। সেখানে ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কেই একমাত্র অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। আদালতে তাঁর সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। নভেম্বর থেকে মামলার শুনানি শুরু হওয়ার পর ৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার শিয়ালদা ফার্স্ট অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট জজ (ফার্স্ট এডিজে) অনিবার্ণ দাসের এজলাসে এই মামলার শুনানি শেষ হয়েছে।

    ১৮ জানুয়ারি রায় ঘোষণা (RG Kar Case Verdict)

    আদালত (RG Kar Case Verdict) সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১৮ জানুয়ারি দুপুর দুটো থেকে আড়াইটের মধ্যে এই মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করবেন বিচারক। এই বিষয়ে এক আইনজীবী বলেন, “আমাদের দাবি বা যারা এই ঘটনায় যুক্ত তারা যে সাজা পায়। এক চার্জশিট জমা হয়েছে। সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট দেওয়া হতে পারে। তদন্ত এখনও শেষ হয়নি।” গত ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চারতলার সেমিনার হল থেকে মহিলা চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁকে ধর্ষণ এবং খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পরের দিনই কলকাতা পুলিশ অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করেছিল। চিকিৎসক ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় তোলপাড় হয় বাংলা। লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রতিবাদে উত্তাল হয় দেশ থেকে বিদেশ। পরে এই ঘটনার তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। সুপ্রিম কোর্টেও ওঠে মামলা। আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ প্রথমে আর্থিক বেনিয়ম ও দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন। পরে, ধর্ষণ মামলাও যুক্ত করা হয়েছিল তাঁর বিরুদ্ধে। ধর্ষণের পর তথ্য প্রমাণ লোপাটের ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছিল টালা থানার ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে। গ্রেফতারের ৯০ দিন পরেও চার্জশিট দিতে পারেনি সিবিআই। সে কারণেই সন্দীপ-অভিজিৎকে ধর্ষণ মামলায় জামিন দিয়েছে শিয়ালদা আদালত। তবে, আর্থিক দুর্নীতির মামলায় জেলেই রয়েছেন সন্দীপ।

    সঞ্জয়ের আইনজীবী কী বললেন?

    শুনানিতে সঞ্জয়কে নির্দোষ বলে দাবি করে তার আইনজীবী (RG Kar Case Verdict) সৌরভ বন্দ্যোপাধয়ায়। এই বিষয়ে ধৃতের আইনজীবী সওয়ালে বলেন, “এই ঘটনার স্বপক্ষে সিবিআই যে প্রমাণ দিচ্ছে, তা অপর্যাপ্ত। সঞ্জয় এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নয়। এছাড়াও নির্যাতিতার শরীরে ধস্তাধস্তির কোনও চিহ্ন পাওয়া যায়নি। গোটা ঘটনা সাজানো হতে পারে। ধৃতকে ফাঁসানো হয়েছে। অভিযুক্ত কিছুই করেনি। অভিযুক্তের আঙুলের ছাপও মেলেনি। হতে পারে পুরোটাই পরে সাজানো হয়েছে।”

    ফাঁসির দাবি করেছে সিবিআই

    আরজি কর-কাণ্ড নিয়ে আদালতে এর আগেও সিবিআই নিজেদের বক্তব্য জানিয়েছে। ধৃতের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সিবিআইয়ের আইনজীবীরা। চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা বিরলতম ঘটনা বলে মন্তব্য করে সঞ্জয় রায়ের ফাঁসির দাবি করেছে সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Passport Scam: একবছরেই সমীরের একতলা বাড়ি হয়ে যায় চারতলা প্রাসদোপম অট্টালিকা, পাসপোর্ট জালিয়াতিকাণ্ডে গ্রেফতার ৪

    Passport Scam: একবছরেই সমীরের একতলা বাড়ি হয়ে যায় চারতলা প্রাসদোপম অট্টালিকা, পাসপোর্ট জালিয়াতিকাণ্ডে গ্রেফতার ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একতলা সাধারণ বাড়ি হয়ে যায় চারতলা প্রাসদোপম অট্টালিকা। আর সেটা হয়েছিল এক বছরের মধ্যে। করোনাকাল এবং তার পরবর্তী সময়েই পাসপোর্ট (Passport Scam) জালিয়তিকাণ্ডে ধৃত সমীর দাসের জাল নথির কারবারে রমরমা হয়েছিল। রীতিমতো একটি বিশাল চক্র তৈরি করে তিনি কারবার ফেঁদে বসেছিলেন। শুধু এপার বাংলা নয়, তার হাত ছিল ওপার বাংলা পর্যন্ত। সেখান থেকেও কাজের বরাত পেতেন তিনি। আর বাংলাদেশের অশান্ত পরিস্থিতির জন্য তাঁর চাহিদাও খুব বেড়ে গিয়েছিল। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ আরও দুজনকে গ্রেফতার করেছে। তারাও সমীর দাসের চক্রের সঙ্গে জড়িত ছিল। এছাড়াও টিকিয়াপাড়া থেকে আরও দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। সব মিলিয়ে ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    ঠিক কীভাবে করতেন কারবার? (Passport Scam)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বারাসাত আদালতে (Passport Scam) মুহুরির কাজ করার সুবাদে ঝুঁকি এড়াতে আদালতের হলফনামা দিয়েই জাল নথি তৈরি করতেন সমীর। জাল নথিতে থাকত তাঁরই বাড়ির ঠিকানা। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নিজের আত্মীয় পরিচয় দিয়ে, নিজের ঠিকানা ব্যবহার করে ভুয়ো পরিচয় পত্র বানিয়ে দিতেন সমীর। ইতিমধ্যেই তাঁর ২ ঘনিষ্ঠ সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পলাতক আরও একজনের খোঁজ চলছে। সমীর দাস গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন ওই ব্যক্তি। বারাসাতের নবপল্লিরই বাসিন্দা তিনি। দীর্ঘদিন ধরেই সমীর দাস এবং তাঁর সহযোগীরা এই জাল নথির কারবার রমরমিয়ে চালাচ্ছিলেন। অথচ অন্ধকারে ছিল প্রশাসন। সূত্রের খবর, গত বছর মার্চ মাস থেকে বাংলাদেশে অচলাবস্থা শুরু হওয়ার পরে, ওপার বাংলা থেকে এপারে আসার চাহিদা বেড়েছে। সেই সঙ্গে হেরফের হয়েছে সমীর দাসের তৈরি করা রেট চার্টেও। টাকার অঙ্ক বেড়েছে বই কমেনি। কোনও জনপ্রতিনিধির থেকে শংসাপত্র নেওয়ার প্রয়োজনই ছিল না। বাংলাদেশ থেকে যাঁরা আসতেন, তাঁরা আগেই যোগাযোগ করতেন সমীর দাসকে। রীতিমতো বরাত দেওয়া হত। এপারে নথি তৈরি হলে খবর পৌঁছে যেত পড়শি দেশে। তারপরই হত অনুপ্রবেশ। আর আদালতের হলফনামার সাহায্যেই যাবতীয় নথিপত্র পৌঁছে যেত অনুপ্রবেশকারীদের হাতে।

    নথি জালিয়াতিতে ধৃত দুজনের কী কারবার ছিল?

    সমীর দাসের যে দুই ঘনিষ্ঠ সহযোগীকে (Passport Scam) গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁদের মধ্যে একজনের নাম কৌশিক মণ্ডল। অন্যজন চন্দন চক্রবর্তী। জানা গিয়েছে, কৌশিক মণ্ডলের বাড়ি বারাসাতের চৈতন্য নগরে। বারাসাতের চাঁদুর মোড়ে শীতলাতলা রোডে একটি দোকান ছিল তাঁর। দোকানের বয়স তিন বছর। আধার কার্ড,প্যান কার্ড, ভোটার কার্ড সংশোধন-সহ বিভিন্ন নথি তৈরির কাজ হতো ওই দোকানে। তিন বছর ধরে চুটিয়ে চলছিল ব্যবসা। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, বাইরে থেকে অনেক লোক এসে এই দোকানে ভিড় জমাতেন। অনেক রাত পর্যন্ত চলত কাজ। কৌশিক ওই দোকানে রেশন কার্ড তৈরি করতেন বলেও জানিয়েছেন স্থানীয়রা। আধার কার্ড, ভোটার কার্ড সংশোধনের জন্য চড়া দামও নেওয়া হতো, প্রায় ৪০০ টাকা। এমনই অভিযোগ করেছেন এক স্থানীয় বাসিন্দা। কোনও পরিস্থিতিতেই ‘রেট’ কমত না। আর শুধু বারাসাত কিংবা অন্যান্য শহরতলি নয়, কলকাতা শহরের বিভিন্ন প্রান্তেও ছড়িয়ে রয়েছে সমীর দাসের এই জাল নথি কারবারের সহযোগীরা।

    টিকিয়াপাড়া থেকে গ্রেফতার আরও ২

    জাল পাসপোর্টকাণ্ডের (Passport Scam) তদন্তে নেমে জাল নথি তৈরির অভিযোগে টিকিয়াপাড়া থেকে ২ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে হাওড়া সিটি পুলিশ। ধৃতরা মোটা টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন জাল নথি তৈরি করে দিত বলে অভিযোগ। ধৃতদের জেরা করে তারা জাল পাসপোর্টচক্রের সঙ্গে যুক্ত কি না জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে ধৃতরা হল বিশ্বজিৎ দে ও ফাহরুখ আনসারি। দীর্ঘদির ধরে জাল নথির কারবারে যুক্ত এরা। জাল মাধ্যমিকের সার্টিফিকেট, জাল বার্থ সার্টিফিকেট, জাল স্ট্যাম্প পেপার থেকে শুরু করে হেন কোনও জাল নথি নেই যা এরা তৈরি করে না। ধৃতদের হেফাজতে নিয়ে জেরা শুরু করেছেন গোয়েন্দারা। তারা কাদের কাদের জাল নথি তৈরি করে দিয়েছেন তা জানার চেষ্টা চলছে। ধৃতদের সঙ্গে জাল পাসপোর্ট চক্রের যোগ রয়েছে কিনা তাও জানার চেষ্টা চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • INDI Bloc: ‘‘ভেঙে যাওয়া উচিত ইন্ডি জোট’’, বিস্ফোরক দাবি জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লার

    INDI Bloc: ‘‘ভেঙে যাওয়া উচিত ইন্ডি জোট’’, বিস্ফোরক দাবি জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমশই ভাঙছে ইন্ডি জোট (INDI Bloc)। কংগ্রেসকে জোট থেকে বাদ দেওয়ার দাবি আগেই জানিয়েছিল কেজরিওয়ালের দল। এবার জোট ভেঙে দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করলেন জোটের শরিক তথা জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা (Omar Abdullah)। তিনি বলেন, ‘‘দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হল, ইন্ডি জোটের কোনও বৈঠকই হচ্ছে না। ফলে নেতৃত্ব হোক বা অ্যাজেন্ডা, অথবা জোটের (INDI Bloc) অস্তিত্ব, কিছু নিয়েই স্পষ্টতা চোখে পড়ছে না। শুধুমাত্র সংসদীয় নির্বাচনের জন্য যদি জোট গড়া হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে তা ভেঙে দেওয়াই উচিত।’’ শুধুমাত্র লোকসভা নির্বাচনের স্বার্থে জোট হয়ে থাকলে, তা ভেঙে দেওয়াই উচিত বলে মনে করছেন ওমর আবদুল্লা।

    লোকসভা ভোটে বিজেপির কাছে পরাস্ত হয় ইন্ডি জোট

    প্রসঙ্গত, জাতীয় স্তরে বিজেপিকে পরাস্ত করতে কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, তৃণমূল, রাষ্ট্রীয় জনতা দল, ডিএমকে, শিবসেনা (উদ্ধব ঠাকরে), আম আদমি পার্টি, ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি, ন্যাশনাল কনফারেন্সের মতো দলগুলি ইন্ডি জোট গঠন করে। কিন্তু লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল সামনে আসতেই দেখা যায়, সমস্ত দল মিলেও আসন সংখ্যার দিক থেকে বিজেপিকে টেক্কা (INDI Bloc) দিতে পারেনি। এই আবহে এই জোটের প্রয়োজন আদৌ রয়েছে রয়েছে কিনা? সেই প্রশ্নই তুলল অন্যতম বড় শরিক।

    দিল্লিতে জোট শরিক কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টির বাগযুদ্ধ চলছেই 

    লোকসভা ভোটে আম আদমি পার্টি ও কংগ্রেস জোট বাঁধলেও দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে দুই দল একে অপরের বিরুদ্ধে নেমেছে। দুই দলই নিয়েছে একলা চলার নীতি। দুই দলের এমন পদক্ষেপে জোটের প্রাসঙ্গিকতা হারিয়েছে বলে মনে করেন ওমর। প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রীয় জনতা দল নেতা তেজস্বী যাদবও সম্প্রতি বলেছিলেন, ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে বিজেপিকে পরাস্ত করার লক্ষ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল ইন্ডি (INDI Bloc) জোট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbh Mela 2025: মহাকুম্ভে ‘কল্পবাস’ পালন করবেন স্টিভ জোবসের স্ত্রী লরেন! জানেন হিন্দু ধর্মে এই রীতির মাহাত্ম্য?

    Mahakumbh Mela 2025: মহাকুম্ভে ‘কল্পবাস’ পালন করবেন স্টিভ জোবসের স্ত্রী লরেন! জানেন হিন্দু ধর্মে এই রীতির মাহাত্ম্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর কয়েকদিনের মধ্যেই শুরু হচ্ছে মহাকুম্ভ  মেলা (Mahakumbh Mela 2025)। ইতিমধ্যেই প্রয়াগরাজে গঙ্গা, যমুনা এবং পৌরাণিক নদী সরস্বতীর সঙ্গমে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন পুণ্যার্থীরা। জানা গিয়েছে সম্ভবত ১৩ জানুয়ারি, মেলার প্রথমদিনই মহাকুম্ভে যোগ দেবেন ‘অ্যাপল’ সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা তথা প্রাক্তন সিইও, প্রয়াত স্টিভ জোবসের স্ত্রী লরেন পাওয়েল জোবস। এ বারের মহাকুম্ভে ‘কল্পবাস’ পালন করবেন বিশ্বের অন্যতম ধনী মহিলা লরেন।

    কল্পবাস কী?

    কল্পবাস হল, হিন্দুধর্মের একটি অতি প্রাচীন রীতি। এই রীতি পৌষ পূর্ণিমা থেকে মাঘী পূর্ণিমায় আয়োজিত হয়। যাঁরা তা পালন করেন, তাঁদের কল্পবাসী বলা হয়। এই সময়কালে কল্পবাসীরা প্রতিদিন গঙ্গায় পূণ্যস্নান করেন। সন্ন্যাসীদের আখাড়ায় ভ্রমণ করেন। সাধু, সন্ন্যাসীদের ধর্মীয় বাণী শোনেন। এছাড়াও ভজন, কীর্তনে অংশ নেন। হিন্দু শাস্ত্রে মনে করা হয়, আধ্যাত্মিক বিকাশের ক্ষেত্রে এই কল্পবাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জানা যায়, এই সময় অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন করতে হয়। হিন্দু ধর্মে মাঘ মাসকে (Magh Month) কল্পবাস (Kalpvas) বলা হয়। কল্পবাসের ঐতিহ্য অনেক পুরনো। ‘কল্প’ তাঁকেই বলা হয় যে একই রুটিন একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সম্পূর্ণ ব্রহ্মচর্যের সঙ্গে ভগবানের প্রতি ভক্তি সহকারে পালন করে। 

    যুধিষ্ঠিরের কল্পবাস

    মহাভারতের (Mahabharata) যুদ্ধে নিহত স্বজনদের মুক্তির জন্য যুধিষ্ঠির কল্পবাস করেছিলেন। এটা বিশ্বাস করা হয় যে, যদি সঙ্গমে (Sangam) কল্পবাস করা হয়, তাহলে ব্যক্তির শরীর ও আত্মা নতুন হয়ে ওঠে। এই কারণেই প্রতি বছর প্রয়াগে মাঘ মাসে কল্পবাসের আয়োজন করা হয়। এ সময় ভক্তরা পৌষ পূর্ণিমা (Purnima) থেকে মাঘ মাসের পূর্ণিমা পর্যন্ত এক মাস এখানে থাকেন এবং কঠোর নিয়ম-কানুন ও দৃঢ়তার সঙ্গে জীবন অতিবাহিত করেন।

    কল্পবাসের নিয়ম খুব কঠিন

    কল্পবাস হল নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার এবং নিজেকে শুদ্ধ করার প্রচেষ্টা। বেদ থেকে শুরু করে রামচরিত্রমানস ও মহাভারতে পর্যন্ত এটি বিভিন্ন নামে উল্লেখ করা হয়েছে। এই সময়ে একজন ব্যক্তিকে তপস্বীর মতো জীবনযাপন করতে হয়। একমাস কাম, ক্রোধ, আসক্তি, মোহ থেকে দূরে থাকার সংকল্প নেওয়া হয় এবং নিয়ম ও সংযমের সঙ্গে গঙ্গা-যমুনা সঙ্গমের তীরে নির্জনে উপবাস, পুজো ও স্নান-দান করা হয়। দিনে তিনবার গঙ্গায় স্নান করা এবং সকালে উদিত সূর্যকে অর্ঘ্য নিবেদন করতে হয়। ভক্তরা ভজন-কীর্তন করে, দান করে এবং মাটিতে ঘুমায়। ২৪ ঘণ্টায় শুধুমাত্র একবার খাবার পরিবেশন করা হয়। একবার কল্পবাস শুরু হলে, এই ঐতিহ্য টানা ১২ বছর ধরে অনুসরণ করা হয়।

    কল্পবাসের গুরুত্ব

    কথিত আছে, সঙ্গমের বালিতে এক মাস কল্পবাস করলে মানুষ সেই ফল পায়, যা অন্নভোগ না করে ১০০ বছর তপস্যা করলে পাওয়া যায়। কল্পবাস দ্বারা মানুষের সকল প্রকার পাপ দূর হয়ে যায়। সমস্ত হিন্দু ধর্মীয় গ্রন্থে কল্পবাসের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি কল্পবাস করে সে যত ত্যাগ স্বীকার করে তার সমান পুণ্য পায়। কল্পবাস এমন একটি সাধনা যা একজন মানুষকে জন্মের পর জন্ম থেকে মুক্তি দিতে পারে। কল্পবাসকে ৫০ বছর পূর্ণ করা ব্যক্তিদের জন্য সর্বোত্তম বলা হয়, কারণ জীবনের সমস্ত কর্তব্য সমাপ্ত করার পরে, জীবনে ত্যাগের অবস্থা আসে।

    মহাকুম্ভে কল্পবাস

    সনাতন ধর্মের শাস্ত্রে বর্ণিত আছে যে মাঘ মাসে দেবতারা প্রয়াগরাজ ভূমিতে অধিবাস করেন। এ কারণে মাঘ মাসে কল্পবাসের বিধান রয়েছে। এমনও একটি বিশ্বাস আছে যে কল্পবাস করলে পরিবারে সুখ-শান্তি সহ মানুষ জন্ম-মৃত্যুর বন্ধন থেকে মুক্তি পায়। ভক্তরাও মোক্ষলাভের আকাঙ্ক্ষায় কল্পবাস করেন। সঙ্গমের তীরে গঙ্গার বালিতে প্রতি বছর কুম্ভ, মহা কুম্ভ এবং মাঘ মেলার সময় কল্পাবাস পালনের প্রথা বহু শতাব্দী ধরে চলে আসছে। এমনও বিশ্বাস করা হয় যে প্রয়াগরাজে কল্পবাস করলে মা গঙ্গার আশীর্বাদ পরিবারে থাকে, যার ফলে ঘরে সুখ শান্তি থাকে এবং মায়ের ভক্তরাও মোক্ষ লাভ করে। এই কারণেই দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে হাজার হাজার পরিবার প্রতি বছর প্রয়াগরাজের মহাকুম্ভ ও মাঘ মেলায় কল্পবাস করতে আসে।

    আরও পড়ুন: বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত চর্চায় যুক্ত হচ্ছে দেশের মেয়েরা, এক দশকে হার বৃদ্ধি ৪ শতাংশ

    কল্পবাসে লরেন পাওয়েল জোবস

    দূর-দূরান্তের সাধু-সন্ন্যাসী ও সাধারণ মানুষের পাশাপাশি মহাকুম্ভে অংশ নিতে চলেছেন বহু ভিভিআইপি-ও। এই মেলার প্রধান আকর্ষণ হাজার-হাজার ‘কল্পবাসী’। সাধারণত, উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, ঝাড়খণ্ড এবং বিহারের গ্রামের পুরুষ ও মহিলারাই ‘কল্পবাসী’ হিসেবে যোগ দেন মহাকুম্ভে। এবার তাঁদের সঙ্গে যোগ দেবেন ‘অ্যাপল’ সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা তথা প্রাক্তন সিইও, প্রয়াত স্টিভ জোবসের স্ত্রী লরেন। নিরঞ্জনী আখড়ার স্বামী কালিয়াশানন্দের শিবিরে থাকার কথা তাঁর। ১৩ থেকে ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি মহাকুম্ভে (Mahakumbh Mela 2025) কবেন। আর পাঁচ জন কল্পবাসীর মতো লরেনও সঙ্গমে ডুব দিয়ে পুন্যস্নান করবেন এবং নিয়মিত ধর্মোপদেশ শুনবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 246: “আমি দেহ বেচে ভবের হাটে, দুর্গানাম কিনে এনেছি, কালীনাম-কল্পতরু হৃদয়ে রোপণ করেছি”

    Ramakrishna 246: “আমি দেহ বেচে ভবের হাটে, দুর্গানাম কিনে এনেছি, কালীনাম-কল্পতরু হৃদয়ে রোপণ করেছি”

    শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরে ও ভক্তগৃহে

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, জুন

    নানাভাবে শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরে ও ভক্তমন্দিরে

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—যারা যারা এখানে আসে তাদের সংস্কার আছে; কি বল?

    মাস্টার—আজ্ঞে হাঁ।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—অধরের সংস্কার ছিল।

    মাস্টার—তা আর বলতে (Kathamrita)।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—সরল হলে ঈশ্বরকে শীঘ্র পাওয়া যায়। আর দুটো পথ আছে—সৎ, অসৎ। সৎপথ দিয়ে চলে যেতে হয়।

    মাস্টার—আজ্ঞে হাঁ, সুতোর একটু আঁশ থাকলে ছুঁচের ভিতর যাবে না।

    সর্বত্যাগ কেন? 

    শ্রীরামকৃষ্ণ(Ramakrishna)—খাবারের সঙ্গে চুল জিবে পড়লে, মুখ থেকে সবসুদ্ধ ফেলে দিতে হয়।

    মাস্টার—তবে আপনি যেমন বলেন, যিনি ভগবানদর্শন করেছেন, তাঁকে অসৎসঙ্গে কিছু করতে পারে না। খুব জ্ঞানাগ্নিতে কলাগাছটা পর্যন্ত জ্বলে যায়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ ও শ্রীকবিকঙ্কণ—অধরের বাটীতে চণ্ডির গান 

    আর-একদিন ঠাকুর কলিকাতায় বেনেটোলায় অধরের বাড়িতে আসিয়াছেন। ৩১শে আষাঢ়, শুক্লা দশমী, ১৪ই জুলাই ১৮৮৩, শনিবার। অধর ঠাকুরকে রাজনারাণের চন্ডীর গান শুনাইবেন। রাখাল, মাস্টার প্রভৃতি সঙ্গে আছেন। ঠাকুরদালানে গান হইতেছে। রাজনারাণ গান ধরিলেন:

          অভয় পদে প্রাণ সঁপেছি ৷
          আমি আর কি যমের ভয় রেখেছি ॥
    কালীনাম মহামন্ত্র আত্মশির শিখায় বেঁধেছি ৷
    আমি দেহ বেচে ভবের হাটে, দুর্গানাম কিনে এনেছি ॥
    কালীনাম-কল্পতরু হৃদয়ে রোপণ করেছি ৷
    এবার শমন এলে হৃদয় খুলে দেখাব তাই বসে আছি ॥
    দেহের মধ্যে ছজন কুজন, তাদের ঘরে দূর করেছি ৷
    রামপ্রসাদ বলে দুর্গা বলে যাত্রা করে বসে আছি ॥

    ঠাকুর খানিক শুনিতে শুনিতে ভাবাবিষ্ট, দাঁড়াইয়া পড়িয়াছেন ও সম্প্রদায়ের সঙ্গে যোগ দিয়া গান গাইতেছেন।

    ঠাকুর আখর দিতেছেন, “ওমা, রাখ মা।” আখর দিতে দিতে একেবারে সমাধিস্থ। বাহ্যশূন্য, নিস্পন্দ! দাঁড়াইয়া আছেন। আবার গায়ক গাহিতেছেন (Kathamrita):

          রণে এসেছ কার কামিনী
    সজল-জলদ জিনিয়া কায় দশনে দোলে দামিনী!

    ঠাকুর আবার সমাধিস্থ!

    গান সমাপ্ত হইলে দালান হইতে গিয়া ঠাকুর (Ramakrishna) অধরের দ্বিতল বৈঠকখানায় ভক্তসঙ্গে বসিলেন। নানা ঈশ্বরীয় প্রসঙ্গ হইতেছে। কোন কোন ভক্ত অন্তঃসার ফল্গুনদী, উপরে ভাবের কোন প্রকাশ নাই—এ-সব কথাও হইতেছে।

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 245: “স্ব-স্বরূপ দর্শন, ঈশ্বরদর্শন বা আত্মদর্শনের উপায়—আন্তরিক প্রার্থনা—নিত্যলীলা যোগ ”

    Ramakrishna 245: “স্ব-স্বরূপ দর্শন, ঈশ্বরদর্শন বা আত্মদর্শনের উপায়—আন্তরিক প্রার্থনা—নিত্যলীলা যোগ ”

    শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরে ও ভক্তগৃহে

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, জুন

    নানাভাবে শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরে ও ভক্তমন্দিরে

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) দক্ষিণেশ্বর-দেবালয়ে, শিবমন্দিরে সিঁড়িতে বসিয়া আছেন। জৈষ্ঠ মাস, ১৮৮৩, খুব গরম পড়িয়াছে। একটু পরে সন্ধ্যা হইবে। বরফ ইত্যাদি লইয়া মাস্টার আসিয়াছেন ও ঠাকুরকে প্রণাম করিয়া তাঁহার পাদমূলে শিবমন্দিরের সিঁড়িতে বসিলেন (Kathamrita)।

    1. S. Mill and Sri Ramakrishna: Limitations of man—a conditioned being

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারের প্রতি)—মণি মল্লিকের নাতজামাই এসেছিল। সে কি বই-এ পড়েছে, ঈশ্বরকে তেমন জ্ঞানী, সর্বজ্ঞ বলে বোধ হয় না। তাহলে এত দুঃখ কেন? আর এই যে জীবের মৃত্যু হয়, একেবারে মেরে ফেললেই হয়, ক্রমে ক্রমে অনেক কষ্ট দিয়ে মারা কেন? যে বই লিখেছে সে নাকি বলেছে যে, আমি হলে এর চেয়ে ভাল সৃষ্টি করতে পারতাম।

    মাস্টার হাঁ করিয়া ঠাকুরের কথা শুনিতেছেন ও চুপ করিয়া আছেন। ঠাকুর আবার কথা কহিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারের প্রতি)—তাঁকে কি বুঝা যায় গা! আমিও কখন তাঁকে ভাবি ভাল, কখন ভাবি মন্দ। তাঁর মহামায়ার ভিতের আমাদের রেখেছেন। কখন তিনি হুঁশ করেন, কখন তিনি অজ্ঞান করেন। একবার অজ্ঞানটা চলে যায়, আবার ঘিরে ফেলে। পুকুর পানা ঢাকা, ঢিল মারলে খানিকটা জল দেখা যায়, আবার খানিকক্ষণ পরে পানা নাচতে নাচতে এসে সে জলটুকুও ঢেকে ফেলে।

    “যতক্ষণ দেহবুদ্ধি ততক্ষণই সুখ-দুঃখ, জন্মমৃত্যু, রোগশোক। দেহেরই এই সব, আত্মার নয়। দেহের মৃত্যুর পর তিনি হয়তো ভাল জায়গায় নিয়ে যাচ্ছেন—যেমন প্রসববেদনার পর সন্তানলাভ। আত্মজ্ঞান হলে সুখ-দুঃখ, জন্মমৃত্যু—স্বপ্নবৎ বোধ হয়।

    “আমরা কি বুঝব! এক সের ঘটিতে কি দশ সের দুধ ধরে? নুনের পুতুল সমুদ্র মাপতে গিয়ে আর খবর দেয় না। গলে মিশে যায় (Kathamrita)।”

     “ছিদ্যন্তে সর্ব্বসংশয়াঃ তস্মিন্‌ দৃষ্টে পরাবরে” 

    সন্ধ্যা হইল। ঠাকুরদের (Ramakrishna) আরতি হইতেছে। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ নিজের ঘরে ছোট খাটটিতে বসিয়া জগন্মাতার চিন্তা করিতেছেন। রাখাল, লাটু, রামলাল, কিশোরী গুপ্ত প্রভৃতি ভক্তেরা আছেন। মাস্টার আজ রাত্রে থাকিবেন। ঘরের উত্তরে ছোট বারান্দায় ঠাকুর একটি ভক্তের সহিত নিভৃতে কথা কহিতেছেন। বলিতেছেন, “প্রত্যূষে ও শেষ রাত্রে ধ্যান করা ভাল ও প্রত্যহ সন্ধ্যার পর।” কিরূপ ধ্যান করিতে হয় — সাকার ধ্যান, অরূপ ধ্যান, সে-সব বলিতেছেন।

    কিয়ৎক্ষণ পরে ঠাকুর পশ্চিমের গোল বারান্দাটিতে বসিয়া আছেন। রাত্রি ৯টা হইবে। মাস্টার কাছে বসিয়া আছেন, রাখাল প্রভৃতি এক-একবার ঘরের ভিতর যাতায়াত করিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারের প্রতি)—দেখ, এখানে যারা যারা আসবে সকলের সংশয় মিটে যাবে, কি বল?

    মাস্টার—আজ্ঞে হাঁ।

    এমন সময় গঙ্গাবক্ষে অনেক দূরে মাঝি নৌকা লইয়া যাইতেছে ও গান ধরিয়াছে। সেই গীতধ্বনি, মধুর অনাহতধ্বনির ন্যায় অনন্ত আকাশের ভিতর দিয়া গঙ্গার প্রশস্ত বক্ষ যেন স্পর্শ করিয়া ঠাকুরের কর্ণকুহরে প্রবেশ করিল। ঠাকুর অমনি ভাবাবিষ্ট। সমস্ত শরীর কণ্টকিত। মাস্টারের হাত ধরিয়া বলিতেছেন, “দেখ দেখ আমার রোমাঞ্চ হচ্ছে। আমার গায়ে হাত দিয়ে দেখ!” তিনি সেই প্রেমাবিষ্ট কণ্টকিত দেহ স্পর্শ করিয়া অবাক্‌ হইয়া রহিলেন। “পুলকে পূরিত অঙ্গ”! উপনিষদে কথা আছে যে, তিনি বিশ্বে আকাশে ‘ওতপ্রোত’ হয়ে আছেন। তিনিই কি শব্দরূপে শ্রীরামকৃষ্ণকে স্পর্শ করিতেছেন? এই কি শব্দ ব্রহ্ম?

    কিয়ৎক্ষণ পরে ঠাকুর (Ramakrishna) আবার কথা কহিতেছেন।

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 10 January 2025: ধর্মীয় স্থানে দান করায় শান্তিলাভ করবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 10 January 2025: ধর্মীয় স্থানে দান করায় শান্তিলাভ করবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) ভালো কোনও সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় ক্ষোভ বাড়তে পারে।

    ২) কারও কাছ থেকে বড় কোনও উপকার পেতে পারেন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) ধর্মীয় স্থানে দান করায় শান্তিলাভ।

    ২) কাজের জন্য বাড়ির কেউ বাইরে যাওয়ায় মনঃকষ্ট।

    ৩) সতর্ক থাকবেন সব বিষয়ে।

    মিথুন

    ১) সুবক্তা হিসেবে সুনাম পেতে পারেন।

    ২) শরীরে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি হতে পারে। 

    ৩) বাণীতে সংযম জরুরি।

    কর্কট

    ১) পড়াশোনার খুব ভালো সুযোগ আসতে পারে।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় থাকবে।

    ৩) সবাইকে ভালোভাবে কথা বলুন।

    সিংহ

    ১) কোনও ভুল কাজ করার জন্য অনুতপ্ত হবেন।

    ২) সারা দিন ব্যবসা ভালো চললেও পরে জটিলতা দেখা দিতে পারে।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

    কন্যা

    ১) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে সমস্যা হতে পারে।

    ২) নিজের চিকিৎসায় বহু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    তুলা

    ১) কর্মক্ষেত্রে বৈরী মনোভাব ত্যাগ করাই ভাল।

    ২) মামলায় জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) দিনটি মোটামুটি কাটবে।

    বৃশ্চিক

    ১) কাজের জায়গায় আঘাত লাগা থেকে সাবধান থাকুন।

    ২) সংসারে খুব সংযত থাকতে হবে।

    ৩) আশাপূরণ।

    ধনু

    ১) ব্যবসায় ভালো লাভ হতে পারে।

    ২) প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ পাবেন।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    মকর

    ১) উচ্চপদস্থ কোনও ব্যক্তির অনুগত থাকলে লাভবান হবেন।

    ২) প্রতিবেশীর ঝামেলায় বেশি কথা না বলাই শ্রেয়।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কুম্ভ

    ১) প্রতিযোগিতামূলক কাজে সাফল্যের যোগ।

    ২) কুসঙ্গে পড়ে নিজের ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) আশা পূরণ।

    মীন

    ১) কোনও যন্ত্র খারাপ হওয়ায় প্রচুর খরচ হতে পারে।

    ২) কর্মে অন্যের সাহায্যের প্রয়োজন হতে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Santipur: মহিলা চিকিৎসককে হুমকি সুপারের, শান্তিপুর হাসপাতালে পৌঁছল জাতীয় মহিলা কমিশন

    Santipur: মহিলা চিকিৎসককে হুমকি সুপারের, শান্তিপুর হাসপাতালে পৌঁছল জাতীয় মহিলা কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহিলা চিকিৎসককে হুমকির ঘটনায় বৃহস্পতিবার শান্তিপুর হাসপাতালে যান জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্যা অর্চনা মজুমদার। সম্প্রতি, নদিয়ার শান্তিপুর (Santipur) স্টেট জেনারেল হাসপাতালের এক মহিলা চিকিৎসক হাসপাতাল সুপারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে স্বাস্থ্য দফতর সহ বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।

    বৈঠক করলেন জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্যা (Santipur)

    জানা গিয়েছে, হুমকি পাওয়ার পর প্রাথমিক নিরাপত্তা চেয়ে শান্তিপুর (Santipur) থানায় সুপারের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন ওই মহিলা চিকিৎসক। পাশাপাশি জাতীয় মহিলা কমিশনেও একটি অভিযোগ করেন তিনি। সেই অভিযোগের তদন্তে বৃহস্পতিবার নদিয়ার শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে যান জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্যা অর্চনা মজুমদার। প্রথমে তিনি হাসপাতালের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে বিভিন্ন জায়গায় পরিদর্শন করেন। বিশেষ করে চিকিৎসা কেমন চলছে, নার্স পর্যাপ্ত আছে কিনা এবং রোগীরা সঠিক পরিষেবা পাচ্ছেন কিনা সেই নিয়ে প্রত্যেকের সঙ্গে তিনি কথাবার্তা বলেন। পরবর্তীতে, হুমকি ইস্যুতে শান্তিপুর সরকারি হাসপাতালের সুপার তারক বর্মন এবং জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ২২ জানুয়ারি মুর্শিদাবাদে রাম মন্দিরের সূচনা, ঘোষণা অম্বিকানন্দের, কারা কারা আমন্ত্রিত?

    কী বললেন জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য?

    বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে অর্চনা মজুমদার বলেন, “যে অভিযোগ মহিলা ডাক্তার করেছেন, সেটা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তবে, সঠিক সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়া যায়নি। আমরা চেষ্টা করছি বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় তদন্ত করার। তবে এই বিষয়ে বলার কিছু নেই। তার, কারণ মহিলা ডাক্তারের সঙ্গে ইতিমধ্যে আমি কথা বলেছি। যদি কোনও প্রমাণ তিনি দিতে পারেন, তাহলে সুপারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।” জানা গিয়েছে, শান্তিপুর হাসপাতাল পরিদর্শনের শেষে শান্তিপুর থানায় গিয়ে পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। প্রসঙ্গত, আরজি করকাণ্ডের পরে সারা রাজ্যব্যাপী শুরু হয়েছিল প্রতিবাদের ঝড়। তার রেশ কাটতে না কাটতেই শান্তিপুর (Santipur) হাসপাতালের সুপারের বিরুদ্ধে এক মহিলা চিকিৎসক বিস্ফোরক অভিযোগ আনেন। তার সঠিক তদন্ত করতে এদিন হাসপাতালে পরিদর্শনে এলেন জাতীয় মহিলা কমিশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF-BGB Flag Meeting: বাংলাদেশ সীমান্তে অশান্তির আবহে বিএসএফ-বিজিবির বৈঠক, কী কথা হল?

    BSF-BGB Flag Meeting: বাংলাদেশ সীমান্তে অশান্তির আবহে বিএসএফ-বিজিবির বৈঠক, কী কথা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-বাংলাদেশ (Bangladesh) সীমান্ত লাগোয়া মুর্শিদাবাদ, মালদা, নদিয়ায় লাগাতার উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ উঠছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। ঠিক এই উত্তেজনাময় আবহের মধ্যে পেট্রাপোল সীমান্তে বৃহস্পতিবার উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। বিজিবি কমান্ডারের সঙ্গে এই বৈঠক হয়েছে বিএসএফ (BSF-BGB Flag Meeting) দক্ষিণবঙ্গের ফ্রন্টিয়ারের আইজি মণিন্দ্র সিং পাওয়ারের। সূত্রের খবর জানা গিয়েছে, বিজিবির কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে সীমান্ত নিয়ে কেন এই ভাবে বার বার উস্কানি দেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে?

    বিজিবিরা কেন ভারতীয় ভূখণ্ডে ছুটে আসে (BSF-BGB)?

    বিএসএফ সূত্রে খবর, এদিন বেলা ১১টায় বৈঠক শুরু হয়েছে। ভারতীয় বিএসএফের পক্ষ থেকে আইজি যশোর বিভাগের আঞ্চলিক নয়া কমান্ডার কাছে জানতে চেয়েছেন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (Bangladesh) যে আচরণ প্রত্যাশা করা হয়, তা এখন করা হচ্ছে না। বাংলাদেশের বিজিবি কেন ভারতীয় ভূখণ্ডে ছুটে এসে নিজেদের বলে দাবি করছেন। একই ভাবে আরও একাধিক বিষয়ে বাংলাদেশের কাছ থেকে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন (BSF-BGB Flag Meeting)।

    উল্লেখ্য, অনুপ্রবেশ ইস্যুতে বাংলাদেশের যশোর, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়া, মেহরপুর, চুয়াডাঙার মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত ঘেঁষা জায়গাগুলিতে উদ্বেগের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এই জায়গাগুলিতে বাংলাদেশের জঙ্গি হেফাজত, জেএমবি এবং আরও একাধিক কট্টরপন্থী সংগঠনগুলি অতিসক্রিয়। ফলে সীমান্ত টপকে অনুপ্রবেশের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বিজিবিকে (BSF-BGB) পরামর্শ দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী।

    আরও পড়ুনঃ ‘‘৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহার, নইলে…’’! বাংলাদেশে প্রবল জনরোষের মুখে ইউনূস সরকার

    বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যম মিথ্যা প্রচার করছে

    প্রসঙ্গত বাংলাদেশের (Bangladesh) সাতক্ষীরা জেলা জামাতের অন্যতম আঁতুরঘর হিসেবে পরিচিত। সেক্ষেত্রে অনুপ্রবেশের রুখতে বিজিবি দাবি করেছে, ঝিনাইদহে বিতর্কিত ৫ কিমি ভূখণ্ডকে ভারত দখল করেছে। এই নিয়ে আলোচনা হতেই বিশেষ ভাবে সক্রিয় হয় বিএসএফ। ভারতীয় বাহিনী (BSF-BGB) স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, “বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যম ওই প্রতিবেদন সম্পূর্ণভাবে মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। আন্তর্জাতিক সীমান্তে বিএসএফের ভূমিকা অপরিবর্তিত থাকছে (BSF-BGB Flag Meeting)। ভারতের এক ইঞ্চি জমিও নিতে পারেনি কেউ। বিএসএফ এবং বিজিবি শান্তিপূর্ণ ভাবেই অবস্থান করছে। ১৯৭৫ সালের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত নির্দেশিকা মেনে চলা হচ্ছে।” একই ভাবে বাংলাদেশ লাগোয়া মালদার বৈষ্ণবনগর থানার অন্তর্গত সুকদেবপুর গ্রামসংলগ্ন আন্তর্জাতিক সীমান্তেও উত্তেজনা ছড়ায়। সীমান্তে ফেন্সিং করা নিয়ে বাংলাদেশের সেনার সঙ্গে ভারতীয় বিএসএফের বচসা হয় এবং ঝামেলা বাধে (BSF-BGB Flag Meeting)। এই পরিস্থিতির পিছনে যে মহম্মদ ইউনূসের ভারত বিদ্বেষী পরিকল্পনা রয়েছে তা ওয়াকিবহাল মহল মনে করছেন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share