Tag: bangla news

bangla news

  • Daily Horoscope 25 January 2025: অপরকে সুখী করতে গেলে স্বার্থত্যাগ করতে হবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 25 January 2025: অপরকে সুখী করতে গেলে স্বার্থত্যাগ করতে হবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) সকালের দিকে দাম্পত্য কলহের কারণে মানসিক চাপ বাড়তে পারে।

    ২) কোনও আধ্যাত্মিক কাজে যোগ দিতে হতে পারে। 

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) বিদেশযাত্রার জন্য আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) অতিরিক্ত ক্রোধের জন্য হাতে আসা কাজ নষ্ট হতে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    মিথুন

    ১) অভিনেতাদের জন্য ভালো সুযোগ আসতে পারে।

    ২) প্রেমের বিষয়ে খুব ভেবেচিন্তে পা বাড়ানো উচিত। 

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কর্কট

    ১) সারা দিন কোনও ভয় আপনাকে চিন্তায় ফেলতে পারে।

    ২) স্ত্রীর সুবাদে কোনও বিশেষ কাজের সুযোগ পাবেন।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) বেকারদের নতুন কিছু করার চেষ্টা বাড়তে পারে।

    ২) মাতৃস্থানীয়া কারও সঙ্গে মতবিরোধ হতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) মানসিক কষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) কোনও ভালো জিনিস নষ্ট হওয়ার যোগ।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) অপরকে সুখী করতে গেলে স্বার্থত্যাগ করতে হবে।

    ২) অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শে আইনি সুরক্ষা পেতে পারেন।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) কোনও নামী ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয়ে লাভবান হতে পারেন।

    ২) ধর্ম বিষয়ক আলোচনায় সুনাম বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

    ১) সম্মান নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে ঝামেলা বাধতে পারে।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) সঞ্চয়ের ইচ্ছা খুব বাড়তে পারে।

    ২) সকলের সঙ্গে কথা খুব বুঝে বলবেন।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

    ১) ব্যবসায় তেমন লাভ হবে না।

    ২) অর্থক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) চাকরির ক্ষেত্রে দিনটি খুব ভালো।

    ২) সন্তানদের বিষয়ে উদ্বেগ থাকবে।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • India-China Relationship: ডোভালের পর চিন সফরে বিক্রম মিস্রি, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনায় বিদেশ সচিব

    India-China Relationship: ডোভালের পর চিন সফরে বিক্রম মিস্রি, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনায় বিদেশ সচিব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে শান্তি ও সুস্থিতি বজায় রাখতে দুই দিনের চিন সফরে যাচ্ছেন ভারতের (India-China Relationship) বিদেশসচিব বিক্রম মিস্রি। আগামী ২৬ জানুয়ারি চিনে যাবেন বিক্রম। দু’দিনের সফরে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন তিনি। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ভারতের বিদেশসচিবের চিন সফর খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক-সহ একাধিক দিক থেকে দুই দেশের সম্পর্ক মজবুতির চেষ্টায় আলোচনা হতে পারে। 

    কেন এই সফর তাৎপর্যপূর্ণ (India-China Relationship)

    ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্টের কুর্সিতে বসার প্রথম দিনেই ওয়াশিংটনে কোয়াডের বৈঠক করেন। ওই বৈঠক শেষে যৌথ সাংবাদিক বৈঠক (India-China Relationship) থেকে নাম না করে চিনকে বার্তা দেওয়া হয়। জানানো হয় যে, কেউ যদি ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের স্বাভাবিক অবস্থার বিঘ্ন ঘটায়, তবে তা বরদাস্ত করা হবে না। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ওই বৈঠকের পর জানিয়ে দেন যে, বর্তমান কঠিন পরিস্থিতিতে বিশ্বের ভালর জন্য কাজ করবে কোয়াড। তিনি জানান, ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বে যথেষ্ট আগ্রহী আমেরিকার নতুন সরকার। যদিও আমেরিকার সঙ্গে বন্ধুত্ব মানেই বেজিংয়ের সঙ্গে সংঘাত জিইয়ে রাখা নয়। মিস্রির সফরে চিনকে সেই বার্তাই দিতে আগ্রহী দিল্লি। 

    ঐক্যমতে পৌঁছনোই লক্ষ্য

    মাসখানেক আগেই চিন সফরে গিয়েছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। চিনের বিদেশমন্ত্রী (India-China Relationship) তথা বৈদেশিক নীতি সংক্রান্ত কমিশনের প্রধান ওয়াং ইর সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। সীমান্তে শান্তি ও সুস্থিতি বজায় রাখতে এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনা কার্যকর করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়। সেই আবহে ভারতের বিদেশসচিব বিক্রমের চিন সফর নিয়ে কৌতূহল নানা মহলে। সীমান্ত-সহ নানা বিষয় নিয়ে ভারত-চিনের বিরোধ বহু দিনের। ২০২০ সালের পর থেকে বিরোধ চরমে ওঠে। ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে পূর্ব লাদাখের বিভিন্ন এলাকায় অনুপ্রবেশের অভিযোগ উঠেছিল চিনা ফৌজের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি বেশ কিছু অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহারে ঐক্যমত হলেও ডেপসাং ও ডেমচক নিয়ে উদ্বেগ এখনও পুরোপুরি কাটেনি। এর মাঝেই বিদেশ সচিবের বেজিং সফরকে  মোদি সরকার আসলে সমতা বিধানের রাস্তা হিসাবেই দেখতে চাইছে।

    ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি চায় বেজিং

    মিস্রি চিনের উপ-বিদেশমন্ত্রী সান ওয়েডংয়ের সঙ্গে আলোচনা (India-China Relationship) করবেন বলে আশা করা হচ্ছে, যিনি এলএসি নিয়ে অচলাবস্থার শুরুতে ভারতের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। এশিয়ার প্রতিবেশীদের সঙ্গে চিনের সম্পর্কের দায়িত্বে রয়েছেন সান। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গিয়েছে, সাম্প্রতিক আলোচনায় চিনা পক্ষ ভিসা বিধিনিষেধ শিথিল করা এবং সরাসরি বিমান চলাচল পুনরায় শুরু করার জন্য চাপ দিচ্ছে, তবে ভারতীয় পক্ষ জাতীয় সুরক্ষার উদ্বেগকে প্রধান ইস্যু হিসেবে বিবেচনা করে প্রক্রিয়াটির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ভিসা ও ফ্লাইটের উপর চিনের চাপ মূলত বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ককে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে, বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ইয়ের মতো শীর্ষ চিনা নেতারা ক্রমাগত সীমান্ত ইস্যুটিকে সামগ্রিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তার ‘উপযুক্ত স্থানে’ রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। এছাড়াও দুই দেশে সাংবাদিকদের পারস্পরিক পোস্টিংও চায় চিন। তবে, ভারত সীমান্ত সমস্যা নিষ্পত্তির জন্য একটি ‘পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য কাঠামোর’ উপর জোর দিয়েছে। উভয় পক্ষ কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা পুনরায় শুরু করা, আন্তঃসীমান্ত নদী এবং সীমান্ত বাণিজ্যের তথ্য বিনিময়ের মতো আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতার উপরও জোর দিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Waqf Bill: ওয়াকফ বিল আলোচনায় জেপিসি বৈঠকে তুমুল বিশৃঙ্খলা, সাসপেন্ড কল্যাণ সহ ১০ সাংসদ

    Waqf Bill: ওয়াকফ বিল আলোচনায় জেপিসি বৈঠকে তুমুল বিশৃঙ্খলা, সাসপেন্ড কল্যাণ সহ ১০ সাংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়াকফ বিল (Waqf Bill) সংক্রান্ত আলোচনায় যৌথ সংসদীয় কমিটির বৈঠকে তুমুল বিশৃঙ্খলা। এখানেই সাসপেন্ড করা হল তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। জানা গিয়েছে, একইসঙ্গে আরও ৯ জন বিরোধী সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, জেপিসির বৈঠক ও জেপিসির (Waqf Bill) কাজ নিয়ে অযৌক্তিক বিরোধিতা শুরু করেন ওই দশজন বিরোধী সাংসদ। এরপরেই শুরু হয় বাদানুবাদ, তারপরেই কল্যাণ সহ ১০ জন বিরোধী সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে গিয়েছিল যে, মার্শাল পর্যন্ত ডাকতে হয়। প্রসঙ্গত, ওয়াকফ বিল নিয়ে গত অক্টোবরেও যৌথ সংসদীয় কমিটির বৈঠকে তুমুল অশান্তি হয়। নিজের হাতে কাচের বোতল ভেঙে জখম হন কল্যাণ। বৈঠকে ‘অসংসদীয় ভাষা’ প্রয়োগের জন্য সেসময় কল্যাণকে এক দিনের জন্য সাসপেন্ড করা হয়।

    কী বললেন নিশিকান্ত দুবে?

    এনিয়ে বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবের অভিযোগ, ‘‘ইচ্ছাকৃত ভাবে গন্ডগোল করার চেষ্টা করছেন বিরোধীরা (Waqf Bill)। এই বিরোধীরা বেশির ভাগ সদস্যের উপর হাঙ্গামা করতে চান। যখনই আমি বলার জন্য মাইক হাতে নিয়েছি, তখনই বিরোধীরা আমায় বাধা দিয়েছেন। এর পর চেয়ারম্যান ওই সাংসদদের সাসপেন্ড করেছেন।’’ জানা গিয়েছে, এর পরের বৈঠক ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। তারপরেই চূড়ান্তভাবে রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে। প্রসঙ্গত, গত ৮ অগাস্ট লোকসভায় ওয়াকফ সংশোধনী বিল পেশ করেছিলেন কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু।

    কল্যাণকে তোপ বিজেপি নেতার 

    এদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘কোন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, যিনি গতবার সংসদীয় বৈঠকে (JPC Meeting) কাচের বোতল ভেঙেছিলেন? যার বোতল ভাঙার অভ্যাস রয়েছে, তিনি কী ভাষা চেয়ারম্যানের সঙ্গে প্রয়োগ করতে পারেন বুঝুন। চেয়ারম্যান সংসদীয় নিয়ম মেনেই কাজ করছেন। বিরোধীদের যা কিছু বলার, শিষ্ঠাচার মেনে বলতে পারতেন। স্টেকহোল্ডারদের কথা শোনার জন্য কমিটির মেয়াদও বাড়ানো হয়েছে। উনি দুধেল গাইদের দেখছেন। আমরা সনাতনী হিন্দুদের দেখছি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • US Citizenship: নাগরিকত্ব নিয়ে ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক, স্থগিতাদেশ মার্কিন আদালতের

    US Citizenship: নাগরিকত্ব নিয়ে ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক, স্থগিতাদেশ মার্কিন আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  আমেরিকার নাগরিকত্ব লাভের জন্য যে সময় বেঁধে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, তা সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক। জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধ করার ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত স্থগিত করল আমেরিকার প্রাদেশিক আদালত। ওয়াশিংটন প্রদেশের সিয়াটেলের আদালতের বিচারক ট্রাম্পের ওই নির্দেশ কার্যকরের উপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। 

    কী বলল আদালত

    প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ নেওয়ার পরেই ট্রাম্প আদেশ দিয়েছিলেন অভিবাসীদের সন্তানরা জন্মসূত্রে আর আমেরিকার নাগরিকত্ব পাবে না। রিপাবলিকান নেতার এই আদেশনামা প্রকাশিত হওয়ার পরেই এহেন নির্দেশের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে ২২টি মার্কিন প্রদেশ। আদেশনামার কড়া বিরোধিতা করে মামলা দায়ের করেছে কলম্বিয়া, সান ফ্রান্সিসকোর মতো প্রদেশগুলি। ট্রাম্পের নির্দেশের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে বস্টন, সিয়াটল, ম্যাসাচুসেটস ও নিউ হ্যাম্পশায়ারের আদালতে। বৃহস্পতিবার এই মামলা নিয়ে শুনানি ছিল সিয়াটল আদালতে বিচারক জন কোহেনরের এজলাসে। শুনানি শেষে বিচারক জানিয়ে দেন, ট্রাম্পের নির্দেশে সংবিধানের আদর্শ লঙ্ঘিত হয়েছে। 

    ট্রাম্পের নির্দেশ নামা

    আমেরিকার বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশ, এখন থেকে আমেরিকায় জন্মালেই সেখানকার নাগরিকত্ব পাওয়া যাবে না। শিশুর বাবা এবং মা উভয়েই যদি আমেরিকার স্থায়ী বাসিন্দা (পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট) হন, তবে শিশুও জন্মানোর পরেই সে দেশের নাগরিকত্ব পেয়ে যাবে। কিন্তু বাবা অথবা মায়ের মধ্যে যে কোনও এক জনের যদি নাগরিকত্ব না-থাকে, সে ক্ষেত্রে সদ্যোজাতকে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে না। আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারির পর আমেরিকায় এই নির্দেশ কার্যকর করার কথা জানান ট্রাম্প।

    এতদিন কী ছিল

    আমেরিকায় এত দিন যে নিয়ম প্রচলিত ছিল, তাতে বাবা অথবা মায়ের পরিচয় না-দেখেই আমেরিকায় ভূমিষ্ঠ হওয়া সন্তানকে জন্মগত ভাবে সে দেশের নাগরিকত্ব দেওয়া হত। এর পর ওই শিশুর বয়স যখন ২১ বছর পূর্ণ হয়, তখন বাবা-মায়েরও আমেরিকায় পাকাপাকি ভাবে থাকার সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়ে যায়। এই সুযোগটি বন্ধ করতে চান ট্রাম্প। ট্রাম্পের ঘোষণার পর থেকে আমেরিকায় ভারতীয় দম্পতিরা উদ্বেগে। ১৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সিজার চেয়ে হাসপাতালে হাসপাতালে আবেদনও করছেন অনেক অন্তঃসত্ত্বা। সময়ের আগেই সন্তান ভূমিষ্ঠ করতে তাঁরা বদ্ধপরিকর।

    ডেমোক্র্যাটদের যুক্তি

    উল্লেখ্য, বিগত প্রায় ১৫০ বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডে জন্ম নেওয়া শিশুরা ‘জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব’ পেয়ে আসছেন। তবে সেই অধিকারকে বাতিল করে নির্বাহী নির্দেশিকায় সই করেন ট্রাম্প। এই নির্দেশিকা কার্যকর হওয়ার কথা ছিল ২০২৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে। এই আবহে বিচারক ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে ‘স্পষ্টতই অসাংবিধানিক’ বলে উল্লেখ করেছেন। ১৮৬৮ সালে আমেরিকার সংবিধানে ১৪তম সংশোধনী যোগ করা হয়। সেখানে বলা হয়, আমেরিকায় জন্মালেই সেখানকার নাগরিকত্ব মিলবে। ১৯৫২ সালের অভিবাসন এবং জাতীয়তা আইনেও একই কথা বলা হয়েছে। ট্রাম্পের নির্দেশ এই আইন এবং সংবিধানের বিরোধী, আদালতে সওয়াল করেছেন বিরোধী পক্ষের আইনজীবীরা। আমেরিকার ডেমোক্র্যাট প্রদেশগুলির বক্তব্য, নাগরিকত্ব সংক্রান্ত যে নির্দেশ ট্রাম্প দিয়েছেন, তা যদি কার্যকর করা হয়, তবে দেড় লক্ষের বেশি সদ্যোজাত আমেরিকার নাগরিক হওয়ার ‘সাংবিধানিক’ অধিকার হারাবে।

    আরও পড়ুন: আমেরিকার ভিসা পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়, ওয়াশিংটনে ক্ষোভ জয়শঙ্করের

    প্রবাসী ভারতীয়দের উপর প্রভাব

    ট্রাম্পের নির্দেশ অনুযায়ী, মার্কিন মুলুকে যদি অবৈধ অভিবাসীর সন্তান জন্ম নেয়, তাহলে সেই শিশুরা আর মার্কিন নাগরিক হবেন না। এদিকে জন্ম নেওয়া শিশুর বাবা-মা যদি বৈধভাবেই আমেরিকায় গিয়ে থাকেন, কিন্তু তাঁদের মধ্যে কোনও একজন সেখানকার স্থায়ী বাসিন্দা নন, তাহলেও সেই শিশু মার্কিন নাগরিকত্ব পাবে না। এছাড়া কেউ যদি স্টুডেন্ট ভিসা, ওয়ার্ক ভিসা বা টুরিস্ট ভিসায় আমেরিকায় গিয়ে সন্তানের জন্ম দেন, তাহলেও সেই শিশু আর মার্কিন নাগরিক হবে না। এদিকে নয়া নিয়মে যে সব ভারতীদের সন্তান ১০০+ গ্রিন কার্ড ওয়েটিং লিস্টে আছে, তারা মার্কিন নাগরিক হতে পারবে না।

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আমেরিকায় মেক্সিকান বংশোদ্ভূতরা সর্বোচ্চ সংখ্যায় নাগরিকত্ব পেয়েছেন। আর এখন এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূতরা। গত ২০২২ সালে আমেরিকায় ৬৫ হাজার ৯৬০ জন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন। আর ২০২৩ সালের হিসেবে ভারতে জন্ম নেওয়া মোট ২ কোটি ৮ লাখ ৩১ হাজার ৩৩০ জন মার্কিন নাগরিকত্ব পেয়েছেন এখনও পর্যন্ত। রিপোর্ট অনুযায়ী, আমেরিকায় বসবাসকারী ভারতীয় বংশোদ্ভূত বিদেশি নাগরিকদের প্রায় ৪২ শতাংশ বর্তমানে মার্কিন নাগরিক হওয়ার জন্য অযোগ্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Ballistic Missile Pralay: চিন সীমান্তে ভারতের ‘প্রলয়’! প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রথমবার প্রদর্শিত হবে এই মারণ ক্ষেপণাস্ত্র

    Ballistic Missile Pralay: চিন সীমান্তে ভারতের ‘প্রলয়’! প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রথমবার প্রদর্শিত হবে এই মারণ ক্ষেপণাস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আত্মনির্ভর ভারতের নতুন নতুন উদাহরণ প্রতিবছর প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে পেশ করে কেন্দ্র। এবারের কুচকাওয়াজেও সেই রেওয়াজে কোনও বিচ্যুতি নেই। ২০২৫ সালের কুচকাওয়াজের আকর্ষণ হতে চলেছে ‘প্রলয়’। প্রথমবার কর্তব্য পথ দিয়ে যেতে দেখা যাবে পারাণবিক অস্ত্রবহণে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্রকে। চিনা আক্রমণ ঠেকাতে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় (এলএসি) মোতায়েন হালকা ‘ট্যাকটিকাল’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘প্রলয়’ (Ballistic Missile Pralay) দিল্লির কর্তব্যপথে প্রথমবার চাক্ষুষ করবেন দেশবাসী। ২০১৯ সালের অগাস্টে ওড়িশার চাঁদিপুর উপকূলে ‘প্রলয়ের’ চূড়ান্ত দফার পরীক্ষা হয়েছিল। তার পরেই স্বল্প পাল্লার এই ব্যালিস্টিক ‘ভূমি থেকে ভূমি’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি ভারতীয় সেনায় অন্তর্ভুক্ত হয়। 

    প্রলয়ের কাজ (Ballistic Missile Pralay) 

    ২০২০ সালে পূর্ব লাদাখে চিনা ফৌজের আগ্রাসন এবং গালওয়ান উপত্যকায় (Ballistic Missile Pralay) রক্তাক্ত সংঘর্ষের পরে এলএসিতে ‘প্রলয়’ মোতায়েন করে ভারতীয় সেনা। ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা এবং উন্নয়ন সংস্থা ডিআরডিও-র বিজ্ঞানীদের তৈরি কঠিন জ্বালানি চালিত এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ২০০ থেকে ৫০০ কিলোমিটার। ডিআরডিওর তৈরি ‘ভূমি থেকে ভূমি’ ক্রুজ় ক্ষেপণাস্ত্র পৃথ্বীর আদলে তৈরি ‘প্রলয়’ তুলনায় হালকা। ফলে উঁচু পার্বত্য এলাকায় ব্যবহার করা অনেক সহজ। তা ছাড়া পরমাণু অস্ত্র বহনের উপযোগী উন্নত প্রযুক্তির এই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মাঝ আকাশে গতিপথ বদলাতে সক্ষম। ফলে শত্রুপক্ষের ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রকে এড়িয়ে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে আঘাত হানতে পারে ‘প্রলয়’।

    ভয় পাবে শত্রুরা

    এটি ১২০০ কিমি/ঘণ্টা গতিতে শত্রুর ঘাঁটি লক্ষ্য করে আঘাত করতে সক্ষম, যা প্রয়োজন (Ballistic Missile Pralay) অনুযায়ী ২০০০ কিমি/ঘণ্টা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা সম্ভব। এর মানে, শত্রুর লক্ষ্য করে আঘাত করতে সক্ষম, যা প্রয়োজন অনুযায়ী ২০০০ কিমি/ঘণ্টা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা সম্ভব। এর মানে, শত্রুর লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার সময় এই ক্ষেপণাস্ত্রের গতিবেগ ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়, যা এটিকে অত্যন্ত কার্যকরী এবং বিধ্বংসী করে তোলে। ৫ টন ওজনের এই মিসাইল প্রায় ৫০০-১০০০ কেজি ওজনের বিস্ফোরক নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছতে পারে, যা লক্ষ্যবস্তুতে সুনির্দিষ্টভাবে আঘাত করে। সীমান্তের কাছাকাছি থেকে নিক্ষেপ করলে চিন ও পাকিস্তানের ঘাঁটিগুলো মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংস হবে। শত্রুদের বাঙ্কার, কামান, এবং সামরিক ডিপো সহজেই ধ্বংস করতে সক্ষম হবে প্রলয় মিসাইল। বিশেষত, চিন এবং পাকিস্তানের মতো দেশগুলোর বিপক্ষে এই মিসাইল ব্যবহারে বড় ধরনের সুবিধা পাওয়া যাবে। পাকিস্তানের গজনভি, এম-১১ এবং শাহীন মিসাইলের বিপরীতে প্রলয় আরও শক্তিশালী এবং কার্যকর প্রমাণিত হবে। 

    প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রদর্শন

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রের খবর, এ বারের প্রজাতন্ত্র দিবসের (Ballistic Missile Pralay) কুচকাওয়াজে রাশিয়ার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে প্রলয় ছাড়াও দেশে তৈরি সুপারসনিক (শব্দের চেয়ে বেশি গতিবেগসম্পন্ন) ক্রুজ় ক্ষেপণাস্ত্র ‘ব্রহ্মস’ প্রদর্শিত হবে। সেই সঙ্গে থাকবে, সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে ডিআরডিও এবং ভারত ডায়নামিক্স লিমিটেড (বিডিএল)-এর তৈরি স্বল্পপাল্লার ‘ভূমি থেকে আকাশ’ ক্ষেপণাস্ত্র আকাশ এবং ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র ‘নাগ’ এবং মাল্টি ব্যারেল রকেট সিস্টেম ‘পিনাকা’র নতুন সংস্করণ। গত দু’বছরের মতোই এ বারও প্রজাতন্ত্র দিবসে ব্রিটিশ ২৫ পাউন্ডারের বদলে দেশে তৈরি ১০৫ মিলিমিটার কামান থেকে আনুষ্ঠানিক ‘২১ তোপধ্বনি’ করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  •  NHM: ‘‘জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন আরও পাঁচ বছর চলবে’’, ঘোষণা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের

     NHM: ‘‘জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন আরও পাঁচ বছর চলবে’’, ঘোষণা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন (NHM) আরও পাঁচ বছর চলবে। এমনটাই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল বলেছেন, ‘‘জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন আরও পাঁচ বছর চলবে।’’ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল জানিয়েছেন, গত দশ বছরে এই মিশন স্বাস্থ্যখাতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করেছে। ২০২১ এবং ২০২২ সালের মধ্যে প্রায় ১২ লক্ষ কর্মী জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনে যোগ দিয়েছেন। ভারত এই মিশনের মাধ্যমে কোভিড-১৯ অতিমারির বিরুদ্ধে লড়াই করেছে।

    পর্যালোচনা বৈঠক (NHM)

    বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার (NHM) বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বিগত তিন বছরে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের অগ্রগতি সম্পর্কে এক পর্যালোচনা করা হয়। প্রসঙ্গত, জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের বিষয়ে এই বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ করোনা পরিস্থিতির পরে সারা দেশের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর কতটা অগ্রগতি হয়েছে এবং কতটা টেকসই হয়েছে, সেই সমস্ত বিষয় নিয়ে এখানে আলোচনা করা হয়। একইভাবে এই বৈঠকেই জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনকে আরও পাঁচ বছর কাজ চালানোর জন্য অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা (Modi Cabinet)। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার ওই বৈঠকের পরে সংবাদমাধ্যমকে জানানো হয়েছে, আগামী ২০৩০ সালের সময়সীমার অনেক আগেই স্বাস্থ্যক্ষেত্রে ভারত তার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে চলেছে।

    কী জানালেন পীযূষ গোয়েল

    মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ কোয়েল সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের (NHM) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে ও মানবসম্পদ সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে। যে কোনও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে জরুরি অবস্থার মোকাবিলা, এই সমস্ত কিছুতেই নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে ভারতের জনস্বাস্থ্য পরিকাঠামোকে এক উন্নত জায়গায় নিয়ে যেতে পেরেছে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সামনে যে রিপোর্ট পেশ করা হয় সেখানে দেখা যায় যে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে, জনগণের রোগ নির্মূলের ক্ষেত্র, স্বাস্থ্য পরিষেবা পরিকাঠামোসহ একাধিক ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের এমন সাফল্যকে সিলমোহর দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।

    রিপোর্ট পেশ করা হয় মোদির সামনে 

    ২০২০, ২০২১, ২০২২ বছরগুলিতে ভারতবর্ষে করোনা অতিমারী ব্যাপক আঘাত হানে। এই সময়তে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন। পরবর্তীকালে, করোনা টিকা আবিষ্কার হওয়ার পরে দেশের প্রত্যেক নাগরিককে বিনামূল্যে টিকাকরণের কাজও করে তারা। এর ফলে সারা দেশে সহজলভ্য হয়েছে সরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থা। এর ফলেই স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের গুণগত মান বেড়েছে। উন্নত হয়েছে দেশের স্বাস্থ্যপরিসেবা এবং এর প্রতিটা ক্ষেত্রে অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করেছে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন (NHM)। বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সভাপতিত্বে এবং সেখানেই জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচির বিভিন্ন বছরের যে অগ্রগতির রিপোর্ট সেটি পেশ করা হয়, প্রধানমন্ত্রীর সামনে। এগুলি ছিল ২০২১-২২, ২০২২-২৩ এবং ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের রিপোর্ট এবং প্রতিটিতেই উল্লেখযোগ্যভাবে অগ্রগতি দেখা যায় জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের।

    ২০২১-২২ সালে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন ২ লাখ ৬৯ হাজার অতিরিক্ত স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করে

    ওই রিপোর্টগুলিতে দেখা যাচ্ছে যে বিগত বছরগুলিতে মাতৃ মৃত্যুর হার, শিশু মৃত্যুর হার, পাঁচ বছরের কম বয়সি শিশুদের মৃত্যুহার ভালোই কমেছে। এর পাশাপাশি যক্ষ্মা, ম্যালেরিয়া, কালাজ্বর, ডেঙ্গি, কুষ্ঠ, হেপাটাইটিসের মতো বিভিন্ন রোগগুলিও নির্মূলও করা গিয়েছে। এই সবক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন (NHM)। এক্ষেত্রে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে পেরেছে তারা। একইসঙ্গে অ্যানিমিয়া নির্মূল মিশনের মতো নতুন উদ্যোগ সম্পর্কেও কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভাকে অবহিত করা হয়। প্রসঙ্গত, ২০২১-২২ সালে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন ২ লাখ ৬৯ হাজার অতিরিক্ত স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করে, যার মধ্যে ছিল মেডিক্যাল অফিসার, বিশেষজ্ঞ, নার্স, আয়ুষ ডাক্তার।

    ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৪ লাখ ২১ হাজার অতিরিক্ত স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত কর্মী নিয়োগ করা হয়

    ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে দেখা যাচ্ছে ৪ লাখ ২১ হাজার অতিরিক্ত স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত কর্মী নিয়োগ করা হয়। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে এই সংখ্যা দাঁড়ায় ৫.২৩ লক্ষে। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ২০২৪ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত ২২০ কোটিরও বেশি কোভিড ১৯ টিকা ডোজ পরিচালনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন। ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত প্রতি এক লক্ষ জীবিত শিশু জন্ম দেওয়ার ক্ষেত্রে মাতৃমৃত্যুর হার ছিল ১৩০। ২০১৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত সেই হার দাঁড়িয়েছে ৯৭ শতাংশে। 

    রোগ নির্মূল করার দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য

    রোগ নির্মূল করার দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য পেয়েছে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন। ২০১৫ সালে প্রতি এক লাখ জনসংখ্যায় যক্ষ্মা রোগী ছিল ২৩৭। ২০২৩ সালে তা কমে এসেছে ১৯৫ তে। একই সময়ে প্রতি ১ লাখে যক্ষা রোগের মৃত্যু হত আঠাশ জনের তা বর্তমান সময়ে কমে দাঁড়িয়েছে বাইশে। ম্যালেরিয়ার ক্ষেত্রেও পরিসংখ্যান বেশ ভালোই দেখা যাচ্ছে এবং আগের থেকে মৃত্যুহার অনেক কমেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: ‘‘মোদির বিশেষ দূত’’, ট্রাম্পের শপথ গ্রহণে প্রথম সারিতে বসা নিয়ে বুদ্ধিদীপ্ত জবাব জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: ‘‘মোদির বিশেষ দূত’’, ট্রাম্পের শপথ গ্রহণে প্রথম সারিতে বসা নিয়ে বুদ্ধিদীপ্ত জবাব জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধুর সম্পর্কের কথা সবাই জানে। সেই সম্পর্কের রসায়ণ ধরেই ট্রাম্পের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রথম সারিতে বসেছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সুকৌশলী অভিমত জয়শঙ্করের। তাঁর মতে, প্রথম ট্রাম্প সরকার যেভাবে ভারতের সঙ্গে শক্তিশালী সম্পর্ক গড়ে তুলেছিল, সেই ভিত থেকেই আবারও তৈরি হবে ইন্দো-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক। তিনি বলেন, ‘‘নরেন্দ্র মোদির বিশেষ দূতের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই ভালো আচরণ করা হয়।’’

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধি হয়ে উপস্থিত ছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর (S Jaishankar)। ওয়াশিংটন সফর এবং পরবর্তীকালে ট্রাম্প প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের সঙ্গে তাঁর উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের বিস্তারিত এদিন বর্ণনা করেছেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, “যদি আমি আমার সামগ্রিক অনুভূতি তুলে ধরি তাহলে বলব, এটা খুবই স্পষ্ট ছিল যে ট্রাম্প প্রশাসন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারতকে উপস্থিত রাখতে আগ্রহী ছিল। তারা স্পষ্টতই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। দ্বিতীয়ত, বৈঠকগুলিতে এটাও স্পষ্ট ছিল যে তারা সম্পর্কের ভিত গড়ে তুলতে চায়, এমন একটি ভিত যা তৈরিতে প্রথম ট্রাম্প প্রশাসনও অনেক অবদান রেখেছিল।’ এরপরই তিনি বলেন, ‘তৃতীয়ত, আমার দৃঢ় ধারণা যে নতুন ট্রাম্প প্রশাসনও আমাদের মতোই কোয়াডকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং এর কার্যক্রম তীব্র করতে আগ্রহী।” 

    এমনিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ভালো বন্ধুত্ব রয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তবে বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে এশিয়ায় মহাদেশে ভারতের গুরুত্ব যে অপরিসীম তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে আমেরিকা। তাই চিনের বাড়াবাড়িতে লাগাম টানতে ভারতকে আরও কাছে পেতে চাইছে ট্রাম্প প্রশাসন। কোয়াড শক্তিশালী করার প্রস্তাব দিয়ে জয়শঙ্করের কাছেও পরিষ্কার এই বার্তা দেওয়া হয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনের তরফে। বুধবার মার্কিন বিদেশ সচিব মারো রুবিও ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইক ওয়ালজের সঙ্গে বৈঠক করেন জয়শঙ্কর। সেই বৈঠক সম্পর্কে বলতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী বলেন, “ট্রাম্প প্রশাসন ভারতের বিষয়ে খুবই উৎসাহী। ভারতকে পাশে চাই, সেটা প্রথম থেকেই পরিষ্কার বুঝিয়ে দিয়েছে তারা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Asim Malik: অত্যন্ত গোপনে বাংলাদেশ সফরে পাক আইএসআই প্রধান! ভারতের জন্য কতটা উদ্বেগের?

    Asim Malik: অত্যন্ত গোপনে বাংলাদেশ সফরে পাক আইএসআই প্রধান! ভারতের জন্য কতটা উদ্বেগের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মৌলবাদী ইউসূস প্রশাসনের ফের একটা ভারত-বিরোধী পদক্ষেপ। সম্প্রতি বাংলাদেশের ৬ সেনাকর্তার একটি প্রতিনিধি দল ৬ দিনের পাকিস্তান সফর সেরে ঢাকায় ফিরেছেন (Asim Malik) শনিবার। তার পরেই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিন দিনের ঢাকা সফরে এসেছে পাকিস্তানের চার সদস্যের একটি উচ্চ পর্যায়ের সামরিক প্রতিনিধি দল। এই দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সেনাকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল আসিম মালিক। তিনি পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের প্রধান। পাকিস্তানের এই প্রতিনিধি দলে আইএসআইয়ের আরও এক পদস্থ কর্তা রয়েছেন বলেও সূত্রের খবর। চুপিসারে কি পাকিস্তানের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধছে বাংলাদেশের ইউনূস সরকার? আপাতত এই প্রশ্নটাই ঘোরাফেরা করছে আন্তর্জাতিক মহলে (ISI)। যদিও এই সফরের ব্যাপারে পাকিস্তান কিংবা বাংলাদেশ টুঁ শব্দটি করেনি। দুই প্রতিনিধি দলের সফরই হয়েছে চূড়ান্ত গোপনীয়তায়। আইএসআই কর্তাদের বাংলাদেশ সফরের খবরে চিন্তার ভাঁজ ভারতের কপালে।

    ইউনূস জমানায় অশান্তির আগুন

    হাসিনা-উত্তর জমানায় বাংলাদেশের হাল ধরেন নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনূস। শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেলেও, তাঁরই আমলে বাংলাদেশে হয়েছে চূড়ান্ত অশান্তি। হিন্দুদের ওপর হয়েছে ভয়ঙ্কর অত্যাচার। মৌলবাদীদের দাবির কাছে কার্যত নতি স্বীকার করে ইউনূস প্রশাসন। তার জেরেই প্রতিনিয়ত বেড়েছে অত্যাচারের বহর। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, গদি বাঁচাতে ইউনূসও বাংলাদেশকে ইসলামি রাষ্ট্র বা খিলাফতে পরিণত করতে চান। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশও করে মাধ্যম। এহেন ইউনূসের পাক ঘনিষ্ঠতা যে বাড়বে, তা আগাম আঁচ করেছিলেন বাংলাদেশেরই বহু বিশিষ্ট জন (ISI)। 

    ঢাকায় গোপন সফরে আইএসআই প্রধান! 

    জানা গিয়েছে, পাক সামরিক বাহিনীর প্রতিনিধি দলটি আরব আমিশাহির একটি উড়ান সংস্থার বিমানে করে দুবাই থেকে মঙ্গলবার সন্ধেয় আসেন ঢাকায়। আইএসআইয়ের ডিরেক্টর জেনারেলের নেতৃত্বে দলটিকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইয়ের পদস্থ কর্তা ব্রিগেডিয়ার মেহদি। জানা গিয়েছে, পাক প্রতিনিধি দলে মালিক (Asim Malik) ছাড়াও রয়েছেন আইএসআইয়ের ডিরেক্টর জেনারেল অ্যানালিসিস (ডিজিএ) মেজর জেনারেল শহিদ আমির আফসার। রয়েছেন মেজর জেনারেল আলম আমির আওয়ান এবং এসএসজি কর্তা মুহাম্মদ উসমান লতিফ। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত একটি পাঁচতারা হোটেলে থাকার ব্যবস্থা হয়েছে ওই পাক প্রতিনিধি দলের। বাংলাদেশের সেনাকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করার পাশাপাশি গাজিপুরে সমরাস্ত্র কারখানা পরিদর্শন করার কথাও রয়েছে এই প্রতিনিধি দলের।

    হাতের পুতুলে পরিণত ইউনূস!

    ভারতকে জবাব দিতে পাকিস্তানি ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের কথা বলছেন বাংলাদেশের কয়েকজন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ। ভারতের এক প্রাক্তন কূটনীতিকের মতে, ইউনূস প্রশাসন আদতে পরিণত হয়েছে জামাতে ইসলামি ও কয়েককটি ইসলামি সংগঠনের হাতের পুতুলে। ওই ইসলামি সংগঠনগুলি ইউনূস প্রশাসনকে যেমন নাচাচ্ছে, তেমনই নাচছে তারা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই সুযোগটাকেই কাজে লাগাতে চাইছে পাকিস্তান। সেই কারণেই আইএসআই কর্তার ঢাকা সফর।

    বাংলাদেশে ঘাঁটি গড়তে চাইছে আইএসআই!

    ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার বাংলাদেশের কুর্সিতে বসে প্রথমেই যে কাজটি করেছে, সেটি হল কয়েকশো জঙ্গির জেলমুক্তি ঘটানো। সূত্রের খবর, এই জঙ্গিদের সংগঠিত করা হচ্ছে আনসারুল্লা বাংলা টিমের চাঁই মৌলানা জসিমউদ্দিন রহমানির নেতৃত্বে। এদের নিয়েই বাংলাদেশে একটি ঘাঁটি তৈরি করতে চাইছে আইএসআই। তাদের হাতে অস্ত্র এবং বিস্ফোরক তুলে দেওয়ার পাশাপাশি চলছে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজও। ভারতের নানা জায়গায় যেসব স্লিপার সেল রয়েছে, সেগুলিকেও সক্রিয় করা হচ্ছে। এহেন পরিস্থিতিতে আইএসআই কর্তার বাংলাদেশ সফর তাৎপর্যপূর্ণ বলেই (ISI) ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের (Asim Malik)।

    বাংলাদেশে পাক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রস্তাব!

    সূত্রের খবর, বাংলাদেশের গাজিপুরের অস্ত্র কারখানায় তাদের ‘শাহিন’ সিরিজের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রস্তাব দিয়েছে পাকিস্তান। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হাতেও কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র তুলে দেওয়ার কথা ভাবছে ইসলামাবাদ। এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি প্রথাগত অস্ত্রের পাশাপাশি পারমাণবিক অস্ত্র বহনেও সক্ষম। গাজিপুরের সমরাস্ত্র কারখানাটি তৈরি হয় ১৯৭০ সালে। একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধে সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরবর্তীকালে ধাপে ধাপে আধুনিকীকরণ করা হয়েছে সেই কারখানাটির। সেই কারখানা পরিদর্শন করার কথা পাক প্রতিনিধি দলের।

    বাংলাদেশকে খিলাফতে রূপান্তরিত করাই লক্ষ্য

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশকে ইসলামি প্রজাতন্ত্র বা খিলাফতে রূপান্তরিত করতে চাইছে ইসলামপন্থী, জেহাদি এবং খিলাফতকামী গোষ্ঠীগুলি। এদের নেতৃত্বে রয়েছেন ট্রাম্পের কট্টর সমালোচক ইউনূসের মতো ব্যক্তিত্বও। ইউনূস সরকারের এহেন আচরণে যারপরনাই উল্লসিত পাকিস্তানের সামরিক প্রতিষ্ঠান, পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই এবং তাদের রাজনৈতিক মিত্ররা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মূলত তাদেরই খুশি করতে কট্টর ভারত বিরোধিতার পন্থা নিয়েছে ইউনূস প্রশাসন। এই পরিস্থিতি ইসলামাবাদের নতুন “বাংলাদেশ ২.০”-এর আকাঙ্ক্ষাকে আরও উস্কে দিয়েছে (ISI)। পাকিস্তানি বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, ভবিষ্যতে পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি কনফেডারেশন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে (Asim Malik)। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: আমেরিকার ভিসা পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়, ওয়াশিংটনে ক্ষোভ জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: আমেরিকার ভিসা পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়, ওয়াশিংটনে ক্ষোভ জয়শঙ্করের

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাঁরা বৈধ উপায়ে আমেরিকায় যান, তাঁদের ভিসা পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা (US Visa Delay) করতে হয়। ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় এই সমস্যার কথা তুলে ধরলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। পরে ভারতীয় দূতাবাস থেকে তিনি বলেন, “যদি সাধারণ নাগরিকদের ভিসা পেতে এতদিন সময় লেগে যায়, তাহলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ঠিকভাবে পালিত হয় না। ভিসায় এই দেরির কারণে ব্যবসায়, পর্যটনে প্রভাব পড়ে। আমাদের সম্পর্কের ভিত্তি হল মানুষের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগ। ভিসায় দেরি হলে এই প্রক্রিয়া সীমিত হয়।”

    বিদেশমন্ত্রী কী বললেন? (S Jaishankar)

    অভিবাসন প্রসঙ্গে বিদেশমন্ত্রী বলেন, “অভিবাসনের ক্ষেত্রে আমাদের একটি নীতিগত অবস্থান রয়েছে, যা প্রতিটি দেশের জন্যই প্রযোজ্য। আমরা বৈধ অভিবাসনে সব সময় সমর্থন করি। আমরা বিশ্বাস করি বৈশ্বিক কর্মস্থলে। আমরা চাই, ভারতীয়দের প্রতিভা ও দক্ষতা বিশ্বে সর্বোৎকৃষ্ট সুযোগ পাক।” ভারত যে অবৈধ অভিবাসন সমর্থন করে না, এদিন তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। বলেন, “আমরা অবৈধ যাতায়াত এবং অভিবাসনের তীব্র বিরোধিতা করি। কারণ যখনই কোনও একটি অবৈধ ঘটনা ঘটে, তার সঙ্গে আরও অনেক অবৈধ কার্যকলাপ জুড়ে যায়। এটি দেশের সুনামের দিক থেকে কখনওই ভালো নয়।”

    ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমেরিকায় বসবাসকারী প্রায় ১৮ হাজার অবৈধ ভারতীয় অভিবাসীকে চিহ্নিত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। তাঁদের ভারতে ফেরত পাঠাতে চায় আমেরিকা (S Jaishankar)। (যদিও, ট্রাম্প প্রশাসনের সেই নির্দেশে আপাতত স্থগিতাদেশ জারি করেছে সেদেশের আদালত।) বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালও জানান, অবৈধ অভিবাসীদের চিহ্নিত করতে নয়াদিল্লির সহযোগিতা নিচ্ছে ওয়াশিংটন। জয়শঙ্কর বলেন, “যদি কোনও দেশে অবৈধ ভারতীয় অভিবাসী থাকেন এবং যদি দিল্লি নিশ্চিত হয় যে তিনি ভারতীয় নাগরিক, তাহলে তাঁকে ভারতে ফেরাতে কেন্দ্র সব সময় প্রস্তুত।” তিনি বলেন, “এটি কেবল আমেরিকার জন্য নয়, সব দেশের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। এর ফলে বৈধ উপায়ে সংশ্লিষ্ট দেশে ভারতীয়দের (US Visa Delay) যাতায়াত আরও সহজ হবে।” তিনি বলেন, “তবে ওঁরা ভারতীয় নাগরিক কিনা, তা যাচাই করে দেখতে হবে (S Jaishankar)।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF: প্রজাতন্ত্র দিবসে সংঘাতের আশঙ্কা! ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশ সীমান্তে অ্যালার্ট জারি বিএসএফের

    BSF: প্রজাতন্ত্র দিবসে সংঘাতের আশঙ্কা! ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশ সীমান্তে অ্যালার্ট জারি বিএসএফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ (Bangladesh)। সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে বাংলাদেশিরা। যদিও বিএসএফের পক্ষ থেকে ফাঁকা এলাকায় কাঁটাতার দেওয়ার কাজ শুরু করেছে। সীমান্তে অনুপ্রবেশ রুখতে একাধিক পদক্ষেপ করেছে বিএসএফ (BSF)। এই আবহের মধ্যে এবার প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day) বাংলাদেশ সীমান্তে অপ্রীতিকর ঘটনার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। তাই, সেই আশঙ্কা থেকেই সেখানে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হল। বাংলাদেশ সীমান্তে অরাপেশন অ্যালার্ট জারি করেছে ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বা বিএসএফ। উত্তর-পূর্ব এবং পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যেকটি সীমান্তে দফায় দফায় মহড়া চালানোর নির্দেশ দিয়েছে বিএসএফের স্পেশাল ডিজির।

    ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সতর্কতা জারি (BSF)

    দেশের উত্তর-পূর্ব এবং পশ্চিমবঙ্গ মিলিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের মোট ৪০৯৬ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। সূত্রের খবর, অরক্ষিত এলাকায় বাড়তি সতর্ক থাকার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। তা নিয়েই চলছে চাপানউতোর। এমনিতেই কয়েকদিন আগেই সীমান্তে কাঁটাতার দিতে গিয়ে রাজ্যের একাধিক জেলায় সীমান্ত এলাকায় বিজিবি-র বাধার মুখে পড়েছে বিএসএফ। এমনকী, বাংলাদেশিরা এসে সীমান্তে গন্ডগোল পাকানোর চেষ্টা করেছে। তবে, বিএসএফের (BSF) কড়া অবস্থানের ফলে বিজিবি পিছু হটতে বাধ্য হয়। তবে, ফের তারা সীমান্তে গন্ডগোল পাকাতে পারে এমনটাই আশঙ্কা করছে বিএসএফ। প্রসঙ্গত, বিগত কয়েক মাসে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে। ভারতের সঙ্গে সম্পর্কও কার্যত তলানিতে এসে ঠেকেছে। এই অবস্থায় ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসে সীমান্তে নিরাপত্তা আরও আঁটসাঁট করার নির্দেশ বিএসএফের। বাহিনীর পূর্বাঞ্চলে কমান্ডের এডিজি তথা স্পেশ্যাল ডিজি রবি গান্ধি বিজ্ঞপ্তি জারি করে সবক’টি সীমান্তের দায়িত্বে থাকা বর্ডার আউট পোস্টগুলিকে সতর্ক করেছেন। বিএসএফের পক্ষ থেকে জারি করা নির্দেশনামায় বলা হয়েছে, ২৩ জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বিএসএফকে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। এই নির্দেশ নামাকে বিএসএফের পরিভাষায় নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপস অ্যালার্ট’ (OPS ALERT)।

    নির্দেশনামায় কী কী বলা হয়েছে?

    বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে ও ৭৬তম প্রজাতন্ত্র দিবসের কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত বিএসএফের। এতে নিরাপত্তার আরও কড়াকড়ি ও বর্ডার (BSF) আউটপোস্টগুলিকে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। এই অপস অ্যালার্ট চলাকালীন প্যাট্রলিং সহ আরও অন্যান্য সক্রিয়তা বাড়াতে বলা হয়েছে। নির্দেশনামায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, সীমান্তে বারবার মহড়া চালাতে হবে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্ছিদ্র করতে হবে। প্রয়োজনে রাতে বাড়তি জওয়ান মোতায়েন করে নজরদারি বৃদ্ধি করতে হবে। বিএসএফ সূত্রে খবর, প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে সীমান্তে পরিস্থিতি খারাপ করার জন্য ওপার থেকে উস্কানি আসতে পারে। পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের তরফে বলা হয়েছে এ সংক্রান্ত বিষয়ে সীমান্ত লাগোয়া গ্রামগুলির বাসিন্দাদের ভালো করে বোঝাতে হবে। আর সেই দায়িত্ব নিতে হবে বিএসএফের শীর্ষ আধিকারিকদেরই। ইতিমধ্যে পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের স্পেশাল ডিজি একাধিক বর্ডার আউট পোস্ট এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এদিনের নির্দেশনামায় আরও বলা হয়েছে, একাধিক অংশ রয়েছে যেখানে কাঁটাতার নেই। সবথেকে বেশি নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে অরক্ষিত এলাকায়। আগামী সাতদিন এই এলাকাগুলিকে পাখির চোখ করে সবথেকে বেশি সতর্ক থাকতে হবে। কোনওভাবেই কোনও ফাঁদে যাতে কেউ পা না দেয় সেদিকে বিশেষ নজর রাখতেও বলা হয়েছে। বিশেষ করে যেসব সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া নেই বা নদী রয়েছে সেখানে নজরদারি বাড়াতে হবে। আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত এই অ্যালার্ট জারি রাখতে বলা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, গত ৫ অগাস্ট শেখ হাসিনা বিক্ষোভের জেরে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে চলে আসার পর থেকে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অস্থিরতা বেড়েছে। বাড়ছে অনুপ্রবেশে। শুধু তাই নয়, ইদানিং দেখা যাচ্ছে দেশজুড়ে পাসপোর্ট জালিয়াতি থেকে শুরু করে সইফ আলি খানকে ছুরি মারার ঘটনাতেই বেআইনিভাবে প্রবেশ করা বাংলাদেশের বাসিন্দাদের হাত রয়েছে। আনসারুল্লা বাংলার মতো জঙ্গি যোগ থাকা আল কায়দা গোষ্ঠীরও সক্রিয়তা বেড়েছে। তাছাড়া বাংলাদেশে মহম্মদ ইউনূসের তদারকি সরকারের আমলে পাকিস্তানের সক্রিয়তা বেড়েছে। পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই প্রভাব বাড়াচ্ছে। স্বাভাবিকভাবে বাংলাদেশ সীমান্ত এই মুহূর্তে ভারতের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে খুব সংবদেনশীল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share