Tag: Bangladesh

Bangladesh

  • Bangladesh: এবার কাঠগড়ায় ইউনূস, অসাংবিধানিক উপায়ে অপসারণের “নীল নকশা” করার অভিযোগ

    Bangladesh: এবার কাঠগড়ায় ইউনূস, অসাংবিধানিক উপায়ে অপসারণের “নীল নকশা” করার অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) তদারকি সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূসের (Mohammad Yunus) বিরুদ্ধে উঠল ষড়যন্ত্রের অভিযোগ। তাঁর বিরুদ্ধে অসাংবিধানিক উপায়ে অপসারণের “নীল নকশা” করার অভিযোগ তুলেছেন। দিন কয়েক আগেই বিএনপি সুপ্রিমো তারিক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের কয়েক দিনের মধ্যেই দক্ষিণ এশীয় দেশ বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন তোপ দাগলেন ইউনূসকে। বাংলাদেশের এক সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে শাহাবুদ্দিন দাবি করেন, ইউনূসের আমলে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার এবং একটি সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরির চেষ্টা করা হয়েছিল।

    সংবিধানের কোনও বিধানই মানেননি, তোপ রাষ্ট্রপতির (Bangladesh)

    তিনি ঢাকার রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে বলেন, “এই দেড় বছরে আমি কোনও আলোচনায় ছিলাম না, অথচ আমার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা স্থায়ীভাবে ধ্বংস করার এবং একটি সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরির বহু চেষ্টা হয়েছে (Bangladesh)।” প্রেসিডেন্ট জানান, অন্তর্বর্তী সরকার চলাকালে প্রাক্তন প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস তাঁর সঙ্গে সংবিধানসম্মতভাবে যোগাযোগও করেননি। তিনি বলেন, “বিদেশ সফর কিংবা রাষ্ট্রীয় বিষয়ে আমায় অবহিত করা হয়নি। অথচ, একে তিনি “সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা” হিসেবে উল্লেখ করেন। প্রেসিডেন্ট বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা সংবিধানের কোনও বিধানই মানেননি। বিদেশ সফর শেষে তাঁর আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে লিখিতভাবে সফরের ফল জানানোর কথা ছিল। তিনি ১৪ থেকে ১৫ বার বিদেশ গিয়েছেন, কিন্তু একবারও আমায় জানাননি। কখনও দেখা করতেও আসেননি (Mohammad Yunus)।”

    আমায় ‘প্রাসাদবন্দি’ করে রাখা হয়েছিল

    শাহাবুদ্দিনের অভিযোগ, গত দেড় বছরে তাঁকে কার্যত ‘প্রাসাদবন্দি’ করে রাখা হয়েছিল। তাঁর পরিকল্পিত দুটি বিদেশ সফরে বাধা দেয় ইউনূস প্রশাসন (Bangladesh)। রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত, বিশেষ করে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারির বিষয়ে প্রাক্তন প্রধান উপদেষ্টা তাঁর সঙ্গে সমন্বয় করেছিলেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে শাহাবুদ্দিন বলেন, ‘কিছু অধ্যাদেশ পরিস্থিতির কারণে প্রয়োজন হতে পারে, কিন্তু এত বিপুল সংখ্যক অধ্যাদেশ জারির যৌক্তিকতা ছিল না।’ নির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তী সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে সর্বশেষ চুক্তি সম্পাদন করেছিল, সে বিষয়ে তিনি অবগত ছিলেন কি না—এ প্রশ্নের উত্তরে প্রেসিডেন্ট জানান, তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানতেন না। এই ধরনের রাষ্ট্রীয় চুক্তি তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো উচিত ছিল (Bangladesh)। তিনি বলেন, “না, আমি কিছুই জানি না। এমন রাষ্ট্রীয় চুক্তির বিষয়ে আমায় জানানো উচিত ছিল (Mohammad Yunus)। ছোট হোক বা বড়—পূর্ববর্তী সরকারের প্রধানরা অবশ্যই রাষ্ট্রপতিকে জানাতেন। এটি একটি সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। কিন্তু তিনি তা করেননি। মৌখিক বা লিখিতভাবে কিছুই জানাননি। তিনি আসেনওনি। অথচ তাঁর আসার কথা ছিল!”

    ‘আমার জায়গায় বসানোর ষড়যন্ত্র’

    শাহাবুদ্দিন বলেন, “এক পর্যায়ে অসাংবিধানিক উপায়ে একজন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতিকে এনে আমার জায়গায় বসানোর ষড়যন্ত্রও হয়েছিল।” তবে তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট বিচারপতি সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি ২০২৪ সালের ২২ অক্টোবর বঙ্গভবনের বাইরে হওয়া বিক্ষোভকে “ভয়াবহ এক রাত” হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “জনতাকে সংঘবদ্ধ করা হয়েছিল এবং রাষ্ট্রপতির বাসভবনে লুটপাটের চেষ্টা হয়েছিল। পরে সেনা মোতায়েনের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।” শাহাবুদ্দিন বলেন, “বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং বিএনপি নেতৃত্ব আমায় সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সাহায্য করেছে। তিন বাহিনীর প্রধানরা আমায় স্পষ্টভাবে বলেছেন, “আপনি সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। আপনার পরাজয় মানে পুরো (Mohammad Yunus) সশস্ত্র বাহিনীর পরাজয়। আমরা যে কোনও মূল্যে তা প্রতিরোধ করব (Bangladesh)।”

     

  • Murshidabad: সিম কার্ডের ওটিপি পাকিস্তানে পাচার! বহরমপুরে গ্রেফতার অভিযুক্ত, পশ্চিমবঙ্গ কি ভারতবিরোধিতার আখড়া হয়ে উঠল?

    Murshidabad: সিম কার্ডের ওটিপি পাকিস্তানে পাচার! বহরমপুরে গ্রেফতার অভিযুক্ত, পশ্চিমবঙ্গ কি ভারতবিরোধিতার আখড়া হয়ে উঠল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার পর এবার মুর্শিদবাদ (Murshidabad)! পশ্চিমবঙ্গ কি জঙ্গি-ভারতবিরোধিতার আখড়া হয়ে উঠল? তা না হলে, কীভাবে একের পর এক ভারত বিরোধী কার্যকলাপ এরাজ্যে ঘটে চলেছে? এরাজ্যে এসে বড়সড় নাশকতার ষড়যন্ত্র ফাঁস করেছে দিল্লি পুলিশ। মালদা থেকে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল ২ জনকে গ্রেফতার করেছে। এই ঘটনার মধ্যে মুর্শিদাবাদে দুই যুবকের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির (Pakistani Spy) অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। ইতিমধ্যে দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে বেঙ্গল এসটিএফ। তার মধ্যে একজনকে কিছুদিন আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল। এই অভিযুক্তকে জেরা করে সূত্র ধরে বহরমপুর থেকে অন্য আরেক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত যুবেকের নাম সুমন শেখ। অভিযোগ, তারা পাকিস্তানে সিম কার্ডের ওটিপি পাচার করত।

    চব্বিশ বছরের বয়সী যুবক (Murshidabad)

    জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহে মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা জুহাব শেখকে গ্রেফতার করেছিল এসটিএফ। এই অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করে চব্বিশ বছরের সুমনের নাম জানতে পারেন তদন্তকারী অফিসাররা। বহরমপুরের গির্জার মোড় এলাকা থেকে প্রথমে সুমনকে আটক করা হয়। এরপর তার বাড়িতে নিয়ে যান তদন্তকারীরা। ধৃত দুজনের বিরুদ্ধে ভারতীয় সিম কার্ডের ওটিপি পাকিস্তানে (Pakistani Spy) পাচার করার অভিযোগ রয়েছে। কোন অভিপ্রায়ে চলত ওটিপি পাচার? জানা গিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে বহু পাকিস্তানিদের সঙ্গে যোগ রয়েছে সুমনের। রবিবার সুমনকেও গ্রেফতার করা হয়। কার্যত পাকিস্তানি গুপ্তচর হিসাবেই কাজ করছিল এই যুবক। হোয়টসঅ্যাপে নম্বর ভেরিফিকেশনের জন্য যে ওটিপি আসে, তা পাকিস্তানে পাঠিয়ে দিত তারা। তাতে সেখানেই এই নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ খুলে যেত। আর এর বিনিময়ে তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকত।

    হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট খুলত

    ধৃত সুমন শেখের পরিবারের তরফে বলা হয়েছে, ছেলে ডেলিভারির কাজ করত। তদন্তকারী অফিসারদের বক্তব্য, ধৃত দুই জনই সিম কার্ড বিক্রেতা। সাধারণ মানুষের নথি ব্যবহার করে সিম কার্ড দিত। এই নম্বর দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট খুলত। নম্বর ভেরিফাইয়ের জন্য যে ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড বা ওটিপি আসত সেগুলি পাকিস্তান হ্যান্ডেলারদের (Pakistani Spy) পাঠিয়ে দিত। তার বিনিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা পেত। ওই সিমগুলি যারা ব্যবহার করে তাদের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট চলে পাকিস্তান থেকে। ছেলে অপকর্মে গ্রেফতার হওয়ায় মা মেনকা বিবি বলেন, “বহরমপুরে ডেলিভারির কাজ করত। কিসের জন্য পুলিশ গ্রেফতার করেছে তা জানা নেই। জুহাবকে আগে ধরেছে পুলিশ। সেই আমার ছেলের নাম বলেছে। আমি চাই ছেলে ছাড়া পাক।” জানা গিয়েছে, সুমনের বাবা বহরমপুরে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করেন। বর্তমানে তিনি বাড়িতে নেই। জেঠু গোলাম হোসেন বলেন, “সুমনকে কোথায় নিয়ে গিয়েছে আমরা জানি না, আমাদের পুলিশ কিছু বলেনি। আমরা বহরমপুরে গিয়েছিলাম।”

    কলকাতায় বাড়ি ভাড়া নিয়েছে

    এর আগে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল মালদা থেকে ২ জন জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের নাম উমর ফারুক এবং রবিউল ইসলাম। উমর মালদার বাসিন্দার কিন্তু রবিউল বাংলাদেশি। প্রত্যেকেই লস্করের সদস্য। এছাড়া তামিলনাড়ু থেকে গ্রেফতার হয়েছে মিজানুর রহমান, মহম্মদ শব্বত, উমর, মহম্মদ লিটন, মহম্মদ শহিদ ও মহম্মদ উজ্জ্বল। উল্লেখ্য এরা সবাই বাংলাদেশি। শাব্বির আহমেদ লোন নামে একজন হ্যান্ডলার নির্দেশে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ঢুকে জঙ্গি কর্মকাণ্ডের ছক করেছিল তারা। এই শাব্বির লোন হল কাশ্মীরি। ২০০৭ সালে এক আত্মঘাতী হামলার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২০১৯ সালে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে যায়। এরপর সেখানে গিয়ে ঘাঁটি গড়ে তোলে। সম্প্রতি কলকাতায় বাড়ি ভাড়া নিয়েছে। বড়সড় এক জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা করছিল এই শব্বির। আর সেই ছকের ঘুঁটি ছিল এই বাংলাদেশি জঙ্গিরা (Pakistani Spy)।

    উল্লেখ্য গত কয়েক মাস আগেই ওয়াকফের নামে ধুলিয়ান, সামশেরগঞ্জে কট্টরপন্থী মুসলিমরা হিন্দু সাম্প্রদায়ের উপর ব্যাপক ভাবে হিংসার ঘটনা ঘটায়। গত কয়েক মাসে আল কায়দা, আইএসআই, জেএমবি, লস্কর, পিএফআই সহ একাধিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত বেশকিছু জঙ্গিদের গ্রেফতার করা হয়েছে। সম্প্রতি এই জেলায় জঙ্গিদের ধরপাকড়ের ঘটনায় রাজ্যের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার বিষয়ে অত্যন্ত চিন্তা এবং উদ্বেগের চিত্র সামনে এসেছে।

  • Bangladesh: ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকা হয়ে আগরতলা-কলকাতা মৈত্রী বাস পরিষেবা পুনরায় চালু হচ্ছে

    Bangladesh: ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকা হয়ে আগরতলা-কলকাতা মৈত্রী বাস পরিষেবা পুনরায় চালু হচ্ছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-বাংলাদেশের (Bangladesh) দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে লক্ষ করা যাচ্ছে। দীর্ঘ সময় ধরে স্থগিত মৈত্রী বাস পরিষেবা, এবার আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা হয়ে আগরতলা ও কলকাতার (Agartala-Dhaka-Kolkata) মধ্যে পুনরায় চালু হতে চলেছে। এই পরিষেবা দুই দেশের মধ্যে যাত্রীদের জন্য স্বস্তি বয়ে আনবে। ২০২৪ সালে হাসিনাকে দেশ থেকে বিতারিত করার পর ভারত বাংলাদেশ সম্পর্কের ব্যাপক অবনতি ঘটে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতৃত্বে একটি স্থায়ী, গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের পর বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই পটভূমিতে মৈত্রী বাস পরিষেবা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির লক্ষ্যে এক উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।

    মানুষে মানুষে যোগাযোগ ব্যাপকভাবে সহজ হবে (Bangladesh)

    ত্রিপুরা রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের (টিআরটিসি) ভাইস চেয়ারম্যান সমর রায় বলেন, “দীর্ঘদিন পর, আগরতলা থেকে ঢাকা (Bangladesh) হয়ে কলকাতা পর্যন্ত মৈত্রী বাস (Agartala-Dhaka-Kolkata) পরিষেবা পুনরায় চালু হচ্ছে। আজ একটি সফল পরীক্ষামূলক পরিচালনা করা হয়েছে এবং সমস্ত প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি পর্যালোচনা করা হয়েছে। ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে পরিষেবাটি পুনরায় চালু হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “এই বাস পরিষেবা মঙ্গলবার, বৃহস্পতিবার এবং রবিবার আগরতলা থেকে কলকাতা যাবে। আর কলকাতা থেকে আগরতলা পরিষেবা সোমবার, বুধবার এবং শনিবার দিন চলবে। দীর্ঘ বিরতির পর এই পরিষেবা পুনরায় চালু হওয়ার ফলে দুই দেশের মধ্যে ভ্রমণ এবং মানুষে মানুষে যোগাযোগ ব্যাপকভাবে সহজ হবে।”

    তারেক রহমানের স্থিতিশীল সরকার

    ভারত বিশেষ করে ত্রিপুরার সঙ্গে ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের (Bangladesh) ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং প্রতিকূল রাজনৈতিক আবহাওয়ার কারণে যাত্রী পরিবহন (Agartala-Dhaka-Kolkata) পরিষেবা সহ বিভিন্ন আন্তঃসীমান্ত বিনিময় ব্যাহত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি একটি স্থিতিশীল সরকার গঠনের পর, ভারতের সাথে আস্থা ও সহযোগিতা পুনর্গঠনের প্রচেষ্টা চলছে।

    আগরতলার বাসিন্দারা আবারও ঢাকা হয়ে কলকাতায় সড়কপথে যাতায়াত করতে পারবেন। গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতার কারণে এই রুটটি বন্ধ ছিল। গত ৫ আগস্ট, ২০২৪ সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ এবং পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের শাসনে এই পরিষেবাটি স্থগিত করা হয়েছিল।

    মৈত্রী বাস পরিষেবা পুনরায় চালু করাকে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের স্বাভাবিকতা পুনরুদ্ধার এবং শক্তিশালী করার দিকে একটি প্রতীকী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • CAA: সিএএ অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া কার্যকর করল কেন্দ্র, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    CAA: সিএএ অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া কার্যকর করল কেন্দ্র, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইন (CAA) অনুযায়ী নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া কার্যকর করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। একই সঙ্গে রাজ্যে আইনটির অধীনে আবেদনগুলি প্রক্রিয়াকরণের জন্য একটি ‘এমপাওয়ার্ড কমিটি’ গঠনের কথাও জানানো হয়েছে। এই পদক্ষেপটি এমন একটা সময়ে নেওয়া হল, যখন পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক টানাপোড়েন চলছে। তৃণমূল কংগ্রেস সরকার বিভিন্ন ইস্যুতে কেন্দ্রের সঙ্গে মতবিরোধ রয়েছে এবং সিএএকে বৈষম্যমূলক বলে বিরোধিতা করে আসছে।

    সরকারি নির্দেশিকা (CAA)

    অতিরিক্ত সচিব নীতেশ কুমার ব্যাস জারি করা এক নির্দেশিকায় বলেন, “নাগরিকত্ব আইন, ১৯৫৫-এর ধারা ৬বি(১) এবং নাগরিকত্ব বিধি, ২০০৯-এর বিধি ১১এ(১) ও (৩) অনুসারে প্রাপ্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে কেন্দ্র পশ্চিমবঙ্গের সেনসাস অপারেশন্স দফতরের ডেপুটি রেজিস্ট্রার জেনারেলকে কমিটির প্রধান হিসেবে নিয়োগ করছে।” নির্দেশিকা অনুযায়ী, কমিটির সদস্যদের মধ্যে থাকবেন— সাবসিডিয়ারি ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর একজন ডেপুটি সেক্রেটারি পর্যায়ের আধিকারিক, সংশ্লিষ্ট বিদেশি আঞ্চলিক নিবন্ধন আধিকারিকের (FRRO) মনোনীত প্রতিনিধি, পশ্চিমবঙ্গের ন্যাশনাল ইনফরমেটিক্স সেন্টারের স্টেট ইনফরমেটিক্স অফিসার (উভয়েই আন্ডার সেক্রেটারি পর্যায়ের নীচে নন), এবং পোস্টমাস্টার জেনারেল বা মনোনীত ডেপুটি সেক্রেটারি পর্যায়ের ডাক বিভাগের আধিকারিক।

    নাগরিকত্ব আইন

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এই নির্দেশের মাধ্যমে নাগরিকত্ব আইনের ধারা ৬বি এবং নাগরিকত্ব বিধির ১১এ/১৩এ অনুসারে পশ্চিমবঙ্গে ‘এমপাওয়ার্ড কমিটি’ আনুষ্ঠানিকভাবে গঠন করে সিএএ-র কাঠামো কার্যকর করা হল। এর আগে ২০২৪ সালের ১১ মার্চ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এক বিজ্ঞপ্তিতে সারা দেশে নাগরিকত্ব আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য একটি সর্বভারতীয় কাঠামো তৈরি করা হয়েছিল। তবে বাস্তবে কার্যকর করার জন্য রাজ্যভিত্তিক কমিটি গঠনের প্রয়োজন ছিল। এই কমিটির কাজ হবে— সিএএ-তে নির্ধারিত যোগ্য নির্যাতিত সংখ্যালঘু আবেদনকারীদের আবেদন যাচাই করা, জেলা পর্যায়ের যাচাইকরণ সংস্থাগুলির সঙ্গে সমন্বয় করা এবং নাগরিকত্ব মঞ্জুর বা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া। আরও বলা হয়েছে, বৈঠকে দু’জন আমন্ত্রিত সদস্য থাকবেন। একজন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি (গৃহ) বা অতিরিক্ত মুখ্য সচিব (গৃহ) দফতরের একজন প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজারের একজন মনোনীত প্রতিনিধি।

    কী বলছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক 

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের মতে, এই বিজ্ঞপ্তি ২০২৪ সালের ১১ মার্চের নির্দেশিকার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যার মাধ্যমে অন্যান্য রাজ্যেও একই ধরনের কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এই কমিটিগুলির কাজ হল পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪-এর আগে ভারতে প্রবেশ করা নির্যাতিত অ-মুসলিম অভিবাসীদের নাগরিকত্ব যাচাই ও প্রদান করা। ২০২৪ সালে সরকার নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইন, ২০১৯ কার্যকর করে এবং সংশ্লিষ্ট বিধি জারি করে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে আগত অনথিভুক্ত অ-মুসলিম অভিবাসীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া দ্রুততর করে। এখন সিএএর অধীনে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে আগত নির্যাতিত অ-মুসলিম অভিবাসী— হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্শি ও খ্রিস্টানদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।

     

  • Food Corporation of India: বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির সঙ্গে পাঁচ বছরের চাল সরবরাহ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ভারতের খাদ্য কর্পোরেশন

    Food Corporation of India: বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির সঙ্গে পাঁচ বছরের চাল সরবরাহ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ভারতের খাদ্য কর্পোরেশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষুধা মোকাবেলার লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী মানবিক কাজকর্মের সমর্থনে এবার চাল সরবরাহ করবে ভারত। ভারতের খাদ্য কর্পোরেশন (Food Corporation of India) এবং বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (World Food Programme) একটি বিশেষ চুক্তির স্মারকে (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। বিশ্ববাসীকে অন্ন প্রদানের মাধ্যমে অন্নদান করবে ভারত।

    ২০০,০০০ মেট্রিক টন চাল সরবরাহ (Food Corporation of India)

    খাদ্য ও গণবণ্টন বিভাগের সচিবের উপস্থিতিতে ভারত সরকারের পক্ষে এফসিআই-এর (Food Corporation of India) সিএমডি রবীন্দ্র কুমার আগরওয়াল এবং ডাব্লিউএফপি-এর উপ-নির্বাহী পরিচালক কার্ল স্কাউ এই চুক্তি স্মারক স্বাক্ষর করেন। চুক্তিপত্র স্মারকের আওতায়, এফসিআই ডব্লিউএফপি-কে ২০০,০০০ মেট্রিক টন চাল (World Food Programme) সরবরাহ করবে। মোটামুটি ভাবে ২৫ শতাংশের যোগান দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এই চুক্তিপত্র স্মারক স্বাক্ষরের তারিখ থেকে আগামী পাঁচ বছরের জন্য বৈধ থাকবে। প্রয়োজন এবং চাহিদা অনুসারে পারস্পরিক সম্মতিতে এটি বাড়ানো যেতে পারে। বার্ষিক ভিত্তিতে পারস্পরিক সম্মতিতে দাম নির্ধারণ করা হবে। বর্তমান চালের মূল্য আগামী ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত প্রতি কুইন্টাল ২,৮০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    কেউ ক্ষুধার্ত থাকবে না

    খাদ্য ও গণবণ্টন বিভাগের সচিব সঞ্জীব চোপড়া বলেন, “ডব্লুএফপি (Food Corporation of India)-এর সঙ্গে আমাদের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে মানুষকে খাদ্য (World Food Programme) সরবরাহ করতে পুষ্টি এবং সম্মান রফতানি করছি। এই চুক্তিটি ভারতের দৃঢ় সংকল্পকে প্রতিফলিত করে। কেউ ক্ষুধার্ত থাকবে না, এই নীতিকেই এখন গুরুত্ব দিয়ে ভাবা হচ্ছে। অপুষ্টি এবং খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকবে সবসময়ে।”

    বিশ্বব্যাপী সংহতির প্রবক্তা ভারত

    জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির উপ-নির্বাহী পরিচালক কার্ল স্কাউ বলেন, “ভারতের সঙ্গে এই চুক্তি বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা মোকাবেলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ভারতের সহায়তা আগামী পাঁচ বছরে ডব্লুএফপি (WFP)-কে পুষ্টিকর খাদ্য ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কাছে আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে। একটি কৃষিপ্রধান দেশ এবং বিশ্বব্যাপী সংহতির প্রবক্তা হিসেবে, ভারত আমাদের শূন্য ক্ষুধা লক্ষ্যকে কার্যকর করতে অনুপ্রাণিত করে। এই রূপান্তরমূলক অংশীদারিত্বের জন্য আমি ভারতকে ধন্যবাদ জানাই।”

    এই অংশীদারিত্ব বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তার প্রতি ভারতের প্রতিশ্রুতিকে আরও জোরদার করবে। বিশ্বব্যাপী মানবিক চাহিদা পূরণে ডব্লুএফপি (World Food Programme)-এর সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করবে। বিশ্বব্যাপী খাদ্য ব্যবস্থায় বিশ্বস্ত ও দায়িত্বশীল ভূমিকায় ভারতের ভূমিকাকে আরও জোরদার করবে।

  • Estaurant Tax Scam: আয়কর ফাঁকির অভিযোগ তিন জনপ্রিয় বিরিয়ানি সংস্থার বিরুদ্ধে, ৭০০০০ কোটি টাকার দুর্নীতি

    Estaurant Tax Scam: আয়কর ফাঁকির অভিযোগ তিন জনপ্রিয় বিরিয়ানি সংস্থার বিরুদ্ধে, ৭০০০০ কোটি টাকার দুর্নীতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আয়কর ফাঁকির অভিযোগ ছিল তিন জনপ্রিয় বিরিয়ানি সংস্থার বিরুদ্ধে। এবার তা নিয়ে তল্লাশিতে নামতেই তদন্তকারী অফিসারদের চক্ষু একেবারে চড়কগাছ। বিরাট জালিয়াতি চক্রের খোঁজ পেয়েছে আয়কর দফতর। সংস্থার বিরুদ্ধে করফাঁকি এবং বিভিন্ন জায়গায় রেস্তরাঁ (Estaurant Tax Scam) ব্যবসায় সংক্রান্ত তথ্য গোপন করার অভিযোগ রয়েছে। সব মিলিয়ে ৭০০০০ কোটি টাকার আয় গোপন রাখা হয়েছে বিভিন্ন রেস্তরার পক্ষে। তবে নগদ টাকার হেরফের (Income Tax) করা হয়েছে সব থেকে বেশি। এই ভাবে খাবারের রেস্তোরাঁয় এতবড় জালিয়াতি আগে কখনও ধরা পড়েনি বলে সূত্রে জানা গিয়েছে।

    সর্বভারতীয় বিলিং সফ্টওয়্যার প্ল্যাটফর্মে ব্যবসা (Estaurant Tax Scam)

    হায়দ্রাবাদের জনপ্রিয় বিরিয়ানি সংস্থার (Estaurant Tax Scam) দিকে নজর ছিল সকলেরই। সেই মতো গত বছর নভেম্বর মাসে বিভিন্ন রেস্তরাঁয় হানা দিয়েছিল আয়কর দফতর। এই অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ৭০০০০ কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতি। প্রথম বিষয়টি গোপন করা হয়েছিল। এরপর সংবাদ মাধ্যমে বিষয়টি আলোড়িত হয়। জানা গিয়েছে সংস্থার পক্ষ থেকে সর্বভারতীয় বিলিং সফ্টওয়্যার প্ল্যাটফর্ম ব্যবসার করে এই আর্থিক (Income Tax) অনিয়ম করা হয়। ২০১৯-২০ সাল থেকেই এই কাজ করা হয়েছিল।

    সামান্য আয় দেখিয়ে আয়কর রিটার্ন জমা

    গোটা তদন্ত আয়কর আইনের মাধ্যমে তদন্ত করা হয়। এরপর ১৩৩ এ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। ২০১৯-২০ থেকে ২০২৫-২৬ পর্যন্ত অর্থবর্ষে লেনদেন সংক্রান্ত ৬০ টের বেশি টেরাবাইট তথ্য দিয়ে খতিয়ে দেখা হয়। আয়কর দফতর জানিয়েছে, দেশের ১ লক্ষের বেশি রেস্তরাঁ (Estaurant Tax Scam) ওই বিলিং সফ্টওয়্যার প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা হয়েছিল। এটা ভারতের রেস্তরাঁ ব্যবসার প্রায় ১০ শতাংশ। মোট ২ কোটি ৪২ লক্ষ কোটি টাকার বিল পরীক্ষা করে দেখেন তদন্তকারী অফিসাররা। তদন্তে জানা যায়, বিল তৈরির পর ১৩, ৩২৭ কোটি টাকার হিসেব মুছে দেওয়া হয়। ইচ্ছা করেই বিক্রির যথার্থ হিসেব গোপন করা হয়। হায়দ্রাবাদে আয়কর (Income Tax) বিভাগের ডিজিটাল ল্যাবে ফরেনসিক পরীক্ষা করা হয়। এআই ব্যবহার করে ১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকার হিসেব দেখতে রেস্তরাঁর আইডি, জিএসটি নম্বর, প্যান নম্বর সংক্রান্ত তথ্য খুঁটিয়ে দেখা হয়।

    কর্ণাটকে ২০০০ কোটির দুর্নীতি

    আয় কর বিভাগের দাবি করে জানিয়েছে, ১) কার্ড, UPI, নগদ লেনদেনের সব কিছু প্রথমে সিস্টেমের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। কিন্তু আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার আগে, অধিকাংশ লেনদেনের বাদ দেওয়া হয়। রেস্তরাঁয় (Estaurant Tax Scam) নগদ টাকার বিলগুলি সব সরিয়ে ফেলা হয়। আয় কম বিল গুলি দেখানো হয়। ২) রেস্তরাঁগুলি ৩০ দিন পর্যন্ত সময়সীমার আয়ের রেকর্ড ডিলিট করে দেয়। পরবর্তীতে সামান্য আয় দেখিয়ে আয়কর রিটার্ন জমা করে। ৩) আবার পুরোপুরি মুছে না ফেলে, আয় (Income Tax)কম দেখানো হয়।

    এই আর্থিক দুর্নীতি অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, তামিলনাড়ু, মহারাষ্ট্র, গুজরাটে ছড়িয়ে পড়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশে ৫১৪১ কোটি, কর্ণাটকে ২০০০ কোটি, তেলেঙ্গানায় ১৫০০, তামিলনাড়ুতে ১২০০ কোটি টাকার হিসেব ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে। আয়ের ২৭ শতাংশ লুকিয়ে রেখে হিসেব দেওয়া হয়েছে।

  • Paris: ফ্রান্সে তৈরি হচ্ছে বিএপিএস স্বামীনারায়ণ মন্দির, ভারত থেকে প্রাচীন ঐতিহ্যের শিলা পৌঁছলো প্যারিসে

    Paris: ফ্রান্সে তৈরি হচ্ছে বিএপিএস স্বামীনারায়ণ মন্দির, ভারত থেকে প্রাচীন ঐতিহ্যের শিলা পৌঁছলো প্যারিসে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্সে নির্মিত হচ্ছে প্রথম বিএপিএস (BAPS) স্বামীনারায়ণ মন্দির (Swaminarayan Mandir)। প্রাচীন স্থাপত্যের ঐতিহ্য বহন করে এমন ভারতীয় শিলা পাথর পৌঁছে গিয়েছে প্যারিসে (Paris)। ভারত ও ফ্রান্সের মধ্যে সুদৃঢ় সাংস্কৃতিক সম্পর্কের এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে এই স্বামীনারায়ণ হিন্দু মন্দির নির্মিত হতে চলেছে। মন্দির নির্মাণের জন্য এই পাথরগুলি ভারতের প্রাচীন স্থাপত্য কৌশলে খোদাই করা।

    সাংস্কৃতিক বিনিময়ের কেন্দ্র (Paris)

    ভারতের শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্য এবং অসাধারণ কারুকার্যমণ্ডিত এই পাথরগুলো প্যারিসে পৌঁছলে সেগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়। প্যারিসের (Paris) উপকণ্ঠে বুসি-সাঁ-জর্জে (Bussy-Saint-Georges) এই মন্দিরটি নির্মিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক গবেষকরা মনে করছেন এই মন্দির কেবল মন্দির (Swaminarayan Mandir) নয়, এটি ভারত ও ফ্রান্সের ক্রমবর্ধমান বহুমুখী সম্পর্ক এবং বিশেষ করে দুই দেশের জনগণের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময়ের প্রতিফলন। এই মন্দিরটি ভারতের প্রাচীন স্থাপত্য জ্ঞান এবং কারিগরদের দক্ষতার এক অনন্য নিদর্শন। ভারতীয় শিল্পকলাকে বিদেশের মাটিতে ভারতের ‘সফট পাওয়ার’ (Soft Power)-কে তুলে ধরবে। মন্দির নির্মাণে ব্যবহৃত এই বেলেপাথরগুলো ভারতের দক্ষ কারিগররা ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে খোদাই করে তৈরি করেছে। মন্দিরের জন্য নির্মিত পাথরের শিল্পকলা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ভারতের এক সংরক্ষিত শিল্পকলার নিদর্শন।

    ভারত-ফ্রান্স স্থাপত্য সহযোগিতার প্রতীক

    প্যারিসের এই বিএপিএস স্বামীনারায়ণ মন্দির নির্মাণে ভারতীয় কারিগরদের পাশাপাশি ফরাসি পাথর-মিস্ত্রিরাও কাজ করবেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই ফরাসি দলে এমন কারিগররাও রয়েছেন যারা বিখ্যাত ‘নটর-দাম ক্যাথেড্রাল’ (Notre-Dame Cathedral) সংস্কারের কাজে যুক্ত ছিলেন। এটি দুই দেশের জ্ঞান ও দক্ষতার আদান-প্রদান এবং সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনের এক অনন্য উদাহরণ হতে চলেছে। নতুন এই মন্দিরটি (Swaminarayan Mandir) কেবল একটি উপাসনালয় হবে না, বরং এটি ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের চর্চা, শিক্ষা এবং সামাজিক মেলবন্ধনের একটি কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে। প্রাচীন ভারতীয় দর্শনকে বিশ্বকল্যাণের কাজে ছড়িয়ে দিতেও এই মন্দির বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।

    ভারত ও ফ্রান্সের দক্ষতাকে এক সুতোয় গাঁথা

    প্যারিস (Paris) মন্দির নির্মাণ প্রকল্পের সিইও এবং বিএপিএস ইউকে ও ইউরোপের ট্রাস্টি সঞ্জয় কারা বলেন, “ভারত থেকে প্রথম পাথরের আগমন একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। প্রতিটি পাথর আমাদের ঐতিহ্য ও যত্নের প্রতীক। মহন্ত স্বামী মহারাজের সেবা, নম্রতা ও সম্প্রীতির আদর্শে অনুপ্রাণিত এই প্রকল্প ভারত ও ফ্রান্সের দক্ষতাকে এক সুতোয় গেঁথেছে।” ফ্রান্সে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত সঞ্জীব কুমার সিংলা বলেন, “এই মন্দিরটি (Swaminarayan Mandir) একটি অনন্য সহযোগিতার ফসল। ভারতে দক্ষ শিল্পীদের হাতে খোদাই করা এই পাথরগুলো এখানে ফ্রান্সের দক্ষ কারিগররা সংযোজন করবেন। এটি পবিত্র স্থাপত্যের দুটি মহান ঐতিহ্যের মিলন।” ফরাসি বিদেশ মন্ত্রকের ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত জঁ-ক্রিস্তফ পসেল মন্তব্য করে বলেন, “এই ধরনের মন্দির ফ্রান্সে এই প্রথম এবং এটি দুই দেশের মধ্যে আধ্যাত্মিক ও মানবিক সম্পর্কের একটি নতুন অধ্যায়।” ২০২৪ সালের জুনে এই মন্দিরের কাজ শুরু হয়েছে এবং ২০২৬ সালের মধ্যে এটি সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি ভারত ও ফ্রান্সের চিরস্থায়ী বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে।

  • Pakistan: “টয়লেট পরিষ্কার করার পর আমরা কীভাবে খেলতে পারি?” পাকিস্তান হকি ফেডারেশন সভপতির পদত্যাগ

    Pakistan: “টয়লেট পরিষ্কার করার পর আমরা কীভাবে খেলতে পারি?” পাকিস্তান হকি ফেডারেশন সভপতির পদত্যাগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান (Pakistan) হকিতে অত্যাশ্চর্য সংকটের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ফেডারেশনের (Hockey Federation) সভাপতি তারিক হুসেন বুগতি বৃহস্পতিবার পদত্যাগ করেছেন। অস্ট্রেলিয়ায় সাম্প্রতিক এফআইএইচ প্রোলিগ সফরে ফেডারেশনের পরিচালনার প্রকাশ্যে সমালোচনা করার জন্য জাতীয় দলের অধিনায়ক আম্মাদ শাকিল বাটকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পরপরই তিনি পদত্যাগ করেন। এই ঘটনায় শোরগোল পড়েছে।

    বুধবার পাকিস্তান পুরুষ হকি দল এফআইএইচ প্রো লিগের শেষে অস্ট্রেলিয়া থেকে লাহোরে ফিরে আসার পর বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে। সেখানে আর্জেন্টিনা এবং নেদারল্যান্ডসের মতো শীর্ষ দলগুলির কাছে খুব খারাপ ভাবে পরাজয়ের শিকার হতে হয়। আটটি ম্যাচের সবকটিতেই হারে পাকিস্তান।

    হোটেলে থাকা খাওয়ার জন্য টাকা দেওয়া হয়নি (Pakistan)

    পাকিস্তান (Pakistan) স্পোর্টস বোর্ড পিএসবিকে তহবিলের অব্যবস্থাপনা এবং বিদেশে দলের অপমানজনক অভিজ্ঞতার জন্য দায়ী করে বুগতি প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন তারিক হুসেন বুগতি। সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানে হকির জন্য ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করলেও এই টাকা পাকিস্তান স্পোর্টস বোর্ডের কাছেই রয়েছে। টাকা ঠিক করে খরচ করা হয়নি। বোর্ডে (Hockey Federation) বেশ কয়েকটি প্রশাসনিক সমস্যাও রয়েছে। পাকিস্তান স্পোর্টস বোর্ডের আর্থিক ব্যবস্থাপনা সঠিকভাবে করতে ব্যর্থ হয়েছে। দলের হোটেলে থাকা খাওয়ার জন্য সঠিক ভাবে টাকা দেওয়া হয়নি। আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি। ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরকে অস্ট্রেলিয়ায় প্রো লিগ চলাকালীন ঘটে যাওয়া পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করার জন্য অনুরোধ করছি।”

    বিল পরিশোধ না করার কারণে হোটেল থেকে বের করা হয়

    অপর দিকে পাকিস্তান (Pakistan) দলের অধিনায়ক আম্মাদ শাকিল বাট সংবাদিক সম্মেলনে পিএইচএফে ব্যর্থতার কারণ হিসেবে খেলোয়াড়দের মানসিক হয়রানিকে উল্লেখ করেছেন। হকি দলের অধিনায়ক (Hockey Federation) বাট বলেন, “বিল পরিশোধ না করার কারণে হোবার্টের হোটেল থেকে দলকে বের করিয়ে দেওয়া হয়েছিল। খেলোয়াড়দের লাগেজ নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে বাধ্য করা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, তারপরে একটি নিম্নমানের গেস্ট হাউসে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। সেখানে থালা-বাসন ধোয়া, টয়লেট পরিষ্কার করা সহ ম্যাচের আগে তুচ্ছ অনেক কাজ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। খেলোয়াড়দের মনোযোগ এবং কর্মক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করেছিল এই সব ঘটনা। টয়লেট পরিষ্কার করার পর আমরা কীভাবে খেলতে পারি?”

  • Bangladesh: ইউনূসের অপসারণের পর বাংলাদেশে ভিসা দ্রুত পুনরায় চালু করবে ভারত

    Bangladesh: ইউনূসের অপসারণের পর বাংলাদেশে ভিসা দ্রুত পুনরায় চালু করবে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি ও ঢাকার মধ্যে সম্পর্কের সবচেয়ে খারাপ সময় শেষ হওয়ার ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলেছে। বাংলাদেশে (Bangladesh) নিযুক্ত ভারতীয় কূটনীতিক (Diplomat Relations) সিলেটের সিনিয়র কনস্যুলার কর্মকর্তা অনিরুদ্ধ দাস বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে বলেছেন, “ভারত শীঘ্রই বাংলাদেশে সমস্ত ভিসা পরিষেবা চালু করবে। সমস্ত ভিসা পরিষেবা সম্পূর্ণরূপে পুনরুদ্ধারের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূসের রাজত্বে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত তিক্ততার পর্যায়ে পৌঁছে যায়। আওয়ামী লীগ সরকার এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকেই এই পরিস্থিতি অত্যন্ত তালানিতে যায়।

    সংস্কৃতি একই সুতোয় বোনা (Bangladesh)

    বৃহস্পতিবার সিলেট জেলা প্রেস ক্লাবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অনিরুদ্ধ দাস বিডিনিউজ২৪-কে বলেছেন, “ভারত-বাংলাদেশ (Bangladesh) সম্পর্ক পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্মানের উপর প্রতিষ্ঠিত। এখন মেডিকেল এবং ডাবল-এন্ট্রি ভিসা জারি করা হচ্ছে, এবং ভ্রমণ ভিসা সহ অন্যান্য বিভাগ পুনরায় চালু করার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এই স্থিতিশীল, ইতিবাচক এবং দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্কের (Diplomat Relations) ক্ষেত্রে উভয় দেশের সাধারণ মানুষই প্রধান অংশীদার হবেন। প্রাচীনকাল থেকেই আমাদের চিন্তাভাবনা, মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতি একই সুতোয় বোনা। তাই একে অপরের পরিপূরক সম্পর্ক নির্মাণে আগ্রহী।”

    আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার করণে বন্ধ ভিসা

    ২০০৯ সালে হাসিনার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে ভারতের সাথে বাংলাদেশের (Bangladesh) দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সবচেয়ে ভালো ছিল। নয়াদিল্লি হাসিনার শাসনব্যবস্থাকে সমর্থন করেছে। কিন্তু ২০২৪ সালের অগাস্ট মাসে মহম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের শাসনামলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক একেবারে তলানিতে পৌঁছায়। ইউনূসের শাসনামলে ভারত-বিরোধী মৌলবাদীদের কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। সেই সময় বাংলাদেশে ভারত-বিরোধী প্রচারণা তুঙ্গে ওঠে। ভারত সরকারের বিদেশমন্ত্রক আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার কথা ভেবে ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ থেকে বাংলাদেশে ভিসা পরিষেবা বন্ধ করে দেয়।

    ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রধান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। নরেন্দ্র মোদির প্রতিনিধি হয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি শপথ গ্রহণে গিয়েছিলেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে যথেষ্ট ইতিবাচক বৈঠক হয়। উভয় পক্ষই দীর্ঘ ইতিহাসের সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের (Diplomat Relations) জন্য কাজ করবে বলে আশ্বাস বিনিময়ও করেন।

    ভারত কেন বাংলাদেশে ভিসা পরিষেবা স্থগিত করেছিল?

    বাংলাদেশে (Bangladesh) জুলাই মাসের বিদ্রোহের মাঝামাঝি এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ থেকে বিতারিত হওয়ার পর ভারত প্রথমবারের মতো ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে ভিসা স্থগিত করে। অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করে বাংলাদেশের সমস্ত ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র (IVAC) এর কর্মকাণ্ড বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    ২০২৫ সালের শুরুর দিকে এবং ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে, ভিসা প্রদান ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়েছিল। ২০২৪ সালের আগস্টের আগে দৈনিক ইস্যু করা ভিসার সংখ্যা ৮,০০০ থেকে বর্তমানে কমে প্রায় ১,৫০০-এ দাঁড়িয়েছে। তবে ২০২৫ সালের নভেম্বরে ভিসা স্থগিতাদেশের পরবর্তী দফা শুরু হয়, যখন উগ্রপন্থী নেতা ওসমান হাদির মৃত্যুর পর ভারত বিরোধী বিক্ষোভ চরম আকার নিয়েছিল। ১৭ নভেম্বর ঢাকা আইভিএসি বন্ধ হয়ে যায়, তারপরে ২২ নভেম্বর চট্টগ্রাম, খুলনা এবং রাজশাহী কেন্দ্রগুলি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর এক তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নয়াদিল্লি, কলকাতা, আগরতলা এবং অন্যান্য কনস্যুলারগুলিতে ভিসা পরিষেবা (Diplomat Relations) স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয়।

  • Bangladesh: হিন্দু পুলিশকে খুন করেছিল বুক ফুলিয়ে! বিদেশে পালানোর পথে দিল্লিতে আটক, ঢাকায় ফেরত পাঠানো হল সেই মেহেদিকে

    Bangladesh: হিন্দু পুলিশকে খুন করেছিল বুক ফুলিয়ে! বিদেশে পালানোর পথে দিল্লিতে আটক, ঢাকায় ফেরত পাঠানো হল সেই মেহেদিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিতে নোবেল পেলেও অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বপালনে সম্পূর্ণ ভাবে ব্যর্থ ছিলেন ডক্টর মহম্মদ ইউনূস। ২০২৪ সালের ৫ অগাস্টে হাসিনাকে দেশ থেকে বিতাড়িত করার পর থেকেই বাংলাদেশে হিন্দু সমাজের উপর নেমে আসে বিরাট অত্যাচার। লুটপাট, খুন, ধর্ষণ, মন্দির ভাঙচুরের ঘটনা অতি সাধারণ বিষয়ে পরিণত হয়েছিল। সেই সময় যেসব হিন্দু পুলিশ অফিসারকে নৃশংস ভাবে হত্যা (Killing Hindu) করা হয়েছিল তাঁদের মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত ছিল আহমেদ রাজা হাসান মেহেদি। বুধবার অভিযুক্ত এই যুবককে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে আটক করে বাংলাদেশে (Bangladesh) ফেরত পাঠানো হয়েছে। সেফ ট্রানজিট হিসেবে ভারতকে ব্যবহার করতে গিয়ে ধরা পড়ে যায় এই খুনি।

    বুক ফুলিয়ে স্বীকার (Bangladesh)

    আহমেদ রাজা হাসান মেহদি হল সেই ব্যক্তি যে প্রকাশ্যে বুক ফুলিয়ে স্বীকার করেছিল হিন্দু পুলিশ অফিসারকে হত্যার (Killing Hindu) কথা। যেহেতু বাংলাদেশে বিএনপি সরকার গঠন করেছে তাই পুরনো খুন-হত্যার মামলার তদন্ত শুরু হতে পারে। এই আশঙ্কা এবং ভয়ে মেহেদি বাংলাদেশ (Bangladesh) থেকে অন্যত্র পালানোর চেষ্টা করছিল বলে জানা গিয়েছে। বাংলাদেশে জামায়েত ইসলামি (জামাত শিবির) এবং কট্টর মৌলবাদীরা যাকে জুলাইয়ের বিপ্লব বলছে, তা আদতে একটি বৃহৎ ষড়যন্ত্র ছিল। পুলিশ প্রশাসন, হাসিনার দল এবং সংখ্যালঘু হিন্দুদের প্রধান লক্ষ্যবস্তু হিসেবে আক্রমণ করে কট্টরপন্থীরা । গোটা বাংলাদেশের আর্থিক, সামাজিক অস্থিরতায় দেশের জনজীবনকে ব্যাপক ভাবে ভয়াবহতার দিকে নিয়ে চলে গিয়েছে। এই সব চক্রের পিছনে অন্যতম নেতৃত্ব ছিল আহমেদ রাজা হাসান মেহেদিরও।

    হত্যা করে দেহ গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়

    বাংলাদেশের (Bangladesh) হবিগঞ্জের স্টুডেন্ট কো-অর্ডিনেটর ছিল আহমেদ রাজা হাসান মেহেদি। ২০২৪ সালে সালের ৫ অগাস্ট বাংলাদেশ কোটা বিরোধিতার নামে উত্তাল হয়ে ওঠে। উন্মত্ত ছাত্র জনতার হাতে নির্মম ভাবে খুন হন বেনিয়াচ্যাং থানার সব ইনস্পেক্টর সন্তোষ চৌধুরী। হত্যা করে তাঁর দেহ গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান ছিলেন সন্তোষ। মাত্র ১০ মাস হয়েছিল বিবাহের। সন্তোষের মৃত্যুর তিনমাস পরে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। উল্লেখ্য মেহেদি নিজেই স্বীকার করেছিল, সে নিজে ওই পুলিশ অফিসারকে খুন করেছে। বাংলাদেশের একটি থানার ভিতরে বসে মেহেদির ওই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

    ‘‘সন্তোষকে জ্বালিয়ে দিয়েছিলাম’’

    মেহেদি বলেছিল, “বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম (Killing Hindu), এসআই সন্তোষকে (সন্তোষ চৌধুরী) জ্বালিয়ে দিয়েছিলাম।” ২০২৪ সালে থানায় বসে পুলিশের সামনে পুলিশ হত্যার কথা স্বীকার করে ভয়ের বাতাবরণ সৃষ্টি করেছিল মেহেদি। যদিও এই বক্তব্যের পর তাঁকে বাংলাদেশ পুলিশ গ্রেফতার করেছিল, তবে কিছুদিন পরেই জামিনে মুক্তি পেয়ে গিয়েছিল। এবার বাংলাদেশে পট-পরিবর্তন হওয়ায় ইউরোপে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল মেহেদি। সেই কারণে, ট্রানজিট করতে ভারতে এসেছিল। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দিল্লির ভিএফএস গ্লোবাল সেন্টারে এসেছিল মেহেদি। তার গন্তব্য ছিল ফিনল্যান্ডে। সেখানেই ভিসা আবেদন করতে আসে সে। এরপর সেখানেই তাকে অনেক চিনে ফেলেন। তার চলাফেরাকে ভিডিও রেকর্ড করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপরেই দিল্লি পুলিশের কাছে অভিযোগের ভিত্তিতে আটক করা হয় মেহেদিকে। তবে মেহেদির অভিযোগ, তাকে ফোন করে নাকি প্রচুর পরিমাণে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল।

    ধরা পড়ার পর মেহেদির বক্তব্য

    মেহেদির ভারত ও ইউরোপ ভ্রমণের পরিকল্পনা সম্পর্কে ভারতী সরকারের কাছে পূর্ব তথ্য ছিল। এর ভিত্তিতে, দিল্লি বিমানবন্দরের অভিবাসন বিভাগ  বিমান ওড়ার আগেই তাকে আটক করে। ইন্ডিয়া টুডের রিপোর্ট অনুসারে জানা গিয়েছে, বিমানবন্দরে রেকর্ড করা একটি ভিডিওতে মেহেদি অভিযোগ করে, আটকের সময় পুলিশ কর্মকর্তারা তার সঙ্গে  দুর্ব্যবহার করেছে। তাকে প্রায় ৪০ মিনিট পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছিল এবং তার ফোন পরীক্ষা করা হয়। বাংলাদেশে ফিরে আসার পর এই বিষয়ে আইনি ব্যবস্থাও নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেয় মেহেদি।

    ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ায় আটক

    জানা গিয়েছে, মেহেদি ভারতের পথ ধরে ইউরোপে পালিয়ে যাচ্ছিল। দিল্লি বিমানবন্দরে তাঁকে আটক করা হয়। ইমিগ্রেশনে আটক করে বাংলাদেশের ঢাকায় ফেরত পাঠানো হয় মেহেদিকে। বাংলাদেশ হাইকমিশনও মেহেদির ধরা পড়া এবং ঢাকায় (Bangladesh) ফেরত পাঠানোর বিষয়কে সুনিশ্চিত করেছে। আবার বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, দিল্লি বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন আধিকারিকরা তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর মেহেদিকে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এরপর তাকে দিল্লি পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। শেষে দিল্লি পুলিশ তাকে আটক করে নিরাপত্তা দিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়েছে। দিল্লি থেকে ইন্ডিগোর উড়ানে নাকি ঢাকায় ফেরে মেহেদি।  বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশের হাই কমিশনার।

LinkedIn
Share