Tag: bangla

bangla

  • Constitution Amendment Bill: সংবিধান সংশোধনী বিলে নয়া ডিলিমিটেশনের প্রস্তাব

    Constitution Amendment Bill: সংবিধান সংশোধনী বিলে নয়া ডিলিমিটেশনের প্রস্তাব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য বিধানসভাগুলির আকার ও গঠনে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে সংবিধান (একশত একত্রিশতম সংশোধনী) বিল, ২০২৬। এতে ফের সীমানা পুনর্নির্ধারণ (delimitation) প্রক্রিয়া (Fresh Delimitation) শুরু করা এবং ১৯৭৬ সাল থেকে কার্যকর থাকা জনসংখ্যার ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাসের ওপর দীর্ঘদিনের সাংবিধানিক স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে (Constitution Amendment Bill)। এই বিলটি সংসদের একটি বিশেষ অধিবেশনে উত্থাপন করা হবে। অধিবেশন শুরু হবে ১৬ এপ্রিল থেকে। প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলির ফলে রাজ্য বিধানসভাগুলির মোট আসনসংখ্যা জনসংখ্যার পরিবর্তনের ওপর নির্ভর করে বদলাবে, রাজ্যের অভ্যন্তরে নির্বাচনী এলাকার সীমানাও নতুন করে নির্ধারণ করা হবে।

    ডিলিমিটেশন কমিশনকে দায়িত্ব (Constitution Amendment Bill)

    জানা গিয়েছে, এই বিলটি সংবিধানের ১৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের প্রস্তাব দেয়, যা রাজ্য বিধানসভার গঠন নিয়ন্ত্রণ করে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে সংসদ নির্ধারিত একটি জনগণনার ভিত্তিতে বিধানসভার আসনসংখ্যা পুনর্নির্ধারণ এবং নির্বাচনী এলাকার সীমানা ফের আঁকার ব্যবস্থা করা হবে। এভাবে ১৯৭৬ সাল থেকে চালু থাকা পুনর্বিন্যাসের ওপর স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়া হবে। বিলটি ১৭০ অনুচ্ছেদের তৃতীয় শর্তটি বাতিল করার প্রস্তাব দেয়, যা ২০২৬ সালের জনগণনার পর পর্যন্ত সীমানা পুনর্নির্ধারণ প্রক্রিয়া স্থগিত রেখেছিল (Constitution Amendment Bill)। এই সংশোধনীর মাধ্যমে আগে যেখানে সংসদ সীমানা নির্ধারণ কর্তৃপক্ষ ঠিক করত, সেখানে এখন সরাসরি একটি ডিলিমিটেশন কমিশনকে এই দায়িত্ব দেওয়া হবে। ১৭০(২) অনুচ্ছেদের ব্যাখ্যায় ‘জনসংখ্যা’ বলতে সংসদ যে জনগণনাকে গ্রহণ করবে, সেই জনগণনার তথ্য বোঝাবে (Fresh Delimitation)।

    এক-তৃতীয়াংশ আসন নারীদের জন্য

    জানা গিয়েছে, বিলটি ৩৩৪এ অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপন করে রাজ্য বিধানসভায় এক-তৃতীয়াংশ আসন নারীদের জন্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা কার্যকর করবে। এই সংরক্ষণ কার্যকর হবে তখনই, যখন সর্বশেষ প্রকাশিত জনগণনার ভিত্তিতে নতুন করে সীমানা পুনর্নির্ধারণ করা হবে। উল্লেখ্য যে, সর্বশেষ জনগণনা হয়েছিল ২০১১ সালে (Constitution Amendment Bill)। সংরক্ষিত আসনগুলিকে পরবর্তী সীমানা পুনর্নির্ধারণে রাজ্যের মধ্যে ঘুরিয়ে (rotation) দেওয়া হবে। এই সংরক্ষণ ২০২৩ সালের সংবিধান (১০৬তম সংশোধনী) আইন কার্যকর হওয়ার পর থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে, যদি না সংসদ আইন করে এর মেয়াদ বাড়ায়। বিলটিতে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু রাজ্যে যাতে উপজাতি প্রতিনিধিত্ব কমে না যায়, তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ৩৩২ অনুচ্ছেদের সংশোধনের মাধ্যমে অরুণাচল প্রদেশ, মেঘালয়, মিজোরাম, ত্রিপুরা ও নাগাল্যান্ডে উপজাতিদের বিশেষ সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে (Constitution Amendment Bill)।

    তফশিলি উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত আসন

    এছাড়া নির্ধারিত হয়েছে যে, তফশিলি উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত আসনের সংখ্যা বর্তমান অনুপাতের নীচে নামবে না (Fresh Delimitation)। এই পুরো প্রক্রিয়াটি পরিচালিত হবে প্রস্তাবিত ডিলিমিটেশন বিল, ২০২৬ অনুযায়ী। এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকার একটি সীমানা পুনর্নির্ধারণ কমিশন গঠন করবে। এই কমিশনের প্রধান হবেন সুপ্রিম কোর্টের বর্তমান বা প্রাক্তন বিচারপতি। থাকবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (অথবা নির্বাচন কমিশনের মনোনীত কোনও কমিশনার) এবং সংশ্লিষ্ট রাজ্যের নির্বাচন কমিশনার। প্রত্যেক রাজ্যে ১০ জন সহযোগী সদস্য থাকবেন। এঁদের মধ্যে ৫ জন লোকসভার সদস্য এবং ৫ জন রাজ্যের বিধায়ক। তাঁরা কমিশনকে সাহায্য করতে পারবেন, কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে ভোট দিতে পারবেন না (Constitution Amendment Bill)।

    আসুন, জেনে নেওয়া যাক কমিশনের কাজটি ঠিক কী। কমিশন প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের লোকসভার আসন নির্ধারণ করবে, রাজ্য বিধানসভার মোট আসনসংখ্যা ঠিক করবে, সংসদীয় ও বিধানসভা আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করবে, তফশিলি জাতি, উপজাতি এবং মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন চিহ্নিত করবে। খসড়া প্রস্তাব জনমত ও আপত্তির জন্য প্রকাশ করা হবে। পরে চূড়ান্ত হলে তা ভারতের গেজেটে প্রকাশিত হবে এবং আইনের শক্তি পাবে। তখন আর একে আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না (Fresh Delimitation)।

    নতুন সীমানাগুলি কমিশনের চূড়ান্ত নির্দেশের পর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কার্যকর হবে (Constitution Amendment Bill)।

     

  • Mayawati: ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ বিল সমর্থন বিএসপি সুপ্রিমো মায়াবতীর

    Mayawati: ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ বিল সমর্থন বিএসপি সুপ্রিমো মায়াবতীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার জন্য প্রস্তাবিত ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ বিল (Womens Reservation Bill) সমর্থন করেছেন বহুজন সমাজবাদী পার্টির প্রধান মায়াবতী (Mayawati)। এই বিলটি পাশ করাতে কয়েক দিনের মধ্যে একটি বিশেষ অধিবেশনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সংসদ। এই অধিবেশনেই মহিলাদের সংরক্ষণ বিল নিয়ে আলোচনা ও পাস করা হবে। এই প্রেক্ষিতে বহুজন সমাজ পার্টি সুপ্রিমোর ভিন্ন সুরে যারপরনাই খুশি বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ। মায়াবতী বলেন, “এটি অন্তত মহিলাদের প্রাপ্য প্রতিনিধিত্ব দেওয়ার একটি সূচনা।
    সংখ্যাটা হয়তো কম, কিন্তু এটি একটি শুরু, এবং আমরা একে স্বাগত জানাই। ৫০ না হলেও, ৩৩ শতাংশই চলবে।”

    প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য (Mayawati)

    উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দল বিএসপি আগে থেকেই মহিলাদের জন্য ৫০ শতাংশ সংরক্ষণের দাবি জানিয়ে আসছে। অন্য কোনও দল এতে রাজি হয়নি, ভবিষ্যতেও সম্মত হবে বলে মনে হয় না। আমরা শ্রদ্ধেয় বিআর আম্বেদকরকেও ধন্যবাদ জানাই, যিনি নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সমান ভোটাধিকারের ব্যবস্থা করেছিলেন।” তিনি জানান, ২০২৩ সালে প্রথম পাশ হওয়া আইন বাস্তবায়িত হতে দেরি হলেও তার দল একে স্বাগত জানায় এবং ঐতিহাসিকভাবে বঞ্চিত মহিলাদের জন্য সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “যদিও দেরি হয়েছে, তবুও আমরা একে স্বাগত জানাই। যদি প্রকৃতপক্ষে শোষিত ও বঞ্চিত মহিলাদের—বিশেষত এসসি, এসটি এবং ওবিসি সম্প্রদায়ের মহিলাদের জন্য আলাদা সংরক্ষণ দেওয়া হয়, তবে তা যথাযথ ও ঐতিহাসিক (Mayawati) হবে।”

    নারী ক্ষমতায়ন নিয়েও আলোচনা

    মহিলাদের ক্ষমতায়ন নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মায়াবতী বলেন, “মহিলাদের অধিকার নিয়ে অনেক কথা বলা হলেও সুস্পষ্ট নীতি ও দৃঢ় ইচ্ছাশক্তির অভাবে তা বাস্তবায়িত হয়নি। আগামীকাল থেকে সংসদের তিন দিনের অধিবেশন শুরু হচ্ছে। নারী ক্ষমতায়ন নিয়ে অনেক আলোচনা হলেও সঠিক নীতি ও ইচ্ছেশক্তির অভাবে তা যথাযথভাবে এগোয়নি। অন্যান্য (Womens Reservation Bill) বঞ্চিত গোষ্ঠীর মতো মহিলারাও এখনও বিভিন্ন অপরাধ ও হিংসার শিকার হচ্ছেন (Mayawati)।”

    কংগ্রেসকে নিশানা মায়াবতীর

    কংগ্রেসকে নিশানা করে তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর দলটির নীতিতে জাতিভেদ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল এবং এর ফলে মহিলাদের সংরক্ষণ বিলম্বিত হয়েছে।” মায়াবতী বলেন, “তৎকালীন কংগ্রেস সরকার জাতিভেদের কারণে এটি গ্রহণ করেনি এবং পরে ধাপে ধাপে তা পাশ করে। ফলে আম্বেদকরকে দেশের প্রথম আইনমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে হয়। কারণ ওবিসিদের জন্য সংরক্ষণ এবং মহিলাদের নিরাপত্তা ও উন্নতির জন্য যথেষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।” প্রসঙ্গত, এর আগে মঙ্গলবার, সরকার ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে মহিলা সংরক্ষণ আইন কার্যকর করার লক্ষ্যে লোকসভার আসন সংখ্যা ৮৫০ করার প্রস্তাব দেয়। এর মধ্যে ৮১৫টি আসন রাজ্যগুলির জন্য এবং ৩৫টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জন্য নির্ধারিত হবে বলে সূত্রের খবর। বর্তমানে লোকসভায় ৫৪৩টি আসন রয়েছে। সরকার ১৬, ১৭ এবং ১৮ এপ্রিল সংসদের বিশেষ অধিবেশনে সংবিধান সংশোধনী বিল আনতে চায়, যাতে ২০২৯ থেকে লোকসভায় ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করা যায় (Mayawati)। প্রস্তাবিত সীমানা পুনর্নির্ধারণের ফলে সব রাজ্যের আসন সংখ্যা বাড়বে। এই বিশেষ অধিবেশনে নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম, ২০২৩ সংশোধন এবং প্রস্তাবিত (Womens Reservation Bill) ডিলিমিটেশন বিলও নিয়ে আলোচনা হবে।

     

  • Bengali New Year: বাংলা পঞ্জিকার প্রবর্তন করেছিলেন আকবর! কে ভুলিয়ে দিতে চাইছে ইতিহাস?

    Bengali New Year: বাংলা পঞ্জিকার প্রবর্তন করেছিলেন আকবর! কে ভুলিয়ে দিতে চাইছে ইতিহাস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই পয়লা বৈশাখ (Bengali New Year)। বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, এদিন থেকেই শুরু হয়েছে বঙ্গাব্দ (Shashanka Dynasty)। এক দলের মতে, বাংলা পঞ্জিকার প্রবর্তন করেছিলেন মুঘল সম্রাট আকবর। রাজস্ব আদায় স্থানীয় ঋতুচক্রের সঙ্গে মিলিয়ে নিতেই তিনি এটি করেছিলেন। বর্তমানে আমরা রয়েছি ১৪২৬ বঙ্গাব্দে। স্বাগত জানাতে চলেছি ১৪২৭কে। আর আকবরের শাসন কাল শুরু হয়েছিল ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দে। যার অর্থ, মুঘল সম্রাট আকবরের রাজ্যাভিষেক হওয়ার অনেক আগেই চালু হয়ে গিয়েছিল বংলা পঞ্জিকা।

    বঙ্গাব্দের সূচনা (Bengali New Year)

    বঙ্গাব্দের সূচনা হয়েছিল ৫৯৪ খ্রিস্টাব্দে। তখন শাসক ছিলেন মহাসামন্ত, পরে গৌড়েশ্বর শশাঙ্কই বসেন রাজসিংহাসনে। অনুমান, তিনি ছিলেন মগধের পরবর্তী গুপ্তদের অধীনস্থ বা তাঁদের বংশধর। যাই হোক, পঞ্চম শতকের শেষে তিনি মগধ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বাংলার প্রথম ঐতিহাসিক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। এই গৌড় রাজ্যেরই রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ, যা আজকের মুর্শিদাবাদ। বাংলা পঞ্জিকার প্রাচীনতম প্রত্নতাত্ত্বিক উল্লেখ পাওয়া যায় বাঁকুড়া জেলার ডিহারগ্রাম ও সোনাতাপান গ্রামের কয়েকটি প্রাচীন টেরাকোটা শিবমন্দিরে, যা বহিরাগত আক্রমণের আগেকার সময়ের।

    বঙ্গাব্দ চালুর কৃতিত্ব আকবরের!

    সমালোচকদের একাংশ বঙ্গাব্দ চালুর কৃতিত্ব দিতে চান ষোড়শ শতকের আকবর বা ১৫–১৬শ শতকের সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহকে (Shashanka Dynasty)। প্রশ্ন হল, একটা পুরো হাজার বছরকে কি এভাবে কর্পূরের মতো হাওয়ায় মিলিয়ে দেওয়া যায়? তাদের যুক্তি, হিজরি (৬২২ খ্রিস্টাব্দ) চান্দ্র পঞ্জিকাকে সৌর পঞ্জিকায় রূপান্তর করে কৃষি-রাজস্বের সুবিধা করা হয়েছিল। এসব করা হয়েছিল কিছু দেশীয় পঞ্জিকার সাহায্যে। প্রশ্ন হল, শশাঙ্কের ক্রেডিটকে কেন গুরুত্ব দেওয়া হবে না?

    শশাঙ্কের চালু করা দেশীয় পঞ্জিকা

    এঁদের মতে, শশাঙ্কের চালু করা দেশীয় পঞ্জিকার ধারণাই অনেক বেশি স্বাভাবিক এবং সহজবোধ্য। অন্য একটি অংশের মতে, পূর্ব পাকিস্তানের সময় একটি ‘বাঙালি মুসলিম পরিচয়ে’র সঙ্গে মানানসই ক্যালেন্ডার খোঁজার প্রবণতা ছিল (Bengali New Year)। স্বাধীনতার পরেও বাংলাদেশে বাংলা নববর্ষ জাঁকজমকভাবে উদযাপিত হয়। এই প্রেক্ষিতে, একটি সম্পূর্ণ দেশীয়, ইসলাম-পূর্ব উৎসের বাংলা পঞ্জিকার ধারণা কিছু গোষ্ঠীর কাছে অস্বস্তিকর হতে পারে, এমন অভিমতও ব্যক্ত করেন অনেকে। এঁদের মতে, বাঙালি ও ভারতীয় সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা বোঝা এবং ইতিহাসকে সঠিকভাবে জানার গুরুত্ব রয়েছে। সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষার জন্য ইতিহাসকে বিকৃতি থেকে মুক্ত রাখা প্রয়োজন, এমন আহ্বানও করা হয়েছে এখানে। তাদের বক্তব্য, বাঙালি তার গৌরব বজায় রাখুক, তবে ইতিহাসের সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে। শশাঙ্কের মতো একজন ঐতিহাসিক শাসকের অবদান জানলে গৌরবের অনুভূতি আরও দৃঢ় হতে পারে। শশাঙ্ক (Shashanka Dynasty) বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ, বাংলাদেশ, বিহার ও অসমের কিছু অংশকে একত্রিত করেছিলেন (Bengali New Year)। এটি আঞ্চলিক পরিচয়ের ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

     

  • India: ভারতে ক্রমেই বাড়ছে ইউপিআইয়ের ব্যবহার, লেনদেনের পরিমাণ জানেন?

    India: ভারতে ক্রমেই বাড়ছে ইউপিআইয়ের ব্যবহার, লেনদেনের পরিমাণ জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থায় দেখা গেল একটি ট্রান্সফর্মেটিভ বছর। ২০২৫ সালে ইউনিফায়েড পেমেন্টস ইন্টারফেসের  (UPI) মাধ্যমে মোট ২২৮.৫ বিলিয়ন টাকা লেনদেন হয়েছে। এটি গত বছরের তুলনায় ৩৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে ‘ওয়ার্ল্ডলাইনে’র একটি প্রতিবেদনে। জানা গিয়েছে, মোট লেনদেনের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২৯৯.৭৪ ট্রিলিয়ন টাকা, যা দৈনন্দিন লেনদেনের ক্ষেত্রে ইউপিআইকে ভারতের প্রধান পেমেন্ট পদ্ধতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

    ডিজিটাল পেমেন্টই ভরসা (India)

    ‘ওয়ার্ল্ডলাইনে’র বার্ষিক রিপোর্ট “ইন্ডিয়া ডিজিটাল পেমেন্টস রিপোর্ট-ইয়ার ২০২৫ ইন রিভিউ থেকে। প্রতিবেদনটিতে দেখা গিয়েছে, ভারত একটি মাইক্রো-ট্রানজ্যাকশন অর্থনীতিতে রূপান্তরিত হচ্ছে, যেখানে ছোট অঙ্কের নগদ লেনদেনের পরিবর্তে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবহৃত হচ্ছে—পাড়ার দোকান থেকে শুরু করে পরিবহণ ও দৈনন্দিন পরিষেবা পর্যন্ত, সব ক্ষেত্রেই। জানা গিয়েছে, ইউপিআই (UPI) লেনদেনের গড় মূল্য (ATS) কমে গিয়েছে, যা দৈনন্দিন ছোটখাটো কেনাকাটায় এর ব্যবহার বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। মোট এটিএস ৯ শতাংশ কমে ১,৩১৪ টাকায় নেমেছে, আর ব্যবসায়ী পেমেন্টের এটিএস কমে হয়েছে ৫৯২ টাকা।

    ভারতের পেমেন্ট ব্যবস্থায় আধিপত্য

    ইউপিআই এখনও ভারতের পেমেন্ট ব্যবস্থায় আধিপত্য বজায় রেখেছে, যেখানে ব্যক্তি-থেকে-ব্যক্তি (P2P) এবং ব্যক্তি-থেকে-ব্যবসায়ী (P2M) উভয় ক্ষেত্রেই বৃদ্ধি দেখা গিয়েছে। P2M লেনদেন ৩৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৪৩.৮২ বিলিয়নে পৌঁছেছে (India)। ব্যবসায়ীদের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধির জন্য পরিকাঠামোও দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। ইউপিআই কিউআর কোডের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩১.৩৮ মিলিয়নে, এবং পিওএস টার্মিনালের সংখ্যা ১১.৪৮ মিলিয়নে পৌঁছেছে। যদিও দৈনন্দিন পেমেন্টে ইউপিআই প্রাধান্য পাচ্ছে, তবুও বড় অঙ্কের এবং অনলাইন কেনাকাটায় কার্ডের ব্যবহার বাড়ছে। ক্রেডিট কার্ড লেনদেন ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৫.৬৯ বিলিয়নে পৌঁছেছে, আর ডেবিট কার্ড ব্যবহার কমেছে ২৩ শতাংশ, যা ছোট লেনদেনের ক্ষেত্রে ইউপিআইতে স্থানান্তরের ইঙ্গিত দেয় (UPI)।

    ক্রেডিট কার্ডে লেনদেনের পরিমাণ

    অনলাইন ক্রেডিট কার্ডে লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৪.৫৩ ট্রিলিয়ন টাকা, যা ই-কমার্স এবং উচ্চমূল্যের কেনাকাটায় কার্ডের গুরুত্বকে আরও জোরদার করেছে। পুনরাবৃত্ত ডিজিটাল পেমেন্টও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই ব্যবস্থায় ভারতের লেনদেন ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৩.০৫ বিলিয়নে পৌঁছেছে। এর মোট মূল্য ১৪.৮৪ ট্রিলিয়ন টাকা, যা আদতে নির্দেশ করে ৯৩ শতাংশ বৃদ্ধি (India)। এই প্ল্যাটফর্মে শিক্ষা ফি, বিমা, ইএমআই এবং সাবস্ক্রিপশন পরিষেবার মতো ক্ষেত্রে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে, যা “সেট অ্যান্ড ফরগেট” পেমেন্ট মডেলের উত্থান নির্দেশ করে। ওয়ার্ল্ডলাইন ইন্ডিয়ার সিইও রমেশ নরসিংহন বলেন, “ভারতের ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা এখন একটি নতুন পরিণত পর্যায়ে প্রবেশ করছে, যেখানে ব্যাপকতার সঙ্গে কাঠামোগত উন্নয়ন ঘটছে। ইউপিআই, কার্ড এবং পুনরাবৃত্ত পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মগুলির মধ্যে স্পষ্ট ভূমিকা তৈরি হচ্ছে, যা দ্রুত সম্প্রসারিত পরিকাঠামোর দ্বারা সমর্থিত।”

  • India: ফের একবার আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়াল ভারত, এবার কী সাহায্য করা হচ্ছে?

    India: ফের একবার আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়াল ভারত, এবার কী সাহায্য করা হচ্ছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়াল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারত। মঙ্গলবার জানা গিয়েছে, আফগানিস্তানের শিশুদের যক্ষ্মা প্রতিরোধে টিকাকরণ কর্মসূচিকে সমর্থন করতে ১৩ টন বিসিজি (BCG) টিকা এবং সংশ্লিষ্ট শুকনো সামগ্রী সরবরাহ করল ভারত। বিদেশমন্ত্রকের দেওয়া তথ্যেই জানা গেল এ খবর।

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য (India)

    এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “ভারত আফগানিস্তানের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রককে ১৩ টন বিসিজি টিকা এবং সংশ্লিষ্ট শুকনো সামগ্রী দিয়েছে, যাতে দেশটির শিশুদের যক্ষ্মা প্রতিরোধ টিকাকরণ কর্মসূচি আরও জোরদার করা যায়।” এই চালানটি আফগানিস্তানের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রকে পাঠানো হয়েছে, যাতে দেশের শিশুদের যক্ষ্মা প্রতিরোধ কর্মসূচি শক্তিশালী করা যায়। ভারত দীর্ঘদিন ধরে আফগানিস্তানকে মানবিক সহায়তা দিয়ে আসছে, এর মধ্যে চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং টিকা দানও রয়েছে। ৩ এপ্রিল আফগানিস্তানে ভূমিকম্পের পরেও এই সাহায্য অব্যাহত রয়েছে। এর আগে, ৫ এপ্রিল বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, ভারত বন্যা ও ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত আফগানিস্তানকে মানবিক সহায়তা দিয়েছে।

    ভারত আফগানিস্তানের জনগণের পাশে রয়েছে

    সেই সময় রণধীর জয়সওয়াল এক পোস্টে জানিয়েছিলেন, ভারত দুর্যোগ ত্রাণ সামগ্রী যেমন রান্নার সরঞ্জাম, স্বাস্থ্যবিধি কিট, প্লাস্টিক শিট, ত্রিপল, স্লিপিং ব্যাগ ইত্যাদি পাঠিয়েছে। তিনি বলেন, “ভারত আফগানিস্তানের জনগণের পাশে রয়েছে এবং এই কঠিন সময়ে মানবিক সহায়তা দান অব্যাহত রাখবে।” জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ভারী বৃষ্টি ও বন্যায় ১৩১টি বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে এবং ৬৫০টির আংশিক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও ৩,০০০-এর বেশি জেরিব কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এদিকে, আফগানিস্তান সরকার রাষ্ট্রসংঘের নিষেধাজ্ঞার ব্যবস্থার কঠোর সমালোচনা করেছে। সাম্প্রতিক তালিকাকে তারা “অযৌক্তিক এবং অকার্যকর” বলে অভিহিত করেছে।

    আফগানিস্তানের মুখপাত্রের বক্তব্য

    এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেন, “এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা নীতিগত ব্যর্থতা এবং সঠিক বিশ্লেষণের অভাব প্রকাশ করে।” তিনি বলেন, “বারবার একই পদক্ষেপ করা যুক্তিহীন এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি এর প্রভাব যথাযথভাবে মূল্যায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে।” মুজাহিদ আরও বলেন, “এই নিষেধাজ্ঞাগুলি মূলত সাধারণ আফগান জনগণের ক্ষতি করে, সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের নয়।” তিনি সতর্ক করেন, ব্যক্তিদের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শেষ পর্যন্ত সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং বৃহত্তর সমাজকেও প্রভাবিত করে।

    প্রসঙ্গত, এই মন্তব্যগুলি এসেছে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের পর। সেখানে ১৯৮৮ সালের নিষেধাজ্ঞা কমিটি চারজন প্রবীণ তালিবান কর্তার তথ্য আপডেট করা হয়েছে। এঁরা হলেন, মোহাম্মদ হাসান আখুন্দ, আবদুল গনি বরাদর, আমির খান মুত্তাকি এবং হেদায়াতুল্লাহ বাদরি।

     

  • Nitish Kumar: মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা নীতীশের, বিহারের নয়া কান্ডারি বিজেপির সম্রাট

    Nitish Kumar: মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা নীতীশের, বিহারের নয়া কান্ডারি বিজেপির সম্রাট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটি বড় রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটে গেল বিহারে। মঙ্গলবার বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) ইস্তফা দিলেন। নীতীশের এই পদক্ষেপের ফলে বিজেপির নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের পথ প্রশস্ত হল, যা রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দিনটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনায় ভরপুর ছিল। এদিন নীতীশের শেষ সরকারি কর্মসূচি দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়ে শেষ হয় সরকার পরিবর্তনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় (Samrat Choudhary)।

    আম্বেদকরের মূর্তিতে শ্রদ্ধা (Nitish Kumar)

    এদিন সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ আম্বেদকরের মূর্তিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নীতীশ। সকাল ১১টায় করেন প্রধান সচিবালয়ে শেষ মন্ত্রিসভার বৈঠক। দুপুর ৩টে নাগাদ রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপাল সঈদ আটা হাসনিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে তিনি যোগ দেন বিজেপি বিধায়ক দলের বৈঠকে। এখানে পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিবরাজ সিং চৌধুরী। বিকেল ৪টেতে বিহার বিধানসভার সেন্ট্রাল হলে এনডিএ বিধায়ক দলের বৈঠক। এখানেই অনুমোদন দেওয়া হয় নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে। এরপর রাজ্যপালের কাছে সরকার গঠনের দাবি জানানো হয়। ১৫ এপ্রিল সকাল ১১টায় রাজভবনে শপথ নেবেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বক্তব্য

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নীতীশ কুমারের পদত্যাগ বিহারের রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় নির্দেশ করছে। প্রায় দু’দশক ধরে একাধিক মেয়াদে রাজ্য পরিচালনা করার পর তিনি সম্প্রতি রাজ্যসভায় নির্বাচিত হন। তাঁর এই পদক্ষেপ এবং বিধান পরিষদের সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দেওয়া রাজ্য রাজনীতি থেকে সরে যাওয়ার ইঙ্গিত (Nitish Kumar)। সম্প্রতি রেকর্ড সংখ্যক মেয়াদে শপথ নেওয়ার পর তাঁর এই পদত্যাগ অপ্রত্যাশিত এবং রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ (Samrat Choudhary)। নীতীশের নেতৃত্ব এনডিএ জোটকে বিহারে শক্তিশালী করেছে, বিশেষ করে পিছিয়ে পড়া জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে সমর্থন গড়ে তোলার মাধ্যমে।

    বিহারের নয়া মুখ্যমন্ত্রী

    বিজেপি (এতদিন জোটের প্রধান অংশীদার ছিল) এবার প্রথমবারের মতো নিজের দলের মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার গঠন করতে চলেছে বলেই খবর। প্রশ্ন হল, বিহারের নয়া মুখ্যমন্ত্রী কে? মঙ্গলবার দুপুরে ওই পদের জন্য নাম ঘোষণা করা হয় সম্রাট চৌধুরীর (Nitish Kumar)।কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিত্যানন্দ রাইয়ের নামও আলোচনায় ছিল। যদিও শেষমেশ বিজেপি নেতৃত্ব বেছে নেন সম্রাটকেই। এদিকে, নীতীশ কুমারের ছেলে নিশান্ত কুমার সম্প্রতি জেডিইউতে যোগ দিয়ে সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেছেন, যা ভবিষ্যতের রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (Samrat Choudhary)। প্রসঙ্গত, বিহার এখন তার প্রথম বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের জন্য প্রস্তুত, যা এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা করবে (Nitish Kumar)।

     

  • BJP: তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের ইশতেহার প্রকাশ বিজেপির

    BJP: তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের ইশতেহার প্রকাশ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার ২০২৬ সালের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের ইশতেহার প্রকাশ করল বিজেপি (BJP)। এতে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, প্রতিটি পরিবারের মহিলা প্রধানকে মাসিক ২,০০০ টাকা করে (Tamil Nadu Polls) ভাতা এবং প্রতিটি পরিবারকে এককালীন ১০,০০০ টাকা দেওয়া হবে। উল্লেখ্য, বিজেপি এনডিএর অংশ হিসেবে এআইএডিএমকের সঙ্গে ২৭টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।

    পদ্মশিবিরের প্রতিশ্রুতি (BJP)

    পদ্মশিবিরের প্রতিশ্রুতি, পোঙ্গল, তামিল পুথান্ডু এবং দীপাবলি এই তিন উৎসবে প্রত্যেক পরিবারকে বছরে তিনটি এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার দেওয়া হবে নিখরচায়। হিন্দুত্ব নীতির সঙ্গে সাযুজ্য রেখে বিজেপি ঘোষণা করেছে, ভগবান মুরুগানের সম্মানে থাইপুসামকে রাজ্য উৎসব হিসেবে ঘোষণা করা হবে। তিরুপরাঙ্কুন্ড্রম পাহাড়চূড়ায় কার্তিগাই দীপম জ্বালানোর ঐতিহ্য ফের চালু করা হবে, রক্ষা করা হবে এই অনুষ্ঠানের মর্যাদাকে। প্রসঙ্গত, বিচারপতি স্বামীনাথনের নির্দেশের পর এবার হতে যাচ্ছে এই অনুষ্ঠান। তিনি এখানে তিরুপরাঙ্কুন্ড্রম পাহাড়ের ওপরে অবস্থিত দীপ স্তম্ভে আনুষ্ঠানিক প্রদীপ জ্বালানোর নির্দেশ দেন। এই বিষয়টি নিয়ে শাসক ডিএমকে এবং বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষ তৈরি হয়। কারণ ডিএমকে অনুমতি দেয়নি, অথচ বিজেপি ভক্তদের প্রদীপ জ্বালানোর অধিকার দাবি করে। বিষয়টি আদালত অবমাননার মামলা পর্যন্ত গড়ায় এবং গত বছর সংসদেও প্রতিধ্বনিত হয়।

    রেল ব্যবস্থার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি

    ইশতেহারে বিজেপি তামিলনাড়ুর রেল ব্যবস্থার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে (Tamil Nadu Polls) ন্যায্য দামে জমি অধিগ্রহণ, হাই-স্পিড রেল করিডর (চেন্নাই–বেঙ্গালুরু, চেন্নাই–হায়দরাবাদ), কোয়েম্বাটুর–তিরুপ্পুর–সেলেম আরআরটিএস, ভিল্লুপুরম–চেন্নাই সেমি-আর্বান রেল, হাইড্রো পাওয়ার ট্রেন প্রকল্প এবং চেন্নাইকে দিল্লি, মুম্বই ও কলকাতার সঙ্গে যুক্ত করতে নয়া স্লিপার বন্দে ভারত ট্রেন চালু করা (BJP)। মহিলাদের জন্য, দলটি অপরাধ মোকাবিলায় জিরো-এফআইআর ব্যবস্থা সহজ করা, ভিকটিম-সাক্ষী সুরক্ষা, বিশেষ ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত, বাস, স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০০ শতাংশ সিসিটিভি নজরদারি এবং নির্ভয়া তহবিলের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। মহিলা পরিচালিত সমবায়, স্বনির্ভর গোষ্ঠী (SHG) ও এমএসএমই-কে ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত ঋণ দেওয়া এবং ২০ শতাংশ সরকারি ক্রয় কোটা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

    ডিএমকে-নেতৃত্বাধীন জোটকে আক্রমণ

    ডিএমকে-নেতৃত্বাধীন জোটকে আক্রমণ করে বিজেপির সভাপতি নৈনার নাগেন্দ্রন বলেন, “বিজেপির পক্ষ থেকে সবাইকে তামিল নববর্ষের শুভেচ্ছা। তামিলনাড়ুতে বর্তমানে এক স্বৈরাচারী, জনবিরোধী ও পরিবারতান্ত্রিক শাসন চলছে। আসন্ন নির্বাচনে ডিএমকেকে পরাজিত করতে এনডিএ জোট সরকার গঠন করবে। ডিএমকে তাদের কোনও প্রতিশ্রুতিই ঠিকঠাক পূরণ করেনি। আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ও মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধের ঘটনা বেড়ে যাওয়া তার উদাহরণ।” বিজেপির এই ইশতেহারের সঙ্গে মিল রয়েছে এআইএডিএমকের ইশতেহারেরও। ওই ইশতেহারেও মহিলা (BJP) পরিবার প্রধানদের মাসে ২০০০ টাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। রেশন কার্ডধারীরা চালের সঙ্গে ডাল এবং ফ্রিজ পাবেন (Tamil Nadu Polls)। পুরুষদের জন্যও বিনামূল্যে বাস পরিষেবা চালু করা হবে এবং নিখরচায় বছরে তিনটি গ্যাস সিলিন্ডার দেওয়া হবে।

     

  • Noida Protests: হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পরিকল্পনা করেই কষা হয়েছিল নয়ডার বিক্ষোভের ছক!

    Noida Protests: হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পরিকল্পনা করেই কষা হয়েছিল নয়ডার বিক্ষোভের ছক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার মজুরি সংক্রান্ত বিষয়ে নয়ডায় যে হিংসাত্মক বিক্ষোভ (Noida Protests) দেখানো শুরু হয়েছিল, রাতারাতি (Planned Overnight) তা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পরিকল্পনা করেই করা হয়েছিল বলে জেনেছেন তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, রবিবার গভীর রাতে কিউআর কোডের মাধ্যমে প্রতিবাদকারীদের বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত করা হয় এবং বিভিন্ন শ্রমিক ইউনিয়নের মধ্যে বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়। কর্তৃপক্ষ মেসেজিং প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন নামে একাধিক গ্রুপ খুঁজে পেয়েছেন, যার মধ্যে একটি ছিল ‘ওয়ার্কার্স মুভমেন্ট’ নামে। আধিকারিকদের মতে, বিক্ষোভ তীব্র করতে এসব গ্রুপে উত্তেজনাপূর্ণ ও উসকানিমূলক বার্তা ছড়ানো হয়েছিল।

    নয়ডায় বিক্ষোভ (Noida Protests)

    হরিয়ানা সরকারের ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ দ্রুতই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির রূপ নেয়। ৪০,০০০-এরও বেশি বিভিন্ন কারখানার শ্রমিক নিরাপত্তা বাহিনীর মুখোমুখি হয়। বিক্ষোভকারীদের আন্দোলনের জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে গুরুত্বপূর্ণ সব সড়ক। এই সময় জোরদার করা হয় নিরাপত্তা। নয়ডার ফেজ-২ এবং সেক্টর ৬৩-তে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় বিক্ষোভকারীরা গাড়ি ও সম্পত্তিতে আগুন লাগায়, ছোড়ে পাথর। তার জেরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। ওই দিন সন্ধে পর্যন্ত অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের অভিযোগে আটক করা হয় ৩০০-রও বেশি বিক্ষোভকারীকে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে আরও ১০০ জনকে। আজ, মঙ্গলবারও চলছে বিক্ষোভ। সেখানে সেক্টর ৮০-তে শ্রমিকরা পুলিশের দিকে পাথর ছোড়ে।

    পুলিশের বক্তব্য

    পুলিশ জানিয়েছে, শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণভাবে ছত্রভঙ্গ হওয়ার পর কিছু বাইরের লোক নয়ডায় অশান্তি উসকে দেওয়ার চেষ্টা করে (Noida Protests)। গৌতম বুদ্ধ নগর পুলিশের কমিশনার লক্ষ্মী সিং বলেন, “শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণভাবে চলে যাওয়ার পর জেলার বাইরের একটি দল পাশের জেলাগুলির সীমান্তবর্তী এলাকায় আসে। তারা ঘুরে বেড়িয়ে উত্তেজনা ছড়ানো ও হিংসা উসকে দেওয়ার চেষ্টা করে। আমরা এই দলের কিছু সদস্যকে আটক করেছি। বাকিদেরও চিহ্নিত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে (Planned Overnight)।” উত্তরপ্রদেশের শ্রমমন্ত্রী অনিল রাজভড় জানান, সাম্প্রতিক সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত গ্রেফতারের প্রেক্ষিতে নয়ডার অশান্তিতে সম্ভাব্য পাকিস্তানি যোগের তদন্ত চলছে (Noida Protests)।

    পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র

    এই বিক্ষোভকে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র আখ্যা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, “রাজ্যের উন্নয়ন ও আইনশৃঙ্খলা ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। দিন কয়েক আগেই মীরাট ও নয়ডা থেকে চারজন সন্দেহভাজন জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের যোগাযোগ ছিল পাকিস্তানে থাকা পরিচালকদের সঙ্গে। এহেন পরিস্থিতিতে রাজ্যে অস্থিরতা তৈরির ষড়যন্ত্রের সম্ভাবনা আরও জোরদার হয়। গোটা বিষয়টি নিয়ে সংস্থাগুলি তদন্ত করছে (Planned Overnight)।” তাঁর দাবি, এই অশান্তির উদ্দেশ্য হতে পারে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের মুজফফরনগরের কর্মসূচি ব্যাহত করা। তিনি বলেন, “দেশবিরোধী শক্তি রাজ্যে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। মানুষ যেন কোনও ভ্রান্ত তথ্য বা উসকানিতে প্রভাবিত না হয় এবং শান্তি বজায় রাখে। বিশৃঙ্খলা বা আক্রমণাত্মক বিক্ষোভ কোনও সমস্যার সমাধান নয়। সরকার শ্রমিকদের সব সমস্যার কথা শুনতে প্রস্তুত (Noida Protests)।”

    উত্তরপ্রদেশে বাড়ল ন্যূনতম মজুরি  

    এদিকে, হিংসাত্মক বিক্ষোভের একদিন পর, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বাধীন উত্তরপ্রদেশ সরকার অদক্ষ, অর্ধদক্ষ ও দক্ষ শ্রমিকদের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করে। তবে মাসিক ন্যূনতম মজুরি ২০,০০০ টাকা করা হয়েছে—এই দাবি খারিজ করে দিয়েছে সরকার। অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা অনুযায়ী, গৌতম বুদ্ধ নগর ও গাজিয়াবাদে মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছে— অদক্ষ শ্রমিক মাসে পাবেন ১৩,৬৯০ টাকা, অর্ধদক্ষ শ্রমিক পাবেন ১৫,০৫৯ টাকা, দক্ষ শ্রমিক পাবেন ১৬,৮৬৮ টাকা।
    রাজ্য সরকারের মতে, শ্রম কোডের অধীনে জাতীয় স্তরে ন্যূনতম (Planned Overnight) মজুরি সংশোধনের প্রক্রিয়া চলছে (Noida Protests)।

     

  • SIR: ১২ রাজ্যে শেষ এসআইআর, কোন রাজ্যে বাদ গেল কত ভোটার?

    SIR: ১২ রাজ্যে শেষ এসআইআর, কোন রাজ্যে বাদ গেল কত ভোটার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১২টি রাজ্য এবং ৩টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআরের কাজ শেষ করল ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI)। গত বছর বিহার থেকে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়া, যা বিধানসভা নির্বাচনের আগে শুরু হয়েছিল, এখন একটি বৃহৎ পরিসরের ভোটার তালিকা পরিশোধন অভিযানে পরিণত হয়েছে।

    ইলেকশন কমিশনের তথ্য (SIR)

    ইলেকশন কমিশন এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রক্রিয়ায় মৃত, স্থানান্তরিত, ডুপ্লিকেট বা যাচাইযোগ্য নয় এমন ভোটারদের শনাক্ত করা হয়েছে। এই রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে মোট ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৫১ কোটি থেকে কমে হয়েছে ৪৫.৮ কোটির কাছাকাছি। যাচাইকরণের সময় ৭.২ কোটি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর দাবি, আপত্তি এবং নতুন নিবন্ধনের মাধ্যমে প্রায় ২ কোটি ভোটার যুক্ত হন, ফলে মোট ৫.২ কোটি বা প্রায় ১০ শতাংশ ভোটার কমে যায়।

    উত্তরপ্রদেশ
    জনসংখ্যার দিক থেকে দেশের বৃহত্তম রাজ্য উত্তরপ্রদেশে সবচেয়ে বেশি সংখ্যায় পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। এসআইআরের আগে ভোটার সংখ্যা ছিল ১৫.৪৪ কোটি, পরে কমে এটাই গিয়ে দাঁড়ায় ১৩.৩৯ কোটিতে। অর্থাৎ প্রায় ২.০৫ কোটি নাম বাদ পড়েছে। দাবি ও আপত্তির পর প্রায় ১৩.২ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে, বেড়েছে পড়ুয়ার সংখ্যাও।

    তামিলনাড়ু
    তামিলনাড়ুতে ভোটার সংখ্যা ৬.৪১ কোটি থেকে কমে ৫.৬৭ কোটিতে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। বাদ গিয়েছে প্রায় ৯৭.৩৭ লাখ নাম।

    পশ্চিমবঙ্গ
    পশ্চিমবঙ্গে বাদ পড়েছেন প্রায় ৯০.৯৩ লাখ ভোটার। এ রাজ্যে মোট ভোটার সংখ্যা ৭.৬৬ কোটি থেকে কমে ৬.৭৫ কোটিতে গিয়ে দাঁড়ায়। বিচার প্রক্রিয়ায় ৬০ লাখের বেশি মামলা খতিয়ে দেখা হয় এবং শেষ পর্যন্ত ২৭ লাখের বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়। মুর্শিদাবাদ জেলায় সবচেয়ে বেশি নাম বাদ পড়েছে। এর পরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমালোচনা করেন নির্বাচন কমিশনের। পরে চ্যালেঞ্জ করেন সুপ্রিম কোর্টে।

    গুজরাট
    গুজরাটে ভোটার সংখ্যা ৫.০৮ কোটি থেকে কমে হয়েছে ৪.৪০ কোটি।

    মধ্যপ্রদেশ

    মধ্যপ্রদেশে বেড়া দিতে গিয়ে এসআইআরে বাদ পড়েছে প্রায় ৩৪.২৫ লাখ ভোটারের নাম। মোট ভোটার সংখ্যা ৫.৭৪ কোটি থেকে কমে হয় ৫.৩৯ কোটি।

    মরু রাজ্যে বাদ পড়লেন কত

    রাজস্থান

    মরুরাজ্যে প্রায় ৩১.৩৬ লাখ ভোটার বাদ পড়েছেন। ছত্তিশগড়
    ২৪.৯৯ লাখ নাম বাদ পড়ায় ভোটার সংখ্যা ২.১২ কোটি থেকে কমে হয়েছে ১.৮৭ কোটি। কেরল
    ৮.৯৭ লাখ নাম বাদ পড়ায় মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়ায় ২.৭১ কোটি।

    ভুয়ো ভোটারের নাম বাদ

    গোয়া
    ১.২৭ লাখ ভোটার কমে গিয়েছে। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে
    ৫২,৩৬৪ ভোটার কমেছে। পুদুচেরিতে
    ভোটার সংখ্যা ১০.২১ লাখ থেকে কমে হয়েছে ৯.৪৪ লাখ।

    লাক্ষাদ্বীপ
    মাত্র ২০৬ ভোটার কমে মোট সংখ্যা দাঁড়াল ৫৭,৬০৭। প্রসঙ্গত, এই আপডেট করা ভোটার তালিকার উদ্দেশ্যই হল ভুয়ো ভোটার কমানো এবং সঠিক তথ্য নিশ্চিত করা।

     

  • Amit Shah: দুর্গাপুরে রোড-শো শাহের, গেরুয়াময় গোটা শহর

    Amit Shah: দুর্গাপুরে রোড-শো শাহের, গেরুয়াময় গোটা শহর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুরে বিরাট রোডশো করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই শোয়ে সমর্থকদের ঢল নেমেছিল, চারিদিকে কেবল গেরুয়া রঙের ছটা। বস্তুত (Amit Shah), এদিন দুর্গাপুর হয়ে গিয়েছিল “গেরুয়া বাংলা…”। এর আগে ময়ূরেশ্বরের পল্লীমঙ্গল ক্লাব মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া সমালোচনা করেন। আরজিকর ধর্ষণ মামলার পরে মহিলাদের সন্ধ্যা ৭টার পরে বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দেওয়ার জন্য তিনি তৃণমূল সরকারকে মহিলাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ বলে অভিযুক্ত করেন (Paschim Bardhaman)।

    ‘বিকল্প বিজেপিই’ (Amit Shah)

    তিনি বলেন, “মমতা দিদি বলছেন মহিলারা যেন সন্ধ্যা ৭টার পর বাইরে না বেরোন। আপনি নিজে একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হয়েও বাংলার বোনদের রক্ষা করতে পারলেন না—এটা লজ্জার বিষয়।” বিজেপিকে বিকল্প হিসেবে তুলে ধরে শাহ বলেন, “একবার বিজেপি সরকার গঠন করুন, আমরা এমন বাংলা গড়ব যেখানে একটি ছোট মেয়েও রাত ১টায় স্কুটার নিয়ে বেরোতে পারবে। সন্দেশখালি, আরজি কর, দুর্গাপুর ল’ কলেজ বা দক্ষিণ কলকাতা ল’ কলেজের মতো ঘটনা আর ঘটবে না (Amit Shah)।”

    সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়কে ভয় দেখাচ্ছেন

    তিনি আরও বলেন, “এইমাত্র আমি মমতা দিদির একটি বক্তৃতা দেখছিলাম। তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়কে ভয় দেখাচ্ছেন—বলছেন, তৃণমূল না থাকলে তারা টিকবে না। তাদের শাসনে মুর্শিদাবাদে দাঙ্গা হয়েছে, রামনবমীতে আক্রমণ হয়েছে, সরস্বতী পূজায় বাধা দেওয়া হয়েছে—তখন তিনি কোথায় ছিলেন?” শাহ দাবি করেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন রাজ্যের জন্য একটি বড় মোড় ঘোরানোর সময় হবে। তিনি বলেন, “তৃণমূলের গুন্ডারা আর বোমা ফাটিয়ে মানুষকে ভয় দেখাতে পারবে না। বাংলার মানুষ বোমার জবাব ব্যালটে দেবে, ভয়ের জবাব বিশ্বাস দিয়ে দেবে। ব্যালট মেশিনে পদ্মফুল চিহ্ন খুঁজে নিন—বিজেপি সরকার সব গুন্ডাদের খুঁজে বের করবে।” তিনি সতর্ক করে বলেন, “তৃণমূলের গুন্ডাদের বলছি—২৩ এপ্রিল ঘরে থাকুন, না হলে ৪ মে আপনাদের ধরে জেলে পাঠানো হবে।” প্রসঙ্গত, (Paschim Bardhaman) ২৯৪ আসনের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন হবে দুদফায়- ২৩ ও ২৯ এপ্রিল। ভোট গণনা হবে ৪ মে (Amit Shah)।

     

LinkedIn
Share