Tag: bangla news

bangla news

  • RG Kar Incident: ‘‘সায়নের জামিন মঞ্জুর হওয়াই উচিত’’, রাজ্যের আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    RG Kar Incident: ‘‘সায়নের জামিন মঞ্জুর হওয়াই উচিত’’, রাজ্যের আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ’-এর আহ্বায়ক সায়ন লাহিড়ির জামিনের বিরোধিতা করে সুপ্রিম (Supreme Court) দুয়ারে কড়া নেড়েছিল রাজ্য সরকার। কিন্তু সেই মামলা খারিজ করে দিল শীর্ষ আদালত। বহাল রইল কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ। শীর্ষ আদালত জানাল, ওই ছাত্রনেতার (সায়ন) জামিন মঞ্জুর হওয়াই উচিত। সোমবার বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রর বেঞ্চে শুনানি ছিল সেই মামলার। শুনানিতে জামিনের বিরোধিতা করা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়ে রাজ্য সরকার। আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে (RG Kar Incident) বিচারের দাবিতে নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিলেন সায়নরা (Sayan Lahiri)।

    শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ

    ২৭ অগাস্ট নবান্ন অভিযানে অশান্তির অভিযোগে সায়ন লাহিড়িকে (Sayan Lahiri) গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তিনি হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করেছিলেন। তাঁকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছিল বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চ। এর পরেই সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য। সেখানে আজ, সোমবার বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রর বেঞ্চে শুনানি ছিল ওই মামলার। সেখানেই সায়নের গ্রেফতারি নিয়ে প্রশ্ন তোলে সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি পারদিওয়ালা জানতে চান, ১০০ জনের মধ্যে ওই ছাত্রনেতাকে পুলিশ কেন গ্রেফতার করল? পাশাপাশি, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ উল্লেখ করে বিচারপতি পারদিওয়ালা বলেন, ‘ওই ছাত্রনেতার জামিন মঞ্জুর হওয়াই উচিত। কিন্তু এফআইআর খারিজের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।’

    আরও পড়ুনঃ ‘‘আপনার মা-বোনেদের…’’! কুরুচিকর মন্তব্য তৃণমূল নেতার, তুলোধনা সুকান্তর

    হাইকোর্টের রায়ে শিলমোহর

    প্রসঙ্গত হাইকোর্টেই (Calcutta High Court) জামিন মামলার শুনানিতে আদালত প্রশ্ন করেছিল, নবান্ন অভিযানে সায়নকে কোনও রকম অশান্তি করতে বা কারও উপর হামলা করতে দেখা গিয়েছে কি না। তাঁর আইনজীবী আদালতে জানিয়েছিলেন, কোনও অশান্তির সঙ্গেই সায়ন যুক্ত ছিলেন না। কেবল কর্মসূচির ডাক দেওয়ার কারণেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের কাছে জানতে চায় সায়নের বিরুদ্ধে কতগুলো এফআইআর দায়ের হয়েছে। রাজ্য সুপ্রিম কোর্টে জানায়, ১১টি এফআইআর দায়ের হয়েছে সায়নের বিরুদ্ধে।  সায়নের গ্রেফতারির পক্ষে যুক্তি সাজাতে, ‘প্রভাবশালী’ তত্ত্বও সংযোজনের চেষ্টা করেছিলেন রাজ্যের আইনজীবী। তবে বিচারপতি জানতে চেয়েছিলেন একজন ছাত্রনেতা (Sayan Lahiri) এত প্রভাবশালী হতে পারেন নাকি। হাইকোর্টের নির্দেশমতো শনিবারই সায়ন মুক্তি পায়। শীর্ষ আদালতও সায়নের মুক্তির নির্দেশে শিলমোহর দিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Rally: আরজি করকাণ্ডে প্রতিবাদ মিছিলে নির্যাতিতার আত্মীয়রা, পা মেলালেন রুদ্রনীল

    RG Kar Rally: আরজি করকাণ্ডে প্রতিবাদ মিছিলে নির্যাতিতার আত্মীয়রা, পা মেলালেন রুদ্রনীল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে (RG Kar Rally) সুবিচারের দাবিতে নাগরিক সমাজের ডাকে মধ্যমগ্রামে সামিল হলেন নির্যাতিতা পড়ুয়া চিকিৎসকের আত্মীয়রা। এর আগেও এই ইস্যুতে মধ্যমগ্রামে আন্দোলন হয়েছে। রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছেন মহিলারা। প্রতিবাদ মিছিলও করা হয়েছে। ফের মধ্যমগ্রামে আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগানে কয়েকশো মানুষ জমায়েত হন।

    প্রতিবাদ মিছিলে নির্যাতিতা চিকিৎসকের আত্মীয়রা (RG Kar Rally)

    আরজি করের ঘটনার পর ১৪ অগাস্ট রাতে মহিলাদের রাস্তা দখল থেকে শুরু করে লাগাতার মধ্যমগ্রাম (Madhyamgram) প্রতিবাদের (RG Kar Rally) আওয়াজ তুলেছে দিনের পর দিন। কখনও ছোট জমায়েত, কখনও কয়েকশো মানুষের জমায়েত হয়ে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ চেয়ে সরব হয়েছে। অন্যান্য দিন এই প্রতিবাদ জমায়েত মধ্যরাতে হলেও রবিবার সন্ধ্যায় নির্যাতিতার বিচার চেয়ে প্রতিবাদে গর্জে উঠলেন কয়েকশো সাধারণ মানুষ। অরাজনৈতিক এই প্রতিবাদ মিছিলে পা মেলালেন রুদ্রনীল ঘোষ। অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ এর আগেও মধ্যমগ্রামে এই প্রতিবাদী আন্দোলনে সামিল হয়েছিলেন। 

    মধ্যমগ্রাম চৌমাথায় তিন দিন ধরে চলা এক অরাজনৈতিক অবস্থান বিক্ষোভের শেষ দিনে এসেছিলেন রুদ্রনীল ঘোষ। সেই দিনই ঘোষণা হয়েছিল ১ সেপ্টেম্বর ফের জমায়েত হয়ে এই ঘটনার প্রতিবাদ জানানোর কথা হয়েছিল। সেইমতো এদিন কয়েকশো মানুষ জমায়েত হন। এই মিছিলে নির্যাতিতার আত্মীয়দের মধ্যে কাকিমা, মামা-মামী হাজির হয়েছিলেন। মধ্যমগ্রাম চৌমাথা এসে প্রতিবাদ মিছিল শেষ হয়। এদিন প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন নির্যাতিতার কাকিমা। তিনি বলেন, ‘‘ দোষীদের অবিলম্বে শাস্তি দিতে হবে। আমরা সেই দাবিতেই রাস্তায় নেমে আন্দোলনে সামিল হয়েছি।’’ আন্দোলনকারীরাও দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান।

    আরও পড়ুন: কৌশিকী অমাবস্যা শুরু, তারাপীঠে দেবীর ভোগে আজ থাকছে বিশেষ পদ

    পরিকল্পিতভাবে খুন

    প্রতিবাদের শামিল হয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রুদ্রনীল ঘোষ বলেন, ‘‘পরিকল্পিতভাবেই আরজি করের (RG Kar Rally) নির্যাতিতাকে খুন করা হয়েছে। তাই, তথ্য প্রমাণ জোগাড় করতে এত দেরি হচ্ছে। মানুষ রাস্তায় নেমে আন্দোলন করছেন। দোষীদের বাঁচাতে উঠে পড়ে লেগেছে তৃণমূল সরকার। পুলিশ দিয়ে মানুষের প্রতিবাদ বন্ধ করার চেষ্টা হচ্ছে। আমার আবেদন, পুলিশ সাধারণ মানুষের বন্ধু হন। জল কামানের প্রয়োজন নেই, বাংলার  মা-বোনেদের চোখে অনেক জল আছে। দ্রুত শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন সকলে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohan Bhagwat: প্রধানমন্ত্রীর মতো নিরাপত্তার বলয়ে ঢুকে পড়লেন মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: প্রধানমন্ত্রীর মতো নিরাপত্তার বলয়ে ঢুকে পড়লেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আঁটসাঁট করা হল সরসঙ্ঘ চালক মোহন ভাগবতের (Mohan Bhagwat) নিরাপত্তার ব্যবস্থা। এখন থেকে তিনি থাকবেন এএসএল (ASL) নিরাপত্তার বেষ্টনীতে। এতদিন আরএসএস প্রধান পেতেন জেড প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা। এবার থেকে তিনি পাবেন সেই নিরাপত্তা, যা পান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আগে মোহন ভাগবতকে (RSS) ঘিরে থাকতেন ৫৫ জন সিআইএসএফ কমান্ডো। এঁরা আধাসেনা। এঁদের বদলে এবার ভাগবতের নিরাপত্তার দায়িত্ব বর্তাল অ্যাডভান্সড সিকিউরিটি লিয়াজোঁ (এএসএল)-এর ওপর।

    আকাশপথেও কড়া নিরাপত্তা

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, ভাগবত যখন হেলিকপ্টার যাত্রা করবেন, সেই সময় আকাশপথেও তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন জাতীয় সুরক্ষা দলের লোকজন। জানা গিয়েছে, বেশ কয়েকটি ইসলামিক ও অন্যান্য সংগঠন ভাগবতকে (Mohan Bhagwat) মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছে। তার পরেই তাঁর আঁটসাঁট নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীক। বর্তমানে গোটা দেশের ২০০ জনকে ঘিরে রাখে এই নিরাপত্তা বলয়। সেই তালিকায় চলে এলেন ভাগবতও।

    কেমন হবে ভাগবতের (Mohan Bhagwat) সুরক্ষা-বলয়

    সরকারি সূত্রের খবর, ভাগবত এখন থেকে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মতো তিন স্তরের নিরাপত্তা পাবেন। তাঁর নিরাপত্তার বিষয়টি এখন অ্যাডভান্স সিকিউরিটি লিয়াজঁর (এএসএল) অন্তর্ভুক্ত হল। অর্থাৎ সরকারি জাতীয় সুরক্ষা টিম আরএসএস প্রধানের নিরাপত্তা পর্যালোচনা করবে। সঙ্ঘ প্রধান কোথাও হেলিকপ্টারে যেতে চাইলে সে ব্যাপারেও এএসএল-এর অনুমতি নিতে হবে। হেলিকপ্টারের ডিজাইন, ইঞ্জিনের সক্ষমতা যাচাই করে তারা ছাড়পত্র দিলে কবেই কপ্টারে যাত্রা করা যাবে।

    কারা দিয়েছে হুমকি

    প্রসঙ্গত, গত ডিসেম্বরের শেষের দিকে বিহার পুলিশের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল একটি লিখিত বিবৃতি জারি করেছিলেন। সেখানে বলা হয়েছিল, মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মাওবাদী), বেশ কয়েকটি ইসলামি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী, পাকিস্তানের আইএসআই এবং ইসলামিক মৌলবাদীদের হুমকির মধ্যে রয়েছেন। তাই তাঁর অনুষ্ঠান (বিহারে), ভ্রমণ এবং বিশ্রামের জায়গায় কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন ডিআইজি। সেই সময় ভাগলপুরে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন ভাগবত। ডিআইজি জানিয়েছিলেন, পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: “প্রস্তুত থাকুন…বিধানসভায় দেখা হবে”, মমতার উদ্দেশে হুঙ্কার শুভেন্দুর

    সেই সময় ডিআইজি জানিয়েছিলেন, স্পেশাল ব্রাঞ্চের আধিকারিকরা বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করবেন। স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি বিশেষ তথ্য পাওয়ার পরে বিশেষ শাখা সদর দফতরকে অবহিত করা হবে। ভাগবতের কর্মসূচি চলাকালীন শীর্ষ পুলিশ কর্তারা ভাগলপুরের বিভিন্ন জায়গায় প্রহরায় ছিলেন ভাগবতের। এর পরেও একাধিকবার ভাগবতকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশে ঘটে চলেছে হিন্দু নিধন যজ্ঞ। তার প্রেক্ষিতেও ভাগবতের আঁটসাঁট নিরাপত্তার প্রয়োজন (RSS) ছিল। সেই ব্যবস্থাই করা হল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তরফে (Mohan Bhagwat)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 121: “বদ্ধজীবের—সংসারী জীবের—কোন মতে হুঁশ আর হয় না, এত দুঃখ, তবুও চৈতন্য হয় না”

    Ramakrishna 121: “বদ্ধজীবের—সংসারী জীবের—কোন মতে হুঁশ আর হয় না, এত দুঃখ, তবুও চৈতন্য হয় না”

    শ্রীযুক্ত বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী ও অন্যান্য ভক্তের প্রতি ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ উপদেশ

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ
    অনিত্যমসুখং লোকমিমং প্রাপ্য ভজস্ব মাম্‌।
      (গীতা — ৯।৩৩)

    জীব চার থাক —বদ্ধজীবের লক্ষণ কামিনী-কাঞ্চন

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—জীব চার থাক বলেছে—বদ্ধ, মুমুক্ষু, মুক্ত, নিত্য। সংসার জালের স্বরূপ, জীব যেন মাছ, ঈশ্বর (যাঁর মায়া এই সংসার) তিনি জেলে। জেলের জালে যখন মাছ পড়ে, কতকগুলো মাছ জাল ছিঁড়ে পালাবার অর্থাৎ মুক্ত হবার চেষ্টা করে। এদের মুমুক্ষু জীব বলা যায়। যারা পালাবার চেষ্টা করছে, সকলেই পালাতে পারে না। দু-চারটা মাছ ধপাঙ্‌ শব্দ করে পালায়; তখন লোকেরা বলে (Kathamrita), “ওই মাছটা বড়, পালিয়ে গেল!” এই দু-চারটা লোক মুক্তজীব। কতকগুলি মাছ স্বভাবত এত সাবধান যে, কখনও জালে পড়ে না। নারদাদি নিত্যজীব কখনও সংসারজালে পড়ে না। কিন্তু অধিকাংশ মাছ জালে পড়ে; অথচ এ-বোধ নাই যে, জালে পড়েছে মরতে হবে। জালে পড়েই জাল-শুদ্ধ চোঁ-চা দৌড় মারে ও একেবারে পাঁকে গিয়ে শরীর লোকোবার চেষ্টা করে। পালাবার কোন চেষ্টা নাই বরং আরও পাঁকে গিয়ে পড়ে। এরাই বদ্ধজীব। জালে এরা রয়েছে, কিন্তু মনে করে, হেথায় বেশ আছি। বদ্ধজীব, সংসারে—অর্থাৎ কামিনী-কাঞ্চনে—আসক্ত হয়ে আছে; কলঙ্ক-সাগরে মগ্ন, কিন্তু মনে করে বেশ আছি! যারা মুমুক্ষু বা মুক্ত সংসার (Ramakrishna) তাদের পাতকুয়া বোধ হয়; ভাল লাগে না। তাই কেউ কেউ জ্ঞানলাভের (Kathamrita) পর, ভগবানলাভের পর শরীরত্যাগ করে। কিন্তু সে-রকম শরীরত্যাগ অনেক দূরের কথা।

    “বদ্ধজীবের—সংসারী জীবের—কোন মতে হুঁশ আর হয় না। এত দুঃখ, এত দাগা পায়, এত বিপদে পড়ে, তবুও চৈতন্য হয় না।

    আরও পড়ুনঃ “আত্মহত্যা করা মহাপাপ, ফিরে ফিরে সংসারে আসতে হবে…সংসার-যন্ত্রণা ভোগ করতে হবে”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “ময়না তদন্তের রিপোর্টে ধর্ষণ না লেখার চাপ দেওয়া হচ্ছিল”, বিস্ফোরক দাবি সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “ময়না তদন্তের রিপোর্টে ধর্ষণ না লেখার চাপ দেওয়া হচ্ছিল”, বিস্ফোরক দাবি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে হত্যার ঘটনায় রাজ্য রাজনীতি উত্তাল। বিরোধী রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি থেকে শুরু করে মেয়েদের রাত দখল, একাধিক সামাজিক ও নাগরিক সংগঠনের লাগাতার মিছিল-অভিযান, ডাক্তারি পড়ুয়াদের আন্দোলন— জনমনে ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। সিবিআই-এর তদন্তে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। এই প্রেক্ষিতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) অভিযোগ তুলে বলেন, “ময়না তদন্তের রিপোর্টে ধর্ষণ না লেখার জন্য চিকিৎসকদের চাপ দেওয়া হচ্ছিল।”

    ঠিক কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) তৃণমূল সরকার এবং পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক হয়ে বলেন, “৯ অগাস্টের দিন থেকেই ধর্ষণ করে খুনের বিষয়ে পুলিশ তৃণমূলের নির্দেশে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। এই ঘটনায় আরও অনেকে জড়িত। নির্যাতিতার বাড়ির লোকজনকে আত্মহত্যার কথা বলা হয়েছিল। হাসপাতালের প্রাক্তন অ্যাসিস্ট্যাণ্ট সুপার দাবি করেছেন, খবর শুনে পরিবার অসুস্থ হতে পারেন তাই আত্মহত্যার কথা বলেছিলেন। চাদর বদলের অভিযোগ উঠেছে, একটি ভিডিও থেকে দেখা যাচ্ছে ঘটনাস্থলে থিকথিক করছে মানুষের ভিড়। ময়না তদন্তের রিপোর্টের শেষ লাইনে লেখা হয়েছে ধর্ষণ। সেই লাইনটা বাদ দিতে চেয়েছিলেন সন্দীপ ঘোষ এবং তাঁর দলবল। তবে যাঁরা তদন্ত করেছিলেন তাঁদের মধ্যে দুই মহিলা চিকিৎসক বলেন, এই লাইন বাদ দিলে আমরা সই করব না। আমি ধন্যবাদ জানাই ওই দুই মহিলা চিকিৎসককে।”

    আরও পড়ুনঃ ‘‘আপনার মা-বোনেদের…’’! কুরুচিকর মন্তব্য তৃণমূল নেতার, তুলোধনা সুকান্তর

    ধর্মতলায় টানা ধর্না অবস্থান বিক্ষোভ

    আরজি কর-কাণ্ডে এখনও পর্যন্ত মাত্র সঞ্জয় রায়কেই গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রথমে পুলিশ তদন্ত করলেও কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্তে নেমেছে। রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্ট তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। প্রাক্তন অধ্যক্ষকে টানা জিজ্ঞাসবাদ করছে সিবিআই। দেহপাচার থেকে আর্থিক তছরুপ, প্রায় ১৫টি অভিযোগ ঝুলে আছে সন্দীপের মাথার উপর। এদিকে রাজ্যের বিরোধী দল হিসেবে বিজেপি শ্যামবাজারের পর ধর্মতলায় টানা ধর্না অবস্থান বিক্ষোভ চলছে। ইতিমধ্যে রাজ্যের মহিলা কমিশনের দফতরে মহিলা মোর্চার পক্ষ থেকে অভিযান করে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। জেলায় জেলায় থানা এবং ব্লক অফিস ঘেরাও কর্মসূচিও করছে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “প্রস্তুত থাকুন…বিধানসভায় দেখা হবে”, মমতার উদ্দেশে হুঙ্কার শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “প্রস্তুত থাকুন…বিধানসভায় দেখা হবে”, মমতার উদ্দেশে হুঙ্কার শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রস্তুত থাকুন। কী ভাষায় উত্তর দিতে হয়, আমরা বুঝিয়ে দেব। বিধানসভায় দেখা হবে।” এই ‘হুঙ্কার’ যাঁকে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), সেই তাঁকেই রবিবার কটাক্ষ করেছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও।

    বিশেষ অধিবেশন (Suvendu Adhikari)

    আরজি করকাণ্ডের (RG Kar Incident) জেরে আজ, সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে দু’দিনের বিশেষ অধিবেশন। ধর্ষকদের ফাঁসির সাজার ব্যবস্থা করতেই বসছে বিশেষ অধিবেশন। মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত বিল পেশ হবে বিধানসভায়। সোমবার দুপুর ২টোয় বসবে অধিবেশন। এদিন শোকপ্রস্তাবের পরেই শেষ হয়ে যাবে অধিবেশন। শোকপ্রস্তাবে আরজি করকাণ্ডে নির্যাতিতার উল্লেখ থাকবে কিনা, সে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। তবে বিধানসভার এই বিশেষ অধিবেশন যে উত্তাল হবে, সে ব্যাপারে পদ্ম শিবিরে ইঙ্গিত মিলেছিল আগেই। রবিবার বিকেলে রীতিমতো হুঙ্কার দিলেন শুভেন্দু। ধর্মতলায় চলছে বিজেপির সপ্তাহব্যাপী ধর্না অবস্থান। সেখানে আসেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    শুভেন্দুর হুঙ্কার

    শুভেন্দু বলেন (Suvendu Adhikari), “আরজি কর ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কোন ভাষায় জবাব দিতে হয়, তা আমাদের জানা আছে। দল হিসেবে বিজেপি বিধানসভায় তা দেখিয়েও দেবে।” ধর্ষণ করলেই ফাঁসির সাজা হবে। এই মর্মে আইন করতে বিধানসভায় বিল আনতে চলেছে রাজ্য সরকার। দশ দিনের মধ্যে এই বিল পাশ করানো হবে বলেও মেয়ো রোডে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সমাবেশে ঘোষণা করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। সেই মতো এদিন বসতে চলেছে বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন।

    আরও পড়ুন: “নাটক বন্ধ করুন মমতা”, ধর্ষণ-বিরোধী বিলকে কটাক্ষ দিলীপের

    রবিবারই বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ  ধর্ষণ-বিরোধী বিল আনতে উদ্যোগী হওয়ায় রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ করেছিলেন। বলেছিলেন, “প্রকাশ্যে মহিলাদের ওপর হামলা হচ্ছে। আরজি করে মহিলার মৃতদেহের ময়না তদন্তের সময় বাড়ির লোককে রাখা হয়নি। যারা অপরাধীদের আড়াল করছে, তারা কোন মুখে বড় বড় কথা বলে?” তিনি বলেছিলেন, “আজ নাটক করছে, ফাঁসির আইন আনবে। কে অধিকার দিয়েছে আইন করার? এই নাটক বন্ধ করুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”

    বস্তুত, ধর্ষণ রুখতে কড়া সাজার সংস্থান রয়েছে কেন্দ্রেরই নয়া আইনে। তার পরেও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর আলাদা আইন আনার (RG Kar Incident) উদ্যোগ আসলে আইওয়াশের চেষ্টা বলেই দাবি (Suvendu Adhikari) ওয়াকিবহাল মহলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Morning Walk: মর্নিং ওয়াকেই রয়েছে ম্যাজিক! সকালে নিয়মিত হাঁটলে গায়েব হবে কোন কোন রোগ?

    Morning Walk: মর্নিং ওয়াকেই রয়েছে ম্যাজিক! সকালে নিয়মিত হাঁটলে গায়েব হবে কোন কোন রোগ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠা। আর তার পরেই অন্তত তিরিশ মিনিট বাড়ির সামনের পার্কে হাঁটা (Morning Walk)। ব্যাস! তাতেই রয়েছে ম্যাজিক! সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি রয়েছে এই অভ্যাসেই। এমনটাই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, সুস্থ জীবন যাপনের জন্য কম বয়স থেকেই এই অভ্যাস রপ্ত করা জরুরি। সকালে হাঁটার এই অভ্যাস একাধিক রোগের মোকাবিলা করে। শরীর সুস্থ রাখে। পাশপাশি মানসিক স্বাস্থ্যও ভালো রাখে। আসুন, এক নজরে দেখে নিই, কোন কোন রোগের মোকাবিলা করতে পারে মর্নিং ওয়াক?

    হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, মর্নিং ওয়াক হৃদযন্ত্র সুস্থ ও কার্যকর রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। তারা জানাচ্ছে, সকালে নিয়মিত হাঁটলে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়। হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা ঠিক মতো হয়। শরীরে রক্তসঞ্চালন ঠিকমতো হলেই হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। তাই নিয়মিত মর্নিং ওয়াক হার্ট অ্যাটাকের মতো ঝুঁকিও (Disease) কমাতে সাহায্য করে।

    কোলেস্টেরল ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ (Morning Walk)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, নিয়মিত সকালে হাঁটলে কমবে কোলেস্টেরলের ঝুঁকি। নিয়মিত মর্নিং ওয়াক করলে এলডিএল নামক ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকে। আবার এইচডিএলের মতো ভালো কোলেস্টেরল তৈরি হয়। ফলে একাধিক শারীরিক সমস্যার ঝুঁকি কমে। কোলেস্টেরলের পাশপাশি রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতেও সাহায্য করে। নিয়মিত মর্নিং ওয়াক করলে রক্ত সঞ্চালন ভালোভাবে হয়। তাই উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা তৈরির ঝুঁকি কমে।

    স্থূলতা মোকাবিলায় সাহায্য করে

    নিয়মিত সকালে হাঁটলে (Morning Walk) স্থূলতাকে সহজেই কাবু করা সম্ভব। এমনটাই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, সকালে হাঁটলে ক্যালরি সহজেই ঝরে যায়। মেদ কমানোর সহজ উপায় মর্নিং ওয়াক। তাই স্থূলতার সমস্যা থেকে নিস্তার মেলা সহজ হয়।

    পেশি ও হাড়ের সমস্যা কমায়

    পেশি ও হাড়ের সমস্যা কমানোর জন্য শারীরিক কসরত খুব গুরুত্বপূর্ণ। মর্নিং ওয়াক শারীরিক কসরতের একটি অত্যন্ত ভালো উপায়। শরীরের বিভিন্ন পেশির কার্যক্ষমতা বাড়ায়, আবার দেহের জয়েন্টগুলোকেও সচল রাখে। তাই পেশি ও হাড়ের ব্যথা কমাতে নিয়মিত মর্নিং ওয়াক বিশেষ উপকারী।

    মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখে (Morning Walk)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, শরীরের পাশপাশি মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও মর্নিং ওয়াক বিশেষ উপকারী। মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, মানসিক চাপ, অবসাদের মতো একাধিক মানসিক সমস্যা বাড়ছে। নিয়মিত মর্নিং ওয়াক করলে এই ধরনের সমস্যা কমবে। তারা জানাচ্ছে, মর্নিং ওয়াক করলে স্ট্রেস হরমোন নিয়ন্ত্রণে থাকে। এছাড়াও একাধিক হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে। এর জেরেই মানসিক চাপ কিংবা অবসাদের মতো সমস্যার মোকাবিলা করা সহজ হয়।

    মস্তিষ্ক সক্রিয় রাখে, অ্যালজাইমারের ঝুঁকি কমায়

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, অ্যালজাইমারের মতো রোগের প্রকোপ বাড়ছে‌। স্মৃতিশক্তি জনিত সমস্যায় অনেকেই ভুগছেন। নিয়মিত মর্নিং ওয়াক করলে এই ধরনের রোগের ঝুঁকি কমবে।মর্নিং ওয়াক করলে একদিকে হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকছে, আরেকদিকে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হচ্ছে। স্নায়ু সক্রিয় থাকছে। এর ফলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই স্মৃতিশক্তিও ভালো থাকছে।

    কীভাবে মর্নিং ওয়াক করলে বাড়তি উপকার পাওয়া যাবে?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, মর্নিং ওয়াকের সময় কয়েকটি দিকে বিশেষ খেয়াল রাখা জরুরি। তবেই বাড়তি উপকার পাওয়া সম্ভব। 
    মর্নিং ওয়াকের শুরুতেই খুব দ্রুত হাঁটা কিংবা দৌড়ে হাঁটার মতো অভ্যাস না করারই পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ।‌ তারা জানাচ্ছে, এতে খুব কম সময়েই হাঁফিয়ে উঠতে পারেন।‌ ফলে তিরিশ মিনিট হাঁটা সম্ভব হবে না। পায়ের জুতো খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, মর্নিং ওয়াক করার জন্য আরামদায়ক জুতো পরতে হবে। পেশিতে যাতে টান‌ না ধরে, সেদিকে খেয়াল রেখে জুতো নির্বাচন জরুরি। মর্নিং ওয়াক শুরুর আগে হালকা ওয়ার্ম আপ করা দরকার। যাতে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। ঘুম ভাব সম্পূর্ণ কেটে যায়। তবে মর্নিং ওয়াক শুরুর আগে পর্যাপ্ত জল খাওয়া জরুরি। কারণ মর্নিং ওয়াক করলে অনেকের অতিরিক্ত ঘাম হয়। এর ফলে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি (Disease) তৈরি হয়। তাই জল খাওয়া নিয়ে সচেতনতা জরুরি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: ‘‘আপনার মা-বোনেদের…’’! কুরুচিকর মন্তব্য তৃণমূল নেতার, তুলোধনা সুকান্তর

    North 24 Parganas: ‘‘আপনার মা-বোনেদের…’’! কুরুচিকর মন্তব্য তৃণমূল নেতার, তুলোধনা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর জি কর ইস্যুতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিরোধীরা। মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানানো হয়েছে। তৃণমূল সরকারকে তুলোধনা করেছেন আন্দোলনকারীরা। মুখ্যমন্ত্রী এই ইস্যুতে কয়েকদিন আগে দলীয় কর্মীদের ‘ফোঁস’ করার নিদান দিয়েছিলেন। এই আবহের মধ্যে আরজি করকাণ্ডের প্রেক্ষিতে যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে কুৎসা করছেন, তাঁদের মা-বোনের বিকৃত ছবি বাড়ির দেওয়ালে টাঙিয়ে দিয়ে আসার হুঁশিয়ারি দিলেন উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) অশোকনগরের তৃণমূল নেতা অতীশ সরকার ওরফে ঝঙ্কু। তাঁর এ হেন মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জোর চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।  

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল নেতা? (North 24 Parganas)

    মেয়ো রোডে তৃণমূলের ছাত্র পরিষদের সমাবেশে বক্তৃতা করতে গিয়ে  মুখ্যমন্ত্রী দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে বলেছিলেন, “যে আপনাকে রোজ কামড়াচ্ছে, তাকে কামড়াবেন না। কিন্তু, ফোঁস তো করতে পারেন।” দলনেত্রীর সেই ‘ফোঁস’ প্রসঙ্গ টেনে অশোকনগরের তৃণমূল নেতা অতীশ সরকার বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন। এক দলীয় কর্মসূচি থেকে অতীশ বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফোঁস করতে বলেছেন, সাবধান হয়ে যান। আমরা যদি পাড়ায় পাড়ায় ফোঁস করতে শুরু করি, তবে বাড়ি থেকে বার হতে পারবেন তো?” মমতার বিরোধিতা করলে ফল ভালো হবে না, এমন হুমকিও দেন অশোকনগরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর অতীশ। তাঁর স্ত্রী বর্তমানে ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। রবিবার সেখানেই আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে আয়োজিত এক পথসভা থেকে অতীশ বলেন, “আমরা যদি ফোঁস করি, তবে আপনার বাড়ির মা-বোনদের কুৎসা রটিয়ে যদি দরজায় টাঙিয়ে দিয়ে আসি, তা হলে সেই পোস্টার খুলতে পারবেন না। ওই দিন আর বেশি দূরে নেই। আমি এখানে দায়িত্ব নিয়ে বলে গেলাম।” অতীশের মন্তব্য প্রসঙ্গে অশোকনগরের তৃণমূল বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী বলেন, “এই বিষয়ে রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে আমার এবং আমাদের জেলা সভাপতি কাকলি ঘোষদস্তিদারের কথা হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: কৌশিকী অমাবস্যা শুরু, তারাপীঠে দেবীর ভোগে আজ থাকছে বিশেষ পদ

    ‘তৃণমূলের গুণধর লুম্পেন বাহিনী’, কটাক্ষ সুকান্তর

    বালুরঘাটের সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, অতীশের ওই বক্তব্যের অংশ এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেছেন। সেখানে অতীশকে ‘তৃণমূলের গুণধর লুম্পেন বাহিনী’ বলে কটাক্ষ করেছেন সুকান্ত।

    <

    কী বলল বিজেপি?

     বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “রাজনীতি করলে এই ধরনের কথা বলার অধিকার কোথা থেকে এসেছে। পুলিশের (North 24 Parganas) উচিত ওদের গ্রেফতার করা।” রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র এবং কনভেনার দীপ্তিমান বসু জানিয়েছেন, এ ভাবে ভয় দেখিয়ে, হুমকি দিয়ে আন্দোলন রোখা যাবে না। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “নাটক বন্ধ করুন মমতা”, ধর্ষণ-বিরোধী বিলকে কটাক্ষ দিলীপের

    Dilip Ghosh: “নাটক বন্ধ করুন মমতা”, ধর্ষণ-বিরোধী বিলকে কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডের (RG Kar Incident) জেরে আজ, সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে দু’দিনের বিশেষ অধিবেশন। ধর্ষকদের ফাঁসির সাজার ব্যবস্থা করতেই বসছে বিশেষ অধিবেশন। মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত বিল পেশ হবে বিধানসভায়। ধর্ষণ-বিরোধী যে বিল আনতে চলেছে রাজ্যের তৃণমূল সরকার, তা নিয়ে রাজ্যের শাসকদলকে নিশানা করলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।

    কী বললেন দিলীপ ঘোষ? (Dilip Ghosh)

    তিনি বলেন, “প্রকাশ্যে মহিলাদের ওপর হামলা হচ্ছে। আরজি করে মহিলার মৃতদেহের ময়নাতদন্তের সময় বাড়ির লোককে রাখা হয়নি। যারা অপরাধীদের আড়াল করছে, তারা কোন মুখে বড় বড় কথা বলে?” বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি বলেন, “আজ নাটক করছে, ফাঁসির আইন আনবে। কে অধিকার দিয়েছে আইন করার? এই নাটক বন্ধ করুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।” রবিবার বিকেলে হাওড়া থানা ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে বিজেপি। এদিন হাওড়া থানায় এসেছিলেন দিলীপও (Dilip Ghosh)। তিনি অবশ্য এসেছিলেন নবান্ন অভিযানে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া বিক্ষোভকারীদের দেখতে। হাওড়া হাসপাতালের ঘটনা প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, “গত ১২ বছর ধরে একজনই সুপারের পদে বসে রয়েছেন। এটা কীভাবে সম্ভব? নাবালিকাকে সিটি স্ক্যান করতে ভেতরে নিয়ে যাওয়া হল। অথচ সেখানে কোনও মহিলা কর্মী ছিলেন না!”

    আরও পড়ুন: ‘বাইরে অপরাধীরা, ভয়ে নির্যাতিতারা’, ধর্ষণের মামলার বিলম্ব নিয়ে সরব রাষ্ট্রপতি

    আইওয়াশের চেষ্টা রাজ্য সরকারের!

    প্রশ্ন হল, কেন ধর্ষণ-বিরোধী যে বিল বিধানসভায় আনা হচ্ছে, তাকে নাটক বললেন দিলীপ? রাজনৈতিক মহলের মতে, নিছক আইওয়াশ করতেই বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন ডেকে আরজি করকাণ্ডে উদ্ভুত পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই চেষ্টা তিনি আগেও করেছেন। চিকিৎসক খুনের পরে পরেই ধর্ষকের শাস্তির দাবিতে পথে নেমে পড়েছিলেন তিনি। এবার আনতে চলেছেন বিল। অথচ, দেশের নয়া আইনেই ধর্ষককে কড়া শাস্তি দেওয়ার সংস্থান রয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং।

    দিন দুই আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অন্নপূর্ণ দেবী জানিয়েছিলেন, রাজ্যে একাধিক অতিরিক্তি ফাস্ট ট্র্যাক স্পেশাল কোর্ট চালু হয়নি। মন্ত্রীর দাবি, তার জেরে বকেয়া রয়েছে ধর্ষণ ও পকসো সংক্রান্ত কয়েক হাজার মামলা। সে সব ব্যাপারে কোনও উদ্যোগ না নিয়েই বিশেষ অধিবেশন ডেকে মমতা যে ‘নাটক’ করছেন, দিলীপ (Dilip Ghosh) তাঁকেই কটাক্ষ করেছেন (RG Kar Incident) বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশেষজ্ঞ নন, লাল জামা পরা ব্যক্তি অভীক দে-ই! পুলিশের দাবি খারিজ আইএমএ-র

    RG Kar Incident: ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশেষজ্ঞ নন, লাল জামা পরা ব্যক্তি অভীক দে-ই! পুলিশের দাবি খারিজ আইএমএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যালে (RG Kar Incident) চিকিৎসকের দেহ উদ্ধারের দিন সেমিনার হলে কারা ছিলেন? বারবার ফিরে আসছে এই প্রশ্ন। তথ্য প্রোমাণ লোপাটের চেষ্টায় সেদিন কী সেমিনার রুমে জড়ো হয়েছিল অনেক মাথা, এমন প্রশ্নও উঠছে। আরজি কর মেডিক্যালের সেমিনার হলে লাল জামা পরা ব্যক্তি এসএসকেএম মেডিক্যাল কলেজের সার্জারি বিভাগের প্রথম বর্ষের পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনি অভীক দে। নিজেদের দাবিতে অনড় রয়েছে আইএমএ-র রাজ্য শাখা। যদিও ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (IMA) পশ্চিমবঙ্গ শাখার দাবি খারিজ করে লালবাজার সূত্রে খবর, ওই ব্যক্তি কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশেষজ্ঞ আনিসুর রহমান। চুলের ধরন দেখে আনিসুরকে অভীক বলে মনে হচ্ছে বলে পুলিশের সূত্র উদ্ধৃত করে ওই রিপোর্টে জানানো হয়েছে। 

    কী বলছে আইএমএ

    কলকাতা পুলিশের দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে চিকিৎসকদের সংগঠন ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন। পাশাপাশি, এই বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করার জন্য কলকাতা পুলিশকে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে চিকিৎসকদের সংগঠন। প্রাথমিকভাবে আএএমএ-র দাবি খারিজ করলেও, এবিষয়ে নতুন করে আর কোনও বক্তব্য মেলেনি কলকাতা পুলিশের তরফে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তারা লিখেছে, ‘আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে পারি ওই ব্যক্তি অভীক দে। ৪১ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও কলকাতা পুলিশ বলেনি, লাল জামা পরা ব্যক্তি অভীক দে নন। অভীক দে নিজেও সামনে এসে সেমিনার হলে থাকার কথা অস্বীকার করেননি।’ আইএমএ বেঙ্গল অ্যাকশন কমিটির সদস্য অভীক ঘোষ বলেন, মানুষের কাছে এটা খুব পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে যে, সেদিনকে আরজি করে ক্রাইম সিনে ঘটনা ঘটার পর বহু মানুষ ঢুকেছেন। বহু মানুষ ঢোকার জন্য নিশ্চিতভাবে সেখানে তথ্যপ্রমাণ বিকৃতি হতে বাধ্য।

    পুলিশের দাবি

    গত শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়ায় দুটি ছবি ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল। তাতে দাবি করা হয়েছিল যে আরজি কর (RG Kar Incident) মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের সেমিনার হলের মধ্যে ওই ছবি তোলা হয়েছে। সাদা চাদর দিয়ে ঘেরা অংশের মধ্যেই তরুণী চিকিৎসকের (স্নাতকোত্তরের দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়া) দেহ ছিল। সেই পরিস্থিতিতে ‘ক্রাইম সিন’-এ এত লোকজন ছিলেন কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। পরবর্তীতে কলকাতা পুলিশের তরফে সাংবাদিক বৈঠক করে দাবি করা হয় যে ওই দুটি ছবিতে যাঁদের যাঁদের দেখা গিয়েছে, তাঁদের সকলেই পুলিশ বা ফরেন্সিক বিভাগের প্রতিনিধি। তাঁরা কেউ বহিরাগত নন। তবে দ্বিতীয় ছবিতে লাল জামা পরিহিত এক ব্যক্তিকে নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। পুলিশের তরফে দাবি করা হয় যে ওই ব্যক্তি হলেন ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশেষজ্ঞ। যাঁর মাথায় মধ্যবর্তী অংশে টাক ছিল।

    আরও পড়ুন: ‘বাইরে অপরাধীরা, ভয়ে নির্যাতিতারা’, ধর্ষণের মামলার বিলম্ব নিয়ে সরব রাষ্ট্রপতি

    অভীক দে-এর পরিচয়

    অভিযোগ উঠেছে, স্বাস্থ্যক্ষেত্রে যে সিন্ডিকেট আছে, সেটা চালায় ‘উত্তরবঙ্গ লবি’। আর অভীক সেই লবির অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি। ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের পশ্চিমবঙ্গ শাখার দাবি, যেভাবে স্নাতকোত্তর কোর্সে ভর্তি হয়েছিলেন অভীক, তা নিয়েও অনেক বিতর্ক আছে। সার্ভিস কোটায় যাতে ভর্তি হতে পারেন, সেজন্য তাঁকে ভুয়ো সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছিল। অভীক সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ বলেও দাবি করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share