Tag: bangla news

bangla news

  • Narendra Modi: লক্ষ্য ১০ কোটি, দেশ জুড়ে বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযানের সূচনা নরেন্দ্র মোদির

    Narendra Modi: লক্ষ্য ১০ কোটি, দেশ জুড়ে বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযানের সূচনা নরেন্দ্র মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ জুড়ে বিজেপির (BJP) সদস্য সংগ্রহ অভিযানের সূচনা করলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎ প্রকাশ নাড্ডা এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করে বলেন, “এই সদস্য অভিযানের লক্ষ্য মাত্রা হবে ১০ কোটি।” উল্লেখ্য, হরিয়ানা এবং জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভার নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশিত হয়েছে। এই সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হবে। ঠিক এই আবহের মধ্যেই শুরু হল সদস্য গ্রহণ অভিযান। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, লোকসভার পর এই অভিযানে সংগঠন শক্তিশালী হবে এবং আগামী নির্বাচনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।   

    দলকে আরও শক্তিশালী করতে সদস্য গ্রহণ (BJP)

    প্রায় তিন বছর পর দিল্লিতে ফের সদস্য গ্রহণ পর্ব শুরু করলেন মোদি (Narendra Modi)। এদিন বিজেপি সদর দফতর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মসূচির সূচনা হয়। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার থেকে নিজের সদস্যপদ পুনর্নবীকরণ করেছেন নরেন্দ্র মোদি। এদিনের এই কর্মকাণ্ডে ছিলেন দলের দুই প্রাক্তন সভাপতি অমিত শাহ এবং রাজনাথ সিং। বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্প্রতি লোকসভার পর দলের (BJP) সাংগঠনিক শক্তিকে আরও বৃদ্ধি করতে এই অভিযান নেওয়া হয়েছে। তবে এই অভিযান অনলাইনের মাধ্যমে যেমন হবে, তেমনি প্রত্যেক শহর ও গ্রামে গ্রামে বিজেপি কর্মীদের কাছে পৌঁছে গিয়ে কর্মসূচিকে বাস্তবায়নের জন্য আহ্বান করা হবে। একই ভাবে দেশের তরুণ-যুব সম্প্রদায়কে যুক্ত করার জন্য বিশেষ ভাবে আবেদন করা হয়েছে। দলের ইতিহাসকে তুলে ধরে অমিত শাহ বলেন, “১৯৮০ থেকে বিজেপি দেশ জুড়ে কাজ করে চলেছে। দলের সদস্যপদ গ্রহণ এবং প্রচারকে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণে প্রধানমন্ত্রী মোদির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। দলের সাংগঠনিক কাঠামো উল্লেখযোগ্যভাবে আরও শক্তিশালী হয়েছে।”

    নতুন সভাপতি নির্বাচন করা হবে সদস্য গ্রহণের পর

    দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও প্রধানমন্ত্রী মোদির বিশ্বাসযোগ্যতা এবং প্রচারাভিযানে প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য ব্যাপক প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, “রাজনৈতিক দল হিসেবে বিজেপির মনোযোগ নিছক সরকার গঠন নয়। দেশ-রাষ্ট্রকে বিকশিত করতে সমাজকে গড়া একান্ত প্রয়োজন। উন্নত ভারত, বিকশিত ভারত হল আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আগামী দিনে আমরা সেই কাজে বদ্ধ পরিকর।” জম্মু-কাশ্মীর ও হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়েছে তিন সপ্তাহ আগেই। এই বছরেই মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ডের বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। মোদি (Narendra Modi), অমিত শাহ এবং নাড্ডা আশা করে বলেছেন, এবার দেশ জুড়ে ১০ কোটির বেশি সদস্য সংগ্রহ করতে হবে। উল্লেখ্য গত জুন মাসে সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে মেয়াদ শেষ হয়েছে জেপি নাড্ডার। বিজেপির সংবিধান অনুযায়ী, প্রত্যেক রাজ্যে দলের সাংগঠনিক নির্বাচন করতে হবে। এরপর সংবিধান অনুযায়ী, নতুন সভাপতি নির্বাচন করা হবে। তবে সবটাই সদস্য (BJP) গ্রহণের পর সেই প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ সেনাবাহিনীর ১০টি ক্যান্টনমেন্টকে স্থানীয় সংস্থার হাতে দিচ্ছে কেন্দ্র

    কীভাবে সদস্য পদ গ্রহণ করবেন?

    নিম্নলিখিত পদ্ধতিতে সদস্য পদ (BJP) গ্রহণ করতে পারেন—

    ১>যোগ্যতা: যে কেউ বিজেপির সদস্য হতে পারেন।

    ২>মিসড কলের মাধ্যমে যোগ দিন: শুধু ৮৮০০০০২০২৪ নম্বরে একটি মিসড কল দিন। এভাবেই প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi), রাজনাথ সিং এবং অমিত শাহের মতো নেতারা যোগ দিয়েছেন।

    ৩>অনলাইন তালিকাভুক্তি: আপনি বিজেপি পোর্টালের মাধ্যমেও যোগ দিতে পারেন। ‘বিজেপিতে যোগ দিন’ বিভাগে যান, আপনার ব্যক্তিগত এবং যোগাযোগের বিবরণ পূরণ করুন এবং আপনার সদস্যতা শংসাপত্র ডাউনলোড করুন।

    ৪>বাড়ি বাড়ি গিয়ে নথিভুক্তি: বিজেপি কর্মীরা সদস্যপদ নিবন্ধনে সহায়তা করার জন্য বাড়ি বাড়ি ঘুরে দেখবেন।

    ৫>কর্মীদের মাধ্যমে সহায়তা: আপনি বিজেপি কর্মীদের সাহায্যেও নাম নথিভুক্ত করতে পারেন।

    ৬>কোনও খরচ নেই: মিসড কলের মাধ্যমে সদস্যপদ বিনামূল্যে নিতে পারেন।

         

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ছাড় নয় পুলিশকেও! ধর্ষণ-বিরোধী বিল সমর্থন করেও ৭ সংশোধনী প্রস্তাব শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ছাড় নয় পুলিশকেও! ধর্ষণ-বিরোধী বিল সমর্থন করেও ৭ সংশোধনী প্রস্তাব শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবারই রাজ্য সরকার বিধানসভায় পাশ করে ধর্ষণবিরোধী ‘অপরাজিতা ওম্যান অ্যান্ড চাইল্ড (ওয়েস্ট বেঙ্গল ক্রিমিনাল ল’জ আমেন্ডমেন্ট বিল-২০২৪’ (Aparajita Women Child Bill 2024)। রাজ্য সরকারের আনা এই বিলকে সমর্থন করলেও এদিনই সদনের ভিতরে এনিয়ে সব মিলিয়ে ৭টি সংশোধনী ও সংযোজনী প্রস্তাব দেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে তিনি জানান, কোনও পুলিশ অফিসার ধর্ষণের অভিযোগ নিতে অস্বীকার করলে বা দেরি করলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে যেন শাস্তির বিধান থাকে। এর পাশাপাশি ধর্ষণের ঘটনায় মেডিকেল টেস্ট, সাক্ষ্য গ্রহণ, বয়ান বদল সহ একাধিক বিষয় নিয়ে প্রস্তাব রাখেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।

    বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) ৭ প্রস্তাব

    সদনের ভিতরে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) মোট ৭টি প্রস্তাব রাখেন।

    প্রথম, ধর্ষণের ঘটনায় কোনও পুলিশ অফিসার এফআইআর নিতে অস্বীকার করলে বা অযথা দেরি করলে, সংশ্লিষ্ট পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রাখার কথা বলেন বিরোধী দলনেতা ৷

    দ্বিতীয়, বিধিসম্মত মেডিক্যাল পরীক্ষা অথবা ময়নাতদন্তের ক্ষেত্রে বিলম্ব বা অবহেলা করলে, সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য আধিকারিকের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী ৷

    তৃতীয়, তথ্যপ্রমাণ লোপাট করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা আধিকারিকের বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান (Aparajita Women Child Bill 2024) রাখার কথা বলেছেন তিনি ৷

    চতুর্থ, মামলায় সাক্ষ্যদানের ক্ষেত্রে গুরুতর শারীরিক অসুস্থতা বা হাসপাতালে ভর্তি ব্যাতিরেকে, সাক্ষ্যগ্রহণের দিন কোনওভাবেই বদল করা যাবে না, এটাও প্রস্তাব দেন বিরোধী দলনেতা ৷

    পঞ্চম, তদন্তকারী কোনও পুলিশ আধিকারিক এবং কোনও স্বাস্থ্য পরীক্ষাকারী চিকিৎসক অথবা কোনও স্বাস্থ্য কর্মী সাক্ষ্যদানের সময় যদি বয়ান বদল করে, তাহলে তাঁদেরও শাস্তির বিধান রাখা হোক বিলে, এই প্রস্তাব দিয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক ৷

    ষষ্ঠ, সাক্ষ্যদান যখন চলবে, তখন রাজ্য সরকারের পুলিশ যেন সাক্ষীগণকে পূর্ণ নিরাপত্তা দেয়, এমন প্রস্তাবও বিলে অন্তর্ভুক্তির দাবি জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা ৷

    সপ্তম, বিচার প্রক্রিয়া তিরিশ দিনের মধ্যে শেষ করে শাস্তি কার্যকর করার প্রস্তাবও দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী ৷

    বিধানসভার ভিতরেও মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি

    বিধানসভার (Suvendu Adhikari) ভিতরেও এদিন রাজপথের আন্দোলনের ঢেউকে পৌঁছে দেয় বিজেপি। সদনের ভিতরেই স্লোগান তোলেন বিজেপি বিধায়করা। এ দিন ভাষণ শেষ করে শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভায় দাঁড়িয়ে মন্তব্য করেন, ‘‘রাজ্য সরকারের পুলিশ আরজি করে চিকিৎসক পড়ুয়ার ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় প্রমাণ লোপাট করেছে। সবশেষে, অধিবেশন কক্ষে বিজেপির তরফে স্লোগান তোলা হয়, ‘দফা এক দাবি এক, মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ’।’’

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘বিলকে আইনে রূপান্তর করার দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রীরই’’, বিধানসভায় কৌশলী শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘‘বিলকে আইনে রূপান্তর করার দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রীরই’’, বিধানসভায় কৌশলী শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার বিধানসভায় পাশ হল অপরাজিতা বিল, ২০২৪ (Aparajita bill 2024)। এদিন বক্তব্য পেশ করতে উঠে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘বিলকে পূর্ণ সমর্থন করা হচ্ছে। ভোটাভুটি চাই না।’’ এদিন সকালে বিল পেশ হওয়ার পর শুরু হয় আলোচনা। বিজেপির পক্ষে বক্তব্য পেশ করেন ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায়, হুগলির বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শিখা ও অগ্নিমিত্রা- দুই বিধায়কই জানান, ধর্ষণ-বিরোধী এই বিল সমর্থন জানানো হচ্ছে।

    শুভেন্দুর প্রশ্ন (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিলে নতুন কী আছে, সেই প্রশ্নও তোলেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, ‘‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় সব আইন আছে। মৃত্যুদণ্ডের কথাও বলা হয়েছে। তৃণমূল আসলে আন্দোলন বন্ধ করতে এবং মূল ঘটনা থেকে দৃষ্টি ঘোরাতে চাইছে সরকার। বিপুল জনরোষ, বিক্ষোভ থেকে দৃষ্টি ঘোরাতে চাইছে সরকার।’’ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “আমরা চাই এই বিল দ্রুত আইন হিসেবে কার্যকর করা হোক। তবে সেই দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রীকে নিতে হবে। আমরা চাই, যত দ্রুত সম্ভব এই বিল আইনে পরিণত হোক।”

    কাগজের কাটিং দেখালেন শুভেন্দু

    পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলকে কটাক্ষ করে তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, “পুলিশ সঙ্গে নিয়ে এসে পদত্যাগের ডিমান্ডটা অন্তত নিয়ে যান পুলিশ কমিশনার।” এদিন একের পর এক কাগজের কাটিং বিধানসভায় তুলে দেখান নন্দীগ্রামের বিধায়ক। সঙ্গে সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “স্পিকার এগুলো ক্রস চেক করবেন। এগুলো সব ফেক নিউজ। এগুলো যদি ভুল হয়, উস্কানিমূলক হয়, তাহলে স্পিকার ডিলিট করে দেবেন।”

    আরও পড়ুন: এক-এক করে খুলছে মুখ, সন্দীপ ঘোষ গ্রেফতার হতেই ‘বিদ্রোহ’ শুরু তৃণমূলে

    বিল নিয়ে বেশ কিছু পরামর্শও দেন শুভেন্দু। এর মধ্যে অন্যতম হল, পুলিশ ধর্ষণের অভিযোগ নিতে অস্বীকার করলে, তাদের বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া। বিরোধী দলনেতা বলেন, “আমি সাতটা সংশোধনী নিয়েছি। শেষে বলার চেষ্টা করব এ রকম বিল আনার ক্ষেত্রে যে রীতি রয়েছে, তা মানা হয়েছে কিনা, তার দায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের। বিলটা রুলসে পরিণত হচ্ছে, এটা দেখার অপেক্ষায় থাকব।” তবে, শুভেন্দুর আনা সংশোধনীর প্রেক্ষিতে, রাজ্য সরকারের তরফে যে জবাব দেওয়া হয়, তাতে সন্তুষ্ট হননি বিজেপি বিধায়করা। তারপরই ‘আইওয়াশ’ বলে আক্রমণ করা হয়। ‘দফা এক, দাবি এক, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ’ স্লোগন তোলা হতে থাকে।

    প্রসঙ্গত, বিধানসভায় পাশ হওয়ার পর বিলটি রাজ্যপালের সম্মতির জন্য পাঠানো হবে রাজভবনে। সেখান থেকে বিলটি যাবে রাষ্ট্রপতি ভবনে। তার পর বিলটি (Aparajita bill 2024) কবে আইনে পরিণত হবে, তা নির্ধারিত হবে সেখানেই (Suvendu Adhikari)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India At UN: রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদ পাওয়া উচিত ভারতের, বললেন প্রাক্তন প্রধান

    India At UN: রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদ পাওয়া উচিত ভারতের, বললেন প্রাক্তন প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিশ্বের তৃতীয় সর্বশক্তিশালী দেশ হিসেবে ভারতের উচিত রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য পদ পাওয়া (India At UN)। কথাগুলি ভারতের কোনও কর্তা ব্যক্তি বলেননি। বলেছেন নিরাপত্তা পরিষদের প্রাক্তন প্রধান (Ex UNSC Chief) তথা সিঙ্গাপুরের প্রাক্তন কূটনীতিবিদ কিশোর মাহবুবানি। তিনি সিঙ্গাপুরের প্রাক্তন কূটনীতিকও। তিনি বলেন, “রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের যে পাঁচ স্থায়ী সদস্য রয়েছে তার একটি ব্রিটেন। তাদের উচিত ভারতের জন্য সরে দাঁড়ানো।”

    কী বললেন মাহবুবানি? (Ex UNSC Chief)

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে মাহবুবানি বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চিনের পর ভারত আজ নিঃসন্দেহে তৃতীয় সর্ববৃহৎ শক্তিশালী দেশ (India At UN)। গ্রেট ব্রিটেন আর গ্রেট নয়।” তিনি বলেন, “ব্রিটেনের উচিত তার আসনটি ভারতকে ছেড়ে দেওয়া।” ২০০১ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ২০০২ সালের মে মাস পর্যন্ত নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান ছিলেন মাহবুবানি। তিনি জানান, প্রতিক্রিয়ার ভয়ে ব্রিটেন দশকের পর দশক ধরে তার ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করেনি। এর পরেই তিনি বলেন, “ব্রিটেনের উচিত তার আসনটি ভারতকে ছেড়ে দেওয়া।”

    নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ

    প্রসঙ্গত, বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ভারত রয়েছে (Ex UNSC Chief) পাঁচ নম্বরে। দীর্ঘদিন এই জায়গাটা ছিল ব্রিটেনের দখলে। ব্রিটেনকে হঠিয়ে পাঁচে উঠে এসেছে ভারত (India At UN)। ব্রিটেন নেমে গিয়েছে এক ধাপ। নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ পাঁচটি। এগুলি হল, আমেরিকা, ফ্রান্স, চিন, রাশিয়া এবং ব্রিটেন। ভারত সাধারণ সভার সদস্য হয়েছে ৮ বার। যেহেতু ক্রমেই বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় ওপরের দিকে উঠছে ভারত, তাই নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী পদ পাওয়ার দাবি জোরালো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘‘শুধু বিচার চাই’’, আরজি করকাণ্ডে প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতিকে চিঠি নির্যাতিতার মায়ের

    ভারত (India At UN) নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হোক, চায় আমেরিকাও। রাশিয়াও চায়। তবে চিনের ভেটো প্রয়োগের জেরে এখনও অবধি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হতে পারেনি ভারত। পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা না বাড়লে ভারতের ঢোকার জায়গাও নেই। সেই কারণেই ব্রিটেনকে সরে দাঁড়াতে বলেছেন নিরাপত্তা পরিষদের প্রাক্তন প্রধান। ভারত জি৪-এর সদস্য। এর আরও তিন সদস্য রাষ্ট্র হল ব্রাজিল, জার্মানি এবং জাপান। এরা প্রত্যেকেই একে অন্যের স্থায়ী সদস্যপদের জন্য সমর্থন করে (Ex UNSC Chief)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: ‘‘আরও রাঘববোয়াল ধরা পড়বে’’, সন্দীপ গ্রেফতার হওয়ায় বলল নির্যাতিতার পরিবার

    RG Kar Protest: ‘‘আরও রাঘববোয়াল ধরা পড়বে’’, সন্দীপ গ্রেফতার হওয়ায় বলল নির্যাতিতার পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে দুর্নীতি মামলায় (RG Kar Protest) সোমবার সন্ধ্যেয় গ্রেফতার হন হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh)। তাঁর গ্রেফতারির দাবিতেই রাজ্যজুড়ে সরব হয়েছিলেন সাধারণ মানুষ। নির্যাতিতার বাবা-মা বার বার সন্দীপের গ্রেফতারির পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। স্বাভাবিকভাবে  সন্দীপের গ্রেফতারিতে খুশি নির্যাতিতার পরিবার। একে নৈতিক জয় হিসেবেই দেখছেন তাঁরা।

    দোষীদের ফাঁসি চান নির্যাতিতার বাবা (RG Kar Protest)  

    নির্যাতিতার বাবা নিজের বাড়িতে (Panihati) বলেন, ‘‘আমার মেয়ে তো দুর্নীতির বলি হয়েছে, সেই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। পুরো বিভাগকেই আমরা এর জন্য প্রথম থেকে দায়ী করে আসছি। আজ সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh) গ্রেফতার হয়েছেন। আরও যাঁরা জড়িত আছেন তাঁরাও গ্রেফতার হোক। যেদিন এদের সবার ফাঁসি হবে, সেদিন মনের আশা কিছুটা পূরণ হবে।’’ অন্যদিকে, নির্যাতিতার মা বলেন, ‘‘আমি তো একমাত্র মেয়েকে হারিয়েছি। তাঁকে পুরো ডাক্তার তৈরি করে তারপর হারিয়েছি। এর জন্য পুরো হাসপাতালকেই (RG Kar Protest) দায়ী করব। আর এর মাথা সন্দীপ ঘোষ। একটু হলেও এখন আশা পাচ্ছি আমি বিচার পাব।’’ জুনিয়র চিকিৎসকদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাঁরা। সন্দীপের গ্রেফতারিতে ছাত্রদের নৈতিক জয় দেখছেন নির্যাতিতার মা। তিনি আরও বলেন, ‘‘আন্দোলন আরও জোরাল করা উচিত। আমরাও যাব। আমিও ৪ তারিখ আরজি কর যাব। ওদের পাশে দাঁড়াব।’’ সন্দীপের (Sandip Ghosh) পর আর কোনও রাঘববোয়াল কি ধরা পড়বে? এই প্রশ্নের উত্তরে নির্যাতিতার কাকিমা বলেন, ‘‘সিবিআইয়ের ওপর আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আশা তো আছেই। আরও রাঘববোয়াল ধরা পড়বে। একজন (সন্দীপ ঘোষ) গ্রেফতার হয়েছে। আরও নাম সামনে আসবে। সেই অপেক্ষাতেই দিন গুনছি আমরা।’’

    তলব করার পরই গ্রেফতার সন্দীপ (Sandip Ghosh)

    গত ৯ অগাস্ট আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের (RG Kar Protest) চিকিৎসক পড়ুয়ার ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর থেকেই হাসপাতালের তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে নানা মহলে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এই ঘটনার তদন্তভার হাতে নেওয়ার পর টানা ১৫ দিন লাগাতার জেরা করা হয় সন্দীপ ঘোষকে (Sandip Ghosh)। সোমবার তাঁকে ফের তলব করা হয় সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে। সন্ধ্যায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2024: শান্তিপুরের মৃৎশিল্পীর হাতে তৈরি হচ্ছে অতি ক্ষুদ্র দুর্গাপ্রতিমা, পুজোর আগে ব্যস্ততা চরমে 

    Durga Puja 2024: শান্তিপুরের মৃৎশিল্পীর হাতে তৈরি হচ্ছে অতি ক্ষুদ্র দুর্গাপ্রতিমা, পুজোর আগে ব্যস্ততা চরমে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো (Durga Puja 2024)। এখন থেকেই প্রহর গোনা শুরু করেছে বাঙালি। দেবী দুর্গার পুজোর জন্য চলছে মণ্ডপ এবং প্রতিমা তৈরির শেষ মুহূর্তের কাজ। তাই এখন নাওয়া-খাওয়ার সময় নেই পটুয়াপাড়ার শিল্পীদের। তাঁরা ব্যস্ত ঠাকুর তৈরিতে। নদিয়ার (Nadia) শান্তিপুর মৃৎশিল্পের জন্যও বিখ্যাত। তাই এখানকার তৈরি ছোট দুর্গা এখন পাড়ি দিচ্ছে কলকাতা সহ বিভিন্ন জায়গার কুমোরটুলির উদ্দেশে। গাড়ি করে তৈরি হওয়া ছোট দুর্গা দিচ্ছে পাড়ি। শান্তিপুরের ছোট দুর্গা প্রতিমার উচ্চতাও দেখার মতো। এক ফুট থেকে শুরু হচ্ছে প্রতিমার উচ্চতা। সর্বাধিক ৪ ফুট পর্যন্ত তৈরি হয়েছে এই ছোট দুর্গা। এখন কাগজের পেটিতে বিচালি দিয়ে বিশেষ ভাবে প্যাকেট করে পাঠানো হচ্ছে এই ছোট ছোট দুর্গাপ্রতিমা। সঙ্গে যাচ্ছেন তাঁর সন্তান লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, গণেশও।

    বরাত আসে কলকাতার কুমোরটুলি থেকে (Durga Puja 2024)

    এই বিষয়ে শান্তিপুরের ছোট দুর্গা প্রস্তুতকারী মৃৎশিল্পী গৌর পাল জানাচ্ছেন, এই দুর্গা মূর্তি তিনি প্রায় ৩০ বছর ধরে তৈরি করছেন। এই প্রতিমা তৈরির বরাত আসে কলকাতার কুমোরটুলি থেকে। এই প্রতিমার চাহিদা ব্যাপক কলকাতায়। দামেও কম বলে গৃহস্থ পরিবারের সদস্যরাও বেশি পছন্দ করেন এই প্রতিমা। ৩ মাস আগে থেকে এই প্রতিমা তৈরি করছেন মৃৎশিল্পী গৌরবাবু। তবে করোনা আবহের পর এই প্রতিমার চাহিদা বেড়েছে। এখন এই প্রতিমা তৈরি করে অনেকটাই স্বাছন্দ ফিরেছে পরিবারে, এমনটাই বললেন গৌরবাবু। তবে সরকারের কাছেও বিশেষ আবেদন জানিয়েছেন গৌরবাবু। তিনি বলছেন, রাজ্য সরকার যদি একটু সাহায্য করে, তাহলে শান্তিপুরের এই মৃৎশিল্পের আরও উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ঝুঁকছে না নব প্রজন্ম

    তিনি এও বলেন, এখন নতুন করে এই মৃৎশিল্পের কাজে ঝুঁকছে না নব প্রজন্ম। কারণ একটাই, অতি ধৈর্যের কাজ বলে। এক একটি প্রতিমা (Durga Puja 2024) তৈরি করা যেমন সময় সাপেক্ষ, তেমনি নিপুণ ক্ষুদ্র কাজ করতে হয়। সেই কারণে এই কাজের প্রতি আর নতুন করে ঝোঁক নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: পরিস্থিতি বেগতিক, স্কুল পড়ুয়াদের আন্দোলন ভাঙতে ‘ঘুষ’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার মমতার

    RG Kar: পরিস্থিতি বেগতিক, স্কুল পড়ুয়াদের আন্দোলন ভাঙতে ‘ঘুষ’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার মমতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর আন্দোলনে (RG Kar) উত্তাল রাজ্য। জেলায় জেলায় স্কুলপড়ুয়াদের মিছিলে ভীত রাজ্য সরকার আন্দোলন বন্ধের হুঁশিয়ারি দিয়ে নির্দেশিকা জারি করতে বাধ্য হয়। কিন্তু তাতে কী? নির্দেশকে থোড়াই কেয়ার! চলতে থাকে আন্দোলন। হাওড়ার তিন স্কুলকে শো-কজও করে রাজ্য। তাতেও আন্দোলন থামেনি। তাই পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে পড়ুয়াদের বাগে আনতে সম্প্রতি উচ্চ মাধ্যমিক পড়ুয়াদের শিক্ষক দিবসেই ট্যাব দেওয়ার ঘোষণা করে মমতা সরকার (Nabanna)। নবান্ন (Nabanna) সূত্রে জানানো হয়, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষক দিবস উপলক্ষ্যে কলকাতায় মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে একটি অনুষ্ঠান হবে। সেখানে তিনি কিছু ছাত্রছাত্রীর হাতে প্রতীকী অর্থ তুলে দেবেন। আর ওই দিনই রাজ্য সরকার উচ্চ মাধ্যমিক পড়ুয়াদের অ্যাকাউন্টে ট্যাব বা মোবাইল কেনার অর্থ বাবদ ১০ হাজার টাকা পাঠাবে।

    অ্যালটমেন্ট অর্ডার বাতিল

    কিন্তু পিছু হটতে হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এভাবে যে পড়ুয়াদের আন্দোলন (RG Kar) কেনা যাবে না, তা বুঝে যেতেই অ্যালটমেন্ট অর্ডার বাতিল করল তৃণমূল সরকার। মমতা সরকারের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে তোপ দেগেছে রাজ্য বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের নেতা তথা বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, এটা আসলে ছাত্র-ছাত্রীদের ঘুষ দেওয়া হচ্ছিল। সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটতে হল মুখ্যমন্ত্রীকে। কারণ তিনি বুঝে গিয়েছেন, ঘুষ দিয়ে আন্দোলনের (RG Kar) আগুন নেভানো যাবে না।

    কী লিখলেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়?

    মঙ্গলবার সকালে বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় সমাজ মাধ্যমের পাতায় বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি লেখেন, ‘‘আবার পিছু হঠলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিলোত্তমার বিচার চেয়ে সারা রাজ্যে স্কুল পডুয়াদের মধ্যে প্রতিবাদের ঢেউ উঠেছে। সরকারি-বেসরকারি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী, প্রাক্তনীরা ভয় ভেঙে মাঠে রয়েছেন। আন্দোলন চালাচ্ছেন। তাঁদের বাঙালি সমাজের কাছে প্রশ্ন, আর কবে চিত্ত স্বাধীন হবে। ভয় পেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতাও। স্কুল পডুয়াদের আন্দোলন ভাঙার জন্য ঘুষ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার। ৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষক দিবসের দিন বেলা ১২টায় ১৩ লক্ষ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের ১০ হাজার টাকা করে ঘুষ দেওয়ার কথা ছিল। খরচ হত ১৩০০ কোটির বেশি। তার জন্য বাজার থেকে ৩০০০ কোটি টাকা ঋণও নিয়েছে নবান্ন। কিন্তু আন্দোলনের আগুন নেভানো যাবে না, মুখ্যমন্ত্রী তা বুঝে গিয়েছেন। তাই ছাত্র-ছাত্রীদের ঘুষ (RG Kar) দেওয়ার ১৩০০ কোটি টাকার অ্যালটমেন্ট অর্ডার বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।’’

    মুখ্যমন্ত্রীর পরাজয় সময়ের অপেক্ষা (RG Kar)

    আরজি কর আন্দোলনে অনেকটাই কোণঠাসা শাসক। হাইকোর্ট থেকে শীর্ষ আদালত, সর্বত্র মুখ পুড়েছে মমতা সরকারের। পথে নেমেছে নাগরিক সমাজ। এমন পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর পরাজয় যে সময়ের অপেক্ষা, তাও নিজের পোস্টে লিখেছেন জগন্নাথ। বিজেপির এই রাজ্য নেতার কথায়, ‘‘পিছু হঠেছে সরকার। কবে ফের এই ঘুষ দেওয়া হবে, তাও কিছু জানানো হয়নি। তরুণের স্বপ্ন আপাতত দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। হারবেন মুখ্যমন্ত্রী, আপনি হারবেন। আপনাকে আমরা হারাবোই।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ‘‘শুধু বিচার চাই’’, আরজি করকাণ্ডে প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতিকে চিঠি নির্যাতিতার মায়ের

    RG Kar Incident: ‘‘শুধু বিচার চাই’’, আরজি করকাণ্ডে প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতিকে চিঠি নির্যাতিতার মায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডের (RG Kar Incident) পর কেটে গিয়েছে ২৪ দিন। তদন্ত করছে সিবিআই। তবে এখনও জানা যায়নি, আরজি করে চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের কারণ কী। উত্তর পেতে এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) চিঠি লিখলেন নির্যাতিতার মা। প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি তিনি চিঠি লিখেছেন রাষ্ট্রপতি, রাজ্যপাল এবং মুখ্যমন্ত্রীকেও।

    ‘পুলিশের অতিসক্রিয়তায় পারিনি’ (RG Kar Incident)

    মৃতার মা বলেন, “রাতে ঘুম হয় না। সারা রাত শুয়ে শুয়ে ভাবি কী থেকে কী হয়ে গেল! মনে হচ্ছিল, মনের কথাটা কাকে লিখতে পারি! সমস্ত ঘটনার বিবরণ দিয়ে তাই এই চিঠি লিখেছি।” তিনি বলেন, “মেয়ের মৃতদেহ আমরা রাখতে চেয়েছিলাম। পুলিশের অতিসক্রিয়তায় তা পারিনি।” চোখের জল সামলে নির্যাতিতার বাবা বলেন, “যেভাবে প্রথম থেকে সবটা হয়েছে, তাতে আমাদের সন্দেহ তৈরি হয়েছে। কোনওভাবেই একজনের পক্ষে আমার মেয়েকে এভাবে খুন করা সম্ভব বলে বিশ্বাস করি না। পুলিশের ওপর বিশ্বাস রেখেই এগিয়েছিলাম। মুখ্যমন্ত্রীও আমাদের বাড়ি এসে আশ্বাস দিয়ে যান। আমরা তাঁর বিরোধী নই। কিন্তু বিচার চাই। যেভাবে পুলিশ সবটা সাজাচ্ছিল, সেটা বুঝতে পেরেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলাম। ভালো কোনও এজেন্সিকে দিয়ে তদন্ত করানো হোক, আর্জি জানিয়েছিলাম। আদালত সিবিআইকে তদন্তভার দিয়েছে।”

    ‘শুধু বিচার চাই’

    গলার কাছে (RG Kar Incident) দলা পাকানো কান্নাটা চেপে মৃতার মা বলেন, “সারা জীবন ধরে কষ্ট করে যা করেছিলাম, সব শেষ হয়ে গিয়েছে। আমার মনের কথাটা পড়ে যদি অন্তত দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা হয়, সেই আশা নিয়েই এই চিঠি লিখে পাঠিয়েছি। আমরা কারও বিরুদ্ধে নই, রাজনীতির অঙ্গও হতে চাই না। শুধু বিচার চাই।” তিনি বলেন, “মেয়ের দেহ দেখে আমাদের মনে হয়, পুরো ঘটনাটা সাজিয়ে গুছিয়ে আমাদের দেখানো হচ্ছে। কারণ এমন পৈশাচিক ঘটনার পরে সব কিছু এমন সাজানো থাকতে পারে না। অপরাধ যেখানে হয়েছে, সেই জায়গাও ঘেরা ছিল না।”

    আরও পড়ুন: এক-এক করে খুলছে মুখ, সন্দীপ ঘোষ গ্রেফতার হতেই ‘বিদ্রোহ’ শুরু তৃণমূলে

    মৃতার মা-বাবার দাবি, “দুর্নীতির বলি হয়েছে মেয়ে। আরও যারা জড়িত আছে, তারাও গ্রেফতার হোক। যেদিন এদের সবার ফাঁসি হবে, সেদিন (PM Modi) মনের আশা কিছুটা পূরণ হবে (RG Kar Incident)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ‘‘হাসপাতাল দুর্বৃত্তদের জায়গা জানলে মেয়েকে ডাক্তারি পড়াতাম না’’, বললেন নির্যাতিতার মা

    RG Kar Incident: ‘‘হাসপাতাল দুর্বৃত্তদের জায়গা জানলে মেয়েকে ডাক্তারি পড়াতাম না’’, বললেন নির্যাতিতার মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে (RG Kar Incident) চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় উত্তাল সারা দেশ। জুনিয়র ডাক্তাররা লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এই ইস্যুকে সামনে রেখে রোজই পথে নেমে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে নাগরিক সমাজ। তাঁদের এই আন্দোলনের প্রতি চরম আস্থা জ্ঞাপন করেছেন নির্যাতিতার বাবা-মা। তাঁরা জানালেন, আগে এত কিছু জানলে মেয়েকে ডাক্তারিই পড়াতেন না। স্বপ্ন দেখতেন না স্টেথোস্কোপ গলায় ঝুলিয়ে রোগী দেখছেন মেয়ে।

    মেয়েকে ডাক্তারি পড়াতাম না! (RG Kar Incident)

    নির্যাতিতার মায়ের অভিযোগ, ‘‘হাসপাতাল দুর্বৃত্তদের (RG Kar Incident) জায়গা হয়ে উঠেছে। এমন ঘুঘুর বাসা জানলে মেয়েকে ডাক্তারি পড়াতাম না।” বাবা আক্ষেপের সুরে বলেন, ‘‘ডাক্তারদের মানুষ ভগবান হিসেবে মানেন। করোনার সময় আমার মেয়ের অনেকে পা ধরে বলেছিলেন, আপনার জন্য আমি প্রাণ ফিরে পেয়েছি। আপনি আমার কাছে ভগবান। এই ডাক্তারদের মানুষ ভগবান মনে করেন। আর তাঁরাই কিনা দুষ্কৃতী। মেডিক্যাল কলেজগুলিতে যে ধরনের চক্র চলে, এসব আগে জানলে আমি আমার মেয়েকে ডাক্তারি পড়াতে পাঠাতাম না। কারণ, ডাক্তাররা এই ধরনের জঘন্য কাজ করতে পারে তা ভেবেই পাচ্ছি না। তবে, আমার মেয়ের জীবন দিয়ে হাসপাতালের একের পর এক দুর্নীতি সামনে আসছে সেটা ভালো। আমি চাই, আমাদের মতো আর কোনও পরিবারের কন্যা সন্তানকে যেন এভাবে অকালে প্রাণ হারাতে না হয়।’’

    আরও পড়ুন: সন্দীপ একা নন, সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার তাঁর নিরাপত্তারক্ষী, ২ ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীও

    শান্তিপূর্ণ মিছিলে লোহার ব্যারিকেড!

    পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের পদত্যাগের দাবিতে ‘লালবাজার অভিযান’-এর ডাক দিয়েছেন জুনিয়র চিকিৎসকেরা। আর সেই শান্তিপূর্ণ মিছিল (RG Kar Incident) আটকাতে লোহার ব্যারিকেড তৈরি করেছিল পুলিশ। আর ফুল হাতে শান্তিপূর্ণ মিছিল পুলিশের এই ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নির্যাতিতার বাবা-মা। সোমবার সন্ধ্যায় নিজের বাড়িতে (Panihati) নির্যাতিতার বাবা-মা জুনিয়র ডাক্তারদের ‘লালবাজার অভিযান’ কর্মসূচিতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁরা বলেন, ‘‘জুনিয়র ডাক্তাররা তো অস্ত্র বা তরোয়াল হাতে নিয়ে যাননি। তাঁরা তো ফুল হাতে নিয়ে মিছিল করেছেন। এই শান্তিপূর্ণ মিছিলে বাধা দেওয়ার জন্য পুলিশকে লোহার ব্যারিকেড করতে হল? এটার কী খুব প্রয়োজন ছিল। এটা চরম অমানবিক। আসলে ওরা যে কিছু একটা ধামাচাপা দিতে চাইছে এসব ঘটনার মধ্য দিয়ে তা প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে। তবে, জুনিয়র ডাক্তারদের এই আন্দোলনের পাশে আমরা সব সময় রয়েছি। আমরা তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞ। আমরা চাই, যতদিন না আমার মেয়ে বিচার পাচ্ছে, ততদিন এভাবে ওরা আন্দোলন চালিয়ে যায়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandip Ghosh: এক-এক করে খুলছে মুখ, সন্দীপ ঘোষ গ্রেফতার হতেই ‘বিদ্রোহ’ শুরু তৃণমূলে

    Sandip Ghosh: এক-এক করে খুলছে মুখ, সন্দীপ ঘোষ গ্রেফতার হতেই ‘বিদ্রোহ’ শুরু তৃণমূলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোম-সন্ধ্যায় সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh)। তার পরেই তৃণমূলের অন্দরে শুরু হয়েছে বিদ্রোহ (TMC Inner Clash)। আরজি করকাণ্ডকে ঘিরে তীব্র আন্দোলনের জেরে তৃণমূল যে ক্রমশ ব্যাকফুটে চলে যাচ্ছে, এই বিদ্রোহই তার সব চেয়ে বড় প্রমাণ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এতদিন চুপ করে রইলেও, এখন সুযোগ বুঝে দলের প্রতি চাপা ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন ঘাসফুল শিবিরের ছোট-বড় বিভিন্ন নেতা।

    সুখেন্দুশেখরের কটাক্ষ (Sandip Ghosh)

    গত কয়েকদিন ধরেই বেসুরো শোনাচ্ছিল সাংসদ তৃণমূলের সুখেন্দুশেখর রায়কে। সন্দীপের গ্রেফতারির খবর প্রকাশ্যে আসতেই এক্স হ্যান্ডেলে একটি ছবি শেয়ার করে তিনি লেখেন, “মিডল স্ট্যাম্প আপরুটেড, হোয়াট নেক্সট?” বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায়, ‘মাঝের স্টাম্প ছিটকে গেল, এবার কে?’ কখনও বাস্তিল দুর্গের পতনের ছবি, কখনও আবার আরকে লক্ষ্মণের কার্টুন শেয়ার করে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন সুখেন্দুশেখর। সোশ্যাল মিডিয়া মারফত তাঁর বক্তব্য জানিয়ে দিয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ তৃণমূল কংগ্রেসের শান্তনু সেনও। ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, “ঈশ্বর বিচার করলেন। প্রমাণ হল আমি ভুল বলিনি। সঠিক জায়গায় দুর্নীতির তথ্যগুলো অনেক আগেই জানিয়েছিলাম।”

    দলকে অস্বস্তিতে ফেললেন কুণাল

    তৃণমূলের কুণাল ঘোষ দলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লবি হিসেবেই পরিচিত। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “সিবিআই তদন্ত করছে। সম্ভবত দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার করেছে। এ বিষয়টি সন্দীপ বা তাঁর আইনজীবীরা বলতে পারবেন। দলের কোনও বক্তব্য নেই। কিছু অভিযোগ অনেক আগেই শোনা গিয়েছিল। তখন পদক্ষেপ নিলে এখনকার অস্বস্তি এড়াতে পারত স্বাস্থ্যভবন।” কুণালের মন্তব্যে বেজায় অস্বস্তিতে তৃণমূল। কারণ মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীও। তাই কুণালের ইঙ্গিত স্পষ্ট বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের (Sandip Ghosh)।

    এদিকে, নিজের মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইলেন অভিনেতা তথা উত্তরপাড়ার বিধায়ক তৃণমূলের কাঞ্চন মল্লিক। ১ সেপ্টেম্বর হুগলির কোন্নগর শহর ও নবগ্রাম মহিলা তৃণমূলের উদ্যোগে ধর্না কর্মসূচি ছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কাঞ্চনও। সেখানেই বেফাঁস মন্তব্য করেন বিধায়ক। পরে চান ক্ষমা। বলেন, “আমি যা বলেছি, তার জন্য আমি অত্যন্ত লজ্জিত ও দুঃখিত। আমার বাড়িতেও একজন বৃদ্ধ মানুষ রয়েছেন। তাঁকে মেডিক্যাল সাপোর্ট দিতে (TMC Inner Clash) হয়। আমি জানি, ডাক্তারের (Sandip Ghosh) প্রয়োজন কতটা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share