Tag: bangla news

bangla news

  • Type 1 Diabetes: টাইপ-১ ডায়াবেটিস আক্রান্ত শিশুরা বেশি মানসিক সমস্যায় ভোগে, বলছে রিপোর্ট

    Type 1 Diabetes: টাইপ-১ ডায়াবেটিস আক্রান্ত শিশুরা বেশি মানসিক সমস্যায় ভোগে, বলছে রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সময় পাল্টেছে, জীবনযাপনের পদ্ধতি বদলেছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে শিশুদের ডায়াবেটিস (Type 1 Diabetes)। সব দেশে শিশুদের এ রোগে আক্রান্তের হার বাড়ছে। শিশু-কিশোরদের ডায়াবেটিস মূলত দুই ধরনের। প্রথমটির কারণ শরীরে ইনসুলিন তৈরি না হওয়া, যাকে বলে টাইপ১ ডায়াবেটিস। দ্বিতীয়টিতে ইনসুলিনের কার্যক্ষমতা কমে যায়, যার নাম টাইপ২ ডায়াবেটিস। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন যে সমস্ত শিশুরা টাইপ১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত তাদের মধ্যে বড় ঝুঁকি থাকে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার। তারা উদ্বেগজনিত সমস্যায় (Mental Health Issues) ভুগতে থাকে, যাকে বলে অ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডার। ব্রিটেন ও চেক রিপাবলিকের একটি গবেষণা দল এমনই তথ্য সামনে এনেছে সম্প্রতি।

    মুড ডিসঅর্ডার এবং অ্যাংজাইটিজ ডিসঅর্ডার ভোগে টাইপ১ ডায়াবেটিসে (Type 1 Diabetes) আক্রান্ত শিশুরা 

    এই গবেষক দল আরও জানিয়েছে যে শিশুদের যারা টাইপ১ ডায়াবেটিসে (Type 1 Diabetes) আক্রান্ত তাদেরকে সর্বদাই পর্যবেক্ষণে রাখা দরকার। একটি গবেষণা বলছে, বর্তমানে সারা পৃথিবীতে ৮৭ লাখ শিশু টাইপ১ ডায়াবেটিসে। আক্রান্তদের মধ্যে ব্রিটেনেই এই সংখ্যা চার লাখ। সম্প্রতি, চেক প্রজাতন্ত্রের গবেষকরা সাড়ে চার হাজার শিশুর কাছ থেকে বিভিন্ন ডেটা সংগ্রহ করে, যারা টাইপ১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। সেই ডেটাতেই গবেষকরা লক্ষ্য করেন, যে সমস্ত শিশুরা ডায়াবেটিস আক্রান্ত নয়, তাদের সাপেক্ষে এই শিশুরা বেশি অ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডার এবং মুড ডিসঅর্ডারে ভোগে। প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ বেশি মুড ডিসঅর্ডার এবং অ্যাংজাইটিজ ডিসঅর্ডার স্বাভাবিক শিশুদের থেকে বেশি দেখা যায় টাইপ১ ডায়াবেটিস আক্রান্ত শিশুদের।

    টাইপ১ ডায়াবেটিস (Type 1 Diabetes) আক্রান্তের লক্ষণ 

    শিশুদের টাইপ১ ডায়াবেটিসের উপসর্গ দেখা দেয় তুলনামূলক কম বয়সে (Mental Health Issues)। আক্রান্ত শিশু দিন দিন শুকিয়ে যায়, ঘন ঘন প্রস্রাব করে আর দ্রুত অসুস্থ হয়ে পড়ে -এমনকি রক্তে শর্করা অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় শিশুরা অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে। টাইপ১ ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। তবে আগে থেকে সঠিক খাদ্যাভ্যাস, দৈনন্দিন পরিশ্রম ও নিয়ন্ত্রিত জীবনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রন সম্ভব, এমনটাই বলছেন গবেষকরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sunni woman: যোগী রাজ্যে কানওয়ার যাত্রার রুটে দোকানিদের নেমপ্লেট রাখার নির্দেশ, সমর্থন সুন্নি মহিলার

    Sunni woman: যোগী রাজ্যে কানওয়ার যাত্রার রুটে দোকানিদের নেমপ্লেট রাখার নির্দেশ, সমর্থন সুন্নি মহিলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রাবণ মাসেই শুরু হয়েছে কানওয়ার যাত্রা (kanwar yatra)। এই যাত্রাকে কেন্দ্র করে সাজো সাজো রব গোটা উত্তরপ্রদেশে। ইতিমধ্যে যাত্রাকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে মুজফ্ফরনগর জেলা প্রশাসন নতুন নিয়ম জারি করেছে। বুধবারই এই নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যাত্রার পথে রাস্তার ধারে থাকা দোকান এবং হোটেলগুলিতে মালিকের নাম থাকতে হবে। এ নিয়েই উদ্দেশ্য খুব পরিষ্কার যাতে খাবার কেনার সময় ভক্তদের মধ্যে কোনও রকমের বিভ্রান্তি তৈরি না হয়। এ নিয়েই বিরোধীরা যোগী আদিত্যনাথ সরকারকে নিশানা করলেও একজন সুন্নি মুসলিম মহিলা (Sunni woman) অকুণ্ঠভাবে সমর্থন জানিয়েছেন যোগী সরকারের প্রতি।

    কী বলছেন সুন্নি মুসলিম মহিলা (Sunni woman)

    এ নিয়ে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে এবং ওই মুসলিম মহিলা বলছেন, ‘‘আমরা সুন্নিরা হলাম সত্যিকারের মুসলমান। যা কিছু খারাপ করে শিয়ারা। যদি আপনি কোনও শিয়া মুসলিমের কাছে এক গ্লাস জল চান, তাহলে তিনি থুথু ছিটিয়ে দেবেন।’’ এরপরই সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, এমনটা ঘটে রাস্তার ধারের দোকানেগুলিতে? খাবারে থুতু ফেলে দেন কেউ? তিনি ঘাড় নেড়ে সম্মতিও জানান। উত্তরপ্রদেশের প্রশাসন ইতিমধ্যে হোটেল, ধাবা তথা রাস্তার ধারে ঠেলাগাড়িতে (Sunni woman) নেমপ্লেট ব্যবহার করতে বলেছে। ইসলামপন্থীরা এই ঘটনাকে বিরোধ করেছেন। ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। 

     কী বলছেন উত্তরপ্রদেশ সরকারের মন্ত্রী ?  

    মুজফ্ফরনগরের পুলিশ সুপার এ নিয়ে বলেছেন, কানওয়ার যাত্রায় তীর্থযাত্রীরা যে কোনও কারও কাছ থেকে খাবার নিতে পারেন এই নিয়ে আলাদা করে হিন্দু-মুসলিম (Sunni woman) কিছু নেই। উত্তরপ্রদেশ সরকারের মন্ত্রী কপিলদেব আগরওয়াল ব্যাখ্যা দিয়েছেন, ‘‘সারা দেশের শিবভক্তরা (kanwar yatra) হরিদ্বার গোমুখ থেকে জল নিয়ে যান। সেখান থেকে তাঁরা আসেন মুজাফফরনগর। ওই পথে অনেকে নিজেদের দোকান,ধাবা, রেস্তরাঁর নামকরণ করেছেন হিন্দু নামে। অথচ মালিক মুসলিম। কারওর মুসলিম হওয়া নিয়ে আমাদের কোনও আপত্তি নেই। সমস্যা হল, যখন শুদ্ধ নিরামিষ ভোজনালয় নামে রেঁস্তরা খুলে যখন কেউ আমিষ খাবার বিক্রি করে, সমস্যা তাঁদের নিয়ে।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Unrest in Leeds: অগ্নিগর্ভ ব্রিটেনের লিডস! আক্রান্ত পুলিশ, অভিযুক্ত প্যালেস্টাইনপন্থী নেতা

    Unrest in Leeds: অগ্নিগর্ভ ব্রিটেনের লিডস! আক্রান্ত পুলিশ, অভিযুক্ত প্যালেস্টাইনপন্থী নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিশু নির্যাতনের ঘটনাকে কেন্দ্র শুক্রবার অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে ব্রিটেনের (UK) লিডস (Unrest in Leeds)। এখানেও যোগ মিলল এক বাংলাদেশি মুসলিমের। যা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্কও। প্রশ্ন উঠছে, ব্রিটেন কি তবে উগ্র মুসলিমদের দখলে চলে যাচ্ছে! হিংসার ঘটনায় ব্যাপকভাবে আক্রান্ত হতে হল ব্রিটেনের পুলিশকে। তাদের লক্ষ্য করে ইট-পাথর ছোড়া হয়। আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় কয়েকটি বাস ও গাড়িতে। জানা গিয়েছে, হামলার নেপথ্যে নাম উঠে এসেছে স্থানীয় কাউন্সিলর তথা গ্রীন পার্টির নেতা মতিন আলির। এ নিয়ে ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়াতে একাধিক ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে এবং তাতে দেখা যাচ্ছে উন্মত্ত জনতা বাসে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে, পুলিশের গাড়ি উল্টে দিচ্ছে পুলিশের গাড়ির জানালার কাচ ভেঙে দিচ্ছে। এর পাশাপাশি পুলিশকে আক্রমণ করছে উন্মত্ত জনতা। অবশেষে আক্রমণকারীদের (Unrest in Leeds) চাপে পড়ে পুলিশকে ঘটনাস্থল ছেড়ে পালাতে হয়।

    হামলার নেপথ্যে প্যালেস্তাইনপন্থী (Unrest in Leeds) নেতা মতিন আলি 

    হামলার নেপথ্যে উঠে আসা গ্রীন পার্টির (UK) মতির আলি প্যালেস্তাইনপন্থী নেতা বলেই পরিচিত। প্রসঙ্গত, গত বছরের সাত অক্টোবর থেকে শুরু হয় ইজরায়েল-প্যালেস্তাইন যুদ্ধ। এই যুদ্ধে সরাসরি প্যালেস্তাইনকে সমর্থন করেন মতিন আলি এবং তিনি সেই সময়ে বিবৃতি দিয়ে বলেছিলেন, ‘‘প্যালেস্তাইনদের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে।’’ শুধু তাই নয় লন্ডনে ইজরায়েল বিরোধী বিক্ষোভ সমাবেশেও তাঁকে দেখা গিয়েছিল।

    ব্রিটেন কি তবে উগ্র মুসলিমদের (Unrest in Leeds) হাতে চলে যাচ্ছে? 

    এই অবস্থাতেই বারবার প্রশ্ন উঠছে, ব্রিটেন কি তবে উগ্র মুসলিমদের (Unrest in Leeds) হাতে চলে যাচ্ছে? তার কারণ সম্প্রতি ব্রিটেনে ক্ষমতা বদল হয়েছে। সে দেশে লেবার পার্টি ক্ষমতায় এসেছে। ঋষি সুনকের কনজারভেটিভ পার্টি পরাস্ত হয়েছে। এমতাবস্থায় দুদিন আগেই মার্কিন রিপাবলিকান উপ-রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী জেডি ভ্যান্স দাবি করেন, লেবাররা ক্ষমতায় আসার পরে কার্যতই ইংল্যান্ড হয়ে উঠতে চলেছে প্রথম ‘সত্যিকারের ইসলামিক’ দেশ, যাদের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে! ওয়াকিবহাল মহল বলছে, মার্কিন রিপাবলিকান উপ-রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীর এই দাবি নিছক মিথ্যা নয়, তা লিডসের তাণ্ডবেই পরিষ্কার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sara Tendulkar: এবার কি বলিউডে? সচিনের মেয়ে সারার ভাইরাল ভিডিও নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে

    Sara Tendulkar: এবার কি বলিউডে? সচিনের মেয়ে সারার ভাইরাল ভিডিও নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বলিউডে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছেন সচিন কন্যা সারা। দীর্ঘদিন ধরেই এমন গুঞ্জন শোনা যায় বি-টাউনে। ফ্যানেরাও সারাকে বড় পর্দায় দেখতে আগ্রহী। কিন্তু এখনও কোনও সিল মোহর পড়েনি সারার অভিনয় কেরিয়ারে। তবে সম্প্রতি একটি ভাইরাল ভিডিও সারার (Sara Tendulkar) বলিউডে আসার খবরকে ফের উস্কে দিয়েছে।

    ভাইরাল ভিডিও-য় সারা (Sara Tendulkar)

    সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। বুধবার মুম্বইয়ের পালি হিল এলাকায় একটি ভ্যানিটি ভ্যান থেকে বের হতে দেখা যায় সারাকে (Sara Tendulkar)। একটি নীল মিনি ড্রেসে দারুণ দেখাচ্ছে সচিন তনয়াকে। ফ্যানেরাও তাঁকে দেখে ছবি তুলতে শুরু করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবি শেয়ার করে অনেকে লেখেন, যেন রাজকন্যার মতো লাগছে সারাকে। বহুদিন ধরেই ইন্ডাস্ট্রিতে শোনা যায়, অভিনয়ে (Bollywood Debut) নামছেন সারা তেন্ডুলকর। ইতিমধ্যেই একাধিক ব্র্যান্ডের মুখও হয়ে উঠেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: লক্ষ্য আইএসএল! মোহনবাগানে স্কটিশ স্ট্রাইকার স্টুয়ার্ট, রেকর্ড অর্থে ইস্টবেঙ্গলে জিকসন

    শিরোনামে সারা (Sara Tendulkar)

    বিভিন্ন কারণে খবরের শিরোনামে থাকেন সারা তেন্ডুলকর৷ সচিনের (Sachin Tendulkar) মেয়ে হিসেবে তো বটেই, ভারতের তারকা ক্রিকেটার শুভমন গিলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়েও কথা ওঠে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সারা তেন্ডুলকরের ফলোয়ার লক্ষ, লক্ষ৷ এমনকি বলিউডের অনেক হিরোইনেরও থেকেও বেশি ফলোয়ার রয়েছে সচিন কন্যার৷ তিনি এতটাই মোহময়ী যে তাঁর ছবি থেকে মুখ ফেরানো যায় না৷  অসম্ভব সুন্দর স্টাইলিং সেন্স রয়েছে সারার (Sara Tendulkar)৷ ফ্যাশন ডিভা বললেও কম বলা হবে৷ মাত্র ২৬ বছর বয়সেই তিনি কোটি টাকার মালিক৷ এই টাকা তাঁর পারিবারিক নয়, নিজস্ব৷ বলিউডের কোনও ছবিতে কাজ করেননি, তবুও সারার জনপ্রিয়তা অন্য কোনও অভিনেত্রীর থেকে কম নয়। বলিউড অভিনেত্রী না হলেও তার সৌন্দর্যে মুগ্ধ ফ্যানরা৷ তিনি মডেলিং করেন৷ মডেল হিসেবে একটি নামি ব্র্যান্ডে আত্মপ্রকাশ করেন সারা৷ বনিসা সান্ধু এবং তানিয়া শ্রফের সঙ্গে সেখানে দেখা গিয়েছিল সারাকে৷ সারা মায়ের মতো ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন থেকে চিকিৎসা বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করেছেন৷

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maitri Express: বাতিল মৈত্রী এক্সপ্রেস, বন্ধ ইন্টারনেট, বাংলাদেশ জুড়ে শাটডাউন

    Maitri Express: বাতিল মৈত্রী এক্সপ্রেস, বন্ধ ইন্টারনেট, বাংলাদেশ জুড়ে শাটডাউন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ। সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা তুলে দেওয়ার দাবিতে পথে আন্দোলনকারীরা। দফায় দফায় পুলিশ এবং ছাত্রলীগের নেতা-নেত্রীদের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র। সে কারণেই বাতিল করা হল মৈত্রী এক্সপ্রেস (Maitri Express)। বাংলাদেশ সংবাদ মাধ্যম প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী রাজধানী ঢাকার মধ্যে কোনও ট্রেন চলাচল করবে না। বৃহস্পতিবার দুপুর থেকেই বন্ধ রেল পরিষেবা। শুক্রবারেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। আগেই দেশ জুড়ে  সমস্ত মাধ্যমে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছে। বন্ধ রয়েছে গোটা দেশে ব্যাংকিং পরিষেবা।

    কলকাতা থেকেও ছাড়বে না মৈত্রী এক্সপ্রেস (Maitri Express)

    প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত ঢাকায় কোন ট্রেন প্রবেশ করবে না। এমনকি ঢাকা থেকে কোনও ট্রেন কোথাও যাবে না। উল্লেখ্য ঢাকা থেকে কলকাতার মধ্যে চলাচল করে মৈত্রী এক্সপ্রেস (Maitri Express)। কিন্তু ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের রাজধানীর জনজীবন। আগেই মৈত্রী এক্সপ্রেস নানান জায়গায় আটকে দেওয়া হয়েছে। আন্দোলনদের কারীদের টার্গেট হয়ে উঠেছিল মৈত্রী এক্সপ্রেস। এমতাবস্থায় ভারতীয় রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে শুক্রবার ঢাকা থেকে ছাড়বে না মৈত্রী এক্সপ্রেস ছাড়বে না। শনিবার ঢাকার উদ্দেশ্যে কলকাতা থেকে যে মৈত্রী এক্সপ্রেস ছাড়ার কথা ছিল, সেটিও বাতিল করা হয়েছে।

    আন্দোলনকে সমর্থন বিএনপি’র (Bangladesh Protest)

    সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণ সংস্কার আন্দোলনে উত্তাল হয়েছে বাংলাদেশ। এই আন্দোলন এখন ছড়িয়ে পড়েছে প্রায় সমস্ত শহরে। আন্দোলনকারীদের ঠেকাতে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে দেশের প্রশাসন। ইতিমধ্যেই ৩২টি প্রাণ আন্দোলনের বলি হয়েছে। নাগারে চলছে গুলি, রাবার বুলেট, কাঁদানো গ্যাসের শেল।  চাকরিতে সমস্ত ধরনের কোটা ব্যবস্থা সংস্কার করতে হবে এটাই মূল দাবি আন্দোলনকারীদের। তাদের ক্ষোভের কেন্দ্রবিন্দু মুক্তিযোদ্ধাদের স্বজনদের দেওয়া ৩০% সংরক্ষণ। ইতিমধ্যেই সরকার আলোচনা প্রস্তাব দিয়েছিল আন্দোলনকারীদের।

    আরও পড়ুন: কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাশে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, দিলেন বড় আশ্বাস

    কিন্তু আন্দোলনকারীরা সরকারের প্রস্তাব খারিজ করে দেওয়ায় আন্দোলন (Bangladesh Protest) এখনই থমকে যাবে এই সম্ভাবনা কম। অন্যদিকে কোটা আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছে বাংলাদেশের বিভিন্ন ইসলামী ধর্মীয় সংগঠন এবং রাজনৈতিক দল বিএনপি। শাসক দল আওয়ামী লীগের অভিযোগ, বিএনপি এবং ধর্মীয় মৌলবাদী গোষ্ঠীগুলি ছাত্রদের সঙ্গে মিশে গিয়ে দেশ জ্বালানোর আন্দোলনে শামিল হয়েছে। 

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Nadia: তোলা না দেওয়ায় মাছ ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি! অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্র নেতা, হাড়হিম করা ভিডিও ভাইরাল

    Nadia: তোলা না দেওয়ায় মাছ ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি! অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্র নেতা, হাড়হিম করা ভিডিও ভাইরাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাছের ব্যবসায়ী তোলা না দেওয়ায় প্রকাশ্যে গুলি চালানোর ঘটনায় তীব্র শোরগোল পড়েছে নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগরে। এই হাড়হিম করা ভিডিও সামজিক মাধ্যমে ইতিমধ্যে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মাছ বিক্রেতাকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করা হচ্ছে। একই সঙ্গে আবার পিস্তল উঁচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে আরও এক ব্যক্তি। ওঁই ব্যবসায়ীর পায়ে একটি গুলি লেগেছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শহরের তৃণমূল ছাত্রপরিষদের সভাপতি। বিজেপির অভিযোগ এই রাজ্যে তৃণমূল মস্তানতন্ত্র চলছে। এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। 

    চার রাউন্ড গুলি করে দুষ্কৃতীরা (Nadia)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার ভোররাতে এক মাছ ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে চার রাউন্ড গুলি চালানো হয়। গুলিবিদ্ধ মাছ ব্যবসায়ী ভর্তি হাসপাতালে। ঘটনাটি ঘটেছে কৃষ্ণনগর (Nadia) কোতোয়ালি থানার গোয়ারী বাজারে। নগেন্দ্রনগর এলাকার বাসিন্দা সমির ঘোষ এবং বিশ্বনাথ ঘোষ নামে দুই ভাই মাছ ব্যবসা করেন। প্রতিদিন তাঁরা কৃষ্ণনগর গোয়ারা বাজার থেকে মাছ কিনে পাত্র বাজারে বিক্রি করেন। প্রতিদিনের মতো আজ ভোররাতেও তাঁরা গোয়ারি বাজারে মাছ কিনতে যান। অভিযোগ উঠে, হঠাৎ ওই এলাকার কিছু নামজাদা তৃণমূল দুষ্কৃতী তাঁদেরকে আচমকা ঘিরে ধরে এবং টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকার করায় হঠাৎ একটি পিস্তল বের করে ওই দুই মাছ ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে থাকে। প্রথমে একটি গুলি বিশ্বনাথ ঘোষের পায়ে লাগে। বিশ্বনাথকে বাঁচাতে গেলে সমীর ঘোষকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। কিন্তু গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। অন্যদিকে বিশ্বনাথ ঘোষের পায়ে গুলি লাগার কারণে মাটিতে পড়ে যান। এরপরেই বন্দুক দিয়ে মাথায় আঘাত করে দুষ্কৃতীরা। এরপর চিৎকার চেঁচামেচি এবং গুলির আওয়াজে, ওই বাজারের অন্যান্য মাছ ব্যবসায়ীরা ঘটনাস্থলে ছুটে এলে ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। এরপরেই রক্তাক্ত অবস্থায় বিশ্বনাথ ঘোষকে উদ্ধার করে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অন্যদিকে ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার পুলিশ। পাশাপাশি হাসপাতালে গিয়ে ওই দুই মাছ ব্যবসায়ীর সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলে পুলিশ এবং ঘটনার বিবরণ শোনেন। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও অভিযুক্ত আটক কিংবা গ্রেফতার হয়নি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    অভিযুক্ত ২৩ নম্বর ওয়ড়াক্ট প্রাক্তন তৃণমূল সভাপতি

    এ বিষয়ে বিশ্বনাথ ঘোষ বলেন, “আমাদের অভিযুক্তদের সঙ্গে পুরনো কোনও শত্রুতা নেই। তবে যারা গুলি চালিয়েছে তারা ওই এলাকার সমাজবিরোধী হিসেব কাজ করে বেড়ায়। ওরা টাকা চেয়েছিল আমি দিতে অস্বীকার করাতেই এই আক্রমণ করেছে। আমার এবং ভাইয়ের কাছ থেকে ওরা প্রায় ৪০ হাজার নগদ টাকা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়েছে। আমরা চাই অবিলম্বে প্রশাসন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে আইনত ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।” আবার বিশ্বনাথের ভাই সমির ঘোষ বলেছেন, “সৈকত হালদার ওরফে ডাকু এই ভাবে গুলি করেছে। এলাকার মার্কামারা দুষ্কৃতী। মাত্র দুইদিন আগেই জেল থেকে ফিরছে। মদ খাওয়ার জন্য টাকা চাইছিল ওরা, কিন্তু না দেওয়ায় গুলি করে। এলাকায় তৃণমূল নেতা ডাকু, এক সময় শহরের (Nadia) তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি (TMC) ছিলেন।”

    বিজেপির বক্তব্য

    এই গুলিকাণ্ডের ঘটনায় বিজেপির তরফ থেকে তৃণমূল (TMC) সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ হয়েছে। বিজেপি নেতা রাহুল সিন্‌হা বলেছেন, “এই রাজ্যে তৃণমূলের আমলে মস্তানতন্ত্র (Nadia) চলছে। সারা রাজ্যে একই বিষয় চলছে।”

    আরও পড়ুনঃ বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যকে কোমরে পিস্তল ঠেকিয়ে তৃণমূল পার্টি অফিসে মারধর!

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূলের (TMC ) পক্ষ থেকে রাজ্যের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেছেন, “মানুষ আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। আমরা বিষয়টি দেখছি। এলাকায় (Nadia) ঘটনা একদম সহ্য করা যাবে না। প্রশাসনকে বলব উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • MBBS: চিকিৎসা থেকে গবেষণা, এমবিবিএস করে কাজ করা যায় নানা ক্ষেত্রে, জেনে নিন খুঁটিনাটি

    MBBS: চিকিৎসা থেকে গবেষণা, এমবিবিএস করে কাজ করা যায় নানা ক্ষেত্রে, জেনে নিন খুঁটিনাটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডাক্তারের একটিমাত্র সঠিক সিদ্ধান্ত মানুষের জীবন বাঁচাতে পারে, আবার ভুল সিদ্ধান্ত মানুষকে মারতেও পারে। এমনই ধারণা দিয়েছিলেন বিখ্যাত দার্শনিক অ্যারিস্টটল। তাই চিকিৎসা বিজ্ঞান বা চিকিৎসক মানব সমাজে অপরিহার্য। সেদিক থেকে বিচার করলে একজন ভাল চিকিৎসকের কখনও কাজের অভাব হয় না। তাই কেরিয়ার অপশন হিসেবে ডাক্তারি বহু যুগ থেকেই প্রথম সারিতে পড়ে। এমবিবিএস (ব্যাচেলর অফ মেডিসিন এবং ব্যাচেলর অফ সার্জারি) ডিগ্রির মাধ্যমে, প্রচুর ভাল কেরিয়ারের সুযোগ তৈরি হয়। চিকিৎসক হতে চাইলে সবার আগে এমবিবিএস ডিগ্রি (MBBS) প্রয়োজন। এই ডিগ্রি থাকলে একজন চিকিৎসক যেকোনও দিকে বিশেষজ্ঞ হতে পারেন।

    এমবিবিএস ডিগ্রি কী

    ছোটবেলায় চিকিৎসকের সেট নিয়ে খেলার সময় থেকেই মনে মনে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখে অনেকেই। সেই স্বপ্নকেই বাস্তব করার তাগিদে চলতে থাকে পড়াশোনা। তবে, দ্বাদশ শ্রেণি পাশ করার পর চিকিৎসকের পেশায় যাওয়ার জন্য সর্বপ্রথম প্রয়োজন নিট প্রবেশিকা পরীক্ষা পাশ করা। এক কথায় বলা যায় চিকিৎসক হওয়ার প্রথম ধাপ নিট পরীক্ষা। নিট পরীক্ষা দিয়ে ভারতে এমবিবএস পড়ার সুযোগ পাওয়া যায়। এমবিবিএস পাঁচ বছরের ডিগ্রি কোর্স। পড়ার শেষে শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করতে হয়। তারপর মেলে নিজের কাজ।

    কাজের সুযোগ

    চিকিৎসা পরিষেবায় কাজ করার স্বপ্ন বহু পড়ুয়াই দেখে থাকেন। সেই কারণে দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরেই তাঁরা ব্যাচেলর অফ মেডিসিন, ব্যাচেলর অফ সার্জারি অর্থাৎ এমবিবিএস ডিগ্রির অধীনে স্নাতকস্তরে পড়ার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন। ডিগ্রি কোর্সে পড়ার সুযোগ পাওয়ার পর কোন বিষয় নিয়ে উচ্চশিক্ষার পথে এগোবেন, তা নিয়ে ভাবনা চিন্তা চলতে থাকে। চিকিৎসা ক্ষেত্রে সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম বিষয়ে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।

    ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস

    জেনারেল প্র্যাকটিশনার: এমবিবিএস (MBBS) স্নাতকরা সাধারণ চিকিৎসক হিসাবে কাজ করতে পারেন। মানুষ প্রথমেই অসুস্থ বোধ করলে একজন জেনারেল ফিজিশিয়ানের কাছে যান। তারপর তাঁর পরামর্শ মতো বিশেষজ্ঞের কাছে গিয়ে চিকিৎসা করান। এমবিবিএস পাশ করে একজন চিকিৎসক সাধারণ যে কোনও রোগের চিকিৎসা করতে পারেন। এটা চিকিৎসা বিজ্ঞানের প্রাথমিক পাঠ।

    বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক: এমবিবিএস স্নাতকরা বিভিন্ন বিশেষায়িত ক্ষেত্র যেমন কার্ডিওলজি, নিউরোলজি, গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি, ডার্মাটোলজি ইত্যাদিতে উচ্চতর শিক্ষার মাধ্যমে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হতে পারেন। বিশেষজ্ঞরা নির্দিষ্ট শারীরিক সিস্টেম বা চিকিৎসা শাখায় গভীর দক্ষতা অর্জন করেন।

    সার্জন: এমবিবিএস স্নাতকরা সার্জারি প্রশিক্ষণ নিয়ে সার্জন হতে পারেন। তারা সাধারণ সার্জারি থেকে শুরু করে অর্থোপেডিক্স, নিউরোসার্জারি, এবং কার্ডিয়াক সার্জারি সহ বিভিন্ন শাখায় কাজ করতে পারেন।

    পেডিয়াট্রিশিয়ান: শিশুদের স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষজ্ঞ পেডিয়াট্রিশিয়ান হওয়ার জন্য এমবিবিএস স্নাতকরা প্রশিক্ষণ নিতে পারেন। তারা শিশুদের শারীরিক, মানসিক এবং সামাজিক স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার জন্য কাজ করেন।

    সরকারি এবং বেসরকারি সেক্টরে সুযোগ

    সরকারি স্বাস্থ্যসেবা: এমবিবিএস (MBBS) স্নাতকরা সরকারি হাসপাতাল, স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং বিভিন্ন সরকারি স্বাস্থ্য প্রকল্পে চাকরি পেতে পারেন। এ ধরনের চাকরিতে স্থিতিশীলতা এবং সমাজের সেবা করার সুযোগ রয়েছে।

    বেসরকারি হাসপাতাল: বেসরকারি হাসপাতাল এবং ক্লিনিকগুলিতে এমবিবিএস স্নাতকদের জন্য প্রচুর সুযোগ রয়েছে। এই সেক্টরে কেরিয়ারের উন্নতি এবং উচ্চতর আয়ের সুযোগ রয়েছে।

    শিক্ষা এবং গবেষণা: মেডিকেল কলেজ এবং গবেষণা ইনস্টিটিউটে শিক্ষকতা এবং গবেষণা করতে পারেন এমবিবিএস স্নাতকরা। এই ক্ষেত্রে গবেষণা কার্যক্রমে অবদান রাখা এবং নতুন প্রজন্মের চিকিৎসক তৈরি করার সুযোগ রয়েছে।

    প্রশাসনিক কাজ: এমবিবিএস স্নাতকরা স্বাস্থ্য প্রশাসনেও নিজেদের কেরিয়ার গড়তে পারেন। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পরিচালনা, নীতি নির্ধারণ এবং প্রশাসনিক কাজের ক্ষেত্রে তাদের দক্ষতা প্রয়োজন হয়।

    আরও পড়ুন: গুজরাট থেকে বাংলা, রাজস্থান থেকে কর্নাটক! জানেন ভারতের পেশা-বৈচিত্র্য

    বিকল্প কেরিয়ার

    মেডিক্যাল লেখক: এমবিবিএস স্নাতকরা (MBBS) চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়বস্তু নিয়ে লেখালেখির কাজ করতে পারেন। তাঁরা চিকিৎসা জার্নাল, বই এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মের জন্য বিষয়বস্তু তৈরি করতে পারেন।

    মেডিক্যাল কনসালটেন্ট: বিভিন্ন কোম্পানি এবং সংগঠনের জন্য মেডিকেল কনসালটেন্ট হিসেবে কাজ করতে পারেন এমবিবিএস স্নাতকরা। তাঁদের চিকিৎসা জ্ঞান কোম্পানির পণ্য উন্নয়ন, ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল এবং স্বাস্থ্য সম্পর্কিত নীতি প্রণয়নে সহায়ক হতে পারে।

    পাবলিক হেলথ: পাবলিক হেলথ নিয়েও অনেক সময় এমবিবিএস স্নাতকরা কাজ করেন। তাঁরা জনস্বাস্থ্য নীতি, স্বাস্থ্য প্রচারণা এবং রোগ প্রতিরোধ কর্মসূচিতে কাজ করতে পারেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta HighCourt: মিলল হাইকোর্টের অনুমতি, বিদ্যুতের বিল বৃদ্ধির প্রতিবাদে এবার পথে নামছে বিজেপি

    Calcutta HighCourt: মিলল হাইকোর্টের অনুমতি, বিদ্যুতের বিল বৃদ্ধির প্রতিবাদে এবার পথে নামছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদ্যুতের বিল বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিজেপির মিছিলে অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta HighCourt)। রাজ্যের সর্বত্র অস্বাভাবিক হারে বিদ্যুতের বিল বৃদ্ধির অভিযোগ উঠছে। এর প্রতিবাদে মিছিলের কর্মসূচি নিয়েছে বিজেপি। সেই কর্মসূচির জন্য পুলিশের কাছে অনুমতি না পেয়ে, হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল তারা। এদিন শুনানি পর্বে, আদালত শর্ত সাপেক্ষে বিজেপিকে প্রতিবাদ মিছিলের (BJP Rally) নির্দেশ দেয়। 

    কবে, কোথায় হবে এই প্রতিবাদ মিছিল? (BJP Rally) 

    শুক্রবার এই সংক্রান্ত মামলায় কর্মসূচির দিন এবং সময় জানিয়েছে আদালত। আগামী ২৬ জুলাই কর্মসূচির দিন ধার্য করা হয়েছে। আদালত (Calcutta HighCourt) তরফে বিদ্যুৎ বণ্টনকারী সংস্থা সিইএসসির দফতর কলকাতার ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে ধর্নার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। দুপুর ২.৩০ থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টা ধর্নায় বসা যাবে সেখানে। সেই সঙ্গে মিছিলও করতে পারবেন বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির মুরলীধর সেন লেনের দফতর থেকে ভিক্টোরিয়া হাউস পর্যন্ত মিছিলের অনুমতি দিলেন বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ।

    আরও পড়ুন: মাইক্রোসফ্‌টের সমস্যায় বিশ্ব জুড়ে ব্যাহত বিমান পরিষেবা, ব্যাঙ্ক ও শেয়ার বাজার

    কর্মসূচির জন্য মানতে হবে বেশ কিছু শর্ত

    তবে আদালত (Calcutta HighCourt) তরফে বিজেপির এই কর্মসূচির জন্য বেশ কিছু শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ভাবে কর্মসূচির আয়োজন করতে বলেছে আদালত। এক হাজারের বেশি মানুষ এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারবেন না। কর্মসূচিতে এমন কিছু করা যাবে না, যাতে সাধারণ মানুষের ক্ষতি হয়। বিজেপির এই কর্মসূচিতে নিরাপত্তা বজায় রাখতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েনের জন্য কলকাতার যুগ্ম সচিবকে নির্দেশও দিয়েছে আদালত। 
    উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরে বিদ্যুতের বিল অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ। যার জেরে নাভিশ্বাস উঠছে আমজনতার। অনেকে বলছেন, গ্রীষ্মকালে সারা দিন বাতানুকূল যন্ত্র চালিয়ে রেখেও যে বিল দিতে হয়নি, তা এখন দিতে হচ্ছে। ফলে চড়া হারে বর্ধিত বিলের প্রতিবাদেই এবার পথে (BJP Rally) নামতে চলেছে বঙ্গ বিজেপি।
     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tet Scam: কলকাতা হাইকোর্টের দুই সিদ্ধান্তে চাপ বাড়ল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের

    Tet Scam: কলকাতা হাইকোর্টের দুই সিদ্ধান্তে চাপ বাড়ল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (Tet Scam) মামলায় এবার নতুন মোড়। ২০১৪ সালের প্রাথমিক টেট নিয়ে জটিলতার মাঝে ২০১৭ সালের প্রাথমিক টেটের উত্তরপত্র বা ওএমআর শিটের সমস্ত ডিজিটাইজড কপি তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে (High Court) নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। মামলার পরবর্তী শুনানি ১৪ আগস্ট। সেদিন পর্ষদকে ওএমআর শিটের কপি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  

    ওএমআর শিট নষ্টের রহস্য (Tet Scam)

    আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালের টেটে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে। টিনা মুখোপাধ্যায় নামে এক মামলাকারীর অভিযোগ, ২০১৭ সালের টেটে অকৃতকার্য হওয়ার পর তিনি পর্ষদের কাছে ওএমআর শিটের কপি চেয়ে আবেদন জানান। কিন্তু তাঁকে আসল ওএমআর শিটের বদলে একটি ফটোকপি দেওয়া হয়। অন্যদিকে (Tet Scam) মামলার আইনজীবী সুদীপ্ত দাশগুপ্ত এবং বিক্রম বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওএমআর শিটের যে কপি দেওয়া হয়েছিল। সেটি আদৌ তাঁর ছিল না বলে অভিযোগ। প্রসঙ্গত এই মামলায় আগে পর্ষদের তরফে জানানো হয়েছিল, পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওএমআর শিটের সমস্ত আসল কপি নষ্ট করে ফেলা হয়েছে এবং এই সিদ্ধান্ত হয়েছিল রেজুলেশনের ভিত্তিতে।

    প্রশিক্ষণহীন শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে (High Court)

    অন্যদিকে ২০১৪ সালের টেট উত্তীর্ণ শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অনুমতি দিয়েছে, কলকাতা হাইকোর্ট বিচারপতি অমৃতা সিনহা নির্দেশ দিয়েছেন, “চলতি শিক্ষাবর্ষে ওই শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের সুযোগ দিতে হবে। ২০১৪ সালের টেটের ভিত্তিতে প্রাথমিকের দুটি নিয়োগ প্রক্রিয়া হয়েছিল। ২০১৬ সালের ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনেকেই ডিএলএড কোর্স না করেই চাকরি পেয়েছিলেন। পরে সিদ্ধান্ত হয়, পাঁচ বছরের মধ্যে তাঁদের প্রশিক্ষণ করিয়ে নিতে হবে। কিন্তু এতদিনেও সেই প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য পর্ষদ আগ্রহ দেখায়নি।

    আরও পড়ুন: ১০ বছরে রেজিনগরের তৃণমূল বিধায়ক কোনও কাজ করেননি, বললেন দলেরই নেতা

    পরে (Tet Scam) এ নিয়ে মামলা গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে (High Court)। রাজ্যে কয়েক হাজার এমন প্রশিক্ষণ চাকরি প্রশিক্ষণহীন শিক্ষক চাকরি করছেন। বৃহস্পতিবার সেই মামলায় বিচারপতি অমৃতা সিনহা জানান, প্রশিক্ষণহীন শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অনুমতি ও ব্যবস্থা ব্যবস্থা করতে হবে পর্ষদকে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 80: “সূর্যকে বাদ দিয়ে সূর্যের রশ্মি ভাবা যায় না, সূর্যের রশ্মিকে ছেড়ে সূর্যকে ভাবা যায় না”

    Ramakrishna 80: “সূর্যকে বাদ দিয়ে সূর্যের রশ্মি ভাবা যায় না, সূর্যের রশ্মিকে ছেড়ে সূর্যকে ভাবা যায় না”

    শ্রীযুক্ত কেশবচন্দ্র সেনের সহিত ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের নৌকাবিহার, আনন্দ কথোপকথন

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    তমেব সূক্ষ্ম ত্বং স্থূলা ব্যক্তাব্যক্তস্বরূপিণী।

    নিরাকারপি সাকারা কস্তাং বেদিতুমর্হতি।।

    (মহানির্বাণতন্ত্র, চতুর্থোল্লাস, ১৫)

    বেদ ও তন্ত্রের সমন্বয়—আদ্যাশক্তি ঐশ্বর্য

    ক্রমে পোত দক্ষিণেশ্বর ছাড়াইল। সুন্দর দেবালয়ের ছবি দৃশ্যপটের বহির্ভূত হইল। পোতচক্রবিক্ষুব্ধ নীলাভ গঙ্গাবারি তরঙ্গায়িত ফেনিল কল্লোলপূর্ণ হইতে লাগিল। ভক্তদের কর্ণে সে কল্লোল আর পৌঁছিল না। তাঁহারা মুগ্ধ হইয়া দেখিতেছেন–সহাস্যবদন, আনন্দময়, প্রেমানুরঞ্জিত নয়ন, প্রিয়দর্শন অদ্ভুত এক যোগী! তাঁহারা মুগ্ধ হইয়া দেখিতেছেন, সর্বত্যাগী একজন প্রেমিক বৈরাগী! ঈশ্বর বই আর কিছু জানেন না। ঠাকুরের (Ramakrishna) এদিকে কথা চলিতেছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—বেদান্তবাদী ব্রহ্মজ্ঞানীরা বলে, সৃষ্টি, স্থিতি, প্রলয়, জীব, জগৎ–এ-সব শক্তির খেলা। বিচার করতে গেলে, এ-সব স্বপ্নবৎ, ব্রহ্মই বস্তু আর সব অবস্তু, শক্তিও স্বপ্নবৎ, অবস্তু।

    কিন্তু হাজার বিচার কর, সমাধিস্থ না হলে শক্তির এলাকা ছাড়িয়ে জাবার জো নাই। আমি ধ্যান করছি, আমি চিন্তা (Ramakrishna) করছি—এ-সব শক্তির এলাকার মধ্যে, শক্তির ঐশ্বর্যের মধ্যে।

    তাই ব্রহ্ম আর শক্তি অভেদ, এককে মানলেই আর-একটিকে মানতে হয়। যেমন অগ্নি আর তার দাহিকাশক্তি—অগ্নি মানলেই দাহিকাশক্তি মানতে হয়, দাহিকাশক্তি ছাড়া অগ্নি ভাবা যায় না, আবার অগ্নিকে বাদ দিয়ে দাহিকাশক্তি ভাবা যায় না। সূর্যকে বাদ দিয়ে সূর্যের রশ্মি ভাবা যায় না, সূর্যের রশ্মিকে ছেড়ে সূর্যকে ভাবা যায় না।

    দুধ কেমন? না, ধোবো ধোবো। দুধকে ছেড়ে দুধের ধবলত্ব ভাবা যায় না। আবার দুধের ধবলত্ব ছেড়ে দুধকে ভাবা যায় না!

    তাই ব্রহ্মকে ছেড়ে শক্তিকে, শক্তিকে ছেড়ে ব্রহ্মকে ভাবা যায় না। নিত্যকে ছেড়ে লীলা, লীলাকে ছেড়ে নিত্য ভাবা (Ramakrishna) যায় না!

    আদ্যাশক্তি লীলাময়ী; সৃষ্টি-স্থিতি-প্রলয় করছেন। তাঁরই নাম কালী (Ramakrishna)। কালীই ব্রহ্ম, ব্রহ্মই কালী! একই বস্তু, যখন তিনি নিস্ক্রিয়—সৃষ্টি, স্থিতি, প্রলয় কোন কাজ করছেন না—এই কথা যখন ভাবি, তখন তাঁকে ব্রহ্ম বলে কই। যখন তিনি এই সব কার্য করেন, তখন তাঁকে কালী বলি, শক্তি বলি। একই ব্যক্তি নাম-রূপভেদ।  

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share