Tag: Bangladesh

Bangladesh

  • Bangladesh Crisis: উগ্রবাদ দমনে ভালো কাজ করেছিলেন হাসিনা, অভিমত লিসা কার্টিসের

    Bangladesh Crisis: উগ্রবাদ দমনে ভালো কাজ করেছিলেন হাসিনা, অভিমত লিসা কার্টিসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) ক্রমেই মাথাচাড়া দিচ্ছে উগ্রবাদ। তা নিয়ে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গভীর উদ্বেগে, তা জানা গিয়েছে নানা সময়। বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ভাবী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আগেই। এবার উদ্বেগের সুর শোনা গেল হোয়াইট হাউসের ভূতপূর্ব এক কর্ত্রীর মুখেও।

    কী বলছেন লিসা কার্টিস (Bangladesh Crisis)

    লিসা কার্টিস নামের ওই কর্ত্রী বলেন, “ক্ষমতাচ্যুত প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট শেখ (পড়ুন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) এটি (উগ্রবাদ) নিয়ন্ত্রণে আনতে একটি ভালো কাজ করেছিলেন।” ট্রাম্প যখন প্রথম দফায় প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন, তখন লিসা ছিলেন দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক উপদেষ্টা। ২০১৭ থেকে ২০২১ পর্যন্ত জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার সিনিয়র ডিরেক্টর ছিলেন লিসা।

    উদ্বেগে লিসাও

    তিনি বলেন, “বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ এবং তার পরিণতি কী হতে পারে, তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।” বৃহস্পতিবার লিসা বলেন, “বাংলাদেশ বর্তমানে একটি সঙ্কটময় সময়ের (Bangladesh Crisis) মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) পতন এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংস্কারের প্রচেষ্টার ফলে অনেক আশা দেখা দিয়েছে। মানুষ আশাবাদী যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী হবে।” সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে অশান্তির জেরে গত ৫ অগাস্ট দেশ ছাড়েন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো দেশ ছাড়তেই শুরু হয় হিন্দু-সহ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর ব্যাপক হামলা। ৮ অগাস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে শপথ নেন মহম্মদ ইউনূস। তিনিই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান।

    আরও পড়ুন: প্রবৃদ্ধির গতি রোধ করতে খনিজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা চিনের! জবাবে কী করল ভারত?

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে লিসা বলেন, “তার পরেও অনেক উদ্বেগ রয়েছে। কিছু ইসলামী চরমপন্থীকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে (Bangladesh Crisis)। কিছু সংখ্যালঘু হিন্দু, খ্রিস্টানদের ওপর আক্রমণ হয়েছে।” তিনি বলেন, “আমরা বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদের একটি ইতিহাস দেখেছি। ২০১৬ সালে আপনারা হোলি (আর্টিজান) বেকারি আক্রমণ দেখেছেন। এটি একটি খুবই গুরুতর ঘটনা। বাংলাদেশে কিছু আইসিস উপাদানও ছিল। শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) বাংলাদেশে চরমপন্থী সমস্যাগুলো নিয়ন্ত্রণে ভালো কাজ করেছেন।”

    লিসা বলেন, “এটি এই অঞ্চলের, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কিংবা কারও পক্ষেই ভালো হবে না। আমরা এখন বাংলাদেশে একটি সংবেদনশীল (Bangladesh Crisis) সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। তাই যদিও এটি (নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট) ট্রাম্পের প্রথম অগ্রাধিকার নাও হতে পারে, তবে আমি মনে করি যা ঘটছে তার প্রতি মনোযোগ দিতে হবে প্রেসিডেন্টকে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: বাংলাদেশে পরপর সাংবাদিক খুন, মিডিয়ার ওপর দায় চাপাল ইউনূস সরকার!

    Bangladesh: বাংলাদেশে পরপর সাংবাদিক খুন, মিডিয়ার ওপর দায় চাপাল ইউনূস সরকার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য ব্যাপক ও তীব্র ছাত্র-নেতৃত্বাধীন সরকার বিরোধী বিক্ষোভের জেরে উত্তাল হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশ (Bangladesh)। সেই ঘটনার সাক্ষী ছিলেন বিশ্ববাসী। ঢাকার রাজপথ রক্তাক্ত হয়ে উঠেছিল। গত ১৮ জুলাই বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার দক্ষিণ যাত্রাবাড়ি এলাকায় আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা এবং সরকার বিরোধী বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আর সেই ঘটনা কভার করতে গিয়ে ঢাকা টাইমসের সাংবাদিক মেহেদি হাসান গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। একই দিনে পুলিশের গুলিতে আহত হন একাত্তর টিভির প্রতিবেদক নাদিয়া শারমিন। সরকার বিরোধী বিক্ষোভের মধ্যে বিশেষ করে জুলাই মাসে মিডিয়ার ওপর আক্রমণ বেড়ে যায়।

    আটজন সাংবাদিক নিহত, শতাধিক জখম (Bangladesh)

    প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর ক্রমবর্ধমান স্বৈরাচারী প্রশাসনের বিরুদ্ধে একটি বড় আকারের বিদ্রোহে পরিণত হয়েছিল। হাসিনা অবশেষে ভারতে চলে আসেন। স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, এবছর দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে এ পর্যন্ত আটজন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। শতাধিক আহত হয়েছেন। গত এক দশকের মধ্যে এটা সর্বোচ্চ সংখ্যা। ওপার বাংলার এক সাংবাদিক নাদিয়া শারমিন বলেন, ‘‘দেশব্যাপী (Bangladesh) উত্তাল অবস্থার মধ্যে পড়ে আমি জখম হয়েছিলাম। আর এটা ছিল আমার অভিজ্ঞতার সবচেয়ে নৃশংস ঘটনা। খবর পেয়ে আমি ছুটে গিয়েছিলাম। আমার মতো অন্যান্য মিডিয়া হাউসের সাংবাদিকরা গিয়েছিলেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেছিলাম, আমার আশেপাশের সব জায়গায় মানুষকে গুলি করছিল। আমি যদিও নিজের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেই নিউজ কভার করতে গিয়েছিলাম। আর ওই সেফটি গিয়ারের কারণে আমি ভাগ্যক্রমে বেঁচে গিয়েছিলাম। কিন্তু মেহেদি কোনও নিরাপত্তার কোনও কিছু না নিয়ে এই হিংসাত্মক প্রতিবাদ কভার করছিল। তাঁর মিডিয়া হাউস থেকে বুলেট-প্রুফ ভেস্ট এবং একটি হেলমেট পেলে হয়তো তিনি বেঁচে থাকতেন।’’ শারমিন বলেন, ‘‘বাংলাদেশের অনেক মিডিয়া আউটলেট সাংবাদিকদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেনি, যদিও তাঁরা সংঘাতময় পরিস্থিতিতে কাজ করছেন।’’

    আরও পড়ুন: প্ররোচনা দিয়ে করা হয়েছিল খ্রিস্টান, ফের সনাতন ধর্মে ফিরলেন প্রায় ১৫০ হিন্দু

    উদ্বেগ প্রকাশ করলেন এক সাংবাদিক

    ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ নামে এক সাংবাদিক গত ১০ বছর ধরে বিভিন্ন টেলিভিশন স্টেশনের জন্য কাজ করেছেন। তিনিও একই রকম মতামত শেয়ার করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘সাংবাদিকদের প্রায়ই প্রয়োজনীয় সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা ছাড়াই উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় (Bangladesh) পাঠানো হয়। এছাড়াও, অনেক সাংবাদিকের এই ধরনের ঘটনাগুলির প্রতিবেদন করার সময় কীভাবে নিজেদের রক্ষা করতে হয় সে সম্পর্কে প্রাথমিক নিরাপত্তা জ্ঞানের অভাব রয়েছে। আর এই অভাব তাদের নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করে। ফলে, অনেককেই প্রাণ হারাতে হয়েছে। জখমও হয়েছেন বহুজন।’’

    সংবাদপত্রের স্বাধীনতা একটি প্রধান উদ্বেগ

    বিশ্ব প্রেস ফ্রিডম ইনডেক্সে বাংলাদেশ বর্তমানে ১৮০-এর মধ্যে ১৬৫ নম্বরে রয়েছে, যা দেশের সর্বনিম্ন র‍্যাঙ্কিং। আর নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার কোনও উন্নতি তো হইয়নি, উল্টে অবনতি হয়েছে। সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে হাসিনা সরকারের (Bangladesh) দমন-পীড়নে সহায়তা করার অভিযোগে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অনেক আইনি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সমালোচকরা বলছেন যে মামলাগুলি প্রমাণ ভিত্তিক নয় এবং এটি একটি খারাপ নজির স্থাপন করতে পারে।

    ১৬৭ সাংবাদিকের প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন কার্ডও বাতিল

    হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই সেদেশে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করার অভিযোগ ওঠে বাংলাদেশের (Bangladesh) সরকারের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, তিন দফায় বাংলাদেশের ১৬৭ সাংবাদিকের প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন কার্ডও বাতিল করেছে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার, এমনটাই অভিযোগ। এনিয়ে আমেরকার বিদেশ দফতরের মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল বলেন, ‘‘আমরা চাই সব সাংবাদিকের স্বাধীনতা ও অধিকারকে যথাযথভাবে সম্মান দেখানো হোক।’’ যদিও অন্তর্বর্তী সরকার অবশ্য বলেছে যে তারা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অন্তর্বর্তী সরকারের (Interim Government) প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলম বলেন, ‘‘হাসিনা বিরোধী অস্থিরতার সময় যারা নিহত হয়েছেন তাদের বিষয়ে প্রশাসন তদন্ত করছে। আর তিনি সাংবাদিকদের সুরক্ষা প্রসঙ্গে বলেন, মিডিয়া সংস্থাগুলিকে অবশ্যই সাংবাদিকদের সুরক্ষায় উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। বিশেষ করে যখন সংঘাতের পরিবেশে প্রতিবেদন করা হয়। সংস্থার এই বিষয়ে দেখার দায়িত্ব।’’ তবে, সরকারের কোনও ভূমিকার বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কোনও কিছু বলেননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: বঙ্গভবন থেকে সরল ছবি, পাঠ্যবই থেকেও বাদ বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশের স্কুলে জুড়ছে আরবি ভাষা

    Bangladesh: বঙ্গভবন থেকে সরল ছবি, পাঠ্যবই থেকেও বাদ বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশের স্কুলে জুড়ছে আরবি ভাষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) রাষ্ট্রপতির আবাসস্থল বঙ্গভবন থেকে অন্তর্বর্তী সরকার সরিয়ে দিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ছবি। সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম সমাজ মাধ্যমে পাতায় একথা জানিয়েছেন। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের স্কুলপাঠ্য বইগুলিতে বর্তমানে আরবি ভাষাকে যুক্ত করা হচ্ছে। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির পড়ুয়াদের এই আরবি ভাষা পড়তে হবে। উচ্চমাধ্যমিকের বাংলার যে পাঠ্যবই, সেখানে চারজন লেখকের লেখা বাদ দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বঙ্গবন্ধুও। প্রসঙ্গত ভাষা আন্দোলন নিয়ে তিনি লিখেছিলেন, ‘বায়ান্নর দিনগুলি’। ২০২৫ সালের পাঠ্য বই থেকে এগুলি আর থাকবে না বলে জানা গিয়েছে।

    কী বলছেন অন্তর্বর্তী সরকারের (Bangladesh) উপদেষ্টা মাহফুজ আলম? 

    অন্তর্বর্তী সরকারের (Bangladesh) উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেন, ‘‘৭১ পরবর্তী ফ্যাসিস্ট শেখ মুজিবুর রহমানের (Sheikh Mujibur Rahman) ছবি সরানো হয়েছে। এটা আমাদের জন্য লজ্জার যে, আমরা ৫ অগাস্টের পর বঙ্গভবন থেকে তাঁর ছবি সরাতে পারিনি। তার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী। কিন্তু, জুলাইয়ের চেতনা বেঁচে থাকা পর্যন্ত তাঁকে আর কোথাও দেখা যাবে না। পাশাপাশি তিনি লিখেছেন, ‘শেখ মুজিব এবং তাঁর মেয়ে বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে যা করেছেন, তা বাংলাদেশ আওয়ামি লিগকে স্বীকার করতে হবে। ১৯৭২ সালের অগণতান্ত্রিক সংবিধানের পাশাপাশি দুর্ভিক্ষ, কোটি কোটি টাকা পাচার এবং হাজার হাজার ভিন্নমতাবলম্বী ও বিরোধীদের বিচারবহির্ভূত হত্যার (৭২-৭৫, ২০০৯-২০২৪) জন্য ক্ষমা চাইতে হবে। তবেই আমরা ১৯৭১ সালের আগের শেখ মুজিবের কথা বলতে পারি। ক্ষমা ও ফ্যাসিস্টদের বিচার ছাড়া কোনও সমন্বয় হবে না।’’

    আলিম-ওলামাদের পরামর্শ মেনেই অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে আরবি

    প্রসঙ্গত, ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় এসেই ‘জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড’ (এনসিটিবি)-কে নির্দেশ দেয় পাঠ্যসূচিকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা’-র অনুসারী করতে হবে। জামাত-বিএনপির বাংলাদেশে (Sheikh Mujibur Rahman) বর্তমানে মৌলবাদের (Bangladesh) শিক্ষা দেওয়া হবে বলেই মনে করছেন অনেকে। শিক্ষা দফতরের এক সূত্রের কথায়, সেই অনুযায়ী ‘আলিম-ওলামাদের পরামর্শ মেনে’ মাধ্যমিক স্তরে আরবি ভাষাকে বিষয় হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা চলবে না, ইউনূসদের কড়া হুঁশিয়ারি আমেরিকার

    Bangladesh: সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা চলবে না, ইউনূসদের কড়া হুঁশিয়ারি আমেরিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে (United state) বিপুল জয় পেয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই আবহে বুধবার আমেরিকার বিদেশ দফতর বাংলাদেশের (Bangladesh) ইউনূস সরকারকে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিল, কোনও পরিস্থিতিতেই সাংবাদিকদের স্বাধীনতা এবং অধিকারে হস্তক্ষেপ করা চলবে না। প্রসঙ্গত, হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই সেদেশে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করার অভিযোগ ওঠে বাংলাদেশের সরকারের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, তিন দফায় বাংলাদেশের ১৬৭ সাংবাদিকের প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন কার্ডও বাতিল করেছে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার, এমনটাই অভিযোগ। এনিয়ে আমেরকার বিদেশ দফতরের মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল বলেন, ‘‘আমরা চাই সব সাংবাদিকের স্বাধীনতা ও অধিকারকে যথাযথভাবে সম্মান দেখানো হোক।’’

    বাইডেন সরকারের ঘনিষ্ঠ ছিলেন ইউনূস সরকার

    জো বাইডেনের ডেমোক্র্যাট সরকার (United state) ইউনূসের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। শেখ হাসিনার সরকারের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছিল বাইডেন প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন। গত ৫ অগাস্ট বাংলাদেশে (Bangladesh) ক্ষমতার পালাবদল হয়, জামাত-বিএনপির সহায়তায় ক্ষমতার মসনদে বসেন ইউনূস। এই ঘটনাকে স্বাগত জানিয়েছিল আমেরিকার বিদেশ দফতর। কিন্তু ২০২৪ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারপর্বেই বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলেন ট্রাম্প। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের এডিটর কাউন্সিলও এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং এনিয়ে তারা প্রেস বিবৃতি জারি করেছে। ঢাকা ট্রাইবুনাল নিউজ পেপার এই ঘটনায় প্রতিবেদনও প্রকাশ করেছে। সেখানে লেখা হয়েছে, ১৬৭ জন সাংবাদিককে প্রেস কার্ড বাতিল করেছে ইউনূস সরকার। এই ঘটনা সম্পূর্ণভাবে অনভিপ্রেত এবং অগণতান্ত্রিক।

    কী বলছেন আমেরিকার বিদেশ দফতরের মুখপাত্র? 

    বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছে, ট্রাম্পের আমলে আমেরিকার সরকার বাংলাদেশ (Bangladesh) সম্পর্কে কেমন অবস্থান নিতে চলেছে, তা বিদায়ী সরকারের বিদেশ নীতিতেই পরিষ্কার। সেই দিশানির্দেশ দেখিয়ে দিয়েছে বুধবার। শুধু সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার সওয়াল নয়, ইউনূস সরকারকে বিরোধীদের গণতান্ত্রিক অধিকারের কথাও মনে করিয়ে দিয়েছে মার্কিন বিদেশ দফতর। ১০ নভেম্বর আওয়ামি লিগের রাজনৈতিক কর্মসূচির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি এবং ধরপাকড়-হামলার প্রসঙ্গ তুলে আমেরিকার বিদেশ দফতরের মুখপাত্রের মন্তব্য— ‘‘আমরা মত প্রকাশের স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ এবং ভিন্নমত পোষণ করতে পারার অধিকারকে সমর্থন করি। আমেরিকা মনে করে, কোনও গণতন্ত্রিক পরিবেশের জন্য এগুলি অপরিহার্য।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: ইউনূসের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মামলা দায়ের আওয়ামি লিগের

    Bangladesh Crisis: ইউনূসের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মামলা দায়ের আওয়ামি লিগের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে ইন্টারপোলের দ্বারস্থ হয়েছে সে দেশের অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস (Muhammad Yunus)। এবার ইউনূসের বিরুদ্ধেই হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) মামলা দায়ের করল হাসিনার দল আওয়ামি লিগ।  

    মানবাধিকার লঙ্ঘন

    বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) মানবাধিকার লঙ্ঘন একপ্রকার নৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। সে দেশে বসবাসকারী মানুষের জীবনকে কেবলমাত্র একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। কিছু সংখ্যক ব্যক্তি ক্ষমতায় টিকে থাকতে এসব কাজ করছে বলেই অভিযোগ। আওয়ামি লিগের এক নেতা জানান, তিনি বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস-সহ (Muhammad Yunus) মোট ৬২ বিরুদ্ধে হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছেন। ইউনূসের মন্ত্রিসভার সব সদস্য এবং বৈষম্যবিরোধী জোটের ছাত্রনেতাদের বিরুদ্ধেই দায়ের হয়েছে অভিযোগ। ইউনূস এবং অন্যান্যদের বিরুদ্ধে রোম স্ট্যাটিউটের ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ তুলেছেন সিলেটের ভূতপূর্ব মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী।

    কী বলছে আওয়ামি লিগ

    আওয়ামি লিগের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে (Bangladesh Crisis) প্রকাশিত এক ভিডিওবার্তায় আনোয়ারুজ্জামান বলেন, “বাংলাদেশে ৫ আগস্ট থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত ছাত্র আন্দোলনের নামে, বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) আওয়ামি লিগ ও তার বিভিন্ন শাখা সংগঠনের সকল নেতা-কর্মী, বাংলাদেশে বসবাসরত হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ সম্প্রদায় এবং বাংলাদেশ পুলিশের ওপর নিষ্ঠুর গণহত্যা ও মানবতা-বিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।”

    তিনি বলেন, “এ সংক্রান্ত সকল তথ্য ও প্রমাণ আমরা আইসিসি-তে জমা দিয়েছি। ভিডিও বার্তায় এও বলা হয়েছে, প্রায় ৮০০ পাতার নথি মূল অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই আইসিসিতে আরও ১৫,০০০ এমন অভিযোগ দায়ের করার জোরদার প্রস্তুতি চলছে। এই অভিযোগগুলি মূল অভিযোগের পরিসরকে আরও প্রসারিত করবে এবং অনেক বেশি সংখ্যক মানুষকে এতে অন্তর্ভুক্ত করবে।”

    আরও পড়ুন: নিয়োগ মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পরেও দেড় কোটি টাকা ঢুকেছিল কুন্তলের অ্যাকাউন্টে!

    ইউনূসের (Muhammad Yunus) আইনি উপদেষ্টা নজরুল এই আবেদনটিকে আন্তর্জাতিক মতামতকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা বলে খারিজ করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, “এটি কোনও মামলা নয়। এটি কেবল (Muhammad Yunus) একটি আবেদন। যে কেউ এমন আবেদন করতেই পারে (Bangladesh Crisis)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ। 

  • Sheikh Hasina: স্বামী নাকি ‘আন্দোলনে খুন’ হয়েছেন! হাসিনার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ফাঁস, চাঞ্চল্য ঢাকায়

    Sheikh Hasina: স্বামী নাকি ‘আন্দোলনে খুন’ হয়েছেন! হাসিনার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ফাঁস, চাঞ্চল্য ঢাকায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বামী জীবিত। কিন্তু আন্দোলনে খুন হয়েছেন দাবি করে হাসিনার (Sheikh Hasina) বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এই ষড়যন্ত্র ফাঁস হতেই ঢাকায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। জানা গিয়েছে, এক মহিলা বাংলাদেশের (Dhaka) প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-সহ ১৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিলেন। কিন্তু তিন মাস পরে তাঁর স্বামী থানায় হাজির হয়ে বলেন, “আমার অজান্তেই স্ত্রী আমাকে ‘মৃত’ দেখিয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে অভিযোগ দায়ের করেছে।” তাহলে কি সবটাই বড় ষড়যন্ত্র ছিল? এই ঘটনার পর এই প্রশ্ন জোরদার ভাবে উঠতে শুরু করেছে।

    ৮ নভেম্বর ঢাকার আশুলিয়া থানায় মামলা হয়

    গত ৫ অগাস্ট বাংলাদেশে (Dhaka) আওয়ামী লীগ সরকারের উপর পরিকল্পিত হামলা হয়। ওই দিন ছাত্র-জনতার মিছিলে দুষ্কৃতীদের গুলিতে স্বামী নিহত হয়েছেন বলে উল্লেখ করেছিলেন স্ত্রী। এই বিষয়ে বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম ‘প্রথম আলো’ জানিয়েছে ২৪ অক্টোবর কুলসুম বেগম (২১) নামে ওই মহিলা নিজের স্বামী মহম্মদ আল আমিন মিয়াকে হত্যার অভিযোগ এনে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে মামলা করেছিলেন। তাতে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে (Sheikh Hasina) অভিযুক্ত করা হয়। এরপর ৮ নভেম্বর ঢাকার আশুলিয়া থানায় মামলাটি তদন্তের জন্য নথিভুক্ত করা হয়েছিল।

    হাসিনাকে নিয়ে মিথ্যা মামলা

    নিজের অভিযোগে কুসুম জানিয়েছেন, “আমার বাড়ি মানিকগঞ্জে ঘিওর উপজেলার স্বল্প সিংজুরি বাংগালা গ্রামে। বর্তমান ঠিকানা আশুলিয়া (Dhaka) জামগড়া। গত ৫ অগাস্ট স্বামীকে খুন করার খবর পেয়ে মা ও শিশু ক্লিনিক হাসপাতালে গিয়েছিলাম। কিন্তু থানায় জানতে পারি, পরিচয়হীন দেহ পাওয়ায় তাঁকে কবর দেওয়া হয়েছে। পরে ছবি এবং ভিডিও দেখে শনাক্ত করি। যদিও ঘটনার দিনে আমি মৌলভীবাজারে ছিলাম।” অপর দিকে মঙ্গলবার এই মহিলার স্বামী নিজের স্ত্রীর বিরুদ্ধে হাসিনাকে (Sheikh Hasina) নিয়ে মিথ্যা মামলার অভিযোগ তোলেন।

    আরও পড়ুনঃ হাসিনাকে নিয়ে ইন্টারপোলে অতিসক্রিয় অন্তর্বর্তী ইউনূস সরকার, এবার আবেদন গ্রেফতারের

    গভীর ষড়যন্ত্র?

    প্রসঙ্গত, হাসিনাকে (Sheikh Hasina) হাতে পেতে ইউনূস সরকার মরিয়া হয়ে উঠেছে। ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলকে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)। শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার এবং লাল সতর্কতা জারির জন্য অত্যন্ত তৎপর হয়ে উঠেছে ইউনূস সরকার। কিন্তু যে অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকার এবং সামরিক প্রশাসন তাঁকে হাতে পেতে চাইছে, সেই অভিযোগ যদি ভিত্তিহীন হয়, তাহলে গোটাটা গভীর ষড়যন্ত্র বলেই ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে। আপাতত মিথ্যা মামলার ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে বাংলাদেশে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh-Hasina: হাসিনাকে নিয়ে ইন্টারপোলে অতিসক্রিয় অন্তর্বর্তী ইউনূস সরকার, এবার আবেদন গ্রেফতারের

    Sheikh-Hasina: হাসিনাকে নিয়ে ইন্টারপোলে অতিসক্রিয় অন্তর্বর্তী ইউনূস সরকার, এবার আবেদন গ্রেফতারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অতিসক্রিয় হয়ে উঠেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস (Yunus Government)। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে (Sheikh-Hasina) হাতে পেতে এবার ইন্টারপোলে আবেদন বাংলাদেশ ট্রাইব্যুনালের। উল্লেখ্য, গত ৫ অগাস্ট ওই দেশে অস্থির রাজনৈতিক জটিলতার কারণে হাসিনাকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল। যদিও আন্তর্জাতিক গবেষকদের মতে, এই ‘কোটা’ বা ‘ছাত্র আন্দোলন’-এর পিছনে জামাত শিবির এবং বিএনপির গভীর চক্রান্ত ছিল। সূত্রে জানা গিয়েছে, কোটা সংস্কার আন্দোলনপর্বে গণহত্যা এবং মানবতা বিরোধী অপরাধ-এর অভিযোগে দায়ের হওয়া দুটি মামলার প্রেক্ষিতে হাসিনা-সহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল আইসিটি।

    শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ‘রেড অ্যালার্ট’(Sheikh-Hasina)!

    উল্লেখ্য, আগেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। এবার বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (Sheikh-Hasina) বিরুদ্ধে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করার জন্য আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলকে আবেদন জানাল ওই দেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ‘প্রথম আলো’ জানিয়েছে, আওয়ামী লীগের সভানেত্রীকে গ্রেফতারের জন্যই অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশে ইন্টারপোলকে আবেদন করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, “গত রবিবার ইন্টারপোলের কাছে হাসিনার বিরুদ্ধে নোটিস জারির জন্য আবেদন করা হয়েছে। শেখ হাসিনা যেহেতু মানবতা-বিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত, তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা আটকে আছে। কিন্তু বাংলাদেশের জুরিসডিকশনের (Yunus Government) বাইরে তিনি চলে গিয়েছেন। সে কারণে আন্তর্জাতিক পুলিশি সংস্থা হিসাবে ইন্টারপোল যাতে তাঁকে গ্রেফতার করার ব্যবস্থা নেয় এবং অন্তত রেড অ্যালার্ট জারি করে, সেই বিষয়ে আমরা অনুরোধ পাঠিয়েছি।”

    হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয় ১৭ অক্টোবর 

    বাংলাদেশের আইটিসি কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময়ে গণহত্যা এবং মানবতা বিরোধী অপরাধ-এর অভিযোগ দায়ের হওয়া দুটি মামলার প্রেক্ষিতে ১৭ অক্টোবর হাসিনা (Sheikh-Hasina) এবং তাঁর দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়াবদুর কাদের সহ-৪৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল। দু’টি মামলার মধ্যে একটি ছিল আন্দোলনে নিহত ছাত্র মহম্মদ মেহেদীর বাবা মহম্মদ সানাউল্লাহ-এর। অপর মামলাটি ছিল নিহত আরিফ আহমেদ সিয়ামের বাবা মহম্মদ বুলবুল কবির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘প্রত্যেক ক্রিয়ার প্রতিক্রিয়া আছে’’, বাংলাদেশে অত্যাচারিত হিন্দুদের পাশে দাঁড়ালেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘‘প্রত্যেক ক্রিয়ার প্রতিক্রিয়া আছে’’, বাংলাদেশে অত্যাচারিত হিন্দুদের পাশে দাঁড়ালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের বিরোধিতায় হাইকোর্টের অনুমতিতে কলকাতায় মিছিলে অংশগ্রহণ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মঙ্গলবার কলকাতার রানি রাসমণি অ্যাভিনিউ থেকে বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন পর্যন্ত ওই মিছিলের আয়োজন করে গিরি গোবর্ধনধারী চ্যারিটেবল ট্রাস্ট নামে একটি সংগঠন। সেখানেই পদ্মাপাড়ে হিন্দুদের উপর নির্যাতনের তীব্র প্রতিবাদ জানালেন শুভেন্দু।

    পেট্রাপোল সীমান্তে প্রতিবাদ!

    এদিন মিছিলে অংশগ্রহণ করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘মনে রাখবেন প্রত্যেক ক্রিয়ার প্রতিক্রিয়া আছে। আমরা আক্রান্ত। আমরা বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনারকে সেই বার্তা দিতে চাই। আপনারা শুনলে অবাক হয়ে যাবেন। বাংলাদেশে একজন মৌলবাদী নেতা বলেছেন, হিন্দুদের দোকানে চুল – দাড়ি কাটবেন না। হিন্দুদের দোকান থেকে মিষ্টি কিনবেন না। বন্ধ করুন এই সব। বাংলাদেশে হিন্দু নিপীড়ন বন্ধ না হলে আমরা পেট্রাপোল সীমান্তে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করে আসব। আপনারা সঙ্ঘবদ্ধ, ঐক্যবদ্ধ হোন। আমার বিরুদ্ধে যেখানে পারেন অভিযোগ করুন ভয় পাই না। মন্দির ভাঙার বিরুদ্ধে, হিন্দুদের আক্রমণের বিরুদ্ধে আক্রমণ হলে আমাদের ধর্ম রক্ষা করার কাজ আমরা চালিয়ে যাব। কেউ আমাদের রুখতে পারবে না।’’

    পথে নামলেন শুভেন্দু

    বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে হিন্দুদের ওপর লাগাতার নির্যাতন চলছে। ইতিমধ্যে সেদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কথা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর অত্যাচের সরব হয়েছেন আমেরিকার নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগেই বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে চিঠি দিয়ে বাংলাদেশে হিন্দুদের সুরক্ষার জন্য তৎপর হতে অনুরোধ করেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার হিন্দু নির্যাতনের প্রতিবাদে সরাসরি পথে নামলেন তিনি। এদিন মিছিলের আগে সংক্ষিপ্ত সভায় শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ছাড়াও হাজির ছিলেন রেখা পাত্র, কৌস্তুভ বাগচী সহ অন্যান্যরা।

    আরও পড়ুন: নিমেষে ধ্বংস হবে হাজার কিমি দূরের যুদ্ধজাহাজ, ডিআরডিও-র নয়া মিসাইলের পরীক্ষা শীঘ্রই 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ED: অনুপ্রবেশের কালো টাকা হাওয়ালার মাধ্যমে লেনদেন! বাংলা-ঝাড়খণ্ডে ইডির হানা

    ED: অনুপ্রবেশের কালো টাকা হাওয়ালার মাধ্যমে লেনদেন! বাংলা-ঝাড়খণ্ডে ইডির হানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় হাওয়ালার মাধ্যমে টাকা লেনদেনের অভিযোগে মঙ্গলবার রাজ্যের একাধিক জায়গায় তল্লাশি শুরু করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) (ED)। অনুপ্রবেশের সঙ্গে যুক্ত আর্থিক তছরুপের তদন্তে পশ্চিমবঙ্গ এবং ঝাড়খণ্ডের একাধিক জায়গায় মঙ্গলবার তল্লাশি চালাচ্ছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট। রিপোর্ট অনুযায়ী, ঝাড়খণ্ড এবং পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রাম, বনগাঁ, বারাকপুর-সহ আরও একাধিক জেলায় তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে ইডি। বুধবার, ১৩ নভেম্বর ঝাড়খণ্ডে প্রথম দফায় নির্বাচন হবে। এদিকে পশ্চিমবঙ্গেও উপনির্বাচন হওয়ার কথা সেদিনই। এই আবহে ভোটের একদিন আগে এই তল্লাশি অভিযান বেশ উল্লেখযোগ্য বলে মনে করা হচ্ছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (ED)

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, মধ্যমগ্রামের বাসিন্দা এক মহিলার বাড়িতে সকাল থেকে হানা দেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা (ED)। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে বেশ কয়েক জন মহিলাকে কাজের টোপ দিয়ে এ দেশে নিয়ে এসেছিলেন ওই মহিলা। চোরাপথেই তাঁদের আনা হয়েছিল ভারতে। কাজের প্রলোভন দিয়ে এ দেশে আনলেও শেষে তাঁদের বিভিন্ন অসাধু কাজে যুক্ত করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। পরে ওই চক্রের থেকে কয়েক জন পালিয়ে গিয়ে ঝাড়খণ্ডের একটি থানায় অভিযোগ জানান। মামলা দায়ের হয় পড়শি রাজ্যে। ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করে ইডি। সূত্রের খবর, এই রাজ্যে কলকাতা লাগোয়া আটটি জায়গা-সহ রাজ্যের ১২টি জায়গায় তল্লাশি চলছে। ঝাড়খণ্ডে দায়ের হওয়া অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইডি তদন্তে উঠে আসে বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশের সঙ্গে মোটা অঙ্কের টাকার লেনদেনের বিষয়টি। পরে, সেই কালো টাকা হাওয়ালার মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরিয়ে সাদা করার চেষ্টা হয়েছে বলে সন্দেহ তদন্তকারীদের।

    আরও পড়ুন: ‘বাঞ্ছারামের বাগান’ শূন্য! প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা তথা নাট্যকার মনোজ মিত্র

    অনুপ্রবেশ-হাওয়ালার মাধ্যমে টাকা লেনদেন!

    অনুপ্রবেশ ঘিরে কালো টাকার লেনদেনের তদন্তে একটি ক্যাব ব্যবসার তথ্যও ইডির (ED) হাতে উঠে এসেছে বলে সূত্রের খবর। যদিও এই অনুপ্রবেশ ও হাওয়ালার (Hawala) মাধ্যমে টাকা লেনদেনের সঙ্গে ক্যাব ব্যবসার কী ধরনের যোগ রয়েছে, তা এখনই স্পষ্ট নয়। অভিযোগ ওঠে, বাংলাদেশ থেকে মহিলাদের পাচার করে ঝাড়খণ্ডে নিয়ে আসা হচ্ছিল। জানা যায়, এক মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতেই এই মামলা রুজু করা হয়েছিল। সেই অভিযোগকারী নিজে বাংলাদেশ থেকে সীমান্ত পার করে বেআইনিভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিলেন। পরে, তাঁর বয়ানের ভিত্তিতে স্থানীয় এক রিসর্টে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছিল। পরে, সেই অভিযোগকারী অনুপ্রেশকারী ৫-৬ জন মহিলাদের নামও বলে দেন তদন্তকারীদের। তাঁদের কাছ থেকে আবার একটি ভুয়ো আধার কার্ডও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল।  

    অনুপ্রবেশ নিয়ে সরব মোদি-শাহ

    এর আগে ঝড়খণ্ডে এক নির্বাচনী প্রচারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অভিযোগ করেছিলেন, রাজ্য জুড়ে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বসবাসের জায়গা করে দিচ্ছে সরকারপক্ষ। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘‘তোষণার রাজনীতিকে চরমে নিয়ে গিয়েছে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা, কংগ্রেস এবং আরজেডি। এই তিনটি দলই অনুপ্রবেশকারীদের সমর্থন করে। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভোট পাওয়ার জন্যে এদের গোটা রাজ্যে বসবাসের জন্যে জায়গা করে দিচ্ছে এই তিনটি দল। পরিস্থিতি এখানে এমন হয়ে গিয়েছে যে সরস্বতী বন্দনার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে। এখান থেকেই বোঝা যাচ্ছে যে বিপদ কতটা বড়। যখন অনুপ্রবেশের মামলা আদালতে যায়, কিন্তু প্রশাসন সেটা অস্বীকার করে, তখন বুঝতে হবে সরকারতন্ত্রেই অনুপ্রবেশ হয়ে গিয়েছে।’’ একই ইস্যুতে সরব হয়েছিলেন অমিত শাহ-ও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISKCON: ট্রাম্পের বিপুল জয়ে উদ্বিগ্ন ইউনূস, ইসকনকে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ নাও করা হতে পারে

    ISKCON: ট্রাম্পের বিপুল জয়ে উদ্বিগ্ন ইউনূস, ইসকনকে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ নাও করা হতে পারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর ব্যাপক আক্রমণের ঘটনা ঘটতে থাকে। এমন অবস্থায় প্রতিবাদ জানাতে দিকে দিকে শুরু হয় বিক্ষোভ সমাবেশ। ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিপুল জনসমাগম হয়। সেই জনজোয়ার নজর কাড়ে গোটা বিশ্বের। এই দুই সমাবেশেই উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিল ইসকন। এরপরে ইসকনের ওপর বাংলাদেশ সরকার নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে, এমন খবর রটে যায়। জল্পনার অবশ্য বিশেষ কিছু কারণও ছিল। বাংলাদেশে বর্তমানে ইউনূস সরকারের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে জামাত-বিএনপির এবং হেফাজতে-ইসসামের হাতে। সেই মৌলবাদীরা সম্প্রতি ইসকনকে নিষিদ্ধ করার দাবি তোলে। চট্টগ্রামে বিপুল জনসমাগমের পরেই এক মৌলবাদী সমাজ মাধ্যমে ইসকন (ISKCON) বিরোধী পোস্ট করে। সংস্থাকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানায়। যার ফলে অশান্ত হয় চট্টগ্রাম। এই ঘটনায় ৫৮২ জনকে আটক করে পুলিশ। প্রশাসনের তরফ থেকেও বলা হয়, ধৃতরা প্রত্যেকেই ইসকনের সদস্য। অনেকে বলতে থাকেন, আসলে প্রশাসন অশান্তি ছড়ানোর জন্য মৌলবাদীদের বদলে ইসকনকে দায়ী করছে মূলত দুটি কারণে- প্রথমতঃ বাংলাদেশের প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ বর্তমানে মৌলবাদীদের হাতে এবং দ্বিতীয়তঃ সে কারণেই ইসকনকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে মৌলবাদীদের খুশি করতে চায় বাংলাদেশের প্রশাসন। তার পরেই যেন খেলা ঘুরতে শুরু করে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট (Donald Trump) নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হন ডোনাল্ড ট্রাম্প। যখন তিনি প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ছিলেন, তখনই বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছিলেন। তাই ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকেই উদ্বেগে রয়েছে বাংলাদেশের ইউনূস সরকার। এমন অবস্থায় ওয়াকিবহাল মনে করছে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ইসকনের (ISKCON) বিরুদ্ধে কোনওরকম শাস্তিমূলক ব্যবস্থা অন্ততপক্ষে আর নিতে পারবে না।

    ইউনূস আত্মবিশ্বাসী ছিলেন কমলা হ্যারিস প্রেসিডেন্ট হবেন

    বিশ্লেষকরা জানাচ্ছেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূসের সঙ্গে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। অনেকের ধারণা, ইউনূসকে বাংলাদেশে ক্ষমতার মসনেদ বসাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল ডেমোক্র্যাটরা। ২০২৪ সালের মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে ইউনূস আত্মবিশ্বাসী ছিলেন যে, ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হ্যারিস জিতবেন। ইউনূস ভেবেছিলেন, ডেমোক্র্যাট রাষ্ট্রপতির অধীনে যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থাকে সেক্ষেত্রে তাঁর সোনায় সোহাগা হবে। বাংলাদেশে ধর্মীয়ভাবে সংখ্যালঘুদের ওপর যে ধরনের নির্যাতন চলছে, সে নিয়ে মার্কিন প্রশাসন কোনও কথা বলবে না। একইসঙ্গে কট্টরপন্থী ইসলামিক মৌলবাদীদের সঙ্গে ইউনূসের যোগকেও উপেক্ষা করে চলবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তাই আশা ছিল কমলা হ্যারিস প্রেসিডেন্ট হবেন। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প বিপুল ভোটে জয়ী হতেই সে আশা ভেঙে যায়। বাংলাদেশে ধর্মীয়ভাবে হিন্দুদের ওপর হামলার ঘটনায় গত ৩১ অক্টোবরই নিজের এক্স হ্যান্ডেলে, এর প্রতিবাদ জানিয়ে পোস্ট করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। ট্রাম্পের ওই পোস্টে ইউনূস ও তাঁর কট্টর মৌলবাদী ইসলামপন্থী বন্ধুরা খুবই অস্বস্তিতে পড়ে যান। নিজের পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘‘হিন্দু খ্রিস্টান ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে যে বর্বর অত্যাচার হচ্ছে বাংলাদেশে, তার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। বাংলাদেশ বর্তমানে উপদ্রুত অঞ্চলে পরিণত হয়েছে।’’

    কী বলছেন আওয়ামী লিগের নির্বাসিত নেতা?

    ট্রাম্পের এমন ট্যুইটবাণ ইউনূসকে হজম করতে হয়। তিনি তখনও আশায় মগ্ন ছিলেন যে কমলা হ্যারিস প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন। কিন্তু এখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণভাবে বদলে গিয়েছে। ইউনূস সরকার আশঙ্কিত যে কোনও মুহূর্তে নতুন মার্কিন প্রশাসন, বাংলাদেশের হিন্দু সহ অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনায় নিয়ে ফের সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে। ইউনূস নিজেও জানেন, এক্ষেত্রে তাঁর ডেমোক্র্যাট বন্ধুরা কিছুই করতে পারবেন না। স্বরাজ্য পত্রিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, এক আওয়ামী লিগের নির্বাসিত নেতা দাবি করেছেন, ‘‘ডোনাল্ড ট্রাম্পের জমানায় ইউনূস ও তাঁর প্রশাসনকে কঠিন তদন্তের মুখোমুখি হতে হবে। কোনওভাবেই আর কট্টর ইসলামপন্থী মৌলবাদীদের প্রতি নরম হতে পারবে না ইউনূস।’’ আওয়ামী লিগের ওই নেতার আরও দাবি, ‘‘ইউনূস নিজেও জানেন যে ধর্মীয়ভাবে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা যদি হয় তবে সেখানে নজরদারি চালাতে থাকবে ট্রাম্প প্রশাসন এবং তিনি নিজেও মৌলবাদীদের খুশি করার মতো পদক্ষেপ করতে পারবেন না।’’

    মার্কিন দেশে রয়েছেন প্রচুর ইসকন (ISKCON) ভক্ত

    প্রসঙ্গত, অনেকেই বলছেন যে, ইউনূস প্রশাসন ইসকনের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না। কারণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইসকনের প্রচুর প্রভাবশালী ভক্ত রয়েছেন। এই তালিকায় রয়েছেন শিল্পপতি থেকে বিভিন্ন পেশাদাররা, যাঁরা প্রত্যেকেই রিপাবলিকানদের ঘনিষ্ঠ। এমনকী, খোদ ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইসকনের সুসম্পর্ক রয়েছে। আবার বেশ কিছু প্রভাবশালী ইসকন ভক্তের সঙ্গে ডেমোক্র্যাটিক পার্টিরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ‘‘ট্রাম্পের সঙ্গে বহু পুরনো এবং দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ইসকনের। মার্কিন মুলুকে ইসকনের রথযাত্রার সূচনার নেপথ্যে বিরাট ভূমিকা ছিল ট্রাম্পের। ইসকনের রথযাত্রার অন্যতম বড় পৃষ্ঠপোষকও ট্রাম্প। 

    ট্রাম্প ও ইসকনের (ISKCON) ইতিহাস 

    ৪৮ বছর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প জগন্নাথের রথ তৈরির জন্য মুফতে জায়গা দিয়েছিলেন। ১৯৭৬ সাল। মার্কিন মুলুকে প্রথমবার রথযাত্র উৎসবের উদ্যোগ চলছে। রথ কোথায় তৈরি করা হবে, তা নিয়ে ইসকনের কর্তারা যখন ধন্দে, তখনই প্রায় ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন ট্রাম্প। জানা যায়, ইসকনের কর্তারা নিউইয়র্ক শহরের ধনী ব্যক্তিদের কাছে রথ বনানোর জন্য জায়গা চেয়ে অনুনয়-বিনয় করছেন। কেউ তাঁদের জায়গা দিচ্ছেন না। জায়গার খোঁজে তাঁরা যখন হন্যে হচ্ছেন, তখনই একদিন তাঁরা গেলেন ট্রাম্পের কাছে। সব শুনে তাঁর সেক্রেটারি বললেন, ওঁর সঙ্গে দেখা করে অনুরোধ জানাতে পারেন। তবে তাতে কাজ হবে না। ইসকনের কর্তারা ট্রাম্পের সেক্রেটারির হাতেই তাঁর জন্য নিয়ে যাওয়া মহাপ্রসাদ তুলে দিয়ে এসেছিলেন। এর কয়েক দিন পরেই এসেছিল ট্রাম্পের সই করা চিঠি। তার পরেই তাঁর একটি ফার্ম হাউসে শুরু হয় রথ তৈরির কাজ। মার্কিন মুলুকে সেই প্রথম গড়ায় রথের চাকা। ফলে, আমেরিকায় এখন ট্রাম্প ক্ষমতায় চলে আসার ফলে, বাংলাদেশে ইউনূস সরকারের ইসকনকে নিষিদ্ধ করার দুরভিসন্ধি হয়ত সম্ভব হবে না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share