Tag: Bangladesh

Bangladesh

  • Bangladesh Crisis: অশান্ত বাংলাদেশ! ঘরে ফিরতে না পেরে চরম উদ্বেগে ভারতে আসা বাংলাদেশিরা

    Bangladesh Crisis: অশান্ত বাংলাদেশ! ঘরে ফিরতে না পেরে চরম উদ্বেগে ভারতে আসা বাংলাদেশিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন শেখ হাসিনা। দেশ ছেড়েছেন তিনি। অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি এখন ওপার বাংলায়। চরম আতঙ্কে আর উদ্বেগে রয়েছেন কলকাতায় আসা বাংলাদেশি নাগরিকরা (Bangladeshis in India)। ঘন ঘন পরিবারের লোকজনের সঙ্গে তাঁরা যোগাযোগ করছেন। অনেকে আবার অস্থির পরিস্থিতির মধ্যেও দেশে ফেরার তোড়জোড় শুরু করেছেন। অনেকে আবার বাড়ি না ফিরতে পেরে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

     ভারতে চরম উদ্বেগে রয়েছেন বাংলাদেশি পড়ুয়ারা (Bangladesh Crisis)

    গুজরাটের বরোদায় মহারাজা সয়াজিরাও বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ থেকে পড়তে এসেছেন এক পড়়ুয়া। স্নাতকোত্তর পারফর্মিং আর্টস বিভাগের ওই ছাত্র বলেন, “মাসখানেক ধরেই দেশের অবস্থা খারাপ। তবে, সোমবারের পর থেকে দেশের (Bangladesh Crisis) পরিস্থিতি নিয়ে বার বার খোঁজ নিচ্ছি। দেশে আমাদের এলাকায় আক্রমণের মুখে পড়ছেন মূলত আওয়ামি লিগের সমর্থকরা। আমাদের এলাকার লোকজন চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। বাড়ি ফেরার পরিস্থিতি এখন নেই। ফলে, ফোনেই পরিবারের লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছি। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বাংলাদেশি ছাত্রী বলেন, ‘‘আমার বাড়ি ফরিদপুরে। বাড়িতে ফোন করে জানতে পারি, প্রায় একশো জনের বাইকবাহিনী আমাদের পাড়ায় ঘুরছে, ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। আতঙ্কে সারা রাত ঘুমোতে পারিনি। আমার কলেজ শিক্ষক বাবাকে জামাতপন্থী এক সহকর্মী জানিয়েছেন, ভয় পাবেন না। প্রয়োজনে বাবার সহকর্মীর বাড়িতে গিয়ে পরিবার থাকতে পারে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন। আমার বাবাকে ওই সহকর্মী আরও জানিয়েছেন, পরিস্থিতি ঠিক না হওয়া পর্যন্ত আপাতত কয়েক দিন তিনি যেন তাঁর সঙ্গেই কলেজে যাতায়াত করেন।’’

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে ইস্কনের মন্দির ভাঙচুর, ছত্রখান বিগ্রহও

    চিকিৎসা করাতে এসে বিপাকে বাংলাদেশিরা!

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) থেকে কলকাতায় চিকিৎসা করাতে এসেছেন প্রায় ৩০০-রও কাছাকাছি মানুষ। যার মধ্যে কিছুজন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। শীঘ্রই তাদের মধ্যে কাউকে ছুটিও দেওয়া হবে। যদি চিকিৎসাধীনদের কোনও সমস্যা হয়, তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওপারে তাঁদের পড়শীদের সঙ্গে কথা বলানোর ব্যবস্থা করছে। তবে, স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, ভিসা শেষ হয়ে গেলে অন্যান্য দেশের মতো হাইকমিশন সেই ব্যবস্থা নেয়। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম রয়েছে। দিদির চিকিৎসা করাতে সপ্তাহখানেক আগে যশোর থেকে কলকাতা এসেছেন সুরসিনা খাতুন। বর্তমানে চিকিৎসা করানো হয়ে গিয়েছে। কিন্তু, বাড়ি কি করে ফিরবেন তা নিশ্চিত নয়। তিনি বলেন, “চিকিৎসার জন্য এদেশে এসেছিলাম। এখন বাড়ি কী করে ফিরব বুঝতে পারছি না। বর্তমানে দেশে ব্যক্তিগত গাড়ি চলছে বলে শুনেছি। তবে যা পরিস্থিতি হল, তা ভালো না বলেই মনে হচ্ছে। শেখ হাসিনা দেশ ও জাতিকে ধ্বংস করে পদত্যাগ করলেন।” ফরিদপুর থেকে কলকাতায় চিকিৎসা করাতে আসা আরেক বাংলাদেশি (Bangladeshis in India) বাবুল হোসেন। তিনি বলেন, “বাড়ির লোকের সঙ্গে কথা হয়েছে। ওরা বলছে দেশের অবস্থা ভালো নয়, চিকিৎসা করে তাড়াতাড়ি যাতে আমি ফিরে যেতে পারি, তার অনুরোধ করছে। বাস, ট্রেন সব বন্ধ। বিমানে যাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে।”

    সীমান্তে মোতায়েন সেনা

    এদিন সকাল থেকেই বিএসএফের সঙ্গে শিলিগুড়ির ফুলবাড়ি সীমান্তে নজরদারি চালাতে দেখা যায় সেনা আধিকারিকদের। সীমান্তের নিরাপত্তায় দু’কোম্পানি সেনা মোতায়েন করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তবে ওপার বাংলার (Bangladesh Crisis) পরিস্থিতি দ্রুত ঠিক হোক, এটাই চাইছেন সেখানকার সাধারণ নাগরিকরা। প্রতিদিন ফুলবাড়ি সীমান্ত দিয়ে দুই বাংলার মধ্যে সাধারণ মানুষ ও পণ্য সামগ্রীর ট্রাকের যাতায়াত লেগে থাকে। বাংলাদেশে অশান্তির কারণে বর্তমানে তা অনেকটাই ফিকে। সীমান্তের পরিবেশ থমথমে। বন্ধ বেশিরভাগ দোকানপাট।  

    আতঙ্ক নিয়ে বাড়়ি ফিরছেন বাংলাদেশিরা

    আতঙ্কের মধ্যেই ভারত ছেড়ে পরিবারের টানে বাংলাদেশে ফিরছেন এপারে থাকা বাংলাদেশিরা (Bangladeshis in India)। বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁওয়ের বাসিন্দা মুস্তাক আলি বলেন, “এলাকার অবস্থা উত্তপ্ত। বাড়ির লোকজনদের জন্য চিন্তা হচ্ছে। তাই, বাড়ি ফিরতে চাইছি।” আরেক বাসিন্দা রিঙ্কি সেন বলেন, “আমাদের দেশে (Bangladesh Crisis) এখনও খুবই খারাপ অবস্থা। ওখানে পরিবার রয়েছে। ফলে, এখানে থাকলে বেশি চিন্তা হচ্ছে। তাই, বাড়ি ফেরার জন্য সীমান্তে এসেছি। সীমান্ত পার হলেই বাড়ি ফিরতে পারব কি না জানি না। যানবাহন সবই বন্ধ। তবুও, বাড়ি ফিরব। যা হওয়ার ওখানেই হবে। আতঙ্ক নিয়েই যাচ্ছি।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh crisis: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, ভারতের উদ্বেগের একাধিক কারণ

    Bangladesh crisis: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, ভারতের উদ্বেগের একাধিক কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আশান্তির আগুনে পুড়ছে বাংলাদেশ (Bangladesh crisis)। চলছে হিন্দু নিধন যজ্ঞ। প্রত্যাশিতভাবেই পড়শি বন্ধু দেশের এই অশান্তিতে সিঁদুরে মেঘ দেখছে ভারত (Anti Terrorism Crusade)। ভারতের উদ্বেগের কারণ একাধিক।

    ভারতের উদ্বেগের কারণ (Bangladesh crisis)

    এর মধ্যে রয়েছে মুক্তি বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা, উত্তরপূর্ব ভারতে শান্তি বজায় রাখা, বাংলাদেশে বসবাসকারী ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সর্বোপরি, সে দেশের নয়া সরকারের সঙ্গে নতুন করে সম্পর্ক গড়ে তোলা। দীর্ঘদিন ধরেই সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়ছে ভারত। প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ায় সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের লড়াই খানিকটা হলেও ধাক্কা খাবে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।

    হাসিনাকে বেশি গুরুত্ব ভারতের

    বরাবরই ভারত বিএনপির চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে হাসিনার আওয়ামি লিগকে। এর কারণ হল, ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন এবং লস্কর-ই-তৈবার মতো জঙ্গি সংগঠনের প্রতি বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টিভঙ্গী। ভারতে একাধিক জঙ্গি হামলার নেপথ্যে রয়েছে এই দুই সন্ত্রসবাদী সংগঠনের হাত। ৭/১১-র মুম্বই ট্রেনে বিস্ফোরণ, ২০০৮ সালের জয়পুর বোমা হামলা, ওই বছরই আমেদাবাদে বিস্ফোরণ, ২০১০ সালে জামে মসজিদে হামলা, বেঙ্গালুরু স্টেডিয়ামে বিস্ফোরণ, ২০১১ সালে মুম্বইয়ে ধারাবাহিক বিস্ফোরণ এবং আরও অনেক জঙ্গি কার্যকলাপের নেপথ্যে রয়েছে এই দুই সংগঠনের হাত (Bangladesh crisis)। দেশজুড়ে ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন বিভিন্ন জায়গায় ঘাঁটি গেড়েছে। বিশেষ করে মহারাষ্ট্রে।

    ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের চেয়ে কোনও অংশে কম যায় না লস্কর-ই-তৈবা। ২৬/১১ হামলার নেপথ্যে তারাই। ২০০২ সালে মুম্বইয়ে ১১টি জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটেছিল। এসবেরই নেপথ্যে ছিল ওই দুই জঙ্গি সংগঠনের হাত। গোয়েন্দা রিপোর্ট বলছে, হাসিনা-হীন জমানায় এই জঙ্গি সংগঠন বাংলাদেশে ডেরা বেঁধেছিল। সেখান থেকেই চক্রীরা ভারতে চালিয়ে গিয়েছিল একের পর এক অপারেশন। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সন্ত্রাসীদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হত। জঙ্গিরা ভারতে অপরাধ করে দিব্যি ঢুকে যেত হাসিনা-হীন সরকারের ছাতার তলায়। পরে সুযোগ বুঝে সেখান থেকে তারা চলে যেত পাকিস্তানে।

    আরও পড়ুন: অরাজক পরিস্থিতি বাংলাদেশে, অব্যাহত হিন্দু নিধন যজ্ঞ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই জঙ্গি সংগঠনগুলির লাগাম ধরতে বিএনপি কিছুই করেনি। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে সন্ত্রাসবাদ বন্ধে কোমর কষে নামেন হাসিনা। সেই প্রক্রিয়াই আপাতত ধাক্কা খাবে বলে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা। হাসিনার দেশ ছেড়ে চলে যাওয়াটা পাকিস্তানের আইএসআই এবং চিনের কাছে (Anti Terrorism Crusade) ‘পৌষ মাস’ হয়ে দাঁড়াল বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের (Bangladesh crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladeshi Hindus: বাংলাদেশে আতঙ্কে রয়েছেন হিন্দুরা, সুরক্ষা দিক ভারত, চাইছে সঙ্ঘ

    Bangladeshi Hindus: বাংলাদেশে আতঙ্কে রয়েছেন হিন্দুরা, সুরক্ষা দিক ভারত, চাইছে সঙ্ঘ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে কোটা বিরোধী আন্দোলন চলাকালীন হিংসার ঘটনা বাড়তে শুরু করেছে। শেখ হাসিনা পদত্যাগ করার পর থেকে হিংসা, অগ্নিসংযোগের পরিমাণ আরও বেড়েছে। বিভিন্ন জায়গায় দোকানপাট লুট করা হচ্ছে। সরকারি দফতরে অগ্নিসংযোগ করা হচ্ছে। কোটা বিরোধী আন্দোলন পরিণত হয়, সরকার বিরোধী আন্দোলনে। সরকারের পতনের পর এখন হিন্দুদের (Bangladeshi Hindus) টার্গেট করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতির জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আরএসএস (RSS)।

    আরএসএসের দাবি (RSS)

    এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশি হিন্দুদের রক্ষা করতে ভারত সরকারের কাছে আর্জি জানাল আরএসএস। মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সুরেশ ভৈয়াজি জোশি বলেন, বাংলাদেশে (Bangladeshi Hindus) হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আরএসএস কেন্দ্রীয় সরকারকে অনুরোধ করেছে। রাজনৈতিক অস্থিরতায় দেশটি নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সম্মুখীন।” জোশি মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলার সময় একথা জানান। তিনি আরও বিশদভাবে বলেন, “বাংলাদেশ একটি ভিন্ন দেশ। সন্ত্রাস কবলিত বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি জেলায় হিন্দুদের বাড়ি এবং দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে এবং অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বহু মন্দির।

    আহ্বান জানিয়েছে ভিএইচপিও

    শুধু আরএসএস নয়, এর আগে, কেন্দ্রের কাছে একই অনুরোধ করেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদও। মঙ্গলবার, ভিএইচপি নেতা অলোক কুমার বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং হিন্দুদের ওপর নির্যাতনের কথা তুলে ধরে বলেন, “সমস্ত সংখ্যালঘু হিন্দু ও শিখদের পাশে আমরা রয়েছি। হিন্দুদের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, বাড়ি-ঘর, মন্দিরকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা হামলা চালাচ্ছে। ভারত অবশ্যই বাংলাদেশের পরিস্থিতিতে অন্ধ হয়ে থাকতে পারে না। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার জন্য সম্ভাব্য সব পদক্ষেপ নিতে ভারত সরকারকে আহ্বান জানাচ্ছি।’’

    হিন্দুদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ সেনা

    বাংলাদেশের হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান একতা পরিষদ জানিয়েছে, প্রায় ৩০০ জন হিন্দুর দোকানঘর এবং বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। প্রায় ২৪টির মতো মন্দির ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে। ৪০ জনের বেশি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ আহত হয়েছেন। হামলাকারীরা মনে করছে, হিন্দুরা শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগের সমর্থক। সেই ভাবনা থেকেই হিন্দুদের (Bangladeshi Hindus) উপরে বেশি আঘাত নেমে আসছে বলে অভিযোগ। সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা প্রদান করার কথা বললেও সকল হিন্দুদের নিরাপত্তা এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি বাংলাদেশের সেনাবিহিনী।  

    বাংলাদেশে কমছে হিন্দুদের সংখ্যা (Bangladeshi Hindus)

    জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে ২০টির বেশি জেলায় হিন্দুরা আক্রান্ত হয়েছেন। বিশেষ করে দিনাজপুর, বগুড়া, রংপুর, শেরপুর, কিশোরগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, নড়াইল, যশোর, পটুয়াখালী, খুলনা, নরসিংদী, সাতক্ষীরা, টাঙ্গাইল, চট্টগ্রাম, হাবিবগঞ্জ, ঢাকা সহ বিভিন্ন জায়গায় হিন্দুদের উপর আক্রমণ বজায় রয়েছে। ভাঙচুর শেষে (Bangladeshi Hindus) তাঁদের সম্পত্তি লুটপাট করা হয়েছে। বাংলাদেশ ২৫ শতাংশ থেকে কমতে কমতে হিন্দুদের জনসংখ্যা ৮ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: স্বস্তির প্রত্যাবর্তন! বিশেষ বিমানে বাংলাদেশ থেকে ফিরলেন ২০৫ ভারতীয়

    Bangladesh Crisis: স্বস্তির প্রত্যাবর্তন! বিশেষ বিমানে বাংলাদেশ থেকে ফিরলেন ২০৫ ভারতীয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ঢাকাগামী সমস্ত বিমান পরিষেবা বাতিল করেছে একাধিক ভারতীয় বিমান সংস্থা। বাংলাদেশে গিয়ে সেখানে আটকে পড়েছেন বহু ভারতীয়। দেশে পরিবারের লোকজন চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছে। এই আবহের মধ্যে এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) একটি বিশেষ বিমানে বাংলাদেশ থেকে দেশে ফিরলেন ২০৫ জন ভারতীয়। বুধবার সকালে ঢাকা থেকে দিল্লি নামেন ওই যাত্রীরা। তাদের মধ্যে ছিল ছয় শিশুও। বিমান সংস্থার এক কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, মধ্যরাত পেরিয়ে ঢাকায় পৌঁছয় বিমানটি। সেখান থেকে এদিন ভারতীয়দের নিয়ে দিল্লি ফেরে।

    দিল্লি-ঢাকা রুটে বিমান পরিষেবা চালু! (Bangladesh Crisis)

    জানা গিয়েছে, বুধবার থেকে দিল্লি-ঢাকা (Bangladesh Crisis) রুটে ফের বিমান পরিষেবা চালু করল এয়ার ইন্ডিয়া (Air India)। তবে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে না এখনই। ওই রুটে আপাতত প্রতিদিন মাত্র দু’টি উড়ান চালু থাকছে। আপাতত দিনে এবং সন্ধ্যায় একটি বিমান দুই দেশের মধ্যে চালাবে এয়ার ইন্ডিয়া। পাশাপাশি, বাংলাদেশে স্বাভাবিক পরিষেবা চালুর পথে ভিস্তারা এবং ইন্ডিগোও। ভিস্তারার একটি বিমান প্রতিদিন মুম্বই থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবে। এছাড়া দিল্লি-ঢাকা সাপ্তাহিক তিনটি বিমান চলবে। সাধারণত, ইন্ডিগো বিমানসংস্থার দিল্লি, মুম্বই এবং চেন্নাই থেকে ঢাকাগামী তিনটি দৈনিক উড়ান রয়েছে। কলকাতা থেকে ঢাকা যাওয়ার জন্য রয়েছে দৈনিক দু’টি বিমান। তবে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে দৈনিক কতগুলি উড়ান চালু থাকবে (Air India), তা এখনই বলা যাচ্ছে না। শুধু বিমান নয়, বাংলাদেশের উত্তাল পরিস্থিতিতে বন্ধ হয়ে গিয়েছে ভারত থেকে বাংলাদেশগামী ট্রেন, বাসও। ফলে দু’দেশেই আটকে পড়েন বহু নাগরিক। তবে, আপাতত বিমান পরিষেবা চালু হওয়ায় খানিকটা স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলেছেন দুই দেশে আটকে থাকা যাত্রীরা।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে ইস্কনের মন্দির ভাঙচুর, ছত্রখান বিগ্রহও

    এয়ার ইন্ডিয়া (Air India) কী বলল?

    এয়ার ইন্ডিয়া বিমান সংস্থার এক আধিকারিক বলেন, “বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) থেকে ভারতে যাত্রীদের ফেরানোর জন্য মঙ্গলবার গভীর রাতে বিমানটি রওনা দেয়। অশান্ত পরিবেশে ঢাকা বিমানবন্দরে পরিকাঠামোগত সমস্যা থাকা সত্ত্বেও খুব কম সময়ের নোটিশে দিল্লিতে ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনতে পেরেছে বিমানটি।” প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার দুপুর থেকেই খুলে দেওয়া হয়েছে পেট্রাপোল, বেনাপোল, হিলিতে ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তের স্থলবন্দরের গেট। বুধবার চালু হল বিমান পরিষেবাও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: বঙ্গবন্ধুর খুনি সহ অজস্র বাংলাদেশি অপরাধীর আশ্রয়স্থল পশ্চিমবঙ্গ কেন? উঠছে প্রশ্ন

    Bangladesh: বঙ্গবন্ধুর খুনি সহ অজস্র বাংলাদেশি অপরাধীর আশ্রয়স্থল পশ্চিমবঙ্গ কেন? উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রতিষ্ঠাতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অন্যতম খুনি আব্দুল মাজেদ ২০২০ সালে ঢাকা সংলগ্ন মিরপুর থেকে গ্রেফতার হওয়ার আগে ২২ বছর কলকাতায় লুকিয়ে ছিলেন। মাজেদের কাছে জাল ভারতীয় নথি পাওয়া যায়। পশ্চিমবঙ্গের রাজধানীতে লুকিয়ে থাকাকালীন টের পায়নি বাম কিংবা পরবর্তী মমতা প্রশাসন। মাজেদ তাঁর গ্রেফতারের সময় স্বীকার করেন, যে তিনি পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) লুকিয়ে ছিলেন। তবে, আত্মগোপনে থাকাকালীন তাঁর কার্যকলাপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানাননি মাজেদ।

    কী ঘটেছিল ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট (Bangladesh)

    বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার সময় বাংলাদেশ (Bangladesh) সেনাবাহিনীতে ক্যাপ্টেন পদমর্যাদার আধিকারিক ছিলেন আব্দুল মাজেদ। ১৯৭৫ সালের ১৪ অগাস্ট, মেজর সৈয়দ ফারুক রহমান, খন্দকার আবদুর রশিদ, শরিফুল হক ডালিম, মহিউদ্দিন আহমেদ, রাশেদ চৌধুরী, নুর চৌধুরী, আব্দুল মাজেদ সহ বেশ কয়েকজন সেনা আধিকারিক বেঙ্গল ল্যান্ড ল্যান্সার অস্ত্রাগার থেকে অস্ত্র লুট করে সেনা অভ্যুত্থান ঘটান। সেই সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দুটি ব্যাটালিয়ন এই অভ্যুত্থানে যুক্ত ছিল বলে অভিযোগ। পরের দিন, অর্থাৎ ১৫ অগাস্ট, বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্য-সহ মোট ৩৬ জন নিহত হন। বঙ্গবন্ধু ও তাঁদের পরিবারের সকলকে হত্যার পর তাঁরা বঙ্গভবনে সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নতুন সরকারের গঠন ঘোষণা করেন। সেই সরকারের প্রধান খন্দকার মুস্তাক আহমেদকে ঘোষণা করা হয়। এরপর জেলবন্দি আওয়ামি লীগের চার নেতা আবুল হাসনাত, মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, মোহাম্মদ মনসুর আলী, সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং তাজউদ্দীন আহমেদকেও তাঁরা হত্যা করা হয়।

    বঙ্গবন্ধু সহ বাকিদের হত্যা মামলার বিচার প্রক্রিয়া

    ১৯৯৮ সালে শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলায় ঢাকার দায়রা জজ আদালত ১৫ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেয়। ২০০১ সালে, হাইকোর্ট তিনজনকে বেকসুর খালাস করে। ২০০৯ সালে পলাতক অবস্থাতেই মাজেদের মৃত্যুদণ্ড ফের কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়। ২০১০ সালে, মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়ার কথা স্বীকার করা পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। যদিও সেই সময় পলাতক থাকার কারণে আবদুল মাজেদ শাস্তি কার্যকর করা যায়নি। তিনি সেই সময় আত্মগোপন করে কলকাতায় ছিলেন। ২৩ বছর ধরে কলকাতায় আত্মগোপন করার পর ২০২০ সালে তিনি লুকিয়ে বাংলাদেশে (Bangladesh) আসেন মুজিব হত্যাকারী আবদুল মাজেদ। এরপরেই খবর পেয়ে বাংলাদেশের ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম এন্ড ট্রানজ্যাকশনাল ক্রাইম বিভাগ তাঁকে ২০২০ সালের ৭ এপ্রিল মিরপুর সংলগ্ন এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর তাঁকে ঢাকা সেন্ট্রাল জেলে পাঠানো হয়। ২০২০ সালের ১২ এপ্রিল আবদুল মাজেদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

    অপরাধীদের আশ্রয়দাতা কারা?

    আবদুল মাজেদ একা নন। অতীতে, আরও অনেক ঘাতক ও দাগী অপরাধী বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে গিয়েছেন। নুর চৌধুরী নামে একজন কানাডায় এবং রাশেদ চৌধুরী নামে একজন যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন। দুজনেই বাংলাদেশে মোস্ট ওয়ান্টেড ছিলেন এবং তাঁদের বিচার এখনও হয়নি। এদের মধ্যে নুর চৌধুরী চৌধুরী সেই ব্যক্তি যিনি বঙ্গবন্ধুকে গুলি করেছিলেন।

    পদ্মশ্রী লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) কাজি সাজ্জাদ আলি জহিরের মতে, বাংলাদেশ (Bangladesh) সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালন করা একজন অফিসার, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকাকালীন, কূটনৈতিক চ্যানেল এবং সর্বোচ্চ স্তরে বৈঠকের মাধ্যমে হত্যাকারীদের ফেরানোর আবেদন করেছিলেন। কানাডা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাঁদের প্রত্যর্পণের আর্জি প্রত্যাখান করে দেয়। উভয় দেশের সরকারগুলি এই দুজনকে রক্ষা করে চলেছে। কানাডা এবং আমেরিকা দুষ্কৃতীদের আশ্রয়দাতা হয়ে উঠেছে। ভারতের শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী সহ সন্ত্রাসবাদী, খুনি এবং এই জাতীয় অন্যান্য অপরাধীদের জন্য আশ্রয়স্থল কানাডা।

    ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’-দের আশ্রয়স্থল পশ্চিমবঙ্গ

    অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যও বাংলাদেশের অপরাধীদের আস্তানায় পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশে বহু মোস্ট ওয়ান্টেড অপরাধীদের অনেকেই পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) এসে আশ্রয় নেয়। অনেক ক্ষেত্রে তারা গ্রেফতার হয়। অনেকেই পালিয়ে যায়। চলতি বছর আনোয়ারুল আজিম আনার নিউটাউনে খুন হন। তাঁকে খুন করে দুষ্কৃতীরা বাংলাদেশ এবং আমেরিকায় পালিয়ে যায়। অথচ ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি রাজ্যের পুলিশ। পরে বাংলাদেশ পুলিশ বিষয়টি জানালে ময়দানে নামে সিআইডি।

    এর আগে, বাম আমলে ২০০৭ সালে, প্রায় ৮ জন বাংলাদেশি মোস্ট ওয়ান্টেড দুষ্কৃতীকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে সিআইডি গ্রেফতার করেছিল। এর মধ্যে খুনি, ধর্ষক, চোরাকারবারি এমনকী স্থানীয় অপরাধীরাও অন্তর্ভুক্ত ছিল। এর মধ্যে একজন হ্যারিস আহমেদ যিনি বাংলাদেশে (Bangladesh) ৪০টি হত্যা মামলা ও কয়েক ডজন তোলাবাজি মামলায় ওয়ান্টেড ছিলেন। জাল পরিচয়পত্র ব্যবহার করে সে পশ্চিমবঙ্গে লুকিয়ে ছিল এবং সেই সময় একটি পোশাকের দোকান চালাত।

    আরও পড়ুন: কোনও দেশেই আশ্রয় চাননি হাসিনা, দাবি পুত্র জয়ের! ভারতেই থাকবেন?

    বাংলা থেকে ফোনে তার তোলাবাজি ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিল। পর ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকার সহ সাতজনকে অপহরণ করে খুন মামলায় মূল অভিযুক্ত সহ নূর হোসেন সহ তিন জন অস্ত্র সহ কলকাতা বিমানবন্দর সংলগ্ন কৈখালি এলাকা থেকে গ্রেফতার হয়। পরে বাংলাদেশের (Bangladesh) অনুরোধে তাদের ফেরত পাঠানো হয়। এহেন অনেক উদাহরণ রয়েছে বাংলাদেশি অপরাধীদের পশ্চিমবঙ্গে ঠাঁই নেওয়ার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

     

  • Bangladesh Crisis: অরাজক পরিস্থিতি বাংলাদেশে, অব্যাহত হিন্দু নিধন যজ্ঞ

    Bangladesh Crisis: অরাজক পরিস্থিতি বাংলাদেশে, অব্যাহত হিন্দু নিধন যজ্ঞ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ জুড়ে চলছে অরাজক পরিস্থিতি (Bangladesh Crisis)। প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছেড়েছেন শেখ হাসিনা। দেশের রশি রাষ্ট্রপতির হাতে। সেনাবাহিনীর মাধ্যমে তিনিই বর্তমানে পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করছেন। তবে তাতে যে কিছুই হয়নি, তার প্রমাণ হিন্দুনিধন যজ্ঞে ইতি না পড়া। কোথাও জীবন্ত পুড়িয়ে মারা (Hindu Killed) হচ্ছে মানুষকে।

    রাস্তায় ঝোলানো সারি সারি লাশ (Bangladesh Crisis)

    কোথাও আবার আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করতে রাস্তায় ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে সারি সারি লাশ। আক্রোশ মেটাতে মৃতের মুখ থেঁতলে দেওয়া হচ্ছে লাথি মেরে। হিন্দুদের ঘরদোর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ভাঙচুর করা হচ্ছে মন্দির। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে দেবালয়ে। নির্বিচারে চলছে মহিলা নির্যাতন। ভাইরাল হয়েছে মহিলাদের আর্ত চিৎকারের ভিডিও। মেহেরপুরে সোমবার রাতেই ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল ইস্কনের মন্দিরে। মঙ্গলবার রাতে আওয়ামি লিগের এক নেতা-সহ হিন্দুদের ৯টি বাড়িতেও হামলার ঘটনা ঘটছে। ঢাকায় একাধিক হিন্দুর বাড়ির ভাঙচুর করা হয়েছে। চালানো হয়েছে লুটপাট।

    উদ্বেগে ব্রিটেন

    সোমবার সন্ধেয় মালোপাড়ায় ছটি হিন্দু বাড়িতে হানা দেয় দুষ্কৃতীরা। করা হয় ভাঙচুর। দিনাজপুর সদর উপজেলায় ফুলতলা শ্মশানঘাট এলাকায় হরিসভা ঘর, দুর্গা মন্দির ভাঙচুর করা হয়েছে। বোচাগঞ্জ উপজেলার ঈশানিয়া ইউনিয়নের চৌরঙ্গী বাজারে হিন্দুদের অন্তত ৪০টি দোকানে চালানো হয়েছে লুটপাট। ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) সংখ্যালঘু সম্প্রাদায়ের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। হিংসা বন্ধে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। সংখ্যালঘু ও ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীর উপাসনালয় ও লোকজনের ওপর হামলার খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ঢাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের মিশনগুলোর রাষ্ট্রদূতেরা।

    হিন্দুদের ওপর অত্যাচার

    সোমবার বাংলাদেশ হিন্দু বুদ্ধিস্ট খ্রিস্টান ইউনিটি কাউন্সিল হিন্দুদের মন্দির এবং বাড়িঘরে হামলার একটা তালিকা প্রকাশ করেছে। এক্স হ্যান্ডেল ভয়েস অফ বাংলাদেশি হিন্দুজে বলা হয়েছে, এই হামলার ঘটনা ঘটেছে পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে। তালিকায় ৫৪টি হামলার ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, হামলার ঘটনা এর চেয়ে ঢের বেশি। খুলনায় রূপসা থানা এলাকায় জনৈক শ্যামল কুমার দাস ও স্বজন কুমার দাসের বাড়িতে হামালা চালায় দুষ্কৃতীরা। খুলনা ডিস্ট্রিক্ট ইউনিটি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট বিমান বিহারী অমিত এবং খুলনা শহরের ইউথ ইউনিটি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অনিমেষ সরকার রিঙ্কুর বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে (Hindu Killed)। দেকোপের আমতলির বানিসান্তা এলাকায় জয়ন্ত গাইন এবং কয়রার দারপাড়া এলাকায় সংখ্যালঘুদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। চালানো হয় লুটপাট।

    শ্মশানের জমিও দখল

    ফেনিতে আক্রান্ত দুর্গা মন্দির। দিনাজপুর ও ফুলথালা এলাকায় দুষ্কৃতীরা দখল করে নিয়েছে শ্মশানের জমি। পার্বতীপুরে কালীমন্দির-সহ পাঁচটি মন্দিরে ভাঙচুর চালানো হয়। চিরিরবন্দর থানা এলাকায় লুটপাট চালানো হয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে। পেশায় ব্যবসায়ী দীপক সাহার বাড়ি ও অফিসে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। তিনি লখিমপুরের পূজা সেলিব্রেশন কাউন্সিলের নেতাও। খোশরগঞ্জে ভাঙচুর করা হয় জনৈক নকুল কুমার ও সুশান্তের বাড়ি। পরে লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুন। চট্টগ্রামে হামলা চালানো হয় উজ্জ্বল চক্রবর্তীর বাড়িতে। দুষ্কৃতীরা লুটে নিয়ে যায় (Bangladesh Crisis) ঘরগেরস্থালির জিনিসপত্রও। যশোরে হিন্দুদের তিনটি বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। ২২টি দোকানেও হানা দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। এর মধ্যে একটি বাবুল সাহার ওয়্যার হাউস।

    হিন্দুদের দোকান লুটপাট

    সাতক্ষীরা এলাকায় হিন্দুদের দোকান লুটপাট করা হয়েছে। ডিস্ট্রিক্ট ইউনিটি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট বিশ্বজিৎ সাধুর বাড়িতে চালানো হয়েছে লুটপাট। তাঁর বাড়িতে আগুনও লাগিয়ে দেওয়া হয়। ডক্টর সুব্রত ঘোষের বাড়িতেও লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুন। তিনি ইউনিটি কাউন্সিলের সেন্ট্রাল অ্যাসিসটেন্ট অর্গানাইজেশনাল সেক্রেটারি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে তালিকা।  এই তালিকার বাইরে বহু ভিডিও এবং ছবি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যেখানে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের হিন্দুদের বাড়িঘরদোর ভাঙচুর করা হচ্ছে। করা হচ্ছে অগ্নিসংযোগও (Bangladesh Crisis)। দুষ্কৃতীরা হিন্দুদের মন্দিরও ভাঙচুর করছে। এক্স হ্যান্ডেলে জনৈক রাজু দাস পোস্ট করেছেন একাধিক ভিডিও। একটি ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, উন্মত্ত জনতা বামুনিয়া পালপাড়ায় হিন্দুদের বাড়ি  আক্রমণ করেছে।

    কাতর আর্তি অসহায় তরুণীর

    অন্য একটি ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে অসহায় এক তরুণীকে। বাঁচার জন্য কাতর আর্তি জানাচ্ছেন তিনি। ঘটনাটি পিরোজপুর জেলার মাথাবাড়িয়া থানা এলাকার। অন্য একটি ভিডিওয় দেখা গিয়েছে উন্মত্ত জনতা চট্টগ্রামের একটি মন্দিরে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। অবশ্য ভিডিওগুলোর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। ভারতে ইস্কনের মুখপাত্র যুধিষ্ঠির গোবিন্দ দাস একটি পোস্টে বলেন, “আমি যে তথ্য পেয়েছি, মেহেরপুরে (খুলনা ডিভিশন) আমাদের একটি মন্দিরে আগুন লাগানো হয়েছে। পুড়ে গিয়েছে ভগবান জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার বিগ্রহ। ওই মন্দিরে যে তিন ভক্ত ছিলেন, তাঁরা কোনও ক্রমে পালিয়ে প্রাণে বেঁচেছেন। অন্য একটি ভিডিওয় হিন্দুদের হুমকি দিতে দেখা গিয়েছে বেশ কিছু মুসলমানকে।

    বাংলাদেশের সংবাদপত্রের দাবি

    বাংলাদেশের সংবাদপত্র ‘ডেইলি স্টারে’র দাবি, দেশের ২৭ জেলাতে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ হয়েছে। এই প্রতিবেদন থেকেই জানা গিয়েছে, লালমনিরহাট সদর উপজিলার তেলিপাড়া এবং থানা রোড এলাকায় ভাঙচুর করা হয়েছে দুই হিন্দুর বাড়ি। প্রদীপ চন্দ্র রায় এবং মুহিন রায় নামের এই হিন্দুর বাড়িতে লুটপাটও চালানো হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল ১৯৭১ সালে। তার পর থেকে এ পর্যন্ত নিত্য চলছে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার। সে দেশে একবার হিংসা শুরু হলে পোয়া বারো মুসলমানদের একটা বড় অংশের। তারা হিন্দুদের মারধর করে কিংবা ভয় দেখিয়ে ধর্মান্তরিত করে ‘জান্নাতে’র পথ প্রশস্ত করে। কেউ কেউ আবার হিন্দু বিতাড়ন করে স্রেফ সম্পত্তি দখল করার অভিলাষে।

    স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম এবং তৎপরবর্তীকালে নানা আন্দোলন চলাকালীন হিংসার ঢেউ আছড়ে পড়েছে বাংলাদেশে, যার বলি হয়েছেন হিন্দুরা। এবার অবশ্য হিন্দুদের পাশাপাশি ভাঙচুর করা হয়েছে আওয়ামি লিগের কয়েকজন মুসলমান নেতার বাড়িতে। তবে সেই সংখ্যা নিতান্তই হাতে গোণা। সংবাদের শিরোনামে কিন্তু বাংলাদেশের হিন্দু নিধন (Hindu Killed) যজ্ঞই। কারণ আন্দোলনের বলি কেবল সনাতনী (Bangladesh Crisis) হিন্দুরাই।

    আরও পড়ুন: শেখ মুজিবুরের ভক্ত, হাসিনা বিরোধী! অশান্ত বাংলাদেশকে শান্ত করতে পারবেন ইউনূস?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bangladesh Crisis: ‘‘বঙ্গবন্ধুর মূর্তি ভেঙে ঠিক করেনি, পরে আফসোস করবে’’, বলছেন বাংলাদেশিরা

    Bangladesh Crisis: ‘‘বঙ্গবন্ধুর মূর্তি ভেঙে ঠিক করেনি, পরে আফসোস করবে’’, বলছেন বাংলাদেশিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মূর্তির মাথার ওপরে প্রস্রাব করছে এক ব্যক্তি। সোশ্যাল মিডিয়ায় এমনই একটি ভিডিও (সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম) ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে যে বঙ্গবন্ধুর মূর্তির ওপরে উঠে গিয়েছে এক ব্যক্তি। সেইসময় একজন আবার বঙ্গবন্ধুর মূর্তির কাঁধে উঠে দাঁড়িয়ে লাফাচ্ছে। কয়েকজন আবার মূর্তির হাত বেয়ে উঠছে। ওই ব্যক্তি যেখানে প্রস্রাব করছিল, সেখান দিয়েই উঠছিল এক ব্যক্তি। আর নীচে প্রচুর লোকজন দাঁড়িয়েছিল। বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) পতাকাও উড়তে দেখা গিয়েছে। যদিও ওই ভিডিওটি কবে তোলা হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। দাবি করা হয়েছে যে ভিডিওটি ঢাকার কোথাও তোলা হয়েছে। তবে, এই ছবি দেখে অনেকে প্রশ্ন করছেন, এ কেমন প্রতিবাদের ভাষা? যে দেশের অধিকার নিয়ে এত লাফালাফি সেই দেশটাই তো তৈরি হত না যদি বাংলাদেশের পিতা মুজিবুর রহমান না থাকতেন। মৃত্যুর ৫০ বছর পর এটাই কি প্রাপ্য ছিল বঙ্গবন্ধুর? ছিঃ ছিঃ করছে দুনিয়া।

    বঙ্গবন্ধুর মূর্তি ভেঙে ঠিক করেনি, পরে আফসোস করবে (Bangladesh Crisis)

    কলকাতায় থাকা এক বাংলাদেশি যেমন দাবি করেছেন যে, পড়ুয়ারা বঙ্গবন্ধুর মূর্তি ভাঙছেন না। জামাতের লোকজনরা সেই কাজটা করছে। একজন আবার দাবি করেছেন যে, বঙ্গবন্ধুর হয়ত অনেক দোষ-ত্রুটি থাকতে পারে। কিন্তু সেই মানুষটার জন্যই স্বাধীনতা লাভ করেছিল বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis), তা ভুলে গেলে চলবে না। বঙ্গবন্ধুর মূর্তি ভাঙার ঘটনাকে সমর্থন করলেন না এদেশে আসা বাংলাদেশি নাগরিকরা। চিকিৎসা করাতে ভারতে আসা সহিদুল ইসলাম নামে এক বাংলাদেশি বলেন, ‘‘শেখ মুজিবুর রহমানের মূর্তি ভেঙে ওরা ঠিক করেনি। পরে আফসোস করবে।’’ তাঁর মতে, ক্ষোভ ধরে রাখতে পারেনি বলেই হয়ত মুজিবর রহমানের মূর্তি ভাঙা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘সোমবার থেকে আতঙ্ক কেটে গিয়েছে। পরিস্থিতি ভালো হচ্ছে। এটাই চেয়েছিলাম। আমি কোনও দল করি না। কিন্তু, দেশটা ভালোভাবে চলুক এটাই চেয়েছিলাম।’’

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে ইস্কনের মন্দির ভাঙচুর, ছত্রখান বিগ্রহও

    পরিবারের লোকজনের খোঁজ নেই

    সোমবার থেকে বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) যে পরিস্থিতি তাতে বাড়ির সদস্যদের খোঁজ পাচ্ছেন না মহম্মদ নূর ইসলামরা। তাই মঙ্গলবার সকাল হতেই কোচবিহারের চ্যাংড়াবান্ধা সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরছেন তাঁরা। তাঁদের বচোখেমুখে আক্ষেপ, হতাশা স্পষ্ট। তাঁরা বলেন, ‘‘মূর্তি ভাঙার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। বঙ্গবন্ধুর মূর্তি ভাঙাটাও ঠিক হয়নি। বাংলাদেশে গন্ডগোল চলছে। বাড়ির লোকেরা কেমন আছে আমরা জানি না। যোগাযোগ হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে তড়িঘড়ি বাংলাদেশে চলে যাচ্ছি। দেখা যাক ফিরতে পারি কি না।’’ লালমণির হাটের এক বাসিন্দা আবু হাসনাত শিলিগুড়ির বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে এসেছিলেন। কিন্তু, বাংলাদেশে অশান্তির জেরে বাড়ির লোকেদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না তিনি। তাই দ্রুত বাড়ি ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    সীমান্তজুড়ে হাই অ্যালার্ট জারি!

    বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) অশান্তির জেরে প্রভাব পড়েছে এদেশেও। ইতিমধ্যে ৪০০ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। চ্যাংড়াবান্ধা দিয়ে ভারত-বাংলাদেশ ও ভুটান-বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য পরিবহণ বন্ধ। তবে বাংলাদেশের বহু মানুষ ভারতে চিকিৎসা করাতে এসে আটকে পড়েছেন। দুই দেশের মধ্যে পণ্য পরিবহণ বন্ধ থাকলেও বাসিন্দাদের যাতায়াত চলছে। চ্যাংড়াবান্ধা এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মনোজকুমার কানু বলেন, “আমাদের বহু ট্রাক বাংলাদেশে আটকে রয়েছে। বাংলাদেশের কাস্টমস পণ্যবাহী ট্রাক পাঠাতে বলেছে। তবে, আমরা বলেছি, আগে আমাদের ট্রাকগুলো বাংলাদেশে আটকে আছে সেগুলো ফিরে আসবে। তারপর আমরা পণ্য পাঠাব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Hasina: কোনও দেশেই আশ্রয় চাননি হাসিনা, দাবি পুত্র জয়ের! ভারতেই থাকবেন?

    Sheikh Hasina: কোনও দেশেই আশ্রয় চাননি হাসিনা, দাবি পুত্র জয়ের! ভারতেই থাকবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও দেশেই আশ্রয় চাননি বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। এমনই দাবি করলেন হাসিনার ছেলে সাজিব ওয়াজেদ জয়। হাসিনা বিভিন্ন দেশে আশ্রয় চেয়েছেন বলে যে জল্পনা ছড়িয়েছে, সেগুলি পুরোপুরি ভিত্তিহীন। তাতে বিন্দুমাত্র সত্যতা নেই, বলে জানান জয়। আপাতত নয়াদিল্লিতেই থাকছেন বাংলাদেশের সদ্যপ্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    জয় যা জানালেন

    হাসিনা-পুত্র (Sheikh Hasina) জয় বলেন, ‘‘মায়ের আশ্রয়ের অনুরোধ সম্পর্কিত যে সব প্রতিবেদন ছাপা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভুল। তিনি কোথাও আশ্রয়ের জন্য অনুরোধ করেননি। তাই ব্রিটেন বা আমেরিকার তরফে আশ্রয়ের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করার বিষয়ও অসত্য।’’ জয় আরও দাবি করেন, তাঁর মায়ের আশ্রয় নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে কোনও রকম আলোচনাও হয়নি। হাসিনা আর রাজনীতিতে থাকবেন না, তা প্রথম জানিয়েছিলেন তাঁর পুত্রই। জয় আরও জানিয়েছিলেন, হাসিনা এখন পরিবারের সঙ্গেই সময় কাটানোর পরিকল্পনা করছেন। কিন্তু কোথায় বা কীভাবে তা এখনও স্থির হয়নি। হাসিনা-পুত্রের কথায়, ‘‘আমি এখন ওয়াশিংটনে আছি। আমার বোন লন্ডনে থাকে। পিসি থাকেন লন্ডনে। তাই আমরা জানি না উনি (হাসিনা) কোথায় থাকবেন শেষ পর্যন্ত।’’

    আপাতত ঠিকানা ভারতই!

    ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানান, খুব অল্প সময়ের নোটিসে ভারতে আসার আর্জি জানিয়েছিলেন হাসিনা (Sheikh Hasina)। ভারত সেই অনুমতি দেওয়ার পরই বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে ভারতে আসেন তিনি। সোমবার দুপুরে বোন রেহানাকে নিয়ে ঢাকার বাসভবন তথা ‘গণভবন’ ছেড়েছিলেন (Bangladesh Crisis) হাসিনা। সন্ধ্যা নাগাদ তিনি ভারতে পৌঁছন। এখন তিনি ভারতেই রয়েছেন। তবে, সোমবার বিকেলের দিকে গাজিয়াবাদের হিন্ডন বায়ুঘাঁটিতে অবতরণের পর থেকে হাসিনা কোথায় আছেন, তা নিয়ে ভারত সরকারের তরফে সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি। বিষয়টির সঙ্গে অবহিত আধিকারিকরা জানিয়েছেন যে, কড়া সুরক্ষার মধ্যে তাঁকে একটি ‘সেফ’ (সুরক্ষিত) জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।  কিন্তু সেই জায়গাটা কোথায়, তা নিয়ে কেউ কোনও মন্তব্য করেননি। 

    আরও পড়ুন: শেখ মুজিবুরের ভক্ত, হাসিনা বিরোধী! অশান্ত বাংলাদেশকে শান্ত করতে পারবেন ইউনূস?

    পরবর্তী গন্তব্য 

    বর্তমানে হাসিনা (Sheikh Hasina) ভারতে গোপন আস্তানায় রয়েছেন। তবে তাঁর পরবর্তী গন্তব্য কী হবে, তা নিয়ে জল্পনা চলছে বিশ্ব কূটনৈতিক মহলে। বিভিন্ন অসমর্থিত সূত্রের দাবি, বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্রিটেনের কাছে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন। তবে এখনও সে দেশের সরকারের তরফে কোনও সবুজ সঙ্কেত মেলেনি। হাসিনার আমেরিকায় যাওয়ার পথ বন্ধ হয়েছে। আমেরিকা নাকি তাঁর ভিসা প্রত্যাহার করেছে। যে দাবি, বুধবার নস্যাৎ করে দেন হাসিনা-পুত্র। এমনকী, ফিনল্যান্ড, বেলারুশ-সহ বেশ কয়েকটি দেশের নামও উঠে আসছে এই আলোচনায়। তবে এই সব জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে হাসিনা-পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ‘‘ভারত থেকে আপাতত অন্য কোথাও যাওয়ার পরিকল্পনা নেই তাঁর।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: প্রাণ বাঁচাতে ভারতে আওয়ামি নেতা! খুশিতে বাংলাদেশ ফিরছেন বিএনপি কর্মী

    Bangladesh Crisis: প্রাণ বাঁচাতে ভারতে আওয়ামি নেতা! খুশিতে বাংলাদেশ ফিরছেন বিএনপি কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একজন চরম আতঙ্ক নিয়ে প্রাণ বাঁচাতে নিজের জন্মভিটে ছেড়ে ভারতে চলে এসেছেন। আর অন্যজন খুশির মেজাজে ভারত থেকে বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) ফিরছেন। প্রথমজন আওয়ামি লিগের নেতা মহম্মদ রুবেল ইসলাম। আর দ্বিতীয় জন বিএনপি-র সমর্থক ইশাক জমান পাটোয়ারি। হাসিনার সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর একই সময়ে বাংলাদেশের দু’রকম ছবি উঠে এল শিলিগুড়িতে।

    দেশ ছাড়ার অভিজ্ঞতার কথা বললেন রুবেল (Bangladesh Crisis)

    জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) দিনাজপুর পুরসভার বাসিন্দা মহম্মদ রুবেল ইসলাম সাত বছর ধরে হাসিনার দলের সঙ্গে যুক্ত। মঙ্গলবার তিনি শিলিগুড়িতে এক আত্মীয়ের বাড়িতে চলে এসেছেন। পেশায় তিনি ব্যবসায়ী। ফুলবাড়ি সীমান্ত দিয়ে তিনি ভারতে এসেছেন। সেখান থেকে আসার সময় তাঁর অভিজ্ঞতার কথা বলছিলেন। তিনি বলেন, “ভয়াবহ! আসার সময় রাস্তায় দেখলাম কোথাও কোথাও আগুন জ্বলছে। দোকানপাট খোলা থাকলেও লোক নেই। বেশির ভাগ দোকানেই লুট হয়েছে। কোনও মালপত্র নেই। আমার স্ত্রী এবং তিন সন্তান বাড়িতে রয়েছে। অনুমতি পেলে তাদেরও সঙ্গে করে নিয়ে আসতাম। চিন্তায় আছি। প্রধানমন্ত্রী দেশ ছাড়ার পর নাকি তারা (বাংলাদেশিরা) স্বাধীনতা পেয়েছে! আসলে যারা লুটপাট চালাচ্ছে, তাদের স্বাধীনতা হয়েছে। যারা দেশ চালাবে বলে ভাবছে, তারা দেশপ্রেমী না। সংসদ ভবন, গণভবন লুট করছে।”

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে ইস্কনের মন্দির ভাঙচুর, ছত্রখান বিগ্রহও

    আওয়ামি লিগের নেতা-কর্মীদের থাকার অবস্থা নেই!

    রুবেল বলেন, “আওয়ামি লিগের (Awami League) নেতা-কর্মীদের বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) থাকা দুর্বিষহ হয়ে গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পরিস্থিতি আরও বেশি খারাপ হয়েছে। যেখানেই আওয়ামি লিগের নেতা-কর্মী, সমর্থকদের পাচ্ছে, সেখানেই মারধর করা হচ্ছে। বাড়ি লুট করা হচ্ছে। আমি নিজের পরিবার ছেড়ে ভারতে এসে প্রাণ বাঁচালাম। আওয়ামি লিগের নেতা-কর্মীদের মেরে ফেলছে, গুম করে দিচ্ছে। যাকে যেভাবে পারছে বিএনপি আর জামাত শিবির অত্যাচার করছে। আন্দোলন শুরু হয়েছিল ছাত্রদের। কিন্তু, এখন ছাত্রদের ঘাড়ে বন্দুক রেখেছে জামাত শিবির। দেশের একের পর এক শপিং মল, সরকারি কার্যালয়ে হামলা চালাচ্ছে। আসলে জামাতরা দেশটাকে দ্বিতীয় পাকিস্তান বানাতে চাইছে, আফগানিস্তান বানাতে চাইছে।”

    খুশির মেজাজে বাড়ি ফিরছেন বিএনপি কর্মী

    সোমবার থেকেই ফুলবাড়ির ইন্দো-বাংলাদেশ সীমান্তে দেশ পারাপারের ভিড় অনেকটাই থমকে গিয়েছে। গত দু’দিন আগেও দুই দেশের যে সংখ্যক মানুষের যাতায়াত ছিল, তা আর চোখে পড়ছে না। তবে, খুশির মেজাজে মঙ্গলবার ভারত থেকে বাংলাদেশ ফিরতে দেখা গেল পঞ্চগড়ের এক বাসিন্দাকে। ইশাক জমান পাটোয়ারি নামে ওই যুবক পড়াশোনার জন্য সিকিমে ছিলেন। তবে, দেশের উত্তাল পরিস্থিতি সময় তিনি বাড়ি ফিরছেন। ইশাকের দাবি, তিনি বিএনপির সমর্থক। তাই আগে দেশে ফিরতে চেয়ে পারেননি। এবার আনন্দে তিনি বাড়ি ফিরছেন। তিনি বলেন, “আওয়ামি লিগের (Awami League) তাণ্ডবে আমার বাবাকে টানা ১৭ দিন বাড়ি থেকে পালিয়ে বাঁচতে হয়েছে। মা একা থেকেছেন। আমার বাড়ি যাওয়া অসম্ভব হয়ে উঠেছিল। আমরা বিরোধী দল করি বলেই এত অত্যাচার। হাসিনা সরকারের পতন হয়েছে। এখন আমি খুশির মেজাজে দেশে ফিরছি। দেশের পরিস্থিতি এখন ঠিক আছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Muhammad Yunus: শেখ মুজিবুরের ভক্ত, হাসিনা বিরোধী! অশান্ত বাংলাদেশকে শান্ত করতে পারবেন ইউনূস?

    Muhammad Yunus: শেখ মুজিবুরের ভক্ত, হাসিনা বিরোধী! অশান্ত বাংলাদেশকে শান্ত করতে পারবেন ইউনূস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণ-আন্দোলনের রেশে বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) এখনও জারি মৃত্যু মিছিল। দিকে দিকে জ্বলছে আগুন, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে সংসদ-চতুর্দিকে লুটপাট, ভাঙচুরের ছবি। এরই মধ্যে বাংলাদেশে অন্তবর্তী সরকার গঠনের প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে। ঢাকার বঙ্গভবনে প্রেসিডেন্ট মহম্মদ শাহবুদ্দিনের সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের বৈঠকে নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসকে (Muhammad Yunus) অন্তবর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। একদা মুজিবের অনুরাগী কিন্তু পরবর্তীতে ঘোর হাসিনা বিরোধী ইউনূসের হাতেই অশান্ত বাংলাদেশকে শান্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। 

    মুজিবের অনুরাগী

    এক সময়ে হাসিনার পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের অনুরাগী ছিলেন ইউনূস। মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ‘বাংলাদেশ সিটিজেনস কমিটি’ (বিসিসি) গড়ে পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যলায়ের অর্থনীতির এই ছাত্র। সেই সময়ে বিসিসি-র প্রচার পুস্তিকার সম্পাদকও হন ইউনূস। ইউনূসের জন্ম ১৯৪০ সালের ২৮ জুন। চট্টগ্রামের বাথুয়া গ্রামে জন্মানো ইউনূস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬০ সালে অর্থনীতিতে স্নাতক এবং ১৯৬১ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পান।  এর পরে চট্টগ্রাম কলেজের অর্থনীতির অধ্যাপক হিসাবে যোগ দিয়েছিলন ইউনূস (Muhammad Yunus)। 

    ব্যাঙ্ক স্থাপন

    ১৯৮৩ সালে বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) গ্রামীণ ব্যাঙ্কের জন্ম দেন ইউনূস। প্রথমে এক নারীকে ঋণ দিয়ে কাজ শুরু করেন। পরে ৪২ জন নারীর একটি দলকে টাকা ধার দেন। সেই পদক্ষেপ থেকে একটি ‘মাইক্রোক্রেডিট’ গবেষণা প্রকল্প তৈরি করেন। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের দরিদ্র মানুষকে জামানত ছাড়াই ঋণ দেওয়ার কাজটা করেছিলেন মুহাম্মদ ইউনূস। তাঁকে ‘গরিবের ব্যাঙ্কার’ বলা হত। ২০০৬ সালে তাঁর ঝুলিতে আসে নোবেল শান্তি পুরস্কার।

    হাসিনার সঙ্গে সম্পর্ক

    মুজিবুরের মৃত্যুর পরে হাসিনার সঙ্গেও একটা সময় পর্যন্ত সুসম্পর্ক ছিল তাঁর। ১৯৯৭ সালে ওয়াশিংটনে হওয়া মাইক্রোক্রেডিট (ক্ষুদ্র ঋণ) কনভেনশনে আমেরিকার তৎকালীন ফার্স্ট লেডি হিলারি ক্লিন্টনের সঙ্গে হাসিনাকে যুগ্ম সভাপতিত্বের দায়িত্ব দিয়েছিলেন ইউনূসই (Muhammad Yunus)। কিন্তু পরে হাসিনার সঙ্গে ইউনূসের সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকে। শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লীগ ‘গরিবের রক্তচোষা’ বলে অভিহিত করেছিল ইউনূসকে। জালিয়াতি, অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগে ২০০টিরও বেশি মামলা হয় তাঁর বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুন: ‘‘১ কোটির ওপর বাংলাদেশি হিন্দু আসবেন পশ্চিমবঙ্গে’’, বড় দাবি শুভেন্দুর

    কঠিন সময়ে দেশের দায়িত্বে

    এবার দেশের এক কঠিন সময়ে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ মুহাম্মদ ইউনূসকে (Muhammad Yunus) বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান কে হবেন এবং সরকারের রূপরেখা তৈরি করতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে প্রেসিডেন্ট শাহবুদ্দিনের সঙ্গে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর ১৩ জন সদস্যের একটি দল বৈঠকে বসে। বৈঠকে ছিলেন তিন সেনাবাহিনীর প্রধান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপকরা। সেই বৈঠকেই সর্বসম্মতিতে ইউনূসকে বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share