Tag: Bangladesh

Bangladesh

  • US Corn Imports: শুকরের বিষ্ঠার সার দেওয়া ভুট্টা বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে আমেরিকা! সমাজমাধ্যমে ট্রোলের বন্যা

    US Corn Imports: শুকরের বিষ্ঠার সার দেওয়া ভুট্টা বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে আমেরিকা! সমাজমাধ্যমে ট্রোলের বন্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস সম্প্রতি একটি টুইটে জানায় যে আমেরিকা থেকে ভুট্টা (US Corn Imports) এই মাসেই বাংলাদেশে আসছে। ভুট্টার পুষ্টিগুণ ও খাদ্যশিল্পে ব্যবহারের কথা তুলে ধরে দেওয়া ওই পোস্টটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হলেও, সোশ্যাল মিডিয়ায় তা ঘিরে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। কারণ হিসেবে উঠে আসে যুক্তরাষ্ট্রে ভুট্টা চাষে শূকরের সার ব্যবহারের বিষয়টি—যা মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশে ধর্মীয়ভাবে সংবেদনশীল বলে বিবেচিত। দূতাবাসের টুইটে বলা হয়, “মার্কিন ভুট্টা এই মাসে বাংলাদেশে আসছে। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এই শস্য কর্নব্রেড ও ব্রেকফাস্ট-সহ নানা খাদ্যে ব্যবহৃত হয়। পাশাপাশি এটি পশুখাদ্য হিসেবেও ব্যবহৃত হয়ে মাংস, দুধ ও ডিমের সরবরাহ নিশ্চিত করতে সহায়তা করে।” তবে পোস্টটির পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যবহারকারীরা শূকর সার ব্যবহারের প্রসঙ্গ তুলে ধরে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করতে শুরু করেন।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিক্রিয়া

    বিভিন্ন ব্যবহারকারী মন্তব্যে বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করেন। কেউ কেউ ধর্মীয় অনুভূতির প্রশ্ন তোলেন, আবার কেউ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন। একাধিক পোস্টে মার্কিন নীতির সমালোচনার পাশাপাশি বাংলাদেশকে ‘চাপের মুখে’ আমদানিতে বাধ্য করা হয়েছে—এমন দাবিও করা হয়। এ নিয়ে এখনও যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, এর আগে বাংলাদেশে আমদানিকৃত মিট অ্যান্ড বোন মিল (এমবিএম) পাউডারে শূকরজাত উপাদান শনাক্ত হওয়ার ঘটনায় দেশটি ওই পণ্যের আমদানি ও বিক্রি নিষিদ্ধ করেছিল। ফলে খাদ্য ও পশুখাদ্যে ব্যবহৃত উপকরণ নিয়ে সতর্কতা নতুন নয়।

    কেন মার্কিন ভুট্টা?

    ভুট্টা চাষে ব্যাপক সার প্রয়োজন হয় এবং যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন বৃদ্ধিতে বিভিন্ন ধরনের জৈব সার ব্যবহার করা হয়ে থাকে। চলতি বছরে যুক্তরাষ্ট্রে ভুট্টার বাম্পার ফলন হওয়ায় দেশটি বাংলাদেশ ও ভারতের মতো বাজারে রফতানি বাড়াতে আগ্রহী। কিছু প্রতিবেদনে অতিরিক্ত উৎপাদনের কারণে ভুট্টা মজুতের চাপের কথাও উঠে এসেছে। ভারত বড় পরিসরে মার্কিন ভুট্টা আমদানিতে এখনও অনাগ্রহী থাকলেও বাংলাদেশ সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম, ভুট্টা ও সয়াবিন আমদানির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর পেছনে রয়েছে দু’দেশের বাণিজ্যিক টানাপোড়েন। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার। চলতি বছর শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি পণ্যের ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপ করলেও পরে তা কমানো হয়। এই প্রেক্ষাপটে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন মার্কিন গম কেনার অনুমোদনও দিয়েছে। সব মিলিয়ে, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ভুট্টা সংক্রান্ত পোস্টটি বাণিজ্যিকভাবে ইতিবাচক বার্তা দিতে চাইলেও, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতার কারণে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

  • Hindu Man Killed: বাংলাদেশে ফের হিন্দু নিধন, ময়মনসিংহে গুলিতে হত নিরাপত্তারক্ষী

    Hindu Man Killed: বাংলাদেশে ফের হিন্দু নিধন, ময়মনসিংহে গুলিতে হত নিরাপত্তারক্ষী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৈশাচিকভাবে হত্যা করা হয়েছিল বাংলাদেশের (Bangladesh) দীপু চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দুকে (Hindu Man Killed)। সেই ঘটনার রেশ পুরোপুরি মিলিয়ে যাওয়ার আগেই ফের হিন্দু নিধন পদ্মাপারের দেশে। নিহত ব্যক্তির নাম বজেন্দ্র বিশ্বাস। বছর চল্লিশের ওই ব্যক্তি ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার একটি পোশাক কারখানায় নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ মেহরাবাড়ি এলাকার সুলতানা সুইটার্স লিমিটেড কারখানার ভেতরেই সহকর্মীর গুলিতে গুরুতর জখম হন তিনি। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত ঘোষণা করা হয় তাঁকে।

    আনসার বাহিনীর সদস্য খুন (Hindu Man Killed)

    জানা গিয়েছে, বজেন্দ্র বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীন আধাসামরিক বাহিনী আনসার বাহিনীর সদস্য ছিলেন। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা এই বাহিনীরই আর এক সদস্য নোমান মিঞা তাঁকে গুলি করে হত্যা করে। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার সময় কারখানায় মোট প্রায় ২০ জন আনসার সদস্য কর্মরত ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বজেন্দ্র ও নোমান পাশাপাশি বসেছিলেন। হঠাৎই নোমান একটি শটগান বের করে বজেন্দ্রর বাঁ দিকের উরুতে গুলি চালায়। মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ব্রজেন্দ্র। সহকর্মীরা (Bangladesh)দ্রুত ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন (Hindu Man Killed)।

    প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান

    ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আনসার সদস্য এপিসি আজহার আলি বলেন, “ঘটনার সময় নোমান মিঞা ও বজেন্দ্র বিশ্বাস আমার ঘরেই বসেছিলেন। হঠাৎ নোমান বজেন্দ্রের দিকে বন্দুক তাক করে বলে, ‘গুলি করব?’ কথাটা শেষ করেই সে গুলি চালায়। তার পরেই গা ঢাকা দেয় নোমান।” প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, ঘটনার আগে দু’জনের মধ্যে কোনও ধরনের ঝগড়া বা তর্কাতর্কি হয়নি। ময়মনসিংহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, মঙ্গলবার ভোরে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত নোমান মিঞাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত (Bangladesh)। ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহটি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

    অব্যাহত হিন্দু নিধন যজ্ঞ

    প্রসঙ্গত, শুধু ডিসেম্বর মাসেই বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের কোনও সদস্যকে হত্যার এটি তৃতীয় ঘটনা। একই সঙ্গে এটি ময়মনসিংহ জেলায় রিপোর্ট হওয়া দ্বিতীয় হত্যাকাণ্ড (Hindu Man Killed)। গত ২৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশের কালিমহর ইউনিয়নের হোসেনডাঙা এলাকায় বছর ঊনত্রিশের অমৃত মণ্ডলকে জনতা পিটিয়ে হত্যা করে বলে অভিযোগ। তার আগে, ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় একটি কারখানায় মিথ্যে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে বছর পঁচিশের দীপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। অভিযোগ, কারখানার এক মুসলমান সহকর্মী তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তোলে। পিটিয়ে খুনের পর উন্মত্ত জনতা তাঁর দেহ একটি গাছে ঝুলিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয়।

    মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু ধর্মীয় গোষ্ঠীর, বিশেষ করে হিন্দুদের, ওপর হিংসার ঘটনা বেড়েছে বলেই অভিযোগ। এ নিয়ে দেশটির নাগরিক সমাজের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলিও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে (Hindu Man Killed)। এদিকে, গত সপ্তাহে ভারত সরকার বাংলাদেশে হিন্দু, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ-সহ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে চলতে থাকা (Bangladesh) নিরবচ্ছিন্ন শত্রুতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। নয়াদিল্লি এও জানিয়ে দিয়েছে, প্রতিবেশী দেশটির পরিস্থিতির ওপর তারা নিবিড় নজর রাখছে।

  • Bangladesh: বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহকে তলব ঢাকার, কারণ কী?

    Bangladesh: বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহকে তলব ঢাকার, কারণ কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া মোড় নিচ্ছে ভারত-বাংলাদেশের (Bangladesh) সম্পর্ক! দিন কয়েক আগে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহকে (Reaz Hamidullah) তলব করেছিল নয়াদিল্লি। তার পরপরই ঢাকায় জরুরি তলব করা হয় হামিদুল্লাহকে। ডাক পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই ঢাকা পৌঁছন তিনি। গত বছরের অগাস্টে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অপসারণ এবং মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকেই দিল্লি ও ঢাকার মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনার একাধিক ঘটনা ঘটেছে। তবে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশে নতুন করে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ায় সেই উত্তেজনা আরও তীব্র হয়েছে।

    দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক (Bangladesh)

    বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, “ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহকে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় ডাকা হয়েছে।” জানা গিয়েছে, বিদেশমন্ত্রকের এক ‘দায়িত্বশীল সূত্রে’র উদ্ধৃতি দিয়ে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, তলবের প্রেক্ষিতে হামিদুল্লাহ সোমবার রাতে ঢাকায় পৌঁছন। প্রতিবেদনে এও বলা হয়েছ, “দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্যই তাঁকে ঢাকায় ডাকা হয়েছে।” শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর গত ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশজুড়ে (Bangladesh) ব্যাপক বিক্ষোভ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এই নতুন অস্থিরতার মধ্যেই একদল বিক্ষোভকারী চট্টগ্রামে ভারতের উপ রাষ্ট্রদূতের অফিসে হামলার চেষ্টা করে। সেই প্রেক্ষিতেই ভারত ওই মিশনে ভিসা পরিষেবা স্থগিত করে। এর আগে ভারত বাংলাদেশে নিযুক্ত দূত রিয়াজ হামিদুল্লাহকে তলব করে এবং ঢাকায় ভারতীয় মিশনের চারপাশে নিরাপত্তাজনিত অস্থিরতা তৈরির পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করা কিছু চরমপন্থীকে নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

    মিশনে ভিসা পরিষেবা স্থগিত

    এর পরিপ্রেক্ষিতে, বাংলাদেশ নয়াদিল্লিতে অবস্থিত সে দেশের হাইকমিশন এবং ত্রিপুরায় অবস্থিত মিশনে ভিসা পরিষেবা স্থগিত করে দেয়। পাশাপাশি, ভারতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের বাইরে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর বিষয়ে বাংলাদেশ ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব করে (Reaz Hamidullah)। তবে, একাধিক মিশনে ভিসা পরিষেবা স্থগিত এবং উভয় (Bangladesh) পক্ষের কূটনীতিকদের তলবের পরেও ঢাকা যে দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক নতুন করে সাজাতে আগ্রহী, তারই ইঙ্গিত মিলল। গত সপ্তাহে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ জানান, প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করে চলেছেন। তিনি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করছেন এবং এ বিষয়ে তিনি নিজেও বিভিন্ন অংশীদারের সঙ্গে কথা বলছেন।”

    সালেহউদ্দিন আহমেদ

    গত সপ্তাহে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছিলেন, প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করে চলেছেন। সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “আমরা দুই দেশের মধ্যে কোনও তিক্ততা চাই না। বাইরে থেকে যদি কেউ সমস্যা উসকে দেওয়ার চেষ্টা করে, তা কোনও দেশের স্বার্থেই ভালো নয় (Bangladesh)।” এদিকে, বাংলাদেশ ভারত থেকে ৫০ হাজার টন চাল আমদানির একটি প্রস্তাবও অনুমোদন করেছে। সালেহউদ্দিন আহমেদ একে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার একটি পন্থা বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, এই চাল আমদানি বাংলাদেশের জন্য লাভজনক হবে, কারণ ভারত ছাড়া আর একটি বড় বিকল্প ভিয়েতনাম থেকে চাল আনতে হলে প্রতি কেজিতে ১০ বাংলাদেশি টাকা বেশি খরচ পড়বে। সালেহউদ্দিন বলেন, “আমাদের বাণিজ্যনীতি রাজনৈতিক বিবেচনায় (Reaz Hamidullah) পরিচালিত নয়। যদি ভিয়েতনাম বা অন্য কোনও দেশ থেকে চাল আনার তুলনায় ভারত থেকে চাল আমদানি সস্তা হয়, তাহলে অর্থনৈতিক দিক থেকে ভারত থেকেই এই প্রধান খাদ্যশস্য কেনাই যুক্তিসঙ্গত (Bangladesh)।”

  • Bangladesh: পাঁচটি হিন্দু পরিবারের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ! সংখ্যালঘুদের ওপর ফের আক্রমণ বাংলাদেশে

    Bangladesh: পাঁচটি হিন্দু পরিবারের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ! সংখ্যালঘুদের ওপর ফের আক্রমণ বাংলাদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) মুসলিম-প্রধান এলাকা পিরোজপুর জেলার দুমড়িতলা গ্রামে একটি হিন্দু গ্রামে অন্তত পাঁচটি বাড়ি অগ্নিসংযোগে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটিকে সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে চালানো হামলা বলে মনে করা হচ্ছে। এই ঘটনা ঘটেছে গত ২৮ ডিসেম্বর। উল্লেখ্য এর আগে ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহে ২৯ বছর বয়সী গার্মেন্টস কারখানায় কর্মরত দীপু চন্দ্র দাসকে ধর্ম অবমাননার কারণে মিথ্যা অভিযোগে একদল মুসলিম উন্মত্ত জনতা প্রথমে পিটিয়ে হত্যা করেছিল এবং এরপর তাঁর মৃতদেহ আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয় এই হিন্দু নির্যাতনের (Attacks On Minorities Hindu) ঘটনায় ভারতেও ব্যাপক বিক্ষোভ দেখায় একাধিক হিন্দু সংগঠনের পক্ষ থেকে।

    কাপড় গুঁজে আগুন লাগিয়ে দেয় (Bangladesh)

    স্থানীয় (Bangladesh) প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। কট্টরপন্থী হামলাকারীরা (Attacks On Minorities Hindu) ঘরের একটি ঘরে কাপড় গুঁজে আগুন লাগিয়ে দেয় এবং এরপর তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষতিগ্রস্ত সাহা পরিবারের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে সংবাদ মাধ্যমের কর্মীরা। পরিবারের সদস্যরা বলেন, এই ঘটনা আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। তবে তাঁরা প্রকাশ্যে কথা বলতে রাজি হন নি। আগুন পরিকল্পনা করেই লাগানো হয়েছে। বিষয়টি বর্তমানে পুলিশ তদন্ত করছে।

    পরিবারের সদস্যরা আরও বলেন, ভোরের দিকে আগুন দেখতে পেয়ে বুঝতে পারা যায় বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিলযার ফলে তারা ঘরের ভেতর আটকে পড়েন। পরে দুটি পরিবারের মোট আটজন সদস্য টিনের চাল ও বাঁশের বেড়া কেটে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন। ঘরবাড়ি ও সমস্ত আসবাবপত্র সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এমনকি আগুনে বাড়ির পোষা প্রাণীরাও মারা গেছে।

    এই ঘটনাস্থলটি রাজধানী ঢাকা থেকে প্রায় ২৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করার আশ্বাস দিয়েছেন। স্থানীয় পুলিশ ইতোমধ্যে পাঁচজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং বাকিদের ধরতে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে স্থানীয় লোকজন একাধিক ঘরে ছড়িয়ে পড়া ভয়াবহ আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন।

    আন্তর্জাতিক সংস্থার দাবি

    হিউম্যান রাইটস কংগ্রেস ফর বাংলাদেশ (Bangladesh) মাইনরিটিজ (HRCBM) জানিয়েছে, চলতি বছরের জুন থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে হিন্দু সংখ্যালঘুদের অভিযোগকে কেন্দ্র করে অন্তত ৭১টি ঘটনার তথ্য তারা সংগ্রহ করেছে। এসব ঘটনা চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, দিনাজপুর, লালমনিরহাট, সুনামগঞ্জ, খুলনা, কুমিল্লা, গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও সিলেটসহ ৩০টিরও বেশি জেলায় নথিভুক্ত হয়েছে। সংস্থাটির মতে, এসব ঘটনার বিস্তার ও পুনরাবৃত্তি প্রমাণ করে যে এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং ধর্মীয় অভিযোগকে ব্যবহার করে সংখ্যালঘুদের একটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার মধ্যে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।  

    পাকিস্তানের সঙ্গে মিত্রতা ইউনূসের

    প্রায় ১৭ কোটি ৫০ লাখ জনসংখ্যার এই দক্ষিণ এশীয় দেশটি দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ক্রমশ ধর্মীয় রক্ষণশীলতার দিকে ঝুঁকছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (Bangladesh) ক্ষমতাচ্যুতির পর দেশটি একটি অনিশ্চিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই সময়ে উগ্র ইসলামপন্থীদের উত্থান, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের উত্তরাধিকার মুছে ফেলার প্রচেষ্টা এবং ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে পাকিস্তানের দিকে ঝোঁকার প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। অথচ এই পাকিস্তানই বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যাপক নির্যাতন (Attacks On Minorities Hindu) ও হত্যালীলা চালিয়েছিল।

    চরম হিন্দু নির্যাতন!

    বাংলাদেশের (Bangladesh) রাজনৈতিক পরিসরে নিয়মিত ভারতবিরোধী বক্তব্য শোনা যাচ্ছে, যার মধ্যে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল সম্পর্কিত উসকানিমূলক মন্তব্যও রয়েছে। এসব বক্তব্যের সূত্রপাত হয় মুহাম্মদ ইউনূসের ওই অঞ্চল নিয়ে করা এক মন্তব্য থেকে। বিশ্লেষকদের মতে, বিভিন্ন উগ্র গোষ্ঠী এই ভারতবিরোধী মনোভাবকে কাজে লাগিয়ে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা চালাচ্ছে এবং মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আড়ালে কট্টর মৌলবাদীরা রাজত্ব করছে।

    বাংলাদেশ যখন ইউনূস সরকারের অধীনে নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে, তখন বিচ্ছিন্ন হলেও সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতার ঘটনা বাড়ছে, যা মানবাধিকার সংগঠন ও পর্যবেক্ষকদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। গত ২৪ ডিসেম্বর রাজবাড়ী শহরে আরেক হিন্দু ব্যক্তি অমৃত মণ্ডল ওরফে সম্রাটকে উন্মত্ত জনতা হত্যা করে। তবে বাংলাদেশ সরকার দাবি করেছে, তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক গুরুতর মামলা ছিল এবং ঘটনাটি সাম্প্রদায়িক হামলা নয়। আসলে বাংলাদেশে এখন হিংস্রতা (Attacks On Minorities Hindu) চরম সীমায়।

  • BMJP: ৪০–৪৫টি আসনে জয়ের আশা! বাংলাদেশে নির্বাচনে লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে হিন্দুদের দল বিএমজেপি

    BMJP: ৪০–৪৫টি আসনে জয়ের আশা! বাংলাদেশে নির্বাচনে লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে হিন্দুদের দল বিএমজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অস্থির বাংলাদেশ। মহম্মদ ইউনূসের জমানায় প্রতিদিন পদ্মাপারে অত্যাচারিত হচ্ছেন হিন্দুরা (Hindus in Bangladesh)। এই আবহে ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বাংলাদেশে তৈরি হল বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (BMJP)। হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে এই নতুন রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রথমবারের মতো নির্বাচনে লড়াই করতে যাচ্ছে বিএমজেপি।

    সংখ্যালঘুদের একমাত্র কণ্ঠস্বর বিএমজেপি

    বিএমজেপির (BMJP) সভাপতি সুকৃতি কুমার মণ্ডল জানান, দলটি ৩০০ আসনের মধ্যে ৯১টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং এর মধ্যে ৪০ থেকে ৪৫টি আসনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। তিনি বলেন, “আমরা এমন সব কেন্দ্র বেছে নিয়েছি যেখানে সংখ্যালঘু, বিশেষ করে হিন্দু ভোটব্যাংক ২০ শতাংশ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত।” বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময়সীমা সোমবার। এর আগেই সব প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে বলে জানান মণ্ডল। তাঁর মতে, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে তারা ভোট দিতে বেরোতে ভয় পাবে। সে ক্ষেত্রে বিএনপি বা জামায়াতে ইসলামির মতো মূলধারার কোনো দলের সঙ্গে জোট হলে পরিস্থিতি কিছুটা নিরাপদ হতে পারে। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “আওয়ামী লিগ আমাদের বিবেচনায় নেই। নির্যাতিত সংখ্যালঘুদের একমাত্র কণ্ঠস্বর বিএমজেপি।”

    বিএমজেপির পাঁচ দফা কর্মসূচি

    মণ্ডল আরও বলেন, “ভারতকে বাংলাদেশের বিষয়ে তার অবস্থান বদলানো উচিত। আওয়ামী লিগকে সমর্থন না করে শুধু হিন্দু ও সংখ্যালঘুদের স্বার্থে কথা বলা উচিত। ভারত যদি আওয়ামী লিগপন্থী অবস্থান থেকে সরে আসে, তাহলে বাংলাদেশের মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলো বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নেবে।” বিএমজেপির পাঁচ দফা কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ গঠন, পাঁচটি প্রদেশ নিয়ে একটি ফেডারেল ব্যবস্থা চালু, প্রতিটি রাজ্যের মৌলিক ও সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা, পাঠ্যবইয়ে ধর্মনিরপেক্ষ ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি অন্তর্ভুক্ত করা এবং সংখ্যালঘুদের ন্যায্য অধিকার রক্ষা।

    বিএমজেপির ভিশন ডকুমেন্ট

    দলের(BMJP) ভিশন ডকুমেন্টে বলা হয়েছে, স্বাধীন বাংলাদেশের লক্ষ্য ছিল বৈষম্যহীন সমাজ গঠন, কিন্তু বাস্তবে সাম্প্রদায়িকতা কমেনি। বিশেষ করে পাকিস্তান আমলে প্রণীত ‘শত্রু সম্পত্তি আইন’ এখনও হিন্দুদের (Hindus in Bangladesh) বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হচ্ছে। এর ফলে লক্ষ লক্ষ একর জমি হাতছাড়া হয়েছে এবং বহু পরিবার সম্পত্তি দখল, জোরপূর্বক ধর্মান্তর ও উপাসনালয়ে হামলার শিকার হয়েছে বলে দাবি করেন মণ্ডল। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ২.৫ কোটি হিন্দু বসবাস করছেন এবং তাঁরা দেশ ছেড়ে যাবেন না। মূলধারার রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণই সমস্যার সমাধান হতে পারে। আগে হিন্দুরা মূলত আওয়ামী লিগের সমর্থক ছিলেন। কিন্তু এখন বিএমজেপির পক্ষে ভোট দিতে হলে মূলধারার কোনো দলের সঙ্গে জোট ঘোষণা জরুরি বলে মনে করেন তিনি।

  • Bangladesh Concert Vandalized: সংস্কৃতির ঠাঁই নেই ইউনূসের বাংলাদেশে! ছায়ানট, উদীচীর পর হামলা জেমসের কনসার্টে

    Bangladesh Concert Vandalized: সংস্কৃতির ঠাঁই নেই ইউনূসের বাংলাদেশে! ছায়ানট, উদীচীর পর হামলা জেমসের কনসার্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বাংলাদেশে শিল্প-সংস্কৃতির কোনও ঠাঁই নেই। চলছে শুধু মৌলবাদীদের তাণ্ডব। শুধু ভারতীয় নয়, এবার বাংলাদেশি শিল্পীরাও হামলার মুখে। ইসলামি কট্টরপন্থীদের কাছে সঙ্গীত নাকি ‘হারাম’। এর আগে তাই বাংলাদেশে ছায়ানট থেকে উদীচীতে হামলা হয়েছে। এবার ফরিদপুরে জনপ্রিয় গায়ক জেমসের কনসার্টে হামলা হল। এই হামলায় অন্তত ৩০ জন জখম হয়েছন বলে জানা গিয়েছে।

    জেমসের অনুষ্ঠানে ইট বৃষ্টি

    পুলিশ সূত্রে খবর, শুক্রবার বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলা বিদ্যালয়ের ১৮৫ তম বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে গিয়েছিলেন জেমস ও তাঁর ব্যান্ড। সেখানে হঠাৎ হামলা চালায় কিছুজন। ছোড়া হয় পাথর। আহত হয় বেশ কয়েকজন। এরপরই অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, একদল মানুষ জেমসের অনুষ্ঠান দেখার জন্য স্কুলের ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করছিল। বাধা দিতেই ইট পাথর ছুঁড়তে শুরু করে। এরপর হামলাকারীরা ঢুকে সোজা জেমসের স্টেজ দখল করার চেষ্টা করে, এমনটাই দাবি আয়োজকদের। ইট বৃষ্টি থেকে কোনওমতে রক্ষা পান জেমস।

    জেমসের কনসার্ট বাতিল

    অনুষ্ঠানের শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য বেনজীর আহমেদ তাবরিজ বলেন, নগর বাউল জেমসের গান শুনতে আসা বহিরাগত দর্শকরা গান শুনতে স্কুল ক্যাম্পাসে ঢুকতে না পারায় তারা বাইরে থেকে ইট ছোড়ায় জেমসের সংগীতানুষ্ঠান স্থগিত করা হয়। এতে কমিটির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শামীমসহ ২৫-৩০ জন আহত হন বলেও জানান তারা। গুরুতর আহত অবস্থায় বেশ কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং কয়েকজনকে অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, বহিরাগতদের ঢুকতে না দেওয়ায় হালকা বিশৃঙ্খলা হয়েছে। পুলিশ পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শেষ পর্যন্ত জেমসের কনসার্ট বাতিল করা হয়েছে।

    মঞ্চ দখল করে সেখানে ভাঙচুর কেন

    ঘটনাটিকে ‘হালকা’ করে দেখানোর জন্য আয়োজকদের তরফ থেকে পরে গভীর রাতে দাবি করা হয়, অনুষ্ঠানস্থলে না ঢুকতে পেরেই নাকি এই হামলা করে বিক্ষুব্ধ জনতা। যদিও অনুষ্ঠানস্থলের বাইরে দুটো বড় স্ক্রিনে জেমসের গান দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এদিকে, যদি অনুষ্ঠানস্থলে ঢোকাই উদ্দেশ্য হবে, তাহলে মঞ্চ দখল করে সেখানে ভাঙচুর কেন হয়? এই আবহে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক বাংলাদেশির দাবি, এটা জামাতপন্থীদের হামলা ছিল। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই-অগস্টের সেই ‘বিপ্লবে’ জেমস শেখ হাসিনার বিরোধিতায় সুর চড়িয়েছিলেন। তবে ‘স্বাধীন’ বাংলাদেশে এবার তাঁর কনসার্ট পণ্ড হল।

    সাংস্কৃতিক কর্মী থেকে সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে আক্রমণ

    ২৬ ডিসেম্বর শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ফরিদপুরের বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে স্কুলে জেমসের নগর বাউল ব্যান্ডের সংগীত পরিবেশনের কথা ছিল। এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে স্কুল চত্বর ছিল সরগরম। এরই মাঝে ঘটে অপ্রীতিকর ঘটনা যার ফলে বন্ধ হয়ে যায় জেমসের কনসার্ট। বাংলাদেশে বর্তমান পরিস্থিতিতে একের পর সাংস্কৃতিক কর্মী থেকে সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উপর আক্রমণ হওয়ার ঘটনায় চারিদিকে নিন্দার ঝড় উঠেছে। জুলাই আন্দোলনের পরই জলের গানের সঙ্গীত শিল্পী রাহুল আনন্দের বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে কয়েকদিন আগে হাদির হত্যাকাণ্ডের পর ছায়ানট, উদিচীর মত সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। আক্রমণের শিকার প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের মত বাংলাদেশের প্রথমসারির সংবাদমাধ্যমও। আর এবার অশান্ত বাংলাদেশের কট্টরপন্থীদের টার্গেটে জেমসের কনসার্ট। কট্টরপন্থিদের নিশানায় এবার বাংলার রকস্টার জেমস। হামলাকারীদের মূল দাবি ছিল কোনও ধরনের সঙ্গীত অনুষ্ঠান বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা যাবে না।

    উদ্বিগ্ন জেমসের ভারতীয় ভক্তরাও

    বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ‘বহিরাগত’ তাণ্ডবে আহত অন্তত ১৫ থেকে ২৫ জন ছাত্র। জানা গিয়েছে, হামলা চালালেও শেষপর্যন্ত শিক্ষার্থীদের কাছে বাধা পেয়ে অনুষ্ঠানস্থল ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন ওই আক্রমণকারীরা। শিল্পীর শারীরিক কোনও ক্ষতি হয়নি। অনুষ্ঠানস্থলে আক্রমণের ভিডিও আপলোড করে দীপ হালদার নামের একজন এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, জমায়েত করা ওই ব্যক্তিরা চায় না বাংলাদেশে কোনও সঙ্গীত বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হোক। সমাজমাধ্যমে তিনি আরও লিখেছেন, শিল্পী কোনওমতে ওই অঞ্চল ছেড়ে বেরিয়ে আসতে পেরেছেন। ভারতীয় পরিচালক অনুরাগ বসুর ‘লাইফ ইন আ মেট্রো’ চলচ্চিত্রে ‘আলবিদা’ গান গেয়েছিলেন জেমস। হামলার ঘটনায় উদ্বিগ্ন তাঁর ভারতীয় ভক্তেরাও।

    সমালোচনার ঝড় সাংস্কৃতিক মহলে

    ঘটনাটি সামনে এনে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন। সোশ্যাল মিডিয়া এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “ছায়ানটের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সংগীত, নাটক, নৃত্য, আবৃত্তি ও লোকসংস্কৃতির মাধ্যমে ধর্মনিরপেক্ষ ও প্রগতিশীল চেতনা গড়ে তোলার জন্য তৈরি উদীচীও ভস্মীভূত হয়েছে। আজ জিহাদিরা প্রখ্যাত শিল্পী জেমসকে মঞ্চে উঠতে দেয়নি।” তসলিমা নাসরিন আরও উল্লেখ করেন, কয়েকদিন আগে আলী আকবর খানের নাতি শিল্পী সিরাজ আলি খান ঢাকায় এসেও কোনও অনুষ্ঠান না করেই ভারতে ফিরে গিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, শিল্পী, সংগীত ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান নিরাপদ না হলে তিনি আর বাংলাদেশে ফিরবেন না। একইভাবে, ওস্তাদ রশিদ খানের পুত্র আরমান খানও সম্প্রতি ঢাকায় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে অস্বীকার করেছেন বলে জানান তসলিমা। উল্লেখ্য, জেমস বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় গায়ক-গীতিকার ও সুরকার। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। হিন্দি ছবির ‘গ্যাংস্টার’ ‘লাইফ ইন এ মেট্রো’ র মত একাধিক ছবিতে তিনি একের পর এক জনপ্রিয় গান শ্রোতাদের উপহার দিয়েছেন। তাঁর কনসার্টে হামলার ঘটনা বাংলাদেশে মৌলবাদী শক্তির বাড়বাড়ন্তের জলন্ত ইঙ্গিত করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সমালোচকদের অভিযোগ, মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ । তাঁদের মতে, আসন্ন ফেব্রুয়ারিতে নির্ধারিত নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানো হচ্ছে।

  • Bangladesh: দীপুর নির্মম হত্যার বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন জাহ্নবী, ইউনূসকে তোপ ‘বর্বরতার বাংলাদেশ!”

    Bangladesh: দীপুর নির্মম হত্যার বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন জাহ্নবী, ইউনূসকে তোপ ‘বর্বরতার বাংলাদেশ!”

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকেই জ্বলছে বাংলাদেশ (Bangladesh)। দীপু চন্দ্র দাসকে নির্মম ভাবে পিটিয়ে গাছে ঝুলিয়ে, আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যাকাণ্ডের মতো নারকীয় ঘটনা গোটা বিশ্বে গভীর ভাবে দাগ কেটে গেছে। কট্টর মৌলবাদীরা এই হিন্দু যুবকের পোড়া মাথা এবং ধড় নিয়ে উল্লাসের নৃত্য করেছে। শুধু তাই নয় অন ক্যামেরায় ভিডিও করে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়াও হয়েছে। কট্টর ইসলামপন্থী মৌলবাদীদের নয়নের মণি মহম্মদ ইউনূসের ভূমিকায় সরাসরি তোপ দেগেছেন বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর (Janhvi Kapoor kajal Aggarwal)। সম্পূর্ণ ঘটনাকে “বর্বরতার বাংলাদেশ” বলে উল্লেখ করেছেন। একই ভাবে হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন অভিনেত্রী কাজল আগরওয়ালা, অভিনেত্রী জয়া প্রদা।

    ভিডিওগুলি সামাজিক মাধ্যমে এখনও ঘুরছে (Bangladesh)

    বাংলাদেশে (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, দীপু দাসের হত্যাকাণ্ড একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। এবার এই বিবৃতির প্রেক্ষিতেই বাংলাদেশের কট্টর মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর (Janhvi Kapoor kajal Aggarwal)। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে যা ঘটেছে অত্যন্ত জঘন্য এবং বর্বরতার পরিচয়। দীপু চন্দ্র দাসের হত্যাকাণ্ড কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। গণপিটুনি দিয়ে অমানবিক ভাবে খুন করা হয়েছে। ভিডিওগুলি সামাজিক মাধ্যমে এখনও ঘুরছে ভালো করে দেখুন। প্রশ্ন করুন। আর এই সব ঘটনা দেখে যদি আপনাদের বোধোদয় না হয়, তাহলে কিছু বুঝে ওঠার আগেই আপনাদের ভণ্ডামির জন্য সব ধ্বংস হয়ে যাবে।” তবে এখানেই থেমে থাকেননি অভিনেত্রী।

    কেঁদেও কূল পাবেন না

    জাহ্নবী (Janhvi Kapoor kajal Aggarwal) আরও বলেন, “আমাদের ভাইবোনদের পুড়িয়ে মারা হচ্ছে। গোটা বিশ্বকে এই সন্ত্রাস গ্রাস করবে। আর তখন কেঁদেও কূল পাবেন না। তাই পৃথিবীর বুক থেকে মানবতা মুছে যাওয়ার আগে যে কোনও রকম কট্টর মনোভাবকে উগ্রবাদকে গুঁড়িয়ে দিন।” বাংলাদেশের ঘটনা সারা বিশ্বের কাছে চরম অমানবিকতার পরিচয়বাহী। একটি ভার্চুয়াল প্রতিবাদে যোগদান করেছিলেন, কাজল আগরওয়াল, পবন কল্যাণ, মুনাওয়ার ফারুকী সহ আরও অনেকেই। ইতিমধ্যে দীপুর উপর প্রতিবাদ নিয়ে গান বেঁধেছেন নেহা, টনি কক্কর।

    জেগে ওঠো হিন্দুরা

    বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু হত্যার বিরুদ্ধে বলিউড অভিনেত্রী কাজল আগরওয়াল (Janhvi Kapoor kajal Aggarwal) নিজের সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে লিখেছেন, “অল আইজ অন বাংলাদেশ হিন্দুস। প্রতিবেশি রাষ্ট্রে লাগাতার হিন্দুদের উপর নির্যাতন চলছে। ইসলামি উগ্রপন্থীরা মিথ্যা অপবাদ দিয়ে হিন্দুদের নির্মম ভাবে হত্যা করছেন। সংখ্যালঘুদের উপর ধর্মীয় সন্ত্রাস দিন দিন মারাত্মক আকার নিয়েছে। একই ভাবে তিনি নিজের পোস্টে গণপিটুনি, গাছে ঝুলিয়ে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ছবিও বিনিময় করেছেন। শুধু তাই নয় সেই সঙ্গে লিখেছেন, “জেগে ওঠো হিন্দুরা নীরবতা তোমাদের বাঁচাতে পারবে না।”

    আর কতক্ষুণ চুপ থাকবো!

    দীপু হত্যাকাণ্ডের (Bangladesh) বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছেন অভিনেত্রী তথা প্রাক্তন সাংসদ জয়া প্রদা। তিনি বলেন, “দীপু দাসের হত্যাকাণ্ড গভীর ভাবে ব্যথিত করেছে। আমি খুবই দুঃখিত, আমার হৃদয় রক্তাক্ত হয়ে উঠেছে। নিরীহ হিন্দু বলেই মৌলবাদীরা পিটিয়ে হত্যা করেছে। শুধু পিটিয়ে হত্যাই নয়, গাছে ঝুলিয়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মেরেছে। এটাই কি নতুন বাংলাদেশ। প্রকাশ্যে গণপিটুনি মানেই হিংস্রতার চরম সীমায় পৌঁছে যাওয়া। মন্দির ভেঙে ফেলা হচ্ছে, হিন্দু বাড়িতে লক্ষ্য করে আগুন ধরিয়ে দেওয় হচ্ছে। মহিলাদের উপর আক্রমণ করা হচ্ছে। আমরা আর কতক্ষুণ চুপ থাকবো। ধর্মনিরপেক্ষতার নামে আমরা চুপ করে বসে আছি। আমাদের এবার আওয়াজ তুলতে হবে। সকল জায়গায় আক্রান্ত হওয়া হিন্দুদের পাশে দাঁড়াতে হবে। সরকার দেশ রাষ্ট্র সকলের দায়বদ্ধতা রয়েছে।”

    গাজা নিয়ে তৎপর! বাংলাদেশে কেন নয়?

    আবার অভিনেতা মনোজ যোশী বলেন, “গাজা বা ফিলিস্তিনে কোনও কিছু ঘটলেই সকলে এগিয়ে আসেন। কিন্তু হিন্দু নির্যাতন হলে বাংলাদেশ (Bangladesh) নিয়ে বক্তব্য উঠে আসেনা। একজন হিন্দুকে যেখানে হত্যা করা হয়েছে কেউ কোনও কথা বলছেন না।” গায়ক টনি কক্কর তার নতুন গান ‘চার লগ’–এ দীপু দাসের গণপিটুনির কথা উল্লেখ করেছেন। গানে ধর্মীয় বিদ্বেষ এবং বৈষম্যকে দূর করার আহ্বান জানান।

    এখনও পর্যন্ত এই হত্যা মামলায় ১২ জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে দীপুর বিরুদ্ধে কোনও রকম ধর্মীয় অবমাননাকর মন্তব্য বা কর্মকাণ্ডের প্রমাণ মেলেনি। বাংলাদেশ পুলিশ জানিয়েছে, দীপুর বিরুদ্ধে অভিযোগের সমর্থনে এখনও পর্যন্ত কোনও সাক্ষী পাওয়া যায়নি।

  • Dhruv Criticize Janhvi: বাংলাদেশে হিন্দু যুবক হত্যা, জানভি কাপুরের পোস্টের পর ধ্রুব রাঠির প্রতিক্রিয়া ঘিরে বিতর্ক

    Dhruv Criticize Janhvi: বাংলাদেশে হিন্দু যুবক হত্যা, জানভি কাপুরের পোস্টের পর ধ্রুব রাঠির প্রতিক্রিয়া ঘিরে বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে হিন্দু যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে ইনস্টাগ্রাম পোস্ট করেছেন বলিউড অভিনেত্রী জানভি কাপুর (Dhruv Criticize Janhvi)। তাঁর ইনস্টাগ্রাম পোস্টের পরপরই ইউটিউবার ধ্রুব রাঠির একটি পাল্টা পোস্ট করেন। তা নিয়ে ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে জানভি কাপুর একটি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে বাংলাদেশে সংঘটিত ওই হত্যাকাণ্ডকে “নৃশংস” বলে উল্লেখ করেন। তিনি সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ও চরমপন্থার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান। হিংসার ঘটনায় বেছে বেছে প্রতিবাদ করার প্রবণতার সমালোচনা করেন জানভি।

    অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হিন্দুরা

    সম্প্রতি বাংলাদেশে প্রতিদিনই অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে হিন্দুদের। গত ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলায় দীপু চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু যুবককে পিটিয়ে আগুনে পুড়িয়ে মারা হয়। নীয় পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে উত্তেজিত জনতা তাঁকে আক্রমণ করে। পরে তাঁর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে। এই ঘটনাকে নিষ্ঠুর, নৃশংস এবং অমানবিক অ্যাখ্যা দেন জানভি। এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কথা বলেন তিনি। তাঁর বক্তব্যে ইঙ্গিত ছিল যে ভৌগোলিক অবস্থান বা মতাদর্শ নির্বিশেষে সব ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধেই সমানভাবে প্রতিবাদ হওয়া উচিত।

    জানভি কাপুরকে নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট

    এই ঘটনার দিকে জানভি কাপুর দৃষ্টি আকর্ষণ করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ধ্রুব রাঠি তাঁর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে “ডার্ক সাইড অফ বিউটি” শিরোনামের একটি ইউটিউব ভিডিও প্রচার করেন। যার থাম্বনেইলে জানভি কাপুরের ছবি ব্যবহার করা হয়। পোস্টের সময় নির্বাচন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে প্রশ্ন ওঠে। নেটিজেনদের একাংশের অভিযোগ, জানভি কাপুরের সাম্প্রদায়িক সহিংসতার নিন্দাকে আড়াল করতেই ধ্রুব রাঠি ওই ভিডিওটি প্রচার করেছেন। যদিও ধ্রুব রাঠি নিজে এই হত্যাকাণ্ড বা বিতর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলার খবর নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। বিভিন্ন মহল পরিস্থিতির শান্তিপূর্ণ সমাধান ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের দাবি জানাচ্ছে।

  • Tarique Rahman: ১৭ বছর পর দেশে খালেদার পুত্র তারেক রহমান, জানেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে তাঁর প্রভাব

    Tarique Rahman: ১৭ বছর পর দেশে খালেদার পুত্র তারেক রহমান, জানেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে তাঁর প্রভাব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমান (Tarique Rahman)। দীর্ঘদিন লন্ডনে স্বেচ্ছা নির্বাসনে থাকার পর বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ তিনি স্ত্রী জোবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় পৌঁছন। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে বরণ করে নিতে জড়ো হয়েছেন হাজারো বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থক। বিমানবন্দর সড়ক থেকে বনানী পর্যন্ত বিএনপি নেতাকর্মীরা ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড হাতে পদযাত্রা করেন। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, “এটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি ঐতিহাসিক ও নির্ধারণী মুহূর্ত।”

    ২০০৮–২০২৫: নির্বাসনের জীবন

    ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে দেশ ছাড়ার পর থেকে তারেক রহমান (Tarique Rahman) লন্ডনে ছিলেন। ২০০৯ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত বিএনপির পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে তিনি দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং বিদেশ থেকেই দল পরিচালনা করে আসছিলেন। ২০১৫ সালে তিনি যুক্তরাজ্যে ‘হোয়াইট অ্যান্ড ব্লু কনসালট্যান্টস লিমিটেড’ নামে একটি বেসরকারি পিআর ও যোগাযোগ প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দেশে মানি লন্ডারিংসহ একাধিক মামলা ছিল, এমনকি শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টার অভিযোগও ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। তবে ২০২৪ সালে হাসিনা সরকারের পতনের পর সব মামলা থেকে তিনি খালাস পান, ফলে তাঁর দেশে ফেরার আইনি বাধা দূর হয়।

    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও প্রত্যাবর্তনের সময়

    তারেক রহমানের (Tarique Rahman) দেশে ফেরা এমন এক সময়ে হলো, যখন ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদায় নিয়েছেন এবং নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তী সরকার দেশ পরিচালনা করছে। তবে, ইউনূসের আমলে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (IRI) ডিসেম্বরের এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, বিএনপি আসন্ন নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসন পেতে পারে। একই সঙ্গে জামায়াতে ইসলামিও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছে। ৬০ বছর বয়সী তারেক রহমান—যিনি তারেক জিয়া নামেও পরিচিত—বর্তমানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং তাঁকে দলের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    ব্যক্তিগত কারণও বড় ভূমিকা

    দলীয় সূত্রে জানা যায়, তারেক রহমানের (Tarique Rahman) দেশে ফেরার পেছনে রাজনৈতিক পরিস্থিতির পাশাপাশি তার মায়ের শারীরিক অসুস্থতাও বড় কারণ। বেগম খালেদা জিয়া কয়েক মাস ধরে গুরুতর অসুস্থ। শেখ হাসিনা সরকার পতনের আন্দোলন থেকে উঠে আসা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। এনসিপির মুখপাত্র খান মুহাম্মদ মুরসালিন বলেন, “চাপ ও হুমকির মুখে তারেক রহমানকে নির্বাসনে যেতে হয়েছিল। তার প্রত্যাবর্তন প্রতীকী ও তাৎপর্যপূর্ণ।” তিনি আরও বলেন, “গণতন্ত্রের পথে আমরা তাঁর সঙ্গে থাকব।”

  • Osman Hadi Killed: হাদি হত্যার রহস্যের পর্দা ফাঁস করলেন মৃতের ভাই ওমর

    Osman Hadi Killed: হাদি হত্যার রহস্যের পর্দা ফাঁস করলেন মৃতের ভাই ওমর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগেই ভরদুপুরে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় প্রকাশ্যে গুলি করা হয় বাংলাদেশি ছাত্রনেতা শরিফ ওসমান হাদিকে (Osman Hadi Killed)। এর পর সিঙ্গাপুর হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। মৃত্যুর কয়েক দিন পর তাঁর ভাইয়ের অভিযোগ, মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরের একটি গোষ্ঠী আসন্ন ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন বানচাল করার উদ্দেশ্যেই এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেছিল (Yunus Regime)।

    হাদিকে খুব কাছ থেকে গুলি (Osman Hadi Killed)

    ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পর গড়ে ওঠা সাংস্কৃতিক সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে ১২ ডিসেম্বর ঢাকায় খুব কাছ থেকে গুলি করা হয়। ১৮ ডিসেম্বর মৃত্যু হয় তাঁর। হাদির হত্যাকাণ্ডের জেরে ফের হিংসা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে বাংলাদেশে। উত্তেজিত জনতা একাধিক প্রথম শ্রেণির সংবাদপত্র ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের কার্যালয়ে হামলা চালায়। হাদির ভাই শরিফ ওমর হাদি ঢাকার শাহবাগে এক প্রতিবাদ সমাবেশে সরকারের বিরুদ্ধে সরাসরি তোপ দাগেন। তিনি বলেন, “আপনারাই ওসমান হাদিকে হত্যা করেছেন। আর এখন এই ঘটনাকে ইস্যু করে নির্বাচন ভণ্ডুল করার চেষ্টা করছেন!”

    ওমরের অভিযোগ

    ওমর বলেন, “ওসমান চেয়েছিলেন ফেব্রুয়ারির মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং নির্বাচনী পরিবেশে কোনও ধরনের বিঘ্ন ঘটতে দেওয়া যাবে না।” তিনি বলেন, “খুনিদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করুন, যাতে নির্বাচনী পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। সরকার এখনও পর্যন্ত কোনও চোখে পড়ার মতো অগ্রগতি তদন্তের ফল আমাদের সামনে তুলে ধরতে পারেনি। যদি ওসমান হাদির মৃত্যুর ন্যায়বিচার না হয়, তাহলে আপনাকেও (ইউনূসকে) একদিন বাংলাদেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হতে হবে।” ওমরের অভিযোগ, তাঁর ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। কারণ তিনি কোনও সংস্থা বা কোনও বিদেশি প্রভুর কাছে মাথা নত করেননি (Osman Hadi Killed)।

    ডেইলি স্টারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের দাবি করেন, ওসমানের হত্যাকাণ্ড জুলাই অভ্যুত্থানের অর্জন এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ধ্বংসের লক্ষ্যে করা একটি ‘গভীর ষড়যন্ত্রে’র অংশ। তাঁর অভিযোগ, দেশের ভেতরে সক্রিয় আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সংস্থা এবং ‘ফ্যাসিস্ট সহযোগীরা’ এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত। জাবের আরও দাবি করেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক মানের তদন্তের মাধ্যমে সরকার যেন খুনিদের জনসমক্ষে হাজির করে। অন্যথায়, তারা আন্দোলন আরও তীব্র করবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। বিক্ষোভকারীরা জানান, ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথে থাকবেন এবং আন্দোলন চালিয়ে যাবেন (Osman Hadi Killed)।

    ইনকিলাব মঞ্চের নেতারা বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার কথা ২৫ ডিসেম্বর। তাঁরা কোনও কর্মসূচি পালন করবেন না। ওমরদের আশা, তারেক রহমান তাঁদের আন্দোলনের প্রতি সহানুভূতি জানাবেন (Yunus Regime)।”

LinkedIn
Share