Tag: Bangladesh

Bangladesh

  • BJP Criticize Mamata: ‘অবৈধ বাংলাদেশিদের ঠাঁই দেওয়ার ভয়ংকর পরিকল্পনা’! মমতার মন্তব্যের বিরোধিতায় বিজেপি

    BJP Criticize Mamata: ‘অবৈধ বাংলাদেশিদের ঠাঁই দেওয়ার ভয়ংকর পরিকল্পনা’! মমতার মন্তব্যের বিরোধিতায় বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশিদের আশ্রয় দেওয়া নিয়ে রাজ্য সরকার কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে না। সেই বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনও এক্তিয়ারই নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের (BJP Criticize Mamata)। পুরো বিষয়টির উপরে নজর রাখছে কেন্দ্র সরকার। বাংলাদেশিদের (Unrest Bangladesh) রাজ্যে আশ্রয় দেওয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের সমালোচনা করল বিজেপি।

    মমতার মন্তব্যের সমালোচনা মালব্যের

    বাংলাদেশ থেকে কেউ পশ্চিমবঙ্গের দরজায় এলে ফেরাবেন না, রবিবার ধর্মতলায় ২১ জুলাইয়ের সভা থেকে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণ ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন চলছে বাংলাদেশে। গত কয়েক দিনে সেই আন্দোলনে (Unrest Bangladesh) হিংসা ছড়িয়েছে। মমতার এই মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন বিজেপির (BJP Criticize Mamata) তথ্যপ্রযুক্তি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। তাঁর প্রশ্ন, মমতাকে সেই অধিকারটা কে দিয়েছেন? কোনও রাজ্যের হাতে নাগরিকত্ব বা অভিবাসন সংক্রান্ত কোনও ক্ষমতা নেই। পুরো বিষয়টি কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে আছে। সেইসঙ্গে মালব্য অভিযোগ করেন, ভোটে জেতার জন্য বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে প্রবেশ করা লোকজনদের নিজেদের রাজ্যে ঠাঁই দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন তৃণমূল-সহ ইন্ডিয়া জোটের নেতা-নেত্রীরা। মালব্যের কথায়, ‘বাংলা থেকে ঝাড়খণ্ড পর্যন্ত অবৈধ বাংলাদেশিদের ঠাঁই দেওয়ার যে ভয়ংকর পরিকল্পনা আছে, তার একটা অংশ হল এই বিষয়টি, যাতে ওরা নির্বাচনে জিততে পারে।’

    মমতার মন্তব্যে অসন্তুষ্ট কেন্দ্র

    মমতার এই মন্তব্যে বিরক্তি প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার (BJP Criticize Mamata)। সরাসরি কেন্দ্রের তরফে কোনও বিবৃতি জারি না করা হলেও মমতার কথায় মোদি, জয়শংকররা যে প্রসন্ন হননি, তা বুঝিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের এক সূত্র। কেন্দ্রীয় সরকারের সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ‘এগুলি এমন বিষয়, যেগুলি সামলায় কেন্দ্রীয় সরকার। এই বিষয়ে রাজ্য সরকারের তো কোনও এক্তিয়ারই নেই। এসব মন্তব্য (মমতা যে কথা বলেছেন) সম্পূর্ণভাবে ভুল।’ আর মমতার কথায় যে কোনও পাত্তা দেওয়া হচ্ছে না, সেটাও বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বাংলাদেশে (Unrest Bangladesh) পড়ুয়াদের যে বিক্ষোভ চলছে, তা নেহাতই সেই দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। ভারত অন্য কোনও দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলাবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: সংরক্ষণ ব্যবস্থায় সংস্কার হবে, হাইকোর্টের রায় খারিজ করে জানাল বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট

    Bangladesh: সংরক্ষণ ব্যবস্থায় সংস্কার হবে, হাইকোর্টের রায় খারিজ করে জানাল বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংরক্ষণ ব্যবস্থা নিয়ে হাইকোর্টের রায়কে খারিজ করে দিল বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট (Bangladesh Supreme Court)। এর পাশাপাশি শীর্ষ আদালতে এদিন আরও জানিয়েছে, বাংলাদেশের (Bangladesh) সংরক্ষণ ব্যবস্থা সংস্কার করা হবে। প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের সংরক্ষণ নিয়ে শেখ হাসিনা সরকারের সিদ্ধান্তকে গত ৫ জুন অবৈধ বলে ঘোষণা করেছিল হাইকোর্ট। এরপরেই সংরক্ষণ ইস্যুতে ব্যাপক আন্দোলন শুরু হয় বাংলাদেশে। অগ্নিগর্ভ হয় সে দেশের পরিস্থিতি। সরকারকে জারি করতে হয় কার্ফু। শতাধিক মানুষ নিহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে নামাতে হয় সেনা।

    হাসিনা সরকারের সিদ্ধান্ত (Bangladesh) অনেকটাই বহাল থাকল

    ঠিক এইরকম পরিস্থিতিতে সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দারস্থ হয়েছিল শেখ হাসিনা সরকার। রবিবার বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট ওই নির্দেশকে খারিজ করল। অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের এদিনের রায় শেখ হাসিনা সরকারের পক্ষেই বেশ কিছুটা গিয়েছে বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তবে ২০১৮ সালে শেখ হাসিনা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন হুবহু তা এদিন বহাল রাখেনি বাংলাদেশের (Bangladesh) শীর্ষ আদালত। হাইকোর্টের রায় বাতিল করা হয়েছে বটে তবে সংরক্ষণ ব্যবস্থা পুরোপুরি বাতিল হয়নি।

    শীর্ষ আদালতের রায়ের বিশ্লেষণ 

    এদিনের রায়ের ফলে সরকারি চাকরিতে ৭ শতাংশ সংরক্ষণ থাকবে বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে ৫ শতাংশ সংরক্ষণ থাকবে মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের সন্তানদের জন্য। বাকি ২ শতাংশ সংরক্ষণ থাকবে অন্যান্য শ্রেণীর জন্য। বাকি ৯৩ শতাংশ নিয়োগই হবে মেধার ভিত্তিতে। এদিন রায় ঘোষণার পাশাপাশি পড়ুয়াদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরে যেতে বলেছে শীর্ষ আদালত। শুনানির পরেই বাংলাদেশের (Bangladesh) অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘‘সুপ্রিম কোর্ট (Bangladesh Supreme Court) জানিয়েছে, হাই কোর্টের রায় বেআইনি ছিল। মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য সরকারি চাকরিতে পাঁচ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। অন্যান্য শ্রেণির জন্য থাকবে আরও দুই শতাংশ সংরক্ষণ।’’

    কেন সংরক্ষণ ইস্যুতে উত্তাল বাংলাদেশ?

    বাংলাদেশের (Bangladesh) সংরক্ষণের নিয়ম নিয়েই এই অশান্তির সূত্রপাত। ২০১৮ সালেও একই বিষয়ে আন্দোলন উত্তাল হয়ে উঠেছিল দেশটি। প্রসঙ্গত, সরকারি চাকরিতে সে দেশে মোট ৫৬ শতাংশ আসন সংরক্ষিত ছিল, যার মধ্যে ৪৪ শতাংশ আসন সাধারণের জন্য নির্ধারিত ছিল। ৫৬ শতাংশ আসনের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের জন্য ৩০ শতাংশ, নারীদের জন্য ১০%, জেলার জন্য ১০%, জনজাতিদের জন্য ৫ শতাংশ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ শতাংশ ছিল। ২০১৮ সালে সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনের সময় শেখ হাসিনা সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের ৩০ শতাংশ, নারীদের ১০ শতাংশ ও জেলার ১০ শতাংশ আসন বাতিল করে দেন। রাখা হয় শুধু জনজাতিদের ৫ শতাংশ, প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ শতাংশ সংরক্ষণ। এ নিয়ে মামলা গড়ায় বাংলাদেশের হাইকোর্টে। চলতি বছরের ৫ জুন হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, হাসিনা সরকারের নির্দেশ অবৈধ। ফের প্রতিবাদ আন্দোলনে নামেন পড়ুয়ারা। তবে এদিন হাইকোর্টের সেই নির্দেশ খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Tensions: অশান্ত বাংলাদেশ থেকে ত্রিপুরায় আরও পড়ুয়া, মানবিক সাহায্য সরকারের

    Bangladesh Tensions: অশান্ত বাংলাদেশ থেকে ত্রিপুরায় আরও পড়ুয়া, মানবিক সাহায্য সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাত্র বিক্ষোভের জেরে অশান্ত বাংলাদেশ (Bangladesh Tensions)। দেশজুড়ে (Indian Students) জারি করা হয়েছে কারফিউ। অশান্তির আঁচ থেকে বাঁচতে প্রায় প্রতিদিনই ভারতে ফিরছেন সে দেশে পড়তে যাওয়া ছাত্রছাত্রীরা। শনিবারও ত্রিপুরায় ফিরলেন বাংলাদেশে পড়তে যাওয়া ভারতীয় ছাত্রছাত্রীরা। এই দফায় ফিরলেন ৩৭৯জন।

    কী বলছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী? (Bangladesh Tensions)

    এনিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। লিখেছেন, “অনেক ভারতীয় পড়ুয়া ত্রিপুরা হয়ে বাংলাদেশ থেকে ফিরছেন দেশে। তাঁদের পরিবহণ এবং থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থাও করেছে ত্রিপুরা সরকার। অন্যান্য প্রয়োজনীয় সাহায্যও করা হচ্ছে সরকারের তরফে। মানবিক দিক থেকেই এটা করা হচ্ছে।” প্রতি বছর ভারত থেকে বহু ছাত্রছাত্রী বাংলাদেশে পড়তে যান। সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে ছাত্র বিরোধী আন্দোলনের জেরে অশান্ত হয়ে উঠেছে ভারতের পড়শি এই দেশ। বিক্ষোভ সামাল দিতে দেশজুড়ে কারফিউ জারি করেছে শেখ হাসিনা সরকার।

    পড়ুয়াদের বক্তব্য

    খালি করে দেওয়া হয়েছে সে দেশের বিভিন্ন স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেল। বাধ্য হয়ে দেশে ফিরছেন ভারতীয় পড়ুয়ারা। ত্রিপুরা তো বটেই, কাশ্মীর, উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা এবং অন্যান্য রাজ্য থেকে পড়তে যাওয়া ছাত্রছাত্রীরাও ফিরছেন আগরতলা ইন্টিগ্রেটেড চেক পোস্ট (ICP) হয়ে। ভারতে ফিরতে যাওয়া পড়ুয়াদের স্বাগত জানাচ্ছে বিএসএফ। আখুরা ইন্টিগ্রেটেড চেক পোস্ট পার হয়ে বাংলাদেশ থেকে ফিরতে হয় ভারতে। বাংলাদেশের (Bangladesh Tensions) এই আখুরার সঙ্গেই যোগ রয়েছে ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলার।

    আরও পড়ুন: ‘‘জনজাতিদের জমি ও অধিকার রক্ষা করবে বিজেপি’’, ঝাড়খণ্ডে বললেন অমিত শাহ

    যাঁরা এই চেক পোস্ট দিয়ে ভারতে ফিরছেন, তাঁদের দেওয়া হচ্ছে গরম খাবার, পানীয় জল। তাঁদের বিশ্রামের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। আখুরা চেক পোস্ট দিয়ে ত্রিপুরায় আসা এক ভারতীয় ছাত্র বলেন, “কলেজের প্রিন্সিপাল এবং ভারতীয় হাই কমিশন আমাদের দেশে ফেরার অনুমতি দিয়েছে। আমরা নিরাপদেই ভারতে ফিরেছি।” বিএসএফের গোকুলনগর সেক্টর হেডকোয়ার্টারের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল রাজীব অগ্নহোত্রী বলেন, “বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে অনেক ভারতীয় পড়ুয়া সে দেশ থেকে ভারতে ফিরছেন। এঁদের অনেকেই চলে এসেছেন, শীঘ্রই আসবেন আরও (Indian Students) কিছু। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের সঙ্গে নিরন্তর যোগাযোগ রেখে চলেছে বিএসএফ (Bangladesh Tensions)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Military: চিনের ওপর গোঁসা, তাই কি ভারতকে তিস্তা প্রকল্পের ভার দিলেন হাসিনা?

    Bangladesh Military: চিনের ওপর গোঁসা, তাই কি ভারতকে তিস্তা প্রকল্পের ভার দিলেন হাসিনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার চিন-প্রীতির খেসারত দিতে হচ্ছে বাংলাদেশের সেনাকে! অভিযোগ, চিন (China) থেকে বাংলাদেশ (Bangladesh Military) যেসব অস্ত্র আমদানি করেছে, তার সিংহভাগই নিম্নমানের। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, সেই কারণে চিন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে বাংলাদেশের শেখ হাসিনা সরকার। জানিয়েছেন, তিস্তা প্রকল্পের কাজ করুক ভারতই।

    চিন সফরে হাসিনা (Bangladesh Military)

    সম্প্রতি চিন সফরে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তথা আওয়ামি লিগ নেত্রী শেখ হাসিনা। চিনের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর এই মাখো মাখো সম্পর্কটা ভালো চোখে দেখেনি ভারত। প্রকাশ্যে অবশ্য এনিয়ে কোনও অভিমতও ব্যক্ত করেনি নয়াদিল্লি। চিন থেকে ফিরেই হাসিনা জানিয়েছেন, তিস্তা প্রকল্প করুক ভারত। যদিও এই প্রকল্প গড়তে দীর্ঘদিন ধরে আগ্রহ দেখাচ্ছে ড্রাগনের দেশ। তিস্তার উৎপত্তি ভারতে হলেও, বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে গিয়েছে সেটি। এই নদীর জল ভারত এবং বাংলাদেশ – দুই দেশের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ। তিস্তায় জলাধার নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার (Bangladesh Military)। সেই প্রকল্পই গড়তে দড়ি টানাটানি চলছিল চিন ও ভারতের মধ্যে। শেষমেশ প্রকল্পটি গড়তে ভারতের ওপরই ভরসা করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

    নিম্নমানের সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ!

    কারণ কী? জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই চিন থেকে সামরিক সরঞ্জাম কিনে আসছে বাংলাদেশ। অভিযোগ, সেই সব সরঞ্জামেই রয়েছে ‘গলতি’। বিষয়টি বেজিংকে জানানো হয়েছে বাংলাদেশের তরফেও। কেবল বাংলাদেশ নয়, চিনা সামরিক হার্ডওয়্যার কেনে মায়ানমারও। তারাও সম্মুখীন হয়েছে সামরিক সরঞ্জামের গলতির। চিনা প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম যারা তৈরি করে, তাদের বক্তব্য, হাইলি সোফিসটিকেটেড মিলিটারি হার্ডওয়্যার তৈরি করার মতো দক্ষতা বেজিংয়ের নেই। তাই বেচতে হচ্ছে গলতি সামরিক সরঞ্জামই। অভিজ্ঞ মহলের মতে, চিনের এই ‘প্রতারণা’টাই মেনে নিতে পারছে না বাংলাদেশ। তাই বেজিংয়ের ওপর বেজায় খাপ্পা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। নিম্নমানের সামরিক সরঞ্জাম দিয়ে কমিউনিস্ট-শাসিত দেশটি তাঁদের ঠকিয়েছে বলে মনে করেন হাসিনা। সেই কারণেই তিস্তা প্রকল্পের ভার চিনকে না দিয়ে ভারতকে দিতে চেয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: “অসমে দ্রুত বাড়ছে মুসলমান, জীবন-মরণের সমস্যা”, বললেন হিমন্ত

    প্রসঙ্গত, পশ্চিমের দেশগুলির তুলনায় সস্তায় মেলে চিনা সামরিক সরঞ্জাম। তাই উন্নয়নশীল দেশগুলির অনেকেই কেনে সস্তার চিনা সরঞ্জাম। তবে সেই সস্তার জিনিসেই যে এত গলদ থাকবে, তা বোধহয় প্রথমে বুঝতে পারেনি হাসিনা সরকার। যখন বুঝল, তখন অনেকটা দেরি হয়ে গিয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, হাসিনা বেশ (China) বুঝেছেন নরেন্দ্র মোদির ভারতই বাংলাদেশের (Bangladesh Military) সব চেয়ে বেশি ভরসার জায়গা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Protest: অশান্ত বাংলাদেশ, দেশে ফিরছেন ভারতীয় পড়ুয়ারা, বিশেষ নির্দেশ জারি হাই কমিশনের

    Bangladesh Protest: অশান্ত বাংলাদেশ, দেশে ফিরছেন ভারতীয় পড়ুয়ারা, বিশেষ নির্দেশ জারি হাই কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংরক্ষণ-বিতর্কে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি বাংলাদেশে (Bangladesh Protest)। এই অশান্ত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় ছাত্রদের জন্য উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। বাংলাদেশে অবস্থিত ছাত্রদের জন্য বিশেষ নির্দেশ দিয়েছে ভারতীয় হাই কমিশন (Indian High Commission)। ভারতীয় হাই কমিশনের তরফে অ্যাডভাইসরি রিপোর্টে বলা হয়, ‘বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় সম্প্রদায়ের সদস্য এবং বাংলাদেশে পড়তে আসা পড়ুয়াদের বাইরে না বেরনোর জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত স্ব-স্ব স্থানে থাকুন। কোথাও ভ্রমণের জন্য বেরবেন না।’ 

    উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি (Bangladesh Protest)

    বাংলাদেশে (Bangladesh Protest) এই মুহূর্তে ১৫ হাজারের বেশি ভারতীয় রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে পড়ুয়ার সংখ্যা ৮৫০০। অশান্ত পরিস্থিতিতে তাঁদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তা বাড়ছে নয়াদিল্লির। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, ‘‘বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে যে ভারতীয় পড়ুয়ারা আটকে পড়েছেন, তাঁদের ফেরানো হচ্ছে।’’ পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি উত্তর-পূর্ব ভারতের চার রাজ্য— অসম, মেঘালয়, ত্রিপুরা এবং মিজোরামের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে। এ রাজ্যের পেট্রাপোল, চ্যারাবান্ধার পাশাপাশি ত্রিপুরার আখাউড়া এবং মেঘালয়ের ডাউকির সীমান্তে অভিবাসন কেন্দ্র (ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট) দিয়েও ফেরানো হচ্ছে ভারতীয় পড়ুয়াদের। মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা শনিবার জানান, বাংলাদেশ সীমান্ত পেরিয়ে তাঁর রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ৪০৫ জন ভারতীয় পড়ুয়া এসেছেন। তিনি বলেন, ‘‘গত ২৪ ঘণ্টায় সীমান্তবর্তী অভিবাসন কেন্দ্রে অনেক ভারতীয় পড়ুয়া পৌঁছেছেন।’’

    বিদেশি ছাত্রছাত্রীও ফিরছেন

    বাংলাদেশ (Bangladesh Protest) থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ত্রিপুরা এবং মেঘালয় দিয়ে শুধু শুক্রবারই ভারতে ফিরেছেন ৩০০-র বেশি পড়ুয়া। তাঁদের মধ্যে  অনেক বিদেশি ছাত্রছাত্রীও ভারত হয়ে দেশে ফিরছেন। শুক্রবার কোচবিহারের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের মেখলিগঞ্জ গেট দিয়ে বাংলাদেশের রংপুর মেডিক্যাল কলেজের বেশ কয়েক জন ডাক্তারি পড়ুয়া ভারতে প্রবেশ করেন। তাঁদের মধ্যে ছ’জন ভারতীয় ছাত্রছাত্রী। এ ছাড়া নেপালের ন’জন পড়ুয়া এবং ভুটানের ১৮ জন ছাত্রছাত্রী ভারতে ঢোকেন। এখান থেকে তাঁরা নিজেদের দেশে চলে যাচ্ছেন। 

    আরও পড়ুন: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০৫, কার্ফু জারি দেশজুড়ে, নামল সেনা

    কেন সংরক্ষণ, কাদের জন্য 

    সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণ-বিতর্ক নিয়েই অশান্তির (Bangladesh Protest) সূত্রপাত। মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের জন্য ৩০ শতাংশ সংরক্ষণ বাতিলের দাবি জানান হয়। ১৯৭২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মুজিবর রহমান বাংলাদেশে সংরক্ষণ-ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। যেখানে  ৩০ শতাংশ সরকারি চাকরি মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের জন্য সংরক্ষিত রাখার কথা বলা হয়। কিন্তু এই সংরক্ষণের বিরুদ্ধে ডাক ওঠে। সেই ইস্যুই নিয়েই দেশের অন্দরে কার্যত যুদ্ধের চেহারা নেয়।

    আন্দোলনকারীদের দাবি (Bangladesh Protest)

    আন্দোলনকারীদের (Bangladesh Protest) দাবি, এই সংরক্ষণের জন্যই সরকারি চাকরির সুযোগ পাচ্ছে না সাধারণ মেধাবীরা। অন্যদিকে, হাসিনা সরকারের দাবি, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানাতেই তাঁদের পরিবারের জন্য় ৩০ শতাংশ সংরক্ষণ। এদিকে সংরক্ষণ বাতিলের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ধীরে ধীরে তা ছড়িয়ে পড়ে জাহাঙ্গির নগর এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়েও। পথে নামে হাজার হাজার ছাত্র। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বাসে। আন্দোলনে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে বিভিন্ন হাইওয়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০৫, কার্ফু জারি দেশজুড়ে, নামল সেনা

    Bangladesh: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০৫, কার্ফু জারি দেশজুড়ে, নামল সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনে অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ (Bangladesh)। নিহতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০৫, এখনও পর্যন্ত সেই পরিসংখ্যানই জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা এএফপি। এই আবহে দেশজুড়ে হাসিনা সরকার জারি করল কার্ফু। শুক্রবার রাতেই এ কথা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন শেখ হাসিনার সরকারের প্রেস সচিব নাইমুল ইসলাম খান বলেন, “সরকার কার্ফু জারি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে।” পাশাপাশি, আওয়ামি লিগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, “স্থানীয় প্রশাসনকে সাহায্যের পাশাপাশি শান্তি ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সেনা নামানো হয়েছে (Anti Reservation protest)।”

    বেড়েই চলেছে মৃত্যু সংখ্যা

    হিংসাত্মক আন্দোলনে প্রতিবাদী পড়ুয়া ও পুলিশ-সরকারপক্ষের সংঘর্ষে একের পর এক প্রাণের বলি হচ্ছে প্রতিবেশী রাষ্ট্রে। বিভিন্ন বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা ইতিমধ্যেই একশ পার করেছে। শেষ খবর অনুযায়ী, ১০৫ জন মারা গিয়েছেন। বৃহস্পতিবার মৃতের সংখ্যা ৪০-র ঘরে ছিল। শুক্রবার সেই সংখ্যাটা একলাফে বেড়ে ১০০-র গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছে বলে এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আহতের সংখ্যাও। এখনও পর্যন্ত যা খবর মিলেছে, তাতে ২৫০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন  বলে জানা গিয়েছে।

    কী বলছেন বাংলাদেশের (Bangladesh) আন্দোলনকারীদের নেতা?

    অন্যদিকে, সংরক্ষণ ইস্যুতে হাসিনা সরকার (Bangladesh) আন্দোলনকারীদের আলোচনায় বসার প্রস্তাব দিলেও তাঁরা তা খারিজ করেছেন। শীর্ষস্থানীয় আন্দোলনকারী নেতা সরোয়ার তুষার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব। শেখ হাসিনার পদত্যাগ চাই।” প্রসঙ্গত, আন্দোলনে অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে বন্ধ (Anti Reservation protest) রাখা হয়েছে ট্রেন চলাচল। আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে আনতে ইতিমধ্যে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রেখেছে হাসিনা সরকার। বৃহস্পতিবার রাত থেকে বাংলাদেশের স্তব্ধ হয়ে গেছে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, গুজব রুখতেই এমন ব্যবস্থা। এর পাশাপাশি যে কোনও ধরনের মিছিল-সমাবেশেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে হাসিনা সরকার। তবে এতেও পরিস্থিতি খুব একটা নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি।

    জেলে হামলা বিক্ষোভকারীদের

    এর মধ্যেই নরসিংডি জেলার একটি জেলে আগুন লাগিয়ে দেয় আন্দোলনকারীরা। সে দেশের সংবাদ মাধ্যমগুলির দাবি, ওই আগুন লাগানোর ফলে জেল থেকে শতাধিক কয়েদি পালিয়ে (Bangladesh) গিয়েছে। এক জেল আধিকারিক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বিক্ষোভকারীরা জেলে হামলা করার পরে শতাধিক কয়েদি পালিয়েছে। এক প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, তিনি নিজেই অন্তত কুড়ি জন কয়েদিকে পালাতে দেখেছেন। এদিকে যে সমস্ত ভারতীয় পড়ুয়া বাংলাদেশ ছিলেন তাঁরা দেশে ফিরছেন। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের চুয়াডাঙ্গা দর্শন চেক পোস্ট হয়ে তাঁরা ফিরছেন বলে খবর। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত ৭০জন পড়ুয়া ভারতে ফিরেছেন। এর পাশাপাশি পড়শি দেশ নেপালেও ফিরে যাচ্ছেন পড়ুয়ারা।

    কেন সংরক্ষণ ইস্যুতে উত্তাল বাংলাদেশ?

    বাংলাদেশের (Bangladesh) সংরক্ষণের নিয়ম নিয়েই এই অশান্তির সূত্রপাত। ২০১৮ সালেও একই বিষয়ে আন্দোলন উত্তাল হয়ে উঠেছিল দেশটি। প্রসঙ্গত, সরকারি চাকরিতে সে দেশে মোট ৫৬ শতাংশ আসন সংরক্ষিত ছিল, যার মধ্যে ৪৪ শতাংশ আসন সাধারণের জন্য নির্ধারিত ছিল। ৫৬ শতাংশ আসনের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের জন্য ৩০ শতাংশ, নারীদের জন্য ১০%, জেলার জন্য ১০%, জনজাতিদের জন্য ৫ শতাংশ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ শতাংশ ছিল। ২০১৮ সালে সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনের সময় শেখ হাসিনা সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের ৩০ শতাংশ, নারীদের ১০ শতাংশ ও জেলার ১০ শতাংশ আসন বাতিল করে দেন। রাখা হয় শুধু জনজাতিদের ৫ শতাংশ, প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ শতাংশ সংরক্ষণ। এ নিয়ে মামলা গড়ায় বাংলাদেশের হাইকোর্টে। চলতি বছরের ৫ জুন হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, হাসিনা সরকারের নির্দেশ অবৈধ। ফের প্রতিবাদ আন্দোলনে নামেন পড়ুয়ারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: একদিনে মৃত ১৯! সংরক্ষণ আন্দোলনে অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, মামলার শুনানি রবিতে

    Bangladesh: একদিনে মৃত ১৯! সংরক্ষণ আন্দোলনে অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, মামলার শুনানি রবিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনের জেরে অগ্নিগর্ভ গোটা বাংলাদেশ (Bangladesh)। সে দেশের প্রথম সারির সংবাদমাধ্যম ‘প্রথম আলো’র দাবি, বৃহস্পতিবার গোটা দেশে এমন সংঘর্ষে (Agitation in Bangladesh) মৃত্যু হয়েছে আরও ১৯ জনের। অর্থাৎ মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩২। তাঁদের মধ্যে কারও মৃত্যু হয়েছে গুলিতে, কারও বা ধারালো অস্ত্রের কোপে। ‘প্রথম আলো’র  আরও দাবি শুধু রাজধানী ঢাকাতেই মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের। এদের মধ্যে অধিকাংশই পড়ুয়া এবং প্রত্যেকেরই বয়স ৩০-এর নিচে বলে জানা গিয়েছে। মর্মান্তিকভাবে একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রেরও মৃত্যু হয়েছে বৃহস্পতিবার, এমনই খবর সামনে এসেছে। প্রসঙ্গত, সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণ বাতিলের দাবিতে বাংলাদেশ (Bangladesh) জুড়ে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ ও আওয়ামি লিগের নেতা-কর্মীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ চলছে।

     রবিবারই শুনানির দিন ধার্য করেছে বাংলাদেশের চেম্বার আদালত

    এই আবহে পুলিশের বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগও উঠেছে। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মীও জখম হয়েছেন। ভাঙচুর, অগ্নি-সংযোগের ঘটনাও ইতিমধ্যে ঘটছে। একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, হাজারেরও ওপরে পৌঁছেছে সেদেশে (Agitation in Bangladesh) জখম সংখ্যা। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের শেখ হাসিনা সরকার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের দাবির সঙ্গে তারা নীতিগতভাবে সহমত এবং তারা আলোচনাতে বসতেও প্রস্তুত। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের (Bangladesh) সংরক্ষণ সংক্রান্ত মামলাটির রবিবারই শুনানির দিন ধার্য করেছে বাংলাদেশের চেম্বার আদালত।

    সমাজমাধ্যমে গুজব, অপপ্রচার রুখতে ইন্টারনেটে রাশ টেনে ধরেছে বাংলাদেশ সরকার

    পড়ুয়াদের এমন বিক্ষোভ আন্দোলনের জেরে বাংলাদেশের (Bangladesh) স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হয়েছে গত কয়েকদিন ধরেই। মাঝখানে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গিয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। পাশাপাশি বৃহস্পতিবার ঢাকায় মেট্রো পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দেশ জুড়ে ইন্টারনেট ব্যবস্থাতে অশান্তির প্রভাব পড়েছে। দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়ছে সংঘর্ষের ছবি, ঠিক এই আবহে সমাজমাধ্যমে গুজব, অপপ্রচার রুখতে ইন্টারনেটে রাশ টেনে ধরেছে বাংলাদেশ (Agitation in Bangladesh) সরকার। তবে ইন্টারনেট পরিষেবা একেবারে বন্ধ করে দেওয়া হয়নি।

    কেন সংরক্ষণ ইস্যুতে উত্তাল বাংলাদেশ?

    বাংলাদেশের (Bangladesh) সংরক্ষণের নিয়ম নিয়েই এই অশান্তির সূত্রপাত। ২০১৮ সালেও একই বিষয়ে আন্দোলন উত্তাল হয়ে উঠেছিল দেশটি। প্রসঙ্গত, সরকারি চাকরিতে সে দেশে মোট ৫৬ শতাংশ আসন সংরক্ষিত ছিল, যার মধ্যে ৪৪ শতাংশ আসন সাধারণের জন্য নির্ধারিত ছিল। ৫৬ শতাংশ আসনের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের জন্য ৩০ শতাংশ, নারীদের জন্য ১০%, জেলার জন্য ১০%, জনজাতিদের জন্য ৫ শতাংশ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ শতাংশ ছিল। ২০১৮ সালে সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনের সময় শেখ হাসিনা সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের ৩০ শতাংশ, নারীদের ১০ শতাংশ ও জেলার ১০ শতাংশ আসন বাতিল করে দেন। রাখা হয় শুধু জনজাতিদের ৫ শতাংশ, প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ শতাংশ সংরক্ষণ। এ নিয়ে মামলা গড়ায় বাংলাদেশের হাইকোর্টে। চলতি বছরের ৫ জুন হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, হাসিনা সরকারের নির্দেশ অবৈধ। ফের প্রতিবাদ আন্দোলনে নামেন পড়ুয়ারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Sheikh Hasina: কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাশে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, দিলেন বড় আশ্বাস

    PM Sheikh Hasina: কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাশে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, দিলেন বড় আশ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (PM Sheikh Hasina)। বুধবার সন্ধ্যায় তিনি বলেন, “সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে বাংলাদেশজুড়ে যে সঙ্কট চলছে, আইনি প্রক্রিয়ায় তার সমাধানের সুযোগ রয়েছে। উচ্চ আদালত থেকে ন্যায় বিচারই পাবে ছাত্রসমাজ। আদালতের রায়ে হতাশ হবেন না শিক্ষার্থীরা।” সংরক্ষণ নিয়ে সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের আশ্বাসও দেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

    উত্তাল বাংলাদেশ (PM Sheikh Hasina)

    সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে সংরক্ষণ ব্যবস্থা বাতিলের দাবিতে ছাত্র-যুব আন্দোলনের জেরে উত্তাল বাংলাদেশ। রাজধানী ঢাকা-সহ সে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মঙ্গলবার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ছ’জনের। আন্দোলনের জেরে বুধবার থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এহেন আবহে এদিন সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ‘গণভবন’ থেকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন হাসিনা। বলেন, “হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতে আদালতে আপিল করেছে সরকার। তার ভিত্তিতে ধার্য হয়েছে শুনানির দিনও। শিক্ষার্থীদের বক্তব্য জানানোর সুযোগ করে দিয়েছে আদালত। এই আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের সুযোগ রয়েছে। তা সত্ত্বেও রাস্তায় আন্দোলনে নেমে দুষ্কৃতীদের সংঘাতের সুযোগ করে দেবে না বাংলাদেশ সরকার।”

    কী বললেন হাসিনা?

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী (PM Sheikh Hasina) বলেন, “সর্বোচ্চ আদালতের রায় আসা পর্যন্ত সবাইকে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করার অনুরোধ জানাচ্ছি।” তিনি বলেন, “আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করছি, যারা হত্যাকাণ্ড, লুটপাট ও সন্ত্রাসমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়েছে, এরা যেই হোক না কেন, তারা যেন উপযুক্ত শাস্তি পায়, সেই ব্যবস্থা করা হবে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সংরক্ষণ আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে দেশে সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে। এর ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে যা ঘটনা ঘটেছে, তা খুবই বেদনাদায়ক ও দুঃখজনক। অহেতুক কতগুলো মূল্যবান জীবন ঝরে গেল। তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।”

    আরও পড়ুন: প্যারিস অলিম্পিক্সের সুরক্ষায় ভারতের সারমেয়কুল, কেন জানেন?

    এদিকে, বুধবারও অশান্তির খবর এসেছে রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি বরিশাল, সিলেট এবং কুমিল্লা থেকেও। সংঘর্ষ রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-সহ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাস খালি করতে গিয়ে আন্দোলনকারীদের বাধার (Bangladesh) মুখে পড়ে পুলিশ। কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটিয়ে পরিস্থিতি আনা হয় (PM Sheikh Hasina) নিয়ন্ত্রণে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sheikh Hasina: তিস্তা প্রকল্প রূপায়ণ করুক ভারত, চাইছেন হাসিনা, জানালেন কারণও

    Sheikh Hasina: তিস্তা প্রকল্প রূপায়ণ করুক ভারত, চাইছেন হাসিনা, জানালেন কারণও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিস্তা প্রজেক্ট (Teesta Project) করুক ভারত। চান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। এই প্রকল্পটি করতে চেয়েছিল চিনও। এগিয়েছিল ভারতও। এহেন আবহে দিন কয়েক আগে চিন সফরে যান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তার আগেই ভারত সফর সেরে গিয়েছেন তিনি।

    কী বলছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী? (Sheikh Hasina)

    কমিউনিস্ট শাসিত শি জিনপিংয়ের দেশ থেকে ফিরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিলেন, তিনি চান তিস্তা প্রকল্পটি করুক ভারত। কী জন্য এই প্রকল্প রূপায়ণে তিনি ভারতকে চান, তাও ব্যাখ্যা করেছেন আওয়ামি লিগের সর্বময় কর্ত্রী। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে হাসিনা বলেন, “ভারতের পাশাপাশি এই প্রকল্পে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চিন-ও। তবে সব দিক বিবেচনা করে আমি চাই তিস্তা প্রকল্পটি রূপায়ণ করুক ভারত।” তিনি বলেন, “তিস্তার জল ভারতের নিয়ন্ত্রণে। তাই তারা এই প্রজেক্ট করুক। তারা যদি এই প্রকল্পটি রূপায়ণ করতে চায়, তাহলে সর্বোতভাবে সাহায্য করা হবে।”

    তিস্তার জলবণ্টন চুক্তি

    তিস্তার জলবণ্টন চুক্তিকে ঘিরে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কে জটিলতা তৈরি হয়েছে। ভারত থেকে নদীটি গিয়ে ঢুকেছে বাংলাদেশে। তাই তিস্তার জলের ন্যায্য দাবিদার বাংলাদেশও। তবে বাংলাদেশকে দেওয়ার মতো যথেষ্ট পরিমাণ জল নেই বলে তিস্তা চুক্তিতে সায় দেননি পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিস্তা চুক্তি প্রসঙ্গে কেন্দ্রকে নিশানা করেছিলেন (Sheikh Hasina) তিনি। বলেছিলেন, “ওরা কীভাবে তিস্তার জল দিতে পারে? সিকিম ১৪টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প তৈরি করেছে। সিকিমের প্রজেক্ট তৈরির সময় খেয়াল রাখা উচিত ছিল কেন্দ্রের। সব জল সিকিম নিয়ে যাচ্ছে…।” মমতার দাবি, বাংলাদেশকে তিস্তার জল দিলে সমস্যায় পড়বেন পশ্চিমবঙ্গের উত্তর প্রান্তের বাসিন্দারা।

    আরও পড়ুন: নিশানায় ছিল অমরনাথ! সীমান্তে ফের অনুপ্রবেশ রুখল সেনা, খতম তিন জঙ্গি

    প্রসঙ্গত, তিস্তার অববাহিকায় বিরাট জলাধার নির্মাণ করে বৃষ্টির জল ধরে রাখার পরিকল্পনা করেছে বাংলাদেশ। এই প্রকল্পই রূপায়ণ করতে চায় শি জিনপিংয়ের দেশ। আগ্রহী নরেন্দ্র মোদির ভারতও। টানটান করা (Teesta Project) স্নায়ুর লড়াইয়ে যে শেষ হাসি হাসল ভারতই, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর (Sheikh Hasina) কথায়ই তা স্পষ্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bangladesh: ঢাকায় আওয়ামি লিগ কাউন্সিলরের নেতৃত্বে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলা, জখম ৬০

    Bangladesh: ঢাকায় আওয়ামি লিগ কাউন্সিলরের নেতৃত্বে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলা, জখম ৬০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) ধর্মীয়ভাবে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপরে ফের একটি আক্রমণের ঘটনা সামনে এসেছে। ইসলামিক উগ্র মৌলবাদীরা এই হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ। হামলায় নেতৃত্ব দেন স্থানীয় এক আওয়ামী লিগ নেতা। বুধবার হিন্দুদের ওপর এমন আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে রাজধানী ঢাকার মিরানজিল্লা কলোনিতে। ঘটনায় ৬০ জন হিন্দু গুরুতর জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের ঢাকা (Hindus in Dhaka) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। হিন্দুদের ওপর এমন হামলার ঘটনা ফের একবার প্রশ্নের মুখের দাঁড় করাল বাংলাদেশের সংখ্যালঘু নিরাপত্তাকে।

    কীভাবে শুরু গণ্ডগোল (Bangladesh)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গন্ডগোলের সূত্রপাত হয় বুধবার দুপুর দেড়টা নাগাদ। যখন ঢাকার (Bangladesh) স্থানীয় এক প্রশাসনিক আধিকারিক মিরানজিল্লা কলোনি পরিদর্শনে আসেন। ওই কলোনিতে একটি নবনির্মিত কেন্দ্রে সংখ্যালঘু হিন্দুদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা তিনি খতিয়ে দেখতে থাকেন। কিন্তু সংখ্যালঘু হিন্দুদের এমন পুনর্বাসন কেন্দ্র নিয়ে আপত্তি জানান স্থানীয় আওয়ামি লিগের নেতারা, (Bangladesh) সেটাই পরবর্তীকালে রূপ নেয় সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষে। জানা গিয়েছে, উত্তেজিত উগ্রবাদী মুসলিম জনতা এরপরেই ইট, পাথর ছুড়তে থাকে। বহু হিন্দু বাড়িতে (Hindus in Dhaka) লুট চালানো হয়, ভাঙচুর করা হয়।

    মূলচক্রী মহম্মদ আওয়াল হোসেন  

    ঘটনার মূলচক্রী হিসেবে নাম উঠে আসছে আওয়ামি লিগ নেতা মহম্মদ আওয়াল হোসেনের। তবে এটাই নতুন বা প্রথম কিছু নয়। এমন ঘটনা বাংলাদেশে (Bangladesh) ঘটেই থাকে। গত জুন মাসের ১৯ তারিখ মাদারিপুর জেলাতেও একই ধরনের ঘটনা সামনে এসেছিল যেখানে স্থানীয় একটি হিন্দু মন্দিরের ওপর হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share