Tag: Bangladesh

Bangladesh

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে ইস্কনের মন্দির ভাঙচুর, ছত্রখান বিগ্রহও

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে ইস্কনের মন্দির ভাঙচুর, ছত্রখান বিগ্রহও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৭১ আর ২০২৪ সালের মধ্যে সময়ের ফারাক বিস্তর। কালের নিয়মে এই সময়-পর্বে পদ্মা দিয়ে বয়ে গিয়েছে অনেক জল। তবে নানা অছিলায় বাংলাদেশে হিন্দু নিধন যজ্ঞ (Bangladesh Crisis) বন্ধ হয়নি। ১৯৭১ আর ২০২৪ সাল দুটোর প্রেক্ষাপট আলাদা। তবে বাংলাদেশি মুসলমানদের (Islamist Mob) চাঁদমারি কিন্তু সেই হিন্দুরা। যেন-তেন-প্রকারে হিন্দু বিতাড়ন কিংবা নিধন করে জমিজমা দখল করাই পরোক্ষ লক্ষ্য বাংলাদেশি মুসলমানদের, এমনটাই বলছেন অভিজ্ঞরা। প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও সেই কারণেই হিন্দুদের মন্দিরে হানা দিচ্ছে বাংলাদেশি মুসলমানরা। বাংলাদেশের মেহেরপুরে রয়েছে ইস্কনের মন্দির। এই মন্দিরের মুখপাত্র সুমোহন মুকুন্দ দাস সেই অবর্ণনীয় (Bangladesh Crisis) ছবির ভিডিও শেয়ার করেছেন। ৫ অগাস্ট রাতে এই মন্দিরে ভাঙচুর চালায় মুসলমানরা। ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় নিরপরাধ দেব বিগ্রহগুলিকে।

    কী বলছেন ইস্কনের সেবায়েত

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন, “বর্তমান পরিস্থিতি ১৯৭০ সালের চেয়ে খুব একটা আলাদা কিছু নয়। বেছে বেছে আক্রমণ করা হচ্ছে হিন্দু রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী এবং মন্দিরগুলিকে।” ইস্কনের ওই মন্দিরের মুখপাত্র বলেন, “ওরা আমাদের ইস্কন মন্দিরকে টার্গেট করেছিল। ভাঙচুর করেছে। মন্দিরের ভেতরে বোমা বিস্ফোরণও করা হয়েছে।” প্রাণ বাঁচাতে বিগ্রহকে অন্তর্যামীর ভরসায় রেখে রাতের অন্ধকারে জঙ্গলে আশ্রয় নেন তাঁরা। তিনি বলেন, “আমি এখনও জঙ্গলেই লুকিয়ে রয়েছি। স্থানীয় কয়েকজনের বাড়িতে (Bangladesh Crisis) আশ্রয় নিতে গিয়েছিলাম। তারা মুখের ওপর দরজা বন্ধ করে দিয়েছিল। বলেছিল, আপনাদের আশ্রয় দিলে ওরা (মুসলমানরা) আমাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেবে। অগত্যা জঙ্গলেই আশ্রয় নিতে হল। এখনও জঙ্গলেই লুকিয়ে রয়েছি। আপনাদের মাধ্যমে গোটা বিশ্বকে বলতে চাই, বাংলাদেশে হিন্দুরাই টার্গেট মুসলমানদের। ১৯৭১ থেকে ২০২৪ – হিন্দু-পীড়ন চলছেই।”

    বাংলাদেশের আর একটি ইস্কনের মুখপাত্র যুধিষ্ঠির গোবিন্দ দাস বলেন, “খবর যা পেয়েছি, তাতে জেনেছি মেহেরপুরে আমাদের ইস্কনের মন্দিরে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। মন্দিরে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার বিগ্রহ ছিল। মন্দিরে যে তিন ভক্ত ছিলেন, তাঁরা কোনওক্রমে পালিয়ে বেঁচেছেন। দুষ্কৃতীরা রেহাই (Bangladesh Crisis) দেয়নি বিগ্রহদের।” আধপোড়া বিগ্রহের ছবি ভাইরাল হয়েছে। তাতে দুঃখ পেয়েছেন ভারতীয় হিন্দুরা। তাতে অবশ্য কিছু যায় আসে না বাংলাদেশি মুসলমানদের।

    সুপ্ত ইচ্ছে (Bangladesh Crisis)

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, হিন্দুদের সম্পত্তি দখল যদি একটা উদ্দশ্যে হয়, তাহলে আরও একটা সুপ্ত ইচ্ছে আছে বাংলাদেশি মুসলমানদের। সেটা হল, বাংলাদেশকে হিন্দুশূন্য রাষ্ট্রে পরিণত করা। সেই কাজটাই সুচারুভাবে করে চলেছে বাংলাদেশি মুসলমানদের একটা বড় অংশ। তাই কোনও একটা ছুতো পেলেই বাংলাদেশি মুসলমানদের সফট টার্গেটে পরিণত হয় হিন্দুদের মন্দির ও আরাধ্য দেবতা। হিন্দু মতে বিগ্রহ নাবালক, তাই তাঁর সেবা করতে হয় শিশুপুত্র কিংবা শিশুকন্যার মতো। অভিভাবক যে গৃহস্থ, খুন করা হয় তাঁকেও। 

    স্পিকটি নট ‘সোনার বাংলা’র বুদ্ধিজীবীরা

    যারা যুক্তি-বুদ্ধির ধার ধারে না, তারা যে দেবতাকেও রেহাই দেবে না, তা তো জলের মতোই পরিষ্কার। সংখ্যালঘুদের পালক চাপা দিয়ে রক্ষা করা যে সংখ্যাগুরুদের কর্তব্য, তা ধর্তব্যের মধ্যেই আনে না বাংলাদেশের সিংহভাগ মুসলমান। তাই দেশে হিন্দু নিধন যজ্ঞ হলেও, স্পিকটি নট ‘সোনার বাংলা’র বুদ্ধিজীবীরা। মুখে কুলুপ এঁটে বসে থাকেন বাংলাদেশের ভারতীয় জামাইরাও। তাই মুসলমানদের হাতে লাঞ্ছিত হতে হয় হিন্দুর দেবতাকে। ১৯৭১ সালে যখন স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়, তখন সেই ডামাডোলের বাজারেও বাংলাদেশে লাঞ্ছিত হতে হয়েছে হিন্দুদের। যার জেরে প্রাণ বাঁচাতে কাতারে কাতারে বাংলাদেশি হিন্দু রাতের (Bangladesh Crisis) আঁধারের বুক চিরে চলে এসেছেন ভারতে। সেই সঙ্কটকালেও স্রেফ দেশমাতৃকাকে ভালোবেসে যাঁরা রয়ে গিয়েছিলেন ওপার বাংলায়, তাঁদের অবস্থা করুণ।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুক ভারত সরকার, আর্জি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    নিত্য কমছে হিন্দুর হার

    পরিসংখ্যান (Islamist Mob) বলছে, স্বাধীন বাংলাদেশ গঠিত হওয়ার সময় সে দেশে হিন্দুর হার ছিল মোট জনসংখ্যার ১৩ শতাংশের আশপাশে। কমতে কমতে ৫৪-৫৫ বছরে সেটাই এসে দাঁড়িয়েছে মাত্র আট শতাংশে। এই সামান্য শতাংশকেও ভিটেমাটি ছাড়া করতে পারলে কেল্লাফতে। বাংলাদেশ হয়ে যাবে একশো শতাংশ মুসলমানের দেশ। এই মুসলমানের ‘দ্যাশ’ করতে গিয়েই খুন করা হচ্ছে সে দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের (Bangladesh Crisis)। ২০২৪ সালের ছবিটাও সেই সময়কার চিত্রের চেয়ে খুব একটা আলাদা নয়। 

    অকৃতজ্ঞ!

    সনাতন ধর্মের আঁতুড়ঘর যে ভারতের সাহায্য ছাড়া স্বাধীন হতে পারত না বাংলাদেশ, যে ভারতের আর্থিক সাহায্য ছাড়া বাংলা হতে পারত না সোনার বাংলা, সেই দেশেই স্লোগান ওঠে ‘ইন্ডিয়া আউট’। দিনের বেলায় যারা ‘ইন্ডিয়া আউট’ স্লোগান দেয়, সূর্য অস্ত গেলে তারাই লোটাকম্বল নিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে দুমুঠো ভাতের আশায় চলে আসে ভারতে। তুষ্টিকরণের রাজনীতির কারবারিদের আশ্রয়ে এবং প্রশ্রয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জোগাড় করে তারা মিশে যায় ভারতীয় জনারণ্যে। ভারত হয়ে ওঠে ‘বিবিধের মাঝে মিলন মহানে’র দেশ। আর ‘আ-মরি বাংলা ভাষা’র দেশের (Islamist Mob) হিন্দুরা বলতে ভয় পান (Bangladesh Crisis), “আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি…”।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: হাসিনার ‘ঘনিষ্ঠ’ মেজর জেনারেলকে বরখাস্ত, বাংলাদেশে সেনার শীর্ষস্তরে একাধিক রদবদল

    Bangladesh Crisis: হাসিনার ‘ঘনিষ্ঠ’ মেজর জেনারেলকে বরখাস্ত, বাংলাদেশে সেনার শীর্ষস্তরে একাধিক রদবদল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আন্দোলনকারীদের শান্ত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু, তারপরও বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। বরং, দুপুরের পর থেকে রাতভর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যথেচ্ছ পরিমাণে হামলা, বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট চালানো হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আওয়ামি লিগের নেতা, সাংসদদের বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে। আগুন জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে অনেককে। যদিও সোমবারের পর মঙ্গলবার পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে দেশে কার্ফু তুলে নেওয়া হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের আগেই বাংলাদেশ সেনায় বড়সড় রদবদল হয়েছে। মূলত হাসিনা ঘনিষ্ঠদের সেনার গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর তিন শাখার জনসংযোগ দফতর (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছে।

    হাসিনার ‘ঘনিষ্ঠ’ মেজর জেনারেল জিয়াউলকে বরখাস্ত! (Bangladesh Crisis)

    বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) রাষ্ট্রপতি মহম্মদ শাহবুদ্দিনের অনুমোদনে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সেনার এই রদবদলের নির্দেশ কার্যকর করেছেন। তাৎপর্যপূর্ণভাবে অপসারিত এবং বদলি হওয়া অফিসারদের অধিকাংশই সদ্যপ্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘ঘনিষ্ঠ’ বলে পরিচিত। আইএসপিআর-এর বিবৃতি জানাচ্ছে, মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, মেজর জেনারেল জিয়াউলের বিরুদ্ধে ফোনে আড়িপাতা এবং গুপ্তহত্যায় হাসিনাকে মদত দেওয়ার সরাসরি অভিযোগ তুলেছিলেন আন্দোলনকারী পড়ুয়া ও বিরোধী নেতারা।

    আরও পড়ুন: ‘‘১ কোটির ওপর বাংলাদেশি হিন্দু আসবেন পশ্চিমবঙ্গে’’, বড় দাবি শুভেন্দুর

    হাসিনা ঘনিষ্ঠদের সেনার নিয়ন্ত্রণ থেকে সরানো হল

    হাসিনা (Sheikh Hasina) ঘনিষ্ঠ কয়েকজন শীর্ষস্তরের অফিসারকে সরাসরি সেনার নিয়ন্ত্রণ থেকে সরিয়ে অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ পদে পাঠানো হয়েছে। লেফটেন্যান্ট জেনারেল মহম্মদ সাইফুল আলমকে সেনা থেকে সরিয়ে পাঠানো হয়েছে বিদেশ দফতরে! আর এক লেফটেন্যান্ট জেনারেল মহম্মদ মজিবুর রহমানকে জিওসি আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া নতুন নির্দেশিকায় লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহম্মদ তাবরেজ শামস চৌধুরীকে সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল, লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামিমকে সেনাবাহিনীর চিফ অফ জেনারেল স্টাফ, লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ শাহিনুল হককে কমান্ড্যান্ট এনডিসি (ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ) এবং মেজর জেনারেল এএসএম রিজওয়ানুর রহমানকে এনটিএমসি (ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার)-র ডিরেক্টর হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশ সেনার সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে, জানালেন জয়শঙ্কর

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশ সেনার সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে, জানালেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনের নাটকীয় পতনের (Bangladesh Crisis) পর ভারত সরকার বাংলাদেশের সামরিক নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেছে। মঙ্গলবার এ কথা জানিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)।

    আন্দোলনের জেরে হাসিনা সরকারের পতন (Bangladesh Crisis)

    সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটার ব্যবস্থা বাতিলের দাবিতে ছাত্ররা জুলাই মাস থেকে আন্দোলন শুরু করে। তাতে যোগ দেয় জামাত এবং বিএনপি। এরপর আন্দোলনের মোড় ঘুরে যায়। হাসিনা প্রশাসনের উপর ক্ষুব্ধ বিভিন্ন গোষ্ঠী এই বিক্ষোভ এবং হিংসায় যোগ দেওয়ার কারণে আন্দোলন উগ্র রূপ নেয় (Bangladesh Crisis) এবং অবশেষে সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেন এবং ভারতে চলে আসেন। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে টানা চতুর্থবারের জন্য জয়ী হাসিনাকে ছয় মাসের মাথায় ক্ষমতাচ্যুত হতে হয়।

    বিদেশমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া (S Jaishankar)

    বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) রাজ্যসভায় বলেন, “স্থিতিশীলতা এবং শান্তি গুরুত্বপূর্ণ। ১৯ হাজার ভারতীয় নাগরিক বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। তাঁদের মধ্যে একটা বড় অংশকে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হলেও, অনেকেই ওখানে থেকে গিয়েছেন। বাংলাদেশের বর্তমান সামরিক নেতৃত্বের সামনে তাঁদের নিরাপত্তার কথা তুলে ধরা হয়েছে। সংখ্যালঘুদের উপরে অত্যাচার চলছে, মন্দির (Bangladesh Crisis) ভাঙচুর হচ্ছে। এটা বন্ধ হওয়া দরকার। সেটাও বলা হয়েছে। সূত্রের খবর, ভারতের উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিকরা বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং হিংসা বন্ধ করতে অনুরোধ করেছেন দরকার।

    সাহায্যের জন্য প্রস্তুত ভারত

    ভারতের (S Jaishankar) তরফে জানানো হয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা এবং শান্তি বজায় রাখতে তাঁদের প্রয়োজনীয় সাহায্য করতে ভারত প্রস্তুত। হাসিনার ভারতে আগমনের পর এখনও পরিস্থিতির বদল হচ্ছে। ফলে ভারত নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেছে। হাসিনা সরকারের পতনের পর সোমবার থেকে এ পর্যন্ত ১৫০ জনের বেশি মানুষ খুন হয়েছেন। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে খুন করার পর তালিবানি কায়দায় রাস্তায় ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বিদেশ মন্ত্রকের রিপোর্টে বলা হয়েছে, স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসার লক্ষণ দেখা দিয়েছে। সারাদিনের অস্থিরতা এবং উত্তেজনার পর ধীরে ধীরে মঙ্গলবার থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: জ্বলছে বাংলাদেশ! আওয়ামি নেতার হোটেলে আগুন, মৃত ২১, খুন অভিনেতাও

    বাস ও যানবাহন রাস্তায় নামতে শুরু করেছে। ব্যবসায়ীরা অল্প হলেও কিছু দোকানপাট খুলেছেন। ব্যাংক খুলেছে ফের। তবুও মানুষ রাস্তায় বের হতে ভয় পাচ্ছেন। পরিস্থিতি এখনও থমথমে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বিক্ষোভকারীরা দিয়েছিলেন হুঁশিয়ারি! বাংলাদেশের সংসদ ভেঙে দিলেন প্রেসিডেন্ট

    Bangladesh Crisis: বিক্ষোভকারীরা দিয়েছিলেন হুঁশিয়ারি! বাংলাদেশের সংসদ ভেঙে দিলেন প্রেসিডেন্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) সংসদ ভেঙে দিলেন প্রেসিডেন্ট মহম্মদ শাহবুদ্দিন (Bangladesh President)। প্রসঙ্গত, এ নিয়ে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল আন্দোলনকারী ছাত্রদের জোট। সোমবার রাতেই জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রেসিডেন্ট এবং সেখানেই তিনি সংসদ ভেঙে যাওয়ার কথা জানান। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমে সংসদ ভেঙে দেওয়ার খবরও প্রতিবেদন হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে।

    আন্দোলনকারী ছাত্রদের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) সেনা প্রধান

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) পরিস্থিতি সোমবারই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন দখল করে নেন আন্দোলনকারীরা। ইস্তফা দিয়ে তড়িঘড়ি দেশ ত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। বর্তমানে তিনি ভারতেই রয়েছেন। এরপর থেকেই আন্দোলনকারীরা সংসদ ভেঙে দেওয়ার দাবি জানাতে থাকেন। আন্দোলনকারী ছাত্ররা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছিলেন, মঙ্গলবার বিকেল তিনটের মধ্যে যদি বাংলাদেশের সংসদ ভেঙে না দেওয়া হয় সেক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবে। প্রসঙ্গত, সোমবারে ছাত্র আন্দোলনের নেতারা জানিয়েছিলেন যে, সেনার সমর্থনে অথবা রাষ্ট্রপতি শাসনে থাকা কোনও সরকারকেই সমর্থন করা হবে না। প্রস্তাবিত সরকার তৈরি করতে হবে। নতুন সরকারের রূপরেখা গঠনের জন্য ২৪ ঘণ্টা সময়ও দেন পড়ুয়ারা। অন্যদিকে, মঙ্গলবার আন্দোলনকারী ছাত্রদের সঙ্গে বসার কথা রয়েছে বাংলাদেশের সেনা প্রধানের।

    জাতির উদ্দেশে ভাষণে কী বললেন প্রেসিডেন্ট?

    সোমবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) প্রেসিডেন্ট (Bangladesh President) বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন এবং আমি তা গ্রহণ করেছি। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান সংসদ বিলুপ্ত করা হবে। দ্রুত নতুন নির্বাচন করে সরকার নির্বাচিত হবে।’’ বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘‘তিন বাহিনীর প্রধান, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, সমাজের প্রতিনিধি ছাত্র আন্দোলনের কয়েকজন প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠকে জরুরিভিত্তিতে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক দল ও অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা করে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে।’’ এর পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট এও ঘোষণা করেন, সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় আটক সকল বন্দিদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হবে। ছাত্র আন্দোলনের নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও জানান প্রেসিডেন্ট। প্রসঙ্গত, প্রেসিডেন্টের নির্দেশেই সোমবার বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: ‘‘একমাত্র মোদি পারবেন বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের রক্ষা করতে’’, দাবি বিজেপি সাংসদের

    Bangladesh Crisis: ‘‘একমাত্র মোদি পারবেন বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের রক্ষা করতে’’, দাবি বিজেপি সাংসদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) কার্ফু তুলে দেওয়া হলেও দেশজুড়ে আতঙ্কের পরিবেশ রয়েছে। সোমবারও দেশের একাধিক জায়গায় হিন্দুদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট চালানো হয়েছে। একাধিক জেলায় বহু হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের এই সার্বিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার (Jagannath Sarkar)।

    কী বললেন বিজেপি সাংসদ? (Bangladesh Crisis)

    রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ বলেন, ‘‘বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) সংখ্যালঘুদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা হচ্ছে। তাদের সম্পত্তি লুট করা হয়েছে। আর এসব ঘটনার পিছনে সেখানকার সেনাবাহিনীর সমর্থন রয়েছে। এটা ভবিষ্যতে আমাদের দেশের জন্য উদ্বেগের বিষয়। আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তাঁদের সুরক্ষা দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। তবে, এই বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।’’ জগন্নাথ সরকারের (Jagannath Sarkar) মতে, শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারেন। তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশের অসহায় সংখ্যালঘুদের জীবন ও সম্পত্তি রক্ষা করতে পারেন মোদি-ই। আমি হিন্দু বেঙ্গল ইউনিটের একজন সদস্য হিসেবে এসব কথা বলছি। বাংলাদেশে যেই সরকার গঠন করুক আমি তা নিয়ে চিন্তা করি না। আমার একমাত্র উদ্বেগ হল সংখ্যালঘুদের জীবন ও সম্পত্তির যেন কোনও ক্ষতি না হয়।’’

    আরও পড়ুন: ‘‘১ কোটির ওপর বাংলাদেশি হিন্দু আসবেন পশ্চিমবঙ্গে’’, বড় দাবি শুভেন্দুর

    বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক

    ক্রমবর্ধমান বিক্ষোভের মধ্যে শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখনও শান্ত হয়নি। সোমবার আওয়ামি লিগের বহু নেতাকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। সাংসদের বাড়িতে আগুন লাগানো হয়েছে। আওয়ামি লিগের নেতার হোটেলে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে ২১ জন পুড়িয়ে মারা হয়েছে। সোমবার মোট ১০৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। শতাধিক মানুষ জখম হয়েছেন। পদত্যাগের পর সোমবার সন্ধ্যায় ভারতে পৌঁছন শেখ হাসিনা। তিনি দিল্লিতে থাকবেন, নাকি অন্য জায়গায় যাবেন তা স্পষ্ট নয়, কিছু রিপোর্টে বলা হয়েছে যে তিনি লন্ডনে যেতে পারেন। অন্যদিকে, সংকট মোকাবিলায় সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনে নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক হয়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এই বৈঠকে বাংলাদেশের পরিস্থিতির ওপর আলোচনা করা হয়। সেখানে কয়েক হাজার ভারতীয় রয়েছেন। তাঁদের ফিরিয়ে নিয়ে আসার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে বিপন্ন হিন্দুরা, দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে কথা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে বিপন্ন হিন্দুরা, দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে কথা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা চরমে পৌঁছেছে। এমন পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও আঁটসাঁট করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে। মঙ্গলবারই সীমান্ত পরিদর্শন করেন বিএসএফের ডিজি। ঠিক এই আবহে হঠাৎই দিল্লি উড়ে গিয়ে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডার সঙ্গে দেখা করেন। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা এরপর সাংবাদিকদের বলেন, “অমিত শাহ যেহেতু সিকিউরিটি কাউন্সিলের সদস্য, আমি তাঁর কাছে অনুরোধ করেছি যাতে বাংলাদেশের হিন্দু এবং হিন্দু মন্দিরের যেন আর কোনও ক্ষতি না হয়, সেটা দেখতে। আমি অনেক উদ্বেগ নিয়ে এসেছিলাম। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে আশ্বস্ত করেছেন, প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়টি দেখছেন।”

    আমার মা নিজে বরিশাল থেকে এক কাপড়ে চলে এসেছিলেন

    চিন্তিত শুভেন্দু উদ্বেগ প্রকাশ করে সাংবাদিকদের সামনে এও বলেছেন, “আমার মা নিজে বরিশাল থেকে এক কাপড়ে চলে এসেছিলেন। যন্ত্রণাটা আমার ভিতরে রয়েছে। তাই উদ্বেগটা ছিল। উদ্বেগটা নিরসনের জন্য এসেছিলাম। সেটা নিরসন হয়েছে।” নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক জেপি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক সেরে বলেন, “মাননীয় রাষ্ট্রীয় অধ্যক্ষর সঙ্গে নির্বাচনের পর দেখা হয়নি। ফোনে কথা হয়েছিল। উনি আমাকে কিছু কাজ দিয়েছিলেন। সেটা নিয়ে কথা হয়েছে।”

    সাম্প্রদায়িক রূপ নিয়েছে হিংসা

    প্রসঙ্গত, গোটা বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) জুড়েই বর্তমানে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি। থানা-হোটেল-বাড়ি সবকিছুই পুড়ছে, যথেচ্ছ হামলা চলছে সংখ্যালঘু হিন্দুদের মন্দিরেও, একাধিক হিন্দুকে পিটিয়ে মারার ঘটনাও সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, গতকাল সোমবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অন্ততপক্ষে ১০৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।  এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুরা অত্যন্ত আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। দিকে দিকে হিংসা সাম্প্রদায়িক রূপ নিয়েছে। ওপার বাংলার এমন পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারীর হঠাৎ করেই দিল্লি উড়ে যাওয়া যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: ভারতেই হাসিনা, বাংলাদেশের পরিস্থিতির দিকে নজর কেন্দ্রের, সর্বদল বৈঠকে জয়শঙ্কর

    Bangladesh Crisis: ভারতেই হাসিনা, বাংলাদেশের পরিস্থিতির দিকে নজর কেন্দ্রের, সর্বদল বৈঠকে জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্বলছে বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis)। দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন শেখ হাসিনা। তারপরেও নেভেনি হিংসার আগুন। হিংসার শিকার হচ্ছেন সংখ্যালঘুরা। সমগ্র পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে ভারত। এখনও অবস্থা অতটা জটিল নয় তবে, প্রয়োজন পড়লেই বাংলাদেশে থাকা ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনা হবে। কেন্দ্রে সর্বদল বৈঠকে এমনই জানালেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। শেখ হাসিনা আপাতত ভারতেই গোপন ঠিকানায় রয়েছেন। তাঁকে সরকার সময় দিয়েছে জানান বিদেশমন্ত্রী।

    সর্বদল বৈঠক 

    মঙ্গলবার সংসদে সর্বদলীয় বৈঠকের ডাক দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৈঠকে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, সংসদ বিষয়কমন্ত্রী কিরেন রিজেজু। এনডিএ-র সাংসদদের পাশাপাশি বিরোধী জোটের একাধিক সাংসদও উপস্থিত ছিলেন। কংগ্রেসের তরফে বৈঠকে যোগ দেন রাহুল গান্ধী ও মল্লিকার্জুন খাড়্গে। গান্ধী ছাড়াও প্রবীণ কংগ্রেস নেতা কে সি বেনুগোপাল, ডিএমকে নেতা টি আর বালু, জনতা দল (ইউনাইটেড) নেতা লল্লন সিং, সমাজবাদী পার্টির রাম গোপাল যাদব, তৃণমূল কংগ্রেসের সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ডেরেক ও’ব্রায়েন, রাষ্ট্রীয় জনতা দলের মিশা ভারতী, শিবসেনার (উদ্ধব ঠাকরে) অরবিন্দ সাওয়ান্ত, বিজু জনতা দলের সম্বিত পাত্র, এনসিপির (শরদ পাওয়ার) সুপ্রিয়া সুলে এবং তেলুগু দেশম পার্টির রাম মোহন নাইডু বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। জানা গিয়েছে, কংগ্রেস সহ বিরোধী দলগুলি বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে মোদি সরকারকে সব রকমের সমর্থন জানাবে বলেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

    পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত

     বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) এই অশান্তি-হিংসার পিছনে কি অন্য কোনও দেশ, বিশেষ করে পাকিস্তানের হাত রয়েছে? সর্বদলীয় বৈঠকে এই প্রশ্নই তুলেছেন বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। এর জবাবে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেন, “পরিস্থিতি প্রতি মুহূর্তে বদলাচ্ছে। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হচ্ছে। কিছু জায়গায় ভারত-বিরোধী মনোভাব দেখা যাচ্ছে, যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক না কেন, ভারত সরকার সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে।” জয়শঙ্কর জানান, বাংলাদেশে ভারতীয়দের পরিস্থিতি কী, সে দিকে নজর রেখেছে কেন্দ্রীয় সরকার। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে এখনই ভারতীয় নাগরিকদের সরিয়ে আনা হচ্ছে না। প্রয়োজন হলে দ্রুত পদক্ষেপ করা হবে।

    ভারতীয়দের অবস্থা

    সর্বদল বৈঠকে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) জানিয়েছেন, বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। বাংলাদেশে প্রায় ১০ হাজার ভারতীয় ছাত্রছাত্রী রয়েছেন। তাঁদের নিরাপত্তার বিষয়ে কথা হয়েছে। তার পরেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, আপাতত তাঁদের বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে আনা হবে না। তবে ভারত যে কোনও পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকবে। প্রয়োজন হলেই দ্রুত যাতে বাংলাদেশ থেকে ভারতীয়দের সরিয়ে আনা যায়, সেই বন্দোবস্ত করা হচ্ছে। বাংলাদেশ সীমান্ত পরিস্থিতির দিকেও নজর রয়েছে ভারতের। তবে সূত্রের খবর, জয়শঙ্কর সর্বদল বৈঠকে জানিয়েছেন, সীমান্ত পরিস্থিতি ‘তেমন গুরুতর নয়’। 

    আরও পড়ুন: তাঁর আমলেই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, বাংলাদেশকে গণতন্ত্রের পথ দেখিয়েছিলেন হাসিনা

    ভারতেই হাসিনা

    বৈঠকে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) জানিয়েছেন হাসিনার কথাও। তাঁর বক্তব্য, হাসিনা এই মুহূর্তে রয়েছেন দিল্লিতে। তিনি মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত। তাই তাঁকে বেশ কিছুটা সময় দেওয়া হয়েছে। হাসিনা নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা এখনও ভারত সরকারকে জানাননি। সময় নিয়ে তিনি সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। ভারত সরকার তাঁর বক্তব্য শুনে পরবর্তী পদক্ষেপ স্থির করবে। জয়শঙ্করের তাঁর বিবৃতিতে বলেন, “খুব অল্প সময়ের মধ্যে আমাদের কাছে হাসিনা আবেদন করেন এ দেশে আসার জন্য। আমরা তাতে সাড়া দিই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: নিরাপত্তায় মোড়া বাংলা-সীমান্ত, নাইট গগলসে নজরদারি, পরিদর্শনে বিএসএফ ডিজি

    Bangladesh Crisis: নিরাপত্তায় মোড়া বাংলা-সীমান্ত, নাইট গগলসে নজরদারি, পরিদর্শনে বিএসএফ ডিজি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে সোমবার থেকেই সীমান্তে নিরাপত্তা আরও আঁটসাঁট করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। রাতেই বেশ কয়েকটি সীমান্তে লাগানো হয় নাইট ভিশন ক্যামেরা। মঙ্গলবার বিএসএফের ডিজি দলজিত সিং চৌধুরী পেট্রাপোল সীমান্তের নিরাপত্তার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের সঙ্গে সীমানা রয়েছে এমন অন্য রাজ্যেও বুধবার পরিদর্শন করবেন বিএসএফের (BSF) ডিজি। 

    কোনওভাবেই অনুপ্রবেশ যাতে না হয় সেদিকে সতর্ক (Bangladesh Crisis) থাকছে বিএসএফ

    সোমবার শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়ার পরপরই কলকাতায় এসে হাজির হয়েছিলেন দলজিত সিং। বিমান থেকে নামা মাত্রই বিএসএফের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। জানা গিয়েছে, এই বেঠকে বেশ কিছু প্রয়োজনীয় নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। এরপর মঙ্গলবার সকালেই ডিজি হাজির হলেন ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে। এখানেও বিএসএফের (BSF) দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন দলজিত, তারপর ঘুরে দেখেন সীমান্ত। প্রসঙ্গত, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের এমন রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে চিন্তিত রয়েছে ভারতও। এই সময়ে যাতে কোনওভাবেই অনুপ্রবেশ না হয় সেদিকে সতর্ক থাকছে বিএসএফ।

    কাঁটাতারহীন সীমান্ত (Bangladesh Crisis) নিয়েই বেশি চিন্তিত বিএসএফ

    সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার (Bangladesh Crisis) করতে নাইট ভিশন ক্যামেরা নিয়ে সোমবারে রাতভর পাহারা দিয়েছে বিএসএফ। অশান্তির আগুনে এখনও জ্বলছে বাংলাদেশ। থানা এবং কারাগারগুলিতেও চলছে হামলা। সেখানকার একাধিক বন্দিকে এভাবেই মুক্ত করে দিচ্ছেন আন্দোলনকারীরা। জানা গিয়েছে যে সমস্ত এলাকাতে কাঁটাতারের সীমান্ত নেই, সেই এলাকাগুলিতেই নাইট ভিশন ক্যামেরা লাগানো হয়েছে, যেমন দক্ষিণবঙ্গের ঘোজাডাঙ্গা, পেট্রাপোল ইত্যাদি। এর পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের হিলি, ফুলবাড়ি চ্যাংড়াবান্ধায় বিশেষ নজরদারি চালাচ্ছে বিএসএফ। সূত্রের খবর, দক্ষিণবঙ্গে ভারত-বাংলাদেশ ৫৩৮ কিলোমিটার অংশ জুড়ে নেই কোনও কাঁটাতার। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের ৩৭৫ কিমি অংশে কাঁটাতার নেই, কাঁটাতারহীন এই অংশ নিয়েই চিন্তিত বিএসএফ।

    ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট খোলা হয়েছে 

    তবে এরই মাঝে মঙ্গলবার উত্তরবঙ্গের ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট খোলা হয়েছে বলে খবর মিলেছে। সকাল থেকেই দু’দেশের বাসিন্দাদের মধ্যে যাতায়াত শুরু হয়েছে। ভারত থেকে ২০০-এর বেশি পণ্যবাহী ট্রাক বাংলাদেশে গিয়েছিল, সেই ট্রাকগুলিকে ফিরিয়ে আনার জন্য চালকেরা বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) গিয়েছেন। তবে পেট্রাপোল সীমান্তে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আমদানি-রফতানি প্রক্রিয়া ও যাত্রী যাতায়াত বন্ধ রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bangladesh Crisis: জ্বলছে বাংলাদেশ! আওয়ামি নেতার হোটেলে আগুন, মৃত ২১, খুন অভিনেতাও

    Bangladesh Crisis: জ্বলছে বাংলাদেশ! আওয়ামি নেতার হোটেলে আগুন, মৃত ২১, খুন অভিনেতাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার পর দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) আন্দোলনকারীদের শান্ত হওয়ার ডাক দেন। কিন্তু, তাতে হামলায় রাশ টানা যায়নি, বরং বেড়েছে। আওয়ামি লিগের সাধারণ সম্পাদক শাহিন চাকলাদারের হোটেলেও আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। ওই হোটেলে আগুনে পুড়ে বিদেশি-সহ ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রথম আলোর রিপোর্ট অনুযায়ী, রাতে জাবির ইন্টারন্যাশনাল নামক হোটেলের নীচতলায় পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর সেই আগুন ওপরের তলায় ছড়িয়ে পড়ে। হোটেলে আটকে পড়া বহু মানুষ জীবিত অবস্থায় পুড়ে মারা যান। সোমবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বাংলাদেশের অন্তত ৯ জন মন্ত্রী এবং অন্তত ২৭ জন সাংসদের বাড়িতে ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। দেশের প্রধান বিচারপতির বাসভবনে ঢুকেও হামলা চালায় বিক্ষুব্ধ জনতা।

    সোমবার ১০৯ জনের মৃত্যু! (Bangladesh Crisis)

    জানা গিয়েছে, সোমবার সাভারে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের গুলি সংঘর্ষে ১৮ জন নিহত হয়েছেন। উত্তরাতেও চলেছে গুলি। থানা ঘেরাওকে কেন্দ্র করে পুলিশ এবং বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। বানিয়াচংয়ে পুলিশের গুলিতে আরও ছ’জনের মৃত্যু হয়েছে। শ্রীপুরে বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষীবাহিনী বিজিবির সদস্যদের দু’টি বাসে হামলা এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এর জেরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে বিজিবির গুলি সংঘর্ষে মৃত্যু হয় পাঁচজনের। গুলিবিদ্ধ হয় শতাধিক। চুয়াডাঙা (Bangladesh Crisis) যুবলীগের সাবেক আহ্বায়কের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বৃত্তেরা। শুধু সোমবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তাতে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১০৯ জনের! পরে অন্যান্য রিপোর্টে দাবি করা হয়, মৃতের সংখ্যা ১৩৫। বিশেষ করে হামলার শিকার হয়েছেন হাসিনার দল আওয়ামি লিগের নেতা-মন্ত্রী-পদাধিকারীরা। কাউকে পিটিয়ে মারা হয়েছে। কারও বাড়ির দরজা বন্ধ করে অগ্নিসংযোগ করেছেন হামলাকারীরা। রবিবার মৃত্যু হয়েছিল ১১৪ জনের। আর শেষ দু’দিনে মৃতের সংখ্যা প্রায় আড়াইশো ছুঁই ছুঁই।

    আরও পড়ুন: ‘‘১ কোটির ওপর বাংলাদেশি হিন্দু আসবেন পশ্চিমবঙ্গে’’, বড় দাবি শুভেন্দুর

    আওয়ামি লিগের নেতাদের ওপর হামলা

    খুলনায় আওয়ামি লিগের উপজেলা সভাপতি জি এম মোহসিন রেজাকে তাঁর বাড়িতে ঢুকে পিটিয়ে মারে বিক্ষুব্ধ জনতা। বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) সংবাদ মাধ্যম ‘প্রথম আলো’ জানিয়েছে, সোমবার বিকেলে রেজার বাড়িতে চড়াও হন হামলাকারীরা। সেখানেই তাঁকে পিটিয়ে মেরে তাঁর বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। আগুনে পুড়ে যান তিনি। পরে তাঁর খুড়তুতো ভাই বলেন, “সন্ধ্যায় আমরা ভাইয়ের বাড়িতে গিয়ে দেখি বাড়িতে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। ঘরের বারান্দায় পড়ে রয়েছে দাদার মৃতদেহ।” আওয়ামি লিগের সাংসদ শফিকুল ইসলামের নাটোরের বাড়িতেও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছিল। মঙ্গলবার সেখান থেকে উদ্ধার হয়েছে তিনজনের মৃতদেহ। এরমধ্যে আকিব হোসেন নামে ১৭ বছরের এক তরুণও রয়েছে। সে নাটোর সিটি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিল। তাঁর বাবা ছিলেন ওই কলেজের অধ্যক্ষ। চাঁদপুরে অভিনেতা শান্ত খান এবং তাঁর বাবা সিনেমার প্রযোজক সেলিম খানকেও পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

    মন্দির ভাঙচুর, হিন্দুদের বাড়ি লুটপাট

    জানা গিয়েছে, ২১ জুলাই থেকে বাংলাদেশে মোট মৃতের সংখ্যা ৪৪০-এর গণ্ডি ছাড়িয়েছে। এই মৃতদের মধ্যে প্রাথমিকভাবে আন্দোলনকারীদের সংখ্যা ছিল বেশি। তবে, গতকাল থেকে ‘প্রতিশোধ’ নেওয়ার নাম করে আওয়ামি লিগের নেতা-কর্মী এবং পুলিশের ওপর হামলা চালানো হয়েছে নির্বিচারে। অপরদিকে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষ দাবি করল, সেদেশের ২৯টি জেলায় সংখ্যালঘুদের ওপরে হামলা চালানো হয়েছে। অরাজনৈতিক সাধারণ মানুষের বাড়ি, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। ভাঙা হয়েছে মন্দির। বাংলাদেশের সংবাদপত্র প্রথম আলোর রিপোর্ট অনুযায়ী, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাণা দাশগুপ্ত এক বিবৃতি জারি করে সোমবার দাবি করেন, বাংলাদেশে ৪টি জেলাতে অন্তত ৯টি মন্দিরে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। বহু জায়গায় হিন্দু সংখ্যালঘুদের বাড়িতে লুটপাট চালানো হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশের হিংসায় নিরপেক্ষ তদন্ত চাইল ব্রিটেন, চুপ হাসিনাকে ‘আশ্রয়’ নিয়ে

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশের হিংসায় নিরপেক্ষ তদন্ত চাইল ব্রিটেন, চুপ হাসিনাকে ‘আশ্রয়’ নিয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার পর এবার ব্রিটেনও (UK)। বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) রাজনৈতিক পট পরির্তন ও তার জেরে আন্দোলনে মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত চেয়েছিল আমেরিকা। ব্রিটেনও চাইছে, বাংলাদেশে তদন্ত করুক রাষ্ট্রপুঞ্জের নেতৃত্বাধীন তদন্তকারী দল। ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশকে সমর্থনের ওপর জোর দেওয়ার কথা বলেছেন।

    ব্রিটেনের বিবৃতি (Bangladesh Crisis)

    ব্রিটেনের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “গত কয়েক দিন বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক উত্থানের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত চায় তারা। তদন্ত হোক রাষ্ট্রপুঞ্জের নেতৃত্বে স্বাধীনভাবে।” বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে ব্রিটেন মুখ খুললেও, হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া নিয়ে উচ্চবাচ্য করেনি রাজার দেশ। ল্যামি বলেন, “বাংলাদেশে গত দু’সপ্তাহে নজিরবিহীনভাবে হিংসা এবং প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। …একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে শান্তি ফিরিয়ে আনতে সব পক্ষকে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে।” বিদেশমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের জনগণ গত কয়েক সপ্তাহের ঘটনাবলীতে রাষ্ট্রপুঞ্জের নেতৃত্বে পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন তদন্তের দাবি রাখে।” তিনি বলেন, “বাংলাদেশ একটি শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতে নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ দেখতে চায়।” মন্ত্রী বলেন, “ব্রিটেন ও বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে এবং কমনওয়েলথ মূল্যবোধ রয়েছে।”

    আরও পড়ুন: তাঁর আমলেই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, বাংলাদেশকে গণতন্ত্রের পথ দেখিয়েছিলেন হাসিনা

    কী বলছে আমেরিকা

    বাংলাদেশের ঘটনার তদন্ত চেয়েছে আমেরিকাও। সে দেশের বিদেশ দফতরের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার বলেন, “আমরা মনে করি বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) আইন ও গণতান্ত্রিক নীতিকে মাথায় রেখেই সেখানে নয়া সরকার গঠন করা হবে। সেখানে যে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, অবশ্যই তার তদন্ত হওয়া উচিত।” এদিকে, ভারত কিংবা আমেরিকা কারও কাছেই রাজনৈতিক আশ্রয় চাননি হাসিনা।

    বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী একাধিকবার যোগাযোগ করেছেন লন্ডনের সঙ্গে। আবেদন করেছেন রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য। তবে ব্রিটেন নাকি সেই আবেদনে কান দেয়নি। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, সেই কারণেই ব্রিটেনের (UK) জারি করা বিবৃতিতে হাসিনার নাম পর্যন্ত নেওয়া হয়নি (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share