Tag: bangla news

bangla news

  • Suvendu Adhikari: বাংলার ফুটবল ইতিহাসে বেনজির ঘটনা! কেন্দ্রীয়মন্ত্রীকে নালিশ জানালেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: বাংলার ফুটবল ইতিহাসে বেনজির ঘটনা! কেন্দ্রীয়মন্ত্রীকে নালিশ জানালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার ফুটবল ময়দানে ঢুকে গেল রাজনীতি। বিধানসভা উপনির্বাচনে নৈহাটির তৃণমূল প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে ভিডিও বার্তা দিয়েছেন ময়দানের তিন প্রধান ক্লাবের কর্তারা। যা বাংলার ময়দানি ফুটবলে বেনজির ঘটনা। এই ঘটনা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে বাংলার রাজনৈতিক মহলে। এই ঘটনায় সরব হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ তুলে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তদন্ত এবং হস্তক্ষেপ চেয়ে কেন্দ্রীয় ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ মন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্যকে চিঠি দিয়েছেন তিনি।

    ঠিক কী লিখেছেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) নিজের এক্স হ্যান্ডেলে কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রীকে পাঠানো চিঠি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘একটি বেনজির এবং অনৈতিক পদক্ষেপে, মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল এবং মহামেডান স্পোর্টিংয়ের মতো ফুটবল এবং স্পোর্টিং ক্লাবের কিছু শীর্ষ কর্মকর্তা নৈহাটির আসন্ন বিধানসভা উপনির্বাচনের জন্য তৃণমূল প্রার্থী সনৎ দে-কে সমর্থন করেছেন। আরও আশ্চর্যের বিষয় হল, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য ফুটবলের গভর্নিং বডির সেক্রেটারি; আইএফএ (ভারতীয় ফুটবল সংস্থা); অনির্বাণ দত্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও বার্তাও প্রকাশ করেছেন যা নির্বাচনের আগে সনৎ দে-এর পক্ষে সমর্থন হিসেবে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি যে স্পোর্টিং ক্লাব এবং গভর্নিং বডিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিদের দ্বারা এই ধরনের নির্লজ্জ রাজনৈতিক সমর্থন প্রার্থীর সঙ্গে ক্লাব এবং গভর্নিং বডির নাম যুক্ত করার একটি অন্যায্য কৌশল, যা সম্পূর্ণরূপে খেলাধূলোর মতো নয় এবং আচরণবিধির লঙ্ঘনও। আমি মাননীয় কেন্দ্রীয় যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া মন্ত্রীকে একটি চিঠি লিখেছি, মনসুখ মাণ্ডব্যজিকে অনুরোধ করছি দয়া করে বিষয়টি বিবেচনা করুন, একটি তদন্ত শুরু করুন এবং আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।’

    বাংলার ফুটবল ইতিহাসে বেনজির ঘটনা!

    সম্প্রতি, আরজি করকাণ্ডে নির্যাতিতার বিচারের দাবিতে একজোট হয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছিল মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল এবং মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। তাঁদের সমর্থকরাও কলকাতার রাজপথে প্রতিবাদ মিছিলে শামিল হয়েছিলেন। এবার তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে কর্তাদের একজোটে ভিডিও বার্তা, বাংলার ফুটবল ইতিহাসে বেনজির ঘটনা। এমনকী তৃণমূল প্রার্থী সনৎ দে-র প্রচারে রাজ্য ফুটবল নিয়ামক সংস্থা আইএফএ কর্তাও। প্রসঙ্গত,পশ্চিমবঙ্গের ছয়টি বিধানসভা আসন – নৈহাটি, মেদিনীপুর, তালডাংরা, সিতাই, মাদারিহাটসহ ৬ কেন্দ্রে উপনির্বাচন হতে চলেছে ১৩ নভেম্বর। আর ২৩ নভেম্বর ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

    আরও পড়ুন: আবাস যোজনায় ‘দুর্নীতি’, ইডি তদন্ত চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেবে বঙ্গ বিজেপি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: কানাডায় হিন্দু মন্দিরে ‘ইচ্ছাকৃত’ হামলার তীব্র নিন্দা করলেন প্রধানমন্ত্রী, ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান

    PM Modi: কানাডায় হিন্দু মন্দিরে ‘ইচ্ছাকৃত’ হামলার তীব্র নিন্দা করলেন প্রধানমন্ত্রী, ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডার (Canada) ব্রাম্পটনে হিন্দু মন্দিরে খালিস্তানপন্থীদের হামলার তীব্র নিন্দা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ওই ঘটনার নিন্দা করেছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকও। এই ধরনের হামলা থেকে মন্দির ও অন্যান্য ধর্মীয় স্থানগুলি রক্ষা করার জন্য জাস্টিন ট্রুডোর সরকারকে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    ঘটনার নিন্দা করে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “কানাডায় হিন্দু মন্দিরে ইচ্ছাকৃত এই হামলার তীব্র নিন্দা করছি। আমাদের কূটনীতিকদেরও কাপুরুষের মতো ভয় দেখানোর চেষ্টা হয়েছে। এই ধরনের হিংসা ভারতের সঙ্কল্পকে দুর্বল করতে পারবে না।” এই ঘটনার বিরুদ্ধে কানাডা সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নেবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

    সমালোচনা বিদেশ মন্ত্রকেরও

    বিবৃতি জারি করা হয়েছে বিদেশ মন্ত্রকের তরফেও। মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “গতকাল (রবিবার) অন্টারিওর ব্রাম্পটনের হিন্দু সভা মন্দিরে চরমপন্থী ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলার নিন্দা করছি (PM Modi)।” তিনি বলেন, “আমরা আশা করি, যারা হিংসায় জড়িত ছিল, তাদের বিচার করা হবে। আমরা কানাডায় ভারতীয় নাগরিকদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার বিষয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।” কানাডার মাটিতে এই ধরনের হামলা থেকে মন্দির ও অন্য ধর্মীয় স্থানগুলিকে রক্ষা করতে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সরকারকে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক।

    আরও পড়ুন: “এই জোট অনুপ্রবেশকারীদের জোট”, ঝাড়খণ্ডে নির্বাচনী সভায় তোপ মোদির

    বিদেশ মন্ত্রকের আগে ওট্টোয়ায় অবস্থিত ভারতীয় হাই কমিশনের তরফেও ব্রাম্পটনের ওই হিন্দু মন্দিরে এই হামলার নিন্দা করা হয়েছে। হাই কমিশন বলেছে, স্থানীয় সহ-সংগঠকদের পূর্ণ সহযোগিতায় আমাদের কনস্যুলেটগুলির নিয়মিত কাজে এই ধরনের ব্যাঘাত ঘটানো অত্যন্ত হতাশাজনক। আমরা ভারতীয় নাগরিক-সহ সকল আবেদনকারীদের নিরাপত্তা নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। তাঁদের দাবিতেই এই ধরনের অনুষ্ঠান করা হয়। ভারত বিরোধী উপাদানগুলির এই প্রচেষ্টা সত্ত্বেও, আমাদের কনস্যুলেট ভারতীয় ও কানাডিয়ান আবেদনকারীদের হাজারটিরও বেশি লাইফ সার্টিফিকেট দিয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগে চলতি মাসেই ভ্যাঙ্কুভার ও সারেতে একই ধরনের শিবিরেরে আয়োজন করা হয়েছিল। সেই (PM Modi) শিবিরগুলিতেও ব্যাঘাত ঘটানোর চেষ্টা করেছিল (Canada) খালিস্তানপন্থীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Muslim Women: সংসদের কমিটির বৈঠকে ওয়াকফ বোর্ডের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মুসলিম মহিলারা

    Muslim Women: সংসদের কমিটির বৈঠকে ওয়াকফ বোর্ডের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মুসলিম মহিলারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল সোমবার ওয়াকফ (Waqf Board) সংশোধনী আইনের আরও একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হল। জয়েন্ট পার্লামেন্টারি কমিটির এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিজেপির সাংসদ জগদম্বিকা পাল। প্রকৃতপক্ষে এটাই ছিল প্রথমবার, যখন জয়েন্ট পার্লামেন্টের এই কমিটির বৈঠকে মুসলিম মহিলারাও (Muslim Women) হাজির ছিলেন। আজ ৫ নভেম্বর আরও একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা যাচ্ছে। জয়েন্ট পার্লামেন্টারি কমিটির এই বৈঠকে অখিল ভারতীয় অধিবক্তা পরিষদকেও নামের একটি সংগঠনকেও ডাকা হয়েছে। হাজির থাকবেন সংগঠনের নেতা শ্রী হরিবোরিকর। আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মহম্মদ হানিফ আহমেদ, ইমরান চৌধুরীদেরও হাজির থাকার কথা রয়েছে আজকের বৈঠকে। গতকাল সোমবার যে সমস্ত প্রতিনিধিদের ডাকা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে এই বৈঠকে হাজির ছিলেন মুসলিম বুদ্ধিজীবী মহলের অন্যতম মুখ শালিনি আলি। ওয়াকফ আইন সংশোধনের বিষয়ে তিনি নিজের মতামত রাখেন এবং প্রস্তাবও দেন বলে সূত্রের খবর।

    মুসলিম মহিলারা (Muslim Women) প্রশ্ন তুলেছেন ওয়াকফ বোর্ডের কার্যকারিতা নিয়ে 

    সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, বৈঠকে মুসলিম মহিলারা প্রশ্ন তুলেছেন ওয়াকফ বোর্ডের (Waqf Board) কার্যকারিতা নিয়ে। তাঁরা এমন অভিযোগও করেছেন যে ওয়াকফ বোর্ড সামাজিক কল্যাণে কোনও অংশগ্রহণ করে না। কোনও ভূমিকাই নেই এই বোর্ডের। মুসলিম মহিলারা (Muslim Women) জানিয়েছেন, এই বোর্ডকে শুধুমাত্র কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি পরিচালনা করেন। যাঁরা পরিচালনা করেন তাঁদের মধ্যে কখনও মহিলা প্রতিনিধি অথবা সমাজের ভূমিস্তরের প্রতিনিধিদেরও দেখা যায় না। মুসলিম মহিলাদের দাবি, ওয়াকফ বোর্ড পরিষ্কার করে জানাক যে সমাজের কল্যাণে তাদের ঠিক কী কী ভূমিকা রয়েছে।

    কী বললেন শিয়া ধর্মগুরু?

    সোমবারের বৈঠকে শিয়া মুসলিম (Muslim Women) ধর্মগুরুরাও হাজির ছিলেন, নেতৃত্বে ছিলেন মওলানা মুস্তফা। তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমরা আমাদের বিষয় রেখেছি, জয়েন্ট পার্লামেন্টের কমিটির কাছে।’’ সূত্রের মাধ্যমে জানা গিয়েছে, ওই ধর্মগুরু প্রস্তাবিত বিলকে সমর্থন করেছেন কিন্তু তাঁর মতভেদ রয়েছে জেলাশাসকদের সার্ভে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ করার বিষয়ে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Thailand: ভারতীয় পর্যটকদের জন্য সুখবর! অনির্দিষ্টকালের জন্য ভিসা ফ্রি হয়ে গেল তাইল্যান্ডে

    Thailand: ভারতীয় পর্যটকদের জন্য সুখবর! অনির্দিষ্টকালের জন্য ভিসা ফ্রি হয়ে গেল তাইল্যান্ডে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাইল্যান্ড (Thailand) সরকার ভারতীয় পর্যটকদের জন্য বিরাট সুযোগ করে দিল। জানা গিয়েছে, ভারতীয় পর্যটকদের ক্ষেত্রে সে দেশে ভিসা-মুক্ত যে প্রবেশ ছিল, তা অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়িয়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। ভিসা-মুক্ত প্রবেশের অর্থ হল, ভ্রমণের জন্য পর্যটকদের ওই দেশে যাওয়া-আসা করতে কোনও ভিসার আর প্রয়োজন নেই।

    ৬০ দিন পর্যন্ত তাইল্যান্ডে ভিসা-মুক্ত থাকার অনুমোদন (Thailand)

    ভারতীয় পর্যটকদের কাছে এখন তাইল্যান্ড (Thailand) খুবই পছন্দের জায়গা। এর আগের নিয়ম ১১ নভেম্বর, ২০২৪-এ শেষ হওয়ার কথা। নিয়ম পরিবর্তনের ফলে ভারতীয় আঞ্চলিক অভিবাসন দফতর থেকে অতিরিক্ত ৩০ দিন বাড়ানোর বিকল্প সহ ৬০ দিন পর্যন্ত থাইল্যান্ডে ভিসা-মুক্ত অবস্থায় থাকার অনুমতি দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে ভারতীয় পর্যটকদের ভ্রমণ আরও সহজ  হবে বলে মনে করা হচ্ছে। কোনও রকম ভিসা আবেদনের ঝামেলা ছাড়াই তাইল্যান্ডের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক এবং দ্রষ্টব্য স্থলগুলি পরিদর্শন করতে পারবেন ভারতীয়রা।

    অর্থনৈতিক শ্রীবৃদ্ধি ঘটবে দেশের

    তাইল্যান্ডের (Thailand) পর্যটন কর্তৃপক্ষ (TAT) এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট বক্তব্য জারি করেছে। একই সঙ্গে নতুন দিল্লিতে রয়্যাল থাই দূতাবাসের কর্মকর্তারাও জানিয়েছেন, ভিসা-মুক্ত প্রবেশ নীতি অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানো হয়েছে। ভিসা-মুক্ত ভ্রমণ নানা রকম সুবিধা বাড়িয়ে দেবে। আয়োজক দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে। উক্ত দেশের পর্যটনে রাজস্ব ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পাবে। হোটেল ব্যবসা, পরিবহণ ব্যবসা সহ পর্যটন-সম্পর্কিত নানা পরিষেবার মাধ্যমে আর্থিক শ্রীবৃদ্ধি দ্রুত ঘটেবে। একই ভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, চাহিদার সাপেক্ষে স্থানীয় উৎপাদন এবং বাজারের বিরাট ক্ষেত্র তৈরি হবে।

    আরও পড়ুনঃ মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ব্যালটে থাকছে বাংলা ভাষাও

    কোন কোন জায়গা আকর্ষণীয়?

    তাইল্যান্ডে (Thailand) সংস্কৃতি, প্রকৃতি এবং অ্যাডভেঞ্চারের প্রাণবন্ত পরিবেশ পর্যটকদের দারুণভাবে আকর্ষণ করে। জমজমাট রাজধানী ব্যাঙ্ককে গ্র্যান্ড প্যালেস এবং ওয়াট অরুণের মতো অলঙ্কৃত মন্দিরগুলি জ্বলজ্বল করে। অন্যতম স্বস্তিদায়ক পরিবেশ রয়েছে এই দেশের একাধিক দর্শনীয় স্থানগুলিতে। আবার রাজধানীর উত্তরের শহর চিয়াং মাই-এর নির্মল মন্দির এবং অত্যাশ্চর্য পার্বত্য অঞ্চলগুলি ট্রেকিংয়ের জন্য উপযুক্ত। সেই সঙ্গে ব্যাংককের কাছে বিখ্যাত ভাসমান বাজারগুলি বেশ আকর্ষিণীয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: ‘‘মাতৃভাষায় শিক্ষা না পেলে পড়ুয়ার চিন্তার বিস্তার বাধাপ্রাপ্ত হয়’’, ভাষা নিয়ে সওয়াল অমিত শাহের

    Amit Shah: ‘‘মাতৃভাষায় শিক্ষা না পেলে পড়ুয়ার চিন্তার বিস্তার বাধাপ্রাপ্ত হয়’’, ভাষা নিয়ে সওয়াল অমিত শাহের

    মাধ্যমিক নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক ও উচ্চশিক্ষায় মাতৃভাষার পক্ষে সওয়াল করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। কেন্দ্রীয় হিন্দি সমিতির ৩২তম সভায়  তিনি বলেন, ‘‘মাতৃভাষায় শিক্ষা না পেলে কোনও পড়ুয়ার মানসিক বিকাশ সম্পূর্ণ হয় না। সেই কারণে জাতীয় শিক্ষা নীতিতে তিনটি ভাষা শিক্ষার উপরে জোর দেওয়া হয়েছে।’’ এ দিনের অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্যে মূলত মাতৃভাষায় শিক্ষার উপরে জোর দিয়েছেন শাহ। হিন্দি ভাষার বিকাশের বিষয়েও কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতীয় ভাষার বিস্তার ও উন্নতিতে সদা সচেষ্ট বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    হিন্দি ভাষার প্রসার

    এদিন হিন্দি সমিতির সভায় অমিত (Amit Shah) বলেন, “দেশের সব ভাষারই স্বাতন্ত্র্য, বৈচিত্র্য ও গুরুত্ব রয়েছে। বহু ভাষাভাষীর এই দেশে সবথেকে বেশি সংখ্যায় মানুষ হিন্দিতেই (Kendriya Hindi Samiti) কথা বলেন”। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চে হিন্দিতে ভাষণ দিয়ে এই ভাষার মর্যাদা আরও বাড়িছেন বলে মনে করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় হিন্দি সমিতির লক্ষ্যই হল হিন্দির বিকাশ, হিন্দি সাহিত্য সংরক্ষণ এবং এটিকে দেশের লিঙ্ক ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী শ্রী জগৎ প্রকাশ নাড্ডা, শিক্ষামন্ত্রী শ্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, আইন ও বিচার প্রতিমন্ত্রী শ্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল, সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. এল. মুরুগান।

    মার্তৃ ভাষায় শিক্ষা

    মাতৃভাষায় শিক্ষাদান প্রসঙ্গে অমিত (Amit Shah) বলেন, ‘‘এক জন পড়ুয়ার বিকাশ নির্ভর করে মাতৃভাষায় শিক্ষার উপরে। ছোট বয়সে মাতৃভাষায় শিক্ষা না পেলে পড়ুয়ার চিন্তার বিস্তার বাধাপ্রাপ্ত হয়।’’ তাঁর দাবি সেই কারণেই নরেন্দ্র মোদী সরকার নিট, জেইই-এর মতো সর্বভারতীয় পরীক্ষা পড়ুয়াদের মাতৃভাষায় নেওয়া শুরু করেছে। প্রাথমিকের পাশাপাশি উচ্চশিক্ষাতেও মাতৃভাষার ব্যবহারের উপরে জোর দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর মতে, ‘‘ভারতীয় ভাষার পরিবর্তে যখন অন্য ভাষায় শিক্ষা দেওয়া হয় তখন লাভবান হয় মাত্র ৫ শতাংশ পড়ুয়া। কারণ ৯৫ শতাংশ পড়ুয়া নিজেদের মাতৃভাষাতে পড়াশোনা করে বড় হয়। মাতৃভাষায় শিক্ষা হলে ১০০ শতাংশ পড়ুয়া দেশের উন্নতিতে অংশ নিতে পারত।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CID: নৈহাটি উপনির্বাচনের আগেই অর্জুনকে তলব করল সিআইডি, ভুল ধরালেন শুভেন্দু

    CID: নৈহাটি উপনির্বাচনের আগেই অর্জুনকে তলব করল সিআইডি, ভুল ধরালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নৈহাটি (Naihati) বিধানসভা উপনির্বাচনের ঠিক আগে   আগামী ১২ নভেম্বর বিজেপি নেতা অর্জুন সিংহকে তলব করল সিআইডি (CID)। আগামী ১৩ নভেম্বর নৈহাটি-সহ রাজ্যের ছ’টি বিধানসভা আসনের উপনির্বাচন। তার আগে ১১ নভেম্বর সন্ধ্যায় শেষ হবে প্রচারপর্ব। প্রচারপর্ব মেটার পরের দিন চার বছরের পুরনো একটি আর্থিক দুর্নীতির মামলায় সূত্রে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছে প্রাক্তন সাংসদ অর্জুনকে। সিআইডি তলবের পিছনে রাজনৈতিক চক্রান্ত রয়েছে বলে মনে করছে গেরুয়া শিবির।

    সরব হলেন শুভেন্দু (CID)

    এই ঘটনা নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে সেই চিঠির কপি তুলে ধরে পুলিশকে কার্যত তুলোধোনা করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘দুধ দিয়ে কয়লা ধুলেও তার রঙের বদল হয় না, কুকুরের লেজ সোজা হয় না। কোর্টে যতই ধাক্কা খাক না কেন! মিডিয়ার যতই সমালোচনা হোক না কেন মমতার পলিশের হুঁশ ফেরে না। টালা থানার ওসি অভিজিৎ মণ্ডল যিনি জিডি, এফআইআরের সময় ওলটপালট করে ফেলেছিলেন তারপরেও শিক্ষা হয়নি পুলিশের। এবার সিআইডি সিআরপিসি ১৬০ ধারায় সিনিয়র বিজেপি নেতা, প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিংকে তলব করেছে। ১২ই নভেম্বর তাঁকে হাজির (CID) হতে বলা হয়েছে। আর আশ্চর্যজনকভাবে নোটিশতে সই করা হয়েছে ৫ তারিখে। আর সেটা পাঠানো হয়েছে ৪ নভেম্বর। তবে কি রাজ্যের সিআইডির কাছে টাইম মেশিন রয়েছে! সেটা কেমন আমরা জানি না। এটা থেকেই আসল রাজনৈতিক অভিপ্রায়টা বোঝা গিয়েছে। রাজ্যের এজেন্সির বিরুদ্ধে আমরা এনিয়ে আদালতে যাব। আসলে কেউ যখন কর্তৃত্বকে অপব্যবহার করে কিছু করার চেষ্টা করে তখনই এই ধরনের সময় আর তারিখের গণ্ডগোল হয়ে যায়।’ তবে এবার এনিয়ে আদালতে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেক্ষেত্রে শেষ পর্যন্ত আদালতে এনিয়ে কী সিদ্ধান্ত হয় সেটাই দেখার।

    ভয় দেখাতে তলব

    সিআইডির (CID) তলব প্রসঙ্গে প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন বলেন, “আমাকে ভয় দেখাবে বলে ওরা ডেকেছে। আমি ভয় পাই না।” তবে তলবে সাড়া দিয়ে তিনি ১২ নভেম্বর ভবানী ভবনে সিআইডির সদর দফতরে হাজির হবেন কি না, সে বিষয়ে কিছু বলেননি অর্জুন। প্রসঙ্গত, ২০১০ থেকে ২০১৯ সালের গোড়া পর্যন্ত তৃণমূল পরিচালিত ভাটপাড়া পুরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন অর্জুন। ২০১৯-এর লোকসভা ভোটের আগে তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। তার পরেই ওই পুরসভার সাড়ে চার কোটি টাকার টেন্ডার দুর্নীতি নিয়ে সিআইডির আর্থিক অপরাধ দমন শাখা তদন্ত শুরু করেছিল। ২০২১ সালেও এই মামলায় অর্জুনকে তলব করা হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Us President Election: মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ব্যালটে থাকছে বাংলা ভাষাও

    Us President Election: মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ব্যালটে থাকছে বাংলা ভাষাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের (Us President Election) ভোট দেবে আমেরিকা। মার্কিন মুলুকে নিউইয়র্ক শহরকে বলা হয় সেদেশের মেল্টিং পয়েন্ট। অর্থাৎ, ওই শহরে সব ভাষা-ধর্ম-বর্ণের মানুষ মিলে মিশে যায়। অন্তত ২০০ ভাষাভাষির মানুষ থাকেন এই মার্কিন শহরে। এই শহরে প্রচুর বাঙালিও থাকেন। ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের (Us President Election) ব্যালট পেপারে, ইংরেজি ছাড়া আরও চারটি ভাষা রাখছে। যার মধ্যে অন্যতম হল বাংলা। তথ্য বলছে, আমেরিকায় যত বাঙালি বসবাস করেন, তাঁদের ৪০ শতাংশেরই বাস নিউইয়র্কে। মনে করা হচ্ছে, গোটা যুক্তরাষ্ট্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন লক্ষাধিক বাঙালি। বাঙালি ভোটারদের সুবিধার্থেই ব্যালটে বাংলা ভাষা (Indian Language) ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নিউইয়র্ক প্রশাসন।

    নিউইয়র্ক সিটির বোর্ড অব ইলেকশনের আধিকারিক কী বলছেন?

    নিউইয়র্ক সিটির বোর্ড অব ইলেকশনের কার্যনির্বাহী পরিচালক, মাইকেল জে রায়ান বলেছেন, “আমাদের ইংরেজি ছাড়াও আরও চারটি ভাষায় ব্যালট ছাপতে হয়েছে (Us President Election)। চাইনিজ, স্প্যানিশ, কোরিয়ান এবং এশিয় ভাষা হিসেবে বাংলা।” ব্যালটের ভাষা হিসেবে পাঁচটির মধ্যে বাংলাকে কেন বেছে নেওয়া হল? এই প্রশ্নের উত্তরে রায়ান বলেছেন, “ভারতের অনেকগুলি ভিন্ন ভিন্ন (Us President Election) ভাষা রয়েছে। ব্যালটে কী কী ভাষা থাকবে, সেই বিষয়ে একটি মামলা হয়েছিল। একটি নির্দিষ্ট জনসংখ্যার কাছে এই মামলার নিষ্পত্তির জন্য একটি এশীয় ভারতীয় ভাষা থাকা প্রয়োজন ছিল। আলাপ-আলোচনা করে তারা বাংলা ভাষাকে রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়। আমি জানি শুধু বাংলা ভাষা রাখার সীমাবদ্ধতা আছে। কিন্তু, মামলা থেকেই এটা উঠে এসেছে।”

    ২০১৩ সালেও নিউইয়র্কে ব্যালট পেপারে স্থান পেয়েছিল বাংলা

    তবে, এবারই প্রথম নয়, নিউইয়র্কে ব্যালট পেপারে বাংলা ভাষা (Indian Language) এর আগেও স্থান পেয়েছিল, সেটা ২০১৩ সালে। ওই বছরেই প্রথমবারের জন্য কুইন্স এলাকায় বাংলায় অনুবাদ করা ব্যালট জারি করা হয়েছিল। টাইমস স্কোয়ারের এক দোকানে সেলস এজেন্ট হিসেবে কাজ করেন মার্কিন-বাঙালি শুভাশীষ। ব্যালটে বাংলা থাকবে বলে তিনি খুশি। তিনি বলেছেন, “আমার মতো অনেকেই ইংরেজি জানে। কিন্তু, আমাদের সম্প্রদায়ে অনেকেই আছে যারা মাতৃভাষায় স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। এটা তাদের মতো লোকদের ভোটকেন্দ্রে সহায়তা করবে। আমি নিশ্চিত যে আমার বাবাও বাংলা ব্যালটেই ভোট দেবেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • US Presidential Election 2024: কমলার থেকে কম ভোট পেয়েও আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হতে পারেন ট্রাম্প! জানেন কীভাবে?

    US Presidential Election 2024: কমলার থেকে কম ভোট পেয়েও আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হতে পারেন ট্রাম্প! জানেন কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের (US Presidential Election 2024) চূড়ান্ত তথা অন্তিম পর্ব শুরু হবে মঙ্গলবার। কমলা হ্যারিসের থেকে কম ভোট পেলেও নির্বাচনে জিততে পারেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী, ট্রাম্প এবং কমলার মধ্যে কে জয়ী হবেন, তা ভোটারদের সরাসরি ভোটে নির্ধারিত হবে না। কেন্দ্রীয় পর্যায়ে (ফেডারেল) নির্বাচনী লড়াইয়ের বদলে জয়ী-পরাজিত নির্ধারিত হবে একেকটি প্রদেশের নির্বাচনী লড়াইয়ের মাধ্যমে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এমনই নিয়ম। এর আগেও ২০১৬ সালে যখন ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথমবারের মতো মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন, তখন তিনি ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের থেকে কম ভোট পেয়েছিলেন। 

    ইলেক্টোরাল কলেজের লড়াই

    আমেরিকার ৫০টি প্রদেশের একটিতে জয়ী (US Presidential Election 2024) হওয়ার অর্থ সংশ্লিষ্ট প্রার্থী সেই প্রদেশের সব ক’টি ‘ইলেক্টোরাল কলেজ’ ভোট পেয়ে যাবেন। যেমন, টেক্সাসে ৪০ জন ইলেক্টর রয়েছেন। কমলা হ্যারিস বা ডোনাল্ড ট্রাম্প, যিনি এই প্রদেশে বেশি ভোট পাবেন, তিনিই প্রদেশের ৪০ জন ইলেক্টরকে জিতে নেবেন। ইলেক্টোরাল কলেজের মোট ভোটের সংখ্যা ৫৩৮। মাইনে এবং নেব্রাসকা এই দু’টি প্রদেশ বাদে বাকি সবগুলি রাজ্যের ইলেক্টোরাল ভোট যোগ করলে যে প্রার্থী ২৭০টি বা তারও বেশি ভোট পাবেন তিনিই প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবেন। সেই প্রার্থীর রানিং মেট হয়ে যাবেন ভাইস-প্রেসিডেন্ট। আগামী ১৩ ডিসেম্বর ইলেক্টরেরা সংশ্লিষ্ট প্রাদেশিক রাজধানীতে জড়ো হয়ে তাঁদের দলের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পর্ব শেষ করবেন।

    আরও পড়ুন: কানাডায় মন্দিরে হামলার ঘটনায় প্রকট ট্রুডোর ব্যর্থতা, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

    জয় কীভাবে সম্ভব

    ঐতিহাসিক ভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (US Presidential Election 2024) বেশ কিছু প্রদেশে একছত্র ভাবে আধিপত্য বজায় রেখেছে কোনও এক রাজনৈতিক দল। যেমন নিউইয়র্ক, ক্যালিফর্নিয়ার মতো প্রদেশে জিতে আসে ডেমোক্র্যাটরা। আবার টেক্সাস ঐতিহাসিক ভাবে রিপাবলিকানদেরই গড়। এই আবহে ‘সুইং স্টেটগুলির’ (নর্থ ক্যারোলাইনা, জর্জিয়া, অ্যারিজোনা, নেভাদা, উইসকনসিন, মিশিগান এবং পেনসিলভেনিয়া) ওপর বেশি নজর থাকে নির্বাচনের ফলাফলের জন্যে। কারণ নির্বাচনের মোড় ঘোরাতে পারে সেই সাতটা প্রদেশের ফল। একেক রাজ্যের হাতে একেক সংখ্যক ইলেক্টোরাল কলেজ থাকার ফলেই সার্বিক ভাবে বেশি ভোট না পেয়েও কোনও এক প্রার্থী জয়ী হতে পারেন নির্বাচনে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: আজ সুপ্রিম শুনানি, প্রশ্নের মুখে রাজ্য! আরজি কর মামলা বাংলার বাইরে নিয়ে যাওয়ার দাবি

    RG Kar Incident: আজ সুপ্রিম শুনানি, প্রশ্নের মুখে রাজ্য! আরজি কর মামলা বাংলার বাইরে নিয়ে যাওয়ার দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসপাতাল বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো জায়গায় সিভিক ভলান্টিয়ার দিয়ে নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলানো প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) প্রশ্নের মুখে পড়েছিল রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর মামলার (RG Kar Incident) শুনানিতে সেই সব প্রশ্নেরই জবাব দিতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে। সেই সঙ্গে সিবিআইকে তদন্তের অগ্রগতির রিপোর্টও জমা দিতে হবে শীর্ষ আদালতে। অন্যদিকে, সুপ্রিম কোর্টে মঙ্গলবার শুনানির আগেই আরজি কর মামলা রাজ্যের বাইরে স্থানান্তরের দাবি তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    কাঠগড়ায় রাজ্য সরকার

    গত ১৫ অক্টোবর আরজি কর মামলার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। সেই শুনানিতে রাজ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগকে ‘রাজনৈতিক স্বজনপোষণের সুন্দর পন্থা’ আখ্যা দিয়ে ছ’টি প্রশ্ন তুলেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। এক, কোন আইনের ক্ষমতাবলে পশ্চিমবঙ্গে সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগ করা হচ্ছে? দুই, কী পদ্ধতিতে নিয়োগ হয়? তিন, তাঁদের যোগ্যতামান কী? চার, তাঁদের আগে কোনও অপরাধের ইতিহাস রয়েছে কি না, তা প্রক্রিয়ায় যাচাই করা হয়? পাঁচ, কোন কোন প্রতিষ্ঠানে তাঁদের নিয়োগ করা হচ্ছে? ছয়, তাঁদের বেতন কী ভাবে দেওয়া হয় ও তার জন্য কত অর্থ বরাদ্দ করা হয়? আজকের রাজ্য সরকারকে এই সব প্রশ্নেরই জবাব হলফনামা আকারে জমা দিতে হবে। তবে আগের শুনানিতেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, হাসপাতাল ও স্কুলের মতো সংবেদনশীল জায়গায় সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়োগ করা যাবে না।

    রাজ্যের বাইরে সরানো হোক মামলা (RG Kar Incident)

    অপরদিকে, আরজি কর কাণ্ডে প্রথমবার প্রকাশ্যে মুখ খুলে নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছে মূল অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়। তার কথায়, তাকে ভয় দেখানো হচ্ছে। ডিপার্টমেন্ট তাকে চুপ থাকতে বলেছে। সঞ্জয়ের এই দাবির প্রেক্ষিতে আরজি কর মামলা রাজ্যের বাইরে স্থানান্তরের দাবি জানান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, ‘‘যাঁরা অভয়ার বিচারের দাবিতে লড়ছেন সেই আইনজীবীদের কাছে আমার পরামর্শ মামলাটা (RG Kar Incident) পশ্চিমবঙ্গের বাইরে নিয়ে যান। তাহলে সত্য উদ্ঘাটিত হবে। অভয়ার পরিবার শান্তি পাবে। অভয়ার আত্মা শান্তি পাবে। পশ্চিমবঙ্গের জনগণ, গোটা দেশের জনগণ যাঁরা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিসে’র পক্ষে লড়ে যাচ্ছেন তাঁরা প্রত্যেকেই খুশি হবেন। আমি অনুরোধ করব সুপ্রিম কোর্ট বিষয়টি বিবেচনা করে পশ্চিমবঙ্গের বাইরে নিয়ে যান। কারণ এই পশ্চিমবঙ্গে ব্যাঙ্ক ফ্রডের আসামী যাঁকে ইডি ধরেছিল, তিনি ১৫ মাসই এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ডে কাটিয়েছেন। কালীঘাটের কাকুর ছবি আপনারা দেখিয়েছেন। তিনি ঘরের পোশাক পরে চা খাচ্ছেন, আরাম করছেন, টিভি দেখছেন। তৃণমূলের বড় বড় নেতাদের আপনারা দেখেছেন। আপনারা দেখেছেন অনুব্রত মণ্ডলের মেডিক্যাল রিপোর্টকে কীভাবে ম্যানুফ্যাকচার করা হয়েছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়সহ সব চোর যাঁরা এখনও জেলে আছেন, তাঁরা যেদিন যা খেতে চান, সেই খাবার জেল কর্তৃপক্ষ পৌঁছে দেয়। এখানে জেলার, সুপার, ডাক্তার, সরকার, পুলিশ সব মিলেমিশে একাকার। এখানে বিচার (RG Kar Incident) হতে পারে না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: আবাস যোজনায় ‘দুর্নীতি’, ইডি তদন্ত চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেবে বঙ্গ বিজেপি

    BJP: আবাস যোজনায় ‘দুর্নীতি’, ইডি তদন্ত চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেবে বঙ্গ বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবাস যোজনা প্রকল্পে (Awas Yojana) দুর্নীতির অভিযোগে ইডি তদন্ত (ED Probe) দাবি করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিতে চলেছে রাজ্য বিজেপি (BJP)। সোমবারই এই ঘোষণা করেছেন রাজ্য বিজেপির (BJP) সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় (Jagannath Chattopadhyay)। তিনি বলেন, ‘‘রাজ্য সরকার কেন্দ্রের কাছে যে তালিকা জমা দিয়েছিল, তাতে জল ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। এখন রাজ্য নিজে খরচ করার আগে তালিকা যাচাই শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই তার বড় অংশে অযোগ্যদের নাম রয়েছে বলে রাজ্যই জানতে পেরেছে।’’ ২০১৫ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে এই দুর্নীতি হয়েছে বলে দাবি করেন বিজেপি নেতা।

    কেন্দ্রের অপব্যয় হয়েছে ৫.৫ হাজার কোটি, দাবি বিজেপির (BJP)

    ২৯ অক্টোবর শেষ হয়েছে আবাস যোজনার (Awas Yojana) সমীক্ষা। ৩০ অক্টোবর এক বৈঠকে সমীক্ষার রিপোর্ট পেশ করেছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব ও পঞ্চায়েত মন্ত্রী। সেই রিপোর্টে জানানো হয়েছে, রাজ্যে আবাস যোজনার ২২.৭৬ শতাংশ আবেদন বাতিল হয়েছে। জগন্নাথ বলেন, ‘‘২০১৬ – ২২ সাল পর্যন্ত ৪৫ লক্ষ ৭০ হাজার বাড়ি বরাদ্দ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তার মধ্যে রাজ্য সরকার ৩৪ লক্ষ ১৯ হাজার বাড়ি বানিয়েছে। ২২.৭৬ শতাংশ অযোগ্য ধরলে সেই তালিকায় ৭ লক্ষ ৭৮ হাজার অযোগ্য প্রাপক রয়েছেন। যাদের জন্য ৯ হাজার ৪০০ কোটি বাজে খরচ হয়েছে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের। এর মধ্যে কেন্দ্রের অপব্যয় হয়েছে ৫.৫ হাজার কোটি টাকা।’’

    আরও পড়ুনঃ মুম্বই-আমেদাবাদ বুলেট ট্রেন, ভাপি ও সুরাটের মধ্যে ন’টি নদী সেতুর কাজ সম্পূর্ণ

    সব চেয়ে বেশি নাম বাতিল হয়েছে নদিয়া জেলায়

    তিনি বলেন, ‘‘আমরা (BJP) এই দুর্নীতির (Awas Yojana) ইডি তদন্ত চাই। যে সব আধিকারিক বা রাজনৈতিক নেতা এই দুর্নীতিতে যুক্ত তাঁদের শাস্তি দিতে হবে। সেই দাবিতে আমরা প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেব।’’ জগন্নাথের দাবি, সব চেয়ে বেশি নাম বাতিল হয়েছে নদিয়া জেলায়। সেখানে ৩৮.২৩ শতাংশ নাম ‘অযোগ্য’ বলে সরকারি তথ্যে উঠে এসেছে। এছাড়া অযোগ্য নামের তালিকা যে জেলাগুলিতে বেশি সেগুলি হল, পশ্চিম বর্ধমান (৩৭.৩১ শতাংশ), মালদা (৩৫.৪৭ শতাংশ), হাওড়া (৩২.১২ শতাংশ) এবং মুর্শিদাবাদ (৩২.০১ শতাংশ)।

    এখানেই শেষ নয়। সমীক্ষার ফলে কেন্দ্রের অনেক টাকা বেঁচে গিয়েছে বলেও দাবি করেন জগন্নাথ। বিজেপি (BJP) নেতা জানান, মোট ১৮ লক্ষ ৩৬ হাজার বাড়িতে সমীক্ষা হয়েছিল। তার মধ্যে ৪ লক্ষ ১৮ হাজার আবেদন বাতিল করা হয়েছে। তিনি জানান, কেন্দ্রের হিসাব অনুসারে রাজ্যে এখনও ৪৫ লক্ষ বাড়ি (Awas Yojana) বানাতে হবে। অর্থাৎ সমস্ত বাড়িতে সমীক্ষা হলে ১০ লক্ষ ২৪ হাজার আবেদন বাতিল হত। অর্থাৎ সমীক্ষা না করে বাড়ির টাকা দিয়ে দেওয়া হলে ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা অকারণ খরচ হত বলে দাবি করেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share