Tag: Bangladesh

Bangladesh

  • Bangladesh: ‘তালিবানি বাংলাদেশ’! নমাজের সময় ঢাক বন্ধের ফতোয়া, কমল দুর্গাপুজোর সংখ্যাও

    Bangladesh: ‘তালিবানি বাংলাদেশ’! নমাজের সময় ঢাক বন্ধের ফতোয়া, কমল দুর্গাপুজোর সংখ্যাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসিনা সরকারের পতনের পরই বাংলাদেশে (Bangladesh) হামলার মুখে পড়েছে সংখ্যালঘু হিন্দুরা। ভাঙচুর করা হয়েছে তাদের বাড়িঘর, দোকানপাট। এই পরিস্থিতিতে যখন উদ্বেগে সবাই, তখন মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার আশ্বাস দিয়েছিল যে, বাংলাদেশে আগের মতোই দুর্গাপুজো (Durga Puja) হবে। ফলে, সংখ্যালঘু হিন্দুরা আশার আলো দেখা শুরু করেছিলেন। কিন্তু, অন্তর্বর্তী সরকারের আসল রূপ ক্রমশ প্রকাশ পেতে শুরু করেছে। নমাজের সময় দুর্গাপুজোর ঢাক-ঢোল-মাইক বাজানো যাবে না ঘোষণা করে ফতোয়া জারি করেছে ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। যা নিয়ে দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে।

    দুর্গাপুজোয় ঢাক-মাইক বন্ধে ফতোয়া জারি (Durga Puja)

    জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে (Bangladesh) দুর্গাপুজো নিয়ে কিছু ফতোয়া জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবারই পুজো উদযাপন পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গির আলম চৌধুরী। বৈঠকেই তিনি ঘোষণা করেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে মসজিদে আজানের সময় মণ্ডপে ঢাক-মাইক বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজানের ৫ মিনিট আগেই মাইক ও যাবতীয় বাদ্যযন্ত্র বাজানো বন্ধ করতে হবে। আজান শেষের পরই ফের মাইক বা ঢাক বাজানো যাবে। সংখ্যালঘু হিন্দুদের বক্তব্য, পুজোর সময় আজান শুরু হলে ঢাক-ঢোল বাজানো যাবে না। আসলে পরোক্ষে পুজো বন্ধ করার হুঁশিয়ারি দিচ্ছে সরকার। 

    মণ্ডপের পাহারা নিয়েও নতুন আশঙ্কা

    পাশাপাশি, দুর্গাপুজোর নিরাপত্তা নিয়েও অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষণায় তৈরি হয়েছে নতুন উৎকণ্ঠা। ঘোষণা অনুযায়ী, দুর্গামণ্ডপগুলির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মণ্ডপে (Durga Puja) যাতে হামলা না চলে, তার জন্য স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হবে, যারা পালা করে মণ্ডপ পাহারা দেবেন।বাংলাদেশের হিন্দু সমাজের অনেকেই এই সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে মনে করছেন না। তাঁদের আশঙ্কা, এই সুযোগে মাদ্রাসা ও জামাতের লোকজনকে পুজো মণ্ডপে মোতায়েনের চেষ্টা হচ্ছে, যারা মূর্তি পুজোয় বিশ্বাস করেন না। ফলে অশান্তির আশঙ্কা থাকছেই। এতদিন পুজো কমিটির লোকজনেরাই স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পালন করতেন। সঙ্গে থাকত পুলিশ বা অন্য কোনও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য। 

    সরকারের আড়ালে মৌলবাদীরা!

    সরকারের আড়ালে মৌলবাদীরা যে কলকাঠি নাড়ছেন, এই ঘোষণাই তার প্রমাণ। দেশজুড়ে শুরু হয়েছে হিন্দু খেদাও ও হিন্দু নিধন যজ্ঞ। দেশের হিন্দু প্রধান এলাকায় গিয়ে পুজো ও ধর্মীয় আচরণ বন্ধ করার ফতোয়া দিয়েছে বিএনপি-জামাত-এ-ইসলামির মতো মৌলবাদী দলগুলি। তালিবানি শাসন শুরু হয়ে গিয়েছে দেশে! আর সেই হুমকির পরেই রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে হিন্দুরা।

     

    আরও পড়ুন: নির্যাতিতার পরিবারকে টাকার অফার? ডিসি নর্থকে ডেকে প্রশ্ন সিবিআইয়ের

     

    ইসকনের ভাইস-প্রেসিডেন্ড রাধারমণ দাস ট্যুইট করে বাংলাদেশি সরকারের ফতোয়াকে তালিবানি শাসনের সঙ্গে তুলনা করেছেন। 

     

    মৌলবাদীদের হুমকি-হামলা, কমল দুর্গাপুজো

    শেখ হাসিনা জমানায় গত কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশে (Bangladesh) দুর্গাপুজোর সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছিল। গত বছর রাজধানী ঢাকা-সহ গোটা দেশে ৩৩ হাজার ৪৩১টি মন্দির ও মণ্ডপে দুর্গাপুজোর (Durga Puja) আয়োজন করা হয়েছিল। আর এ বছর এখনও পর্যন্ত ৩২ হাজারের মতো পুজো কমিটি পুজো আয়োজনের কথা জানিয়েছে। অনেক জায়গাতেই আয়োজকরা ঘট পুজোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। হামলার হাত থেকে বাঁচতে অনেক জায়গাতেই দুর্গাপুজো বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আয়োজকরা। গত বছরের তুলনায় এখনও পর্যন্ত প্রায় এক হাজারের বেশি পুজো বন্ধ হয়ে গিয়েছে। পুজো বন্ধ হওয়ার সংখ্যাটি আরও বাড়বে বলে মনে করছেন পুজো উদযাপন পরিষদের নেতারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sunil Gangopadhyay: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ভিটে হাতালেন বিএনপি নেতা, তীব্র প্রতিবাদে হল দখলমুক্ত

    Sunil Gangopadhyay: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ভিটে হাতালেন বিএনপি নেতা, তীব্র প্রতিবাদে হল দখলমুক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার যতই শান্তি ফেরানোর দাবি করুক, ফের তার অন্তঃসারশূন্যতা সামনে এল। মূলত, শেখ হাসিনা সরকার পতনের পরপরই ভাঙা পড়েছিল খ্যাতনামা চলচ্চিত্রকার ঋত্বিক ঘটকের রাজশাহির বাড়ি। সেটা নিয়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। চুপসে যায় সরকার। দখলমুক্ত হয় রাজশাহির বাড়ি। এবার বাংলাদেশের (Bangladesh) মাদারিপুর জেলায় জবরদখল হয়ে গিয়েছিল ভারত-বাংলা দু’দেশেই সমান জনপ্রিয় প্রয়াত সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের (Sunil Gangopadhyay) পৈতৃক ভিটে। সুনীলের ওই ভিটেতে ভাঙচুর করার অভিযোগ ওঠে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। যদিও বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই সমালোচনার ঝড় ওঠে। মূলত ভারত-বাংলাদেশ জুড়ে তীব্র প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। কার্যত চাপে পড়ে নড়েচড়়ে বসে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। প্রবল চাপে দখলমুক্তও করা হয়। কিন্তু, দখলদার বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ না-করায় সুনীলের ওই ভিটে কতদিন নিরাপদ থাকবে, তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন সকলে। কারণ, বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা এই সরকারের নেই। এমনই অভিযোগ উঠেছে। মূলত, এই সরকারের আমলেই বাংলাদেশ জুড়ে বিএনপির এত বাড়বাড়ন্ত। তারা জানে এই ধরনের অন্যায় করলেও সরকার কিছু করবে না। তবে, তীব্র প্রতিবাদে সরকার বাধ্য হয়ে ব্যবস্থা নিয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Sunil Gangopadhyay)

    বাংলাদেশের মাদারিপুরে সুনীলের (Sunil Gangopadhyay) একটি বাড়ি রয়েছে। ওই বাড়িতে কয়েক বছর আগে গড়া হয়েছিল সুনীল স্মৃতি পাঠাগার। অভিযোগ, গত শনিবার বিএনপি নেতা সোহেল হাওলাদার এবং তাঁর সঙ্গীরা তালা ভেঙে ঢুকে সেই পাঠাগার ভেঙে তছনছ করে। দুষ্কৃতীরা সুনীলের ব্যবহৃত লেখার সরঞ্জাম, বই নষ্ট করে দেয়। পাঠাগারের আসবাবপত্র, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি-সহ একাধিক ছবি ভাঙচুর করে। লেখকের বাড়ির সামনে শেখ হাসিনার জমানায় জেলা প্রশাসনের লাগানো একটি সাইনবোর্ডও ভেঙে সরিয়ে ফেলা হয়। এরপর ওই ঘরে এক ট্রাক চাল রেখে নতুন তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। সেই সময়কার ভাঙচুর, তাণ্ডবের ছবি ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। সব মিডিয়াতে এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ে। দেশজুড়ে প্রতিবাদ হয়। ভারতবাসীও এই ঘটনার তীব্র সমালোচনা করে। এত হইচই শুরু হওয়ায় সোমবার রাতেই জেলা প্রশাসনের তরফে বাড়িটি পুনরুদ্ধারের জন্য উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: ‘ইলিশ দেব না’ হুঁশিয়ারি দেওয়া বাংলাদেশ ভারতের কাছে হাত পেতে নিল ডিম!

    জেলা প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    পাঠাগার (Sunil Gangopadhyay) ভাঙচুরের অভিযোগ স্বীকার করেছেন মাদারিপুর জেলার কালকিনি উপজেলার আধিকারিক উত্তমকুমার দাস। তিনি বলেন, পুলিশ ও সামরিক কনভয় গিয়ে বাড়িটি দখলমুক্ত করে। সেই মতো প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়। তাতে বলা হয়েছে- ‘লেখকের ভিটে-জমি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে প্রশাসন। নতুন তালা লাগানো হয়েছে। এই জমিতে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ নিষিদ্ধ। খুব শীঘ্রই এখানে মিউজিয়াম, লেখকের আবক্ষ মূর্তি স্থাপন, পুকুরপাড় সংলগ্ন উন্মুক্ত মঞ্চ, শান বাধানো ঘাট নির্মাণ করা হবে। এটি একটি দর্শনীয় স্থান হিসেবে সকলের কাছে পরিচিতি লাভ করবে।’ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে অভিযুক্ত নেতার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: ‘ইলিশ দেব না’ হুঁশিয়ারি দেওয়া বাংলাদেশ ভারতের কাছে হাত পেতে নিল ডিম!

    Bangladesh: ‘ইলিশ দেব না’ হুঁশিয়ারি দেওয়া বাংলাদেশ ভারতের কাছে হাত পেতে নিল ডিম!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেশ ঘটা করে গণভবন দখল হয়েছিল! বাধ্য করা হয়েছিল শেখ হাসিনাকে ইস্তফা দিতে! অগাস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশে (Bangladesh) অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করার পরে সে দেশের জামাত ও বিএনপি’র সদস্যরা স্বাধীনতার উৎসব পালন করতে থাকেন। কিন্তু এত কিছুর পরেও বেলাগাম হয় বাংলাদেশের অসংখ্য নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল মুরগির ডিম। দিনকয়েক আগেও অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সে দেশে এক-একটি মুরগির ডিমের দাম পৌঁছেছিল ১৫-১৬ (বাংলাদেশি) টাকায়। এই অবস্থায় ‘ভারতকে ইলিশ দেব না’, এমন হুঁশিয়ারি দেওয়া বাংলাদেশকে শেষমেষ হাত পাততে হল ভারতের কাছেই। ভারত থেকে ডিম যাওয়ার পরে বাংলাদেশিরা স্বস্তি পেল। 

    ভারত থেকে গেল প্রায় আড়াই লক্ষ ডিম (Bangladesh)  

    ভারত-বিরোধী একাধিক পোস্ট এখনও দেখা যাচ্ছে। যেখানে জামাত বিএনপি’র সমর্থকরা সদর্পে ঘোষণা করছেন, তাঁরা ভারত-বিরোধী। তবে শত্রু দেশের কাছে হাত পেতে ডিম নিতে তাদের সে অর্থে কোনও লজ্জা লাগছে না! হাজার হোক সবার আগে তো পেটের চিন্তা! অনেকেই তাই ব্যঙ্গের সুরে বলছেন যে বাংলাদেশিদের (Bangladesh) একাংশ সমাজ মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধের কথা বলছেন, অথচ তাঁরাই এখন ডিমের অভাবে ভারতের কাছে হাত পাতছে। প্রতিবেশী রাষ্ট্রে ভারত থেকে গেল ২ লাখ ৩১ হাজার ৪০টি মুরগির ডিম। ওজনের হিসাবে ১৩ হাজার ৯১০ কেজি।

    বাংলাদেশে অর্ধক হল ডিমের দাম

    অন্তর্বর্তী সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা বাংলাদেশ সেই ডিম আমদানি করতেই এক ধাক্কায় ডিমের দাম সেখানে নেমে গিয়েছে অনেকটাই কমেছে। বেনাপোল কাস্টমস সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশি মুদ্রায় ভারত থেকে যাওয়া প্রতিটি ডিমের দাম দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৫ টাকা। এছাড়া প্রতি ডজন ডিমের নির্ধারিত মূল্যের উপর ৩৩ শতাংশ কাস্টমস ডিউটি বাবদ ১ টাকা ৬৬ পয়সা যোগ হবে। সবমিলিয়ে প্রতিটি ডিমের আমদানি মূল্য দাঁড়াচ্ছে ৭ থেকে ৭.৫০ টাকার মতো। গত সপ্তাহে যেখানে এই দর পৌঁছে গিয়েছিল ১৫-১৬ (বাংলাদেশি) টাকা প্রতি পিস।

    ভারতকে ইলিশ দেব না…

    শেখ হাসিনা যখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তখন পুজোর ‘উপহার’ হিসেবে আসত পদ্মার ইলিশ।সেই ধারাবাহিকতা ভেঙে এ বার উৎসবের মরসুমে ভারতে ইলিশ রফতানি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। প্রসঙ্গত, দিনকয়েক আগেই ইউনূস সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রকের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার জানিয়েছিলেন, চলতি বছর দুর্গাপুজোয় ভারতে ইলিশ পাঠানো হচ্ছে না। এই মর্মে বাণিজ্য মন্ত্রককে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। এই আবহেই বাংলাদেশে (Bangladesh) পৌঁছাল মুরগির ডিম। ভারত থেকে বাংলাদেশে ডিমের গাড়ি পৌঁছনোর খবর নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশের রাজস্ব কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান। তিনি বলেন, ‘‘আমদানি করা ডিমের গুণগতমান পরীক্ষার পর সেগুলি মঙ্গলবারই বাজারজাত করা হয়েছে।’’

    পাশে থাকতে জানে ভারত

    ইলিশের যোগান থেকে ভারতের থেকে বাংলাদেশ মুখ ফিরিয়ে নিলেও, ভারত কিন্তু, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের প্রয়োজনের সময় মুখ ফিরিয়ে নেয়নি। সমস্যার সমাধানে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে ভারত প্রমাণ করল যে, এই দেশ উদারতা জানে। ভারত যাকে বন্ধু মনে করে, তার পাশে দাঁড়াতে জানে। যে কারণে, ইলিশ নিয়ে বাংলাদেশের বড় বড় কথা সত্ত্বেও ভারত ডিম নিয়ে বাংলাদেশকে ফিরিয়ে দেয়নি। ১১০৪টি কার্টনের মাধ্যমে ওই বিপুলসংখ্যক ডিম বাংলাদেশ ভারত থেকে আমদানি করে। সমস্ত ডিমের দাম দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার মার্কিন ডলার অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৯ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা।

    আরও ডিম আমদানি করতে হবে বাংলাদেশকে

    বাংলাদেশের (Bangladesh) রাজধানী শহরে ‘হাইড্রো ল্যান্ড সলিউশন’ নামে একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানই ১৩ হাজার ৯১০ কেজি ডিম আমদানি করেছে। রফতানি হয়েছে ভারতের ‘শ্রী লক্ষ্মী এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান থেকে। এবিষয়ে বেনাপোল কাস্টমস্ হাউসে কাগজপত্র দাখিল করেছে সিএন্ডএফ এজেন্ট রাতুল এন্টারপ্রাইজ। তার মালিক আব্দুল লতিফ বলেন, ‘‘ডিমের বাজারে অস্থিরতা দূর করার জন্য আরও বেশি ডিম আমদানি করতে হবে বাংলাদেশকে। বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি শুরুও হয়েছে। এই ভাবে ডিম আমদানি হলে বাংলাদেশের মানুষ আবার অল্পমূল্যে ডিম কিনতে পারবেন।’’

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India vs Bangladesh: দলে বাংলার আকাশ, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের ভারতীয় দল ঘোষিত

    India vs Bangladesh: দলে বাংলার আকাশ, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের ভারতীয় দল ঘোষিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের (India vs Bangladesh) দল ঘোষণা করল বিসিসিআই (BCCI)। ১৬ জনের দলে সুযোগ পেয়েছেন বাংলার আকাশ দীপ। অধিনায়ক রোহিত শর্মা। দলে ফিরেছেন ঋষভ পন্থও। ২০২২ সালের পর আবার টেস্ট দলে ফিরলেন পন্থ।  দ্বিতীয় উইকেটরক্ষক হিসাবে জায়গা করে নিয়েছেন ধ্রুব জুরেল।

    পূর্ণ শক্তির দল

    পূর্ণ শক্তির দল নিয়েই বাংলাদেশের (India vs Bangladesh) বিরুদ্ধে নামবে ভারত। সদ্য পাকিস্তানকে টেস্টে ক্লিনসুইপ করেছে বাংলাদেশ। তাই কোনও পরীক্ষার পথে যেতে চান না কোচ গম্ভীর। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে যোগ্যতা অর্জনের জন্য ঘরের মাঠে এই ম্যাচ ভারতের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। 

    দলে কারা

    রোহিত ছাড়াও ওপেনার হিসাবে দলে রয়েছেন যশস্বী জয়সওয়াল। তিন নম্বরে খেলতে পারেন শুভমন গিল। দলে ফিরলেন বিরাট কোহলি। জায়গা পেলেন লোকেশ রাহুলও। মিডল অর্ডারে সরফরাজ খান। দলে রয়েছেন চার স্পিনার। রবিচন্দ্রন অশ্বিনের সঙ্গে রয়েছেন দুই বাঁহাতি অলরাউন্ডার রবীন্দ্র জাডেজা এবং অক্ষর পটেল। বাঁহাতি স্পিনার কুলদীপ যাদবও রয়েছেন। চার জন স্পিনারের সঙ্গে নেওয়া হয়েছে চার জন পেসারকে। তবে মহম্মদ শামি এখনও সুস্থ নন। তাঁকে দলে নেওয়া হয়নি। দলে রয়েছেন যশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সিরাজ, আকাশ দীপ এবং যশ দয়াল। জায়গা পাননি নাইট অধিপতি শ্রেয়স আয়ার।

    দলে বাংলার পেসার 

    দলীপ ট্রফির মাঝেই বাংলাদেশের (India vs Bangladesh) বিরুদ্ধে টেস্ট দল ঘোষণা করে দিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (BCCI)। আপাতত এক ম্যাচের জন্য দল ঘোষণা করা হয়েছে। দলীপ ট্রফিতে ভাল খেলার ফল পেলেন বাংলার পেসার আকাশ দীপ। বাংলার আকাশ এর আগে একটি টেস্ট খেলেছিলেন। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলেছিলেন তিনি। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দু-ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। ১৯ সেপ্টেম্বর শুরু প্রথম টেস্ট। চেন্নাইতে হবে ম্যাচটি। তার আগে চেন্নাইতে শিবির করবে ভারতীয় দল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: চিনা রাষ্ট্রদূতের মুখে জামাত প্রশস্তি, বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা বেজিংয়ের!

    Bangladesh Crisis: চিনা রাষ্ট্রদূতের মুখে জামাত প্রশস্তি, বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা বেজিংয়ের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে চিনের সঙ্গে বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) জামাত-ই-ইসলামির (Jamaat E Islami) যোগ। গোয়েন্দা বিভাগ এ খবর আগেই দিয়েছিল। এবার ঢাকায় নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের আচরণে গোয়েন্দাদের সেই দাবি আরও জোরালো হল। কারণ সম্প্রতি জামাতকে সুসংগঠিত রাজনৈতিক দল হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি। জামাতের আমির সফিকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন চিনা রাষ্ট্রদূত। সেখানে জামাত প্রশস্তি শোনা যায় ওয়েনের মুখে।

    বাংলাদেশ আছে সেই তিমিরেই (Bangladesh Crisis)

    বর্তমানে বাংলাদেশের রাশ রয়েছে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে। গত ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। তার পরেই দায়িত্ব দেওয়া হয় অন্তর্বর্তী সরকারকে। হাসিনার জমানায় জামাতের বাড়বাড়ন্তে রাশ টানতে নানা পদক্ষেপ করেছিল বাংলাদেশ সরকার। দেশে পালাবদল ঘটতেই পোয়া বারো জামাতের। এই জামাতকেই নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল হাসিনা সরকার। হাসিনা-উত্তর জমানায় ব-কলমে তারাই রাজ করছে বলে অভিযোগ। তার জেরেই দেশে পালাবদল হলেও, সোনার বাংলার দৃশ্যপট বদলায়নি এতটুকুও।

    জামাত-চিন বৈঠক

    বিভিন্ন রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী নিয়ে আলোচনা হয়েছে জামাত নেতা ও চিনা রাষ্ট্রদূতের মধ্যে। দুই নেতাই নিজের নিজের দেশের জনগণ ও সরকারের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করার অঙ্গীকার করেছেন (Bangladesh Crisis)। প্রসঙ্গত, ২০১০ সালের পর জামাত-ই-ইসলামির কার্যালয়ে প্রথম বিদেশি কোনও কূটনীতিকের সফর ছিল এটা। জামাত-ই-ইসলামির আমিরের সঙ্গে বৈঠকের পর চিনের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশকে একটি সুন্দর দেশ হিসেবে প্রশংসা করেছেন। জমাতের গায়ে সাঁটিয়ে দিয়েছেন সুসংগঠিত দলের তকমা। চিনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশবাসীর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়ে চিনের ইচ্ছের কথা জানান। দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধিকে সমর্থন করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

    আরও পড়ুন: পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে আরএসএসের স্বেচ্ছাসেবকরা রয়েছে মণিপুরে, বললেন ভাগবত

    বৈঠক শেষে ইয়াও বলেন, “চিনের অন্তবর্তী সরকার সব রাজনৈতিক দল এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতের সঙ্গে মত বিনিময় ও সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য হল, দুই দেশের মধ্যে ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বকে শক্তিশালী করা। চিন-বাংলাদেশের সামগ্রিক কৌশলগত সহযোগিতার অংশীদারিত্বকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, যা শেষ পর্যন্ত উভয় দেশ ও তাদের মানুষের জন্য (Jamaat E Islami) আরও বেশি বেনিফিট বয়ে আনবে (Bangladesh Crisis)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: “বাংলাদেশ অচিরেই পাকিস্তানের দাদা হয়ে উঠবে”, বললেন গিরিরাজ

    Bangladesh Crisis: “বাংলাদেশ অচিরেই পাকিস্তানের দাদা হয়ে উঠবে”, বললেন গিরিরাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) ভার এমন হাতে পড়েছে যে, অচিরেই হয়ে উঠবে পাকিস্তানের দাদা।” বুধবার এমনই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং (Giriraj Singh)। তিনি বলেন, “এই কারণেই বিনিয়োগকারীরা আমাদের প্রতিবেশী এই দেশটি থেকে দূরে থাকবেন।”

    কী বললেন গিরিরাজ? (Bangladesh crisis)

    বুধবার ‘ভারত টেক্স ২০২৫’ এর আবরণ উন্মোচন অনুষ্ঠানে যোগ দেন গিরিরাজ। ভারত মণ্ডপমে অনুষ্ঠিত হবে আগামী ফেব্রুয়ারির ১৪ থেকে ১৭ তারিখে। সেখানেই তাঁর বক্তব্যে চলে আসে বাংলাদেশের হিংসা এবং রাজপাট বদলের প্রেক্ষাপট। এবং তখনই বলেন, “বাংলাদেশের ভার এমন হাতে পড়েছে যে, অচিরেই হয়ে উঠবে পাকিস্তানের দাদা। বিনিয়োগকারীরা আমাদের প্রতিবেশী এই দেশটি থেকে দূরে থাকবেন।” বক্তব্যের ব্যাখ্যায় মন্ত্রী বলেন, “ভারতীয় বস্ত্র শিল্প বাংলাদেশ কিংবা ভিয়েতনাম কারও কাছেই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে না। কারণ ভারতের একটা বড় শ্রম বাজার রয়েছে।”

    পিএলআই স্কিম

    গিরিরাজ বলেন, “বাংলাদেশ পাকিস্তানের মতো হলে বিনিয়োগকারীরা সেখানে যাওয়ার আগে ভাববে।” মন্ত্রী বলেন, “আমরা আরও পিএলআই স্কিম আনার চেষ্টা করছি। প্রতিটি সেক্টরকে এর সঙ্গে যুক্ত করতেই পিএলআই স্কিম আনার চেষ্টা চলছে।” প্রসঙ্গত, ভারত টেক্স ২০২৫ হল একটি (Bangladesh Crisis) মেগা গ্লোবাল টেক্সটাইল ইভেন্ট, যা টেক্সটাইল এক্সপোর্ট প্রমোশন কাউন্সিলের একটি কনসর্টিয়াম দ্বারা আয়োজিত এবং বস্ত্রমন্ত্রক দ্বারা সমর্থিত। এটি একটি বিশ্বব্যাপী টেক্সটাইল বাণিজ্য মেলা। নলেজ প্লাটফর্ম হিসেবেও কাজ করছে। গ্রেটার নয়ডার মার্ট, ভারত মণ্ডপম ও ইন্ডিয়া এক্সপো সেন্টারে একযোগে হবে অনুষ্ঠান।

    আরও পড়ুন: পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে আরএসএসের স্বেচ্ছাসেবকরা রয়েছে মণিপুরে, বললেন ভাগবত

    জানা গিয়েছে, মেন ইভেন্টটি হবে ভারত মণ্ডপমে, ১৪-১৭ ফেব্রুয়ারি। ইন্ডিয়া এক্সপো সেন্টার ও মার্টে হবে ১২-১৫ ফেব্রুয়ারি। টেক্সটাইল, হস্তশিল্প, গার্মেন্টস যন্ত্রপাতি ও জাতিগত পোশাক প্রদর্শনী হবে ইন্ডিয়া এক্সপো এবং মার্টে। গত বছর ব্যাপক সাফল্য পায় ভারত টেক্স। সেই কারণেই এবার এবার কোমর বেঁধে নেমে পড়ছেন উদ্যোক্তারা।জানা গিয়েছে, এবার ইভেন্টে এক্সিবিটর থাকবেন ৫ হাজারের বেশি। বিশ্বের ১১০টিরও বেশি দেশ থেকে ৬ হাজার আন্তর্জাতিক ক্রেতা এবং ১ লাখ ২০ হাজারেরও বেশি (Giriraj Singh) দর্শক আসবেন বলেও আশা উদ্যোক্তাদের (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: পাকিস্তানি অস্ত্রে ছেয়েছে বাংলাদেশ! সেনাকে তৈরি থাকার বার্তা রাজনাথের

    Rajnath Singh: পাকিস্তানি অস্ত্রে ছেয়েছে বাংলাদেশ! সেনাকে তৈরি থাকার বার্তা রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান থেকে বিশাল পরিমাণ গোলাবারুদ এবং বিস্ফোরক আমদানি করতে চলেছে বাংলাদেশ (Bangladesh)। যার ফলে সেনাকে সদা সতর্ক থাকার কথা বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তাঁর কথায় ভারত শান্তি চায়, কিন্তু নিজের দেশের এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে রাজি নয়। ভারতকে যে কোনও ঘটনার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে, কারণ প্রতিবেশী দেশগুলি অস্থিতিশীল। এতে আঞ্চলিক শান্তি বিঘ্নিত হতে পারে। ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে। 

    সেনাকে বার্তা প্রতিরক্ষামন্ত্রীর (Rajnath Singh)

    লখনউয়ে ‘সশক্ত ও সুরক্ষিত ভারত: দ্য ট্রান্সফর্মেশন অফ দ্য আর্মড ফোর্সেস’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে রাজনাথ  সেনার জয়েন্ট কমান্ডারদের উদ্দেশে বলেন, ‘‘রাশিয়া-ইউক্রেন, ইজরায়েল-হামাসের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। পড়শি বাংলাদেশেও (Bangladesh) এখন স্থিতিশীলতা নেই। কাজেই আমাদের সব সময়েই সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।’’ তাঁর সংযোজন, ‘‘আমরা বেশ শান্তিতেই আছি। তবে এই ঘটনাগুলো বিশ্লেষণ করে যেতে হবে। নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে কী কী স্ট্র্যাটেজি নেওয়া যেতে পারে, তা যেন সব সময়ই ভাবনার মধ্যে থাকে।’’ সেনার শীর্ষ স্তরের কর্তাদের প্রতি রাজনাথ সিংয়ের (Rajnath Singh) অনুরোধ, ‘‘আপনারা আত্মনির্ভর ভারতের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে বাহিনীতে আধুনিক অস্ত্র (মেড ইন ইন্ডিয়া) ও প্রথাগত পুরোনো অস্ত্র রাখুন। নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার করুন।’’

    বাংলাদেশের প্রতি নজর (Bangladesh)

    সূত্রের খবর, হাসিনা বিদায়ের পর নয়া নীতি নিয়েছে বাংলাদেশ সেনা (Bangladesh Army)। পাকিস্তানের অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিকে ৪০,০০০ রাউন্ড গুলি কেনার বরাত দিয়েছে বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে ২০০০টি ট্যাঙ্কের গোলা, ৪০ টন আরডিএক্স বিস্ফোরক এবং ২,৯০০ রকেটেরও অর্ডার দিয়েছে ঢাকা। অথচ, গত বছর তারা পাকিস্তান থেকে শুধুমাত্র ১২,০০০ রাউন্ড গুলি কিনেছিল। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে, তিনটি ধাপে বাংলাদেশকে (Bangladesh) এই গোলাগুলি দেবে পাকিস্তান। ঢাকায় এখন মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে এক নতুন সরকারের আগমন ঘটেছে। তারা ভারতের বদলে, চিন-পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে বেশি আগ্রহী বলে মনে করছে নয়াদিল্লি। বিশেষ করে, বাংলাদেশে এই মুহূর্তে ভারত-বিরোধী মনোভাব ক্রমে বাড়ছে। বাংলাদেশের এই সকল ঘটনাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখছে ভারত। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, (Rajnath Singh) সেনাবাহিনীকে বাংলাদেশের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। বাংলাদেশের উপর নজর রাখতে বলেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: ধর্মের অবমাননা, প্রতিবাদ জানাতেই খুলনায় পিটিয়ে খুন হিন্দু কিশোরকে!

    Bangladesh Crisis: ধর্মের অবমাননা, প্রতিবাদ জানাতেই খুলনায় পিটিয়ে খুন হিন্দু কিশোরকে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দুদের ওপর হামলার ঘটনা অব্যাহত বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis)। দেশের কয়েকটি জায়গায় পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও বহু জেলাতেই নির্দিষ্ট ভাবে সংখ্যালঘুদের ওপরেই হামলা চলছে। খুন করা হচ্ছে সাধারণ সংখ্যালঘুদের। সম্প্রতি খুলনায় এক হিন্দু কিশোককে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। ওই কিশোরের নাম উৎসব মণ্ডল। অভিযোগ, কিছু উন্মত্ত মুসলিম জনতা পুলিশ এবং সেনার সামনেই ওই কিশোরকে (Hindu Boy Killed in Khulna) পিটিয়ে খুন করেছে। 

    কী ঘটেছিল?

    বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই হিন্দুদের উপর অত্যাচার ক্রমশ বেড়ে চলেছে। শতাধিক হিন্দু বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। রামদা ও দেশি বন্দুক নিয়ে হিন্দুদের বাড়িতে ঢুকে সোনা এবং নগদ টাকা লুট করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রাণে বেঁচে থাকতে ‘চাঁদা’ও দিতে হচ্ছে। এবার ৪ সেপ্টেম্বর সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকায় ১৮ বছরের এক হিন্দু (Hindu Boy Killed in Khulna) ছেলেকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছে। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, আহত বা মৃত একজন মাটিতে উপুড় হয়ে পড়ে আছে, আর সামরিক বাহিনীর সদস্যরা সেখানে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। পিছন থেকে কেউ একজন চিৎকার করে বলছে, “হিন্দু… নাস্তিক”। 

    কেন এই ঘটনা?

    ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওয় ছেলেটিকে বলতে শোনা গিয়েছে, “আমি খেলা দেখতে গিয়েছিলাম। সেখানে কিছু লোক আমার ধর্মকে অপমান করে। তা শুনে আমি ঠিক থাকতে পারিনি।” এরপর ঘটনা অন্যদিকে মোড় নেয়। জানা যায়, সন্ধ্যায় বেশ কয়েকজন ছাত্র ওই হিন্দু ছেলেটিকে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) তাজুল ইসলামের অফিসে নিয়ে যায়। কথাবার্তা চলাকালীন সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকায় মুসলিম জনতা উপ-কমিশনারের অফিস ঘিরে ফেলে। উন্মত্ত জনতা হিন্দু ছেলেটির (Bangladesh Crisis) শাস্তির দাবি করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু পরে ওই ছেলেটিকে যখন থানায় নিয়ে যাওয়া হয়, তখন উন্মত্ত জনতা তাঁকে মারধর করে হত্যা করে। ভিডিওগুলিতে দেখা গিয়েছে, সামরিক বাহিনী এবং পুলিশের উপস্থিতিতেই এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটেছে।

    অনুরোধেও কাজ হয়নি

    একজন ব্যক্তি পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেছিলেন, “আমি আমার সব মুসলিম ভাইয়ের পক্ষ থেকে অনুরোধ করছি, মাত্র ১০ মিনিট আমাদের দিন। আমরা তাকে জুতোর মালা পরিয়ে ‘নাস্তিক’ লিখে সারা এলাকায় ঘোরাব।” এ কথা শুনে উপস্থিত নিরাপত্তা কর্মীরা হাসছিলেন। অন্যদিকে, সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা জনতাকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে হিন্দু ছেলেটিকে (Hindu Boy Killed in Khulna) সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হবে। কিন্তু উত্তেজিত জনতা এসব কথায় আমলই দেয়নি, তারা তাকে পিটিয়ে হত্যা করে।

    বাংলাদেশি পোর্টালে এখন এই খবর নেই

    বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) সংবাদমাধ্যম, যারা সেনা ও পুলিশের উপস্থিতিতে হিন্দু ছেলের নৃশংস হত্যার খবর প্রকাশ করেছিল, তারা বর্তমানে তাদের প্রতিবেদন মুছে ফেলেছে বলে অনুমান। ঢাকা পোস্ট, সকালের খবর, সমকাল সহ যেসব পোর্টালে খুলনার এই ঘটনা নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছিল, সেগুলোর লিঙ্ক এখন ‘Error 404: not found’ দেখাচ্ছে।

    এটা স্পষ্ট নয় কেন বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমগুলি ঘটনাটির প্রতিবেদন মুছে ফেলেছে। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, বাংলাদেশের নবনির্বাচিত ইউনুস সরকার দেশটির সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর সহিংসতা ও নির্যাতনের ঘটনা অস্বীকার এবং সেগুলো ঢেকে রাখার চেষ্টা করছে, যাতে ‘ধর্মনিরপেক্ষ, উদার’ ভাবমূর্তিকে রক্ষা করা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিয়ে কথা হয়েছে মোদি-বাইডেনের, স্বীকার আমেরিকার

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিয়ে কথা হয়েছে মোদি-বাইডেনের, স্বীকার আমেরিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের মানুষের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden)। নয়াদিল্লির বক্তব্যকে মান্যতা দিয়ে এ কথা জানাল আমেরিকা। বুধবার আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত অন্যতম উপদেষ্টা জন কিরবি সাংবাদিক বৈঠক করে জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বাংলাদেশের পরিস্থিতি (Bangladesh Crisis) নিয়েও কথা বলেছিলেন বাইডেন।

    কী বললেন কিরবি (Bangladesh Crisis)

    আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত অন্যতম উপদেষ্টা বলেন, “প্রেসিডেন্ট (বাইডেন) বাংলাদেশের মানুষের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়ে নিজের ধারাবাহিক উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। সে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়েও নিজের মনোভাব জানিয়েছেন।” ২৬ অগাস্ট মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রেও জানানো হয়েছিল, বাংলাদেশ প্রসঙ্গ নিয়েও আলোচনা হয়েছে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে।

    কী লিখেছিলেন মোদি

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছিলেন, “বাইডেনের সঙ্গে আজ ফোনে কথা হয়েছে। ইউক্রেন পরিস্থিতি-সহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে আমাদের বিশদে মত বিনিময় হয়েছে। আমরা বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেছি। দ্রুত স্বাভাবিক পরিস্থিতি পুনরুদ্ধারের প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছি। জোর দিয়েছি, বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর।”

    আরও পড়ুন: ত্রিপুরায় দুই জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর, ‘ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’, বললেন শাহ

    হোয়াইট হাউসের তরফেও জারি করা হয়েছিল বিবৃতি (Bangladesh Crisis)। তাতে বলা হয়েছিল, “প্রেসিডেন্ট জোসেফ আর বাইডেন আজ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক পোল্যান্ড এবং ইউক্রেন সফরের পাশাপাশি আলোচনায় এসেছে সেপ্টেম্বরে রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের প্রসঙ্গও।” এই বিবৃতিতে বাংলাদেশের প্রসঙ্গ ছিল না। তা নিয়ে চড়ে জল্পনার পারদ। সেই জল্পনায়ই জল ঢেলে দিল কিরবির বিবৃতি।

    সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। অশান্তির সুযোগে শুরু হয় হিন্দু নিধন যজ্ঞ। হিন্দু পদাধিকারীদের জোর করে ইস্তফা দিতে বাধ্য করা হয়। হিন্দু নারীদের জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও ওঠে। ধর্ষণের অভিযোগেও তপ্ত হয় বাংলাদেশ। ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। তারপর পরিস্থিতি চরমে ওঠে। এই ঘটনায় মোদির পাশাপাশি (Bangladesh Crisis) উদ্বেগ প্রকাশ করেন বাইডেনও (Joe Biden)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার অব্যাহত, পদত্যাগে বাধ্য ৪৯ জন শিক্ষক!

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার অব্যাহত, পদত্যাগে বাধ্য ৪৯ জন শিক্ষক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশি হিন্দুদের ওপর অত্যাচার (Bangladesh Crisis) অব্যাহত বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামির সঙ্গে যুক্ত বিক্ষোভকারী ছাত্র ও উগ্রপন্থীদের। গত ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। বস্তুত, তার পর থেকেই সে দেশে হিন্দুদের (Minority Teachers) ওপর অত্যাচার চরমে উঠেছে। হাসিনা দেশ ছাড়ার পর মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার একটা হয়েছে বটে, তবে তার পরেও বাংলাদেশে বন্ধ হয়নি হিন্দু নির্যাতন।

    হিন্দুদের ইস্তফা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে (Bangladesh Crisis)

    উচ্চ পদে থাকা হিন্দুদের ইস্তফা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। হাসিনা বাংলাদেশ ছাড়ার পর থেকে এ পর্যন্ত সব মিলিয়ে ধর্মীয় সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর ৪৯জন শিক্ষককে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, উগ্রপন্থী এবং তাদের দ্বারা চালিত ছাত্ররা ধর্মীয় সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর শিক্ষকদের নানা অছিলায় ঘেরাও করে অফিসে আটকে রাখছে। অপমান করার পাশাপাশি তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারও করা হচ্ছে। দেওয়া হচ্ছে হুমকিও। এর পর ওই শিক্ষকদের সাদা কাগজ সই করাতে বাধ্য করছে তারা। কাগজের সাদা অংশে লিখে দেওয়া হচ্ছে ইস্তফাপত্র।

    বাংলাদেশ ছাত্র ঐক্য পরিষদের দাবি

    বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের ছাত্র শাখা বাংলাদেশ ছাত্র ঐক্য পরিষদ জাতীয় প্রেস ক্লাবে ৩১ অগাস্ট সাংবাদিক সম্মেলন করে এই তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে। সংগঠনের দাবি, হাসিনা সরকারের পতনের পর ৫ অগাস্টের ছাত্রনেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানের মধ্যে সারা দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্তত ৪৯ জন শিক্ষককে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। সংগঠনের সমন্বয়কারীদের একজন সাজিব সরকার। তিনি বলেন, “হাসিনা সরকারের পতনের পর ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুরা শিকার হয়েছেন হামলা, লুটপাট, নারীদের ওপর আক্রমণ, মন্দির ভাঙচুর, বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ এবং সর্বোপরি হত্যার। দেশজুড়ে সংখ্যালঘু শিক্ষকদের শারীরিকভাবে নিগ্রহ করা হয়েছে। ৩০ অগাস্ট পর্যন্ত তাঁদের মধ্যে অন্তত ৪৯জনকে বাধ্য করা হয়েছে পদত্যাগ করতে।” তিনি জানান, প্রবল সমালোচনার মুখে পড়ে অন্তর্বর্তী সরকার (Bangladesh Crisis) পদত্যাগী শিক্ষকদের মধ্যে ১৯জনকে পুনর্বহাল করেছে।

    শুক্লা রানির কাহিনি

    পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল বাংলাদেশের যেসব শিক্ষককে, তাঁদের মধ্যে ছিলেন বাকেরগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ শুক্লা রানি হালদারও। বাংলাদেশের বহুল প্রচারিত দৈনিক প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৯ অগাস্ট দুপুরে ছাত্র এবং বহিরাগতরা তাঁর (Minority Teachers) অফিস ঘেরাও করে। তাঁকে কয়েক ঘণ্টা বন্দি করে রাখে। পরে উন্মত্ত জনতা তাঁকে পদত্যাগে বাধ্য করে। তাঁর অসহায় অবস্থার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যা নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। তাঁর পুরানো বেশ কিছু ছাত্রছাত্রী ফেসবুকে এ নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। বলেছেন, ‘ছাত্রবান্ধব এই শিক্ষককে জঙ্গিরা যে অপমান করেছে, তা তাঁর প্রাপ্য নয়’।

    কে এই শুক্লা?

    ১৪তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা শুক্লা। ২০২২ সালের মাঝামাঝি সময় বাকেরগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ হন তিনি। তার আগে তিনি ছিলেন বরিশালের সরকারি ব্রজমোহন কলেজে ইংরেজির অধ্যাপক। প্রথম আলোর প্রতিবেদন থেকেই জানা গিয়েছে, ২৯ অগাস্ট সকাল ১০টা নাগাদ তাঁকে ঘিরে ধরে প্রতিবাদীরা। এদের মধ্যে পড়ুয়ার চেয়ে বেশি ছিল বহিরাগত। এদের নেতৃত্ব দিচ্ছিল বিএনপির স্থানীয় এক নেতার ছেলে। ছেলেটি ওই কলেজেরই পড়ুয়া। প্রতিবাদীদের সিংহভাগই বিএনপির কর্মী। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হিন্দু এই প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে আনা হয় আর্থিক দুর্নীতি, অনিয়মিত উপস্থিতি এবং অন্যান্য অসদাচরণের অভিযোগ। দুপুর ২টো নাগাদ তাঁকে সাদা কাগজে ‘আমি পদত্যাগ করছি’ লিখতে বাধ্য করা হয়। স্বাক্ষর করতেও বাধ্য করা হয়।

    কী বলছেন তসলিমা?

    ঘটনায় ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তবর্তী সরকারকে নিশানা করেছে হাসিনার দল আওয়ামি লিগ। তারা সংখ্যালঘু শিক্ষকদের গণহারে (Bangladesh Crisis) জোরপূর্বক পদত্যাগের প্রতিবেদন শেয়ার করেছে। এই জাতীয় ঘটনাকে আওয়ামি লিগ বর্ণনা করেছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শিক্ষকদের বৃহত্তর পরিসরে অপসারণ হিসেবে। বাংলাদেশের সঙ্কট ও ইউনূসের ব্যর্থতার কথা তুলে ধরে বিশিষ্ট লেখিকা তসলিমা নাসরিন লিখেছেন, ‘বাংলাদেশে শিক্ষকরা বাধ্য হয়ে পদত্যাগ করছেন। সাংবাদিক, মন্ত্রী, সাবেক সরকারের কর্মকর্তারা নিহত, হয়রানির শিকার ও বন্দি হচ্ছেন। জেনারেশন জেড আহমদিয়া মুসলমানদের শিল্প কারখানা পুড়িয়ে দিচ্ছে। সুফি মুসলমানদের মাজার ও দরগাগুলো ধ্বংস করে দিচ্ছে ইসলামি সন্ত্রাসীরা। ইউনূস এ বিষয়ে কিছুই বলেন না’।

    আরও পড়ুন: আর নমাজ বিরতি পাবেন না অসমের মুসলমান বিধায়করা, কেন জানেন?

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির পাশাপাশি ইসলামপন্থী ও অন্তর্বর্তী সরকার হাসিনার দল ঘনিষ্ঠ হিন্দু সাংবাদিকদের ওপর নির্মম অত্যাচার চালিয়েছে। ৫ অগাস্টের পর থেকে হত্যা করা হয়েছে বেশ কিছু সাংবাদিককে। হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে এ পর্যন্ত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে (Minority Teachers) দায়ের হয়েছে ২৬৮টি মামলা। প্রসঙ্গত, সংরক্ষণকে ঘিরে অশান্ত হয়ে ওঠে বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis)। তার জেরেই শুরু হয় হিন্দুমেধ যজ্ঞ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share