Tag: bangla

bangla

  • PM Modi: ‘‘ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা বুমেরাং হবে”, সতর্ক করে দিলেন পুতিন

    PM Modi: ‘‘ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা বুমেরাং হবে”, সতর্ক করে দিলেন পুতিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নেতৃত্বে ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে চাপ সৃষ্টি করার যে কোনও চেষ্টা শেষ পর্যন্ত বুমেরাং হবে।” শুক্রবার এমনই মন্তব্য করলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Putin)। ভারতের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনকে সমর্থন করেন তিনি। বলেন, “সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলির নিজেদের প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক অংশীদার বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা থাকা উচিত।” সেন্ট পিটার্সবার্গ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামে সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট জানান, ভারত সবসময় নিজের জাতীয় স্বার্থকে সামনে রেখে নীতি নির্ধারণ করেছে এবং রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের কারণে বাইরের কোনও চাপ এলেও ভবিষ্যতেও তাই করবে।

    নিষেধাজ্ঞার হুমকি বুমেরাং হতে পারে (PM Modi)

    তিনি বলেন, “ভারত সবসময় একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে কাজ করে এবং প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার হুমকি ততক্ষণাৎ বুমেরাং হয়ে যাবে।” পুতিন জানান, রাশিয়া আগে ভারতের সঙ্গে Su-57 যুদ্ধবিমান যৌথভাবে তৈরির প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু সেই সহযোগিতা বাস্তবায়িত না হওয়ায় রাশিয়া একাই বিমানটি তৈরি করে। ভারত-রাশিয়ার প্রতিরক্ষা সহযোগিতা শুধু যে কেনাবেচার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, তাও জানান পুতিন। বলেন, “আমাদের ভারতীয় বন্ধুদের সঙ্গে সম্পর্কের বিশেষত্ব হল পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতে আমরা শুধু কেনাবেচা নয়, যৌথ গবেষণা ও উন্নয়নের ওপরও গুরুত্ব দিই।”

    ভারত-রাশিয়া যৌথ উদ্যোগ

    উদাহরণ হিসেবে (PM Modi) তিনি ব্রহ্মোস (BrahMos) সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্পের কথা উল্লেখ করেন। রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, “ভারতীয় ও রুশ বিশেষজ্ঞরা শুরু থেকেই এই ক্ষেপণাস্ত্রের নকশা তৈরিতে একসঙ্গে কাজ করেছেন এবং তা সফল হয়েছে।” আমেরিকা যদি ভারত Su-57 বা S-500 এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম কিনতে চায়, তাহলে তারা নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে কি? এই (Putin) প্রশ্নের উত্তরে পুতিন বলেন, “ভারত একটি সার্বভৌম দেশ এবং নিজেদের জন্য সবচেয়ে আধুনিক ও উপযুক্ত প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা তাদের রয়েছে। অন্যরা যা-ই বলুক, ভারত সবসময় এই ভাবেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” তিনি জানান, ভারতের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক চাপের বদলে সামরিক প্রয়োজন ও কার্যকারিতার ভিত্তিতেই নেওয়া হবে (PM Modi)।

    পুরানো সেই দিনের কথা

    পুতিন মনে করিয়ে দেন, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে একসময় নরেন্দ্র মোদিকে আমেরিকায় প্রবেশের ভিসা দেওয়া হয়নি। অথচ বর্তমানে ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ভালোভাবেই এগিয়ে চলছে। রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা সবাই সেই সময়ের কথা মনে করি যখন প্রধানমন্ত্রী মোদির যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। এখন তিনি প্রধানমন্ত্রী, সব নিষেধাজ্ঞা উঠে গিয়েছে, এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের সম্পর্ক সফলভাবেই এগোচ্ছে।” তিনি জানান, মোদি নিশ্চয়ই সেই অভিজ্ঞতার কথা ভুলে যাননি এবং এই ঘটনাই প্রমাণ করে যে ভারত পরিবর্তিত আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির মধ্যেও নিজের স্বার্থ রক্ষা করতে পারে। ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা সহযোগিতা রাজনৈতিক পরিবর্তনের ওপর নির্ভরশীল নয় বলেও জানান পুতিন (Putin)। বলেন, “ভারতের সঙ্গে আমাদের সহযোগিতা, অন্য সব অংশীদারের মতোই, রাজনৈতিক পরিবেশের ওপর নির্ভর করে না। কেউ আমাদের নির্দেশ দিতে পারে না যে, ভারতের কাছে এটা সরবরাহ করো না।” রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা আমাদের অংশীদারদের, বিশেষ করে ভারতের মতো দেশের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি সবসময় রক্ষা করব (PM Modi)।”

  • Russia Taliban Military Pact: আফগানিস্তান-রাশিয়ার মধ্যে সামরিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর, কতটা লাভ ভারতের?

    Russia Taliban Military Pact: আফগানিস্তান-রাশিয়ার মধ্যে সামরিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর, কতটা লাভ ভারতের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানের তালিবান সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে রাশিয়া। এর ঠিক এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে রাশিয়া কাবুলের সঙ্গে স্বাক্ষর করল সামরিক সহযোগিতা চুক্তিতে। বুধবার মস্কোয় অনুষ্ঠিত ‘ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি ফোরামে’ (International Security Forum) আফগানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মহম্মদ ইয়াকুব এবং রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের সচিব সের্গেই শোইগুর বৈঠকে এই চুক্তি সই হয়। যদিও চুক্তিটির নির্দিষ্ট বিবরণ এখনও জানানো হয়নি। তবে ইয়াকুব একে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের পদক্ষেপ হিসেবেই বর্ণনা করেছেন। বৈঠক শেষে ইয়াকুব বলেন, “রাশিয়ার সঙ্গে সহযোগিতা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আফগানিস্তান ও রাশিয়ার দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে, এবং আমরা চাই এই সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে যেতে।”

    মস্কো ও কাবুলের সম্পর্ক (Russia Taliban Military Pact)

    এই ঘটনা মস্কো ও কাবুলের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। ১৯৭৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন আফগানিস্তান আক্রমণ করেছিল। এক দশক ধরে মুজাহিদিনদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়েছিল সোভিয়েত। যাদের অনেকেই পরে তালিবানের অংশ হয়ে ওঠে। সোভিয়েত সেনা প্রত্যাহারের পরেও বহু বছর দুই পক্ষের মধ্যে বৈরিতা বজায় ছিল। পরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আফগানিস্তান আক্রমণের পর রাশিয়ার বিরুদ্ধে গোপনে কিছু তালিবান গোষ্ঠীকে সমর্থন করার অভিযোগ ওঠে। শোইগু পশ্চিমি দেশগুলির প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, তারা যেন তালিবানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে এবং আফগানিস্তানে তাদের ২০ বছরের উপস্থিতির দায়িত্ব স্বীকার করে।

    তালিবানকে স্বীকৃতি

    ২০২৫ সালে রাশিয়া তালিবানকে বৈধতা দেওয়ার দিকে একটি বড় পদক্ষেপ করে। ওই বছরের এপ্রিল মাসে মস্কো তালিবানকে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের তালিকা থেকে বাদ দেয়। এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর ছিল ২০০৩ সাল থেকে। ওই বছরেরই জুলাই মাসে আমেরিকা এবং ন্যাটো বাহিনী ২০২১ সালে আফগানিস্তান থেকে প্রত্যাহারের পর তালিবান ক্ষমতা দখল করে। এরপর রাশিয়া বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে তালিবান সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়। তৎকালীন রুশ বিদেশমন্ত্রক জানায়, তালিবান প্রশাসনকে স্বীকৃতি দিলে গঠনমূলক দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও উন্নত হবে। তালিবানের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি এই পদক্ষেপকে ঐতিহাসিক বলে অভিহিত করেন। বলেন, “এটি অন্যান্য দেশের জন্য একটি ভালো উদাহরণ তৈরি করেছে।”

    ভারতের লাভ

    রাশিয়া ও তালিবানের ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতা ভারতের জন্য কিছু কৌশলগত সুবিধা নিয়ে আসতে পারে। নয়াদিল্লি ঐতিহ্যগতভাবে মস্কোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছে। একই সঙ্গে আফগানিস্তানে নিজেদের আঞ্চলিক স্বার্থ ও বিনিয়োগ রক্ষার জন্য সাম্প্রতিক বছরগুলিতে তালিবানের সঙ্গেও ফের যোগাযোগ শুরু করেছে। ২০২৫ সালে তালিবানের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি ভারত সফরে এসেছিলেন। রাশিয়ার মদতপুষ্ট একটি তালিবান সরকার ভারতের জন্য কাবুলের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার কূটনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে, যদিও ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও তালিবান সরকারকে স্বীকৃতি দেয়নি। তাছাড়া, এর ফলে আফগানিস্তান পুরোপুরি পাকিস্তান বা চিনের প্রভাববলয়ে চলে যাওয়ার ঝুঁকিও কমাতে পারে।

    রাশিয়া-তালিবান অংশীদারিত্ব

    এই পরিস্থিতি পাকিস্তানকে এড়িয়ে আফগানিস্তানের মাধ্যমে মধ্য এশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ ও বাণিজ্যিক সংযোগ উন্নত করার ভারতের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাকেও সাহায্য করতে পারে। রাশিয়া-তালিবান অংশীদারিত্ব আফগানিস্তানের ওপর পাকিস্তানের ঐতিহ্যগত প্রভাবকে দুর্বল করতে পারে। একসময় ইসলামাবাদকে তালিবানের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে দেখা হত। কিন্তু সীমান্ত সংঘর্ষ, জঙ্গি কার্যকলাপ, এবং বিমান হামলার কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে দু’পক্ষের সম্পর্কের ব্যাপক অবনতি হয়েছে। পাকিস্তান বারবার অভিযোগ করেছে, তালিবান সরকার পাকিস্তানবিরোধী জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে।

    প্রাণঘাতী বিমান হামলা

    আবার, কাবুল পাকিস্তানের সামরিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেছে। চলতি বছরের শুরুতে কাবুল অভিযোগ করে যে পাকিস্তান আফগান ভূখণ্ডে প্রাণঘাতী বিমান হামলা চালিয়েছে, যার মধ্যে রাজধানী কাবুলের একটি মাদকাসক্তি পুনর্বাসন কেন্দ্রেও হামলার অভিযোগ ছিল।তালিবান কর্তাদের দাবি, ওই হামলায় ৪০০-রও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। তবে পাকিস্তান অসামরিক নাগরিকদের টার্গেট করার অভিযোগ অস্বীকার করে জানায়, তারা টিডিপির (TTP) সঙ্গে যুক্ত জঙ্গি পরিকাঠামোয় হামলা চালিয়েছিল। এই সঙ্কটের আগে বিতর্কিত ডুরান্ড লাইন (Durand Line) সীমান্ত বরাবর কয়েক মাস ধরে সীমান্ত গোলাবর্ষণ, ড্রোন হামলা এবং উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছিল। পাকিস্তান ফের অভিযোগ করেছে, তালিবান সরকার পাকিস্তানবিরোধী জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে। কাবুল অবশ্য এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তারা আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের অভিযোগও তোলে।

  • NIA: ভাঙড়ের হেরো তৃণমূল প্রার্থী সওকত মোল্লার বাড়িতে হানা এনআইএ-র, আটক ছেলে, কোন মামলায়?

    NIA: ভাঙড়ের হেরো তৃণমূল প্রার্থী সওকত মোল্লার বাড়িতে হানা এনআইএ-র, আটক ছেলে, কোন মামলায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘোর বিপাকে ভাঙড়ের হেরো তৃণমূল প্রার্থী সওকত মোল্লা (Saokat Mullah)। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে হেরে গিয়ে (NIA) ঘরে সেঁধিয়েছেন বুয়া-ভাতিজা! একা হয়ে গিয়েছেন সওকত। মাথার ওপর থেকে ‘মমতা ব্র্যান্ডে’র ছাতাটা সরে যেতেই ফোঁসফাঁস করা বন্ধ করে দিয়ে সওকত এখন মিউমিউ করছেন! এহেন ‘ভাঙড়ের ত্রাসে’র আস্তানায় হানা দিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা, এনআইএ। নির্বাচনোত্তর হিংসা এবং বিধানসভা নির্বাচনের মুখে বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলার তদন্তে বৃহস্পতিবার সওকতের খোঁজে ক্যানিংয়ে পৌঁছয় এনআইএ। এদিন প্রথমে পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ ও আধাসেনা। তার পরেই জীবনতলা এলাকার তাঁর বাড়িতে হানা দেয় এনআইএর বিশেষ দল৷ এদিন অবশ্য আধিকারিকরা সেখানে গিয়ে সওকতকে পাননি। তাই তদন্তের স্বার্থে তাঁর ছেলে ইমরান মোল্লাকে আটক করে সঙ্গে নিয়ে গিয়েছেন তাঁরা।

    সওকতের বাড়িতে এনআইএ (NIA)

    এদিন সাত সকালেই এনআইএর দু’টি দল জীবনতলা এলাকায় সওকতের বাড়িতে পৌঁছয়। তদন্তকারীরা অনেকক্ষণ ধরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। খবরাখবর নেওয়া হয় সওকত কোথায় রয়েছেন, সেই ব্যাপারে। তৃণমূলের রাজত্বে ‘কেউটে’ থেকে পদ্ম-রাজে ‘হেলে’ হয়ে যাওয়া সওকত বাড়িতে নেই বলেই দাবি করেন পরিবারের লোকজন। তখনই তদন্তকারীরা ইমরান নামে তাঁর এর ছেলেকে নিজেদের গাড়িতে তুলে নিয়ে যান (NIA)। তাঁকে অবশ্য গ্রেফতার করা হয়নি, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে৷ এনআইএর একটি দল সওকতের হোটেল এবং অন্যান্য ‘ঠেকে’ তল্লাশি চালায়, জানার চেষ্টা করে তাঁর গতিবিধি সম্পর্কে।

    নির্বাচনোত্তর হিংসায় এল সওকতের নাম

    গত ১৮ মার্চ ভাঙড়ের চালতাবেড়িয়া-বামুনিয়া এলাকায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। নির্বাচনোত্তর হিংসার একাধিক ঘটনার তদন্তেও নাম জড়িয়েছে সওকতের। সেই সূত্রেই তাঁর খোঁজে চলছে তল্লাশি অভিযান। স্থানীয়দের একাংশের অনুমান, সওকত বর্তমানে কলকাতা কিংবা তার আশপাশের কোনও এলাকায় রয়েছেন (Saokat Mullah)। রাজনৈতিক মহলে সওকত পরিচিত মুখ। ভাঙড় এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই দাপিয়ে ‘রাজ’ করছিলেন তিনি। একাধিক রাজনৈতিক সংঘর্ষ এবং হিংসার ঘটনায় নাম জড়িয়েছে তৃণমূলের এই প্রাক্তন বিধায়কের। যদিও সওকতের বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ (NIA) অস্বীকার করেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব৷

    সওকতের বিরুদ্ধে অভিযোগের তালিকা দীর্ঘ 

    সওকতের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তালিকা দীর্ঘ। কয়লাপাচার মামলার তদন্তে একাধিকবার সওকতকে তলব করেছিল আর এক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই৷ সেই সময় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছিল দীর্ঘক্ষণ ধরে। যদিও ওই মামলায় কাউকেই গ্রেফতার করা হয়নি। এবার ভোট-পরবর্তী হিংসা এবং বিস্ফোরণ মামলার তদন্তে নেমে এনআইএ হানা দিয়েছে সওকতের (Saokat Mullah) ডেরায়। তৃণমূলের প্রাক্তন এই বিধায়কের পরিণতি কী হয়, তা জানতে রাজ্যবাসীকে অপেক্ষা করতে হবে আরও কয়েকটা দিন (NIA)।

     

  • PM Modi: ১ বৈশাখ নয়, ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ পালিত হবে ২০ জুন, ঘোষণা নবান্নর, সেই দিনই রাজ্যে মোদি?

    PM Modi: ১ বৈশাখ নয়, ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ পালিত হবে ২০ জুন, ঘোষণা নবান্নর, সেই দিনই রাজ্যে মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০ জুন রাজ্যজুড়ে সরকারিভাবে পালিত হবে ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ (West Bengal Day)। এই মর্মে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন নয়া রাজ্য সরকার। মন্ত্রিসভার সবুজ (PM Modi) সঙ্কেত মেলার পর সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। এই বিশেষ দিনটিকে কেন্দ্র করে রাজ্যব্যাপী বিশাল কর্মসূচির ডাক দিয়েছে পদ্ম-শিবির।

    ২০ জুনের গুরুত্ব (PM Modi)

    ১৯৪৭ সালের ২০ জুন তারিখটির ঐতিহাসিক গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে প্রতিটি জেলায় ‘পশ্চিমবঙ্গ প্রতিষ্ঠা দিবস’ পালনের পরিকল্পনা করেছে বিজেপি। জেলাস্তরে ইতিমধ্যেই রাজ্য দিবস পালনের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। দলের সমস্ত সাংসদ, বিধায়ক এবং শীর্ষ পদাধিকারীদের নিজের নিজের এলাকায় উপস্থিত থাকার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। বিজেপি নেতৃত্বের মতে, ২০ জুন বাংলার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। ১৯৪৭ সালের এই দিনেই অবিভক্ত বাংলার বিধানসভায় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বঙ্গভঙ্গ তথা ভারতের অংশ হিসেবে পশ্চিমবঙ্গ গঠনের ঐতিহাসিক প্রস্তাব পেশ করেছিলেন। রাজ্যবাসীর কাছে সেই গৌরবময় অতীত তুলে ধরতেই এই দিনটিকে ‘পশ্চিমবঙ্গ প্রতিষ্ঠা দিবস’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটা বড় অংশের মতে, এই কর্মসূচির মাধ্যমে পদ্ম শিবির বঙ্গবাসীর স্মৃতিতে প্রায় ফিকে হয়ে যাওয়া শ্যামাপ্রসাদের আদর্শ ও প্রাসঙ্গিকতার আগুন উসকে দেবে। বিজেপির এক শীর্ষ নেতা বলেন, “গোটা রাজ্যে এই দিনটি মর্যাদার সঙ্গে পালন করা হবে। আমরা বাংলার সমৃদ্ধ ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং দেশের সার্বিক উন্নয়নে এই রাজ্যের অবদান তুলে ধরব।” তিনি জানান, ১৯৪৭ সালে পশ্চিমবঙ্গকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ধরে রাখতে যাঁরা আত্মত্যাগ ও আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন, এই দিনটিতে বিশেষভাবে স্মরণ করা হবে তাঁদের।

    রাজ্যজুড়ে কর্মসূচি

    জানা গিয়েছে, ওই দিন রাজ্য বিজেপির তরফে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় স্মরণসভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং নিবিড় জনসংযোগ কর্মসূচি পালন করা হবে। কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদি সরকারের (PM Modi) ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে ৫ থেকে ২১ জুন পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে বিশেষ প্রচার কর্মসূচিও চালাবে গেরুয়া শিবির। এই কর্মসূচির মূল (West Bengal Day) লক্ষ্যই হল পিএম আবাস যোজনা, পিএম-কিষান, জল জীবন মিশন এবং আয়ুষ্মান ভারতের মতো জনমুখী কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির সাফল্য ও সুবিধা সাধারণ মানুষের দুয়ারে পৌঁছে দেওয়া। প্রবীণ এক পদ্ম নেতা জানান, রাজ্যের প্রতিষ্ঠা দিবস পালনের মাধ্যমে দল বাংলার নিজস্ব পরিচিতি ও কৃষ্টিকে সম্মান জানাবে। রাজ্যের ঐতিহাসিক গুরুত্ব সম্পর্কে বঙ্গবাসীর সচেতনতাও বাড়ানো হবে। এদিন, বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধাও জানানো হবে।

    মমতা জমানায় বিস্তর জলঘোলা

    শুভেন্দুর আগে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে ছিলেন তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ১ বৈশাখ রাজ্য প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করতেন। তা নিয়ে বিস্তর জলঘোলাও হয়েছিল। সেই সময় লোকভবনে ছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তিনি ২০ জুন রাজভবনে (বর্তমান লোকভবন) আলাদা করে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করতেন। তা নিয়ে চিঠি চালাচালিও হয়েছিল (PM Modi)। প্রাক্তন রাজ্যপালকে লেখা চিঠিতে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা লিখেছিলেন, “আমি হতবাক ও বিস্মিত হয়েছি এটা জেনে যে আপনি ২০ জুন রাজভবনে ‘পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য প্রতিষ্ঠা দিবস’এর মতো একটা অদ্ভুত দিবস উদযাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’

    কী বলছেন দিলীপ ঘোষ

    বিজেপি বরাবরই দাবি করে এসেছে, পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালনের একমাত্র দিন হতে পারে ২০ জুন। পদ্ম নেতাদের এহেন দাবি উপেক্ষা করে তৃণমূল ১ বৈশাখ পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করে। রাজ্যে পালাবদলের পর নয় সরকার ক্ষমতায় আসার ঠিক একমাসের মাথায় জানিয়ে দিল, পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালিত হবে ২০ জুন, ১ বৈশাখ নয়। বুধবার নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠকে মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, “এবার থেকে ২০ জুন তারিখটি পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসাবে পালিত হবে।”

    পশ্চিমবঙ্গ দিবসে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

    এদিকে, ২০ জুনের ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ওই দিন প্রধানমন্ত্রী প্রতিষ্ঠা দিবসের মূল অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি তারকেশ্বর মন্দিরে গিয়ে পুজোও দেবেন। পরে তিনি (West Bengal Day) ভাষণ দেবেন জনসভায়। ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, সেদিন কলকাতায় আয়োজিত মূল কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে বঙ্গের প্রায় সর্বত্রই ফুটেছে পদ্ম। শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে এ রাজ্যে গঠিত হয়েছে প্রথম বিজেপি সরকার। তৃণমূলকে গোহারা হারিয়ে বিজেপি জিততেই দিল্লিতে রীতিমতো বাঙালি পোশাক ধুতি-পাঞ্জাবী পরে জনসমক্ষে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। নির্বাচনের আগে একাধিকবার দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচার করতে বাংলায় এসেছিলেন তিনি। রাজ্যে পদ্ম-সরকার গঠিত হওয়ার পর আর বাংলায় আসেননি প্রধানমন্ত্রী। তাই ২০ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর বঙ্গ সফরকে কেন্দ্র করে তুঙ্গে নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক তৎপরতা।

     

  • Suvendu Adhikari: বড় শিল্পের খরা কি কাটতে চলেছে? আদানি-শুভেন্দু বৈঠকের পর আশায় বুক বাঁধছে বাংলা

    Suvendu Adhikari: বড় শিল্পের খরা কি কাটতে চলেছে? আদানি-শুভেন্দু বৈঠকের পর আশায় বুক বাঁধছে বাংলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিনের শিল্পখরা কাটিয়ে পশ্চিমবঙ্গ কি ফের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্পকেন্দ্র হয়ে উঠতে চলেছে? রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল বিভিন্ন মহলে। এবার সেই জল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করল নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আদানি গোষ্ঠীর শীর্ষ কর্তা করণ আদানির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক।

    নবান্নে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

    বুধবার রাজ্যের প্রশাসনিক সদর দফতর নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন করণ আদানি। তিনি ভারতের বৃহত্তম বন্দর ও লজিস্টিক্স সংস্থা ‘আদানি পোর্টস অ্যান্ড স্পেশাল ইকোনমিক জোন’ (APSEZ)-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং আদানি গোষ্ঠীর পরিকাঠামো ও বন্দর ব্যবসার অন্যতম প্রধান মুখ। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকে রাজ্যের পরিকাঠামো উন্নয়ন, বিদ্যুৎ ক্ষেত্র, লজিস্টিক্স হাব নির্মাণ, গ্রিনফিল্ড সড়ক প্রকল্প এবং সম্ভাব্য বৃহৎ বিনিয়োগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

    শিল্পবান্ধব বার্তা দিতে চায় নতুন সরকার

    রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই নতুন প্রশাসন শিল্পবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছে। দ্রুত অনুমোদন ব্যবস্থা, সিঙ্গল-উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য স্বচ্ছ নীতির উপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনিক সূত্রের দাবি, পশ্চিমবঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শিল্প বিনিয়োগের সুযোগ এবং বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখাই ছিল এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে সড়ক ও লজিস্টিক্স নেটওয়ার্ক উন্নয়নে আদানি গোষ্ঠী আগামী দিনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ পশ্চিমবঙ্গ?

    ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে পশ্চিমবঙ্গের কৌশলগত গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। উত্তর-পূর্ব ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে রাজ্যটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার। এই অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে বৃহৎ লজিস্টিক্স ও ট্রান্সপোর্ট নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার ব্যাপারে আদানি গোষ্ঠী আগ্রহী বলে সূত্রের খবর। যদিও সম্ভাব্য বিনিয়োগের পরিমাণ বা নির্দিষ্ট প্রকল্প সম্পর্কে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি।

    তাজপুর বন্দরের তিক্ত অভিজ্ঞতা

    তবে এই সম্ভাবনার আলোচনার পাশাপাশি উঠে আসছে অতীতের কিছু ব্যর্থতার কথাও। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে তাজপুরে গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের দায়িত্ব পেয়েছিল আদানি গোষ্ঠী। সেই প্রকল্পকে ঘিরে ব্যাপক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। মনে করা হয়েছিল, বন্দরটি চালু হলে বিপুল কর্মসংস্থান এবং শিল্পোন্নয়নের পথ খুলবে। কিন্তু জমি অধিগ্রহণ, প্রশাসনিক জটিলতা এবং নীতিগত সমস্যার কারণে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়নি। শেষ পর্যন্ত টেন্ডার বাতিল হয়ে যায় এবং আদানি গোষ্ঠী তাদের বিনিয়োগ পরিকল্পনা প্রত্যাহার করে নেয়। সেই ঘটনা রাজ্যের শিল্পবান্ধব ভাবমূর্তির উপরও প্রভাব ফেলেছিল।

    বদলেছে পরিস্থিতি?

    অর্থনৈতিক ও শিল্পমহলের একাংশের মতে, বর্তমানে পরিস্থিতি অনেকটাই বদলেছে। নতুন সরকারের অধীনে শিল্প ও বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। সেই কারণেই অতীতের তিক্ততা ভুলে আদানি গোষ্ঠী আবারও পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে বলে মনে করা হচ্ছে। করণ আদানির এই সফর ও বৈঠক সেই বার্তাই দিচ্ছে বলে মত পর্যবেক্ষকদের।

    কর্মসংস্থান ও অর্থনীতিতে বড় প্রভাবের সম্ভাবনা

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বন্দর, বিদ্যুৎ, সড়ক এবং লজিস্টিক্সের মতো কোর সেক্টরে বৃহৎ বিনিয়োগ এলে রাজ্যে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিপুল কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে। এর ফলে বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি রাজ্যের সামগ্রিক অর্থনীতিও গতি পেতে পারে। শিল্পায়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকেই বর্তমানে অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে দেখছে রাজ্য সরকার।

    অন্য শিল্পগোষ্ঠীর কাছেও ইতিবাচক বার্তা

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, আদানি গোষ্ঠীর মতো বৃহৎ কর্পোরেট সংস্থা যদি পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখায়, তবে তা দেশের অন্যান্য শিল্পপতিদের কাছেও ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেবে। অতীতে বিভিন্ন কারণে বাংলায় বিনিয়োগ থেকে দূরে থাকা বহু সংস্থাও নতুন করে রাজ্যের দিকে নজর দিতে পারে। এর ফলে বৃহত্তর শিল্পায়নের পথ আরও প্রশস্ত হতে পারে।

    এখন নজর আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দিকে

    শুভেন্দু অধিকারী ও করণ আদানির বৈঠককে অনেকেই নতুন শিল্প-সম্ভাবনার সূচনা হিসেবে দেখছেন। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রকল্প, বিনিয়োগের অঙ্ক বা সময়সীমা নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি। তাই এখন শিল্পমহল ও সাধারণ মানুষের নজর আগামী দিনের দিকে। এই বৈঠক কি সত্যিই পশ্চিমবঙ্গের অর্থনৈতিক মানচিত্রে বড় পরিবর্তনের সূচনা করবে, নাকি তা কেবল সম্ভাবনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে— সেই উত্তরই সময় দেবে।

     

  • DK Shivakumar: কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ কংগ্রেসের শিবকুমারের, মন্ত্রিসভায় ব্যালেন্সের চেষ্টা রাহুলের

    DK Shivakumar: কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ কংগ্রেসের শিবকুমারের, মন্ত্রিসভায় ব্যালেন্সের চেষ্টা রাহুলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার কর্নাটকের লোকভবনে শপথ নিলেন কানাকাপুরার বছর চৌষট্টির ভোক্কালিগা নেতা ডিকে শিবকুমার। তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল থাওয়ারচাঁদ গেহলট। ৩০ মে তিনি কংগ্রেস বিধায়ক দলের নেতা নির্বাচিত হন। এদিন শপথ নিয়ে বসলেন মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে।

    শিবকুমারের উত্থান (DK Shivakumar)

    রাজনৈতিক মহলের মতে, শিবকুমারের এই উত্থান দলীয় রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘ কয়েক দশকের পথচলার ফল। শিবকুমার ‘ডিকে শি’ নামেই পরিচিত রাজনৈতিক মহলে। তিনি একজন দক্ষ সংগঠক। দলত্যাগের প্রবণতা, রাজনৈতিক সঙ্কট এবং ভোটের সময় কংগ্রেসকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। গত সপ্তাহেই মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা সিদ্ধারামাইয়া। সেদিনই জানা গিয়েছিল, ওই কুর্সিতে বসতে চলেছেন ডিকে শি। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর নির্দেশেই তিনি ইস্তফা দিয়েছিলেন। সিদ্ধারামাইয়াকে রাজ্যসভা পাঠানো হতে পারে বলে জল্পনা ছড়িয়েছিল। তিনি যেদিন মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন, সেদিনই তাঁকে প্রণাম করে আশীর্বাদ চেয়ে নিয়েছিলেন ডিকে শি। এদিন বসলেন মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে।

    মন্ত্রিসভায় কারা

    নয়া মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ডিকে শির কাছে কর্নাটকবাসীর প্রত্যাশা অনেক। তিনি দক্ষিণ ভারতে কংগ্রেসের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত। সঙ্কটের দিনে কর্নাটক কংগ্রেসকে অক্সিজেন জুগিয়ে পুনর্জীবন দিয়েছিলেন তিনিই। গত এক দশকে কর্নাটকে দলের নির্বাচনী সাফল্যের পেছনে তাঁর অবদান অপরিসীম। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এদিন তারই প্রতিদান পেলেন ডিকে শি। এদিন ডিকে শির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানটি কংগ্রেসের ধারাবাহিকতা ও পরিবর্তনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার প্রচেষ্টাকেও তুলে ধরেছে। এদিনই উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন প্রবীণ নেতা জি পরমেশ্বর। মন্ত্রিসভার প্রথম দফায় শপথ নেওয়া নেতাদের মধ্যে ছিলেন কেএইচ মুনিয়াপ্পা, কেজে জর্জ, এমবি পাটিল, রামালিঙ্গা রেড্ডি, সতীশ জারকিহোলি, কৃষ্ণা বাইরে গৌড়া, প্রিয়াঙ্ক খাড়গে, ইউটি খাদার, ঈশ্বর খান্দ্রে, ইয়াথীন্দ্র সিদ্ধারামাইয়া, বাইরাথি সুরেশ এবং শরণ প্রকাশ পাটিল। এই তালিকায় অভিজ্ঞ প্রশাসক ও উদীয়মান নেতাদের সমন্বয় ঘটানো হয়েছে, যাতে কর্নাটকের বিভিন্ন অঞ্চল ও জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হয়।

    অনুষ্ঠান চলার সময়ও ৩৪ সদস্যের পূর্ণ মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত রূপ নিয়ে আলোচনা অব্যাহত ছিল কংগ্রেসে। সম্ভাব্য মন্ত্রী নিয়োগ নিয়ে জল্পনাকে গুরুত্ব না দিয়ে শিবকুমার বলেন, “দিল্লিতে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বই চূড়ান্ত তালিকা নির্ধারণ করবেন।”

     

  • Firhad Hakim: বুধেই ব্যতিব্যস্ত তৃণমূল, মেয়র পদে ইস্তফা দিলেন ফিরহাদ, ‘ভাতিজা’র বাড়িতে ইডির নোটিশ

    Firhad Hakim: বুধেই ব্যতিব্যস্ত তৃণমূল, মেয়র পদে ইস্তফা দিলেন ফিরহাদ, ‘ভাতিজা’র বাড়িতে ইডির নোটিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধ-দুপুরেই ছত্রখান হয়ে গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে গড়া তৃণমূল (TMC)। তার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই তৃণমূল সুপ্রিমোর কাছে এল আরও একটি দুঃসংবাদ – কলকাতা পুরসভার মেয়র পদে ইস্তফা দিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)। মিউনিসিপ্যাল আইন অনুযায়ী ফিরহাদকে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরসভার চেয়ারপার্সন বা কমিশনারের কাছে গিয়ে জমা দিতে হবে পদত্যাগপত্র। সূত্রের খবর, ফিরহাদের ইস্তফায় সম্মতি দিয়েছেন মমতা।

    কুণালের বক্তব্য (Firhad Hakim)

    বিধায়ক তথা তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, “ফিরহাদ হাকিম আমাদের দলনেত্রীর কাছে বারবার ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন। শেষের দিন আমিও ছিলাম। কথা হয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, যা পরিস্থিতি তাতে কাজ করা যাচ্ছে না।” তিনি বলেন, “ফিরহাদ হাকিম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও গত কয়েকদিনের পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত করেছেন। জানিয়েছিলেন পদত্যাগের ইচ্ছের কথা। নেত্রী ওঁকে বারণ করেছিলেন। কিন্তু ফিরহাদ জানান, সম্মানের সঙ্গে নিষ্কৃতি চান তিনি। এর পরে মমতা সম্মতি দিয়েছেন।’’ কুণাল এমন মন্তব্য করলেও, এ নিয়ে ফিরহাদ এখনও কিছু বলেননি।

    ইঙ্গিত মিলেছিল মঙ্গলবারই

    ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে রাজ্যের তৎকালীন মন্ত্রী ফিরহাদকে বসানো হয় মেয়র পদে। বিরোধীদের মতে, নিজেকে মুসলমান দরদি প্রমাণ করতেই এমনটা করেছিলেন নেত্রী। ২০২১ সালে দ্বিতীয় বার মেয়রের কুর্সিতে বসেন ফিরহাদ। কলকাতা বন্দর কেন্দ্রের বিধায়ক তথা ৮২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফিরহাদ প্রায় আট বছর মন্ত্রিত্ব এবং মেয়র পদ সমানতালে সামলানোর পর বুধবার আচমকা করেন পদত্যাগ। মঙ্গলবারই (Firhad Hakim) কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ (নিকাশি) পদে ইস্তফা দেন তৃণমূলেরই তারক সিং। তিনি ফের নিশানা করেন ফিরহাদকে। তৃণমূলের প্রতীকে আর ভোটে না দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন তারক। বলেন, ‘‘কর্মী এবং সমর্থকদের কোনওভাবে সুরক্ষা দিচ্ছেন না দলীয় নেতৃত্ব। তাই ওই ঠান্ডা ঘরে বসে জ্ঞানের বাণী শোনার কোনও ইচ্ছে আমার নেই।” তারকের ইস্তফার পর ফিরহাদ বলেছিলেন, ‘‘আমরা একটা টিম হিসাবে কাজ করি। যা করব একসঙ্গেই করব।’’ তারপর (TMC) এদিন পদত্যাগ করেন ফিরহাদ।

    এদিকে, সিআইডির পর এবার তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে নোটিশ পাঠাল ইডি। নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় ওই নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে খবর। সব মিলিয়ে বুধেই ব্যতিব্যস্ত তৃণমূল (Firhad Hakim)!

     

  • Ritabrata Banerjee: দু’টুকরো হয়ে গেল মমতার সাধের তৃণমূল! বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত

    Ritabrata Banerjee: দু’টুকরো হয়ে গেল মমতার সাধের তৃণমূল! বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পালাবদলের পর এক মাসও কাটেনি, ভেঙে দু’টুকরো হয়ে গেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে গড়া সাধের তৃণমূল। একদিকে রয়েছেন মমতা এবং হাতে গোণা কয়েকজন বিধায়ক, আর অন্যদিকে রয়েছেন সদ্য তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত প্রাক্তন সিপিএম নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee)। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হলেন তিনিই (Opposition Leader)। নয়া বিরোধী দলনেতার জন্য বুধবারই খুলে দেওয়া হল বিধানসভার ঘর। তাঁর হাতে চাবি তুলে দেন স্পিকার রথীন্দ্র বসু।

    ঋতব্রতর দাবি (Ritabrata Banerjee)

    ঋতব্রতর দাবি, তৃণমূলের টিকিটে জয়ী দুই-তৃতীয়াংশই ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। তাঁরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। বিধানসভায় শাসক বিজেপির চোখে চোখ রেখে লড়াই করবেন তাঁরা। তিনি বলেন, ‘‘আপাতত ৫৮ জন। আরও দু’জন আছেন। তাঁরা এখন রাজ্যের বাইরে। তাঁদের সম্মতি রয়েছে। তাঁদের সমর্থন এলে এই সংখ্যা ৬০ হবে।’’ তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরামর্শদাতা হওয়ার আবেদনও জানান ঋতব্রত। তিনি জানান, বিধানসভায় মুখ্যসচেতক করা হয়েছে আখরুজ্জামানকে। ডেপুটি লিডার করা হয়েছে চার জনকে— জাভেদ আহমেদ খান, সাবিনা ইয়াসমিন, শিউলি সাহা এবং সন্দীপন সাহাকে। তাঁদের সমর্থনের চিঠি বিধানসভার স্পিকারকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ঋতব্রতর

    ঋতব্রত বলেন, ‘‘মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠক ডেকেছিলেন। তাঁকে ধন্যবাদ যে, বিরোধীদের নিয়ে তিনি বৈঠক করেছেন। আমরা কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনার বিরোধী বিধায়করা উপস্থিত ছিলেন। আমরা দায়িত্বশীল, সদর্থক বিরোধীর ভূমিকা পালন করব। সরকারের চোখে চোখ রেখে লড়াই হবে। তাদের সদর্থক পদক্ষেপের প্রশংসাও করব।’’ তিনি (Ritabrata Banerjee) বলেন, ‘‘বাংলার মাটিতে মানুষ রায় দিয়েছেন আমাদের বিরোধী আসনের জন্য। সেটা মেনে নিতে হবে। আমি ‘বস্’ নই। আমি বসিংয়ে বিশ্বাসী নই। আমি আমরায় বিশ্বাস করি। সব সিদ্ধান্ত আমরা আলোচনা করে নেব।’’

    বিরোধী দলনেতার ঘর বরাদ্দ ঋতব্রতকে

    প্রসঙ্গত, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে তৃণমূল গোহারা হারতেই প্রকাশ্যে চলে আসে দলের অন্তর্দ্বন্দ্ব। ‘আইপ্যাক এবং ভাইপো কালচারে’র কারণেই যে পদ্মফুলের কাছে ঘাসফুল ধরাশায়ী হয়েছে, তা নিয়েও সোচ্চার হন অনেকে। বিজেপি সরকার গঠনের দিন কয়েক পর কালীঘাটের বাড়িতে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন করেছিলেন মমতা। সেখানেও বিধায়কদের সিংহভাগকেই দেখা যায়নি। পরে বিধায়কদের নিয়ে বৈঠকে বসতে চেয়েছিলেন কংগ্রেস ভাঙিয়ে তৃণমূল গড়ার কান্ডারি মমতা। সেই বৈঠকে ৮০ জনের মধ্যে হাজির ছিলেন মাত্রই ১৯ জন। ক্ষোভে বৈঠক বাতিল করে দেন মমতা। পরে সইকাণ্ডের জেরে আরও চওড়া হয় তৃণমূলের ফাটল। যার জেরে বহিষ্কার করা হয় ঋতব্রতকে। ৫৮ জন বিধায়কের সমর্থন নিয়ে বিরোধী দলনেতার পদ দাবি করেন তিনি। ঋতব্রতর দাবিকে (Opposition Leader) মান্যতা দিয়ে এদিন বিধানসভায় খুলে দেওয়া হয় বিরোধী দলনেতার ঘর (Ritabrata Banerjee)।

     

  • Tollywood Federation: ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’ জমানার অবসান, বাতিল ফেডারেশন-গিল্ড, এখন থেকে দিল্লির কনফেডারেশনের আওতায় টলিপাড়া

    Tollywood Federation: ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’ জমানার অবসান, বাতিল ফেডারেশন-গিল্ড, এখন থেকে দিল্লির কনফেডারেশনের আওতায় টলিপাড়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে তৃণমূলের বিসর্জনের পর এবার টলিউড ফেডারেশনের (Tollywood Federation) ভবিষ্যৎ নিয়েই উঠল বড়সড় প্রশ্ন। মমতা জমানায় ফেডারেশনের রাশ ছিল বিশ্বাস ব্রাদার্সের হাতে। এই বিশ্বাস ব্রাদার্সের একজন অরূপকে ছাব্বিশের ভোটে পরাস্ত করেন পদ্ম-প্রার্থী পাপিয়া অধিকারী। অরূপ-বিদেয় হওয়ার পর বাকি ছিলেন স্বরূপ। বুধবার টলিউডে স্বরূপের কর্তৃত্বে দাঁড়ি টেনে দিলেন পাপিয়া। টেকনিশিয়ান স্টুডিয়োয় দাঁড়িয়ে বললেন, “ডাবল ইঞ্জিন সরকারের সাহায্যে দিল্লির ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচার্স কনফেডারেশনের আওতাভুক্ত হবেন (Tollywood Restructured) টলিউডের সমস্ত কলাকুশলী। লক্ষ্য, দুর্নীতিমুক্ত ইন্ডাস্ট্রি।” বিজেপি বিধায়কের এই মন্তব্যেই স্পষ্ট, টলিউডে আর ফেডারেশনের অস্তিত্ব রইল না। থাকবে না ২৬টি গিল্ডও।

    আট ঘণ্টা কাজের নীতি (Tollywood Federation)

    পাপিয়া জানান, তিন থেকে চারটি কমিটি থাকবে –  পরিচালক, ক্যামেরা, প্রোডাকশন ম্যানেজার এবং শিল্প নির্দেশনা বিভাগ। বলিউডের মতো এবার টলিউডেও চালু হতে পারে আট ঘণ্টা কাজের নীতি। ফেডারেশনকে তার করে যাওয়া কাজের জন্য জবাবদিহিও করতে হবে। পদ্ম-বিধায়ক কথা বলবেন ওয়েব প্ল্যাটফর্ম এবং চ্যানেল কর্তৃপক্ষগুলির সঙ্গে। তাঁরা সিরিজ কিংবা ধারাবাহিক দেখানোর জন্য কোথা থেকে টাকা পাচ্ছেন, খতিয়ে দেখবেন তিনি। ধারাবাহিক, সিরিজের গল্প এবং বিষয়বস্তু নিয়েও হবে আলোচনা।

    সবাই কাজ পাবেন

    পাপিয়ার আশ্বাস, “সবাই কাজ পাবেন। যোগ্যতার ভিত্তিতে কাজ দেওয়া হবে। মতবিরোধ থাকলেও, কাউকে নিষিদ্ধ করা যাবে না। শুটিং বন্ধ করা যাবে না। কলাকুশলীদের পাশাপাশি তাঁদের পরিবারের স্বাস্থ্য পরিষেবার দায়িত্বও নেবে কনফেডারেশন।” নানা অছিলায় কেউ যাতে আর কাটমানি নিতে না পারে, সে দিকেও কড়া নজর রাখা হবে বলে জানান বিধায়ক। পাপিয়া বলেন, “ফেডারেশন এবং গিল্ডের বেশ কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে ভূরি ভূরি অভিযোগ রয়েছে। বেশ কিছু অভিযোগ প্রশাসনের কাছেও (Tollywood Federation) পৌঁছেছে। তবে আমি প্রশাসনের দ্বারস্থ হতে চাই না। বদলে ‘ডি কিউব’- ডিটেক্ট, ডিলিট এবং ডিপোর্ট- ব্যবহার করতে চাই।”

    কাজ হারালেন যাঁরা

    তিনি বলেন, “ম্যানেজার গিল্ডের সম্পাদক এবং সহ-সম্পাদক মহম্মদ হাসান, নিরুপম দে, মেকআপ আর্টিস্ট গিল্ডের বাপি মালাকার, ক্যামেরা গিল্ডের স্বপন মজুমদার এবং সুজিত হাজরা – এই ক’জনের বিরুদ্ধে প্রচুর অভিযোগ। এঁদের আর টলিউডে কাজ করতে দেওয়া হবে না। চাইলে ভিন্‌রাজ্যে, অন্য ইন্ডাস্ট্রিতে অবশ্যই এঁরা কাজ করতে পারবেন, কিন্তু বাংলায় আর (West Bengal) নয়।” পাপিয়া বলেন, “আমাদের সময় পরিচালক ছিলেন ক্যাপ্টেন অফ দ্য শিপ। পরে তাঁরাই যেন হয়ে গেলেন ‘চাকর’! আমি সেই হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনব। ফিরিয়ে আনা হবে সেই সব প্রযোজক, পরিচালক, অভিনেতা, কলাকুশলীকে, যাঁরা এত দিন (Tollywood Federation) ইন্ডাস্ট্রিতে বিশ্বাস ব্রাদার্সে দৌলতে ব্রাত্য ছিলেন।”

  • UK: ‘গ্রুমিং গ্যাং’ যৌন কেলেঙ্কারি নিয়ে ব্রিটেনের পার্লামেন্টে হাঁড়ি ভাঙলেন সাংসদ

    UK: ‘গ্রুমিং গ্যাং’ যৌন কেলেঙ্কারি নিয়ে ব্রিটেনের পার্লামেন্টে হাঁড়ি ভাঙলেন সাংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেনের পার্লামেন্টে হাঁড়ি ভেঙে দিলেন সে দেশের সাংসদ রুপার্ট লো (Rupert Lowe)। তিনি দেশের বহুল আলোচিত ‘গ্রুমিং গ্যাং’ (Pakistan Grooming Gang) যৌন কেলেঙ্কারির সঙ্গে সম্পর্কিত বেঁচে যাওয়া ভুক্তভোগীদের (survivors) সাক্ষ্য থেকে উদ্বেগজনক তথ্য তুলে ধরেন। আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশে লো বলেন, “শুধু বিতর্ক নয় (UK), এখন এসেছে উপযুক্ত পদক্ষেপ করার সময়।” পার্লামেন্টে তিনি জানান, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত একটি তদন্তে উপস্থাপিত সাক্ষ্যগুলি ভয়াবহ রকমের পদ্ধতিগত নির্যাতনের তথ্য প্রকাশ করেছে।

    গ্যাংভিত্তিক শিশু যৌন শোষণ (UK)

    তিনি বলেন, তদন্তে জানা গিয়েছে, ব্রিটেনের অন্তত ৮৫টি এলাকায় গ্যাংভিত্তিক শিশু যৌন শোষণের (gang-based child sexual exploitation) প্রমাণ মিলেছে। শুধু তাই নয়, তিনি আরও একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও বিতর্কিত দাবিরও ফের উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি,  এই সব গোষ্ঠীর অনেকগুলির সঙ্গেই যুক্ত ছিল পাক বংশোদ্ভূত পুরুষরা। লোর মতে, “প্রধানত পাকিস্তানি পুরুষদের জড়িত থাকার একটি ধারা এবং সরকারি সংস্থাগুলির গুরুতর অবহেলা লক্ষ্য করা গিয়েছে। এই বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষা করা হয়েছে।”

    চরম যৌন হিংসা

    পার্লামেন্টে তাঁর পেশ করা সাক্ষ্যগুলিতে উঠে এসেছে চরম যৌন হিংসা, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নির্যাতনের ভয়ঙ্কর বর্ণনা। ভুক্তভোগীরা জানান, অল্প বয়সেই তাঁদের টার্গেট করা হয়েছিল। উপহার, মদ খাওয়ানো বা হুমকি দিয়ে তাদের প্রভাবিত করা হত। কিছু সাক্ষ্যে আবার এমনও দাবি করা হয়েছে যে, ভুক্তভোগীরা বছরের পর বছর ধরে একাধিক অপরাধীর দ্বারা নির্যাতিত হয়েছেন (UK)।আরও কিছু অভিযোগে বলা হয়েছে, জাতি (race) ও ধর্মকে (religion) ব্যবহার করে তাদের অপমান ও নিয়ন্ত্রণ করা হত (Pakistan Grooming Gang)। কয়েকজন ভুক্তভোগী আবার জানান, খ্রিস্টান হওয়ায় তাঁদের উপহাস করা হত অথবা বলা হত তাঁদের “মূল্য কম”।প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতার (institutional failure) গুরুতর অভিযোগও উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, নির্যাতনের স্পষ্ট লক্ষণ থাকা সত্ত্বেও পুলিশ, হাসপাতালের কর্মী এবং শিশু সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ যথাযথ হস্তক্ষেপ করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

    নির্যাতনে জড়িত পুলিশ কর্তারাও!

    একটি সাক্ষ্যে এমনও অভিযোগ করা হয়েছে, কিছু পুলিশ কর্তাও নির্যাতনের ঘটনায় জড়িত ছিলেন। তবে এসব অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর, এবং তাই সুষ্ঠু তদন্তের প্রয়োজন। ব্রিটেনে ‘গ্রুমিং গ্যাং’ বলতে এমন সংঘবদ্ধ একটি গোষ্ঠীকে বোঝায়, যারা দীর্ঘ সময় ধরে শিশুদের শোষণের পাশাপাশি নির্যাতনও করে (UK)। রদারহ্যাম (Rotherham), রচডেল (Rochdale) এবং ওল্ডহ্যাম (Oldham)-এর মতো শহরগুলিতে মামলাগুলি প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি জাতীয় পর্যায়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসে। এসব মামলায় ব্যাপক নির্যাতন এবং কর্তৃপক্ষের বড় ধরনের ব্যর্থতা প্রকাশ পায় (Pakistan Grooming Gang)। জাতিগত পরিচয়, পুলিশি ব্যর্থতা এবং দীর্ঘসূত্রিতার কারণে এই বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল রয়ে গিয়েছে। ২০০০-এর শুরুতে অ্যান ক্রায়ার (Ann Cryer)-এর মতো রাজনীতিবিদরা প্রথম এই বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। লো বলেন, “দেশের নেতাদের উচিত এখনই উপযুক্ত পদক্ষেপ করা। আসন্ন তদন্ত রিপোর্ট ব্রিটেনকে স্থায়ীভাবে পরিবর্তন করে দেবে (UK)।

     

LinkedIn
Share