Tag: bangla news

bangla news

  • Ramakrishna 556: “নূতন হাঁড়িতে দুধ রাখা যায়, দই পাতা হাঁড়িতে রাখলে নষ্ট হতে পারে”

    Ramakrishna 556: “নূতন হাঁড়িতে দুধ রাখা যায়, দই পাতা হাঁড়িতে রাখলে নষ্ট হতে পারে”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    অষ্টম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৮শে অগস্ট

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ও যীশুখ্রীষ্ট (Jesus Christ)

    মণি—সে আপনি করেন না—ইচ্ছা করে। ও-সব সিদ্ধাই, Miracle তাই আপনি করেন না। ও-সব করলে লোকদের দেহেতেই মন যাবে—শুদ্ধাভক্তির (Ramakrishna) দিকে মন যাবে না। তাই আপনি করেন না।

    “আপনার সঙ্গে যীশুখ্রীষ্টের অনেক মেলে!”

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সহাস্যে-আর কি কি মেলে?

    মণি—আপনি ভক্তদের উপবাস করতে কি অন্য কোন কঠোর করতে বলেন না—খাওয়া-দাওয়া সম্বন্ধেও কোন কঠিন নাই। যীশুখ্রীষ্টের শিষ্যেরা রবিবারে নিয়ম না করে খেয়েছিল, তাই যারা শাস্ত্র মেনে চলত তারা তিরস্কার করেছিল। যীশু বললেন, ‘ওরা খাবে, খুব করবে; যতদিন বরের সঙ্গে আছে, বরযাত্রীরা আনন্দই করবে।’

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita) — এর মানে কি?

    মণি—অর্থাৎ যতদিন অবতারের সঙ্গে সঙ্গে আছে, সাঙ্গোপাঙ্গগণ কেবল আনন্দই করবে—কেন নিরানন্দ হবে? তিনি যখন স্বধামে চলে যাবেন, তখন তাদের নিরানন্দের দিন আসবে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে) — আর কিছু মেলে?

    মণি — আজ্ঞা, আপনি যেমন বলেন — ‘ছোকরাদের ভিতর কামিনী-কাঞ্চন ঢুকে নাই; ওরা উপদেশ ধারণা করতে পারবে, — যেমন নূতন হাঁড়িতে দুধ রাখা যায়। দই পাতা হাঁড়িতে রাখলে নষ্ট হতে পারে’; তিনিও সেইরূপ বলতেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ(Ramakrishna)— কি বলতেন?

    মণি—‘পুরানো বোতলে নূতন মদ রাখলে বোতল ফেটে যেতে পারে।’ আর ‘পুরানো কাপড়ে নূতন তালি দিলে শীঘ্র ছিঁড়ে যায়।’

    “আপনি যেমন বলেন(Kathamrita), ‘মা আর আপনি এক’ তিনিও তেমনি বলতেন, ‘বাবা আর আমি এক’।” (I and my father are one.)

    মণি—আপনি যেমন বলেন, ‘ব্যাকুল হয়ে ডাকলে তিনি শুনবেনই শুনবেন।” তিনিও বলতেন, ‘ব্যাকুল হয়ে দোরে ঘা মারো দোর খোলা পাবে!’ (Knock and it shall be opened unto you.)

  • Nepal: “বাংলাদেশের মতো পরিস্থিতি হবে না নেপালে”, সাফ জানালেন প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি

    Nepal: “বাংলাদেশের মতো পরিস্থিতি হবে না নেপালে”, সাফ জানালেন প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের (Nepal) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি (Sushila Karki) সাফ জানিয়ে দেন, তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার কোনওভাবেই দেশকে বাংলাদেশের মতো রাজনৈতিক অস্থিরতার পথে যেতে দেবে না। যদিও এই মন্তব্যটি এসেছে এমন একটা সময়ে, যখন সব রাজনৈতিক দল এবং বিভিন্ন যুব সংগঠনের পক্ষ থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের পদত্যাগের দাবিতে চাপ ক্রমেই বাড়ছে।

    সুশীলার বক্তব্য (Nepal)

    কাঠমান্ডুতে এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সুশীলা কার্কি সরকারের পদত্যাগের দাবির কড়া সমালোচনা করেন। তাঁর মতে, এই ধরনের দাবি দেশের মধ্যে অনিশ্চয়তার পরিবেশ তৈরি করছে এবং সরকারের স্বাভাবিক কার্যকলাপ ব্যাহত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, বিশেষ করে জেন জেড (Gen Z) প্রজন্মের কিছু ছোট (Nepal) কিন্তু অত্যন্ত সক্রিয় গোষ্ঠী লাগাতার সরকারের পদত্যাগ দাবি করে চলেছে (Sushila Karki)। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই ধরনের দাবির প্রকৃত উদ্দেশ্য কী এবং সরকারকে তার দায়িত্ব পালনের জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হচ্ছে না কেন?

    উদ্বেগ প্রকাশ সুশীলার

    সুশীলা কার্কির দাবি, প্রশাসনের আধিকারিকরা ক্রমাগত জনগণের চাপ ও মৌখিক আক্রমণের মুখে পড়ছেন, যার ফলে সরকার স্থিতিশীলভাবে কাজ করতে পারছে না (Nepal)। তিনি আরও উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে, তরুণ সমাজের একাংশের মধ্যে নির্বাচনের গুরুত্ব নিয়েও সন্দেহ বাড়ছে। অনেকেই প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলছেন, ভোট দেওয়ার আদৌ কোনও মূল্য আছে কি না! নিজের সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়ে সুশীলা বলেন, “নেপাল কোনওভাবেই বাংলাদেশের পথ অনুসরণ করবে না।” তিনি আরও বলেন, “আমরা বুঝতে পারছি যে অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর মানসিক চাপ অত্যন্ত বেশি (Sushila Karki)। এই পরিস্থিতির গুরুত্ব যথাযথভাবে তুলে ধরার জন্য আমরা গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল ভূমিকার আবেদন জানাচ্ছি (Nepal)।”

  • India US Relations: ভারতের বন্ধুত্ব অপরিহার্য, আগামী বছর আসতে পারেন ট্রাম্প! দাবি নয়া মার্কিন রাষ্ট্রদূতের

    India US Relations: ভারতের বন্ধুত্ব অপরিহার্য, আগামী বছর আসতে পারেন ট্রাম্প! দাবি নয়া মার্কিন রাষ্ট্রদূতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ভারত-আমেরিকা (India US Relations) মৈত্রীর বার্তা। সাম্প্রতিক সময়ে শুল্ক বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে টানাপড়েন বেড়েছে ভারত-আমেরিকা সম্পর্কে। ভারতের উদ্দেশে বারবার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই আবহে নতুন বার্তা নিয়ে এলেন ভারতে নবনিযুক্ত মার্কিন দূত সার্জিও গোর (Sergio Gor)। দায়িত্ব নিয়েই তিনি স্পষ্ট করে দিলেন, “ভারতের থেকে কোনও পার্টনারই (সঙ্গী-রাষ্ট্র) বেশি অপরিহার্য নয়।” পাশাপাশি তিনি জানান, আগামী বছরই ভারত সফরে আসতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    ভারত আমেরিকার কাছে অপরিহার্য

    দিল্লিতে মার্কিন দূতাবাসে বক্তব্য রাখার সময় গোরের দাবি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ভারতের (India US Relations) চেয়ে অপরিহার্য আর কোনও দেশ নেই। গোর বলেন, “আমেরিকার দূত হিসেবে এখানে আসাটা দারুণ ব্যাপার। আমি এই অসাধারণ দেশে গভীর শ্রদ্ধা এবং একটি সুস্পষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এসেছি : আমাদের দুই দেশের মধ্যে পার্টনারশিপকে পরবর্তী স্তরে নিয়ে যাওয়া। এটি বিশ্বের প্রাচীনতম গণতন্ত্র এবং বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের মধ্যে সংযোগস্থাপন…আমার সঙ্গে শেষ নৈশভোজে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর শেষ ভারত সফর এবং ভারতের মহান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্বের কথা স্মরণ করেছিলেন। আমি আশা করি, শীঘ্রই প্রেসিডেন্ট আমাদের সঙ্গে দেখা করতে আসবেন, আশা করি পরের বছর বা বছর দু’য়েকের মধ্যে…প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভোর ২টোর সময় ফোন করার একটা অভ্যাস আছে এবং নয়াদিল্লির সঙ্গে সময়ের পার্থক্যে, এটা খুব ভাল বিষয় হয়ে উঠতে পারে।”

    মোদি-ট্রাম্প ভালো বন্ধু

    ভারতে (India US Relations) দায়িত্ব নিয়েই ট্রাম্প-মোদির ভাল বন্ধুত্বের কথা তুলে ধরেন মার্কিন দূত। সার্জিও গোর জোর দিয়ে বলেন যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ট্রাম্পের বন্ধুত্ব খুব ভালো। বাস্তব এবং প্রকৃত বন্ধুরা তাঁদের মতপার্থক্য সমাধান করতে পারে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেছেন, “প্রকৃত বন্ধুদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁরা সবসময় তাঁদের মতপার্থক্য সমাধান করে নেয়।” তিনি উল্লেখ করেন যে, নয়াদিল্লি এবং ওয়াশিংটনের সম্পর্কের জন্য বাণিজ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও, উভয় দেশ নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ দমন, জ্বালানি, প্রযুক্তি, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য-সহ অন্যান্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রেও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে চলেছে। মার্কিন রাষ্ট্রদূতের কথায়, “আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সারা বিশ্ব ঘুরেছি এবং আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি যে-প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব বাস্তব, এতে কোনও খাদ নেই।” গোর আরও ঘোষণা করেন যে, ভারত ‘প্যাক্স সিলিকা’ জোটের সদস্য হবে। তিনি বলেন, “আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে আগামী মাসে এই দেশগুলোর জোটে ভারতকে পূর্ণ সদস্য হিসেবে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হবে।”

    ‘প্যাক্স সিলিকা’ জোট কী?

    একটি নিরাপদ, স্থিতিশীল এবং উদ্ভাবন-চালিত সিলিকন সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে তোলার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে একটি কৌশলগত উদ্যোগ। গত ডিসেম্বরেই ‘প্যাক্স সিলিকা’ তৈরির কথা জানিয়ে দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এর মাধ্যমে মূলত সিলিকন উপত্যকার সরবরাহ শৃঙ্খলকে সমৃদ্ধশালী, নিরাপদ এবং উদ্ভাবনী শক্তিসম্পন্ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাইছে ওয়াশিংটন। এর মধ্যে থাকবে বিরল খনিজ, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, সেমিকন্ডাক্টর বা চিপ এবং কৃত্রিম মেধা বা এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) পরিকাঠামো। সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীতে থাকছে জাপান, রিপাবলিক অফ কোরিয়া (দক্ষিণ কোরিয়া), সিঙ্গাপুর, নেদারল্যান্ডস, ব্রিটেন, ইজরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং অস্ট্রেলিয়া। এছাড়াও রিপাবলিক অফ চায়না বা তাইওয়ান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশ এবং কানাডাকে নিয়ে ‘প্যাক্স সিলিকা’ গঠন করতে চলেছে আমেরিকা।

    পরবর্তী দ্বিপাক্ষিক ফোনালাপ

    মোদি এবং ট্রাম্পের বন্ধুত্বের(India US Relations) কথা বহুল চর্চিত। কখনও মোদির আমেরিকা সফর, আবার কখনও ট্রাম্পের এ দেশে আসা— এ সবই নতুন বার্তা বহন করেছে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে বলে দাবি। নেপথ্যে বণিজ্যচুক্তি জট এবং ট্রাম্পের একতরফা শুল্ক চাপানো! দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ভারত এবং আমেরিকার মধ্যে যে সুসম্পর্ক বজায় ছিল, তা এখন প্রশ্নের মুখে। এর জন্য ট্রাম্পের ‘নীতি’কে দায়ী করেছে বিশ্ব। দুই দেশের সম্পর্কে টানাপড়েনের আবহে বাণিজ্য (trade) নিয়ে ফের সক্রিয় আলোচনায় বসতে চলেছে ভারত ও আমেরিকা (India–U.S.)। আগামিকাল, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি এই বিষয়ে পরবর্তী দ্বিপাক্ষিক ফোনালাপ হবে বলে জানিয়েছেন ভারতে নিযুক্ত নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর (Sergio Gor)। সোমবার নয়াদিল্লিতে দায়িত্ব গ্রহণের দিনই এই সুসংবাদের কথা জানান তিনি।

    বাণিজ্য-চুক্তি নিয়ে আলোচনা

    গোরের মন্তব্যে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে ভারতীয় শেয়ার বাজার। সোমবার দুপুরে বেঞ্চমার্ক সূচক নিফটি ৫০ (Nifty 50) প্রায় ২২০ পয়েন্ট ঘুরে দাঁড়িয়ে ০.১৫ শতাংশ বৃদ্ধিতে লেনদেন করে। নিফটি ছিল প্রায় ২৫,৭৫০-এর কাছাকাছি, আর সেনসেক্স (Sensex) ওঠে প্রায় ২০০ পয়েন্ট। ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলও (Piyush Goyal) আলাদা মন্তব্যে জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে নয়াদিল্লি। সার্জিও গোর বলেন, আমেরিকা ও ভারত কেবল অভিন্ন স্বার্থে আবদ্ধ নয়, এই সম্পর্ক সর্বোচ্চ স্তরে দৃঢ়ভাবে প্রোথিত। গোরের দাবি, বিশ্বের বৃহত্তম জনসংখ্যার দেশ ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করা সহজ কাজ নয়। তবু ওয়াশিংটন সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছে। ভারত সফর প্রসঙ্গে গোর জানান, তাঁর দায়িত্বই হল ভারত–আমেরিকা (India US Relations) অংশীদারিত্বকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

  • ISRO Satellite Launch: ‘অন্বেষা’কে কক্ষপথে স্থাপনের আগে যান্ত্রিক ত্রুটি, তদন্তে নামল ইসরো

    ISRO Satellite Launch: ‘অন্বেষা’কে কক্ষপথে স্থাপনের আগে যান্ত্রিক ত্রুটি, তদন্তে নামল ইসরো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ইসরোর পিএসএলভি-সি৬২ মিশন তৃতীয় ধাপে গিয়ে ব্যর্থ হল। জানা গিয়েছে, পিএসএলভি রকেটের সফল উৎক্ষেপণ হলেও, তৃতীয় স্তরে গিয়ে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। এর ফলে ১৬টি স্যাটেলাইটই হারিয়ে যায়। বেলা প্রায় পৌনে ১১টা নাগাদ ইসরোর চেয়ারম্যান ভি নারায়ণন বলেন, ‘‘অভিযানের তৃতীয় ধাপে কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে, যে কারণে রকেটের গতিপথে বিচ্যুতি ঘটেছে। আমরা সব কিছু খতিয়ে দেখছি। শীঘ্রই অভিযান সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হবে।’’

    তৃতীয় ধাপেই দেখা দেয় বিপত্তি

    ইসরোর প্রধান জানিয়েছেন, পিএসএলভি অভিযানের চারটি ধাপ থাকে— দু’টি সলিড এবং দু’টি লিকুইড ধাপ। এর মধ্যে তৃতীয় ধাপেই দেখা দেয় বিপত্তি। হঠাৎ ভেহিকেলের উচ্চতা এবং গতিবেগ ন্যূনতম প্রয়োজনীয় মানের অনেক নীচে নেমে যায়। ভেহিকেলের রোল রেট এবং উড্ডয়নের পথেও বিচ্যুতি দেখা দেয়। এমনটা হলে আর কক্ষপথে পৌঁছে দেওয়া যায়নি ‘অন্বেষা’কে। মহাকাশে হারিয়ে যায় বাকি ১৫টি কৃত্রিম উপগ্রহও। ইসরো প্রধান ভি নারায়ণন সব কেন্দ্র থেকে ডেটা সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করার কথা বলেছেন। তিনি জানান, সোমবার সকালে পিএসএলভি সি৬২ মানে ইওএস-এন১ এর উৎক্ষেপণ হয়েছিল। কিন্তু উৎক্ষেপণের পর পিএসএলভি সি৬২ রকেট তার নির্ধারিত পথ থেকে সরে যায়। এই কারণে রকেটটি আগের ঠিক করা পথ অনুসারে এগোতে পারেনি। ইসরো সব গ্রাউন্ড স্টেশন থেকে ডেটা সংগ্রহ করে পুরো প্রক্রিয়া বিশ্লেষণ করতে যাচ্ছে। যদি এই পরিকল্পনা সফল হত তাহলে মহাকাশ বিজ্ঞানের জগতে ভারত এর একটা সাফল্য বড় অর্জন হত।

    তদন্ত কমিটি গঠন 

    সোমবার ঠিক সকাল ১০টা ১৮ মিনিটে অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশকেন্দ্র থেকে পিএসএলভি-সি৬২ রকেটে চেপে মহাকাশে পাড়ি দিয়েছিল ১৫টি কৃত্রিম উপগ্রহ। যাত্রার শুরুতে রকেটের বুস্টারগুলো সফলভাবে আলাদা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু উড্ডয়নের প্রায় আট মিনিট পর, তৃতীয় ধাপে গিয়ে সমস্যা দেখা দেয়। ইসরো বলেছে, রকেটটি তার নির্ধারিত পথ থেকে সরে গিয়েছে। এর কারণ অনুসন্ধানে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তবে এই মুহূর্তে যান্ত্রিক ত্রুটির আসল কারণ স্পষ্টভাবে জানা যায়নি।

    ‘অন্বেষা’কে স্থাপন করা গেল না

    পিএসএলভি-সি৬২ রকেটে চেপে মহাকাশে পাড়ি দেওয়া কৃত্রিম উপগ্রহের মধ্যে ছিল ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও)-এর তৈরি কৃত্রিম উপগ্রহ ‘অন্বেষা’ও, যার পোশাকি নাম ইওএস-এন১। নজরদারির জন্য বিশেষ ভাবে তৈরি এই কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশ থেকে ছবি তুলতে পারত। নির্ভুল মানচিত্রও তৈরি করতে পারত। কক্ষপথে স্থাপন করা গেলে ভারতের শত্রু দেশগুলির কোথায় কী রাখা আছে, তা-ও চিহ্নিত করে দিতে পারত অন্বেষা। একই রকেটে পাঠানো হয়েছিল আরও ১৫টি কৃত্রিম উপগ্রহকে, যার মধ্যে ভারতের বেসরকারি সংস্থা ‘ধ্রুব স্পেস’-এর সাতটি কৃত্রিম উপগ্রহও ছিল। এ ছাড়াও ছিল ফ্রান্স, নেপাল, ব্রাজিল-সহ বিভিন্ন দেশের মোট আটটি কৃত্রিম উপগ্রহ। এর সঙ্গে ছিল ভারতীয় শিক্ষার্থীদের তৈরি পেলোড, বেসরকারি সংস্থার গবেষণা সরঞ্জাম এবং স্পেনের একটি বিশেষ যন্ত্র।

  • Pakistan: পাক সেনা ও জঙ্গি সংগঠনের যোগসাজশ কবুল শীর্ষ লস্কর নেতার

    Pakistan: পাক সেনা ও জঙ্গি সংগঠনের যোগসাজশ কবুল শীর্ষ লস্কর নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের প্রকাশ্যে পাক সেনা এবং বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের যোগসাজশ (India)। এই আঁতাতের বেলুনটি ফাটিয়েছেন লস্কর-ই-তৈবার শীর্ষ নেতা সইফুল্লাহ কাসুরি। হাফিজ সইদের নেতৃত্বাধীন লস্কর-ই-তৈবার ডেপুটি চিফ কাসুরি স্বীকার করেন, পাকিস্তান (Pakistan) সেনাবাহিনী নিয়মিতভাবে তাঁকে নিজেদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানায় এবং সেনাদের শেষকৃত্যে নমাজে জানাজা পড়ানোর দায়িত্বও দেয়। পাকিস্তানের একটি স্কুলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিশুদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে এই স্বীকারোক্তি দেন কাসুরি। সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা একটি তারিখহীন ভিডিওতে এই বক্তব্য ধরা পড়েছে, যা ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির মতে, ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ের বৈসারান উপত্যকায় ঘটে যাওয়া ভয়াবহ জঙ্গি হামলার মূল চক্রী এই কাসুরিই। ওই হামলায় ২৬ জন নিরীহ হিন্দু নাগরিক নিহত হন।

    ভারতকে হুমকি কাসুরির (Pakistan)

    ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, শিশুদের সামনে দাঁড়িয়ে কাসুরি প্রকাশ্যে ভারতকে হুমকি দিচ্ছেন। তাঁর দাবি, তাঁর উপস্থিতিতেই ভারত ভীত। ভারতবিরোধী বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, আমার নাম জড়িয়ে পড়ার পর থেকেই আমার খ্যাতি আরও বেড়েছে। তিনি বলেন, “ভারত আমার নাম শুনেই ভয় পায়।” বিশেষজ্ঞদের মতে, কাসুরির (Pakistan) এই স্বীকারোক্তি পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের সেই দাবিকে সম্পূর্ণভাবে খণ্ডন করে, যেখানে তারা আন্তর্জাতিক মহলের সামনে বলে আসছে যে পাকিস্তানের মাটিতে সক্রিয় সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে তারা কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে (India)। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, “পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পাওয়ার কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করে নেওয়া, বিশেষ করে নিহত সেনাদের ধর্মীয় আচার সম্পাদনের ক্ষেত্রে, স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে লস্কর-ই-তৈবার মতো নিষিদ্ধ সংগঠনগুলির প্রতি প্রাতিষ্ঠানিক মদত রয়েছে। ভারতীয় আধিকারিকরা এবং নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা দীর্ঘদিন ধরেই এই অভিযোগ তুলে আসছেন (Pakistan)।”

    লস্কর-ই-তৈবার ছদ্ম সংগঠন

    প্রসঙ্গত, পহেলগাঁওয়ে লস্কর-ই-তৈবার ছদ্ম সংগঠন ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্টে’র সঙ্গে যুক্ত জঙ্গিদের হামলায় ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক চরম উত্তেজনার পর্যায়ে পৌঁছয়। এই হামলার পাল্টা জবাবে ভারত ২০২৫ সালের ৭ মে শুরু করে ‘অপারেশন সিঁদুর’। ওই অভিযানে পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে অবস্থিত জঙ্গি পরিকাঠামোর ওপর নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়। মোট ন’টি জঙ্গি ঘাঁটি লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হয়, যেগুলি লস্কর-ই-তৈবা, জইশ-ই-মহম্মদ এবং অন্যান্য জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিল। চার দিন ধরে সীমান্তের দু’পাশে তীব্র সংঘর্ষের পর ২০২৫ সালের ১০ মে উভয় দেশ সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয় (India)। উল্লেখ্য, যিনি সাজিদ সাইফুল্লাহ জাট বা খালিদ নামেও পরিচিত, এর আগেও একাধিকবার লস্কর-ই-তৈবার জঙ্গি কার্যকলাপের সাফাই গেয়েছেন। তিনি কবুল করেন, অপারেশন সিঁদুরে জঙ্গি ঘাঁটির বড়সড় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যদিও তাঁর দাবি, ভারত কেবল পরিকাঠামো লক্ষ্য করে ভুল করেছে এবং আরও বড় সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ছিল না (Pakistan)।

    কাশ্মীর মিশন

    কাসুরি আবারও ‘কাশ্মীর মিশনে’র প্রতি লস্কর-ই-তৈবার অটল প্রতিশ্রুতির কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, এই সংগঠন কখনও তাদের লক্ষ্য থেকে সরে আসবে না। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি ভিডিও নতুন করে পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদ নীতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এতে পাকিস্তানের দ্বিচারী অবস্থান, জঙ্গিদের প্রতি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদতের মাত্রা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির মতে, কাসুরির প্রকাশ্য উপস্থিতি ও তরুণদের উদ্দেশে দেওয়া উসকানিমূলক বক্তব্য প্রমাণ করে যে পাকিস্তানে ঘোষিত জঙ্গিরা কার্যত কোনও বাধা ছাড়াই কাজ করার স্বাধীনতা ভোগ করছে (Pakistan)। এদিকে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক ও সামরিক ঘনিষ্ঠতাকে স্বাগত জানিয়েছে লস্কর-ই-তৈবা (LeT)। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, সংগঠনটির উপপ্রধান সইফুল্লাহ কাসুরি ইসলামাবাদ ও ঢাকার মধ্যে নতুন করে ঘনিষ্ঠতা বাড়ায় অভিনন্দন জানিয়ে একাধিক মন্তব্য করেছেন (India)।

    মুসলিম বিশ্বের জন্য ইতিবাচক

    রাষ্ট্রসংঘ ঘোষিত জঙ্গি এবং পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার মূলচক্রী কাসুরি পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সম্পর্ক জোরদার হওয়াকে ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন। দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্য শুরু হওয়াকে প্রশংসনীয় এবং অত্যন্ত প্রশংসাযোগ্য বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বিশেষজ্ঞদের মতে, কাসুরির এই বক্তব্য দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতির দিক থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং উদ্বেগজনক। বিশেষ করে একটি নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের শীর্ষ নেতার পক্ষ থেকে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে সন্তোষ প্রকাশ নতুন করে প্রশ্ন তুলছে (Pakistan)। সূত্রের খবর, কাসুরি পাকিস্তান–বাংলাদেশের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক যোগাযোগকে ‘মুসলিম বিশ্বের জন্য ইতিবাচক পুনর্বিন্যাস’ হিসেবে তুলে ধরেছেন। এটি ভারতের বিরুদ্ধে লস্কর-ই-তৈবার দীর্ঘদিনের আদর্শগত অবস্থানেরই প্রতিফলন বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    কাসুরির বক্তব্যে ইঙ্গিত

    সূত্রের খবর, কাসুরির বক্তব্যে ইঙ্গিত মিলেছে যে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনগুলি এই নতুন আঞ্চলিক কূটনৈতিক পরিস্থিতিকে তাদের জন্য সম্ভাব্য ‘অপারেশনাল সুযোগ’ হিসেবে দেখছে। বিশেষ করে কাশ্মীরের গণ্ডি ছাড়িয়ে বৃহত্তর দক্ষিণ এশিয়ায় জেহাদি প্রভাব বিস্তারের পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই মূল্যায়ন করা হচ্ছে (Pakistan)। নিরাপত্তা সংস্থাগুলির মতে, দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে লস্কর-ই-তৈবার বিস্তৃত লজিস্টিক, নিয়োগ এবং আদর্শগত নেটওয়ার্ক রয়েছে। অতীতে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনগুলির সঙ্গে যুক্ত সন্ত্রাসে অর্থ জোগান ও যাতায়াতের তদন্তে বাংলাদেশের নাম উঠে আসায় বর্তমান পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে (India)। সূত্রের দাবি, লস্কর-ই-তৈবার এই প্রতিক্রিয়া স্পষ্ট করে দেয় যে অ-রাষ্ট্রীয় জেহাদি সংগঠনগুলি আঞ্চলিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের ওপর ঘনিষ্ঠ নজর রাখছে এবং প্রয়োজনে পাকিস্তানের সরকার ও সেনাবাহিনীর সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে, কখনও কখনও তা নিয়ন্ত্রণ করার পর্যায়েও পৌঁছচ্ছে।

    সন্ত্রাস দমন সংস্থাগুলির মতে, কাসুরির এই বক্তব্য কাশ্মীরকেন্দ্রিক সন্ত্রাসের পরিসর বিস্তৃত করে একই মতাদর্শে বিশ্বাসী আঞ্চলিক নেটওয়ার্কগুলিকে যুক্ত করার একটি প্রচেষ্টা। ফলে এই নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ ভারত ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সংস্থাগুলির কাছে (India) অত্যন্ত সংবেদনশীল ও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে (Pakistan)।

  • I-PAC Raid Case: ‘আইন নিজের হাতে নেওয়াই মমতার রীতি’, আই প্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের বিরুদ্ধে জোড়া মামলা ইডির

    I-PAC Raid Case: ‘আইন নিজের হাতে নেওয়াই মমতার রীতি’, আই প্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের বিরুদ্ধে জোড়া মামলা ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আই-প্যাক (I-PAC) মামলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলে জরুরি শুনানির আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) গেল ইডি (Enforcement Directorate)। ইডির দাবি, মুখ্যমন্ত্রী ইচ্ছাকৃতভাবে আইন নিজের হাতে নিচ্ছেন এবং কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার কাজে বাধা দিতে রাজ্য পুলিশের ‘অপব্যবহার’ করছেন। আই প্যাক-কাণ্ডে রাজ্যের বিরুদ্ধে সোমবার জোড়া মামলা দায়ের করেছে ইডি। একটি মামলা ইডির তরফে দায়ের করা হয়েছে। অপর মামলাটি দায়ের করেছেন ইডির তিন আধিকারিক নিশান্ত কুমার, বিক্রম অহলওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা। দুই মামলাতেই রাজ্যের পাশাপাশি যুক্ত করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার পুলিশ কমিশনার (সিপি) মনোজ কুমার বর্মা, কলকাতা পুলিশের ডিসি (দক্ষিণ) প্রিয়ব্রত রায় এবং সিবিআইকে।

    আইন রক্ষকরাই অপরাধে যুক্ত

    ইডির আবেদনে বলা হয়েছে, এটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বরং কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার তদন্ত মুখ্যমন্ত্রীর পছন্দসই না হলে বা তাতে তাঁর দল, মন্ত্রী কিংবা ঘনিষ্ঠ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে তথ্য উঠে আসার সম্ভাবনা থাকলে—তখনই একই ধরনের হস্তক্ষেপের ‘প্যাটার্ন’ দেখা যাচ্ছে। শীর্ষ আদালতে জমা দেওয়া আবেদনে ইডি উল্লেখ করেছে, পশ্চিমবঙ্গে এমন এক মারাত্মক পরিস্থিতি (Shocking situation in West Bengal) তৈরি হয়েছে যেখানে আইন রক্ষার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরাই গুরুতর অপরাধে মদত দিচ্ছেন। এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যের ডিজিপি ও কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কথা তুলে ধরেছে ইডি। তাদের বক্তব্য, ২০১৪ সালের ললিতা কুমারী বনাম উত্তরপ্রদেশ সরকার মামলার রায়ের আলোকে এই ঘটনায় এফআইআর দায়ের হওয়া বাধ্যতামূলক।

    তল্লাশিতে কীভাবে বাধা দেওয়া হয়

    ইডি জানিয়েছে, তারা যে আই-প্যাকের (I-PAC) প্রতিষ্ঠাতা প্রতীক জৈনের (Pratik Jain) বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিলেন তার জন্য যথেষ্ট কারণ ছিল। তদন্তে জানা গেছিল, ২০ কোটি টাকার বেশি ‘অপরাধলব্ধ অর্থ’ তারা পেয়েছে। কিন্তু সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী, মুখ্যসচিব, ডিজিপি, কলকাতার পুলিশ কমিশনার ও অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা একসঙ্গে সেখানে ঢুকে পড়েন বলে অভিযোগ। ইডির দাবি, ওই আধিকারিকরা তদন্তকারী অফিসারদের ভয় দেখান, হুমকি দেন এবং তল্লাশির সময় বাজেয়াপ্ত করা গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ইলেকট্রনিক প্রমাণ কেড়ে নেন। এমনকি তল্লাশি আর চালাতেও দেওয়া হয়নি। ইডির ভাষায়, এটি ছিল প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট (PMLA) অনুযায়ী সংগৃহীত প্রমাণে সরাসরি হস্তক্ষেপ।

    সংবিধান ও আইনের শাসন অপমানিত

    ইডির স্পষ্ট বক্তব্য, সংগৃহীত প্রমাণের সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক দলের কার্যকলাপের যোগ নেই। তা সত্ত্বেও, মুখ্যমন্ত্রী ও শীর্ষ পুলিশ কর্তাদের মাধ্যমে সেই প্রমাণ কেড়ে নেওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে ঘটায় সংবিধান ও আইনের শাসন চরমভাবে অপমানিত হয়েছে। ইডি আরও বলেছে, মুখ্যমন্ত্রী নিজেই স্বরাষ্ট্র দফতরের দায়িত্বে থাকায় রাজ্য পুলিশের কাছে এফআইআর দায়ের করা অর্থহীন। এতে প্রকৃত তদন্ত না হয়ে প্রভাবশালীদের আড়াল করার চেষ্টা হবে। ইডির আবেদনে দাবি করা হয়েছে, কলকাতা হাইকোর্টে মামলার শুনানির সময়ও শাসক দলের সমর্থকেরা ইচ্ছাকৃতভাবে বিশৃঙ্খলা তৈরি করেন। এমনকি দলীয় হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আদালতে ভিড় জমাতে বার্তাও দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে আদালত শুনানি মুলতুবি রাখতে বাধ্য হয়।

    সিবিআই তদন্তের দাবি ইডি-র

    এই প্রেক্ষিতে ইডি শীর্ষ আদালতের কাছে আবেদন জানিয়েছে, পুরো ঘটনার তদন্ত সিবিআই-কে দিয়ে করানো হোক। ইডির মতে, এটি ‘রেয়ারেস্ট অফ রেয়ার’ পরিস্থিতি, যেখানে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপ জরুরি—যাতে কোনও রাজনৈতিক নেতা ভবিষ্যতে প্রকাশ্যে আইন নিজের হাতে নেওয়ার সাহস না পান। ইডি আরও জানিয়েছে, তারা বহু-রাজ্য মানি লন্ডারিং সংক্রান্ত একটি বৃহৎ মামলা তদন্ত করছেন। তদন্ত অনুযায়ী ২৭৪২.৩২ কোটি টাকার অপরাধমূলক অর্থ অবৈধ কয়লা খনি থেকে সরকারি কোষাগারে পৌঁছেছে। ইতিমধ্যেই ২০ কোটি টাকারও বেশি অপরাধমূলক অর্থের প্রাপ্তির প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে।

    সুপ্রিম দুয়ারে ইডির আবেদন

    উল্লেখ্য এর আগেও আই প্যাক ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল ইডি। শনিবার সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদের আওতায় একটি আবেদন করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কয়লা কেলেঙ্কারি মামলার তদন্তে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে, অভিযোগ জানিয়ে সিবিআই তদন্তের আর্জি জানিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আর্থিক তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, তাদের আধিকারিকদের আইনসম্মতভাবে তল্লাশি চালানো এবং কয়লা পাচার মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ নথি ও তথ্য বাজেয়াপ্ত করতে বাধা দেওয়া হয়। ইডি-র আরও দাবি, রাজ্যের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের উপস্থিতিতেই সংশ্লিষ্ট ওই স্থানগুলি থেকে গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস জোর করে সরিয়ে নেওয়া হয়। আই প্যাক-কাণ্ডে কলকাতা হাইকোর্টেও মামলা করেছে ইডি। সেই মামলার শুনানি ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মুলতুবি করা হয়েছে। রাজ্য সরকারের আশঙ্কা ছিল যে, ইডি ওই মামলা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে। সে কারণে সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল করে রেখেছিল রাজ্য, যাতে সেখানে ইডির বক্তব্য একতরফা ভাবে না শোনা হয়। যদি ইডি মামলা করে, তা হলে দুই পক্ষের বক্তব্য যেন শোনা হয়, সেই জন্য দাখিল করা হয় ক্যাভিয়েট।

  • PM Modi: নয়া উচ্চতায় ভারত–জার্মানি সম্পর্ক, মোদি-মের্ৎসের উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত হল একগুচ্ছ মউ

    PM Modi: নয়া উচ্চতায় ভারত–জার্মানি সম্পর্ক, মোদি-মের্ৎসের উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত হল একগুচ্ছ মউ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিরক্ষা, অভিবাসন ও কর্মী যাতায়াত, প্রযুক্তি এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে একমত হল ভারত ও জার্মানি (Germany)। এনিয়ে গুজরাটে যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনও করেন দুই দেশের দুই প্রতিনিধি। যৌথ বিবৃতি দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ও জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত ও জার্মানির মতো অর্থনীতির মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা শুধু দুই দেশের জন্যই নয়, সমগ্র মানবজাতির জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তাঁর কথায়, দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে এখন নতুন বৃদ্ধি ও নিরাপত্তার ফলাফলে রূপান্তরিত করার সময় এসেছে।

    সুস্পষ্ট রোডম্যাপ (PM Modi)

    প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দুই দেশ একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরির দিকে এগোচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার ক্ষেত্রে জার্মানির প্রক্রিয়াগত জটিলতা কমানোর সিদ্ধান্তকেও স্বাগত জানান। অতীতে এই জটিলতাই দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতার পথে বাধার প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত বর্তমানে প্রতিরক্ষা খাতে বৈচিত্র্য আনা এবং দেশীয় উৎপাদন জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। জার্মানির সহজতর ক্রয় প্রক্রিয়া যৌথ প্রকল্প ও সরবরাহকারী অংশগ্রহণ দ্রুততর করতে পারে। দুই দেশ অভিবাসন ও দক্ষ কর্মী যাতায়াত নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্তও নিয়েছে। এর মাধ্যমে জার্মানির শ্রমবাজারের চাহিদা এবং ভারতের দক্ষ মানবসম্পদের মধ্যে যোগসূত্র তৈরি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করা হয়নি, তবে এই উদ্যোগকে অর্থনৈতিক কৌশল হিসেবেই দেখা হচ্ছে (PM Modi)।

    ভারত–জার্মানি কৌশলগত অংশীদারিত্ব

    মোদি জানান, গত বছর ভারত–জার্মানি কৌশলগত অংশীদারিত্বের ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে এবং চলতি বছর দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫ বছর উদযাপিত হচ্ছে। ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক এই অংশীদারিত্বে নতুন গতি এনেছে, যার প্রভাব (Germany) পড়বে বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলেও। দুই দেশ যৌথভাবে ভারত–জার্মানি সেন্টার অফ এক্সেলেন্স গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও ঘোষণা করেছে। এই কেন্দ্র জ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে একটি যৌথ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে (PM Modi)। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, নগর উন্নয়ন ও আরবান মোবিলিটির ক্ষেত্রে একাধিক নতুন প্রকল্প এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ভারত ও জার্মানির সংস্থাগুলির অংশগ্রহণে একটি বৃহৎ সবুজ হাইড্রোজেন প্রকল্পকে ভবিষ্যতের জ্বালানি ক্ষেত্রে “গেম-চেঞ্জার” হিসেবেও তুলে ধরা হয়।

    স্বামী বিবেকানন্দের জন্মবার্ষিকীতে চ্যান্সেলর মের্ৎসকে স্বাগত জানিয়ে মোদি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, স্বামী বিবেকানন্দ ও ম্যাডাম কামার মতো ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বদের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “এই সফর সেই ঐতিহ্যকে আধুনিক কৌশলগত অংশীদারিত্বে রূপ দিচ্ছে (PM Modi)।” চ্যান্সেলর মের্ৎস বলেন, “জার্মানি ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর ও শক্তিশালী করতে চায়। এর আগে তিনি মহাত্মা গান্ধীর জন্মভূমিও পরিদর্শন করেন (Germany)। এই সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে একাধিক মউ স্বাক্ষরিত হয়।

  • Vande Bharat: বন্দে ভারত স্লিপার থেকে অমৃত ভারত, নববর্ষে বাংলাকে একগুচ্ছ ট্রেন উপহার মোদি সরকারের

    Vande Bharat: বন্দে ভারত স্লিপার থেকে অমৃত ভারত, নববর্ষে বাংলাকে একগুচ্ছ ট্রেন উপহার মোদি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নববর্ষে বাংলাকে একগুচ্ছ ট্রেন উপহার দিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার। উপহার দেওয়া হয়েছে অসমকেও (Vande Bharat)। জানা গিয়েছে, একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ এবং অসম থেকে ১১টি ট্রেন চালু করতে চলেছে ভারতীয় রেল (Amrit Bharat Express)। সূত্রের খবর, এই ১১টি ট্রেনের মধ্যে রয়েছে আটটি অমৃত ভারত এবং একটি বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনও। দেশে এই প্রথমবার আটটি বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালু হচ্ছে। আর রাজ্যভিত্তিক বণ্টনের নিরিখে ১১টি ট্রেনের মধ্যে ন’টিই পাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ। বাকি দুটি ট্রেনও অসম ছেড়ে পশ্চিমবঙ্গ ছুঁয়ে যাবে গন্তব্যে। একটি মেমু প্যাসেঞ্জার ট্রেনের যাত্রাপথও সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। বাঁকুড়া-ময়নাপুর মেমু প্যাসেঞ্জার ট্রেন সম্প্রসারণ করা হচ্ছে জয়রামবাটি পর্যন্ত।

    নয়া ট্রেন (Vande Bharat)

    রেল সূত্রে খবর, নয়া যে ট্রেনগুলি চালু হবে, সেগুলি হল, নিউ জলপাইগুড়ি-তিরুচিলাপল্লি অমৃত ভারত এক্সপ্রস, এসএমভিটি বেঙ্গালুরু-আলিপুরদুয়ার অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, আলিপুরদুয়ার-পানভেল অমৃত এক্সপ্রেস, ডিব্রুগড়-গোমতী নগর অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, কামাখ্যা-রোহতক অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, হাওড়া-আনন্দ বিহার টার্মিনাল অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, শিয়ালদা-বেনারস অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, নিউ জলপাইগুড়ি-নাগেরকোল অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, হাওড়া-কামাখ্যা বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন, এসএমভিটি বেঙ্গালুরু-বালুরঘাট এক্সপ্রেস এবং এসএমভিটি বেঙ্গালুরু-রাধিকাপুর এক্সপ্রেস (Vande Bharat)।

    কী বললেন রেলমন্ত্রী

    ২০২৬ সালের প্রথম দিনই রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছিলেন, দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালু হবে হাওড়া থেকে (Amrit Bharat Express) কামাখ্যার মধ্যে। সম্প্রতি তিনি বলেন, “আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই পরিষেবা চালু হয়ে যাবে, পরিষেবা শুরু হবে সম্ভবত ১৮ বা ১৯ তারিখ। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছি। তিনি রাজিও হয়েছেন। আর সব কিছু ঠিকঠাক হয়ে গিয়েছে। দু’-তিনদিনের মধ্যেই নির্দিষ্ট দিনক্ষণ ঘোষণা করে দেব।”

    ভাড়া কত

    রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, কলকাতা থেকে গুয়াহাটিতে বিমানে যেতে খরচ পড়ে ৬ থেকে ৮ হাজার টাকা। সেখানে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে থার্ড এসিতে যেতে খরচ হবে খাবার-সহ ২,৩০০ টাকার মধ্যে। সেকেন্ড এসিতে সফর করতে হলে দিতে হবে আরও ৭০০ টাকা বেশি (Vande Bharat)। আর ফার্স্ট এসিতে ভাড়া পড়বে মোটামুটি ৩,৬০০ টাকা। তিনি জানান, মধ্যবিত্তের কথা মাথায় রেখেই ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। মন্ত্রী জানান, গুয়াহাটি থেকে যে ট্রেন হাওড়া আসবে, তাতে মিলবে অসমের খাবার। আর কলকাতা থেকে যে ট্রেন কামাখ্যা যাবে, তাতে পাওয়া যাবে বাঙালি খাবার (Amrit Bharat Express)।

    রেল সূত্রে খবর, সাঁতরাগাছি থেকে চেন্নাই পেরিয়ে তাম্বারাম পর্যন্ত চালু হচ্ছে অমৃত ভারত এক্সপ্রেস। বালুরঘাট-হিলির মধ্যে নয়া রেলপথে শিলান্যাসের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১ হাজার ১৮১ কোটি টাকা। নিউ কোচবিহার থেকে বামনহাট ও বক্সিরহাটের মধ্যে ৯৫ কিলোমিটার লাইনের বৈদ্যুতিকীকরণ করা হবে। এজন্য বরাদ্দ হচ্ছে ১১৮ কোটি টাকা (Vande Bharat)। ফালাকাটা থেকে ধূপগুড়ি পর্যন্ত চার লেনের জাতীয় সড়ক তৈরি প্রকল্পের শিলান্যাসও হবে একই দিনে। এজন্য বরাদ্দ হয়েছে ১ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা (Amrit Bharat Express)।

  • Virat Kohli: নতুন বছরের শুরুতেই শচিনের রেকর্ড ভাঙলেন কোহলি, বিরাট-ব্যাটে সহজ জয় ভারতের

    Virat Kohli: নতুন বছরের শুরুতেই শচিনের রেকর্ড ভাঙলেন কোহলি, বিরাট-ব্যাটে সহজ জয় ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যেখানে ২০২৫ শেষ করেছিলেন, সেখান থেকেই ২০২৬ শুরু করলেন বিরাট কোহলি (Virat Kohli)। মাত্র সাত রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করলেও রবিবার এক নতুন ইতিহাস লিখলেন তিনি। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজের (IND vs NZ) প্রথম ম্যাচেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের (Most Runs In International Cricket) তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এলেন ভারতের এই কিংবদন্তি। ছাপিয়ে গেলেন শ্রীলঙ্কার কুমার সাঙ্গাকারাকে। সামনে শুধুই ক্রিকেটের ঈশ্বর শচিন তেন্ডুলকর। অন্যদিকে, শচিন ৬৪৪ ইনিংস আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২৮ হাজার রানের মাইলস্টোন পেরিয়েছিলেন। লিটল মাস্টারের থেকে ২০ ইনিংস কম খেলে ২৮ হাজারি ক্লাবে পৌঁছলেন ‘রান মেশিন’ কোহলি।

    বিরাট-ব্যাটে নজিরের পর নজির

    নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে’তে সর্বাধিক রান করা ভারতীয় ক্রিকেটার কে? উত্তরটা শচিন। কিউয়িদের বিরুদ্ধে ৪১ ইনিংসে ১,৭৫০ রান করেছিলেন তিনি। গড় ৪৬.০৫। এর মধ্যে ৫টি সেঞ্চুরি এবং ৮টি হাফসেঞ্চুরি। রবিবার লিটল মাস্টারের নজির ৯৪ রান করলেই ছাপিয়ে যেতে পারতেন ‘চেজমাস্টার’। কিন্তু তিনি আউট হলেন ৯৩ রানে। কিউয়িদের বিপক্ষে ৩৪ ইনিংসে কোহলির এখন ১,৭৫০ রান। অর্থাৎ এক্ষেত্রে শচিনকে স্পর্শ করলেন তিনি। রেকর্ড এবং বিরাট কোহলি যেন একে অপরের সমার্থক। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের একমাস পর ওয়ানডে’তে নেমেই ফের সুপারহিট কিং কোহলি। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে অনবদ্য ইনিংস খেলে বুঝিয়ে দিলেন ‘ক্লাস ইজ পার্মানেন্ট’। ৭ রানের জন্য সেঞ্চুরি পেলেন না বটে, তবে বরোদার ম্যাচের পর তাঁর নামের পাশে একাধিক নজির।

    সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক রান

    শচিন তেণ্ডুলকর: ৩৪,৩৫৭
    বিরাট কোহলি: ২৮,০৬৮
    কুমার সঙ্গকারা: ২৮,০১৬

    বিরাট-ব্যাটেই জয়

    রবিবার মূলত বিরাটের ইনিংসে ভর করেই ওডিআই সিরিজে নিউজিল্যান্ডকে ৪ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে (IND vs NZ) এগিয়ে গেল ভারত। এদিন টসে জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন শুভমন গিল। কিউয়ি ইনিংসের শুরুটা ভালোই করেছিলেন কনওয়ে ও হেনরি। দুই ব্যাটারের মধ্যে ১১৭ রানের পার্টনারশিপ হয়। হর্ষিতের বলে ৬২ করে আউট হন হেনরি, ৫৬ রানে সাজঘরে ফেরেন কনওয়ে। ইয়ং মাত্র ১২ রানে আউট করেন সিরাজ। এর পর স্কোরবোর্ডের হাল ধরেন ড্যারিল মিচেল (Daryl Mitchell)। ৮৪ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন তিনি। তবে তাঁকে সেভাবে সঙ্গ দিতে পারেননি কেউই। ৫০ ওভার শেষে ৮ উইকেটে ৩০০ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। ভারতের হয়ে সিরাজ, হর্ষিত ও প্রসিদ্ধ একজোড়া করে উইকেট নেন। কুলদীপ নেন একটি উইকেট। জবাবে ব্যাট করতে নেমে রোহিত শর্মাকে (Rohit Sharma) শুরু থেকেই মারমুখী মেজাজে দেখা যায়। কিন্তু ২৬ রানে আউট হন হিটম্যান। তারপর শুভমনের সঙ্গে স্কোরবোর্ডের হাল ধরেন বিরাট। দু’জনের মধ্যে ১১৮ রানের পার্টনারশিপ হয়। গিল ৫৬ রানে আউট হলে বিরাটের সঙ্গে রানের রথে সওয়ার হন প্রত্যাবর্তনকারী শ্রেয়স আইয়ার। এক রানের জন্য হাফ-সেঞ্চুরি মিস করলেও এদিন তাঁর ব্যাটিংয়ে প্রতিফলিত হয় আত্মবিশ্বাস। জাদেজা ব্যাট হাতে সফল না হলেও মাঝে ২৯ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলে ফের চমক দেন হর্ষিত রানা। তবে দায়িত্ব সহকারে দলকে ম্যাচ জেতান কেএল রাহুল।

    ভগবানের কাছে আমি চির কৃতজ্ঞ

    যাঁকে আইডল মেনে ক্রিকেট খেলা শুরু করেছিলেন, তাঁর রেকর্ডের আরও কাছে পৌঁছে গেলেন বিরাট কোহলি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বাধিক রান করার তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন কিং কোহলি। কুমার সাঙ্গাকারাকে টেক্কা দিয়ে দুই নম্বরে উঠে এসেছেন বিরাট। তাঁর ঝুলিতে এখন রয়েছে ২৮,০৬৮ রান। সামনে সচিন তেন্ডুলকর। তাঁর ঝুলিতে ৩৪, ৩৫৭ রান। অল্পের জন্য শতরান মিস করলেও বিরাটের ব্যাট থেকেই এসেছিল ৯৩ রান। ৯১ বলের ইনিংসে আটটি বাউন্ডারি ও একটি ছক্কা হাঁকান বিরাট। খেলার শেষে তিনি বলেন, “আমি যখন আমার কেরিয়ারটা পেছন ফিরে দেখি তাহলে অসংখ্য মধুর স্মৃতি রয়েছে। ভগবানের কাছে আমি চির কৃতজ্ঞ। অনেক কিছু পেয়েছি।” প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক আরও বলেন, “আমি বরাবরই নিজের ক্ষমতা সম্পর্কে জানতাম। নিজের ক্ষমতা যতটুকু তার মধ্যেই আরও পরিশ্রম করে নিজের উন্নতির চেষ্টা করতাম।” উল্লেখ্য, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তিনটি ওয়ানডেতে বিরাট করেছিলেন ৩০২ রান। গড় ১০০-র উপরে। তাছাড়াও ২০২৫ সালের ১৩ ইনিংসে মোট ৬৫১ রান করেছেন। গড় ৬৫.১০। যা একই ক্যালেন্ডার বছরে সর্বাধিক রানের নজির। এরপর বিজয় হাজারেতে প্রথম ম্যাচে ১৩১ রানের পর গুজরাটের বিরুদ্ধে ৬১ বলে ৭৭ রান করে যান বিরাট। একই ফর্ম বজায় থাকল নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধেও।

  • National Youth Day 2026: যুব সমাজের প্রতি স্বামীজির বার্তা আজও প্রাসঙ্গিক, তাঁর জন্মদিনেই পালিত হয় জাতীয় যুব দিবস

    National Youth Day 2026: যুব সমাজের প্রতি স্বামীজির বার্তা আজও প্রাসঙ্গিক, তাঁর জন্মদিনেই পালিত হয় জাতীয় যুব দিবস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরাধীন ভারতের বীর সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দ (National Youth Day 2026) উন্নত স্বাধীন ভারতের স্বপ্ন দেখতেন। পরাধীনতার অন্ধকারে নিমজ্জিত গোটা জাতির বিবেক চেতনা জাগ্রত হবে, এই আকাঙ্খা ছিল স্বামী বিবেকানন্দের রন্ধ্রে রন্ধ্রে। তাঁর লক্ষ্য ছিল দেশবাসীর মধ্যে জাত্যাভিমান বাড়ানো, দেশপ্রেম জাগানো। নিদ্রিত দেশের চেতনার উদয় না হলে দেশের উন্নতি সম্ভব নয় বলে জানিয়েছিলেন স্বামীজি। দেশের যুবশক্তির প্রতি স্বামীজির অমর বাণী, “উত্তিষ্ঠত জাগ্রত প্রাপ্য বরান্ নিবোধত।” অর্থাৎ “ওঠো! জাগো! এবং লক্ষ্য অর্জন না করা পর্যন্ত থেমো না।” তাঁর বাণী এখনও দেশের যুব সম্প্রদায়ের কাছে সমান প্রাসঙ্গিক। তাই সারা দেশে প্রতি বছর স্বামীজির জন্মদিন ১২ জানুয়ারি জাতীয় যুব দিবস (Swami Vivekananda Birth Anniversary) পালিত হয়। রাষ্ট্রসংঘ ১৯৮৪ সালে ‘আন্তর্জাতিক যুব বর্ষ’ ঘোষণা করে। তারপর থেকেই ভারত সরকার প্রতি বছর স্বামী বিবেকানন্দের জন্মবার্ষিকীকে জাতীয় যুব দিবস হিসাবে উদযাপন করার সিদ্ধান্ত নেয়।

    যুব দিবসের ইতিহাস

    বিখ্যাত দার্শনিক ও আধ্যাত্মিক নেতা স্বামী বিবেকানন্দের (National Youth Day 2026) জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় যুব দিবস পালিত হয়। ১৯৮৫ সালে প্রথমবার জাতীয় যুব দিবস উদযাপিত হয়। স্বামী বিবেকানন্দ বলতেন যে, তরুণরা হল জাতির মেরুদণ্ড। দেশের যুব সম্প্রদায় সামাজিক, রাজনৈতিক এবং আধ্যাত্মিক পরিবর্তন আনতে সক্ষম। সমাজ সংস্কারক, আধ্যাত্মিক নেতা, দার্শনিক এবং প্রেরণাদায়ক বক্তা স্বামী বিবেকানন্দের চিন্তাধারা আজও তরুণদের অনুপ্রাণিত করে চলেছে। এই দিন সারা দেশে যুবকদের উদ্দেশে বিবেকানন্দের (Swami Vivekananda Birth Anniversary) জীবন, কাজ এবং তাঁর দৃষ্টিভঙ্গির স্মৃতিচারণ করা হয়।

    জাতীয় যুব দিবসের গুরুত্ব

    ১২ জানুয়ারি সারা দেশে জাতীয় যুব দিবস (National Youth Day 2026) পালিত হয়। এ উপলক্ষে তরুণদের কেন্দ্র করে নানা ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জাতীয় যুব দিবস উদযাপনের উদ্দেশ্য হল ভারতের যুব সমাজকে স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শ ও মহান চিন্তা সম্পর্কে সচেতন করা। প্রতি বছর একটি বিশেষ প্রতিপাদ্য নিয়ে যুব দিবস পালিত হয়।

    স্বামীজির বার্তা

    যুব সমাজের প্রতি স্বামীজির বার্তা (Swami Vivekananda Birth Anniversary) ছিল “ওঠো , জাগো এবং লক্ষ্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত থেমো না।” কাজ সম্পর্কে বিবেকানন্দের বার্তা, “সারাদিন চলার পথে যদি কোনও সমস্যার সম্মুখীন না হও, তাহলে বুঝবে তুমি ভুল পথে চলেছ।” শিকাগোর বক্তৃতা রাখতে গিয়ে বিবেকানন্দ শুরু করেছিলেন, ‘ভাই ও বোন’ বলে সম্বোধন করে। তাঁরই বক্তব্য, “জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর।” চরিত্র গঠন সম্পর্কে তাঁর বক্তব্য ছিল, “নিজের উপর বিশ্বাস না এলে, ঈশ্বরের উপর বিশ্বাস আসে না।’ তাঁর কথায়, “যে রকম বীজ আমরা বুনি, সে রকমই ফসল আমরা পাই। আমরাই আমাদের ভাগ্য তৈরি করি, তার জন্য কাউকে দোষারোপ করার কিছু নেই, কাউকে প্রশংসা করারও কিছু নেই।” সঙ্গে ভয়ডরহীন হয়ে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা দিয়ে স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন, “ভয়ই মৃত্যু, ভয়ই পাপ, ভয়ই নরক, ভয়ই অসাধুতা, ভয়ই ভুল জীবন। এই বিশ্বের সমস্ত নেতিবাচক চিন্তা-ভাবনা ও ধারণা এই ভয়ের অসৎ শক্তি থেকেই সৃষ্টি হয়েছে।” স্বামী বিবেকানন্দের প্রতিটি বাণী এখনও সমান প্রাসঙ্গিক। তাঁর আদর্শ দেশের যুব সমাজকে তৈরি করতে পারে। তাঁর আদর্শে চলে উন্নত-আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তোলাই যুব-দিবস ২০২৬ (National Youth Day 2026) এর লক্ষ্য।

    কীভাবে পালিত হয় জাতীয় যুব দিবস

    এই দিনে (Swami Vivekananda Birth Anniversary) দেশজুড়ে স্কুল ও কলেজগুলিতে বক্তৃতা প্রতিযোগিতা, প্রবন্ধ লেখা, কুইজ এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনেক জায়গায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শোভাযাত্রা এবং সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে যুবকদের সামাজিক দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করা হয়। এর পাশাপাশি, জাতীয় যুব উৎসবেরও আয়োজন করা হয়, যা সাধারণত ১২ থেকে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত চলে। এতে নাচ, গান, খেলাধুলা, নেতৃত্ব প্রশিক্ষণ এবং যুব সংলাপের মতো অনুষ্ঠান থাকে, যার উদ্দেশ্য হলো যুবকদের প্রতিভাকে একটি মঞ্চ দেওয়া। দেশজুড়ে রামকৃষ্ণ মিশন দ্বারা ভাষণ, যোগাসন सत्र এবং পরিষেবা কার্যক্রম আয়োজন করা হয়। অনেক জায়গায় পরিবেশ সুরক্ষা অভিযান এবং পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিও চালানো হয়। জাতীয় যুব দিবসের মূল থিম থাকে ‘যুব ক্ষমতায়ন’, যার লক্ষ্য যুবকদের আত্মনির্ভর করে তোলা এবং তাদের সমাজ ও দেশের জন্য উপযোগী করে গড়ে তোলা।

LinkedIn
Share