Tag: bangla news

bangla news

  • Bengal Assembly Polls: ১ মার্চ রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ, বাংলায় ভোট কবে?

    Bengal Assembly Polls: ১ মার্চ রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ, বাংলায় ভোট কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি, এমনই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর তারপরেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly elections 2026) দামামা বেজে যাবে। আগামী ১ মার্চ দু’দিনের সফরে পশ্চিমবঙ্গে আসছে নির্বাচন কমিশন অব ইন্ডিয়া (ইসিআই)-র পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ। ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার (Bengal Assembly Polls) তালিকা প্রকাশের পরদিনই এই সফর অনুষ্ঠিত হবে। নয়াদিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের সদর দফতরে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও), পশ্চিমবঙ্গ মনোজ কুমার আগরওয়ালের সঙ্গে কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের বৈঠকে এই সফরের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়।

    মার্চের প্রথম সপ্তাহেই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা

    সিইও দফতরের এক সূত্র জানিয়েছে, কলকাতায় পৌঁছে কমিশনের (Election Commission Of India) সদস্যরা সিইও-র পাশাপাশি অতিরিক্ত সিইও, যুগ্ম সিইও, ডেপুটি সিইও এবং জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের (ডিইও) সঙ্গে বৈঠক করবেন। এসআইআর-পরবর্তী পরিস্থিতি খতিয়ে দেখাই হবে এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য। এর পরপরই রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হবে বলে সূত্রের খবর। সিইও দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, “নয়াদিল্লির বৈঠকে কমিশন ইঙ্গিত দিয়েছে যে মার্চের প্রথম সপ্তাহেই ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করা হবে।”

    কত দফায় ভোটগ্রহণ রাজ্যে

    বৈঠকে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে কত দফায় ভোটগ্রহণ (Bengal Assembly Polls) হবে, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সূত্রের খবর, সিইও একদফায় নির্বাচন করার পক্ষে জোর সওয়াল করেছেন এবং জানিয়েছেন যে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (সিএপিএফ) মোতায়েন করা গেলে রাজ্য প্রশাসন একদফা ভোটের জন্য প্রস্তুত। যদিও কমিশন এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি, তবে তিন দফার বেশি ভোট হবে না বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে শেষ একদফা বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল ২০০১ সালে। এরপর লোকসভা ও বিধানসভা—উভয় ক্ষেত্রেই ছয় থেকে আট দফায় ভোটগ্রহণ হয়েছে। সিইও দফতরের মতে, একদফা ভোটের ক্ষেত্রে যেমন কিছু সুবিধা রয়েছে, তেমনই রয়েছে চ্যালেঞ্জও। একদফা ভোট হলে বিভিন্ন এলাকা থেকে সমর্থক জড়ো করে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ কমতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলি তাদের সমর্থকদের এক পকেট থেকে অন্য পকেট পর্যন্ত একত্রিত করতে পারবে না এবং এর ফলে ভোটের দিন বা তার আগের দিন বহিরাগতদের একত্রিত করতে পারবে না। তবে একই দিনে গোটা রাজ্যে ভোট করতে গেলে বিপুল পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে। কমিশন সেই ব্যবস্থা করতে পারলে একদফা নির্বাচন বাস্তবায়ন করা সম্ভব বলেই মত প্রশাসনিক সূত্রের।

  • HIV Alert in West Bengal: এক সপ্তাহে নতুন করে সংক্রমিত শতাধিক! রাজ্যে জোরালো থাবা এইচআইভি-র, কীভাবে বাড়ছে সংক্রমণ?

    HIV Alert in West Bengal: এক সপ্তাহে নতুন করে সংক্রমিত শতাধিক! রাজ্যে জোরালো থাবা এইচআইভি-র, কীভাবে বাড়ছে সংক্রমণ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    রাজ্যে এইচআইভি সংক্রমণের জোরালো থাবা। পরিযায়ী শ্রমিক কিংবা ভিন রাজ্য থেকে আসা বাসিন্দাদের থেকে নয়। এই রাজ্যে বসবাসকারী প্রায় শতাধিক ব্যক্তির দেহে এই ভাইরাস নতুনভাবে সংক্রমণ হয়েছে। যা নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রশাসন। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত এক সপ্তাহে প্রায় ১০০-র বেশি মানুষ নতুন করে এইচআইভি সংক্রামিত হয়েছেন বলেই জানা গিয়েছে। সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা প্রশাসনিক মহলের।

    কোন জেলায় উদ্বেগ বাড়াচ্ছে এইচআইভি? কী বলছে স্বাস্থ্য দফতর?

    স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমানে এক যুবকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে জানা গিয়েছে, তিনি এইচআইভি আক্রান্ত। তারপরে তাঁর সঙ্গে কথা বলে আরও একাধিক ব্যক্তির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। এরপরে প্রায় ৯০ জনের দেহে এই ভাইরাস পাওয়া যায়। যারা বর্ধমানের বাসিন্দা। পূর্ব বর্ধমান জেলায় এই ভাইরাস সংক্রমণে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে। এছাড়াও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং হুগলিতেও নতুন করে এইচআইভি আক্রান্ত পাওয়া গিয়েছে। আক্রান্তের ৯৯ শতাংশ পুরুষ। স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্তদের বয়স ৩০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। অধিকাংশ আক্রান্ত সমকামী পুরুষ। তাই নতুন করে এইচআইভি আক্রান্তদের অধিকাংশই পুরুষ।

    কেন রাজ্যে হঠাৎ এইচআইভি সংক্রমণ উদ্বেগজনক ভাবে বাড়ল?

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমানের এক বছর তিরিশের যুবক বেশ কয়েক মাস ধরেই নানান শারীরিক অসুবিধায় ভুগছিলেন। তাঁকে পরীক্ষা করেই এইচআইভি সংক্রমণের বিষয়টি জানা যায়। তাঁর সূত্র ধরেই এরপর কয়েকশো মানুষের শারীরিক পরীক্ষা চলে। হঠাৎ করেই এই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার অন্যতম কারণ অসচেতনতা। এমনটাই জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, সাম্প্রতিক ঘটনা থেকে জানা গিয়েছে, অধিকাংশ আক্রান্ত পরস্পরের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচিত। সেই পরিচয় থেকেই ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। কিন্তু প্রয়োজনীয় সুরক্ষা বিধি না মেনেই তাঁদের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কের ফলেই এইচআইভি সংক্রমণ এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। প্রয়োজনীয় সুরক্ষাবিধি মেনে না চলা এবং একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক পরিস্থিতি জটিল করে তুলেছে। তাই একসঙ্গে এত মানুষ নতুন করে এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন।

    আক্রান্তদের জন্য কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই রোগ নিয়ে নানান সামাজিক ছুৎমার্গ আছে। তাই সম্পূর্ণ গোপনীয়তা বজায় রেখেই এই রোগের চিকিৎসা করা হয়। কিন্তু রোগীর এই রোগ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকা জরুরি। সময় মতো ওষুধ নেওয়া প্রয়োজন। যাতে রোগের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। এইচআইভি ভাইরাস শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি নষ্ট করে দেয়। এর ফলে আক্রান্ত একাধিক রোগে ভুগতে পারেন। এই ভাইরাসের শক্তি কমাতে না পারলে স্বাভাবিক জীবন যাপন কঠিন। তাই রোগের চিকিৎসা জরুরি‌। তাছাড়া এই রোগ রয়েছে কিনা সে সম্পর্কেও জানা প্রয়োজন। তাই আক্রান্তের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে, এমন সকলেই যাতে প্রয়োজনীয় শারীরিক পরীক্ষা করান, সে সম্পর্কেও প্রশাসনের তরফে লাগাতার প্রচার জরুরি বলেই পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই রোগ যাতে পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে না পড়ে, তার জন্য আরও বেশি পরীক্ষা জরুরি। তবেই রোগ নির্ণয় হবে। ফলে সংক্রমণ আটকানো সহজ হবে।

    স্বাস্থ্য দফতর কী পদক্ষেপ নিচ্ছে?

    স্বাস্থ্য ভবনের এক শীর্ষ কর্তা জানান, পূর্ব বর্ধমানের কালনা সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় গত কয়েক সপ্তাহে এইচআইভি ভাইরাসের দাপট দেখা গিয়েছে। তাই পূর্ব বর্ধমানে ও তার আশপাশের এলাকায় লাগাতার প্রচার কর্মসূচি করা হচ্ছে। আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলে আরও বেশি স্বাস্থ্য পরীক্ষার উপরেও জোর দেওয়া হচ্ছে। আক্রান্তেরা যাতে কোনও রকম সামাজিক হেনস্থার শিকার না হয়, সেদিকেও নজরদারি রয়েছে। পাশপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচয় হতেই অস্বাস্থ্যকর ভাবে, অসুরক্ষিতভাবে ঘনিষ্ঠ হলে কী ধরনের বিপদ হতে পারে, সে নিয়েও সচেতনতা কর্মসূচি চলছে!

  • SIR in Bengal: রাজ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ২৮ ফেব্রুয়ারি, ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেষ শুনানি

    SIR in Bengal: রাজ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ২৮ ফেব্রুয়ারি, ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেষ শুনানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-পর্বের (SIR in Bengal) চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। মঙ্গলবার এসআইআরের নতুন সূচি প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল দিল্লির নির্বাচন সদনে গিয়ে বৈঠক করার পরেই ওই নির্দেশিকা প্রকাশিত হয়। নতুন সূচি অনুযায়ী, “লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি” বা যৌক্তিক অসঙ্গতি এবং ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে কোনওভাবে সংযুক্ত না থাকার অভিযোগে যাঁদের ডাকা হয়েছে, তাঁদের শুনানি ও মামলার নিষ্পত্তি ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেষ করতে হবে। জমা দেওয়া নথির যাচাই প্রক্রিয়া চলবে ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। আগে শুনানির শেষ দিন ছিল ৭ ফেব্রুয়ারি এবং চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের কথা ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি।

    কীভাবে হচ্ছে নথি যাচাই

    ইসি (Election Commission Of India) সূত্রে জানা গিয়েছে, যাচাইয়ের আওতায় থাকা ১.৫১ কোটি ভোটারের মধ্যে প্রায় ১.৪০ কোটির শুনানি ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ১০-১২ লক্ষ ভোটার, যাঁরা চার থেকে পাঁচটি জেলায় ছড়িয়ে রয়েছেন, তাঁদের শুনানি আগামী দু’দিনের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এক আধিকারিক জানান, “শুনানি শেষ হলেই ২১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মামলার নিষ্পত্তির কাজে জোর দেওয়া যাবে।” সূত্রের খবর, শুনানিতে অংশ নেওয়া প্রায় ১ কোটি ভোটারের নথি ইতিমধ্যেই আপলোড করা হয়েছে। তবে ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ইআরও) ও সহকারী ইআরও-রা নথি আপলোড না করলে জেলা নির্বাচন আধিকারিকরা তা যাচাই করতে পারবেন না। সাধারণত এই যাচাই প্রক্রিয়ায় চার থেকে পাঁচ দিন সময় লাগে। যাচাই শেষে নথি ফেরত পাঠানো হবে ইআরওদের কাছে, যাতে তারা মামলার নিষ্পত্তি করতে পারেন। ইতিমধ্যে যাচাই হওয়া মামলাগুলিতে ইলেক্টোরাল রোল অবজারভাররা তাঁদের মন্তব্য নথিভুক্ত করেছেন, যা বিবেচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ইআরওরা।

    একাধিক স্তরে ‘সুপারচেকিং’

    সোমবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে পশ্চিমবঙ্গে এসআইআরের (SIR in Bengal) সময়সীমা বেড়েছে। স্ক্রুটিনির জন্য সাত দিন সময়সীমা বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছে শীর্ষ আদালত। সেই সঙ্গে জানানো হয়েছে, ইআরও-রা এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। সুপ্রিম কোর্টের ওই নির্দেশের জেরেই এই সিদ্ধান্ত। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে একাধিক স্তরে ‘সুপারচেকিং’ হবে বলেও জানানো হয়েছে। ইলেক্টোরাল রোল অবজারভার ও বিশেষ রোল অবজারভারদের পর্যবেক্ষণের পর মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) তালিকা খতিয়ে দেখবেন। এরপর তা অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে নির্বাচন সদনে। সেখানেও আরও এক দফা সুপারচেকিংয়ের পর ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা।

    নির্ভুল তালিকা প্রকাশে বিশেষ সতর্কতা

    ইসি (Election Commission Of India) জানিয়েছে, ভুয়ো ভোটার অন্তর্ভুক্তির অভিযোগের প্রেক্ষিতে নির্ভুল তালিকা প্রকাশে তারা বিশেষভাবে সতর্ক। এক আধিকারিকের কথায়, “একাধিক দফায় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। কমিশন সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট না হলে তালিকা প্রকাশ করা হবে না।” এদিকে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সোমবার সন্ধ্যায় রাজ্য সরকার যে ৮,৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিকের নাম ইসিকে পাঠিয়েছে, তাঁদের বিস্তারিত তথ্যও চেয়েছে কমিশন। অভিযোগ উঠেছিল, তালিকাভুক্তদের মধ্যে অনেকে গ্রুপ-সি কর্মী বা অবসরপ্রাপ্ত। এই আধিকারিকদের এসআইআর ডিউটিতে নিয়োগ করা হবে। ইসি সূত্রে জানানো হয়েছে, “শুধুমাত্র গ্রুপ-বি কর্মীরাই যাতে এই দায়িত্ব পান, তা নিশ্চিত করতেই বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে।”

  • Daily Horoscope 11 February 2026: কর্মক্ষেত্রে সুনাম বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 11 February 2026: কর্মক্ষেত্রে সুনাম বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) স্ত্রীর কথায় বিশেষ ভাবে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

    ২) খেলাধুলায় নাম করার ভালো সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) ভ্রমণের সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে।

    ২) নিজের অজান্তেই কোনও কাজের সুবাদে সকলের প্রীতিলাভ করবেন।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    মিথুন

    ১) কর্মক্ষেত্রে সম্মান পাবেন।

    ২) একাধিক পথে আয় বাড়তে পারে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কর্কট

    ১) বন্ধুদের জন্য অশান্তি বাড়তে পারে।

    ২) আগুন থেকে বিপদের আশঙ্কা।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) অশান্তি থেকে সাবধান থাকা দরকার।

    ২) ব্যবসায় বাড়তি লাভ হতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) ব্যবসায় কাজের দায়িত্ব বাড়তে পারে।

    ২) নেশার প্রতি আসক্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) লোকে দুর্বলতার সুযোগ নিতে পারে।

    ২) ব্যবসায় সমস্যা বাড়তে পারে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) দাম্পত্য জীবনে অশান্তির সময়।

    ২) ব্যবসায় চাপ বাড়তে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

    ১) অর্শের যন্ত্রণা বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে সুনাম বাড়তে পারে।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) ব্যবসায় অশান্তি বাড়তে পারে।

    ২) চাকরির স্থানে উন্নতির সুযোগ পেতে পারেন।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

    ১) শারীরিক সমস্যার জন্য ব্যবসায় সময় দিতে পারবেন না।

    ২) দাম্পত্য সম্পর্কে উন্নতির সময়।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) চিকিৎসার জন্য খরচ বৃদ্ধি।

    ২) কোনও বন্ধুর সঙ্গে বিবাদের যোগ রয়েছে।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Britain: ফের রাজনৈতিক অস্থিরতার দিকে এগোচ্ছে ব্রিটেন! নয়া প্রধানমন্ত্রী কে?

    Britain: ফের রাজনৈতিক অস্থিরতার দিকে এগোচ্ছে ব্রিটেন! নয়া প্রধানমন্ত্রী কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রাজনৈতিক অস্থিরতার দিকে এগোতে পারে ব্রিটেন। লেবার পার্টির অভ্যন্তরীণ বিরোধ তীব্র হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের ওপর চাপ ক্রমশ বাড়ছে। মন্ত্রিসভা একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন স্থগিত রাখার পর স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, যার ফলে তাঁর অবস্থান আরও দুর্বল হয়েছে।

    স্টারমারকে পদত্যাগ করতে বলা হয় (Britain)

    স্টারমারকে প্রথম পদত্যাগ করতে বলেন স্কটিশ লেবার নেতা আনাস সারওয়ার। ম্যান্ডারসন বিতর্ককে কেন্দ্র করে তিনি এই মন্তব্য করেন। একসময় স্টারমারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও সমর্থক হিসেবে পরিচিত সারওয়ার বলেন, “দেশের স্বার্থে স্টারমারের সরে দাঁড়ানোই সবচেয়ে ভালো হবে।” তাঁর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় একের পর এক গুরুতর ভুল করেছে এবং বিভিন্ন বিভ্রান্তির অবসান ঘটাতে নেতৃত্ব পরিবর্তন জরুরি। সারওয়ার জানান, যেখানে তিনি ভুল দেখবেন, সেখানেই তিনি মুখ খুলবেন। জানা গিয়েছে, প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তিনি বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে আগেই জানিয়েছিলেন। এরপরই ১০ ডাউনিং স্ট্রিটকে কার্যত ‘সংকটকালীন অবস্থায়’ রাখা হয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেবার পার্টির মন্ত্রীদের প্রকাশ্যে স্টারমারের পক্ষে অবস্থান নিতে বলা হয়, অন্যথায় তাঁদের মন্ত্রিসভার পদ হারানোর ঝুঁকির কথা জানানো হয়। এসব ঘটনা এমন এক সময় ঘটছে, যখন চিফ অব স্টাফ মরগান ম্যাকসুইনির পদত্যাগের পর তার রাজনৈতিক অভিঘাত এখনও ওয়েস্টমিনস্টারে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে।

    প্রধানমন্ত্রীর দাবি

    শুরুর দিকে কয়েকজন মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে প্রকাশ্যে সমর্থন করতে অনিচ্ছুক ছিলেন। তবে সরকারের স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকায় এবং আর্থিক বাজারে অস্থিরতার আশঙ্কা দেখা দেওয়ায়, ভিন্নমতাবলম্বী মন্ত্রীরা শেষ পর্যন্ত ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের চাপের কাছে নতি স্বীকার করেন বলে জানা গিয়েছে। এর পরপরই সব মন্ত্রিসভার সদস্য সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ্যে স্টারমারের প্রতি সমর্থন জানান। পরে সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, তিনি যেসব রাজনৈতিক লড়াইয়ের মুখোমুখি হয়েছেন, তার প্রতিটিতেই বিজয়ী হয়েছেন। তবে এই আপাত ঐক্যের মধ্যেও সরকারের ভেতরে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। স্বাস্থ্য সচিব ওয়েস স্ট্রিটিং ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে, যা স্টারমারের সঙ্কট আরও বাড়িয়েছে। ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের অভিযোগ, স্ট্রিটিং আনাস সারওয়ারের সঙ্গে মিলে প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগে বাধ্য করার চেষ্টা করছেন। স্ট্রিটিং এই অভিযোগ অস্বীকার করে একে ‘বিদ্বেষপূর্ণ’ বলে অভিহিত করেছেন এবং স্টারমারের পক্ষে দেওয়া নিজের প্রকাশ্য বক্তব্যের কথা তুলে ধরেছেন।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করলেও, রাজনৈতিক মহলে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে ভবিষ্যতে নেতৃত্বের দৌড়ে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ওয়েস স্ট্রিটিং। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পিটার ম্যান্ডারসনের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ বার্তালাপ প্রকাশ করা ছিল একটি সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ। উল্লেখ্য যে, স্টারমারের পরিবর্তে তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের আলোচনা শুরু হলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় স্ট্রিটিংয়ের নাম উঠে আসে।

     

  • Manipur: ফের অশান্ত মণিপুর, টাংখুল নাগা সম্প্রদায়ের বাড়িতে আগুন কুকি জঙ্গিদের

    Manipur: ফের অশান্ত মণিপুর, টাংখুল নাগা সম্প্রদায়ের বাড়িতে আগুন কুকি জঙ্গিদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অশান্ত উত্তর-পূর্বের পাহাড়ি রাজ্য মণিপুর (Manipur)। মেইতেইদের পর এবার কুকি জঙ্গিরা টার্গেট করেছে টাংখুল নাগা সম্প্রদায়কে। কুকি জঙ্গিরা (Kuki Militants) উখরুল জেলায় টাংখুল নাগা গ্রামবাসীদের বেশ কয়েকটি বাড়িতে আগুনও ধরিয়ে দেয়। কুকি সশস্ত্র জঙ্গিদের এই হামলার পর ফের উত্তেজনা বেড়েছে গোটা জেলায়। রবিবার গভীর রাতে মণিপুরের উখরুল জেলায় সশস্ত্র কুকি জঙ্গিরা একাধিক বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। তার জেরে বৃহত্তর সংঘর্ষের আশঙ্কা করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, টাংখুল নাগা পুরুষদের একটি দলের ওপর কুকি জঙ্গিদের হামলার পরেই ঘটে অগ্নিসংযোগের ঘটনা।

    নাগা ও কুকি গোষ্ঠীর মধ্যে পাথর ছোড়াছুড়ি (Manipur)

    উত্তেজনার সূত্রপাত ঘটে শনিবার রাতে,  যখন লিতান গ্রামে কুকি গোষ্ঠীর সদস্যরা রাজ্যের সবচেয়ে বড় নাগা উপজাতি টাংখুল নাগা সম্প্রদায়ের এক সদস্যকে মারধর করে বলে অভিযোগ। রবিবার দুপুরে পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়, যখন নাগা বাসিন্দারা কুকি গ্রামের প্রধানের কাছে গিয়ে হামলাকারীদের আত্মসমর্পণের দাবি জানায়। এর জেরে সন্ধ্যায় উখরুল শহর ও রাজ্যের রাজধানী ইম্ফলের মাঝখানে অবস্থিত লিতানের কুকি-জো এলাকায় নাগা ও কুকি গোষ্ঠীর মধ্যে তীব্র পাথর ছোড়াছুড়ি হয়। পরে সশস্ত্র কুকি জঙ্গিরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে একাধিক টাংখুল নাগা পুরুষকে মারধর করে, যাতে অনেকেই জখম হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জেলা প্রশাসন দ্রুত নিষেধাজ্ঞা জারি করে। তবে সোমবার মধ্যরাতের দিকে (Kuki Militants) লিতান সারেইখং এলাকায় টাংখুল মালিকানাধীন বেশ কয়েকটি বাড়ি আগুনে পুড়ে গিয়েছে (Manipur)।

    নাগা গ্রামবাসীদের বাড়িতে আগুন

    প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সশস্ত্র কুকি জঙ্গিরাই এসে নাগা গ্রামবাসীদের বাড়িতে আগুন লাগায়। তারা নাগা গ্রামবাসীদের আতঙ্কিত করতে গুলিও চালায়। কর্তৃপক্ষ এখনও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ মূল্যায়ন করছে। এলাকা এখনও থমথমে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মুখোশধারী ও ছদ্মবেশী লোকজন বিভিন্ন কাঠামো এবং যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে। অন্যরা আকাশের দিকে স্বয়ংক্রিয় রাইফেল থেকে গুলি ছুঁড়ছে।উল্লেখ্য যে, অতীতেও বহুবার কুকি জঙ্গিরা নাগা সম্প্রদায়ের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে। মণিপুরে মে ২০২৩ থেকে জাতিগত সংঘর্ষ চলছে। কুকি ও মেইতেই সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে রাজ্যে ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন (Manipur)।

    কুকি বিধায়কদের হুমকি

    এন বিরেন সিংয়ের সরকার গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে পদত্যাগ করেছিল। আর গত সপ্তাহেই মণিপুরে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় জনপ্রিয় সরকার। মুখ্যমন্ত্রী খেমচাঁদ সিং, কুকি ও নাগা সম্প্রদায়ের দুই উপ-মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে রাজ্যের ৩৬টি সম্প্রদায়ের মধ্যে আস্থা গড়ে তোলার কথা বলছেন। তবে কুকি জঙ্গিরা নতুন সরকারে কুকি বিধায়কদের অংশগ্রহণের বিরোধিতা করছে। তারা কুকি বিধায়কদের হুমকি দিয়ে বলেছে, নিজের ঝুঁকিতে সরকারে যোগ দিতে। এই অবস্থায় টাংখুল নাগা সম্প্রদায়ের ওপর কুকি জঙ্গিদের সাম্প্রতিক হামলা অশান্ত এই রাজ্যে শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি (Kuki Militants) গুরুতর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে (Manipur)।

     

  • PM Modi: এআই-ইমপ্যাক্ট সামিটের প্রাক্কালে মরিশাসের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা মোদির

    PM Modi: এআই-ইমপ্যাক্ট সামিটের প্রাক্কালে মরিশাসের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে হতে চলেছে এআই-ইমপ্যাক্ট (AI Impact) সামিট। তার আগে সোমবার দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ও মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী নবীনচন্দ্র রামগুলাম। ভারত ও মরিশাসের মধ্যে যে উন্নত কৌশলগত অংশীদারিত্ব রয়েছে, তা আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের যৌথ অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী রামগুলামের সঙ্গে টেলিফোনে কথোপকথনের সময় প্রধানমন্ত্রী মোদি ‘ভিশন মহাসাগর’ (Vision MAHASAGAR), ভারতের ‘নেবারহুড ফার্স্ট’ নীতি এবং গ্লোবাল সাউথের প্রতি অভিন্ন দায়বদ্ধতার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে মরিশাসের উন্নয়ন অগ্রাধিকারে ভারতের অব্যাহত সমর্থনের কথা ফের তুলে ধরেন।

    দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা (PM Modi)

    দুই নেতা ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বারাণসীতে তাঁদের সর্বশেষ বৈঠকের পর থেকে বিস্তৃত দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। আলোচনায় উন্নয়ন অংশীদারিত্ব, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মানুষে-মানুষে যোগাযোগের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। উভয় দেশবাসীর কল্যাণে ভারত–মরিশাসের উন্নত কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও জোরদার করার বিষয়ে তাঁরা তাঁদের অভিন্ন অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার যৌথ লক্ষ্য অর্জনে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে দুই নেতা একমত হন। প্রধানমন্ত্রী মোদি জানান, আগামী সপ্তাহে নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এআই-ইমপ্যাক্ট সামিটে প্রধানমন্ত্রী রামগুলামকে স্বাগত জানাতে তিনি আগ্রহী। মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে এই গঠনমূলক আলোচনার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বলেন, “আগামী সপ্তাহে ভারতে অনুষ্ঠিত এআই-ইমপ্যাক্ট সামিটে ভারত–মরিশাস সহযোগিতা আরও গভীর করার আশা রাখছি আমি। রামগুলাম বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৌশলগত সহযোগিতা জোরদার করতে ভারতের প্রতি মরিশাসের সমর্থনের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন (PM Modi)।”

    মোদিকে ধন্যবাদ রামগুলামের

    এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “এই গঠনমূলক আলোচনার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ। উন্নয়ন, উদ্ভাবন এবং উদীয়মান প্রযুক্তি ক্ষেত্রে কৌশলগত সহযোগিতা জোরদার করতে মরিশাস ও ভারত এক সঙ্গে রয়েছে (AI Impact)। আগামী সপ্তাহে ভারতে অনুষ্ঠিত এআই-ইমপ্যাক্ট সামিটে এই সহযোগিতা আরও গভীর করার অপেক্ষায় রয়েছি।” উল্লেখ্য যে, গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে মরিশাসের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সময় ভারত সরকার মরিশাসকে ৬৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি মূল্যের একটি বিস্তৃত বিশেষ অর্থনৈতিক প্যাকেজ দেয় এবং একাধিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্রসঙ্গত, ১৬ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দিল্লির ভারত মণ্ডপমে এআই-ইমপ্যাক্ট সামিট আয়োজন করতে চলেছে ভারত। এটি হবে গ্লোবাল সাউথে অনুষ্ঠিত প্রথম বৈশ্বিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্মেলন। পাঁচদিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে নীতি নির্ধারণ, গবেষণা, শিল্প ও জনসম্পৃক্ততা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। সম্মেলনটি তিনটি মৌলিক স্তম্ভ বা ‘সূত্রে’র ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে – মানুষ (People), পৃথিবী (Planet) ও অগ্রগতি (Progress)। এই সম্মেলনে বিশ্বনেতা, নীতিনির্ধারক, প্রযুক্তি সংস্থা, উদ্ভাবক (AI Impact) ও বিশেষজ্ঞরা একত্রিত হয়ে শাসনব্যবস্থা, উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নে এআইয়ের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করবেন (PM Modi)।

     

  • Rajpal Yadav: “আমার টাকা নেই, আত্মসমর্পণ করা ছাড়া আর কোনও উপায়ও নেই”, বললেন অভিনেতা রাজপাল

    Rajpal Yadav: “আমার টাকা নেই, আত্মসমর্পণ করা ছাড়া আর কোনও উপায়ও নেই”, বললেন অভিনেতা রাজপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চেক বাউন্স মামলায় দিল্লির তিহার জেলে আত্মসমর্পণ করলেন অভিনেতা রাজপাল যাদব (Rajpal Yadav)। তার ঠিক আগে আগে নিজের আর্থিক সঙ্কটের কথা প্রকাশ্যে (Court) জানান অভিনেতা। ‘ভুলভুলাইয়া’ (২০০৭), ‘হাঙ্গামা’ (২০০৩) ও ‘ঢোল’ (২০০৭)-এর মতো ছবিতে কৌতুক অভিনেতার চরিত্রে অভিনয়ের সুবাদে পরিচিত বছর চুয়ান্নর এই অভিনেতা বলেন, “আমার কাছে কোনও টাকা নেই, কোনও বন্ধুও নেই, আর আত্মসমর্পণ করা ছাড়া আমার আর কোনও উপায়ও নেই।”

    তিহার জেলে আত্মসমর্পণ (Rajpal Yadav)

    দিল্লি হাইকোর্ট তাঁর সময় বাড়ানোর আবেদন খারিজ করার পর রাজপাল তিহার জেলে আত্মসমর্পণ করেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁকে ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছিল। তিনি তা না করায় আদালত আর কোনও ছাড় দিতে অস্বীকার করে। বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, পেশা নির্বিশেষে আইনের চোখে সবাই সমান। এক সাক্ষাৎকারে রাজপাল তাঁর আর্থিক সমস্যার কথা ব্যাখ্যা করে বলেন,
    “স্যার, কী করব? আমার কাছে টাকা নেই। আর কোনও উপায়ও দেখতে পাচ্ছি না।” তাঁকে যখন জিজ্ঞেস করা হয়, তিনি কি সহকর্মী বা ইন্ডাস্ট্রির বন্ধুদের, যেমন পরিচালক প্রিয়দর্শন, যাঁর সঙ্গে তিনি বহুবার কাজ করেছেন, কাছ থেকে সাহায্য চাওয়ার কথা ভেবেছেন কি না, তখন রাজপাল বলেন, “স্যার, এখানে আমরা সবাই একা। এখানে কোনও বন্ধু নেই। এই সঙ্কটের মোকাবিলা আমাকে একাই করতে হবে।”

    রাজপালদের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    এর আগে একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, ২০১৮ সালে দিল্লির এক ব্যবসায়ীর করা মামলার ভিত্তিতে রাজপাল যাদব ও তাঁর স্ত্রী রাধার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগ, ২০১০ সালে নেওয়া ৫ কোটি টাকার ঋণ তাঁরা পরিশোধ করেননি। জানা গিয়েছে, রাজপাল তাঁর পরিচালনায় প্রথম ছবি ‘আতা পাতা লাপাতা ’(২০১০)-এর জন্য এই টাকা নিয়েছিলেন (Rajpal Yadav)। ছবিটি ২০১২ সালে মুক্তি পেলেও ঋণ শোধ করা হয়নি। এই মামলায় আদালত একাধিকবার তাঁকে তলব করেছিল এবং বিচার চলাকালীন একবার তাঁকে ১০ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতেও পাঠানো হয়েছিল। চেক বাউন্স মামলায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঋণের টাকা জোগাড় করতে না পারায় আদালত তাঁর আবেদন খারিজ করে অবিলম্বে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়। তিহার জেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকেল প্রায় ৪টের সময় রাজপাল যাদব জেল সুপারের সামনে হাজির হন (Rajpal Yadav)।

    আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার

    আদালতের নির্দেশে বলা হয়েছে, “এই পরিস্থিতিতে, আবেদনকারীর (Court) (রাজপাল যাদব) আত্মসমর্পণের নির্দেশ প্রত্যাহারের আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁকে আজই অবিলম্বে তিহার জেলের সুপারের কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে।” হাইকোর্ট বিলম্বের কড়া সমালোচনা করে জানায়, কোনও ব্যক্তির পেশাগত পরিচয় বিশেষ সুবিধার কারণ হতে পারে না। বেঞ্চ জানায়, “কোনও ব্যক্তি বিশেষ কোনও পেশা বা ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত বলেই আদালত বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে না।” আদালত আরও জানায়, আগের নির্দেশে আত্মসমর্পণের তারিখ নিয়ে কোনও বিভ্রান্তির সুযোগ ছিল না। যদিও রাজপালের আইনজীবী দাবি করেন, ঋণের টাকা জোগাড়ের চেষ্টা করতেই দেরি হয়েছে, তবুও আদালত জানায়, বারবার ছাড় দিলে বিচারব্যবস্থার নির্দেশের গুরুত্ব ক্ষুণ্ণ হবে (Rajpal Yadav)। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার রয়েছে, এই নীতির পুনরুল্লেখ করে আদালত জানায়, অভিনেতা হওয়ার কারণে বা চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত থাকায় কোনও বিশেষ সুবিধা তাঁকে দেওয়া হবে না (Court)।

    পাশে দাঁড়ালেন অভিনেতা সোনু সুদ 

    এই ঘটনার পর অভিনেতা সোনু সুদ এক্স হ্যান্ডেলে রাজপাল যাদবের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলেন। তিনি চলচ্চিত্র জগতকে কঠিন সময়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বানও জানান। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি দীর্ঘ বার্তায় সোনু সুদ লেখেন, “রাজপাল যাদব একজন প্রতিভাবান অভিনেতা, যিনি আমাদের ইন্ডাস্ট্রিকে বহু বছর অসাধারণ কাজ উপহার দিয়েছেন। কখনও কখনও জীবন অন্যায় হয়ে ওঠে, প্রতিভার অভাবে নয়, বরং সময়টাই নিষ্ঠুর হয়ে যায়।” তিনি আরও লেখেন, “তিনি আমার ছবির অংশ হবেন। এই মুহূর্তে প্রযোজক, পরিচালক ও সহকর্মীদের একসঙ্গে দাঁড়ানোর সময়। ভবিষ্যৎ কাজের সঙ্গে সামঞ্জস্যযোগ্য একটি ছোট সাইনিং অ্যামাউন্ট দান নয়, সম্মান। আমাদেরই একজন কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে গেলে ইন্ডাস্ট্রির উচিত তাকে মনে করিয়ে দেওয়া, সে একা নয় (Rajpal Yadav)।”

    একের পর এক সেরা ছবি

    রাজপাল যাদব দু’দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয় জগতে সক্রিয়। নয়ের দশকের শেষের দিকে তিনি হিন্দি ছবিতে আত্মপ্রকাশ করেন এবং ‘জঙ্গল’ (২০০০) ছবিতে খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করে বিশেষ পরিচিতি পান। এরপর তিনি প্রায় ১৫০টিরও বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন। হিন্দির পাশাপাশি অভিনয় করেছেন মারাঠি, ইংরেজি, তেলুগু, কন্নড়, আওয়াধি ও বাংলা সিনেমায়ও (Court)। তাঁকে শেষ দেখা গিয়েছে ‘বেবি জন’ (২০২৪) ও ‘ইন্টারোগেশন ’(২০২৫) ছবিতে। আগামী ১০ এপ্রিল মুক্তি পাওয়ার কথা প্রিয়দর্শনের পরিচালনায় হরর-কমেডি ছবি ‘ভূত বাংলা’, যেখানে তিনি অক্ষয় কুমারের সঙ্গে অভিনয় করেছেন। এছাড়াও, ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল ’ ছবির শুটিং শেষ করেছেন, যেখানে সঞ্জয় দত্ত, সুনীল শেঠি, অক্ষয় কুমার, রবীনা ট্যান্ডন-সহ একাধিক তারকা রয়েছেন (Rajpal Yadav)।

     

  • Bangladesh Election: বাংলাদেশে প্রাক-নির্বাচনী সমীক্ষায় এগিয়ে বিএনপি, জয়-পরাজয় নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু-ভোট!

    Bangladesh Election: বাংলাদেশে প্রাক-নির্বাচনী সমীক্ষায় এগিয়ে বিএনপি, জয়-পরাজয় নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু-ভোট!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র দুই দিন বাকি। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এটিই প্রথম জাতীয় নির্বাচন। প্রতিবেশী দেশটির ইতিহাসে এই নির্বাচনকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। প্রধানত দু’টি  মুখ্য রাজনৈতিক দল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি (জামাত নামেই জনপ্রিয়) ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মধ্যে ভোটের লড়াই। এই দুই দলই ভোটারদের কাছে পৌঁছতে মরিয়া। এই প্রেক্ষাপটে প্রকাশিত একাধিক জনমত সমীক্ষায় নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

    জামাত না বিএনপি

    হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতি এবং মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাধ্যমে আওয়ামি লিগের ওপর নিষেধাজ্ঞার পর, বাংলাদেশে একসময়ের মিত্র জামায়াত ও বিএনপি প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বি দুই রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে উত্থান ঘটেছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নির্বাচনে জয়ী হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যদিও ইসলামপন্থী জামায়াতে ইসলামির নেতৃত্বাধীন একটি জোট শক্তিশালী চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে পারে। ৩০ বছরের কম বয়সী তরুণ কর্মীদের পরিচালিত একটি নতুন দল হাসিনা-বিরোধী রাজপথের আন্দোলনকে নির্বাচনী শক্তিতে রূপান্তরিত করতে ব্যর্থ হওয়ার পর জামায়াতের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়েছে।

    সমীক্ষায় এগিয়ে বিএনপি

    বাংলাদেশের ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল’ অ্যান্ড ডিপ্লোমেসি (IILD) পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন জোট ৪৪.১ শতাংশ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট পেতে পারে ৪৩.৯ শতাংশ ভোট। সমীক্ষা অনুযায়ী, মোট ভোটের হিসােবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি এগিয়ে থাকলেও, যেখানে জয় প্রায় নিশ্চিত—সেসব আসনে জামায়াত-নেতৃত্বাধীন জোট এগিয়ে। ইসলামপন্থী জোট প্রায় ১০৫টি আসনে জয় নিশ্চিত করতে পারে বলে জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে বিএনপি-নেতৃত্বাধীন জোট নিশ্চিতভাবে জিততে পারে ১০১টি আসনে। এছাড়া ৭৫টি আসনে দুই জোটের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ বা জাতীয় সংসদে মোট ৩৫০টি আসন রয়েছে। এর মধ্যে ৩০০টি আসনে সরাসরি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া ৫০টি মহিলা সংরক্ষিত আসন দলগুলোর প্রাপ্ত আসনের অনুপাতে বণ্টন করা হয়।

    ভারতবিরোধী জামাত পিছিয়ে

    এমিনেন্স অ্যাসোসিয়েটস ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট (EASD) পরিচালিত আরেকটি জনমত সমীক্ষায় বিএনপি-নেতৃত্বাধীন জোটের আরও শক্ত অবস্থানের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। ওই সমীক্ষায় বলা হয়েছে, বিএনপি জোট পেতে পারে প্রায় ২০৮টি আসন। জামায়াত-নেতৃত্বাধীন জোট পেতে পারে ৪৬টি আসন, জাতীয় পার্টি ৩টি আসন, অন্যান্য দল ৪টি আসন, এবং ১৭টি আসনে জয়ী হতে পারেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। এই সমীক্ষায় ভোটারদের রাজনৈতিক পছন্দও উঠে এসেছে। সেখানে দেখা যায়, ৬৬.৩ শতাংশ ভোটার বিএনপিকে সমর্থন করছেন, যেখানে জামায়াতে ইসলামির সমর্থন মাত্র ১১.৯ শতাংশ। নবগঠিত ছাত্রদের দল এনসিপি (NCP) পেয়েছে ১.৭ শতাংশ সমর্থন।

    ভারতের জন্য ইতিবাচক

    বিশ্লেষকদের মতে, এই ফলাফল ভারতের জন্য ইতিবাচক ইঙ্গিত বহন করছে। কারণ, বিএনপি বর্তমানে উদার-মধ্যপন্থী রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েছে, যা কিছুটা হলেও আওয়ামি লিগের মতো। বিপরীতে, জামায়াতে ইসলামির মতো ইসলামপন্থী দলগুলোর অবস্থান প্রকাশ্যেই ভারত-বিরোধী। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিএনপি যদি সরকার গঠন করে, তবে ভারত তারেক রহমানের সঙ্গে সম্পর্ক ভাল করার চেষ্টা করবে। উল্লেখ্য, গত মাসেই তারেক রহমান ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে দেখা করেন। তবে বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতবিরোধী অবস্থান না নিলেও দলটি “বাংলাদেশ ফার্স্ট” নীতিতে বিশ্বাসী।

    আওয়ামি লিগের সমর্থকদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা

    বিএনপি এবং জামায়াত উভয়ই আওয়ামি লিগের সমর্থকদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে, বিশেষ করে সেই আসনগুলোতে যেখানে হাসিনার দলের ব্যাপক সমর্থন রয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ের বিশিষ্ট আওয়ামি লিগ নেতা এবং হিন্দু রাজনীতিবিদ রমেশ চন্দ্র সেনের কারাগারে মৃত্যুর পর উভয় দলের শীর্ষ নেতারা তাঁর বাড়িতে ছুটে যান, যা এই পরিবর্তনশীল ভোটব্যাঙ্কের গুরুত্বকে নির্দেশ করে। রমেশ চন্দ্র সেন পাঁচবারের সংসদ সদস্য ছিলেন এবং এই অঞ্চলে তাঁর ব্যাপক প্রভাব ছিল। যেহেতু দলটি প্রতিযোগিতার বাইরে, তাই উভয় দলই চায় আওয়ামি লিগের সমর্থকরা তাঁদের ভোট দিক। একটি হাড্ডাহাড্ডি নির্বাচনে এই দোদুল্যমান ভোটগুলোই নির্ধারক ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু ভোট

    হাসিনা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে হিন্দু-সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার হয়ে উঠেছে নিত্যদিনের ঘটনা। তবে, নির্বাচনের আবহে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত পাওয়ার পর, সব দলই প্রধান সংখ্যালঘু সম্প্রদায় – হিন্দুদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। অনেকেই বিশ্বাস করেন, হিন্দু ভোট শেষ পর্যন্ত নির্ধারক শক্তি হয়ে উঠতে পারে। মন্দির পরিদর্শন থেকে শুরু করে শিক্ষাক্ষেত্রে হিন্দুদের অবদানের প্রশংসা চলছে। জামায়াত ও বিএনপি উভয়ই এই সম্প্রদায়কে নিরাপত্তা ও সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কিন্তু জামায়াতের কট্টরপন্থী ও উগ্রবাদী ভাবমূর্তির কারণে হিন্দুদের মধ্যে বিএনপির গ্রহণযোগ্যতা বেশি। সংখ্যালঘুদের ভোট পাওয়ার এই প্রচেষ্টা শুরু হয় যখন সম্প্রতি জামায়াতের একজন প্রার্থী শিক্ষা বিস্তারে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অর্থায়নের জন্য হিন্দুদের প্রশংসা করেন। তিনি ঘোষণা করেন যে, “এই অঞ্চলে শিক্ষা বিস্তারে হিন্দুদের ভূমিকা অস্বীকার করা যায় না।” যদিও বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, উগ্রপন্থী শক্তির কর্মকাণ্ডের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দুদের মন জয় করতে হলে জামায়াতকে শুধু কথার চেয়ে আরও অনেক বেশি কিছু করতে হবে। হিন্দু ভোটের ক্ষেত্রে বিএনপি কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে।

  • Delhi Police: কীভাবে প্রকাশের আগেই প্রকাশ্যে জেনারেল নারভানের বই? তদন্ত শুরু দিল্লি পুলিশের

    Delhi Police: কীভাবে প্রকাশের আগেই প্রকাশ্যে জেনারেল নারভানের বই? তদন্ত শুরু দিল্লি পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আনুষ্ঠানিক প্রকাশের আগেই প্রকাশ্যে চলে আসে ‘ফোর স্টার্স অফ ডেস্টিনি’র একটি কপি (Unpublished Memoir)। অনুমোদন ছাড়াই ছড়িয়ে পড়ে ওই কপি। বইটি ভারতের প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারাভানের স্মৃতিকথা (Delhi Police)। এই অভিযোগে ৯ ফেব্রুয়ারি মামলা রুজু করে দিল্লি পুলিশ। অভিযোগ, আইনি অনুমোদন ছাড়াই বইটির অপ্রকাশিত সংস্করণ অনলাইনে এবং কয়েকটি নির্বাচিত প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যাচ্ছে।

    অভিযোগ দায়ের পুলিশের (Delhi Police)

    পুলিশ সূত্রে খবর, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এবং সংবাদ ফোরামে ছড়িয়ে পড়া তথ্যের ভিত্তিতে তারা বিষয়টিতে গুরুত্ব দেয়। ওইসব তথ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বাধ্যতামূলক অনুমোদন না থাকলেও বইটির প্রি-প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশ্যে চলে এসেছে। প্রাথমিক তদন্তের সময় তদন্তকারীরা কয়েকটি ওয়েবসাইটে একই শিরোনামের একটি টাইপসেট পাণ্ডুলিপির পিডিএফ সংস্করণ খুঁজে পান। নথিটি পেঙ্গুইন রানডম হাউস ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড কর্তৃক প্রস্তুত বলে মনে করা হচ্ছে। তারাই এই স্মৃতিকথার তালিকাভুক্ত প্রকাশক। পুলিশ লক্ষ্য করেছে, কিছু অনলাইন বিপণন প্ল্যাটফর্মে বইটির চূড়ান্ত প্রচ্ছদ প্রদর্শিত হচ্ছিল, যা থেকে ইঙ্গিত মিলছিল যে বইটি কেনার জন্য উপলব্ধ, যদিও সেটি আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও প্রকাশিত হয়নি (Delhi Police)। অপ্রকাশিত প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত একটি স্মৃতিকথা ঘিরে এই সম্ভাব্য গোপনীয়তা লঙ্ঘনের প্রেক্ষিতে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, স্পেশাল সেলে একটি মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। তথ্য ফাঁসের উৎস চিহ্নিত করা এবং অনুমোদনহীন প্রচারের পরিসর নির্ধারণ করতে বিস্তারিত তদন্ত চলছে।

    ‘ফোর স্টার্স অফ ডেস্টিনি’

    ‘ফোর স্টার্স অফ ডেস্টিনি’তে জেনারেল নারাভানের প্রায় চার দশকের সামরিক জীবনের বিবরণ রয়েছে। এতে সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট থেকে শুরু করে চিফ অব দ্য আর্মি স্টাফ পর্যন্ত তাঁর দীর্ঘ যাত্রাপথের কথা তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্মৃতিকথাটিতে তাঁর সামরিক জীবনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের উল্লেখ রয়েছে, যার মধ্যে ১৯৬২ সালের যুদ্ধের পর ভারতের সঙ্গে চিনের সবচেয়ে গুরুতর সামরিক অচলাবস্থার কথাও (Unpublished Memoir)। এই স্মৃতিকথাকে ঘিরে বিতর্ক সংসদের বাজেট-পরবর্তী অধিবেশনে আরও তীব্র হয়ে ওঠে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যখন কেন্দ্রীয় বাজেটের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন লোকসভায় কার্যত অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী একটি ম্যাগাজিনের নিবন্ধ থেকে অংশবিশেষ পাঠ করেন, যা নাকি জেনারেল নারাভানের অপ্রকাশিত বইয়ের ওপর ভিত্তি করে লেখা (Delhi Police)।

    বিজেপির তীব্র আপত্তি

    রাহুলের বক্তব্য সংক্ষিপ্ত হলেও, বিজেপি নেতৃত্ব তীব্র আপত্তি জানায়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের অভিযোগ, জনসমক্ষে প্রকাশ না পাওয়া একটি বইয়ের বিষয়বস্তু সংসদে উল্লেখ করেছেন রাহুল। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজুও সংসদীয় বিতর্কে অপ্রকাশিত প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত বিষয় ব্যবহার করার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তার মতো সংবেদনশীল বিষয়কে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয় (Unpublished Memoir)।” প্রাথমিক গন্ডগোলের কয়েক দিনের মধ্যেই রাহুল সংসদে ‘ফোর স্টার্স অফ ডেস্টিনি’র একটি মুদ্রিত কপি হাতে নিয়ে ফের হাজির হন। তিনি জানান, বইটি তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দিতে চান। সংসদ ভবন চত্বরে বই হাতে রাহুল গান্ধীর ছবি প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়ে ওঠে (Delhi Police)। তবে এই পর্যায়ে কোনও ব্যক্তি বা সংস্থাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে পুলিশ মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছে। পুলিশের বক্তব্য, তদন্ত এখনও প্রাথমিক স্তরেই রয়েছে (Unpublished Memoir)।

LinkedIn
Share