Tag: Bangladesh

Bangladesh

  • Bangladesh: ইসকনকে ক্যান্সারের সঙ্গে তুলনা! বাংলাদেশে চরম বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে জেহাদিরা, ইউনূস চুপ

    Bangladesh: ইসকনকে ক্যান্সারের সঙ্গে তুলনা! বাংলাদেশে চরম বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে জেহাদিরা, ইউনূস চুপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ইসকন (ISKCON) ক্যান্সারের মতো উপড়ে ফেলতে হবে”, ভয়ঙ্কর গুজব ছড়িয়ে বাংলাদেশে (Bangladesh) ব্যাপক উস্কানি দিচ্ছে জামাতপন্থী কট্টর মোল্লা-মৌলবীরা। ইসকনের মতো আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনায় মানবসেবায়রত একটি ধর্মীয় সংগঠন সম্পর্কে অপপ্রচারের নেমেছে কট্টর ইসলামি জেহাদিরা। একটাই রাগ, মুসলমান শাসিত বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর নির্যাতন হলে ইসকন কেন পাশে দাঁড়ায়? ইসকনের কৃষ্ণমূর্তি পুজো এবং হিন্দু রীতিতে পুজো করা জেহাদিদের কাছে সেরকি। শারিয়া শাসন ইসালাম ব্যাতিত অন্য কোনও ধর্ম-বর্ণের মানুষকে কাফের মনে করে। তাই তো দাবি উঠেছে সারা বাংলাদেশে ইসকনের সকল মঠ-মন্দির, উপাসনাকেন্দ্রকে ভেঙে দিতে হবে। যদিও ইসকন সম্পর্কে কট্টর মুসলমানদের এই ভাবনার তীব্র সমালোচনা করেছে বিশ্বের বহুদেশ।

    বিদ্বেষ এবং হিংসাত্মক ভিডিও মৌলবাদীদের (Bangladesh)

    গত নভেম্বর মাসের শেষে হিন্দু ধর্মগুরু চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে মিথ্যা মামলা দিয়ে বাংলাদেশের (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকার গ্রেফতার করেছে। তাঁর আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আইনজীবীদের উপর ব্যাপক হামলা করা হয়। শুনানির দিন আদালত চত্বরে প্রবেশ করতে পারেনি কোনও হিন্দু আইনজীবী। এই বিষয়ে সরব হয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অথচ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং ভারতীয় সেনার অবদানকে অস্বীকার করে ভারতের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর হুঁশিয়ারি দিচ্ছে ইসলামি মৌলবাদীরা। শুধু এখানেই শেষ নয়, ওইদেশে মুসলমানদের একাধিক ধর্মীয় সভা বা ওয়াজ মেহফিলে চূড়ান্ত হিন্দু (ISKCON) বিদ্বেষী মনোভাব নিয়ে উস্কানি দেওয়া হচ্ছে। কখনও বলছে, ‘হিন্দু দোকান থেকে মিষ্টি কেনা পাপ’, ‘ইসকন সামাজিক ক্যান্সার’, আবার বলা হচ্ছে ‘তলোয়ার দিয়ে কোপাতে হবে’। ইসকনকে ক্যান্সারের সঙ্গে তুলনা করে বলা হচ্ছে, ‘‘শরীরের কোথাও ক্যান্সার হলে যেমন অঙ্গ কেটে বাদ দিতে হয়, ঠিক একইভাবে বাংলাদেশের শেকড় থেকে ইসকনকে উপড়ে ফেলতে হবে। আর যদি এই কাজে কেউ বাধা দেয় তাহলে তাদেরসঙ্গেও একই আচরণ কড়া হবে। ইসকনের সব আস্তানা ভেঙে ফেলতে হবে। অবিলম্বে ইসকনকে নিষিদ্ধ করতে হবে।’’ এই রকম নানা বিদ্বেষ এবং হিংসাত্মক কথা কীভাবে বাংলাদেশের আমজনতার সামনে তুলে ধরা হচ্ছে, এই সম্পর্কিত একটি ভিডিও পোস্ট করেন কলকাতা ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমণ দাস। হিন্দুধর্মাবলম্বীরা কতটা অসুরক্ষিত তা আরও একবার প্রমাণিত হল বাংলাদেশে।

    ভেঙে দিতে হবে মুছে দিতে হবে ইসকনকে!

    এই প্রকাশিত ভিডিও-র বক্তব্য শুনলে যে কোনও মানুষের ঘুম ছুটে যাবে। উগ্র মুসলমানরা কীভাবে বাংলাদেশের (Bangladesh) জনমানসের মনে মিথ্যাকথা বলে উস্কানি দেয় তার কথাই এই ভিডিওগুলিতে শোনা যাচ্ছে। এম সাব্বির বিন লোকমান নামক এক বক্তা প্রকাশ্য মাইকে বলছেন, “আমি আসতে আসতে রাস্তায় অনেক পোস্টার এবং মন্দির দেখেছি। ইসকনকে (ISKCON) সারা বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করতে হবে। সারা বাংলাদেশে এদের যেখানে আস্তানা রয়েছে ভেঙে দিতে হবে। যারা এদের দোসর হবে, যারা এদের রক্ষক হবে, তাদেরকেও চিরতরে মুছে দিতে হবে। এরা সমাজে ক্যান্সারের মতো। ক্যান্সারের কোনও উত্তর নেই, যেখানে ক্যান্সার হয়, সেই অঙ্গ কেটে বাদ দিতে হয়, নইলে সারা দেহে ছড়িয়ে যায়। ইসকন কেও শেষ করতে হবে।”

    ইসকনকে কোপাতে হবে!

    আবার বাংলাদেশের (Bangladesh) আরেক মৌলবাদী নেতা রফিকুল ইসলাম মাদানি বলেন, “এখন হাসিনার সময় নেই, রাজনীতি করার সময় নেই, আমাদের ঠান্ডা মাথায় কথা বলা সম্ভব নয়, তলোয়ারের ভাষায় কথা হবে। আগামী ২ এক দিনের মধ্যে ইসকনকে বন্ধ করতে হবে। হাসিনার প্রেতাত্মারা ইসকনের উপর ভর দিয়ে শাসনে ফিরতে চায়। মাহফিলে থাকার সময় নেই। ইসকনের (ISKCON) পান্ডারা আইনজীবী সাইফুল ইসলামকে যে ভাবে কুপিয়ে মেরেছে, ওদেরকেও কোপাতে হবে। জেহাদের এটাই আসল সময়। প্রত্যেক মুসলমানকে হাতে অস্ত্র তুলে নিতে হবে। বিধর্মীদের যেখানে পাবে কুপিয়ে মারতে হবে।” এই মন্তব্য অত্যন্ত বিদ্বেষ মূলক।

    আরও পড়ুনঃ চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবি জানিয়ে ইউনূসকে চিঠি দিল বাংলাদেশের রামকৃষ্ণ মঠ-মিশন

    হিন্দুদের নিরাপত্তা দেওয়া হোক

    কলকাতা ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমণ দাস বলেন, “আমি বাংলাদেশ (Bangladesh) থেকে এই ভিডিওগুলি পেয়েছি। বাংলাদেশে মৌলবাদী জেহাদিরা এই ভাবে উস্কানি দিচ্ছে। ইতিমধ্যে ব্রিটেনের ৩ জন সাংসদ ব্যাপক ভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বাংলাদেশের রামকৃষ্ণ মিশন শাখা চিঠি লিখে চিন্ময়কৃষ্ণ প্রভুর মুক্তি চেয়েছেন। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আমাদের করজোরে নিবেদন যে, হিন্দুদের নিরাপত্তা দেওয়া হোক। ওই দেশের সংখ্যালঘুরাও দেশভক্ত। মৌলবাদীরা ঘুরে ঘুরে উত্তেজক ভাষণ এবং হিংসা ছড়াচ্ছে। অত্যন্ত উদ্বেগের কারণ এটা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবি জানিয়ে ইউনূসকে চিঠি দিল বাংলাদেশের রামকৃষ্ণ মঠ-মিশন

    Bangladesh: চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবি জানিয়ে ইউনূসকে চিঠি দিল বাংলাদেশের রামকৃষ্ণ মঠ-মিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় প্রভু এখন বাংলাদেশের (Bangladesh) জেলে রয়েছেন। তাঁর জামিনের মামলার পরবর্তী শুনানি হবে নয়া বছরে। এদিকে চিন্ময় প্রভু যাতে কোনও রকম আইনি সহায়তা না পান, তার জন্যে ক্রমাগত হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে চট্টগ্রামের আইনজীবীদের একটা অংশ। এমনকী, চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের হয়ে কোনও আইনজীবী যদি আদালতে সওয়াল করেন, তাহলে সেই আইনজীবীকে গণপিটুনি দেওয়ারও হুমকি দেওয়া হয়েছিল। এই আবহের মধ্যে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের হয়ে এবার চিঠি লিখলেন ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষ ও সম্পাদক স্বামী পূর্ণাত্মানন্দ। এই নিয়ে সেদেশের সরকারের মুখ্য উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসকে চিঠি লিখেছেন স্বামী পূর্ণাত্মানন্দ। তাতে চিন্ময় কৃষ্ণের মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে।

    চিঠিতে কী বলা হয়েছে? (Bangladesh)

    রামকৃষ্ণ মিশনের লেখা চিঠিতে বলা হয়েছে, হিন্দু সন্ন্যাসীকে মুক্ত করলে অন্তর্বর্তী সরকারেরই ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে। রিপোর্ট অনুযায়ী, সেই চিঠিতে রামকৃষ্ণ মিশনের সন্ন্যাসী লেখেন, ‘‘সম্প্রতি দেশের (Bangladesh) সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় শ্রীচিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে কারামুক্তি প্রদান করলে আপনার সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে বলে আমরা মনে করি। আশা করি, এবিষয়ে আপনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে আমাদের আশ্বস্ত করবেন। ’’ এর আগে, এই গ্রেফতারের বিরুদ্ধে ভারতের রাম জন্মভূমি মন্দিরের প্রধান পুরোহিত সরব হয়েছিলেন। চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবি জানিয়েছিলেন। অন্যদিকে, আগামী ১৩ ডিসেম্বরও সনাতনীদের একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল বাংলাদেশে। কিন্তু সূত্রের খবর, বর্তমান পরিস্থিতির জেরে সেটিও বাতিল করা হয়েছে।

    ইসকন কলকাতার ভাইস প্রেসিডেন্ট কী বললেন?

    এদিকে বাংলাদেশের (Bangladesh) অশান্তি আবহ প্রসঙ্গে চরম আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ইসকন কলকাতার ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমণ দাস। তিনি বলেছেন, ‘‘খুব বিপজ্জনক। আমাদের ভক্তরা খুব চিন্তিত। সবচেয়ে চিন্তার বিষয়, যদি এই রকম মৌলানারা পুরো বাংলাদেশে ঘুরে, এই রকম সভা করছে যেখানে হাজার হাজার মানুষ তাঁদের শুনছে। সোশাল মিডিয়াতে যখন পোস্ট করা হচ্ছে, লক্ষ লক্ষ ভিউ পাচ্ছে। একসঙ্গে এত মানুষের যদি মগজ ধোলাই হয়, ভবিষ্যতে বাংলাদেশের পুলিশ, সেনা যদি ভাবে আমরা সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দেব, এত লক্ষ লক্ষ মানুষকে কেউ সামলাতে পারবে না। ওরা যেটা বলছে, গণহত্যা যদি শুরু করে দেয়, এটা কারও নিয়ন্ত্রণে থাকবে না।’’ ইসকনকে নিষিদ্ধ করার কোনও পরিকল্পনা তাদের নেই বলে, ইতিমধ্যেই জানানো হয়েছে ইউনূস সরকারের পক্ষ থেকে। তাহলে কার মদতে ইসকনকে মুছে ফেলার ডাক দিচ্ছে মৌলবাদীরা? কোন সাহসে অস্ত্র হাতে তুলে নিতে বলছে? এবার কি ওই সব কট্টরপন্থীর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেবে ইউনূসের প্রশাসন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “শাড়ি পুড়িয়ে কী হবে? ভারত থেকে হার্টে লাগানো রিং খুলে বের করো”, বিএনপি নেতাকে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “শাড়ি পুড়িয়ে কী হবে? ভারত থেকে হার্টে লাগানো রিং খুলে বের করো”, বিএনপি নেতাকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “শাড়ি পুড়িয়ে কী হবে? ভারত থেকে হার্টে লাগানো রিং খুলে বের করো”, ঠিক এই ভাবে বাংলাদেশের (Bangladesh) বিএনপি নেতাকে তুলোধনা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নিজের স্ত্রীর (পুরনো) শাড়ি পুড়িয়ে প্রতিবাদ করেছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভি। সেই সঙ্গে ভারতে আক্রমণ করে টুকরো টুকরো করার হুমকিও দিয়েছিলেন এই নেতা। রবিবার, কাঁথিতে বাংলাদেশের হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা করেছিল একাধিক হিন্দু সংগঠন। তাতে যোগদান করে অন্তর্বর্তী সরকার এবং জামাত-বিএনপিকে তীব্র আক্রমণ করেন শুভেন্দু।

    আমরা বাংলাদেশের উপরে নির্ভর করি না (Suvendu Adhikari)

    এদিন বাংলাদেশ (Bangladesh) থেকে ভারতের বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়া মৌলবাদী রাজনৈতিক নেতাদের নিশানা করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “এক বেয়াদব বিএনপি নেতা তার বউয়ের শাড়ি পোড়াচ্ছিল। ওই মোল্লা রিজভিকে আমি বলতে চাই, তুমি কয়েকদিন আগে কলকাতায় এসেছিলে। তোমার হার্টে একটা রিং বসিয়ে নিয়ে গিয়েছ। ওটা ভারতে তৈরি। ওটা খুলে বের করে দাও। বউয়ের শাড়িটা পরে পোড়াবে। বাংলাদেশ আমাদের উপরে নির্ভর করে। আমরা বাংলাদেশের উপরে নির্ভর করি না।” উল্লেখ্য বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর অত্যাচার নিয়ে নয়াদিল্লির তরফে কড়া বিবৃতি দেওয়ার পর থেকেই সেই দেশ থেকে ভারত-বিরোধী নানা গরম গরম বক্তৃতা উঠে আসছে। কেউ বলেছে ইসলামের কালমা পতাকা তুলবে ভারতে, কলকাতা-আগরতলা দখল করবে মাত্র ৪ দিনে, ভারতকে চার টুকরো করে ভাগ করবে ইত্যাদি।

    ঠিক কী বলেছিলেন বিএনপি নেতা

    ভারতের বিরোধিতা করে বিএনপি নেতা রুহুল কবীর বলেছিলেন, “ভারত চট্টগ্রামকে ভারতের অংশ বলে দাবি করবে বলেছে। তাদের এত ঔদ্ধত্য হয়েছে। আমাদের মিলিত শক্তি, তারুণ্যের শক্তি নিয়ে আমরা এটাই বলব যে ঠিক আছে, তোমরা কী কারণে চট্টগ্রাম দাবি করবে? তোমরা ভারত যদি ওটা দাবি করতে পারো, তাহলে আমরাও দাবি করব, আমাদের নবাব সিরাজদৌল্লার বাংলা, বিহার, ওড়িশা ফেরত দাও।”

    আরও পড়ুনঃ ‘কলকাতা দখল! একটা রাফালই যথেষ্ট’, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক মন্তব্যের জবাব শুভেন্দুর

    হিন্দু নিপীড়নে চুপ মহম্মদ ইউনূস

    বাংলাদেশের (Bangladesh) হিন্দু ধর্মগুরু চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতার করার পর থেকেই ভারত সরকারের বিদেশ মন্ত্রকের বক্তব্য এবং হিন্দু সমাজের বিরোধিতায় ওই দেশের মৌলবাদীরা ব্যাপকভাবে দাপাদাপি করছে। চট্টগ্রাম, রংপুর, নেত্রকোনা, রাজশাহীতে চলছে ব্যাপক হিন্দু নির্যাতন। রবিবার ঢাকার পল্টন ময়দান থেকে ভারতীয় দূতাবাসে অভিযানের লক্ষ্য নিয়ে বিরাট মিছিল করে। এই মিছিলেও ভারত-বিরোধী নানা স্লোগানও ওঠে। অথচ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস চুপ হয়ে পরোক্ষ ভাবে ভারত বিরোধিতার মদত দিচ্ছেন বলে মনে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘কলকাতা দখল! একটা রাফালই যথেষ্ট’, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক মন্তব্যের জবাব শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘কলকাতা দখল! একটা রাফালই যথেষ্ট’, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক মন্তব্যের জবাব শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সামরিক শক্তি কত বেশি, তা বাংলাদেশের (Bangladesh) অনুমান ক্ষমতারও বাইরে। ভারত কতটা শক্তিশালী, সেটা জানে রাশিয়া, আমেরিকা, চিনের মতো দেশ। একটা রাফাল যুদ্ধবিমান কতটা ভয়ঙ্কর তা বুঝতে পারছে না বাংলাদেশের একাংশ। কাঁথিতে রবিবার জনসভায় এমনই দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। 

    রাফাল-হুমকি

    রবিবার কাঁথিতে সনাতনী সমাজের মিছিলের পরে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, বাংলাদেশের যে ব্যাক্তি, চারদিনের মধ্যে কলকাতা দখলের হুমকি দিয়েছেন, তিনি অবার্চীনের মতো কথা বলেছেন। বিজ্ঞান নিয়ে ন্যূনতম ধারণা নেই তাঁর। শুভেন্দুর কথায়, ‘‘কতগুলো অর্বাচীন ঢাকায় দাঁড়িয়ে কাল বলেছে, চার ঘণ্টার মধ্যে নাকি কলকাতা দখল করবে। ওই লোকগুলো কোনও স্কুল-কলেজে পড়েছে বলে জানা নেই আমার। আমাদের হাসিমারা বিমানঘাঁটিতে ভারতীয় বায়ুসেনার যে রাফাল বিমানগুলি রাখা আছে না, তার একটা যদি পাঠিয়ে দেওয়া হয়, শুধু আওয়াজেই ওদের প্যান্টে বাথরুম হয়ে যাবে, আমি বলে গেলাম। ভারতের সামরিক শক্তি কত, সেটা রাশিয়া জানে, আমেরিকা জানে, চিন জানে।’’

    আরও পড়ুন: ‘‘লাশ চাইনি আমি! নতুন সূর্যের উদয় হবে’’, লন্ডনে হাসিনার বক্তব্যে সংখ্যালঘু হত্যা প্রসঙ্গ

    ইতিহাস-স্মরণ

    রবিবার, বাংলাদেশের (Bangladesh) হিন্দুদের উপরে অত্যাচারের প্রতিবাদ এবং সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণদাসের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে প্রাথমিকভাবে মিছিলের আয়োজন করা হয় কাঁথিতে। সেই মিছিলের শেষে কড়া ভাষায় বাংলাদেশকে আক্রমণ শানান শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, ‘‘একাত্তর সালে দেড় বছর ধরে অত্যাচার হয়েছে। হিন্দু মহিলাদেরকে ধর্ষণ করা হয়েছে। পাকিস্তানের হাত থেকে বাংলাদেশকে উদ্ধার করার জন্য ৩০ লাখ (মানুষ) শহিদ হয়েছিলেন। তাঁদের অধিকাংশই ছিলেন বাঙালি হিন্দু। ৩,০০০ ভারতীয় সৈনিক শহিদ হয়েছিলেন। আমাদের হাজার-হাজার বিএসএফ জওয়ান শহিদ হয়েছিলেন। তারপর বাংলাদেশ তৈরি হয়েছে। দেড় বছর ধরে অত্যাচার করেছিল (পাকিস্তান)। আমি বলি, পিপীলিকার পাখা গজায় মরিবার তরে। বাংলাদেশের এই মৌলবীগুলো, উগ্রপন্থীগুলোরও পাকিস্তানের রাজাকারদের যা হাল হয়েছিল, সেই হাল হতে চলেছে। অপেক্ষা করুন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Hasina: ‘‘লাশ চাইনি আমি! নতুন সূর্যের উদয় হবে’’, লন্ডনে হাসিনার বক্তব্যে সংখ্যালঘু হত্যা প্রসঙ্গ

    Sheikh Hasina: ‘‘লাশ চাইনি আমি! নতুন সূর্যের উদয় হবে’’, লন্ডনে হাসিনার বক্তব্যে সংখ্যালঘু হত্যা প্রসঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি, সংখ্যালঘুদের উপর নিপীড়নের অভিযোগ নিয়ে সরাসরি ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের দিকে আঙুল তুললেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মুজিবুর-কন‍্যার দাবি, “কোনও কোটা ছিল না। সব দাবি মানা হয়েছিল। কিন্তু, দাবি মানার পরও কেন আন্দোলন চলে? এই আন্দোলনে কোনও নেতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। ফলে এটা যে গভীর চক্রান্ত, তা বোঝা যাচ্ছিল। লাশ চাইনি আমি, তাই সরতে হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষের মৌলিক অধিকার হরণ করা হয়েছে। হিন্দু-সংখ্যালঘুদর উপর নির্বিচারে আক্রমণ করা হচ্ছে। যা দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে।” রবিবার ব্রিটেনের এক সভায় ভার্চুয়াল মাধ্যমে বক্তৃতায় এমনই দাবি করলে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    অশান্ত বাংলাদেশে এখন অরাজকতা

    ব্রিটেনে আওয়ামি লিগের সমর্থকরা রবিবার একটি সভার আয়োজন করেছিল। ভার্চুয়াল মাধ্যমে সেই সভাতেই ভাষণ দিলেন হাসিনা। সভায় হাসিনা দাবি করেন, বাংলাদেশে এখন ‘অরাজকতা’ চলছে। নাগরিকদের কোনও শান্তি নেই সেখানে। তাঁর কথায়, ‘‘ঘরে শান্তিতে ঘুমোনোর উপায় নেই। চুরি, ডাকাতি হচ্ছে। যে কোনও সময় তদন্ত হতে পারে। এই তদন্তের নির্দেশ কে দিচ্ছেন?’’ এদিন লন্ডনে ওই অনুষ্ঠানে বহু মানুষ জমায়েত হন। হাসিনা বলেন, “আপনাদের সঙ্গে কথা বলতে পেরে আনন্দিত। এখন বাংলাদেশে মানুষের কথা বলার অধিকার নেই। ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত মানুষ। বাংলাদেশ এখন কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। সারা বাংলাদেশ জ্বলছে।” 

    আওয়ামি লিগ যেভাবে বাংলাদেশের মানুষের উন্নয়নে কাজ করেছে, সেকথা তুলে ধরেন হাসিনা। তিনি বলেন, “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলেছিলাম। আমি মানুষের জীবন নিতে আসিনি। আমি মানুষের জীবন উন্নত করেছি। এই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছি বলেই আমাকে এখন বিচারের কাঠগড়ায় তোলার চেষ্টা করছে।” আওয়ামি লিগের গণসংগঠন ‘বাংলাদেশ ছাত্র লিগ’ হাসিনার এই বক্তৃতার ভিডিও সমাজমাধ্যমে দিয়েছে। 

    সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার

    সম্প্রতি সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারিকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। আক্রান্ত হন বাংলাদেশের হিন্দু-সহ সংখ্যালঘুরা। হাসিনার এদিনের বক্তব্যে উঠে আসে চিন্ময় দাসের গ্রেফতারির প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, “আইনজীবী পর্যন্ত দাঁড়াতে দেওয়া হয়নি। অথচ কেউ আইনজীবী দাঁড় করাতে না পারলে সরকারের তরফে আইনজীবী দেওয়া দরকার।” বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি বদলাবে বলে আশাবাদী হাসিনা। 

    আরও পড়ুন: হিন্দু নির্যাতনের মাশুল! বাংলাদেশিদের জন্য বন্ধ ত্রিপুরার হোটেলের দ্বার

    হাসিনা এ-ও দাবি করেছেন, জনবিক্ষোভের সময় তিনি ‘শক্তি প্রয়োগ’ করেননি। যদি তা করতেন, তা হলে বহু মানুষের প্রাণ যেত। তাঁর কথায়, ‘‘আমি শক্তি প্রয়োগ করলে লাশ পড়ত। আমি চাইনি মানুষের প্রাণ যাক। পুলিশ রাবার বুলেট ব্যবহার করেছে।’’ এর পরেই নোবেলজয়ী ইউনূসের দিকে আঙুল তুলেছেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘‘ইউনূস মাস্টারমাইন্ড, খুনি, ফ্যাসিবাদী, স্বৈরাচারী। আবু সঈদের হত্যার জন্য এই মাস্টারমাইন্ডরাই দায়ী। তাঁরা চেয়েছিলেন, লাশ ফেল, তা হলে সরকার পড়ে যাবে।’’ হাসিনা প্রশ্ন তুলেছেন যে, কেন বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা হচ্ছে? কেন মন্দির, গির্জা ধ্বংস করা হয়েছে? তবে, এই কালো দিন দূর হবে বলেই আশা হাসিার। তিনি বলেন, “এই অন্ধকার কেটে যাবে। নতুন সূর্যের উদয় হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tripura Hotels: হিন্দু নির্যাতনের মাশুল! বাংলাদেশিদের জন্য বন্ধ ত্রিপুরার হোটেলের দ্বার

    Tripura Hotels: হিন্দু নির্যাতনের মাশুল! বাংলাদেশিদের জন্য বন্ধ ত্রিপুরার হোটেলের দ্বার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নির্যাতন চলছেই। এমতাবস্থায় বাংলাদেশিদের জন্য বুকিং নেওয়া বন্ধ করে দিল অল ত্রিপুরা হোটেল (Tripura Hotels) অ্যান্ড রেস্তরাঁ মালিক সমিতি। সমিতির তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে অল ত্রিপুরা হোটেল অ্যান্ড রেস্তরাঁ মালিক সমিতির অফিস সেক্রেটারি ভাস্কর চক্রবর্তী বলেন, “২ ডিসেম্বর আমরা আমাদের সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে এদিন থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য কোনও হোটেলে পরিষবা সেবা উপলব্ধ থাকবে না। এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের প্রতিবেশী রাজ্যে ক্রমবর্ধমান অস্থিরতার প্রতি একটি কঠোর প্রতিক্রিয়া।

    রেস্তরাঁ মালিক সমিতির ঘোষণা (Tripura Hotels)

    অল ত্রিপুরা হোটেল অ্যান্ড রেস্তরাঁ মালিক সমিতির ঘোষণা, বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ত্রিপুরা রাজ্যে সেবা প্রদান নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বাংলাদেশে হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর বাড়তে থাকা নির্যাতনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে অল ত্রিপুরা হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি বলেন, “এহেন সিদ্ধান্তের প্রধান কারণ বাংলাদেশে আমাদের জাতীয় পতাকার প্রতি দেখানো অসম্মান। বাংলাদেশের হাই কমিশনকে ঘিরে ঘটনার ঘটনাও এই সিদ্ধান্ত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন (Tripura Hotels) করেছে।”

    বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা

    তিনি বলেন, “আর একটি কারণ হল এখানে আগত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করা। যদি কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে যা কোনও বাংলাদেশি অতিথির সঙ্গে সম্পর্কিত, তাহলে এর সম্পূর্ণ দায়ভার হোটেল মালিকের ওপর পড়বে। এমন জটিলতা এড়ানোর জন্য, আমরা চলতি মাসের ২ তারিখে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে আমরা বাংলাদেশি নাগরিকদের ঘর দেব না।”
    তিনি বলেন, “২ ডিসেম্বরের আগে যারা এখানে চেক-ইন করেছেন, তাঁরা থাকতে পারবেন। কিন্তু আমরা নতুন করে আর বুকিং নেব না। এও সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, যদি কেউ চিকিৎসার প্রয়োজনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র-সহ জরুরি পরিস্থিতিতে আসে, তাহলে তাদের ঘর দেওয়া হবে।”

    আরও পড়ুন: “কলকাতা দখল কি হাতের মোয়া? পৃথিবীর চতুর্থ বৃহত্তম সেনা ভারতে”, মৌলবাদীদের তোপ সুকান্তর

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ক্রমাগত হিংসা বাড়ছে। শুক্রবার ও শনিবারের মাঝে রাতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় লক্ষ্মী-নারায়ণ মন্দিরে। এসব কারণে বাংলাদেশিদের (Bangladeshi Citizens) জন্য দ্বার বন্ধ হয়ে গেল ত্রিপুরার হোটেলে (Tripura Hotels)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “কলকাতা দখল কি হাতের মোয়া? পৃথিবীর চতুর্থ বৃহত্তম সেনা ভারতে”, মৌলবাদীদের তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “কলকাতা দখল কি হাতের মোয়া? পৃথিবীর চতুর্থ বৃহত্তম সেনা ভারতে”, মৌলবাদীদের তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিতে নোবেল প্রাপক মহম্মদ ইউনূসের রাজত্বে সাড়া বাংলাদেশ (Bangladesh) এখন অশান্তির বাতাবরণে আচ্ছন্ন। প্রতিদিন সেখানে হিন্দুদের ওপর নিপীড়ন—অত্যাচার, লুট, মন্দির ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ, খুন, দোকান লুটের ঘটনা ঘটেই চলেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আইনের কোনও শাসন নেই। পুলিশ এবং সেনা হিন্দুদের জীবন-সম্পত্তি রক্ষায় সম্পূর্ণ ব্যর্থ। পাল্টা ভারতের মানুষ হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরব হলে বাংলাদেশের মৌলবাদী জেহাদিরা ভারতের উপর আক্রমণ করার হুমকি দিতে শুরু করে। গোটা বাংলাদেশে কট্টরপন্থী জেহাদিরা যেমন দাপাদাপি করছে, সেই সঙ্গে আগামী চার দিনের মধ্যে ভারত দখল করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) তীব্র তোপ দেগেছেন মৌলবাদীদের। তিনি ভারতীয় সেনার ব্যাপক প্রশংসা করে পাল্টা হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।

    যারা হুমকি দিচ্ছে তারা কোনও সরকারি পদে নেই (Sukanta Majumdar)?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বাংলাদেশের হিন্দু নিধন নিয়ে আগেও সরব হয়েছিলেন। মহম্মদ ইউনূস যে পাকিস্তানের সুরে কথা বলেন তা প্রথমেই বলেছেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের (Bangladesh) হিন্দুদের পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়ঙ্কর। যে পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশি হিন্দুরা যাচ্ছে সেটা আমাদের জন্য হৃদয় বিদারক। তবে বাংলাদেশ থেকে যারা হুমকি দিচ্ছে তারা কোনও সরকারি পদে নেই। ফলে তাদের কোনও ক্ষমতাও নেই। চারদিনে কলকাতা দখল করার কথা বলছে! এটা কি হাতের মোয়া? কিছুই বোঝে না ওরা। বাংলাদেশ সেনার জন্য কলকাতার সিভিক ভলান্টিয়াররাই যথেষ্ট। তারাই আটকে দেবে ওদের।”

    ইসলামের ধর্মান্ধতা কোন জায়গায় পৌঁছাতে পারে, উদাহরণ বাংলাদেশ

    একইভাবে ভারতীয় সেনারা যথেষ্ট সক্ষম, তাই বাংলাদেশের (Bangladesh) মৌলবাদীদের পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে সুকান্ত আরও (Sukanta Majumdar) বলেন, “ভারতের সৈন্যশক্তি সম্পর্কে ওদের কোনও আইডিয়া নেই। পৃথিবীর চতুর্থ বৃহত্তম সেনা রয়েছে ভারতের হাতে। তবে ইসলামের ধর্মান্ধতা কোন জায়গায় পৌঁছাতে পারে তার উদাহরণ বাংলাদেশ। পশ্চিমবঙ্গের মানুষেরও সচেতন হওয়া দরকার।” উল্লেখ্য, শনিবার ঢাকায় বাংলাদেশ তিসরাই ইনসাফ পার্টির নেতা মিনাজ ভারত দখলের স্লোগান দিয়ে বলেছিলেন, “আমরা ইন্ডিয়ার কলকাতা, আগরতলা এবং সেভেন সিস্টার্স দখল করব। আমরা ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ দু’ দেশের মানচিত্রই নতুন করে আঁকব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF: সীমান্তে ১,৩০০ কোটি টাকার সোনা-রুপো বাজেয়াপ্ত, ১৫টি মানবপাচার বিরোধী ইউনিট গঠন

    BSF: সীমান্তে ১,৩০০ কোটি টাকার সোনা-রুপো বাজেয়াপ্ত, ১৫টি মানবপাচার বিরোধী ইউনিট গঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সোনা ও রুপোর চোরাচালান ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছর অক্টোবর মাসের শেষে প্রায় ১,৩০০ কোটি টাকা মূল্যের এই মূল্যবান ধাতু আটক করেছে বিএসএফ (BSF)।

    আটক সোনা-রুপো (BSF)

    বিএসএফের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাহিনী ২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত (India Bangladesh Border) ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে মোট ১৭২.৮২৮ কেজি সোনা ও ১৭৮.৮০৫ কেজি রুপো আটক করা হয়েছে। গত বছর এই সময় আটক করা হয়েছিল ১৬৩.৩২৫ কেজি সোনা। এছাড়াও, বিএসএফ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ১১,৮৬৬.৭৮৮ কেজি মাদকদ্রব্য, ৩,২৬৫,৭০০টি জালনোট, ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৫৭৪ রাউন্ড গোলাবারুদ আটক করেছে। বিএসএফ ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সীমান্তে ৪,১৬৮ জনকে গ্রেফতার করেছে। ২২ জন চোরাচালানকারীকে নিউট্রিলাইজ করা হয়েছে।  

    মানবপাচার বিরোধী ইউনিট গঠন

    বার্ষিক প্রেস মিটে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিএসএফের (BSF) ডিরেক্টর জেনারেল দলজিত সিং চৌধুরী বলেন, “বাহিনী ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে অনুপ্রবেশ, চোরাচালান এবং গ্রেফতারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।” তিনি বলেন, “বিএসএফ (BSF) ১৫টি মানবপাচার বিরোধী ইউনিট গঠন করেছে, যা স্থানীয় পুলিশ এবং সরকারি রেল পুলিশের সঙ্গে সমন্বয়ে রেলওয়ে স্টেশন এবং বাস স্ট্যান্ডে কাজ করছে।” তিনি জানান, অতিরিক্ত জনবল, বিশেষ পর্যবেক্ষণ সরঞ্জাম এবং যানবাহন মোতায়েন করে নজরদারি শক্তিশালী করার জন্য বিস্তারিত দুর্বলতা মানচিত্রও প্রস্তুত করা হয়েছে, যা অনুপ্রবেশ এবং চোরাচালান রোধে সহায়ক হবে।

    আরও পড়ুন: সশস্ত্র বাহিনীর বীরত্ব ও দেশপ্রেমের প্রতি শ্রদ্ধা, পতাকা দিবস তহবিলে দান করার আবেদন শাহের

    তিনি বলেন, “ইলেকট্রনিক সার্ভেইল্যান্স অফ ভানরেবল প্যাচেস (ESVP) প্রকল্পের অধীনে, সিসিটিভি এবং পিটিজি ক্যামেরা, আইআর সেন্সর এবং ইনফ্রারেড এলার্ম-সহ কমান্ড এবং কন্ট্রোল সিস্টেম সজ্জিত সমন্বিত পর্যবেক্ষণ প্রযুক্তি আন্তর্জাতিক সীমান্তের দুর্বল এলাকাগুলিতে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা করার জন্য স্থাপন করা হয়েছে।”

    ডিরেক্টর জেনারেল বলেন, “অনুপ্রবেশের অঞ্চল চিহ্নিত করা হয়েছে, সন্দেহভাজন রুটগুলিতে নজরদারি করা হচ্ছে এবং গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক ও যোগাযোগের মাধ্যমে সমন্বয় সাধন করা হচ্ছে।” তিনি বলেন, “রাতের সময় বেড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাপক গাড়ি প্যাট্রোলিংও করা হয়, মোবাইল চেকপোস্ট স্থাপন করা হয় গভীর এলাকায় (India Bangladesh Border) এবং সংযোগ পয়েন্টগুলিতে (BSF)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: “ভারতকে টুকরো টুকরো করব, মানচিত্র বদলে দেবো”, মিছিল করে ঢাকায় বেলাগাম স্লোগান

    Bangladesh: “ভারতকে টুকরো টুকরো করব, মানচিত্র বদলে দেবো”, মিছিল করে ঢাকায় বেলাগাম স্লোগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কলকাতা দখল করব, ভারতকে টুকরো করে মানচিত্র বদলে দেবো।” এই ভাবেই ভয়ঙ্কর হুঁশিয়ারি দেওয়া হল বাংলাদেশ (Bangladesh) থেকে। গত ৫ অগাস্ট হাসিনার সরকারকে ছাত্র আন্দোলনের নামে উৎখাত করে কট্টর মৌলবাদীদের দাপাদাপি এখন চরম সীমায় পৌঁছে গিয়েছে। ওই দেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর লাগাতার জেহাদি আক্রমণ চলছে। খুন, ধর্ষণ, হত্যা, বাড়ি-ঘর, দোকান লুটপাট চলছে অনবরত। সেসব থামার  কোনও লক্ষণ নেই, পাল্টা কলকাতাকে দখল করার হুমকি দিল উগ্র মুসলমানারা।

    ভারতীয় ভূখণ্ডে আমরা কলমা আঁকা পতাকা ওড়াবো(Bangladesh)

    বাংলাদেশে (Bangladesh) যখন প্রতিদিন হিন্দুদের উপর বর্বর আক্রমণ করা হচ্ছে, সেই সময় বাংলাদেশ তিসরাই ইনসাফ পার্টি পুলিশের নিরাপত্তায় ঢাকায় মিছিল করেছে। উল্লেখ্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূস যেখানে হিন্দুদের জীবন এবং সম্পত্তি রক্ষায় ব্যর্থ, সেখানে কট্টরপন্থীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যস্ত। এদিন মিছিল থেকে সংগঠনের প্রধান নেতা মিনাজ প্রধানের হুমকি, ভারতের মানচিত্র বদলে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, “আমরা ভারতের কলকাতা, আগরতলা এবং সেভেন সিস্টার্স দখল করে নেবো। বাংলাদেশ এবং ভারতের মানচিত্রকে নতুন করে আঁকব। তোমরা যদি বাংলাদেশের দিকে তাকাও তাহলে ভয়ঙ্কর পরিণতি হবে। সেই কথা মাথায় রেখে কাজ করো। প্রয়োজনে আমরা ভারতকে টুকরো টুকরো করব। ভারতীয় ভূখণ্ডে আমরা কলমা আঁকা পতাকা ওড়াবো। আমরাই ভারত শাসন করব। একই ভাবে ঢাকার বাইতুল মসজিদের কাছে মিনাজ প্রধান হুমকি দিয়ে আরও বলেন, “হিন্দুদের উচিত সনাতনী পরিচয় ত্যাগ করা। শুধু মাত্র উচিত বাংলাদেশি হিসেবে পরিচয় দেওয়া।”

    আরও পড়ুনঃ সিরিয়ার রাজধানী দখলের পথে সশস্ত্র বিদ্রোহীরা, দেশ ছাড়তে বিমানে উঠেছেন প্রেসিডেন্ট আসাদ!

    ভারতের চেয়ে অতি শক্তিধর দেশ বাংলাদেশ

    অপর দিকে ঢাকার রাস্তায় এদিন মিছিল করেন বাংলাদেশ (Bangladesh) সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত অফিসার ও জওয়ানেরা। তাঁরা ভারতের বিরুদ্ধে হুংকার দিয়ে বলেন, “কালকাতা থেকে আগরতলা সব কেড়ে নেওয়া হবে। ভারতের চেয়ে অতি শক্তিধর দেশ বাংলাদেশ। আমাদের ক্ষমতা ভারতের চেয়ে অনেক বেশি। ৭১ সালের সেনা আর বাংলাদেশে নেই।” উল্লেখ্য সোমবার ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি ঢাকায় যাবেন। দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে ফরেন অফিস কনসাল্টেশনের বৈঠকে যোগদান করবেন। ওইদিনেই ভারতীয় দূতাবাসকে উদ্দেশ্য করে বিএনপি পল্টন থেকে মিছিলের ডাক দিয়েছে। যদিও ইউনূস প্রশাসন কোনও নিষেধাজ্ঞা জারি করেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF: অশান্ত বাংলাদেশ! মুর্শিদাবাদ, জলপাইগুড়ি সীমান্তে বিএসএফের কড়া নজরদারি, কী কী ব্যবস্থা?

    BSF: অশান্ত বাংলাদেশ! মুর্শিদাবাদ, জলপাইগুড়ি সীমান্তে বিএসএফের কড়া নজরদারি, কী কী ব্যবস্থা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত বাংলাদেশ (Bangladesh)। এই আবহের মধ্যে ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে প্রহরা জোরদার করছে বিএসএফ (BSF)। কাঁটাতারের ওপারে ভারতীয় জমি! সেই জমিকে আগলে রাখতে বিএসএফের সর্বক্ষণ কড়া নজরদারি সীমান্তবর্তী এলাকায়। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন সেই এলাকায় বর্তমানে পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ এবং সুরক্ষিত রয়েছে। 

    মুর্শিদাবাদ সীমান্তে কড়া নজরদারি (BSF)

    জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের রাজানগর, কাকমারী, জলঙ্গী, রানিনগর সীমান্তের জিরো পয়েন্ট অর্থাৎ লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএসএফ (BSF) জওয়ানদের মোতায়েন করা হচ্ছে। দু’দেশের সীমান্তের কাছে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বিএসএফ ক্যাম্প এবং ওপি পয়েন্টগুলি। নজরদারি বাড়াতে বাড়ানো হচ্ছে টহলদারি ভ্যানের সংখ্যা। বাড়ানো হয়েছে উঁচু ওয়াচ টাওয়ার। এতদিন বিএসএফ সীমানার ভেতরের দিকে ডমিনেশন লাইনে মোতায়েন ছিল। কারণ, রাস্তাঘাট, আলোর সুবিধা ছিল। আইবি দূরে ছিল, সেখানে যাতায়াতের সুবিধা ছিল না। সীমান্ত এলাকার মানুষজন, যারা বিশেষত চরে চাষবাস করেন তারা বড় সমস্যার মুখোমুখি হন এতদিন। মূলত সীমান্ত এলাকার চরের কৃষি জমিতে বাংলাদেশি দুর্বৃত্তদের হানা ও অনুপ্রবেশ রুখতে এই উদ্যোগ বলে জানা গিয়েছে। বিএসএফ-এর মুর্শিদাবাদ রেঞ্জের ডিআইজি অনিল কুমার সিনহা জানান, ‘‘চেকিং পয়েন্ট জিরো লাইনের কাছে এগিয়ে দেওয়া হল। কৃষকদের সুবিধা বাড়াতেই এই পদক্ষেপ, যাতে তারা কৃষিকাজে সময় পান। কৃষকদের সুরক্ষার ক্ষেত্রেও নজর রাখা হবে।”

    আরও পড়ুন: এবার ঢাকার ইসকন মন্দিরে আগুন লাগাল মৌলবাদীরা, পুড়ল লক্ষ্মী-নারায়ণের মূর্তি

    জলপাইগুড়ির সীমান্তে জোর দিল বিএসএফ

    জলপাইগুড়ি সীমান্ত (BSF) এলাকায় কাঁটাতারের ওপারে থাকা ভারতীয় জমিকে ঘিরে বেশ ভয়ে ভয়ে দিন কাটাতে হয় সীমান্তবর্তী কিছু এলাকাবাসীদের। কাঁটাতারের বেড়ার ওপারে, বাংলাদেশের পঞ্চাগড় জেলার ভুজালিপাড়া সহ অন্যান্য সীমান্তবর্তী এলাকা সংলগ্ন কাঁটাতারের ওপারে ভারতের জমি রয়েছে, সেই জমিতে রুজি রুটির জন্য নিয়মিত চাষাবাদ করে ভারতীয় কৃষকরা। সন্ধ্যে হওয়ার আগেই কাঁটাতারের এপারে চলে আসতে হয় কৃষকদের। এই সব এলাকায়  সর্বক্ষণ কড়া নজরদারি চালাচ্ছে বিএসএফ। তাদের জন্যেই এখনও পর্যন্ত স্বস্তিতে থাকতে পারছেন সীমান্তবর্তী বাসিন্দারা। স্থানীয়দের কথায়, এখনও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি এলাকাগুলিতে। জলপাইগুড়ি বর্ডার সংলগ্ন এলাকায় যেমন খারিজা বেরুবারি ২, বোনাপাড়া, সিপায় পাড়া ইত্যাদি এলাকায় বিএসএফের উপস্থিতি বেশ শক্তিশালী। তেমনই বিপরীত পাড়ে বাংলাদেশের পঞ্চাগড় এলাকাতেও শান্তি বজায় রাখা হয়েছে। বিএসএফের উপস্থিতি এবং তাদের কার্যক্রমের কারণে এলাকাবাসীরা বর্তমানে নিশ্চিন্তে শান্তিতে ঘুমাতে পারছেন।

    ইউনূস জমানায় কতজন অনুপ্রবেশ করেছে ভারতে?

    মহম্মদ ইউনূসের সরকার গঠনের পর থেকে ভারতে নাকি একজনও বাংলাদেশি বেআইনি ভাবে অনুপ্রবেশ করেনি। এমনই দাবি করল বিএসএফ। বিএসএফ (BSF) প্রধান দলজিৎ সিং চৌধুরি বলেন, ‘‘৫ অগাস্টের পর বাংলাদেশ থেকে যারাই ভারতে এসেছে, তারা বৈধ ভিসা নিয়েই সীমান্ত পার করেছে। প্রাথমিক ভাবে সীমান্তে অনেকেই ভিড় করেছিল বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশ করার জন্যে। তবে বিএসএফের তৎপরতা এবং বিজিবির সঙ্গে আমাদের বোঝাপড়ার জন্যেই কোনও অবৈধ অনুপ্রবেশ ঘটেনি।” উল্লেখ্য, এই বছরে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ১১ হাজার ৮৬৬ কেজি মাদক উদ্ধার হয়েছে। ১৪টি অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। ২২ পাচারকারীকে খতম করা হয়েছে। ৪১৬৮ জন পাচারকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও সীমান্তে পাচারের সময় উদ্ধার হয়েছে ১৩০০ কোটি মূল্যের ১৭৩ কেজি সোনা এবং ১৭৯ কেজি রুপো।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share