Tag: Bangladesh

Bangladesh

  • Bangladesh Crisis: ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন চালু থাকলেও দিল্লিতে ফিরলেন বহু কর্মী, কেন?

    Bangladesh Crisis: ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন চালু থাকলেও দিল্লিতে ফিরলেন বহু কর্মী, কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর থেকেই রাজনৈতিক সংকটে বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis)। শেষ পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, ধারাবাহিক হিংসার ঘটনায় বাংলাদেশে ২৩২ জন নিহত হয়েছেন। এমত পরিস্থিতিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হল বাংলাদেশের ভারতীয় ভিসা সেন্টারগুলি। অন্যদিকে, এবার বাংলাদেশে থাকা ভারতীয় হাইকমিশনের (Indian High Commission) অপ্রয়োজনীয় কর্মীদের দেশে ফিরিয়ে আনল ভারত। জানা গিয়েছে, এই অপ্রয়োজনীয় কর্মীদের বাণিজ্যিক ফ্লাইটের মাধ্যমে ভারতে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। 

    ঢাকা থেকে দিল্লি এলেন ভারতীয় হাইকমিশনের কর্মচারীরা 

    বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থানের (Bangladesh Crisis) পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠন ঘিরে রাজনৈতিক ডামাডোল চলছে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশন থেকে নিজেদের কর্মীদের একাংশকে ফিরিয়ে এনেছে ভারত। ভারতীয় হাইকমিশন (Indian High Commission) সূত্রে জানা যাচ্ছে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে বর্তমানে একান্ত জরুরি নয় এমন কর্মী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ঢাকা থেকে দিল্লি এসে পৌঁছেছেন সকলে। তবে কূটনীতিকরা বাংলাদেশেই থাকছেন। হাইকমিশনের স্বাভাবিক কাজকর্ম চালু আছে। এ প্রসঙ্গে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছেন, ”বর্তমানে বাংলাদেশে আনুমানিক ১৯,০০০ ভারতীয় নাগরিক রয়েছে যার মধ্যে প্রায় ৯০০০ জন ছাত্র। তবে চিন্তার কোনও কারণ নেই, আমরা আমাদের কূটনীতিকদের মাধ্যমে বাংলাদেশে ভারতীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে ক্রমাগত যোগাযোগ রাখছি।” 

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে ভাঙা পড়েছে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি, ‘মানা যায় না’, বলছে ভাষা-শহিদের পরিবার

    বন্ধ বাংলাদেশের ভারতীয় ভিসা সেন্টারগুলি

    এখনও স্বাভাবিক নয় বাংলাদেশের পরিস্থিতি (Bangladesh Crisis)। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তগুলিতে সতর্ক ভাবে পাহারায় রয়েছে বিএসএফ। এমত পরিস্থিতিতে এবার অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হল বাংলাদেশের ভারতীয় ভিসা সেন্টারগুলি। বুধবার ভারতীয় ভিসা সেন্টারের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশিকা না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থিত সব ভারতীয় ভিসা সেন্টারগুলি বন্ধ থাকবে। ভারতীয় ভিসা সেন্টারের ওয়েবসাইটে আরও বলা হয়েছে, পরবর্তী কবে ভিসার জন্য আবেদন করা যাবে, তা এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। 

    উল্লেখ্য, হাসিনার দেশ ছাড়ার পর বৃহস্পতিবার নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হওয়ার কথা। আপাতত ১৫ সদস্যের সরকার গঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: জ্বলছে বাংলাদেশ! দেশজুড়ে হিংসা অব্যাহত, ২৩ দিনে ৫৬০ জনের মৃত্যু!

    Bangladesh Crisis: জ্বলছে বাংলাদেশ! দেশজুড়ে হিংসা অব্যাহত, ২৩ দিনে ৫৬০ জনের মৃত্যু!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত জুলাই মাস থেকেই কোটা বিরোধী আন্দোলনকে সামনে রেখে জ্বলছে বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis)। দেশজুড়ে অব্যাহত মৃত্যু মিছিলও। সোমবার দুপুরেই প্রধানমন্ত্রী (Sheikh Hasina) পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে শেখ হাসিনা ঢাকা ছেড়েছিলেন। তারপর হিংসা লাগাম টানা যায়নি। বরং, ধারাবাহিক খুনের ঘটনা ঘটেই চলেছে। চরম আতঙ্কে রয়েছেন আওয়ামি লিগের কর্মী-সমর্থকরা। অনেকে প্রাণ বাঁচাতে পরিবার রেখেই দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

    ২৩ দিনে ৫৬০ জনের মৃত্যু! (Bangladesh Crisis)

    কোটা সংস্কারের দাবিতে গত ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের আন্দোলন শুরু হয়েছিল। ধীরে ধীরে তা বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) বিভিন্ন শহরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে পড়ে। ১৬ জুলাই ঢাকা, রংপুর এবং চট্টগ্রাম থেকে সংঘর্ষে প্রাণহানির প্রথম খবর এসেছিল। এরপরে ১৮ জুলাই আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের মঞ্চ ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর ছাত্র-যুবদের ‘সর্বাত্মক অবরোধ’ কর্মসূচির থেকে শুরু হয় হিংসা। ‘প্রথম আলো’ সংবাদপত্র সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৬ জুলাই থেকে ৪ অগাস্ট পর্যন্ত সংঘাতে মোট ৩২৮ জনের মৃত্যু ঘটেছিল। পরে, হাসিনা পদত্যাগ করার পর ফের নতুন করে শুরু হওয়া ধারাবাহিক হিংসায় বাংলাদেশে আরও ২৩২ জন নিহত হয়েছেন। ‘প্রথম আলো’ সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর মধ্যে বুধবার মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের। সবমিলিয়ে গত ২৩ দিনে সে দেশে অন্তত ৫৬০ জন নিহত হয়েছেন।

    আরও পড়ুন: ‘‘হিন্দুদের ওপর, মন্দিরে হামলায় উদ্বিগ্ন’’, বাংলাদেশ নিয়ে প্রতিক্রিয়া ইজরায়েলের

    দেশজুড়ে হিংসা অব্যাহত!

    প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী (Sheikh Hasina) পদ থেকে হাসিনার ইস্তফা এবং দেশত্যাগের পর সোমবার বিকেল থেকেই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। বঙ্গবন্ধু ও বিশ্বকবির মূর্তি ভাঙা হয়। আওয়ামি লিগের নেতা, সাংসদদের বাড়ি ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এক অভিনেতাকেও খুন করা হয়েছে। ঢাকা-সহ বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) বিভিন্ন জায়গায় থানাগুলিতে হামলা চলে। অগ্নিসংযোগ হয়। মিরপুর মডেল থানা, বাড্ডা, মহম্মদপুর, যাত্রাবাড়ি, ভাটারা-সহ ঢাকা শহরে একাধিক থানায় সোমবার রাতেও হামলা চলে। মঙ্গলবার সকাল থেকে কার্ফু তুলে দেওয়া হয়। স্কুল, কলেজ খোলার নির্দেশ দেওয়া হলেও পড়ুয়াদের হাজিরা ছিল না বললেই চলে। বুধবার থেকে ভারতের সঙ্গে বিমান পরিষেবা ধীরে ধরে স্বাভাবিক হয়েছে। কিন্তু, দেশজুড়ে হিংসার ঘটনা ঘটেই চলেছে, বিশেষ করে সংখ্যালঘুদের ওপর। বুধবারেও ২১ জনের খুন হওয়ার ঘটনা তার জ্বলন্ত উদাহরণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: ‘‘বাঁচান, আশ্রয় দিন…’’! ভারত-সীমান্তে ভিড় বাংলাদেশি শরণার্থীদের, রুখল বিএসএফ

    Bangladesh Crisis: ‘‘বাঁচান, আশ্রয় দিন…’’! ভারত-সীমান্তে ভিড় বাংলাদেশি শরণার্থীদের, রুখল বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনও অশান্ত বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis)। প্রতিবেশী দেশটিতে হিংসার শিকার হচ্ছেন বহু সংখ্যালঘু বিশেষ করে হিন্দুরা। বাংলাদেশের এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্যেই বুধবার দুপুর ১টা নাগাদ প্রায় ৩০০ বাংলাদেশি ভারতে অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা করেন। তবে কাঁটাতার পেরিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসার আগেই তাদের আটকে দিতে সক্ষম হয় বিএসএফ (BSF on Bangladesh Border)। যদিও এর জন্য নিরাপত্তাবাহিনীকে কোনও রকম কঠোর পদক্ষেপ নিতে হয়নি। গুলি চালানোরও কোনও দরকার পড়েনি। 

    পরিস্থিতি মোকাবিলায় সজাগ ও তৎপর বিএসএফ (Bangladesh Crisis)

    বাংলাদেশের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির মধ্যেই শয়ে শয়ে শরণার্থীরা কাঁটাতার পেরিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসতে চাইছেন। বুধবার দুপুর থেকেই দেখা যাচ্ছে, রাজ্যের সীমান্তে ভিড় করেছেন বহু বাংলাদেশি। কার্যত কাঁটাতারহীন সীমান্ত পেরিয়ে প্রবেশ করার চেষ্টা করছেন তাঁরা। কোচবিহার ও জলপাইগুড়ির সীমান্তে দেখা গিয়েছে, কাতারে কাতারে মানুষ ভারতে প্রবেশ করার জন্য দাঁড়িয়ে আছেন। 

    তবে, এমন ঘটনা (Bangladesh Crisis) যে ঘটতে পারে তার আন্দাজ আগে থেকেই পেয়েছিল বিএসএফ। তাই সোমবারের পর থেকেই সীমান্তে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। বুধবার কিছু মানুষ আসা পর্যন্ত সব ঠিক ছিল। কিন্তু শরণার্থীদের সংখ্যা বাড়তে থাকায় বিএসএফ (BSF on Bangladesh Border) সীমান্তেও বাহিনী সংখ্যা বাড়ায়। শরণার্থীদের নিজেদের দেশে ফিরে যেতে অনুরোধ করেন সকলে। বিএসএফের দাবি, এই বাংলাদেশিরা মূলত সানসেরপুরা, ধামেরঘাট, চিরাকুটি, লাখিপাড়া, বোনাগ্রাম, কাঠুমারি, পানিডুবি ও বানিয়াপাড়ার বাসিন্দা। এই গ্রামগুলি সীমান্ত থেকে মাত্র ২-৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। 

    আরও পড়ুন: ‘‘হিন্দুদের ওপর, মন্দিরে হামলায় উদ্বিগ্ন’’, বাংলাদেশ নিয়ে প্রতিক্রিয়া ইজরায়েলের

    শরণার্থীদের দাবি (Bangladesh Crisis) 

    বিএসএফ জানায়, প্রায় ৩০০ জন বাংলাদেশি নাগরিক যারা মূলত হিন্দু তারা এসে জমায়েত করেন জলপাইগুড়ি জেলার মানিকগঞ্জের সাতকুড়া সীমান্তে। প্রত্যেক শরণার্থীদের দাবি ছিল, বিএসএফ পারলে গুলি করে তাঁদের মেরে দিক, কিন্তু তাঁরা দেশে ফিরে যাবেন না। এ প্রসঙ্গে, হলদিবাড়ি ছিটমহলের বাসিন্দা জয়প্রকাশ রায় বলেন, ‘‘মহিলারা আর্তনাদ করছেন। বাঁচান বাঁচান বলে চিৎকার করছেন। একটু আশ্রয় চাইছেন। এ দৃশ্য দেখা যায় না!’’ তবে বিএসএফ সূত্রে খবর, উপরতলায় বিষয়টি জানানো হয়েছে। সেখান থেকে পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত শরণার্থীদের কোনও পরিস্থিতিতেই এ পারে ঢুকতে দেওয়া হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে ভাঙা পড়েছে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি, ‘মানা যায় না’, বলছে ভাষা-শহিদের পরিবার

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে ভাঙা পড়েছে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি, ‘মানা যায় না’, বলছে ভাষা-শহিদের পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) । দগ্ধে পুড়ছেন ভাষা শহিদের পরিবার। হুগলির কোন্নগরের গঙ্গাপারের সেই বাড়িটিতেই যত্নে রাখা রয়েছে সফিউর রহমানের ছবি। যে সফিউর ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি উর্দু আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বাংলা ভাষার জন্য রক্ত দিয়েছিলেন ঢাকার রাজপথে। যে ১৪ জন সে দিন শহিদ হয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে হুগলির (Hooghly) কোন্নগরের সফিউর অন্যতম। তাঁরই ছবি আঁকড়ে রয়েছেন তাঁর খুড়তুতো ভাই আহসানুর রহমান এবং বোন সেতারা খাতুন।

    কোন্নগরের পড়াশুনা করেছিলেন সফিউর (Bangladesh Crisis)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সফিউর জন্মেছিলেন কোন্নগরেই। পড়াশোনা কোন্নগর উচ্চ বিদ্যালয়ে। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বিএসসি পাশ করে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে এমবিবিএস পড়া। ১৯৪৭ সালে স্বাধীন হয়েছিল ভারত। দেশভাগের সেই পর্বেই সফিউরের বাবা মাহবুবর রহমান পরিবার নিয়ে চলে যান ঢাকায় (Bangladesh Crisis) । তিনি ছিলেন বিচারক। ঢাকা হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টে কর্মরত ছিলেন। দাদা সফিউর রহমানও বাবার সঙ্গেই চলে গিয়েছিলেন ঢাকায়। পরবর্তীতে দাদা জড়িয়ে পড়েন ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে।

    আরও পড়ুন: ‘‘হিন্দুদের ওপর, মন্দিরে হামলায় উদ্বিগ্ন’’, বাংলাদেশ নিয়ে প্রতিক্রিয়া ইজরায়েলের

    যত্নে রাখা রয়েছে সফিউর রহমানের ছবি

    হুগলির কোন্নগরের আহসানুরদের বাড়ির নোনা-ধরা দেওয়ালের গায়ে অনেক ইতিহাস। তাতে জুড়ে আছে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন। জুড়ে আছেন অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ত্রৈলোক্যনাথ মিত্র। ৩০০ বছরের পুরনো বাড়িটির গায়ে অভাবে অযত্নের ছাপও স্পষ্ট। গঙ্গাপারের সেই বাড়িটিতেই যত্নে রাখা রয়েছে সফিউর রহমানের ছবি। শহিদ সফিউরের ছবি হাতে নিয়েই বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন তাঁরা। পরিবারের অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্য বোঝাতে গিয়ে আহসানুর বলেন, কোন্নগরের বিশিষ্ট পণ্ডিত ত্রৈলোক্যনাথ মিত্রের বাড়ির দুর্গাপুজোয় পঞ্চমীর দিন কর্তা হয়ে যেতেন রহমান পরিবারের লোকজন। অদূরেই অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাগানবাড়ি। সে জমিও এককালে ছিল রহমান পরিবারের হাতে। শরিকি ঝামেলায় কিছু বদলায়নি। এখনও এই জীর্ণ বাড়িতে (Hooghly) বিদ্যুতের বিল আসে শহিদ সফিউরের বাবা মাহবুবর রহমানের নামে। ৬ বিঘা ১ কাঠা ১০ ছটাক জায়গা রহমান পরিবারের।

    …তাই বলে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি ভাঙা হবে?

    খুড়তুতো ভাই আহসানুর বলেন, “মুজিবর রহমান যে দলেরই হোন, বাংলাদেশের মানুষের এটা জানা উচিত যে তিনি স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জনক। সরকার পছন্দ না হলে আন্দোলন করুক। কিন্তু, তাঁর স্মৃতিতে হামলা, মেনে নেব কী করে! জানি, হাসিনা স্বেচ্ছাচার চালিয়েছেন। জানি, মানুষের কোনও গণতান্ত্রিক অধিকার ছিল না। কিন্তু তাই বলে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি ভাঙা হবে?” মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে দিতে চাইছে কারা? কারা ভাষা শহিদদের অসম্মান করছে? প্রশ্নের জবাবে আহসানুর বলেন, “দেখে মনে হচ্ছে, ওই আন্দোলনে মৌলবাদীরা ঢুকে পড়েছে। সেটাই সবচেয়ে ভয়ের। শেখ হাসিনা যে ভাবে সরকার চালিয়েছেন, তাতে তাঁর শাস্তি প্রাপ্যই ছিল।”

    কেন ঘা পড়ল ভাষা শহিদদের স্মৃতিস্তম্ভে? কেন মলিন করে দেওয়া হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস? ভাষা শহিদের পরিবারের মতে, “মুক্তিযুদ্ধকে বাদ দিয়ে কখনও বাংলাদেশের কথা ভাবা যায় না! একটা অংশ ইতিহাস মুছতে চাইছে। আশা করি, বাংলাদেশ এই অশুভ সময় কাটিয়ে উঠবে। মাতৃভাষার অধিকার দাবি করে প্রাণ দিয়েছিলেন আমার দাদা। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে জন্ম নিয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) রাষ্ট্র। সেখানে আজ ভাঙা হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি। এ দৃশ্যও দেখতে হল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশ হিন্দুহীন হলে ক্ষতি ভারতেরই, দাবি ‘ওয়ার্ল্ড হিন্দু ফেডারেশন’ কর্তার

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশ হিন্দুহীন হলে ক্ষতি ভারতেরই, দাবি ‘ওয়ার্ল্ড হিন্দু ফেডারেশন’ কর্তার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্তি অব্যাহত বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis)। আওয়ামি লিগের নেতা-কর্মী-সমর্থকদের বাড়িতে চলছে হামলা। তবে ‘সোনার বাংলা’য় ডামাডোলের বাজারে যা তামাম বিশ্বের নজর কেড়েছে, তা হল হিন্দুদের ওপর অবর্ণনীয় অত্যাচার। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্য মাত্র ৮ শতাংশ হিন্দু। এই হিন্দুরা আবার আওয়ামি লিগের সমর্থক।

    হিন্দুদের টার্গেট (Bangladesh Crisis)

    তাই দেশে সামান্যতম অশান্তি শুরু হলেই টার্গেট করা হয় হিন্দুদের (World Hindu Federation)। মারধর করে ভিটে মাটি ছাড়া করে কেড়ে নেওয়া হয় জমি-জিরেত। স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত সেই ট্র্যাডিশনে ভাঁটা পড়েনি। সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে পক্ষকালের কিছু আগে যে অশান্তির সূত্রপাত হয়েছে বাংলাদেশ, অগাস্টের ৭ তারিখেও তা অব্যাহত। আন্দোলনের চাপে প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছেড়েছেন শেখ হাসিনা। বস্তুত, তার পরেই দেশে অরাজক পরিস্থিতি উঠেছে চরমে। অবশ্য হিন্দুদের ওপর অত্যাচার হচ্ছিল তার আগেও। হাসিনার জমানায়ও যে বাংলাদেশি মুসলমানদের একটা অংশ ‘ভদ্রলোক’ হয়ে গিয়েছিল, তা নয় (এই অংশটাই মানুষের বাড়িঘর লুট করে। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ‘বঙ্গভবন’ থেকে লুট করে নিয়ে যায় কম্পিউটার, রাজহাঁস, ছাগল মায় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর অন্তর্বাসও)। হিন্দুদের ওপর অত্যাচার তখনও হয়েছে। আর অশান্তির ঢেউ আছড়ে পড়ায় শুরু হয়েছে হিন্দুমেধ যজ্ঞ।

    হিন্দু নিধন যজ্ঞের প্রতিবাদ

    এই হিন্দু নিধন যজ্ঞের প্রতিবাদ করেছে ইজরায়েল। বিক্ষিপ্তভাবে হলেও প্রতিবাদ করছে হাতে গোণা কয়েকটি সংগঠনও। (আশ্চর্যজনকভাবে মুখে কুলুপ এঁটে রয়েছেন বাংলাদেশ ও পশ্চিমবাংলার বুদ্ধিজীবীরা।) তার পরেও চলছে বাংলাদেশকে হিন্দুহীন করার উদগ্র চেষ্টা। বাংলাদেশ হিন্দুহীন হলে আদতে বিপদে পড়বে ভারতই। অন্তত এমনই মনে করেন ‘ওয়ার্ল্ড হিন্দু ফেডারেশনে’র সাধারণ সম্পাদক দীপন মিত্র। সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “বাংলাদেশে হিন্দুদের অবস্থা দিনের পর দিন খারাপ হচ্ছে।” তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে জনৈক হারাধন রায়, কাজল রায়, মৃণালকান্তি চ্যাটার্জির কথা। নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে এই তিনজনকে। আরও এক হিন্দুর দেহ উদ্ধার হয়েছে। তবে তাঁর পরিচয় জানা যায়নি।

    হিন্দু নির্যাতনের নিদারুণ ছবি 

    আরও অনেক হিন্দু খুনের খবরও জানান দীপন। তিনি জানান, ৫১টি হিন্দু মন্দির ভাঙচুর করা হয়েছে। হিন্দুদের ২৪০টি বাড়িতে হামলা চালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। হিন্দুদের রক্ষা করতে বাংলাদেশ সেনা ও পুলিশ কি কিছু করছে? তিনি বলেন, “বাংলাদশে হিন্দু রয়েছেন প্রায় আড়াই কোটি। তাঁরাও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।” দীপন বলেন (Bangladesh Crisis), “শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার সময় সেনাপ্রধান বলেছিলেন যে তিনি দায়িত্ব নেবেন। এবং এখানে শান্তি বজায় রাখবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনও পুলিশ বা সেনাবাহিনী হিন্দুদের সমর্থন করছে না। আমরা হিন্দুরা এখনও আক্রমণের শিকার হচ্ছি। কিন্তু এখনও পর্যন্ত আমরা সেনাবাহিনী কিংবা পুলিশের বাহিনীর কাছ থেকে কোনও সাহায্য পাইনি।” তিনি বলেন, “কয়েকটি মিডিয়া আউটলেট ছাড়া তাদের বেশিরভাগই বিষয়টি বিস্তারিতভাবে কভার করছে না। অনেক পরিবার এও ভয় পাচ্ছে যে, তারা যদি হিন্দুদের ওপর হামলার খবর পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জানায় তাহলে তাদের ওপর হামলা হবে।” মিডিয়া কেন খবর চেপে যাচ্ছে, তারও ব্যাখ্যা দেন দীপন (World Hindu Federation)। বলেন, “এই মুহূর্তে যদি মিডিয়া গ্রুপগুলি হিন্দুদের ওপর হামলা ও হিন্দু সম্পত্তি ও মন্দির ভাঙচুরের সঠিক সংখ্যা দেখায়, তবে তাদের চাঁদমারি করা হবে।” বাংলাদেশি হিন্দুদের ওপর যে অত্যাচার হচ্ছে, তা যে অচিরেই বন্ধ হয়ে যাবে, তা নয় বলেও দাবি করেন ওয়ার্ল্ড হিন্দু ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক।

    আরও পড়ুন: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, ভারতের উদ্বেগের একাধিক কারণ

    কী বললেন হিন্দু ফেডারেশন কর্তা

    তিনি বলেন, “বাংলাদেশি উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলো ছাড়াও সে দেশে অশান্তির নেপথ্যে রয়েছে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের হাত। তাই পরিস্থিতি এখনই স্বাভাবিক হবে না। কবে হবে, তাও বলা মুশকিল।” দীপন বলেন, “আমরা ভারত সরকারকে অনুরোধ করছি এ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করতে। কিন্তু এখনও ভারত সরকারের তরফে কোনও সাহায্য আমরা পাইনি।” তিনি বলেন, “আমরা বিশেষত হিন্দু সংখ্যালঘুরা ভারত সরকারের কাছে সাহায্যে আশাও করেছি। আমাদের রক্ষা করতে পদক্ষেপ করা হোক বলে আমরা তাদের কাছে আবেদনও করেছি।”

    আদতে ক্ষতি ভারতেরই

    ভারতের এক পড়শি দেশ হিন্দুশূন্য হতে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি। তাই বাংলাদেশও হিন্দুহীন হলে, আদতে ক্ষতি ভারতেরই, মনে করেন দীপন। বলেন, “আফগানিস্তান সম্পূর্ণ হিন্দু মুক্ত হচ্ছে। পাকিস্তানে মাত্র কয়েক লাখ হিন্দু অবশিষ্ট আছে। কিন্তু বাংলাদেশে এখনও আড়াই কোটি হিন্দু রয়েছে। এই অবস্থায় ভারত কোনও উদ্যোগ না নিলে একটি নির্দিষ্ট সময় পর বাংলাদেশ সম্পূর্ণ হিন্দুমুক্ত হবে। আর তখন বাংলাদেশ হিন্দুমুক্ত ও ইসলামিক উগ্রপন্থীদের দেশে পরিণত হলে সব চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে ভারত। এবং আরও বেশি করে ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকবে।” তিনি বলেন, “আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের চেয়ে অনেক বেশি হিন্দু রয়েছে বাংলাদেশে। সেই হিন্দুও যদি শেষ হয়ে যায়, তাহলে ভারতের সামনে অপেক্ষা করছে বড় বিপদ।”

    হামলাকে ছোট করে দেখানোর চেষ্টা

    বাংলাদেশে মন্দির বাঁচাতে মুসলমানরা মানবশৃঙ্খল তৈরি করছে বলে যে খবর দেখানো হচ্ছে কিংবা ভাইরাল হচ্ছে, সে প্রসঙ্গে দীপন বলেন, “এটা ভয়ঙ্কর।” তাঁর মতে, এভাবে কেবল হিন্দুদের ওপর আক্রমণকে ছোট করা হচ্ছে না, বিভ্রান্তির সৃষ্টিও করা হচ্ছে। বাম-উদারপন্থীদেরও নিশানা করেছেন দীপন। বলেন, “বিশ্বে যখন এরকম কোনও ঘটনা ঘটে, তখন বামপন্থী দল ও তাদের সমর্থকরা চিৎকার করে কাঁদে। কিন্তু এখানে প্রতিবেশী বাংলাদেশে যেখানে হিন্দুরা নিদারুণ কষ্ট পাচ্ছেন, তখন এই মানুষগুলোই হয় নীরবতা অবলম্বন করছেন, নয়তো ঘটনাটিকে ছোট করে দেখছেন।” তিনি বলেন, “এটা দুর্ভাগ্যজনক যে ভারতে বাম-উদারপন্থীরা বাংলাদেশে ঘটে চলা হিন্দু-বিরোধী হিংসাকে ছোট করে দেখছে। মুসলমানরা মানববন্ধন গঠন করছেন মন্দির বাঁচাতে – এসব মিথ্যা দাবি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন। বামপন্থী এবং ইসলামপন্থী সহানুভূতিশীলরা মনুসলমানদের এই আক্রমণকে কেবল ছোট করছে না, বিশ্ব জনমতকে বিভ্রান্তও করছে।”

    শেকড় ভুলেছেন মমতা

    দীপন বলেন, পশ্চিমবঙ্গে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু ও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শেকড়ও ছিল বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis)। সেই শেকড়কে তাঁরা ভুলেছেন।” তিনি বলেন, “অনেক হিন্দু বামপন্থী মুসলমানদের হাতে নিপীড়িত হওয়ার ভয়ে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে গিয়েছে।” দীপন বলেন, “ইসলামপন্থীরা সব সময়ই হামলা-মামলা করে।” তিনি বলেন, “বাংলাদেশ মুসলিম রাষ্ট্রে পরিণত হলে এখানে বামপন্থী ও তাদের মতাদর্শ থাকবে না।” তাঁর আক্ষেপ, “প্যালেস্তাইন ও মুসলমানদের জন্য সবাই আছে, সবাই চিৎকার করছে। কিন্তু হিন্দুদের পাশে কেউ নেই।”

    এদিকে, ৮ অগাস্ট, বৃহস্পতিবার রাতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন মহম্মদ ইউনূস। তিনি সবাইকে শান্তি বজায় রাখতে বলেছেন। সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার বন্ধের আবেদন করেছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হওয়ার পর বাংলাদেশে অরাজকতায় দাঁড়ি পড়ে কিনা, এখন সেটাই দেখার (Bangladesh Crisis)।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশের জনপ্রিয় প্রযোজক-পরিচালক ও তাঁর অভিনেতা ছেলেকে পিটিয়ে হত্যা

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশের জনপ্রিয় প্রযোজক-পরিচালক ও তাঁর অভিনেতা ছেলেকে পিটিয়ে হত্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) সোমবারই হত্যা করা হল খ্যাতনামা পরিচালক-প্রযোজক সেলিম খান ও তাঁর ছেলে অভিনেতা শান্ত খানকে। সেলিম খান (Producer Selim khan) চাঁদপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানও ছিলেন। এ বিষয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার (ওসি) মহম্মদ শেখ মহসিন আলম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘তাঁদের মৃত্যুর বিষয় আমরা জেনেছি।” তিনি স্বীকার করেন, “আমাদের প্রাণের নিরাপত্তার কারণে ঘটনাস্থলে যাইনি।’’

    বাগাড়াবাজারে পিটিয়ে হত্যা 

    সোমবার শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে ভারতের উদ্দেশে রওনা হন। ওইদিন বিকেল নাগাদ বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) ফরক্কাবাদ বাজারে সেলিম খান ও শান্ত খানের ওপর হামলা চালায় একদল উন্মত্ত জনতা। সেখানে নিজের পিস্তল থেকে গুলি চালিয়ে আত্মরক্ষা করেন সেলিম। এরপরই পার্শ্ববর্তী বাগাড়াবাজারে এসে ফের জনতার আক্রমণের শিকার হন তাঁরা। সেখানেই বিক্ষোভকারীরা পিটিয়ে হত্যা করে সেলিম খান (Producer Selim khan) ও তাঁর ছেলে অভিনেতা শান্ত খানকে।

    সিনেমা বানিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে (Bangladesh Crisis)

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) খ্যাতনামা চিত্র পরিচালক ছিলেন সেলিম খান। পশ্চিমবঙ্গেও তিনি কাজ করতেন বলে জানা যায়। তাঁর সংস্থার নাম ছিল শাপলা মিডিয়া। এই সংস্থা অনেকগুলি ছবি পরিচালনা করেছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ‘শাহেনশা’ এবং ‘বিদ্রোহী’। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী নিয়েও ছবি করেন সেলিম খান।

    কী বলছেন টলিউডের প্রযোজক?

    জানা গিয়েছে, সোমবার মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগেও সেলিম খান কথা বলেন টলিউডের প্রযোজক অরিন্দম দাসের সঙ্গে। একটি ভবিষ্যতের প্রজেক্ট নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে বেশ খানিকক্ষণ কথা হয়। এ বিষয়ে অরিন্দম দাস বলেন, ‘‘আমি সেলিম ভাইয়ের সঙ্গে সোমবারই কথা বলি। কিন্তু তার কয়েক ঘণ্টা পরেই শামিম আহমেদ রনি যিনি বাংলাদেশের এক চিত্রপরিচালক, আমাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফোন করে জানতে চান, সেলিম খান সম্পর্কে কোনও খবর আমি শুনেছি কি না। এর পরেই জানতে পারি, সেলিম ভাইকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশের হিন্দু সঙ্গীতশিল্পী রাহুল আনন্দের বাড়িতে লুট, তাণ্ডব চালাল মৌলবাদীরা

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশের হিন্দু সঙ্গীতশিল্পী রাহুল আনন্দের বাড়িতে লুট, তাণ্ডব চালাল মৌলবাদীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৫ অগাস্ট বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। আন্দোলনকারীরা দখল করে তাঁর বাসভবন। এরপরেও সারা বাংলাদেশ জুড়ে জেহাদিদের লুট এবং তাণ্ডবলীলা চলতে থাকে। গত সোমবার জেহাদিদের একটি ভিড় হামলা চালায় সেদেশের খ্যাতনামা হিন্দু সঙ্গীত শিল্পী রাহুল আনন্দের বাড়িতে। প্রসঙ্গত, রাহুল আনন্দ বর্তমানে ভাড়া বাড়িতে থাকেন। সেখানেই হামলা চালায় জেহাদিরা। হামলার আগে বাড়িতেই উপস্থিত ছিলেন সঙ্গীতশিল্পী নিজে, তাঁর স্ত্রী শুক্লা, ছেলে তোতা এবং অন্যান্য পরিবারের সদস্যরা। হামলার খবর পাওয়া মাত্রই তাঁরা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান এবং অন্য কোথাও অজ্ঞাত পরিচিত একটা স্থানে আশ্রয় নেন।

    ৩ হাজার সঙ্গীত বাদ্যযন্ত্র ভাঙচুর (Bangladesh Crisis)

    সে দেশের সংবাদসংস্থাগুলি সূত্রে জানা গিয়েছে, এই হামলা হয় সোমবার ঠিক বিকাল চারটা নাগাদ। রাহুল আনন্দের (Bangladesh Crisis) পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, জেহাদিরা প্রথমে বাড়ির গেটটিকে ভেঙে দেয়, তারপরেই তারা বাড়ি লুট করতে শুরু করে। সামনে যা পায় তাই লুট করে, ভাঙচুর করে। আসবাবপত্র কোনও কিছু বাদ যায়নি। প্রায় তিন হাজার বাদ্যযন্ত্র জেহাদিরা (Bangladesh Crisis) ভাঙচুর করেছে বলে জানা গিয়েছে। রাহুলের টিমের এক সদস্য জানিয়েছেন, ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়ার পরই দুর্বৃত্তরা ছুটে এসেছিল ধানমন্ডির ৩২ নম্বর রোডে। বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে হামলা চালানোর পরই ছুটে আসে একই রোডে অবস্থিত রাহুল আনন্দের বাড়িতে।

    রাহুল আনন্দের এই বাড়িতেই এসেছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট

    প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়ে মাঁক্র তাঁর বাংলাদেশ সফরকালে (Bangladesh Crisis) রাহুল আনন্দের (Rahul Ananda) বাড়িতেও গিয়েছিলেন। সমাজমাধ্যমের পাতায় ‘জলের গান’ নামক ফেসবুক পেজ থেকে লেখা হয়, ‘‘রাহুল আনন্দের (Rahul Ananda) বাড়ি শুধুমাত্র তাঁর বাড়ি ছিল না। উপরন্ত সেটি তাদের গোটা টিমের বাড়ি ছিল।’’ ওই পোস্টে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, এই বাড়িটি হয়তো পুনরায় তৈরি করা যাবে কিন্তু যে ঘৃণার আগুন ছড়ানো হয়েছে তা কী করে নিভবে? প্রসঙ্গত রাহুল আনন্দ যে বাড়িটিতে থাকতেন সেটি ১৪০ বছরের পুরনো। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে আজ গঠন অন্তর্বর্তী সরকারের, প্রধান নোবেল জয়ী ইউনূস

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে আজ গঠন অন্তর্বর্তী সরকারের, প্রধান নোবেল জয়ী ইউনূস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছেড়েছেন শেখ হাসিনা (Bangladesh Crisis)। সংসদ ভেঙে দিয়েছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি। এদিকে অশান্তি অব্যাহত দেশে (Interim Government)। অশান্তির আগুন নেভাতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করতে চলেছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার রাতেই গঠিত হবে অন্তর্বর্তী সরকার। বুধবার সাংবাদিক বৈঠক করে একথা জানিয়ে দিলেন সে দেশের সেনা প্রধান ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে দেশে ফিরবেন নোবেল জয়ী মহম্মদ ইউনূস। তাঁকেই প্রধান করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিন রাত আটটা নাগাদ শপথ নিতে পারেন তিনি। জানা গিয়েছে, প্যারিস থেকে ঢাকায় ফিরছেন ইউনূস। অন্তর্বর্তী সরকারের মন্ত্রিসভার তালিকা প্রকাশিতও হওয়ার কথা। ইউনূসকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান করে দেশের চলা অরাজক অবস্থায় ইতি টানতে চাইছে বাংলাদেশ।

    ইউনূসের আবেদন (Bangladesh Crisis)

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে নাম ঘোষণা হতেই দেশবাসীকে শান্ত থাকার আবেদন জানালেন নোবেলজয়ী এই অধ্যাপক (Bangladesh Crisis)। তিনি বললেন, “হিংসার মাধ্যমে কোনও কিছুর সমাধান সম্ভব নয়। মাথা ঠান্ডা রেখে সমাধানের পথ খুঁজতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা যাতে এই জয়ের সুফল কুড়োতে পারি, সেজন্য চেষ্টা করতে হবে। আমাদের কোনও ভুলের কারণে যেন এই জয়কে পরাজয়ে পরিণত না করি।” তিনি বলেন, “আমি বর্তমান পরিস্থিতিতে শান্ত থাকার, সব ধরনের হিংসা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।”

    কী বললেন বাংলাদেশের হবু প্রধান

    ইউনূস বলেছেন, “আমাদের প্রিয় এই সুন্দর ও বিপুল সম্ভাবনাপূর্ণ দেশটিকে আমাদের নিজেদের (Interim Government) ও পরবর্তী প্রজন্মের জন্য রক্ষা করা ও একে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই এখন আমাদের প্রধান কাজ। একটি নতুন পৃথিবী বিনির্মাণে আমাদের তরুণরা প্রস্তুত। অকারণে হিংসা করে এই সুযোগটি আমরা হারাতে পারি না। হিংসা আমাদের সকলেরই শত্রু। দয়া করে শত্রু সৃষ্টি করবেন না। সকলে শান্ত থাকুন। দেশ পুনর্গঠনে এগিয়ে আসুন। অনুগ্রহ করে নিজে শান্ত থাকুন এবং আপনার আশপাশের সকলকে শান্ত থাকতে সহায়তা করুন।”

    অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার রাতেই রাষ্ট্রপতি মহম্মদ শাহাবউদ্দিন ইউনূসকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে নিয়োগ করার কথা ঘোষণা করেন। বুধবার সাংবাদিক বৈঠক করে সেটাই জানিয়ে দেন সেনা প্রধান। তিনি বলেন, “ইউনূস বৃহস্পতিবার দুপুরে আসবেন। আমরা সকলে তাঁকে সরকার গড়তে সাহায্য করব। আশা করছি, সব ভালো হবে। আমরা এখন চমৎকার পরিবেশে কাজ করছি। আপনারা কেউ গুজবে কানা দেবেন না। নিজেরাও গুজব ছড়াবেন না।” তিনি বলেন, “বৃহস্পতিবারই যাতে সরকার গঠিত হয়, সেজন্য যথাসাধ্য চেষ্টা আমরা করছি। ইউনূস দুপুর ২টো ১০ মিনিট নাগাদ দেশে ফিরবেন। ৪০০ জনের উপস্থিতিতে রাত আটটা নাগাদ সরকারের শপথ গ্রহণ হতে পারে।”

    পুলিশ কর্তার অনুরোধ

    পুলিশ কর্মী খুনের প্রতিবাদে কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে পুলিশ। সে প্রসঙ্গে সেনা প্রধান বলেন, “পুলিশে পুনর্গঠনের কাজ চলছে। আশা করি, পুলিশের মনোবল ফিরবে। তারা দায়িত্ব পালন করবে। সেনাবাহিনী সর্বদা জনগণের পাশে রয়েছে। আমরা সকলে মিলে কাজ করব। দেশকে উপহার দেব সুন্দর ভবিষ্যৎ।” এদিকে, পুলিশকে কাজে ফিরতে অনুরোধ করেছেন পুলিশের এআইজি শহিদুর রহমান। তিনি বলেন, “পুলিশ জনগণের বন্ধু। সাধারণ মানুষকে এটা বুঝতে হবে। পুলিশ ছাড়া সমাজ চলে না। পুলিশ সদস্যদের অনুরোধ করছি, গুজব উপেক্ষা করে কাজে ফিরুন।”

    আরও পড়ুন: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, ভারতের উদ্বেগের একাধিক কারণ

    নোবেল শান্তি পুরস্কার

    গ্রামীণ ব্যাঙ্ক তৈরি করে ক্ষুদ্র ঋণের পরিচিতি দেওয়ায় ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান অর্থনীতির অধ্যাপক ইউনূস। যাঁরা সাধারণ ব্যাঙ্ক থেকে ঋণের সুবিধা নিতে পারেন না, যাঁরা যাতে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারেন, সেজন্য এই ক্ষুদ্র ঋণের প্রথম পথ দেখান (Bangladesh Crisis) তিনিই। এহেন ইউনূসকে উপদেষ্টা রেখেই বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের দাবি জানিয়েছিলেন ছাত্রদের একাংশ। অন্যদিকে, শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় দণ্ড বাতিল হল ইউনূসের। বুধবার কারাদণ্ড থেকেও মুক্তি পেয়েছেন তিনি।

    ইউনূসের মুক্তি

    ইউনূসের আইনজীবী আবদুল্লা আল মামুন বলেন, “ইউনূস-সহ মামলায় প্রাথমিকভাবে দোষী সাব্যস্ত হওয়া চারজনকেই বুধবার বেকসুর খালাস করেছে আদালত।” উল্লেখ্য, ইউনূসের সংস্থা গ্রামীণ টেলিকমের বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্খন করে বেআইনিভাবে কাজ চালানোর মামলা চলছিল। বাংলাদেশের শ্রম আইন অনুযায়ী, যে কোনও সংস্থায় কর্মীদের কল্যাণমূলক তহবিল তৈরি করতে হয়। কিন্তু গ্রামীণ টেলিকমে ওই তহবিলের ব্যবস্থা ছিল না। শ্রম আইন লঙ্খনের অভিযোগ দায়ের হয় ইউনূস ও তাঁর সংস্থার তিন কর্মীর নামে। গত পয়লা জানুয়ারি চারজনেকই দোষী সাব্যস্ত করে ঢাকা আদালত। প্রত্যেককে ছ’মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। নানা সময় হাসিনা সমালোচনা করেছেন ইউনূসের। তাঁকে ‘গরিবের রক্ত চোষা’ও বলেছিলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: ‘‘হিন্দুদের ওপর, মন্দিরে হামলায় উদ্বিগ্ন’’, বাংলাদেশ নিয়ে প্রতিক্রিয়া ইজরায়েলের

    Bangladesh Crisis: ‘‘হিন্দুদের ওপর, মন্দিরে হামলায় উদ্বিগ্ন’’, বাংলাদেশ নিয়ে প্রতিক্রিয়া ইজরায়েলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্ধুত্বের প্রতিদান দিল ইজরায়েল! বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) হিন্দুদের (Attacks On Hindus) ওপর মুসলমানদের নৃশংস অত্যাচারের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলি রাষ্ট্রদূত নাওর গিলন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে হিন্দু ও তাঁদের মন্দিরে যে হামলা হচ্ছে, তাতে আমি উদ্বিগ্ন।”

    উত্তাল বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis)

    সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে অশান্তির জেরে উত্তাল বাংলাদেশ। প্রাণ ভয়ে প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে ৫ অগাস্ট দেশ ছেড়েছেন শেখ হাসিনা। তার আগে পরে বাংলাদেশে চলছে হিন্দু নিধন  যজ্ঞ। হিন্দুদের বাড়িঘর লুটপাট করে জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে আগুন। নির্যাতন করা হচ্ছে হিন্দু নারীদের। হিন্দু-নির্যাতনের করুণ কাহিনির ছবি সম্বলিত নানা ভিডিও হয়েছে ভাইরাল। এহেন আবহে মুখ খুললেন ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলি রাষ্ট্রদূত গিলন। বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৭ কোটি। এর মাত্র ৮ শতাংশ হিন্দু। এই হিন্দুরা দীর্ঘদিন ধরে সমর্থন করে আসছেন হাসিনার আওয়ামি লিগকে। হাসিনা ভিটে ছাড়া হতেই বাংলাদেশে আক্ষরিক অর্থেই চলছে হিন্দু নিধন যজ্ঞ (Bangladesh Crisis)।

    কী বললেন ইজরায়েলি রাষ্ট্রদূত?

    এক্স হ্যান্ডেলে গিলন লিখেছেন, “বাংলাদেশে হিন্দু-সহ সংখ্যালঘুদের ওপর এবং তাদের মন্দিরে হামলায় খবরে আমি উদ্বিগ্ন।” গিলনের এই মন্তব্যেই স্পষ্ট, ক্রমেই আন্তর্জাতিক আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠছে বাংলাদেশ। প্রসঙ্গত, ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধে ইজরায়েলের পক্ষ নিয়েছিল ভারত। যদিও মানবিক সাহায্য পাঠিয়েছিল প্যালেস্তাইনকে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, হামাসের সঙ্গে যুদ্ধে ইজরায়েলের পাশে দাঁড়িয়েছিল ভারত। তাই এবার ভারতের পাশে দাঁড়াল ইজরায়েল।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে আওয়ামি লীগের উপর হিংসা অব্যহত, উদ্ধার ২৯ জনের দেহ

    এদিকে, দিন দিন বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় মঙ্গলবার সংসদে সর্বদলীয় বৈঠক করলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেখানে তিনি উপস্থিত নেতাদের বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেন। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের কল্যাণ মনিটরিংয়ের ভারত সরকার দায়বদ্ধ বলেও মনে করিয়ে দেন জয়শঙ্কর। শেখ হাসিনা ভারতে আসছেন বলে একটি শর্ট নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। সেই মতো তিনি ভারতে এসেছেন বলেও জানান বিদেশমন্ত্রী। সর্বদলীয় বৈঠকে তিনি জানান, বাংলাদেশে ভারতীয় রয়েছেন প্রায় ১৯ হাজার। এঁদের মধ্যে ৯ হাজারই ছাত্র। এই ছাত্রদের সিংহভাগই জুলাইয়ের মধ্যে ফিরে এসেছেন দেশে। তিনি জানান, ঢাকায় ভারতীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে (Attacks On Hindus) নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছে ভারত সরকার (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bangladesh Crisis: অশান্ত বাংলাদেশে হোটেলে আগুন! বাঁচতে ৪ তলা থেকে ঝাঁপ ভারতীয় যুবকের

    Bangladesh Crisis: অশান্ত বাংলাদেশে হোটেলে আগুন! বাঁচতে ৪ তলা থেকে ঝাঁপ ভারতীয় যুবকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনে (Bangladesh Crisis) বর্তমানে কোণঠাসা হচ্ছে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়। গত দুদিন ধরে চলেছে লাগাতার হিন্দুদের উপর অত্যাচার। এবার নিজের প্রাণ বাঁচাতে চারতলা থেকে ঝাঁপ দিলেন ভারতীয় (Indian) যুবক। কয়েকদিন আগে ব্যবসার কাজে বাংলাদেশে গিয়েছিলেন অসমের বাসিন্দা রবিউল ইসলাম। সঙ্গে ছিলেন তাঁর ভাই শাহিদ আলি। তখনও বাংলাদেশের পরিস্থিতি এতটা তপ্ত হয়নি। সে সময় দুজনে যশোরের একটি হোটেলে উঠেছিলেন। সোমবার বিকেলে তাঁদের হোটেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর প্রাণে বাঁচাতে চারতলা থেকে ঝাঁপ দিয়েছিলেন শাহিদ। মঙ্গলবার অ্যাম্বুল্যান্সে করে দেশে ফেরেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, দু’পা ভেঙে গিয়েছে শাহিদের। 

    কী জানিয়েছেন তাঁরা? (Indian) 

    এ ঘটনার প্রসঙ্গে দুই ভাই জানান, আমদানি-রফতানির ব্যবসার কাজের সূত্রেই তাঁরা বাংলাদেশ গিয়েছিলেন। যশোরের একটি হোটেলের ১২ তলার একটি ঘরে উঠেছিলেন তাঁরা। সোমবার দুপুরের পরে বাইরে কিছু শব্দ শুনে হোটেলের ঘরের জানলা খোলেন রবিউল এবং শহিদ। তাঁরা দেখেন আন্দোলনকারীদের (Bangladesh Crisis) একাংশ ওই হোটেলটি ঘিরে ফেলেছেন। কিছু বুঝে ওঠার আগে হোটেলের মধ্যে থেকে হট্টগোল শুনতে পান। খবর পান, হোটেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কী করবেন বুঝে উঠতে না পেরে চার তলা থেকে পাশের একটি ভবনে চলে যান দু’জন। সেখান থেকে ঝাঁপ দেন দুই ভাই। ঘটনায় গুরুতর আহত হন তাঁরা। তাঁদের কথায়, ‘‘কোনও রকমে প্রাণ নিয়ে ফিরলাম। শুনেছি দু’জন মারা গিয়েছেন।’’ যদিও মৃতের কোনও তথ্য এখনও সরকারি ভাবে পাওয়া যায়নি। 

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে নিপীড়িত হিন্দুরা, ভিডিও শেয়ার করে পাশে দাঁড়ালেন সোনু সুদ

    ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা 

    যদিও বাংলাদেশের পরিস্থিতির (Bangladesh Crisis) অবনতি হওয়ার পর, ভারত কূটনীতিকদের পাশাপাশি বাংলাদেশে আটকে পড়া ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা করছে। সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, প্রয়োজনে ভারত তার কূটনীতিক ও নাগরিকদের ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করছে। তবে বাংলাদেশে আটকে পড়া ভারতীয়রা বর্তমানে বিমানবন্দরের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের পেট্রাপোল, কোচবিহার, মালদা, দক্ষিণ দিনাজপুর সীমান্তের বেশ কয়েকটি এলাকা হয়ে ফিরে আসছে। বাংলাদেশের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি কাটিয়ে সোমবার রাত থেকে ধীরে ধীরে ফ্লাইট পরিষেবা আবার শুরু হয়। ফলে বাংলাদেশে কর্মরত বেশ কয়েকজন ভারতীয় (Indian) যাত্রী মঙ্গলবার সকালে ফিরে আসেন দেশে। সেই সব যাত্রীদের মধ্যে এক যাত্রী জানান, “আমরা বাংলাদেশে কাজ করি। গতকাল আমাদের ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। রবিবার, আমরা ভারতে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আমরা যখন রাত সাড়ে ন’টার সময় ফ্লাইটে উঠতে যাচ্ছিলাম, তখন জানতে পারি যে ফ্লাইট বাতিল হয়ে গেছে। এরপর আমরা কোনও খাবার ও জল ছাড়াই বিমানবন্দরে আটকে পড়েছিলাম।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share