Tag: bangla news

bangla news

  • Uttarakhand: লাভ ও ল্যান্ড জিহাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর

    Uttarakhand: লাভ ও ল্যান্ড জিহাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) পুরুলা শহর, ধারচুলা, চামোলি নন্দনগর, সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের খবর পাওয়া গিয়েছে। এই সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষগুলির কারণ হিসেবে বেশিরভাগ জায়গাতেই উঠে এসেছে লাভ জিহাদ ও ল্যান্ড জিহাদের তত্ত্ব। এরপরেই উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামি বেআইনি কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। জানা গিয়েছে, সে রাজ্যে এখন মূল সমস্যা হচ্ছে মুসলিম অনুপ্রবেশের (Land Jihad) কারণে জনবিন্যাসের পরিবর্তন। এই কারণে ধর্মান্তকরণ এবং লাভ জিহাদের মতো ঘটনাগুলিও ঘটছে। এই সমস্ত কিছুর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই মর্মে উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) মুখ্যমন্ত্রী সে রাজ্যের ডিজিপি অভিনব কুমার এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ পুলিশকর্তাদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও করেছেন।

    কী বলছেন ডিজিপি (Uttarakhand)?

    লাভ জিহাদের বিষয়ে উত্তরাখণ্ডের ডিজিপি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, দুজন প্রাপ্তবয়স্ক তাঁদের পছন্দ মতো জীবনসঙ্গী বেছে নিতেই পারেন, কিন্তু যদি কারও ধর্ম পরিবর্তন করার উদ্দেশ্যে বিয়ে করা হয়, তখন পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। সম্প্রীতি বেশ কিছু হিন্দু সংগঠন দাবি করেছে যে, দেরাদুন, হরিদ্বার, নৈনিতাল প্রভৃতি জায়গাতে ইসলামপন্থী মানুষজনের (Land Jihad) জনসংখ্যা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে এবং উত্তরাখণ্ডের জনবিন্যাস বদলে গিয়েছে। অনেকে এই ঘটনাকে ষড়যন্ত্র হিসেবেই দেখছেন।

    ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী রাজ্যের হিন্দু ৮৩ শতাংশ

    সাংবাদিক সম্মেলনের ডিজিপি অভিনব কুমার জানিয়েছেন যে, পার্বত্য অঞ্চলে (Uttarakhand) অনুপ্রবেশের কারণে বদলে গিয়েছে জনবিন্যাস। এরই পরিপ্রেক্ষিতে, খুব তাড়াতাড়ি পদক্ষেপ করা শুরু হবে এবং এ নিয়ে অভিযানও করা হবে। জানা গিয়েছে, ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুসারে উত্তরাখণ্ডের জনসংখ্যা ছিল ১ কোটি ১০ লক্ষ। এর মধ্যে ৮৪ লাখ হিন্দু যা মোট জনসংখ্যার নিরিখে ৮৩ শতাংশ। অন্যদিকে ১৪ লাখ মুসলিম বসবাস করেন উত্তরাখণ্ডে, শতাংশের হিসেবে ১৩.৯।

     
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cybercrime: “সাইবার নিরাপত্তা ছাড়া জাতীয় নিরাপত্তাও অসম্ভব”, বললেন শাহ

    Cybercrime: “সাইবার নিরাপত্তা ছাড়া জাতীয় নিরাপত্তাও অসম্ভব”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সাইবার ক্রাইমের (Cybercrime) কোনও সীমানা নেই। সাইবার নিরাপত্তা ছাড়া জাতীয় নিরাপত্তাও অসম্ভব।” কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বড় পদক্ষেপ নেওয়া হল কেন্দ্রের তরফে (Cyber Commandos)।

    সাইবার কমান্ডোদের প্রশিক্ষণ (Cybercrime)

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পাঁচ হাজার সাইবার কমান্ডোকে প্রশিক্ষণ, ওয়েব ভিত্তিক ডেটা রেজিস্ট্রি স্থাপনের পাশাপাশি সাইবার অপরাধের তথ্য ভাগ করার জন্য একটি পোর্টাল এবং একটি জাতীয় রেজিস্ট্রি সহ বেশ কয়েকটি নয়া উদ্যোগের কথা ঘোষণা করেন তিনি। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে ইন্ডিয়ান সাইবার ক্রাইম কো-অর্ডিনেশন সেন্টারের প্রথম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপিত হয়। সেই অনুষ্ঠানেই যোগ দিয়েছিলেন শাহ।

    সাইবার ফ্রড মিটিগেশন সেন্টার

    বক্তৃতা দেওয়ার সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বড় ব্যাঙ্ক, আর্থিক মধ্যস্থতাকারী, পেমেন্ট এগ্রিগেটরদের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সাইবার ফ্রড মিটিগেশন সেন্টার গঠন করা হবে। রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির প্রতিনিধিরাও থাকবেন এই সেন্টারে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এই সব সংস্থা অনলাইন আর্থিক অপরাধ মোকাবিলায় তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ ও নিরবচ্ছিন্ন সহযোগিতার জন্য একযোগে কাজ করবে।” তিনি জানান, সিএফএমসি আইন প্রয়োগে সহযোগিতামূলক ফেডারেলিজমের উদাহরণ হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: ‘সুপ্রিম’ ডেডলাইন পার, পথে ঠায় বসে জুনিয়র ডাক্তাররা

    শাহ বলেন (Cybercrime), “জামতাড়া, আমেদাবাদ, মেওয়াত, হায়দরাবাদ, চণ্ডীগড়, বিশাখাপত্তনম ও গুয়াহাটিতে সাতটি যৌথ সাইবার সমন্বয় দল গঠন করায় ভালো ফল মিলেছে। সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলগুলিতে একটি কার্যকর সচেতনতামূলক প্রচার শুরু হয়েছে।” তিনি বলেন, “লক্ষ্যে পৌঁছতে আমাদের একটি সুনির্দিষ্ট কৌশল তৈরি করতে হবে এবং একই দিকে, এক সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।”

    সাইবার নিরাপত্তায় ‘সমন্বয় প্ল্যাটফর্ম’

    জানা গিয়েছে, ‘সমন্বয় প্ল্যাটফর্ম’টি আদতে একটি যৌথ সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ফেসিলিটেশন সিস্টেম। এটা একটা ওয়েব-বেসড মডিউল। এটা ওয়ান স্টেপ পোর্টাল হিসেবে কাজ করবে, কাজ করবে সাইবার ক্রাইমের ডেটা রিপোজিটরি হিসেবে। ডেটা শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবেও কাজ করবে। ক্রাইম ম্যাপিং, ডেটা অ্যানালিটিক্স কো-অপারেশন এবং কো-অর্ডিনেশনের কাজও করবে এই সমন্বয় প্ল্যাটফর্ম। সাইবার কমান্ডোদের ট্রেনিংও দেওয়া হবে। তাঁরা (Cyber Commandos) রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় বিভিন্ন এজেন্সিগুলোকে সাহায্য করবেন (Cybercrime)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: রেকর্ড মুদ্রাস্ফীতি! অস্থিরতার জেরে চরম অর্থনৈতিক সংকটের মুখে বাংলাদেশ

    Bangladesh Crisis: রেকর্ড মুদ্রাস্ফীতি! অস্থিরতার জেরে চরম অর্থনৈতিক সংকটের মুখে বাংলাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হলেও পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। আর এই অস্থির পরিস্থিতির জেরে বর্তমানে চরম অর্থনৈতিক সংকটের (Economic crisis) সম্মুখীন বাংলাদেশ। বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে মুদ্রাস্ফীতির (Inflation) হার ছিল ১১.৬৬ শতাংশ। যা গত ১২ বছরের মধ্যে সর্বাধিক। শুধু তাই নয়, জুলাই মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতিও গত ১৩ বছরের রেকর্ড ভেঙে ১৪ শতাংশে পৌঁছেছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কে বিধিনিষেধ

    সারা বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) জুড়ে বিক্ষোভের কারণে পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা (Supply chain) ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হিন্দু বিরোধিতা এবং কোটা সংস্কার আন্দোলনের জেরে সংকটের মুখোমুখি হচ্ছে দেশের ব্যবসায়িক খাতও। কারণ শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরই কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক নগদ তোলার সর্বোচ্চ পরিমাণে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। প্রসঙ্গত, এই মুহূর্তে বাংলাদেশের নাগরিকরা ব্যাঙ্ক থেকে একদিনে ২ লক্ষ বাংলাদেশি টাকার বেশি তুলতে পারছেন না। মাস্টারকার্ড ইকোনমিক ইনস্টিটিউটের (MEI) নতুন পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৫ অর্থবর্ষে বাংলাদেশের জিডিপি বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতি ধীরগতিতে নামবে। ২০২৫ আর্থিক বছরে দেশের জিডিপি বৃদ্ধি ৫.৭ শতাংশে এবং মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশে নেমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে, যেখানে ২০২৪ অর্থবছরে জিডিপি বৃদ্ধি ৯.৮ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ৯.৮ শতাংশে দাঁড়াবে।

    আরও পড়ুন: ‘ইলিশ দেব না’ হুঁশিয়ারি দেওয়া বাংলাদেশ ভারতের কাছে হাত পেতে নিল ডিম!

    বাংলাদেশি টাকার মান কমছে

    বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার ৩১ জুলাই ২০.৪৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের মাসে ২১.৭৮ বিলিয়ন ডলার ছিল। এইভাবে বাংলাদেশের মুদ্রাভান্ডার থেকে প্রায় ১.৩ বিলিয়ন ডলার হ্রাস পাওয়ায় বিপাকে পড়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। ঢাকার সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার কাওরান বাজারের (Kawran Bazar) বিক্রেতারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশি টাকার মান কমতে থাকলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার চাপে রয়েছেন খুচরো ব্যবসায়ীরা। ফলে ব্যবসায় লাভ করতে পারছেন না তাঁরাও। যদিও ব্যবসায়ীদের একাংশ জানিয়েছেন, আগামী মাসে দাম বাড়ানো যাবে বলে সরকারের তরফে তাঁদের আশ্বস্ত করা হয়েছে। ভারত সহ প্রতিবেশী দেশগুলি থেকে ডাল, ড্রাই ফ্রুটস, মশলাপাতি সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করে বাংলাদেশ। কিন্তু পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ার কারণে বিভিন্ন জিনিসপত্রের দাম আগামী দিনে আরও বাড়বে বলে অনুমান ব্যবসায়ীদের। এই পরিস্থিতিতে কবে জিনিসপত্রের দাম স্বাভাবিক হবে সেদিকেই তাকিয়ে সকলে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: আরজি করে ক্রাইম সিনে থাকার অভিযোগ, অপসারিত মালদার আইএমএ সভাপতি

    RG Kar Incident: আরজি করে ক্রাইম সিনে থাকার অভিযোগ, অপসারিত মালদার আইএমএ সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর জি কর-কাণ্ডের (RG Kar Incident) পর পরই একাধিক সরকারি মেডিক্যাল কলেজ থেকে সামনে এসেছে থ্রেট কালচারের অভিযোগ। ভাইরাল হয়েছে বেশ কয়েকটি অডিও ক্লিপ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া চলছে। এই আবহের মধ্যে এবার আরজি কর কাণ্ডের সঙ্গে যোগসূত্রের অভিযোগ তুলে আইএমএ মালদার (Malda) সভাপতিকে অপসারণ করা হল। আইএমএ মালদার সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল চিকিৎসক তাপস চক্রবর্তীকে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (RG Kar Incident)

    আইএমএ-র রাজ্য শাখার তরফে জানানো হয়, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সুশান্ত রায়, অভীক দে, তাপস চক্রবর্তী, দীপাঞ্জন হালদার ও বিরূপাক্ষ বিশ্বাসকে সাসপেন্ড করুক রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল। রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট সুদীপ্ত রায়কে চিঠি পাঠিয়ে পদত্যাগ করতে অনুরোধ করে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য শাখা। আর এবার সরিয়ে দেওয়া হল আইএমএ-র মালদা শাখার সভাপতি তাপস চক্রবর্তীকে। গত ৯ অগাস্ট আরজি কর (RG Kar Incident) সেমিনার রুমে তিনিও ছিলেন। এই ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার সঙ্গে তিনিও জড়িত থাকতেও পারেন বলে অভিযোগ বহু চিকিৎসকের। আইএমএ-র মালদা শাখার সহ সভাপতির দাবি, ৯ অগাস্ট আরজি কর মেডিক্যালের ক্রাইম সিনে কেন ছিলেন তাপস চক্রবর্তী? এই প্রশ্নের উপযুক্ত ব্যাখ্যা না দেওয়া পর্যন্ত আইএমএ-র মালদা শাখার সভাপতি পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘ইলিশ দেব না’ হুঁশিয়ারি দেওয়া বাংলাদেশ ভারতের কাছে হাত পেতে নিল ডিম!

    আইএমএ-র মালদা শাখার প্রাক্তন সভাপতির কী বক্তব্য?

    আইএমএ-র মালদা শাখার সভাপতি পদ থেকে সরানোর পর তাপস চক্রবর্তীর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে আনা এই রেজোলিউশন অবৈধ। আগামী ১৪ তারিখ বৈঠক রয়েছে। তাতে সুরাহা না হলে, তিনি দিল্লি আইএমএ-র দ্বারস্থ হবেন। তবে, তিনি স্বীকার করেছেন, ৯ অগাস্ট তিনি আরজি কর হাসপাতালের সেমিনার রুমে ছিলেন। তিনি বলেন, ‘‘রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের বৈঠকে যোগ দিতে কলকাতায় গিয়েছিলাম। ৯ অগাস্ট বৈঠকের মাঝে হঠাৎই আরজি কর মেডিক্যালে মর্মান্তিক ঘটনার খবর আসে। রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আরজি কর (RG Kar Incident) মেডিক্যালে গিয়েছিলাম। রাত সাড়ে চারটে থেকে ৬টা-সোয়া ৬টা পর্যন্ত ছিলাম। আর এটা ঠিক, আমিও আরজি কর সেমিনার রুমে ছিলেন। দেহ তখনও ছিল ঘরের মধ্যেই। বহু মানুষই উপস্থিত ছিলেন সেখানে। ছিল বহু ফটোগ্রাফারও।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: ‘ইলিশ দেব না’ হুঁশিয়ারি দেওয়া বাংলাদেশ ভারতের কাছে হাত পেতে নিল ডিম!

    Bangladesh: ‘ইলিশ দেব না’ হুঁশিয়ারি দেওয়া বাংলাদেশ ভারতের কাছে হাত পেতে নিল ডিম!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেশ ঘটা করে গণভবন দখল হয়েছিল! বাধ্য করা হয়েছিল শেখ হাসিনাকে ইস্তফা দিতে! অগাস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশে (Bangladesh) অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করার পরে সে দেশের জামাত ও বিএনপি’র সদস্যরা স্বাধীনতার উৎসব পালন করতে থাকেন। কিন্তু এত কিছুর পরেও বেলাগাম হয় বাংলাদেশের অসংখ্য নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল মুরগির ডিম। দিনকয়েক আগেও অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সে দেশে এক-একটি মুরগির ডিমের দাম পৌঁছেছিল ১৫-১৬ (বাংলাদেশি) টাকায়। এই অবস্থায় ‘ভারতকে ইলিশ দেব না’, এমন হুঁশিয়ারি দেওয়া বাংলাদেশকে শেষমেষ হাত পাততে হল ভারতের কাছেই। ভারত থেকে ডিম যাওয়ার পরে বাংলাদেশিরা স্বস্তি পেল। 

    ভারত থেকে গেল প্রায় আড়াই লক্ষ ডিম (Bangladesh)  

    ভারত-বিরোধী একাধিক পোস্ট এখনও দেখা যাচ্ছে। যেখানে জামাত বিএনপি’র সমর্থকরা সদর্পে ঘোষণা করছেন, তাঁরা ভারত-বিরোধী। তবে শত্রু দেশের কাছে হাত পেতে ডিম নিতে তাদের সে অর্থে কোনও লজ্জা লাগছে না! হাজার হোক সবার আগে তো পেটের চিন্তা! অনেকেই তাই ব্যঙ্গের সুরে বলছেন যে বাংলাদেশিদের (Bangladesh) একাংশ সমাজ মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধের কথা বলছেন, অথচ তাঁরাই এখন ডিমের অভাবে ভারতের কাছে হাত পাতছে। প্রতিবেশী রাষ্ট্রে ভারত থেকে গেল ২ লাখ ৩১ হাজার ৪০টি মুরগির ডিম। ওজনের হিসাবে ১৩ হাজার ৯১০ কেজি।

    বাংলাদেশে অর্ধক হল ডিমের দাম

    অন্তর্বর্তী সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা বাংলাদেশ সেই ডিম আমদানি করতেই এক ধাক্কায় ডিমের দাম সেখানে নেমে গিয়েছে অনেকটাই কমেছে। বেনাপোল কাস্টমস সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশি মুদ্রায় ভারত থেকে যাওয়া প্রতিটি ডিমের দাম দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৫ টাকা। এছাড়া প্রতি ডজন ডিমের নির্ধারিত মূল্যের উপর ৩৩ শতাংশ কাস্টমস ডিউটি বাবদ ১ টাকা ৬৬ পয়সা যোগ হবে। সবমিলিয়ে প্রতিটি ডিমের আমদানি মূল্য দাঁড়াচ্ছে ৭ থেকে ৭.৫০ টাকার মতো। গত সপ্তাহে যেখানে এই দর পৌঁছে গিয়েছিল ১৫-১৬ (বাংলাদেশি) টাকা প্রতি পিস।

    ভারতকে ইলিশ দেব না…

    শেখ হাসিনা যখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তখন পুজোর ‘উপহার’ হিসেবে আসত পদ্মার ইলিশ।সেই ধারাবাহিকতা ভেঙে এ বার উৎসবের মরসুমে ভারতে ইলিশ রফতানি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। প্রসঙ্গত, দিনকয়েক আগেই ইউনূস সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রকের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার জানিয়েছিলেন, চলতি বছর দুর্গাপুজোয় ভারতে ইলিশ পাঠানো হচ্ছে না। এই মর্মে বাণিজ্য মন্ত্রককে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। এই আবহেই বাংলাদেশে (Bangladesh) পৌঁছাল মুরগির ডিম। ভারত থেকে বাংলাদেশে ডিমের গাড়ি পৌঁছনোর খবর নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশের রাজস্ব কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান। তিনি বলেন, ‘‘আমদানি করা ডিমের গুণগতমান পরীক্ষার পর সেগুলি মঙ্গলবারই বাজারজাত করা হয়েছে।’’

    পাশে থাকতে জানে ভারত

    ইলিশের যোগান থেকে ভারতের থেকে বাংলাদেশ মুখ ফিরিয়ে নিলেও, ভারত কিন্তু, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের প্রয়োজনের সময় মুখ ফিরিয়ে নেয়নি। সমস্যার সমাধানে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে ভারত প্রমাণ করল যে, এই দেশ উদারতা জানে। ভারত যাকে বন্ধু মনে করে, তার পাশে দাঁড়াতে জানে। যে কারণে, ইলিশ নিয়ে বাংলাদেশের বড় বড় কথা সত্ত্বেও ভারত ডিম নিয়ে বাংলাদেশকে ফিরিয়ে দেয়নি। ১১০৪টি কার্টনের মাধ্যমে ওই বিপুলসংখ্যক ডিম বাংলাদেশ ভারত থেকে আমদানি করে। সমস্ত ডিমের দাম দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার মার্কিন ডলার অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৯ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা।

    আরও ডিম আমদানি করতে হবে বাংলাদেশকে

    বাংলাদেশের (Bangladesh) রাজধানী শহরে ‘হাইড্রো ল্যান্ড সলিউশন’ নামে একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানই ১৩ হাজার ৯১০ কেজি ডিম আমদানি করেছে। রফতানি হয়েছে ভারতের ‘শ্রী লক্ষ্মী এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান থেকে। এবিষয়ে বেনাপোল কাস্টমস্ হাউসে কাগজপত্র দাখিল করেছে সিএন্ডএফ এজেন্ট রাতুল এন্টারপ্রাইজ। তার মালিক আব্দুল লতিফ বলেন, ‘‘ডিমের বাজারে অস্থিরতা দূর করার জন্য আরও বেশি ডিম আমদানি করতে হবে বাংলাদেশকে। বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি শুরুও হয়েছে। এই ভাবে ডিম আমদানি হলে বাংলাদেশের মানুষ আবার অল্পমূল্যে ডিম কিনতে পারবেন।’’

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paralympics 2024: ঐতিহাসিক সাফল্য! প্যারালিম্পিক্সে পদকজয়ীদের আর্থিক পুরস্কার কেন্দ্রের

    Paralympics 2024: ঐতিহাসিক সাফল্য! প্যারালিম্পিক্সে পদকজয়ীদের আর্থিক পুরস্কার কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্যারিস প্যারালিম্পিক্সে (Paralympics 2024) ঐতিহাসিক সাফল্য ভারতীয় প্যারা অ্যাথলিটদের। এখনও পর্যন্ত  সেরা পারফরম্যান্স। প্যারিস প্যারালিম্পিক্সে ভারতের পদক সংখ্যা এবার ২৯, যার মধ্যে সাতটি সোনা, ৯টি রুপো, ১৩টি ব্রোঞ্জ রয়েছে, যা ভারতের সর্বকালীন রেকর্ড। তারই ফল পেলেন অ্যাথলিটরা। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য ঘোষণা করেন, প্যারালিম্পিকে পদকজয়ী প্রত্যেক অ্যাথলিটকে বিশেষ আর্থিক পুরস্কার দেবে কেন্দ্র (Sports Ministry)।

    পদকজয়ীদের পুরস্কার মূল্য

    রবিবার শেষ হয়েছে প্যারিস প্যারালিম্পিক্স (Paralympics 2024)। তার পরে মঙ্গলবার দেশে ফেরেন ভারতীয় প্যারাঅ্যাথলিটরা। প্রায় ১০০ জন ক্রীড়াপ্রেমী তাঁদের স্বাগত জানান বিমানবন্দরে। সেখান থেকে কেন্দ্রের বিশেষ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যান অ্যাথলিটরা। সেই অনুষ্ঠানেই কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী ঘোষণা করেন, পদকজয়ী অ্যাথলিটদের দেওয়া হবে বিশেষ আর্থিক পুরস্কার। সোনাজয়ীদের প্রত্যেককে ৭৫ লক্ষ, রুপোজয়ীদের ৫০ লক্ষ এবং ব্রোঞ্জজয়ীদের ৩০ লক্ষ টাকা আর্থিক পুরস্কার দেবে কেন্দ্র (Sports Ministry)। পদকজয়ী নন, যাঁরা মিক্সড টিম ইভেন্টে নজরকাড়া পারফরম্যান্স করেছেন তাঁদেরও সাড়ে ২২ লক্ষ টাকা পুরস্কার দেবে কেন্দ্র। 

    আগাম শুভেচ্ছা

    এদিন দিল্লি বিমানবন্দরে প্যারা অ্যাথলিটদের রাজকীয়ভাবে অভ্যর্থনা জানানো হয়। যেভাবে মনু ভাকের, শ্রীজেশদের অভ্যর্থনা জানানো হয়েছিল ঠিক একই রকমভাবে স্বাগত জানানো হল পদকজয়ী প্যারালিম্পিয়ানদের। প্যারিস প্যারালিম্পিক্সে (Paralympics 2024) ভারতের পদক সংখ্যা এবার ২৯। টোকিতে ১৯ পদক জিতেছিল ভারত। পদক জয়ের নিরিখে নয়া ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে। মোট ২৯টি পদকের মধ্যে অ্যাথলেটিক্স বিভাগ থেকেই এসেছে ১৭টি পদক। ক্রীড়ামন্ত্রী মাণ্ডব্য (Sports Ministry) জানান, ২০২৮ সালের আগামী প্যারালিম্পিক্সে ভার‍ত যেন আরও বেশি পদক জিততে পারে তার জন্য সর্বতোভাবে পাশে থেকে সহযোগিতা করবে কেন্দ্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG kar: স্বাস্থ্য সচিবের পাঠানো ইমেল ‘অপমানজনক’, কড়া বার্তা জুনিয়র ডাক্তারদের

    RG kar: স্বাস্থ্য সচিবের পাঠানো ইমেল ‘অপমানজনক’, কড়া বার্তা জুনিয়র ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে অবস্থানে বসেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইমেল করে ১০ আন্দোলনকারীকে নবান্নে যাওয়ার বার্তা দেন স্বাস্থ্য সচিব। ঘটনাক্রমে এই স্বাস্থ্য সচিবের পদত্যাগ চেয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা (RG kar)। শেষে তাঁকে দিয়েই ইমেল পাঠানো হল! ফলত, ওই ইমেলকে ‘অপমানজনক’ বলেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। নিজেদের অবস্থানে এখনও অনড় হয়ে রয়েছেন তাঁরা। 

    স্যার ও ম্যাডাম লেখার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা (RG kar)

    মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিট নাগাদ আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের কাছে এই ইমেল পাঠানো হয়।ইমেলের মাধ্যমে এদিন বৈঠকের কথা বলা হলেও আন্দোলনকারীরা সেই বৈঠকে যোগ দিতে নবান্নে যাননি। উল্টে তাঁদের বক্তব্য, স্বাস্থ্য সচিবের (RG kar) কাছ থেকে ইমেল আসা অপমানজনক। ইমেলের শুরুতে শুধু ‘স্যার’ লেখা নিয়েও আপত্তি রয়েছে আন্দোলনকারীদের। সেখানে স্যার ও ম্যাডাম লেখার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার বিকেল ৫টার মধ্যে জুনিয়র ডাক্তারদের কাজে যোগ দেওয়ার কথা বলেছিল সুপ্রিম কোর্ট। তবে আগেই জুনিয়র ডাক্তাররা জানিয়েছিলেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্য়ন্ত কর্মবিরতি চলবে। এপ্রসঙ্গে জুনিয়র ডাক্তার অনিকেত মাহাতো জানিয়েছিলেন, তাঁরা (জুনিয়র ডাক্তার) শিক্ষানবিশ, গোটা স্বাস্থ্য ব্যবস্থা যদি জুনিয়র ডাক্তারদের ওপর নির্ভর করে তাহলে রাজ্য সরকার মানুষকে পরিষেবা কীভাবে দেবে? মঙ্গলবার কাজে যোগ না দিয়ে স্বাস্থ্য ভবন অভিযান করেন তাঁরা। একাধিক দাবিও জানান। পাঁচটার পরই স্বাস্থ্য সচিবের কাছ থেকে ইমেল পান আন্দোলনকারীরা। নবান্নে বৈঠকের জন্য বার্তা পাঠানো হয়।

    কী বলছেন আন্দোলনকারীরা (RG kar)

    আন্দোলনকারীরা বলেন, ‘‘এদিন আমরা স্বাস্থ্য ভবন অভিযানে এসেছিলাম। স্বাস্থ্য সচিবের পদত্যাগ চেয়েছিলাম। সেই স্বাস্থ্য সচিবের কাছ থেকে ইমেল আসা আমরা সদর্থক হিসেবে দেখছি না। স্বাস্থ্য সচিবের (RG kar) তরফে আসা ইমেল আমাদের কাছে অপমানজনক।’’ তবে রাজ্য সরকারের সঙ্গে তাঁরা আলোচনার পথ খোলা রাখতে চান বলেই জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। তাঁরা জানিয়েছেন, নবান্নের শীর্ষ স্তর থেকে বার্তা এলে তাঁরা ভেবে দেখবেন। মাত্র দশ জনকে বৈঠকে ডাকায় ব্যাপক অসন্তুষ্ট হয়েছেন আন্দোলনকারীরা (RG kar)। তাঁরা বলেন, ‘‘দশ জনকে ডাকা অসম্মানজনক বলে মনে করছি।’’ প্রতিনিধি দলে কতজন থাকবেন, তা আলোচনা সাপেক্ষে ঠিক হবে বলে আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, নবান্নে রাজ্য সরকারের সাংবাদিক বৈঠক শেষ হওয়ার আগেই সল্টলেকে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে থেকে পাল্টা সাংবাদিক বৈঠক শুরু করেন জুনিয়র ডাক্তাররা। সেখানেই তাঁরা ওই ইমেলকে ‘অপমানজনক’ বলে অভিহিত করেন। জুনিয়র ডাক্তারদের যুক্তি, তাঁদের দাবিগুলির মধ্যে অন্যতম স্বাস্থ্যসচিবের অপসারণ। কিন্তু বৈঠকের জন্য যে মেলটি পাঠানো হয়েছে, তা এসেছে স্বাস্থ্যসচিবের ইমেল থেকেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।
     

  • RG Kar Incident: ‘সুপ্রিম’ ডেডলাইন পার, পথে ঠায় বসে জুনিয়র ডাক্তাররা

    RG Kar Incident: ‘সুপ্রিম’ ডেডলাইন পার, পথে ঠায় বসে জুনিয়র ডাক্তাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল। তা সত্ত্বেও বিকেল ৫টা বাজলেও, কর্মবিরতি প্রত্যাহার করলেন না জুনয়র ডাক্তাররা। মঙ্গলবার স্বাস্থ্যভবন (Swasthya Bhawan) অভিযান করেন (RG Kar Incident) তাঁরা। বিকেল পাঁচটার পরেও তাঁরা ঠায় বসে রয়েছেন সেখানে। দাবি মানা না হলে তাঁরা যে সেখান থেকে নড়বেন না, তাও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। প্রসঙ্গত, সোমবারই সুপ্রিম কোর্ট আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে কাজে যোগ দিতে বলেছিল।

    বিচার না পাওয়া অবধি আন্দোলন (RG Kar Incident)

    এদিকে, ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্যভবনের সামনে চলে এসেছে ভ্রাম্যমাণ শৌচাগার। ছাত্রদের বক্তব্য, দাবি মানা না হলে লাগাতার অবস্থান চলবে। সোমবারই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “এক মাস তো হয়ে গেল। আমি অনুরোধ করব, পুজোয় ফিরে আসুন, উৎসবে ফিরে আসুন।” মুখ্যমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে জুনিয়র ডাক্তাররা সাফ জানিয়ে দিলেন, বিচার না পাওয়া অবধি তাঁরা কোনও উৎসবে শামিল হবেন না। মুখ্যমন্ত্রীর ওই মন্তব্যকে ‘অসংবেদনশীল’ বলেও আখ্যা দেন তাঁরা।

    আন্দোলনকারীদের দাবি

    আন্দোলনকারীরা পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করা, অপরাধের উদ্দেশ্য সামনে আনা এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। কলকাতা পুলিশের কমিশনার বিনীত গোয়েলের ইস্তফাও দাবি করেন তাঁরা। রাজ্যের সব মেডিক্যাল কলেজ, হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দাবিও জানান তাঁরা।

    আরও পড়ুন: বারবার রেল দুর্ঘটনা ঘটানোর চক্রান্ত! নেপথ্যে জঙ্গিদের হাত?

    দিন কয়েক আগে লালবাজার অভিযান করেছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। তখন তাঁদের হাতে ছিল প্রতীকী মেরুদণ্ড। এদিন দেখা গেল প্রতীকী মস্তিষ্ক হাতে স্বাস্থ্যভবন অভিযানে শামিল হয়েছেন তাঁরা। চিকিৎসকদের দাবি, তাঁদের আন্দোলন দমানোর নানা চেষ্টা হচ্ছে। প্রতিটাই বিফলে যাচ্ছে। এবার অন্তত ‘মাথা খাটিয়ে কাজ করুন’, এই বার্তা দিতেই প্রতীকী মস্তিষ্ক হাতে মিছিলে হেঁটেছেন তাঁরা। আন্দোলনকারীদের কয়েকজনের হাতে ঝাঁটাও ছিল। তাঁদের দাবি, স্বাস্থ্যভবন সাফাই অভিযান করছেন তাঁরা। তাঁরা স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম, স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিকর্তা (Swasthya Bhawan), স্বাস্থ্য অধিকর্তা ও প্রিন্সিপাল সেক্রেটারির পদত্যাগও দাবি করেন (RG Kar Incident)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: ‘বিচার পাবে অভয়া তবে হবে মহালয়া’, নয়া স্লোগান ডাক্তারদের

    RG Kar Protest: ‘বিচার পাবে অভয়া তবে হবে মহালয়া’, নয়া স্লোগান ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Protest) নিয়ে রাজ্যজুড়ে আন্দোলন চলছে। প্রতিদিনই বিচার চেয়ে রাস্তায় নামছেন সাধারণ মানুষ। এই আবহে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উৎসবে ফেরার কথা বলেছেন। যা নিয়ে আন্দোলনকারী থেকে নাগরকি মহল সর্বত্র চর্চা হয়েছে। আর মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা।

    ‘বিচার পাবে অভয়া তবে হবে মহালয়া’ (RG Kar Protest)

    সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বলেছিলেন, “১ মাস তো হয়ে গেল। আজ ৯ তারিখ। এক মাস এক দিন। ৩১-এ মাস গিয়েছে। আমি অনুরোধ করব, পুজোতে ফিরে আসুন, উৎসবে ফিরে আসুন।” তা নিয়েই চলছে বিতর্ক। এদিন জুনিয়র চিকিৎসকদের স্বাস্থ্য ভবন অভিযান (RG Kar Protest) থেকে মমতার এ মন্তব্যের প্রতিবাদে উঠল লাগাতার স্লোগান। ‘কাঁদছে আমার বোনের শব, চাই না এমন নোংরা উৎসব’, এই লাইনে চলল গান।  চিকিৎসকরা আরও বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী আজ সব ভুলে মানুষকে উৎসবে ফিরতে বলেছেন। আমরা তাঁর এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। অভয়ার বিচারহীন শবের উপর দাঁড়িয়ে উৎসবের ডাক দেওয়া এক ন্যক্কারজনক নির্লজ্জতার পরিচয়। বিচার না পাওয়া অবধি, উৎসবে ফেরার আবেদন অশ্লীল ও অমানবিক।”

    এদিন প্রতিবাদ মুখর রাস্তায় দাঁড়িয়েই এক আন্দোলনকারী (Junior Doctors) বলেন, “৩২ দিন হয়ে গিয়েছে। আজও বিচার পাওয়া যায়নি। আমাদের কোনও দাবি মানা হচ্ছে না। শুধু কোনওভাবে আমাদের ডিউটি প্রবেশ করিয়ে হাত তুলে নিতে চাইছে। উৎসব করতে বলছে। কিন্তু ওটা দিয়ে হবে না। এখন গোটা বাংলা, দেশ, গোটা বিশ্ব জেগে উঠেছে। সেই আগুন নেভানো যাবে না। উৎসবে যাঁরা ফিরতে চায় ফিরুক। কিন্তু আমাদের মধ্যে সেই মনোভাব কারও রয়েছে বলে মনে হয় না।” জুনিয়র ডাক্তাররা জানিয়ে দিয়েছেন, ‘বিচার পাবে অভয়া তবে হবে মহালয়া’। তারা উৎসবে ফিরছেন না বলেও জানিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য অমানবিক, অশ্লীল, অসংবেদনশীল বলেও দাবি প্রতিবাদীদের। মুখ্যমন্ত্রীকে অবিলম্বে এই বক্তব্য ফিরিয়ে নিতে হবে বলেও দাবি আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের।

    আরও পড়ুন: ‘থ্রেট কালচার’-এর অভিযোগ! আন্দোলনকারীদের প্রবল চাপে সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ ৫১ জনকে নোটিস

    সরব হয়েছেন নির্যাতিতার মা

    মমতার পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন নির্যাতিতার মা-ও। তিনি বলেন, “দেশের মানুষ যদি ভাবেন উৎসবে ফিরবেন তাহলে ফিরবেন। তাঁরা তো আমার মেয়েটাকে (RG Kar Protest) নিজের পরিবারের মেয়ে ভাবছেন। তাঁরা যদি ফিরতে পারেন, তাহলে আমার কিছুই বলার নেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandip Ghosh: ‘ধর্ষক’ সন্দীপ! ফাঁসির দাবিতে স্লোগান আদালতে, গাড়ি লক্ষ্য করে এল জুতো

    Sandip Ghosh: ‘ধর্ষক’ সন্দীপ! ফাঁসির দাবিতে স্লোগান আদালতে, গাড়ি লক্ষ্য করে এল জুতো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুনানি শেষ হতেই একেবার ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হল আলিপুর কোর্টে। এজলাস থেকে বের হতে গিয়ে মহিলা আইনজীবীদের তুমুল বিক্ষোভের মুখে পড়তে দেখা যায় সন্দীপ ঘোষকে (Sandip Ghosh)। শুনানি শেষে আদালত কক্ষের ভিতরেই সন্দীপের বিরুদ্ধে লাগাতার স্লোগান দিতে দেখা যায় আইনজীবীদের। এভাবে তুমুল বিক্ষোভের মুখে পড়বে তা কেউ ভাবতে পারেনি।

    বিচারক কী নির্দেশ দিলেন? (Sandip Ghosh)

    মঙ্গলবার আলিপুর আদালতে সশরীরে হাজির করানো হয় সন্দীপ-সহ চার জনকে। এদিন শুনানিতে সন্দীপকে (Sandip Ghosh) নিজেদের হেফাজতে চায়নি সিবিআই। কারণ, হিসেবে বলা হয়, ইতিমধ্যেই এই ডিজিটাল এভিডেন্স ক্লোনিং করার আবেদন করা হয়েছে। সেই রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত জেল হেফাজতে রাখার আবেদন করা হয় সিবিআইয়ের (CBI) তরফে। আরজি কর হাসপাতালে দুর্নীতির অভিযোগের মামলায় ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সন্দীপ, সুমন হাজরা, বিপ্লব সিং এবং আফসর আলিকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।

    আরও পড়ুন: ‘থ্রেট কালচার’-এর অভিযোগ! আন্দোলনকারীদের প্রবল চাপে সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ ৫১ জনকে নোটিস

    আদালতে ঠিক কী ঘটেছে?

    জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়ে আদালত কক্ষ থেকে সবে বেরিয়েছেন বিচারক। তখনও এজলাসেই বসে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ (Sandip Ghosh) এবং আরও তিন অভিযুক্ত। তাঁদের ঘিরে তৈরি রাখা কড়া নিরাপত্তার বলয়। রয়েছেন পুলিশ কর্মী। রয়েছেন সিবিআইয়ের আধিকারিকেরা। এর মাঝেই সন্দীপকে ‘ধিক্কার’ জানাতে থাকেন এক মহিলা। ক্রমে স্লোগান উঠতে শুরু করে, ‘চোর চোর’, ‘ফাঁসি চাই’। উড়ে আসতে তাকে নানাবিধ হুমকি। সেই সময়েই আদালত কক্ষে ফিরে আসেন বিচারক। হাত জোড় করে বাকিদের চুপ করার অনুরোধ জানান। পরিস্থিতি সামাল দিতে বাইরে মোতায়েন করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। শেষ পর্যন্ত কড়া প্রহরায় আদালত থেকে বার করিয়ে গাড়িতে চাপানো হয় সন্দীপদের।

    ‘‘তোর বডিগার্ড কোথায়?”

    তবে সেখানেও বাধে গোল। সন্দীপকে পুলিশের যে গাড়িতে তোলা হয়, এ বার সেটি লক্ষ্য করে ছোড়া হয় জুতো। কেউ বিচারের দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। মূলত মহিলা আইনজীবীরা সন্দীপের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন। সন্দীপকে ‘ধর্ষক’ সম্বোধন করেও চিৎকার করতে থাকেন কেউ কেউ। তাঁর ফাঁসির দাবিও ওঠে আদালত কক্ষে। এখানেই শেষ নয়। সন্দীপের দাঁত ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেন এক জন। তিনি বলেন, “অপরাধী হাসতে পারে না। দাঁত ভেঙে দেব।” এক জন বলেন, “জেলের ভাত কেন খাবে? সরকারের খরচ হবে।” এ ভাবে সন্দীপের উদ্দেশে একের পর এক স্লোগান উঠতে থাকে আদালতকক্ষে। জনৈক এক মহিলা চিৎকার করে বলেন, ‘‘তোর বডিগার্ড কোথায়?”  ‘We Want Justice’ ‘কালপ্রিট সন্দীপ ঘোষ নিপাত যাক’ লাগাতার এই সব স্লোগান উঠতে থাকে সন্দীপের সামনে। সূত্রের খবর, অবস্থা দেখে কার্যত মুখ ঘুরিয়ে নেন সন্দীপ। ততক্ষণে ‘সন্দীপ ঘোষ ধর্ষক। You are a Rapist।’ স্লোগান উঠতে শুরু করেছে।

    আইনজীবীরা কী বললেন?

    সিমন দাস নামে এক আইনজীবী বলেন, “কেন ধর্ষকের (Sandip Ghosh) জন্য বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে? আমর প্রতিবাদ করেছি বলে আমাদের আদালত কক্ষ থেকে বার করে দেওয়া হয়েছে।” অন্য এক আইনজীবী ইশা পাল বলেন, “আদালতের যে দরজা নিয়ে বিচারকেরা যাতায়াত করেন, সেখান দিয়ে সন্দীপকে বার করে নিয়ে আসা হয়েছে। কেন এই বিশেষ ব্যবস্থা?”

    সশরীরে আদালতে হাজিরের নির্দেশ

    প্রসঙ্গত, গত ৩ সেপ্টেম্বর যখন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপকে আদালতে হাজির করেছিল সিবিআই। তখনও আদালতের সামনে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। সন্দীপকে আদালত থেকে বার করার সময়েই শুরু হয়েছিল গোলমাল। ‘চোর চোর’ চিৎকার করে একদল মানুষ সন্দীপের দিকে এগিয়ে যায়। সেই সময়েই কোনও এক জন সন্দীপের মাথ পিছন থেকে চাঁটি মারেন বলেও অভিযোগ ওঠে। সেই পরিস্থিতি থেকে কোনও রকমে সন্দীপকে নিরাপত্তাবেষ্টনী তৈরি করে গাড়িতে তুলেছিলেন সিবিআই আধিকারিকেরা। সে দিনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই মঙ্গলবার সন্দীপদের ভার্চুয়াল শুনানির আবেদন করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তবে সেই আবেদন খারিজ করে দেয় আলিপুর আদালত। মঙ্গলবার সশরীরে আদালতে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share