Tag: bangla news

bangla news

  • PM Modi in Bengal: বঙ্গ সফরের আগে বিশেষ বার্তা! রাজ্যে দু’দিন কোথায়, কখন থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি?

    PM Modi in Bengal: বঙ্গ সফরের আগে বিশেষ বার্তা! রাজ্যে দু’দিন কোথায়, কখন থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের বঙ্গ সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ১৭ তারিখ মালদহ ও ১৮ তারিখ হুগলির সিঙ্গুরে একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Bengal)। কোটি কোটি টাকার রেল প্রকল্পের সূচনা করবেন মোদি। যা ভারত তথা বাংলার রেল মানচিত্রে নিয়ে আসবে বড় বদল। নিজের সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে বাংলায় আসা নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। জানিয়েছেন, কেবল মালদায় ৩,২৫০ কোটিরও বেশি টাকার উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন কিংবা শিলান্যাস হবে। হাওড়া ও গুয়াহাটির মধ্যে প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের শুভ সূচনা করা হবে।

    বঙ্গ সফরের আগে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

    নিজের পোস্টে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Bengal) লেখেন, “পশ্চিমবঙ্গে রেল পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাই আগামীকালের অনুষ্ঠানে বালুরঘাট–হিলি নতুন রেললাইন, নিউ জলপাইগুড়িতে অত্যাধুনিক মালবাহী ট্রেনের রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র, শিলিগুড়ির লোকো শেডের উন্নয়ন এবং জলপাইগুড়িতে বন্দে ভারত ট্রেনের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলির শিলান্যাস করা হবে।” পাশাপাশি, ৪টি নতুন অমৃত ভারত ট্রেনেরও শুভ সূচনা করা হবে বলেও জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ১২টা ৪৫ মিনিট নাগাদ মালদা স্টেশনে দেশের প্রথম হাওড়া-কামাখ্যা বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি ভার্চুয়ালি গুয়াহাটি (কামাখ্যা)–হাওড়া বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনটিরও উদ্বোধন করবেন। এর পর পৌনে ২টো নাগাদ সাহাপুর মালদা বাইপাস সংলগ্ন মাঠে মোদির সভা রয়েছে। সেখানে ৩,২৫০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের একাধিক রেল ও সড়ক পরিকাঠামো প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন তিনি। ধূপগুড়ি-ফালাকাটা (৩১ডি) জাতীয় সড়কের কিছু অংশের সংস্কার ও চার লেনের শিলান্যাস করবেন মোদি। যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহনের যাতায়াত আরও সহজ করে তুলবে এই সংস্কার এবং নতুন চার লেনের রাস্তা।

    সিঙ্গুরে রবিবার

    রবিবার ১৮ তারিখ প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi in Bengal) সরকারি সভা রয়েছে হুগলির সিঙ্গুরে। সেখান থেকে ৮৩০ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। বালাগড়ে বর্ধিত বন্দর গেট সিস্টেমের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এই প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে রোড ওভার ব্রিজও। বিজেপি নেতৃত্বের কথায় ১৭ জানুয়ারি উত্তরবঙ্গের রেল মানচিত্রে ঐতিহাসিক দিন হতে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর আসন্ন রাজ্য সফর সম্পর্কে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলার উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রেখেছেন এবং রেখে চলেছেন। তাঁর এই সফর এই উন্নয়নের যাত্রায় আরও একটি সংযোজন। বাংলার জনগণের উপকারের জন্য তিনি ধারাবাহিক অবদান রেখে চলেছেন।”

    প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বার্তা

    শুধু প্রকল্প উদ্বোধনই আসন্ন বিধানসভা ভোটের আগে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াইতেও অংশ নেবেন বলে হুঙ্কার দিয়ে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তাঁর মতে, রাজ্যের সাধারণ মানুষ তৃণমূলকে নিয়ে তিতিবিরক্ত। তাঁরা চায় উন্নয়নমুখী বিজেপি সরকার। নিজের পোস্টে এই বিষয়টা স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Bengal)। তিনি লেখেন, ‘আগামীকাল বিজেপির সমাবেশে আমি মালদা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষের কাছে যাওয়ার সুযোগের অপেক্ষায় আছি। প্রতিদিনই তৃণমূলের অপশাসনের কোনও না কোনও নতুন উদাহরণ সামনে আসছে। তৃণমূলের শাসনে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ তিতিবিরক্ত এবং এই সরকারকে প্রত্যাখ্যান করতে তাঁরা প্রস্তুত। মানুষ চায় উন্নয়নমুখী বিজেপি সরকার।’

  • Indian Medicines: পাকিস্তানি নয়, আফগানিস্তানে ব্যাপক চাহিদা ভারতীয় ওষুধের

    Indian Medicines: পাকিস্তানি নয়, আফগানিস্তানে ব্যাপক চাহিদা ভারতীয় ওষুধের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানি (Pakistani Drugs) নয়, আফগানিস্তানের মেডিসিন বাজারে ব্যাপক চাহিদা ভারতীয় ওষুধের (Indian Medicines)। এক আফগান ব্লগার যিনি এক্স হ্যান্ডেলে ফজল আফগান নামে পরিচিত, আফগানিস্তানে ওষুধ কেনার অভিজ্ঞতা নিয়ে লিখেছেন। তিনি জানান, তিনি যখন প্যারল কিনতে যাচ্ছিলেন (এটি পাকিস্তান ও তুরস্কে প্রচলিত একটি প্যারাসিটামল ব্র্যান্ড), তখন ফার্মাসিস্ট তাঁকে জানান, একই ধরনের ওষুধ একটি ভারতীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থার কাছ থেকে পাওয়া যাবে, যার দাম অন্তত চার গুণ কম।

    ভারতীয় ওষুধের গুণাবলী (Indian Medicines)

    ফজল প্রথমে তুরস্কে তৈরি প্যারাসিটামলই চাইছিলেন, কারণ তিনি এর মানের ওপর আস্থা রাখতেন। তিনি লেখেন, “১০টি ট্যাবলেটের একটি প্যাকেটের দাম ৪০ আফগানি। এরপর দোকানদার আমাকে আর একটি বিকল্প দেখালেন, ভারতে তৈরি প্যারাসিটামল। পরিমাণ একই, কিন্তু দাম মাত্র ১০ আফগানি। তিনি আরও বললেন, ভারতীয় ওষুধ নাকি অন্যগুলোর তুলনায় ভালো কাজ করে।” দাম কম হওয়ায় তিনি সঙ্গে সঙ্গে ভারতীয় ট্যাবলেটটি কিনে নেন এবং লেখেন, সেটি খুব দ্রুত তাঁর মাথাব্যথা সারিয়ে দিয়েছে। এরপরেই তিনি মন্তব্য করেন, “ভারতীয় ওষুধ ধীরে (Pakistani Drugs) ধীরে আফগানিস্তানে পাকিস্তানি ওষুধের জায়গা নিচ্ছে (Indian Medicines)।” দুই দেশের মধ্যে একের পর এক সংঘর্ষের পর আফগান ওষুধ বাজারে পাকিস্তানের অংশ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে। যদিও ২০২৪ সাল থেকেই এই অংশ কমছিল, তবে ২০২৫ সালের অক্টোবর–নভেম্বরে সাম্প্রতিক সংঘর্ষের পর আফগানিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী আবদুল গনি বরাদর পাকিস্তানি ওষুধের নিম্নমানের অভিযোগ তুলে তাৎক্ষণিক নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেন। তিনি ব্যবসায়ীদের ভারত, ইরান ও মধ্য এশিয়া থেকে বিকল্প উৎস খোঁজার আহ্বান জানান।

    আফগানিস্তানে ভারতীয় ওষুধ রফতানি

    একই সময়ে আফগানিস্তানে ভারতীয় ওষুধ রফতানি দ্রুত বেড়ে গিয়েছে। ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে ভারত কাবুলে ১০.৮ কোটি ডলারের ওষুধ পাঠিয়েছিল। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের বাকি সময়জুড়ে আরও প্রায় ১০ কোটি ডলারের ওষুধ রফতানি করা হয়েছে। স্থলবেষ্টিত দেশ হওয়ায় এবং নিজস্ব স্বাস্থ্যখাত দুর্বল থাকায় আফগানিস্তান চিরকালই মৌলিক চিকিৎসা সরঞ্জামের জন্য পাকিস্তানের ওপর নির্ভরশীল ছিল (Indian Medicines)। ২০২৫ সালের নভেম্বরের আগে পর্যন্ত পাকিস্তানই ছিল আফগানিস্তানের প্রধান ওষুধ সরবরাহকারী দেশ (Pakistani Drugs)। ভৌগোলিক নৈকট্য এবং তোরখাম ও চামান সীমান্ত দিয়ে স্বল্প খরচে স্থলপথে পরিবহণের সুবিধা পাকিস্তানকে বাড়তি সুবিধা দিয়েছিল। উল্লেখ্য যে, আফগানিস্তানে ওষুধ উৎপাদন প্রায় নেই বললেই চলে। দেশটি তার মোট চাহিদার ৮৫ থেকে ৯৬ শতাংশ ওষুধ আমদানি করে।

    রাষ্ট্রসংঘের ইউএম কমট্রেডের তথ্য

    ট্রেডিং ইকোনমিকসের মাধ্যমে প্রাপ্ত রাষ্ট্রসংঘের ইউএম কমট্রেডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে পাকিস্তান আফগানিস্তানে ১৮.৬  কোটি ডলার মূল্যের ওষুধ রফতানি করে। বিজনেস রেকর্ডারের হিসেবে, ২০২৩ সালে এই রফতানির পরিমাণ ছিল ১১.২৮ কোটি মার্কিন ডলার (Indian Medicines)। তালিবান প্রশাসনের তরফে নুরুল্লাহ নুরি জানান, ২০২৫ সালের নভেম্বরের আগে আফগানিস্তানে ব্যবহৃত ওষুধের ৭০ শতাংশেরও বেশি পাকিস্তান থেকে আসত (Pakistani Drugs)। এই নির্ভরতা বহু দশকের পুরোনো। ২০০১ সালের পর যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিকাঠামো, মান নিয়ন্ত্রণের অভাব এবং পরীক্ষাগারের সঙ্কট পাকিস্তানি আমদানিকে সবচেয়ে সহজ ও সাশ্রয়ী বিকল্প করে তুলেছিল। তবে একাধিক সীমান্ত সংঘর্ষের পর গত বছর আফগান ব্যবসায়ীদের জন্য তোরখাম ও চামান সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং তালিবান সরকার পাকিস্তানি ওষুধের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এর ফলে দেশে ওষুধের বিরাট সঙ্কট দেখা দেয়। ডয়চে ভেলের (DW) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যান্টিবায়োটিক, ইনসুলিন ও হৃদরোগের ওষুধের ঘাটতি দেখা দেয়। অনেক ফার্মাসিস্ট অতিরিক্ত দাম নেয় কিংবা নকল ওষুধ বিক্রি করে।

    আফগানিস্তানে ওষুধের সঙ্কট

    ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে, যখন আফগানিস্তানে ওষুধের সঙ্কট প্রকট হতে শুরু করে, তখন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ঘোষণা করেন যে, ৭৩ টন জীবনরক্ষাকারী ওষুধ বিমানযোগে কাবুলে পাঠানো হচ্ছে। এটি আফগানিস্তানে ভারতের প্রথম চিকিৎসা সহায়তা নয়। গত বছরের এপ্রিলে ভারত জলাতঙ্ক ও হেপাটাইটিস-বি রোগের টিকা, ছ’টি জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জাম-সজ্জিত অ্যাম্বুল্যান্স এবং একটি আধুনিক ১২৮-স্লাইস সিটি স্ক্যানার পাঠিয়েছিল (Indian Medicines)। এরও আগে, ২০২২ সালে আফগানিস্তানে ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর ভারত পাঠিয়েছিল ১৩ টন চিকিৎসা সামগ্রী, যার মধ্যে ছিল পাঁচ লক্ষ কোভিড টিকাও। ভারতের সহায়তা শুধু জরুরি ওষুধ পাঠানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। গত চার বছরে ভারত ৩২৭ টন চিকিৎসা সামগ্রী দিয়েছে এবং পাকতিয়া, খোস্ত ও পাকতিকায় পাঁচটি মাতৃসদন ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং কাবুলে একটি ৩০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে।

    ওষুধ রফতানির পরিমাণ

    এছাড়া কাবুলে একটি অঙ্কোলজি সেন্টার, ট্রমা সেন্টার, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও থ্যালাসেমিয়া সেন্টার নির্মাণ ও আধুনিকীকরণের কাজও হাতে নেওয়া হচ্ছে। আফগানিস্তানের রেডিওথেরাপি মেশিন ও অতিরিক্ত চিকিৎসা সামগ্রীর অনুরোধও বিবেচনাধীন (Pakistani Drugs)। ভারত-আফগান সম্পর্কের এই উন্নতি হয় ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা ও আফগান জনস্বাস্থ্যমন্ত্রী মাওলভি নুর জালাল জালালির বৈঠকের পর। ভারত শীঘ্রই প্রবীণ ভারতীয় চিকিৎসকদের একটি দল পাঠানোর পরিকল্পনা করছে, যারা আফগানিস্তানে মেডিক্যাল ক্যাম্প চালাবে এবং স্থানীয় চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দেবে। গত বছরের জুনে আয়োজিত এক মেডিক্যাল ক্যাম্পে ৭৫ জন আফগান রোগীর শরীরে কৃত্রিম অঙ্গ সংযোজন করা হয়েছিল। ১৯৬৯ সালে ভারতীয় অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত ৪০০ শয্যার ইন্দিরা গান্ধী শিশু হাসপাতাল আজও চালু রয়েছে, যেখানে আফগানিস্তানের প্রথম সেরিব্রাল পালসি কেন্দ্র রয়েছে (Indian Medicines)।  বর্তমানে আফগানিস্তানে ভারতের ওষুধ রফতানির পরিমাণ প্রায় ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা দেশটির ওষুধ বাজারের ১২–১৫ শতাংশ দখল করেছে। আগে যেখানে পাকিস্তানের অংশ ছিল ৩৫–৪০ শতাংশ।

    পাকিস্তানি ওষুধ বিক্রি বন্ধ

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানি ওষুধ বিক্রি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভারত ভবিষ্যতে ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি ওষুধ রফতানি করতে পারে। ভারতীয় ওষুধ সংস্থাগুলি শুধু বিক্রি করেই থেমে নেই। ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে দুবাইয়ে ভারতীয় সংস্থা জাইডাস লাইফসায়েন্সেস আফগানিস্তানের রফিস ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপের সঙ্গে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি মউ (MoU) সই করে। প্রথমে রফতানির ওপর জোর দেওয়া হলেও, ভবিষ্যতে প্রযুক্তি হস্তান্তর, আফগানিস্তানে জাইডাসের প্রতিনিধি দফতর এবং স্থানীয় উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে আমদানির ওপর নির্ভরতা কমে (Pakistani Drugs)। তালিবান কর্তারা আর এক ভারতীয় সংস্থা ফার্মেক্সিলের সঙ্গেও যৌথ বিনিয়োগ, উৎপাদন কেন্দ্র ও গবেষণাগার স্থাপন নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছেন (Indian Medicines)। সব মিলিয়ে, আফগান ব্লগারের তুর্কি ও পাকিস্তানি ব্র্যান্ডের বদলে সস্তা ভারতীয় ব্যথানাশক বেছে নেওয়া আসলে আফগানিস্তানের ওষুধ সরবরাহ ব্যবস্থায় এক বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।

     

  • 114 Rafale Jets: ৩.২৫ লক্ষ কোটি টাকার রাফাল চুক্তিতে সম্মতি প্রতিরক্ষা ক্রয় বোর্ডের, আগামী মাসে মাক্রঁর ভারত সফরে সই?

    114 Rafale Jets: ৩.২৫ লক্ষ কোটি টাকার রাফাল চুক্তিতে সম্মতি প্রতিরক্ষা ক্রয় বোর্ডের, আগামী মাসে মাক্রঁর ভারত সফরে সই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্স থেকে ১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার প্রকল্প বাস্তবায়ন করার বিষয়ে একধাপ এগলো ভারত। শুক্রবার এই প্রস্তাবে ছাড়পত্র দিয়েছে প্রতিরক্ষা ক্রয় বোর্ড (ডিফেন্স প্রোকিউরমেন্ট বোর্ড বা ডিপিবি)। এখন প্রস্তাবটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সভাপতিত্বে থাকা ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিলের (ডিএসি) সামনে অনুমোদনের জন্য পেশ করা হবে। এরপর খরচ সংক্রান্ত দরকষাকষি সম্পন্ন করা হবে এবং শেষপর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটির (সিসিএস) চূড়ান্ত অনুমোদন নেওয়া হবে। প্রস্তাবিত এই চুক্তির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। প্রস্তাবটি চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে এটি হবে ভারতের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ প্রতিরক্ষা চুক্তি। এই চুক্তির মাধ্যমে ভারতীয় সামরিক বাহিনীতে রাফাল যুদ্ধবিমানের মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ১৭৫। বর্তমানে ভারতীয় বায়ুসেনার কাছে ৩৫টি রাফাল রয়েছে এবং নৌবাহিনী ইতিমধ্যেই ২৬টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার অর্ডার দিয়েছে।

    ফেব্রুয়ারিতে মাক্রঁর সফরে চুক্তি স্বাক্ষর?

    প্রতিরক্ষা সূত্র জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারি মাসে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁর ভারত সফরের সময় ভারত ও ফ্রান্সের মধ্যে রাফাল চুক্তিতে সই হতে পারে। ১৬ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে অংশ নেবেন মাক্রঁ। একইসঙ্গে, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তাঁর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা। এই সময়কালেই দুই দেশের মধ্যে চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চুক্তিটি যদি ২০২৭ সালের শুরুতে স্বাক্ষরিত হয়, তবে ২০৩০ সাল থেকে প্রথম ১৮টি রাফাল যুদ্ধবিমান ‘ফ্লাই-অ্যাওয়ে’ অবস্থায় ভারতকে সরবরাহ করবে ফ্রান্স। প্রস্তাবে ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য ১২ থেকে ১৮টি প্রস্তুত রাফাল সরাসরি কেনার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। বাকি বিমানগুলি ভারতে নির্মাণ করা হবে, যেখানে প্রায় ৩০ শতাংশ দেশীয় উপাদান ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।

    ‘নন-নেগোশিয়েবল ক্লজ’ ভারতের

    ফরাসি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বড় চুক্তির কথ মাথায় রেখে ভারত ফরাসি বিমান নির্মাতা সংস্থা দাসো অ্যাভিয়েশনের জন্য বেশ কয়েকটি ‘নন-নেগোশিয়েবল ক্লজ’ বা আপসহীন শর্ত নির্ধারণ করেছে। শর্তগুলির মধ্যে রয়েছে—১১৪টি যুদ্ধবিমানের প্রতিটিতে ভারতীয় অস্ত্র, ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদের সংযোজন; পাশাপাশি বিমান প্রস্তুতকারক সংস্থাকে এমন সুরক্ষিত ডেটা লিঙ্ক সরবরাহ করতে হবে, যার মাধ্যমে ভারতীয় রেডার ও সেন্সরের সঙ্গে ডিজিটালভাবে যুদ্ধবিমানগুলিকে সংযুক্ত করা যাবে এবং সেই তথ্য ও ছবি গ্রাউন্ড কন্ট্রোল সেন্টারগুলিতে পাঠানো সম্ভব হবে। এর ফলে, রাফাল যুদ্ধবিমানের এভিওনিক্স ও রেডার এবং উইপন সিস্টেমে একাধিক বদল করতে হবে বিমান নির্মাণকারী ফরাসি সংস্থাকে। তবে বিমানের সোর্স কোড ফরাসি পক্ষের কাছেই থাকবে বলে সূত্রের দাবি। এছাড়াও দাসো এভিয়েশন এয়ারফ্রেম নির্মাণের জন্য প্রযুক্তি হস্তান্তর করবে। এই প্রযুক্তি হস্তান্তর প্রক্রিয়ার জন্য ইঞ্জিন নির্মাতা সাফরান এবং অ্যাভিওনিক্স সরবরাহকারী থ্যালেসের মতো সংস্থাগুলিও রাফাল-চুক্তিতে অংশ নেবে।

    ৯০টি রাফাল এফ-৪, ২৪টি এফ-৫ সংস্করণ!

    জানা যাচ্ছে, চুক্তির প্রথম পর্যায়ে ভারত স্বল্প ও মধ্যমেয়াদে ৯০টি নতুন রাফালের আপগ্রেডেড এফ-৪ সংস্করণ যুদ্ধবিমান পাবে। একইসঙ্গে ভারতীয় বায়ুসেনার বহরে থাকা এফ-৩আর সংস্করণের ৩৫টি রাফালকে এফ-৪ সংস্করণের মানে উন্নীত করবে ফ্রান্স। এই আপগ্রেডের মধ্যে রয়েছে পরবর্তী প্রজন্মের অ্যাক্টিভ ইলেকট্রনিক্যালি স্ক্যানড অ্যারে (AESA) রেডার, যা আরও দীর্ঘ দূরত্বে লক্ষ্য শনাক্ত করতে সক্ষম এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধের বিরুদ্ধে বেশি প্রতিরোধশক্তি দেবে। এতে নতুন বিপদ শনাক্ত ও প্রতিহত করার জন্য উন্নত আত্মসুরক্ষা ব্যবস্থা থাকবে। এই আপগ্রেড ফরাসি বায়ুসেনা ও নৌবাহিনীর রাফাল বিমানের আপগ্রেডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। এই সক্ষমতার আওতায় থাকবে আরও উন্নত দীর্ঘ-পাল্লার সনাক্তকরণ ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে অনেক দূর থেকেই শত্রুকে চিহ্নিত করা সম্ভব হবে এবং তাকে ধ্বংস করতে অধিক দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা যাবে। পাশাপাশি এই যুদ্ধবিমানে উন্নত স্যাটেলাইট লিঙ্ক যুক্ত করা হবে এবং পাইলটের সামনে আরও ভালোভাবে পরিস্থিতি তুলে ধরা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) অ্যালগরিদমও অন্তর্ভুক্ত করা হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদে ২৪টি রাফাল (সর্বাধুনিক) এফ-৫ সংস্করণ যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা রয়েছে, যা সম্পূর্ণভাবে দাসো অ্যাভিয়েশন তৈরি করবে ফ্রান্সেই।

    রাফাল ও সু-৫৭ ভিন্ন প্রকল্পের আওতায়!

    প্রতিবেদন বলছে, সাধারণত ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পে এই হার ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ হয়ে থাকে। কিন্তু, এই চুক্তিতে দেশীয় উপাদানের পরিমাণ প্রায় ৩০ শতাংশতেই সীমাবদ্ধ থাকবে। তা সত্ত্বেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া ভারতকে যথাক্রমে তাদের পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান এফ-৩৫ এবং সু-৫৭ যুদ্ধবিমান দেওয়ার প্রস্তাব করলেও ভারত রাফাল চুক্তির দিকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তবে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, সু-৫৭ প্রস্তাবের সঙ্গে এই রাফাল চুক্তি গুলিয়ে ফেললে চলবে না। কারণ, দুটি ভিন্ন।একটি অন্যটির বিকল্প নয়।
    তাঁদের মতে, মাল্টি-রোল ফাইটার এয়ারক্রাফ্ট (MRFA) কর্মসূচির অধীনে ভারতীয় বায়ুসেনা চতুর্থ প্রজন্মের অতিরিক্ত রাফাল যুদ্ধবিমান সংগ্রহের প্রস্তাব দিয়েছে। অন্যদিকে, দেশীয় পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান অ্যাডভান্সড মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্রাফ্ট (AMCA)-এর অন্তত একটি স্কোয়াড্রন অন্তর্ভুক্ত না হওয়া পর্যন্ত কার্যকরী ঘাটতি পূরণে সরকারকে দুই থেকে তিনটি স্কোয়াড্রন পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ যুদ্ধবিমান সংগ্রহের প্রস্তাবও দিয়েছে বায়ুসেনা। সেখানে বিবেচনার মধ্যে রয়েছে রুশ সু-৫৭।

    সিসিএস-এর ছাড়পত্র মিললেই সবুজ সঙ্কেত

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের একটি সূত্র জানিয়েছে, “ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য ১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার স্টেটমেন্ট অফ কেস (SoC) কয়েক মাস আগেই মন্ত্রকের কাছে জমা দিয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অনুমোদনের পর প্রস্তাবটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি (CCS)-এর কাছে পাঠানো হবে।” রাফালের সাম্প্রতিক কার্যকারিতা এই প্রস্তাবকে এগিয়ে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে। ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অভিযানে রাফাল যুদ্ধবিমান স্পেকট্রা ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্যুটের মাধ্যমে চিনা পিএল-১৫ আকাশ-থেকে-আকাশ ক্ষেপণাস্ত্রের সফলভাবে মোকাবিলা করেছে।

    এদিকে, ফরাসি পক্ষ হায়দরাবাদে রাফাল বিমানে ব্যবহৃত এম-৮৮ ইঞ্জিনের জন্য একটি মেইনটেন্যান্স, রিপেয়ার ও ওভারহল (MRO) কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা করছে। দাসো অ্যাভিয়েশন ইতিমধ্যেই যুদ্ধবিমানের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একটি সংস্থা গঠন করেছে। টাটা-সহ একাধিক ভারতীয় এয়ারোস্পেস সংস্থাও এই প্রকল্পে যুক্ত হতে পারে। ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ভারতীয় বায়ুসেনা দ্রুত নতুন যুদ্ধবিমান অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজন অনুভব করছে। ভবিষ্যতে বায়ুসেনার ফাইটার ফোর্স স্ট্রাকচার মূলত সুখোই-৩০এমকেআই, রাফাল এবং দেশীয় যুদ্ধবিমান প্রকল্পের উপর নির্ভর করবে। ভারত ইতিমধ্যেই ১৮০টি এলসিএ তেজস মার্ক ১এ যুদ্ধবিমানের অর্ডার দিয়েছে এবং ২০৩৫ সালের পর বড় সংখ্যায় দেশীয় পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান অ্যামকাও অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছে।

  • Daily Horoscope 17 January 2026: মানসিক শান্তি পাবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 17 January 2026: মানসিক শান্তি পাবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) নতুন কাজের প্রস্তাব আসতে পারে।

    ২) তাড়াহুড়ো করবেন না কোনও কাজে।

    ৩) ধৈর্য্য ধরুন।

    বৃষ

    ১) কাউকে কটূ কথা বলবেন না।

    ২) বিনিয়োগের জন্য শুভ দিন।

    ৩) শরীরের দিকে নজর দিন।

    মিথুন

    ১) স্বাস্থ্যগত কারণে কাজে বাধা পড়বে।

    ২) নিজের যত্ন নেওয়া আবশ্যক।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    কর্কট

    ১) পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মনোমালিন্য এড়িয়ে চলুন।

    ২) নেতিবাচক চিন্তা রাখবেন না।

    ৩) বিরোধীদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

    সিংহ

    ১) কোনও দরকারি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

    ২) বিনিয়োগ করা আপনার পক্ষে ভালো হবে।

    ৩) শুভ কাজে অংশ নিতে পারেন।

    কন্যা

    ১)  ভালো ডায়েট চার্ট ফলো করুন।

    ২) পরিবারের লোকেদের কথা শুনে চলুন।

    ৩)  সহকর্মীর কাছে আপনার অনুভূতি প্রকাশ করতে পারেন।

    তুলা

    ১)  শেয়ার বাজারের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের লাভের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) মায়ের চোখ সংক্রান্ত কিছু সমস্যা হতে পারে।

    ৩) শ্বশুরবাড়ির কাছ থেকে আর্থিক সুবিধে পেতে পারেন।

    বৃশ্চিক

    ১) সামাজিক ক্ষেত্রে পরিবেশ অনুকূল থাকবে।

    ২) রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা নতুন পদ পেতে পারেন।

    ৩) জীবনের চাহিদার প্রতি পূর্ণ মনোযোগ দিতে হবে।

    ধনু

    ১) আগামীকাল আধ্যাত্মিক কাজে যুক্ত হতে পারেন।

    ২) ধর্মীয় স্থানে যেতে পারেন।

    ৩) মানসিক শান্তি পাবেন।

    মকর

    ১) দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

    ২) মায়ের সঙ্গে মনোমালিন্য।

    ৩) পুরনো বন্ধু অনেকদিন পর দেখা করতে আসতে পারেন।

    কুম্ভ

    ১) আজকের দিনটি ক্ষতিকর হতে পারে।

    ২)  স্বেচ্ছাচারী আচরণের জন্য ক্ষতির আশঙ্কা আছে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে কেউ আপনার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করতে পারে।

    মীন

    ১) আনন্দদায়ক পরিবেশ থাকবে বাড়িতে।

    ২) সারপ্রাইজ পার্টির আয়োজন করতে পারেন।

    ৩) স্ত্রীর কাছ থেকে সব বিষয়ে সমর্থন পাবেন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 559: “দয়া করে তাঁকে দেখবেন চলুন, এখানকার কথা কিছু শুনে নাই?”

    Ramakrishna 559: “দয়া করে তাঁকে দেখবেন চলুন, এখানকার কথা কিছু শুনে নাই?”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    নবম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ৩১শে অগস্ট
    দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে জন্মাষ্টমীদিবসে ভক্তসঙ্গে
    সুবোধের আগমন—পূর্ণ মাস্টার, গঙ্গাধর, ক্ষীরোদ, নিতাই

    পত্রখানি হাতে করে মুড়ে টিপে বলিতেছেন, “অন্যের চিঠি ছুঁতে পারি না; এর বেশ ভাল চিঠি।”

    সেই রাত্রে একটু শুইয়াছেন। হঠাৎ গায়ে ঘাম শয্যা হইতে উঠিয়া বলিতেছেন (Kathamrita), “আমার বোধ হচ্ছে, এ-অসুখ সারবে না।”

    এই কথা শুনিয়া ভক্তেরা সকলেই চিন্তিত হইয়াছেন।

    শ্রীশ্রীমা (Ramakrishna) ঠাকুরের সেবা করিবার জন্য আসিয়াছেন ও অতি নিভৃতে নবতে বাস করেন। নবতে তিনি যে আছেন, ভক্তেরা প্রায় কেহ জানিতেন না। একটি ভক্ত স্ত্রীলোক (গোলাপ মা)-ও কয়দিন নবতে আছেন। তিনি ঠাকুরের ঘরে প্রায় আসেন ও দর্শন করেন।

    আজ সোমবার। ঠাকুর অসুস্থ রহিয়াছেন। রাত প্রায় আটটা হইয়াছে। ঠাকুর ছোট খাটটিতে পেছন ফিরিয়া দক্ষিণদিকে শিয়র করিয়া শুইয়া আছেন। গঙ্গাধর সন্ধ্যার পর কলিকাতা হইতে মাস্টারের সহিত আসিয়াছেন। তিনি তাঁহার চরণপ্রান্তে বসিয়া আছেন। ঠাকুর মাস্টারের সহিত কথা কহিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—দুটি ছেলে এসেছিল। শঙ্কর ঘোষের নাতির ছেলে (সুবোধ) আর একটি তাদের পাড়ার ছেলে (ক্ষীরোদ)। বেশ ছেলে দুটি। তাদের বললাম, আমার এখন অসুখ, তোমার কাছে গিয়ে উপদেশ নিতে। তুমি একটু যত্ন করো।

    মাস্টার—আজ্ঞা, হাঁ, আমাদের পাড়ায় তাদের বাড়ি।

    অসুখের সূত্রপাত—ভগবান ডাক্তার—নিতাই ডাক্তার 

    শ্রীরামকৃষ্ণ—সেদিন আবার গায়ে দিয়ে ঘুম ভেঙে গিছল। এ অসুখটা কি হল!

    মাস্টার—আজ্ঞা, আমরা একবার ভগবান রুদ্রকে দেখাব, ঠিক করেছি। এম. ডি. পাশ করা। খুব ভাল ডাক্তার।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—কত নেবে? মাস্টার—অন্য জায়গা হলে কুড়ি-পঁচিশ টাকা নিত।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— তবে থাক।

    মাস্টার—আজ্ঞা, আমরা হদ্দ চার-পাঁচ টাকা দেব।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — আচ্ছা, এইরকম করে যদি একবার বলো, ‘দয়া করে তাঁকে দেখবেন চলুন।’ এখানকার কথা কিছু শুনে নাই?

    মাস্টার — বোধ হয় শুনেছে। একরকম কিছু নেবে না বলেছে তবে আমরা দেব; কেন না, তাহলে আবার আসবে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—নিতাইকে (ডাক্তার) আনো তো সে বরং ভাল। আর ডাক্তাররা এসেই বা কি করছে? কেবল টিপে বাড়িয়ে দেয়।

    রাত নয়টা — ঠাকুর একটু সুজির পায়স খাইতে বসিলেন।

    খাইতে কোন কষ্ট হইল না। তাই আনন্দ করিতে করিতে মাস্টারকে বলিতেছেন, “একটু খেতে পারলাম, মনটায় বেশ আনন্দ হল।”

  • Chhattisgarh: হিন্দু ধর্মে ফিরল ছত্তিশগড়ের ৫০টিরও বেশি পরিবার

    Chhattisgarh: হিন্দু ধর্মে ফিরল ছত্তিশগড়ের ৫০টিরও বেশি পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ধর্মে ফিরলেন ছত্তিশগড়ের ৫০টিরও বেশি পরিবারের মোট ১০৪ জন সদস্য। বৃহস্পতিবার ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) মহাসামুন্দ জেলার সারাইপালিতে স্বামী সুমেধানন্দ বৈদিক গুরুকুলে ওই পরিবারগুলি হিন্দুধর্মে ফিরে আসেন। তাঁদের হিন্দুধর্মে অন্তর্ভুক্ত করতে আয়োজন করা হয়েছিল এক অনুষ্ঠানের। ছত্তিশগড় বিজেপির রাজ্য ইউনিটের সহ-সভাপতি এবং সর্বভারতীয় ‘ঘর ওয়াপসি’ আন্দোলনের পুরোধা প্রবল প্রতাপ সিং জুদেও বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে এবং তাঁদের পা ধুয়ে সনাতন ধর্মে স্বাগত জানান।

    কখনওই বাংলা হতে দেওয়া হবে না (Chhattisgarh)

    অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও এক্স হ্যান্ডেলে  শেয়ার করে প্রবল প্রতাপ লেখেন, “ছত্তিশগড়কে কখনওই বাংলা হতে দেওয়া হবে না! গতকাল সারাইপালির মা রুদ্রেশ্বরীর পবিত্র ভূমিতে আমি ১০৪ জন ধর্মান্তরিত পরিবারের সদস্যের পা ধুয়ে সনাতন ধর্মে ফিরিয়ে এনে ‘ঘর ওয়াপসি’ সম্পন্ন করার সৌভাগ্য অর্জন করেছি।” প্রবল প্রতাপ সতর্ক করে বলেন, “সারা দেশের জনসংখ্যাগত কাঠামো বদলে দেওয়ার একটি ষড়যন্ত্র চলছে।” তিনি বলেন, “ধর্মান্তরের ষড়যন্ত্র ভারতের সামগ্রিক জনসংখ্যাগত ভারসাম্য বদলে দিচ্ছে। ভারতের ৮০০টি জেলার মধ্যে ইতিমধ্যেই ২০০টি জেলায় হিন্দুরা সংখ্যালঘুতে পরিণত হয়েছেন। এটি জাতীয় নিরাপত্তার দৃষ্টিতে অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। দেশের চেয়ে বড় কিছু নেই, দেশকে সুরক্ষিত রাখতে হবে। ধর্মান্তরই আজ দেশের সবচেয়ে বড় হুমকি। হিন্দু জনসংখ্যার এই পরিবর্তন দেশের জন্য এক গভীর সঙ্কট (Chhattisgarh)।”

    আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ

    তিনি এও বলেন, “আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ যে, আমাদের শ্রদ্ধেয় পিতা কুমার দিলীপ সিং জুদেওজি যে ‘জাতি গঠনের ঘর ওয়াপসি আন্দোলন’ শুরু করেছিলেন, আমরা তা আজীবন এগিয়ে নিয়ে যাব।” প্রবল প্রতাপ জানান, এই অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করা হয় মহর্ষি দয়ানন্দ মঠ ধর্মার্থ ট্রাস্ট, সারাইপালি-কাতাংপালিতে অবস্থিত স্বামী সুমেধানন্দ বৈদিক গুরুকুল এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্যোগে। পাঁচদিনব্যাপী ‘সঙ্গীতময় বৈদিক শ্রীরাম কথা ও বিশ্বকল্যাণ মহাযজ্ঞে’র অংশ হিসেবেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল (Chhattisgarh)।

  • BJP: মহারাষ্ট্রের পুরসভা নির্বাচনে জয়জয়কার বিজেপির

    BJP: মহারাষ্ট্রের পুরসভা নির্বাচনে জয়জয়কার বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP)-নেতৃত্বাধীন মহাযুতি জোট ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) পুরসভা নির্বাচনে। শুক্রবার প্রাথমিক ফলে দেখা যাচ্ছে, রাজ্যের ২৯টি পুরনিগমের মধ্যে ২৫টিতেই এগিয়ে রয়েছে এই জোট। বিজেপি, একনাথ শিন্ডের শিবসেনা এবং অজিত পওয়ারের এনসিপি গোষ্ঠীকে নিয়ে গঠিত মহাযুতি রাজ্যজুড়ে ১,৪০০টিরও বেশি আসনে এগিয়ে থেকে বিরোধী মহা বিকাশ আঘাড়ি (এমভিএ)-কে বড় ধাক্কা দিয়েছে।

    বৃহন্মুম্বই পুরনিগম (BJP) 

    মুম্বইয়ের মর্যাদাপূর্ণ বৃহন্মুম্বই পুরনিগমে (বিএমসি)—যা ভারতের সবচেয়ে ধনী পুরসভা এবং যার বার্ষিক বাজেট ৭৪,৪০০ কোটি টাকারও বেশি—মহাযুতি জোট ২২৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার সীমা ১১৪টি আসন অতিক্রম করেছে। বিজেপি এককভাবে সবচেয়ে বড় দল হিসেবে উঠে এসেছে। অন্যদিকে, প্রায় দুই দশক পর একজোট হওয়া ঠাকরে ভাইরা উদ্ধব ও রাজের জোট উল্লেখযোগ্যভাবে পিছিয়ে পড়েছে। এর মাধ্যমে মুম্বইয়ের রাজনৈতিক মঞ্চে প্রায় তিন দশক ধরে শিবসেনার আধিপত্যের অবসান ঘটল। রাজ্যের অন্যান্য বড় শহরেও মহাযুতির জয়যাত্রা অব্যাহত। নাগপুর পুরনিগমের ১৫১টি আসনের মধ্যে বিজেপি ৮৫টিতে এগিয়ে রয়েছে এবং পুণেতে তারা ৫২টি আসন পেয়েছে। নভি মুম্বইয়ে বিজেপি এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে—১১১টি আসনের মধ্যে ৬৭টি দখল করে (BJP)।

    এগিয়ে বিজেপি

    নাসিকেও জোট বড় সাফল্য পেয়েছে। সেখানে বিজেপি ও শিন্ডে শিবসেনা মিলিয়ে ১২২টি আসনের মধ্যে ১০০টিরও বেশি আসনে এগিয়ে রয়েছে। থানে এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পুরনিগমেও মহাযুতি তাদের আধিপত্য বজায় রেখেছে (Maharashtra)। ১৫ জানুয়ারি রাজ্যজুড়ে ৮৯৩টি ওয়ার্ডের ২,৮৬৯টি আসনে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। মোট ৩ কোটি ৪০ লক্ষেরও বেশি ভোটার ১৫,৯৩১ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করেন। ভোটদানের হার ছিল ৪৬ থেকে ৫০ শতাংশের মধ্যে। এর মধ্যে কোলহাপুরে সর্বোচ্চ ৫০.৮৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। ২০১৭ সালের নির্বাচনের তুলনায় এটি মহাযুতির জন্য এক বড় প্রত্যাবর্তন। সেই সময় অবিভক্ত শিবসেনা একাই মুম্বই বিএমসিতে ৮৪টি আসন জিতেছিল এবং বিজেপি-শিবসেনা মিলিয়ে বহু পুরসভা নিয়ন্ত্রণ করত।

    বিরোধীরা বড় ধাক্কা খেয়েছে

    শহরাঞ্চলজুড়ে বিরোধীরা বড় ধাক্কা খেয়েছে। কংগ্রেস মাত্র ২৯টি পুরনিগমের মধ্যে চারটিতে এগিয়ে রয়েছে—এর মধ্যে সাংলি, কোলহাপুর ও লাতুরের কিছু অংশ রয়েছে (BJP)। শিবসেনা (উদ্ধব বালাসাহেব ঠাকরে), এনসিপি (শরদ পওয়ার গোষ্ঠী) ও কংগ্রেসকে নিয়ে গঠিত মহা বিকাশ আঘাড়ি উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেতে ব্যর্থ হয়েছে। প্রায় দুই দশক পর ঠাকরে ভাইদের পুনর্মিলনও প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি।এই নিরঙ্কুশ জয় দেবেন্দ্র ফড়নবিস-নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের মহারাষ্ট্রের শহর প্রশাসনের উপর নিয়ন্ত্রণ আরও মজবুত করল, যা আগামী দিনের (Maharashtra) নির্বাচনী লড়াইয়ের আগে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে (BJP)।

    জানা গিয়েছে, মুম্বই, পুনে, পিম্প্রি-চিঞ্চওয়াড, কল্যাণ-ডোম্বিভলি, নাসিক, থানে ও নবি মুম্বই-সহ রাজ্যের ২৯টি পুরসভা কর্পোরেশনের অধিকাংশেই জোটটি বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত প্রাপ্ত ট্রেন্ড অনুযায়ী, মহারাষ্ট্রে রাজ্যের শাসক জোটটি মোট ২,৮৬৯টি আসনের মধ্যে ১,৬০০টিরও বেশি আসনে এগিয়ে ছিল।

  • Mumbai Election Results: মুম্বই পুর নির্বাচনে বিজেপি ও শিবসেনা জোটের জয়জয়কার, নেপথ্যে ফ্যাক্টরগুলো কী কী?

    Mumbai Election Results: মুম্বই পুর নির্বাচনে বিজেপি ও শিবসেনা জোটের জয়জয়কার, নেপথ্যে ফ্যাক্টরগুলো কী কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বই থেকে পুণে, নাগপুর থেকে আকোলা— মহারাষ্ট্রের পুরভোটে বিজেপি এবং তার জোটের জয়জয়কার। শুক্রবার বৃহন্মুম্বাই মিউনিসিপ্যাল ​​কর্পোরেশন (Mumbai Election Results) নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু হওয়ার পর, ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-নেতৃত্বাধীন মহাযুতি জোট ১১৯টি আসনে এগিয়ে থেকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। অন্যদিকে, মহা বিকাশ আঘাদি (এমভিএ) ৭১টি আসনে পিছিয়ে রয়েছে। অন্যান্যরা দশটি আসনে এগিয়ে আছে। মহারাষ্ট্রের পুরসভা নির্বাচনে বিজেপি–শিন্ডে সেনা জোটের নিরঙ্কুশ জয় রাজ্যের রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক মোড় এনে দিয়েছে। দীর্ঘ কয়েক দশক পর বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (বিএমসি) দখল করে ঠাকরে পরিবারের রাজনৈতিক আধিপত্যে সবচেয়ে বড় আঘাত হানল এই জোট। মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীসের নেতৃত্বে বিজেপি ২০১৭ সালের তুলনায় মুম্বইয়ে নিজের আসনসংখ্যা বাড়িয়েছে, আর একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন শিবসেনা গোষ্ঠীর সমর্থনে জোট অনায়াসেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অতিক্রম করেছে। ফলে বিএমসিতে বিজেপি–শিন্ডে সেনার মেয়র হওয়ার পথও পরিষ্কার হয়েছে। মহারাষ্ট্রের পুরসভা নির্বাচনে মহাযুতির বড় জয়ের পিছনে রয়েছে বেশ কিছু কারণ।

    মহারাষ্ট্রের এক নম্বর রাজনৈতিক দল

    মারাঠাদের এই রায় স্পষ্ট করে দিচ্ছে, মহারাষ্ট্রের শহুরে রাজনীতিতে এক গভীর পরিবর্তন চলছে। উদ্ধব ঠাকরে ও রাজ ঠাকরের বহু আলোচিত রাজনৈতিক সমঝোতাও বিজেপির উত্থান থামাতে ব্যর্থ হয়েছে। বিভক্ত বিরোধী শিবির, বদলে যাওয়া জনসংখ্যাগত বাস্তবতা এবং ভোটারদের নতুন অগ্রাধিকার মিলিয়ে শাসক জোটের পক্ষেই পাল্লা ভারী হয়েছে—শুধু মুম্বই নয়, রাজ্যের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পুরসভাতেও। এই ফলাফল বিজেপিকে মহারাষ্ট্রের এক নম্বর রাজনৈতিক দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করল। শুধু বিধানসভা বা লোকসভা নয়, শহুরে নাগরিক প্রশাসনেও বিজেপির প্রভাব এখন স্পষ্ট।

    হিন্দুত্ব প্লাস উন্নয়ন

    ‘হিন্দুত্ব প্লাস উন্নয়ন’—বিজেপির এই রাজনৈতিক বার্তা তরুণ শহুরে ভোটারদের কাছে বিশেষভাবে গ্রহণযোগ্য হয়েছে। আবেগী ঐতিহ্যের চেয়ে শাসন, পরিকাঠামো ও কল্যাণমূলক প্রকল্পই তাঁদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। দেবেন্দ্র ফড়নবীস রাজ্যের বিজেপিতে সবচেয়ে প্রভাবশালী নেতার জায়গা আরও শক্ত করলেন। এই জয়ের মাধ্যমে তিনি রাজ্যের অন্যতম প্রধান গণনেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ঠাকরে ব্র্যান্ডের স্পষ্ট অবক্ষয় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মুম্বই আর শিবসেনার ঐতিহ্যগত ঘাঁটি হিসেবে একচেটিয়া ভোট দিচ্ছে না—এটাই বড় ইঙ্গিত। পওয়ার পরিবারের রাজনৈতিক প্রভাব, বিশেষ করে শহুরে অঞ্চলে, ক্রমশ কমছে। শুধুমাত্র পারিবারিক পরিচয় দিয়ে ভোটারদের টানার ক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে। বিজেপির নারী-কেন্দ্রিক কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলি আবারও ভোটে সাফল্য এনে দিয়েছে, যা এই ধরনের প্রকল্পের রাজনৈতিক গুরুত্বকে আরও জোরালো করে।

    বিভক্ত ও অসংগঠিত বিরোধী শিবির

    কংগ্রেস মহারাষ্ট্রের শহরাঞ্চলে তার ভোটব্যাংক হারাচ্ছে, যা নগরভিত্তিক নির্বাচনে দলের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। বিভক্ত ও অসংগঠিত বিরোধী শিবির বিজেপিকে বড় সুবিধা করে দিয়েছে। মুম্বইয়ের বদলে যাওয়া জনসংখ্যাগত কাঠামো শিবসেনার ঐতিহ্যগত রাজনীতির পক্ষে আর সহায়ক নয়। মারাঠি ভোট একাধিক দলে ভাগ হয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে উত্তর ভারতীয় ও অ-মারাঠি ভোটের বড় অংশ বিজেপির পক্ষে একত্রিত হয়েছে। রাজ ঠাকরের আক্রমণাত্মক ‘বহিরাগত বিরোধী’ রাজনীতি তরুণ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী শহুরে ভোটারদের মধ্যে তেমন সাড়া ফেলতে পারেনি।

    পাওয়ার গোষ্ঠীর ভরাডুবি

    শরদ এবং অজিত পওয়ারের এনসিপি মুম্বইয়ে এখনও খাতাই খুলতে পারেনি। অনেক ঢাকঢোল পিটিয়ে পুণে এবং পিম্পরি ছিঁচওয়াড়ে একসঙ্গে লড়েছিল দুই এনসিপি। দুই পুরসভাতেই বিজেপির সামনে তারা কার্যত উড়ে গিয়েছে। গেরুয়া ঝড়ে উড়ে গিয়েছে এনসিপি (শরদ) এবং এনসিপি (অজিত পাওয়ার)-এর জোট। কাকা শরদ পাওয়ারের দলে ভাঙন ধরিয়ে বেরিয়ে এসে বিজেপি-র হাত ধরেছিলেন অজিত। এমনকি কাকার দলের প্রতীকও ছিনিয়ে নেন তিনি। এরপরেও, পিম্প্রি দখলে রাখতে কাকার হাত ধরেই লড়েন অজিত। সেই জোটকেও ঝড়ে উড়িয়ে দিয়েছে গেরুয়া শিবির। পুণের ১৬৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে বিজেপি ৪৩টি, কংগ্রেস ৭টি, এনসিপি (অজিত পাওয়ার) ৫টি এবং এনসিপি (শরদ পাওয়ার) ৩টি ওয়ার্ডে এগিয়ে রয়েছে। পিম্প্রি-চিঞ্চওয়াড় পৌরসভায় ১২৮টি আসনের মধ্যে বিজেপি ৭০টি ওয়ার্ডে, এনসিপি ৪০টি ওয়ার্ডে এগিয়ে রয়েছে। পশ্চিম মহারাষ্ট্রের অন্যান্য শহর, যেমন কোলাপুর, সাতারা, সোলাপুর এবং সাঙ্গলি পৌরসভাতেও বিজেপি শীর্ষস্থান দখল করেছে।

    ঠাকরে দুর্গের পতন

    মহারাষ্ট্রের ২৯টি পৌর কর্পোরেশনের নির্বাচনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল বৃহন্মুম্বাই মিউনিসিপ্যাল ​​কর্পোরেশন (বিএমসি)-এর নির্বাচন, যা ভারতের সবচেয়ে ধনী এবং এশিয়ার অন্যতম ধনী পৌর সংস্থা। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস রাজ্যের বিজেপি সভাপতি রবীন্দ্র চৌহানকে ফোন করে পৌরসভা নির্বাচনে জোটের বিশাল অগ্রগতির জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন। এক্স-এ একটি পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী ফড়নবিস বলেছেন, ২০২৫-২৬ সালের পৌরসভা নির্বাচনে বিজেপি আবারও ইতিহাস সৃষ্টি করল। এই ফলাফল কেবল রাজ্য রাজনীতিতে ক্ষমতার ভারসাম্যই বদলে দিয়েছে না, বরং আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের গতিপথও অনেকটাই বদলে দিয়েছে। মুম্বাই পৌর কর্পোরেশনে (বিএমসি) বিজেপি এবং তার মিত্রদের জয় মহারাষ্ট্রের নগর রাজনীতিতে এক নতুন যুগের ইঙ্গিত দেয়। এই নির্বাচনের সবচেয়ে আশ্চর্যজনক দিক হল ঠাকরে ব্র্যান্ড দুর্বল হয়ে পড়া। মুম্বইতে, যেখানে ঠাকরে পরিবার গত ২৫ বছর ধরে প্রভাব বিস্তার করেছিল, সেখানে বিজেপি এবং শিন্ডে গোষ্ঠীর উত্থান ঠাকরে দুর্গকে ভেঙে দিয়েছে। যুবসমাজ রাজ ঠাকরের “বহিরাগত বনাম স্থানীয়” রাজনীতিকে সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাখ্যান করেছে।

     

     

     

  • Indians in Iran: জ্বলছে ইরান, আটকে পড়া ভারতীয়দের দেশে ফেরানোর প্রস্তুতি কেন্দ্রের

    Indians in Iran: জ্বলছে ইরান, আটকে পড়া ভারতীয়দের দেশে ফেরানোর প্রস্তুতি কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানে (Iran) বর্তমান অস্থির পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে সেখানে বসবাসকারী ভারতীয়দের (Indians in Iran) সরিয়ে আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত। দেশজুড়ে বিক্ষোভ দমনে তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা আমেরিকা (US Strike Threats) পুরোপুরি নাকচ না করায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। তেহরানের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কার মধ্যে বুধবার ভারত সরকার ইরানে বসবাসকারী সব ভারতীয় নাগরিককে যে কোনও উপায়ে সে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে এবং নতুন করে ইরান সফর এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।

    ইরান থেকে ভারতীয়দের সরিয়ে আনার পরিকল্পনা (US Strike Threats)

    জানা গিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতি ক্রমাগত বদলে যাওয়ায়, যারা দেশে ফিরতে চান, সেই সব ভারতীয় নাগরিকদের (Indians in Iran) প্রত্যাবর্তন সহজ করতে বিদেশমন্ত্রক প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে বৃহস্পতিবার সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে জানিয়েছে সরকারি সূত্র (Iran)।জানা গিয়েছে, অসামরিক বিমান ছাড়াও সামরিক পরিবহণ বিমান ব্যবহার করে ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছে সরকার। প্রাথমিক হিসেব অনুযায়ী, বর্তমানে শিক্ষার্থী-সহ ১০ হাজারেরও বেশি ভারতীয় ইরানে বসবাস করছেন। বুধবার তেহরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস শিক্ষার্থী, তীর্থযাত্রী, ব্যবসায়ী ও পর্যটক-সহ সব ভারতীয় নাগরিককে যে কোনও উপলব্ধ পরিবহণের মাধ্যমে ইরান ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছে (US Strike Threats)। একই সঙ্গে ভারতীয় নাগরিক ও ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের সতর্ক থাকার, বিক্ষোভ বা প্রতিবাদী এলাকায় না যাওয়ার এবং দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার অনুরোধ করা হয়েছে।

    ভারতীয় দূতাবাসের হেল্পলাইন

    জরুরি পরিস্থিতিতে ভারতীয় নাগরিকরা ২৪ ঘণ্টা চালু থাকা ভারতীয় দূতাবাসের হেল্পলাইনে যোগাযোগ করতে পারেন, টেলিফোন: ৯৭২৫৪৭৫২০৭১১, ৯৭২৫৪৩২৭৮৩৯২, ই-মেল: কনস তেলআভিভ@এমইএ.গভ.ইন উল্লেখ্য, এই প্রথম নয় যে ভারত এই ধরনের উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। গত বছর জুন মাসে মধ্যপ্রাচ্যে (Iran) সামরিক সংঘাতের জেরে উত্তেজনা বাড়ার পর ভারত সফলভাবে ইরান থেকে নিজের নাগরিকদের সরিয়ে এনেছিল। সেই সময় ভারত সরকার ‘অপারেশন সিন্ধু’ চালু করেছিল, যার লক্ষ্য ছিল ইরানে বসবাসরত ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাঁদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা (US Strike Threats)।

    ইরানে কী ঘটেছে?

    গত মাসের শেষের দিকে তেহরানে বিক্ষোভ শুরু হয়, যখন ইরানি মুদ্রা রিয়াল রেকর্ড সর্বনিম্ন স্তরে নেমে যায়। পরে এই বিক্ষোভ দেশের ৩১টি প্রদেশেই ছড়িয়ে পড়ে। অর্থনৈতিক সঙ্কটের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া আন্দোলন ধীরে ধীরে রাজনৈতিক পরিবর্তনের দাবিতে পরিণত হয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশজুড়ে এই বিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত ইরানে ২,৫০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ইরানে বিক্ষোভ দমনের সময় হত্যাকাণ্ড কমেছে বলে জানানো হলে সামরিক হামলার ইচ্ছা কিছুটা খাটো করে দেখিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে বর্তমানে বড় ধরনের গণহত্যার কোনও পরিকল্পনা নেই, তবু পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত অস্থির (US Strike Threats)। আগে সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দিলেও পরে অপেক্ষা করে দেখার নীতি গ্রহণ করেন ট্রাম্প। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি একজন অনিশ্চিত নেতা হিসেবেই পরিচিত (Iran)। মধ্যপ্রাচ্য ইনস্টিটিউট থিঙ্ক ট্যাঙ্কের সিনিয়র ফেলো পল সেলেম সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, ট্রাম্প আপাতদৃষ্টিতে ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ থেকে সরে এসেছেন বলে মনে হলেও, তিনি এখনও পুরোপুরি অনিশ্চিত চরিত্রের মানুষ (US Strike Threats)।

  • Operation Sindoor: “আমাদের শত্রুদের কাপুরুষতার মূল্য চোকাতে হবে”, সেনা দিবসে অপারেশন সিঁদুরের নয়া ভিডিও

    Operation Sindoor: “আমাদের শত্রুদের কাপুরুষতার মূল্য চোকাতে হবে”, সেনা দিবসে অপারেশন সিঁদুরের নয়া ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেনা দিবস উপলক্ষে অপারেশন সিঁদুরের (Operation Sindoor) নতুন একটি তিন মিনিটের ভিডিও প্রকাশ করল ভারতীয় সেনা। ১৫ জানুয়ারি আর্মি ডে ২০২৬-এ প্রকাশিত ওই ভিডিও-তে অপারেশন সিঁদুর-এর বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। পহেলগাঁওয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার প্রতিক্রিয়ায় চালানো এই অভিযানের মাধ্যমে জঙ্গি ঘাঁটি ও সামরিক স্থাপনায় নিখুঁত আঘাত হানার বিরল দৃশ্য প্রথমবার প্রকাশ্যে আনল সেনা। ভারতীয় সেনার ভাষায়, এই অভিযান বাহিনীর “অদম্য সাহস, বীরত্ব ও অটল সংকল্প”-এর প্রতিফলন।

    সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের নীতির প্রেক্ষাপট

    ভিডিওর শুরুতেই গত দুই দশকে ভারতের উপর সংঘটিত বড় সন্ত্রাসী হামলাগুলির কথা স্মরণ করানো হয়—২০০১ সালের সংসদ ভবনে হামলা, ২০০২ সালের অক্ষরধাম মন্দিরে আক্রমণ, ২০০৮ সালের মুম্বই হামলা, ২০১৬ সালের উরি, ২০১৯ সালের পুলওয়ামা এবং ২০২৫ সালের পহেলগাঁও হামলা। প্রতিটি ঘটনাকে “মানবতার উপর আক্রমণ” হিসেবে বর্ণনা করে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের নীতির প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়েছে। ভিডিও অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৭ মে রাতে ভারতীয় বাহিনী সীমান্তের ওপারে নয়টি সন্ত্রাসী লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। অপারেশন সিঁদুরের অধীনে সমন্বিত ও নিখুঁত হামলার মাধ্যমে জঙ্গিদের লঞ্চপ্যাড ও লজিস্টিক হাব ধ্বংসের দৃশ্য ফুটে উঠেছে। যদিও ভিডিওতে পাকিস্তানের নাম সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি, তবু লাইন অফ কন্ট্রোল ও জম্মু-কাশ্মীরের আন্তর্জাতিক সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় সীমান্ত-পার অভিযানের স্পষ্ট ইঙ্গিত রয়েছে।

    কী কী রয়েছে ভিডিও-য়

    ওই ভিডিও ফুটেজে জম্মু ও কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারী গোলাবর্ষণের পরবর্তী পরিস্থিতিও দেখানো হয়েছে, যা ভারতীয় হামলার পর পাকিস্তানের পাল্টা প্রতিক্রিয়া বলে দাবি করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত অসামরিক এলাকার দৃশ্যের পাশাপাশি ভারতীয় বাহিনীর তৎপরতা—শত্রুপক্ষের ড্রোন ভূপাতিত করা এবং সামনের সারির সামরিক পোস্টে আঘাত হানার চিত্র—তুলে ধরা হয়েছে। আরও এক ধাপ উত্তেজনা বৃদ্ধির ইঙ্গিত হিসেবে ভিডিওতে সীমান্তের ওপারের এয়ার ডিফেন্স রেডার ব্যবস্থা ও গুরুত্বপূর্ণ এয়ারবেসে হামলার দৃশ্যও দেখানো হয়েছে। এর মাধ্যমে সন্ত্রাসী পরিকাঠামোর পাশাপাশি প্রতিপক্ষের নজরদারি দুর্বল করার কৌশলগত উদ্দেশ্য স্পষ্ট হয়েছে।

    সেনা দিবসে বিশেষ বার্তা

    আর্মি ডে-র এই ভিডিওর শেষে সেনার তরফে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে, “আমাদের শত্রুদের জন্য সতর্কবার্তা। তাদের কাপুরুষতার মূল্য চোকাতে হবে।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদ ও তাকে মদতদাতাদের বিরুদ্ধে ভারতের কঠোর প্রতিক্রিয়া নীতিই পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পরই অপারেশন সিঁদুরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়। ৭ মে ২০২৫-এ শুরু হওয়া এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল সীমান্তের ওপার থেকে পরিচালিত জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করা। সরকারি সূত্রে দাবি করা হয়েছিল, অভিযানে সন্ত্রাসী পরিকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পরবর্তীতে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ড্রোন অনুপ্রবেশ ও আন্তর্জাতিক সীমান্ত সংলগ্ন অসামরিক এলাকায় গোলাবর্ষণের অভিযোগ ওঠে। এর জবাবে ভারত রাডার স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ এয়ারবেস লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায়। ভিডিওতে দেখানো এই পদক্ষেপগুলির উদ্দেশ্য ছিল প্রতিপক্ষের নজরদারি ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ভেঙে দেওয়া। সেনা দিবসে অপারেশন সিঁদুরের ভিডিও প্রকাশকে একদিকে যেমন সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য হিসেবে দেখা হচ্ছে, তেমনই এটিকে ভারতের প্রস্তুতি ও দৃঢ়তার কৌশলগত বার্তা বলেও মনে করা হচ্ছে। এই অভিযানের অংশবিশেষ প্রকাশ্যে এনে সেনা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিল—সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারত নিখুঁত, সমন্বিত ও দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

LinkedIn
Share